Blog

  • আড়ানী আইএফ আই সি ব্যাংকের উদ্দ্যোগে কম্বল বিতরণ

    আড়ানী আইএফ আই সি ব্যাংকের উদ্দ্যোগে কম্বল বিতরণ

    চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

    ঘন কুয়াশা আর হাড় কাপানি শীতের ঠান্ডায় নাকাল জন জীবন। শীতের এই তীব্রতা বেশি কাবু করছে নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষদের। রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী বাজার উপশাখার আই এফ আই সি ব্যাংকের উদ্দ্যোগে দেশব্যাপী কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। দেশের ১৪০০ অধিক শাখা উপশাখায় বিস্তর পরিসরে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।

    মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে আই এফ আই সি ব্যাংকের আড়ানী উপশাখার অফিসার ইন চার্জ জুনায়েদ হোসেনের তত্ত্বাবধানে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ট্রাঞ্জেকশান সার্ভিস অফিসার ফজলে রাব্বি, মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ সানাউল্লাহ সহ ব্যাংকের কর্মকর্তা ও কর্মচারী বৃন্দ।

    মোঃ মোজাম্মেল হক
    চারঘাট, রাজশাহী।

  • মধুপুরে ফসলি জমি থেকে মাটি কাটার অপরাধে পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা

    মধুপুরে ফসলি জমি থেকে মাটি কাটার অপরাধে পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা

    আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ

    টাঙ্গাইলের মধুপুরে ফসলি জমি থেকে মাটি কাটার অপরাধে এক ব্যাক্তিকে পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।
    মধুপুর পৌরসভাধীন কাইতকাই গ্রামে অবৈধভাবে মাটি কাঁটা বন্ধে অভিযান পরিচালনা করেন ভ্রাম্যমান আদালত ।
    মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারী)বিকেলে মধুপুর পৌরসভার কাইতকাই মৌজায় মাটি কাটা বন্ধে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় কৃষি জমি থেকে মাটি কাটার অপরাধে এক ব্যক্তিকে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা (সংশোধন) আইন, ২০২৩ অনুসারে পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন মধুপুর সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রিফাত আনজুম পিয়া। উক্ত মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় সহযোগিতায় ছিলেন মধুপুর থানা পুলিশের একটি চৌকস দল।
    জনস্বার্থে ও ফসলি জমি রক্ষার্থে এ ধরনের অভিযান ধারাবাহিক ভাবে চলবে বলে জানান এ-ই দুঃসাহসিক প্রশাসনিক নারী কর্মকর্তা।

  • পুরনো মামলার নথি তুলতে আর যেতে হবেনা দিনাজপুর

    পুরনো মামলার নথি তুলতে আর যেতে হবেনা দিনাজপুর

    মোঃ বাবুল হোসেন. পঞ্চগড় :

    পঞ্চগড় জেলা ঘোষণার পূর্বে এখানে মুনসেফ আদালত ছিলো। এই আদালতে নিষ্পত্তি হওয়া মামলার নথি জমা পড়তো দিনাজপুরের আদালতের মহাফেজখানায়। জেলা ভাগের পর সব কিছুই পৃথক হলেও নথিগুলো রয়ে যায় সেখানেই। আর এসব নথির প্রয়োজন হলে পঞ্চগড়ের মানুষকে ছুটতে হয় দিনাজপুরে, পোহাতে হয় দুর্ভোগ। তবে এখন থেকে এসব নথি মিলবে পঞ্চগড়েই।

    বুধবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে পঞ্চগড় আদালত চত্বরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক গোলাম ফারুক আনুষ্ঠানিকভাবে এ তথ্য জানিয়েছেন। সম্প্রতি পঞ্চগড় মুনসেফ আদালতে বিভিন্ন সময়ে নিষ্পত্তি হওয়া প্রথম শ্রেণির মামলার ১৭৯৭ টি নথি দিনাজপুর আদালতের মহাফেজ খানা থেকে পঞ্চগড়ে আনা হয়েছে বলে জানান তিনি।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন- পঞ্চগড় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) বিএম তারিকুল কবির, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ রেজাউল বারী, নুরুজ্জামান, যুগ্ন জেলা ও দায়রা জজ মার্জিয়া খাতুন, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জাহিদ হাসান, সহকারি জজ মাহমুদা খাতুন, আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আদম সুফি, আদালতের গভর্নমেন্ট প্লিডার (জিপি) আব্দুল বারী, স্পেশাল নারী শিশু ট্রাইব্যালের পিপি জাকির হোসেন, সাবেক পিপি আমিনুর রহমান, অতিরিক্ত জিপি এ্যাড. খয়রুল ইসলাম, অতিরিক্ত পিপি এ্যাড. ইয়াছিনুল হক দুলাল, এ্যাড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, এ্যাড. মেহেদী হাসান মিলন প্রমূখ।

    জানা গেছে, ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের পর থেকেই পুরো পঞ্চগড় ছিলো বৃহত্তর দিনাজপুর জেলার অংশ। ১৯৮৪ সালে জেলা ভাগের আগে পর্যন্ত সব কিছুই ছিলো দিনাজপুরের অধীনে। ফলে দেশ ভাগ থেকে জেলা ভাগ পর্যন্ত- এই দীর্ঘ সময়ের আদালত কেন্দ্রিক সব নথি রয়ে যায় দিনাজপুরেই। আর এসব নথির প্রয়োজন হলে বিরম্বনা বাড়ে সেবাগ্রহিতাদের। ছুটতে হয় দিনাজপুরে। এতে যেমন ভোগান্তি পোহাতে হয়, তেমনি হতে হয় হয়রানি। তবে এখন থেকে ভোগান্তি লাঘবের পাশাপাশি সেবাগ্রহিতাদের অর্থ ও সময় বাঁচবে বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

    পঞ্চগড় জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আদম সুফি বলেন, বিভিন্ন সময় এই নথিগুলোর প্রয়োজন হয়। সাধারণ মানুষ এসব নথি উত্তোলনের জন্য এতদিন দিনাজপুর যেতেন। এতে ব্যাপক হয়রানি হতে হতো। অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত টাকাও গুনতে হতো। এখন থেকে ভোগান্তি কমবে। সময় ও অর্থ- দুটাই বাঁচবে। এসব নথি পঞ্চগড়ের মহাফেজ খানায় সংরক্ষিত আছে- বিষয়টি সাধারণ মানুষকে জানাতে হবে।

    গভর্নমেন্ট প্লিডার (জিপি) আব্দুল বারী বলেন, ১৯৮৪ সালে জেলা ভাগ হলে পঞ্চগড়ে স্বতন্ত্রভাবে আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়। তাই এতদিন এখানকার মহাফেজ খানায় ১৯৮৪ সালের পরবর্তী সময়কার নিষ্পত্তি হওয়া মামলার নথি সংরক্ষিত ছিলো। এখন দিনাজপুর থেকে আগের নথিগুলো নিয়ে আসায় ১৯৪৮ সাল থেকে বর্তমান সময়ের তথা গত ৭৭ বছরের সব নথিই পাওয়া যাবে।

    জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক গোলাম ফারুক বলেন, মামলা পরিচালনার সময় তৎকালীন সময়কার রায় এবং ডিক্রির নকল প্রয়োজন হয়। এজন্য সাধারণ মানুষ আদালতের কাছে সময় চায় এবং দিনাজপুরে গিয়ে নকলের আবেদন করে। কিন্তু বিভিন্ন জটিলতার কারণে দীর্ঘ সময়েও নকল আনতে পারেনা। এতে সাধারণ মানুষ যেমন ভোগান্তি পোহায়, তেমনি মামলা নিরসনে আদালতেরও সময় ক্ষেপন হয়। এই পরিস্থিতিতে আমরা উদ্যোগ নিয়ে নথিগুলো এখানে নিয়ে এসেছি।

