Blog

  • সুন্দরগঞ্জে বিএনপির মহান বিজয় দিবস পালন 

    সুন্দরগঞ্জে বিএনপির মহান বিজয় দিবস পালন 

    মোঃ আনিসুর রহমান আগুন, গাইবান্ধা থেকেঃ

    গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে উপজেলা বিএনপি ও পৌর বিএনপি পৃথকভাবে ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস-২০২৪ পালন করেছেন।

    সোমবার সকালে উপজেলা বিএনপির আয়োজনে ও পৌর বিএনপি’র উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় পৃথকভাবে বিজয় দিবস পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে পৃথক পৃথক রেলী পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে পুষ্প মাল্য  অর্পণ করা হয়।এতে বক্তব্য রাখেন,উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোঃ বাবুল আহমেদ, সদস্য সচিব মাহমুদুল ইসলাম প্রামাণিক, রামজীবন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আশেক আলী মাস্টার প্রমূখ।

    অপরদিকে একই ভাবে পুষ্পমাল্য অর্পণ শেষে শহীদ মিনার চত্বরে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক ইখতিয়ার উদ্দিন ভূইয়া নিপন, সদস্য সচিব মিজানুর রহমান লিপু, যুগ্ম আহবায়ক, ইফতেখার হোসেন পপেল, মোস্তাক আহমেদ, নাহমুদুল হক রাসেল, লিংকন, যবুদল আহবায়ক আনোয়ার হোসেন, সদস্য সচিব লিচু, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোনা, রফিকুল ইসলাম, ছাত্রদল আহবায়ক আদনান আহমেদ রাজু, সদস্য সচিব রায়হান, ডি ডব্লিউ সরকারি কলেজ আহবায়ক রুবেল আহমেদ, শ্রমিক আহবায়ক আঞ্জু মিয়া প্রমূখ।

  • থানচিত বিজয় দিবস পালন

    থানচিত বিজয় দিবস পালন

    থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধি।

    আজ ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস। বাঙালি জাতির ইতিহাসে সংগ্রাম, আত্মত্যাগ ও বীরত্বের এক গৌরবোজ্জ্বল স্মারক এই দিন। গণঅভ্যুত্থানের অর্জিত নতুন বাংলাদেশ প্রথম বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে বান্দরবানের থানচিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালন করা হয়েছে।

    রবিবার ভোরে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে উপজেলা কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে একত্রিশ বার তোপধ্বনি শেষের প্রথমে উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ, প্রেসক্লাব,  বিভিন্ন সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, বিএনপি ও অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ কর্তৃক পুস্পস্তবক অর্পণ করার মাধ্যমে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।

    সকাল ৭:৩০ টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাকিব হাসান চৌধুরী জাতীয় পতাকা উত্তোলন করার মাধ্যমে গণঅভ্যুত্থানের নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের মহান বিজয় দিবস উদযাপনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এসময় পুলিশ, আনসার ও ভিডিপি, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যদের অংশগ্রহণে জাতীয় পতাকার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা হয়। উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, পুলিশ সদস্য, সাংবাদিক, বিভিন্ন সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করন। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন আয়োজনে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যদিয়ে দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন করা হয়েছে।

    কর্মসূচির আওতায় উপজেলা অডিটরিয়াম কাম-মাল্টিপারপাস হল প্রাঙ্গণে চারু, কারু ও স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত শিল্প পণ্যের আয়োজনে উদ্বোধন শেষে দিনব্যাপী বিজয় মেলা অনুষ্ঠিত হয়। বিজয় মেলায় এনজিও হিউমেনিটারিয়ান ফাউন্ডেশন, বিএনকেএস, এনডিপি, কারিতাস ও স্থানীয় মহিলা উদ্যোক্তা অংশগ্রহণ করেন। এরপরে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সম্মানজনক সংবর্ধনা জানানো হয়।

    পরবর্তীতে স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন। একই সাথে সন্ধ্যায় স্থানীয় শিল্পীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

