Blog

  • সাংবাদিক বিপ্লবের মাতৃ বিয়োগ

    সাংবাদিক বিপ্লবের মাতৃ বিয়োগ

    খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধি :
    রংপুরে তারাগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক, দৈনিক খোলা কাগজের তারাগঞ্জ প্রতিনিধি ও স্থানীয় দৈনিক সকালের বাণী পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার বিপ্লব হোসেন অপুর মাতা জোসনা বানু (৬০) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না-লিল্লাহী ওয়াইন্নাইলাহী রাজিউন)। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে হৃদ যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান ।
    তিনি দুই ছেলে ও দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
    গতকাল শুক্রবার বাদ জুমা নামাজ শেষে ইকরচালী ইউনিয়নের দোহাজারী নতুন জামে মসজিদ ঈদগাহ মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। সাংবাদিক বিপ্লব হোসেন অপুর মায়ের মৃত্যুতে গভির শোক প্রকাশ করেছে তারাগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের যুগ্ন আহ্বায়ক সিরাজুল ইসলাম বিজয়, প্রথম আলোর তারাগঞ্জ প্রতিনিধি রহিদুল মিয়া, আজকের পত্রিকার রংপুর প্রতিনিধি শিপুল ইসলাম, সাংবাদিক নাহিদুজ্জামান নাহিদ,ডেইলি ট্রাইবুনালের তারাগঞ্জ প্রতিনিধ খলিলুর রহমান, বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সভাপতি আরিফ শেখ,দৈনিক কাল বেলার তারাগঞ্জ প্রতিনিধি লাতিফুল শফি ডায়মন্ড, রহমত মন্ডল, সুমন আহমেদ, সকালের বাণী পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক হযরত আলী, বার্তা সম্পাদক এসএম ইকবাল সুমন, পরিকল্পনা সম্পাদক ফরহাদুজ্জামান ফারুক।
    এছাড়াও গভির শোক প্রকাশ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুবেল রানা, তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাঈদুল ইসলামসহ জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, চিকিৎসকসহ রাজনৈতিক, সামাজিক নেত্রীবৃন্দরা।

  • বানেশ্বর সহ রাজশাহীর বিভিন্ন  স্থানে কিশোরকন্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত 

    বানেশ্বর সহ রাজশাহীর বিভিন্ন  স্থানে কিশোরকন্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত 

    পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধি: 

    পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বরসহ রাজশাহীর বিভিন্ন স্থানে এক যোগে কিশোরকন্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) সকাল ৯ টা ৩০ মিনিট  থেকে মেধা বৃত্তি পরীক্ষা বহুনির্বাচনি পদ্ধতিতে চতুর্থ শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত বানেশ্বর শহীদ নাদের আলী স্কুল এ্যান্ড কলেজ, চারঘাট পাইলট উচ্চবিদ্যালয়সহ জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩০০০ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন।

    পরিক্ষার্থীর মা সাহেদা বলেন, কিশোরকণ্ঠ পাঠক ফোরাম কর্তৃক ছোট ছোট বাচ্চাদের নিয়ে যে মেধাবৃত্তির আয়োজন করেছে এজন্য তাদের ধন্যবাদ জানাই। এটা অনেক ভালো একটা উদ্যোগ। ভবিষ্যতে এটাকে আরও বড় পরিসরে নিলে বাচ্চাদের মধ্যে উৎসাহ উদ্দীপনা বাড়বে এবং মেধার উন্নয়ন ঘটবে।

    রাজশাহী জেলার কিশোর কণ্ঠ পাঠক ফোরামের  চেয়ারম্যান রুবেল আলী বলেন, আমাদের গরিব মেধাবীছাত্রদের মাঝে বৃত্তি প্রদান। বর্তমান সময়ে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা বিমুখ হয়ে যাচ্ছে। সেখান থেকে যাতে পড়াশোনার দিকে ধাবিত হয়। তারা নিজেদের অবস্থানটা যেনো বুঝতে পারে। স্কুলের যে ৫০ জন থাকে তাদের যাচাই বাছাই সম্ভব হয়না।  জেলার মধ্যে তারা তাদের মেধার বিকাশটা ঘটাতে পারে এবং বুঝতে পারে। 

    রাজশাহীর চারঘাট পাইলট উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শন করেন,  রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বোটানি ডিপার্টমেন্টের প্রফেসর ডক্টর আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল। জেলা সহকারী পরিদর্শক হিসেবে ছিলেন, সেলিম আবদুল্লাহ আল মাহমুদ

    প্রথমবারের আয়োজনে এ বছর ৩ হাজার ৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।  ৫ টি কেন্দ্রে পরীক্ষা সম্পূর্ণ হয়েছে।

    আগামী ৩০ দিনের মধ্যে পরিক্ষার ফলাফল প্রকাশের কথা জানান মেধাবৃত্তি পরিক্ষার চেয়্যারমান। #

    মাজেদুর রহমান(  মাজদার) 
    পুঠিয়া, রাজশাহী। 

  • সুনামগঞ্জ সদর থানার নবাগত ওসির সাথে সাংবাদিকদের  মতবিনিময়

    সুনামগঞ্জ সদর থানার নবাগত ওসির সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময়

