Blog

  • সাংবাদিক নৃপেণ বিশ্বাসের ২১ তম প্রয়ান দিবস 

    সাংবাদিক নৃপেণ বিশ্বাসের ২১ তম প্রয়ান দিবস 

    রায়হান মিয়া।।

    ৭ ডিসেম্বর ২০২৪ বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক, টিভি অনুষ্ঠান নির্মাতা, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও নাট্যকার নৃপেণ বিশ্বাসের ২১ তম প্রয়ান দিবস।

    এ উপলক্ষে নৃপেণ বিশ্বাস স্মৃতি সংসদ, ভূঞাপুর, ঘাটাইল ও গোপালপুর প্রেসক্লাব এবং তার পরিবার কর্মসূচি গ্রহণ করবে বলে নৃপেন বিশ্বাস স্মৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক রাজন বিশ্বাস নিশ্চিত করেছেন। কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে স্মরণ সভা, বিশেষ প্রার্থনা, প্রসাদ বিতরণ ও কৃর্তানুষ্ঠান।

    গাংচিল ও মুক্তকথা নামে দুটি লিটল ম্যাগাজিন আশির দশকে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা শহর থেকে প্রকাশিত হতো। বংশাই সাহিত্য সংসদের মুখপত্র ম্যাগাজিন দুটি যিনি সম্পাদনা করতেন তাঁর নাম নৃপেণ বিশ্বাস। সে সময় তিনি বংশাই সাহিত্য সংসদের সাধারণ সম্পাদক। তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই। ২০ বছর আগে ২০০৩ খ্রিস্টাব্দের ৭ ডিসেম্বর আজকে এই দিনে লিভার সিরোসিস-এ আক্রান্ত হয়ে ঢাকার গ্যাস্টোলিভার হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরলোকগমন করেন। সাংবাদিকতা, সাহিত্যচর্চা, অভিনয়, নাটক এবং অনুষ্ঠান নির্মাণের মাধ্যমে দেশ, জাঁতি ও সমাজকে তিনি যা দিয়েছেন তা নিঃসন্দেহে তাকে বাঁচিয়ে রাখবে। তার অম্লান স্মৃতি চির জাগরুক থাকবে- সাহিত্য-সংস্কৃতি ও সংবাদকর্মীদের মনের মণিকোঠায়।

    টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার নন্দনগাতি গ্রামে ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দে ২ ফেব্রুয়ারি নৃপেণ বিশ্বাস প্রথম পৃথিবীর আলো দেখেন। এরপর ধীরে ধীরে শৈশব, কৈশোর পাড়ি। নন্দনগাতি গ্রামের সেই শিশুটি হয়ে উঠেছিলেন জাতীয়ভাবে পরিচিত একজন সাংবাদিক, সাহিত্যিক, নাট্যকার ও অনুষ্ঠান নির্মাতা। যার ডাক নাম মঙ্গল। গ্রামের সবাই তাকে এ নামেই ডাকতো। বাবার নাম গোপাল বিশ্বাস, মা- মালতী বিশ্বাস।

    টাঙ্গাইল থেকে প্রকাশিত পাক্ষিক ‘ঝংকার’ পত্রিকার মাধ্যমে সাংবাদিকতা শুরু করেন নৃপেণ। ১৯৮০ খ্রিস্টাব্দ থেকে যেটি সাপ্তাহিক হিসেবে প্রকাশিত হতো। সে সময় ‘দৈনিক বাংলার বাণী’ পত্রিকায় ঘাটাইল থেকে নিজস্ব সংবাদদাতা হিসেবে কাজ করতেন তিনি।ঘাটাইলের সাংবাদিকতা ও সাহিত্য-সংস্কৃতির নানা ঘটনার সঙ্গে ছিল তার নিবিড় সম্পৃক্ততা।

    ১৯৭৮ খ্রিস্টাব্দে ঘাটাইল প্রেস ক্লাব গঠন হলে এর যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হন নৃপেণ। এরপর ১৯৮০ খ্রিস্টাব্দে তিনি সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। যে কয়েকজন ব্যক্তি সে সময় ঘাটাইলের সাহিত্য-সংস্কৃতি ও সাংবাদিকতা আন্দোলনে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন এবং যাদের কারণে সে সময় ঘাটাইলের সাহিত্য-সংস্কৃতি ও সাংবাদিকতার জাগরণ সৃষ্টি হয়েছিল তাদের মধ্যে নৃপেণ ছিলেন অগ্রণী ভূমিকায়। সেদিন তারা যে কর্মযজ্ঞ চালিয়েছিলেন তা চমক সৃষ্টি করেছিল ঘাটাইলের সুধীমহলে। তাদের সাহিত্য-সংস্কৃতি প্রেম যুগ যুগ ধরে উদাহরণ হয়ে থাকবে।

    ঘাটাইলের সাহিত্য জগতে তারা থাকবেন দৃষ্টান্ত হয়ে।নৃপেণ বিশ্বাসের সহযোদ্ধাদের মধ্যে হায়দার রহমান, আতা খন্দকার, এস আকবর খান ও জিন্নাহ- বিন- জয়েনউদ্দিন এর নাম উল্লেখযোগ্য।

