Blog

  • বিএমডিএ’র অপারেটর নিয়োগ নিয়ে বিপাকে কর্মকর্তাগণ

    বিএমডিএ’র অপারেটর নিয়োগ নিয়ে বিপাকে কর্মকর্তাগণ

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহী অঞ্চলে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) গভীর নলকূপ অপারেটর নিয়োগ নিয়ে অনিয়ম ও মাঠ পর্যায়ে ব্যাপক বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।রাজশাহী অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় সড়ক অবরোধ, বিএমডিএ কার্যালয় ঘেরাও, প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছে। কোথাও কোথাও বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে ঘটেছে সংঘর্ষের ঘটনাও। জামায়াতের নেতাকর্মীরাও এ নিয়ে মাঠে নেমেছেন। অধিকাংশক্ষেত্রে বিএমডিএর নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলছে গভীর নলকূপগুলো। এতে এলাকায় এলাকায় রবি ফসল আবাদে দেখা দিয়েছে সেচ সংকট।
    এদিকে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ)কর্মকর্তারা
    বলছেন, গভীর নলকূপের অপারেটর নিয়োগে ব্যাপক রাজনৈতিক সুপারিশ ও চাপের মধ্যে পড়েছেন তারা। বিএমডিএর নির্বাহী প্রকৌশলী (সেচ) মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, গত ৫ আগস্টের পর অধিকাংশ গভীর নলকূপ দখল হয়েছে। এখন অপারেটর নিয়োগ দিতে গিয়ে তারা বিপাকে পড়েছেন। আগামী ১০ দিনের মধ্যে বেদখল হওয়া নলকূপগুলো উদ্ধার করে নতুন অপারেটরদের বুঝিয়ে দেওয়া হবে।তিনি বলেন, আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করছি। মাঠ পর্যায়ে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির কারণে সেচ কার্যক্রম বিঘ্নিত হচ্ছে বলেও স্বীকার করেন এই কর্মকর্তা। গত ৫ আগস্টের পর আগের নিয়োগ করা অপারেটরদের কাছ থেকে গভীর নলকূপের চাবি কেড়ে নিয়ে নিজেরাই তালা ঝুলিয়ে দেন একটি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী। সেই থেকে গভীর নলকূপগুলো নিজেদের মতো করে চালাচ্ছেন তারা।
    জানা গেছে, গত অক্টোবর মাসে উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলায় বিএমডিএ পরিচালিত প্রায় ১৬ হাজার ৫৬৭টি গভীর নলকূপের জন্য নতুন অপারেটর নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এসব পদের বিপরীতে ২৬ হাজার ৭৫২টি আবেদনপত্র জমা পড়ে। যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর নভেম্বর জুড়ে আগ্রহী প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়। গত ৩০ ডিসেম্বর একযোগে অপারেটর নিয়োগের ফল প্রকাশ করা হয়। এরপরই বঞ্চিতদের হাতে আক্রান্ত হচ্ছেন বিএমডিএর মাঠ পর্যায়ের কার্যালয় ও কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ঘেরাও বিক্ষোভের কারণে বিএমডিএর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কার্যালয়ে বসে ঠিকমতো কাজ করতে পারছেন না। তারা মাঠ পরিদর্শনেও যেতে পারছেন না আক্রান্ত হওয়ার ভয়ে।
    জানা গেছে, অপারেটর নিয়োগ বাতিল ও তাদের দলীয় লোক নিয়োগের দাবিতে গত রোববার বিএনপি নেতাকর্মীরা গোদাগাড়ী উপজেলার কাকনহাটে অবস্থিত বিএমডিএর জোনাল কার্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছেন। গত ৩১ ডিসেম্বর রাজশাহীর তানোর জোনাল কার্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ সমাবেশ ও বিএমডিএ কার্যালয়ে তালা দিয়ে দেন স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। তাদের সুপারিশ করা সব নেতাকর্মীকে অপারেটর নিয়োগ দেওয়ার দাবিতে। প্রকাশিত ফল বাতিলের দাবিতে একদিন পর বিএনপির আরেকটি স্থানীয় গ্রুপ আবারও বিক্ষোভ সমাবেশ করেন তানোরে। গত ২ জানুয়ারি কৃষক সমাজের ব্যানারে তিন দফা দাবিতে জামায়াতের নেতাকর্মীরা পালটা বিক্ষোভ সমাবেশ করেন তানোর বাজারে। বিএনপি নেতাকর্মীদের হাতে বিএমডিএ কার্যালয় আক্রান্ত হওয়ার প্রতিবাদ করেন তারা। বিএমডিএ কার্যালয়ে সন্ত্রাসী কায়দায় হামলার নিন্দাও করা হয় জামায়াতের সমাবেশ থেকে।
    এদিকে দলীয় নেতাকর্মীদের অপারেটর নিয়োগের দাবিতে গত ২ জানুয়ারি গোদাগাড়ীতে স্থানীয় বিএমডিএ কার্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। তাদের দাবি, অপারেটর নিয়োগে বিএনপির এক গ্রুপের নেতাকর্মীরা বঞ্চিত হয়েছেন। লাভবান হয়েছেন আরেক গ্রুপের নেতাকর্মীরা। গত ৩ জানুয়ারি অপারেটর নিয়োগকে কেন্দ্র করে নওগাঁর পত্নীতলা এলাকায় বিএনপির দুই গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে ১৫ জন আহত হন। মামলার ঘটনাও ঘটেছে।
    জানা গেছে, বিএমডিএ গভীর নলকূপগুলো সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য অপারেটর নিয়োগ করে থাকে এক বছরের জন্য। অপারেটররা সেচ থেকে আহরিত রাজস্বের ওপর একটা কমিশন লাভ করেন। পাশাপাশি গভীর নলকূপগুলোর সব রক্ষণাবেক্ষণ ও সুষ্ঠু তত্ত্বাবধানও অপারেটরদের করতে হয়। অপারেটর হওয়ার অন্যতম প্রধান শর্ত তাকে অধিভুক্ত এলাকার কৃষক হতে হয়। গভীর নলকূপের সেচ এলাকায় কারও নিজের জমি না থাকলে তাকে অপারেটর নিয়োগ করা হয় না। দলীয় সুপারিশ নিয়েও বিএনপির অনেক আবেদনকারী বাদ পড়েছেন, কারণ তারা কৃষক নন। এই বিষয়টি জানিয়েছেন বিএমডিএর সেচ উইংয়ের কর্মকর্তারা। চূড়ান্ত নিয়োগের ক্ষেত্রে বিএনপি-জামায়াত নেতাদের সুপারিশগুলো থেকে শতকরা ৫০ ভাগ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বাকি ৫০ ভাগ নিরপেক্ষভাবে নিয়োগ হয়েছে তাদেরকে যাদের গভীর নলকূপ পরিচালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে। কিন্তু বিএনপির নেতাকর্মীরা এলাকায় এলাকায় বিক্ষোভ ও ঘেরাও করছেন দলীয় বিবেচনায় সব অপারেটর নিয়োগ দেওয়ার দাবিতে। এবিষয়ে বিএমডিএর নির্বাহী প্রকৌশলী (সেচ) দেলোয়ার হোসেন বলেন, আমরা নতুন অপারেটরদের হাতে চাবি ফেরত দিতে নির্দেশ দিয়েছি। কেউ নির্দেশ না মানলে তখন আইনি পন্থায় সমাধানের পথে যেতে হবে। এই কর্মকর্তা আরও বলেন, বিএমডিএর গভীর নলকূপের সাহায্যে উত্তরাঞ্চলে ৫ লাখ ৭৬ হাজার ১১ হেক্টর জমিতে চলতি রবি মৌসুমে সেচ নিশ্চিতের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। গভীর নলকূপগুলো ঠিকমতো না চালানো হলে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হতে পারে।#

