Blog

  • নাগেশ্বরীতে রাস্তাকে কেন্দ্র করে গাছ কেটে জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণ

    নাগেশ্বরীতে রাস্তাকে কেন্দ্র করে গাছ কেটে জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণ

    এম এস সাগর,
    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
    নাগেশ্বরী পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড ডায়নারপাড় ত্রিমোহনী এলাকায় রাস্তাকে কেন্দ্র করে গ্রামের নেতার নির্দেশে বেলাল হোসেনের গাছ কেটে জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণ এবং বিল্ডিং ঘরের কিছু অংশ ভাংচুরসহ বসতবাড়ীতে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    সরেজমিনে গিয়ে জানাগেছে, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলা ও পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড ডায়নারপাড় ত্রিমোহনী এলাকায় দীর্ঘ ৭বছর থেকে ৪১গজ রাস্তাকে কেন্দ্র করে বেলাল হোসেন গং এবং পেশেন আলী গংদের বিরোধ চলে আসছে। বিষয়টি নিয়ে বিগত সময় সাবেক মেয়র আব্দুর রহমান মিয়া ও মোহাম্মদ হোসেন ফাকুসহ স্থানীয়রা কয়েক দফায় শালিসি বৈঠকে সমাধান করে। কিন্তু পেশেন আলী গংরা স্থানীয় শালিস অমান্য করে ক্ষমতার দাপটে রাস্তার জায়গা দখল করে আসছেন।

    সম্প্রতি, পেশেন আলীর ছোট ভাই আজিজুল হক ঢাকায় থাকার সুবাধে সড়যন্ত্রমূলক (১১জানুয়ারি) শনিবার ঢাকা শিক্ষক ময়নামতি ল্যান্ড সার্ভে এন্ড টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট পরিচয়ে রায়হান পারভেজ ও আরিফুর রহমান এবং স্থানীয় জাহিদুল হক, আলম মাস্টার ও নুরুজ্জামালের উপস্থিতে পেশেন আলী গংরা বাদী পক্ষ বেলাল হোসেনকে না জানিয়ে প্রভাব খাটিয়ে উক্ত ময়নামতি ল্যান্ড সার্ভেসারের মাধ্যমে বিধি-বহির্ভুতভাবে ডিজিটাল মেশিন সাইনবোর্ড এলাকার মানুষকে দেখিয়ে ভুলভাল-ভাবে জমি মাপজোগ করে পেশেন আলীর পক্ষে সম্মতি দেয়। সেদিনই বিকাল ৫টায় স্থানীয় জাহিদুল হক, আলম মাস্টার ও নুরুজ্জামালের নির্দেশে পেশেন আলী, আজিজুল হক, শাহাজাহান আলী ও আব্দুর রউফ, শেফালী বেগম, মরিয়ম বেগম সংঘবদ্ধ চক্ররা অস্ত্রে-সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বেলাল হোসেনের বাঁশের বেড়া গুড়িয়ে দিয়ে সুপারি, আম, কাঠাল গাছ কেটে জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণ করে এবং বিল্ডিং ঘরের কিছু অংশ ভাংচুরসহ বসতবাড়ীতে হামলা চালায়।

    স্থানীয়রা আব্দুল ওয়াদুদ, নজরুল ইসলাম, আলতাফ হোসেনসহ আরও অনেকে বলেন, বেলাল হোসেনদের না জানিয়ে স্থানীয় জাহিদুল হক, আলম মাস্টার ও নুরুজ্জামালের উপস্থিতে পেশেন আলী গংরা ময়নামতি ল্যান্ড সার্ভেসারের মাধ্যমে ভুলভাল-ভাবে জমি মাপজোগ করে পেশেন আলীর পক্ষে কথা বলেন। সেদিনই বিকাল ৫টায় পেশেন আলী, আজিজুল হক, শাহাজাহান আলী ও আব্দুর রউফ, শেফালী বেগম, মরিয়ম বেগম সংঘবদ্ধ চক্ররা অস্ত্রে-সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বেলাল হোসেনের বাঁশের বেড়া গুড়িয়ে দিয়ে সুপারির, আম, কাঠাল গাছ কেটে জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণ করেন এবং বিল্ডিং ঘরের কিছু অংশ ভাংচুরসহ প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করেছেন।

    হামলাকারী আজিজুল হক বলেন, ৭বছর থেকে রাস্তা নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধ চলছে। ময়নামতি ল্যান্ড সার্ভে এন্ড টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের সার্ভেসার রায়হান পারভেজ ও আরিফুর রহমানের মাধ্যমে আমরা রাস্তা মাপজোগ করে রাস্তা সংলগ্ন বেলাল হোসেনের বাঁশের বেড়া ভেঙে দিয়ে স্থানীয়দের উপস্থিতে রাস্তা বের করেছি।

    ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের বেলাল হোসেন বলেন, আমাদের না বলে বিরোধী পক্ষ জোরপূর্বক ঢাকা থেকে সার্ভেসার এনে স্থানীয়দের সহযোগিতায় সড়যন্ত্রমূলক ভুলভাল মাপজোগ করে আমার বসতবাড়ীর পশ্চিম বিল্ডিং ঘর সংলগ্ন পেশেন আলী সংঘবদ্ধ চক্ররা অস্ত্রে-সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আমার বাঁশের বেড়া গুড়িয়ে দিয়ে সুপারি, আম, কাঠাল গাছ কেটে জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণ করেন এবং বিল্ডিং ঘরের কিছু অংশ ভাংচুরসহ বসতবাড়ীতে হামলা চালায়। প্রশাসনের কাছে আমি সুষ্ঠ বিচার দাবি করছি।

    নাগেশ্বরী থানার অফিসার ইনচার্জ বেজাউল করিম রেজা বলেন, ঘটনা জানার পরেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিব্বির আহমেদ বলেন, বেলাল হোসেন লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • বরিশালে স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে পণ্য বিতরণের ক্ষেত্রে ভুয়া তথ্য দেওয়া ৬০ হাজার টিসিবি কার্ড বাতিল

