Blog

  • ভারতে সাইফ আলী খান’র ওপর হামলায় অভিযুক্ত বিজয় দাশ নলছিটির শেহজাদ

    ভারতে সাইফ আলী খান’র ওপর হামলায় অভিযুক্ত বিজয় দাশ নলছিটির শেহজাদ

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ভারতের জনপ্রিয় নায়ক সাইফ আলী খানের ওপর হামলায় অভিযুক্ত মুহাম্মদ শরিফুল ইসলাম শেহজাদ ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার মোল্লারহাট ইউনিয়নের রাজাবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতা মোঃ রুহুল আমিন ফকির তিনি একসময় খুলনা মিলে চাকরি করতেন। তিন ছেলের মধ্যে শরিফুল ইসলাম শেহজাদ (বিজয় দাশ) দ্বিতীয়  ছেলে। শেহজাদ নলছিটি থানায় হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামি। মোটরসাইকেল ড্রাইভার রফিকুল ইসলাম হত্যা মামলার পরে তিনি এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে ছিলেন। পরিবারের সঙ্গেও তাঁর কোনো যোগাযোগ ছিল না। 

    শেহজাদ এর ছোটো ভাই মোঃ সালমান ফকির (১৬) জানান তার মেজো ভাই শেহজাদ মোটরসাইকেল ড্রাইভার রফিকুল হত্যা মামলার আসামি হওয়ার পরে ভারতে পালিয়ে যায়। দেশে থাকা অবস্থায় বেশ কয়েকবার পুলিশের হাতে আটক হয়। তবে সে ভারতে পালিয়ে যাবার পরে তার সাথে পরিবারের কোনো যোগাযোগ আছে কি না সে জানেন না বলে জানান।

    তার প্রতিবেশি মোসাঃ রহিমা আক্তার (সম্পর্কে চাচি) তিনি বলেন।  তার চলাফেরা একরোখা ধরনের ছিলো। কোন কাজ করলে কি হবে সেটা নিয়ে ভাবতো না। যে কারনে বহুবার পুলিশের হাতে আটক হয়েছে।

    প্রতিবেশী মোঃ রিন্টু হাওলাদার জানান খুব কম বয়সে বিয়ে করছিলো যা পরবর্তীতে বিচ্ছেদে গড়ায়। তবে আমার জানামতে সে সংসারে কোনো সন্তান ছিলো না।

    এলাকার একাদিক মানুষ (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক)  তারা প্রতিবেদককে জানান। চুরি,ছিনতাই,চাঁদাবাজি, হত্যাসহ একাদিক মামলা রয়েছে শরিফুল ইসলাম শেহজাদ এর বিরুদ্ধে। তিনি পড়ালেখা ও করেননি কোনো প্রতিষ্ঠানে। একাদিকবার বিভিন্ন এলাকায় জনতার হাতে গনপিটুনির স্বীকার হয়েছেন তিনি তবুও শোধরায়নি তার স্বভাব চরিত্র। একাধিক বিয়ের কথা জানান এলাকাবাসি তবে বর্তমানে কোনো স্ত্রী নেই বলেও জানান তারা।

    শরিফুল ইসলাম শেহজাদের বাবা রুহুল আমিন ফকির বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে শেহজাদের কোনো যোগাযোগ নেই। শুনেছি সে ভারতে আটক হয়েছে। সে কবে, কিভাবে ভারত গেছে তা আমাদের জানা নেই। খারাপ কাজ করলে, সে শাস্তি পাবে, এটাই কামনা করছি।

    মোল্লারহাট ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম জানান, ২০১৭ সালে নলছিটির মোল্লারহাট স্টিল ব্রিজের কাছে ভাড়ায় মোটরসাইকেলের চালক রফিকুল ইসলামকে হত্যার ঘটনায় রাজাবাড়িয়া গ্রামের মুহাম্মদ শরিফুল ইসলাম শেহজাদকে আসামি করা হয়। এ ঘটনার পরে তিনি এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যান। এলাকায় থাকাকালে তিনি ছিনতাই, চুরি ও মারামারির সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

    নলছিটি থানার ওসি আব্দুস সালাম বলেন, ‘আমাদের কাছে এখনো কোনো বার্তা আসেনি। তবে শেহজাদের বিরুদ্ধে নলছিটি থানায় এবং ঢাকায় হত্যা মামলা রয়েছে। সে ছিনতাইয়ের সঙ্গেও জড়িত বলে পুলিশের কাছে অভিযোগ আছে।