  • বগুড়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে দেশী-বিদেশী অস্ত্রসহ কালাম বাহিনীর প্রধানসহ চারজনকে গ্রেপ্তার

    বগুড়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে দেশী-বিদেশী অস্ত্রসহ কালাম বাহিনীর প্রধানসহ চারজনকে গ্রেপ্তার

    স্টাফ রিপোর্টার:- নিরেন দাস

    অভিযানে তাদের কাছ থেকে একটি রিভলবার, ৮টি চাপাতি, ৯টি দেশীয় ছোড়া, ১টি রামদা, ২টি লম্বা দা ও আবুল কালামের বাড়ি থেকে নগদ ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ইয়াবা সেবনের জিনিসপত্র জব্দ করা হয়।

    বগুড়া দুপচাঁচিয়া কালাম বাহিনী গ্রেপ্তার ৪ দেশী-বিদেশী অস্ত্র উদ্ধার

    বগুড়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে দেশী-বিদেশী অস্ত্রসহ কালাম বাহিনীর প্রধানসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার (৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬ টায় দুঁপচাচিয়া উপজেলার গুনাহার ইউনিয়নের তালুচ বাজার এলাকা থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
    গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, আবুল কালাম, আব্দুর রহিম, ইয়াসিন ও বাবলু ওরফে বাবু। আবুল কালাম চলমান ২৭টি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ও বাকি ৩ জনের নামে একাধিক মামলা চলমান রয়েছে।