  • চারঘাটে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালিত

    চারঘাটে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালিত

    চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

    যথাযোগ্য মর্যাদায় সারাদেশের ন্যায় রাজশাহীর চারঘাটেও ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস পালিত হয়েছে।

    সকালে সূর্যোদয়ের সাথে চারঘাটে ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা শুরু হয়। প্রথম প্রহরে উপজেলা প্রশাসন, চারঘাট মডেল থানা, বিএনপি সহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

    উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে আনুষ্ঠানিক ভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও বিজয় মেলার উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা সুলতানা।

    সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) বেলা ১১ টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা হলরুমে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ পরিবারের সদস্যদের সম্মানে সংবর্ধনা প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা সুলতানা।

    এ উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরিফ হোসেন, মৎস্য কর্মকর্তা ওয়ালি উল্লাহ মোল্লা, চারঘাট মডেল থানার (ওসি) আফজাল হোসেন, ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আব্দুল খালেক, চারঘাট উপজেলা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল আলম বাবু, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর আলমাছ, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সরওয়ারদ্দিনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগন।

    মোঃ মোজাম্মেল হক
    চারঘাট, রাজশাহী।

  • সুন্দরগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিজয় দিবস পালিত

    সুন্দরগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিজয় দিবস পালিত

    মোঃ আনিসুর রহমান আগুন, গাইবান্ধা থেকেঃ

    গাইবান্ধার সদরগঞ্জ উপজেলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস পালিত হয়েছে। 

    সোমবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিজয় দিবস পালিত হয়। এ উপলক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ নাজির হোসেনের সভাপতিত্বে সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন,উপজেলা সহকারি কমিশনার( ভূমি) মাসুদুর রহমান, থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুল হাকিম আজাদ, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সেলিম রেজা, উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক বাবুল আহমেদ, সদস্য সচিব মাহমুদুল ইসলাম প্রামানিক, উপজেলা জামাতের আমির শহিদুল ইসলাম মঞ্জু, সাবেক পৌর মেয়র নুরুন্নবী প্রামানিক সাজু, পৌর বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ইখতিয়ার  উদ্দিন ভূইয়া নিপন, ছাত্রদল নেতা আনোয়ার হোসেন,সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সিরাজুল ইসলাম  প্রমুখ। এর আগে উপজেলা প্রশাসনসহ অতিথিবৃন্দু, ফিতা কেটে মেলা উদ্বোধন, জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও বিজয় মেলা পরিদর্শন করেন।

  • বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে থানচিতে জনসমাবেশ

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে থানচিতে জনসমাবেশ

    থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধি।

    সাম্য ও মানবিক সমাজ বিনির্মাণে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কর্তৃক ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বান্দরবানের থানচিতে বিশাল জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার দুপুরে থানচি বাজার প্রাঙ্গণে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কর্তৃক ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উপজেলা বিএনপির, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে বিএনপির সম্মিলিত নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে উপজেলা বিভিন্ন বিশাল জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    উপজেলা বিএনপির সভাপতি, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও বান্দরবান জেলা পরিষদের নব নিযুক্ত মৎস্য ও পর্যটন ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সদস্য খামলাই ম্রো সভাপতিত্বে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক হাকুরাম ত্রিপুরা সঞ্চালনায় জনসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি, জাতীয় নির্বাহী কমিটি সদস্য ও সাবেক জেলা পরিষদের সফল চেয়ারম্যান, রাজ পুত্র সাচিংপ্রু জেরী।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাবেক জেলা যুবদলের সভাপতি মশিউর রহমান, সাবেক ছাত্র দলের সভাপতি ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, রোয়াংছড়ি উপজেলা
    সাবেক ভাইস-চেয়ারম্যান ও বিএনপি যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ক্যসানু মারমা, জেলা মহিলা বিএনপি সভানেত্রী মাক্যপ্রু মারমা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি অমিত তংচংগ্যা, জেলা যুব দলের সহ সভাপতি হ্লাগ্যচিং মারমা, আলিকদম বিএনপি সাধারণ সম্পাদক ও হেডম্যান মংক্যনু মারমা, লামা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক থোয়াইনুঅং মারমা, আলিকদম বিএনপি সহ-সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলাম ও উপজেলা পর্যায়ে বিএনপির, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, আওয়ামীলীগ ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা নির্বাচন কাঠামোকে ধ্বংস করে অবৈধভাবে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখার প্রয়াস চালিয়েছিল এবং ১৬ বছর ধরে ক্ষমতায় ছিলেন। কিন্তু ৫ আগস্ট ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেও দেশের সকল স্তরের দোসররা এখনো তথপর রয়েছে। তাই বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কর্তৃক ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে থানচির সর্বস্তরের মানুষের কাছে আহ্বান জানান তিনি।