    ফটো ক্যাপশনঃ ভারতের জনপ্রিয় নায়ক সাইফ আলী খান এর উপর হামলায় আটক বিজয় দাশ নলছিটির শরিফুল ইসলাম শেহজাদ।

  • মুন্সীগঞ্জে যুবদল নেতা শান্ত হ-ত্যা মামলা নিয়ে নানা প্রশ্ন

    মুন্সীগঞ্জে যুবদল নেতা শান্ত হ-ত্যা মামলা নিয়ে নানা প্রশ্ন

    লিটন মাহমুদ,
    মুন্সীগঞ্জে যুবদল নেতা শান্ত হত্যা না দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে এই নিয়ে ঝট খুলেনি। মামলায় একজনকে আটকের পর কারাগারে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু মেডিকেল রিপোর্টে হত্যার কোন আলামত পাওয়া যায়নি। শান্ত নিহতকে কেন্দ্র করে দুইটি পক্ষ তৈরি হয়েছে। মামলাও হয়েছে দুইটি।
    মেডিকেল রিপোর্টে শান্ত মৃত্যুবরনের ঘটনায় হত্যার কোন আলামত না থাকায় পুলিশ নিশ্চুপ হয়ে যায়। এরপর হত্যা দাবি করে মুন্সীগঞ্জ শহরে শান্তকে হত্যা করার দাবি তুলে শান্ত’র পরিবার ও একটি পক্ষ মিছিল সমাবেশ করলে পরদিন পুলিশ স্পিডবোট চালককে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়।
    এদিকে শান্ত’র মৃত্যুবরন নিয়ে মুন্সীগঞ্জ থানায় দুইটি মামলা হয়েছে।
    একটি মামলায় উল্লেখ করা হয়, গত বছরের ১ নভেম্বর রাত ৯ টার দিকে ঢাকার সদরঘাট থেকে শান্ত, কিবরিয়া মিজি, শাহাদাত প্রধানসহ ৮ জন স্পিডবোট দিয়ে মুন্সীগঞ্জের মেঘনার আধারায় আসছিলেন। স্পিডবোটটি রাত সোয়া ১০ টার দিকে মেঘনা নদীর জাজিরা-বকচর এলাকার পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে একটি মাছ ধরার ট্রলার তাদের স্পিডবোটকে সজোরে ধাক্কা দিলে স্পিডবোটটির একপাশ ভেঙ্গে তলিয়ে যায়। এ সময় শান্ত সরকার, শামীম, মিন্টু ও কিবরিয়া মিজি গুরুতর আহত হয়।
    তাদেরকে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে আনা হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ঢাকায় রেফার করে। পরে ১ নভেম্বর দিবাগত রাত দেড়টায় ঢাকার স্কয়ার হসপিটালে শান্ত সরকার মারা যায়। গত ১০ নভেম্বর মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় এই মামলাটি দায়ের করেন বকচর গ্রামের শামীম। মামলা নং ১৩।
    এদিক, গত বছরের ৬ নভেম্বর আরেকটি মামলা করেন নিহত শান্ত’র ছোট ভাই মামুন সরকার। মুন্সীগঞ্জ থানার মামলা নম্বর ৮। মামলায় স্পিডবোট চালক টিপু, শাহাদাত প্রধান, কিবরিয়া মিজি, এছাক আলী, সাইফুল, শামীম, জাফর ও নাছির নামে ৮ জনকে এজাহারনামীয় আসামি করা হয়।
    এ মামলায় বলা হয়, ১ নভেম্বর রাত ৭টা ৩৫ মিনিটে মুন্সীগঞ্জ সদরের মুক্তারপুর পুরাতন ফেরিঘাট থেকে আসামিদের সাথে শান্ত স্পিডবোট দিয়ে ঢাকার সদরঘাটের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। রাত ৭টা ৩৫ মিনিট থেকে রাত ১০ টা ১৩ মিনিটের মধ্যে সদরের চিতলিয়া বাজারের দক্ষিণ পাশের জমিতে নিয়ে শান্তকে হত্যা করা হয়।
    শান্ত’র মেডিকেল পরীক্ষায় হত্যার কোন আলামত না পাওয়া গেলে আসামি গ্রেপ্তারে পুলিশ নিরব থাকে।
    এ ঘটনায় শান্ত’র হত্যা মামলায় স্পিডবোট চালক ছাড়া সবাই উচ্চ আদালত থেকে জামিন নেয়।
    পরবর্তীতে গত ১৭ ডিসেম্বর সকালে মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাব ও সুপার মার্কেট এলাকায় যুবদল নেতা আবু ইলিয়াস শান্ত হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার এবং বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ, বিক্ষোভ করে এলাকাবাসী।
    এই কর্মসূচির দিন রাতেই পুলিশ শান্ত হত্যা মামলার প্রধান আসামি টিপু মোল্লাকে কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে আসে। পরদিন টিপুকে পুলিশ রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠায়।
    মেডিকেল প্রতিবেদনে হত্যার কোন আলামত না থাকলেও স্থানীয় বিএনপি এই ঘটনা নিয়ে দুইভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে।
    শান্ত হত্যা মামলার আসামিদের দাবি, শান্তকে হত্যা করা হয়নি। এটা একটা দুর্ঘটনা। এই দুর্ঘটনায় তারাও রক্তাক্ত আহত হয়েছেন এবং হাসপাতাল-ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েছেন। একটি পক্ষ তাদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে সুবিধা ও হয়রানি করছেন বলে তাদের দাবি।
    এ ব্যাপারে শান্ত হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই সাদ্দাম মোল্লা বলেন, পোস্টপোর্টেম রিপোর্টে রোড ট্রাফিক (আর টি) এসেছে, অর্থাৎ রোড দুর্ঘটনায় কারণ মৃত্যুরকারণ চিহ্নিত করা হয়েছে। মামলাটির তদন্ত চলছে।

