Blog

  • রাজশাহীতে হিমাগার মালিকদের দৌরাত্ম্যে আলু চাষিরা অসহায়

    রাজশাহীতে হিমাগার মালিকদের দৌরাত্ম্যে আলু চাষিরা অসহায়

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহী অঞ্চলে হিমাগার(কোল্ডস্টোর) মালিকদের দৌরাত্ম্যে আলু চাষিরা চরম অসহায় হয়ে পড়েছে। চলতি মৌসুমে হিমাগারে আলু সংরক্ষণের ভাড়া বাড়ানোর আকর্ষিক সিদ্ধান্তে ক্ষোভে ফুঁসছেন চাষিরা। রাজশাহীর বিভিন্ন উপজেলায় আলু চাষিরা সমবেত হয়ে একাধিকবার প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন। আগামী ১০ জানুয়ারির মধ্যে রাজশাহী হিমাগার মালিক সমিতি বর্ধিত ভাড়া প্রত্যাহার না করলে হিমাগার ঘেরাও করা ছাড়াও বড় ধরনের আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণার হুমকি দিয়েছেন আলু চাষিরা। এবার আলু সংরক্ষণ নিয়ে চাষিরা শঙ্কিত হয়ে পড়েছে। আলু চাষিরা অভিযোগ করে বলেন, লাভজনক হয়ে ওঠায় রাজশাহী জেলাজুড়ে ব্যাপকভাবে আলুর চাষ হচ্ছে গত কয়েক বছর ধরে। আবাদ মৌসুমে উৎপন্ন আলুর বাজার চাহিদা ও দাম কম থাকায় সারা বছর হিমাগারে সংরক্ষণ করেন রাজশাহীর কয়েক হাজার বাণিজ্যিক চাষি ও মৌসুমি ব্যবসায়ী। হিমাগার থেকে বের করে এসব আলু বছরের বারো মাস বিক্রি ও বিভিন্ন স্থানে চালান করা হয়। আলু সংরক্ষণের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা থাকায় গত কয়েক বছরে রাজশাহীজুড়ে আলু চাষ ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ভুক্তভোগী চাষিদের অভিযোগ, গত বছর রাজশাহীর হিমাগারগুলোতে মৌসুমে আলু সংরক্ষণের ভাড়া ছিল প্রতি কেজিতে ৪ টাকা। তবে এবার আলুর আবাদ শুরুর পর হিমাগার মালিকরা সংরক্ষণ ভাড়া বাড়িয়ে দ্বিগুন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে একতরফাভাবে।
    ফলে আলু সংরক্ষণ নিয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন চাষিরা। কারণ সংরক্ষণ খরচ বাড়ার ফলে তাদের মুনাফার পরিমাণ কমে যাবে। রাজশাহী জেলা আলু চাষি ও ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি নুরুল ইসলাম বলেন, গত বছর রাজশাহীর হিমাগারগুলোতে এক মৌসুমের জন্য আলু সংরক্ষণের ভাড়া ছিল প্রতি কেজি ৪ টাকা। কিন্তু আবাদ শুরুর পর বাণিজ্যিক আলু চাষি ও ব্যবসায়ীরা অগ্রিম বুকিং দিতে গেলে তাদেরকে জানানো হয়েছে এবার প্রতি কেজি আলুর সংরক্ষণ ভাড়া ৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সাধারণ চাষিরাও হিমাগারে বুকিং দিতে গিয়ে সংরক্ষণ ভাড়া দ্বিগুণ হওয়ার কথা জানতে পারেন। এরপর থেকেই আলু চাষিদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ভাড়া না কমালে আন্দোলনের হুমকি দিয়েছেন চাষিরা।
    রাজশাহীর তানোর উপজেলার আলু চাষি গোলাম রাব্বানী বলেন, চাষিরা কাছাকাছি থাকা হিমাগারগুলোতে আলু সংরক্ষণ করেন। এতে পরিবহণ খরচ কিছুটা কম হয়। গত মৌসুমে আমরা ৫০ কেজির এক বস্তা আলু সংরক্ষণে হিমাগার ভাড়া দিয়েছি ২১০ টাকা। এটাকে পেইড বুকিং বলা হয়। অন্যদিকে খোলা আলু সংরক্ষণ ভাড়া কিছুটা বেশি হয়ে থাকে। সাধারণভাবে ৬০ থেকে ৬৫ কেজি খোলা আলুর সংরক্ষণ ভাড়া গত বছর ছিল ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা। এটাকে লুজ বুকিং বলা হয়। গত বছর আমরা দুই ধরনের বুকিং ব্যবস্থায় কেজিপ্রতি আলু সংরক্ষণে গড়পড়তা ৫ টাকা করে ভাড়া দিয়েছি। এবার সেই ভাড়া বাড়িয়ে দ্বিগুণ করে দেওয়া