  • চাপারহাটে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালিত

    চাপারহাটে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালিত

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট :

    মহান বিজয় দিবস, বাঙালি জাতির হাজার বছরের শৌর্যবীর্য এবং বীরত্বের এক অবিস্মরণীয় গৌরবময় দিন। বীরের জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার দিন। পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন ভূখন্ডের নাম জানান দেয়ার দিন। রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে ৩০ লাখ শহীদ ও দু’লাখ মা-বোনের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয় স্বাধীনতা। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাক সেনাদের আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। 

    লালমনিরহাটের চাপারহাটে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে যথাযোগ্য মার্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালিত হয়েছে। সমবার(১৬ ডিসেম্বর) সূর্যোদয়ের সাথে সাথেই কালীগঞ্জ উপজেলার চাপারহাট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পন করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান কালীগঞ্জ উপজেলা বি এন পির আহবায়ক, চন্দ্রপর ইউনিয়নের তিনবারের সফল চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম, চন্দ্রপুর ইউনিয়ন পরিষদ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ,চন্দ্রপুর যুবদল, সেচ্ছা সেবক দল,শ্রমিক দল,ছাত্র দল, চাপারহাট ব্যবসায়ী সংগঠন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের মানুষ। এসময় এক মিনিট নিরবতা পালন করে শহীদদের স্মরণ করা ও রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। 

    এর পর সকাল ৯ টায় চন্দ্রপুর ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, পায়রা অবমুক্ত করে মহান বিজয় দিবসের শুভ উদ্বোধন করা হয়। পরে সেখান থেকে একটি বন্যাঢ র ্যালী বের হয়ে চাপারহাটের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ইউনিয়ন পরিষদে এসে শেষ হয়। পরে আলোচনা অনুষ্ঠান হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কালীগঞ্জ উপজেলা বি এন পির আহবায়ক, চন্দ্রপর ইউনিয়নের তিনবারের সফল চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম,চন্দ্রপুর ইউনিয়ন বি এন পির সভাপতি আক্কেল আলী মাষ্টার,  চাপারহাট মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ ইমতিয়াজ আহমেদ, চাপারহাট বহু মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিতেন্দ্র নাথ সিংহ, চাপারহাট গার্লস হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোফখায়রুল ইসলাম মিন্টু,চন্দ্রপুর ইউনিয়ন যুব দলের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক,সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের মানুষ উপস্থিত ছিলেন। 

    হাসমত উল্লাহ ।।

  • ঝালকাঠিতে স্কুল পড়ুয়া ছাত্রীকে নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষকের পলায়ন

    ঝালকাঠিতে স্কুল পড়ুয়া ছাত্রীকে নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষকের পলায়ন

    রিপোর্ট : ইমাম বিমান

    ঝালকাঠিতে স্কুল পড়ুয়া এক ছাত্রীকে অপহর করে প্রায় পঞ্চাশার্ধ বয়সি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানা যায়। জেলার সদর উপজেলাধীন কাঁচাবালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক অঞ্জন কুমার আশ্চার্য্য (৫০) মাধ্যমিক পড়ুয়া (SSC পরীক্ষার্থী ২০২৫)এক স্কুল ছাত্রী ( ছদ্দ নাম শিখা ১৫ ) কে অপহরন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে । 

