Blog

  • ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা ইউএনও’র সাথে রুহিয়া থানা প্রেসক্লাবের সদস্যদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা ইউএনও’র সাথে রুহিয়া থানা প্রেসক্লাবের সদস্যদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    মো:মনসুর আলী,ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ
    ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার খাইরুল ইসলামের আমন্ত্রনে ৬ জানুয়ারি সকালে রুহিয়া থানা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দসহ সকল সাংবাদিকদের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    এই সময় উপস্থিত ছিলেন, রুহিয়া থানা প্রেসক্লাবের সভাপতি মজহারুল ইসলাম বাদল, সহ-সভাপতি ফারুক হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আপেল মাহমুদ, সহ-সাধারন সম্পাদক আলমগীর হোসেন, কোষাধক্ষ্য মোস্তাফিজুর রহমান আকাশ, কার্যনির্বাহী সদস্য আমিনুল হক, সদস্য মাসুদ হাসান , রুবেল রানা, আল মনসুর, আলহাজ্ব ইব্রাহিম জামান প্রমূখ।

    সৌজন্য সাক্ষাৎকালে ইউএনও খাইরুল ইসলাম কমিটির সকল সদস্যগণকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রেসক্লাবের সার্বিক উন্নয়নে সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেন। তিনি আরও বলেন আপনারা সংবাদ কর্মীগণ দেশ ও জাতির দর্পণ আপনাদের মাধ্যমে আমরা দেশের এবং বিদেশের খবর পাই সাথে সাথে আপনাদের লিখনীর মাধ্যমে আমরা আমাদের ভূল ভ্রান্তি খুঁজে পাই। আমি আশা করি আপনারা দেশ ও জাতির কল্যানে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করবেন।

  • সাম্য ও মানবিক দেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে সুজানগরে ছাত্রদলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

    সাম্য ও মানবিক দেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে সুজানগরে ছাত্রদলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

     এম এ আলিম রিপনঃ পাবনার সুজানগরে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শিক্ষা,ঐক্য প্রগতির পতাকাবাহী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে শনিবার সুজানগর উপজেলা  ও পৌর ছাত্রদলের ব্যানারে শহরে  ঘোড়ার গাড়ী,ব্যান্ডপার্টি বাজিয়ে নানা রং-বেরংয়ের ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে  পৌর কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে  বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সুজানগর উপজেলা শাখার যুগ্ন আহ্বায়ক আলম মন্ডলের সভাপতিত্বে ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল নিজাম উদ্দিন আজগর আলী ডিগ্রী কলেজ শাখার আহ্বায়ক শাকিল খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন  সুজানগর পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম মোল্লা।  সভায় অন্যদের মাঝে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক মজিবর খঁান, বিএনপি নেতা আব্দুল বাতেন, উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুল মান্নান মোল্লা,পৌর যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক সিদ্দিকুর রহমান,পৌর যুবদলের আহ্বায়ক আনোয়ার মোল্লা, বিএনপি নেতা রুহুল খান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের যুগ্ন আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম,  যুবনেতা আনোয়ার হোসেন, এন এ কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, যুবনেতা মানিক খান, ওবায়দুল্লাহ সুমন, ছাত্রনেতা সিয়াম আহমেদ, রুদ্র হাসান, নাইম ফকির, শাকিল মাহমুদ, স্বাধীন খান, তানভির তারেক, আসাদুজ্জামান আসাদ, খোকন, রাসেল,রিদয়, আজম, রিয়াজ খান,রাজিব,ইমন,রাব্বি খান প্রমুখ। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুজানগর পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম মোল্লা বলেন,১৯৭৯ সালেল ০১ জানুয়ারী  শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছাত্রদল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, বাংলাদেশের যেকোনো পরিস্থিতিতে দেশের পাশে থাকতে, গণতন্ত্র রক্ষা করার জন্য, ভোটের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য এবং বাংলাদেশের প্রতিটি ক্যাম্পাসে ছাত্রদের অধিকার নিয়ে কাজ করার জন্য। স্বৈরাচার শেখ হাসিনার অবৈধ সরকার বাংলাদেশের প্রতিটি সেক্টরকে ধ্বংস করে দিয়ে পালিয়ে গেছে। সেই ধ্বংসাত্মক অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য আমাদের সকল ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ ভাবে আগামী রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমানের হাত শক্তিশালী করতে হবে, এবং এই  সুজানগরের মাটিতে স্বৈরাচারের দোসরদের আর কোন স্থান দেওয়া হবে না।

