Blog

  • সুজানগরে এসএসসি ১৯৮৯ বন্ধু ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দরিদ্র শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান

    সুজানগরে এসএসসি ১৯৮৯ বন্ধু ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দরিদ্র শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান

    এম এ আলিম রিপন ঃ সুজানগরের অসচ্ছল পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। শনিবার উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সাতবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ১৯৮৯ বন্ধু ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এ শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করা হয়। সাতবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) শরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ড.এ.এফ.এম মফিজুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড.মজিবর রহমান। অন্যদের মাঝে বক্তব্য দেন সাতবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ১৯৮৯ বন্ধু ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ পাবনার অর্থনীতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান রফিকুল ইসলাম, যুগ্ন সম্পাদক রওশন আলী, এসএসসি ১৯৮৯ বন্ধু ফাউন্ডেশনের কোষাধ্যক্ষ ও সুজানগর মহিলা ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক শফিউল আলম এবং সাতবাড়ীয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলাউদ্দিন । বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, শিক্ষা ক্ষেত্রে বিনিয়োগ একটি জাতির, দেশের, পরিবারের শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ। এই যে বিনিয়োগ এটাও শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ, এখানে কোন মুনাফা নেই কিন্তু অমূল্য মুনাফা হলো কিছু শিক্ষিত মানুষ। মানবিক গুণাবলিসম্পন্ন ও আদর্শ মানুষ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে শিক্ষার্থীদের তারা বলেন, জীবনে সফলতায় পৌঁছতে হলে তোমাদের পড়াশুনা করতে হবে। বাবা-মা এবং শিক্ষকদের কথা মেনে চলতে হবে। সমাজের ভাল কাজগুলোর সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখতে হবে। তাহলে জীবন সুন্দর হবে। সাতবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ১৯৮৯ বন্ধু ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ পাবনার অর্থনীতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান রফিকুল ইসলাম এবং কোষাধ্যক্ষ ও সুজানগর মহিলা ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক শফিউল আলম জানান, দরিদ্র পরিবারের মেধাবী ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের তাদের সন্তানদের লেখাপড়ায় আগ্রহ সৃষ্টি করতে এ ধরণের আর্থিক সহায়তা প্রদান। বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে যারা সাফল্য ধরে রাখতে পারবে তাদের জন্য এ শিক্ষা বৃত্তি প্রদানের পাশাপাশি সার্বিক সহযোগিতার হাত বাড়ানো হবে বলে জানান তারা। উল্লেখ্য ২০১৪ সাল থেকে প্রতি বছর এ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে সাতবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ১৯৮৯ বন্ধু ফাউন্ডেশন। এবারে দরিদ্র পরিবারের মেধাবী সর্বমোট ১৯ জন এস এস সি পরীক্ষার্থীর পরীক্ষার ফরম পূরণের বোর্ড ফি বাবদ ৪৫ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। এর মধ্যে সাতবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ১২ জন শিক্ষার্থী ও সাতবাড়ীয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • পীরগঞ্জে প্রয়াত সাংবাদিকদের স্মরণে ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট উদ্বোধন

    পীরগঞ্জে প্রয়াত সাংবাদিকদের স্মরণে ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট উদ্বোধন

    পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি ঃ ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জের প্রয়াত সাংবাদিকদের স্মরণে ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হয়েছে।
    গত শুক্রবার সন্ধায় উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় ও পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের আয়োজনে মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ চত্বরে এ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হয়।
    পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি জয়নাল আবেদিন বাবুলের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপি সভাপতি ও সাবেক জাতীয় সংসদ সদস্য জাহিদুর রহমান,পীরগঞ্জ সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বদরুল হুদা. কুড়িগ্রাম জেলার সাবেক আতিরিক্ত জেলা প্রশাসক প্রয়াত সাংবাদিক আখতার হোসেন রাজার ছেলে পুবন আকতার, সহকারী কমিশনার(ভুমি) ইশফাকুল কবীর, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল ইসলাম জিয়া, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও আইনজীবী সমিতির সভাপতি জয়নাল আবেদিন, জেলা কমিউনিষ্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. আবু সায়েম, উপজেলা জামায়াতের আমীর বাবলুর রশীদ, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রাজা, উপজেলা বিএনপির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান জুয়েল, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান উত্তেশাম ইল হক মিম, পীরগঞ্জ সরকারী কলেজের সাবেক ভিপি আসাদুজ্জামান চৌধুরী মানু, পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নসরতে খোদা রানা, সিনিয়র সাংবাদিক মোকাদ্দেস হায়াত মিলন প্রমূখ।
    এ সময় রাজনৈতিদলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। টুর্নামেন্টে উপজেলা পরিষদ, পীরগঞ্জ থানা, পীরগঞ্জ প্রেসক্লাব, আজাদ স্পোটিং ক্লাব ও সূর্যদয় ক্লাবের মোট ১৬ টি দল অংশ নিচ্ছে।

