Blog

  • বাগআঁচড়া ডাঃ আফিল উদ্দীন ডিগ্রি কলেজের দুই শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা

    বাগআঁচড়া ডাঃ আফিল উদ্দীন ডিগ্রি কলেজের দুই শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা

    আজিজুল ইসলাম,যশোরঃ: যশোরের শার্শার বাগআঁচড়া ডাক্তার আফিল উদ্দীন ডিগ্রী কলেজের দুই শিক্ষার্থী আল জুবায়ের ও তাকিয়া সুলতানাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে মেডিকেল ভর্তি পরিক্ষায় উত্তির্ন হওয়ায় বৃহস্পতিবার সকালে কলেজের পক্ষ থেকে তাঁদের এ সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

    কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন কলেজ শিক্ষক নূর হুসাইন,আলমগীর কবির,আনোয়ারুল ইসলাম,মাসুদুর রহমান মিলন প্রমুখ।

    আল জুবায়ের উপজেলার রাড়িপুকুর গ্রামের মৃত আজিজুল ইসলামের ছেলে। সে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। তাকিয়া সুলতানা উপজেলার বাগআঁচড়া গ্রামের ফারুক আহমেদের মেয়ে। সে মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে।

    তারা দু জন পিএসসি ও জেএসসিতে জিপিএ ৫ পেয়ে বৃত্তি অর্জন এবং এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষাতেও জিপিএ ৫ পেয়ে উত্তির্ন হয়েছিলো।

    জুবায়ের বলেন, আলহামদুল্লা, আমি খুব খুশি। সকলেই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমি যেন ডাক্তার হয়ে মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে পারি এবং গরীব দুঃখীদের সেবা করতে পারি।

    তাকিয়া বলেন, ছোট বেলা থেকে ইচ্ছা ছিলো ডাক্তার পেশায় নিয়োজিত হবো। আল্লাহ আমার সে আশা পুরন করেছেন। আমি পড়াশুনা শেষ করে ডাক্তার হয়ে যেন মানুষের সেবা করতে পারি। সে জন্য সকলে দোয়া করবেন।

    আফিল উদ্দীন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধক্ষ্য রফিকুল ইসলাম বলেন, এ বছরও আমাদের কলেজ থেকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ও মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজে আমাদের কলেজের দু শিক্ষার্থী চান্স পেয়েছেন। আমরা চাই আগামীতেও কলেজের শিক্ষার্থীরা এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখে।

  • ৩৮ লাখ টাকা নিয়ে হজ্ব কাফেলা এজেন্সির পরিচালক জাকারিয়া উধাও

    ৩৮ লাখ টাকা নিয়ে হজ্ব কাফেলা এজেন্সির পরিচালক জাকারিয়া উধাও

    পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি, 

    বরগুনা ও পিরোজপুর জেলার ৫ উপজেলার ৩২ জন হাজীর কাছ থেকে প্রতারনা করে ৩৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। বরগুনায় দারুস-সুন্নাহ হজ্ব কাফেলা এজেন্সির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ্ব এম এ জাকারিয়ার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় ভুক্তভোগী তারিকুল ইসলাম বৃহস্পতিবার পাথরঘাটা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শান্তনু মন্ডলের আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সহকারী বেঞ্চ সহকারী মোহাম্মদ মুবিন। এর আগে তারিকুল ইসলাম সহ বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী পাথরঘাটার সাংবাদিকদের কাছেও অভিযোগ করেন। 

    আলহাজ্ব এম এ জাকারিয়া বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জ উপজেলার ওলামাগঞ্জ এলাকার মাওলানা রুহুল আমিন এর ছেলে। বরগুনা পৌর শহরের আল-মিজান শপিং কমপ্লেক্সে এন্ড মসজিদ মার্কেটের দারুস সুন্নাহ হজ্জ ও উমরাহ এজেন্সি অফিসের পরিচালক। জাকারিয়ার জাতীয় পরিচয়পত্র এবং পাসপোর্টে বাগেরহাটের আলাদা আলাদা ঠিকানা দেয়া রয়েছে।

    ভুক্তভোগীরা জানান, বরগুনা থেকে দারুস 

    -সুন্নাহ হজ্জ ও উমরাহ এজেন্সির পরিচালক মাওলানা জাকারিয়ার মাধ্যমে আগস্ট মাসে ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবের মক্কায় যান ৩২ জন ওমরাহ যাত্রী। সেখানে গিয়ে হাজীদের হাতখরচার প্রায় ২৮ লাখ টাকা ও বিমানের ফিরতি টিকিট না দিয়ে পালিয়ে যান জাকারিয়া।

    তার আরোও জানান, ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকায় ১৪ দিনের প্যাকেজ বাংলাদেশ থেকে ওমরাহ পালন করতে যায় ৩২ জন হাজী। এর আগে সেখানে গিয়ে খরচের জন্য টাকা ভাঙ্গিয়ে সৌদি মুদ্রা রিয়্যাল দেয়ার কথা বলে নগদ টাকা নেয় জাকারিয়া।