  • বেতাগীতে তরুণদের উদ্যোগে উদারতার প্রীতি নির্মাণ

    বেতাগীতে তরুণদের উদ্যোগে উদারতার প্রীতি নির্মাণ

    বেতাগী বরগুনা প্রতিনিধি

    বিভিন্ন বিজ্ঞাপনে ভরা উপজেলা শহরের দেয়ালগুলোর দাগ পড়া চিহ্ন যেন বলে দেয় এই শহরের মানুষদের মানবতা বোধেও কতটা কালি পড়ে গেছে। তার পরও কিছু মানুষ সে দেয়ালে সাদা রং মেখে দিয়ে সাদা মনের চিহ্ন রেখে প্রমাণ করেন, মানবতা আছে, থাকবে। আর সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এ দেশের সূর্য সন্তানরাই বারবার তৈরি করবে উদারতার প্রীতি । শীতার্ত মানুষদের জন্য গরম কাপড় সংগ্রহ করতে এমনই এক উদারতার প্রীতি তৈরি করেছে বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গ্রিন পিস ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি’র তরুণ তরুণীরা।

    এলাকার মানুষ এবং অন্য শিক্ষার্থীরা বলছে, একটি ভালো উদ্যোগ বদলে দিতে পারে অনেকের জীবন। উদারতার প্রীতি তৈরি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চলছে প্রশংসার জোয়ার। বিষয়টি প্রথম কে শুরু করেছে সেটা জানা না গেলেও একটি দেয়ালে মানবতার দেয়াল নামে দেখার পরে সেটাতে অনুপ্রাণিত হয়ে তারা তৈরি করেছে উদারতার প্রীতি।
    আজ সরজমিন বেতাগী সরকারি পাইলট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় পশ্চিম পাসে গিয়ে দেখা যায়, শহরে বড় ব্রিজের ঢাল দিয়ে নামার সময় হাতের ডান দিকে হাইস্কুল রোডে যাবার সময় পাশের দেয়ালের মাঝে ব্যানের লেখা ‘আপনার যা অপ্রয়োজন দিয়ে যান’ আর অন্য পাশে লেখা ‘আপনার যা প্রয়োজন নিয়ে যান’ “দিতে গর্ববোধ করবেন না ” নিতে লজ্জাবোধ করবেন না”।
    মাঝ বরাবর দেয়ালে লেখা আছে উদারতার প্রীতি। দেয়ালের গায়ে লাগানো হ্যাঙ্গারে ঝুলছে শার্ট, শীতের কাপড়, গেঞ্জিসহ বিভিন্ন পুরনো পোশাক। যেখান থেকে রিকশাচালক থেকে শুরু করে অনেকেই নিয়ে যাচ্ছেন শীত থেকে রক্ষা পেতে নিজের পছন্দ অনুযায়ী পোশাক। এমন মানব দেয়াল তৈরি করেছেন স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গ্রিন পিস ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি প্রতিষ্ঠাতা ও কার্যনির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ খাইরুল ইসলাম মুন্নার নেতৃত্বে সংগঠন এর সদস্য মোঃ আরিফুল ইসলাম মান্না, মোঃ আরিফ হাসান, তৌহিদ হোসেন, মাহি বুরহান সিয়াল, মোঃ ইমন, হাসান মাহমুদ পিয়াল, ইশরাত মোহেজাবিন বিন্তি,ইশরাত জাহান লিমা,সৌরভ জোমাদ্দার প্রমুখ।
    দেখা যায়, বেতাগী সরকারি পাইলট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দেয়ালে লাগানো হ্যাঙ্গারগুলোতে এলাকার মানুষ ও সংগঠনপর সদস্যরা এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা নিজেদের পুরনো পোশাক এনে রাখছেন।
    তেমনই একজন স্কুল ছাত্রী বিন্তি তিনি বলেন, ‘আসলে এই সময়টায় অনেকেই শীতের পোশাক সংগ্রহ করে এবং শীতার্তদের মধ্যে দিতে চায়; কিন্তু সঠিক জায়গা থেকে সংগ্রহ করা এবং সঠিক জায়গায় পৌঁছানো যায় না। এখানে আমরা রেখে যাচ্ছি, যার প্রয়োজন সে নিয়ে যাচ্ছে। দেখা গেল, কেউ কেউ আবার নতুন পোশাকও দিচ্ছে।
    সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বেতাগী উপজেলা সভাপতি মোঃ সাইদুল ইসলাম মন্টু বলেন, ‘আসলে আমরা ছেঁড়া টাকাটা ফকিরকে আর মসজিদে দেওয়ার জন্য রেখে দিই। সেটা খুবই দুঃখজনক। ছেঁড়া জামা-কাপড় দিলে সেই কাপড় পরার মতো অবস্থা থাকে না। তাই যাদের যা সামর্থ্য আছে সে অনুযায়ী নতুন কাপড়ও দেওয়া জরুরি। তরুণ তরুণীর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাই,  এমন উদ্যোগ বদলে দিবে এই সমাজ।
    তবে এভাবে রেখে গেলে কেউ আবার একসঙ্গে সব নিয়ে যায় কি না? সেটা নজর রাখা হচ্ছে কি না—এমন প্রশ্নের উত্তরে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গ্রিন পিস ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি প্রতিষ্ঠাতা ও কার্যনির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ খাইরুল ইসলাম মুন্না, ‘সেটা করার সুযোগ নেই। আমাদের সংগঠনের সদস্যরা এবং পাশের ফুটপাতের দোকানিরাও নজর রাখেন। প্রযুক্তির যুগে যখন মানুষ সারাক্ষণ অনলাইনে নিজের চিন্তাভাবনা, আবেগ, অনুভূতি বিলাতে ব্যস্ত! তখন কোন চিন্তা থেকে এমন উদ্যোগ নিলেন এই কয়েকজন? এমন প্রশ্নের উওর খুজতে গেলে  একজনকে পাওয়া গেলেও নাম প্রকাশ করতে ইচ্ছুক নন। তিনি বলেন, ‘‘আসলে মানুষ মানবতা থেকে অনেক দূরে সরে গেছে। সবাই নিজেদের মধ্যে শত্রুতা বাড়াতে ব্যস্ত।’ ‘ভয় কিসের আমি তো আছি’ এই কথা বলার মতো কেউ নেই। আমরা কয়েকজন চিন্তা করেছি, এমন কিছু করি, যাতে করে আমরা না থাকলেও মানুষের উপকার হবে। সে জন্যই এমন একটি উদ্যোগ নেওয়া।”

