Blog

  • পাইকগাছায় আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে

    পাইকগাছায় আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা, (খুলনা)।।
    পাইকগাছায় আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। আমন ধান কর্তন শুরু হয়েছে। উঁচু ক্ষেতের আমন ধান কর্তন ও ঝাড়াই চলছে। তবে নিচু ও মৎস্য লিজ ঘেরের কোন আমন ক্ষেতের ধানে ফুল ফুটছে, দুধ এসেছে ও কোন ক্ষেতের ধান সবুজ রং ধারণ করেছে মাত্রে। ২০ থেকে ২৫ দিন পরে এসব ক্ষেতের ধান কাটার উপযোগী হবে। তবে উচু ক্ষেতের ধান আগামী ১০/১২ দিনের মধ্যে কাটা সম্পন্ন হবে বলে কৃষকরা জানিয়েছে।
    বৈরি আবহাওয়ার জন্য কৃষকরা সময় মত আমনের আবাদ করতে পারেনি। কৃষকরা আগাম কিছু ক্ষেতে সেচ দিয়ে চারা রোপন করেছে আবার দেরিতে প্রচুর বৃস্টি হওয়ায় নাবি আবাদ করতে হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অন্য এলাকা থেকে উপকূল এলাকায় এক মাস পরে কৃষি কাজের পরিবেশ তৈরি হয়। আবহাওয়া জনিত কারণ ও মৎস্য লিজ ঘের গুলোতে দেরিতে আমনের আবাদ করা হয়। সে জন্য আমন ধান কাটাও দেরিতে শুরু হয়। নতুন আমন ধান আশানারূপ দামে বিক্রি হচ্ছে। নতুন আমন ধান মন প্রতি সাড়ে ১৪শ থেকে সাড়ে ১৫শ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে ধানের থেকে বিচুলীর চাহিদা থাকায় কৃষকরা বেশী লাভবান হচ্ছে।উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এ মৌসুমে উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় ১৫ হাজার ৪২৫ হেক্টর জমিতে আমন আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে উপজেলায় উঁচু ক্ষেত্রের প্রায় ৫ হাজার ৩শত হেক্টর জমির ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে। কর্তনকৃত ধানের হেক্টর প্রতি ফলন হাইব্রীড ৫.৯ মেট্রিকটন ও উফশী ৫.৬ মেট্রিকটন হারে ফলন পাওয়া যাচ্ছে। আর নাবিতে লাগানো ক্ষেতের ১০ ভাগ ধানে ফুল ধরেছে, ২০ ভাগ ক্ষেতের ধানে দুধ হয়েছে ও ৭০ ভাগ ক্ষেতের ধান কাচা ধারণ করেছে।

    উপজেলার গদাইপুর ইউনিয়নের হিতামপুর ব্লকের কৃষক আলাউদ্দিন, পুরাইকাটী ব্লকের কৃষক ফারুক হোসেন ও তোকিয়া ব্লকের কৃষক শফিকুল জানান, বৈরি আবহাওয়ার পরও তাদের ক্ষেতের আমনের ফলন ভালো হয়েছে। মটবাটি গ্রামের কৃষক আলাউদ্দিন বলেন, তার মৎস্য ঘেরে আবাদকৃত ক্ষেতের ধান সবে ফুল ধরেছে। তাছাড়া মাজড়া পোকা লাগায় অতিরিক্ত পরিচর্যা ও কীটনাশক ব্যবহার করতে হয়েছে। কিছু কিছু ক্ষেতের ধানে চিটার পরিমানও বেশী হচ্ছে। এতে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো: একরামুল ইসলাম জানান, আমনের ফলন ভাল হয়েছে। আবহাওয়ার কারণে কৃষকদের আমন আবাদ শুরু করতে কিছুটা দেরি হলেও পরে প্রচুর বৃষ্টিতে লবণাক্ত মাটি পরিশোধিত হওয়ায় আমনের ফলন ভাল হয়েছে।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা।

  • বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদেরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন

    বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদেরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি:

    বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া মডেল ইউনিয়নের ভারুকাঠি-নারায়ণপুর গ্রামের ৭১’র রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সোনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত অফিস সহকারি আব্দুল কাদের হাওলাদার (৭০) রোববার (১ ডিসেম্বর) সকাল ৮ টার দিকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। ব্রেন স্ট্রোকজনিত কারনে তিনি দীর্ঘদিন ধরে পক্ষাঘাতগ্রস্থ ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি তিন ছেলে, তিন মেয়ে ও দুই বোনসহ বহু গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। ঐদিন বাদ আসর উপজেলার গুঠিয়া মডেল ইউনিয়নের ভারুকাঠি-নারায়ণপুর গ্রামের বাড়িতে জানাজা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে পারিবারিক কবরস্থানে চির নিন্দ্রায় শায়িত করা হয়। এসময় উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আলী সুজা,থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুস সালাম,উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক সহকারি কমান্ডার আকরাম হোসাইন,বিএনপি নেতা শাহিন হাওলাদার ও বানারীপাড়া প্রেসক্লাব সভাপতি রাহাদ সুমন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এদিকে মহান বিজয়ের মাসের প্রথম দিন জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদের হাওলাদারের মৃত্যুতে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক,সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি।।

  • দুর্নীতি মুক্ত , সন্ত্রাস মুক্ত,শোষণ মুক্ত সম্প্রীতির বাংলাদেশ চাই…ডা.শফিকুর রহমান

    দুর্নীতি মুক্ত , সন্ত্রাস মুক্ত,শোষণ মুক্ত সম্প্রীতির বাংলাদেশ চাই…ডা.শফিকুর রহমান

    নেছারাবাদ উপজেলা প্রতিনিধি //

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা দুর্নীতি মুক্ত , সন্ত্রাস মুক্ত,শোষণ মুক্ত সম্প্রীতির বাংলাদেশ চাই । এ দেশে মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানদের দেশ আমরা মিলেমিশে বসবাস করবো। আমরা ফ্যাসিবাদদের মতো কোথাও পালিয়ে যাবো না। এ দেশ আমাদের, আমরা সকলে মিলেমিশে বাংলাদেশ গড়ে তুলবো।

    সোমবার (২ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টায় নেছারাবাদ উপজেলার জগন্নাথকাঠি বাজারে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত পথ সভার বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    শফিকুর রহমান আরো বলেন, “জাতি,ধর্ম,বর্ন নির্যাতিত মানুষের রক্তে ২৪ বিপ্লব হয়েছে। তাই এ কৃতিত্ব আমাদের কারো একার নয়। এটা মহান আল্লাহর রহমত। নির্যাতিত,নিপীড়িত নিগৃহীত মানুষের ডাকে সাড়ায় আল্লাহ আমাদের জুলুমের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। ২৪ বিপ্লব আমাদের সবার অংশগ্রহনে আমরা পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙ্গে মুক্ত হয়েছি। এ বিপ্লবে হাজার হাজার মানুষ প্রান দিয়েছেন। কেউ চিরতরে পঙ্গু হয়েছেন। কেউ হারিয়েছেন অঙ্গ। তাই এ দেশ হবে, মুসলিম,হিন্দু বৌদ্ধ,খ্রিস্টান সবার। এদেশে আমরা আর কোন রক্তপাত দেখতে চাইনা। যে লক্ষ্য নিয়ে দেশটা মুক্ত হয়েছে, সেই লক্ষে দেশটা হবে সন্ত্রাস,চাদাবাজ,র্দুনীতিমুক্ত একটা দেশ। তাই আসুন, আমরা সবাই মিলে একটা সুন্দর দেশ গড়ি”।

