Blog

  • ১৫ বছরে পদার্পণ করল সাপ্তাহিক পলাশবাড়ী পত্রিকা

    ১৫ বছরে পদার্পণ করল সাপ্তাহিক পলাশবাড়ী পত্রিকা

    মোঃ আনিসুর রহমান আগুন, গাইবান্ধা থেকেঃ

    গাইবান্ধায় পালিত হলো’ আমরা সত্যের অংশীদার’ শ্লোগান সম্বিলিত নিয়মিত পত্রিকা সাপ্তাহিক পলাশবাড়ী’র ১৫ তম জন্মদিন। ১৫ তম বছরে পদার্পণ উপলক্ষে কেক কর্তন, প্রার্থনা ও দোয়া, আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৩ ডিসেম্বর মঙ্গলবার পত্রিকাটির সম্পাদক ও প্রকাশক উত্তম কর্মকারের সভাপতিত্বে কেক কর্তন ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন আমার দেশ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি শামিমুল হক শাহীন, সাপ্তাহিক কাটাখালী পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন আকন্দ, সাপ্তাহিক অবিরাম পত্রিকার সম্পাদক হারুন উর- রশিদ বাদল, সাপ্তাহিক গাইবান্ধার বুক এর সম্পাদক সামছুজোহা, সাংবাদিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সালাহউদ্দিন কাশেম, শামীম রেজা, বিমল চন্দ্র, জাহিদ হোসেন জিমু, কার্তিক চন্দ্র, ময়নুল ইসলাম, আতিকুর রহমান, জাকিরুল ইসলাম, আব্দুল হাই, ইসমাইল হোসেন সিরাজি, লিটন মিয়া লাকু, দিশা আক্তার, খাইরুল ইসলাম, এস এস মিঠু, আনোয়ার হোসেন মাসুদসহ উৎপল কর্মকার প্রমুখ।

  • পাবনা প্রতিশ্রুতির উদ্যোগে পেঁয়াজ চাষ সম্প্রসারণে গোলটেবিল বৈঠক অ-নুষ্ঠিত

    পাবনা প্রতিশ্রুতির উদ্যোগে পেঁয়াজ চাষ সম্প্রসারণে গোলটেবিল বৈঠক অ-নুষ্ঠিত

    এম এ আলিম রিপন : গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষ সম্প্রসারণের মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের আয় বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি শীর্ষ প্রকল্পের আওতায় উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন, কৃষি অধিদপ্তর, পরিবেশ অধিকারও মান নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের সাথে গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে ।পাবনা প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নে, ইফাদ ও ডেনমার্ক এম্বাসির অর্থায়নে এবং পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এর সহযোগিতায় সোমবার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ি পাবনার উপ পরিচালকের কার্যালয়ে এ গোল টেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।পাবনা প্রতিশ্রুতির সভাপতি আব্দুল মতীন খানের সভাপতিত্বে ও সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক কৃষিবিদ আমিনুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ি পাবনার উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলম প্রামানিক। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ি পাবনার অতিরিক্ত উপ পরিচালক (শস্য) কৃষিবিদ রাফিউল ইসলাম ।এর আগে গোল টেবিল বৈঠকের শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য রাখেন পাবনা প্রতিশ্রুতির পরিচালক ও ফোকাল পার্সন ( আর এম টি পি) মোঃ মনির হোসেন ।বৈঠকে সুজানগর ও সঁাথিয়া উপজেলার কৃষক-কৃষাণীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ৫০ জন ব্যক্তি অংশগ্রহণ করেন।

    এম এ আলিম রিপন।।

  • পাবনা-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সেলিম রেজা হাবিবের মনোনয়ন ফরম উ-ত্তোলন

    পাবনা-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সেলিম রেজা হাবিবের মনোনয়ন ফরম উ-ত্তোলন