হয়েছে। তানোর উপজেলার গাগরন্দ এলাকার আলু চাষি মসলেম উদ্দিন বলেন, হিমাগারে আলু সংরক্ষণে বিদ্যুৎ খরচ ছাড়া অন্য কোনো বাড়তি খরচ নেই। বিদ্যুতের দাম বাড়েনি। হিমাগারের শ্রমিকরা চাষিদের ভাড়ায় আলু ওঠা-নামার কাজ করেন। ঠিক কী কারণে এবার সংরক্ষণ ভাড়া দ্বিগুণ হবে-সেটা আমাদের বোধগম্য নয়। হিমাগার মালিকরা ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে চাষিদের সঙ্গে কোনো আলোচনাও করার দরকার মনে করেননি। তানোরের আলু চাষি আব্দুল মান্নান সমাবেশে বলেন, আমরা আগামী ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত হিমাগার মালিকদের সময় বেঁধে দিলাম। মালিকরা বর্ধিত ভাড়া প্রত্যাহার না করলে আমরা চাষিরা হিমাগার ঘেরাও করব। প্রয়োজনে সব হিমাগারের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হবে।
    এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ২৬ ডিসেম্বর তানোরের গোল্লাপাড়া বাজার ফুটবল মাঠে হিমাগার ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে কয়েক হাজার আলু চাষি বিক্ষোভ সমাবেশ করেন। সমাবেশ থেকে আলু চাষিরা আন্দোলনের ঘোষণা দেন। তারা বলেন, হিমাগার মালিকরা বর্ধিত ভাড়া প্রত্যাহার না করলে হিমাগারগুলোর সামনের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হবে। যাতে হিমাগারে আলু যেতে না পারে। সমাবেশ শেষে আলু চাষিরা তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) চার দফা সংবলিত একটি দাবিনামা জমা দেন। এবিষয়ে জানতে চাইলে তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খাইরুল ইসলাম বলেন, আলু চাষিদের একটি স্মারকলিপি পেয়েছি। আমরা হিমাগার মালিকদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব। আলু সংরক্ষণ করতে গিয়ে চাষিরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হন সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এবিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী হিমাগার মালিক সমিতি বা কোল্ড স্টোরেজ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আবু বাক্কার বলেন, জ্বালানি খরচসহ হিমাগারের ব্যবস্থাপনা ব্যয় বেড়েছে। শ্রমিক ভাড়াও বেড়েছে। বর্ধিত সংরক্ষণ ভাড়া আদায় না করলে হিমাগার পরিচালনা করাই কঠিন হয়ে যাবে। কোল্ড স্টোরেজ সমিতির সভাপতি আরও বলেন, প্রতি বস্তায় ৫০ কেজি আলু রাখার কথা। কিন্তু চাষিদের সুবিধার্থে আমরা ৬০ থেকে ৬৫ কেজিও গ্রহণ করি। কিন্তু গত কয়েক বছরে আমরা দেখেছি চাষিরা ৫০ কেজির কথা বলে বস্তায় ৭৫ থেকে ৮০ কেজিও আলু রাখেন। এতে আমরা হিমাগার মালিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। বস্তায় বেশি আলু থাকলে লোড- আনলোডের ক্ষেত্রে শ্রমিকদের বেশি ভাড়া দিতে হয়। অনেক সময় শ্রমিকরা অতিরিক্ত লোডের বস্তা ওঠানামা করতে চায় না। চাষিদেরও বিষয়গুলো বুঝতে হবে। আমরা চাই চাষিরাও আমাদের সমস্যাগুলো বুঝবে। উল্লেখ্য, রাজশাহীতে সর্বাধিক ৩৮টি হিমাগার রয়েছে যেগুলোর মোট ধারণক্ষমতা ৮০ লাখ বস্তা। ওজনের পরিমাপে হয় সাড়ে ৫ লাখ টন। হিমাগারগুলোর অধিকাংশই জেলার পবা, তানোর, মোহনপুর, বাগমারা ও দুর্গাপুর এলাকায় অবস্থিত। চলতি মৌসুমে রাজশাহীতে ৩৭ হাজার ৬৬৭ হেক্টর জমিতে আলুর আবাদ হয়েছে। এই পরিমাণ জমি থেকে প্রায় ১০ লাখ টন আলু উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি বিভাগ।#

