Blog

  • অসহায় এতিম শীতার্ত বাচ্চাদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন ২৬ নং ওয়ার্ড বিএনপি

    অসহায় এতিম শীতার্ত বাচ্চাদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন ২৬ নং ওয়ার্ড বিএনপি

    শেখ তৈয়ব আলী পর্বত,খুলনা।

    নগরীর ২৬ নং ওয়ার্ড বিএনপি ও সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপি’র উদ্যোগে খুলনা মহানগর বিএনপি’র সহযোগিতায় ২৭ জানুয়ারি সোমবার বেলা ১১ টায় পশ্চিম বানিয়াখামার দারুল কুরআন মাদ্রাসার অসহায় এতিম শীতার্ত বাচ্চাদের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়।

    মোঃ হাফিজুর রহমান মনির সভাপতিত্বে মোঃ আরিফুল ইসলাম বিপ্লব এর সঞ্চালনায় কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপি’র সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন।
    তিনি তার বক্তব্যে বলেন, এই মাদ্রাসার কোরআনের পাখিদের মাঝে কম্বল বিতরণ করতে পেরে নিজেকে ধন্য বলে মনে করছি। তিনি আরও বলেন সমাজের অর্থবিত্ত মানুষ সকলের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলে অসহায় শীতার্ত মানুষের কিছুটা কষ্ট দূর হবে । এ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপি’র সদস্য শেখ জামাল উদ্দিন এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির ইকবাল বাপ্পি,২৬ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি মাহমুদ আলম মোড়ল বাবু, ও সহ-সাধারণ সম্পাদক এ জে কুদ্দুস,মাহবুব, খোকন,শুভ আব্দুর রশিদ সহ স্থানীয় বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

  • নলছিটিতে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

    নলছিটিতে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    চেক প্রতারনায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মো. রফিকুল ইসলাম আউয়ালকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার(২৭ জানুয়ারি) উপজেলার ভৈরবপাশা বাজার এলাকা তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    থানা সূত্রে জানা গেছে, পটুয়াখালীর একটি চেক প্রতারনা মামলায় আসামী মো. রফিকুল ইসলাম আউয়ালকে ২০২৩ সালে ৫ মাসের কারাদণ্ড ও ২ লাখ চুরাাশি হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করে আদালত। এরপর থেকেই সে পলাতক ছিল। সোমবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে নলছিটি থানায় কর্মরত এএসআই কাওসার আহমেদ সিদ্দিকী তাকে ভৈরবপাশা বাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করেন। মো. রফিকুল ইসলাম আউয়াল উপজেলার রায়পাশা এলাকার মৃত এলান উদ্দিনের পুত্র।

    নলছিটি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা( ওসি) মো. আব্দুস ছালাম জানান, আসামি মো. রফিকুল ইসলাম আউয়ালকে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।