    এ প্রসঙ্গে অনিবার্যভাবে আরেকজন সু-সাহিত্যিকের নাম এসেই যায় তিনি হলেন- কবি মুজাফ্ফর আলী তালুকদার। যিনি ঘাটাইলের সাহিত্যকর্মীদের অভিভাবক এবং নৃপেণ বিশ্বাসের পরম শ্রদ্ধেয়দের মধ্যে অন্যতম।আরো অনেক সাহিত্য-সংস্কৃতিপ্রেমির সমাবেশ ঘটেছিল বংশাই সাহিত্য সংসদকে কেন্দ্র করে। নৃপেণ বিশ্বাস সে সময় পৌরমুকুল একাডেমি নামে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখেন। যে প্রতিষ্ঠানটির সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে কিছুদিন শিক্ষকতা করেছেন।

    ১৯৮৬ খ্রিস্টাব্দে নৃপেণ ঢাকায় গিয়ে সাংবাদিকতা শুরু করেন। শুরু হয় বৃহত্তর পরিম-লে তার সাংবাদিকতা জীবনের নুতন অধ্যায় তারকালোক ও কিশোর তারকালোকে যোগদানের মধ্যদিয়ে সূচনা হয় তার ঢাকার সাংবাদিকতার জীবন। তাকে বিজ্ঞ সাংবাদিক বানানোর কুশলী ছিলেন ঘাটাইলের আরেক কৃতী সন্তান আরেফিন বাদল।নৃপেণ বিশ্বাস প্যাকেজ প্রোগ্রাম বিষয়ক জাতীয় সাপ্তাহিক ‘সবার জন্য পত্রিকা’ ও পাক্ষিক ‘তারকাবিচিত্রা’ পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে বেশ কিছুদিন দায়িত্ব পালন করেন।

    সাংবাদিকতা জীবনে ১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দে জুন মাসে দৈনিক আজকের কাগজের স্টাফ রির্পোটার হিসেবে যোগদান এক বিস্ময় ও চমক ছিল।তিনি ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তিনি বিটিভির অনুসন্ধানী প্রতিবেদনমূলক অনুষ্ঠান ‘পরিপ্রেক্ষিত’, সৈয়দ বোরহান কবীর পরিচালিত ‘প্রেক্ষাপট’ এবং ‘দ্বিতীয় পাতা’-এর সিনিয়র রিপোর্টার হিসেবে বেশ কিছুদিন কাজ করেছেন।

    তারকালোক পত্রিকার টিভি বিভাগের প্রধান, বাংলাদেশ টেলিভিশন ও এর বিভিন্ন অনুষ্ঠানের উপর গুরুত্বপূর্ণ রিপোর্টিং করেন। যা পাঠক মহলে প্রশংসা পেয়েছিল। ৯০ এর গণআন্দোলনের তদানিন্তন এরশাদ সরকারের মদদপুষ্ট বিটিভির কিছু কর্মকর্তার দুর্নীতি রিপোর্ট করে পাঠক মহলে সারা জাগিয়েছিলেন।সাংবাদিকতার পাশাপাশি সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চায় মনোনিবেশ করেন নৃপেণ।

    ছড়া, কবিতা, গল্প, উপন্যাস ও নাটক রচনায় তিনি ছিলেন সিদ্ধহস্ত। তার লেখা অনেকগুলো বই প্রকাশ হয়েছে। প্রকাশিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে উপন্যাস- কিশোরী কিংবা যুবতী (দীব্য প্রকাশনী), ভুল মানুষের ভালোবাসা (শিরিন পাবলিকেসন্স), কিশোর উপন্যাস- বানরখালীর ভুত (সযুতি প্রকাশনী) উল্লেখযোগ্য। বাংলাদেশ বেতারে তার লেখা একাধিক নাটক ও নাটিকা প্রচার হয়েছে। বেতারে মহানগর এবং আমাদের দেশ অনুষ্ঠানে তার লেখা প্রতিবেদন ও কথিকা দীর্ঘদিন সম্প্রচারিত হয়েছে।এক সময় সাংবাদিকতা ছেড়ে টিভি অনুষ্ঠান নির্মাণে ব্যস্ত হয়ে পড়েন নৃপেণ বিশ্বাস। নাটকসহ তার নির্মিত বিভিন্ন অনুষ্ঠান বিটিভি, এটিএন বাংলা, চ্যানেল আই ও এনটিভিতে সম্প্রচার হয়েছে। বিটিভিতে প্রচারিত নাটকগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- বিপ্রতিপ সময়, নয়নচারা ও ঘাট।

    বিটিভির জন্য তিনি একজন ‘ফেলু মামা’ নামে ৫২ পর্বের ধারাবাহিক নাটক নির্মাণে হাত দিয়েছিলেন। মৃত্যুর আগে বেশ কয়েকটি পর্বের কাজ শেষও করেছিলেন। এটিএন বাংলায় নিয়মিত কাজ করেছেন নৃপেণ। তার নির্মিত ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘সুতরাং’ একটি জনপ্রিয় ও সফল অনুষ্ঠান। এর ৮০টি পর্ব প্রচার হয়েছে। এই চ্যানেলে যাত্রী নামের একটি খ- নাটক প্রচার হয়েছে।এছাড়া ‘অজান্তে একদিন’ নামে ১০ পর্বের ধারাবাহিক নাটক ও শিশু-কিশোরদের জন্য নির্মিত ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘অভিষেক উৎসব’ নির্মাণ করেছিলেন। তার গ্রন্থনা ও পরিচালনায় দূর্গাপুজা উপলক্ষে দীর্ঘ ৪ বছর বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার হয়েছে।প্রয়াত কয়েকজন বিশিষ্ট শিল্পীকে নিয়ে বিশেষ অনুষ্ঠান, ফ্যাশন বিষয়ক ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ময়ূরী চতুরঙ্গ’ নামে ১০টি পর্ব প্রচার হয়েছে এটিএন বাংলায়।

