Blog

  • বিজয় দিবস ঘিরে সুজানগরে বেড়েছে জাতীয় পতাকা বিক্রি

    বিজয় দিবস ঘিরে সুজানগরে বেড়েছে জাতীয় পতাকা বিক্রি

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর : ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস। বিজয়ের চেতনায় এ মাসের শুরু থেকেই জাতীয় পতাকার ব্যবহার বেড়ে যায়। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর জন্ম হয়েছে স্বাধীন বাংলাদেশের। এই ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে এটি চূড়ান্ত বিজয়ের রূপ ধারণ করে।এই দিনটিকে ঘিরে সুজানগর উপজেলায় জাতীয় পতাকার বেচাকেনার ধুম পড়েছে। জাতীয় জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সেই দিনটিকে কেন্দ্র করে চারদিকে লাল-সবুজের ফেরিওয়ালাদের কাঁধে সুজানগর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিক্রি হচ্ছে জাতীয় পতাকা । ফেরিওয়ালারা উপজেলার বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় ঘুরে ঘুরে জাতীয় পতাকা বিক্রি করছেন বিজয়ের নিশান।কয়েক ফুট লম্বা বাঁশের ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে বড় থেকে ছোট আকারের জাতীয় পতাকা সাজিয়ে পথে পথে পায়ে হেটে ঘুরে ঘুরে পতাকা বিক্রি করছেন মৌসুমী ব্যবসায়ীরা। তাদের কাঁধে ফরফর করে উড়ছে আমাদের বিজয়ের নিশান। তারা শহরের অলিগলিতে হাঁকডাক দিয়ে বিক্রি করছেন দেশের জাতীয় পতাকা। এক একটি বাঁশের বাহারি সাইজের পতাকা নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তারা। কেউ কেউ ডাক দিয়ে দেখছেন পতাকা। সাইজের সঙ্গে দামে মিললেই কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।নির্ধারিত মাপে কাপড়ের পতাকার পাশাপাশি কাগজ দিয়ে তৈরি পতাকাও বেশ বিক্রি হচ্ছে। পাবনা শহর থেকে সুজানগর উপজেলাতে পতাকা বিক্রি করতে আসা মজিদের সঙ্গে শুক্রবার কথা বলে জানা যায়, জীবিকার জন্যই শুধু তার এই পতাকা বিক্রি করা নয়। এই পেশার মধ্যে রয়েছে দেশাত্মবোধ ও দেশপ্রেম।প্রতিবছর বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে তারা ফেরি করে পতাকা বিক্রি করেন। আর বিজয় দিবস যতই ঘনিয়ে আসে ততই তাদের জাতীয় পতাকা চাহিদা বেড়ে যায়। আকারভেদে ৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত জাতীয় পতাকা বিক্রি হচ্ছে।এছাড়া কাগজের ছোট পতাকা ১০-২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাগজের বিজয় স্মৃতিসংবলিত ক্যাপ বিক্রি হচ্ছে ৩০-৫০ টাকা করে। মাথায় পরার পতাকাসংবলিত রাবার ব্যান্ড বিক্রি হচ্ছে মানভেদে ২০-৩০ টাকা। হাতের ব্যান্ড বিক্রি হচ্ছে ২৫-৪০ টাকায়। এই পতাকাগুলো বর্তমান ভালো বিক্রি হচ্ছে তাদের।ডিসেম্বর মাসে সব খরচ বাদ দিয়ে তাদের আয় থাকবে প্রায় ১২ হাজার টাকা বলেও জানান তিনি। পৌরসভার ভবানীপুর া এলাকার বাসিন্দা ইয়াকুব আলী প্রামানিক বলেন, আমার সন্তান ও ভাতিজার জন্য জাতীয় পতাকা ক্রয় করে আমি গর্বিত। আমি মনে করি-পতাকার মাধ্যমে শহীদদের সম্মানকে তাদের হাতে তুলে দিচ্ছি। আর তারা সেটিকে অন্তরে যত্নের সঙ্গে লালন করবে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • রাজশাহীতে ভুমি সেবা ব্যহত সরকার রাজস্ব বঞ্চিত