  • গুঁজিশহর মেলা বাণিজ্যের অর্থ নয়ছয় দুদুকের হস্তক্ষেপ কামনা

    গুঁজিশহর মেলা বাণিজ্যের অর্থ নয়ছয় দুদুকের হস্তক্ষেপ কামনা

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী
    নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার গুঁজিশহর গ্রামে শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহী ‘প্রেমগোসাই মেলা’। মাসব্যাপী চলা গ্রামীণ মেলাটি স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে ‘প্রেমতলী মেলা’ নামেও পরিচিত। মেলাটি বসছে ১০০ বছরের বেশি সময় ধরে। এদিকে মেলা থেকে আয়ের কোটি টাকা নয়ছয় করার অভিযোগ উঠেছে। মেলা আয়োজক কমিটির কয়েকজন প্রভাবশালী নানা খাতে দেখিয়ে এসব টাকা নয়ছয় করে আসছে বলে জনশ্রুতি রয়েছে। সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসী এবিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদুক)
    হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
    সরেজমিন দেখা যায়, বিভিন্ন রকমের পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেছেন দূরদূরান্ত থেকে আসা ব্যবসায়ীরা। ফার্নিচার, ক্রোকারিজ,মিষ্টি,খেলনা,
    চুড়ি, ফিতা, আলতা থেকে গৃহস্থালির নানা জিনিস বিক্রি হচ্ছে এখানে। মিষ্টি, জিলাপি বানানো হচ্ছে হচ্ছে ৫০টির বেশি দোকানে। বিক্রিও হচ্ছে বেশ। সকাল থেকেই নাগরদোলা চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত।স্থানীয়রা জানান, মেলায় দোকানপাট, যাত্রা-সার্কাস, মোটরসাইকেল গ্যারেজ ইত্যাদি থেকে প্রায় কোটি টাকা আয় হয়। এসব টাকা স্কুল-কলেজ-মাদরাসা-মন্দির ও দাতব্য প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে ব্যয় করার কথা। কিন্ত্ত মেলা কমিটি কখানোই আয়-ব্যয়ের হিসেব প্রকাশ করে না। তারা বলেন, যুগের পর যুগ ধরে চলে আশা মেলার আয় দিয়ে এসব প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা হলে। এলাকার চিত্র পাল্টে যেতো। তবে সেটা না হওয়ায় এসব প্রতিষ্ঠান সৃষ্টির পর থেকে একই অবস্থায় রয়েছে। উন্নয়নের কোনো ছোঁয়া লাগেনি,যতটুকু হয়েছে সরকারি সহায়তায়।এতে জনমনে প্রশ্ন প্রতি বছর মেলা থেকে আয় হওয়া বিপুল পরিমাণ অর্থ যায় কোথায় ? খায় কে ? সচেতন মহল এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের উপস্থিতিতে কোন প্রতিষ্ঠানে কত টাকা দেয়া হয় তার তালিকা প্রকাশ ও প্রকাশ্যে মেলা থেকে আয়-ব্যয়ের
    হিসেব প্রকাশ করার দাবি করেছেন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতি বছরের মতো এবারো মেলা আয়োজন করা হয়েছে। চলতি বছরের ২১ জানুয়ারী গুঁজিশহর মাঠ গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী প্রেমগোসাই মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে। এবার মেলা আয়োজন মাঠের ইজারা মুল্য উঠেছে এক কোটি দুই লাখ টাকা। অথচ এমন উচ্চ মুল্য দেশের অনেক বড় বড় মেলায় হয় না। স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল গ্রামীণ মেলার আড়ালে যাত্রা, পুতুল নাচ,ভ্যারাইটি-শো ও সার্কাসের নামে অশ্লীল নৃত্যে এবং লট্রারি জুয়ার আয়োজন নির্বিঘ্ন করতে এতো টাকায় মেলার মাঠ বেচা-কেনা হয়। যদিও এবার লট্রারি জুয়া এখানো শুরু হয়নি, অশ্লীলতার দায়ে গতকাল থেকে যাত্রাপালা ও ভ্যরাইটি-শো বন্ধ করে দিয়েছেন প্রশাসন। এই মেলা আয়োজনের ফলে এলাকার মানুষের পকেট থেকে কোটি কোটি টাকা বেরিয়ে যায়।
    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক বলেন, গ্রামাঞ্চলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা এমনিতেই বেতন দেন না, তায় বিনাবেতনে পড়ার কথা একটা অজুহাত। তিনি বলেন, মেলা থেকে যা আয় হয় তা বিভিন্ন অজুহাতে কমিটির লোকজন নয়ছয় করে।
    স্থানীয়রা জানায়,সীমান্তবর্তী ও প্রত্যন্ত পল্লী এলাকা হওয়ায় মেলায় চলে, জুয়া, অর্ধনগ্ন ও প্রায় নগ্ন নারীর উদ্যম নৃত্য। মেলাকে কেন্দ্র করে মেলার পার্শ্বেই গড়ে উঠে জমজমাট মাদকের হাট, ভাসমান পতিতাদের পদচারণাও লক্ষ্য করা যায়। ঐতিহ্যবাহী এই মেলায় পুতুলনাচ, ভ্যারাইটি-শো যাত্রাপালার নামে চলে অশ্লীল, অর্ধনগ্ন ও প্রায় নগ্ন নারীর নৃত্য। আর এসব নারী দেহের অশ্লীল নৃত্য উপভোগ করে ১০ বছরের শিশুসহ ৬০ বছরের বৃদ্ধ। মেলায় বসে হরেক রকমের জুয়ার আসর। ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টোল আদায়ের নামে করা হয় চাঁদাবাজি বলেও এলাকায় প্রচার রয়েছে।
    এদিকে কদিন পর এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষা। পরীক্ষার আগে রাতভর মেলার মাইকের বিকট শব্দে শিক্ষার্থীরা পড়েছেন বিপাকে। তাদের পড়ালেখা শিকেয় উঠেছে, জনজীবনও দুর্বীসহ হয়ে পড়েছে। আবার প্রত্যন্ত মফস্বল এলাকায় এ রকম প্রকাশ্যে অশ্লীল ও বেহায়াপনায় খোদ আয়োজকদের অনেকে চরম ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে। মেলার কারণে বেড়েছে চুরি, ছিনতাইসহ নানা অপরাধমুলক কর্মকান্ড এলাকায় দেখা দিয়েছে আইনশৃংঋলার অবনতি বলেও জনশ্রুতি রয়েছে।

    অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় গুঁজিশহর উচ্চ বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক নূরুল আমিন এই মেলার সাধারণ সম্পাদক। তার নিজ দপ্তরেই চলে মেলা ও যাত্রাপালার সকল কার্যক্রমের দিক- নির্দেশনা। তার সঙ্গে জাকির মেম্বার ও ইমরানসহ আরও বেশ কয়েকজন রয়েছে মেলার দায়িত্বে। আর প্রতি রাতে এই আয়োজন থেকে যে পরিমাণ টাকা আসে তা তারা ভাগ-বাটোয়ারা নিচ্ছেন।

    এবিষয়ে জানতে চাইলে মেলা আয়োজক কমিটির সম্পাদক ও গুঁজিশহর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুল আমিন এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্রতিবছর পৌষ- সংক্রান্তির দিনে মেলাটি বসে, চলে মাসব্যাপী। তিনি বলেন,এই মেলা থেকে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে গুজিশহর মসজিদ, মন্দির, প্রাথমিক বিদ্যালয় ও হাইস্কুলের উন্নয়ন করা হয়। এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বিনা বেতনে পড়ার সুযোগ পেয়ে থাকে। তিনি বলেন,মেলায় কোনো ধরণের অশ্লীলতা হয় না।

    এবিষয়ে নিয়ামতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাবিবুর রহমান বলেন, মেলায় অশ্লীল নৃত্যে হচ্ছে। আমরা পুলিশের পক্ষ সেটা ধারন করে যারা মেলার অনুমতি দিয়েছে তাদেরকে অবগত করেছি। নির্দেশনা পেলেই বন্ধ করে দেয়া হবে।

    এবিষয়ে নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান বলেন, আমরা পরিষ্কারভাবে বলে দিয়েছি যে মেলার নামে বা যাত্রাপালার নামে যেন কোন অশ্লীলতা না হয়। আপনার কাছে ছবি বা ফুটেজ থাকলে আমাকে দেন আমি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বসে মেলার কার্যক্রম পরিচালনা বে-আইনি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।#

  • নড়াইলে গণঅভ্যুত্থানে নিহত ছাত্রনেতা সুব্রত সাহা মানিকের স্মৃতিস্তম্ভ ও চয়ন মল্লিকের ম্যুরাল ভাঙচুর

    নড়াইলে গণঅভ্যুত্থানে নিহত ছাত্রনেতা সুব্রত সাহা মানিকের স্মৃতিস্তম্ভ ও চয়ন মল্লিকের ম্যুরাল ভাঙচুর

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে ছাত্রনেতা সুব্রত সাহা মানিকের স্মৃতিস্তম্ভ ও চয়ন মল্লিকের ম্যুরাল ভাঙচুর। নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজের শহীদ মিনার ও পূর্বপাশের ফটকের পাশে ৯০ এর গণঅভ্যুত্থানে নিহত ছাত্রনেতা সুব্রত সাহা মানিকের স্মৃতিস্তম্ভ ও চয়ন মল্লিকের ম্যুরাল ভাঙচুরের করেছে দুর্বৃত্তরা। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, শনিবার (২৫ জানুয়ারি) সকালের দিকে নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
    কলেজ সূত্রে জানা যায়, শনিবার কলেজ বন্ধ থাকায় তেমন লোকজনের উপস্থিতি ছিল না। স্মৃতিস্তম্ভের ওই পাশটিতে লোকজনের চলাচল কম ছিল। এ সুযোগে সকালের দিকে কয়েকজন কলেজের পূর্ব পাশ দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে মানিকের স্মৃতিস্তম্ভ ও চয়নের ম্যুরাল ভাঙচুর করে চলে যায়। তাদের সবার হেলমেট পরা ছিল।
    এদিন সন্ধার দিকে নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. শহীদ লতীফ বলেন, আমি নড়াইলের বাইরে থাকায় একটু আগে জানতে পেরেছি। শুনেছি হেলমেট পরে এসে কয়েকজন দুর্বৃত্তরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এটা পরিকল্পিতভবেই করা হয়েছে। প্রশাসনকে জানানো এ ব্যাপারে জানানো হয়েছে।
    এ বিষয়ে জানতে নড়াইল সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজেদুল ইসলামকে ফোন করা হলে তিনি বিষয়টি জানেন না বলে জানান। কলেজের পাশে অবস্থিত রুপগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়িতে কথা বলতে বলেন।
    এদিকে রুপগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বরত উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আলিমুজ্জামানকে ফোন করা হলে তিনিও এ ব্যাপারে অবগত নন বলে জানান।
    উল্লেখ্য, কলেজ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে মানিক ও চয়ন প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখেন। আন্দোলন অংশ নিয়ে মানিক ১৯৯০ সালের ৩০ নভেম্বর এবং চয়ন মল্লিক ১৯৯২ সালের ১৬ অক্টোবর প্রাণ হারান। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • পাইকগাছায় আম গাছের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছে চাষীরা