    চ্যানেল আইয়ের জন্য তিনি বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠান নির্মাণ করেন। এরমধ্যে মোজাম্মেল হোসেন মিন্টু রচিত ৫ পর্বের ধারাবাহিক নাটক ‘আকাশের চোখে বৃষ্টি’ নির্মাণ করেছিলেন।তিনি অসুস্থ অবস্থায়ও এনটিভির জন্য দূর্গাপুজা উপলক্ষে বিশেষ আলেখ্যানুষ্ঠান ‘দূর্গা দূর্গাতিনাশিনী’ নির্মাণ করেন। ক্রিয়েটিভ প্লাস প্রযোজিত এ বিশেষ অনুষ্ঠানটি ২০০৩ খ্রিস্টাব্দের ৫ অক্টোবর রাত ৯ টায় ও ২০০৪ খ্রিস্টাব্দের ২৩ অক্টোবর রাত ৯:৩০ টায় প্রচারিত হয়।

    তিনি এ চ্যানেলের জন্য র্শিশু-কিশোরদের উপযোগী ‘হইচই’ নামের একটি ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান নির্মাণ করেন। তার নির্মিত বিজ্ঞাপন চিত্রও বিভিন্ন চ্যানেলে প্রচার হয়েছে। তিনি অনেকগুলো কোম্পানির ডকুমেন্ট নির্মাণ করে গেছেন। এরমধ্যে ‘সিনজেনটা’ ও সিনপার’ কোম্পানির ডকুমেন্ট নির্মাণ করে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। অন্য ডকুমেন্টগুলোর মধ্যে টাঙ্গাইলের তাঁত শিল্প, পেড়াবাড়ির চমচম, জামালপুরের কাশাশিল্প উল্লেখযোগ্য। ছাত্রজীবনের নৃপেণ বিশ্বাস মঞ্চ নাটকে অভিনয় করেছেন।

    এলাকার অনেক নাটক তার পরিকল্পনা ও নির্দেশনা এবং সার্বিক তত্ত্ববধানে সুচারুরূপে সম্পন্ন হয়েছে। তিনি জাতীয় পর্যায়ে বাংলাদেশ থিয়েটারে একজন অভিনেতা হিসেবে সুধী মহলে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন। তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনের বেশ কয়েকটি সাপ্তাহিক নাটক ও এটিএন বাংলার ধারাবাহিক নাটক গোয়েন্দা কাহিনীতেও সাংবাদিকের অভিনয় করে প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন।নৃপেণ বিশ্বাস সাংস্কৃতিক প্রতিবেদক হিসেবে তৃতীয় বাংলাদেশ ফিল্ম মুভমেন্ট পদক, গ্রন্থনা ও পরিকল্পনায় বিশেষ অবদানের জন্য খন্দকার গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ কর্তৃক পদক, মানবসেবা পুরস্কার, নাট্যনির্দেশক ও অনুষ্ঠান নির্মাতা হিসেবে পদকসহ অনেকগুলো পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছিলেন।

  • পঞ্চগড় সীমান্তে বিএসএফের গু-লিতে নিহ-ত ১

    পঞ্চগড় সীমান্তে বিএসএফের গু-লিতে নিহ-ত ১

    মোঃ বাবুল হোসেন.পঞ্চগড় ;

     ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে পঞ্চগড় সীমান্ত এলাকায় আনোয়ার হোসেন (৪০) নামে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন।

     

    শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) ভোরে সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের মোমিনপাড়া ও ভারতের শিংপাড়া সীমান্তের মেইন পিলার ৭৫১-এর ৮/৯ নম্বর সাব পিলারের মাঝামাঝি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত আনোয়ার জেলার তেতুঁলিয়া উপজেলার দেবনগর ইউনিয়নের দেবনগরের রফিকুল ইসলামের ছেলে।

    নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়ন সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে আনোয়ারসহ কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিক ভারতে যান। ভোরের দিকে ফেরার পথে ভারতীয় সীমান্তের ভেতরে বিএসএফের ৯৩ ব্যাটালিয়নের চানাকিয়া ক্যাম্পের সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালালে ঘটনাস্থলে মারা যান আনোয়ার। পরে তার মরদেহ নিয়ে যায় বিএসএফ সদস্যরা।

    বিজিবি জানায়, সীমান্তে গুলির শব্দ পেয়ে চোরাকারবারিদের প্রতিহত করার জন্য ৮ রাউন্ড ফাঁকা গুলি করেন ঘাগড়া বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা।

    নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল শেখ মোহাম্মদ বদরুদ্দোজা বলেন, এ ঘটনায় পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে মরদেহ ফেরত আনা হবে। এ ছাড়া এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানানো হবে।