    এ সময় শফিকুর রহমানের সাথে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর ১ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী মাসুদ সাঈদী এবল শামীম সাঈদী সহ সিনিয়র নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা আমির তোফাজ্জল হোসাইন ফরিদ, নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুর রব, জেলা সেক্রেটারি মো জহিরুল হক। নেছারাবাদ উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, সেক্রেটারি মাওলানা মোঃ আবদুল রশিদ, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা মোঃ জহিরুল ইসলাম প্রমুখ।

    এরপর উপজেলার ঐতিহাসিক ছারছিনা দরবার শরীফে গিয়ে মাজার জিয়ারত করেন এবং দরবারে সকলের সাথে কুশল বিনিময় শেষে বানারীপাড়া উপজেলার উদ্দেশ্য যাত্রা করেন।

  • পাইকগাছায় প্রতিবন্ধীদের মাঝে বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ

    পাইকগাছায় প্রতিবন্ধীদের মাঝে বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।

    পাইকগাছায় আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস উপলক্ষ্যে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার, আর্থিক অনুদান ও সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার সকালে কাগজী বাসভবনে কাগজী প্রতিবন্ধী ট্রাস্ট ও প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফোরামের উপদেষ্টা রাশিদা জামান অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। কেএফডি ৯৮ ব্যাচের সার্বিক সহযোগিতা আয়োজিত অনুষ্ঠানে ১২ জন অস্বচ্ছল প্রতিবন্ধীর মাঝে হুইল চেয়ার, ৩ জন অসহায় প্রতিবন্ধীদের এসএসসি পরীক্ষার ফরম ফিলাপ ও পরীক্ষার সময় বৃদ্ধি অনুমোদনের ফিসহ প্রতিজনকে ৫ হাজার টাকা এবং একজন প্রতিবন্ধী পরিবারে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়। এসময় উপজেলা অভিভাবক ও প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি সাবেক ব্যাংকার প্রজিৎ কুমার রায়সহ সাংবাদিক ও উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, চেয়ারম্যান তুহিন নিজস্ব অর্থায়নে দীর্ঘদিন ধরে কাগুজী প্রতিবন্ধী কল্যান ট্রাস্ট পরিচালনার পাশাপাশি অসচ্ছল প্রতিবন্ধীদের ঘর করে দেওয়াসহ নিজ উপজেলার গন্ডি পেরিয়ে দক্ষিণ অঞ্চলের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিবন্ধীদের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • পাইকগাছায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে হাইব্রিড ধান বীজ বিতরণ

    পাইকগাছায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে হাইব্রিড ধান বীজ বিতরণ

    পাইকগাছা( খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে হাইব্রিড ধানের বীজ বিতরণ করা হয়েছে।
    ২০২৪ ২৫ অর্থবছরে রবি/ ২০২৪-২৫ মৌসুমে বোরো হাইব্রিড ধান ফসলের আবাদ এবং উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে এ বীজ বিতরণ করা হয়। সোমবার সকালে উপজেলা কৃষি অফিস চত্বরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহেরা নাজনীন। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ একরামুল হোসেন এর সভাপতিত্বে বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এসএম মনিরুল হুদা, সহকারী সম্প্রসারণ কর্মকর্তা শাহজাহান আলী, উপ-সহকারী উদ্ভিদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা বিশ্বজিত দাশ, উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা উত্তম কুমার কুন্ডু, আবুল কালাম আজাদ, শেখ তোফায়েল আহমেদ তুহিন, দেবদাস রায়, একরামুল হক, ইয়ামিন আলী, আফজাল হুসাইন, জাহান্নাতুল ফেরদৌস ও আকরাম হোসেন। কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ২ হাজার ৭ শত কৃষকের প্রত্যেক কে ২ কেজি করে বোরো হাইব্রিড ধানের বীজ বিতরণ করা হয়।

  • উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দের সাথে বিএনপির সভাপতির মতবিনিময়

    উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দের সাথে বিএনপির সভাপতির মতবিনিময়