  • তারেক রহমানের নির্দেশে তারাগঞ্জ বিএনপির শীতবস্ত্র বিতরণ

    তারেক রহমানের নির্দেশে তারাগঞ্জ বিএনপির শীতবস্ত্র বিতরণ

    খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জননেতা জনাব তারেক রহমানের নির্দেশনায় ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগ মুক্তি কামনায় তারাগঞ্জ উপজেলার ১নং আলমপুর ইউনিয়নের অসহায় শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।

    গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে মরহুম মোজাহার আলী ও মরহুম রশিদা বেগম ফাউন্ডেশনের সৌজন্যে আলমপুর চাকলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ৯০০ শীতার্ত অসহায় ব্যক্তির মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।
    আলমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব রাশেদ খাঁন মেননের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রংপুর জেলা বিএনপির আহবায়ক সাইফুল ইসলাম।
    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রংপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আনিছুর রহমান লাকু, রংপুর জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য মতিয়ার রহমান, তারাগঞ্জ থানা বিএনপির আহবায়ক এ্যাডভোকেট মাকদুম আলম, সদস্য সচিব মেহেদী হাসান শিপু, সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক নুরুজ্জামান প্রামানিক, সদস্য সচিব নুর হোসেন, উপজেলা ছাত্র দলের আহবায়ক ইয়াহিয়া কাজল, সদস্য সচিব আখতারুজ্জামান শুভ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক আব্দুর রউফ প্রামানিক, সদস্য সচিব রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ, থানা মহিলা দলের সভাপতি শেফালী বেগম, সাধারণ সম্পাদক আঁখি খাতুনসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী প্রমুখ।
    এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রংপুর জেলা বিএনপির আহবায়ক সাইফুল ইসলাম বলেন, বিএনপি গণমানুষের দল গণমানুষের দুঃসময়ে বিএনপি ছাড়া অন্য কোন দল পাশে থাকেন না, শত নির্যাতন-নিপীড়নের পরেও বিএনপির নেতাকর্মীরা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়নি সব সময় দেশ ও মানুষের সেবায় নিয়োজিত ছিল আগামীতেও থাকবে ইনশাল্লাহ ।

  • পটিয়ায় এ, জে,ফাউন্ডেশনের উদ্যােগে কম্বল বিতরণ

    পটিয়ায় এ, জে,ফাউন্ডেশনের উদ্যােগে কম্বল বিতরণ

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি।।
    পটিয়া উপজেলার হাইদগাঁও ইউনিয়নে এ, জে,ফাউন্ডেশনের উদ্যােগে ১৫ই জানুয়ারী (বুধবার) বিকালে হাইদগাঁও ইউনিয়নে
    শাহ আকবরিয়া দাখিল মাদ্রাসা এতিমখানা ও হেফজখানায় এতিম ছাত্রদের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন এ,জে,ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এম,মাইমুনুল ইসলাম মামুন, এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাজারের খাদেম কাজী ফয়েজুল আকবর রোকন,দাখিল মাদ্রাসার সাধারণ সম্পাদক খায়ের আহমেদ, মাদ্রাসার সুপার মৌলানা মুঃ মুজিব হুজুর,বিএনপি নেতা নাসির উদ্দিন মুন্সি, কামাল উদ্দিন মহিউদ্দিন বজল আহাম্দ,ইসহাক আব্দুল ইউনুস ছাত্রনেতা রাকিব শাকিব সাগর নয়ন সাব্বির প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। এসময় এ,জে,ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এম,মাইমুনুল ইসলাম মামুন বলেন, আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে আমি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করছি। তারই অংশ হিসেবে আমরা শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেছি। আগামীতেও আমাদের এই ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ।