  • বাংলাদেশের এক ইঞ্চি মাটিও কাউকে ছেড়ে দেব না : কেন্দ্রীয় জামায়াত আমির

    বাংলাদেশের এক ইঞ্চি মাটিও কাউকে ছেড়ে দেব না : কেন্দ্রীয় জামায়াত আমির

     কুমিল্লা থেকে মোঃতরিকুল ইসলাম তরুণ,

    বাংলাদেশের এক ইঞ্চি জায়গাও আমরা কাউকে ছাড় দিবো না, কোনো আগ্রাসন সহ্য করা হবে না। বাংলাদেশ প্রশ্নে আমরা সবাই এক। পতিবেশী রাষ্ট্র ভারত বাংলাদেশ বিরুদ্ধে অপপ্রচার করে যাচ্ছে, ষড়যন্ত্র করে এদেশের গনতন্ত্র তালাবন্ধ রেখেছিল ১৬ বছর।তাদের
    সব ধরনের উসকানি কিংবা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আমরা সবসময় এক হয়ে লড়াই চালিয়ে যাবো বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।
    শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) সকালে কু‌মিল্লা টাউন হল মাঠে অনুষ্ঠিত মহানগর জামায়াতের কর্মী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
    জামায়াতের আমির বলেন, সংখ্যালঘু শব্দ ব্যবহার করে একটি গোষ্ঠী দেশের বাইরে থেকে নিজেদের উদ্দেশ্যে হাসিল করতে চায়। বিভিন্ন উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে চায়। কিন্তু সেটা কখনোই সম্ভব হবে না। আমরা সবাই এক হয়ে লড়াই করবো। এ দেশের এক ইঞ্চি জমিও আমরা কাউকে ছাড় দেবো না। আমরা কোন আগ্রাসন সহ‌্য করবো না।

     কর্মী সভায় আরও বক্তব্য রাখেন সাবেক এম‌পি ও জামায়াতে ইসলামের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মু. তাহের, জামায়াতে ইসলাম কুমিল্লা মহানগরীর আমির ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য কাজী দ্বীন মোহাম্মদ, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ টি এম মাছুম, মাওলানা আব্দুল হালিম, সাবেক চাকসু ভি‌পি ও কেন্দ্রীয় কর্মপ‌রিষদ সদস‌্য এড জ‌সিম উদ্দিন সরকার, কু‌মিল্লা উত্তর জেলা আমীর অধ‌্যাপক আবদুল ম‌তিনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

     উল্লেখ্য, এর আগে সবশেষ ২০০৫ সালে কুমিল্লায় জামায়াত ইসলামীর কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির ও সাবেক শিল্পমন্ত্রী মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী।

  • চারঘাটে বিলুপ্তির পথে বাঁশ ও বেত শিল্প

    চারঘাটে বিলুপ্তির পথে বাঁশ ও বেত শিল্প

    মোজাম্মেল হক, চারঘাট থেকেঃ

    আধুনিকতার ছোঁয়ায় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যের বাঁশ ও বেত শিল্প আজ প্রায় বিলুপ্ত হতে চলেছে। এ শিল্পের সঙ্গে যেসব শ্রমিক জড়িত তারা আজ পেশা পাল্টাতে শুরু করেছেন। এ পেশায় নিয়োজিত শ্রমিকরা বর্তমান বাজারের প্লাস্টিক ও অন্য সব দ্রব্য সামগ্রীর সঙ্গে পাল্লা দিতে না পেরে নির্বিকার হয়ে পড়েছেন। ফলে এ শিল্পের ঐতিহ্য হারানোর পাশাপাশি রাজশাহীর চারঘাটে কুটির শিল্পে জড়িতদের ভাগ্যে নেমে এসেছে চরম দুর্দিন। 

    এক সময় ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত গ্রামীণ পল্লিতে বাঁশের চটা দিয়ে চাটাই, কুলা, ডালা, চাঙারি, টুকরি, ওড়া, চালুনি, মাছ রাখার খালই, পলই, খোলসন, ঝুঁড়ি ও হাঁস-মুরগির খাঁচাসহ বিভিন্ন জিনিস তৈরি করা হতো। পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও এ কাজে সামিল হতো। আর হাটবারে স্থানীয় বাজারে এমনকি বাড়ি বাড়ি ফেরি করে এসব বাঁশ-বেতের পণ্য বিক্রি হতো। কিন্তু কালের বিবর্তনে ব্যবধানে এ শিল্পের মূল উপকরণ বাঁশের মূল্য বৃদ্ধিতে বাঁশ-বেতের কারিগররা তাদের পেশা ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে। ফলে বেকার হয়ে পড়েছে গ্রামীণ কারিগররা।

    শুক্রবার সকালে সরজমিনে উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্লাস্টিক সামগ্রীর কদর দিন দিন বেড়ে যাওয়ায় বাঁশ-বেতের কুটির শিল্পের চাহিদা এখন আর নেই। তা ছাড়াও এ শিল্পের কাঁচামাল বাঁশ ও বেত এখন আর সহজলভ্য নয়। বাজারগুলো দখল করেছে প্লাস্টিক ও এ্যালুম্যানিয়াম। অনেকে আবার দীর্ঘদিনের বাপ-দাদার এই পেশা ছেড়ে অন্য পেশার দিকে ছুটছে। তবে শত অভাব অনটনের মধ্যেও হাতে গোনা কয়েকটি পরিবার আজও পৈতৃক এই পেশাটি ধরে রেখেছেন।

    উপজেলার কেজিপুর গ্রামের আলী হোসেন বলেন, বাপ-দাদার পেশা তাই আকড়ে ধরে আছি। ছেলেমেয়েরা এখন আর এ পেশায় কাজ করতে চায় না। এতে পরিশ্রম বেশি, লাভ কম। আগের মতো চাহিদাও নেই। বর্তমান সময়ে দ্রব্যমূলের দাম বেশি হওয়ায়, স্বল্প আয়ের এ পেশায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে।