  • মাদারীপুরে বো-মাবাজ স-ন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন

    মাদারীপুরে বো-মাবাজ স-ন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন

    মোঃমিজানুর রহমান,কালকিনি (মাদারীপুর) প্রতিনিধি /

    মাদারীপুরের কালকিনি রমজানপুরে বোমাবাজ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। মঙ্গলবার সকালে উপজেলার রমজানপুর ইউনিয়ন পরিষদের সামনে নতুন টরকী বাজারের দোকান মালিক সমিতির পক্ষ থেকে ঘন্টা ব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    জানা যায় গত ১১ জানুয়ারি বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে দেশি অস্ত্রশস্ত্র ও লাঠি সোটা নিয়ে ধাওয়া পালটা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় জামাল বেপারী ও মিলন বেপারীর নেতৃত্বে ইরান বেপারী, সাকিব ইসলাম নয়ন, শাহজামাল সহ একাধিক সন্ত্রাসী বাহিনী নতুন টরকী বাজারের উপর হামলা চালায় এবং মুহুর মুহুর বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের দুইটি অভিযোগ কালকিনি থানায় দেওয়া হলেও এখনো কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি।

    নতুন টরকী বাজারের দোকান মালিক মোঃ সোহেল বেপারী বলেন আজ সকালে ফজরের নামাজের পরে বিএনপি নেতা জামাল বেপারী বাজারে এসে পুনরায় বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সবাইকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়ে যায়।

    এ বিষয়ে নতুন টরকী বাজারের সভাপতি মোঃ দিদারুল ইসলাম টিটু বেপারী বলেন আমি বিগত ৪০ বছরে রমজানপুর তথা নতুন টরকীতে কোনদিন বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা দেখেনি। আমাদের বাজারের দোকানদারা সবাই আতঙ্কিত তাই প্রশাসনের নিকট আমাদের দাবি অতি শীঘ্রই তদন্ত সাপেক্ষে সবাইকে গ্রেফতারের দাবি জানাই।

    মানববন্ধনে বাজারের সকল দোকান কিছু সময়ের জন্য বন্ধ রেখে প্রতিবাদ জানায় এবং কমিটির পক্ষ থেকে সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি জানায়। মানববন্ধনে দোকান মালিক সমিতির সদস্য ছাড়াও বক্তব্য রাখেন রমজানপুর ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ স্বপন মোল্লা, বাজারের ব্যবসায়ী মোঃ কাইয়ুম হাওলাদার, মোঃ রকিব বেপারী, মোঃ মঈন রাড়ী, মোঃ সবুজ হোসেন, মোঃ কামরুল ইসলাম সহ আরো অন্যান্যরা।

