Blog

  • সুজানগরে জমজমাট শ্রম বেচাকেনার হাট

    সুজানগরে জমজমাট শ্রম বেচাকেনার হাট

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ পৌষের কাকডাকা ভোর থেকে শ্রমজীবী মানুষের হঁাকডাক। নাটোর,বগুড়া,রংপুর, সিরাজগঞ্জ,কুষ্টিয়া,গাইবান্ধা ও অন্য বিভিন্ন জেলা এবং উপজেলা থেকে দরিদ্র শ্রমজীবী মানুষ এসেছেন পাবনার সুজানগর উপজেলা বিভিন্ন স্থানের শ্রম বেচাকেনার হাটে। সারিবদ্ধভাবে বসে আছেন সড়কের পাশে । এরা প্রত্যেকেই সাথে নিয়ে এসেছেন ব্যাগ অথবা প্লাস্টিকের বস্তায় করে নিজের ব্যবহারের পোষাকসহ অন্যান্য জিনিসপত্র। প্রতি বছরের মতো এ বছরও পেঁয়াজের চারা রোপনের এ মৌসুমে প্রতিদিন ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সুজানগর উপজেলার বোনকোলা,পোড়াডাঙ্গা,দুলাই, মধুপুর, রাণীনগরসহ উপজেলা বিভিন্ন স্থানে বসে এ হাট। অভাবী এসব পুরুষ ও যুবক শ্রমিকদের মজুরিতে বনিবনা হলে মহাজন বা অন্য কাজের জন্য নিতে আসা লোকের পিছু পিছু চলে যাচ্ছেন তাদের বাড়ি। তবে শ্রম বিক্রির হাটে শ্রমিক বেচাকেনার বিষয়ে দরদাম নির্ভর করে বয়সের ওপর। শারীরিকভাবে দুর্বল ও বয়স্কদের দাম যুবকদের তুলনায় কিছুটা কম। স্থানীয়বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ২যুগেরও অধিক সময় থেকে পেঁয়াজের চারা রেপনের এই মৌসুমে সুজানগরে শ্রমিক বেচাকেনা হয়ে আসছে। শ্রম বেচতে আসা এসব শ্রমজীবী মানুষ যেদিন শ্রম বিক্রি করতে পারবেনা,সেদিন তাদের রাত কাটে মসজিদ,মাদ্রাসা কিংবা স্কুলঘরের বারান্দায়। কখনো আধপেট বা কখনো উপোষ করে রাত কেটে যায় তাদের। সকাল হতেই আবার শ্রম বিক্রির আশায় ছুটে যান হাটে। কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর থেকে সুজানগরের বোনকোলা হাটে শ্রম বিক্রি করতে এসেছেন ষাটোর্ধ্ব আলতাব শেখ। তিনি জানান প্রায় ১০ বছর ধরে তিনি শ্রম বিক্রির জন্য এ অঞ্চলে আসেন । এ সময় তিনি বললেন তার দুঃখের কথা। মানুষ কিনে নিয়ে গতর খাটিয়ে কাজ করায়, কঠোর পরিশ্রম করার পরও বেশিরভাগ সময়েই খিচুড়ি ও ডাউল দিয়ে খেতে হয়। শোয়ার জন্য যেখানে রাখে সেখানে বৃষ্টির পানি ও কুয়াশা পড়ে। এসব বলতে বলতে আলতাবের দু’চোখের কোণে পানি জমতে থাকে এবং বলেন তারপরও পরিবারের জন্য কিছু টাকা রোজগার করে দিতে পারছেন এটাই শান্তি। এ সময় তিনি বলেন ভাই গরিব হয়ে জন্মাইলে কষ্টের শেষ নাই। নাটোর জেলার লালপুর  থেকে আসা কমল উদ্দিন নামে অপর একজন বলেন নিজ এলাকায় তেমন কোন কাম নেই,তাই আইছি কামে। কিছু টাকা আয় করে বাড়িতে নিয়ে যেতে পারবো এই আশায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক করেজ শিক্ষার্থী বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ তাই বাড়তি কিছু টাকা রোজগার করে সংসারে সচ্ছলতার আনার জন্য তিনি শ্রমিক হিসেবে কাজ করে থাকেন। তার মত আরো অনেক ছাত্রই দিনপ্রতি ৬০০ টাকা থেকে ৭০০ টাকা করে এবং দিনে দুইবেলা খাবার খাওয়ার মাধ্যমে দিনমজুর হিসেবে এই পেঁয়াজের চারা রোপন করে থাকেন।  এ সময় তিনি আরো বলেন, গত বছর পেঁয়াজ রোপনের মৌসুমে ১৬হাজার টাকা রোজগার করেছিলেন আর এবারের মৌসুমেও ২৪ থেকে ২৮ হাজার টাকা রোজগার করতে পারবেন বলে জানান । আর এই রোজগারকৃত টাকা দিয়ে এবারে একটি ভাল মোবাইল ফোন,বই ও জামা কাপড় কিনবেন বলেও জানান। শনিবার উপজেলার হাটখালী গ্রামের মধু নামে এক পেঁয়াজ চাষী বলেন, এবারে আমার প্রায় ১৫ বিঘা জমিতে পেঁয়াজের চারা রোপন করতে মধুপুর হাটে শ্রমিক নিতে এসেছি। এসে দেখি শ্রমিকেরা আগের বছরের মতো দামটা একটু বেশি চায়। অনেকের সঙ্গে কথা বলে তাদের সব খরচসহ প্রতিদিন ৭০০ টাকা করে শ্রমিক নিয়েছি। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাফিউল ইসলাম জানান, বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম বিল হিসেবে পরিচিত সুজানগর উপজেলার গাজনার বিল সহ এই উপজেলার বেশিরভাগ ফসলি জমিতে নতুন চারা পেঁয়াজ রোপন শুরু করেছেন কৃষকেরা । দেশে সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ উৎপাদনকারী উপজেলার মধ্যে সুজানগর উপজেলা অন্যতম। এ অঞ্চলের কৃষকদের কাছে এই পেঁয়াজই অন্যতম প্রধান অর্থকারী ফসল এবং এটি তারা জমিতে রোপন করবে আগামী জানুয়ারী মাস জুড়ে । এবারে এই উপজেলায় ১৭হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে নতুন এ পেঁয়াজের চারা রোপনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে । তবে এবারে কৃষকেরা বেশি পরিমাণ জমিতে পেঁয়াজের চারা রোপন করায় লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে আশা করা হচ্ছে। এবং প্রতি বিঘা জমিতে এই পেঁয়াজের চারা রোপন করতে অন্তত ১২-১৫ জন শ্রমিক প্রয়োজন হবে।

