Blog

  • মুন্সীগঞ্জে প্রাথমিকে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থী প্রতি ২০০ টাকা ও নানা অনিয়ম

    মুন্সীগঞ্জে প্রাথমিকে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থী প্রতি ২০০ টাকা ও নানা অনিয়ম

    লিটন মাহমুদ,
    মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

    মুন্সীগঞ্জে শিশু ও প্রথম শ্রেণীর ভর্তির জন্য প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ২০০ টাকা করে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার পঞ্চসার ইউনিয়নের মালিরপাথর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। এ ছাড়াও প্রথম শ্রেণী থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত সকল শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ১২০ টাকা করে নেয়া হয়েছে। অনৈতিক ভাবে ৫২৭ জনের কাছ থেকে সর্বমোট আদায় করা হয়েছে ৬৩২৪০ টাকা। ৭ই জানুয়ারী পযর্ন্ত শিশু শ্রেণীতে ৪৩ ও প্রথম শ্রেণীতে ৭৩ জনের কাছ থেকে ভর্তি বাবদ আদায় করা হয়েছে ২৩২০০টাকা। এছাড়াও অতিরিক্ত শিক্ষক দিয়ে ক্লাস করিয়ে নিজেরা বসে থাকা, বিভিন্ন সময়ে শিক্ষার্থীদের কাছে নিজেদের বানানো নোট বিক্রয়ের অভিযোগ রয়েছে। এর চেয়েও ভয়াবহ বিষয় হচ্ছে, বিদ্যালয়ে গ্যাসের সিলিন্ডার ও চুলা ব্যবহার করে কয়েকদিন পর পর ছাত্র-ছাত্রীদের দিয়ে খাবার রান্না করে খাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অভিভাবক বলেন, আমরা জানতাম সরকারি স্কুলে কোনো খরচ ানাই। কিন্তু এই বিদ্যালয়ে শিশু শ্রেণীতে ভর্তির জন্য ২০০ টাকা এছাড়াও সব ছাত্র-ছাত্রীর কাছ থেকেই বুয়ার কথা বলে ১২০ টাকা করে নিছে। মাঝে মধ্যে সিট বিক্রি করে টাকা নেয়।

    আরেকজন অভিবাবক জানান, নিজেরা ক্লাস ানা করাইয়া পিচ্চি পিচ্চি মাইয়া দিয়া ক্লাস করায়।কয়েকদিন পর পর ছাত্র-ছাত্রী দিয়া পিকনিকের মতো রান্ধা বাড়ি কইরা খাওয়া দাওয়া করে।

    অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে দুইদিন বিদ্যালয়ে গেলেও প্রধান শিক্ষককে পাওয়া যায়নি,
    মুঠোফোনে অভিযোগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষ্ক আফরোজা খানম টাকা নেয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বলেন, বুয়ার জন্য প্রতি মাসে প্রতি ১০ টাকা করে নেওয়া হয় অভিভাবকদের মাধ্যমে। কিছু মানুষ আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। গ্যাসের সিলিন্ডার সম্পর্কে বলেন এটা চা খাওয়ার তৈরি করে খাওয়ার জন্য রাখা হয়েছে।

    প্রধানশিক্ষক অস্বীকার করলেও নাম প্রকাশনা করে এই বিদ্যালয়ের একজন সহকারী শিক্ষক শিশু শ্রেণীতে ভর্তিতে টাকা নেওয়ার বিষয়ে স্বীকারোক্তি দেন।

    এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুল মোমেন মিঞা বলেন, এ বিষয়ে আমার জানা নেই। আপনার কাছ থেকে মাত্র জানলাম। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

    এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নজরুল ইসলামকে অফিসে গিয়ে পাওয়া যায় নি। মুঠোফোন যোগাযোগ করলে তিনি মিটিং আছে বলেন এবং পরে কথা বলবো বলে জানান। পরে তার মোবাইলে যোগাযোগ করলে তিনি ফোন রিসিভ না করে কেটে দেন।

  • রংপুর ও নীলফামারী জেলায় বিএসটিআই’র সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনা

    রংপুর ও নীলফামারী জেলায় বিএসটিআই’র সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনা

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

    ১২ জানুয়ারী ২০২৫ খ্রি. তারিখে, বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয় রংপুরের আওতাধীন রংপুর ও নীলফামারী জেলার অবৈধ প্রতিষ্ঠানে সার্ভিল্যান অভিযান পরিচালনা করা হয়। বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুরের অফিস প্রধান ও উপপরিচালক (পদার্থ) প্রকৌঃ মুবিন-উল-ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুরের ফিল্ড অফিসার (সিএম), প্রকৌঃ মোঃ তাওহিদ আল-আমিন ও খন্দকার মোঃ জামিনুর রহমান।

    যে সকল প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরর জন্য আলামত জব্দ করা হয়েছে সে প্রতিষ্ঠানগুলো হলো:

    ১. ভাই ভাই মিষ্টিমুখ, নতুন চৌপতি, বাসস্ট্যান্ড, তারাগঞ্জ, রংপুর

    ২. সিলেট কনফেকশনারি, নতুন চৌপতি, বাসস্ট্যান্ড, তারাগঞ্জ, রংপুর 

    ৩. নিউ মিষ্টিবন, চৌপতি, বাসস্ট্যান্ড, তারাগঞ্জ, রংপুর 

    ৪. নিউ বনফুল হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট, পুরাতন চৌপতি, তারাগঞ্জ, রংপুর 

    ৫. জুয়েল হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট, কলাহাটি, তারাগঞ্জ বাজার, রংপুর 

    ৬. আল সামস সুইটস, বঙ্গবন্ধু চত্বর, সৈয়দপুর, নীলফামারী 

    ৭. সুগন্ধা বেকারি, বঙ্গবন্ধু চত্বর, সৈয়দপুর, নীলফামারী 

    ৮. পাহালওয়ান সুইটস, ডা. জিকরুল হক রোড, সৈয়দপুর, নীলফামারী 

    ৯. নিউ দিলকুশা মিষ্টি ভান্ডার, ডা. জিকরুল হক রোড, সৈয়দপুর, নীলফামারী 

    ১০. দিলশাদ মিষ্টান্ন ভরুার, ডা. জিকরুল হক রোড, সৈয়দপুর, নীলফামারী

    জনস্বার্থে বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুরের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • মুন্সীগঞ্জে পরিবেশ আইন অমান্য করায় শাহ সিমেন্ট ইন্ডাস্ট্রিজকে ৪ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড

    মুন্সীগঞ্জে পরিবেশ আইন অমান্য করায় শাহ সিমেন্ট ইন্ডাস্ট্রিজকে ৪ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড

    লিটন মাহমুদ,
    মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি-

    মুন্সীগঞ্জে পরিবেশ আইন অমান্য করায় শাহ সিমেন্ট ইন্ডাস্ট্রিজকে ৪ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড আরোপ করেন চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আওতাধীন পরিবেশের স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট ও সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইফতি হাসান ইমরান।

    ১২ জানুয়ারী (রোববার ) বিকেল ৩ টা থেকে ৬ টা পর্যন্ত মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলা পশ্চিম মুক্তারপুর এলাকায় শাহ সিমেন্ট ফ্যাক্টরিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    এ সময় দেখা গেছে খোলা অবস্থায় যত্রতত্র বর্জ্য ফেলে রেখে বায়ুদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা ২০২২ এর ১২(ক) বিধি লঙ্ঘন করায় এবং নির্মান সামগ্রী খোলা অবস্থায় রেখে বায়ুদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা ২০২২ এর ১১(খ) বিধি লঙ্ঘন করায় একই বিধিমালার ১৭ বিধি মতে প্রত্যেক অপরাধের জন্য আইনে নির্ধারিত সর্বোচ্চ ২ লক্ষ টাকা করে মোট ৪ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদানের আদেশ দেন পরিবেশের স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট পরিচালিত মোবাইল কোর্ট। এছাড়া ৬ মাসের মধ্যে বায়ু দূষণ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করার সময়সীমা বেধে দেওয়া হয়।এসময় কোম্পানির পক্ষে জেনারেল ম্যানেজার মো. মোস্তাফিজুর রহমানকে উক্ত দন্ড আরোপ করা হয়।

    অভিযানে উপস্থিত ছিলেন, পরিবেশের অপর স্পেশাল ও সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শহিদুল ইসলাম, পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. সানোয়ার হোসেন ও মুন্সীগঞ্জ থানা ও পুলিশ লাইনের দুটি পুলিশ দল।