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ আসন্ন ক্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৬৯পাবনা-২ (সুজানগর-বেড়া আংশিক) আসন থেকে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এ.কে.এম সেলিম রেজা হাবিব মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে সুজানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদের নিকট থেকে পাবনা-২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট এ.কে.এম সেলিম রেজা হাবিব মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। এ সময় উপজেলা নির্বাচন অফিসার সাগর আহমেদ, সুজানগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব আজম আলী বিশ্বাস, বেড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি আব্দুল গনি ফকির, সুজানগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাজারী জাকির হোসেন চুন্নু, সুজানগর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব এবিএম তৌফিক হাসান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ শেষে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এ.কে.এম সেলিম রেজা হাবিব সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তিনি বলেন, আজকের দিনটি আমার জন্য একটি পবিত্র দিন। এই নির্বাচনী ট্রেনের প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে মনোনয়নপত্র উত্তোলনের কার্যক্রম শুরু হলো। ধানের শীষ প্রতীকে মনোনয়ন তুলতে পেরে আমি গর্বিত। তিনি আরও বলেন, এই আসনে অন্যান্য দল কিংবা স্বতন্ত্র প্রার্থী থাকতেই পারে, এতে কোনো সমস্যা নেই। এটি প্রত্যেকের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা। তবে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, পাবনা-২ নির্বাচনী এলাকার মানুষ ধানের শীষে ভোট দেওয়ার জন্য মুখিয়ে আছে। ধানের শীষ ছাড়া অন্য কাউকে বেছে নেওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। ভোটের বিষয়ে তিনি বলেন, মানুষের ভোটের প্রকৃত বহিঃপ্রকাশ ঘটবে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি। দলীয় মনোনয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অনেকেই হয়তো মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন, সেটি স্বাভাবিক। তবে দলের হাইকমান্ড বিচার-বিশ্লেষণ ও তদন্ত করে একজনকেই মনোনয়ন দিয়েছে। এখন সেই লক্ষ্যেই সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়ন এবং সমাজ থেকে মাদক, সন্ত্রাস ও চঁাদাবাজি নির্মূলে কাজ করবেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন অ্যাডভোকেট এ.কে.এম সেলিম রেজা হাবিব। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বেড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রইজ উদ্দিন আহমেদ, বেড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি শামসুর রহমান সমেজ, সুজানগর পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ন আহ্বায়ক অধ্যাপক আব্দুল মোনায়েম, সুজানগর পৌর বিএনপির সভাপতি কামাল হোসেন বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক জসিম বিশ্বাস, উপজেলা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক অধ্যক্ষ নাদের হোসেন, সুজানগর উপজেলা বিএনপি নেতা আহমেদ আলী প্রামানিক লাটু, উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহ্বায়ক রাশেদুল ইসলাম বাবু মন্ডল, বেড়া সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক লুৎফর রহমান, বেড়া উপজেলা বিএনপি নেতা কিরণ মির্জা,সুজানগর উপজেলা বিএনপি নেতা ডাঃ আব্দুস সালাম, আব্দুল হাই,হাবিবুর রহমান মাস্টার, আব্দুস সালাম মোল্লা, হারুন মন্ডল,উপজেলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক আব্দুল মান্নান মোল্লা, সুজানগর পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর আনিছুর রহমান খোকন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সিদ্দিকুর রহমান পিন্টু, সদস্য সচিব রিয়াজ মন্ডল, উপজেলা তঁাতীদল নেতা আসাদুজ্জামান রোকন, বেড়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক রাজ্জাক ফকির,বেড়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহ্বায়ক নুর শরীফ,সদস্য সচিব মেহেদী মান্নান, সুজানগর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব ফজলুর রহমান,পাবনা জেলা ছাত্রদলের সহ সভাপতি শাকিবুল ইসলাম সনি, সুজানগর উপজেলা ছাত্রদল নেতা গাজী মাজহারুল ইসলাম ও শেখ রুবেলসহ সুজানগর ও বেড়া উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • নলছিটিতে কৃষকলীগ ও যুবলীগের দুই নেতা গ্রে-ফতার

    নলছিটিতে কৃষকলীগ ও যুবলীগের দুই নেতা গ্রে-ফতার

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ–২ অভিযানে ঝালকাঠির নলছিটিতে বাবা- ছেলে কৃষকলীগ ও যুবলীগের দুই নেতাকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। ২২ ডিসেম্বর সোমবার ভোর রাতে উপজেলার সুবিদপুর ইউনিয়নের গোদন্ডা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
    গ্রেফতাররা হলেন, সুবিদপুর ইউনিয়ন কৃষকলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রাজ্জাক সরদার ও তার ছেলে একই ইউনিয়নের
    ৩ নং ওয়ার্ডের যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. রাসেল সরদার।
    নলছিটি থানার ওসি আরিফুল আলম এ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঝালকাঠি সদর থানার একটি মামলায় ওই দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

