Blog

  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট- ২০২৬ উপলক্ষে চারঘাটে মতবিনিময় সভা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট- ২০২৬ উপলক্ষে চারঘাটে মতবিনিময় সভা

    চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

    রাজশাহীর চারঘাটে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে নির্বাচন, গণভোেট ও গণতন্ত্র শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ১০ টায় উপজেলা প্রশাসন ও পৌর প্রশাসনের আয়োজন উপজেলা পরিষদ হলরুমে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস এর সভাপতিত্বে ও উপজেলা একাডেমিক সুপার ভাইজার রাহেদুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাহাতুল করিম মিজান, চারঘাট পৌরসভা নির্বাহী প্রকৌশলী আতাউর রহমান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সরকার এনায়েত কবির, চারঘাট মডেল থানার (ওসি) হেলাল উদ্দিন ফারুকী, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রাশেদুজ্জামান ও উপজেলা আনসার ভিডিপির কর্মকর্তা আফরোজা খাতুন।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগন।

    মতবিনিময় সভায়, নিজ নিজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ও সেবা গ্রহিতাদের মাঝে গণভোটের বিষয়ে প্রচারণা, নির্বাচন পরিচালনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ, প্রশাসনিক প্রস্তুতি ও দায়িত্ব পালনে করণীয় বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

    মোঃ মোজাম্মেল হক
    চারঘাট, রাজশাহী

  • তারাগঞ্জে জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে গণভোট বিষয়ে অব/হিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত

    তারাগঞ্জে জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে গণভোট বিষয়ে অব/হিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত

    খলিলুর রহমান খলিল , নিজস্ব প্রতিনিধি:

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে গণভোট ২০২৬ বিষয়ে অংশীজনদের নিয়ে এক অবহিতকরণ সভা তারাগঞ্জ উপজেলা পরিষদের হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোনাব্বর হোসেন । সভায় উপস্থিত ছিলেন তারাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুহুল আমিন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. ইফতেখারুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শিমু পারভীনসহ উপজেলার দপ্তরের কর্মকর্তা এবং কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।
    সভায় গণভোট ২০২৬ কর্মসূচির গুরুত্ব, ভোটারদের সচেতনতা বৃদ্ধি, নির্বাচনকালীন আচরণবিধি প্রতিপালন এবং সাধারণ মানুষের মাঝে নির্বাচন সংক্রান্ত তথ্য পৌঁছে দিতে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এ সময় সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

  • সুন্দরগঞ্জে অ/বৈধ কাঁকড়াগাড়ি কে/ড়ে নিল মোটরসাইকেল আরোহীর প্রা/ণ

    সুন্দরগঞ্জে অ/বৈধ কাঁকড়াগাড়ি কে/ড়ে নিল মোটরসাইকেল আরোহীর প্রা/ণ

    গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ

    গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় মাটি ভর্তি ট্রাক্টর (কাঁকড়াগাড়ি) এর চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী কাবিল হোসেন  (৪০) নামে ১জনের মৃত্যু । পাশাপাশি তার ভাই হাতেম আলীও গুরুতর আহত।

    স্থানীয়দের নিকট থেকে জানা গেছে, সোমবার দুপুরে গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জ সংযোগ সড়কের সদর মহিলা মাদ্রাসা সংলগ্ন পল্লী হাইওয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মৃত কাবিল হোসেন উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের জিগাবাড়ী গ্রামের নজির হোসেনের ছেলে। কাবিল হোসেন তার বড় ছেলের বিয়ের দাওয়াত দিতে আত্মীয়-স্বজনদের বাড়ির উদ্দেশ্যে ভাই হাতেম আলীসহ মোটরসাইকেল নিয়ে বের হন। ঘটনা স্থলে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে বেপরোয়া ভাবে আসা মাটি বোঝাই কাঁকড়াগাড়ির সাথে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে কাবিল হোসেন ও হাতেম আলী নিচে চাপা পড়ে গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয়রা ছুটে এসে তাদের সুন্দরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কাবিলকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। বিক্ষুব্ধ জনগণ ও এলাকাবাসী জানান প্রশাসনের নতজানু নীতি ও নীরব ভূমিকার কারণে এ ধরনের ঘটনা প্রায় ঘটছে। সুন্দরগঞ্জ উপজেলা যেন মাটি ও বালু খেকোদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। তা দেখার কেউ নাই। 