    কে এম শহীদুল সুনামগঞ্জ:
    সুনামগঞ্জ সদর থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবুল কালাম এর সাথে সাংবাদিকদের মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় সুনামগঞ্জ জেলা কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের সাথে সৈজন্য সাক্ষাৎ ও মত বিনিময় সভায় বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা ও দিকনির্দেশনা মুলক কথাবার্তা হয়। সদর থানার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অপকর্মের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের সাথে নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। মত বিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জ সদর সার্কেল জাহিদুল ইসলাম খান ,সদর মডেল থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবুল কালাম। এছাড়াও সাংবাদিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি শেরগুল আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক রওনক বখত্সহ সাংবাদিক আল হেলাল, মাসুম হেলাল,পীর মাহবুবুর রহমান, আনোয়ারুল হক, শাহাবুদ্দিন আহমেদ,সিরাজুল ইসলাম,স্বপ্ন দাস,হাসান চৌধুরী, মোঃ জসিম উদ্দিন, ঝুনু চৌধুরী, সামছুল কাদির মিসবাহ, কুদরত পাশা,মোঃ ফরিদ মিয়া, মোঃ বাবুল মিয়া, সহিদুর আহমেদ,একে মিলন আহমেদ,গাজী আফজাল হোসেন, শাহিন চৌধুরী,কে এম শহীদুল,ফোহাদ মনি,আলাউল রহমান,আশিক পীর, দিলাল আহমেদ, মাহবুবুর রহমান সজীব, তাজুল ইসলাম তারেক প্রমূখ।

  • পাশবাড়ীতে গ্রাম পুলিশ নিয়োগে ইউএনও’র বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

    পাশবাড়ীতে গ্রাম পুলিশ নিয়োগে ইউএনও’র বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

    আমিরুল ইসলাম কবির,
    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার হরিনাথপুর ও মহদীপুর ইউনিয়ন পরিষদে গ্রাম পুলিশ নিয়োগে, নিয়োগ বোর্ডের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে একক প্রার্থী,কম উচ্চতা এমন প্রার্থী, লিখিত পরীক্ষায় অতিরিক্ত সময় দেয়াসহ নানা অভিযোগ উঠেছে। প্রতিকার চেয়ে জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী এক যুবক।

    অভিযোগ সূত্রে প্রকাশ,উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে দফাদার (পদোন্নতি) ২টি এবং মহল্লাদার (সরাসরি) নিয়োগ ৫টি শূন্য পদে বিধি মোতাবেক দরখাস্ত আহবান করা হয়।

    ৯নং হরিনাথপুর ইউনিয়নে ৭নং ওয়ার্ডে মহল্লাদার ১টি শূন্য পদের বিপরীতে ২টি এবং ৫নং মহদীপুর ইউনিয়নে ৮নং ওয়ার্ডে মহল্লাদার ১টি শূন্য পদের বিপরীতে ৩টি আবেদন পত্র জমা পড়ে।

    গত শুক্রবার ১৩ই ডিসেম্বর গ্রাম পুলিশ নিয়োগে মাঠ হয় উপজেলা পরিষদ চত্বর।

    নিয়োগ মাঠে হরিনাথপুর ইউনিয়নের ১টি পদের বিপরীতে ২জন এবং মহদীপুর ইউনিয়নে ১টি পদের বিপরীতে মাত্র ১জন প্রার্থী উপস্থিত হয়।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও
    নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি কামরুল হাসানের নেতৃত্বে বোর্ড সদস্য থানা অফিসার ইনচার্জ জুলফিকার আলী ভুট্টো ও উপজেলা আনসার ভিডিপি কমান্ডার আব্দুল আউয়াল হোসেন শারিরিক যোগ্যতার পরীক্ষা নেন। পরীক্ষা চলাকালিন সময়ে হরিনাথপুর ইউনিয়নের তাপস চন্দ্র পিতা জিতেন চন্দ্র এবং মহদীপুর ইউনিয়নের একমাত্র প্রার্থী মো. আনারুল ইসলাম পিতা মৃত সেলিম মিয়া বিজ্ঞপ্তি মোতাবেক শারীরিক যোগ্যতা সর্বনিম্ন উচ্চতা ৫ ফুট ২ ইঞ্চি না হওয়ায় তারা প্রাথমিক ভাবে বাছাই পর্বেই নিয়োগের যোগ্যতা হারায়।

    অভিযোগে আরো জানা যায়, লিখিত পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে২০/২৫ মিনিট পর অজ্ঞাত কারনে নিয়োগ বিধির তোয়াক্কা না করে প্রাথমিকভাবে নিয়োগের শারীরিক যোগ্যতা হারানো ওই ২ প্রার্থীকে অতিরিক্ত সময় দিয়ে লিখিত পরীক্ষার সুযোগ করে দেয়া হয়।

