Blog

  • বাঙ্গালপাড়ায় তাফসিরুল কোরআন মাহফিল অনুষ্ঠিত

    বাঙ্গালপাড়ায় তাফসিরুল কোরআন মাহফিল অনুষ্ঠিত

    ।।জি এম রাঙ্গা।।

    ২৮ ডিসেম্বর বাদ আছর হতে কুড়িগ্রাম জেলাধীন রাজারহাট উপজেলার ছিনাই ইউনিয়নের মীরেরবাড়ী গ্রামের বাঙ্গালপাড়ায় ইয়াকুব আলী খন্দকারের সামনে উম্মুক্ত ময়দানে ৫ম বার্ষিকী তাফসিরুল কোরআন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত মাহফিলে প্রধান তাফসির কারক হিসেবে তাফসির পেশ করেন বাইতুল জান্নাত জামে মসজিদ, ঢাকার খতিব আলহাজ্ব মাওলানা মুফতি আবুল কালাম আজাদ এবং দ্বিতীয় বক্তা হিসেবে আলোচনা করেন খেদাবাগ একরামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা, লালমনিরহাটের সহকারী অধ্যাপক মাওলানা মোঃ বুরহানুর রহমান সালেহী, বিশেষ বক্তা হিসেবে আলোচনা করেন বাছরা আজিজিয়া আলিম মাদ্রাসা, নাজিম খাঁন, রাজারহাটের উপাধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ রুস্তম আলী এবং দক্ষিণ কিশামত পুনকর জামে মসজিদ, রাজারহাটের খতিব কে এম মস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক।মাহফিলে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামাতে ইসলামী, কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সহকারী সেক্রেটারী অধ্যক্ষ শাহজালাল সবুজ। মাহফিলে সভাপত্বি করবেন মোঃ ইয়াকুব আলী খন্দকার। মাহফিলটি পরিচালনা করবেন গোলাম মোস্তফা রাঙ্গা।

  • বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও সেনাবাহিনী পরিচালিত যৌথ অভিযানে খুলনায়  দেশীয় অস্ত্রসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী আটক

    বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও সেনাবাহিনী পরিচালিত যৌথ অভিযানে খুলনায়  দেশীয় অস্ত্রসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী আটক

    শেখ তৈয়ব আলী খুলনা।

    ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার এর আওতায় নিয়োজিত বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও সেনাবাহিনী দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করে আসছে।

    এরই ধারাবাহিকতায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আজ রবিবার ২৯ ডিসেম্বর রাত ০৩:০০ ঘটিকায়, খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙ্গা থানাধীন গোবরচাকা এলাকায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও সেনাবাহিনী মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার বিষয়ক একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করে।  অভিযানে খুলনার অন্যতম শীর্ষ সন্ত্রাসী মো:পলাশ তালুকদার ওরফে চিংড়ি পলাশ (৩৪) এবং তার স্ত্রী পারভিন সুলতানা  তিতলী (২৮) কে (সে সকল সত্রাসী কার্যকলাপে সক্রিয় সদস্য)আটক করা হয় ।

    পরবর্তীতে, তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে পলাশ এর দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার বসতবাড়ি তল্লাশি করে বাড়ির উঠান হতে ০৫টি ককটেল বোমা, ০২টি রামদা, ০২টি চাইনিজ কুড়ালসহ অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। আটককৃত ব্যক্তি পলাশের বিরুদ্ধে সোনাডাঙ্গা  থানায় ০৮ টি  হত্যা, মাদক ও অস্ত্র  মামলা চলমান রয়েছে বলে থানা সূত্রে জানা যায়। পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জব্দকৃত অস্ত্রসহ আটককৃত ব্যক্তিদেরকে সোনাডাঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়।

    বর্ণিত  সন্ত্রাসীদেরকে  আটক করার ফলে উক্ত এলাকার জনগণ নৌবাহিনী ও সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এবং বর্ণিত আসামিদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানাই।

    উল্লেখ্য, বর্তমান সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ এর আওতায় দায়িত্বপূর্ণ এলাকা সমূহে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও সেনাবাহিনীর নিয়মিত যৌথ বাহিনীর অভিযান চলমান থাকবে।

