Blog

  • বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য জননেতা সাইফুর রহমান রানাকে অভিনন্দন জানিয়ে আনন্দ মিছিল

    বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য জননেতা সাইফুর রহমান রানাকে অভিনন্দন জানিয়ে আনন্দ মিছিল

    এম এস সাগর,
    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

    বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য ও সাবেক কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সফল সাধারণ সম্পাদক এবং ২৫ কুড়িগ্রাম-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাইফুর রহমান রানা এর ঢাকা থেকে আগমনে বিএনপি’র সকল অঙ্গ-সংগঠনের হাজারো নেতা-কর্মীরা শনিবার (২৮ডিসেম্বর) দুপুরে মোটরসাইকেল বহর নিয়ে কুড়িগ্রামে গিয়ে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। অতঃপর মোটরসাইকেল বহরের মধ্য দিয়েই আনন্দ মিছিলের মাধ্যমে নাগেশ্বরীতে আসেন। পরে নাগেশ্বরী কলেজ মোড় উপজেলা বিএনপি’র দলীয় কার্যালয়ে হাজারো নেতা-কর্মীর ঢল নামে। উপজেলা বিএনপি’র আয়োজনে উপজেলা শহরের কলেজ মোড় থেকে মিছিলটি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে কলেজ মোড় উপজেলা বিএনপি’র দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় সেখানে বিএনপি’র অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য ও সাবেক কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সফল সাধারণ সম্পাদক এবং ২৫ কুড়িগ্রাম-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাইফুর রহমান রানা বলেন, আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। বিগত দিনগুলোতে আমরা রাজপথে রক্ত দিয়েছি, অনেক নেতাকর্মী জেলে গিয়েছে, অনেক নেতাকর্মী হারিয়েছি, কিন্তু একটা জায়গায় ভালো কাজ করেছি, সেটা হলো বিএনপি নেতাকর্মীরা জ্বলেপুড়ে খাঁটি সোনায় পরিণত হয়েছে।
    রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তনের কথা জানিয়ে তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন হয়েছে। নতুন রাজনীতিতে নতুন প্রজন্মের চিন্তা-চেতনা, তরুণদের চিন্তা-চেতনা আমাদের বুঝতে হবে। তাই সেভাবে রাজনীতি করতে হবে। পাশাপাশি রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনতে হবে। কুড়িগ্রাম জেলায় বিএনপি’র সকল অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কর্মীদের ধন্যবাদ জানান।

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- নাগেশ্বরী উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরননবী দুলাল, নাগেশ্বরী পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আজিজুল হক, কচাকাটা থানার বিএনপি নেতা তোলা ব্যাপারী সহ বিএনপি’র অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

  • বানারীপাড়ায় মাসিক উন্নয়ন সমন্বয় ও আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

    বানারীপাড়ায় মাসিক উন্নয়ন সমন্বয় ও আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

    বিশেষ প্রতিনিধি॥

    বরিশালের বানারীপাড়ায় উপজেলা পরিষদের মাসিক উন্নয়ন,সমন্বয় ও আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বানারীপাড়া উপজেলা পরিষদের প্রশাসক ও ইউএনও মো. বায়েজিদুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান,উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ফকরুল ইসলাম মৃধা, উপজেলা প্রাণী সম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডা. প্রণব দত্ত,উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো.রফিকুল ইসলাম তালুকদার,উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী নিজামউদ্দিন,উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা পার্থ সারথী দেউরী, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আফসানা আরেফিন,থানার উপ-পরিদর্শক কমল,উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউপি চেয়ারম্যান মাষ্টার সিদ্দিকুর রহমান প্রমুখ। সভায় বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ,জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

  • তানোরে হিমাগার ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে কৃষক সমাবেশ ও স্বারকলিপি প্রদান

    তানোরে হিমাগার ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে কৃষক সমাবেশ ও স্বারকলিপি প্রদান