    পাইকগাছা ( খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় করেছেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি ডাঃ মোঃ আব্দুল মজিদ। তিনি সোমবার সকালে জিরোপয়েন্টস্থ মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির কার্যালয়ে এ মতবিনিময় করেন। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি বদিউজ্জামাল সরদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি ডাঃ মোঃ আব্দুল মজিদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন পৌর বিএনপির আহবায়ক সেলিম রেজা লাকি, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক তুষার কান্তি মন্ডল। শিক্ষক বাবর আলী গোলদারের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন যুবদল নেতা হুরায়রা বাদশা, শহিদুর রহমান, শিক্ষকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মতিউর রহমান, শামসুর রহমান, আনিসুর রহমান, শিব শংকর,গাজী মোশাররফ হোসেন, সঞ্জয় কুমার মন্ডল, অঞ্জলি রানী শীল,শামীম হোসেন, মজিবর রহমান, সুব্রত কুমার, দীপক কুমার সরকার।

  • ইউএনও সভাপতি ও সাংবাদিক পত্নী  সদস্য পাইকগাছার কপিলমুনি কলেজের এডহক কমিটি গঠন

    ইউএনও সভাপতি ও সাংবাদিক পত্নী সদস্য পাইকগাছার কপিলমুনি কলেজের এডহক কমিটি গঠন

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছার ঐতিহ্যবাহী কপিলমুনি কলেজের কার্যক্রম সুষ্ঠভাবে পরিচালনা করার লক্ষ্যে এডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর কর্তৃক মনোনীত উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহেরা নাজনীনকে সভাপতি এবং সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী এস এম মুস্তাফিজুর রহমান পারভেজের সহধর্মীনি সাবরিনা শরমীন আজমীকে (স্বর্ণা) সদস্য করে ৫ সদস্যের এডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অনুমোদনক্রমে কলেজ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ আব্দুল হাই সিদ্দিক সরকার স্বাক্ষরিত পত্রে বিষয়টি জানানো হয়েছে। কমিটির অন্যান্যরা হলেন অধ্যক্ষ হাবিবুল্লাহ বাহার সদস্য সচিব, সভাপতি কর্তৃক মনোনীত প্রতিষ্ঠাতা ১ জন/ প্রতিষ্ঠাতা সদস্য না থাকলে দাতা ও হিতৈষীদের মধ্য থেকে একজন সদস্য। এছাড়া কলেজের প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে শিক্ষকদের মধ্য থেকে নির্বাচিত একজন সদস্য হবেন।

  • আবারও যেন রাজপথে নামতে পারি সেই লক্ষ্যে কাজ চলছে: পঞ্চগড়ে সারজিস

    আবারও যেন রাজপথে নামতে পারি সেই লক্ষ্যে কাজ চলছে: পঞ্চগড়ে সারজিস

     

    মোঃ বাবুল হোসেন. পঞ্চগড় :

    ছাত্র আন্দোলনের স্পিরিট ধরে রাখতে এবং সামনে কোনো সংকট তৈরি হলে ফের যেন রাজপথে নামা যায় সেই লক্ষ্যে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলম।

    রোববার (১ ডিসেম্বর) দুপুরের পঞ্চগড় সদর উপজেলায় শহীদ জিয়াউর রহমান ডিগ্রি কলেজ মাঠে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়ে তিনি এ কথা বলেন।

    সারজিস আলম বলেন, তরুণ প্রজন্ম ২০২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে যে স্পিরিট নিয়ে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছে, ওই স্পিরিট যেন থাকে, সামনে আবারও এমন সংকট তৈরি হলে তারা যেন ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নামতে পারে, এক সঙ্গে লড়াই করতে পারে, এই স্পিরিট ধরে রাখার জন্য আমরা দেশের বিভিন্ন এলাকায় কাজ করছি।