    ছবির ক্যাপশন:-পটিয়ায় এ, জে,ফাউন্ডেশনের উদ্যােগে কম্বল বিতরণ করছেন অতিথিরা।

  • বাহুবলে শাহজালাল হাইস্কুলের প্রধান  শিক্ষক আইয়ুব আলী বহাল তবিয়তে

    বাহুবলে শাহজালাল হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক আইয়ুব আলী বহাল তবিয়তে

    এস মশিউর,
    হবিগঞ্জ প্রতিনিধি। । হবিগঞ্জের
    বাহুবল উপজেলার নতুন বাজার শাহজালাল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আইয়ুব আলীর বিরুদ্ধে সার্টিফিকেট বানিজ্য সহ ব্যাপক অনিয়ম- দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বিগত সরকারের সময়ে দলীয় প্রভাব দেখিয়ে উক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় আয়-ব্যয়ের অর্থকড়ি মনগড়াভাবে পকেটস্থ করেন। প্রধান শিক্ষক নিজেকে মন্ত্রী এমপির আত্মীয় পরিচয়ে একক আধিপত্য গড়ে তুলে বছরের পর বছর ধরে চালিয়ে যাচ্ছেন দূর্নীতি। অভিভাবক সহ এলাকাবাসীর মধ্যে তার অনিয়ম- দূর্নীতি এবং আত্মসাত নিয়ে প্রতিক্রিয়া থাকলেও পকেট কমিটির কারণে বরাবরই পার পেয়ে যান দূর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষক আইয়ুব আলী। আওয়ামী রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত আইয়ুব আলী জুলাই বিল্পবের পর বেশ কিছু ছিলেন আড়ালে। ৫ আগস্ট নতুন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটলেও দূর্নীতির মহানায়ক আইয়ুব আলী এখনো বহাল তবিয়তে।
    অনুসন্ধানে জানা গেছে, সরকারী ও বেসরকারী অনুদান, ছাত্রী- ছাত্রীদের বেতন, পরিক্ষার ফি, উপবৃত্তি ও উপবৃত্তির ভর্তুকি টাকা এবং সার্টিফিকেট বিক্রি করে অর্জিত টাকার যথাযথ কোন হিসাব নেই। সবই চলছে প্রধান শিক্ষকের মর্জিমাফিক। মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে অষ্টম শ্রেণি পাশ জাল সার্টিফিকেট বিক্রি করে তিনি আজ কোটিপতি। শুধু একটি সার্টিপিকেট বিক্রি করেই কামিয়েছেন ২০ হাজার টাকা। উৎকুচের এ টাকার একটি ভাগ পকেটস্থ হয়েছে সাবেক এক ইউপি চেয়ারম্যানের। যাকে জাল সার্টিফিকেট দেয়া হয়েছে সে ওই সার্টিফিকেট দিয়ে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী পদে চাকরি নিয়েছে আরেকটি স্কুলে।
    সূত্র মতে, সাবেক ওই ইউপি চেয়ারম্যান আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত থাকায় বিদ্যালয়ের ফান্ডের একটি অংশ তার নিয়মিত তার পকেটস্থ হতো।
    চাকরির প্রাক্কালে প্রধান শিক্ষকের পরিবারে তার আর্থিক অবস্থা তেমন সচ্ছল না থাকলেও এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকুরির সুবাদে এখন তিনি কোটিপতি। ব্যাংক ব্যালেন্স ছাড়াও রয়েছে নিজস্ব বাসাবাড়ি। এখানে চাকুরী করে নিজের সন্তানকে উচ্চ শিক্ষার্থে পাঠিয়েছেন সুদুর ইউরোপে। বিলাসী জীবন যাপনে যা করার সবই করেন এই স্কুল শিক্ষক। অভিযোগ রয়েছে, ২০১৫ সালে সরকারিভাবে সারা দেশে বিদ্যুতায়নের কার্যক্রম শুরু হলে আইয়ুব আলী একটি সংবদ্ধ সিন্ডিকেট গড়ে তুলেন। এ সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বিভিন্ন গ্রামের লোকজনকে নানা প্রলোভন দেখিয়ে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নেন। এসময় তিনি নিজেকে তৎকালীন সমাজ কল্যান মন্ত্রী প্রয়াত এনামুল হক মোস্তফা শহীদ এমপির নিকটাত্মীয় পরিচয়ে হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে অধিপত্য কায়েম করেন। এসময় তার অন্যতম সহযোগী হিসেবে আবির্ভূত হন মোহাম্মদ আলী সরকার ওরফে আক্তার নামের পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এক ইলেক্ট্রশিয়ান।
    এদিকে জুলাই বিপ্লবের পর প্রধান শিক্ষক আইয়ুব আলী বেশ কিছু দিন বিদ্যালয় ছেড়ে নিজেকে আড়ালে রাখেন। জানা গেছে, স্থানীয় পর্যায়ে লবিং করার প্রায় সপ্তাহ তিনেক পর বিদ্যালয়ে কর্মক্ষেত্রে যোগদান করেন। বিগত সময়ে তার বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল উপজেলা নির্বাহী অফিসার সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাবরে। কিন্তু আওয়ামী লীগের কতিপয় নেতাদের হস্তক্ষেপে এসব অভিযোগের কোন সুরাহা হয়নি। বরং অভিযোগকারীদেরকেও উল্টো হেনস্তা করার ঘটনা সংঘটিত হয় তৎকালীন সময়ে।