  • দেশপ্রেমিক সাংবাদিকদের সহায়তা ছাড়া ফ্যাসিষ্ট হাসিনা সরকারকে হটানো সম্ভব ছিল না

    দেশপ্রেমিক সাংবাদিকদের সহায়তা ছাড়া ফ্যাসিষ্ট হাসিনা সরকারকে হটানো সম্ভব ছিল না

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    দেশপ্রেমিক সাংবাদিকদের সহায়তা ছাড়া ফ্যাসিষ্ট হাসিনা সরকারকে হটানো সম্ভব ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও ঝিনাইদহের কৃতি সন্তান মোঃ রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, জুলাই ছাত্রজনতার বিপ্লবের সময় খুনি হাসিনার দোসর পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও আওয়ামীলীগ ক্যাডারদের গণহত্যার বিভৎস্য ছবি সাংবাদিকরাই তুলে মিডিয়ায় প্রচার করেছিলেন। ফলে হাসিনার পতন ত্বরান্বিত আমাদের জন্য সহজ করে দেয়। এই সমাজ সভ্যতা যতদিন থাকবে সাংবাদিকদের তোলা ছবি ও ভিডিও ফুটেজ বিপ্লবীদের একদিকে যেমন অনুপ্রেরণা যোগাবে তেমনি ভাবে গণহত্যার এই বিভৎস্য ভয়াবহ স্মৃতি স্বজনদেরকে আবেগতাড়িত করবে। দেশ পরিবর্তনে সাংবাদিকদের অবদান সব থেকে বেশি। মোঃ রাশেদ খাঁন শনিবার দুপুরে তার নিজ জেলা ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সদস্যদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী শক্তি সব সময় নিজের আসন ও ক্ষমতা পাকাপোক্ত করে রাখতে পদলেহী সাংবাদিক তৈরী করে। শেখ হাসিনাও এর ব্যাতিক্রম ছিল না। তার দালাল ও চাটুকার সাংবাদিকরা পেশাদারিত্বের পরিবর্তে চাটুকারিতার পথ বেচে নিয়ে শত শত কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। তারা দেশের গণশত্রæ। ওই সব দালাল সাংবাদিকদের বিচার করতে না পারলে বিপ্লবীদের সঙ্গে প্রতারণা করা হবে। মোঃ রাশেদ খাঁন আরো বলেন, ছাত্রজনতার গনবিপ্লব একটি দুর্নীতি, লুটপাট, দখলদারিত্ব ও বৈষম্যবিরোধী একটি সমাজ বিনির্মানে প্রেরণা যোগাবে। সেই লক্ষ্যে তাদের দল গণঅধিকার পরিষদ কাজ করে যাচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, হাসিনা পালিয়ে গেলেও প্রশাসনের পরতে পরতে তার দোসররা বসে আছে। যারা ছাত্রদের গুলি করে মেরেছে তাদের এখনো ধরা হয়নি। এ কারণে সিভিল ও পুলিশ প্রশাসনে কোন গতি নেই। জেলায় জেলায় দুর্নীতিবাজ ও আ’লীগের দোসররা বহাল রয়েছে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ছাত্রজনতার আন্দোলন দুই মাসের ছিল না, বরং এর শেকড় ১৬ বছর আগে প্রথিত হয়েছিল। সেই মঈনুদ্দীন ফকরুদ্দীনের আমল থেকে দেশে ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের সুচন। সেই আন্দোলন তিল তিল করে দেশের বড় বড় রাজনৈতিক দলগুলো চালিয়ে এসেও যখন গতি পাচ্ছিল না, তখন একটি প্রেক্ষাপট তৈরী হয়। তরুণ ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিএনপি, জামায়াত, গনতন্ত্র মঞ্চ, গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও পেশাজীবী সংগঠন রাজপথে নেমে আসলে বিপ্লব সাধিত হয় এবং ছাত্র জনতার গনরোষে হাসিনা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। রাশেদ খাঁন নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষনা জরুরী দাবী করে বলেন, পরিকল্পনাহীন ভাবে কোন সরকার চলতে পারে না। নিশ্চয় সরকার নির্বাচনী রোডম্যাপ দিয়ে তাদের সংস্কার কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন আমরা সরকারকে সহায়তা সহায়তা করছি। প্রেসক্লাব সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে ঢাকা মহানগর উত্তর গণঅধিকার পরিষদের সহ-সভাপতি রাকিবুল হাসান, সংগঠনের ঝিনাইদহ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ইকবাল জাহিদ রাজন, যুবঅধিকার পরিষদের রাকিবুল হাসান রাকিব, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মিশন আলী, ছাত্র অধিকার পরিসদের সভাপতি আব্দুল্লা আল মামুন ও ঢাকা মহানগর উত্তর গণঅধিকার পরিষদ মোঃ রিহান হাসান রায়হান।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।।