    তিনি আরও বলেন, আমরা বিভিন্ন এলাকার স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ শিক্ষকদের সঙ্গে পরিচিত হচ্ছি। স্কুল-কলেজের অসংখ্য সমস্যা ও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সেগুলো জানা এবং সম্ভব হলে আমাদের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা, সমস্যাগুলো দেশের সামনে তুলে ধরা। আমরা মনে করি, এগুলো আমাদের দায়িত্ব।

    সারজিস আলম বলেন, অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে নতুন বাংলাদেশ গড়া, সিস্টেমগুলো সংস্কার করার জন্য এসব বিষয় আসা জরুরি। সেই জায়গা থেকে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আমরা বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের প্রত্যেক জেলা-উপজেলায় এভাবে যাবো এবং আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্যের জায়গা থেকে কাজগুলো করবো।

    এসময় কলেজের শিক্ষার্থী ছাড়াও অধ্যক্ষ আনিছুর রহমান প্রধান, সাবেক সংসদ সদস্য রীনা পারভীন, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান তোফায়েল প্রধান, ছাত্র আন্দোলনের স্থানীয় সমন্বয়ক ফজলে রাব্বী, মোকাদেসুর রহমান সান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • নাগেশ্বরীতে রাতের আঁধারে ঘর তুলে সংখ্যালঘু পরিবারের জমি দখল

    নাগেশ্বরীতে রাতের আঁধারে ঘর তুলে সংখ্যালঘু পরিবারের জমি দখল

    এম এস সাগর,
    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

    নাগেশ্বরী শহরে রাতের আঁধারে ঘর তুলে জমি দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংখ্যালঘু এক হিন্দু পরিবার এর ন্যায় বিচার চেয়ে আদালতে দুটি মামলাসহ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। আদালতে মামলা করার পর থেকে হিন্দু সম্প্রদায়ের ভবেন চন্দ্র বর্মন তার পরিবার কে নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

    মামলা সূত্রে জানা গেছে, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলা সদরের চামটারপাড় (বুদ্ধিরমোড়) মহল্লার কবি চন্দ্র বর্মনের পুত্র ভবেন চন্দ্র বর্মন সদরের সাতানীপাড়া এলাকায় তাহার নিজ নামে ৬৮শতক জমি ১৯৮৬সালে মানিক উদ্দিন, রিয়াজ উদ্দিন, ইয়াকুব আলী গংয়ের কাছে ক্রয় করে দীর্ঘদিন ধরেই দখল ভোগ করে আসছে। যার জমির দলিল নং-৯৩৬৬/৮৬, ১৯৬৩/৮৭, ৫৯২৫/৮৮ ও ১৭৫৩/৮৯ মোট জমি ৬৫শতক এবং যার খারিজ খতিয়ান নং-২৫২৮, ২৫৯১, দাগ নং-৩৮৮৩, জেএল নং-২২, ২৮, মৌজা-পশ্চিম নাগেশ্বরী ও আরএস খতিয়ান নং-২২৭৩, দাগ নং-৪৫২১, ৪৫৩২, জেএল নং-১৮, মোট জমি ৬২শতক ৩৭পয়েন্ট। এই তপশীল বর্ণিত সম্পত্তিতে ধান চাষ করতেন ভবেন চন্দ্র বর্মনের পুত্র সুভাষ চন্দ্র বর্মন, কৃষ্ণ চন্দ্র বর্মন ও গোপাল চন্দ্র বর্মন। অভিযোগ রয়েছে মানিক উদ্দিন সিএস রেকর্ডের মালিক থাকাকালীন সময়ে মজু ব্যাপারীর শশুড় শমসের আলী মানিক উদ্দিন গংদের সমস্ত সম্পত্তি বর্গা করতেন। পরবর্তীতে এসএ রেকর্ড কালে শমসের আলী কৌশলে তার নিজ নামে সম্পত্তিগুলো রেকর্ড করেন। অতঃপর ১৯৭৭সালে মানিক উদ্দিন ভূমিদস্যু শমসের আলীর বিরুদ্ধে আদালতে রেকর্ড সংশোধনের মামলা করে ১৯৮০সালে রায় পান এবং মানিক উদ্দিন গংদের নামে এসএ রেকর্ড পূনঃসৃজন হয়। যাহার মামলা নং-১৫৩৭/১৯৭৭সালে রায় পান ১১এপ্রিল ১৯৮০সালে ও আপীল মামলা নং-১৬০/১৯৮৩ এবং শমসের আলী উক্ত রায়ের বিরুদ্ধে আপীল করেন যার মামলা নং-১৬০/১৯৮৩ এবং আপীল খারিজ হয়েছে ২১অক্টোবর ১৯৯০সাল। অতঃপর পুনরায় সানি করেন যার মামলা নং-৯/১৯৮৭সালে ও সানি খারিজ ৫জুলাই ১৯৯৭সালে।