    বরিশালে স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে পণ্য বিতরণের ক্ষেত্রে ভুয়া তথ্য দেওয়া ৬০ হাজার টিসিবি কার্ড বাতিল

    কে এম সোহেব জুয়েল,বরিশাল
    চার মাস পর ডিসেম্বরের শেষের দিকে শুরু হয়েছে টিসিবির স্বল্পমূল্যে পণ্য বিক্রয়। এ কারণে বরিশাল নগরী থেকে শুরু করে জেলার প্রতিটি উপজেলায় লাইন ধরে পণ্য সংগ্রহ করছেন উপকারভোগীরা। তবে চলতি মাস থেকে টিসিবি স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে পণ্য বিতরণের ক্ষেত্রে বাদ যাবে ভুয়া তথ্য প্রদানকারীরা।

    সে ক্ষেত্রে মোট উপকারভোগীদের চার ভাগের তিন ভাগ বাদ যাওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে ট্রেডিং করপোরেশন বাংলাদেশ (টিসিবি) বরিশাল কার্যালয় সূত্র। ভুয়া তথ্যের টিসিবি কার্ড বাতিলের বিষয়টিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন উপকারভোগীরা। সে ক্ষেত্রে যারা দরিদ্র সীমার নীচে বসবাস করছেন তাদের নতুন করে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি উঠেছে।

    বরিশাল নগরীতে মোট উপকারভোগী রয়েছে ৯০ হাজার। এর মধ্যে ৬০ হাজারের স্মার্ট কার্ড আসেনি। এছাড়া জেলার ১০ উপজেলায় বর্তমানে উপকারভোগীর সংখ্যা এক লাখ ২৯ হাজার ৯২১ জন। ৯১ জন ডিলারের মাধ্যমে উপকারভোগীদের মাঝে তিনটি পণ্য বিতরণ করা হচ্ছে। ২ লিটার তেল, ২ কেজি ডাল ও ৫ কেজি চাল যার বাজার মূল্য প্রায় ৯০০ টাকা। উপকারভোগীরা তা পাচ্ছেন মাত্র ৪৭০ টাকায়।

    নগরীর চাঁদমারী এলাকায় টিসিবির পণ্য উত্তোলন করতে আসা কাসেম, বাদলসহ একাধিক উপকারভোগী বলেন, ভুয়া তথ্যের কারণে একটি পরিবারে চার থেকে পাঁচটি কার্ড রয়েছে। সে ক্ষেত্রে যারা আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ছিল সেই পরিবার থেকে শুরু করে তাদের আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতেও এভাবে কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। এ কারণে প্রকৃত দরিদ্ররা টিসিবির পণ্য পাচ্ছেন না।

    বিশেষ করে ৩০ ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের হাতে এ কার্ড থাকায় তারা তাদের ইচ্ছেমত কার্ড বিতরণ করেছেন। তারা এ কার্ড দিয়ে ভোটার বাগিয়েছেন। একইসঙ্গে বিভিন্ন নামে কার্ড করে তা তাদের কাছে রেখে দেন। পরে তারা সেই কার্ড নিকটজনকে অথবা অর্থের বিনিময় বিক্রি করেন। এ কারণে যারা এ পণ্য পাওয়ার উপযোগী ছিল তারা না পেয়ে যারা তিনবেলা বাজার করে চলেন তাদের ঘরে গেছে।

    তাদের অভিযোগ, কাউন্সিলর থেকে শুরু করে ওয়ার্ড পর্যায়ের আওয়ামী লীগের নেতারাও এ কার্ড বাণিজ্যে মেতে ছিলেন। এ কারণে ভুয়া তথ্যে বেশি কার্ড বিতরণ হয়েছে। বর্তমান সরকার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেটির সাধুবাদ জানিয়েছেন তারা। ওই সব ভুয়া কার্ড বাদ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যারা এতদিন কার্ড পাননি সেই ধরনের দরিদ্র পরিবারে একটি করে স্মার্ট কার্ড দেওয়ার দাবি তোলেন।

    চাঁদমারী এলাকার ডিলার মিজানুর রহমান জানান, তার অধীনে বর্তমানে ২১০০ উপকারভোগী কার্ডধারী রয়েছেন। এ মাসে মাত্র ৬০০ উপকারভোগী স্মার্ট কার্ডের অধীন পণ্য পাবেন। এর মূল কারণ হচ্ছে, বেশির ভাগ কার্ডে ভুল তথ্য দেওয়া। আবার অনেক কার্ডের ঠিকানা ভুল, এমনকি পিতার নামও সঠিক না। এ ছাড়া একই পরিবারে একাধিক কার্ডের সন্ধান পেয়েছে তথ্য যাচাইকারীরা। এ কারণে ওই সব কার্ড বাতিল করে ৬০০ কার্ড অনুমোদন পেয়েছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন।

    নগরীর ১৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয়ের সচিব আরাফাত জানিয়েছেন, ওই ওয়ার্ডে তিন শতাধিক কার্ড ছিল। যাচাই-বাছাইতে বেশিরভাগ কার্ড বাতিল করা হয়েছে। সেখান থেকে কিছু কার্ড দেওয়া হয়েছে। তবে তা বিতরণের তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি। কার্ড বাতিলের খবরে তার সঙ্গে অনেকেই যোগাযোগ করছেন- বাতিল হলে কীভাবে কার্ড করা যাবে। বিষয়টি তার জানা নেই বলে জানিয়ে দেন। এ কার্ড আসার পর যারা সত্যিকারার্থে দরিদ্রসীমার নিচে বসবাস করছে তাদের পরিবার থেকে আবেদন সংগ্রহের পরিপ্রেক্ষিতে কিছু কার্ড দেওয়ার সম্ভাবনা আছে।