    রিকশাচালক করোম আলী খান নিজের জন্য শীতের কাপড় নিচ্ছিলেন। তিনি বলেন, ‘ভাই, গরিব মানুষ, তাই কিনতে পারি না। আবার মাইনষের কাছ থেইক্যা হাত পাইত্তা নিতেও শরম লাগে। এই জায়গা ঝুলাইন্না আছে দেইখা ভাবছি কেউ দেখব না; কিন্তু আপনি দেইক্কা ফেলছেন। তয় যারা এই কাম (ব্যবস্থা) করছে, তারা খুব ভালা মানুষ। আল্লাহ হেগো ভালা করুক।’

  • ময়মনসিংহে ১৩ ইটভাটাকে ৭৮ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত

    ময়মনসিংহে ১৩ ইটভাটাকে ৭৮ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত

    মোঃ আরিফ রববানী ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি।।

    ময়মনসিংহে অবৈধ ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে
    ১৩ ইটভাটাকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    সোমবার (৬জানুয়ারী) দিনব্যাপী পরিবেশ অধিদপ্তর ময়মনসিংহ জেলা কার্যালয় এর উদ্যোগে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন ও সদর উপজেলার মধ্যবাড়েরার পাড় ও উজান বাড়েরা ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের গন্দ্রপা বাইপাস,আকুয়া মোড়ল পাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়।

    এসময় ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ (সংশোধিত ২০১৯) এর ১৫(১) ও ১৮(২) ধারা লংঘন করায় একটি ইটভাটাকে সম্পূর্ণ ভেঙে দেয়া হয়েছে। ৪ টি ইটভাটাকে আংশিক ভাঙ্গা হয়েছে এবং আরও ৮ টি ইটভাটাসহ মোট ১৩ টি ইটভাটাকে ৭৮ লক্ষ,মেসার্স এইচ এম বি ব্রিকস ভাটাটি সম্পূর্ণ ভেঙ্গে দেয়া হয় এবং ৬ লক্ষ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

    অপরদিকে আংশিক ভেঙ্গে দেওয়া ও জরিমানা আদায় করে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া চারটি ইট ভাটা হল, ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন আকুয়া মোড়ল পাড়া এলাকার মেসার্স জামান ব্রিকস, মধ্যবাড়েরা পাড় মেসার্স রতন ব্রিকস -১, কান্দাপাড়া রতন ব্রিকস -২ এবং বাড়েরা পাড় মেসার্স সুরুজ ব্রিকস।

    সেই সাথে জরিমানা আদায় করে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া আটটি ইটভাটা হলো, মধ্যবাড়েরা মেসার্স শাপলা ব্রিকস, মেসার্স জনতা ব্রিকস, উজাড় ঘাগড়া মেসার্স মামুন সুপার ব্রিকস, বাড়েরা পাড় মেসার্স সাইফুল ব্রিকস, মেসার্স এশিয়া ব্রিকস, উজান বাড়েরা পাড় মেসার্স সেবা এ বারি ব্রিকস,বাড়েরা পাড় মেসার্স সুমন ব্রিকস, দাপুনিয়ায় মেসার্স রতন ব্রিকস -৩।