  • সাদুল্লাপুরের ইদিলপুর ইউনিয়নের কৃষক দলের আহবায়ক কমিটি গঠন

    সাদুল্লাপুরের ইদিলপুর ইউনিয়নের কৃষক দলের আহবায়ক কমিটি গঠন

    আমিরুল ইসলাম কবির,
    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার ৭নং ইদিলপুর ইউনিয়নের কৃষক দলের ৩১ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

    ২৩শে ডিসেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সাদুল্লাপুর উপজেলা আহবায়ক শফিয়াজ্জামান শেখ ও সদস্য সচিব শফিকুল ইসলাম শফিক স্বাক্ষরিত এক দলীয় প্যাডে ৭নং ইদিলপুর ইউনিয়নের কৃষক দলের ৩১ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

    আর এই কমিটি অনুমোদন পাওয়ার পর,নবগঠিত কৃষক দলের ইউনিয়ন কমিটির আহবায়ক মমিন মিয়া’র বিরুদ্ধে পদ বঞ্চিত কতিপয় ব্যক্তি বিভিন্ন মিথ্যা ও বানোয়াট প্রপাগাণ্ডা ছড়িয়ে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন সহ বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।

    তারা এসব মিথ্যা ও উদ্দেশ্যে প্রণোদিত প্রপাগান্ডার বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে জড়িত দোষীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যক্ষ ডা. মইনুল হাসান সাদিক,জেলা কৃষক দলের নেতৃবৃন্দ সহ দলের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।।

    এ ব্যাপারে গণমাধ্যম কর্মীদের নিকট নবগঠিত ৭নং ইদিলপুর ইউনিয়ন কৃষক দলের আহবায়ক মমিন মিয়া,যুগ্ম আহবায়ক শাহীন মিয়া,সুজন মিয়া ও মেহেদুল ইসলাম ভিডিওতে তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করেন।।

  • বীর মুক্তিযোদ্ধা ফকির আখতারুজ্জামান (সিআইপি) এর পক্ষ থেকে জীবননগরে  শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ

    বীর মুক্তিযোদ্ধা ফকির আখতারুজ্জামান (সিআইপি) এর পক্ষ থেকে জীবননগরে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ

    আল আমিন মোল্লা
    জীবননগর অফিস

    আজ রবিবার (২৯ ডিসেম্বর) সকালে জীবননগর স্টেডিয়াম মাঠে উপজেলার ১হাজার ৩৫০টি গরীব, অসহায় ও শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করা হয়েছে।

    সাংবাদিক তুহিনুজ্জামানের সভাপতিত্বে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন,

    জীবননগর সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মোঃ আতিয়ার রহমান, আইটি বিভাগের ম্যানেজার জনাব রাসেল আহমেদ, এইচ আর বিভাগের ডেপুটি ম্যানেজার জনাব নুরুজ্জামান নাসির, এসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার জনাব আব্দুল মাবুদ রাজু,

    মোঃ মমিন মিয়া, মোঃ চান মিয়া, মোঃ সাইদুর রহমান, সাংবাদিক ওমর ফারুক,

  • উজিরপুরে গভীর রাতে শীতার্থদের মাঝে ইউএনওর কম্বল বিতরন

    উজিরপুরে গভীর রাতে শীতার্থদের মাঝে ইউএনওর কম্বল বিতরন

    মোঃ জুনায়েদ খান সিয়াম, উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশালের উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উদ্যোগে উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে শ্রমজীবী, রিক্সা চালক ও হতদরিদ্রদের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা পরিষদের প্রশাসক মোঃ আলী সুজা ২৮ ডিসেম্বর রাত ৯টা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত উপজেলার ইচলাদী বাস স্ট্যান্ড, নতুন শিকারপুর, জয়শ্রী বাস স্ট্যান্ড, সানুহার বাস স্ট্যান্ড ও সর্বশেষ শিকারপুর বন্দরের অসহায় শ্রমজীবী মানুষ, রিক্সা চালক , অটো চালক, সবজি বিক্রেতার সহ শীতর্থদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন। এই সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ মহিউদ্দিন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের কর্মচারী বৃন্দ।

  • সুজানগরে খাজা স্মৃতি সংঘের উদ্যোগে ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা

    সুজানগরে খাজা স্মৃতি সংঘের উদ্যোগে ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা

     