    এ বিষয়ে টিসিবি বরিশালের সহকারী পরিচালক প্রকৌশলী শতদল মন্ডল বলেন, এ মাস থেকে স্মার্টকার্ডে টিসিবি পণ্য বিক্রি শুরু হবে। এতে কাজটি আরও স্বচ্ছতার সঙ্গে হবে। স্মার্ট কার্ড করার আগে উপকারভোগীদের তথ্য-উপাত্ত পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, যাচাইয়ে বেরিয়ে এসেছে একই পরিবারের একাধিক কার্ড। নামে-বেনামে কার্ড থাকায় তিন ভাগের দুই ভাগ কার্ড বাতিল করা হয়েছে। তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাই শেষে যাদের সঠিক পাওয়া গেছে তাদের নামেই স্মার্টকার্ড তৈরি হচ্ছে। স্ব-স্ব ওয়ার্ডের দায়িত্বে থাকা সচিবদের মাধ্যমে এ কার্ড বিতরণ করা হবে।

  • ময়মনসিংহে ৫শত গ্রাম গাঁজা ও ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ

    ময়মনসিংহে ৫শত গ্রাম গাঁজা ও ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহে পৃথক অভিযান চালিয়ে
    ৫০০ গ্রাম গাঁজা ও ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ৪ জন গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

    শনিবার (১১ জানুয়ারি) রাত সোয়া ১০ টায় জেলার কোতোয়ালি মডেল থানা এলাকা ও ফুলবাড়িয়া উপজেলায় পৃথক -পৃথক অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হলেন ফুলবাড়িয়া উপজেলার বেতবাড়ী এলাকার মফিজ উদ্দিনের পুত্র মোরশেদ আলী (৩৭),আছিম উত্তর টানপাড়া এলাকার মোহাম্মদ আলীর পুত্র
    মোঃ আঃ জলিল (৫৫), ময়মনসিংহ সদরের রঘুরামপুর টানাপাড়া এলাকার আঃ রহমানের পুত্র মোঃ ফারুক হোসেন (২৯), রঘুরামপুর কুমারিকান্দার করম আলীর পুত্র মোঃ শামছুল হুদা (৫০)।এসময় তাদের নিকট থেকে ৫০০ গ্রাম গাঁজা ও ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।

    জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান- জেলা সুপারের নির্দেশনা মোতাবেক মাদকমুক্ত ময়মনসিংহ উপহার দিতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসাবে ১১জানুয়ারী রাতে গোয়েন্দা পুলিশের এসআই
    এসআই মোঃ মুকিত হাসান সংগীয় অফিসার ও ফোর্সসহ অভিযান পরিচালনা করে ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়ীয়া থানাধীন বেতবাড়ী সাকিনস্থ মোরশেদ আলী (৩৭) এর বসত ঘরের সামনে উঠানে অভিযান পরিচালনা করে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ
    বেতবাড়ী এলাকার মফিজ উদ্দিনের পুত্র মাদক ব্যবসায়ী মোরশেদ আলী (৩৭),আছিম উত্তর টানপাড়া এলাকার মোহাম্মদ আলীর পুত্র মোঃ আঃ জলিল (৫৫)কে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপর দিকে
    জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই রূপন কুমার সরকার সংগীয় অফিসার ও ফোর্সসহ অভিযান পরিচালনা করে জেলার কোতোয়ালী থানাধীন রঘুরামপুর সাকিনস্থ ময়মনসিংহ টু নেত্রকোণা মহাসড়কের পূর্ব পাশে অনিক কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং অফিসের সামনে পাকা রাস্তার উপর হতে ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ রঘুরামপুর টানাপাড়া এলাকার আঃ রহমানের পুত্র মোঃ ফারুক হোসেন (২৯), রঘুরামপুর কুমারিকান্দার করম আলীর পুত্র মোঃ শামছুল হুদা (৫০)কে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    পুলিশ জানায়- উদ্ধারকৃত ৫০০ গ্রাম গাঁজা ও ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারের বিষয়ে গ্রেফতারকৃত ৪ জন আসামীর বিরুদ্ধে ফুলবাড়ীয়া ও কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করে আসামীদেরকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ্দ করা হয়েছে।

    গোয়েন্দা ওসি জানান-গ্রেফতারকৃত আসামীরা দীর্ঘদিন যাবৎ মাদক কারবারির সাথে জড়িত এবং এই চক্রের সাথে জড়িত অন্যান্যদের সনাক্ত ও গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

  • নলছিটির ভৈরবপাশা ইউনিয়ন পরিষদে শীতবস্ত্র, টিসিবির স্মার্ট কার্ড বিতরণ ও তারুণ্যের উৎসব উপলক্ষে কর্মশালা

    নলছিটির ভৈরবপাশা ইউনিয়ন পরিষদে শীতবস্ত্র, টিসিবির স্মার্ট কার্ড বিতরণ ও তারুণ্যের উৎসব উপলক্ষে কর্মশালা

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি : মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার ০১ নং ভৈরবপাশা ইউনিয়ন পরিষদে তারুণ্যের উৎসব ২০২৫ উপলক্ষে ১২ জানুয়ারি রবিবার সকালে ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে কর্মশালা,চিত্রাঙ্কন,কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    এতে ইউনিয়নের প্রেমহার মাধ্যমিক বিদ্যালয়,ষাটপাকিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং ইউনিয়নের একটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। এসময় তারা নতুন দেশ গড়তে তরুনদের ভাবনা বিষয়ক কর্মশালায় নিজেদের নানান ভাবনা তুলে ধতে।