  • পাইকগাছায় পাখি সংরক্ষণে মাঠসভা ও গাছে গাছে পাখির বাসা স্থাপন

    পাইকগাছায় পাখি সংরক্ষণে মাঠসভা ও গাছে গাছে পাখির বাসা স্থাপন

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা)।।
    পাইকগাছায় পাখি সংরক্ষণে গণসচেতনতামূলক মাঠসভা ও গাছে পাখির বাসা স্থাপন করা হয়েছে। ৭ ডিসেম্বর শনিবার সকালে উপজেলার নতুন বাজার এলাকায় গাছে গাছে পাখির বাসা স্থাপন ও পাখি সংরক্ষণে গণসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে পাখি শিকার রোধে উদ্বুদ্ধকরণ মাঠসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    উপজেলার পরিবেশবাদী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বনবিবি’র উদ্যেগে পাখি বাসার জন্য গাছে মাটির পাত্র স্থাপন ও সচেতনতামূলক মাঠ সভায় সভাপতিত্ব করেন, বনবিবি’র সভাপতি সাংবাদিক ও লেখক প্রকাশ ঘোষ বিধান। মাঠসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, এ্যাড.শফিকুল ইসলাম কচি। বিশেষ অতিথি ছিলেন, সপ্তদ্বীপা সাহিত্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কবি মাধুরী সাধু, কবি রোজি সিদ্দিকী। এসময় উপস্থিত ছিলেন, লিনজা আক্তার মিথিলা, লাবিবা তাবাজুম লুবনা, ব্যবসায়ী গৌতম ভদ্র, পরিবেশ কর্মি কার্তিক বাছাড়, সমিরণ সরকার, শাহিনুর রহমান, গনেশ দাস প্রমুখ। এরপর ভোলানাথ সুখদা সুন্দরী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বাজার খোলা, বোয়ালিয়া মোড় এলাকার বিভিন্ন গাছে পাখির বাসা স্থাপন করা হয়।উল্লেখ্য, পাখি বাঁচাও, প্রকৃতি বাঁচাও এ শ্লোগানকে সামনে রেখে পাখির নিরাপদ আবাসস্থল নিশ্চিতের লক্ষে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কাজ করছে। ২০১৬ সাল থেকে বনবিবি উপজেলায় এ পর্যন্ত প্রায় ২৫শত পাখির বাসা গাছে গাছে স্থাপন করেছে। তাছাড়া পাখির অভয়ারণ্য তৈরির লক্ষে পাখির সুরক্ষা, নিরাপদ আবাসস্থল নিশ্চিতের জন্য উপজেলায় বিভিন্ন ইউনিয়ানে গাছে গাছে পাখির বাসার জন্য বাশঁ, ঝুড়ি, মাটির পাত্র, সচেতনতামূলক লিফলেট বিতারণ, উদ্বুদ্ধকরণ সভা ও বিলবোর্ড স্থাপন কার্যক্রম অব্যহত রয়েছে। বক্তারা মাঠ সভায় পরিবেশ সুরক্ষায় পাখির নিরাপদ বিচারণক্ষেত্র তৈরি করতে সকলকে সহযোগীতা কামনা করেন।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • নড়াইলে পুলিশের কাছ থেকে ছিনতাই করা আসামি গ্রেফতার