    ভুক্তভোগী পাথরঘাটার তারিকুল ইসলাম জানান, সৌদি আরব গিয়ে প্রয়োজনীয় খরচা ও স্ত্রীর জন্য গহনা কেনার জন্য ইসলামী ব্যাংক পাথরঘাটা এজেন্ট শাখা থেকে সাড়ে ৫ লাখ টাকা বরগুনা ইসলামী ব্যাংকের জাকারিয়ায় একাউন্টে পাঠাই। কথা থাকে এ টাকার পরিবর্তে সৌদি আরবের মক্কায় গিয়ে সৌদি মুদ্রা রিয়্যাল দিবেন জাকারিয়া। কিন্তু মক্কায় গিয়ে রিয়্যাল না দিয়ে জাকারিয়া জানান মদিনায় মালামালের দাম কম সেখানে গিয়ে রিয়্যাল দিয়ে দেবো। পরে মদিনায় গিয়ে রিয়্যাল চাইলে বলেন ব্যাংকের ঝামেলার কারনে টাকা পাস হচ্ছে না। দেশে গিয়ে টাকা দিয়ে দেবো। এরপর বাংলাদেশে এসে কয়েক দফা তাগাদা দেই। পরে বরগুনার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের কাছে বিষয়টি জানালে তাদের কাছে গতবছরের ৯ ডিসেম্বর টাকা পরিশোধ করার কথা বলে। কথা মতো নির্দিষ্ট সময়ে পরিশোধ না করে গত ৪ ডিসেম্বর পুনঃরায় টাকা দেয়ার কথা তিনি বলেন। ঐ নির্ধারিত তারিখে‌ও টাকা পরিশোধ না করে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় জাকারিয়া। এর আগে ওমরাহ থেকে দেশের আসার সময় বিমানের ফিরতি টিকিট নিশ্চিত না করে বিমান বন্দরে হাজিদের রেখে সটকে পড়েন জাকারিয়া। তখন ৩২ জন হাজী নিজ খরচে টিকিট কেটে দেশে ফিরেন।

    একই অভিযোগ করেন বরগুনা সদর উপজেলার বাসিন্দা মাহবুবুর রহমান খোকা। তিনি জানান সৌদি মুদ্রা রিয়্যাল দেয়ার কথা বলে তার কাছ থেকে নগদ ৮ লাখ টাকা নেয়। একই ভাবে সৌদি আরবে অবস্থানকালে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে দেশে ফিরে টাকা দেয়ার কথা বলেন।

    এছাড়াও পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার এছাহাক আলী, আবদুল খালেক, রহমত আলী, মোস্তাফিজুর রহমান, তাসলিমা বেগম, আলেয়া বেগম, শাহনাজ পারভীন ও নাসিমা বেগমের কাছ থেকে ৪ লাখ টাকা, বরগুনার বামনা উপজেলার বাসিন্দা সোবাহান মাষ্টার, কবির, নজরুল, আজহার উদ্দিন মাস্টার, হালিমা বেগম, ফিরোজা বেগম ও নুরজাহান বেগমের কাছ থেকে ৬ লাখ ৮৯ হাজার টাকা নিয়েছে। এছাড়াও বরগুনা সদর ও বেতাগীর সাত জনের কাছ থেকে ৪ লাখ টাকা নেন আলহাজ্ব এম এম জাকারিয়া।

    এছাড়াও ওই ৩২ যাত্রীর ফিরতি টিকেটের বিমান ভাড়া ৯ লাখ ৬৪ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

    পাথরঘাটা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মোহাম্মদ মুবিন জানান, বৃহস্পতিবার পাথরঘাটা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তারিকুল ইসলাম বাদী হয়ে মোহাম্মদ জাকারিয়া সহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে। বিষয়টি আদালত আমলে নিয়ে আসামি পাঁচ জনের বিরুদ্ধে সমন জারী করে।

    বাদীর আইনজীবী মিজানুর রহমান মনজু বলেন, আসামিরা ধর্মীয় বিশ্বাস কাজে লাগিয়ে মানুষদের হয়রানি করছে। একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে প্রায় ৩৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এরমধ্যে তারিকুল ইসলাম বাদী হয়ে পাথরঘাটা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন। আমারা বাদীর ন্যায্য পাওনা আদায়ে আইনি লড়াই লড়ে যাবো। যাতে কেউ ধর্মীয় বিশ্বাস কাজে লাগিয়ে মানুষদের হয়রানি না করতে পারে।

    অমল তালুকদার
    পাথরঘাটা বরগুনা।

  • তরুণ প্রজন্মের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার বিকল্প নেই – ইউএনও আরিফুল ইসলাম প্রিন্স

    তরুণ প্রজন্মের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার বিকল্প নেই – ইউএনও আরিফুল ইসলাম প্রিন্স