    এছাড়াও জুলাই গনহত্যা এবং গন অভ্যূত্থানের বিভিন্ন প্রেক্ষাপটের চিত্রাঙ্কন করেন এবং একটি কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন।প্রতিযোগীদের মধ্যে পাচটি গ্রুপে ভাগ করে আলোচনা ও প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।এবং প্রতিযোগিতায় প্রতিটি ইভেন্টে একএকটি গ্রুপকে পুরস্কার প্রদান করা হয়।
    ভৈরবপাশা ইউনিয়নে নিযুক্ত প্রশাসক ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জনাব ওয়াহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মো নজরুল ইসলাম।এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় শিক্ষক,রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

    পুরস্কার বিতরণ শেষে ইউনিয়নের দরিদ্রদের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ ও স্মার্ট টিসিবি কার্ড বিতরন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মো নজরুল ইসলাম।

  • জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ও জোয়ার ভাটা হ্রাস পাওয়ায় বরিশাল বিভাগের ২০ নদীর পানিতে বাড়ছে লবণাক্ততা

    জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ও জোয়ার ভাটা হ্রাস পাওয়ায় বরিশাল বিভাগের ২০ নদীর পানিতে বাড়ছে লবণাক্ততা

    কে এম সোহেব জুয়েল,বরিশাল
    জলবায়ু পরিবর্তন ও জোয়ার ভাটা হ্রাস পাওয়ায় বরিশালের নদীর পানিতে বাড়ছে লবণাক্ততা। ১০ বছর আগে ৪ নদী লবণাক্ত থাকলেও এ পরিস্থিতি এখন বিভাগের ২০ নদীতে। এতে ৮ লাখ ২ হাজার হেক্টর জমির মধ্যে ৫২ ভাগ ফসলি জমি আক্রান্ত হয়েছে লবণাক্ততায়। এতে ফসল উৎপাদন অর্ধেকে নেমে যাওয়ার শঙ্কা চাষিদের। সেচের জন্য নদীর পানিতে শূন্য দশমিক ৭ ডিএস প্রো মিটার ও মাটিতে ২ ডিএস নিচে লবণাক্ততা সহনীয়। তবে বরিশাল মৃত্তিকা ইন্সটিটিউটের গবেষণায় এসেছে ভয়াবহ চিত্র। পানিতে ১৫ থেকে ২০ ডিএস পার মিটার ও মাটিতে ২৫ ডিএস পার মিটার লবণাক্ততা পাওয়া গেছে।

    ইন্সটিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা একীম মামুন বলেন, ‘বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণে লবণ পানি ঢুকে যাচ্ছে। আপনারা হয়ত জানেন যে ২০২১ সালে আমাদের যে কীর্তনখোলা নদী, যে নদীতে আমরা সাধারণত ভেবে থাকি যে লবণাক্ততা থাকার কথা না। সেখানে ক্ষতিকর মাত্রার চেয়েও লবণাক্ততা চলে এসেছে।
    পটুয়াখালী মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইন্সটিটিউটের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কাজী আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘লবণাক্ততা সহিষ্ণু যে জাতগুলো আছে সেগুলো চাষ করতে হবে। কিছু আছে মুগডাল, সূর্যমুখী বা ভুট্টা এগুলো চাষ করতে হবে। আর এরপর যদি ১০ বা ১২ ক্রস করে তাহলে আমাদের জমিগুলো ফসল চাষের অনুপযোগী হয়ে যায়।’ ১০ বছর আগে আন্ধারমানিক, বিষখালীসহ ৪টি নদীতে শুকনো মৌসুমে লবনাক্ততা পাওয়া যায়। তবে বর্তমানে কীর্তনখোলা ও ভোলার একাংশসহ ২০টি নদীর পানিতে লবণাক্ততা পাওয়ার তথ্য উঠে এসেছে গবেষণায়। এতে ফসল উৎপাদন কমে যাওয়ার শঙ্কায় এ ২০ নদী পাড়ের চাষিরা। ফসলের জমিতে লবণাক্তার বিষয়টি স্বীকার করেছে কৃষি বিভাগ। বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা বলছেন, পরীক্ষার জন্য মাটি ও পানির নমুনা নেয়া হয়েছে।
    বরিশাল কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক মুরাদুল হাসান বলেন, ‘বৃষ্টিপাত বেশি হলে নদী ও মাটিতে লবণাক্ততার পরিমাণ কিছু কমে এবং বৃষ্টি কম হলে আবার বেড়ে যায়। বর্তমান পরিস্থিতিতে পটুয়াখালীর কলাপাড়া ও রাংগাবালীর চরমোন্তাজ স্থায়ী লবণাক্ততার দিকে যেতে শুরু করেছে। এমন হলে এসব এলাকায় সাধারণ ফসল চাষ করা যাবে না, তখন সেখানে লবণ সহনশীল জাতের ফসলের চাষ করতে হবে।’ বরিশাল মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইন্সটিটিউটের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সুষমা রানী হালদার বলেন, ‘প্রতি বছর আমরা এখানে মাটি ও পানি বিশ্লেষণ করে যেটা দেখতে পাচ্ছি তা হলো শুকনো মৌসুমে, নভেম্বর মাস থেকে এখানে লবণাক্ততা বাড়তে থাকে। এতে করে এখানে পানি ও মাটির গুণাগুণ হ্রাস পাচ্ছে। আমরা পরীক্ষার পর এ খবর কৃষকদের জানিয়ে দিচ্ছি।’ বরিশাল বিভাগে ৮ লাখ ২ হাজার হেক্টর জমির মধ্যে ৪ লাখ ১৫ হাজার হেক্টর জমিতে লবণাক্ততা পাওয়া গেছে।

  • রোমানিয়ায় প্রবাসীবান্ধব শ্রম উইং প্রধান মহসীন মিয়ার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে প্রতিবাদ সভা ও স্বারকলিপি প্রদান

    রোমানিয়ায় প্রবাসীবান্ধব শ্রম উইং প্রধান মহসীন মিয়ার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে প্রতিবাদ সভা ও স্বারকলিপি প্রদান