    পরিবেশ অধিদপ্তর সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব আব্দুল্লাহ আল মামুন অভিযানে নেতৃত্ব প্রদান করেন এবং পরিবেশ অধিদপ্তর, ময়মনসিংহ জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক জনাব মাহবুবুল ইসলাম ও মো: রুকন মিয়া প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস এর একদল সদস্য অভিযান পরিচালনায় সহযোগিতা করেন। তিনি জানান, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • লাভজনক হওয়া সত্বেও শার্শায় খেজুরের রস ও গুড় সংগ্রহে আগ্রহ নেই গাছিদের

    লাভজনক হওয়া সত্বেও শার্শায় খেজুরের রস ও গুড় সংগ্রহে আগ্রহ নেই গাছিদের

    আজিজুল ইসলাম,যশোঃ যশোরের শার্শা উপজেলায় খেজুরের রস ও গুড়ের প্রচুর চাহিদা থাকা সত্বেও রস ও খেজুর গুড় সংগ্রহে আগ্রহ নেই সাধারণ চাষীদের। যে কারনে বিলুপ্ত হতে চলেছে খেজুর গাছ। অথচ এককালে শার্শা উপজেলার উৎপাদিত খেজুর গুড় বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হতো। প্রচুর চাহিদা ছিলো। বর্তমানে খেজুরের রস ও খেজুরের গুড় লাভজনক হলেও সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা সত্বেও চাষীরা খেজুর গুড় উৎপাদনে আগ্রহ প্রকাশ করছে না। তারা খেজুর গাছ রক্ষনা বেক্ষনেও উদাসীন।

    সত্তুর আশির দশকেও উপজেলায় বাড়ি বাড়ি খেজুরের রস সংগ্রহ ও গুড় উৎপাদন করা হতো। প্রতিটি বাড়িতে খেজুরের রস জালানো হাড়ি ও বড়ো বড়ো চুলা থাকতো গুড় তৈরির জন্য। এক সময় ইটভাটায় খেজুর গাছের ব্যাপক চাহিদা থাকায় সে সময় অনেকেই খেজুর গাছ বিক্রী করে দেয়। নতুন করে খেজুরের চারা না লাগানোর ফলে খেজুর গাছের সংকট দেখা দেয়। একারনে অনেকেই গাছির পেশা ছেড়ে দিয়ে অন্য পেশায় চলে যায়।

    শার্শা উপজেলার ভারত সীমান্ত লাগোয়া রুদ্রপুর গ্রামের গাছি খলিলুর রহমান জানান, রুদ্রপুর গ্রামে আগে প্রত্যেক বাড়িতে খেজুরের গুড় বানানো হতো। তখন সকলেই গাছ কাটতো। এখন রুদ্রপুর গ্রামে মাত্র ৮ জন গাছি রয়েছেন। আগে প্রায় ৩শ’র মতো গাছি ছিলো। এখন গাছিরা অন্যের খেজুর গাছ ভাগে নিয়ে রস ও গুড় তৈরী করেন। আগেকার দিনে সকলেই নিজেদের গাছ নিজেরাই করতেন। এখনকার দিনে এক ভাড় রসের দাম ২৫০/ ৩০০ টাকা এবং এক কেজি নলেন গুড়ের পাটালির দাম ৫/৭ শ টাকা। তবুও তারা চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করতে পারেন না। তিনি আরো জানান, একটা খেজুর গাছ তোলা খরচ পড়ে ৭০ টাকা, এবং প্রতিটি গাছ কাটতে পারিশ্রমিক দিতে হয় ২০ টাকা। রস নিজেরা পেড়ে নিতে হয়। এসব কারনে অনেকের খেজুর গাছ থাকলেও তারা নিজেরা গাছ না করে প্রয়োজনে রস ও গুড় কিনে খান। তবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে কয়েক বছর ধরে রসের উৎপাদন অনেক কম হচ্ছে। শীত বেশী পড়লে রসও বেশী হয় বলে তিনি জানান।

    অপর গাছি জুলফিকার আলি বলেন, খেজুর গাছে এখন অনেক লাভ। আগে ১০ টাকায় ১ভাড় রস বিক্রী হতো, এখন বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৩শ টাকায়। ১ কেজি গুড়ের দাম ছিলো ৩০ টাকা, এখন তা বিক্রি হচ্ছে ৫ /৭ শ টাকা। বর্তমানে একটা গাছে এক মৌসুমে ৩ হাজার টাকার রস ও গুড় পাওয়া যায়। একশ’টা খেজুর গাছ থাকলে ৩ লাখ টাকারও বেশী আয় হয় তা থেকে। খেজুর গাছে জমির অন্য ফসলের কোনো ক্ষতি হয় না, জমিরও ক্ষতি হয় না । ফসলী জমির চারি পাশে খেজুর গাছ লাগিয়ে বাড়তি উপার্জন করা সম্ভব। তিনি বলেন, আগের মতো সবাই আগ্রহী হলে এলাকায় রস ও গুড়ের চাহিদা মিটিয়েও বাইরে রপ্তানি করা সহজ হবে। এবং জেলার ঐতিহ্য ফিরে আসবে।