    বাজারে বাঁশ ও বেতের তৈরি পণ্য বিক্রি করতে আসা কারিগর আব্দুল বারী জানান, তারা নিজেরাই দীর্ঘদিন ধরে বাঁশ ও বেতের তৈরি বিভিন্ন পণ্য হাটে গিয়ে বিক্রি করে আসছেন। অতীতে বাজার যেভাবে চলছিল তা ভালোই চলছিল। বর্তমানে বাজারে বাঁশ ও বেতের তৈরি পণ্যে ক্রেতাদের চাহিদা কমে যাওয়া এতে তেমন কোনো লাভ হয় না। তাই জীবনধারণ করা অনেক কষ্টের হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    বাঁশ-বেতে তৈরি জিনিসের স্থানীয় পাইকারী ক্রেতা রুবেল আলী বলেন, এক সময় প্রত্যেক বাড়িতেই বাঁশের তৈরি জিনিসপত্রের ব্যবহার ছিল। চাহিদাও ছিল ব্যাপক। বর্তমান প্লাস্টিক পণ্যের সাথে প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে মুখ থুবড়ে পড়ছে বাংলার ঐতিহ্যবাহী এ শিল্প বলে তিনি জানান।

    মোঃ মোজাম্মেল হক
    চারঘাট, রাজশাহী।

  • হাট বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনে ইমদাদুল সভাপতি-মিজু সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত

    হাট বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনে ইমদাদুল সভাপতি-মিজু সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত

    আমিরুল ইসলাম কবির,
    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলা হাট বাজার ব্যবসায়ী সমিতি (রেজিঃ নং-২৬৭০)’র ত্রি বার্ষিক সাধারণ নির্বাচনে চুড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচনের ফলাফলে- সভাপতি পদে মমিরুল ইসলাম ইমদাদুল (আনারস) প্রতীকে ৪৮৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার সাথে প্রতিদ্বন্দী প্রার্থীদের মধ্যে শাহ জাহান মন্ডল (চেয়ার) প্রতীকে পেয়েছেন ৪৬০ ভোট ও নুরে আলম সিদ্দিকি জিল্লু (ছাতা) প্রতীকে পেয়েছেন ৭৩ ভোট।

    সাধারণ সম্পাদক পদে মিজানুর রহমান মিজু (দোয়াত কলম) প্রতীকে ৪৬২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী হিসাবে গোলাম মওলা (হাতী) প্রতীকে পেয়েছেন ৩০৯ ভোট ও আমিনুল ইসলাম নান্নু (ফুটবল) প্রতীকে পেয়েছেন ২৩৯ ভোট। সহ সাধারণ সম্পাদক পদে রবিউল ইসলাম (গরু/ষাঁড়) প্রতীকে ৭১১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী লুৎফর রহমান লিপন (বাঘ) প্রতীকে পেয়েছেন ১২৬ ভোট । ক্রীড়া সম্পাদক পদে নুরুন্নবী আহম্মেদ সুজন (মোটরসাইকেল) প্রতীকে ৪৮১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী খন্দকাল মো. খায়রুল বাসার (খেজুর গাছ) প্রতীকে পেয়েছেন ৪৫৫ ভোট।

    শান্তিপুর্ন পরিবেশে পলাশবাড়ী উপজেলা হাট বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনে আইন শৃংখলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করেন পলাশবাড়ী থানা পুলিশ ও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা।

    ৫ই ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ৮ হতে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত চলে ভোট গ্রহন। ঐতিহ্যবাহী কালিবাড়ী হাট বাজার ব্যবসায়ী সমিতির কার্যালয়ে নির্বাচনে ভোট গ্রহণ করা হয়। ভোট গ্রহন শেষে ভোট গণনা করে রাতেই ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এ নির্বাচনে মোট ভোটার ১ হাজার ২’শ ২২ জন । নির্বাচনে ১১টি পদের মধ্যে ইতিমধ্যে ৭টি পদের প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। বাকী ৪টি পদের নির্বাচনের জন্য মোট ১০ জন প্রার্থী ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দিতা করেন। নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসাবে মাহমুদ হাসান ও প্রিজাইডিং অফিসার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন মুনছুর আলী।

    উল্লেখ্য,পলাশবাড়ী উপজেলা হাট বাজার ব্যবসায়ী সমিতির ত্রি বার্ষিক সাধারণ নির্বাচনে ১১ টি পদের মধ্যে ৭ টি পদে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তারা হলেন,সহ সভাপতি পদে মো. আব্দুস সালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মোজাহিদ মুন্সি,ধর্মীয় সম্পাদক পদে হাফেজ মো. আশরাফুল ইসলাম,দপ্তর সম্পাদক পদে আশরাফুল ইসলাম,অর্থ সম্পাদক পদে খোরশেদ আলম,প্রচার সম্পাদক পদে মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তা,কার্যকরী সদস্য পদে মিলন মিয়া।

    পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন,বগুড়া আঞ্চলিক শ্রম দপ্তরের সহকারী পরিচালক খালেদা জাহান ও গাইবান্ধা শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রের শ্রম কল্যাণ সংগঠক মো. নাছির উদ্দীন।।