    এ বিষয় অপহরিত ছাত্রীর মা জানান, আমার মেয়ে প্রতিদিন দুপুরে স্থানীয় এক শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়তে যায়। ১ঘন্টা

    প্রাইভেট পড়ে বিকেল ৩টায় বাসায় আসে। প্রতিদিনের মত

    গত ১২ ডিসেম্বর ২০২৪ বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রাইভেট পড়তে যায়। এবং প্রাইভেট শেষে বিকেল ৩টায় বাড়ীতে আসার কথা থাকলেও সাড়ে তিনটার সময়েও সে বাড়ীতে না আসায় আমি তাকে খুজতে বের হই।  অনেক খুজাখুজির পর তাকে না পেয়ে আমার দেবর রাতে ঝালকাঠি সদর থানায় গিয়ে একটি সাধারণ ডায়রি দায়ের করে। 

    এ বিষয় ছাত্রীর চাচার কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, আমরা আমাদের মেয়েকে খুজে না পেয়ে ঝালকাঠি সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়রি দায়ের করি ( যাহার নম্বর : ৯৮ ) সাধারণ ডায়রি দায়ের করার পরের দিন ১৩ ডিসেম্বর থানা থেকে পুলিশ তদন্তে আসে। কাচাবালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক অঞ্জন কুমার আশ্চার্য্য (৫০) আমাদের মেয়েকে অপহরন করে নিয়ে গেছে।  

    এ বিষয় স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাচাবালিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক অঞ্জনের পূর্বে একটি বিয়ে করে ছিলেন। তার চারিত্রিক সমস্যা থাকার কারনে ১ম স্ত্রী তাকে ছেড়ে বাবার বাড়ী চলে যায়। ৫০ বছর বয়সি একজন লোক কিভাবে একটি অপ্রাপ্ত বয়স্ক কিশোরী মেয়ে অপহরন করলো ?  শুধু তাই নয় ঐ ছাত্রীকে অঞ্জন বিয়ে করেছে যার ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে দেখতে পাওয়া যায়। 

    এ বিষয় স্থানীয়রা জানান, সরকার যেখানে বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে সেখানে কিভাবে একজন স্কুল শিক্ষক অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরীকে বিয়ে করে তার ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে ভাইরাল হয়।প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক অঞ্জন সদর উপজেলাধীন বিরমহল গ্রামের কেষ্ট কুমার আশ্চার্য্যের ছেলে।

  • পলাশবাড়ীর ইউএনও’র বিরুদ্ধে হ-ত্যা মামলার আসামীকে দফাদার  পদে নিয়োগের অভিযোগ

    পলাশবাড়ীর ইউএনও’র বিরুদ্ধে হ-ত্যা মামলার আসামীকে দফাদার পদে নিয়োগের অভিযোগ

    আমিরুল ইসলাম কবির,
    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুল হাসানের বিরুদ্ধে ৫নং মহদীপুর ইউনিয়ন পরিষদে দফাদার পদে হত্যা মামলার চার্জসিট ভুক্ত আসামিকে নিয়োগ দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

    শুক্রবার ১৩ই ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে প্রথমে প্রার্থীদের শারীরিক যোগ্যতা পরিমাপ,পরে সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা পরিষদ হল রুমে এমসিকিউ নিয়োগ পরীক্ষার কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুল হাসান অজ্ঞত কারনে সেই পরীক্ষার হলে সাংবাদিকের প্রবেশ নিষিদ্ধ করে কঠোর গোপনীয়তা রক্ষা করে পরীক্ষা শেষ করেন।এরপর দুপুরে নির্বাহী অফিসার কামরুল হাসানেরর কক্ষে প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

    সকল প্রক্রিয়া শেষে বিকেল ৪ টার দিকে নোটিশ বোর্ডে ফলাফল প্রকাশের পর হত্যা মামলার চার্জসিট ভুক্ত আসামি নির্বাচিত,প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছাড়াই নির্বাচিত,শারীরিক যোগ্যতা ছাড়াই নির্বাচিত এবং সুপারিশকৃত প্রার্থীকে নির্বাচিত করাসহ ব্যাপক অনিয়ম-দূর্নীতি ও স্বজন প্রীতির বিষয়গুলো সাংবাদিকদের নজরে আসে।