    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • সুজানগরে গলায় ফঁাস দিয়ে শিশুর আত্মহ-ত্যা

    সুজানগরে গলায় ফঁাস দিয়ে শিশুর আত্মহ-ত্যা

    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি: নতুন জামা পড়তে না দেওয়ায়  সুজানগরে সুমাইয়া আক্তার শিমু নামের ০৮ বছরের এক শিশু  ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে  গলায় ফঁাস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে  থানা পুলিশ।নিহত সুমাইয়া আক্তার সেতু উপজেলার দুলাই ইউনিয়নের দুলাই উত্তরপাড়া  এলাকার মো. এনামুল হকের মেয়ে।নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সুমাইয়া আক্তার সেতুর জন্য তার বাবা একটি নতুন জামা কিনে ঘরের আলমারিতে রেখে দেন। শুক্রবার সকালে নতুন জামাটি সেতু পড়তে চাইলে তার বোনরা পরে পড়তে বলে জামাটি কেড়ে নেয়। পরে বোনদের উপর অভিমান করে  ঘরের আড়ার সঙ্গে  ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে সে।সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তদন্ত লালবুর রহমান জানান, খবর পেয়ে থানার একটি টিম গিয়ে ঘটনাস্থল থেকে শিশুটির  ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে। পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • সুজানগরে ছাত্রদলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

    সুজানগরে ছাত্রদলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

    এম এ আলিম রিপন ঃ সুজানগরে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে সুজানগর উপজেলা  ও পৌর ছাত্রদলের ব্যানারে শহরে  ব্যান্ডপার্টি বাজিয়ে নানা রং-বেরংয়ের ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে  পৌর কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে  বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সুজানগর উপজেলা শাখার নেতা শেখ রুবেল এর সভাপতিত্বে ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল জেলা শাখার সদস্য  মেহেদী হাসান সৌরভের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন  সুজানগর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কামাল হোসেন বিশ্বাস।  সভায় অন্যদের মাঝে বক্তব্য দেন পৌর বিএনপির সদস্য সচিব জসিম বিশ্বাস, উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক শাহজাহান শেখ,যুগ্ন আহ্বায়ক রবিউল ইসলাম রবি, বিএনপি ও  সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরে মধ্যে  বঁাশি, জাহিদ বিশ্বাস, হাবিবুর রহমান রব, বাবু খান, জিয়া মল্লিক, ইমরান আলী, রাশেদ, রাজ্জাক, তৌহিদ, তারেক, জয়, বিশাদ, তুহিন, আশিক, আরাফাত, সোহাগ, রকি, শাকিল, সোহাগ, নাজিম, মঙ্গল, মন্টু, পিয়াস, ফজলু, সাওম, সাজ্জাদ, রিদয় মোল্লা প্রমুখ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে কামাল বিশ্বাস বলেন, গত প্রায় ১৭ বছরে আওয়ামী লীগের দুঃশাসনে অনেকেই বাড়ীতে ঘুমাতে পারেনি। মিথ্যা মামলা মাথায় নিয়ে দিনের পর দিন পালিয়ে থাকা ও জেলের অন্ধকারে ঘানি টানতে হয়েছে। এখনো আওয়ামী লীগ ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে। এসব সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিতে বিএনপিসহ সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের সকল নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করার আহবান জানান।  

    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • সরকারি স্বরূপকাঠি পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৯৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী।

    সরকারি স্বরূপকাঠি পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৯৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী।

    আনোয়ার হোসেন,

    স্বরূপকাঠি উপজেলা প্রতিনিধি//

    সরকারি স্বরূপকাঠি পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৯৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করা হয়েছে। ৪জানুয়ারি শনিবার সকাল দশটায় বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠানিক ভাবে জাতীয় পতাকা উত্তলনের মধ্য দিয়ে কর্মসূচীর উদ্ধোধন করা হয়।