  • কোর অব মিলিটারী পুলিশ এর বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন-২০২৪

    কোর অব মিলিটারী পুলিশ এর বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন-২০২৪

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

    ঢাকা, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৪ (বৃহস্পতিবার): আজ (০৫ ডিসেম্বর ২০২৪) সাভার সেনানিবাসস্থ কোর অব মিলিটারী পুলিশ সেন্টার এন্ড স্কুল (সিএমপিসিএন্ডএস) এ কোর অব মিলিটারী পুলিশ এর বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন-২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, এসবিপি, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি। সেনাবাহিনী প্রধান কোর অব মিলিটারী পুলিশ সেন্টার এন্ড স্কুল এ পৌছালে তাকে জিওসি, আর্মি ট্রেনিং এন্ড ডকট্রিন কমান্ড; জিওসি, ৯ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, সাভার এরিয়া এবং কমান্ড্যান্ট, কোর অব মিলিটারী পুলিশ সেন্টার এন্ড স্কুল অভ্যর্থনা জানান।

    সেনাবাহিনী প্রধান বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলনে উপস্থিত কোর অব মিলিটারী পুলিশের অধিনায়কগণ ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন এবং এ কোরের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, গবেষণা, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন। একই সাথে তিনি স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী কোর অব মিলিটারী পুলিশের বীর সেনানীসহ সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের। পাশাপাশি সেনাবাহিনীর শৃঙ্খলা এবং নিরাপত্তা রক্ষায় কোর অব মিলিটারী পুলিশের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য এবং দেশমাতৃকার সেবায় এই কোরের অবদানের কথা উল্লেখ করেন। এছাড়াও, আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে কোর অব মিলিটারী পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং কোরের প্রতিটি সদস্যকে অভিনন্দন জানান।

    উক্ত অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর চীফ অব জেনারেল স্টাফ; জিওসি, আর্মি ট্রেনিং এন্ড ডকট্রিন কমান্ড; জিওসি, ৯ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, সাভার এরিয়া; সেনাবাহিনীর এ্যাডজুটেন্ট জেনারেল; সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাগণ; বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সকল সিএমপি ইউনিটসমূহের অধিনায়কগণ এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

  • রংপুর ও গাইবান্ধা জেলায় বিএসটিআই’র সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনা

    রংপুর ও গাইবান্ধা জেলায় বিএসটিআই’র সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনা

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

    বিএসটিআই বিভাগীয় অফিস, রংপুর এর উদ্দ্যোগে গত ০৫.১২.২০২৪ খ্রিঃ তারিখে প্রকৌশলী মোঃ জাহিদুর রহমান, সহকারী পরিচালক (সিএম) এর নেতৃত্বে রংপুর ও গাইবান্ধা জেলায় সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনা করা হয়। উক্ত অভিযানে আরও ছিলেন প্রকৌশলী মোঃ তাওহিদ-আল-আমিন, ফিল্ড অফিসার (সিএম)।
    উক্ত অভিযানে যে সকল প্রতিষ্ঠানকে দ্রুত সিএম লাইসেন্স গ্রহণ/নবায়ন এবং গুণগত মানের পণ্য উৎপাদনের পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে
    ১। জুই ব্রিকস (ঔটও), তালুক ইশাদ, পীরগাছা, রংপুর।
    ২। দুধিয়াগাড়ী গ্রীন ব্রিকস (উএই), দুধিয়াগাড়ী, পীরগাছা, রংপুর।
    ৩। মাইশা নিটল ব্রিকস (গঘই), ওমর খা, কৈকুড়ী, পীরগাছা, রংপুর।
    ২১। চৈতালী ব্রিকস-১ (গঈই), ঢোলভাঙ্গা, পলাশবাড়ী, গাইবান্ধা।
    ২৩। চৈতালী ব্রিকস-৩ (গঈই), ঢোলভাঙ্গা, পলাশবাড়ী, গাইবান্ধা।
    ২৪। আলটা ব্রিকস (অখঞঅ), সাকোয়া, ঢোলভাঙ্গা, পলাশবাড়ী, গাইবান্ধা।
    ২৫। বাদশা ইটভাটা (ইইঋ), সাকোয়া, ঢোলভাঙ্গা, পলাশবাড়ী, গাইবান্ধা।
    ২৬। হাবিব ব্রিকস (গঐই), ঢোলভাঙ্গা, পলাশবাড়ী, গাইবান্ধা।
    ১৮। এস এন আর ব্রিকস (ঝঘজ), বিষ্ণপুর, তুলসীঘাট, সদর, গাইবান্ধা।
    ১৯। খান ব্রিকস (গকই), তুলসীঘাট, ফলিমারি, সদর, গাইবান্ধা।
    ২০। এন এস এল ব্রিকস (ঘঝখ), বল্লমঝাড়, তুলসীঘাট, সদর, গাইবান্ধা।
    ২৮। এ এম ই ব্রিকস (অগঊ), পুরাতন বাদিয়াখালী, সদর, গাইবান্ধা।
    ৩০। বি এম কে ব্রিকস (ইগক), রিফাইতপুর, বাদিয়াখালী, সদর, গাইবান্ধা।
    ১২। আর এন্ড এস ব্রিকস (জ্ঝ), তরফ বাজিত, সাদুল্লাপুর, গাইবান্ধা।
    ১৩। মৌচাক দই ঘর, তরফ বাজিত, সাদুল্লাপুর, গাইবান্ধা।
    ১৪। শেখ দই ঘর, তরফবাজিত, সাদুল্লাপুর, গাইবান্ধা।
    ১৫। এস আই বি ব্রিকস (ঝওই), কিশামত শেরপুর, সাদুল্লাপুর, গাইবান্ধা।
    ১৬। এ জেড ব্রিকস (অতই) বদলাগাড়ী, ইদ্রাকপুর, সাদুল্লাপুর, গাইবান্ধা।
    ১৭। এম এ বি ব্রিকস(গঅই), বদলাগাড়ী, সাদুল্লাপুর, গাইবান্ধা।
    ২২। চৈতালী ব্রিকস-২(গঈই), বড় গোপালপুর, সাদুল্লাপুর, গাইবান্ধা।
    ৪। বান্না ব্রিকস (ইগই),মতিনপুর, সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা।
    ৫। হিমেল ব্রিকস (গঐই), মন্মথ, বামনডাঙ্গা, সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা।
    ৬। মায়াজ রুহান ব্রিকস (গজই), পশ্চিম শিবরাম, সোনারায়, সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা।
    ৭। হোপ এগ্রো লিমিটেড (ঐঅই), শিবরাম, সোনারায়, সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা।
    ৮। মা বাবার দোয়া ব্রিকস (গউই), পশ্চিম শিবরাম, ফলগাছা, সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা।
    ৯। মা বাবার দোয়া ব্রিকস (গইউ), উত্তর শাহবাজ, বামনডাঙ্গা, সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা।
    ১০। কে এন এম ব্রিকস (কঘগ), কিশামাত, সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা।
    ১১। মামুন এন্টারপ্রাইজ (ঋকগ) ব্রিকস, তালুক সর্বানন্দ, সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা।
    ২৭। আর এ বি ব্রিকস (জঅই), কালির বাজার রোড, ফুলছড়ি, গাইবান্ধা।
    ২৯। বি এম কে-২ ব্রিকস (ইগক), টেপা পদুমশহর, বোনারপারা রোড, সাঘাটা, গাইবান্ধা।