    সুন্দরগঞ্জ থানা অফিসার্স ইনচার্জ মোঃ তাজুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। লাশ পরিবারকে দাফন করার অনুমতি দেয়া হয়েছে।

  • সুন্দরগঞ্জে রেণু বিদ্যাকাননে  নতুনদের ক্লাস উদ্বোধন

    সুন্দরগঞ্জে রেণু বিদ্যাকাননে  নতুনদের ক্লাস উদ্বোধন

    মোঃ আনিসুর রহমান আগুন, গাইবান্ধা থেকেঃ

     নতুন বই পাওয়ার আনন্দে  কোমলমতি শিক্ষার্থীদের উল্লাসে ভরে উঠে রেণু বিদ্যাকানন।

    সোমবার সকালে গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার রেণু বিদ্যাকাননের ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে নতুন বই বিতরণ ও ক্লাস উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রেণু বিদ্যাকাননের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক কবি ও সাংবাদিক সাইফুল আকন্দের সঞ্চালনায় ও ফুল বাদশা মেম্বারের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, শিক্ষক আবু রায়হান, রফিকুল ইসলাম, মঞ্জুরুল ইসলাম, ডা. পবিত্র কুমার বর্মণ, জিয়াউর রহমান, হারুন অর রশিদ, মতিউর রহমান  আব্দুল করিম ও অত্র প্রতিষ্ঠানের সহকারি শিক্ষক অন্তরসহ আরও অনেকে।

  • অধিকাল ভাতা বন্ধে বেনাপোল স্থলবন্দরে বিক্ষো/ভে ফুঁ/সছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা, ক/ঠোর কর্মসূচির হুঁ/শিয়ারি

    অধিকাল ভাতা বন্ধে বেনাপোল স্থলবন্দরে বিক্ষো/ভে ফুঁ/সছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা, ক/ঠোর কর্মসূচির হুঁ/শিয়ারি

    আজিজুল ইসলামঃ সরকার নির্ধারিত অফিস সময়ের বাইরে দীর্ঘ সময় কাজ করেও প্রাপ্য অধিকাল (ওভারটাইম) ভাতা বন্ধ থাকায় বেনাপোল স্থলবন্দরে চরম অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) বন্দরের প্রধান ফটকের সামনে ভাতা পুনরায় চালুর দাবিতে বিক্ষোভ ও পথসভা করেন বেনাপোল স্থলবন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল, কার্গো ইয়ার্ড ও রাজস্ব ভবনে (ডিটিএম) দাবি সম্বলিত ব্যানার টানিয়ে প্রতিবাদ জানান তারা।
    কর্মকর্তারা জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রবিধি-৩ শাখা থেকে গত ২৩ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে জারিকৃত এক প্রজ্ঞাপনের পর নভেম্বর মাস থেকেই বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের আওতাধীন কর্মচারীদের অধিকাল ভাতা বন্ধ রয়েছে। এতে বন্দরের দৈনন্দিন কার্যক্রমে নিয়োজিত কর্মচারীরা আর্থিকভাবে মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
    নথি অনুযায়ী, আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম নির্বিঘœ রাখতে বেনাপোল স্থলবন্দরের বিভিন্ন শাখার কর্মচারীদের প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত এবং বিশেষ প্রয়োজনে গভীর রাত পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করতে হয়। সাপ্তাহিক ছুটি, সরকারি ছুটি ও ঈদের দিনেও নিয়মিতভাবে কাজ করতে হচ্ছে তাদের।
    কর্মচারীরা অভিযোগ করেন, বাংলাদেশ স্থলবন্দর পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা প্রবিধানমালা-২০২৫ এবং শ্রম আইন অনুযায়ী অতিরিক্ত সময় কাজের বিপরীতে ভাতা পাওয়ার বিধান থাকলেও তা দীর্ঘদিন ধরে কার্যকর করা হয়নি। এতে কর্মক্ষেত্রে বৈষম্য তৈরি হয়েছে এবং কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।
    এ অবস্থায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত আবেদন করা হলে বেনাপোল স্থলবন্দরের উপপরিচালক (ট্রাফিক) মোঃ শামীম হোসেন স্বাক্ষরিত এক পত্রে অধিকাল ভাতা অনুমোদনের সুপারিশসহ বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়। তবে এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।
    পথসভায় বক্তারা দ্রুত অধিকাল ভাতা পুনরায় চালু ও বকেয়া পরিশোধের দাবি জানান। দাবি মানা না হলে পর্যায়ক্রমে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারিও দেন তারা।
    এ কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন বেনাপোল স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী।