    নড়াইলে পুলিশের কাছ থেকে ছিনতাই করা আসামি গ্রেফতার

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে পুলিশের কাছ থেকে ছিনতাই করা আসামি গ্রেফতার। নড়াইল সদর উপজেলায় পুলিশের কাছ থেকে হাতকড়া পরা অবস্থায় ছিনতাই করা আসামি বিল্লাল শেখকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সে চারটি মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজেদুল ইসলাম এ বিষয়টি জানিয়েছেন।
    গ্রেফতার বিল্লাল শেখ সদরের গোবরা এলাকার নওফেল শেখের ছেলে।
    বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে গাজীপুর মেট্রোপলিটনের গাছা থানা এলাকার কুনিয়া তারগাছা এলাকা থেকে আসামি বিল্লাল শেখকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তাকে নড়াইলে নিয়ে আসা হয়।
    উল্লেখ্য, গত মাসের (২৩ নভেম্বর) শনিবার বিকেলে সদর থানা পুলিশের টহল দল গোবরা বাজার এলাকায় টহল দিচ্ছিল। এ সময় আসামি বিল্লাল শেখকে হাতকড়া পরিয়ে গ্রেফতার করে পুলিশ।
    আসামিকে থানায় নেওয়ার পথে মোটরসাইকেল দিয়ে পুলিশের গাড়ির সামনে ব্যারিকেড দেন আসামির ছেলে জুয়েল, ভাইয়ের ছেলে শাকিলসহ আরও অনেকে। এ সময় আসামি বিল্লালের স্বজন রাজীব মোল্যার নেতৃত্বে প্রায় দেড় শতাধিক লোকজন পুলিশ সদস্যদের মারধর করে হাতকড়া পরা অবস্থায় আসামিকে ছিনিয়ে নিয়ে যান।
    পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আসামি বিল্লাল শেখকে ২০১৮ সালের একটি এনআই অ্যাক্ট (অর্থ জারি) মামলায় দু’মাসের সাজাসহ ৭০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। এ মামলাসহ মোট চারটি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয় আসামি বিল্লালের বিরুদ্ধে। এছাড়া তার নামে একটি হত্যা মামলাসহ বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে।

  • প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে গভীর নলকুপে ভাঙচুরের নাটক

    প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে গভীর নলকুপে ভাঙচুরের নাটক

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরের পাঁচন্দর ইউনিয়নে(ইউপি)কুন্দাইন মৌজার একটি গভীর নলকুপে কথিত ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। এঘটনায় সাদেকুল ইসলাম বাদি হয়ে ১০ জনকে বিবাদীকে করে তানোর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। এঘটনায় পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে।
    সাদেকুলের দাবি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার নিজ নামীয় গভীর নলকুপের তালা ভেঙ্গে নলকুপের যাবতীয় সামগ্রী লুটপাট, ভাংচুর এবং নলকুপের ঘরে থাকা ১৫ বস্তা ব্র্যাকের এ-গ্রেড আলু বীজ বিবাদীগণ ছিনতাই করে নিয়ে যায়। যার বাজার মূল্য ৯০ হাজার টাকা এবং নলকুপ ভাংচুরে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় দেড়লাখ টাকা।
    এদিকে বিবাদীগণের দাবি রাজনৈতিক বিরোধের জের ধরে, তাদের ফাঁসিয়ে বসে আনতে, প্রতিপক্ষ সাদেকুল ইসলাম ইচ্ছেকৃতভাবে গভীর নলকুপে ভাঙচুর ও লুটপাটের নাটক সাজিয়েছে। তারা বলেন, নিরপেক্ষ তদন্ত করা হলে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উন্মোচন হবে।
    স্থানীয়রা জানান, উপজেলা সৈনিক লীগের দাপুটে নেতা সাদেকুল ইসলাম।বিগত আওয়ামী লীগের ১৭ বছর এলাকায় একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে সাদেকুল নিরহ কৃষকদের জিম্মি করে সেচ বাণিজ্যে করেছেন। তার দাপটে কৃষকেরা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল। তারা বলেন,আওয়ামী সরকার পতনের পর কৃষকদের রোষানল থেকে বাঁচতে সে এসব নাটক করেছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে সাদেকুল ইসলাম এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিবাদীগণ দুষ্কৃতকারী প্রকৃতির লোক।তিনি বলেন, তারা তার গভীর নলকুপে ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে। এবিষয়ে তানোর থানার কর্তব্যরত কর্মকর্তা বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে তদন্ত সাপেক্ষ আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • মধ্যরাতে তারাগঞ্জ হাটে অসুস্থ গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগ

    মধ্যরাতে তারাগঞ্জ হাটে অসুস্থ গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগ

    খলিলুর রহমান খলিল- নিজস্ব প্রতিনিধি.

    তারাগঞ্জ বাজার মাংস হাটিতে অন্যত্র জবাই করা অসুস্থ গরুর মাংস বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে হাবিব নামের এক মাংস বিক্রেতার বিরুদ্ধে।

    প্রথম জানা যায়, তারাগঞ্জ মাংস হাটিতে মৃত. গরু জবাই করে সেই মাংস বিক্রি হচ্ছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায় গরুটি মৃত. ছিলনা, গুরুতর অসুস্থ্য গরুটি খামার মালিক রাতুল সরকার নিজ বাড়ীতে জবাই করান। অসুস্থ্য গরু জবাই করা সেই মাংস অল্প দামে কিনে বেশি লাভের আশায় অভিযুক্ত কসাই রাত আনুমানিক ১২ ঘটিকায় বস্তা বন্দী করে তারাগঞ্জ বাজার নিয়ে আসে বিক্রির উদ্দেশ্যে। পরে স্থানীয়রা বুঝতে পেরে তারাগঞ্জ থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মাংস জব্দ করার সিদ্ধান্ত নেয়। নিয়মতান্ত্রিক ভাবে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর এমন সিদ্ধান্তে খামারের মালিক রাতুল আহমেদ ও তার সঙ্গীয় লোকজনদের দাপটে পুলিশ ব্যর্থ হয়ে ফিরে যান।

    স্থানীয়দের দাবি- জবাই করা পশুর মাংসের পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই হাট-বাজারে অবাধে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। অন্যত্র জবাই করা গরুর মাংস স্বাস্থ্য সম্মত কি-না, গরু রোগাক্রান্ত থাকায়, তাতে মানুষের ক্ষতিকারক জীবাণু আছে কি-না এমন কোনো কিছুই বোঝার উপায় নেই ক্রেতা সাধারণ।

    এমন ঘটনায়, আইন প্রয়োগের দায়িত্বে থাকা প্রাণীসম্পদ বিভাগের তৎপরতা না থাকায় এমন রোগাক্রান্ত গরুর মাংস খেয়ে প্রতারিত ও আতঙ্কে থাকছেন সাধারণ মানুষ।

    উল্লেখ্য যে- চলতি বছরের জুন মাস থেকে শুরু হয় গরুর শরীরে লাম্পি স্কিন রোগ। এতে সারা দেশের ন্যায় এই রোগে গত দুই মাসের মধ্যে পার্শ্ববর্তী বদরগঞ্জ উপজেলায় ৫০০টি এবং তারাগঞ্জ উপজেলায় ৩৪টি গরু মারা যাওয়ার খবর পাওয়া যায়।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিদিন তারাগঞ্জ বাজারে ৩০টির বেশি গরু জবাই করে মাংস বিক্রি হয়। রোগজীবানু বা অন্য কোনো রোগে আক্রান্ত কি না তার কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষাই হচ্ছে না। এতে আতঙ্কিত অনেক মাংস ক্রেতা।