  • দোয়ারাবাজারের পল্লিতে বসত ঘরে আগুন লাগিয়ে জমি দখলের চেষ্টা

    দোয়ারাবাজারের পল্লিতে বসত ঘরে আগুন লাগিয়ে জমি দখলের চেষ্টা

    দোয়ারাবাজার সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
    দোয়ারাবাজারে বসত ঘরে আগুন লাগিয়ে জমিও বাড়ি দখলের চেষ্টায় লিপ্ত থাকার একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার বাজিতপুর গ্রামের আব্দুর রহিমের পুত্র গয়াছ মিয়া। ঘটনাটি ঘটেছে (৩১ ডিসেম্বর) মঙ্গলবার গভীর রাতে।
    বুধবার (১ জানুঃ) লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, সদর ইউনিয়নের বাজিতপুর গ্রামের মৃত্যু আজম আলীর পুত্র ছৈয়দ মিয়া (৩৫) দিলবর আলীর পুত্র পাপ্পু মিয়া (১৯) রিয়াজ আলীর পুত্র মো. উসমান আলী(৭০) নিম্বর আলী স্ত্রী হাসিনা বেগম (৪২) এদের সাথে
    দীর্ঘদিন যাবত বসতবাড়ীর সীমানা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। সেই সুবাদে বাদী গয়াছ মিয়াকে বাড়ি ছেড়ে চলে না গেলে হত্যার হুমকি ও দেওয়া হয়েছিল।
    এব্যাপারে বাদি গয়াছ মিয়া বলেন, বিবাদীরা সব সময় আমাকে বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকি দিয়ে আসছে। আমার বসতঘরে থাকা আসবাবপত্র সহ সব কিছু আগুনে পুড়িয়ে ১লক্ষ ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করেছেন বিবাদীরা।
    জানতে চাইলে বিবাদী সৈয়দ মিয়ার স্ত্রী বলেন, আগুনের ঘটনাটি ঘটেছে। আগুন কেবা কারা লাগিয়েছে তা আমরা জানিনা। তবে গয়াছ মিয়া প্রতিরাতেই গাজাঁ ও মদ খায়। এছাড়াও আমরা আগুন নেবানোর চেষ্টা করেছি।
    অভিযোগ বিষয়ে জানতে চাইলে দোয়ারাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো, জাহিদুল হক বলেন, আগুনের বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • ফসলি জমি ও ফলজ বাগান নস্ট করে অবৈধ পুকুর খনন