  • রংপুর মহানগরীতে বিএসটিআই এর মোবাইল কোর্ট অভিযানে ২৫,০০০/- টাকা জরিমানা

    রংপুর মহানগরীতে বিএসটিআই এর মোবাইল কোর্ট অভিযানে ২৫,০০০/- টাকা জরিমানা

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি।।

    বিএসটিআই বিভাগীয় অফিস, রংপুর এবং জেলা প্রশাসন, রংপুর এর যৌথ উদ্যোগে রংপুর মহানগরীতে একটি মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালিত হয়। উক্ত অভিযানে মিষ্টি  পণ্য সিএম লাইসেন্সবিহীন উৎপাদন ও বিক্রয়-বিতরণ করায় মেসার্স ঠিকানা রেস্তোরাঁ, গাইবান্ধা বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন, আর কে রোড মহানগর, রংপুর  কে ১৫(১)/২৭ ধারা অনুযায়ী ২৫,০০০/- জরিমানা করা হয়। অভিযানটি পরিচালনা করেন জনাব জাকিয়া সুলতানা রোজী, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, রংপুর। প্রসিকিউটর হিসেবে ছিলেন মারুফা বেগম, ফিল্ড অফিসার (সিএম) ও মোঃ নাসির উদ্দিন, পরিদর্শক (মেট্রোলজি)। 

    জনস্বার্থে বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুরের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • নড়াইলে হারিয়ে যাওয়া পঁচিশটি মোবাইল  উদ্ধার প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর

    নড়াইলে হারিয়ে যাওয়া পঁচিশটি মোবাইল উদ্ধার প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে হারিয়ে যাওয়া পঁচিশটি মোবাইল নড়াইল সিসিআইসি কর্তৃক উদ্ধারপূর্বক প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর।নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার কাজী এহসানুল কবীর’র প্রত্যক্ষ দিকনির্দেশনায় সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল (CCIC) উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান,সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলে কর্মরত চৌকস অফিসার এসআই (নিঃ) মোঃ জয়নুল আবেদীন, এসআই (নিঃ) গৌতম কুমার পাল ও এসআই (নিঃ) আলী হোসেনসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে নড়াইল জেলার ৪টি থানা এলাকায় হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধার করে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় ডিসেম্বর মাসে পঁচিশ টি হারানো মোবাইল উদ্ধার করা হয়। দুপুর সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল কর্তৃক উদ্ধারকৃত বিভিন্ন মডেলের পঁচিশ টি স্মার্ট ফোন কাজী এহসানুল কবীর, পুলিশ সুপার, নড়াইল আনুষ্ঠানিক ভাবে ভুক্তভোগীদের নিকট হস্তান্তর করেন।
    এসময় হারানো মোবাইল ফোন ফেরত পেয়ে মালিকরা আনন্দে আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন। মোবাইল পেয়ে ভুক্তভোগীরা বলেন, তারা এগুলো পাওয়ার আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন, পুলিশ তাদের মোবাইল উদ্ধার করে আস্থার প্রতিদান দিয়েছেন। তারা তাদের মোবাইল হারিয়ে গেলে নিকটস্থ থানায় ঘটনার বিষয়ে জিডি করে সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল, নড়াইল টিমের সাথে যোগাযোগ করেন। যার প্রেক্ষিতে তাদের হারানো মোবাইল ফোন উদ্বার করা হয়। তারা পুলিশ সুপার ও সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল, নড়াইলে কর্মরত সদস্যদের কাজ ও আন্তরিকতার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
    উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মীর শরিফুল হক, ডিআইও (১), মোঃ শাহ্ দারা খান, অফিসার ইনচার্জ, জেলা গোয়েন্দা শাখা ও সিসিআইসি সহ সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল, নড়াইলে কর্মরত পুলিশ সদস্যবৃন্দ।
    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

  • মিরপুর ১২  ঝিলপাড় বস্তি উচ্ছেদে গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের অভিযান

    মিরপুর ১২ ঝিলপাড় বস্তি উচ্ছেদে গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের অভিযান

    সুমন খান:

    রাজধানীর মিরপুর ১২ নম্বরের মোল্লা বস্তি নামে পরিচিত ! এই ঝিলপাড়ে সাত একর জায়গা দখল করে গড়ে উঠা মোল্লা বস্তি উচ্ছেদে অভিযান চালাচ্ছে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ। অথচ ঢাকা সাংবাদিক সমিতিকে জায়গা বুঝিয়ে দিতে এই অভিযান পরিচালনা করেন । গতকাল মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি ২০২৫ ইং) সকালে ঝিলপাড় বস্তি উচ্ছেদে আসেন জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের ভ্রাম্যমাণ আদালত ও পুলিশ সদস্যরা । প্রথমে বস্তির দক্ষিণ ভাগে শুরু হয় উচ্ছেদ অভিযান।জানা যায়, সাত একর জায়গায় গড়ে ওঠা বস্তিটিতে বসবাস করেন ৪০ হাজারের বেশি মানুষ। আগাম নোটিশ ছাড়াই উচ্ছেদ করায় ক্ষোভ জানিয়ে বস্তিবাসীর সকল শ্রেণীর পেশার মানুষ শুধু তাই নয়! এই পুনর্বাসনের জন্য দাবি জানান তারা। কেউ আবার কান্নায় ভেঙে পড়েন আমরা কোথায় গিয়ে উঠবো কে দেখবে আমাদের। থাকারও জায়গা খাওয়ার কিছুই নেই সব কিছু নিশেষ করে দিচ্ছে। একমাত্র উপরওয়ালা আল্লাহ ছাড়া আমাদের দেখার আর কেউ নেই। তাদের করুন আর্তনাদ ভেঙে পড়েন তারা।
    ২০০৬ সালে ঢাকা সাংবাদিক সমবায় সমিতিকে ঝিলপাড়ে সাত একর জমি বরাদ্দ দেয় জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ। এর তিন বছর পর বেদখল হয়ে যায়।
    জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাইয়েবুর রহমান আশিক বলছেন, আগাম নোটিশ দেয়ার পরই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

    তিনি বক্তব্যে আরও বলেন,
    উচ্ছেদ করে প্রাপ্য গ্রাহককে জায়গা বুঝিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আমরা সেভাবেই এগিয়ে যাচ্ছি। সরকারের সিদ্ধান্তই বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
    উচ্ছেদ অভিযানের প্রস্তুতি হিসেবে গেল মঙ্গলবার বস্তির বিদ্যুৎ ও পানি সংযোগ বন্ধ করা হয়।

  • গৌরনদীর নলচিড়ায় বিএনপির সভাপতির কুলখানি অনুষ্ঠিত

    গৌরনদীর নলচিড়ায় বিএনপির সভাপতির কুলখানি অনুষ্ঠিত

    কে এম সোহেব জুয়েল ঃ গৌরনদী উপজেলার নলচিড়া ইউনিয়নের নলচিড়া গ্রামের জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক মোঃ সিরাজ উদ্দিন খাঁন -৯৫ শনিবার ১৮ জানুয়ারি নিজ গ্রামের বাড়িতে বার্ধক্য জনিত রোগে ইন্তেকাল করেন। ইন্না-লিল্লাহে —– রাজেউন।

    তারি ধারাবাহিকতায় মরহুম সিরাজ উদ্দিন খাঁনের পুত্র জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির নলচিড়া ইউনিয়ন যুগ্ম আহবায়ক ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক মোঃ জামাল হোসেন খাঁনের উদ্যোগে ২১ জানুয়ারি মঙ্গলবার বাদ জহুর পিতৃ বিয়োগের আত্মার চীর শান্তির কামনায় নিজ গ্রামের বাড়িতে ‘৩ হাজারের অধিক লোকের সমাগমের মধ্য দিয়ে দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন গৌরনদী উপজেলার জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির আহবায়ক সৈয়দ গোলাম ছরোয়ার আলম বিপ্লব।গৌরনদী উপজেলা সদস্য সচিব শরিফ জহির সাজ্জাদ হান্নান, পৌর বিএনপি যুগ্ম আহবায়ক কামরুজ্জামান খোকন,বরিশাল জেলা উত্তর যুব দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মাইদুল ইসলাম খান সেন্টু, ইউনিয়ন বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোঃ আনিসুর রহমান হাওলাদার, ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোঃ মাকসুদ মৃধা, জেলা ছাত্রদল নেতা মোঃ সুমন মৃধা বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সহ- সভাপতি মোঃ মুহিদুল ইসলাম সুমন, সরিকল ইউনিয়ন যুবদল নেতা কাজী সুজন,ডাঃ কামাল হোসেন, সাংবাদিক কেএম সোহেব জুয়েল প্রমুখ।