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    সুস্থ দেহ ও সতেজ মন ধরে রাখতে খেলাধুলা ও শারীরিক পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নেই। সরকার ক্রিকেট ও ফুটবলের পাশাপাশি সব ধরনের খেলাধুলার প্রসারে সমান গুরুত্ব দিচ্ছে। বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা নিজেও একজন ক্রীড়ামোদী। তরুণ প্রজন্মের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেছেন, ‘আমরা খেলাধুলাকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি এজন্য যে, তরুণ প্রজন্ম যত বেশি এতে অংশ নেবে ততটাই তাদের মনমানসিকতা আরো ভালো হবে। শারীরিকভাবে সুস্থ হবে এবং নিজেদের আরও বেশি তৈরি করতে পারবে।

    বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে তিনি উপজেলার ১২ নং ভাবখালী ইউনিয়নের ভাবখালী দাখিল মাদ্রাসার উদ্যোগে আয়োজিত বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতানুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয় খেলার উদ্বোধনী বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

    মাদ্রাসা সুপার আতহার আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বেলায়েত হোসেন,উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ও ভাবখালী ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রশাসক আসমা উল হুসনা ফাতেমা জান্নাতুল ফেরদৌস প্রমুখ।

    এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলাম প্রিন্স বলেন-খেলাধুলা ও শারীরিক পরিশ্রম শুধুমাত্র আমাদের দেহমনকেই সুস্থ রাখে না; বরং অন্যের সঙ্গে সুসম্পর্ক ও সম্প্রীতির বন্ধন তৈরিতেও ভূমিকা রাখে। বর্তমান সময়ে আমাদের তরুণ সমাজের অনেকের মধ্যে যে সামাজিক মূল্যবোধ ও চারিত্রিক অবক্ষয় ঘটছে, তা প্রতিরোধে তাদেরকে খেলাধুলাসহ নানাবিধ সৃজনশীল ও মননশীল কমর্কাণ্ডে যুক্ত করতে হবে।

    হলিপথ আইডিয়াল স্কুলের ব্যবস্থাপক মনিরুজ্জামানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে মাদ্রাসার জমিদাতা,ম্যানেজিং কমিটির নেতৃবৃন্দ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তি বর্গ উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রধান অতিথি খেলায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন।