    নাঈম মল্লিক,
    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

    রোমানিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম উইং প্রধান মহাসীন মিয়াকে নিয়ে তথাকথিত বাংলাদেশ কমিউনিটি গ্রুপের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে সভা করেছে দেশটিতে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশীরা। পরে তারা অন্তবর্তীকালীন সরকার প্রধান ড. মোহাম্মদ ইউনুসের নিকট প্রকৃত ঘটনা উল্লেখ করে স্বারকলিপি প্রদান করেছেন। গত ০৮ জানুয়ারি চার্জ দ্যা এফ্যেয়ারসের মাধ্যমে রোমানিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশী কমিউনিটির পক্ষে মোঃ ফিরোজ খান স্বাক্ষরিত স্বারকলিপি বাংলাদেশ সরকারে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরে পাঠানো হয়। এর আগে রোমানিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের সামনে প্রবাসী বাংলাদেশীরা একটি প্রতিবাদ সভা আয়োজন করে।এতে বক্তব্য রাখেন প্রবাসী বাংলাদেশী আবদুল মুহিত আলমগীর,মোঃ দিদারুল ইসলাম,মোঃ সুরুজ্জামান সরকার,মোঃ আলী নিশাদ প্রমুখ।এসময় বক্তরা বাংলাদেশ উইং প্রধান মহাসীন মিয়ার বিরুদ্ধে একটি কুচক্রীমহল কর্তৃক প্রচারিত মিথ্যা, উদ্দেশ্যমুলক অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে ষড়যন্ত্রকারী সকলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি বিশেষ আহবান জানান।
    এ বিষয় রোমানিয়ায় বাংলাদেশ কমিউনিটির সমন্বয়ক মোঃ ফিরোজ খান অভিযোগ করে জানান, রোমানিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম বিভাগের প্রধান মহ্সাীন মিয়া ২০২৩ সনে এখানে পদায়ন হবার পর থেকেই নিষ্ঠার সাথে তার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। রোমানিয়া ইমিগ্রেশনের সাথে বারবার আলোচনা ও চিঠি মাধ্যমে যোগাযোগ করে বাংলাদেশীদের জন্য নাম-সর্বস্ব কোম্পানীর থেকে ভূয়া পারমিট ইস্যু বন্ধ করেন। এতে একদল আদম ব্যবসায়ীদের প্রতরণা ব্যবসায় ভাটা পড়ে ।সাম্প্রতিক একদল দালাল তাকে নিয়ে নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। দালাল চক্র ভূয়া কোম্পানির মাধ্যমে ওয়ার্ক পারমিট নিতে না পারায় তারা শ্রম উইং প্রধানের ওপর ক্ষিপ্ত হয়েছে। তাই শ্রম উইং প্রধান মহাসীন মিয়াকে রোমানিয়া থেকে সরাতে একদল অসাধু লোক উঠেপড়ে লেগেছে।
    এ বিষয় রোমানিয়া বুখারেস্টে বসবাসকারী আবদুল মুহিত আলমগীর জানান, শ্রম উইং প্রধান মহাসীন মিয়া রোমানিয়া শ্রম উইং প্রধানের দায়িত্বে আসার পর থেকে দালালদের প্রতারণা ও অনৈতিক কর্মকান্ডে বাঁধা সৃষ্টি হযেছে।তার উদ্যোগে আমরা প্রবাসীরা ইউরোপের নিয়ম কানুন সর্ম্পকে সচেতন হয়েছি,দূতাবাসের মাধ্যমে যে কোন সমস্যার দ্রুত সুষ্ঠ সমাধান পাচ্ছি।এতে দালালদের প্রতারণার সুযোগ সীমিত হয়ে গেছে। দিনদিন ভূয়া কোম্পানির পারমিট ইস্যু,গেইম বানিজ্য,মানব পাচারসহ নানা অনৈতিক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তাই তারা শ্রম উইং প্রধান মহাসীন মিয়ার প্রতি প্রতিশোধ পরায়ন হয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
    এ বিষয় রোমানিয়া প্রবাসী মোঃ আলী নিশাদ জানান, আমরা দূতাবাসে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে গিয়ে বিগত দিনের চেয়ে দ্রুত সমাধান পাচ্ছি। মহাসীন স্যার একজন অত্যান্ত ভদ্র, বিনয়ী ও দক্ষ কর্মকর্তা হিসেবে সুপরিচিতি। তিনি প্রবাসীদের যে কোন বিপদে পাশে থাকেন, সর্বচ্চো সহযোগীতা করেন। এতে দালাল শ্রেণীর প্রবাসীদের জিম্মি করে ইনকাম বন্ধ হওয়ায় তারা স্যারের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে। আমরা পুরো রোমানিয়া বাঙালি কমিউনিটি স্যারের পাশে আছি।
    জানান, চলতি বছরের ০১ জানুয়ারি থেকে রোমানিয়া শেনজেন অঞ্চলে অর্ন্তভূক্ত হওয়ায় মানব পাচারে সক্রিয় দালালদের তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। তারা বাংলাদেশের অসহায় ও রোমানিয়া গমনে ইচ্ছুক মানুষদের সাথে প্রতারণা করে অর্থ হাতিয়ে নিতে ফেইক ওর্য়াক পারমিট ব্যবহার করত। তিনি যোগদানের পর থেকেই রোমানিয়া ইমিগ্রেশনের সহায়তায় কর্মীদের কাজের ব্যবস্থা, জাল ডকুমেন্টস, ভূয়া কোম্পানির টিআরসি তৈরি বন্ধ করতে সক্ষম হন।এতে দালাল চক্রের অবৈধ ব্যবসা বন্ধ হয়ে যায়। তাই তারা মহাসীন স্যারকে সরাতে নানা অপপ্রচারের সক্রিয় হয়েছে।
    জানা যায়, বিসিএস ২৭ ব্যাচের কর্মকর্তা মহাসীন মিয়া ২০২৩ সনে রোমানিয়া শ্রম উইংয়ে যোগ দেন। বর্তমানে রাষ্ট্রদূত না থাকায় তিনি বাংলাদেশ দূতাবাসের চার্জ দ্যা অ্যাফেয়ার্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি রোমানিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম উইংয়ের প্রথম সচিব হিসেবে যোগদানের পর থেকেই রোমানিয়ায় বাংলাদেশের শ্রমবাজার সম্প্রসারন এবং শ্রমিকদের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা নিষ্ঠার সাথে দেখভাল করেন।২০২১ ও ২০২২ সালে রোমানিয়ায় প্রবেশ করা বিদেশীদের মধ্যে বাংলাদেশীরা প্রথম ছিল। ২০২৩ সালে শুরুতে এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে রোমানিয়া কেন্দ্রীক কয়েকটি আদম ব্যবসায়ী দালাল চক্র সক্রিয় হয়ে ওঠে। তারা বাংলাদেশের অসহায় ও রোমানিয়া গমনে ইচ্ছুক মানুষদের সাথে প্রতারণা করে অর্থ হাতিয়ে নিতে ফেইক পারমিট, অস্তিত্বহীন কোম্পানির নামে পারিমট, জাল ডকুমেন্টস তৈরি, ইতালি ফ্রান্সসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে গেইমের নামে মানব পাচারে উৎসবে নামে। এসব অনৈতিক কাজে বাংলাদেশ শ্রম উইং প্রধান মহাসীন মিয়াকে ব্যবহার করতে অর্থ প্রলোভন দেখায়। এতে কাজ না হওয়ায় চক্রটি তাকে নানামুখী চাপ দেয়। কিন্তু দক্ষ কূটনৈতিক মহাসীন মিয়া সকল চাপ সামলে দালাল চক্রের কোন অনৈতিক আবদার না মেনে বিধি মোতাবেক কাজ চালিয়ে যান। রোমানিয়া ইমিগ্রেশনের সাথে বারবার আলোচনা ও চিঠি চলাচলির মাধ্যমে বাংলাদেশীদের জন্য নাম-সর্বস্ব কোম্পানীর থেকে ভূয়া পারমিট ইস্যু বন্ধ করতে সমক্ষম হন। এতে বিপত্তি বাঁধে দালাল চক্রের। তাই শক্তিশালী দালাল চক্রটি কূটনৈতিক মহাসীন মিয়াকে রোমানিয়া শ্রম উইং থেকে অন্যত্র সরাতে নানা অপপ্রচারে নামে। কিন্তু দক্ষ কূটনৈতিক মহাসীন মিয়ার পক্ষে স্থানীয় বাঙালি কমিউনিটিসহ প্রবাসীরা একাট্টা হয়।তারা বাংলাদেশী শ্রম উইংয়ের সামনে দালালদের সকল অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভা করে। পরে বাংলাদেশের অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধানের কাছে স্মারকলিপি দেয় ।
    এ বিষয় রোমানিয়ায় বাংলাদেশ দুতাবাসের শ্রম উইংয়ের প্রথম সচিব মহাসীন মিয়া বলেন, বাংলাদেশ সরকার আমাকে যে দায়িত্ব দিয়ে আমাকে এখানে পাঠিয়েছে আমি তা পরিপূর্ণভাবে পালন করছি। একটি তথাকথিত দালাল চক্র আমার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করেছে। তারা সকলেই অসাধু আদম ব্যবসায়ী। আমি দেশের জন্য নিষ্ঠার সাথে কাজ করি ও অসাধু চক্রের সাথে দুরত্ব বজায় রাখি।এতে তাদের অবৈধ ব্যবসায় ক্ষতি হচ্ছে। তাই তারা আমার বিরুদ্ধে ফরমায়েশি অপপ্রচার চালাচ্ছে। কিন্তু রোমানিয়ায় বাংলাদেশী কর্মী, বাঙালি কমিউনিটিসহ সকল বাংলাদেশীরা আমার কাজের প্রশংসা করেছেন। তারা ওই দালাল চক্রের বিরুদ্ধে সভা সমাবেশ করেছেন। প্রবাসী কর্মীরাই দালাল চক্রের সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে আমাকে সততার সাথে দায়িত্ব পালনে উৎসাহ যোগাচ্ছে।