    ওই নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি হিসেবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুল হাসান,সদস্য থানা অফিসার ইনচার্জ জুলফিকার আলী ভুট্টো ও উপজেলা আনসার-ভিডিপি কমান্ডার আব্দুল আউয়াল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

    হত্যা মামলার চার্জসিটভুক্ত নিয়োগপ্রাপ্ত দফাদারের নাম মো. জহুরুল ইসলাম,তার পরীক্ষার রোল নম্বর-২০০৩। তিনি উপজেলার ৫নং মহদীপুর ইউনিয়নের বড় গোবিন্দপুর গ্রামের আজিম উদ্দীনের ছেলে। তার সিনিয়র প্রতিদ্বন্দ্বী বুজরুক বিষ্ণপুর গ্রামের সহাদেবের ছেলে শ্রী পরেশ,শ্রীলাল, শ্রী চিনিলাল ও ফরকান্দাপুর গ্রামের বাবর আলীর ছেলে ভোলা মিয়া। তাদের অভিযোগ জহুরুল মোটা অংকের নগদ নারায়ণ দিয়ে ইউপি সচিবসহ প্রভাবশালীদের ম্যানেজ করে আমাদের মোবাইলে হত্যার হুমকি দিয়ে নিয়োগ মাঠে উপস্থিত হতে দেয়নি। জহুরুল এই বলে তাদের হুমকি দেয় যে,একটা খুন করেছি,নিয়োগ মাঠে আসলে তোদেরকেও খুন করবো। ভয়ে আমরা কেউ নিয়োগ মাঠে উপস্থিত হইনি। আমরা মনে করেছিলাম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মাঠে না থাকলে নিয়োগ মাঠ বিধি মোতাবেক স্থগিত হবে।

    মামলা সূত্রে জানা যায়,জহুরুল ইসলাম ২০২১ সালে পলাশবাড়ী থানায় দায়ের হওয়া একটি হত্যা মামলা (মামলা নং-৫/৩০৮ তারিখঃ ০৪ডিসেম্বর-২০২১ধারা-৩০২/৩৪)’র চার্জশীটভূক্ত ৮ নম্বর আসামি।

    উল্লেখ যে,২০২১ সালের ৪ঠা ডিসেম্বর ভোরে উপজেলার ৫নং মহদীপুর ইউনিয়নের বড় গোবিন্দপুর গ্রামে মৃত আঃ মাজেদ প্রধানের স্ত্রী স্বপ্না বেগমের ধানের বীজতলা থেকে সাদা মিয়া (৩৫) নামে এক ব্যক্তির রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সাদা মিয়া ওই গ্রামের আব্দুল হান্নান মিয়ার ছেলে।

    এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই শাহজাহান মিয়া বাদী হয়ে ৪ঠা ডিসেম্বর ২০২১ ইং পলাশবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

    ক্লু লেস এ মামলাটি তদন্তকালে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের সনাক্ত করেন তৎকালীন সময়ের তদন্তে নিয়োজিত কর্মকর্তা এস আই (নিঃ) মানিক রানা। পরে ব্যাপক তদন্ত শেষে জড়িতদের বিরুদ্ধে চার্জশিট প্রদান করেন তিনি।

    অপরদিকে,হত্যা মামলার চার্জসিটভুক্ত আসামীকে দফাদার নিয়োগের বিষয়ে ইউএনও কামরুল হাসান বলেন,মহদীপুর ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত জহুরুল ইসলাম নামে এক মহল্লাদার (চৌকিদার) ২০২১ সালে একটি হত্যা মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেফতার হন। সে সময় তিনি বরখাস্তও হন। পরবর্তীতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় কর্তৃপক্ষ তাকে স্বপদে পুনঃ বহাল করেন। গত শুক্রবারের পদোন্নতি পরীক্ষায় তিনি উত্তীর্ণ হয়েছেন মাত্র। তাকে নিয়োগ দেয়া হয়নি। তার পরেও মামলার কাগজপত্র পুনঃ যাচাই করে তার নিয়োগের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