    ফসলি জমি ও ফলজ বাগান নস্ট করে অবৈধ পুকুর খনন

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী মোহনপুরের ঘাষিগ্রাম ইউনিয়নের (ইউপি) মেলান্দী গ্রামে ফসলি জমি ও ফলজ বাগান নস্ট করে অবৈধ পুকুর খননের অভিযোগ উঠেছে। নীতিমালা লঙ্ঘন ও প্রশাসনের নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে প্রকাশ্যে দিবালোকে চলছে ফসলি জমি ধ্বংসের মহাযজ্ঞ। বিষয়টি যেনো দেখার কেউ নাই।এঘটনায় গ্রামবাসীর মাঝে চরস ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। কিন্ত্ত প্রভাবশালী পুকুর মারিকের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কেউ কোনো প্রতিবাদ করতে পারছে না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক গ্রামবাসি জানান, উপজেলা প্রশাসন ও ৯৯৯ নম্বর ফোন করেও কোনো প্রতিকার হচ্ছে না।তারা বলেন,এই অবৈধ পুকুর খনন বন্ধ করা না হলে,তার দেখাদেখি এলাকায় অবৈধ পুকুর খননের হিড়িক পড়বে।এছাড়াও এই পুকুর খনন সম্পন্ন হলে ফসলি মাঠে জলাবদ্ধতার কারণে অনেক ফসলি জমির ফসলহানির আশঙ্কা রয়েছে।তারা এবিষয়ে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের (ডিসি) জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

  • প্রিপেইড মিটার প্রতিস্থাপনের প্রতিবাদে পলাশবাড়ীতে নেসকোর কার্যালয় ঘেড়াও ও বিক্ষোভ

    প্রিপেইড মিটার প্রতিস্থাপনের প্রতিবাদে পলাশবাড়ীতে নেসকোর কার্যালয় ঘেড়াও ও বিক্ষোভ

    আমিরুল ইসলাম কবির,
    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    নেসকো’র ডিজিটাল প্রিপেইড মিটার স্থাপনের পায়তারা~বন্ধ কর করতে হবে”এই শ্লোগান’কে সমানে রেখে গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসি (নেসকো) কর্তৃক গ্রাহকদের নিকট প্রিপেইড মিটার প্রতিস্থাপনের পায়তারা বন্ধের দাবীতে পহেলা জানুয়ারী বুধবার বিকালে পলাশবাড়ীস্থ নেসকো কার্যালয় (ওয়াফদা) অফিস ঘেড়াও কর্মসূচী পালন করা হয়েছে।

    পলাশবাড়ী সচেতন নাগরিক সমাজের আহবানে ও নাগরিক স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটির সহযোগীতায় এ ঘেড়াও কর্মসূচী সফল করতে সর্বস্তরের বিদ্যুৎ গ্রাহকগণ ও সর্বসাধারণ ছাত্র জনতা অংশ গ্রহন করে প্রিপেইড মিটার প্রতিস্থাপনের পায়তারা বন্ধের দাবী জানান। এ ঘেড়াও কর্মসূচী চলাকালে আন্দোলনকারীদের নিকট প্রিপেইড মিটার প্রতিস্থাপন করা হবে না মর্মে অঙ্গীকার করেন পলাশবাড়ীর নেসকো’র আবাসিক প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ।

    নেসকোর আবাসিক প্রকৌশলীর এমন আশ্বাসের পরে আন্দোলনকারীরা তাদের কর্মসূচী সমাপ্ত ঘোষনা করেন।

    এ কর্মসূচীকে ঘিরে থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের কঠোর অবস্থান গ্রহন করেন। আইন শৃংখলা বাহিনীর উপস্থিতিতে ঘেড়া কর্মসূচীতে আন্দোলনকারীরা জানান,আগামীতে পলাশবাড়ীতে প্রিপেইড মিটার প্রতিস্থাপন করার চেষ্টা করা হলো আরো কঠোর কর্মসূচী পালন করা হবে।