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরের (কোল্ড স্টোর) হিমাগারগুলোতে অযৌক্তিকভাবে আলুর ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে কৃষক সমাবেশ করা হয়েছে।
    জানা গেছে, গত ২৬ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার তানোর উপজেলা আলু চাষী কল্যান সমিতির উদ্যোগে এবং সমিতির সভাপতি আলহাজ নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাংবাদিক এম রায়হান আলীর সঞ্চালনায় গোল্লাপাড়া বাজার ফুটবল মাঠে আয়োজিত কৃষক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তানোর পৌর বিএনপির আহবায়ক একরাম আলী মোল্লা এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমিতির সম্পাদক আব্দুল মতিন ও কোষাধ্যক্ষ রাশিদুল ইসলাম কারী।অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন তানোর পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ও আলু চাষী আবু সাইদ বাবু, তানোর পৌর সভার সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল মান্নান, আজাহার আলী, তানোর পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক তোফাজ্জুল হোসেন তোফা,আব্দুল মালেক মন্ডল,গোলাম মোর্তুজা, ব্যবসায়ী ও আলু চাষি লিমন,আলহাজ্ব সালাউদ্দিন শাহ্, গোলাম রাব্বানী, হাবিবুর রহমান হাবিব,আফজাল হোসেন ও আহসান হাবিব প্রমুখ। এছাড়াও কৃষক সমাবেশে কয়েকশ’ ব্যবসায়ী ও আলু চাষিগণ উপস্থিত ছিলেন।
    এদিন কৃষক সমাবেশে বক্তাগণ বলেন, হিমাগার কর্তৃপক্ষ সিন্ডিকেট ও আলু চাষীদের জিম্মি করে অযৌক্তিকভাবে ভাড়া বৃদ্ধি করেছে। গত বছর হিমাগার গুলোতে প্রতি বস্তা আলুর ভাড়া ছিলো ২৫৫ টাকা। অথচ কোনো পুর্ব ঘোষণা ছাড়াই এবছর অগ্রিম বুকিং স্লিপ কাটার সময় প্রতি বস্তার রেট ধরা হয়েছে ২৮৫ টাকা। তারপরও কৃষকরা কোন প্রতিবাদ করেননি। কিন্তু এখন হিমাগার কর্তৃপক্ষ বলছে আলুর ভাড়া দিতে হবে প্রতি কেজি ৮ টাকা। যা চাষি ও ব্যবসায়ীদের প্রতি জুলুম-নির্যাতন-অবিচার। এসময় আলু চাষি কৃষক ও ব্যবসায়ীরা বলেন, স্রিপ কাটার সময় যে রেট ধরা হয়েছে তার বেশী হলে তারা আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবেন।তারা বলেন,ছাত্ররা আন্দোলন করে যদি শেখ হাসিনাকে তাড়াতে পারে,তাহলে আমরা কৃষকেরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে হিমাগার মালিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারবো ইনশাল্লাহ্।
    প্রয়োজনে হিমাগার অবরোধ করা হবে।তারা বলেন,আগামী ১৫ জানুয়ারীর মধ্যে হিমাগার মালিকগণ দাবি না মানলে তারা বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলবেন। তারা কৃষক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে আলু ভাড়া নির্ধারণের দাবি জানান।এদিকে সমাবেশ শেষে তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার(ইউএনও)কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন।
    স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, গত বছর হিমাগারগুলোতে ৭০ কেজির প্রতি বস্তা আলুর ভাড়া ছিলো ২৫৫ টাকা। সে হিসেবে প্রতি কেজি আলুর ভাড়া পড়ে ৩ টাকা ৬৫ পয়সা। এবছর বুকিং শ্লীপ কাটার সময় রেট ধরা হয়েছে ২৮৫ টাকা। সে হিসেবে প্রতি কেজি আলুর ভাড়া পড়বে ৪ টাকা। কিন্তু এখন হঠাৎ করেই হিমাগার কর্তৃপক্ষ বুকিং শ্লীপ কাটা ব্যবসায়ী ও চাষীদের জানিয়েছেন এবছর আলুর ভাড়া দিতে হবে প্রতি কেজি ৮ টাকা। যা গত বছরের চেয়ে দ্বিগুন। এটাতো ইংরেজদের নীল চাষের গল্পকেও হার মানায়। তারা এবিষয়ে বৈষম্যেবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
    এদিকে হিমাগার কর্তৃপক্ষের এমন ঘোষনার পর পরই আলু চাষী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে,বিরাজ করছে উত্তেজনা। এবিষয়ে জানতে চাইলে তানোরের আমান (কোল্ড স্টোর) হিমাগারের ম্যানেজার জালাল উদ্দীন বলেন, গত বছর প্রতি ৫০ কেজির বস্তার ভাড়া ছিলো ৩০০ টাকা এবং লেবার খবচ ১৫ টাকা। কিন্তু আলু চাষী ও ব্যবসায়ীরা ৫০ কেজি আলুর পরিবর্তে ৭০ কেজি থেকে ৮০ কেজি করে আলু রেখেছিল। যা সরকারী নিয়ম বহির্ভূত। এবছর সরকার কর্তৃক এবং বাংলাদেশ কোল্ড স্টোর এ্যাসোসিয়েশন কর্তৃক আলুর ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে (৫০কেজির বস্তা) প্রতি কেজি ৮ টাকা। এখানে আমাদের কিছুই করার নেই।#