  • বেনাপোল কাস্টমসে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে রাজস্ব ঘা-টতি ১ হাজার ১৩ কোটি টাকা

    বেনাপোল কাস্টমসে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে রাজস্ব ঘা-টতি ১ হাজার ১৩ কোটি টাকা

    আজিজুল ইসলামঃ দেশের সর্ববৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল কাস্টমস হাউসে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে প্রায় ১ হাজার ১৩ কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। আমদানি কমে যাওয়া, বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা এবং মিথ্যা ঘোষণার মাধ্যমে শুল্কফাঁকি বৃদ্ধিই এই ঘাটতির প্রধান কারণ বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
    জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বেনাপোল কাস্টমস হাউসের জন্য মোট রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে ৮ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা। এর মধ্যে জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রথম ছয় মাসে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪ হাজার ১৩৩ কোটি টাকা। কিন্তু এ সময়ে রাজস্ব আদায় হয়েছে মাত্র ৩ হাজার ১২০ দশমিক ০৫ কোটি টাকা।
    ব্যবসায়ী নেতারা জানান, ২০২৪ সালের আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বাণিজ্য নিরাপত্তায় দুর্বলতার সুযোগে কিছু অসাধু চক্র আমদানি পণ্য পাচার করে শুল্কফাঁকি দিচ্ছে। পাশাপাশি বেশ কয়েকটি পণ্যের ওপর আমদানি নিষেধাজ্ঞা থাকায় বন্দরে আমদানি কার্যক্রম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।
    আমদানিকারক হাবিবুর রহমান বলেন, বেনাপোল বন্দর দিয়ে বছরে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের সক্ষমতা রয়েছে। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে বাণিজ্য নিরাপত্তা দুর্বল হওয়ায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী আমদানি পণ্য পাচার করে শুল্কফাঁকি দিচ্ছে। পাশাপাশি বেশ কয়েকটি পণ্যের ওপর আমদানি নিষেধাজ্ঞা থাকায় রাজস্ব আদায় মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
    বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ব্যবসায়ী সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক মোস্তাফিজ্জোহা সেলিম জানান, বৈধ সুযোগ-সুবিধা না পাওয়ায় অনেক ব্যবসায়ী বেনাপোল বন্দর ব্যবহার কমিয়ে দিয়েছেন। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, দ্রুত পণ্য খালাস এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে আমদানি ও রাজস্ব আয় দুটোই বাড়বে।
    বেনাপোল ট্রান্সপোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আজিম উদ্দিন গাজী বলেন, নিরাপত্তা প্রয়োজন হলেও দীর্ঘ সময় ধরে ট্রাক আটকে তল্লাশির কারণে ব্যবসায়ীরা নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। ভারতের মতো যদি বেনাপোলে পণ্য প্রবেশদ্বারে আধুনিক স্ক্যানিং মেশিন স্থাপন করা হয়, তাহলে হয়রানি কমবে এবং বাণিজ্য গতি পাবে।
    বেনাপোল বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, স্বাভাবিক সময়ে যেখানে দৈনিক ৬০০ থেকে ৭০০ ট্রাক পণ্য আমদানি হয়, সেখানে বর্তমানে তা নেমে এসেছে ২৫০ ট্রাকের আশপাশে। আমদানি কমে যাওয়ায় রাজস্ব আদায়ের পাশাপাশি শ্রমিক ও পরিবহন খাতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
    বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক শামিম হোসেন জানান, সর্বশেষ ১০ জানুয়ারি বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে আমদানি হয়েছে মাত্র ২৫৬ ট্রাক পণ্য এবং রপ্তানি হয়েছে ৮০ ট্রাক পণ্য।
    বেনাপোল কাস্টমস হাউসের সহকারী কমিশনার রাহাত হোসেন জানান, জুলাই মাসে ৫০৮ কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আদায় হয়েছে ৫৪৪.০৪ কোটি টাকা। আগস্টে ৪৯৩ কোটির বিপরীতে আদায় ৪৪৭.৯৩ কোটি, সেপ্টেম্বরে ৬০১ কোটির বিপরীতে ৫১৩.৫৮ কোটি, অক্টোবরে ৬৪৫ কোটির বিপরীতে ৪৪৯.২৮ কোটি, নভেম্বরে ৭৫৫ কোটির বিপরীতে ৫৬৪.৪১ কোটি এবং ডিসেম্বর মাসে ১ হাজার ১৩১ কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আদায় হয়েছে ৬০০.৮১ কোটি টাকা। শুল্কফাঁকির সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে জরিমানাসহ কাস্টমস আইনে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রথম ছয় মাসে ঘাটতি থাকলেও বছর শেষে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • আজ মাস্টারদা সূর্য সেনের মহাপ্রয়ান দিবস