    পাইকগাছায় আম গাছের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছে চাষীরা

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা, (খুলনা)।।
    মাঘের শীতে আম গাছের পল্লবে মুকুল বের হতে শুরু করেছে। আম চাষীরা গাছের প্রাথমিক পর্যায়ের পরিচর্যা শেষ করে দ্বিতীয়বার ঔষধ প্রয়োগ করছে।।
    পাইকগাছা উপজেলার আম বাগানের গাছে মুকুল ধরা শরু করেছে। হপার পোকা দমনে আম চাষীরা গাছের প্রাথমিক পর্যায়ের পরিচর্যা শেষ যে সব গাছে মুকুল বের হয়েছে তার পরিচর্যা চলছে। ভালো ফলন পেতে বাগান মালিক ও আম চাষীরা আম বাগান পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে। বড় ধরনের কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ না ঘটলে আমের বাম্পার ফলনের আশা করছে আম চাষী ও বাগান মালিকরা। পাইকগাছা বড় আম বাগানের মালিক বিরাশির অখিলবন্ধু ঘোষ, সনাতন কাঠির আমিন সরদার, মোমিন সরদার, গদাইপুরের সামাদ ঢালী, মোবারক ঢালী, গোপালপুরের আবুল হোসেন জানান, তাদের রুপালী, বোম্বাই লতা ও হিম সাগর জাতের গাছের সংখ্যা বেশি। বাগানের আম গাছে গাছে মুকুল এসেছে এবং পরিচর্যা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছে। তারা ভালো ফলনের আশা করছে।

    পাইকগাছার কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় ১০টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার মধ্যে ৪টি ইউনিয়ন গদাইপুর, হরিঢালী, কপিলমুুনি, রাড়ুলী ও পৌরসভা ছাড়া বাকী ইউয়িনগুলিতে একেবারে সীমিত আমের গাছ রয়েছে। উপজেলায় ৫৮৫ হেক্টর জমিতে মোট আম গাছের সংখ্যা ১৪ হাজার ১শ ৮০ টি। তাছাড়া বিভিন্ন ইউনিয়নে ছড়ানো ছিটানো আম গাছ আছে। আম বাগান থেকে ২২ হাজার ১৮০ মেট্রিকটন আমের ফলন পাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ একরামুল হোসেন জানান, আম গাছে মুকুল ধরা শুরু করেছে। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক আম চাষী ও বাগান মালিকদের আমগাছ পরিচর্যায় পরামর্শ দিচ্ছে। ভালো ফলন পেতে বাগান মালিক ও আম চাষীরা আম বাগান পরিচর্যা করছেন। বড় কোন ধরনের প্রাকৃতিক বিপর্যয় না হলে, তিনি আমের ভালো ফলন আশা করছেন।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • পাইকগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৩ লাখ মানুষের স্বাস্থ্য সেবায় চারজন ডাক্তার

    পাইকগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৩ লাখ মানুষের স্বাস্থ্য সেবায় চারজন ডাক্তার