    এম এ আলিম রিপন

    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • ধুঁকে চলা সরকারি শিশু হাসপাতাল ও একজন ডাক্তার জামিলের গল্প

    ধুঁকে চলা সরকারি শিশু হাসপাতাল ও একজন ডাক্তার জামিলের গল্প

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    .শহর থেকে একটু দূরে একটা হাসপাতাল। হাসপাতাল চত্বরে নানান বয়সী উদ্বিগ্ন মানুষের ভিড়। বেশির ভাগ মানুষের চেহারায় দারিদ্র্যের চিহ্ন স্পষ্ট থাকলেও তাঁরা আশাহত নয়। ভিড় করা মানুষেরা তাঁদের শিশু সন্তানদের নিয়ে এসেছেন এখানে। মাত্র তিনজন চিকিৎসক মানুষের এই আশার কারণ। আর এই তিনজনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন একেবারে সামনে থেকে যেই মানুষটি সে এলাকায় ডাক্তার জামিল নামেই পরিচিত। ভালো নাম ডাক্তার আলী হাসান ফরিদ। যতোটা আশা নিয়ে মানুষ এখানে আসে আর যতোটা খুশী নিয়ে তাঁরা ফেরত যায়, এই হাসপাতালের সামর্থ্য মোটেও তেমন নয়। শুরু থেকেই নানা সমস্যার মধ্যেও শিশুদের সেবা দিয়ে চলেছে ঝিনাইদহ জেলা শহরের ২৫ শয্যা সরকারি শিশু হাসপাতালটি।বড়ো অদ্ভুত ভাবে চলে এই সরকারি হাসপাতালটি। অর্থের অভাবে হাসপাতাল চত্বরে আবাদ করা হয় কলা। আর সেই কলা বিক্রির টাকা ও কিছু মানুষের অনুদানে চলে এই হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা। সরকারী উল্লেখযোগ্য কোন বরাদ্দ না থাকায় চিকিৎসা সেবায় প্রয়োজনীয় যে কোন জিনিস কিনতে হয় মানুষের অনুদানের টাকায়।
    হাসপাতালটির নিজের স্বাস্থ্য ভালো নাহলেও প্রতিদিন বহির্বিভাগে গড়ে তিনশো থেকে সাড়ে তিনশো রুগী চিকিৎসা সেবা পেয়ে থাকে আর আন্তঃবিভাগে ৬০ জনের বেশি শিশু চিকিৎসাসেবা নিয়ে থাকে। লোকবলের বড্ড অভাব এখানে। চিকিৎসকের পদ আছে ৫ টি। চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন ৩ জন। ফার্মাসিস্ট, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (রেডিওগ্রাফি), প্রধান সহকারী কাম হিসাবরক্ষক, অফিস সহকারী কাম ডাটা এন্ট্রি অপারেটর ও স্টোরকিপারের পদ কাগজে থাকলেও সেখানে কোন লোক নেই। ২১ নার্স পদের বিপরীতে আছেন ১৭ জন নার্স কিন্তু এমএলএসএস, ওয়ার্ড বয়, আয়া, মালি, নিরাপত্তাপ্রহরী ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীর কোন পদই নেই।