  • বানারীপাড়ায় যুবলীগ নেতার পা ভেঙ্গে দেয়ার অভিযোগ

    বানারীপাড়ায় যুবলীগ নেতার পা ভেঙ্গে দেয়ার অভিযোগ

    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি:

    বরিশালের বানারীপাড়ায় উপজেলা যুবলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক উজ্জ্বল তালুকদারকে (৪৫) পিটিয়ে পা ভেঙ্গে দেওয়াসহ গুরুতর আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, রোববার (১২ জানুয়ারী) সকাল ১০টার দিকে উজ্জ্বল তালুকদার উপজেলার সলিয়াবাকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুপুত্রকে ক্লাস করতে দিয়ে ওই গ্রামের বাড়িতে ফেরার পথে স্কুল সংলগ্ন তিন রাস্তার মোড়ে সোহেল ও হাসানের নেতৃত্বে ৪/৫ জনের একটি দল পাইপ ও লাঠি দিয়ে তাকে বেধরক পিটিয়ে আহত করে। এতে তার ডান পা ভেঙ্গে যাওয়াসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্বার করে প্রথমে বানারীপাড়া ও পরে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করেন। হামলাকারীরা বিএনপির সমর্থক বলে আহত উজ্জ্বল তালুকদার জানান। হামলাকারীদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকার আমলে জমির বিরোধে নিয়ে একটি শালিসীর ঘটনায় উজ্জ্বল তালুকদারের ওপর সোহেল ও তার ভাইয়েরা ক্ষুদ্ধ ছিলেন। এ ব্যপারে বানারীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোস্তফা বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ###

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি।।

  • তরুনদের উপার্জিত  বিপ্লবের চেতনা সরকার ও বিএনপি ধারণ করতে পারেনি-ড.মাহমুদুর রহমান

    তরুনদের উপার্জিত বিপ্লবের চেতনা সরকার ও বিএনপি ধারণ করতে পারেনি-ড.মাহমুদুর রহমান

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    সাবেক জ্বালানি উপদেষ্টা ও আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক ড. মাহমুদুর রহমান বলেছেন-বিগত সময়ে আলেমদের উপর সবচেয়ে বেশী অত্যাচার করা হয়েছে, কিন্তু কোন মিডিয়ায় প্রকাশ তা হয়নি।তরুনদের মাধ্যমেই অসাধারণ বিপ্লব সাধিত হয়েছ।
    একটা বিপ্লবের মধ্যে দিয়ে আমরা নতুন দেশ পেয়েছি। সেই বিপ্লবের চেতনা সরকার ও বিএনপি ধারণ করতে পারেনি। সরকারের উচিৎ ছিল ক্ষমতায় বসার পর দেশে শুদ্ধি একটা অভিযান করা। তা না করে হঠাৎ পণ্যের ওপর ভ্যাট বাড়িয়ে দিয়েছেন। তা বাড়ানোর আগে পরামর্শের প্রয়োজন ছিল। যেখানে গরীবের কষ্ট হবে না সে জায়গায় ভ্যাট বাড়ানো উচিৎ ছিল।

    তিনি বলেন, ওষুধের ওপর কেন ভ্যাট বাড়ালেন, কারণ বিপ্লবের চেতনা ধারণ করতে পারেন নাই। এগুলো হল এ সরকারের দুর্বলতা।

    শনিবার (১১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ময়মনসিংহ নগরীর অ্যাডভোকেট তারেক স্মৃতি অডিটোরিয়ামে সংগঠন আস-সিরাজ আয়োজিত ২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে ও ২০২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণ জুলাই বিপ্লবোত্তর আকাঙ্ক্ষা ও সম্ভাবনা শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, ২০১৩ সালে যারা শহীদ হয়েছিলেন আমরা অনেকেই মনে করেছিলাম আন্দোলন বিফলে গেছে। কিন্তু না সেই আন্দোলনের বিজয় ২০২৪ সালে এসেছে, তাদের বিপ্লব সফল হয়েছে তাদের পরবর্তী প্রজন্মের মাধ্যমে। সেই আদর্শ ধারণ করে ১১ বছর পর শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে ভারতের সাম্রাজ্যবাদের পতন হয়েছে।