  • ময়মনসিংহ সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দিনব্যাপী তারুণ্য উৎসব উদযাপন

    ময়মনসিংহ সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দিনব্যাপী তারুণ্য উৎসব উদযাপন

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    এসো দেশ বদলাই, পৃথিবী বদলাই’-এ প্রতিপাদ্যে নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ময়মনসিংহের সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিভিন্ন ইভেন্টের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ দূষণ রোধসহ জনসচেতনতামূলক বিভিন্ন কর্মসূচি, প্রতিভা অন্বেষণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও মেলা আয়োজন, এওয়ার্ড ও বৃত্তি প্রদান এবং বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক সভা, সেমিনার ও কর্মশালা মধ্য দিয়ে তারুণ্যের উৎসব শুরু হয়েছে।

    কর্মশালার অংশ হিসাবে বুধবার (১৫জানুয়ারী) দুপুরে ১২টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে 
    অফিসার্স ক্লাব ব্যাডমিন্টন কোর্ট মাঠে আন্তঃ ইউনিয়ন ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নে ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সহযোগিতায় আয়োজিত  অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে টুর্ণামেন্টের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলাম প্রিন্স।

    এ সময় তিনি বলেন, তরুণরাই আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার কারিগর। আমরা তরুণদের অগ্রাহ্য-অবহেলা করতে পারি না। তাদের ওপরই ভরসা রাখতে চাই, যখন দেখি এই তরুণরাই দুর্গত মানুষের পাশে এসে দাঁড়াই, তখন আশান্বিত হই। আনন্দে চিৎকার দিয়ে বলি এই তরুণরাই পারবে। আমাদের রাজনীতি, আমাদের উন্নয়ন পরিকল্পনার কেন্দ্রে রাখতে হবে তরুণদের। কাজেই আমরা তারুণ্যের উৎসবে প্রতিজ্ঞা করতে চাই, তরুণদের মতেই আগামীর বাংলাদেশ গড়ে তুলবো।