    আজ মাস্টারদা সূর্য সেনের মহাপ্রয়ান দিবস

    নিজস্ব প্রতিবেদক।।
    আজ মাস্টারদা সূর্য সেনের মহাপ্রয়ান দিবস। ১৯৩৪ সালের ১২ই জানুয়ারি মধ্যরাতে ব্রিটিশ সেনারা ফাসিঁ নামে তাকে হত্যা করে।

    সূর্য কুমার সেন যিনি মাস্টারদা নামে সমধিক পরিচিত, তার ডাকনাম ছিল কালু। ভারতবর্ষের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম নেতা হিসেবে পরিচিত ব্যক্তিত্ব। পূর্ববঙ্গে জন্ম নেওয়া এই বাঙালি বিপ্লবী তৎকালীন ব্রিটিশ বিরোধী সশস্ত্র আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন এবং নিজ জীবন বলিদান করেন। সূর্যসেনের বাহিনী কয়েকদিনের জন্যে ব্রিটিশ শাসনকে চট্টগ্রাম এলাকা থেকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছিল। সূর্য সেনের অন্যতম সাথী বিপ্লবী অনন্ত সিংহের ভাষায় “কে জানতো যে আত্মজিজ্ঞাসায় মগ্ন সেই নিরীহ শিক্ষকের স্থির প্রশান্ত চোখ দুটি একদিন জ্বলে উঠে মাতৃভূমির দ্বিশতাব্দীব্যাপি অত্যাচারের প্রতিশোধ নিতে উদ্যত হবে? ১৮৫৭ সালে সিপাহী বিদ্রোহ দমনের জন্য বর্বর অমানুষিক অত্যাচারের প্রতিশোধ, জালিয়ানওয়ালাবাগের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ! কে জানতো সেই শীর্ণ বাহু ও ততোধিক শীর্ণ পদযুগলের অধিকারী একদিন সাম্রাজ্যবাদী ইংরেজ রাজশক্তির বৃহত্তম আয়োজনকে ব্যর্থ করে – তার সমস্ত ক্ষমতাকে উপহাস করে বৎসরের পর বৎসর চট্টগ্রামের গ্রামে গ্রামে বিদ্রোহের আগুন জ্বালিয়ে তুলবে?

    ১৯৩৪ সালের ১২ই জানুয়ারি মধ্যরাতে সূর্য সেনের ফাঁসি কার্যকর হবার কথা উল্লেখ করা হয়। সূর্য সেনকে’ ব্রিটিশ সেনারা নির্মম ভাবে অত্যাচার করে। ব্রিটিশরা হাতুড়ী দিয়ে তার দাঁত এবং তার হাড় ও ভেঙ্গে দেয়। হাতুড়ী দিয়ে নির্মম ভাবে পিটিয়ে অত্যাচার করা হয়। এরপর তিনি অজ্ঞান হয়ে যান। নিষ্ঠুরভাবে তাকে অর্ধমৃত অবস্থায় ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। সূর্য সেনের লাশ আত্মীয়দের হাতে হস্তান্তর করা হয়নি এবং হিন্দু সংস্কার অনুযায়ী পোড়ানো হয়নি। ফাঁসীর পর তার লাশ জেলখানা থেকে ট্রাকে করে ৪ নম্বর স্টীমার ঘাটে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর তার মৃতদেহটি ব্রিটিশ ক্রুজার “The Renown” এ তুলে নিয়ে বুকে লোহার টুকরা বেঁধে বঙ্গোপসাগর আর ভারত মহাসাগরের সংলগ্ন একটা জায়গায় ফেলে দেয়া হয়। আজ তার মহাপ্রয়ান দিবস। আমাদের বীর চট্টলার বীর এই সন্তানের প্রতি রইলো গভীর শ্রদ্ধা ও ভালবাসা।