    সভার শুরুতে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা সদস্য, ব্যাবস্থাপনা পরিশদের সদস্য ও শিক্ষক মন্ডলিদের মধ্যে যারা পরোলক গমন করেছেন তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় ১ মিনিট নিরাবতা পালন শেষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সিদ্ধার্থ শংকর মিস্ত্রী এর সভাপত্তিতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, শফিকুল ইসলাম ফরিদ আহবায় স্বরূপকাঠি পৌর বিএনপি ও স্বরূপকাঠি পৌরসভার সাবেক মেয়র , বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক স্বপন কুমার দত্ত, বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক আতিকুল্লাহ হাওলাদার, সাবেক প্রধান শিক্ষক শাহ আলম বাহাদুর, সাবেক প্রধান শিক্ষক মো. কামাল হোসেন, সাবেক প্রধান শিক্ষক ওয়াহিদুজ্জামান মানিক, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হেমায়েত উদ্দিন, নাছির উদ্দীন তালুকদার যুগ্ম আহবায়ক নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপি, প্রতিষ্ঠাতার পরিবারের সদস্য আলমগীর হোসেন, এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন, তুহিন আহসান, বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রী শিক্ষক মন্ডলি প্রমুখ।

    দ্বিতীয় পর্বে বিদ্যালয়ের প্রাত্তন ছাত্র ছাত্রীদের সংগঠন “সোসাইটি ফর স্বরূপকাঠি স্কুল অ্যালামনাই” এর সৌজন্যে পূর্ণমিলনী২০২৪ এর সাবেক প্রধান শিক্ষক মরহুম মো. হাবিবুল্লাহ, সহকারী শিক্ষক মরহুম আব্দুল হাই সহ ৫জনকে মরণোত্তর সম্মাননা দেওয়া হয়, বিদ্যালয়ের সিনিয়র ৭জন শিক্ষার্থী ও ৫জন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। পরিশেষে বিদ্যালয়ের শিক্ষক আমিনুল ইসলামের সঞ্চালনায় ও নীলাঞ্জনা ম্যাডামের ব্যাবস্থাপনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

  • ঘাটাইলে আটিয়া বন অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে প্রতিবাদ ও মানববন্ধন

    ঘাটাইলে আটিয়া বন অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে প্রতিবাদ ও মানববন্ধন

    ঘাটাইল প্রতিনিধি মোঃ রায়হান মিয়া ।।
    আটিয়া বন অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার মানববন্ধন বিক্ষোভ সমাবেশ ও সড়ক অবরোধ করে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। 

    রবিবার ( ৫ জানুয়ারী) সকাল ১১টায় উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়ন ঘাটাইল-সাগরদিঘী আঞ্চলিক সড়কের আষাঢ়িয়া চালা এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

    এলাকাবাসী জানায় টাঙ্গাইল ঘাটাইল উপজেলাসহ আশপাশের কয়েকটি উপজেলার জমি ১৯২০ সালে সেটেলমেন্ট রেকর্ডভুক্ত হওয়ার পর তৎকালীন সরকার ১৯২৭-২৮ সালে গেজেট মূলে ঘাটাইলসহ আশপাশের কয়েকটি অঞ্চলের জায়গা বন বিভাগের কাছে ন্যস্ত করে, তৎকালীন এরশাদ সরকার ১৯৮২ সালে আটিয়া অধ্যাদেশ জারি করে।