    পরে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা শেষে নিয়োগ বোর্ড অনিয়ম ও স্বজন প্রীতির মাধ্যমে প্রাথমিক ভাবে শারিরিক যোগ্যতা হারানো হরিনাথপুর ইউনিয়নে তাপস চন্দ্র এবং মহদীপুর ইউনিয়নে আনারুল ইসলামকে নির্বাচিত ঘোষণা করে ফলাফল ঘোষণা করেন।

    এব্যাপারে হরিনাথপুর ইউনিয়িনের মহল্লাদার পদ বঞ্চিত প্রার্থী কুমার নারায়ন নিয়োগ বোর্ডের এসকল অনিয়ম-স্বজন প্রীতির স্বচ্ছ তদন্ত ও প্রতিকার চেয়ে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

    এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী
    কর্মকর্তা ও নিয়োগ বোর্ড সভাপতি
    মো. কামরুল হাসান বলেন,২জন প্রার্থী ২০ মিনিট পরে আসায় তাদেরকে অতিরিক্ত সময় দেয়া হয়েছে। শারীরিক যোগ্যতার বিষয়ে বোর্ডের সদস্য অফিসার ইনচার্জ ও আনসার ভিডিপি কমান্ডার বলতে পারবেন।

    থানা অফিসার ইনচার্জ জুলফিকার আলী ভুট্রো বলেন,মাপে সঠিক আছে,প্রাথমিক ভাবে ফিতা ধরতে ভুল ছিল।

    উপজেলা আনসার ভিডিপি কমান্ডার আব্দুল আওয়াল হোসেন বলেন,প্রাথমিকভাবে ফিতা ধরতে ভুল ছিল,পরে চ্যালেঞ্জ করে পূণঃরায় মাপ দিলে সঠিক পাওয়া যায়।।
    (চলবে…………..)

  • পটিয়ায় রসিদাবাদ পল্লীমঙ্গল সংস্থার নির্বাচন কমিশন গঠন

    পটিয়ায় রসিদাবাদ পল্লীমঙ্গল সংস্থার নির্বাচন কমিশন গঠন

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
    পটিয়ায় রশিদাবাদ পল্লীমঙ্গল সংস্থার নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে। পল্লীমঙ্গল সংস্থার সাবেক আহবায়ক এস এম হারুনুর রশিদকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার,মিজানুর রহমান ও আব্দুল করিমকে কমিশনার করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট রসিদাবাদ পল্লীমঙ্গল সংস্থার নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়। রশিদাবাদ পল্লী মঙ্গল সংস্থার ২০২৫-২০২৬ কার্য নির্বাহী পরিষদ নির্বাচনের জন্য এই নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে। সংস্থার কার্যকরী কমিটির সভাপতি মোঃ আজগর হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    আগামী ২৭ ডিসেম্বর ২০২৪ ইংরেজি রশিদাবাদ পল্লী মঙ্গল সংস্থার ২০২৫-২০২৬ দ্বি-বার্ষিক কার্য নির্বাহী পরিষদ নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করে নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা করা হয়েছে।

    সভাপতি,সহ-সভাপতি,সাধারণ সম্পাদক,সহ-সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক,সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক,অর্থ ও পরিকল্পনা সম্পাদক,সমাজকল্যাণ সম্পাদক,ধর্ম সম্পাদক,শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক, সাহিত্য ও পাঠাগার সম্পাদক, তথ্য ও যোগাযোগ সম্পাদক,ক্রীড়া সম্পাদক,কৃষি সম্পাদক,প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সম্পাদক,অফিস সম্পাদক,প্রবাসী কল্যাণ সম্পাদক, কার্যকরী সদস্য পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের অনুষ্ঠানের জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনার এস এম হারুনুর রশিদ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