    এসময় বক্তব্য রাখেন,পলাশবাড়ী সচেতন নাগরিক সমাজের সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম লিয়াকত, পলাশবাড়ী সচেতন নাগরিক সমাজের আহবায়ক কমিটির অন্যতম সমন্বয়ক মিজানুর রহমান নিক্সন, নাগরিক স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটির আহবায়ক মুশফিকুর রহমান মিল্টন,উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব রাজু আহমেদ,সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক সাগর সরকার মিনু, যুবদল নেতা রায়হান সরকার,মামুনুর রশিদ মামুন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক শামিম রেজা, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আরিয়ান সরকার আরিফ,সদস্য সচিব সোহেল রশিদ হৃদয়,সেচ পাম্প মালিক,বাবলু মিয়া,সালেক মিয়া,সাফি মিয়া,মোত্তালিব মিয়া,মামুন অর রশিদ,এনামুল ইসলাম,সিজু মিয়া, বওলা মিয়া,গৌতম চন্দ্রসহ স্থানীয় বিদ্যুৎ গ্রাহক ও ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সহ অন্যান্যরা।।

  • পলাশবাড়ীতে ছাত্রদলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

    পলাশবাড়ীতে ছাত্রদলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

    আমিরুল ইসলাম কবির,
    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    শিক্ষা,ঐক্য,প্রগতি এই স্লোগান’কে সামনে রেখে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলা,পৌর ও সরকারি কলেজ শাখার যৌথ আয়োজনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে।

    পহেলা জানুয়ারী বুধবার বিকালে পলাশবাড়ী উপজেলা,সরকারি কলেজ ও পৌর ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের অংশ গ্রহনে স্থানীয় দলীয় কার্যালয়ে কেক কাটা,বর্ণাঢ্য র‍্যালী ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে ছাত্রদলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়।

    এ র‍্যালীটি পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এসে শেষ হয়। পরে উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আরিয়ান সরকার আরিফের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব সোহেল রশিদ হৃদয়ের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, পলাশবাড়ী পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মোত্তালিব সরকার বকুল,জেলা ছাত্রদলের সহ সভাপতি ও উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব রাজু আহমেদ,জেলা ছাত্রদলের সহ সভাপতি মিল্লাত সরকার মিলন,সহ সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান নিক্সন,সাগর সরকার মিনু,জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম লিয়াকত, পলাশবাড়ী উপজেলা জাসাসের সদস্য সচিব নাজমুল ইসলাম হানিফ,পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক শামিম রেজা, পলাশবাড়ী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের আহবায়ক শাহজাহান মিয়া,সদস্য সচিব মাজেদুল ইসলাম মাজেদ,পৌর ছাত্রদলের আহবায়ক শাওন সরকার,সদস্য সচিব আকাশ কবির পায়েল। এছাড়াও ছাত্রদল এর বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    আলোচনা সভায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষে দলীয় নির্দেশনা পালনে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ায় আহবান জানান বক্তারা।।

  • রাজশাহীর চারঘাটে আম বাগান কেটে অন্য ফসলে ঝুকছেন চাষিরা

    রাজশাহীর চারঘাটে আম বাগান কেটে অন্য ফসলে ঝুকছেন চাষিরা

    চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

    গত কয়েক বছর থেকে আমের দাম ক্রমাগত কমে যাওয়ায় লোকসানের মুখে পড়েছেন রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার আম চাষিরা। ফলে অন্য ফসলে ঝুকেছেন আমচাষিরা।

    বুধবার (০১ জানুয়ারি ২০২৫) সকালে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে বাগান মালিকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, আমের ন্যায্য মূল্য না পেয়ে আম গাছ কেটে ফেলছেন। আবার বাজারে আমের মূল্যও কম। বাইরে থেকে এলাকায় আগের মতো বেপারিরা আম কিনতে আসেন না। আবার কোনো কোনো বছর লোকসানও গুণেছেন। তাই আম গাছ কেটে অন্য ফসল করছেন বলে জানান তারা।