    এব্যাপারে শার্শা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দীপক কুমার সাহা বলেন, গ্রাম-বাংলা তথা যশোরের ঐতিহ্য রক্ষা করতে উপজেলার বিভিন্ন সড়ক ও জমির আইলে খেজুর গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। এ পেশার সঙ্গে জড়িত গাছিদের নিয়ে সমাবেশ করে তাদের রস সংগ্রহ ও গুড় উৎপাদনের পাশাপাশি বিপননের উৎসাহ দেয়া হচ্ছে।

  • যশোরের বাগআঁচড়ায় ফেনসিডিল সহ দু’জন আটক

    যশোরের বাগআঁচড়ায় ফেনসিডিল সহ দু’জন আটক

    আজিজুল ইসলাম : যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া রাড়িপুকুর ময়নার বটতলা থেকে পুলিশ ২৫ বোতল ফেনসিডিল সহ ইয়াকুব হোসেন(৩৫) ও সুজন মোড়ল(২৫) নামে দুই মাদক পাচারকারীকে আটক করেছে । সোমবার গভীর রাতে তাদের আটক করা হয়। ইয়াকুব হোসেন শার্শার বাগআঁচড়া ইউনিয়নের মহিষাকুড়া গ্রামের আমির আলীর ছেলে ও সুজন একই গ্রামের রহমতুল্লাহর ছেলে।

    গোপন খবরে,বাগআঁচড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই আব্দুস সবুর ও এ এস আই আবু সাঈদ ফোর্স নিয়ে রাতে উপজেলার কায়বা বাগআঁচড়া সড়কের রাড়িপুকুর ময়নার বটতলা থেকে ইয়াকুব ও সুজনকে আটক করে।পরে তাদের কাছ থেকে বাজার করা দুটি প্যাকেটে লুকানো ২৫ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে।যার সিজার মুল্য ৭৫ হাজার টাকা।

    শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম জানান, তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

  • মোরেলগঞ্জে কৃষি দপ্তরে দুদকের অভিযান ১৪টি মেশিনের  ১১ ধানকাটা কম্বাইন্ড হারভেস্টার মেশিনের হদিস নেই

    মোরেলগঞ্জে কৃষি দপ্তরে দুদকের অভিযান ১৪টি মেশিনের ১১ ধানকাটা কম্বাইন্ড হারভেস্টার মেশিনের হদিস নেই

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির ,বিশেষ প্রতিনিধি :বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে সরকারের ভর্তুকী মূল্যে বিতরণ করা ১৪টি আধুনিক কম্বাইন হারভেস্টার ধানকাটা মেশিনের মধ্যে ১১টি মেশিন নিখোঁজ থাকার ঘটনা তদন্তে নেমেছে দুর্ণীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদক বাগেরহাটের সহকারি পরিচালক মো. সাইদুর রহমানের নেতৃত্বে একটি দল আজ মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) কম্বাইন হারভেস্টার মেশিনগুলোর সন্ধান জানতে বেলা ১২টার দিকে মোরেলগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসে পৌছান। দুদকের দলটি তাদের প্রাথমিক তদন্তে ১৪টি মেশিনের মধ্যে ১১টি অনিয়মের আশ্রয়ে নিখোঁজ থাকার প্রমান পেয়েছে।

    অভিযান শেষে সাংবাদিকদের প্রেস ব্রিফিং-এ দুদক কর্মকর্তা মো. সাইদুর রহমান বলেন, সরকারিভাবে এ উপজেলায় ৭০% ভর্তুকী মূল্যে ২০২১-২০২২ ও ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরে সাধারণ কৃষকদের মাঝে স্বল্প সময়ে ধান কাটার সুবিধার্থে ১৪ টি কম্বাইন্ড হারভেস্টার কৃষি যন্ত্রাশং (ধানকাটা মেশিন) কৃষি অফিস থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিতরণ করা হয়েছে। যা প্রতিটি মেশিনের মূল্যে ধরা হয়েছে ৩০ লাখ থেকে ৩২ লাখ টাকা। এর মধ্যে কৃষক বহন করেছে ৯ লাখ টাকা। বাকি টাকা সরকার ভতুর্কী দিয়েছেন। কাগজে কলমে এ মেশিনগুলো বিতরণ দেখানো হলেও বাস্তবে তা নেই। ১১ টি মেশিনের কোন হদিস মিলছে না। প্রাথমিক তদন্তে কৃষি অফিস থেকে এ কৃষি যন্ত্রাংশ বিতরণে অনিয়ম প্রমানিত হয়েছে। পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