    এই অবস্থা থেকে বের আসার জন্য এলাকার কিছু ব্যবসায়ী, কয়েকজন চিকিৎসক এবং ডাঃ আলী হাসান ফরিদ জামিলের একাধিক বন্ধুর সহায়তা করছেন। সেই সহায়তায় চলে শয্যা, যন্ত্রপাতি ও জনবল। ঝিনাইদহ পৌরসভা এবং জাহেদি ফাউন্ডেশন নিয়মিত সহায়তা করছেন এখানে। এ ছাড়া ১৫ জন হৃদয়বান ব্যক্তিও কিছু সহায়তা দেন। কিন্তু এসব দিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের অক্সিজেন ও ওষুধের যে চাহিদা তার অর্ধেকও পুরণ হয় না।
    মজার ব্যাপার হলো এই হাসপাতালটি ২০০৫ সালের ৭ই মে তৈরীর প্রক্রিয়া শুরু হলেও ২০২১ সালের ৯ জানুয়ারি থেকে হাসপাতালটি তার সেবা কার্যক্রম শুরু করে। উদ্বোধনের পর হাসপাতালে কোন সরঞ্জাম না থাকাই কনসালট্যান্ট আলী হাসান ফরিদ জামিল তাঁর বাসা থেকে ব্যক্তিগত কম্পিউটারে নিয়ে আসে। ওই কম্পিউটার হাসপাতালের কাজে ব্যবহার করে শুরু হয় শিশুদের চিকিৎসা ও মায়েদের পরামর্শ দেয়। জামিল ও টিমের আন্তরিক চেষ্টায় হাসপাতালটি এখন আশপাশের এলাকার মানুষের কাছে সুনাম অর্জন করা শুরু করে। কিন্তু ঢাল তলোয়ারের অভাব বারবার ই পিছিয়ে দিচ্ছে হাসপাতালটিকে।

    আপনি হাসপাতালে গেলে প্রথমেই দেখবেন বড় একটি প্রবেশ গেট। ভিতরে প্রবেশ করলে চারিপাশে নানা ধরণের ফুলের বাগান। এর সামনে লাল ইটের দোতলা ভবন। হাসপাতাল চত্বরটি খুবই পরিপাটি করে সাজানো। ভবনের ভেতরে প্রবেশ করে বিভিন্ন ওয়ার্ডে শয্যা পাতা আছে। শয্যাগুলোর গায়ে লেখা, কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সেগুলো দান করেছেন। কিন্তু এভাবে চালানো ডাক্তার জামিল ও তাঁর টিমের জন্য দিনে দিনে কষ্টসাধ্য হয়ে উঠছে। এই হাসপাতালের খরচ চলে অনুদান ও হাসপাতালের পড়ে থাকা তিন বিঘার মতো জমিতে কলা চাষ করা টাকায়। এই কলা বিক্রি করে গত বছর আশি হাজার টাকার অক্সিজেন কেনা হয়েছে। এ বছরও তাই করতে হবে। এছাড়া হাসপাতালে রাতের নিরাপত্তার জন্য লাইট ও অন্যান্য জিনিসপত্র কলা বিক্রির টাকা দিয়েই কিনতে হয়। এছাড়া ওষুধ, অক্সিজেন এ তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের বেতন ভাতা দিতে হয় অনুদানের টাকায়। জনবল ও অন্যান্য সহযোগিতার জন্য সিভিল সার্জন এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল শাখায় অনেকবার আবেদন জানিয়েছেন। কিন্তু কাজ হয়নি।প্রতিবছরই ঝিনাইদহ সিভিল সার্জন অফিসের মাধ্যমে আবেদন যায় কিন্তু সমাধান সেই অনুদান ও কলা বিক্রির টাকার উপরেই নির্ভর করতে হয়। অথচ এখানে পার্শ্ববর্তী মাগুরা, কুষ্টিয়া, যশোর, চুয়াডাঙ্গা থেকে রুগী আসে চিকিৎসা নিতে।

    এ যেন নুন আনতে পান্তা ফুরানো এক স্বপ্নের গল্প। এই মুহুর্তে এই হাসপাতালের জন্য প্রায় তিনলক্ষ টাকা দরকার শুধু অক্সিজেন সিলিন্ডার কেনার জন্য। কিভাবে আসবে তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। কিন্তু এতো অনিশ্চয়তার পরও ডাক্তার জামিল ও তাঁর টিম এই যুদ্ধে হারতে চাইনা। ওঁরা বিশ্বাস করে কেউ না কেউ একদিন ঠিকই এগিয়ে আসবে আর তাঁর ছোঁয়া পেয়ে তরতরিয়ে চলবে চিকিৎসাসেবা।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।।

  • নেছারাবাদে জমিজমা বিরোধ এর জের ধরে কাঠের ঘর ভাংচুর করার অভিযোগ

    নেছারাবাদে জমিজমা বিরোধ এর জের ধরে কাঠের ঘর ভাংচুর করার অভিযোগ

    আনোয়ার হোসেন,

    নেছারাবাদ উপজেলা প্রতিনিধি //

    নেছারাবাদে জমিজমা বিরোধ এর জের ধরে দফায় দফায় মারামারির ঘটনা ঘটছে। নজরুল এবং আসলামদের চলমান বিরোধ একাধিকবার সমাধানের চেষ্টা করেও সমাধান হয়নি। পিরোজপুরে নেছারাবাদ উপজেলা ডুবি ২নং ওয়ার্ডের আঃ ছালাম আকলিমা তাছলিমারা জোর জবরদস্তি করে নজরুল গংদের পৈত্রিক সম্পত্তি ভোগ দখল করতে চায়। এরই ধারাবাহিকতায় ২৮ ডিসেম্বর খুব ভোরে ভোগদখলিয় যায়গার ঘরটি ভেঙে ফেলে আসলাম গংরা।এ নিয়ে নেছারাবাদ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে।