    ইউএনও বলেন আজকের এই কর্মশালায় আপনাদের উপস্থিতি আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। “তারুণ্যের ভাবনায় আগামীর বাংলাদেশ” শীর্ষক এই কর্মশালাটি আমাদের তরুণ প্রজন্মের উদ্ভাবনী চিন্তা, সৃজনশীলতা এবং দেশপ্রেমকে উদ্বুদ্ধ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। তিনি বলেন-আমরা জানি, তরুণরাই একটি জাতির চালিকাশক্তি। তাদের চিন্তা-ভাবনা, উদ্ভাবন এবং উদ্যোগই আগামীর বাংলাদেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে। আজকের এই কর্মশালার মাধ্যমে আমরা জানতে চাই, কীভাবে তারুণ্যের দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে একটি উন্নত, সুষ্ঠু এবং পরিবেশবান্ধব বাংলাদেশ গড়ে তোলা যায়। এসো দেশ বদলাই, পৃথিবী বদলাই” প্রতিপাদ্যে আমরা একত্রে শপথ নিতে চাই, আমাদের সকল কাজের মাধ্যমে শুধু নিজেদের নয়, বরং দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবো। এই কর্মশালায় আপনাদের মতামত এবং প্রস্তাবনা আমাদের জন্য অমূল্য।

    আমাদের এই উদ্যোগে অংশগ্রহণের জন্য আমি সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আশা করি, আজকের আলোচনাগুলো আমাদের উন্নয়ন পরিকল্পনায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন অফিসার্স ক্লাব ময়মনসিংহ সদরের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মনিরুল হক ফারুক রেজা,উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন,উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা ও দাপুনিয়া ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক মেহেদী হাসান প্রমুখ।

    দিনব্যাপী বিভিন্ন রকমের প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানের সমাপ্তি শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার।

  • এ্যাডহক কমিটির বিরুদ্ধে মিছিল, মানববন্ধন, পরে  শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তালা, অধ্যক্ষের সংবাদ সম্মেলন

    এ্যাডহক কমিটির বিরুদ্ধে মিছিল, মানববন্ধন, পরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তালা, অধ্যক্ষের সংবাদ সম্মেলন

    রফিকুল ইসলাম,
    রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:

    পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ আব্দুল ছাত্তার স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবগঠিত এডহক কমিটির বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ও প্রপাগাণ্ডা ছড়ানোর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ মো. রুহুল আমীন। বুধবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুর ১:৩০ টায় নিজ অফিস কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

    অধ্যক্ষ রুহুল আমীন জানান, বরিশাল শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে গঠিত এই কমিটির সভাপতি হিসেবে এডভোকেট মো. জসিম উদ্দিনকে নির্বাচিত করা হয়েছে। তবে চরমোন্তাজ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম তার পছন্দের প্রার্থী সভাপতি না হওয়াতে বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ ও হুমকি দেন। কিন্তু আমি নিয়মবহির্ভূত ভাবে কমিটি প্রস্তাব করতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি আমার উপর ক্ষুব্ধ হন এবং নবগঠিত এডহক কমিটি ও আমাকে জড়িয়ে মিথ্যা প্রপাগাণ্ডা ছড়ান। এর পাশাপাশি ভুল তথ্য দিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের ঢাল হিসেবে ব্যাবহার করে মিছিল ও মানববন্ধনে অংশ নিতে বাধ্য করেন।

    তিনি অভিযোগ করেন, নজরুল ইসলাম গত ১১ জানুয়ারি স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের ভুল বুঝিয়ে এবং তার ব্যক্তিগত অনুসারীদের নিয়ে কলেজ প্রাঙ্গণে মিছিল ও মানববন্ধন আয়োজন করেন। সেখানে কোন অবিভাবক ও ছাত্রছাত্রী ছিল না। মিছিলে আপত্তিজনক ভাষায় প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষকে নিয়ে স্লোগান দেয়া হয়, যা শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশ ও শিক্ষকসমাজের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়।
    এছাড়াও ওইদিনই অত্র প্রতিষ্ঠানে দুর্বৃত্তরা তালা ঝুলিয়ে দেয়। পরে উক্ত প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী মাঈনুদ্দিন বাদী হয়ে ঐদিনই চরমোন্তাজ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে একটি লিখিত অভিযোগ করেন।