    এদিকে তালিকাপ্রাপ্ত সুবিধাভোগী অনেকেই বলছেন, ন্যাশনাল আইডি কার্ড তার নিকট থেকে নিয়ে তালিকায় নাম সংযুক্ত করা হয়েছে। মেশিন আদৌ তিনি পাননি। আবার মেশিন প্রাপ্ত সুবিধাভোগীরা কেউ কেউ বলছেন, অফিসের অনুমতি নিয়ে অন্য উপজেলায় মেশিন পাঠিয়েছেন। এ ধান কাটা মেশিন বিতরণে চরম অনিয়ম হয়েছে। সরকার অধিক মূল্যে ভতুর্কী দিয়ে সাধারণ কৃষকের সুবিধার্থে এ মেশিন দিয়েছেন। তা কোন কাজেই আসছে না। ভেস্তে গেছে সরকারের কৃষি সেক্টরের কোটি কোটি টাকা।

    এ বিষয়ে মোরেলগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, এ উপজেলায় গত ৩ অর্থ বছরে সাধারণ কৃষকদের মাঝে ধান কাটা মৌসুমে স্বল্প সময়ে ফসল কাটার সুবিধার্থে ১৪টি কম্বাইন্ড হারভেস্টার মেশিন বিতরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬টি মেশিন বিভিন্ন ইউনিয়নে ফসল কর্তন কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। বাকি ৫টি মেশিন এর পূর্বের কর্মকর্তা আকাশ বৈরাগীর অনুমতি নিয়ে অন্য উপজেলা রয়েছে বলে এ কর্মকর্তা জানান। তবে, তিনি আসার পরে কোন অনুমতি দেননি।

    মোরেলগঞ্জের কৃষি অফিসের সাবেক কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আকাশ বৈরাগী বলেন, ধান কাটা ১৪টি মেশিনই নিয়ম অনুযায়ী তালিকাপ্রাপ্তদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। বিতরণে অনিয়মের বিষয়ে তালিকায় নাম রয়েছে অথচ তিনি মেশিন পাননি এ রকম কোন অভিযোগ ইতোপূর্বে কেউ এসে তার দপ্তরে লিখিত বা মৌখিকভাবে বলেননি।

  • চারঘাট উন্নয়ন ফোরাম শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

    চারঘাট উন্নয়ন ফোরাম শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

    চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

    রাজশাহীর চারঘাট উন্নয়ন ফোরামের উদ্দ্যেগে বুধবার (৭ জানুয়ারী) বিকাল ৪ টায় উপজেলার বামনদিঘী উচ্চ বিদ্যালয় অডিটোরিয়ামে বামনদিঘী গ্রামের ৪৬ টি অসহায় পরিবারের মাঝে কম্বল দেয়া হয়।

    অতিরিক্ত শীতে গ্রামের দরিদ্র মানুষেরা পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। চারঘাট উন্নয়ন ফোরাম বিষয়টি অবগত হওয়ার পর গত ২৯শে ডিসেম্বর হতে চারঘাট উপজেলার প্রায় ৬০০ পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র উপহার দিয়েছে।

    এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চারঘাট উন্নয়ন ফোরামের উপদেষ্টা, চারঘাট উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ নাজমুল হক।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চারঘাট উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান সুফেল রানা।

    চারঘাট উন্নয়ন ফোরামের উপদেষ্টা হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন, জনাব আব্দুল্লাহ আল মামুন, দুরুল হুদা, শামসুজ্জামান লাল, শরিফুল ইসলাম, সেলিম রেজা সহ স্থানীয় চারঘাট উন্নয়ন ফোরামের সদস্যবৃন্দ।

    মোঃ মোজাম্মেল হক
    চারঘাট, রাজশাহী।

  • কুমিল্লা পেশাজীবী সাংবাদিক সোসাইটি’র নতুন কমিটি গঠন

    কুমিল্লা পেশাজীবী সাংবাদিক সোসাইটি’র নতুন কমিটি গঠন

    মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন কুমিল্লা থেকে,

    কুমিল্লা জেলা কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন”কুমিল্লা পেশাজীবী সাংবাদিক সোসাইটি’র নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।
    মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) বেলা ১১ টায় কুমিল্লা নিউ মার্কেট নিজস্ব কার্যালয়ে এক সাধারণ সভার মাধ্যমে ২০২৩-২৪ ইং সেশনের কমিটি সাধারণত সভায় সবার সম্মতি ক্রমে সংগঠনের উপদেষ্টা ওমর ফারুকী তাপস বিলুপ্ত ঘোষণা করেন।