  • স্বরূপকাঠিতে সীলকোটের কাজ শেষ হওয়ার ৭দিনের মাথায় রাস্তার উপর গজিয়েছে ঘাস

    স্বরূপকাঠিতে সীলকোটের কাজ শেষ হওয়ার ৭দিনের মাথায় রাস্তার উপর গজিয়েছে ঘাস

    আনোয়ার হোসেন,

    স্বরূপকাঠি উপজেলা প্রতিনিধি //

    স্বরূপকাঠিতে সীলকোটের কাজ শেষ হওয়ার ৭দিনের মধ্যে রাস্তার উপর তিন থেকে চার ইঞ্চি গজিয়েছে ঘাস। স্বরূপকাঠি উপজেলার ৪নং আটঘর কুড়িয়ানা ইউনিয়ন হইতে বানারীপাড়া সড়কের ৩৫ লাখ টাকা ব্যয়ে সদ্য নির্মিত ২ কিলোমিটার সড়কে সীলকোট এর কাজ শেষ করার মাত্র ৭দিনেই ঘাস জন্মেছে। স্থানীয়রা বলেন, এরকম বাজে কাজ এর পূর্বে কখনো কেউ করে নাই। উপজেলা প্রকৌশলি বলেন,পুরানো কার্পেটিংএ ঘাস ছিলো তাই কিছু যায় ঘাস উঠেছে। ঐ কাজের ঠিকাদার বলেন, এই টাকা দিয়ে এই কাজ করা সম্ভব নয়।

    স্বরূপকাঠি উপজেলার কুড়িয়ানা হইতে বানারীপাড়া সংযোগ সড়কের ১৮০০ মিটার সীলকোট এর কাজ পিরোজপুরের মিলন ইঞ্জিয়ারিং কনস্ট্রাকশন কাজটি শুরু করেন। প্রথম দিকে কাজ শুরু করে বন্ধ করে দিয়েছিলেন। পুনরায় কাজ শুরু করে, মাত্র ৭দিন হয় কাজটি শেষ হয়েছে। কিন্তু এরি মধ্যে রাস্তার উপর দুই থেকে তিন চার ইঞ্চি ঘাস জন্মেছে। স্থানীয়রা বলেন, রাস্তার কাজ খুবই বাজে হয়েছে আমারা অনেক বার বলেছি কাজটা একটু ভালো করেন কিন্তু তারা দায় সাড়া ভাবে করে গেছেন। এখনই রাস্তার পিচ উঠে যাচ্ছে, বৃষ্টিরদিনে একটানা দুই চার দিন বৃষ্টি হলে ঘাস আরো জন্মাবে এবং গাড়ির চাকার সাথে পিচ উঠে যাবে।

    এলাকাবাসী বাঁধা দিয়েও কোন সুরাহা হয়নি। পূর্বের রাস্তা ঠিক মতো পরিস্কার না করেই তার উপর সীলকোটের কাজ দ্রুত শেষ করেছেন। কিন্তু কয়েকদিনের মধ্যেই সীলকোট ভেদ করে ঘাস জন্মেছে। তাছাড়া পুরানো রাস্তার উপর কার্পেটিং সমান না করায় বিভিন্ন স্থানে উচু নিচু লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ৩৫ লাখ টাকা ব্যায়ে ১৮০০মিটার দৈর্ঘ্য এবং ১২ ফুট চওড়া কাজটি পায় জনৈক পিরোজপুর মিলন নামে এক ঠিকাদার।

    ঐ এলাকার শংকর ঘোষ, শ্যামল মণ্ডল আজাহারুল ইসলামসহ স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, সপ্তাহ খানেক আগে ঠিকাদার রাস্তার পীচের কাজ শেষ করে গেছে। এরই মধ্যে পীচ ফুড়ে ঘাস উঠেছে।এই রাস্তা বেশিদিন টিকবেনা।

    ঐ কাজের ঠিকাদার মিলন হোসেন বলেন, পূর্বের রাস্তার উপর প্রচুর ঘাস ছিলো যে কারনে রাস্তার পাশে কিছু স্থানে ঘাস জন্মেছে।এই কাজ আমি ছাড়া অন্য কেউ করলেও একই রকম হইতো,আমি নিজে সাইটে গিয়েছিলাম তবে কাজ কাজ ভালো হয়েছে। কিন্তু ঐ কাজে এক থেকে দেড় লাখ টাকা আমার লচ হবে। এই সামান্য টাকা দিয়ে এই কাজ করা কোন ভাবেই সম্ভব না।