    বসতবাড়ি সহ সাধারণ মানুষের ১৯৬২ সালের রেকর্ডভুক্ত জমিও এই অধ্যাদেশের আওতায় আনা হয়। এই অধ্যাদেশের আওতায় বর্তমানে প্রায় ৪৫ হাজার একর জমি রয়েছে। পাহাড়ি অঞ্চল ধলাপাড়া ইউনিয়নের রামদেবপুর, পোড়াবাসা,    সন্দুল, মোথাজুরি, ভবানীপুর, সিড়িরচালা, আশাড়িয়াচালা, সাগরদিঘী ইউনিয়নের তুলাবর, মালিরচালা, জোড়দিঘী, পাগারিয়া, কামালপুর, জালালপুর, তালতলা লক্ষিন্দর ইউনিয়নের শালিয়াবহ বাশতৈল, ফটিয়ামারী রসুলপুর ইউনিয়ের পেচারআটা, মাহাবর বটতলী, এছাড়াও সন্ধানপুর ও সংগ্রামপুর ইউনিয়নের  কয়েকটি গ্রামের শত শত নারী-পুরুষ ঘাটাইল-সাগরদিঘী সড়ক অবরোধ করে মানববন্ধন কর্মসূচি শুরু করেন।

     দুই ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন  চলার কারণে   ঘাটাইল সাগরদিঘী আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। 

    সমাবেশে এ সময় বক্তব্য রাখেন বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা সাবেক মন্ত্রী ও এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা লুৎফর রহমান খান আজাদ।  বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মাইনুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তোফাজ্জল হক সেন্টু, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফারুক হোসেন ধলা, উপজেলা জাতীয়তাবাদী দল(বিএনপির) সাবেক যুববিষয় সম্পাদক কামরুজ্জামান জামাল ভুইয়া, উপজেলা বিএনপির সাবেক অর্থবিষয়ক সম্পাদক মোঃ উপজেলা কৃষক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ এমদাদ মাষ্টার  মোস্তাফা কামাল উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ আফজাল হোসেন, ছাত্র নেতা  শামীম, এ সময় উপস্থিতছিলেন 

     উপজেলা বিএনপি, ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    মানববন্ধন ও সমাবেশে অংশ নেওয়া আটিয়া অধ্যাদেশের কথা বলে বন বিভাগের কর্মকর্তারা তাদের বাড়িঘর ভেঙে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে মাইকিং করছে। তারা এই আইন বাতিলের জন্য সরকারের কাছে জোড়  দাবি জানান।

    এ বিষয়ে ধলাপাড়া রেঞ্জ কর্মকর্তা ওয়াদুদুর রহমান সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আটিয়া বন অধ্যাদেশ ঠিক থাকবে এই আওতার বাইরে কোন ঘরবাড়ি উচ্ছেদ করা হবে না। তবে বন বিভাগের আওতায় স্থাপনা নির্মাণ করার সুযোগ দিয়ে কাহারাও নিকট থেকে কোন অর্থ গ্রহণ করিনি।