    রাজশাহীতে ভুমি সেবা ব্যহত সরকার রাজস্ব বঞ্চিত

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর প্রতিটি উপজেলা ও ইউনিয়ন (ইউপি)ভুমি অফিসে কমবেশি ভূমি সেবা ব্যাহত হচ্ছে। এসব ভূমি অফিসে ইন্টারনেটের সার্ভারজনিত ক্রটির কারণে সাধারণ মানুষেরা করতে পারছেন না, জমির খাজনা- খারিজ ও ভূমি উন্নয়ন করসহ ভূমি সংক্রান্ত সব ধরণের কাজ। এতে চরম বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছে সাধারণ মানুষদের। ভূমি উন্নয়ন কর খাজনা দিতে না পারায় বন্ধ রয়েছে বহু মানুষের ভূমি রেজিস্ট্রির কাজ। কবে নাগাদ ঠিক হবে জানা নেই তাদের। গত ২৭ নভেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় পুরোপুরি ভূমি সেবা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন ওই অঞ্চলের মানুষ। এতে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে ভূমি রেজিস্ট্রি অফিসগুলোতে। যাদের আগে থেকে ভূমি উন্নয়ন কর খাজনা দেওয়া রয়েছে শুধুমাত্র তারাই করতে পারছেন ভুমি রেজিষ্ট্রেশন। এছাড়া নতুন করে জমির চেক রয়েছে অনেকের জমি নিতে না পারায় বন্ধ কেনা-বেচার কাজ।
    তানোর পৌর এলাকার কম্পিউটার দোকানি রাফি তিনি মূলত অনলাইনের মাধ্যমে মানুষের খাজনা আদায় ও ভূমির অনেক ধরনের কাজ করে দেন ওই সমস্যার কারণে তিনিও বসে বসে দিন পার করছেন। শুধু তিনি নয় তার মত বহু মানুষ বসে বসে সময় পার করছেন। তিনি বলেন, গত প্রায় ২০ দিন যাবত ভূমি অফিসের যে সরকারি সার্ভার রয়েছে তাতে ব্যাপক সমস্যা হচ্ছে, ঢুকতে পারছি না। আমি কোন কাজই মানুষকে করে দিতে পারছি না। এতে মানুষের ব্যাপক ভোগান্তি হচ্ছে। আর জানি না কবে নাগাদ ঠিক হবে। ইউনিয়ন ভূমি অফিসে, ভূমি উন্নয়ন কর খাজনা দিতে আসা আব্দুল নামের এক ব্যক্তি জানান, জমির খাজনা দিতে না পারায় তার বাসায় ব্যাপক সমস্যা চলছে, জরুরী ভিত্তিতে জমি বিক্রয় করা দরকার। জমির চেক নিতে প্রতিদিনই ঘুরছেন অফিসে, কবে নাগাদ পাবেন তা জানা নেই তার। তানোর উপজেলা দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী বলেন, গত দুই সপ্তাহ থেকে তেমন কোন জমি রেজিস্ট্রি হচ্ছে না। মানুষ অনেক সমস্যার মধ্যে রয়েছে। শুনেছি ইন্টারনেটের সার্ভার সমস্যার কারণে এটা হচ্ছে। তানোরের মুন্ডুমালা ইউনিয়ন (ইউপি) ভূমি অফিসের কর্মকর্তা তহসিলদার ইকবাল কাশেম বলেন, গত ২৭ কারণে থেকে দ্বিতীয় জেনারেশনের সার্ভারের কাজ চলছে সেজন্য মোটামুটি ভাবে ভূমি উন্নয়ন কর নেয়া সম্ভব হচ্ছে না। এতে সাধারণ মানুষের সমস্যাও হচ্ছে। বাগমারা উপজেলা সরকারী কমিশনার (ভূমি), নাহিদ হোসাইন বলেন, আমাদের টেকনিক্যাল একটা সমস্যা হচ্ছে। আসলে একটা জেনারেশন থেকে আরেকটা জেনারেশনে শিফট হওয়ার কারণে এই সমস্যা। যে কারণে দু সপ্তাহ থাকত সমস্যা ফোস করছি। কিছু কিছু জায়গায় সমস্যা হচ্ছে, কিছু কিছু জায়গায় হচ্ছে না। আশা কি অল্প সময়ের মধ্যে সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। দুর্গাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি), সুমন চৌধুরি বলেন, ভূমি প্রায় সবগুলোতেই সমস্যা হচ্ছে, কিছু কিছু কাজও হচ্ছে।
    এবিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ শরিফুল হক বলেন, সবগুলোতেই সমস্যা হচ্ছে,কিছু কিছু কাজও হচ্ছে। রাজস্ব ক্ষতির বিষয়ে তিনি বলেন, রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে না। খাজনা এখন দিতে পারছে না,দুই দিন পরে হলেও খাজনা আমরা নিবো। তিনি বলেন, আশা করছি খুব দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।#