    অধ্যক্ষ আরও বলেন, “মানববন্ধনে নজরুল ইসলাম যেসব অভিযোগ করেছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। কমিটি গঠন প্রক্রিয়ার সময় তিনি তার ব্যক্তিগত ক্ষমতা ব্যবহার করে তার পছন্দের প্রার্থীকে সভাপতি করার জন্য চাপ প্রয়োগ করেছিলেন এবং বিভিন্ন প্রলোভন দেখান। তাতে সম্মতি না দেয়ার কারনে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারে লিপ্ত হয়।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে চরমোন্তাজ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনে যে অভিযোগ দেয়া হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন। মানববন্ধন করেছে এলাকার ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবক ও সুশীলসমাজ। এডহক কমিটির প্রস্তাব পাঠানোর আগে অধ্যক্ষ সবাইকে ডেকেছে এবং উপস্থিত সবার কথিত মতে একজনের নাম প্রস্তাব পাঠাবে, যেহেতু সভাপতি নির্বাচন করে সুপারিশ পাঠাবে ডিসি স্যার মহোদয়, বোর্ড থেকে সিদ্ধান্ত হবে। সেই আলোচনায় এলাকার মনোনীত প্রার্থী রাশেদ খান রিপন এর নাম প্রস্তাব করা হয় সভাপতি হিসেবে কিন্তু পরবর্তীতে দেখি যে এ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন এর নাম আসে এডহক কমিটিতে।

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তালা দেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এমারত হোসেন বলেন, তালা দেয়ার বিষয়ে আমাকে জানানো হয়েছে এবং প্রতিষ্ঠান কতৃপক্ষকে তালা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করতে বলেছি।

  • আলোচিত সেই ক্যাডেট এসআই ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত 

    আলোচিত সেই ক্যাডেট এসআই ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত 

    চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

    রাজশাহীর চারঘাটের বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি সারদাতে বুধবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় প্রশিক্ষণরত ক্যাডেট উপপরিদর্শকদের (এসআই) 

    সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ৪০ তম ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর ব্যাচের ৪৮০ জনকে পাসিং আউট দেওয়া হয়। এর আগে অনিবার্য কারণে দুই দফায় তাঁদের সমাপনী কুচকাওয়াজ স্থগিত করা হয়েছিল। একই ব্যাচের ৩১২ জনকে বিভিন্ন অভিযোগে প্রথমে শোকজ ও পরে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। 

    সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অভিবাদন গ্রহণ করেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। এ ছাড়া তিনি কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারীদের মধ্যে পদক বিতরণ করেন। সহকারী পুলিশ সুপার রেজাউল করিম প্যারেড কমান্ডার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। 

    প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে বেস্ট একাডেমিক হিসেবে ক্যাডেট (এসআই) বদিউজ্জামান, বেস্ট ইন ফিল্ড এক্টিভিটিজ শিক্ষানবিশ ক্যাডেট (এসআই) নজরুল ইসলাম, বেস্ট শ্যুটার ও বেস্ট সুইমার হিসেবে শিক্ষানবিশ ক্যাডেট (এসআই) নয়ন কুমার ঢালী এবং সর্ব বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করায় শিক্ষানবিশ ক্যাডেট (এসআই) মোঃ আরিফুল ইসলামকে বেস্ট ক্যাডেট পদক প্রদান করা হয়।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ মহাপরিদর্শক শিক্ষানবিশ ক্যাডেটদের উদ্দেশ্যে বলেন, পরিবর্তিত সমাজের সারধী হিসাবে বদলে বদলে যাওয়া বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় জনসেবায় আপনারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন। পুলিশের উপপরিদর্শক খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা পদ, কারণ ৯০ ভাগ ফৌজদারি অপরাধের তদন্ত আপনারা করে থাকেন। অপরাধ দমন, জনগণের সম্পত্তির নিরাপত্তা প্রদান ও শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখা পুলিশের প্রধান দায়িত্ব। পুলিশকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করে একটি দল নিরপেক্ষ সংস্থায় উন্নয়ন করতে কাজ করে যাচ্ছে পুলিশ সংস্কার কমিশন। পুলিশের মনোবল পুনরুদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে আমরা বদ্ধপরিকর। 