    উপজেলার মাংস ক্রেতা লিমন হোসেন বলেন, ‘আমরা জানি যেখানে পশু জবাই করা হবে সেই স্থানটা হতে হবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন এবং পশু জবাইয়ের আগে রোগজীবানুর পরীক্ষা শেষে ছাড়পত্র দিয়ে মাংসে সিল দেওয়ার কথা। সেখানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদারকির অভাবে এভাবেই তারাগঞ্জ ও পার্শ্ববর্তী সৈয়দপুরের মানুষ অসুস্থ্য গরুর মাংস খাচ্ছেন কি-না তা বলা মুশকিল।

    প্রানিসম্পদ কর্মকর্তা জানান, পশু জবাই করার স্থান পরিষ্কার রাখা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ছাড়পত্র দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। কিন্তু আমাদের সাথে কোন কসাই যোগাযোগ করে না। অসুস্থ্য গরু জবাই করে বিক্রির অভিযোগ নিয়ে কথা হলে তিনি বলেন, অসুস্থ্য গরুটি জবাই করার ক্ষেত্রে আমরা কোন সনদ দেইনি। রংপুরের একজন রেজিস্টার প্রাণী সম্পদের ডাক্তার চিকিৎসা করতেন মর্মে জানি।

    তিনি আরো বলেন, খামারি রাতুলের পাঠানো অসুস্থ্য গরুর ভিডিও দেখেছি। দেখে মনে হয়েছে গরুটিকে বাঁচানোর কোন উপায় নাই। খামারিকে বলেছি, গরুটির ব্যাপারে আপনি জবাই করার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। আমি তবলীগ জামায়াতে থাকার কারনে সেখানে একজন অফিস স্টাফকেও পাঠিয়েছিলাম।

    ওই বিষয়ে খামারি রাতুলের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, গরুটি মৃত না গরুটি গুরুতর অসুস্থ হওয়ায় ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে খামারে জবাই করা হয়, জবাই করার সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন যুবদলের রাসেল মন্ডল ছাত্র সমন্বয়ক রাহাত, তাদেরকে জিজ্ঞেস করলেই বুঝতে পারবেন।

  • ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ঘাটাইলে বিএনপির উদ্যোগে সর্বধর্মীয় বিক্ষোভ মিছিল

    ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ঘাটাইলে বিএনপির উদ্যোগে সর্বধর্মীয় বিক্ষোভ মিছিল

    ঘাটাইল প্রতিনিধি মোঃ রায়হান মিয়া
    ভারতের বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অবমাননা এবং ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে সর্বধর্মীয় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ঘাটাইল উপজেলা বিএনপি ও পৌর বিএনপি।

    এ উপলক্ষে শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) বিকাল ৪ টায় ঘাটাইল উপজেলার পৌর ডাকবাংলো প্রাঙ্গন থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে বাসস্ট্যান্ডের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাসস্ট্যান্ডের জামে মসজিদ এর সামনে এসে শেষ হয়।
    সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এডভোকেট ওবায়দুল হক নাসির।
    এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঘাটাইল উপজেলা বিএনপির সিরাজুল হক ছানার, উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ বেলাল হোসেন,পৌর বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বাসেত করীম,পৌর বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মো: আনোয়ার হোসেন হেলাল, পৌর ও ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, শ্রমিক দলসহ বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

    মোঃ রায়হান মিয়া
    ঘাটাইল প্রতিনিধি।।

  • ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে পতেঙ্গা থানা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ সম্পন্ন

    ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে পতেঙ্গা থানা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ সম্পন্ন

    শহিদুল ইসলাম,

    বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    চট্টগ্রাম নগরীর কাঠগড় মোড়ে ভারতীয় আগ্রাসন ও দূতাবাস হামলা – জাতীয় পতাকা অবমাননার প্রতিবাদে,পতেঙ্গা থানা বিএনপি-যুবদল, ছাত্রদল – স্বেচ্ছাসেবক দল, শ্রমিক দল – কৃষক দল, মৎস্যজীবী দল- তাঁতীদল ও জাসাস নেতৃবৃন্দের বিক্ষোভ মিছিল সম্পন্ন।

    থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা মোঃ শাহাবুদ্দিনের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ মিছিলোত্তর সমাবেশে বক্তব্য রাখেন নগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হাজী মোঃ মুজিবুল হক কোং, সাবেক কমিশনার মোঃ ইসমাইল,নগর যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ ইকবাল হোসেন, বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা ও বিএনপি সহ-সভাপতি মোঃ আবু জাফর, মোঃ সোলায়মান, পতেঙ্গা থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক মোঃ নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, মোঃ হারুন কোম্পানি, মোঃ লোকমান কন্ট্রা:, সরোয়ার কামাল,৪০নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনজুর কাদের, গিয়াস উদ্দিন, আঃ হাকিম, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আঃ মালেক ফারুকী,যুবদলের মোঃ ইকবাল,লিমন সহ অন্যান্য সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
    এসময় বক্তারা বলেন, বর্তমানে অন্তবর্তীকালীন সরকারের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে ভারতীয়দের সাথে হাত মিলিয়ে দেশীয় লুটপাট ও দূর্নীতিবাজরা আবারো নতুন রুপে দেশ ধ্বংস করে অন্য বাংলাদেশ গড়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তাদের চিরতরে বিদায় করে নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকরা প্রাণপণ চেষ্টা করার দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করেন।
    বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে কাঠগড় বাজার মোড় থেকে শুরু হয়ে জিইএম গেট, ইন্টার্নকেবলস গেট, স্টিল মিল বাজার হয়ে কেইপিজেডস্থ শহীদ মিনারে গিয়ে সমাপ্ত হয়।

  • ময়মনসিংহে ২৪ ঘন্টায় হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন ও আসামী গ্রেফতার করে চমক দেখিয়েছে পুলিশ

    ময়মনসিংহে ২৪ ঘন্টায় হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন ও আসামী গ্রেফতার করে চমক দেখিয়েছে পুলিশ

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহে ২৪ ঘন্টায় হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনের পর আসামীকে গ্রেফতার করে চমক দেখিয়েছে পুলিশ। জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনা অনুযায়ী জেলা গোয়েন্দা শাখা ও কোতোয়ালী থানা পুলিশের চৌকস টিম এই ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটন ও হত্যাকারীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে। খুনের ২৪ ঘন্টায় রহস্য উদঘাটন ও আসামী গ্রেফতারে সক্ষম হওয়ায় জনমনে পুলিশের কার্যক্রমে ব্যাপক সন্তুষ্টি দেখা দিয়েছে। মিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশের কার্যক্রমে সন্তুষ্টি জ্ঞাপনসহ কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।

    এর আগে গত শুক্রবার(০৬ ডিসেম্বর) দুপুর ২ টায় ময়মনসিংহের নগরীর নওমহল এলাকার সারদা ঘোষ রোডস্থ নির্মাণাধীন ভবন টাওয়ার বিল্ডিং নং-৪৩-এর ৩য় তলায় এক যুবকের মৃতদেহের সন্দান পায় পুলিশ।

    সংবাদ পেয়ে কোতোয়ালী থানার ৩নং ফাঁড়ির ইনচার্জ, অফিসার ইনচার্জ কোতোয়ালী মডেল থানা, জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ ও জেলার ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাবৃন্দ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

    শনিবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিং এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম এম মোহাইমেনুর রশিদ।

    অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান- নিহত শ্রমিকের নাম
    রমজান আলী (২৪)। সে নির্মাণাধীন সেই
    ভবনের নির্মাণ শ্রমিকদের ফোরম্যান হিসাবে কাজ করতেন। রমজান আলী নীলফামারী জেলার জলঢাকা থানার কাশিনাথপুর এলাকর পূর্ব বরগ্রামের
    মোঃ রশিদুল ইসলামের পুত্র। পুলিশ নিহতের মৃতদেহ তার নিজ শয়নকক্ষে পেয়েছে বলে জানিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আশঙ্খা করে জানান-নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায় যে, তার মাথায় ভারী ভোতা বস্তু দ্বারা উপর্যুপরি আঘাতে তার মুখমন্ডল ও মস্তকের ডান অংশ পুরোপুরি বিকৃত অবস্থায় রয়েছে।ঘটনাটি ময়মনসিংহ শহরে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে।
    পরে সংবাদ প্রাপ্তির সাথে সাথে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দের নির্দেশনা অনুযায়ী জেলা গোয়েন্দা শাখা ও কোতোয়ালী থানা পুলিশ ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটন ও হত্যাকারীকে গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে কার্যক্রম শুরু করে।