  • রাজশাহী-১ আসনে হা-জারো নেতাকর্মী নিয়ে শরিফ উদ্দিনের মনোনয়নপত্র উত্তোলন

    রাজশাহী-১ আসনে হা-জারো নেতাকর্মী নিয়ে শরিফ উদ্দিনের মনোনয়নপত্র উত্তোলন

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহী-১(তানোর-গোদাগাড়ী) সংসদীয় আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিন হাজারো নেতা ও কর্মীসমর্থকদের নিয়ে দলীয় মনোনয়নপত্র উত্তোলন করেছেন।২০২৬ সালের ১২ ফেব্ররুয়ারী ত্রয়োদশ জাতীয় সাংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। গত ৩ নভেম্বর তাকে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দেশ জাতির জন্য দোয়া করে মেজর জেনারেল অবঃ শরীফ উদ্দীন গোদাগাড়ী-তানোরের হাজারো নেতা ও কর্মীসমর্থকদের নিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাচন কমিশন কার্যালয় থেকে মনোনয়নপত্র উত্তোলন করেন।
    এসময় গণমাধ্যম কর্মীদের প্রশ্নের জবাবে শরীফ উদ্দীন বলেন, যদি এ আসনে ধানের শীষের বিজয় হয় তাহলে তিনি গোদাগাড়ী-তানোর আসনের জনগণের জন্য মাদক মুক্ত পরিবেশ, সন্ত্রাস মুক্ত সমাজ, চাঁদাবাজ মুক্ত পরিবেশ বজায়,পদ্মা নদীর বাঁধ পূর্ণ নির্মাণ ও বেকারত্ব সমস্যা দূর করতে শিল্প কারখানা নির্মাণ করবেন।এছাড়াও গোদাগাড়ী-তানোর আসনের জনগণের জীবন- মানন্নোয়নের জন্য যা যা করা প্রয়োজন তা করবেন। এছাড়াও সাবেক মন্ত্রী প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হকের অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করা হবে ইনশাল্লাহ।
    এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সদস্য আহ্বায়ক কমিটি রাজশাহী জেলা বিএনপি সদর উদ্দিন,
    সভাপতি গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপি আব্দুস সালাম শাওয়াল,
    সাবেক মেয়র গোদাগাড়ী পৌরসভা আনারুল ইসলাম,সাবেক আহ্বায়ক গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপি আব্দুল মালেক, যুগ্ম আহ্বায়ক জেলা যুবদল অরণ্য কুসুম, তানোর বিএনপির আহবায়ক আখেরুজ্জামান হান্নান, চাঁন্দুড়িয়া ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মফিজ উদ্দিন,তানোর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হযরত আলী মাস্টার,তানোর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক রায়হানুল হক রায়হান,জেলা যুবদলের সদস্য জাহাঙ্গীর আলম,জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক মোতালেব হোসেন, তানোর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আব্দুল মালেক মন্ডল,ডাঃ মিজানুর রহমান, দেওপাড়া ইউপি বিএনপির সভাপতি আব্দুল হাই টুনু সরকার, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক গোদাগাড়ী উপজেলা ছাত্রদল শেখ ফরিদ, সদস্য সচিব গোদাগাড়ী উপজেলা ছাত্রদল কাওসার আহমেদ, সদস্য গোদাগাড়ী উপজেলা যুবদল টনি সরকার, সম্পাদক মাটিকাটা ইউনিয়ন ছাত্রদল মানিক,তানোর ছাত্রদল নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুন ও রঞ্জু আহমেদপ্রমুখ।এছাড়াও তানোর ও গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা ও কর্মীসমর্থকগণ উপস্থিত ছিলেন।#