    নিয়োগ বোর্ডের অপর সদস্য পলাশবাড়ী থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জুলফিকার আলী ভুট্টো বলেন,জহুরুল ইসলাম হত্যা মামলার চার্জশীটভূক্ত আসামি। চার্জশীটে তার নাম রয়েছে। মামলাটি বর্তমানে আদালতে বিচানাধীন বলেও জানান তিনি।

    এদিকে,নিয়োগ বোর্ডর অপর সদস্য উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কমান্ডার আব্দুল আউয়াল হোসেন বলেন,ইউএনও মহোদয়ের নিকট থেকে শুনেছি মহদীপুর ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত জহুরুল ইসলাম নামে এক মহল্লাদার ২০২১ সালে একটি হত্যা মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেফতার হন। সে সময় তিনি বরখাস্তও হন। পরবর্তীতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় কর্তৃপক্ষ তাকে স্বপদে পুনঃ বহাল করেন। এর বেশী কিছু আমার জানা নেই। যেহেতু তার কোন প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলো না তাই তাকেই নিয়োগ দেয়া হয়েছে।।

  • চারঘাটে বিলুপ্তির পথে শীতের অতিথি পাখি

    চারঘাটে বিলুপ্তির পথে শীতের অতিথি পাখি

    মোজাম্মেল হক, চারঘাট (রাজশাহী) থেকেঃ

    প্রতিনিয়তই হারিয়ে যাচ্ছে পরিচিত পাখিদের ডাক৷ পাখির কলতানে ঘুম ভাঙ্গা যেন হয়ে উঠছে রূপকথার গল্প৷ আমাদের দেশে প্রতি বছরই বন্যপ্রাণী যেমন কমছে, তেমনি অতিথি পাখির সংখ্যাও কমছে।

    শীতের সময় সাইবেরিয়া, মঙ্গোলিয়া, হিমালয়, উত্তোর এশিয়া, নেপালসহ পৃথিবীর নানা শীতপ্রধান দেশ থেকে নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে অতিথি পাখিরা জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশে আসে। কিন্তু  সাম্প্রতিককালে বেঙ্গল ফোবিক্যান, সারস ও বুঁচাহাস বিলুপ্তির পথে।

    ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিভিন্ন পাখির মিষ্টি কণ্ঠের আওয়াজ মুগ্ধ করত সবাইকে। এমনকি গ্রামগঞ্জের খেড়ের চালের উপর বাসা বেধে থাকত দেশীয় পাখিরা। কিন্তু বর্তমান আধুনিক যুগে গ্রামগঞ্জের বাসা বাড়ি আধুনিক হচ্ছে সেই। সাথে হারিয়ে যাচ্ছে দেশীয় পাখির আশ্রয়ের ঠিকানা।

    আর যে খাবারের সন্ধানে পাখিগুলো ভোর থেকে বের হয়ে গ্রাম সবুজ মাঠের ফসলের চারদিকে ঘুরে বেড়াত কিন্তু আধুনিক যুগে সেখানে ক্ষেতে কীটনাশকের ব্যবহার, দেশীয় পাখির বিলুপ্তি অনেকাংশেই দায়ী।

    কৃষকরা এখন বিভিন্ন ফসলের ক্ষেতে সব সময় কীটনাশক প্রয়োগ করে। এতে করে পাখির খাদ্য ফড়িং, ফুতি, প্রজাপতি, মশা, লেদা পোকা, গোয়ালীসহ বিভিন্ন প্রকার কীটপতঙ্গ মারা যায় বা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়। পাখিরাও দিনের পর দিন এসব খেয়ে মারা যাচ্ছে।