  • তানোরে দুটি পৌরসভা ও এক ইউপিতে নাগরিক সেবা ব্যহত

    তানোরে দুটি পৌরসভা ও এক ইউপিতে নাগরিক সেবা ব্যহত

    আলিফ হোসেন,
    তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ
    রাজশাহীর তানোর ও মুন্ডুমালা পৌরসভা এবং চাঁন্দুড়িয়া ইউনিয়নে (ইউপি) ওয়ারিশন সনদ, ট্রেড লাইসেন্স পেতে ভোগান্তিসহ নাগরিক সেবা ব্যহত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তানোর পৌরসভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং মুন্ডুমালা পৌরসভা ও চাঁন্দুড়িয়া ইউনিয়নে(ইউপি) উপজেলা সহকারী কমিশনারকে(ভুমি) প্রশাসক নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
    জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসকের আদেশ বলে জনপ্রতিনিধিদের সরিয়ে প্রশাসক নিয়োগ দেয়া হয়। উপজেলা প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দুই কর্মকর্তা অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রয়োজনীয় সময় দিতে পারছেন না। এতে ওয়ারিশন সনদ ও ট্র্রেড লাইসেন্সসহ জরুরি কাজে চরম হয়রানি ও ভোগান্তিতে পড়েছেন নাগরিকগণ।
    স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর আত্মগোপনে রয়েছেন চাঁন্দুড়িয়া ইউনিয়ন (ইউপি) আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান। তবে, তানোর পৌরসভার মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ইমরুল হক এবং মুন্ডুমালা পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও পৌর মেয়র সাইদুর রহমান সরকার পতনের পর যথারীতি নিয়মিত অফিস করেন। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা হয়। এসব মামলায় বিজ্ঞ আদালত হতে জামিনে রয়েছেন তারা। কিন্তু স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের এসব জনপ্রতিনিধিদের সরিয়ে প্রশাসক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এদিকে অধিকাংশ ইউপি চেয়ারম্যানগণ নিয়মিত পরিষদে না বসলেও খুব জরুরি প্রয়োজনে হঠাৎ দপ্তরে বা কোনো নিরাপদ স্থানে গিয়ে বিল, ভাউচার, বেতন ইত্যাদি কাগজপত্রে দস্তখত করছেন। পুরো উপজেলায় সাতটি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভা রয়েছে। এরমধ্যে দুই পৌরসভা ও এক ইউনিয়নে (ইউপি) প্রশাসক নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
    সংশ্লিষ্ট এলাকার নাগরিকগণের অভিযোগ, সরকার নির্বাচিত মেয়র ও চেয়ারম্যানদের সরিয়ে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়ায় দাপ্তরিক কাজে কার্যত স্থবিরতা চলছে। এতে জন্মসনদ, মৃত্যুনিবন্ধন, নাগরিক সনদ ও ট্রেড লাইসেন্সসহ নানা জরুরি কাজে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে এসব এলাকার নাগরিকগণদের। তারা বলেন, তানোর পৌর প্রশাসক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাঝে মধ্যে পৌর কার্যালয়ে বসেন। কিন্তু মুন্ডুমালা পৌরসভা ও চাঁন্দুড়িয়া ইউপির প্রশাসক উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভুমি) পৌরসভা ও ইউপি কার্যালয়ে তেমন বসেন না। মাঝে মধ্যে তিনি পৌর কার্যালয়ে বসলেও ইউপি কার্যালয়ে কোনদিন বসেননি বললেও ভুল হবে না। সংশ্লিষ্ট পৌর সচিব ও ইউপি সচিব ছাড়াও অন্যান্য কমকর্তারা উপজেলা ভূমি অফিসে গিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে প্রশাসকের স্বাক্ষর নিয়ে আসেন। এতে নাগরিকরা চরম হয়রানি ও ভোগান্তিতে পড়েছেন।