  • পাইকগাছায় মাঠ জুড়ে হলুদ ফুলের স-মারোহ

    পাইকগাছায় মাঠ জুড়ে হলুদ ফুলের স-মারোহ

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা)
    প্রকাশ ঘোষ বিধান; খুলনার পাইকগাছায় অনুকূল আবহাওয়ায় বিস্তীর্ণ সরিষার ক্ষেত হলুদ ফুলে ভরে গেছে। যা কৃষক ও স্থানীয়দের মধ্যে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস তৈরি করেছে। মৌমাছিরা ক্ষেতের হলুদ ফুলে মধু আহরণে ব্যস্ত। বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে হলুদের সমারোহ দেখে চোখ জুড়ে যায়। ক্ষেতের পর ক্ষেতে তরতাজা সবুজ সরিষা গাছাগুলোতে হলুদ ফুলে ফুলে ভরে উঠায় কৃষককের মুখে হাসি ফুটেছে। এই মনোরম দৃশ্যে অনেক তরুণ-তরুণী ছবি তুলতে ভিড় করছেন, যা এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে।
    কোন বৃস্টি ও ঘন কুয়াশা না পড়ায় সরিষা চাষের জন্য অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করছে। বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে হলুদের সমারোহ দেখে চোখ জুড়ে যায়। ক্ষেতের পর ক্ষেতে তরতাজা সবুজ সরিষা গাছাগুলোতে হলুদ ফুলে ফুলে ভরে উঠায় কৃষককের মুখে হাসি ফুটেছে। পাইকগাছা উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ৩২৫ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে বিনা চাষে সাথী ফসল হিসাবে ৬৫ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ করা হয়েছে। কৃষি অফিস থেকে বিনামূল্যে কৃষকদের সরিষার বীজ ও সার দেওয়ায় সরিষার আবাদ বেড়েছে। তবে সময় মত মাটিতে জো না আসায় সরিষার আবাদ কিছুটা দেরি শুরু হয়েছে। উপকূলের লবনাক্ত এলাকা চাষাবাদ অনেকটা প্রকৃতি ও আবহাওয়ার উপর নির্ভর করে। অন্য এলাকায় আগাম মাটিতে জো আসলেও উপকূল এলাকার নিঁচু মাটিতে জো আসতে দেরি হয়। উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে সরিষার চাষের উপযোগী ৪টি ইউনিয়ন গদাইপুর, হরিঢালী,কপিলমুনি ও রাড়ুলি সরিষার আবাদ হয়। আর চাঁদখালী, গড়ইখালী ও দেলুটিতে উচু এলাকার সামান্য জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে। কৃষকরা বারি সরিষা ১৪, ১৮ বিনা-৯ ও স্থানিয় জাতের সরিষা আবাদ করেছে। উপকূলীয় উর্বর জমিতে এ বছর আশানারুপ সরিষা উৎপাদন হবে বলে কৃষকরা আশা করছে।
    উপজেলার গোপালপুর গ্রামে সরিষা চাষী আব্দুস সামাদ, আনছার আলী, হিতামপুর ব্লকের জিয়া সরদার জানান, তাদের ক্ষেতের আবাদকৃত সরিষা ভালো হয়েছে।
    এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ একরামুল হোসেন জানান, ধান কাটতে দেরি হওয়ায় সরিষা আবাদ করতে কিছুটা দেরি হয়েছে। কৃষকরা যদি আগাম জাতের ধান চাষ করে তাহলে ধান কাঁটার পর সময়মত সরিষা চাষ করতে পারবে। তাছাড়া উপকূল এলাকার নিচু জমিতে জো আসে দেরিতে সে জন্য সরিসার বীজবপন করতে দেরি হয়। এবছর উপজেলায় সরিষার আবাদ ভালো হয়েছে। প্রাকৃতিক কোন বিপর্যয়ের সৃষ্টি না হলে সরিষার আশানুরুপ ফলন পাওয়া যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    প্রেরক
    ইমদাদুল হক
    পাইকগাছা খুলনা।

  • বানারীপাড়ায় প্র-তিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সু-রক্ষা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

    বানারীপাড়ায় প্র-তিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সু-রক্ষা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