  • তানোরে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন

    তানোরে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোর উপজেলা, তানোর ও মুন্ডুমালা পৌর বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।
    জানা গেছে,গত ১৮ ডিসেম্বর মঙ্গলবার উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আখেরুজ্জামান হান্নান।এসময় উপস্থিত ছিলেন তানোর পৌর বিএনপির আহবায়ক একরাম আলী মোল্লা,মুন্ডুমালা পৌর বিএনপির আহবায়ক মোজাম্মেল হক, সরনজাই ইউপি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক খাঁন,
    চাঁন্দুড়িয়া ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মফিজ উদ্দিন,বাধাইড় ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান হেনা, পাঁচন্দর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম মমিন, উপজেলা
    বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হযরত আলী মাষ্টার, ফিরোজ কবির, সুলতান আহম্মেদ, প্রভাষক মুজিবুর রহমান, আব্দুল মালেক মন্ডল, আবুল কালাম আজাদ, সাজ্জাদ আলী,সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল মান্নান মুনসুর রহমান,মুঞ্জুর রহমান ও আবু সাইদ বাবু, ওবাইদুর মোল্লা, তোফাজ্জুল হোসেন তোফা, সাইফুল ইসলাম, আব্দুল গাফফার, প্রভাষক নুরুল ইসলাম ও মফিজ উদ্দিন, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক মোতালেব হোসেন,উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব শরিফ উদ্দিন মুন্সী, তানোর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব নুর হোসেন মাহমুদ রাজা,
    ওবাইদুর মোল্লা ও মাহাবুব মোল্লা
    প্রমুখ।এছাড়াও বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের সকল কমিটির সাংগঠনিক নেতৃবৃন্দ।
    এদিকে লিখিত বক্তব্য বলা হয়, তানোরে বহিরাগত ভাড়াটিয়াদের নিয়ে এসে বিশৃঙ্খলা ও দলীয় কোন্দলের সৃষ্টি এবং রাজশাহী জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ও সাবেক পৌর মেয়র বারবার কারা নির্যাতিত জননেতা মিজানুর রহমান মিজানের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদে সাংবাদিক সম্মেলন। প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ আসসালামু আলাইকুম/গমস্কার। শুরুতেই ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযোদ্ধে বীর শহীদদের এবং সদ্য সমাপ্ত ২৪- এর ছাত্র-জনতার গণ অভ্যুত্থানে আহত ও নিহতদের স্মরণ করছি। আপনারা অবগত আছেন যে, গত ৫ আগষ্টে রক্তক্ষয়ী আন্দোলনের পর স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের শাসনামল থেকে রাজশাহীর তানোর উপজেলাসহ পুরো বাংলাদেশ মুক্তি লাভ করে। বিগত দিনে, এই তানোর উপজেলায়সহ রাজশাহী জেলা জুড়ে জাতীয়তাবাদী আদর্শে গণতান্ত্রিক আন্দোলন বাস্তবায়নের জন্যে দিনরাত পরিশ্রম করেছেন যে কয়জন, তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, বর্তমান রাজশাহী জেলা বিএনপির অন্যতম সদস্য ও বারবার কারা নির্যাতিত নেতা মিজানুর রহমান মিজান। তিনি প্রায় ১৭ বছর ধরে গত ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের শত বাঁধা পেরিয়ে তানোর উপজেলা ও জেলা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত আছেন। এসময়ে তাঁর বিরুদ্ধে ২৭টি মিথ্যা ও গায়েবি রাজনৈতিক মামলা করা হয়েছিন। এমনকি একাধিকবার রিমান্ড ও ৯ বার দীর্ঘ মেয়াদে জেল খেটেছেন তিনি তাঁকে রাজনৈতিকভাবে ঘায়েল করতে না পেরে তার নামে থাকা পুকুর দখল ও তাঁর বরেন্দ্র ক্যাবল ডিস লাইন বিভিন্ন জায়গায় দখল করে নিয়েছিলো তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার দলীয় নেতারা। আবার ২০১৫ সালে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে শত প্রতিকূলতা মাড়িয়ে মেয়র পদে নির্বাচিত হওয়ার পরও মিথ্যা মামলা দিয়ে তাঁকে তখন জেলে পাঠানো হয়েছিলো। মামলা-হামলায় জর্জরিত হলেও তিনি বিএনপির আদর্শ ত্যাগ করেননি কখনো। রাতের পর রাত বাড়িতে ঘুমাতে পারেননি গ্রেপ্তার আতঙ্কে তবুও হরতাল-অবরোধ কর্মসূচি ছাড়াও কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রতিটি নির্দেশনা শত প্রতিকূলতা স্বত্তেও সফলভাবে পালন করেছেন রাজশাহী জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য ও তানোর পৌরসভার সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিজান। সাংবাদিক বন্ধুগণ। বিগত ৫ আগস্টের আগে রজনৈতিক প্রতিহিংসায় এবং আন্দোলন দমাতে পুনরায় রাতের অন্ধকারে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল বিএনপি নেতা ও সাবেক পৌর মেয়র মিজানুর রহমান মিজানকে। তবে স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর তিনি জামিনে মুক্ত হন এবং তানোর উপজেলা ও পৌরসভা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ের বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকারীদের বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনা মোতাবেক সকল ধরনের ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম থেক বিরত রাখেন। জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য মিজানের রাজনৈতিক দূরদর্শিতার কারণে বিএনপি নেতা ও সাবেক মন্ত্রী প্রয়াত ব্যরিস্টার আমিনুল হকের ভাই বাংলাদেশ জাতীয়তা দল বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক সামরিক সচিব মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিনকে সামনে রেখে তানোর উপজেলার দুই পৌরসভা ও সাত ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীর মধ্যে মান অভিমান ভুলে ঐক্যবদ্ধ করতে থাকেন। ঠিক এমন সময়ে গুটিকয়েক দলছুট ও সুবিধাবাদীরা মিলে দলে বিভেদ সৃষ্টির লক্ষ্যে বিভিন্ন ধরনের অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৫ ডিসেম্বর দুপুর পর হঠ্যাৎ করে প্রায় ১০/১৫টি বিলাসবহুল মাইক্রোবাস ভর্তি বহিরাগতদের নিয়ে তানোরে আসেন ব্যবসায়ী ও গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপির সদস্য এ্যাডঃ সুলতানুল ইসলাম তারেক। আর তাদের অচমকা উপস্থিতি দেখে তানোর পৌর বিএনপির আহবায়ক একরাম আলী মোল্লাসহ উপজেলা ও পৌর বিএনপির মূল ধারার একাধিক নেতা তাদের এভাবে আসার কারণ জানতে সইলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে মারমুখী হয়ে উঠেন। এমতাবস্থায় উপস্থিত কয়েকজন নেতাদের সঙ্গে তাদের কথাকাটিও হয়। তারপর তারা থানা মোড়ে হঠ্যাৎ করে ফিল্মি স্টাইলে পথ সভা করে চলে যায় পরে বিভিন্ন মাধ্যমে জানা যায়, সুলতানুল ইসলাম তারেক নামে ওই ব্যবসায়ী নাকি এই আসনে ধানের শীষের মনোনয়ন টাকা দিয়ে কিনে আনবে এবং ভোট করবে। আর সে জন্যই তিনি এরআগেও সহ ১৫ ডিসেম্বর পুনরায় শেডাইন করতে এখানে এসেছিলেন তিনি নাকি বাধাইড় একটি ইসলামি জালসায় যাচ্ছিলেন। তবে এঘটনায় দু’দিন পর আবারও হঠাৎ করে রাজশাহীর একটি রেস্তোরাঁয় জমকালো ভাবে সংবাদ সম্মেলন করে রাজশাহী জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ও সাবেক পৌর মেয়র বারবার কারা নির্যাতিত জননেতা মিজানুর রহমান মিজানের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও অপপ্রচারের চালানো হয়। মূলত ওই সংবাদ সম্মেলনে যে ঘটনার যে দিন উল্লেখ করা হয়েছে, সেদিন বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান মিজান তাঁর ব্যবসায়ীক ও দলীয় জরুরি কজে ঢাকাতে অবস্থান করছিলেন। আবার তাঁর ভগ্নিপতি উপজেলা শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাবীবুর রহমান হাবীবকে নিয়ে ও তাঁর বর্ণীয় যে কথা উল্লেখ করা হয়েছে তাও সঠিক নয়। মূলত গুটিকয়েক দলছুট ও নিষ্ক্রিয় নেতাদের মোটা টাকার বিনিময়ে ওই সংবাদ সম্মেলনে বসিয়ে তাঁদের দিয়ে মিথ্যা ছড়ানো হয়েছে।প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ তানোরে আতাতের রাজনীতি করে যারা এতোদিন পকেট ভরেছে, তাঁরা আজ আমাদের তানোর পৌরসভার সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিজানের কাছে অনৈতিক সুবিধা করতে না পেরে ভাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা,ভিত্তিহীন ও মানহানিকর কথাবার্তা রটিয়ে বেড়াচ্ছে। তাছাড়া ১৭ ডিসেম্বর রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত এই সংবাদ সম্মেলনে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ডিপ টিউবয়েল দখল ও টাকা উত্তোলন, পুকুর দখল, ডিস লাইন দখল যে সকল কথা উল্লেখ করা আছে তা সবকিছু ভুলে ভরা। হাস্যকর বিষয় হচ্ছে, গতদিন (১৭ ডিসেম্বর) যারা ওই সম্মেলন করেছে, তারাই আবার চলতি বছরের আগষ্ট মাসে রাজশাহী জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ও সাবেক পৌর মেয়র বারবার কারা নির্যাতিত জননেতা মিজানুর রহমান মিজানের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও অপপ্রচারের এসব ঘটনা মিথ্যা বলে সংবাদ সম্মেলন ও প্রতিবাদ জানিয়ে মানববন্ধন করেছিল। অথ্যাৎ, তাঁদের সাথে থাকলে সঙ্গী আর না থাকলেই অপপ্রচার। তাই আমরা তানোর উপজেলা, তানোর ও মুন্ডুমালা পৌর বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মী আজ তানোর উপজেলা বিএনপির প্রধান কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে এই সংবাদ সম্মেলনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ আনাচ্ছি। এছাড়াও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটি ও রাজশাহী জেলা বিএনপির নিকট আকুল আবেদন এই মিথ্যা ও অম্প্রচার কারীদের নির্দেশ দাতাসহ সহযোগিদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যাবস্থা নিয়ে দল থেকে বহিষ্কারের জোরালো দাবি জানাচ্ছি। বাংলাদেশ জিন্দাবাদ, শহীদ জিয়া অমর হোক, তারুণ্যর অহংকার তারেক জিয়া জিন্দাবাদ। সকলেই ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ।
    এবিষয়ে এ্যাডঃ সুলতানুল ইসলাম তারেকের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। উল্লেখ, গত ৫ আগষ্টের পর থেকে সুলতানুল ইসলাম তারেক বিভিন্ন সময়ে বহিরাগতদের নিয়ে গাড়ী বহরসহ তানোরে এসে নিজেকে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ঘোষণা দিয়ে শোডাউন ও গণসংযোগ করছেন।