  • যশোরের বাগআঁচড়া বেলতলা কুল বাজার বেশ জমজমাট, ভালো দাম পাচ্ছেন চাষিরা

    যশোরের বাগআঁচড়া বেলতলা কুল বাজার বেশ জমজমাট, ভালো দাম পাচ্ছেন চাষিরা

    আজিজুল ইসলাম, যশোরঃ যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া বেলতলা কুল বাজার এখন জমজমাট। মৌসুমী ফল কুলে ভরে উঠেছে এখানকার কুল বাজার। কুলের মৌসুমে আড়তে কুল বেচাকেনার হিড়িক পড়ে যায। পৌষ,মাঘ ও ফাল্গুন মাস ব্যাপি বাজারে কুলের বেচাকেনা চলে।

    বেলতলা কুল বাজার থেকে প্রতিদিন ৫ থেকে ১০ ট্রাক কুল রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে রপ্তানি হয়। বর্তমানে কুল এই অঞ্চলের অর্থকারী ফসল হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে । দেশের কোথাও কোথাও এই ফলটি বরই নামে পরিচিত।

    যশোর ও সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী শার্শা ও কলারোয়া উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে কৃষকরা বিভিন্ন জাতের কুলের চাষ করছেন। কুল চাষ এলাকার কৃষকদের কাছে খবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