    স্থানীয় আমচাষিরা জানিয়েছেন, কীটনাশক ও শ্রমিকের মজুরি কয়েক গুণ বেড়ে যাওয়ায় পরিচর্যা খরচ বেড়েছে। অন্যদিকে আমের দাম দিন দিন কমেছে। ১৪ থেকে ১৫ বছর আগে যে আম ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা প্রতি মণ বিক্রি হয়েছে, সেই আম গত কয়েক বছর ধরে বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৬০০ টাকায়। তাই সমপরিমাণ জমিতে আমবাগানের চেয়ে অন্য ফসল চাষে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা।

    আমচাষি বলেন, তার চার বিঘা আমের বাগান কেটে গম চাষ করছি। গমের চাষ করে লাভবান হচ্ছি। আমের চেয়ে অন্য যেকোনো ফসল লাভজনক। তাই অনেক কৃষক আমবাগান কেটে ফেলছেন।

    আরেক আমচাষি বলেন, টানা কয়েক বছর থেকে আমের দাম কমতে থাকায় লোকসানে সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন। তাই তিনি  আম বাগান কেটে বিভিন্ন জাতের ফসল চাষ করেছেন। 

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মামুন হাসান বলেন, চারঘাট উপজেলায় বর্তমানে ৪ হাজার ৯৪৫ হেক্টর জমিতে আম বাগান রয়েছে। ইতিপূর্বে ৫ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে আম বাগান ছিলো কিন্তু আমের ন্যায্য মূল না পাওয়ায় কিছু বাগান মালিক আম বাগান কেটে ফেলে অন্যান্য ফসল করছে। তবে ঐ সমস্থ বাগান মালিকদের আম বাগান ধ্বংস না করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এবং উন্নত জাতের আম গাছ লাগানোর জন্য বলা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

    মোঃ মোজাম্মেল হক
    চারঘাট, রাজশাহী।

  • জীবননগর বর্ণাঢ্য আয়োজনে ছাত্রদলের ৪৬ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন

    জীবননগর বর্ণাঢ্য আয়োজনে ছাত্রদলের ৪৬ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন

    আল আমিন মোল্লা
    জীবননগর ব্যুরো প্রধান।

    জীবননগর উপজেলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ৪৬ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে র‌্যালি ও কেক কাটা হয়েছে।

    বুধবার (০১ জানুয়ারি) সকাল ১০ঘটিকার সময় জীবননগর উপজেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে জীবননগর মুক্তমঞ্চ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জীবননগর মুক্ত মঞ্চে চত্বরে এসে আলোচনা সভায় মিলিত হয়।

    ৪৬ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন,

    জীবননগর পৌর বিএনপি সভাপতি মোঃ শাহাজান কবির,সাধারণ সম্পাদক মো:শামসুজ্জামান ডাবলু,
    উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো:জিল্লুর রহমান,সদস্য সচিব মো:মোখলেছুর রিমন
    পৌর ছাত্রদল আহ্বায়ক মো:কিরন হাসনাত রাসেল,
    জীবননগর ডিগ্রী কলেজের আহ্বায়ক মো:মনিরুল ইসলাম,
    মোঃ শাহেদ আল সাহাব আফ্রিদি,তৌফিকুজ্জামান শ্রাবন,কামরুজ্জামান জয়,সাব্বির হোসেন রিংকু,রিমন শাহারিয়ার,হাবিবুর রহমান,

    মনোহরপুর ইউনিয়ন ছাত্রদল
    সভাপতি- কাজী মুক্তার
    সাধারণ সম্পাদক – সাকিবুল ইসলাম তিতাস
    সহ-সভাপতি- তুহিন
    সাংগঠনিক সম্পাদক- আনোয়ার হোসেন সোহাগ
    সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক- আমিরুল ইসলাম
    এবং নয়টি ওয়ার্ডের ছাত্রদলের সকল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • সাতবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক রনজিত কুমারকে অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা প্রদান

    সাতবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক রনজিত কুমারকে অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা প্রদান