    নজরুলের ছোট ভাই সোহাগের থানায় দেয়া লিখিত অভিযোগের মাধ্যমে জানা যায়, বিবাদীরা অত্যান্ত খারাপ ও পর সম্পদ লোভী, সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক । বিবাদীদের
    সাথে স্থানীয় বিভিন্ন বিষয় ও জায়গা-জমি নিয়া বিরোধ চলিয়া আসিতেছে। বিরোধীয় সম্পত্তি আমার পৈত্রিক ওয়ারিশ সূত্রে মালিক সেই সূত্রে আমরা ঘর দরজা উঠাইয়া বসবাস করিতেছি। বিবাদীরা আমাদের সম্পত্তি জোর পূর্বক ভোগ দখল করার জন্য বিভিন্ন ভাবে পায়তারা করিয়া আসিতেছে। এই নিয়ে বিবাদীরা আমাদের
    সাথে প্রায়ই ঝগড়া বিবাদ করে এবং খুন জখমের হুমকী প্রদান করে।

    বিরোধীয় বিষয় নিয়ে বিজ্ঞ আদালতে মামলা হলে মামলার রায় আমাদের পক্ষে আসে ইহার পরেও বিবাদীরা আমাদের জায়গা জোর পূর্বক ভোগ দখল করার জন্য পায়তারা করিতেছে। বিরোধীয় বিষয় নিয়ে স্থানীয় ভাবে বেশ কয়েকবার মিমাংসার চেষ্টা করিলেও বিবাদীদের কারণে মিমাংসা করা সম্ভব হয় নাই।

    গত ১৮ই ডিসেম্বর ১০ ঘটিকার সময় বিবাদীরা আমাদের জায়গা জোর পূর্বক দখল করতে আসে। আমরা বাধা নিষেধ করিতে গেলে বিবাদীরা আমাদের সাথে তর্ক-বিতর্ক করে এবং আমাদের এলোপাথারি ভাবে কিল ঘুষি
    মারিয়া শরীরের বিভিন্নস্থানে নিলা ফুলা জখম করে। ঘটনার বিষয় নিয়ে বিবাদীরা আমাদের হয়রানী করার জন্য উল্টো মামলা করে। এরই জের ধরিয়া ঘটনার দিন ২৮ তারিখ সকাল অনুমান ০৯.০০ ঘটিকার সময় আমাদের ভোগ দখলীয় জায়গায় কাঠের ঘরছিল। বিবাদীরা ঘরটি ও টয়লেট ভাংচুর করে ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে।

    এ বিষয়ে আঃ ছালামের বাসায় গেলে তাকে পাওয়া যায়নি পরে ব্যবহারীত নম্বরে 01759-384064 বার বার কল দিলেও মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।

    এ বিষয়ে নেছারাবাদ থানার ওসি বনি আমিন জানান, এ বিষয়ে একটা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় শিশুস্বর্গ ফাউন্ডেশনের শীত আনন্দ উৎসব অনুষ্ঠিত

    পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় শিশুস্বর্গ ফাউন্ডেশনের শীত আনন্দ উৎসব অনুষ্ঠিত

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার মাথাফাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে শিশুস্বর্গ ফাউন্ডেশনের শীত আনন্দ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুরে শিশুস্বর্গ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এবং এভারেস্ট ফার্মাসিউটিক্যালস এর সহযোগীতায় ৭ হাজার শিক্ষার্থীর মাঝে শীত বস্ত্র, স্কুল ব্যাগ ও শিক্ষা উপকরণ উপহারের অংশ হিসাবে ৪র্থ পর্যায়ের আয়োজনে এই আনন্দ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।

    ব্রাইট স্টার ক্লাবের সভাপতি তাজ উদ্দীন আহম্মেদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন- স্থানীয় সরকার বিভাগ, রংপুরের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) আবু জাফর।
    বিশেষ অতিথি হিসাবে হিসাবে উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত) এস.এম শফিকুল ইসলাম, তউপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ফজলে রাব্বী, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের সমন্বয়ক সারজিস আলম, এভারেস্ট ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর জাকির হোসেন, এভারেস্ট ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড এর ডিরেক্টর মোহাম্মদ মঞ্জু মোল্লা, এভারেস্ট ফার্মাসিউটিক্যালস লি: এর ডিরেক্টর অঞ্জন মল্লিক এফসিএ, তেঁতুলিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ এনায়েত কবীর, উপজেলা বিএনপির আহব্বায়ক শাহাদত হোসেন রঞ্জু, উপজেলা বিএনপি সদস্য সচিব রেজাউল করিম শাহিন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সমাজ সেবক আবু সাঈদ মিঞা , সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সুলতানা রাজিয়া এবং মাথাফাটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিরিন সুলতানা।

    জানা যায়, উপজেলার শারিয়ালজোত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আজিজ নগর প্রাথমিক বিদ্যালয়, দর্জিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাথাফাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ছোট দলুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, খালপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জামরীগুড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বুড়িমুটকী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শিশু স্বর্গ প্রাথমিক বিদ্যালয়, সান ফ্লোয়ার প্রাথমিক বিদ্যালয় ও হিউম্যান কেয়ার মাদরাসা সহ দুই ব্যক্তির নামে ১২শ ১৭ জন শিক্ষার্থীর মাঝে এই শীত বস্ত্র, স্কুল ব্যাগ ও শিক্ষা উপকরণ উপহার বিতরণ করা হয়।

    আকরাম হোসেন জাকারিয়ার সঞ্চালনায় ও শিশুস্বর্গ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা কবীর আহমেদ আকন্দের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে আলোচনা অনুষ্ঠান শুরু হয়।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।।

  • বাংলাদেশ জেনারেল নলেজ ক্লাবের    বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান

    বাংলাদেশ জেনারেল নলেজ ক্লাবের বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান

    এস মিজানুল ইসলাম, নিজস্ব প্রতিনিধি।। “বাংলাদেশ জেনারেল নলেজ ক্লাবের উদ্যোগে প্রতিযোগিতার বিজয়িদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ ” করা হয়।
    জেনারেল নলেজ ক্লাব কর্তৃক আয়োজিত জাতীয় পর্যায়ের সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতার ফাইনাল রাউন্ড ২৫ ডিসেম্বর মাইলস্টোন কলেজ অডিটোরিয়ামে এবং বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ ডিয়াবাড়িতে অনুষ্ঠিত হয়। তৃতীয় শ্রেণি থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত মোট চারটি ক্যাটাগরিতে অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতিত্ব করেন জনাব এটিএম আনসারী। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক ও শিল্পপতি ডে-গ্রুপের চেয়ারম্যান এম এ ওয়াহাব বাগচী। বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজউক এর পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোবারক হোসেন। এছাড়া স্পন্সরশীপ পার্টনার আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, আমান গ্রুপ ও পপুলার ফুড এর কর্মকর্তা বৃন্দ।
    পুরস্কার প্রাপ্তরা হলো, গ্রুপ এ-(তৃতীয়-পঞ্চম শ্রেণি): প্রথম স্থান: তানজিল রহমান শাবিব, বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ, নির্ঝর ঢাকা ক্যান্ট, দ্বিতীয় স্থান: ইখাজুল নাহার জিম, মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজ
    তৃতীয় স্থান: তাহমিদুল হাসান জারিফ, মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজ।
    গ্রুপ বি-(ষষ্ঠ-অষ্টম শ্রেণি) প্রথম স্থান: যুগ্মভাবে তাসনিম আনসারী, রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ ও ইফতেহাদ ইরফান সায়ন, সিভিল এভিয়েশন স্কুল এন্ড কলেজ, তেজগাঁও,
    দ্বিতীয়: মোঃ শোয়াইব ইসলাম মুগ্ধ, সিভিল এভিয়েশন স্কুল এন্ড কলেজ, তেজগাঁও,
    তৃতীয়: রাইদা ফারজিনা, বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ।
    গ্রুপ সি-(নবম-দ্বাদশ): প্রথম স্থান: আল কাউসার, মাইলস্টোন কলেজ।
    দ্বিতীয়: ইফতি ইসলাম, বিক্রমপুর কুঞ্জবিহারী সরকারি কলেজ।
    তৃতীয়: মো: সিয়াম তালুকদার, ঢাকা উদ্যান সরকারি মহাবিদ্যালয়।
    গ্রুপ ডি-(দ্বাদশ শ্রেণীর ঊর্ধ্বে):
    প্রথম: সামিয়া আক্তার, ইডেন মহিলা কলেজ।
    দ্বিতীয়: মোহাম্মদ শামীম হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
    তৃতীয়: জেরিন আক্তার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।#

    এস মিজানুল ইসলাম
    বানারীপাড়া, বরিশাল ।।

  • নড়াইলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর ইউপি সদস্যে হিন্দু বাসনা মল্লিকের মুখে বিষ ঢেলে হত্যা

    নড়াইলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর ইউপি সদস্যে হিন্দু বাসনা মল্লিকের মুখে বিষ ঢেলে হত্যা