    উপজেলার চাঁন্দুড়িয়া ইউপির বেড়লপাড়া গ্রামের বাসিন্দা রোকসানা বিবি জানান,তার স্বামী আব্দুস সালাম সহজ সরল কৃষক মানুষ। ১৯৮৩ সালের ২২ ফেব্রুয়ারী ৪৩২৪ নম্বর দলিল ও ১৯৯৩ সালের ২০ নভেম্বর ৪২৫৪ নম্বর দলিল মূলে আনিসুর রহমান ও মহসিন দিগরের কাছ থেকে বিভিন্ন দাগে জমি ক্রয় করেন। বর্তমানে জমিটি খারিজ করার জন্য ওয়ারিশ সনদ উত্তোলন বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদে যান। কিন্তু পরিষদের চেয়ারম্যান মজিবুরকে বরখাস্ত করায় ইউনিয়নের প্রশাসকের দায়িত্বে রয়েছেন এসিল্যান্ড। একারণে পাচ্ছেন না ওয়ারিশন সনদ। তিনি আরও জানান, জমি বিক্রি করার পর দলিলের দাতা এবং তার ওয়ারিশরাও মারা গেছে। আবার কেউ জীবিত আছে। যারা মারা গেছে, তাদের মৃত্যু সনদ প্রয়োজন। এমন প্রেক্ষিতে স্থানীয় মেম্বারের লিখিত সুপারিশ নিয়ে ওয়ারিশন সনদ নিতে গেলে মৃত ব্যক্তির এনআইডি ও মৃত্যু সনদ দাবি করেন ইউপি প্রশাসক এসিল্যান্ড মাশতুরা আমিনা। পরে ওয়ারিশদের এনআইডির ফটোকপি সংগ্রহে গেলে কেউ এনআইডি দিয়েছেন। আবার কেউ দিচ্ছেন না। বিষয়টি নিয়ে ইউপি প্রশাসককে অবহিত করা হলে মৃত ব্যক্তির এনআইডি ছাড়া ওয়ারিশন দেয়া সম্ভব নয় বলে জানাই ইউপি প্রশাসক। জমি ক্রয়ের ৪০ বছর পর খারিজ করতে যদি এভাবে হয়রানি হতে হয় তাহলে কার কাছে যাবো।
    সচেতন মহলের অভিমত, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের ফরমে ওয়ারিশ বা নাগরিকদের নাম পরিচয় ও দলিল দিয়ে যদি আবেদন করা হয়ে থাকে। ওই নাম পরিচয়ের কোন তথ্য উপাত্য সংগ্রহ প্রয়োজন বোধ হয়। সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পরিষদ প্রয়োজনীয় সব তথ্য সংগ্রহ করে সেবাপ্রর্থীর কাছে ওয়ারিশন সনদ বা নাগরিক সুবিধা প্রদানে কর্তৃপক্ষ বদ্ধপরিকর। মুন্ডুমালা পৌর এলাকার চিনাশো মহল্লার নাম প্রকাশে অনচ্ছিুক আরেক বাসিন্দা জানান, মেয়রকে বরখাস্ত করার পর বিভিন্ন কাজে হয়রানি ও বিড়ম্বনায় পড়েছে পৌরবাসী। তিনি দেড় মাস ঘুরেও পাননি ওয়ারিশ সনদ। দোকানের ট্রেড লাইসেন্সও নিতে পারছেন না অনেকে। তার মতো আরও অনেকে একই সমস্যা নিয়ে এসিল্যান্ড অফিসে ধরনা দিচ্ছেন। ফলে একদিকে রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। অন্যদিকে ন্যায় সংগত কাজে গিয়ে সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে মানুষ। এতে ইউনিয়ন ও পৌর প্রশাসকের প্রতি সাধারণ মানুষের ক্ষোভ ও অসন্তোষ বাড়ছে।
    এবিষয়ে উপজেলার মুন্ডুমালা পৌরসভা ও চাঁন্দুড়িয়া ইউপির প্রশাসক উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভুমি) মাশতুরা আমিনা বলেন, মৃত ও জীবিত ব্যক্তির এনআইডি ছাড়া ওয়ারিশন সনদ দেয়া সম্ভব নয়। এবিষয়ে রাজশাহী স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক জাকিউল ইসলাম বলেন, ওয়ারিশন সনদ ও ট্র্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তিসহ জরুরি কাজে নাগরিকদের হয়রানি ও ভোগান্তি কাম্য নয়। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এব্যাপারে রাজশাহী জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আফিয়া আখতার বলেন, মুন্ডুমালা পৌরসভা ও চাঁন্দুড়িয়া ইউপিতে প্রশাসক দ্বারা যদি নাগরিক সেবায় কেউ হয়রানি ও বিড়ম্বনার শিকার হয়ে থাকে তদন্ত সাপেক্ষে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • পাইকগাছায় তীব্র শীতে ফুটপথের গরম কাপড়ের দোকানে উপছে পড়া ভীড়