     এম এ আলিম রিপনঃ পাবনার সুজানগর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী  সাতবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শরীরচর্চা শিক্ষক রনজিত কুমার রায় কে অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার সাতবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে শরীরচর্চা শিক্ষক রনজিত কুমার রায় কে অবসরজনিত এ বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। সাতবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক(ভারপ্রাপ্ত) শরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সোলায়মান হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মনোয়ার হোসেন। অন্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন বিদায়ী শিক্ষক রনজিত কুমার রায়, সাতবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের  সহকারী শিক্ষক  কায়ছার,জমির উদ্দিন, শাহাদত আলী মোল্লা ও অত্র বিদ্যালয়ের ১০ শ্রেণীর শিক্ষার্থী  অরিত্র বিশ্বাস প্রমুখ।  সভাপতির বক্তব্যে প্রধান শিক্ষক(ভারপ্রাপ্ত) শরিফুল ইসলাম বলেন, এই বিদায় অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য হলো আমাদের শিক্ষক গনের মধ্য থেকে একজন শিক্ষক অবসর নিতে যাচ্ছেন। তিনি আমাদের সকলের শ্রদ্ধেয় শিক্ষক রনজিত কুমার রায়। বসন্তের পাতাঝরা সুন্দর ঋতুর অনুভূতি যখন গ্রীস্মের সময় এসে গরমের মধ্যে পৌঁছে ঠিক তেমনি আমাদের প্রতিষ্ঠান মঙ্গলজুড়ে কোলাহলের বিষন্নতা ছড়াচ্ছে আপনার বিদায় মুহূর্তে। আপনার এই বিশাল জ্ঞান ভান্ডার এর ছেঁায়া পেয়ে নিজেদেরকে আমরা অনেক ধন্য মনে করেছি। অত্র বিদ্যালয়ের ১০ শ্রেণীর শিক্ষার্থী  অরিত্র বিশ্বাস বিদায়ী শিক্ষককে উদ্দেশ্যে করে বলেন,আপনার এই দীর্ঘ শিক্ষক জীবনের যে উজ্জ্বল ছেঁায়া দিয়ে আমাদের সকলকে আলোকিত করেছেন, তা বলে শেষ করা যাবে না। আপনার জ্ঞানের আলোয় আমরা যেমন আলোকিত হয়েছি, ঠিক তেমন ভাবে সেই জ্ঞানের আলো হারানোর বেদনায় আজ আমরা সবাই শোকাহত হয়ে যাচ্ছি। আপনাকে আমাদের বিদায় দিতে খুবই কষ্ট হচ্ছে। বিশেষ করে আমার ভারাক্রান্ত মন চাচ্ছে আপনি আরো দীর্ঘদিন আমাদের শিক্ষা প্রদান করুন।  আপনি শুধু আমাদের শিক্ষকের ছিলেন না। আপনি ছিলেন আমাদের অভিভাবক ও বন্ধুর মতো। আপনি সবসময় আমাদের পড়াশোনার বিষয়ে উৎসাহ প্রদান করতেন। যারা আপনার উপদেশ সঠিকভাবে মেনেছে তারাই পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জন করতে পেরেছি। বিদায়ী শিক্ষক রনজিত কুমার রায় তার বক্তব্যে তার এবং তার পরিবারের সবার জন্য উপস্থিত সকলের নিকট দোয়া কামনা করেন।  প্রধান অতিথির বক্তব্য উজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সোলায়মান হোসেন বলেন,আমাদের সকলের পক্ষ হতে আপনার জন্য ভালোবাসা, শ্রদ্ধা, সুস্থ সুন্দর জীবন এবং মহান আল্লাহ তাআলা আপনাকে যেন নেক হায়াত দান করেন সেই কামনা করছি। উল্লেখ্য সাতবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শরীরচর্চা শিক্ষক রনজিত কুমার রায় ১৯৮৬ সালে ১২ আগস্ট অত্র বিদ্যালয়ে শরীরচর্চা শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন এবং ২০২৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর অবসর গ্রহণ করেন্। ব্যক্তি জীবনে তিনি এক ছেলে ও ২ মেয়ে সন্তানের জনক।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর প্রতিনিধি।।