    বানারীপাড়া প্রতিনিধি :
    বরিশালের বানারীপাড়ায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা কমিটির ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে এবং বানারীপাড়া উপজেলা প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদের সহায়তায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (কোডেক)।
    সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ বায়েজিদুর রহমান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মাহফুজুর রহমান, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা তনয় সিংহ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার প্রতিনিধি ডা. ফাহিম আরিফ, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা পার্থ সারথি দেউরি, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা খগপতি রায়, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার জয়শ্রী কর, ছাত্র প্রতিনিধি মোঃ সাব্বির হোসেন, সাংবাদিক ইলিয়াস শেখ, সাইফুল ইসলাম মিয়াসহ প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদের দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ।
    সভায় সমাজসেবা কর্মকর্তার সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ বায়েজিদুর রহমান। তিনি বলেন,
    “প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের স্বাভাবিক দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখলে তাদের মানসিক শক্তি বৃদ্ধি পায়। এতে জ্ঞান ও দক্ষতা বিকাশের মাধ্যমে তারা নিজেদের প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে উঠে দেশের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।”
    এসময় বক্তারা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং এ ক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠানকে আরও সক্রিয়ভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

    মোঃ সাব্বির হোসেন।।

  • নড়াইল সদর হাসপাতালের লিফটের কাজ দীর্ঘ ৮ বছরেও শেষ হ-য়নি

    নড়াইল সদর হাসপাতালের লিফটের কাজ দীর্ঘ ৮ বছরেও শেষ হ-য়নি

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইল সদর হাসপাতালের লিফটের কাজ দীর্ঘ ৮ বছরেও নির্মাণ কাজ শেষ হয়নি। নড়াইলের ২৫০ শয্যা হাসপাতালের কার্যক্রম। দীর্ঘ ৮ বছরেও নির্মাণ কাজ শেষ না হওয়ায় সেবা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনদের কাছে হাসপালটির উন্নত সেবার আশা দিন দিন নিরাশায় রূপ নিচ্ছে। বর্তমানে জেলার ১০০ শয্যার হাসপাতালটি গড়ে প্রতিদিন ধারণ ক্ষমতার প্রায় চারগুন রোগীর সেবা দিচ্ছে। অথচ পাশেই দাঁড়িয়ে আছে নতুন ঝকঝকে সুউচ্চ ৯ তলা ভবনটি। কাজের মেয়াদ শেষ হলেও ভবন হস্তান্তর আর ২৫০ শয্যার হাসপাতাল চালুর ব্যাপারে জানা নেই স্বাস্থ্য বিভাগের। তবে দ্রুত হস্তান্তরের আশার বানী গণপূর্তের। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, জেলা গণপূর্ত বিভাগের তথ্য বলছে, গত ২০১৭ সালে নড়াইলে ২৫০ শয্যা হাসপাতালের মূল ভবন, সার্ভিস ভবন ও চিকিৎসকদের জন্য ডরমেটরি ভবন নির্মাণে ডিপিপি (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব) অনুমোদন পায়। ২০১৮ সালের জুন মাসে ৮টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের ৮ তলা ভবনসহ প্রকল্পটির নির্মাণকাজ শুরু করে। যার প্রস্তাবিত মূল্য ধরা হয় ৬১ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। আর বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ৯ম তলায় ১০ শয্যা বিশিষ্ট আইসিইউ নির্মাণের কাজে প্রস্তাবিত মূল্য ধরা হয় ৫ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। তিন দফা মেয়াদ বাড়িয়ে গত বছরের জুনে কাজের মেয়াদ শেষে হস্তান্তরের কথা থাকলেও নকশা জটিলতায় লিফটের বাটনে ঝুলে আছে হস্তান্তর প্রক্রিয়া।
    সরেজমিনে হাসপালটিতে দেখা যায়, সিড়ি তলা থেকে বারান্দা (করিডোর) কোথাও যেন পা ফেলার জায়গা টুকুও ফাঁকা নেই। রোগী আর স্বজনদের এমন ভিড়ের দৃশ্য যেন নিত্যদিনের চিত্র নড়াইল জেলা শহরের একমাত্র ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতলটির। গড়ে প্রতিদিন ধারণ ক্ষমতার তিন থেকে চারগুণ রোগীর চাপ সামলাতে নাজেহাল অবস্থা হাসপাতলটির।
    হাসপাতলটিতে সেবা নিতে আসা রোগীর স্বজনরা জানান, হাসপাতালটির ফ্লোর, করিডোর, সিঁড়ির তলায় মাদুর আর চাদর মেলে রোগী নিয়ে অবস্থান করছেন অন্তত ২৫০ রোগীর স্বজনরা। একদিকে, শীতের প্রকোপ অন্যদিকে রোগ সংক্রমনের শঙ্কা নিয়ে অনেকটা নিরুপায় হয়েই একটু উন্নত চিকিৎসার আশায় মানবেতরভাবে হাসপাতালে অবস্থান করছেন তারা।
    তবে, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, অস্ত্রোপচারের সকল সুবিধা না থাকাসহ হাসপাতালটির নাজেহাল অবস্থায় এক থেকে দুই দিনের মধ্যে সদর হাসপাতাল ছেড়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতাল, খুলনা মেডিকেলসহ ঢাকায় রোগী স্থানান্তর করতে বাধ্য হচ্ছেন রোগীর স্বজনরা। তাই আশ্বাসে সীমাবদ্ধ না থেকে দ্রুত ২৫০ শয্যা হাসপাতালের বাস্তবায়ন চান সেবা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা।
    নড়াইল সদর হাসপাতালের তত্বাবধায়ক মো. আব্দুল গফ্ফার বলেন, সীমিত জনবলসহ নানাবিধ সংকটের মাঝে ধারণ ক্ষমতার প্রায় চারগুণ রোগীর সেবা দিচ্ছে নড়াইল সদর হাসপাতাল। ২৫০ শয্যা হাসপাতাল ভবনের কাজ শেষ হয়েছে। এটি একটি বহুমুখী হাসপাতাল। রোগী রাখার স্থান চতুর্থ তলার উপরে। যে কারণে লিফটের কাজ সম্পন্ন না করে কোনোভাবে হাসপাতালটির সেবা কার্যক্রম চালু করা সম্ভব নয়।
    তিনি বলেন, লিফটের সমস্যা সমাধান করে কবে নাগাদ হস্তান্তর করবেন, সেটা গণপূর্তই বলতে পারবেন। তবে হস্তান্তরের পর কতদিন নাগাদ সেবা কার্যক্রম চালু করা সম্ভব এমন প্রশ্নে স্বাস্থ্য বিভাগের এ কর্মকর্তা আরও বলেন, ভবন প্রস্তুত হলে, লোকবল নিয়োগসহ আনুষাঙ্গিক অনেক বিষয় বাকি থেকে যায়। মন্ত্রণালয়ের আন্তরিকতায় সেটা হস্তান্তর পরবর্তী আর এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে চালু হতে পারে।
    নড়াইল গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মু. সারোয়ার হোসেইন বলেন, লিফটের কাজ শেষ না হওয়ায় নির্ধারিত সময়ে স্বাস্থ্য বিভাগের আছে ২৫০ শয্যা হাসপাতালটি হস্তান্তর করা এখনও সম্ভব হয়নি। ১২৫০ কেজির চারটি লিফট (প্যাসেনঞ্জার কাম বেড লিফট) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পরিকল্পনা কমিশনে ডিপিপি অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। আশা করা যায়, আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে অনুমোদন সাপেক্ষে লিফটের কাজ শেষ করে আমরা হস্তান্তর করতে পারবো।