    এম এ আলিম রিপন ঃ পাবনার সুজানগরে খাজা স্মৃতি সংঘের  উদ্যোগে ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতার ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  শহীদ দুলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় সিনিয়র টিমে জারা জান্নাত ও জুনিয়র টিমে খাজা স্মৃতি সংঘ চ্যাম্পিয়ান হওয়ার  গৌরব অর্জন করেন। সিনিয়র টিম  জারা জান্নাত ক্লাবে অন্তর ও সোম এবং   জুনিয়র টিম খাজা স্মৃতি সংঘের পক্ষে খেলায় অংশ নেন ফজলে রাব্বী ও ফিয়াদ। এর আগে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন সুজানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ। খাজা স্মৃতি সংঘের সভাপতি আব্দল লতিফ দুলালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আজম আলী বিশ্বাস, পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ন আহ্বায়ক অধ্যাপক আব্দুল মোনায়েম,পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম মোল্লা, উপজেলা মৎস্যজীবি দলের সভাপতি রাজা সেখ,সুজানগর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহব্বায়ক জাকির হোসেন, দৈনিক যুগান্তরের সুজানগর উপজেলা এম এ আলিম রিপন, পৌর যুবদলের সদস্য সচিব ফজলুল হক ফজলু, পৌর যুবদ‌লের যুগ্ন আহ্বায়ক রতন বিশ্বাস, সাবেক ছাত্রনেতা হাবিবুর রহমান রব, শেখ রাফি,  মহব্বত আলী রনি, মামুন খান , বাদশা,  নিক্কন মল্লিক,গেন্টু খান,বরকত শেখ, সুজন শেখ, মনি খান,সুরুজ বিশ্বাস,আলামিন বিশ্বাসসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সার্বিক পরিচালনায় ছিলেন  প্রয়াত  খাজা ময়নুদ্দিন এর আপন ভাই উপজেলা মৎস্যজীবি দলের সভাপতি রাজা শেখ।  রেফারীর দায়িত্ব পালন করেন খাজা স্মৃতি সংঘের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম বাবু ।  উপস্থাপনায় ছিলেন দি মুসলিম টাইমস্ পত্রিকার সুজানগর উপজেলা প্রতিনিধি এবং সাপ্তাহিক পল্লীগ্রাম পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার শেখ আলামিন।

     সুজানগরে খাজা স্মৃতি সংঘের উদ্যোগে ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা

    এম এ আলিম রিপন ঃ পাবনার সুজানগরে খাজা স্মৃতি সংঘের  উদ্যোগে ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতার ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  শহীদ দুলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় সিনিয়র টিমে জারা জান্নাত ও জুনিয়র টিমে খাজা স্মৃতি সংঘ চ্যাম্পিয়ান হওয়ার  গৌরব অর্জন করেন। সিনিয়র টিম  জারা জান্নাত ক্লাবে অন্তর ও সোম এবং   জুনিয়র টিম খাজা স্মৃতি সংঘের পক্ষে খেলায় অংশ নেন ফজলে রাব্বী ও ফিয়াদ। এর আগে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন সুজানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ। খাজা স্মৃতি সংঘের সভাপতি আব্দল লতিফ দুলালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আজম আলী বিশ্বাস, পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ন আহ্বায়ক অধ্যাপক আব্দুল মোনায়েম,পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম মোল্লা, উপজেলা মৎস্যজীবি দলের সভাপতি রাজা সেখ,সুজানগর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহব্বায়ক জাকির হোসেন, দৈনিক যুগান্তরের সুজানগর উপজেলা এম এ আলিম রিপন, পৌর যুবদলের সদস্য সচিব ফজলুল হক ফজলু, পৌর যুবদ‌লের যুগ্ন আহ্বায়ক রতন বিশ্বাস, সাবেক ছাত্রনেতা হাবিবুর রহমান রব, শেখ রাফি,  মহব্বত আলী রনি, মামুন খান , বাদশা,  নিক্কন মল্লিক,গেন্টু খান,বরকত শেখ, সুজন শেখ, মনি খান,সুরুজ বিশ্বাস,আলামিন বিশ্বাসসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সার্বিক পরিচালনায় ছিলেন  প্রয়াত  খাজা ময়নুদ্দিন এর আপন ভাই উপজেলা মৎস্যজীবি দলের সভাপতি রাজা শেখ।  রেফারীর দায়িত্ব পালন করেন খাজা স্মৃতি সংঘের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম বাবু ।  উপস্থাপনায় ছিলেন দি মুসলিম টাইমস্ পত্রিকার সুজানগর উপজেলা প্রতিনিধি এবং সাপ্তাহিক পল্লীগ্রাম পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার শেখ আলামিন।

  • আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় থাকার জন্য গণতন্ত্রকে কবর দিয়েছিল – শেখ ফরিদুল ইসলাম

    আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় থাকার জন্য গণতন্ত্রকে কবর দিয়েছিল – শেখ ফরিদুল ইসলাম

    বায়জিদ হোসেন, মোংলা।
    বাগেরহাট জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, বিএনপি গণমানুষের প্রিয় দল। বিএনপি কারো সম্পদ জোরপূর্বক লুটপাট করেনা, যারা এগুলো তারা দাঙ্গাবাজ ও বাটপার। কোন বাটপারকে বিএনপিতে জায়গা দেয়া হবেনা। বিএনপির নাম ব্যবহার করে কোন অপকর্মে জড়ালে তার দায়ভার তাকেই নিতে হবে, দল কোন অপকর্মের দায়ভার নিবে না।

    তিনি আরো বলেন, স্বৈরাচার হাসিনা ভারতে পালিয়ে গেছে। আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া হাসিমুখে কারাবরণ করেছেন কিন্তু দেশ ছেড়ে কোথাও যাননি। তাকে বারবার বলা হয়েছে রাষ্ট্রপতি কাছে ক্ষমা চাইতে কিন্তু তিনি অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেনি। আমরা রাজনীতি করি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ বুকে ধারণ করে। জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুঁকি থেকে উন্নত রাষ্ট্র গঠনের জন্য কাজ করেছেন। বেগম খালেদা জিয়া নারীদের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করেছিলেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামীতে দল ক্ষমতায় আসলে দেশের কল্যানে কী কী কাজ করবেন সেটা পরিষ্কারভাবে ৩১ দফার মাধ্যমে জনগণকে জানিয়ে দিয়েছেন।

    তিনি আরো বলেন, আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় থাকার জন্য গণতন্ত্রকে কবর দিয়েছিল। বিএনপি মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিবে। মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেয়ার জন্য বিএনপি দীর্ঘদিন রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম করেছে। নেতা-কর্মীদের গুম খুন করা হয়েছে। এছাড়াও দলীয় নেতা-কর্মীদের নামে হাজার হাজার মিথ্যা মামলা দিয়ে কারাভোগ করিয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় আসলে বেকারত্ব সমস্যা দূর হবে। নারীদের স্বাবলম্বী করার জন্য নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। আমাদের পাশেই রয়েছে মোংলা বন্দর, সুন্দরবন ও ইপিজেড। আমাদের এগুলো কাজে লাগাতে হবে। আপনারা আমাদের জানাবেন কী করলে আপনাদের উপকার হবে আমরা এগুলো বিএনপির কাছে উপস্থাপন করবো। শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) বিকেলে রামপাল উপজেলার ভোজপাতিয়া ইউনিয়ন বিএনপি কর্তৃক আয়োজিত সমাবেশে বেতকাটা স্কুলমাঠে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বিএনপি নেতা ডক্টর ফরিদুল ইসলাম। ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তরফদার এনামুল হক প্রিন্স’র সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তফা কামাল পাটোয়ারী হালিম, সদস্য সচিব কাজী জাহিদুল ইসলাম। আয়োজিত এ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মল্লিক জিয়াউল হক জিয়া, সদস্য সচিব এস এম আলমগীর কবির বাচ্চু, যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদুর রহমান পিয়াল, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি কাজী অজিয়ার রহমানসহ উপজেলা বিএনপির ও ইউনিয়ন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সহ হাজার ও কর্মী সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন।