  • ঈদগাঁওতে কাঠের দোকানে যাত্রীবাহী বাস আহত-৩

    ঈদগাঁওতে কাঠের দোকানে যাত্রীবাহী বাস আহত-৩

    মোঃ কাউছার উদ্দীন শরীফ, ঈদগাঁওঃ

    মহাসড়কের পাশের ফুটপাত দখল করে কাঠের ব্যবসা করেন সালা উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি। তার দোকানে শ্যামলী পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ভেতরে ঢুকে পড়েছে।এতে ৩ জন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শী।আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

    বৃহস্পতিবার ১৯ ডিসেম্বর সকাল ৮ টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের ঈদগাঁও থানার ১০০ গজ উত্তরে শাহ ফকির বাজারস্থ এঘটনা ঘটে।

    জানা যায়, ঢাকা থেকে আসা শ্যামলী পরিবহনের (ঢাকা মেট্রো ব ১৪-৩১০৩) বাসটি কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামাবাদ ইউনিয়নের শাহ ফকির বাজারস্থ পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি সালাহউদ্দিনের কাঠের দোকানে ঢুকে পড়ে।এতে কাঠের দোকান ও ডেকোরেশনের দোকান তছনছ হয়ে যায়। বাসের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে গিয়ে কর্মচারী কবির আহমদসহ ৩ জন আহত হয়।

    মালুমঘাট হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মেহেদী হাসান বলেন, দ্রুতগামী বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফকিরাবাজারস্থ কাঠের দোকানে ঢুকে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। স্থানীয় লোকজন কয়েকজনকে উদ্ধার করেছে। তবে চালক ও হেলপারকে পাওয়া যায়নি।

  • পাইকগাছায় আবহাওয়া জনিত কারণে গাছিরা  দেরিতে খেজুর গাছ পরিচর্যা শুরু করেছে

    পাইকগাছায় আবহাওয়া জনিত কারণে গাছিরা দেরিতে খেজুর গাছ পরিচর্যা শুরু করেছে

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা)।।
    জলবায়ু পরিবর্তন ও অতিরিক্ত বৃস্টির কারণে পাইকগাছাসহ দক্ষিণাঞ্চলে খেজুর গাছ থেকে রস আহরণে গাছের পরিচর্চা দেরিতে শুরু হয়েছে। সে কারণে প্রায় এক মাস পরে উপজেলার গাছিরা খেজুর গাছ পরিচর্চা শুরু করছেন। তাই এখন খেজুর গাছ পরিচর্যায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছে পাইকগাছার গাছিরা। কালের বিবর্তনে উপকূলীয় এলকা থেকে হারিয়ে যাচ্ছে খেজুর গাছ। গাছ আর গাছির অভাবে বাংলার ঐতিহ্যবাহী সুস্বাদু খেজুরের রস স্বাদ থেকে অনেকেই বঞ্চিত হচ্ছে।
    শীত মৌসুম এলেই পা্ইকগাছা উপজেলার সর্বত্র শীত উদযাপনে খেজুরের রসের মুখরোচক উপাদান তৈরি করা হয়। রসের চাহিদা থাকে প্রচুর। খেজুরের রস আহরণ ও গুড় তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন এ এলাকার গাছিরা। যারা খেজুরের রস সংগ্রহের জন্য বিশেষভাবে গাছ কাটায় পারদর্শী স্থানীয় ভাষায় তাদেরকে গাছি বলা হয়। এ গাছিরা হাতে দা নিয়ে ও কোমরে দড়ি বেঁধে নিপুণ হাতে গাছ চাঁচা-ছোলা ও নল বসানোর কাজ শুরু করেছেন। তবে গাছের এক পাশের বাকল তুলে চেচে রাখায় মাথির নরম কান্ডে ছিদ্র করে গাছ নষ্ট করে দেয় পিপড়া ও কাঠবিড়ালি। এর ফলে এসব গাছ থেকে রস কম পাওয়া যায়।
    শীতের দিন মানেই গ্রামাঞ্চলে খেজুর রস ও নলেন গুড়ের মৌ মৌ গন্ধ। শীতের সকালে খেজুরের তাজা রস যে কতটা তৃপ্তিকর তা বলে বোঝানো যায় না। আর খেজুর রসের পিঠা এবং পায়েস তো খুবই মজাদার। এ কারণে শীত মৌসুমের শুরুতেই গ্রামাঞ্চলে খেজুর রসের ক্ষীর, পায়েস ও পিঠে খাওয়ার ধুম পড়ে যায়। প্রতিদিনই কোনো না কোনো বাড়িতে খেজুর রসের তৈরি খাদ্যের আয়োজন চলে। শীতের সকালে বাড়ির উঠানে বসে সূর্যের তাপ নিতে নিতে খেজুরের মিষ্টি রস যে পান করেছে, তার স্বাদ কোনো দিন সে ভুলতে পারবে না। শুধু খেজুরের রসই নয় এর থেকে তৈরি হয় সুস্বাদু পাটালি গুড়। খেজুর গুড় বাঙালির সংস্কৃতির একটা অঙ্গ। নলেন গুড় ছাড়া আমাদের শীতকালীন উৎসব ভাবাই যায় না।
    উপজেলার ১০ টি ইউনিয়নের মাঠের ক্ষেতের আইলে, রাস্তার পাশে, পুকুর পাড়ে-অযত্নে-অবহেলায় বেড়ে উঠেছে খেজুরের গাছ। যাহা অর্থনীতিতে আশীর্বাদ স্বরুপ। শীত মৌসুমে রস-গুড় উৎপাদন করে প্রায় ৪ থেকে ৫ মাস স্বাচ্ছন্দ্যে জীবন-জীবিকা নির্বাহ করে এই উপজেলার শতাধিক পরিবার।
    পাইকগাছা খেজুরের রস, গুড় ও পাটালি উৎপাদনে বেশ প্রসিদ্ধ। এ উপজেলায় যে রস, গুড় ও পাটালি তৈরি হয়, তা নিয়ে শীত মৌসুমে রীতিমতো কাড়াকাড়ি শুরু হয়। সবাই ভেজাল মুক্ত গুড় পেতে চায়। শীত মৌসুম খেজুরের রস দিয়ে গ্রামীণ জনপদে শুরু হয় শীতের আমেজ। শীত যত বাড়বে খেজুরের রসের স্বাদ তত বাড়বে। সুস্বাদু পিঠা ও পায়েস তৈরিতে আবহমান কাল থেকে গ্রাম বাংলার ঘরে ঘরে খেজুরের গুড় ওতপ্রোতভাবে জড়িত। উপজেলার তকিয়া গ্রামের গাছি আব্দুল মজিদ জানান, চলতি মৌসুমে প্রায় একশত গাছ থেকে খেজুরের রস আহরণ করবেন। খেজুর গাছের রস, গুড়-পাটালি বিক্রয় করে খরচ বাদে প্রায় ৭০ হাজার টাকা লাভের আশা করছেন তিনি।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ একরামুল ইসলাম জানান, উপকূল এলাকার এ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় খেজুর গাছ রয়েছে। খেজুর গাছের জন্য বাড়তি কোনো পরিচর্যার প্রয়োজন হয় না। ক্ষেতের আইলে ও পরিত্যক্ত জমিতে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে খেজুর বাগান গড়ে তোলা হলে কৃষকেরা গুড় উৎপাদন করে আরো বেশি লাভবান হবে।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।।