    এছারাও নলচিড়া ও সরিকল ইউনিয়ন বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেত্রী বৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। দোয়া ও মোনাজাত শেষে সকল উপস্থিতির মাঝে মধ্যাহ্ন ভোজের আয়োজন করা হয়েছে।

  • মুন্সীগঞ্জে টঙ্গীবাড়ীতে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির শীতবস্ত্র বিতরণ

    মুন্সীগঞ্জে টঙ্গীবাড়ীতে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির শীতবস্ত্র বিতরণ

    লিটন মাহমুদ,
    মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

    মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ীতে বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি পক্ষ থেকে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি টঙ্গীবাড়ী ইউনিট এর উদ্যোগে ২১শে জানুয়ারি (মঙ্গলবার) সকাল ১১ টায় রংমেহার পল্লী উন্নয়ন যুব সংঘ ক্লাবে উপজেলার ৩০০ হত দরিদ্র শীতার্তদের মাঝে এ শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।

    এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টঙ্গীবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ মহিদুল ইসলাম। টঙ্গীবাড়ী উপজেলা যুব রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি দলনেতা আবু বক্কর শেখ এর সভাপতিত্বে ও সদস্য মুন্না খান এর সঞ্চালনায় এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন টঙ্গীবাড়ী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ শাহজাহান, যুব রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির টঙ্গীবাড়ী ইউনিট এর সাবেক দলনেতা মোঃ রাসেল ঢালী,রংমেহার পল্লী উন্নয়ন যুব সংঘের সভাপতি হাকিম ভূইয়া, সাধারণ সম্পাদক বজলু ভূইয়া সহ যুব রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি টঙ্গীবাড়ী ইউনিটের সদস্যবৃন্দ।

  • ঘাটাইলে ভোটার তালিকা হালনাগাদে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ শুরু

    ঘাটাইলে ভোটার তালিকা হালনাগাদে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ শুরু

    ঘাটাইল প্রতিনিধি মোঃ রায়হান মিয়া
    দেশব্যাপী সপ্তমবারের মতো বাড়ী বাড়ী গিয়ে  ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম সোমবার ২০ জানুয়ারী থেকে শুরু হয়েছে, এ কার্যক্রম আগামী ৩ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত চলবে। 

    সারাদেশের ন্যায় ঘাটাইল উপজেলায় এ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ঘাটাইল উপজেলায় ১৪৭জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ৩৩ জন সুপারভাইজার বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করছেন। 

    নির্ভূল ভোটার তালিকা তৈরি করতে নাগরিকদের ভোগান্তি এড়াতে তথ্য সংগ্রহকারীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। 

    এই প্রক্রিয়ায় নতুন ভোটার অন্তর্ভুক্তি, তালিকা থেকে বাদ পড়া নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ এবং মৃতদের নাম বাদ দেওয়ার জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এবার ২০০৮ সালের ১ জানুয়ারী বা তার আগে জন্মগ্রহণকারী সবাইকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ২০ জানুয়ারী থেকে ৩ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করা এরপর ৫ ফেব্রুয়ারী থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত ভোটারদের বায়োমেট্রিক তথ্য গ্রহন সহ নিবন্ধন করা হবে। ১২ ফেব্রুয়ারী থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত ভোটার এলাকা স্থানান্তরের আবেদন গ্রহন করা হবে এবং মৃতদের নাম বাদ দেওয়া হবে। সকল তথ্য ৫ মের মধ্যে সার্ভারে আপলোড করা হবে। 

    উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জন কেনেথ রিছিল জানিয়েছেন বাড়ি বাড়ি গিয়ে নির্ভূল ভোটার তালিকা তৈরি এবং আইন অনুযায়ী কাজ করতে বলা হয়েছে। ঘাটাইল উপজেলায় বর্তমান ভোটার তালিকায় মোট ভোটার সংখ্যা ৩৬৯৯০৫ নতুন ভোটার সংখ্যা ৫% হিসাবে প্রায় ১৯ হাজার আশা করা যায়।

  • ময়মনসিংহে একই কর্মস্থলে প্রায় ৯ বছর শিক্ষা প্রকৌশলীর,হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি-কোটি টাকা