    কৃষকরা টক কুলের পাশাপাশি থাই, আপেল ও নারকেল কুলের চাষ করছেন। এছাড়াও বল কুল, বেরি কুল, গাজি পুরি ও বল সুন্দরী কুলেরও বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে। কৃষকরা এমৌসুমে থাই ও আপেল কুল প্রতি কেজি ৬০ থেকে ১৫০ টাকা,বল কুল-৭০ থেকে ১২০ টাকা, টক লাল সাদা ৪৫ থেকে ৯০টাকা,গাজীপুরী টক কুল,৪০ থেকে ৭০ টাকা,বেবি কুল ৬০ থেকে ৮০ টাকা,বল সুন্দরী ৭০ থেকে ১০০ টাকা দরে পাইকারী বিক্রি করছেন।

    কুল চাষি হাসানুজ্জামান ও তরিকুল ইসলাম জানান,তারা গত পাঁচ বছর ধরে কুলচাষ করছেন। এ বছর তিনি সাড়ে ৪ বিঘা জমিতে থাই আপেল কুল চাষ করেছেন। গত বছরও ৩ বিঘা কুল চাষ করেছিলেন। গত বছরের থেকে এ বছর গাছে অনেক কুল ধরেছে এবং অনেক বেশী দামে কুল বিক্রি করছেন। এভাবে যদি শেষ পর্যন্ত বিক্রি করতে পারেন তাহলে এ বছর অনেক লাভবান হতে পারবেন বলে জানান।

    সিলেট থেকে আসা কুল ব্যাবসায়ী রায়হানুজ্জান ও আকরাম আলী জানান, তারা ১৫ বছর যাবত আম,কুল, তরমুজ,আনারস সহ বিভিন্ন মৌসুমি ফলের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। সেই কারণে প্রতিবছরই বেলতলার মোকামে আসেন। এ বছর এ এলাকায় কুলের ফলন অনেক বেশি। তারপরও কুলের দাম গত বছরের চেয়ে একটু বেশি। তারা যেমন বেশি দামে কিনছেন ঠিক তেমন বেশি দামে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিক্রিও করছেন। চাহিদা বেশি থাকায় তারা কুল কিনে ভালো দামে বিক্রি করতে পারছেন।

    শার্শা উপজেলা কৃষি অফিসার দীপক কুমার সাহা জানান,এ বছর শার্শা উপজেলায় মোট ১৩৫ হেক্টর জমিতে কুল চাষ হয়েছে। তিনি বেলতলা বাজার পরিদর্শন করেছেন। এ বছর বল সুন্দরী, থাই আপেল, চায়না ও বিভিন্ন জাতের টক কুলগুলোই চাষিরা বেশি চাষ করেছেন এবং তারা গত বছরের চেয়ে বেশী দাম পাচ্ছেন লাভবানও হচ্ছেন।নিয়মিত উপজেলা কৃষি অফিস বেলতলা বাজার মনিটরিং করছে বলে তিনি জানান।

  • ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কে জিম্মি করে হত্যার চেষ্টা অভিযোগে অ্যাম্বুলেন্স চালক শাহাদাৎ আটক

    ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কে জিম্মি করে হত্যার চেষ্টা অভিযোগে অ্যাম্বুলেন্স চালক শাহাদাৎ আটক

    রিপোর্ট : ইমাম বিমান

    ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কে জিম্মি করে হত্যার চেষ্টা অভিযোগে অ্যাম্বুলেন্স চালক শাহাদাৎকে আটক করেছে থানা পুলিশ। ১২ জানুয়ারী রবিবার দুপুর আনুমানিক ১টার সময় তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার শামীম আহমেদকে কথা আছে বলে পাশের রুমে নিয়ে মারধর করে এবং হত্যার হুমকি দিয়ে রুমে তালা লাগিয়ে দেয় অ্যাম্বুলেন্স চালক শাহাদাৎ ।

    এ বিষয় তত্ত্বাবধায়ক বলেন, শাহাদাৎ হোসেন আমাকে বলেন, স‍্যার আপনার সাথে আমার কথা আছে একটু শুনেন। তখন আমি পাশের রুমে গেলে রুমের দরজা আটকে আমাকে হেনস্থা করে এবং হত‍্যার হুমকি দেয়।

    এ বিষয় তত্ত্বাবধায়ক কে প্রশ্ন করা হলে কেন আপনার কর্মচারী অ্যাম্বুলেন্স চালক আপনাকে হত্যার হুমকি দিবে ? জবাবে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কে ডা: শামীম আহমেদ বলেন,
    ড্রাইভার এর চাকরি চুক্তি ভিত্তিক থাকায় তার মেয়াদ শেষ হয়েছে এছাড়াও গত ১৪ ডিসেম্বর সদর হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সের টুলবক্স থেকে ডিবি পুলিশ ৩৭পিস ইয়াবা উদ্ধার করে কিন্তু অজ্ঞাত কারণে চালক শাহাদাৎকে আটক করেনি।
    তার কাছ থেকে অ্যাম্বুলেন্স রেখে দেওয়া হয়েছে। তাই সে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার উপর হামলা চালায় এবং হত্যার হুমকি দেয়।

    তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার শামীম আহমেদ থানায় লিখিত অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেন ইতিমধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর হতে তার চাকরির মেয়াদ শেষ হয়েছে। তার নিকট পাওনা এম্বুলেন্স পরিবহন বাবদ সরকারি ইউজার ফি জমা প্রদানের জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে তিনি দুই মাস পর্যন্ত সরকারি টাকা জমা দেননি।
    হাসপাতালে অফিসার্স কোয়াটার অবৈধভাবে রুম দখল করিয়া মাদক সেবন ও মাদকের কর্মকাণ্ড করেন যাহা তাহার কর্মকাণ্ডে ও চলা প্রায় সন্দেহ হয়েছে। ইতিপূর্বে তিনি পুলিশের নিকট ইয়াবাসহ ধরা পড়েন, গত ১১ জানুয়ারি আমাকে হুমকি প্রদান করেন এবং আমার সরকারি বাসভবনের বিভিন্ন স্থাপিত সিসি ক্যামেরা নষ্ট করেন যা তার আচরণে প্রমাণিত হয়। বিকেল পাঁচটার দিকে তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার শামীম আহমেদ হাসপাতালে যে কক্ষে অ্যাম্বুলেন্স চালক শাহাদাৎ ছিলেন সেই রুমে তিনি সিলগালা করে দেয়।