    তাছাড়া পাখি শিকারীদের নিষ্ঠুরতা তো রয়েছেই। কখনও কখনও প্রাকৃতিক দুর্যোগ তথা ঝড়ে পাখির বাসা ভেঙ্গে পাখির ছানার মৃত্যু ঘটে ও ডিমগুলো নষ্ট হয়ে যায়। পাখির বিলুপ্তি ঘটায় যেমনি জীববৈচিত্রের সংকট বাড়ছে, তেমনি আমরা হারিয়ে ফেলেছি সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশ। প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় পাখির ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাই আমাদের সহনশীলতা এবং সচেতনতাই রক্ষা করতে পারে পাখির স্বাভাবিক বেঁচে থাকা।

    রবিবার সকালে (১৫ নভেম্বর) সরজমিনে রাজশাহীর চারঘাটে গ্রামের বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, পাখির কিচির মিচির ডাকে এখন আর ঘুম ভাঙেনা আমাদের। গ্রামাঞ্চলের মানুষ প্রয়োজনের তাগিদেই ঝাড়-জঙ্গল কেটে ফেলছে। সবার ঘর বাড়ি মাটির ঘর থেকে দালান ঘরে নির্মাণ করছে। ফলে পাখিরা হারিয়ে ফেলছে তাদের চিরাচরিত বাসস্থান।

    গ্রামের মুরুব্বিরা বলেন, আগে মাঠ-ঘাট, ক্ষেতে-খামারে বিচিত্র ধরণের পাখিদের বিচরণ ছিল। পাখিরা সে সময় ঝাঁকে ঝাঁকে এসে তৃষ্ণা মেটাতো আর খাদ্য অনুসন্ধানে ব্যস্ত থাকতো। ফসলের মাঠে পাখি বসার দৃশ্য সচরাচর দেখা গেলেও এখন তা হারিয়ে যাচ্ছে।

    অতীতে গ্রাম এলাকায় ব্যাপকহারে টুনটুনি, চিল, পানকৌড়ি, ডাহুক, বালীহাঁস, কোকিল,বক, শালিক, ঘুঘু, দোয়েল, বাবুই, কাকসহ বিভিন্ন পাখিদের দেখা যেত। বর্তমানে জাতীয় পাখি দোয়েল, কাঠ ঠোকরা, কোকিল, ডাহুক, ক্যাসমেচি, বাবুই, ঘুঘু, বাওয়াই, শালিক, টুনটুনি, মাছরাঙা, বটর, টেইটেরা, গোমড়া ও প্যাচাসহ অনেক পাখিকে আর দেখা যায়না। শোনা যায় না এসব পাখির ডাক।

    গ্রামবাংলার অতি পরিচিত বসন্তে যে পাখি “বউ কথা কও” বলে গ্রামের প্রতিটি মানুষকে মাতিয়ে তুলতো সেই পাখির দেখাও আর পাওয়া যায়না। ফলে বর্তমান প্রজন্মরা চেনেনা এসব পাখি। এসব পাখির ডাকও শোনেনি কোনদিন। ফলে শিশু কিশোরদের কাছে দিন দিন হয়ে যাচ্ছে এসব পাখি ইতিহাস।

    গ্রামের বাসিন্দা খাইরুল মিয়া বলেন, আমার বয়স এখন ৭৯ বছর, যখন আমার বয়স ১০ বছর ছিল তখন আমাদের গ্রামে কত রঙের পাখি ছিল বলে শেষ করতে পারব না। ঘরের চালের উপর পাখিরা বাসা বেঁধে থাকত। পাখির শব্দে ঘুম ভাঙত আমার। অথচ এখন আর সেই পাখিগুলো নেই।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে চারঘাট বনবিভাগের ফরেস্ট রেঞ্জ অফিসার মাহবুবুর বলেন, শীতের পাখি বিলুপ্তির কারণ আগের মত খাল-বিল বর্তমানে নেই তবে যে সমস্ত বিলে জলাশয় ছিলো সেগুলো এখন আর তেমন পানি দেখা যায় না। তাছাড়া ঐ সমস্ত খাল-বিলে ফসলের জমিতে কীটনাশক ব্যবহার করায় সেখানে আর পাখিরা বসতে পারেনা। যার কারণে অতিথি পাখির আগমন আগের তুলনায় কমে গেছে। এ ছাড়া পদ্মা নদীতে যে সমস্ত অতিথি পাখি আসে এ শ্রেণির অসাধু লোক এগুলো শিকার করছে এমন খবর পেয়ে চর এলাকায় প্রতিরোধ করার জন্য আমাদের দুইটি টিম কাজ করছে। সব মিলিয়ে শীতের অতিথি পাখি প্রায় বিলুপ্তির পথে। 