  • শরীফ ওসমান হাদী হ/ত্যার বিচার দাবিতে পঞ্চগড়ে বিক্ষো/ভ ও মানববন্ধন, সড়ক অব/রোধ

    শরীফ ওসমান হাদী হ/ত্যার বিচার দাবিতে পঞ্চগড়ে বিক্ষো/ভ ও মানববন্ধন, সড়ক অব/রোধ

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় প্রতিনিধি :
    পঞ্চগড়ে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে পঞ্চগড় মকবুলার রহমান সরকারি কলেজ হতে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে বাংলাদেশপন্থী শিক্ষার্থীবৃন্দের ব্যানারে এই বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। পরে শহরের চৌরঙ্গী মোড় এলাকায় সংক্ষিপ্ত মানববন্ধন শেষে পঞ্চগড় ঢাকা মহাসড়কের করতোয়া সেতুর প্রবেশ মুখ দুইঘন্টা ধরে অবরোধ করে রাখে শিক্ষার্থীরা। এতে মহাসড়কের দুই পাশে দুই কিলোমিটার যানজট লেগে তিনশতাধিক যানবাহন আটকা পড়ে। পথচারীরাও দূর্ভোগে পড়েন।

    একপর্যায়ে বিকেল সাড়ে চারটার দিকে বক্তব্য শেষে সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয় শিক্ষার্থীরা। এসময় সেনাবাহিনী শিক্ষার্থীদের দ্রুত সড়ক থেকে সরিয়ে দিতে শুরু করলে শিক্ষার্থীদের সাথে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। একপর্যায়ে লাঠিচার্জ করে সেনাবাহিনী। এতে অন্তত শিক্ষার্থী সহ ২৩ জন আহত হন।

    এসময় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন সমন্বয়ক ফজলে রাব্বি, মোকাদ্দেসুর রহমান সান, সহ সমন্বয়ক আতিকুর রহমান, মজাহারুল ইসলাম সেলিম, খোরশেদ মাহমুদ, মাহফুজুর রহমান সহ অন্তত ২৩ জন আহত হয়ে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন৷
    এদিকে উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে পঞ্চগড় সেনা ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর আদনান মোর্শেদ আল হক ঘটনাস্থলে পৌছে উদ্বুদ্ধ পরিস্থিতির জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে সেনাবাহিনী। যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

    পঞ্চগড় সেনা ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর আদনান মোর্শেদ আল হক বলেন, দীর্ঘ সময় মহাসড়ক অবরোধ থাকায় আমাদের সদস্যরা আন্দোলনকারীদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেন। এসময় তারা আমাদের সদস্যদের উপর উত্তেজিত হলে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়। সরিয়ে দেয়ার সময় কারো কারো উপর লাঠির আঘাত লাগতে পারে। তবে লাঠিচার্জ করা হয়নি। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

    বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা ফজলে রাব্বি বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করছিলাম। আমাদের কর্মসূচি সমাপ্ত ঘোষণার পরেও সেনাবাহিনীর সদস্যরা উদ্দেশ্যমূলকভাবে লাঠিচার্জ করে।

    পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ইদ্রাশিশ সান্যাল অঙ্কুর বলেন, ২৩ থেকে ২৫ জন রোগী এসেছে। তাদের বেশিরভাগের ব্লান্ড ইনজুরি রয়েছে। আমরা তাদের চিকিৎসা দিচ্ছি।

    পরবর্তীতে রাতের বেলা আরেকটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয় সেনাবাহিনী লাঠিচার্জ এর প্রতিবাদে।
    এ সময় সারজিস আলম উপস্থিত ছিলেন

    পরবর্তীতে জেলা প্রশাসক মোঃ কাজী সায়েমুজ্জামান বিক্ষোভকারীদের সেনাবাহিনী কর্তৃক লাঠিচার্জ এর বিষয়টি ব্যবস্থা নিবেন বলে আশ্বাস দেন।

  • সিলেটে শাহজালাল (রা.) মাজার প্রাঙ্গণে ভক্ত ও বহুরূপীদের য/ত্রতত্র অবস্থান

    সিলেটে শাহজালাল (রা.) মাজার প্রাঙ্গণে ভক্ত ও বহুরূপীদের য/ত্রতত্র অবস্থান

    হেলাল শেখঃ সিলেটের ঐতিহাসিক হজরত শাহজালাল (রহ.) দরগা শরীফ মাজার প্রাঙ্গণে প্রতিদিন অসংখ্য ভক্তের সমাগম হলেও সাম্প্রতিক সময়ে সেখানে বহুরূপী ও ভবঘুরে মানুষের যত্রতত্র ঘুমানো ও অবস্থান করাকে কেন্দ্র করে দেখা দিয়েছে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি।