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা, (খুলনা)।।

    খুলনার পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক ও জনবল সংকটে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। হাসপাতালে আবাসিক মেডিকেল অফিসার, জুনিয়র কনসালটেন্ট (সার্জারি), অর্থোপেডিক, পেডিয়াট্রিক্স, ইএনটি, সাভারি, কার্ডিওলজি, ওগো, অপথালমোলজি, চর্ম ও যৌন, অ্যানেসথেটিস্ট, ইনডোর মেডিকেল অফিসার, ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার, মেডিকেল অফিসার, সহকারী সার্জনসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসক শূন্য রয়েছে।

    হাসপাতালে ২৪ জন চিকিৎসকের পদ থাকলেও আছে মাত্র সাতজন। বাকি ১৭ জন চিকিৎসকের পদ শূন্য রয়েছে। সাতজন চিকিৎসকের মধ্যে অন্য হাসপাতালে সংযুক্তিতে তিনজন কর্মরত। চারজন ডাক্তার প্রায় ৩ লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছেন ।
    দক্ষিণ অঞ্চলের মধ্যে ঐতিহ্যবাহী ও ব্যস্ততম হাসপাতাল পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি জনবল সংকটে নিজেই এখন রোগীতে পরিণত হয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের জনদুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ফলে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা ডাক্তার দেখাতে না পেরে বাধ্য হয়ে শহর বা ক্লিনিক মুখো হচ্ছে। প্রতিদিন আউটডোরে চার শত থেকে সাড়ে চারশত রোগী চিকিৎসা সেবা নিতে আসেন। একশত জন রোগী ভর্তি থাকে।
    উপজেলায় প্রায় ৩ লাখ মানুষের চিকিৎসা সেবার একমাত্র ভরসা এই হাসপাতাল। পাইকগাছার সাথে পাশের উপজেলাগুলির যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো থাকায় পাশের জেলা সাতক্ষীরার আশাশুনি ও তালা, খুলনার দাকোপ উপজেলা থেকে চিকিৎসা সেবা নিতে অনেক রোগী আসেন। এতো বিপুল সংখ্যক জনগণের চিকিৎসা সেবা দিতে গিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের হিমশিম খেতে হয়।
    জানা গেছে, উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন, একটি পৌরসভার অন্তত চার লক্ষাধিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবার একমাত্র সরকারি হাসপাতাল এটি। ২০১৫ সালের ৫ মার্চ ৩১ শয্যার হাসপাতালটি ৫০ শয্যায় উন্নীত হলেও সেবার মান বাড়েনি। দেওয়া হয়নি চাহিদা মতো জনবল।
    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তায় পদে রয়েছে একজন। জুনিয়র কনসালট্যান্টের পদ ৪টি, রয়েছে ৩টি; আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তার পদ ১টি, যা শূন্য; মেডিকেল কর্মকর্তার পদ ৩টি, রয়েছে ১টি; নার্সিং সুপার ভাইজারের পদ ১টি, যা শূন্য, সিনিয়র স্টাফ নার্সের পদ ৩২টি, রয়েছে ২৩টি। মিডওয়াইফ-এর পদ ৪টি, রয়েছে ৩টি; মেডিকেল টেকনোলজিস্টের পদ ৭টি, রয়েছে ৩টি; ফার্মাসিস্টের পদ রয়েছে ২টি, রয়েছে ২টি; স্যালমো পদ ২টি, রয়েছে ২টি; স্বাস্থ্য পরিদর্শকের পদ ৪টি, রয়েছে ১টি; সহ স্বাস্থ্য পরিদর্শক পদ ১৩টি, রয়েছে ৮টি; কার্ডিওগ্রামার পদ ১টি, রয়েছে ১টি; ড্রাইভারের পদ ১টি, রয়েছে ১টি; স্বাস্থ্য সহকারীর পদ সংখ্যা ৬৫টি, রয়েছে ৪৫টি; হারবাল অ্যাসিসট্যান্টের পদের সংখ্যা একটি, রয়েছে ১টি; অফিস সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিক পদের সংখ্যা ৪টি, রয়েছে ২টি; টিএলসি এর পদের সংখ্যা ১টি, রয়েছে ১টি; কুক/মশালটির পদের সংখ্যা ২টি, রয়েছে ১টি; অফিস সহায়ক পদের সংখ্যা ৭টি, রয়েছে ১টি। এছাড়া কম্পিউটার অপারেটর ১টি, প্রধান সহকারীর পদ একটি, হেলথ অ্যাডুকেটরের পদ ১টি, ক্যাশিয়ারের পদ ২টি, প্রধান সহ. কাম কম্পিউটার অপারেটর পদ ১টি, পরিসংখ্যানবিদ ১টি, স্টোর কিপারের পথ ২টি, সহ. নার্সের পদ ১টি, কম্পাউন্ডার পদ ১টি, নিরাপত্তা প্রহরী পদ ১টি, জুনিয়র মেকানিকের পদের সংখ্যা ১টি, মালির পদের সংখ্যা ১, আয়া পদের সংখ্যা ২, পরিচ্ছন্নতা কর্মীর পদ ৪ শূন্য আছে ৪ জনের পদ।
    এ ছাড়া স্বাস্থ্য সহকারীর বেশিরভাগ পদ দীর্ঘদিন শূন্যসহ আল্ট্রাস্নোলজিস্ট, মালি না থাকায় বাগানের পরিচর্যা করতে পারছে না। অত্র কমপ্লেক্সের যেখানে মোট কর্মকর্তা-কর্মচারীর পদ রয়েছে ২৩৭, সেখানে রয়েছে ১৪০ জন, পদ শূন্য রয়েছে ৯৭ জনের। দীর্ঘদিন শূন্যপদ রয়েছে ১৫টি। এ ছাড়াও সার্জারি যন্ত্রপাতির অপ্রতুলতা, অপরিচ্ছন্নতা, ওয়ার্ডে পানি ও বিদ্যুতের সমস্যা, ময়লা ও দুর্গন্ধযুক্ত বাথরুম, খাবারে অনিয়মসহ নান্য সমস্যায় জর্জরিত হাসপাতালটি।
    এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ মাহবুবর রহমান বলেন, ৩০ শয্যার হাসপাতালটি ৫০ শয্যার উন্নীত করা হলেও প্রয়োজনীয় জনবল বাড়ানো হয়নি। হাসপাতালের ডাক্তার, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী সংকট রয়েছে। অপ্রতুল সীমাবদ্ধতার সত্ত্বেও আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাচ্ছি। জরুরি ভিত্তিতে শূন্যপদের জনবল পূরণ, যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামাদির ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে চিকিৎসাসেবা দেওয়া সম্ভব হবে না। হাসপাতালে যে পরিমাণ রোগীর চাপ, তাতে ৫০ থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা প্রয়োজন। ইতোমধ্যে চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে। আশা করি, কর্তৃপক্ষ বিবেচনায় নেবেন।