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে ধর্ষণের পর ইউপি সদস্যে বাসনা মল্লিকের মুখে বিষ ঢেলে হত্যা। নড়াইল সদরে বাসনা মল্লিক (৫০) নামের এক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্যকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর মুখে বিষ ঢেলে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় মরদেহ যশোর জেনারেল হাসপাতাল থেকে তার বাড়িতে নেয়া হয়। ইউপি সদস্য বাসনা মল্লিকের ছবি নিয়ে আর্তনাদ করছেন স্বজনরা।
    ইউপি সদস্য বাসনা মল্লিকের ছবি নিয়ে আর্তনাদ করছেন স্বজনরা। নিহত বাসনা মল্লিক নড়াইল সদরের মাইজপাড়া ইউনিয়নের সংরক্ষিত ১,২, ৩ ওয়ার্ডের মহিলা সদস্য (মেম্বার) এবং ওই ইউনিয়নের পোড়াডাঙ্গা গ্রামের নেপাল মল্লিকের স্ত্রী।
    নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজেদুল ইসলাম ইউপি সদস্য বাসনার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
    নিহতের পরিবারের দাবি, মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) সকাল থেকে টিসিবির মালামাল বিতরণ শেষে বাড়ি ফেরার পথে স্থানীয় যুবক রাজিবুলের ফোন কলে পাওনা টাকা আনতে যান। মাইজপাড়া ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের মোক্তার মোল্যার বাড়িতে রাজিবুলসহ ফারুক, চঞ্চল, শফিকুল মিলে তাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ করে এবং দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন।
    ভুক্তভোগী বাসনা মল্লিক বিষয়টি জানিয়ে দেবে বললে হুমকি-ধমকি দিলে তার মুখে বিষ ঢেলে দেয়া হয়। বাড়িতে ফিরে এ ঘটনায় ভয়ে তিনি কাউকে কিছু বলেননি। পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ সময় তিনি ছেলে রিংকু মল্লিকের কাছে তার ওপর নির্যাতনের বর্ণনা ও জড়িতদের নাম বলেন।
    চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) রাতে তার মৃত্যু হয়।
    প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্যে আর স্বজনদের অভিযোগে উঠে আসে ইউপি সদস্য বাসনা মল্লিকের ওপর চালানো হয় সংঘবদ্ধ নির্যাতন।
    ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মোক্তার মোল্যার স্ত্রী সাহিদা ও পুত্রবধূ সোনিয়া সময় সংবাদকে বলেন, মেম্বার বাসনা আসছিলো, তারে ডেকে আমাদের ঘরে নিয়ে যায় ওরা (অভিযুক্ত রাজিবুল, শফিকুল, চঞ্চল,ফারুক)। তারপর তিনি চলে যেতে চাচ্ছিলেন কিন্তু জোর করে তাকে আটকে রাখা হয়েছিল। আমাদের ঘর থেকে বের করে দিয়ে দরজা আটকে জোর করছিল।
    বাসনা মল্লিককে হারিয়ে বুকফাটা আর্তনাদ স্বজনদের। তাদের আহাজারিতে ভারি হয়ে উঠেছে বাড়ির পরিবেশ।
    বাসনা মল্লিকের ৮০ বছর বয়সি মা সুন্দরী হালদার ছবি হাতে বিলাপ করছেন, মা কই, আমার মা কই?
    জনপ্রিয় এমন জনপ্রতিনিধি বাসনার অস্বাভাবিক মৃত্যুতে ক্ষোভ জানিয়ে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী ও তার সহকর্মীরা।
    তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের এ ঘটনার সত্যতা জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
    নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজেদুল ইসলাম বলেন, যশোর কোতোয়ালি থানা পুলিশ আমাদের অবহিত করেন, ইউপি সদস্য বাসনা মল্লিকের পেটে বিষের ট্রেস রয়েছে এবং তার সাথে একাধিক ব্যক্তির জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্কের আলামত পাওয়া গেছে। এ তথ্য পাওয়ার পর তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। বিষয়টি সঠিক তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের পাশাপাশি দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে।

  • বরিশাল হাতেম আলী কলেজ সংলগ্ন একজন প্রতারক গ্রেফতার

    বরিশাল হাতেম আলী কলেজ সংলগ্ন একজন প্রতারক গ্রেফতার

    বরিশাল বাবুগঞ্জ প্রতিনিধি মোঃ মহিউদ্দিন খাঁন রানা।।

    বরিশাল সৈয়দ হাতেম আলী কলেজের মসজিদ সংলগ্ন এক প্রতারককারী আটক করে এয়ারপোর্ট থানার চৌকস পুলিশ অফিসাররা প্রতারককারীর নাম হলো, অভিষেক ওরফে সোম অভি(৩০), পিতা- লক্ষ্মন চন্দ্র সোম ওরফে পলাশ সোম, মাতা- অনিতা রানী বিশ্বাস, সাং- পতিহার, থানা- আগৈলঝড়া, বর্তমানে- কালিবাড়ী রোড (উত্তর), ১৯ নং ওয়ার্ড, সরদার ম্যানশন আলম মিয়ার বাড়ীর ভাড়াটিয়া, থানা- কোতয়ালী, জেলা- বরিশাল ইং ২৬/১২/২০২৪ তারিখ রাত অনুমান ১০.৩০ ঘটিকায় এয়ারপোর্ট থানাধীন ২৯ নং ওয়ার্ডস্থ ইছাকাঠী শাহ পড়ান সড়ক হাতেম আলী মসজিদ সংলগ্ন জনৈক রানা হাওলাদার এর হোটেলে সামনে এসে স্থানীয় কতিপয় লোকজনদেরকে নাম-ঠিকানা জানতে চায় সে নিজেকে স্পেশাল ব্রাঞ্চের অফিসার পরিচয় দিয়ে জানায় যে, এলাকার সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা করার জন্য এসেছে। তাহার নিকট থাকা উক্ত তালিকায় দুলাল মৃধা এবং সোহেল ইসলামদ্বয় নাম আছে বলে তাদেরকে ডেকে জানায় যে, তারা যদি টাকা-পয়সা দেয় তবে তাদের নাম তালিকা থেকে বাদ দিবে। দুলাল মৃধা এবং সোহেল ইসলামদ্বয়ের সন্দেহ হলে প্রতারক অভিষেক ওরফে সোম অভি তাদেরকে পরিচয়পত্র (পুলিশ আইডি কার্ড) এবং ওয়াকিটকি (ওয়ালেস) সেট দেখায়। বিষটি থানার অফিসার ইনচার্জ সাহেবের গোচরীভূত হলে তিনি উর্ধবতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন। সম্মানিত পুলিশ কমিশনার জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম, বিএমপি, বরিশাল মহোদয়ের দিক-নির্দেশনা ও উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর), জনাব রুনা লায়লা, বিএমপি, বরিশাল সাহেবের পরিকল্পনায় এয়ারপোর্ট থানার এসআই/মোঃ আল-আমিন নাঈম এর নের্তৃত্বে ০১ টি চৌকস টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে কখনো স্পেশাল ব্রাঞ্চের অফিসার, কখনো ডিবি পুলিশ পরিচয়ধারী প্রতারক অভিষেক ওরফে সোম অভিকে উপস্থিত জনসাধারনের উপস্থিতিতে নিবির জিজ্ঞাসাবাদে উপরোক্ত নাম-ঠিকানা প্রকাশ করে এবং সে একজন প্রতারক বলে নিশ্চিত হয়ে তাকে গ্রেফতার করে। উপস্থিত অসংখ্য জনতার উপস্থিতিতে তার হেফাজত হতে স্পেশাল ব্রাঞ্চের ০৩ টি, পুলিশের ০১ টি মোট ০৪ টি নকল আইডি কার্ড। ০১ টি কালো রংয়ের ওয়াকিটকি (ওয়ারলেস সেট), ০২ টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে জব্দ করে। আসামীর বিরুদ্ধে এয়ারপোর্ট থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামী জেল হাজতে প্রেরণ প্রক্রিয়াধীন।