    পাইকগাছায় তীব্র শীতে ফুটপথের গরম কাপড়ের দোকানে উপছে পড়া ভীড়

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা)।।
    শীতের তীব্রতা বাড়ায় পাইকগাছাসহ উপকূল অঞ্চলের সাধারণ মানুষের ভূগান্তি বাড়ছে। ঘন কুয়াশা আর হালকা বাতাসে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। তাই শীত নিবারণে পাইকগাছায় ফুটপথের দোকান গুলোতে নতুন-পুরাতন শীত বস্ত্র বিক্রির ধুম লেগেছে।

    সারাদেশে শীত জেকে রসেছে। প্রচন্ড শৈত প্রবাহ ও হাঁড় কাঁপানো শীতে মানুষ সহ প্রাণী কুল জুবথুব হয়ে পড়েছে। এই শীতে প্রত্যেকের জন্য শীতবস্ত্র আবশ্যক হয়ে পড়েছে। নিন্ম আয়ের মানুষ ও দরিদ্রদের ভরসা কমদামের ফুটপথের শীতবস্ত্রের দোকান। যে যার সাধ্যমত শীতবস্ত্র ক্রয় করছে। ফুটপথের পুরাতন কাপড়ের দোকান গুলোতে মাঝে মধ্যে ভাল মানের পোশাক পাওয়া যায়। যা দেখতে একেবারেই নতুনের মত। তাই এ সব দোকানগুলোতে মধ্যবিত্ত ও ধনীদের আনাগোনা দেখা যাচ্ছে। তীব্র শীতে নতুন শীতবস্ত্রের পাশাপাশি পুরাতন শীতবস্ত্র বিক্রি হচ্ছে প্রচুর পরিমাণে।
    পাইকগাছায় ৩/৪টি স্থায়ী পুরাতন কাপড়ের দোকান থাকলেও শীতের এ সময় পাইকগাছা মাছ কাটা রোড ও পৌরসভার পাশের ৬/৭টি পুরাতন শীত বস্ত্রের দোকান বসেছে। তাছাড়া উপজেলার বিভিন্ন সাপ্তাহিক হাটে শীত বস্ত্র বিক্রি হচ্ছে। এসব দোকানে শীতের জ্যাকেট, সুয়েটার, কোর্ট, মাফলার, গেঞ্জী, মোজা ও মেয়েদের বিভিন্ন ডিজাইনের গরম কাপড়ের পরসা সাঁজিয়ে বসেছে। শীতের তীব্রতা বাড়ায় শীত বস্ত্রের বিক্রি ও বেড়েছে। পুরাতন কাপড়ের দোকানে অনেক ভাল মানের পোশাক পাওয়া যায়। যা কিনা নতুন কাপড়ের দোকানে পাওয়া যায় না। সে জন্য মাঝে মধ্যে এসব দোকানে উচ্চ বিত্তদের উকি ঝুঁকি দিতে দেখা যায়।
    গরীব মানুষ পুরাতন কাপড় কম দামে কেনার জন্য ফুটপথের দোকানে ভীড় করে বেশি। রাতের বেলা কর্মজীবী মানুষদের ভীড় বাড়ে ফুট পথের গরম কাপড়ের দোকানে। পুরাতন কাপড় ব্যবসায়ী সরোয়ারা গাজী, মনির ও আবুল হোসেন জানায়, শীত বেড়ে যাওয়ায় বেচাকেনা ভাল হচ্ছে। বাচ্চাদের শীতবস্ত্র বিক্রেতা ইউছুপ আলী জানান, শুরুতে শীত কম থাকায় বিক্রি তেমন একটা ছিল না। তবে তীব্র শীত শুরু হওয়ায় বাচ্চাদের পোশাকের চাহিদা বেড়েছে, তেমনি বিক্রিও বেড়েছে। ২০-৩০ টাকা থেকে শুরু করে ৫শ থেকে ৮শ টাকা দর থেকে বিভিন্ন দামের পোশাক রয়েছে। তারা আরো জানায় উচ্চবিত্ত ক্রেতাদের কোন পোশাকটি পছন্দ হলে ১ হাজার থেকে দেড় হাজার টাকায় বিক্রি করা যায়। শীতে বস্তিবাসী, দরিদ্র, ও নিম্ন আয়ের মানুষের পছন্দ কম দামের পুরাতন শীতবস্ত্রের ফুটপথের দোকান। তাই শীত জেঁকে বসায় দরিদ্র ও অল্প আয়ের মানুষ শীতের কবল থেকে বাঁচতে কম দামে ফুটপথ থেকে শীতবস্ত্র কিনছে।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • পাইকগাছায় শিবসা নদী থেকে বিপুল পরিমাণ নেট জাল ও চিংড়ি পোনা জব্দ