    ময়মনসিংহে একই কর্মস্থলে প্রায় ৯ বছর শিক্ষা প্রকৌশলীর,হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি-কোটি টাকা

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    সরকারি কর্মকর্তা একই কর্মস্থলে তিন বছরের অধিক সময় থাকতে পারবেন না এমন নীতিমালা থাকলেও তা বাস্তবায়ন হচ্ছে না ময়মনসিংহের শিক্ষা প্রোকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী ইউছুফ আলীর ক্ষেত্রে। এ কার্যালয়ে প্রায় ৯ বছর ধরে কর্মরত রয়েছেন তিনি।

    শিক্ষা প্রটোকল অধিদপ্তর অফিস সূত্রে জানা গেছে,
    নির্বাহী ইউছুফ আলীর গত ২০১৫সালের ৩রা আগষ্ট এ জেলায় যোগদান করে এখন পর্যন্ত (প্রায় নয় বছর) একই কর্মস্থলে কর্মরত আছেন।

    অভিযোগ উঠেছে, দীর্ঘ সময় একই কর্মস্থলে চাকরি করার সুবাদে ডালপালা মেলেছে তার। সকল প্রকার নিয়ম-বিধি ভঙ্গ করে নিজস্ব নিয়মে ইচ্ছামাফিক দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এতে বাস্তবায়ন হচ্ছে না সরকারের লক্ষ্যমাত্রা।

    শিক্ষা প্রোকৌশল অধিদপ্তরের ঠিকাদাররা বলছেন, দীর্ঘদিন একই কর্মস্থলে চাকরি করায় অনেকের সঙ্গে তার সখ্য গড়ে উঠেছে। আওয়ামী লীগের নেতাদের আত্মীয় বলে প্রভাব খাটিয়ে সুযোগ কাজে লাগিয়ে অবৈধভাবে লাভবান হচ্ছেন। শিক্ষা প্রোকৌশল ভবন নির্মাণে ঠিকাদারদের উপর প্রভাব খাটিয়ে তিনি অনৈতিক সুবিধা দিচ্ছেন।

    অভিযোগ উঠেছে- ময়মনসিংহ জেলায় শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ আলী যোগদানের পর থেকে ভবন নির্মাণে অনিয়ম, কাজের গতি কমসহ নানা অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে !  এসব অভিযোগের প্রমাণ পেলেও নেওয়া হয়নি কোনো ব্যবস্থা!এমনকি তদন্ত প্রতিবেদন ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে অনেক!

    সুত্র মতে জানা গেছে,নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ আলী
    শত শত কোটি টাকার উন্নয়ন কাজে  পার্সেন্টিস বানিজ্য,ঘুষ বানিজ্য, টেন্ডার বানিজ্য সহ নানা অনিয়ম ও দূর্নীতি করে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা! নামে -বেনামে সম্পদ অর্জন সহ-পরিবারের বিভিন্ন সদস্যের নামে ব্যাংক ব্যালেন্স করে ইতিমধ্যে  নিজের আখের গুছিয়ে নিয়েছেন!  এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। চলছে নানা সমালোচনা!

    অভিযোগ উঠেছে,আওয়ামীলীগ নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল সহ বিভিন্ন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নেতাদের নাম ভাঙিয়ে অর্থাৎ সাবেক কৃষি মন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক কে আত্মীয় পরিচয় দিয়ে দাপটের সাথে প্রকল্পের রস চুষে নিয়েছেন তিনি!  কাজ যেমনই হোক,নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ আলীকে কমিশন দিতেই হবে! আওয়ামী লীগের নেতাদের আত্মীয় বলে কথা!  অন্যতায় হয়রানির শেষ নেই সংশ্লিষ্ট, ঠিকাদারদের! ফলে কাজে গাফিলতি করতে বাধ্য হন ঠিকাদাররা, নানা অনিয়মে জর্জরিত পরিচালনা বাজেট সংকট’সহ নানা কারণে চলমান এসব উন্নয়ন কাজগুলোয় স্থবিরতা নেমে এসেছে। এতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে।
    সেই সঙ্গে নির্মাণকাজে নিম্নমানের সামগ্রীর ব্যবহার ও ঠিকাদারি কাজের বিল ছাড়ে কমিশন বাণিজ্য ও ঘুস বানিজ্যের  অভিযোগ রয়েছে নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ আলীর  বিরুদ্ধে! খোজ নিয়ে আরও জানা গেছে, বর্তমানে কুলস পাল্টিয়ে তিনি নিজেকে সাবেক ছাত্রদল নেতা পরিচয় দেন। কারণ এখনো তিনি বহাল তবিয়তে!