  • পিআইও পাপ্পু এখন কোথায় ?  ময়মনসিংহ  দূদক কি একটা মামলাও করতে পারলো না

    পিআইও পাপ্পু এখন কোথায় ?  ময়মনসিংহ  দূদক কি একটা মামলাও করতে পারলো না

    আরিফ রব্বানী,
    বিশেষ প্রতিনিধিঃ ময়মনসিংহ জেলার  গৌরীপুর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) সোহেল রানা পাপ্পু  এখন কোথায়? তার সন্ধান চান গৌরীপুরবাসী।
    প্রত্যক্ষদর্শীদের বিশাল অভিযোগ, গৌরীপুরের প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এই সোহেল রানা পাপ্পুর বিরুদ্ধে ।
    অভিযোগে প্রকাশ, ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ সরকারের পুরোটা সময় সরকারি কর্মকর্তা সোহেল রানা পাপ্পু কথিত ডাকাতের মতো দুই হাতে টাকা কামিয়েছেন আর পকেটে ভরেছেন। কিভাবে একজন সরকারী দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা তৎকালীন আওয়ামীলীগ সরকারের চাটুকার হয়ে মহা দূর্ণীতি বাজে পরিণত হয়ে গেলো সেটাই এখন দেখার বিষয়।
    পিআইও  সোহেল রানা পাপ্পু ইচ্ছে হলে খাতা-কলম নিয়ে কয়েকটা প্রকল্প বানিয়ে ফেলতেন আর সেখানে সাদাসিধে কিছু মানুষের সই-স্বাক্ষর নিয়ে মহা আনন্দে দিন সাতেকের মধ্যেই কয়েকটি নামে-বেনামে  প্রকল্প তৈরি করতেন। অথচ মানুষরা জানতেও পারলেন না এটা একটা ভূ্ঁয়া প্রকল্প, যে গুলোর বাস্তবায়ন কোন দিনই হবেনা ।
    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এই ভাবে ভূঁয়া প্রকল্প বানিয়ে বানিয়ে সেগুলোর বাস্তবায়ন দেখিয়ে  সরকারের মন্ত্রণালয় থেকে প্রকল্প বাস্তবায়ন দেখিয়ে লক্ষ-কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে গেছেন সোহেল রানা পাপ্পু। অথচ তৎকালীন আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতার নেশায় এমনই বুঁদ হয়েছিলো জবাবদিহি তো দুরের কথা কোনদিন জানতেও চাইনি বাস্তবায়নের কথা। অন্যদিকে হতদরিদ্রদের জন্য যে সমস্ত  টি আর. কাবিখা. কাবিটা. কর্মসৃজন প্রকল্প, ইত্যাদি সরকারের প্রকল্প আদৌ বাস্তবায়ন হয়েছে কিনা এটা নিয়েও যথেষ্ট সন্দেহ প্রকাশ করেছেন স্হানীয় দরিদ্র জনগোষ্ঠী।
    পরবর্তীতে অনুসন্ধান করে জানা গেছে, এইসব হতদরিদ্র জনগোষ্ঠীদের দিয়ে কোন কাজও হয়নি যার নগদ অর্থ হাতিয়ে নিয়ে গেছে পতিত আওয়ামীলীগের কর্মি-নেতারা।
    দুঃখজনক হলেও সত্য প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সোহেল রানা পাপ্পুর দূর্ণীতি আর অর্থলুটের আরও ছিলো লুটপাটের ব্যাংক। যেমনঃ প্রায় ১০ টা ইউনিয়নের প্রকল্প বাস্তবায়নের  কাজ. তৎকালীন সংসদ সদস্যের প্রকল্পের কাজ. আওয়ামীলীগের ইউ পি চেয়ারম্যানের প্রকল্পের কাজ ইত্যাদি হরেক রকমের কাজ। তবে গৌরীপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সোহেল রানা পাপ্পু  আসলে বুদ্ধিমান দূর্ণতিবাজ চাটুকার ব্যক্তি ছিলেন। সে উপজেলা আর ইউনিয়ন পর্যায়ের আওয়ামীলীগ দিয়ে একটা সিন্ডিকেট বানিয়ে একটা বড় ধরনের কমিশন ধান্ধা করে নিতেন। যেখানে ছিলো শুধু টাকা আর  টাকা। এই ভাবে সরকারের অর্থ লুটেরা জনগনের টাকা আত্নসাৎকারী পাপ্পু এখন শত শত কোটি টাকার মালিক।
    স্হানীয় বাসীদের অভিযোগ, এখন ময়মনসিংহ দূর্ণীতি দমন কমিশন (দূদকের) কর্মকর্তা আর সদস্যদের প্রতি– তারা তো দেশ প্রেমিক হিসেবে সুনাম খ্যাত। তারা কি গৌরীপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সোহেল রানা পাপ্পুর সরকারের সাথে বাটপারি আর প্রায় অর্ধশত দূর্ণীতির বিরুদ্ধে একটি মামলাও করতে পারলেন না? স্হানীয় বাসীরা ক্ষোভের সাথে বলেন অন্ততঃ একটা আবেদনও তারা করতে পারতেন।
    সর্বশেষ জানা গেছে,  ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা  পিআইও লুটেরা ও দূর্ণীতিবাজ  সোহেল রানা পাপ্পুর নাকি এখন কোন খোঁজ মিলছেনা। তিনি নাকি লা-পাত্তা হয়ে গেছেন।
    গৌরীপুর বাসী সোহেল রানা পাপ্পুর খোঁজ করার দায়িত্ব এখন ময়মনসিংহ দূর্ণীতি দমন কমিশন (দূদকের) কাছে দিতে চান এবং তার বিরুদ্ধে আইনানুগ একটা কঠিন ফাইল প্রেরণের দাবী জানাচ্ছেন কারণ বাংলাদেশ সরকারের সাথে আর দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সাথে, যে ব্যক্তি এমন জঘন্য খেলা খেলেছেন তাকে কি এমনি এমনি ছেড়ে দেয়া  যায়?  প্রশ্ন জনমনে! তবে স্হানীয় সচেতন মহল মনে করেন বিষয় টি তদন্ত পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন।

  • নলছিটিতে ৩১ দফার লিফলেট বিতরন ও জনসংযোগ করেন সাবেক সংসদ ইলেন ভূট্টো

    নলছিটিতে ৩১ দফার লিফলেট বিতরন ও জনসংযোগ করেন সাবেক সংসদ ইলেন ভূট্টো

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠি ২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ইসরাত সুলতানা ইলেন ভূট্টো। ২৩ জানুয়ারি সকাল ১০ টা থেকে তার নির্বাচনী এলাকা নলছিটি উপজেলার বিভিন্ন বাজার ও স্কুল,কলেজ সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফার লিফলেট বিতরন করেন। 

    বৃহস্পতিবার সকালে কুলকাঠি বাজার ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জনসংযোগ করেন সাবেক এই সংসদ। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এরপর উপজেলার আখরপাড়া, ভারানীবাজার, হদুয়া, তেতুলবাড়িয়া বাজার ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৩১ দফার আলোকে পথসভা করেন। শিক্ষার্থীরা তার আগমনে আবেগ আপ্লূত হয়ে বিভিন্ন গান পরিবেশন করে তার সাথে আনন্দ বিনিময় করেন। এসময় বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। 

    এসময় বক্তব্য রাখেন জনাবা ইসরাত সুলতানা ইলেন ভূট্টো, মোল্লারহাট ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপির সভাপতি মোঃ আঃ ছালাম হাওলাদার প্রমুখ।