  • তানোরে বিএনপি নেতার গাড়ী বহরে হামলার ঘটনায় মামলা

    তানোরে বিএনপি নেতার গাড়ী বহরে হামলার ঘটনায় মামলা

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে বিএনপি নেতা এ্যাডঃ সুলতানুল ইসলাম তারেকের গাড়ী বহরে হামলার ঘটনার ৮ দিন পর আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে তানোর থানায় হত্যা চেষ্টা মামলা করা হয়েছে। গত ২২ ডিসেম্বর গোদাগাড়ী উপজেলার মাটিকাটা ইউনিয়নের (ইউপি) এক নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সম্পাদক সেলিম রেজা বাদি হয়ে মামলটি করেন। কিন্ত্ত মামলা করার ৭ দিন অতিবাহিত হলেও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
    এদিকে মামলায় এক নম্বর আসামী করা হয়েছে তানোর পৌরসভার হরিদেবপুর মহল্লার সোহেল রানা (৪২)। তিনি উপজেলা যুবলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক। এছাড়াও তানোর পৌর যুবলীগের ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক রেজাউল ইসলাম, আওয়ামী লীগ কর্মী
    তৌহিদুল ইসলাম, কামারগাঁ ইউপি যুবলীগের সভাপতি ও ইউপি সদস্য তোফায়েল হোসেন এবং কামারগাঁ ইউপি আওয়ামী লীগ সম্পাদক ও চেয়ারম্যান সুফি কামাল মিন্টুসহ প্রায় ৬০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
    স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, রাজশাহী-১ (তানোর গোদাগাড়ী) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশি শিল্পপতি অ্যাডভোকেট সুলতানুল ইসলাম তারেকের কেন্দ্রীয় বিএনপির ৩১ দফা বাস্তবায়নে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী তানোর থানা মোড়, মুণ্ডুমালা বাজার ও বাধাইড় ইউপিসহ বিভিন্ন এলাকায় পথসভা করার কথা ছিল। সেইমতে গত ১৫ ডিসেম্বর প্রায় ১৪টি মাইক্রোবাসের শোডাউন নিয়ে তিনি তানোর উপজেলা সদরে আসেন। এদিকে শোডাউনে যোগদিতে যাবার জন্য দুটি মাইক্রোবাস উপজেলা পরিষদ ও ডাকবাংলো চত্বরে দেয়াল ঘেঁষে রাখা হয়।
    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এ খবর পেয়ে মাইক্রোবাসে হামলা, ভাংচুর ও মারপিট শুরু করে অজ্ঞাতনামা উশৃংখল কিছু যুবক। প্রায় আধা ঘণ্টাব্যাপী চলে মারপিট, ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও ইট পাটকেল নিক্ষেপ। এতে জনদুর্ভোগে পড়েন সাধারণ মানুষ। এঘটনায় দু’পক্ষেরই প্রায় ১০ জন আহত হয়। পরে উপজেলা থেকে মিছিল নিয়ে থানা মোড়ে ৩১ দফা বাস্তবায়নের জন্য লিফলেট বিতরণ ও পথসভা করেন অ্যাডভোকেট তারেক।
    এ ঘটনায় গত ১৭ ডিসেম্বর রাজশাহী নগরীর অলোকার মোড়ের একটি রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলনও করেন তারেকের অনুসারী নেতাকর্মীরা। তারা এই ঘটনার জন্য তানোর পৌরসভার সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিজানকে দায়ী করে মিজান ও তার অনুসারীদের বহিষ্কার দাবি করেন।তবে ঘটনার দিন মিজানুর রহমান মিজান ব্যবসার কাজে ঢাকায় অবস্থান করছিলেন।এদিকে গত ১৮ ডিসেম্বর তানোর বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে উপজেলা, তানোর ও মুন্ডুমালা পৌর বিএনপির নেতাকর্মীরা পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করে এ্যাডভোকেট সুলতানুল ইসলাম তারেককে দল থেকে বহিঃস্কারের দাবি করেন।
    এবিষয়ে মামলার বাদি সেলিম রেজা বলেন, আসলে তেমনভাবে মামলার আসামীদের কাউকে চেনেন না তিনি। তানোরে তাদের অনুসারী নেতাকর্মীরা যাদের নাম পরিচয় দিয়েছেন, কেবল তাদেরকে আসামী করা হয়েছে। তবে, মামলাটি তদন্ত করে ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত বলে প্রমান পাবে তাদের বিরুদ্ধেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে পুলিশ। এনিয়ে কামারগাঁ ইউপি আওয়ামী লীগের সম্পাদক ও চেয়ারম্যান সুফি কামাল মিন্টু বলেন, শোনেছি বেশ কয়েকদিন আগে শোডাউন নিয়ে বিএনপির মিজান গ্রুপ আর তারেক গ্রুপের সংঘর্ষ হয়েছে। আমরা আওয়ামী লীগ করি, কিন্তু বিএনপির মাইক্রোবাস শোডাউনে যাবার প্রশ্নই আসেনা। রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় তিনিসহ শুধু আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের ৫ জন নামধারী নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে।
    এব্যাপারে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান মিজান বলেন, ঘটনার প্রায় সপ্তা খানেক পর বাদির অভিযোগ পেয়ে থানায় মামলা রুজু করা করা হয়েছে। তিনি বলেন, অধিকতর তদন্ত করে তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