  • সুজানগরে জমজমাট শ্রম বেচাকেনার হাট

    সুজানগরে জমজমাট শ্রম বেচাকেনার হাট

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ পৌষের কাকডাকা ভোর থেকে শ্রমজীবী মানুষের হঁাকডাক। নাটোর,বগুড়া,রংপুর, সিরাজগঞ্জ,কুষ্টিয়া,গাইবান্ধা ও অন্য বিভিন্ন জেলা এবং উপজেলা থেকে দরিদ্র শ্রমজীবী মানুষ এসেছেন পাবনার সুজানগর উপজেলা বিভিন্ন স্থানের শ্রম বেচাকেনার হাটে। সারিবদ্ধভাবে বসে আছেন সড়কের পাশে । এরা প্রত্যেকেই সাথে নিয়ে এসেছেন ব্যাগ অথবা প্লাস্টিকের বস্তায় করে নিজের ব্যবহারের পোষাকসহ অন্যান্য জিনিসপত্র। প্রতি বছরের মতো এ বছরও পেঁয়াজের চারা রোপনের এ মৌসুমে প্রতিদিন ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সুজানগর উপজেলার বোনকোলা,পোড়াডাঙ্গা,দুলাই, মধুপুর, রাণীনগরসহ উপজেলা বিভিন্ন স্থানে বসে এ হাট। অভাবী এসব পুরুষ ও যুবক শ্রমিকদের মজুরিতে বনিবনা হলে মহাজন বা অন্য কাজের জন্য নিতে আসা লোকের পিছু পিছু চলে যাচ্ছেন তাদের বাড়ি। তবে শ্রম বিক্রির হাটে শ্রমিক বেচাকেনার বিষয়ে দরদাম নির্ভর করে বয়সের ওপর। শারীরিকভাবে দুর্বল ও বয়স্কদের দাম যুবকদের তুলনায় কিছুটা কম। স্থানীয়বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ২যুগেরও অধিক সময় থেকে পেঁয়াজের চারা রেপনের এই মৌসুমে সুজানগরে শ্রমিক বেচাকেনা হয়ে আসছে। শ্রম বেচতে আসা এসব শ্রমজীবী মানুষ যেদিন শ্রম বিক্রি করতে পারবেনা,সেদিন তাদের রাত কাটে মসজিদ,মাদ্রাসা কিংবা স্কুলঘরের বারান্দায়। কখনো আধপেট বা কখনো উপোষ করে রাত কেটে যায় তাদের। সকাল হতেই আবার শ্রম বিক্রির আশায় ছুটে যান হাটে। কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর থেকে সুজানগরের বোনকোলা হাটে শ্রম বিক্রি করতে এসেছেন ষাটোর্ধ্ব আলতাব শেখ। তিনি জানান প্রায় ১০ বছর ধরে তিনি শ্রম বিক্রির জন্য এ অঞ্চলে আসেন । এ সময় তিনি বললেন তার দুঃখের কথা। মানুষ কিনে নিয়ে গতর খাটিয়ে কাজ করায়, কঠোর পরিশ্রম করার পরও বেশিরভাগ সময়েই খিচুড়ি ও ডাউল দিয়ে খেতে হয়। শোয়ার জন্য যেখানে রাখে সেখানে বৃষ্টির পানি ও কুয়াশা পড়ে। এসব বলতে বলতে আলতাবের দু’চোখের কোণে পানি জমতে থাকে এবং বলেন তারপরও পরিবারের জন্য কিছু টাকা রোজগার করে দিতে পারছেন এটাই শান্তি। এ সময় তিনি বলেন ভাই গরিব হয়ে জন্মাইলে কষ্টের শেষ নাই। নাটোর জেলার লালপুর  থেকে আসা কমল উদ্দিন নামে অপর একজন বলেন নিজ এলাকায় তেমন কোন কাম নেই,তাই আইছি কামে। কিছু টাকা আয় করে বাড়িতে নিয়ে যেতে পারবো এই আশায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক করেজ শিক্ষার্থী বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ তাই বাড়তি কিছু টাকা রোজগার করে সংসারে সচ্ছলতার আনার জন্য তিনি শ্রমিক হিসেবে কাজ করে থাকেন। তার মত আরো অনেক ছাত্রই দিনপ্রতি ৬০০ টাকা থেকে ৭০০ টাকা করে এবং দিনে দুইবেলা খাবার খাওয়ার মাধ্যমে দিনমজুর হিসেবে এই পেঁয়াজের চারা রোপন করে থাকেন।  এ সময় তিনি আরো বলেন, গত বছর পেঁয়াজ রোপনের মৌসুমে ১৬হাজার টাকা রোজগার করেছিলেন আর এবারের মৌসুমেও ২৪ থেকে ২৮ হাজার টাকা রোজগার করতে পারবেন বলে জানান । আর এই রোজগারকৃত টাকা দিয়ে এবারে একটি ভাল মোবাইল ফোন,বই ও জামা কাপড় কিনবেন বলেও জানান। শনিবার উপজেলার হাটখালী গ্রামের মধু নামে এক পেঁয়াজ চাষী বলেন, এবারে আমার প্রায় ১৫ বিঘা জমিতে পেঁয়াজের চারা রোপন করতে মধুপুর হাটে শ্রমিক নিতে এসেছি। এসে দেখি শ্রমিকেরা আগের বছরের মতো দামটা একটু বেশি চায়। অনেকের সঙ্গে কথা বলে তাদের সব খরচসহ প্রতিদিন ৭০০ টাকা করে শ্রমিক নিয়েছি। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাফিউল ইসলাম জানান, বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম বিল হিসেবে পরিচিত সুজানগর উপজেলার গাজনার বিল সহ এই উপজেলার বেশিরভাগ ফসলি জমিতে নতুন চারা পেঁয়াজ রোপন শুরু করেছেন কৃষকেরা । দেশে সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ উৎপাদনকারী উপজেলার মধ্যে সুজানগর উপজেলা অন্যতম। এ অঞ্চলের কৃষকদের কাছে এই পেঁয়াজই অন্যতম প্রধান অর্থকারী ফসল এবং এটি তারা জমিতে রোপন করবে আগামী জানুয়ারী মাস জুড়ে । এবারে এই উপজেলায় ১৭হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে নতুন এ পেঁয়াজের চারা রোপনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে । তবে এবারে কৃষকেরা বেশি পরিমাণ জমিতে পেঁয়াজের চারা রোপন করায় লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে আশা করা হচ্ছে। এবং প্রতি বিঘা জমিতে এই পেঁয়াজের চারা রোপন করতে অন্তত ১২-১৫ জন শ্রমিক প্রয়োজন হবে।