    পরবর্তী তে একই দিন দুপুরে কুমিল্লা পেশাজীবী সাংবাদিক সোসাইটি’র সাবেক উপদেষ্টা ও কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সভাপতি কাজী এনামুল হক ফারুক, সংগঠনের সাবেক সভাপতি আজিজুল হকসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্য দের উপস্থিতে এবং উপদেষ্টা ওমর ফারুকী তাপসের পরিচালনায় সরাসরি নির্বাচনের মাধ্যমে মোঃ বাবর হোসেনকে সভাপতি ও জুয়েল রানা মজুমদারকে সাধারণ সম্পাদক এবং মোঃ মনির হোসেন কে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ২০২৫-২৬ইং সেশনের ৪১ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।
    অন্যান্য সদস্যরা হলেন সিনিয়র সহ-সভাপতি মো: আব্দুল আউয়াল সরকার, সহ-সভাপতি মো: নেকবর হোসেন, রবিউল বাশার খান, তোহিদ হোসেন সরকার, সহ-সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস মাহমুদ মিঠু, সৌরভ মাহমুদ হারুন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী রুবেল, অর্থ সম্পাদক মো: শরিফুল ইসলাম সুমন, দপ্তর সম্পাদক মো: শাহিন মিয়া, প্রচার সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মারুফ, সহ-প্রচার সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ তুহিন, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক নারায়ণ কুন্ড, ক্রীড়া সম্পাদক আরিফুল ইসলাম, সহ ক্রীড়া সম্পাদক শাহাদাৎ কামাল শাকিল, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক আয়শা আক্তার,
    তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক সাফায়ত হোসেন মারুফ, প্রশিক্ষণ সম্পাদক ওমর শারিদ বিধান, নির্বাহী সদস্য আবুল কালাম মজুমদার, রিয়াজ মোর্শেদ মাসুদ, মো: আব্দুল মতিন, খন্দকার হুমায়ন কবির, অরুন কৃষ্ণ পাল, মো: জসিম উদ্দিন, মো: সাইদুর রহমান সোহাগ, আলমগীর হোসেন বাচ্চু, মো: শাহাদাত হোসাইন, সাধারণ সদস্য মো: মোস্তাফিজুর রহমান সুজন, দীপক বদ্বন, মো: আবু বকর সিদ্দিক, মো: মজিবুর রহমান চৌধুরী, আলমগীর হোসেন, মো: মনির হোসেন, মো: সালাহউদ্দিন বাদল, মো: আলমগীর হোসেন, মো: মাহবুবুল আলম রুমি, মো: নেয়ামত উল্লাহ্। পরে আনন্দ মুখর পরিবেশে দুপুরের খাবার উপস্থিত নেতৃবৃন্দের ও সদস্যদের মধ্যে

  • তারাকান্দায় শীত বস্ত্র বিতরণ ও সেনাবাহিনীর কার্যক্রম পরিদর্শন সেনাপ্রধানের

    তারাকান্দায় শীত বস্ত্র বিতরণ ও সেনাবাহিনীর কার্যক্রম পরিদর্শন সেনাপ্রধানের

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ
    ময়মনসিংহের তারাকান্দায় অসহায় দুস্থ মানুষদের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ ও সেনাবাহিনীর কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার -উজ-জামান।

    মঙ্গলবার (৭জানুয়ারি) উপজেলার কাকনি ইউনিয়নে শিমুলিয়া এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সকল ফরমেশন “ইন এইচ টু সিভিল পাওয়ার” এ মোতায়েন থাকার পাশাপাশি বাৎসরিক যৌথ প্রশিক্ষণ চলাকালীন ৭৭ পদাতিক ব্রিগেডের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ব্রিগেড সংরক্ষিত দল এর কার্যক্রম পরিচালনা করেন সেনা প্রধান।

    এসময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার -উজ-জামান বাৎসরিক যৌথ প্রশিক্ষণ চলাকালীন ৭৭ পদাতিক ব্রিগেডের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ব্রিগেড সংরক্ষিত দল এর কার্যক্রমে
    মোতায়েন করা সেনাসদস্যদের কার্যক্রম সরেজমিন দেখেন। পাশাপাশি তিনি কর্তব্যরত সেনাসদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। এ সময় সেনাবাহিনীর সদর দপ্তর এর মাস্টার জেনারেল অফ অর্ডন্যান্স,

    জেনারেল অফিসার কমান্ডিং ১৯ পদাতিক ডিভিশন এবং এরিয়া কমান্ডার ঘাটাইল এরিয়া, কমান্ডার ৭৭ পদাতিক ব্রিগেডসহ ঘাটাইল অঞ্চলের অন্যান্য সামরিক কর্মকর্তা বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে ১৯ পদাতিক ডিভিশন এ ধরনের জনসেবামূলক কর্মকান্ড অব্যাহত রাখবেন বলে সেনাবাহিনীর প্রধান আশাবাদ ব্যক্ত করেন।