    এসময় বক্তব্যে ইলেন ভূট্টো বলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা জনসাধারণের কাছে পৌঁছে দিতে এবং আগামীকালকের নলছিটির জনসভা সফল করতে আমরা জনসংযোগ করছি। তিনি আরও বলেন বিএনপির আশ্রয়স্থল জনগন তাই আমরা জনগনের কাছেই থেকেছি থাকতে চাই। আগামী নির্বাচন হবে অবাধ সুষ্ঠ নিরপেক্ষ তাই সরাসরি জনগন ভোট দিতে পারবেন ফিরে পাবেন তাদের হারানো অধিকার। ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার দক্ষিনাঞ্চলে কোনো উন্নয়ন করেনি করেছে শুধু লুটপাট এজন্যই এদেরকে জনগন ঘৃনাভরে প্রত্যাখান করেছেন। এসময় তিনি বিএনপির নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন আমরা এমন কোনো কাজ করবো না যাতে জনগন আমাদের প্রত্যাখান করে। সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে আগামী নির্বাচনে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত না করে ঘড়ে ফিরবো না ইনশাআল্লাহ। 

    এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা জাকির হোসেন খান, মোঃ শহিদুল ইসলাম, 

    মোল্লারহাট ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন বাচ্চু, সুবিদপুর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা মোঃ নিজাম উদ্দিন খান, যুবদল নেতা মোঃ ফাহিদুজ্জামান সোহাগ মুন্সী, জসিম খান, জেড এ ভূট্টো ডিগ্রি কলেজের সদস্য সচিব নাসরুর হাওলাদার হৃদয়, যুগ্ম-আহবায়ক মোঃ জসিম মোল্লা প্রমুখ।

  • নলছিটিতে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উপলক্ষে বিজ্ঞান মেলা,কুইজ ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

    নলছিটিতে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উপলক্ষে বিজ্ঞান মেলা,কুইজ ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি : মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটিতে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উপলক্ষে বিজ্ঞান মেলা,কুইজ ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    ২২ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল দশটায় উপজেলার চায়না মাঠে এ মেলার আয়োজন করা হয়।উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ মেলায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে দশটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এতে তাদের বিভিন্ন উদ্ভাবন এবং পরিকল্পনা প্রদর্শন করেন।
    মেলা শেষে বিজ্ঞান বিষয়ক কুইজ,আন্ত:স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
    অনুষ্ঠানের সভাপতি হিসেবে প্রতিযোগীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো:নজরুল ইসলাম।এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো:আব্দুস সালাম,উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো:ওবায়দুল হাসান,মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আনোয়ারুল আজীম,উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো:অহিদুল ইসলাম,উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সহ উপজেলার অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ,শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