    তিনি জানান-ভবনের অপরাপর নির্মাণ শ্রমিকদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, ফোরম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন কালে মৃত রমজান আলীর কাছে কতিপয় নির্মাণ শ্রমিকের মজুরী পাওনা ছিল।

    সেই আলোকে ঘটনাস্থল থেকে জব্দকৃত ভিকটিমের মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে এবং ভবনের প্রবেশপথে স্থাপিত একটি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ থেকে নির্মাণাধীন ভবনে রডমিস্ত্রি হিসেবে কর্মরত মোঃ আমিনুর ইসলাম (২৫)-কে সন্দিগ্ধ হিসেবে সনাক্ত করা হয়।

    পরবর্তীতে জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে ডিবি ও কোতোয়ালী থানার একটি যৌথ আভিযানিক দল ০৭/১২/২০২৪ তারিখ সকাল ৭ টায় এই নারকীয় হত্যাকান্ড সংঘটনকারী আমিনুর ইসলামকে নরসিংদী জেলার সদর থানাধীন শাহপ্রতাপ মোড় এলাকার একটি ছাত্রাবাস থেকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামী আমিনুর জানায় যে,গত অক্টোবর মাসে সে রংপুর থেকে ময়মনসিংহে এসে উক্ত ভবনে রডমিস্ত্রি হিসেবে কাজ শুরু করে। এই কাজে তাকে সহযোগিতা করার জন্য তার শশুর ও চাচা শশুরকে সে সাথে নিয়ে আসে।

    প্রথম দুই সপ্তাহ তাদেরকে নিয়মিত পারিশ্রমিক প্রদান করা হলেও বিগত প্রায় দেড়মাস যাবৎ তারা নিয়মিত পারিশ্রমিক পেত না। একপর্যায়ে তার শশুর ও চাচা শশুর পারিশ্রমিক না নিয়েই গ্রামের বাড়ি ফিরে যায় এবং গ্রামের আত্মীয় স্বজনের কাছে আমিনুরের সম্মানহানি হয়।

    এই ধারাবাহিকতায় গত ৬ নভেম্বর অনুমান বেলা ১২ টায় মৃত রমজানের সাথে আমিনুরের তীব্র বাকবিতন্ডার একপর্যায়ে রমজান তাকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করলে আমিনুর উত্তেজিত হয়ে মেঝেতে পড়ে থাকা ভারী লোহার রড দ্বারা রমজানের মাথায় স্বজোরে উপর্যুপরি আঘাত করে।

    মৃত্যু নিশ্চিত করার পর সে দ্রুত ঘটনাস্থল হতে পলায়ন করে প্রথমে ঢাকা এরপর নারায়ণগঞ্জ এবং অবশেষে নরসিংদী গমন করে।

    ঘটনাস্থল থেকে রক্তমাখা লোহার রড জব্দ করা হয়।আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণে করা হবে।

    এ সংক্রান্তে আজ ৭ ডিসেম্বর ২০২৪ বিকাল ৪ টায় পুলিশ সুপার, ময়মনসিংহ এর সম্মেলন কক্ষে একটি প্রেস ব্রিফিং এর আয়োজন করা হয়।পুলিশ সুপারের পক্ষে বেশ ব্রিফিং এ বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম এম মোহাইমেনুর রশিদ।

    এসময় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর শহিদুল ইসলাম, কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ইন্সপেক্টর শফিকুল ইসলাম খান, ওসি তদন্ত সাইফুল ইসলাম ও সেকেন্ড অফিসার এস আই আনোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।