    মোঃ মোজাম্মেল হক
    চারঘাট, রাজশাহী। 

  • সুজানগরে সম্পত্তি লিখে নিয়ে মারধর, দুই ছেলের বিরুদ্ধে থানায়  পিতার মামলা

    সুজানগরে সম্পত্তি লিখে নিয়ে মারধর, দুই ছেলের বিরুদ্ধে থানায়  পিতার মামলা

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ পাবনার সুজানগরে চিকিৎসার কথা বলে পিতার সম্পত্তি লিখে নিয়েছেন ২ ছেলে। সম্পত্তি নেওয়ার পর দায়িত্বে অবহেলা ও তাকে মারধর করার অভিযোগে পিতা মোসলেম উদ্দিন প্রামানিক(৭০) প্রতিকার চেয়ে  দুই ছেলের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেছেন । বাবার ওপর ছেলের বর্বর নির্যাতনের এমন নির্দয় ঘটনা ঘটেছে উপজেলার দুলাই ইউনিয়নের  চর জোড়পুকুরিয়া গ্রামে।  ছেলের হাতে মারপিটে রক্তাক্ত হওয়ার পর স্থানীয় এলাকাবাসী সুজানগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে অসহায় মোসলেম উদ্দিনকে চিকিৎসা প্রদান করান। রবিবার সুজানগর থানায় দায়েরকৃত মামলা সূত্রে জানা গেছে, মোসলেম উদ্দিনের ২ ছেলে, ২ মেয়ে । অসুস্থ বৃদ্ধ বাবাকে প্ররোচনা দিয়ে তাকে চিকিৎসা করানোর কথা বলে  জমি লিখে নেন তার দুই ছেলে মো.সুন্দর আলী(৩৫) ও শুকুর আলী(৩৮)। সম্পত্তি লিখে নেওয়ার পর দুই ছেলে তার বাবা-মার প্রতি দায়িত্বে অবহেলা শুরু করেন। বাবার চিকিৎসা তো দুরের কথা এখন আর খেঁাজখবর পর্যন্ত নিচ্ছে না তার দুই সন্তান। জীবনের শেষ লগ্নে এসে অসুস্থ বৃদ্ধ স্বামীকে নিয়ে বর্তমানে চিন্তিত তার স্ত্রী।  দু’মুঠো ভাত ও ক্যান্সারে আক্রান্ত স্বামী মোসলেম উদ্দিনের চিকিৎসার টাকার জন্য তাকে ঘুরতে হচ্ছে পথে পথে। বাধ্য হয়ে গত শনিবার  নিজের চিকিৎসার খরচ এবং ভরণপোষণের জন্য  ছেলেদের কাছে টাকা চাইলে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে পিতা মোসলেম উদ্দিনকে মারধর করে রক্তাক্ত করে তার দুই সন্তান সুন্দর আলী ও শুকুর আলী। পরে তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ছেলের বিচার দাবি করে থানায় দুই ছেলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে অসহায় বাবা মোসলেম উদ্দিন প্রামানিক। এ বিষয়ে অভিযুক্ত মসলেম উদ্দিনের ছেলে  শুকুর আলীকে তার বাবার কাছ থেকে জমি লিখে নেওয়া ও পিতাকে মারধর করার বিষয়ে রবিবার  দুপুরে  তার মোবাইল ফোনে কল করে জানতে চাইলে তিনি সরাসরি সাক্ষাতে কথা বলবেন বলে জানান।  সুজানগর থানার ওসি গোলাম মোস্তফা মামলার বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে রবিবার জানান, পিতার মামলার ভিত্তিতে তার দুই সন্তানকে গ্রেফতার করতে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।