    জনস্বার্থে বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর এর এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • স্বরূপকাঠিতে প্রতারণার অভিযোগে পুলিশ সদস্য গ্রেফতার

    স্বরূপকাঠিতে প্রতারণার অভিযোগে পুলিশ সদস্য গ্রেফতার

    আনোয়ার হোসেন,

    স্বরূপকাঠি (পিরোজপুর) সংবাদদাতা//

    স্বরূপকাঠিতে প্রতারনার অভিযোগে জাহিদ বকাউল (২৫)নামে এক পুলিশ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার (পুলিশ আইডি বিপি ৯৯১৮২১৫৭৯৮) । স্বরূপকাঠি বাজারের আনহা সুপারশপ বিকাশ ও ফ্লাক্সিলোডে ব্যবসায়ী মো. হুসাইনের দায়ের করা অভিযোগের প্রেক্ষিতে গতকাল বৃহস্পতিবার পিরোজপুর থেকে তাকে আটক করা হয়। তার বিরুদ্ধে নেছারাবাদ থানায় নিয়মিত মামলা রজু করা হয়েছে। পুলিশ তাকে পিরোজপুর আদালতে পাঠিয়েছে।

    বিবরনে জানাগেছে,পুলিশ সদস্য জাহিদ বকাউল গত ২৯ নভেম্বর ছারছীনা শরীফের মাহফিলে ডিউটি করার জন্য এসে স্বরূপকাঠি বাজারের আনহা সুপারশপ, বিকাশ ও ফ্লাক্সিলোড ব্যবসায়ী মো. হুসাইনের দোকান থেকে দু’টি বিকাশ নাম্বারে ২১ হাজার ৮০০টাকা নেয়। তখন দোকানী টাকা চাইলে বলে ডিউটি শেষ করে টাকা দিতেছি। এক পর্যায়ে টাকা না দিয়ে চলে যেতে চাইলে জাহিদ বিষয়টি থানায় জানায়। পুলিশ তদন্ত সাপেক্ষে তাকে আটক করে।

    উল্লেখ্য সে একই ভাবে শতাব্দি টেলিকম থেকে ২০ হাজার,বাস ষ্ট্যান্ডের রিমন আহম্মেদের দোকান থেকে ৩৪ হাজার ৩০০ টাকা নিয়েছে বলে জানা গেছে।

    নেছারাবাদ থানার ওসি মো. বনি আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রজু করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