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি।

  • চিলাহাটি ওয়েব ডটকমের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে গোলাম মোস্তফা রাঙ্গাকে সম্মাননা

    চিলাহাটি ওয়েব ডটকমের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে গোলাম মোস্তফা রাঙ্গাকে সম্মাননা

    স্টাফ রিপোর্টার : চিলাহাটি ওয়েব ডটকমের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পত্রিকাটির শুরু লগ্ন থেকে নিরলসভাবে সম্পৃক্ত থাকার স্বীকৃতিস্বরূপ কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি গোলাম মোস্তফা রাঙ্গাকে সম্মাননা স্মারক ও পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) প্রদান করা হয়েছে। সম্প্রতি আয়োজিত এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে চিলাহাটি ওয়েব ডটকমের সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি তরিকুল আহসান ডাবলু, অনলাইনটির প্রতিষ্ঠাতা এবং সম্পাদক ও প্রকাশক আপেল বসুনীয়া তাঁর হাতে এ সম্মাননা স্মারক ও আইডি কার্ড তুলে দেন।

    চিলাহাটি ওয়েব ডটকম এর সম্পাদক ও প্রকাশক আপেল বসুনীয়া বলেন, চিলাহাটি ওয়েব ডটকমের অগ্রযাত্রায় মাঠপর্যায়ের সংবাদকর্মীদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুরু থেকেই নিষ্ঠা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসা গোলাম মোস্তফা রাঙ্গা পত্রিকাটির সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