    উপজেলা প্রকৌশলী মো.রাইসুল ইসলাম জানান, আমি খোঁজ নিয়েছি তারা বলছে কার্পেটিং এর সাথে ঘাসের বীজ থাকলে সেটি সীলকোট ভেদ করে ঘাস জন্মাতে পারে। সড়কের কাজ সিডিউল অনুযায়ী ঠিকাদারকে শেষ করতে হবে। কোন অনিয়ম মেনে নেয়া হবে না।

  • তানোরে বিএমডিএর সিদ্ধান্ত মানছে না পল্লী বিদ্যুৎ

    তানোরে বিএমডিএর সিদ্ধান্ত মানছে না পল্লী বিদ্যুৎ

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীসহ বরেন্দ্র অঞ্চলের বিশাল এলাকা জুড়ে ভূ-গর্ভের পানির স্তর তলানিতে ঠেকেছে।পানির স্তর এতটাই নিচে নেমেছে যে এখন বরেন্দ্রভূমির রাজশাহী, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার আট উপজেলার ২৬টি ইউনিয়ন (ইউপি) এলাকায় ১৭০ ফুট খনন করেও পানি উঠছে না গভীর নলকূপে। এসব এলাকার হাজারও হস্তচালিত নলকূপ এক দশক আগেই অচল হয়েছে। অব্যাহত পানি সংকট মোকাবিলা ও ভূ-গর্ভের পানির স্তর রক্ষায় নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ)।এদিকে ভু-গর্ভের পানির স্তর ধরে রাখতে, সেচ নির্ভর বোরো চাষে কৃষকদের নিরুৎসাহিত ও কম সেচ লাগে এমন ফসলের চাষাবাদ করাতে উৎসাহিত করা হচ্ছে। অথচ তানোরে পল্লী বিদ্যুতের একশ্রেণীর কর্মকর্তার যোগসাজশে আবাসিক ও অবৈধ মটর থেকে নির্বিচারে সেচ বাণিজ্যে করে ভু-গর্ভ স্তরের পানি অপচয় করা হচ্ছে। এতে বিএমডিএর নেয়া ভূ-গর্ভস্থ পানি ধরে রাখার উদ্যোগ ভেস্তে যাচ্ছে,এর দায় নিবে কে ?
    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) চলতি সেচ নির্ভর বোরো মৌসুমে একটা গভীর নলকূপ ৯৮০ ঘণ্টার বেশি চালাবে না। বছরে একটা গভীর নলকূপ চলবে এক হাজার ৯৬০ ঘণ্টা। কৃষকেরা বলছেন, বিএমডিএর নতুন এ সিদ্ধান্তের কারণে বরেন্দ্রভূমির রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলার পানি সংকট সম্পন্ন এলাকাগুলোতে বোরো চাষ অর্ধেকে নেমে আসবে। একটা গভীর নলকূপ এলাকার সেচ স্কিমের অর্ধেক জমিতে এবার বোরো চাষ করা যাবে। বাকি অর্ধেক জমিতে চাষ করতে হবে বোরো ছাড়া সেচ সুবিধাবিহীন প্রচলিত অন্য ফসল।
    জানা গেছে, কর্তৃপক্ষের নতুন নীতিমালা
    সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবার যে জমিতে বোরো চাষ করা হয়েছে আগামী বছর সেই জমিতে কম সেচনির্ভর অন্য ফসল চাষ করতে হবে। এ নীতিমালা শুধু বোরো চাষের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বলে বিএমডিএর সিদ্ধান্তে জানা গেছে। অক্টোবরে বিএমডিএ কর্তৃপক্ষ নতুন সেচ নীতিমালার এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেও কৃষকেরা জানতে পেরেছেন