    উক্ত জমি ভবেন চন্দ্র বর্মন ক্রয়ের পর থেকে বিনা-কাগজে জমি দাবি করাসহ দখলের পায়তারা করে আসছিলেন নাগেশ্বরী সদরের সাতানীপাড়া এলাকায় সাহাতুল্লা ব্যাপীরর ছেলে মজনু ব্যাপারী (মজু), শমসের আলীর ছেলে ও মেয়ে মোবারক আলী, আমিনা বেগম, ছমিনা বেগম, মালেকা বেগম, সেদ্দার আলীর স্ত্রী আকলিমা বেগম, ছোবেদ আলীর ছেলে আবুল হোসেন ও কাছুয়ার ছেলে মেছের আলী সংঘবদ্ধ গংরা। এর পর্যায়ে গত ৪মাস থেকে জমি দখল করতে ভবেন চন্দ্র বর্মনের পরিবারকে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছেন এবং গত ২০নভেম্বর ২৪সালে দিবাগত রাত অনুমানিক ২টায় উক্ত ভূমিদস্যুরা জমি জোরপূর্বক দখল করে টিনের বেড়ায় ঘিরে ভিতরে দুটি টিনের একচালা ঘর নির্মাণ করাসহ সুপারীর গাছ রোপণ করেন। এ বিষয়ে স্থানীয় নুরুল ইসলাম, আব্দুল হাকিম মিয়ার কাছে বিচার চান ভবেন চন্দ্র বর্মন। গত ২৩নভেম্বর শনিবার সকালে ভবেন চন্দ্র বর্মনের বাড়ীতে আব্দুল হাকিম মিয়ার সভাপতিত্বে একটি শালিসি বৈঠকে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তির উপস্থিতিতে ভবেন চন্দ্র বর্মনের আইনজীবী সোলায়মান আলী ও ইসমাইল হোসেন। বৈঠকে আইনজীবী শফিকুল ইসলাম চৌধুরী বাচ্চা, সোলায়মান আলী ও ইসমাইল হোসেন দুই পক্ষের জমির কাগজপত্র পর্যবেক্ষণ করে জনসম্মুখে বলেন এই জমির প্রকৃত মালিক ভবেন চন্দ্র বর্মন এবং মজু ব্যাপারী কে জমি থেকে সরে যাওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করাসহ ভবিষ্যত উক্ত জমির মালিকানা দাবি করতে পারবে না। এদিকে উক্ত শালিসি বৈঠক অমান্য করে ক্ষমতার অপব্যবহার করে মজনু ব্যাপারী (মজু) সহ প্রায় ১৫জন ভূমিদস্যুরা জমি জোরপূর্বক দখলে রাখেন। জমির প্রকৃত মালিক ভবেন চন্দ্র বর্মন ন্যায় বিচার চেয়ে বিজ্ঞ আদালতে নিষেধাজ্ঞা মামলা নম্বর-৫০৭/২৪ এবং ভবেন চন্দ্র বর্মনের ছেলে কৃষ্ণ চন্দ্র বর্মন বাদী হয়ে মামলা নম্বর-১৫৭/২৪ ভূমি অপরাধ ও প্রতিরোধ এবং প্রতিকার আইন-২০২৩ মোতাবেক মজনু ব্যাপারী (মজু) সহ ১৫জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। আদালতে মামলা করার পর থেকে হিন্দু সম্প্রদায়ের ভবেন চন্দ্র বর্মন তার পরিবার নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