    এম এ আলিম রিপন

    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • ধুঁকে চলা সরকারি শিশু হাসপাতাল ও একজন ডাক্তার জামিলের গল্প

    ধুঁকে চলা সরকারি শিশু হাসপাতাল ও একজন ডাক্তার জামিলের গল্প

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    .শহর থেকে একটু দূরে একটা হাসপাতাল। হাসপাতাল চত্বরে নানান বয়সী উদ্বিগ্ন মানুষের ভিড়। বেশির ভাগ মানুষের চেহারায় দারিদ্র্যের চিহ্ন স্পষ্ট থাকলেও তাঁরা আশাহত নয়। ভিড় করা মানুষেরা তাঁদের শিশু সন্তানদের নিয়ে এসেছেন এখানে। মাত্র তিনজন চিকিৎসক মানুষের এই আশার কারণ। আর এই তিনজনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন একেবারে সামনে থেকে যেই মানুষটি সে এলাকায় ডাক্তার জামিল নামেই পরিচিত। ভালো নাম ডাক্তার আলী হাসান ফরিদ। যতোটা আশা নিয়ে মানুষ এখানে আসে আর যতোটা খুশী নিয়ে তাঁরা ফেরত যায়, এই হাসপাতালের সামর্থ্য মোটেও তেমন নয়। শুরু থেকেই নানা সমস্যার মধ্যেও শিশুদের সেবা দিয়ে চলেছে ঝিনাইদহ জেলা শহরের ২৫ শয্যা সরকারি শিশু হাসপাতালটি।বড়ো অদ্ভুত ভাবে চলে এই সরকারি হাসপাতালটি। অর্থের অভাবে হাসপাতাল চত্বরে আবাদ করা হয় কলা। আর সেই কলা বিক্রির টাকা ও কিছু মানুষের অনুদানে চলে এই হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা। সরকারী উল্লেখযোগ্য কোন বরাদ্দ না থাকায় চিকিৎসা সেবায় প্রয়োজনীয় যে কোন জিনিস কিনতে হয় মানুষের অনুদানের টাকায়।
    হাসপাতালটির নিজের স্বাস্থ্য ভালো নাহলেও প্রতিদিন বহির্বিভাগে গড়ে তিনশো থেকে সাড়ে তিনশো রুগী চিকিৎসা সেবা পেয়ে থাকে আর আন্তঃবিভাগে ৬০ জনের বেশি শিশু চিকিৎসাসেবা নিয়ে থাকে। লোকবলের বড্ড অভাব এখানে। চিকিৎসকের পদ আছে ৫ টি। চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন ৩ জন। ফার্মাসিস্ট, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (রেডিওগ্রাফি), প্রধান সহকারী কাম হিসাবরক্ষক, অফিস সহকারী কাম ডাটা এন্ট্রি অপারেটর ও স্টোরকিপারের পদ কাগজে থাকলেও সেখানে কোন লোক নেই। ২১ নার্স পদের বিপরীতে আছেন ১৭ জন নার্স কিন্তু এমএলএসএস, ওয়ার্ড বয়, আয়া, মালি, নিরাপত্তাপ্রহরী ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীর কোন পদই নেই।