    শেখ হাসিনা পালিয়ে গেলেও ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়নি দেশ। কারণ যারা তাকে ফ্যাসিবাদ হতে সহায়তা করেছিল তারা এখন আওয়ামী লীগের বদলে অন্য দলের ওপর সওয়ার হবে। তাদের প্রতিহত করতে হবে। আমাদের বিভাজনের রাজনীতিকে কবর দিতে হবে। তার উত্থান হতে দেয়া যাবে না। সেই জন্য ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। কোন বিদেশি শক্তিকে অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে কুক্ষিগত করতে দেয়া হবে না।

    আস সিরাজ ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা ও চেয়ারম্যান অধ্যাপক মুফতি মুহিববুল্লাহর সভাপতিত্বে এছাড়াও বক্তব্য রাখেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য লুৎফর রহমান, জাতীয় নাগরিক কমিটির যুগ্ম আহবায়ক মাওলানা আশরাফ মাহাদী, ড. আতিক মুজাহিদ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একে ফজলুল হক ভূঁইয়া।

    অনুষ্ঠানে শহীদ ১৫ জন পরিবারের সদস্যদের মাঝে অনুদানের অর্থ বিতরণ করা হয়। পরে জাগরণী সংগীত অনুষ্ঠিত হয়।

  • সারদা পুলিশ একাডেমিতে প্রশিক্ষণরত কনস্টেবলদের স্থগিত হওয়া সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত

    সারদা পুলিশ একাডেমিতে প্রশিক্ষণরত কনস্টেবলদের স্থগিত হওয়া সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত

    চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

    রাজশাহীর চারঘাটে সারদা পুলিশ একাডেমিতে রবিবার সকালে (১২ জানুয়ারি) প্রশিক্ষণরত কনস্টেবলদের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ১৬৭তম ট্রেনিং রিক্রুট কনস্টেবলদের ৩৩৪ জনকে পাসিং আউট দেওয়া হয়। এর আগে ১৯ ডিসেম্বর তাঁদের সমাপনী কুচকাওয়াজ হওয়ার কথা ছিল। অনিবার্য কারণে তাঁদের সমাপনী কুচকাওয়াজ স্থগিত করা হয়েছিল।

    সমাপনী কুচকাওয়াজের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অভিবাদন গ্রহণ করেন একাডেমির অধ্যক্ষ (অতিরিক্ত আইজিপি) মাসুদুর রহমান ভূঞা।
    এ ছাড়া তিনি কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারীদের মধ্যে পদক বিতরণ করেন।

    প্রশিক্ষণে ৩৩৪ জন প্রশিক্ষণার্থীর মধ্যে সাজ্জাদুল ইসলাম বেস্ট টিআরসি হিসেবে নির্বাচিত হন। এছাড়া বিষয় ভিত্তিক শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারীদের মধ্যে বেস্ট একাডেমিক হিসেবে সুমন আলী বেস্ট ইন ফিল্ড এক্টিভিটিজ এবং পৌরব চন্দ্র রায়
    বেস্ট শ্যুটার নির্বাচিত হন।

    সারদা পুলিশ একাডেমি সূত্রে জানা যায়, গত বছর ২৪ জুন থেকে ছয় মাস মেয়াদি মৌলিক প্রশিক্ষণে ৩৪২ জন কনস্টেবল সারদায় প্রশিক্ষণ নেওয়া শুরু করেন। গত ১৯ ডিসেম্বর তাঁদের প্রক্ষিক্ষণ শেষ হওয়ার কথা ছিল। এরই মধ্যে গত ৩ জানুয়ারি অজ্ঞাত কারণে আটজনকে একাডেমি থেকে বের করে দেওয়া হয়। পরে ১২ জানুয়ারি সমাপনী কুচকাওয়াজের তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

    নবীন পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একাডেমির অধ্যক্ষ (অতিরিক্ত আইজিপি) মাসুদুর রহমান ভূঞা বলেন, একটি স্বনির্ভর রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি হল দেশের স্থিতিশীলতা। বাংলাদেশ পুলিশের নির্ভীক সদস্যগণ দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে রাউন্ড দ্যা ক্লক কাজ করে যাচ্ছে। দেশ ও জাতির ক্রান্তিকালে বাংলাদেশ পুলিশ সর্বদা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে।বহির্বিশ্বেও শান্তি রক্ষা মিশনে ভূমিকা রেখে চলেছে। কর্ম পরিধি বৃদ্ধির সাথে সাথে দায়বদ্ধতা বেড়েছে বাংলাদেশ পুলিশের। এজন্য বাংলাদেশ পুলিশকে তাদের সেবা ও যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখতে হবে।