    পাইকগাছায় শিবসা নদী থেকে বিপুল পরিমাণ নেট জাল ও চিংড়ি পোনা জব্দ

    পাইকগাছা ( খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছার নদীতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নেট জাল ও চিংড়ি পোনা জব্দ করা হয়েছে। মৎস্য সম্পদ সুরক্ষা ও সংরক্ষণ অভিযানের অংশ হিসেবে উপজেলা মৎস্য দপ্তর ও নৌ-পুলিশ শুক্রবার সকালে উপজেলার শিবসা নদীতে অভিযান পরিচালনা করে। এসময় বিপুল পরিমাণ নেট জাল এবং প্রাকৃতিক উৎস থেকে আহরণ করা এক লক্ষ চিংড়ি পোনা ( পোস্ট লার্ভা) জব্দ করে। পরে জব্দকৃত নেট জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস এবং চিংড়ি পোনা নদীতে অবমুক্ত করা হয়। সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত মল্লিক এর নেতৃত্বে অভিযানে উপস্থিত ছিলেন নৌ ফাঁড়ি পুলিশের এস আই শরীফ আল মামুন ও ক্ষেত্রসহকারী রণধীর সরকার।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • ফ্যাসিস্টের দোসরে অভিযুক্ত পটিয়া প্রেসক্লাবের নির্বাচন স্থগিত

    ফ্যাসিস্টের দোসরে অভিযুক্ত পটিয়া প্রেসক্লাবের নির্বাচন স্থগিত

    প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর বেষ্ঠিত পটিয়া প্রেসক্লাবের নির্বাচন অবশেষে স্থগিত করা হয়েছে। আজ শুক্রবার পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক নোটিশে কাল শনিবার অনুষ্ঠিতব্য পটিয়া প্রেসক্লাবের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। মুলত এ ক্লাবটি দীর্ঘ ৪৭ বছর ধরে আওয়ামী লীগের আড়ালে পরিচালিত হয়ে আসচ্ছে। একটানা ১৫ বছর ধরে সাধারণ সম্পাদক পদটি দখলে রেখেছেন ফ্যাসিস্ট সরকারের বির্তকিত সাবেক হুইপ ও পটিয়ার এমপি সামশুল হক চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ আবদুল হাকিম রানা। সে পটিয়া পটিয়া উপজেলা কৃষক লীগের সদস্য এবং গত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নৌকার প্রার্থী মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরীর মনোনীত কৃষক লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য। একই কমিটি রয়েছে পটিয়া উপজেলা যুবলীগের সদস্য রবিউল আলম ছোটন। পটিয়া প্রেসক্লাব দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনের নামে আওয়ামী লীগের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করা হয়েছে। ৯ পদের মধ্যে ইতোমধ্যে ৮টি পদে রানার কূটকৌশলে বিনাপ্রতিদ্বন্ধীতা নির্বাচিত করা হয়েছে। শুধুমাত্র সাধারণ সম্পাদক পদে শনিবার ভোটের ধার্য্য তারিখ রয়েছে। আওয়ামী লীগের দোসরদের নিয়ে নির্বাচন করার বিষয়টি জানাজানি হলে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতা প্রতিরোধ করার উদ্যাগ নেন। তারা বিষয়টি উপজেলা প্রশাসক, থানা পুলিশ, জেলা প্রশাসনসহ বর্তমান সরকারের উধ্বর্তন কর্মকর্তাদের অবহিত করেন। আইনশৃঙ্খলা অবনতি হওয়ার আশংকায় উপজেলা প্রশাসন পটিয়া প্রেসক্লাবের নির্বাচন স্থগিত করার নোটিশজারী করেন।

    বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের চট্টগ্রাম জেলা সমন্বয়ক মোহাম্মদ রিদুয়ান সিদ্দিক বলেন, আওয়ামী লীগের দোসর নিয়ে পটিয়া প্রেস ক্লাব পরিচালিত। তারা প্রকৃত সাংবাদিকদের বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগের দোসরদের নিয়ে অতী গোপনে নির্বাচন করার প্রক্রিয়া করেন। ৫ আগস্ট যে ছাত্র জনতা আওয়ামী লীগের প্রধান শেখ হাসিনাকে প্রতিহত করেছে প্রয়োজনে পটিয়া প্রেস সংস্কার করতে আন্দোলন নামবে।

    পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানুর রহমান নির্বাচন স্থগিত করার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

  • মধুপুরে পৌর বিএনপির উদ্যোগে দোয়া মাহফিল ও জনসভা অনুষ্ঠিত

    মধুপুরে পৌর বিএনপির উদ্যোগে দোয়া মাহফিল ও জনসভা অনুষ্ঠিত

    আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ

    টাঙ্গাইলের মধুপুরে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে ও আহতদের সুস্থ্যতা কামনায় দোয়া মাহফিল ও জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    মধুপুর শহীদ স্মৃতি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে ৭,৮ ও ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপি ও সকল সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এ দোয়া মাহফিল ও জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।
    মধুপুর পৌর বিএনপির সভাপতি খুররম খান ইউসুফজী প্রিন্স এর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব ফকির মাহবুব আনাম স্বপন।
    অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাকির হোসেন সরকার, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাছির উদ্দিন, পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি রেজাউল করিম সিদ্দিক, পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি আনোয়ারা খন্দকার লিলি প্রমুখ। অনুষ্ঠানে মধুপুর উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি ও সকল সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
    অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব খন্দকার মোতালিব হোসেন।

  • গৌরনদীতে হাতুড়ি পিটা ঘটনার সমাধানে শতাধিক মানুষের সমাগম

    গৌরনদীতে হাতুড়ি পিটা ঘটনার সমাধানে শতাধিক মানুষের সমাগম

    কেএম সোহেব জুয়েল ঃ গৌরনদীতে যুবদল নেতাকে হাতুড়ি পিটা বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ঘটনার সমাধান নিয়ে বিএনপির দুই ইউনিয়নের শতাধিক নেতা কর্মিরা সরিকলের বিএনপির পার্টি অফিসে গতকাল ১২ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জমায়েত হওয়ার দৃশ্য লক্ষ করা গেছে।

    ঘটনাটি ঘটেছে ৯ ডিসেম্বর ২০২৪ ইং গৌরনদী উপজেলার সরিকল ইউনিয়নের বিএনপির সভাপতি মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন মৃধার পুত্র বিএনপির গৌরনদী উপজেলা যুবদলের সদস্য মোঃ রুহুল মৃধার বেলায়।

    এ ঘটনা নিরসনে বাবুগঞ্জ উপজেলার জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ আবদুল মালেক শিকদারের নেতৃত্বে পাশ্ববর্তী সরিকল ইউনিয়নের বিএনপির সভাপতি রুহুল মৃধার পিতা মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন মৃধার সমন্বয়ে কয়েক শতাধিক বিএনপির নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে আলোচনা সভায় থানা যুবদল নেতা মোঃ রুহুল মৃধা দলিয় স্বার্থে সকল ব্যাথা কষ্টকে ভুলে গিয়ে শিপন ও নাইম উপর চাঁদা দাবি সহ টাকা ছিনিয়ে নেয়া সম্পর্কিত সকল বক্তব্যকে উড্ড করে গতকাল ১২ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সরিকল ইউনিয়ন বিএনপির পার্টি অফিসে মিস্টি মুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে আলোচনার মাধ্যমে নিজদের মধ্যে ভুল বুঝাবুঝির পরিসমাপ্তি ঘটিয়ে ব্যাপক উদারতার পরিচয় দেন যুবদল নেতা মোঃ রুহুল মৃধা।