  • মিথ্যা মামলা থেকে অব্যহতি পেলেন সিনিয়র সাংবাদিক জহির

    মিথ্যা মামলা থেকে অব্যহতি পেলেন সিনিয়র সাংবাদিক জহির

    কে এম সোয়েব জুয়েল,বিশেষ প্রতিনিধি।
    ক্ষশতাসীন আওয়ামী লীগ থাকাকালীন সময়ে বরিশালের গৌরনদী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক প্রথম আলোর গৌরনদী প্রতিনিধি সিনিয়র সাংবাদিক জহুরুল ইসলাম জহিরের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা থেকে অব্যহতি দিয়েছে আদালত। গত ২৩ জানুয়ারি বরিশাল জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেড চতুর্থ বিচারিক আদালতের বিচারক আফসান শারমিন ইভা এ রায় প্রদান করেন। এ মামলার অব্যহতির মধ্য দিয়ে জহিরের বিরুদ্ধে দায়ের করা ৫টি মিথ্যা মামলার সকল মামলা থেকে অব্যহতি পেলেন সিনিয়র সাংবাদিক জহুরুল ইসলাম জহির। মামলা থেকে অব্যহতি পাওয়ায় প্রতিক্রিয়ায় জহুরুল ইসলাম জহির বলেন, মামলার রায়ে সত্য ও ন্যায়ের জয় হয়েছে। মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করা যায় কিন্তু মিথ্যা প্রতিষ্ঠিত হয় না।
    আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ২৮ ফেব্রæয়ারি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও গৌরনদী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. অসাদুজ্জামান খান আদালতে সাংবাদিক জহিরের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দিলে গৌরনদী আমলী আদালতের বিচারক মো. ইফতেখার আহম্মেদ অভিযোগপত্র গ্রহন করে মামলাটি বিচারিক আদালতে প্রেরন করেন। গত সাড়ে ৬বছর মামলাটি বিচারাধীন থাকার পর গত ২৩ জানুয়ারি স্বাক্ষ্য গ্রহন শেষ হয়। গত ২৩ জানুয়ারি বরিশাল জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেড চতুর্থ বিচারিক আদালতের বিচারক আফসান শারমিন ইভা নির্দোশ প্রমানিত হওয়ায় মামলা থেকে জহুরুল ইসলাম জহিরকে অব্যহতি দেন। জহির বলেন, মামলার রায়ে সত্য ও ন্যায়ের জয় হয়েছে। মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করা যায় কিন্তু মিথ্যা প্রতিষ্ঠিত হয় না। আসামি পক্ষের আইনজীবি ছিলেন এ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান চোকদার ও শেখ আব্দুল কাদের।
    স্থানীয় লোকজন, সাংবাদিক ও পুলিশ সুত্রে জানাগেছে, সিনিয়র সাংবাদিক জহুরুল ইসলাম জহির গত ২৬ বছর দৈনিক প্রথম আলোর বরিশালে গৌরনদী, আগৈলঝাড়া ও উজিরপুর উপজেলার দায়িত্ব পালন করেন। আওয়ামীলীগের ক্ষমতাসীন সময়ে গত ১৬ বছর দক্ষিনাঞ্চলের গডফাদার বরিশাল-১ আসনের সাংসদ আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ ও তার প্রধান সেনাপতি দাবনখ্যাত গৌরনদী পৌর সভার মেয়র মোঃ হারিছুর রহমানসহ তার বাহিনীর সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দখল ও দূনীতির বিরুদ্ধে লেখনি অব্যহত রাখেন সাংবাদিক জহির। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে হয়রানী করতে একের পর মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। এজাহার সূত্রে জানা গেছে, মেয়র হারিছুর রহমান তার অনুগত গৌরনদী উপজেলা ছাত্রলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ও ইউপি সদস্য মোঃ রাসেলের স্ত্রী রুপা আক্তারকে দিয়ে ২০১৮ সালের ২৯ জুন প্রথম আলোর সাংবাদিক জহিরকে আসামি করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (সংশোধন) আইন ২০১৩ ৫৭(২) ধারায় একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। তৎকালীন আইজিপির হস্তক্ষেপে ও পুলিশ সদর দপ্তরের অনুমতি না পাওয়ায় মামলা থেকে অব্যহতি পান জহির। এ মামলায় জহিরকে আটকাতে ব্যর্থ হয়ে পরবর্তিতে ২০১৮ সালের ৫ জুলাই হয়রানীর উদ্দেশ্যে জহুরুল ইসলাম জহিরকে আসামি করে ছাত্রলীগ নেতার স্ত্রী রুপা আক্তার গৌরনদী মডেল থানায় একটি মানহানি ও শ্ল¬ীলতাহানির মামলা করেন। সুপ্রিমকোর্টের হাইকোট বিভাগের বিচারপতি ইনায়েতুর রহিম ও মো. মোস্তাফিজুর রহমানের দ্বৈত বেঞ্চের শুনানীন্তে এক আদেশে প্রথম অলোর গৌরনদী প্রতিনিধি জহুরুল ইসলাম জহিরের ৬মাসের অর্ন্তবতিৃতালীন আগাম জামিন পান জহির। এছাড়া সাংবাদিক জহিরকে হয়রনী করতে হারিছুর রহমানের নির্দেশে হামলা ও হত্যার চেষ্টা মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে সি, আর মামলা নং-১৭৮/২০১৭ইং মামলার তারিখ ঃ ১০/২/২০১৭ইং ও নারী নির্যাতন ও সন্ত্রাসী হামলা লুটের ঘটনা দেখিয়ে এম,পি কেস নং-৮৭/২০১৭ইং মামলার তারিখ ঃ ১৪/৩/২০১৭ইং মামলা দায়ের করেন। আদালতে অভিযোগ মিথ্যা প্রমানিত হওয়ায় এ মামলা থেকে বিচারক আগেই জহিরকে অব্যহতি দেন। এ ছাড়া প্রথম আলো পত্রিকায় পুলিশ ও ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপকর্মে নিউজ হওয়ায় নভেম্বর ২০১৭ইং থেকে জুলাই ২০১৮ পর্যন্ত ফ্যাসিষ্টের পদলেহনকারী হারিছুর রহমানের অনুগত ওসি ফিরোজ কবির জহুরুল ইসলাম জহিরকে ক্রস ফায়ার দেয়ার ষরযন্ত্র করেন এবং জহিরের বিরুদ্ধে ১১টি জিডি করেন হারিস বাহিনী।
    ১৯৯৬ সালে আওয়ামীলীগ ক্ষমতা গ্রহনের পর দলীয় নেতাদের সন্ত্রাস, ধর্ষন, লুটপাট, চাদাবাজি, টেন্ডারবাজি নিউজ প্রকাশ করায় দক্ষিন বঙ্গের গড ফাদারের আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর নির্দেশে ২০০১ সালের ১৬ জুলাই অনন্যা ভবনে ঢুকে অস্ত্রধারী শতাধিক ছাত্রলীগ নেতারা ফ্যাক্স ফোনসহ মালামাল লুটপাট করে। তাকে বিশাক্ত ইনজেকশন পুশ করে হত্যার চেষ্টা চালায় । যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সাংবাদিকতা অঙ্গনে প্রতিবাদের ঝরসহ আলোচিত ছিল।