  • একজন সৎ,দক্ষ ও জনবান্ধব সরকারী কর্মকর্তা কিশোরগঞ্জের অতিঃ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজাবে রহমত

    একজন সৎ,দক্ষ ও জনবান্ধব সরকারী কর্মকর্তা কিশোরগঞ্জের অতিঃ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজাবে রহমত

    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    দুর্ণীতি,অনিয়ম-অন্যায়,ভেজালের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কন্ঠস্বর কিশোরগঞ্জের  অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজাবে রহমত। যিনি কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, উন্নয়ন ও মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা শাখার অতিরিক্ত দায়িত্বেও আছেন। 

    গত ২০২৪ সালের ২১মার্চ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারীকৃত এক প্রজ্ঞাপনে তাকে কিশোরগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসাবে পদন্নোতি দেওয়া হয়। এর আগে তিনি শেরপুর জেলার সদর উপজেলা ও ময়মনসিংহের তারাকান্দা  উপজেলা  নির্বাহী অফিসার হিসাবে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেন। কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসাবে দায়িত্ব পালনকালে তার কাজের দক্ষতা, সততায় ও কর্তব্যপরায়নে ইতিমধ্যে জেলার সর্বস্তরের মনে জায়গা করে নিয়েছেন । সেই সুনামের অধিকারী হিসাবে তাকে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) হিসাবে পদায়ন করা হয়।  যোগদানের পর থেকে কিশোরগঞ্জ  জেলা প্রশাসক ফৌজিয়া খানের

     নির্দেশনায়  তার  নেতৃত্বে মাদক,ইভটিজিং,বাল্য বিবাহ, অবৈধ ড্রেজার, জুয়া ও তামাকজাত দ্রব্যসহ সকল ধরনের ভেজাল,আইনবহির্ভূত কাজের প্রতিরোধ করার লক্ষে নিয়মিত অভিযান এবং জেলার বিভিন্ন সরকারী দপ্তর পরিদর্শনের মাধ্যমে সরকারী সকল সেবা কে জনকল্যাণে জনগণের দোড়গোড়ায় পৌছে দেওয়ার নিরলস প্রচেষ্টায় স্বল্প সময়েই তিনি একজন দায়িত্ববান সরকারী কর্মকর্তা হিসাবে সকলের মাঝে জায়গা করে নিয়েছেন। 

    অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজাবে রহমত কিশোরগঞ্জ  জেলায় যোগদানের পর থেকে দায়িত্ব পালনে নিরলস ভূমিকা রেখে জেলা প্রশাসক ফৌজিয়া খানের  নেতৃত্বে সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক জনসেবা  নিশ্চিত করণে,দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতি নিয়ন্ত্রণে,জেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের টিমকে বিভিন্ন স্থানে  যথাসময়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার মাধ্যমে প্রশাসনিক সেবা কে জনকল্যাণে জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে দিতেও ব্যাপক ভূমিকা রেখে নিজেকে একজন সফল সরকারি কর্মকর্তা  হিসাবে আলোচনার স্থান করে নিয়েছেন। 