  • তানোরে বিএনপির দু’গ্রুপের সংঘ-র্ষ, আহত ১০

    তানোরে বিএনপির দু’গ্রুপের সংঘ-র্ষ, আহত ১০

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে বিএনপির দু’গ্রুপের নেতাকর্মীদের মাঝে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ৬ জনকে তানোর উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এরা হলেন, আব্দুস সামাদ (৪৫) মতিউর রহমান (৪৮), ওবায়দুর রহমান (৫০) ফিরোজ মাহমুদ (৪৫), মাহাবুর রহমান ( ৩৮) ও এখলাছুর রহমান (৫৩)। তারা সবাই স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী। অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
    বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিন ও গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপির সদস্য এ্যাডঃ সুলতানুল ইসলাম তারেক অনুসারীদের মাঝে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
    জানা গেছে,গত ৪ জানুয়ারি শনিবার বিকেলে উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়নের (ইউপি) ভবানীপুর দাখিল মাদরাসা মাঠে ও মাদারীপুর বাজারে প্রায় ঘন্টাব্যাপী দু’পক্ষের মাঝে
    দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
    স্থানীয়রা জানান, এদিন তানোর বিএনপির একাংশের নেতাকর্মীরা ভবানীপুর দাখিল মাদরাসা মাঠে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে শীতবস্ত্র বিতরণ, ক্যালেন্ডার ও রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফার লিফলেট বিতরণের আয়োজন করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি করা হয় রাজশাহী-১ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী এ্যাডঃ সুলতানুল ইসলাম তারেককে।
    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এদিন বিকেলে অনুষ্ঠান শুরুর পুর্ব মুহুর্তে মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দীনের অনুসারী শরিফ উদ্দিন মুন্সীর নেতৃত্বে
    নেতাকর্মীরা গিয়ে বাধা দেন এবং বেশকিছু চেয়ার ও দুটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। এ সময় তারেকের অনুসারী অন্তত চারজন কর্মী-সমর্থককে পিটিয়ে আহত করা হয়। এখবর পেয়ে তারেকের বহরের নেতাকর্মীরা মাদারীপুর বাজারে গিয়ে শরিফ অনুসারীদের ধাওয়া করে। কিছুক্ষণ পর সেখানে যান সুলতানুল ইসলাম তারেক। তিনি যাওয়ার পর তার কর্মী-সমর্থকেরা শরিফ উদ্দীনের কর্মী-সমর্থকদের ওপর পাল্টা হামলা করেন। এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে উভয়পক্ষের প্রায় ১০ জন আহত হন। এবিষয়ে মেজর জেনারেল অবঃ
    শরিফ উদ্দীনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত তানোর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব শরীফ উদ্দিন মুন্সি বলেন, ‘সুলতানুল ইসলাম তারেক শীতবস্ত্র বিতরণ করবেন, ভাল কথা। কিন্তু তিনি স্থানীয় বিএনপির নেতাদের দাওয়াত দেননি। ফলে তারা সেখানে গিয়ে প্রতিবাদ জানালে এই ঘটনা ঘটে। এতে তাদের ৮/১০ জন আহত হন।এবিষয়ে
    সুলতানুল ইসলাম তারেকের অনুসারী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শামসুল ইসলাম বলেন, ‘বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে সুলতানুল ইসলাম তারেকের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণের অনুষ্ঠান ছিল। কিন্তু মেজর শরিফের অনুসারীরা হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে এবং আমাদের মারধর করে। এ নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে তাদের ৫/৬ জন আহত হয়েছেন।এবিষয়ে
    তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, ‘মারামারির খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়। তবে পুলিশ যাওয়ার আগে উভয়পক্ষ ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এ ঘটনায় এখনো কেউ থানায় অভিযোগ করেনি। অভিযোগ করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।#

  • নড়াইলে ভ্যান নিয়ে কিশোরকে শ্বাসরোধে হ-ত্যা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

    নড়াইলে ভ্যান নিয়ে কিশোরকে শ্বাসরোধে হ-ত্যা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলের লোহাগড়া ভ্যান নিয়ে কিশোরকে শ্বাসরোধে হত্যা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার। নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় তামিম খান (১৩) নামে এক ভ্যানচালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আমিনুল নামে একজনকে আটক করা হয়েছে।
    নিহত তামিম খান সদর উপজেলার হবখালি গ্রামের রুবেল খানের ছেলে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, রোববার (৫ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ওই কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
    লোহাগড়া থানা পুলিশের ওসি মো. আশিকুর রহমান মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহতের স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) বিকেলে ভ্যানচালক কিশোর তামিম খান নিখোঁজ হয়। পরে স্বজনরা তাকে সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। এক পর্যায়ে নিহত কিশোরের চাচাতো ভাই জানায় তামিম অভিযুক্ত আমিনুলকে ভ্যানে নিয়ে যেতে দেখেছে। পরে নিহতের স্বজনরা অভিযুক্ত আমিনুলকে আটক করে ঘটনাটি পুলিশকে জানায়। পরে সদর থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আমিনুল স্বীকার করে যে তামিমকে খাবারের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে তাকে হত্যার পর লোহাগড়া উপজেলার মশাঘুনি এলাকায় মাটিচাপা দিয়েছে এবং ভ্যান ওই গ্রামে বিক্রি করেছে। পরে নড়াইল সদর থানা পুলিশের ওসি সাজেদুল ইসলাম ও গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল লোহাগড়া উপজেলার মশাঘুনি এলাকা থেকে লোহাগড়া থানা পুলিশের উপস্থিতিতে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে আসামি আমিনুলকে লোহাগড়া থানায় হস্তান্তর করেন।
    নড়াইল সদর থানা পুলিশের ওসি সাজেদুল ইসলাম জানান, আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় সে তামিমকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে তাকে লোহাগড়ার মশাঘুনি এলাকায় মাটিচাপা দিয়ে রেখেছে পরে তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক ঘটনাস্থল থেকে মরদেহর সন্ধান পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আমিনুলকে আটক ও চোরাই ভ্যান কেনাবেচার অভিযোগে দু’জনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। লোহাগড়া থানা পুলিশ আইনি ব্যবস্থা নিবে।
    এ বিষয়ে লোহাগড়া থানা পুলিশের ওসি মো. আশিকুর রহমান এ প্রতিবেদক উজ্জ্বল রায়কে বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • তানোরে নছির কান্ডে নিঃস্ব কৃষক