  • বানারীপাড়ায় বন্ধন সমিতির বিরুদ্ধে  গ্রাহকের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

    বানারীপাড়ায় বন্ধন সমিতির বিরুদ্ধে গ্রাহকের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

    মোঘল সুমন সাফকাত,
    বরিশাল প্রতিনিধি॥
    বরিশালের বানারীপাড়ায় বন্ধন সমবায় সমিতির মালিক সঞ্জয় দেবনাথের বিরুদ্ধে গ্রাহকের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা গেছে সঞ্জয় দেবনাথ সমবায় সমিতির নিয়ম ভঙ্গ করে অধিক মুনাফার লোভ দেখিয়ে ২০২৩ সালের মার্চ মাসে বন্দর বাজারের ব্যাবসায়ী জাকির শরীফের কাছ থেকে এককালীন ৫ লাখ টাকা ওই সমিতিতে জমা নেয়। এসময় সমিতির পাশ বইয়ের সাথে একটি ভূয়া চেক প্রদান করে সঞ্জয় দেবনাথ। পরে কয়েক মাস সঞ্জয় জাকিরকে জমাকৃত টাকার মুনাফা বাবদ সল্প কিছু টাকা দিয়ে ২০২৫ সালের চলমান জানুয়ারী মাস থেকে মুনাফার টাকা দেয়া বন্ধ করে সমিতির কার্যক্রম গুটিয়ে নেয়। এ অবস্থায় সমিতির অন্যান্য গ্রাহকদের মত ব্যবসায়ী জাকিরও জমাকৃত টাকা নিয়ে শংকায় পরে যায়। এরই ধারাবাহিকতায় এ মাসের ৫ তারিখ বন্ধন সমিতির মালিক সঞ্জয়ের কাছে গ্রাহক জাকির টাকা ফেরৎ চাইলে সঞ্জয় টাকা দিতে অসীকৃতী জানিয়ে জাকিরকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে তাড়িয়ে দেয়। এ ঘটনায় সমিতির গ্রাহক জাকির সঞ্জয়ের বিরুদ্ধে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। গ্রাহক জাকিরের অভিযোগ সূত্রে জানা যায় আসল টাকা ও মুনাফার টাকা সহ বন্ধন সমিতির কাছে ৫লাখ ৩৮ হাজার টাকা পাওনা রয়েছে তার। এ বিষয়ে বন্ধন সমিতির মালিক সঞ্জয় দেবনাথ জানান সকল গ্রাহকের টাকা তিনি ফেরৎ দিয়ে দিবেন।

  • মোরেলগঞ্জে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃ-ত্যু: আত্মহ-ত্যা নাকি পরিকল্পিত হ-ত্যাকাণ্ড

    মোরেলগঞ্জে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃ-ত্যু: আত্মহ-ত্যা নাকি পরিকল্পিত হ-ত্যাকাণ্ড