ডিসেম্বরের প্রথমে প্রচারপত্র হাতে পেয়ে। কৃষকেরা জানান ১ ডিসেম্বর নতুন সেচ নীতিমালার বিষয়ে অবহিত ও সচেতন করতে বিএমডিএর পক্ষ থেকে মাঠে মাঠে লিফলেট ও প্রচারপত্র বিতরণ শুরু করা হয়েছে। প্রচারপত্র হাতে পেয়ে কৃষকদের মাঝে হতাশা নেমে এসেছে। মাঠে মাঠে এখন সেচ কর্তন জমি চিহ্নিত ও শনাক্তের কাজ করছে বিএমডিএর মাঠ কর্মকর্তারা। বিএমডিএর প্রচারপত্রে বলা হয়েছে নতুন সেচ নীতিমালা ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ মে পর্যন্ত থাকবে। এই সময়ের বাইরে বোরোর নির্ধারিত জমিতেও আর সেচ দেওয়া হবে না। সেচ সংকোচনে কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে কৃষকদের মতামত ও পরামর্শ গ্রহণের প্রয়োজন ছিল বলে অনেক কৃষক জানিয়েছেন। আর কদিন পরেই তারা বোরোর জমি তৈরির কাজ শুরু করবেন। এমন সময়ে বিএমডিএ এমন সিদ্ধান্ত জানিয়ে কৃষকদের হতাশ করেছে। উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলার ১৩৫টি উপজেলায় বিএমডিএর গভীর নলকূপের সংখ্যা ১৫ হাজার ৯৬৫টি।
    তানোরে বিএমডিএর ৫৩৬টি ও ব্যক্তি মালিকানাধীন ১৬টি গভীর নলকুপ রয়েছে।
    অন্যদিকে বিএমডিএর অধিভুক্ত এলাকায় ব্যক্তি মালিকানার প্রায় ৫৬ হাজার গভীর ও অগভীর নলকূপ ভূগর্ভের পানি উত্তোলন করছে। যার সিংহভাগ অবৈধ যেচযন্ত্র।
    অভিজ্ঞ মহল বলছে,ব্যক্তি মালিকানা অবৈধ গভীর-অভীর ও আবাসিক
    নলকূপগুলো থেকে সেচ পানি উত্তোলন বন্ধ করতে পারলেই ভূ-গর্ভস্থ পানি স্তরের সংকট আর থাকবে না। কর্তৃপক্ষ সেটা না করে কৃষকদের ওপর খাঁড়ার ঘা মেরে দিচ্ছেন। কারণ ব্যক্তি মালিকানার অধিকাংশ গভীর-অভীর ও আবাসিক নলকূপ অবৈধ। বিএমডিএর নতুন সেচ নীতিমালার কারণে এবার অর্ধেক জমিতে বোরো আবাদ করতে পারবেন কৃষকেরা। যেসব কৃষক বিএমডিএর সেচ স্কিমের বাইরে বোরো আবাদ করবেন তারা সেচ সুবিধা পাবেন না। তানোর উপজেলার বাধাইড় ইউপির কৃষক আতাউর রহমান, সিরাজুল ইসলাম ও সাইফুল ইসলাম বলেন, নতুন নিয়মের কারণে তাদের স্কিমের জমি দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এক ভাগে এবার বোরো ধান হবে; অন্য ভাগে পরের বার হবে। এর ফলে কৃষকদের বিপুল পরিমাণ জমি পতিত থাকার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।এবিষয়ে রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক উম্মে ছালমা বলেন, আমরাও বিষয়টি শুনেছি। আমরা বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য বিএমডিএকে বলেছি। নতুন সেচ নীতিমালার কারণে হাজার হাজার হেক্টর আবাদযোগ্য জমি অনাবাদি থাকার আশঙ্কা থাকছে।#