    তানোরে নছির কান্ডে নিঃস্ব কৃষক

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে আলু বীজ রোপণ করে বিভিন্ন এলাকার অনেক আলু চাষি নিঃস্ব হবার পথে। এঘটনায় কৃষকদের মাঝে চরম অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। কৃষকেরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত বীজ ব্যবসায়ীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন।
    জানা গেছে,উপজেলার সরনজাই ইউনিয়নের (ইউপি)শুকদেবপুর গ্রামের মৃত বছির উদ্দিনের পুত্র নছির উদ্দিন আলু বীজ নিয়ে কৃষকদের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, নছির উদ্দিন বিভিন্ন কোম্পানির আলু বীজের প্যাকেটে খাবার আলু রিপ্যাক করে বীজ আলু বলে কৃষকদের কাছে বিক্রি করেছেন। নছির উদ্দিন শুধু আলু বীজ নয় বিভিন্ন কোম্পানির নিম্নমানের কীটনাশক এনে কৃষকদের কাছে উচ্চ দামে বিক্রি করেছেন। নছির উদ্দিনের কাছে থেকে আলু বীজ ও কীটনাশক কিনে কৃষকেরা প্রতারিত হয়েছে। শুকদেবপুর গ্রামের কৃষক আশরাফুল ইসলাম (৪৫) বলেন, তিনি নছির উদ্দিনের কাছে থেকে একশ’ টাকা কেজি দরে আলু বীজ কিনে সাড়ে তিন বিঘা আলু চাষ করেছেন। এতে তার প্রায় তিন লাখ টাকা খরচ হয়েছে।কিন্ত্ত নকল বীজের কারণে তার আলুখেতে আলু গাছ ভাল হয়নি। যেগুলো গাছ হয়েছে তার সিংহভাগ গাছে হলদে রঙ ধারণ ও গোড়া পচে যাচ্ছে। একই গ্রামের কৃষক জাইদুর রহমান বলেন, তিনি নছির উদ্দিনের কাছে থেকে আলু বীজ কিনে ৭ বিঘা জমিতে আলু বীজ রোপণ করেছেন। কিন্ত্ত নকল বীজের কারণে আলুখেতে ভালো আলু গাছ গজায়নি। শুধু আশরাফুল ও জাইদুর নয় তাদের মতো অনেক কৃষক নছিরের কাছে থেকে আলু বীজ কিনে প্রতারিত হয়েছেন। কৃষকেরা জানান, আওয়ামী মতাদর্শী নছির উদ্দিন ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে প্রায় ১৭ বছর যাবত নকল আলু বীজ ও নকল কীটনাশক বিক্রি করে কৃষকদের সঙ্গে প্রতারণা করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। তারা প্রতারক নছিরকে গ্রেফতার,দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।
    জানা গেছে, চলতি মৌসুমে এক বিঘা আলু চাষে খরচ হবে প্রায় এক লাখ টাকা। এর মধ্যে জড়ি ভাড়া ৩০ হাজার, বীজ ৩০ হাজার, সার ৭ হাজার,জমি চাষ আড়াই হাজার,রোপণে ৪ হাজার, পানি দেড় হাজার, টব দেয়া ও সার কীটনাশক ৬ হাজারসহ বিবিধ খরচ মিলে প্রায় এক লাখ টাকা।এবিষয়ে জানতে চাইলে নছির উদ্দিন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আলু বীজের জন্য নয় তারা জমির ভালমতো দেখভাল করতে পারেনি তার জন্য এই সমস্যা হয়েছে।