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির,

    সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার:বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ পৌর শহরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বয়রাতলা এলাকায় এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। বুধবার (২২ জানুয়ারি) ভোরে মোসাম্মৎ উর্মি আক্তার তানিয়া (৩০)-এর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে মোরেলগঞ্জ থানা পুলিশ।নিহত উর্মি ভাইজোড়া এলাকার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. সালেহ শাহ ও ফরিদা বেগমের মেয়ে এবং পৌর ৪ নং ওয়ার্ড বয়রাতলা এলাকার বাসিন্দা শিব্বির তালুকদারের স্ত্রী।নিহতের পরিবার জানায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উর্মি পরিবারের সঙ্গে সর্বশেষ কথা বলেন। ভোর সাড়ে ৬টায় তার বড় ভাসুর হিমু মৃত্যুর খবর জানালে উর্মির বাবা-মা ঘটনাস্থলে গিয়ে বরই গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পান।তার গলায় কাপড় পেঁচানো অবস্থায় দেখা গেছে এবং তার পা মাটির সঙ্গে লেগে ছিল। গলায় পেঁচানো কাপড়টি একটি বরইগাছের মগডালে বাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায়। এছাড়া ঘটনাস্থলে একটি প্লাস্টিকের চেয়ার পড়ে থাকতে দেখা গেছে। প্রাথমিক সুরতহাল দেখে নিহতের পরিবার এটিকে আত্মহত্যা নয়, বরং হত্যাকাণ্ড হিসেবে সন্দেহ করছে।নিহতের পরিবার আরও জানান, চার মাস বয়সী সন্তানের মা উর্মি তার বেকার ও মাদকাসক্ত স্বামী শিব্বির তালুকদারের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার ছিলেন। নিহতের ছোট ভাই মো. নাইম বলেন, “আমার বোন আত্মহত্যা করেনি; তাকে ঠাণ্ডা মাথায় হত্যা করা হয়েছে।” তিনি এই ঘটনার সঠিক তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।উর্মির ফুফাতো ভাই মিলন বলেন, “উর্মি বাগেরহাট পিসি কলেজ থেকে বিএ পাশ করেছিলেন। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরির লোভ দেখিয়ে এবং চক্রান্ত করে হিমু তাকে জোরপূর্বক তার মাদকাসাক্ত ভাই শিব্বিরের সঙ্গে বিয়ে দেন। বিয়ের পর উর্মি জানতে পারেন, শিব্বির নেশাগ্রস্ত। তাকে এক সময় পুনর্বাসন কেন্দ্রে রাখা হয়েছিল।”এছাড়া, উর্মির ভাসুরের স্ত্রী রাজিয়া বেগমের সঙ্গেও তার মনোমালিন্য ছিল বলে নিহতের পরিবার থেকে জানা যায়।
    মোরেলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাকিবুল ইসলাম বলেন, “প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা মনে হলেও পরিবারের অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। নিহতের স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।”
    উর্মির মৃত্যুতে তার বাবার বাড়ি এলাকায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। তারা আরও জানান, মোরেলগঞ্জে নারীদের প্রতি সহিংসতা এবং আত্মহত্যার ঘটনা বাড়ছে, যা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
    বিশ্লেষকদের মতে, এমন ঘটনার পেছনে নারীদের প্রতি সহিংসতা, আর্থিক নিরাপত্তাহীনতা এবং সামাজিক অবহেলা বড় কারণ। তারা নারী নির্যাতন প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্রিয় ভূমিকা কামনা করেন।

  • পঞ্চগড়ে চার বিচারকের অপসারণের ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম

    পঞ্চগড়ে চার বিচারকের অপসারণের ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম,তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ কর্মচারী নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম, ঘুষ বাণিজ্য এবং ফ্যাসিস্ট আওয়ামী প্রীতি মনোভাবের অভিযোগ তুলে পঞ্চগড়ে জেলা ও দায়রা জজ গোলাম ফারুক, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান মন্ডল, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুজ্জামান ও জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবু হেনা সিদ্দিকীর অপসারন দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বুধবার (২২ জানুয়ারি) দুপুর ২টায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আয়োজনে পঞ্চগড় আদালত চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে শহরের প্রধান সড়ক ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঘুরে একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সমাবেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পঞ্চগড়ের সমন্বয়ক ফজলে রাব্বি, সহ-সমন্বয়ক মাহফুজুর রহমান, মনিরুজ্জামান ফয়সাল ও মোজাহার ইসলাম সেলিমসহ ছাত্রনেতারা বক্তব্য রাখেন।

    এসময় বক্তারা বলেন, পঞ্চগড় আদালতের জেলা ও দায়রা জজ গোলাম ফারুক, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান মন্ডল ও বিচারক আশরাফুজ্জামান ও আবু হেনা এখনো আওয়ামী লীগের দোসরের ভূমিকা পালন করছেন। আগস্ট বিপ্লবের পরেও তারা ঘুষ, দুর্নীতি ও নিয়োগ বাণিজ্য করে আসছেন। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করায় সমন্বয়কদের দেখে নেয়ার হুমকি দিয়েছেন জেলা ও দায়রা জজ গোলাম ফারুক। আগস্ট বিপ্লবের পরেও যারা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত তারা আওয়ামী লীগের দোসর। তাদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণ করা না হলে আদালত ঘেরাও কর্মসূচি দেয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা।

    পঞ্চগড়ের সমন্বয়ক ফজলে রাব্বি বলেন, জেলা ও দায়রা জজ গোলাম ফারুকসহ চারজন বিচারক আওয়ামী লীগ সরকারের মদদপুষ্ট। আদালতের নিয়োগে দুর্নীতি করে আইনমন্ত্রী এলাকার লোকদের বার বার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। সরকারি বাড়ি ভাড়া নেয়া সত্ত্বেও জেলা ও দায়রা জজ আদালতকেই নিজের বাসভবন বানিয়েছেন।

    তিনি আরোও বলেন, হাসিনার সময়ে প্রশাসনের লোকজনকে সরিয়ে নেয়া হলেও তার দোসর এই বিচারকদের এখনো সরিয়ে নেয়া হয়নি। তাই তারা শহীদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে এখনো নিয়োগ বাণিজ্য ও দুর্নীতি করে যাচ্ছেন। অনিয়মের প্রতিবাদ করায় আমাদেরকে দেখে নেয়ার হুমকি দিয়েছেন তারা। তাদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সরিয়ে নেয়া না হলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। প্রয়োজনে আবারো রক্ত দেবো। তবু আর অন্যায় দুর্নীতি হতে দেবো না।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।।