  • নড়াইলে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সম্পাদক রোমান গ্রে-ফতার

    নড়াইলে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সম্পাদক রোমান গ্রে-ফতার

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সম্পাদক রোমান গ্রেফতার। নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক এফ আর রোমান রায়হান (৩০) কে রাজধানীর শ্যামলী এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) রাতে শ্যামলী সিকেডি হাসপাতাল এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে র‍্যাব-৬ এর কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখান থেকে লোহাগড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
    এফ আর রোমান রায়হান লোহাগড়া উপজেলার ইতনা ইউনিয়নের ডিগ্রিরচর গ্রামের ফরমান আলী শেখের ছেলে। তিনি স্বেচ্ছাসেবক লীগ লোহাগড়া উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
    লোহাগড়া থানা পুলিশের ওসি মো. আশিকুর রহমান গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
    জানা গেছে, ছাত্র আন্দোলনে হামলার অভিযোগে গত সোমবার (৯ ডিসেম্বর) রাতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দলনের নড়াইল জেলা শাখার মুখ্য সংগঠক কাজী ইয়াজুর রহমান বাবু বাদী হয়ে মাশরাফি বিন মুর্তজা ও তার বাবা গোলাম মুর্তজা স্বপনসহ ২৯৫ জনের নাম উল্লেখ ও ৩০০-৩৫০কে অজ্ঞাত আসামি করে লোহাগড়া থানায় মামলা দায়ের করেন। গ্রেফতারকৃত সেচ্ছাসেবকলীগ নেতা এফ আর রোমান রায়হান এ মামলায় ৪৯ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি।
    মামলার বিবরণে জানা গেছে, গত (৪ আগস্ট) লোহাগড়া উপজেলার সি অ্যান্ড বি চৌরাস্তার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতার কর্মসূচি চলাকালে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বর্তমান নড়াইল জেলা সমন্বয়ক নেতা কাজী ইয়াজুর রহমান বাবু সহ আরও ১৩ জন শিক্ষার্থীকে রামদা, বাঁশের লাঠি, লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করেন। এ সময় শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে গুলি ছোড়া ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয় বলে মামলার বিবরণীতে বাদী উল্লেখ করেন।
    লোহাগড়া থানা পুলিশের ওসি মো.আশিকুর রহমান, বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) বেলা ১১টার দিকে এ প্রতিবেদক উজ্জ্বল রায়কে বলেন, র‍্যাব-৬ এফ আর রোমান রায়হানকে গ্রেফতারের পর লোহাগড়া থানায় হস্তান্তর করেছে। তিনি মামলার এজাহারনামীয় আসামি। তাকে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

  • আগাম তরমুজ চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন রাঙ্গাবালীর কৃষকরা

    আগাম তরমুজ চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন রাঙ্গাবালীর কৃষকরা

    রফিকুল ইসলাম, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী)

    আগাম তরমুজ চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন রাঙ্গাবালীর কৃষকরা। এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় অধিক লাভের আশায় আগাম তরমুজ চাষ করছেন এ অঞ্চলের চাষিরা। গত বছর রাঙ্গাবালীতে ৩ হাজার হেক্টর জমিতে আগাম তরমুজ চাষ করেছিলেন এ অঞ্চলের কৃষকরা। সেই তুলনায় এবছর রাঙ্গাবালীরতে প্রায় ২০০০ হেক্টর বেশি জমিতে আগাম তরমুজ চাষ হয়েছে।

    চাষীরা জানান, এ বছর হারভেস্টার মেশিন দিয়ে ধান কেটেছেন তারা। যার কারণে আগাম তরমুজ চাষ করতে তাদের সহজ হচ্ছে। শ্রমিক সংকটের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে না তাদেরকে। এক দিকে ধান কাটছে মেশিন দিয়ে। অপর দিকে পাওয়ার ট্রিলার অথবা ট্রলি দিয়ে তরমুজের বীজ রোপনের জন্য জমি প্রস্তুত করছেন কৃষকরা। আমন ধান ঘরে তোলার সাথে সাথেই তরমুজ চাষ শুরু করেছেন তারা। তবে সার সংকট এবং সার ও বীজের দাম বেশি থাকায় ক্ষোব প্রকাশ করেছেন অনেকেই।

    রাঙ্গাবালী উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর রাঙ্গাবালীর চরমোন্তাজ, কাউখালীর চর, কলাগাছিয়ার চর, চর ইমার সোন, ছোটবাইশদিয়া, মৌডুবীর জাহাজমারার বালুর চরসহ প্রায় ৫০০০ হেক্টর জমিতে আগাম তরমুজ চাষ করা হচ্ছে। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের তরমুজ চাষিরা জমিচাষ, মাটি কেটে ঘের করা, বেড তৈরি, ম্যাদা তৈরি ও মাটির সঙ্গে সার মিশিয়ে বীজ বপনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা।

    উপজেলার চরমোন্তাজ এলাকার তরমুজ চাষি শহিদুল ইসলাম জানায়, গত বছর আগাম তরমুজ দিয়ে তিনি লাভবান হওয়ায় এ বছরও তিনি আগাম তরমুজ চাষের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তিনি আরো জানান, এ বছর তিনি ২০ একরেরও বেশি জমিতে তরমুজ চাষ করবেন। তিনি শুরুতেই দশ একর জমিতে বীজ বপন করেছেন।

    উপজেলার মৌডুবী ইউনিয়নের তরমুজ চাষিরা জানায়, প্রতিবছরের ন্যয় এ বছরেও সৈকতের পুরো বালুচরে তারা আগাম তরমুজ চাষ করেছেন। আবহাওয়া ভালো থাকলে আগাম তরমুজ বিক্রি করে লাভমান হবেন এই আশা তাদের।