    নিজের আরাম আয়েশের  কথা না ভেবে একজন জনবান্ধব অফিসার হিসাবে যে কোন মানুষের সমস্যায় এগিয়ে আশার ফলে জেলার প্রতিটি মানুষ তাকে অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাচ্ছেন। তিনি মানুষকে নোংরা মানসিকতা পরিহার করে দুর্ণীতি ও অন্যায়,ভেজালের  বিরুদ্ধে রুখে দাড়ানোর আহবান জানিয়ে নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন সমাজকে বদলানোর জন্য।

    সকালে বাসা থেকে বের হয়ে তিনি প্রতিদিন জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বিভিন্ন ইউনিয়নের  গ্রামে গঞ্জে দৌড়াচ্ছেন জনগণের সমস্যা সমাধানে, অন্যায়ের সাথে কখনো আপোষ করেন না তিনি। শুধু মাত্র খাদ্যের ভেজাল নয় যেকোন অপরাধের বিরুদ্ধে তিনি প্রতিবাদী।

    যিনি সরকারের প্রতিটি সেবাকে জনকল্যাণে পৌছে দিতে প্রতিটি হাট,বাজার,অবৈধ প্রতিষ্ঠানে অভিযান অব্যাহত রাখায় জেলায় স্বচ্ছতা ফিরে আসছে।  অপরাধী যতবড় ক্ষমতাশালীই হউক জনস্বার্থে তিনি কখনও কোন কারণে অপরাধীর সাথে আপোষ করেন না। তিনি কিশোরগঞ্জ  জেলার একজন সৎ মেধাবী ও চৌকস অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে স্বচ্চ ও দুর্ণীতিমুক্ত জনপ্রশাসনকে জনগণের দোড়গোড়ায় পৌছাতে কাজ করছেন। এতে একদিকে সাধারণ মানুষ যেমন ভেজাল মুক্ত হচ্ছে অপরদিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানায় সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে। 

    পরিশ্রমী ও জনবান্ধব,অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী অতিরিক্ত এই জেলা অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট ৩৩ ব্যচে উত্তীর্ণ হয়ে প্রশাসন ক্যাডার সার্ভিসে  যোগদান করেন।কিশোরগঞ্জে তার যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন সেক্টরে স্বচ্ছতা ফিরে এসেছে বলে দাবী জেলাবাসীর। অন্যায় ও ভেজালের বিরুদ্ধে কঠোর হওয়ায় যে কেউ ভেজাল ব্যবসা ইচ্ছা করলেও শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নেতৃত্বাধীন অভিযান আতঙ্কে ভেজাল ও আইন বিরোধী  করার সাহস পায়না।

    তিনি পলিথিন, তামাক,খাদ্যের ভেজাল,লাইসেন্স বিহীন ব্যবসাসহ বিভিন্ন বিষয়ে স্বচ্ছতার লক্ষ্যে সচেতনতামূলক ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করে কিশোরগঞ্জ বাসীর মাঝে আরো ব্যাপক আলোচনার স্থান করে নিয়েছেন।বিভিন্ন হাট,বাজারে ভেজাল বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে জনগণের প্রকৃত সেবা নিশ্চিত  করতে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজাবে রহমত এর নেতৃত্বে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গণের নিয়মিত পরদর্শন ও অভিযানে সাধারণ জনতার মাঝে স্বস্থি ফিরে এসেছে। 

    অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজাবে রহমত 

    কিশোরগঞ্জে যোগদানের পুর্বে তিনি ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, এনডিসি পদে অতঃপর তারাকান্দা উপজেলায় ইউএনও পদে পদন্নোতি পেয়ে   উপজেলার নির্বাহী অফিসার পদে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেন।

  • ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের গণ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের গণ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নলছিটি পৌর শাখার গণ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    বৃহস্পতিবার বিকালে নলছিটি ইসলামীয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার মাঠে এ সমাবেশ আয়োজন করা হয়। এতে মাওলানা মামুন মৃধার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, ডাঃ মাওলানা সিরাজুল ইসলাম সিরাজী। প্রধান মেহমান হিসেবে বক্তব্য রাখেন ডাঃ মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন, মাওলানা মোঃ আব্দুল কুদ্দুস মল্লিক, মাওলানা মোঃ শাহজালাল হোসাইন জেহাদী।

    ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে অর্জিত বিজয় রক্ষা দেশী বিরোধী সকল ষড়যন্ত্র, দুর্নীতি, চাদাবাজি,সন্ত্রাস সকল বৈষম্যের মোকাবেলা ও ভোটাধিকার রক্ষার্থে   পিআর পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচনের দাবীসহ ৯ দফা দাবীর বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নলছিটি ইসলামি আন্দোলন  পৌর শাখার আয়োজনে এ গনসমাবেশ  অনুষ্ঠিত হয়।