  • নড়াইলে মানবিক সেবা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

    নড়াইলে মানবিক সেবা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    “মানবতার কল্যাণে আমরা” স্লোগানকে সামনে রেখে অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন “মানবিক সেবা ফাউন্ডেশন”। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকালে নড়াইল শহরের আশেপাশে কয়েকটি মাদ্রাসা ও এতিমখানায় শীতবস্ত্রগুলি পৌঁছে দেন ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবী সদস্যরা। এছাড়াও নড়াইল শহরের বিভিন্ন জায়গায় বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করেন ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টাগণ ও অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। বর্তমান দেশের বাইরে অবস্থানরত ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোহাম্মদ আশিকুর রহমান (ফকির আশিক) মুঠোফোনের মাধ্যমে জানান, ২০২৩ সালে ফাউন্ডেশনটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে অসহায় ও দুঃস্থ মানবতার কল্যাণে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। ভবিষ্যতেও এ ধরণের সেবামূলক কার্যক্রম চলমান থাকবে বলেও জানান তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা অ্যাড. কাজী জিয়াউর রহমান, উপদেষ্টা মোঃ সাইফুল ইসলাম, উপদেষ্টা মোঃ গোলাম আকবর, উপদেষ্টা মোঃ সুবরাজ মোল্ল্যা, ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি মোঃ রমজান বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাজিদুল ইসলাম নাসির, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হৃদয় হোসেন, প্রচার বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মিলন শিকদারসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা অ্যাড. কাজী জিয়াউর রহমান বলেন “মানবিক সেবা ফাউন্ডেশন” সর্বদা অসহায় ও দুঃস্থ মানবতার কল্যাণে সেবামূলক কাজ করে আসছে। আমি এ ধরণের ভালো কাজের জন্য সকল সেচ্ছাসেবীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই এবং মানবিক সেবা ফাউন্ডেশন এর সার্বিক মঙ্গল কামনা করি।

  • পীরগঞ্জে মোটর শ্রমিকের মৃত্যুর অনুদান প্রদান

    পীরগঞ্জে মোটর শ্রমিকের মৃত্যুর অনুদান প্রদান

    পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি :
    ঠাকুরগাঁও জেলা মোটর শ্রমিক রেজিঃ নং- রাজ-৮৮ স্ট্যান্ড কমিটি পীরগঞ্জ উপজেলা শাখার উদ্দোগে মৃত নুরুল ইসলামে স্ত্রী আনিসা বেগম, মৃত গীরিধারীর স্ত্রী প্রতিমা রাণী, মৃত জেবুর স্ত্রী কল্পনা রাণী, মৃত আলী হোসেনের স্ত্রী আনু বেগম অনুদানের টাকা দেয়া হয়েছে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে ।
    আজ মঙ্গলবার দুপুরে মোটর শ্রমিক রাজ-৮৮ স্ট্যান্ড কমিটি পীরগঞ্জ উপজেলা শাখার আয়োজনে নিজ কার্যালয়ে ৪ জন মৃত ব্যক্তির পরিবারকে এ অনুদান প্রদান করেন।
    এ সময় উপস্থিত ছিলেন, পীরগঞ্জ মোটর শ্রমিক স্ট্যান্ড কমিটির সহ সভাপতি দবিরুল ইসলাম, সহ-সম্পাদক সালামত, কোষাধক্ষ্য ও উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ফরিদুল ইসলাম, কার্য্যনির্বাহী সদস্য মহিদুল ইসলাম, সাদেকুল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম , সাংবাদিক সাইদুর রহমান মানিক, নুরুন নবী রানা আজকের পত্রিকা ও মাহফুজুল হক হিরা দেশ বুলেটি পত্রিকা।