    এই অবস্থা থেকে বের আসার জন্য এলাকার কিছু ব্যবসায়ী, কয়েকজন চিকিৎসক এবং ডাঃ আলী হাসান ফরিদ জামিলের একাধিক বন্ধুর সহায়তা করছেন। সেই সহায়তায় চলে শয্যা, যন্ত্রপাতি ও জনবল। ঝিনাইদহ পৌরসভা এবং জাহেদি ফাউন্ডেশন নিয়মিত সহায়তা করছেন এখানে। এ ছাড়া ১৫ জন হৃদয়বান ব্যক্তিও কিছু সহায়তা দেন। কিন্তু এসব দিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের অক্সিজেন ও ওষুধের যে চাহিদা তার অর্ধেকও পুরণ হয় না।
    মজার ব্যাপার হলো এই হাসপাতালটি ২০০৫ সালের ৭ই মে তৈরীর প্রক্রিয়া শুরু হলেও ২০২১ সালের ৯ জানুয়ারি থেকে হাসপাতালটি তার সেবা কার্যক্রম শুরু করে। উদ্বোধনের পর হাসপাতালে কোন সরঞ্জাম না থাকাই কনসালট্যান্ট আলী হাসান ফরিদ জামিল তাঁর বাসা থেকে ব্যক্তিগত কম্পিউটারে নিয়ে আসে। ওই কম্পিউটার হাসপাতালের কাজে ব্যবহার করে শুরু হয় শিশুদের চিকিৎসা ও মায়েদের পরামর্শ দেয়। জামিল ও টিমের আন্তরিক চেষ্টায় হাসপাতালটি এখন আশপাশের এলাকার মানুষের কাছে সুনাম অর্জন করা শুরু করে। কিন্তু ঢাল তলোয়ারের অভাব বারবার ই পিছিয়ে দিচ্ছে হাসপাতালটিকে।

    আপনি হাসপাতালে গেলে প্রথমেই দেখবেন বড় একটি প্রবেশ গেট। ভিতরে প্রবেশ করলে চারিপাশে নানা ধরণের ফুলের বাগান। এর সামনে লাল ইটের দোতলা ভবন। হাসপাতাল চত্বরটি খুবই পরিপাটি করে সাজানো। ভবনের ভেতরে প্রবেশ করে বিভিন্ন ওয়ার্ডে শয্যা পাতা আছে। শয্যাগুলোর গায়ে লেখা, কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সেগুলো দান করেছেন। কিন্তু এভাবে চালানো ডাক্তার জামিল ও তাঁর টিমের জন্য দিনে দিনে কষ্টসাধ্য হয়ে উঠছে। এই হাসপাতালের খরচ চলে অনুদান ও হাসপাতালের পড়ে থাকা তিন বিঘার মতো জমিতে কলা চাষ করা টাকায়। এই কলা বিক্রি করে গত বছর আশি হাজার টাকার অক্সিজেন কেনা হয়েছে। এ বছরও তাই করতে হবে। এছাড়া হাসপাতালে রাতের নিরাপত্তার জন্য লাইট ও অন্যান্য জিনিসপত্র কলা বিক্রির টাকা দিয়েই কিনতে হয়। এছাড়া ওষুধ, অক্সিজেন এ তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের বেতন ভাতা দিতে হয় অনুদানের টাকায়। জনবল ও অন্যান্য সহযোগিতার জন্য সিভিল সার্জন এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল শাখায় অনেকবার আবেদন জানিয়েছেন। কিন্তু কাজ হয়নি।প্রতিবছরই ঝিনাইদহ সিভিল সার্জন অফিসের মাধ্যমে আবেদন যায় কিন্তু সমাধান সেই অনুদান ও কলা বিক্রির টাকার উপরেই নির্ভর করতে হয়। অথচ এখানে পার্শ্ববর্তী মাগুরা, কুষ্টিয়া, যশোর, চুয়াডাঙ্গা থেকে রুগী আসে চিকিৎসা নিতে।

    এ যেন নুন আনতে পান্তা ফুরানো এক স্বপ্নের গল্প। এই মুহুর্তে এই হাসপাতালের জন্য প্রায় তিনলক্ষ টাকা দরকার শুধু অক্সিজেন সিলিন্ডার কেনার জন্য। কিভাবে আসবে তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। কিন্তু এতো অনিশ্চয়তার পরও ডাক্তার জামিল ও তাঁর টিম এই যুদ্ধে হারতে চাইনা। ওঁরা বিশ্বাস করে কেউ না কেউ একদিন ঠিকই এগিয়ে আসবে আর তাঁর ছোঁয়া পেয়ে তরতরিয়ে চলবে চিকিৎসাসেবা।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।।