    এ সময় উপস্থিতিতিদের মধ্যে বিএন পির নেতা আবদুল মালেক শিকদার বলেন, নিজদের মধ্যে নিজেরা আত্মকোন্দল করা যাবেনা, কারন আওয়ামীলীগ শত্রুরা এখোনো দেশের ভিতর থেকে বড় ধরনের ষড়যন্ত্র পাকাচ্ছে দেশের ভিতর নৈরাজ্য ও অস্থিরতা সৃষ্টির লক্ষ্যে সে দিকে সকলকে সজাগ থেকে কাজ করতে হবে। আর দলিয় কোন লোক যদি দলের ভিতর বিশৃঙ্খলা নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে চান তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে। এবং মাদক সেবিদের উদ্দেশ্য বলেন, যার মাদকে আসক্ত তারা ভাল হয়ে চলেন অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধেও কঠর ব্যাবস্তা নেয়া হবে।

  • গৌরনদীতে ভূমি কর্মকর্তার উপর হাম-লা গ্রেফতার -১

    গৌরনদীতে ভূমি কর্মকর্তার উপর হাম-লা গ্রেফতার -১

    কে এমসোহেব জুয়েলঃ গৌরনদীতে ভূমি কর্মকর্তার উপর অতর্কিত হামলার ঘটনায় থানায় মামলার দায়েরের পর গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন পুলিশ এক বখাটে যুবককে।

    ঘটনাটি ঘটেছে গৌরনদী উপজেলার সরিকল ইউনিয়নের সরিকল ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মোঃ মজিবর রহমানের বেলায়।

    স্হানীয়রা জানায় গতকাল ১২ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে গৌরনদী উপজেলার সরিকল ইউনিয়নের প্রত্যন্ত কুড়িরচর গ্রামের গনি হাওলাদারের পুত্র মোঃ কাওছার হাওলাদার ৪৫ সরিকল ভূমি অফিসে তার জমির পর্চা নিতে এসে বাকবিতন্ডায় জরিয়ে দিয় এক পর্যায় ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মোঃ মজিবর রহমানের উপর অতুর্কিত হামলা চালায়।

    এ ঘটনায গৌরনদী উপজেলা ভূমি সহকারী কমিশনার মোঃ রাজিব হোসেন গৌরনদী থানা পুলিশের সহায়তায় কাওছার হোসেন মিঠুকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন বলে একাধিক সুত্র জানিয়েছেন।

  • কাপছে বৃহত্তর কুমিল্লার পটভূমি

    কাপছে বৃহত্তর কুমিল্লার পটভূমি

    কুমিল্লা থেকে তরিকুল ইসলাম তরুন,

    তীব্র শীতে কাঁপছে বৃহত্তর কুমিল্লার দঃ উপর অঞ্চল। মাঝারি কুয়াশা আর কনকনে শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সকাল পেরিয়ে সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত হলেও দেখা মেলেনি সূর্যের। মাঝারি কুয়াশা ও কনকন হাওয়া বাড়িয়ে তুলেছে শীতের তীব্রতা। এ মৌসুমে বৃহত্তর জেলায় আজকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

    তীব্র শীতের কারণে জনজীবন অনেকটা স্থবির হয়ে পড়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষেরা। এমন আবহাওয়া আরও দুই থেকে তিনদিন থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন কুমিল্লা আবহাওয়া অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগন

    বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জেলা শহরের চকবাজার আমির দিঘির দক্ষিণ পাড় হতে শহরের পুলিশ লাইন, কোট বাড়ি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা প্রেসক্লাব, কালিয়াজুরী পাক্কার মাথা সংলগ্ন কোড়েরপাড় এলাকার ও চাদপুর,বি বাড়ীয়া জেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ও কল করে জানাযায় , বৃহত্তর জেলাজুড়ে বইছে হিমেল হাওয়া। কুয়াশার চাদরে ঢাকা জনপদ। বিভিন্নস্থানে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন।সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে নদী তীরবর্তী মানুষেরা। এরপরও জীবিকার তাগিদে হাড় কাঁপানো শীতকে উপেক্ষা করে খুব সকালে কাজের সন্ধানে রাস্তায় বের হচ্ছেন খেটে খাওয়া মানুষ। এদিকে তীব্র শীত আর গরম কাপড়ের অভাবে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে ছিন্নমূল, গরীব ও খেটে খাওয়া মানুষেরা। নগরীর কান্দিড়পাড় শ্রমিকদের ভির থাকলেও কাজ নেই।