    মোঃ মোজাম্মেল হক
    চারঘাট, রাজশাহী।

  • হবিগঞ্জে এক প্রবাসীর স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন  নিরাপত্তাহীনতায় তার পরিবার

    হবিগঞ্জে এক প্রবাসীর স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন নিরাপত্তাহীনতায় তার পরিবার

    এস মশিউর,
    হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:: হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার আন্দিউড়া (মধ্যপাড়া) গ্রামে নিজস্ব টাকায় কালভার্ট নির্মাণ ও তা দিয়ে চলাচল করতে না দেয়ায় সৌদি প্রবাসী পরিবারকে হুমকি ধামকি প্রদান করা হচ্ছে। এ বিষয়ে রোববার সকাল সাড়ে ১১ টায় হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন রিনা বেগম নামে এক নারী। তিনি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, তার স্বামী আবু মিয়া, দীর্ঘ ২৪ বছর ধরে জীবিকার তাগিদে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। তিনি দুই ছেলে ও দুই মেয়েকে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে বসবাস করছেন।
    তাদের বসতবাড়ির প্রবেশমুখে ডিসি খতিয়ানের একটি খালে বাঁশের সাকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে তার পরিবারের শিশুসহ সকলেই খাল পারাপার হয়। এতে প্রায় সময় দুর্ঘটনাও ঘটেছে। তিনি এই খালে কালভার্ট নির্মাণের জন্য ওয়ার্ডের মেম্বার ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের দারস্থ হলে তারা নিজের টাকা দিয়ে কালভার্ট নির্মাণ করার পরামর্শ দেন।
    ২০১৩ সালে ওই নারীর পরিবার বসবাসের জন্য পাকা বসতঘর নির্মাণ করার পরের বছর মেম্বার-চেয়ারম্যানের সাথে পরামর্শ করে নিজেদের অর্থায়নে ৪ লক্ষ টাকা ব্যায় করে কালভার্ট নির্মাণ করা হয়।
    তিনি আরও বলেন, বাড়ির প্রবেশপথে নিজের অর্থায়নে কালভার্ট নির্মাণ করার পরও প্রতিবেশী মৃত দেওয়ান আলীর পুত্র সোহেল মিয়া (৪০), মৃত মল্লাজ মিয়ার পুত্র মো. শানু মিয়া (৫০),
    সুরুক মিয়া চৌধুরীর পুত্র মো. আবজল চৌধুরী (৩৫),
    মৃত আরজু মিয়ার পুত্র হাবিব মিয়া (৫৫) সহ ৫/৬টি পরিবার কালভার্ট দিয়ে গায়ের জোরে চলাফেরা করে আসছে। এমনকি রাতের বেলা সিএনজি, অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন নিয়েও চলাফেরা করে। বাঁধা দিলে তিনি ও তার পরিবারকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এমনকি একাধিক বার তিনি ও তার পরিবারকে মারপিট করেছে। এ ব্যাপারে মাধবপুর থানা ও হবিগঞ্জ আদালতে হবিগঞ্জ নারী-শিশু ট্রাইব্যুনালে একাধিক মামলা রয়েছে। সম্প্রতি তারা ওই নারী ও তার পরিবারকে হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছে। তিনি পরিবার নিয়ে বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ বিষয়ে তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

  • চাটমোহর পৌর বিএনপি’র সভাপতি আরশেদ, সম্পাদক তাইজুল

    চাটমোহর পৌর বিএনপি’র সভাপতি আরশেদ, সম্পাদক তাইজুল

    শাহে আলম।।
    পাবনার চাটমোহর থেকে ফিরে বড়াইগ্রাম প্রতিনিধিঃ

    প্রায় দেড় দশক পর অনুষ্টিত হলো পাবনার চাটমোহর পৌর বিএনপির কাউন্সিল। শনিবার (১১ জানয়ারি) চাটমোহর সরকারি রাজা চন্দ্রনাথ ও বাবু শম্ভুনাথ মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে বিকেল আড়াইটা থেকে সাড়ে চারটা পর্যন্ত তিনটি পদে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোটগ্রহন অনুষ্ঠিত হয়।

    সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আসাদুজ্জামান আরশেদ পান ২৪২ ভোট, এ এম জাকারিয়া পান ২৩০ ভোট ও আনোয়ার হোসেন মাসুম পান ০৫ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী তৌহিদুল ইসলাম তাইজুল পান ২৮৩ ভোট ও এ্যাড.সাঈদুর রহমান পান ১৮১ ভোট। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে জিয়ারুল হক সিন্টু ২২৭, আব্দুল মুত্তালিব ১৪১, রকিবুল ইসলাম মিলু ৬২ ও লিটন আলী পান ২৬ ভোট।

    ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী সভাপতি পদে আরশেদ আলী, সাধারণ সম্পাদক পদে তৌহিদুল ইসলাম তাইজুল ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে জিয়ারুল হক সিন্টু বিজয়ী হন।

    কাউন্সিল উদ্বোধন করেন পাবনা-৩ এলাকার সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব কে.এম আনায়ারুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাবনা জেলা বি এন পি’র আহবায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, প্রধান বক্তা ছিলেন পাবনা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ্যাডঃ মাকসুদুর রহমান মাসুদ খন্দকার। সভাপতিত্ব করেন চাটমোহর পৌর বিএনপির আহবায়ক এ এম জাকারিয়া।

    এসময় উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাসাদুল ইসলাম হিরা, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আব্দুর রহিম কালুসহ পাবনা জেলা বিএনপি, চাটমোহর উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন বিএনপিসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    ইতিপূর্বে তফসিল মোতাবেক মনোনয়নপত্র জমা ও যাঁচাই বাছাই করা হয়। প্রচার প্রচারণা ও গণসংযোগ করেন প্রার্থীরা। উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট অনুষ্ঠিত হয়।

    এ নির্বাচনে ২১ জন ভিঅইপি ভোটারসহ মোট ভোটার ছিলেন ৫৯৫ জন। নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন পাবনা জেলা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি এ্যাড. মির্জা আজিজুর রহমান, এ্যাড. আব্দুল আজিজ, এ্যাড. ইসমাইল হোসেন খাঁন টিপু ও মোঃ আলাউদ্দিন সরকার।

    উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ১৪ মে চাটমোহর পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। পৌর বিএনপি’র সাবেক সভাপতি এ এম জাকারিয়াকে আহ্বায়ক ও অ্যাডভোকেট সাইদুর রহমানকে সদস্য সচিব করা হয়। সর্বশেষ ২০১০ সালে চাটমোহর পৌর বিএনপির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সে সম্মেলনে এ এম জাকারিয়া সভাপতি, নুরুল করিম আরোজ খান সাধারণ সম্পাদক ও অ্যাডভোকেট সাইদুর রহমান সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন।

  • নাটাব কুমিল্লার সাধারণ সম্পাদক হলেন শাহাজাদা এমরান

    নাটাব কুমিল্লার সাধারণ সম্পাদক হলেন শাহাজাদা এমরান

    স্টাফ রিপোর্টার।।
    সাংবাদিক,সংগঠক,মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক লেখক ও টকশো উপস্থাপক শাহাজাদা এমরান বাংলাদেশ জাতীয় যক্ষ্মা নিরোধ সমিতি(নাটাব) কুমিল্লা জেলার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।
    আজ রোববার বিকালে নাটাব কুমিল্লার নির্বাহী সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নাটাব কুমিল্লার সাধারণ সম্পাদক ডা. গোলাম শাহজাহানকে সভাপতি ও সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাজাদা এমরানকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। এই কমিটিকে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ১১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন করতে অনুরোধ করা হয়।
    সভায় সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ।

    উল্লেখ্য, সাংবাদিক শাহাজাদা এমরান গত ১৭ বছর ধরে কুমিল্লায় যক্ষ্মা রোগ প্রতিরোধে অনন্য ভুমিকা পালন করে আসছেন। যক্ষ্মা রোগ প্রতিরোধ আন্দোলনে বিশেষ অবদান রাখায় শাহাজাদা এমরানকে ২০১৩ সালে নাটাব কুমিল্লা থেকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

  • ১কোটি মানুষের প্রাণের দাবী নোয়াখালীকে বিভাগ ঘোষনার দাবিতে  লক্ষ্মীপুরে মানববন্ধন