    স্থানীয় হযরত আলী, সফি মিয়া, শাহাজাহান, খতিবর রহমান ও জব্বার মুন্সীসহ অনেকে বলেন, চামটারপাড় (বুদ্ধিরমোড়) মহল্লার ভবেন চন্দ্র বর্মন নাগেশ্বরী কলেজে চাকরিকালীন সময়ে অনেক কষ্টের বিনিময়ে মানিক উদ্দিন গংদের নিকটে জমি ক্রয় করেন এবং ভোগ-দখল করে আসছেন। তাদের জমির অনলাইন খারিজ খতিয়ানসহ সঠিক সকল কাগজ থাকার পরেও জোরপূর্বক সাতানীপাড়া এলাকার সাহাতুল্লা ব্যাপীরর ছেলে মজনু ব্যাপারী (মজু) গংরা বুধবার রাতের আধারে জমি জোরপূর্বক দখল করে টিনের বেড়া দিয়ে ঘিরে দুটি টিনের ঘর তুলে বড় বড় সুপারীর গাছ রোপণ করে। এ বিষয়ে স্থানীয়রা শালিসি-বৈঠক করলে মজু ব্যাপারী শালিস অমান্য করেন। হিন্দু সম্প্রদায়ের ভবেন চন্দ্র বর্মন ন্যায় বিচার চেয়ে আদালতে মজু ব্যাপরী গংয়ের বিরুদ্ধে মামলা করে ভবেন পরিবার নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

    জমির মালিক হিন্দু সম্প্রদায়ের বাদী ভবেন চন্দ্র বর্মন জানান, ১৯৮৬সালে মানিক উদ্দিন, রিয়াজ উদ্দিন, ইয়াকুব আলী গংয়ের কাছে জমি ক্রয় করে নেয়ার পর থেকে দখল ভোগ করে আসছে। জোরপূর্বক মজনু ব্যাপারী (মজু) গংরা বুধবার রাতের আধারে জমি দখল করে নেয় এবং শালিসও অমান্য করে। বিচারের পরদিন মজু ব্যাপারী গংরা ৪শতক জমি অথবা ৪লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। পরবর্তীতে ন্যায় বিচার চেয়ে আদালতে মজু ব্যাপরী গংয়ের বিরুদ্ধে মামলা করায় তাদের প্রাণনাশের হুমকিতে পরিবার নিয়ে সংশয় জীবন যাপন করে আসছে।
    নাগেশ্বরী হাজীপাড়ার শফিকুল ইসলাম সফি বলেন, প্রতিটি শালিসি বৈঠকে আমি ছিলাম। এই জমির প্রকৃত মালিক ভবেন চন্দ্র বর্মন। জোরপূর্বক জমি দখল করেছে মজু ব্যাপারী।

    আইনজীবী শফিকুল ইসলাম চৌধুরী বাচ্চা বলেন, দুই পক্ষের জমির কাগজপত্র পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায় এই জমির প্রকৃত মালিক ভবেন চন্দ্র বর্মন। বিজ্ঞ আদালতে মামলা চলছে এবং আদালতের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।

    আইনজীবী ইসলাম হোসেন বলেন, শালিসি-বৈঠকে প্রমাণিত হয়েছে যে এই জমির প্রকৃত মালিক ভবেন চন্দ্র বর্মন। জোরপূর্বক জমি দখলের বিষয়ে আদালতে মামলা চলছে।