  • রাধাকানাই বিএনপি’র জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত ভাঁওতাবাজি কুচক্রী হাইব্রিড চাঁদাবাজ  সন্ত্রাসীদের বিএনপিতে ঠাঁই নেই – মামুন

    রাধাকানাই বিএনপি’র জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত ভাঁওতাবাজি কুচক্রী হাইব্রিড চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীদের বিএনপিতে ঠাঁই নেই – মামুন

    মোঃ সেলিম মিয়া ফুলবাড়িয়া প্রতিনিধিঃ বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফার মানুষের কাছে পৌছে দিতে জন সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া উপজেলায় ১১নং রাধাকানাই ইউনিয়নের পলাশতলী আমিরাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিএনপি’র জন সমাবেশ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বে করেন রাধাকানাই ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক বদিউজ্জামান ( জামান মাস্টার)।
    এ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক মামুনুর রশিদ মামুন। আরোও বক্তব্য রাখেন উপজেলা ছাত্র দলের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ন কবির, পুটিজানা ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান ফরাজি, উপজেলা বিএনপির সদস্য লতিফ চৌধুরী, ভবানীপুর ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক হেলিম মাস্টার, কালাদহ ইউনিয়ন বিএনপির নেতা মইনুল ইসলাম সাজু, সাবেক উপজেলা বিএনপির সদস্য নজরুল ইসলাম মাস্টার, উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক কামাল হোসেন, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ন আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রফিক, বাক্তা ইউনিয়নের বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম খান (খসরু), বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী প্রজন্মদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি সহ- দপ্তর সম্পাদক জাহিদ হাসান বিল্লাল, উপজেলা যুব নেতা হারুন অর রশিদ প্রমুখ।

    সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মামুনুর রশীদ মামুন বলেছেন, বিএনপিতে কোন ভাঁওতাবাজি কুচক্রী হাইব্রিড চাঁদাবাজ দুর্নীতিবাজ সন্ত্রাসীদের ঠাঁই নেই।হাইব্রিড বিএনপির নেতারা আসছে মাঠে এসে দলের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে।বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দিকনির্দেশনায় দলের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড চলবে।কোন ফ্যাসিষ্টদের জায়গা হবে না বিএনপিতে।

  • মোরেলগঞ্জে বিএনপির আয়োজনে সাবেক এমপি ড.মিয়া আব্বাসউদ্দীনের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও  আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    মোরেলগঞ্জে বিএনপির আয়োজনে সাবেক এমপি ড.মিয়া আব্বাসউদ্দীনের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির বিশেষ প্রতিনিধি:
    বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলা ও পৌর বিএনপির আয়োজনে সাবেক এমপি ড.মিয়া আব্বাসউদ্দীন এর ৭ম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে তার রুহের মাগফিরাত কামনায় আলোচনাসভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    শনিবার ২৮ ডিসেম্বর উপজেলা ও পৌর বিএনপির স্থায়ী কার্যালয় অনুষ্ঠিত দোয়া ও আলোচনা সভায় উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এফ এম শামীম আহসান এর সঞ্চালনায় উপজেলা বিএনপি আহবায়ক শহিদুল হক বাবুল এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট ৪ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী মো. খায়রুজ্জামান শিপন।
    দোয়া ও আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে আলোচনা করেন ও উপস্থিত ছিলেন,পৌর বিএনপির আহবায়ক শিকদার ফরিদুল ইসলাম উপজেলা ,যুগ্ম আহবায়ক জোমাদ্দার আফজাল হোসেন, মতিউর রহমান বাচ্চু,পৌর বিএনপি যুগ্ম আহবায়ক ফারুক হোসেন সামাদ, মো.আসাদুজ্জামান মিলন,শ্রমিকদল উপজেলা সভাপতি মজলু মোল্লা,পৌর শ্রমিক দল পৌর সভাপতি মাসুদ খান চুন্নু,সেতারা আব্বাস টেকনিক্যাল এন্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান, টাউন মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক ইনুসচ আলী আকন, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন লাভলু, জাতীয়তাবাদী পল্লী চিকিৎসা দল উপজেলা সভাপতি শেখ রমিজ উদ্দিন প্রমূখ।
    সাবেক এমপি ড.মিয়া আব্বাসউদ্দীনের ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রুহের মাগফেরাত কামনায় আলোচনা সভা শেষে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
    দোয়া শেষে উপস্থিত বিএনপি ও তার সকল অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দদের নিয়ে দোয়া করা হয়। এসময় দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা মোহাম্মদ খায়রুল বাশার। দোয়া শেষে সকলের মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়।