    সংশ্লিষ্ট প্রকৌশল সূত্র জানায়, ৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ময়মনসিংহ জেলায় ২৪৭টি উন্নয়নকাজ চলমান আছে। এর মধ্যে রয়েছে চার তলা বেসরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও মাদ্রাসা ভবন, ঊর্ধ্বমুখী ভবন নির্মাণ, ছয়তলা সরকারি কলেজ ভবন, পাঁচতলা মহিলা হোস্টেল এবং উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক ভবন। তবে এসব উন্নয়ন নির্মাণে ঠিকাদারি কাজের মেয়াদকাল শেষ হয়ে গেলেও র্দীঘ ৪ বা ৫ বছরে কাজের অগ্রগতি হয়েছে অর্ধেক বা তার কিছু অধিক। এমন দাবি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্রের। অভিযোগ উঠেছে, উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চারটি ভবনের মধ্যে তিনটির কাজ ২০১৮ সালে শেষ হলেও স্থবির হয়ে আছে   আরও অন্যান্য প্রকল্প।

    এদিকে ফুলপুর, গৌরীপুর, ভালুকা’সহ জেলার প্রায় সব কয়টি উপজেলায় শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উন্নয়নকাজে ব্যাপক দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ ওঠেছে । সেই সঙ্গে ভবন নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রীর ব্যাবহারের অভিযোগও উঠেছে। ভালুকা উপজেলার এক ঠিকাদার নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, উন্নয়ন কাজগুলোর বিল তৈরির প্রতিটি ধাপে নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন দিতে হয় সংশ্লিষ্টদের। আর এসব কমিশন ঠিকাদারদের কাছ থেকে আদায় করেন প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী প্রকৌশলীর পক্ষে সহকারী প্রকৌশলী, অফিস সহকারী,হিসাব রক্ষক সহ সংশ্লিষ্টরা! নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ঠিকাদার এই অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বিল করার সময় কমিশন তো দিতেই হয়। এটা ছাড়া কোনো অফিসেই কাজ হয় না।

    এ বিষয়ে  নির্বাহী  প্রকৌশলী মো. ইউসুফ আলী বলেন, ২০১৫ সাল থেকে ময়মনসিংহে আছি। এই সময়ে ময়মনসিংহের প্রতিটি সংসদীয় আসনে কমপক্ষে ৩০টি করে তিন তলা এবং চার তলা ভবন হয়েছে। সে ভবনগুলোর কাজের মানও সর্বোচ্চ নিশ্চিত করতে চেষ্টা করেছি। এতে শিক্ষার পরিবেশও সুন্দর হয়ে উঠেছে। তিনি আরও বলেন, বেশ কয়েকটি ভবন নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছিল। সেগুলো খতিয়ে দেখে মানসম্পন্ন সামগ্রী দিয়ে কাজ করা হয়েছে। তবে অফিসে আমার অজান্তে কেউ কোনো কাজে নয় ছয় করেছে বলে আমার জানা নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখব। সেই সঙ্গে চলমান উন্নয়ন কাজ গুলোতে কিছুটা ধীরগতি চলছে তা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। তবে এর নেপথ্যে , দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, পরিচালনা বাজেট সংকট সহ নানা কারণ জড়িয়ে রয়েছে। তবুও আমরা চেষ্টা করছি দ্রুত সময়ে চলমান উন্নয়ন কাজ গুলো শেষ করতে।

    প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের ৩ আগস্ট ময়মনসিংহ শিক্ষা প্রকৌশলে যোগদান করেন নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইউসুফ আলী। সেই থেকে প্রায় ৯ বছর ধরে তিনি আছেন ময়মনসিংহে! ফলে দীর্ঘ সময় একই কর্মস্থলে দয়িত্ব পালন করার কারণে স্থানীয় ঠিকাদারদের সাথে তার সখ্যতা অনেক গভীর বলেও দাবি সংশ্লিষ্ট সূত্রের। তবে স্হানীয় সচেতন মহল মনে করেন বিষয় টি দ্রুত খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।