    পুলিশ একাডেমি সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ৫ নভেম্বর একাডেমিতে ৮২৩ জন ক্যাডেট এসআইয়ের এক বছর মেয়াদী মৌলিক প্রশিক্ষণ শুরু হয়। প্রশিক্ষণ শুরুর পরই নানা অভিযোগে ডিসচার্জ হন ২২ জন। গেল বছরের ৪ নভেম্বর ৮০১ জনের প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ার কথা ছিল। দুই দফা প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজের সময় নির্ধারণ হলের অনিবার্য কারণে তা স্থগিত হয়। এর মধ্যে নাস্তা না খেয়ে হইচই, ক্লাসে অমনোযোগী এবং বিশৃঙ্খলার অভিযোগে গত ২১ অক্টোবর ২৫২ জন, ৪ নভেম্বর ৫৮ জন, ১৮ নভেম্বর ৩ জন এবং সর্বশেষ ১ জানুয়ারি ৮ জনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

    এদিকে অব্যাহতি পাওয়া ৩২১ শিক্ষানবিশ উপপরিদর্শক (এসআই) চাকরি পুনর্বহালের দাবিতে গত দাবিতে ৫ ও ৬ জানুয়ারি সচিবালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। এরপর একই দাবিতে তারা গত সোমবার বিকাল থেকে সচিবালয়ের সামনে আমরণ অনশন বসেন। মঙ্গলবার দিবাগত রাত পৌনে একটার দিকে সচিবালয়ের সামনে থেকে তাঁদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পানি ঢেলে ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন অনশনরত শিক্ষানবিশ এসআইরা।  এদিকে অনেক চড়াই উৎরাই পেরিয়ে অবশেষে গতকাল বুধবার সকালে সমাপনী অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করে আশংকা মুক্ত হলেন ২২জন নারী সহ ৪৮০জন শিক্ষানবিশ ক্যাডেট এস আই।।

    মোঃ মোজাম্মেল হক
    চারঘাট, রাজশাহী।

  • সুজানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ

    সুজানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ

     এম এ আলিম রিপন ঃ সুজানগর উপজেলা দোকান কর্মচারী, রিকশা ভ্যান,তঁাত শ্রমিক এবং নির্মাণ শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়নের উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র(কম্বল) বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সুজানগর পৌর শহরের এসলাহুল মোসলেমীন পাবলিক লাইব্রেরীর হলরুমে  উপজেলার অসহায় শীতার্ত শ্রমজীবিদের মধ্যে এই শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন  সুজানগর উপজেলা শাখার  সভাপতি মো. রোস্তম আলী মোল্লার সভাপতিত্বে ও  সুজানগর উপজেলা তঁাত শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ওলিউল্লাহ বিশ্বাসের সঞ্চালনায় শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সুজানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন  বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন পাবনা জেলা শাখার  সহ সাধারণ সম্পাদক মোঃ আসাদুজ্জামান, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সুজানগর উপজেলা শাখার উপদেষ্টা ফারক-ই আযম, পৌর শাখার উপদেষ্টা  রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সুজানগর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক  মু.ইসমাইল হোসেন খঁান ও পৌর শাখার সভাপতি তারিকুল ইসলাম। নেতৃবৃন্দ বলেন, সুজানগরে শীত বাড়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন হতদরিদ্র অসহায় মানুষ। বিশেষ করে শ্রমজীবী মানুষদের দুর্দশা বহুলাংশে বেড়েছে। তারা হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করেও পরিবারের মুখে ঠিকমতো আহার তুলে দিতে পারছেনা। শীত নিবারণ করবে কীভাবে। তাই আমাদেরকে সমাজের অসহায় হতদরিদ্র শ্রমিক জনগোষ্ঠীর পাশে দঁাড়াতে হবে। এই শীতে তাদের শীত নিবারণে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার বিকল্প নেই। 

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর প্রতিনিধি।