    সরেজমিনে বিভিন্ন দিপে গিয়ে দেখা গেছে, প্রখর রৌদ্র আর উত্তপ্ত গরম বালুতে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে অধিক ফলনের আশায় তরমুজ খেতের পরিচর্যার কাজে ব্যস্ত রয়েছেন চরাঞ্চলের তরমুজ চাষিরা।

    তরমুজ চাষি ইমন হাওলাদার বলেন, আড়াই কানি জমিতে তরমুজ চাষ শুরু করেছি। বীজ, সার ও কিটনাশকের দাম বেশি থাকায় এ বছর তরমুজ চাষে বেশি খরচ হচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে, ইনশাআল্লাহ, ভাল ফলন হবে আশা করছি।

    এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্র্তা আসাদুজ্জামান বলেন, তরমুজ চাষ আগাম করার কারণে আমাদের কৃষকরা বেশি লাভবান হন। তাছাড়া আগাম চাষের কারণে তারা বৃষ্টি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে মুক্ত থাকতে পারেন। এ বছর রাঙ্গাবালীতে ৮/৯ হাজার হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হতে পারে। আগাম চাষের জন্য প্রায় ৫ হাজার হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ শুরু করেছেন কৃষকরা। ইতিমধ্যে সারের ডিলার, বালাইনাশক ঔষধ কোম্পানী প্রতিনিধি ও কৃষকদের সঙ্গে সতার্কতামূলক একাধিকার প্রচার-প্রচারণা করেছি। আমাদের উপ-সহকারী কৃষিকর্মকর্তারা আগাম তরমুজ চাষীদের মাঠপর্যায়ে পরামর্শ ও তাদের সার্বোক্ষনিক খোজঁ খবর নিচ্ছেন।

    রফিকুল ইসলাম
    রাঙ্গাবালী পটুয়াখালী সংবাদদাতা ।।

  • গাইবান্ধার ফুলছড়িতে দেশীয় ব-ন্দুকসহ ডা-কাত সাইফুল গ্রেফতার

    গাইবান্ধার ফুলছড়িতে দেশীয় ব-ন্দুকসহ ডা-কাত সাইফুল গ্রেফতার

    আমিরুল ইসলাম কবির,
    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলার দুর্গম চর ফুলছড়ি ইউনিয়নের খোলাবাড়ি গ্রামে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ডাকাত দলের অন্যতম সদস্য সাইফুল ইসলামকে দেশীয় বন্দুকসহ গ্রেফতার করেছে ফুলছড়ি থানা পুলিশ। এর আগে স্থানীয়রা তাকে ধরে মারধর করে এবং পুলিশের নিকট হস্তান্তর করে।

    ২৭শে ডিসেম্বর শুক্রবার ডাকাতির প্রস্তুতির খবর পেয়ে সাইফুলকে অস্ত্রসহ হাতেনাতে ধরে ফেলে স্থানীয়রা। পরে সাইফুলকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। পুলিশ জানায়, সাইফুল ইসলাম একটি দুর্ধর্ষ ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

    এলাকাবাসীর সাহসী উদ্যোগের প্রশংসা করে ফুলছড়ি থানা অফিসার ইনচার্জ খন্দকার হাফিজুর রহমান বলেন,”সাইফুলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। এলাকাবাসীর এমন সাহসী পদক্ষেপ অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি আরো বলেন, এই সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে ফুলছড়ি থানাতে আরো একটি হত্যা মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় আহত হওয়ায় সাইফুলকে হাসপাতালে চিকিৎসা প্রদাণ করা হচ্ছে।

    এদিকে ডাকাত সাইফুল গ্রেফতার হওয়ায় ফুলছড়ি ইউনিয়নে স্থানীয়দের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। তবে এলাকার শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের আরও তৎপরতা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন অভিজ্ঞ মহল সহ পর্যবেক্ষক মহল।।

  • আজ জাহাজমারা হাবিব এর  মৃ-ত্যুবার্ষিকী

    আজ জাহাজমারা হাবিব এর  মৃ-ত্যুবার্ষিকী

    আজ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার  জাহাজমারা কমান্ডার নামে খ্যাত বীর বিক্রম হাবিবুর রহমান ২৫তম মৃত্যু বার্ষিকী

    । ১৯৯৮ সালের ২৭ ডিসেম্বর ঘাটাইলের জামুরিয়া ইউনিয়নের সাধুর গলগন্ডা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা জাহাজমারা হাবিব হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যুবরণ করেন।