    এ বিষয় পুলিশ হেফাজতে থাকা সদর হাসপাতালের সাবেক অ্যাম্বুলেন্স চালক মাদকসেবি ও মাদকব্যবসায়ী শাহাদাৎ বলেন, আমার কাছ থেকে তত্ত্বাবধায়ক অ্যাম্বুলেন্সের চাবি নিয়ে গিয়ে আমাকে বলে তোমার চাকরি নেই। দুইবছর ধরে আমাকে মানষিক টর্চার করে। আমি তাকে রুমের মধ্যে নিয়ে তাকে বুঝাতে গেলে আমাকে হাসপাতালের স্টাফ মিলে মারধর করে। এছাড়াও তিনি আরো বলেন, আমি সরকারের পার্সনাল একজন ব্যক্তি আমি সরকারকে ইনকাম করে দিচ্ছি। কিন্তু তত্ত্বাবধায়ক আমাকে গ্রেফতার করিয়েছেন।

    অপরদিকে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স সেবা গত বুধবার থেকে বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিত পরে জনগণ সরকার নির্ধারিত ৪০০ টাকার ভাড়া থাকলেও বিপদগ্রস্তরা রোগী নিতে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সে দিতে হচ্ছে ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা।
    অ্যাম্বুলেন্স বন্ধের বিষয় তত্ত্বাবধায়ক বলেন ড্রাইভারের চাকরি নেই আর আমার এখানে অন্য কোন ড্রাইভার নেই তাই অ্যাম্বুলেন্স সেবা বন্ধ রয়েছে। উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছি খুব দ্রুত সমস্যা সমাধান হবে এবং ড্রাইভার আসবে।
    পাশাপাশি বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের বলছি আপনারা জনগণকে জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ নিবেন না।

  • নলছিটির ভৈরবপাশা ইউনিয়ন পরিষদে শীতবস্ত্র, টিসিবির স্মার্ট কার্ড বিতরণ ও তারুণ্যের উৎসব উপলক্ষে কর্মশালা

    নলছিটির ভৈরবপাশা ইউনিয়ন পরিষদে শীতবস্ত্র, টিসিবির স্মার্ট কার্ড বিতরণ ও তারুণ্যের উৎসব উপলক্ষে কর্মশালা

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি : মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার ০১ নং ভৈরবপাশা ইউনিয়ন পরিষদে তারুণ্যের উৎসব ২০২৫ উপলক্ষে ১২ জানুয়ারি রবিবার সকালে ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে কর্মশালা,চিত্রাঙ্কন,কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    এতে ইউনিয়নের প্রেমহার মাধ্যমিক বিদ্যালয়,ষাটপাকিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং ইউনিয়নের একটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। এসময় তারা নতুন দেশ গড়তে তরুনদের ভাবনা বিষয়ক কর্মশালায় নিজেদের নানান ভাবনা তুলে ধতে।

    এছাড়াও জুলাই গনহত্যা এবং গন অভ্যূত্থানের বিভিন্ন প্রেক্ষাপটের চিত্রাঙ্কন করেন এবং একটি কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন।প্রতিযোগীদের মধ্যে পাচটি গ্রুপে ভাগ করে আলোচনা ও প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।এবং প্রতিযোগিতায় প্রতিটি ইভেন্টে একএকটি গ্রুপকে পুরস্কার প্রদান করা হয়।
    ভৈরবপাশা ইউনিয়নে নিযুক্ত প্রশাসক ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জনাব ওয়াহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মো নজরুল ইসলাম।এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় শিক্ষক,রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

    পুরস্কার বিতরণ শেষে ইউনিয়নের দরিদ্রদের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ ও স্মার্ট টিসিবি কার্ড বিতরন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মো নজরুল ইসলাম।

  • গোড়লে ১০০বোতল ফেনসেডিল’সহ সাইফুল ইসলাম, গ্রেফতার

    গোড়লে ১০০বোতল ফেনসেডিল’সহ সাইফুল ইসলাম, গ্রেফতার

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।

    লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ থানার গোড়ল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১০০বোতল ফেনসেডিল’সহ ০১ জন মাদক কারবারি গ্রেফতার। 

    গত ১২জানুয়ারী ২০২৫ইং জেলা পুলিশ সুপার মো.তরিকুল ইসলাম, এর দিকনির্দেশনায় কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সেলিম মালিক, এর নেতৃত্বে গোড়ল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র ইনচার্জ এসআই মোস্তাকিম ইসলাম,ও সঙ্গীয় ফোর্স সহ গোড়ল  ইউপির গোড়ল পাইকারী মৌজার রহমানপুর জামে মসজিদ এর পুর্ব পাশে থাকা পাকা রাস্তায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৪ টি প্লাস্টিকের লাল রঙের জালী বস্তার পোটলার ভিতর হইতে ১০০বোতল অবৈধ মাদকদ্রব্য ফেনসিডিল সহ ১জন মাদক কারবারি গ্রেফতার করেন গোড়ল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র পুলিশ। 

      গ্রেফতারকৃত আসামী হলেন  সাইফুল ইসলাম (২০),লালমনিরহাট জেলা কালীগঞ্জ উপজেলার চলবলা নিথক ( হলমোড়), গ্রামের  নজরুল ইসলাম, এর ছেলে। কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সেলিম মালিক,জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোড়ল ইউনিয়নের পাইকারী মৌজার রহমানপুর জামে মসজিদ এর পুর্ব পাশে থাকা পাকা রাস্তায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১০০বোতল অবৈধ মাদকদ্রব্য ফেনসিডিল সহ ১জন মাদক কারবারি গ্রেফতার করেন গোড়ল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র পুলিশ। 

    হাসমত উল্লাহ ।।