    অভিযুক্ত মজনু ব্যাপরী (মজু) এর মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, জমির মালিক ভবেন চন্দ্র বর্মন ঠিক আছে। জোর যার মুল্লুক তার উত্তর দিয়ে ফোনটি কেটে দেন।

    কুড়িগ্রাম জেলা হিন্দু বৌদ্ধ ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অলক সরকার জানান, ভবেন চন্দ্র বর্মনের জমির কাগজ সঠিক রয়েছে। তারপরও রাতের অন্ধকারে হঠাৎ করে হিন্দু পরিবারটির জমি দখলের বিষয়টি আমি তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। সেইসঙ্গে বিষয়টি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার স্থানীয় ও ঊর্ধ্বতন প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

    এ বিষয়ে নাগেশ্বরী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মিজানুর রহমান জানান, জমা-জমির বিষয়ে আদালত থেকে তদন্ত সাপেক্ষে প্রতিবেদন দেওয়ার কাগজ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রতিবেদন দেওয়া হবে। আদালতের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।

  • কে এই মজিবর তৈরি করছেন নান্দনিক মসজিদ 

    কে এই মজিবর তৈরি করছেন নান্দনিক মসজিদ 

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড়ঃ সরকারি টাকা লুটপাট করে সেজেছেন দানবীর, তৈরি করছেন নান্দনিক মসজিদ।

    এলাকায় দানবীর হিসেবে পরিচিত কাস্টমসের সহকারি কমিশনার মজিবর রহমান। তার পিতৃ এলাকায় মসজিদ থাকতেও ৩৩ শতক জমির উপর বহুতল ভবনের নান্দনিক মসজিদ করেছেন তিনি। বিভিন্ন সময় এলাকার মসজিদ-মাদরাসা ও অসহায়দের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদানের কারণে জনপ্রিয়তাও রয়েছে তার। শনিবার (৩০ নভেম্বর)  সদর উপজেলার অমরখানা ইউনিয়নের বড়কামাত এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।মজিবর রহমান পঞ্চগড় সদর উপজেলার বড় কামাত এলাকার মৃত কমির উদ্দিনের ছেলে।

    তবে অনেক টাকার মালিক হওয়ায় এলাকার কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে রাজি হয়নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সচেতন মহল।

    এমন জনপ্রিয়তার মধ্যে তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।

    মসজিদের ইমাম সাইদুল ইসলাম বলেন, চারশ থেকে সাড়ে পাঁচশ লোক একসাথে নামায আদায় করা যাবে মসজিদটিতে।মতিয়ার রহমান বলেন,মসজিদের জমিসহ মজিবর রহমান তার টাকায় নির্মাণ করে দিয়েছেন। আর কেউ কোন টাকা দেয়নি।মকলেছার রহমান বলেন, মজিবর রহমান এলাকায় অনেক দান করে।যে যা চাইতো তাকে সেভাবে সাহায্য করেন তিনি।

    স্থানীয়রা জানান,মজিবর রহমান তার নামসহ ছেলে ও স্ত্রীর নামে ৫০-৫৫ বিঘা জমিতে চা বাগানসহ শত বিঘা জমিতে ফসল আবাদ করেন।কেউ কেউ তিনশত বিঘা জমি রয়েছে বলেও জানান। এছাড়া ঢাকা টঙ্গি ও যাত্রা বাড়ি এলাকায় বহুতল ভবন, পঞ্চগড় পুরাতন ক্যাম্প এলাকায় বহুতল ভবনের দুইতলার কাজ শেষ,তিন তলার কাজ চলমান,ব্যবহারের জন্য দুটি জীব গাড়ি।

    জানা যায়,এইচএসসি পাশ করে মজিবর রহমান জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অধীনে পিএ পদে ৯০- দশকে চাকরিতে যোগ দেন।পদোন্নতি পেয়ে সহকারি কমিশনার হয়ে ঢাকা কাকরাইল কাস্টমস রিস্ক মেনেজমেন্ট থেকে সম্প্রতি অবসরে গেছেন তিনি।