    জাহাজমারা হাবিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঘাটাইল মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, হাবিবুর রহমান বীর বিক্রম স্মৃতি সংসদ এর পক্ষ থেকে পৃথক পৃথকভাবে  দোয়া মাহফিল ও স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, স্বাধীনতা যুদ্ধর সময় ১৯৭১ সালের ১১ আগষ্ট টাঙ্গাইলে ভূঞাপুরের যমুনা-ধলেশ্বরী নদী পথের মাটিকাটা নামক স্থানে নদী পথে নজরদারী করার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন কাদেরিয়া বাহিনীর দুর্ধর্ষ সাহসী চৌকস কমান্ডার মেজর হাবিবুর রহমান।

    তার অত্যন্ত দুরদর্শীতায় ও অল্প সংখ্যক সাহসী মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে জীবন বাজি রেখে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীদের নিয়ে দুটি অস্ত্রবোঝাই জাহাজ এস টি রাজন ও ইউএস ইজ্ঞিনিয়ারস এল সি-৩ ধ্বংস করার মাধ্যমে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দেওয়া হয়।

    জাহাজগুলো আক্রমন ও ধ্বংস করার মাধ্যমে এক লাখ ২০ হাজার বাক্সের তৎকালীন ২১ কোটি টাকার মুল্যের অস্ত্র ও গোলাবারুদ মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ন্ত্রনে আসে। পরবর্তীতে যুদ্ধ জাহাজ ও অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করার জন্য পাকিস্তানী কমান্ডডেট লেঃ জেনারেল আমির আব্দুল্লাহ খান নিয়াজী ও বিগ্রেডিয়ার কাদের খান নেতৃত্বে ৪৭ ব্রিগেট,৫১ কমান্ডো ব্রিগেট ও হানাদার বিমান বাহিনী ২টি এফ-৮৬ সাব জিট বিমান দ্বারা মুক্তি বাহিনীদের উপর চতুর্দিকে আক্রমন করে।

    পরবর্তীতে হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বের কাছে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী পিছু হটতে বাধ্য হয়। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এই যুদ্ধকে পট পরিবর্তনকারী টার্নিং পয়েন্ট অধ্যায় হিসেবে গণ্য করা হয় । কমান্ডার হাবিবুর রহমানের অসীম বলিষ্ঠ সাহসীকতার নেতৃত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর বিক্রম ও জাহাজমারা হাবিব উপাধিতে ভুষিত করেন।

  • দৈনিক ”আগামীর দর্পণ’ অনলাইন নিউজ পোর্টালের বার্তা সম্পাদক  হলেন প্রদীপ কুমার রায়

    দৈনিক ”আগামীর দর্পণ’ অনলাইন নিউজ পোর্টালের বার্তা সম্পাদক হলেন প্রদীপ কুমার রায়

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

    দৈনিক আগামীর দর্পণ অনলাইন পোর্টালটি বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমের একটি উদীয়মান প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ইতোমধ্যে দেশব্যাপী খ্যাতি অর্জন করেছে। পোর্টালটি ২০১৯ সালে যাত্রা শুরু করে এবং এর সূচনালগ্ন থেকেই এটি পাঠকদের কাছে নির্ভরযোগ্য সংবাদ পরিবেশন করে আসছে।

    “সময়ের সাথে আগামীর পথে” স্লোগান নিয়ে যাত্রা শুরু করা পোর্টালটির মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চলের সর্বশেষ খবর পরিবেশন করা এবং প্রতিটি বিষয়কে গভীরভাবে বিশ্লেষণ করে সংবাদ প্রকাশ করা।

    পোর্টালটির বার্তা সম্পাদক প্রদীপ কুমার রায় অত্যন্ত দক্ষতার সাথে এই পোর্টালটি পরিচালনা করছেন। সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে প্রদীপ রায় অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বগুণ পোর্টালটির সাফল্যের প্রধান কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম। তিনি একটি মেধাবী ও উদ্যমী সাংবাদিক দল নিয়ে কাজ করছেন।

    পোর্টালটি জাতীয়, রাজনীতি, শিল্প বাণিজ্য, বিনোদন, টেক ওয়ার্ল্ড, খেলাধুলা, বিশ্লেষণ মূলক সর্বশেষ খবর পরিবেশন করে। বিশেষ করে বাংলাদেশ এবং এর প্রতিটি জেলা ও অঞ্চলের সংবাদ নিয়ে পোর্টালটি নিয়মিত আপডেট থাকে। জাতীয় রাজনীতি, অর্থনীতি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং বিনোদন থেকে শুরু করে প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র নিয়ে সুনির্দিষ্ট প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।