    ১কোটি মানুষের প্রাণের দাবী নোয়াখালীকে বিভাগ ঘোষনার দাবিতে লক্ষ্মীপুরে মানববন্ধন

    নাজিম উদ্দিন রানা : ত্রিপুরার ভগ্নাংশ কুমিল্লার সাথে নয় “নোয়াখালীর স্বনামেই” নোয়াখালীকে বিভাগ ঘোষনা ও বাস্তবায়নের দাবিতে অতীতের ন্যায় আবারো উত্তাল হয়ে উঠেছে বৃহত্তর নোয়াখালীর ভ্রাতৃপ্রতীম জেলা লক্ষ্মীপুর।

    নোয়াখালী বিভাগ বাস্তবায়নে প্রধান উপদেষ্টা ড.মুহাম্মদ ইউনুসের হস্তক্ষেপ চেয়েছে নোয়াখালী বিভাগ বাস্তবায়ন সংগ্রাম পরিষদ ও সম্মিলিত লক্ষ্মীপুরবাসী ।

    আজ রবিবার (১২ই জানু) সকালে লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বৃহত্তর নোয়াখালীর ১কোটি মানুষের প্রাণের এ দাবিতে মানববন্ধন সমাবেশ ও জেলা প্রশাসক রাজীব কুমার সরকারকে মাধ্যম করে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি দেন সম্মিলিত লক্ষ্মীপুরবাসী ও বৃহত্তর নোয়াখালী বিভাগ বাস্তবায়ন সংগ্রাম পরিষদ।

    এসময় লক্ষ্মীপুরের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন, ছাত্র অধিকার পরিষদ, সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, বিভিন্ন সরকারী কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নোয়াখালীকে প্রশাসনিক বিভাগ ঘোষনা ও বাস্তবায়নের দাবিতে মিছিলে আর স্লোগানে সমগ্র জেলা শহরকে প্রকম্পিত করে তোলেন।

    মানববন্ধনে বৃহত্তর নোয়াখালী বিভাগ বাস্তবায়ন সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি সাংবাদিক সাইফুর রহমান রাসেল বলেন, ধনে, মনে, জনে , ইতিহাস, ঐতিহ্যে ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে পরিপূর্ণ ২০০ বছরের পুরনো জেলা আমাদের নোয়াখালী।

    ঐতিহ্যবাহী এই জেলাটি বাংলাদেশের জাতীয় অর্থনীতির শতকরা ৩৬ ভাগ নিয়ন্ত্রণ করছে । এছাড়াও ৭ লক্ষাধিক প্রবাসী অধ্যুষ্যিত এই জেলার প্রবাসীদের রেমিট্যান্সে জাতীয় অর্থনীতির চাকা সচল রয়েছে। সবদিক বিবেচনায় জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনসহ জ্ঞানীগুনীর জেলা নোয়াখালীই ৯ম প্রশাসনিক বিভাগের যোগ্য দাবিদার।

    তিনি আরোও বলেন, নোয়াখালীর গনমানুষের অনুমতি ছাড়া কিংবা গনশুনানী ছাড়া যদি কুমিল্লার সাথে নোয়াখালীকে সংযুক্ত করে বিভাগ ঘোষনা করা হয় তাহলে বৃহত্তর নোয়াখালীবাসী কখনোই তা মেনে নিবেনা। প্রয়োজনে ঢাকার বুকে বিভাগের দাবিতে লাগাতার আন্দোলন কর্মসূচি দেয়া হবে। আর বিভাগ বিষয়ে যদি নোয়াখালীকে নিয়ে কোনো ধরনের চক্রান্ত করা হয় তাহলে নোয়াখালীর তরুন প্রজম্ম প্রয়োজনে আদালতের শরনাপন্ন হবে। তবুও নোয়াখালীকে বিভাগের ঘোষনা না নিয়ে ঘরে ফিরবে না।

    এসময় মানববন্ধন সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, সাধারন সম্পাদক সাইদুল ইসলাম পাভেল, বৃহত্তর নোয়াখালী বিভাগ বাস্তবায়ন সংগ্রাম পরিষদের লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার সমন্বয়ক কামালুর রহিম সমর, এড.সামসুল ফারুক,
    নিরাপদ নোয়াখালী চাই সংগঠনের ঢাকাস্থ সমন্বয়ক মোঃ শাহজালাল,বৃহত্তর নোয়াখালী বিভাগ বাস্তবায়ন সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক সময় মুরাদ, সমন্বয়ক মোঃ খোরশেদ আলমসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।