  • নড়াইলে হালকা শীতের আমেজে দেদারছে বিক্রি হচ্ছে অতিথি পাখি

    নড়াইলে হালকা শীতের আমেজে দেদারছে বিক্রি হচ্ছে অতিথি পাখি

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলে ফোন করলেই বাড়ি বাড়ি পৌঁছে যায় অতিথি পাখি। নড়াইলের বিল ও জলাশয়গুলোতে হালকা শীতের আমেজে প্রতিবছরের মতো দল বেঁধে আসতে শুরু করেছে অতিথি পাখিরা। পানি কমে আসা বিল ও জলাশয়গুলোতে খাবারের সন্ধানে ঝাঁকে ঝাঁকে অতিথি পাখির সঙ্গে আসছে দেশীয় প্রজাতির পাখিও। আর এই সুযোগে ফাঁদ পেতে নির্বিচারে পাখি নিধন করছে অসাধু শিকারিরা। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, এসব পাখির একটা বড় অংশ বিষটপ, জাল, বড়শিতে আটকে শিকারের খাঁচায় বন্দি হচ্ছে। সেগুলো আবার দেদার বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন এলাকার হাটে-বাজারে। এমনকি মুঠোফোনে অর্ডার করলেই যথারীতি একটু গোপনে ব্যাগভর্তি করে মোটরসাইকেলে ক্রেতার বাড়ি বাড়ি পৌঁছে যাচ্ছে অতিথি পাখি।
    জানা যায়, মূলত নভেম্বর মাস থেকে শুরু করে মার্চ-এপ্রিল মাস পর্যন্ত অবস্থান করে এসব পাখি। শীত শেষ হলে আবার ফিরে যায় তারা। এবছরও ব্যতিক্রম ঘটেনি। অন্যান্য বছরের মতো এবারও মাছে বিষটপ, জাল ও বড়শি দেওয়ার পাশাপাশি প্রযুক্তির ফাঁদ পেতে অভিনব কৌশলে পাখি শিকার করছে তারা।
    এ বছর শীতের আগেভাগেই নড়াইলের চাঁচুড়ী বিল, পাটেশ্বরী বিল, ইছামতি বিল, কাড়ার বিল, নলামারা বিল, কুমড়ি-তালবাড়িয়া বিল, পাঁচুড়িয়া বিল, গোপালপুর-বগুড়ার বিল, জলাশয় ও হাজার হাজার চিংড়ি ঘের এলাকায় অতিথি পাখির কলকাকলিতে মুখরিত হয়ে উঠছে। মূলত এসব জলাশয়ে শীত মৌসুমে অল্প পানিতে মাছ শিকারের জন্য অসংখ্য পাখি আসে। বিদেশি পাখিদের সঙ্গে থাকে-বালি হাঁস, কালকোচ, কায়েম, ডুঙ্কর, পানকৌড়ি, পাতাড়ি হাঁস, হাঁস ডিঙ্গি, কাদা খোঁচা, খয়রা, চেগা, কাচিচোরা, মদনটাক, শামুখখোলা ও বকসহ নানা প্রজাতির পাখি। বিকাল থেকেই বিভিন্ন প্রজাতির এসব পাখি দল বেঁধে বিল এলাকায় গিয়ে খাদ্য সংগ্রহে নেমে পড়ে। আর সেখানে আগে থেকেই ওৎ পেতে থাকে শিকারি চক্র। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, যেখানে পাখিদের আনাগোনা বেশি সেসব বিল ও জলাশয়ের বৃহৎ এলাকাজুড়ে জালের ফাঁদ পাতে শিকারি চক্র। এরপর অতিথি পাখিদের ডাউনলোড করা ডাক পোর্টেবল সাউন্ড-বক্সে ঢুকিয়ে বাজানো শুরু করে। আর ওই ডাক শুনে সতীর্থদের নিরাপদ অবস্থান মনে করে শিকারির পাতা ফাঁদে নামতে শুরু করে অতিথি পাখিরা। আর এভাবে অভিনব কায়দার ঝাঁকে ঝাঁকে অতিথি পাখি আটকা পড়ছে শিকারির ফাঁদে।
    কয়েকজন পাখি বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কালিয়া উপজেলার চাঁচুড়ী বাজার ও রঘুনাথপুর বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে অবাধে বিক্রি হচ্ছে অতিথি পাখি। পাশাপাশি অগ্রিম অর্ডারের মাধ্যমে যথারীতি এসব পাখি বিক্রেতাদের বাড়িতে বাড়িতে পোঁছে দেয়া হচ্ছে। প্রতি জোড়া ডুঙ্কর ও কাঁদা খোচা পাখি ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, কালকোচ ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা, কাইয়ুম পাখি ৭০০ থেকে ৮০০ ও বালিহাঁস ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হয়। এছাড়া আকার ভেদে পাখি সর্বনিম্ন ৩০০ থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়।

  • ফুলছড়িতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

    ফুলছড়িতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

    মোঃ কাউছার ঊদ্দীন শরীফ,ঈদগাঁওঃ

    কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের আওতাধীন ফুলছড়ি রেঞ্জের অধীনে রাজঘাট ও নাপিতখালী বিটের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার ৩ ডিসেম্বর সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত কয়েকটি এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
    অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করেন অভিযান পরিচালনা কারী ফুলছড়ি রেঞ্জে কর্মরত সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মোঃ রাশিক।

    জানা যায়, কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোঃ মারুফ হোসেনের নির্দেশে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ এর ভিক্তিতে ফুলছড়ি রেঞ্জের আওতাধীন রাজঘাট ও নাপিত খালী বিটে রেঞ্জ কর্মকর্তা, রে‌ঞ্জের ফ‌রেস্টারগণ ও স্টাফগণ অ‌ভিযা‌ন চালিয়ে বনভূমির জায়গা অবৈধ দখলদারদের কাছ থেকে উদ্ধার করে দখলমুক্ত করা হয়েছে।

    জবরদখল করে অবৈধভাবে বিভিন্ন ধরনের স্থাপনা নির্মান করে আসছিল।খবর পেয়ে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে বনভুমি অবৈধ দখলদারদের কাছ থেকে উদ্ধার করে দখলমুক্ত করা হয়েছে।এ বিষ‌য়ে আই‌নি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ফুলছড়ি রেঞ্জে কর্মরত সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মোঃ রাশিক।