    উল্লেখ্য, গোলাম মোস্তফা রাঙ্গা ২০১২ সাল থেকে চিলাহাটি ওয়েব ডটকমের সঙ্গে যুক্ত থেকে কুড়িগ্রাম জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ, জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট ও উন্নয়নমূলক সংবাদ নিয়মিতভাবে পাঠিয়ে আসছেন। তাঁর দীর্ঘদিনের এই অবদান ও সাংবাদিকতায় নিষ্ঠার স্বীকৃতি হিসেবেই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এ বিশেষ আয়োজনে তাঁকে সম্মানিত করা হয়।

    এ সময় চিলাহাটি ওয়েব ডটকমের আরও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন এবং তাঁরা গোলাম মোস্তফা রাঙ্গার ভবিষ্যৎ সাফল্য কামনা করেন।

  • নওগাঁ এসপির নেতৃত্বে বিশেষ অ-ভিযানে ৭০ কেজি গাঁ-জাসহ দুই মা-দক কারবারি আ-টক

    নওগাঁ এসপির নেতৃত্বে বিশেষ অ-ভিযানে ৭০ কেজি গাঁ-জাসহ দুই মা-দক কারবারি আ-টক

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    নওগাঁ পুলিশ সুপার (এসপি)
    মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের সরাসরি তত্ত্বাবধান ও নেতৃত্বে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা পুলিশ। অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ দুইজন চিহ্নিত মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে।
    রোববার (২১ ডিসেম্বর) নওগাঁ জেলা পুলিশের উদ্যোগে সদর থানাধীন ননিয়া পট্টি এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নওগাঁ সদর মডেল থানার অফিসার ও ফোর্সের পাশাপাশি জেলা গোয়েন্দা শাখা ডিবি নওগাঁ যৌথভাবে অংশগ্রহণ করে। ডিবি ইনচার্জসহ সংশ্লিষ্ট সকল অফিসার ও ফোর্স সক্রিয়ভাবে অভিযান পরিচালনায় দায়িত্ব পালন করেন। অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল অবৈধ মাদকদ্রব্য উদ্ধার, মাদক কারবারিদের সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং মাদক সংশ্লিষ্ট অপরাধ দমন। অভিযান চলাকালে কলোনির বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। একইসঙ্গে মাদক বিক্রয়লব্ধ নগদ অর্থ, মাদক সংরক্ষণ ও বিক্রয়ে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়। এ সময় দুইজন মাদক কারবারিকে হাতেনাতে মাদকসহ আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
    অভিযান চলাকালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন মাদক কারবারি কৌশলে পালিয়ে যায়। পলাতক আসামিদের সনাক্তকরণ ও গ্রেপ্তারের জন্য আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
    উদ্ধারকৃত আলামতের মধ্যে রয়েছে মোট ৭০ কেজি গাঁজা। এছাড়া CAREWS Country Liquor লেখা সংবলিত এক হাজার মিলিলিটার মদ ভর্তি প্লাস্টিক বোতল পাঁচটি এবং পাঁচশ মিলিলিটার লেখা সংবলিত মদ ভর্তি প্লাস্টিক বোতল তেরটি উদ্ধার করা হয়। আরও উদ্ধার করা হয় সাদা প্লাস্টিক বোতলে রাখা মদ সতেরটি, যার মোট ওজন পাঁচ হাজার একশ গ্রাম। সর্বমোট তরল মদের পরিমাণ ১৬ লিটার ৬০০ মিলিলিটার। পাশাপাশি খালি প্লাস্টিক বোতল পঁয়তাল্লিশটি এবং কর্ক ছয়শ ষাটটি জব্দ করা হয়েছে।
    এছাড়াও বিভিন্ন মূল্যমানের নোটে মাদক বিক্রয়লব্ধ এক লক্ষ আটশত নব্বই টাকা উদ্ধার করা হয়। মাদক কারবারে ব্যবহৃত হওয়ার প্রাথমিক আলামত হিসেবে একটি স্মার্ট মোবাইল ফোনও জব্দ করেছে পুলিশ।
    আটককৃত আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। নওগাঁ জেলা পুলিশ জানিয়েছে, মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ মাদক কারবারের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে জেলা পুলিশের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদার করা হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে।#