  • একজন কবির চিন্তাধারা ও কর্মের মাধ্যমে বাংলাদেশ

    একজন কবির চিন্তাধারা ও কর্মের মাধ্যমে বাংলাদেশ

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।

    ড. মো. হাসানুজ্জামান জুয়েল একজন বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ ও ধর্মীয় মূল্যবোধে বিশ্বাসী চিন্তাবিদ, লেখক, কবি ও কথাসাহিত্যিক। তিনি একজন জ্ঞানী ও বিচক্ষণ ব্যক্তি যিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সমাজ, রাজনীতি, সংস্কৃতি ও সাহিত্যের বিভিন্ন বিষয়ে গভীর অধ্যায়ন করেছেন। তিনি একজন সফল লেখক, কবি ও কথাসাহিত্যিক, যিনি তার চিন্তা ও ধারণার মাধ্যমে সমাজে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছেন। তিনি তার চিন্তাধারা ও কর্মের মাধ্যমে বাংলাদেশের সমাজে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছেন। তিনি একজন সক্রিয় নাগরিক ও সফল শিক্ষক। তিনি একজন জনপ্রিয় লেখক ও স্পষ্টভাষী এবং তার রচনা ও বক্তৃতায় তিনি সমাজের বিভিন্ন দিক থেকে সাম্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার পক্ষে কথা বলেন। পাঠক আজকে আপনাদের জন্য হাজির হয়েছি লেখক ড. মো. হাসানুজ্জামান জুয়েল এর জীবনী নিয়ে।

    ড. মো. হাসানুজ্জামান জুয়েল ১৯৭৪ সালের ৮ ডিসেম্বর একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা আলহাজ্ব মোঃ একরামুল হক ছিলেন একজন শিক্ষক এবং মাতা আলহাজ্ব হোসনে আরা বেগম ছিলেন গৃহিণী। তিনি চাপারহাট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও সরকারি করিম উদ্দিন পাবলিক কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি পাশ করেন। এরপর তিনি কারমাইকেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে প্রাণিবিদ্যায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বায়োলজিক্যাল সায়েন্সেস থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। পাশাপাশি তিনি লালমনিরহাট আইন মহাবিদ্যালয় হতে আইনশাস্ত্রে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন।

    এর কর্মজীবনঃ লেখক ড. মো. হাসানুজ্জামান জুয়েল এর জীবনী থেকে আমরা দেখতে পাই তিনি তার কর্মজীবন শুরু করেন একজন শিক্ষক হিসেবে। তিনি ২০০২ সালে আদিতমারী ডিগ্রি কলেজ এ প্রাণিবিদ্যা বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করে শিক্ষকতা শুরু করেন। পরবর্তীকালে ২০০৪-২০১৬ পর্যন্ত দৈনিক দিনকাল সহ বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় সাংবাদিকতা করেন। ওই সময়ে স্থানীয়ভাবে প্রকাশিত “মাসিক প্রত্যাশা” সাহিত্য পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি স্থানীয় রাজনীতির জাতীয়তাবাদী ধারায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে অভিষিক্ত থেকে সুচারুভাবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৬ সালে আদিতমারী ডিগ্রি কলেজটি সরকারিকরণের ঘোষণা করা হলে তিনি সাংবাদিকতা, রাজনীতি ছেড়ে একজন সরকারি কলেজের শিক্ষক হিসেবে নিজেকে অধিষ্ঠিত করেন। বর্তমানে তিনি আদিতমারী সরকারি কলেজের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন

    ড. মো. হাসানুজ্জামান জুয়েল একজন সফল লেখক, কবি ও কথাসাহিত্যিক। তার রচনা ও স্পষ্টভাষী লেখনির মাধ্যমে তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সমাজ, রাজনীতি, সংস্কৃতি ও সাহিত্যের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিশ্লেষণ করেন। তিনি গল্প, কবিতা, উপন্যাস লিখছেন নিজের ভালো লাগার জন্য। সমাজের নানান অসঙ্গতি, অন্যায়, অবিচার, জুলুম, নির্যাতন, ঘুষ, দুর্নীতির বিরুদ্ধে লেখা লিখি করছেন নিজের দায়িত্ববোধ থেকে। শিশু-কিশোরদের নৈতিক শিক্ষা অর্জনের ক্ষেত্র হিসেবে ছোটদের গল্প, প্রবন্ধ, বিজ্ঞান বিষয়ক সায়েন্স ফিকশন লেখা লিখি করেন ভবিষ্যত প্রজন্মকে উজ্জীবিত করার জন্য।

    দেশের খ্যাতনামা চারটি প্রকাশনী থেকে এ পর্যন্ত তার ১৭টি বই প্রকাশিত হয়েছে। তার রচনাগুলি বাংলাদেশের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়াও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জার্নালে তার একাধিক গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে। এর জীবনী থেকে বিভিন্ন বিষয়ের পাশাপাশি তিনি কিছু রচনা লিখেছেন তার মধ্যে রয়েছে: তৃষ্ণা (কাব্যগ্রন্থ), নির্যাতিত স্বপ্ন (উপন্যাস), ছোটোদের প্রিয় মদন (গল্প), স্বপ্নঘেরা কৈশোরের দিনগুলি (স্মৃতিমূলক গ্রন্থ), বিরহী বসন্ত (উপন্যাস), আমরা বাঁচলে পৃথিবী বাঁচবে (বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ), স্বপ্ন ফেরারি (কাব্যগ্রন্থ), নিশিরাতের স্বপ্ন (উপন্যাস), স্বপ্নচারিতা (কাব্যগ্রন্থ), গেছো ভূত (থ্রিলার), মনন (কবিতা), আহাজারি (উপন্যাস), চেকপোস্টে বিড়ম্বনা (গল্প), হে বন্ধু, হে প্রিয় ( উপন্যাস), সৃষ্টি রহস্যঃ ধর্ম বনাম বিজ্ঞান, পোকামাকড়ের উৎপাত, ধর্মীয় আলোকে মানুষ।

    লেখক ড. মো. হাসানুজ্জামান জুয়েল একজন জাতীয়তাবাদী চিন্তাবিদ ও বুদ্ধিজীবী। তাঁর রচনায় ইসলামী মনোভাব ও ধর্মীয় মূল্যবোধের চিন্তার প্রভাব দেখা যায়। তিনি সমাজের বিভিন্ন দিক থেকে সাম্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার পক্ষে কথা বলেন। তিনি ধর্ম, জাতি, লিঙ্গ, শ্রেণি ইত্যাদির ভিত্তিতে বৈষম্য ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেন। একজন সক্রিয় নাগরিক হিসেবেও পরিচিত। তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক ইস্যুতে সোচ্চার। তিনি মানবাধিকার, পরিবেশ রক্ষা, নারীর অধিকার ও সামাজিক ন্যায়বিচারের পক্ষে কথা বলেন। তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের সাথে নিবিড় সম্পর্ক স্থাপন করে চলেন। তিনি তার চিন্তা ও ধারণা দিয়ে পাঠক সমাজে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। 

    ড. মো. হাসানুজ্জামান জুয়েল, তার অবদানের জন্য বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন: সাংবাদিকতায় “বেষ্ট রিপোর্টার্স অ্যাওয়ার্ড” (২০১৪),”গুণী লেখক সম্মাননা পুরস্কার” (২০১৬)। তার রচনাগুলোতে সমাজের নানান অসঙ্গতি, অন্যায়-অবিচার, শোষণ-নিপীড়ন, ঘুষ-দুর্নীতিসহ বিভিন্ন দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করে। তাঁর কবিতা ও উপন্যাসগুলোতে অকুতোভয় সৈনিকের মতো কোনোকিছুরই তোয়াক্কা না করে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ লেখনি চালিয়ে যাচ্ছেন অনবরত। তাঁর লেখনি যেন ন্যায় ও ধর্মভিত্তিক সার্বজনীন সমাজ বিনির্মাণের হাতিয়ার। 

    হাসমত উল্লাহ ।।