  • নেছারাবাদে জমিজমা বিরোধ এর জের ধরে কাঠের ঘর ভাংচুর করার অভিযোগ

    নেছারাবাদে জমিজমা বিরোধ এর জের ধরে কাঠের ঘর ভাংচুর করার অভিযোগ

    আনোয়ার হোসেন,

    নেছারাবাদ উপজেলা প্রতিনিধি //

    নেছারাবাদে জমিজমা বিরোধ এর জের ধরে দফায় দফায় মারামারির ঘটনা ঘটছে। নজরুল এবং আসলামদের চলমান বিরোধ একাধিকবার সমাধানের চেষ্টা করেও সমাধান হয়নি। পিরোজপুরে নেছারাবাদ উপজেলা ডুবি ২নং ওয়ার্ডের আঃ ছালাম আকলিমা তাছলিমারা জোর জবরদস্তি করে নজরুল গংদের পৈত্রিক সম্পত্তি ভোগ দখল করতে চায়। এরই ধারাবাহিকতায় ২৮ ডিসেম্বর খুব ভোরে ভোগদখলিয় যায়গার ঘরটি ভেঙে ফেলে আসলাম গংরা।এ নিয়ে নেছারাবাদ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে।

    নজরুলের ছোট ভাই সোহাগের থানায় দেয়া লিখিত অভিযোগের মাধ্যমে জানা যায়, বিবাদীরা অত্যান্ত খারাপ ও পর সম্পদ লোভী, সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক । বিবাদীদের
    সাথে স্থানীয় বিভিন্ন বিষয় ও জায়গা-জমি নিয়া বিরোধ চলিয়া আসিতেছে। বিরোধীয় সম্পত্তি আমার পৈত্রিক ওয়ারিশ সূত্রে মালিক সেই সূত্রে আমরা ঘর দরজা উঠাইয়া বসবাস করিতেছি। বিবাদীরা আমাদের সম্পত্তি জোর পূর্বক ভোগ দখল করার জন্য বিভিন্ন ভাবে পায়তারা করিয়া আসিতেছে। এই নিয়ে বিবাদীরা আমাদের
    সাথে প্রায়ই ঝগড়া বিবাদ করে এবং খুন জখমের হুমকী প্রদান করে।

    বিরোধীয় বিষয় নিয়ে বিজ্ঞ আদালতে মামলা হলে মামলার রায় আমাদের পক্ষে আসে ইহার পরেও বিবাদীরা আমাদের জায়গা জোর পূর্বক ভোগ দখল করার জন্য পায়তারা করিতেছে। বিরোধীয় বিষয় নিয়ে স্থানীয় ভাবে বেশ কয়েকবার মিমাংসার চেষ্টা করিলেও বিবাদীদের কারণে মিমাংসা করা সম্ভব হয় নাই।

    গত ১৮ই ডিসেম্বর ১০ ঘটিকার সময় বিবাদীরা আমাদের জায়গা জোর পূর্বক দখল করতে আসে। আমরা বাধা নিষেধ করিতে গেলে বিবাদীরা আমাদের সাথে তর্ক-বিতর্ক করে এবং আমাদের এলোপাথারি ভাবে কিল ঘুষি
    মারিয়া শরীরের বিভিন্নস্থানে নিলা ফুলা জখম করে। ঘটনার বিষয় নিয়ে বিবাদীরা আমাদের হয়রানী করার জন্য উল্টো মামলা করে। এরই জের ধরিয়া ঘটনার দিন ২৮ তারিখ সকাল অনুমান ০৯.০০ ঘটিকার সময় আমাদের ভোগ দখলীয় জায়গায় কাঠের ঘরছিল। বিবাদীরা ঘরটি ও টয়লেট ভাংচুর করে ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে।

    এ বিষয়ে আঃ ছালামের বাসায় গেলে তাকে পাওয়া যায়নি পরে ব্যবহারীত নম্বরে 01759-384064 বার বার কল দিলেও মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।

    এ বিষয়ে নেছারাবাদ থানার ওসি বনি আমিন জানান, এ বিষয়ে একটা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।