    সরেজমিনে দেখা যায়, মাজারের ভেতর ও আশপাশের বারান্দা, সিঁড়ি,গাছতলা ও চলাচলের পথেই অনেককে শুয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। কেউ কেউ দিন-রাত মাজার প্রাঙ্গণেই অবস্থান করছেন, যা ভক্তদের স্বাভাবিক ইবাদত ও চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

    স্থানীয় ভক্ত ও দর্শনার্থীরা জানান, পবিত্র ও ঐতিহাসিক এই ধর্মীয় স্থানে শৃঙ্খলা রক্ষা জরুরি। অথচ বহুরূপী ও ভবঘুরে মানুষের অবাধ অবস্থানের কারণে নিরাপত্তা, পরিচ্ছন্নতা ও ধর্মীয় পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। অনেক নারী ও বয়স্ক ভক্ত এতে বিব্রত বোধ করছেন।
    অন্যদিকে, কেউ কেউ মনে করছেন-এই দরগা শরীফ যুগ যুগ ধরে আশ্রয়হীন মানুষেরও আশ্রয়স্থল। তবে তাদের মতে, নির্দিষ্ট নিয়ম ও তদারকি ছাড়া এমন অব্যবস্থাপনা গ্রহণযোগ্য নয়।
    সচেতন মহলের দাবি, মাজার কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের উচিত দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা-যাতে একদিকে ধর্মীয় পরিবেশ ও নিরাপত্তা বজায় থাকে, অন্যদিকে মানবিক দিক বিবেচনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও নিশ্চিত করা যায়।

    এ বিষয়ে মাজার প্রশাসনের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

  • মেট্রোরেলে অতিরিক্ত যাত্রী বহনে যেকোনো সময় বড় ধরনের দু/র্ঘটনার আ/শঙ্কা

    মেট্রোরেলে অতিরিক্ত যাত্রী বহনে যেকোনো সময় বড় ধরনের দু/র্ঘটনার আ/শঙ্কা

    হেলাল শেখঃ রাজধানী ঢাকায় মেট্রোরেলে নির্ধারিত ধারণক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত যাত্রী বহনের কারণে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল। বিশেষ করে অফিস-ফেরত সময় ও সকাল-সন্ধ্যার ব্যস্ত সময়ে মেট্রোরেলের প্রতিটি কোচে গাদাগাদি করে যাত্রী উঠতে দেখা যাচ্ছে।

    সরেজমিনে দেখা যায়, পিক আওয়ারে প্ল্যাটফর্মে যাত্রীদের দীর্ঘ সারি থাকলেও অনেক সময় নিরাপত্তা বিধি উপেক্ষা করে অতিরিক্ত যাত্রী উঠতে দেওয়া হচ্ছে। এতে করে কোচের ভেতরে স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে যাত্রীদের বের হয়ে আসা কঠিন হয়ে পড়ছে।
    যাত্রীদের অভিযোগ, অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে অনেক সময় দরজা ঠিকমতো বন্ধ না হওয়া, যাত্রীদের চাপাচাপি এবং হঠাৎ ব্রেক করার সময় পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। একাধিক যাত্রী জানান, অসুস্থ ব্যক্তি, নারী ও বয়স্ক যাত্রীদের জন্য পরিস্থিতি আরও বেশি কষ্টকর হয়ে উঠছে।
    পরিবহন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রেলভিত্তিক গণপরিবহনে নির্ধারিত ধারণক্ষমতার বাইরে যাত্রী বহন করলে ব্রেকিং সিস্টেম, দরজা ও সিগন্যাল ব্যবস্থায় অতিরিক্ত চাপ পড়ে। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। তাদের মতে, এখনই কঠোর নজরদারি ও কার্যকর ব্যবস্থাপনা না নিলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো কঠিন হবে।

    এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সচেতন মহল দ্রুত যাত্রী নিয়ন্ত্রণ, ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং নিরাপত্তা বিধি কঠোরভাবে বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে যাত্রীদেরও সচেতন হয়ে নিয়ম মেনে চলার আহ্বান জানান তারা।