  • গোদাগাড়ীতে টমেটো চাষে বিপ্লব। বানিজ্য হয় ১৫শ কোটি টাকা। হয়  ১০ হাজার লোকের কর্মসংস্থান

    গোদাগাড়ীতে টমেটো চাষে বিপ্লব। বানিজ্য হয় ১৫শ কোটি টাকা। হয় ১০ হাজার লোকের কর্মসংস্থান

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলী।। রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে প্রতিবছরের ন্যয় এবারও টমেটো চাষে বিপ্লব ঘটেছে। কাঁচা পাঁকা টমেটো ক্রয় বিক্রয় হচ্ছে । মৌসুমের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত দাম ভাল থাকায় জমজমাটভাবে চলছে টমেটোর কারবার। গোদাগাড়ী হেলিপ্যাড, সিএন্ডবি, রেলগেট, হাবাসপুর, গোপালপুর, কাঁকনহাট, মহিশালবাড়ী, বসন্তপুর, রেলগেট, চর আষাড়িয়াদহ, পিরিজপুরসহ বিভিন্ন এলাকা পরিণত হয়েছে পাঁকানোর কারবার, টমেটো পাঁকাতে টমেটো রোদে শুকানো হচ্ছে। আবার কোনো কোনোগুলো স্তুপ করে রেখে খড় দিয়ে ঢেঁকে রাখা হয়েছে।
    যেগুলোতে প্রায় পুরোপুরি লাল রং ধারণ করবে, সেগুলো আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে বাজারজাত করণ হবে। এই টমেটোগুলোই চলে যাবে নাটোর, বগুড়া, নওগা, ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে।
    এভাবে টমেটো প্রক্রিয়াজতের মাধ্যমে বাজারজাত করা হয়।

    বিভিন্ন এলাকার মানুষ এসে অস্থায়ী বাড়ি করে বা বাড়ি ভাড়া নিয়ে ফাঁকা জমি বর্গা নিয়ে সেখানে কাঁচা টমেটো পাঁকিয়ে বাজারজাত করছেন। এভাবে গোদাগাড়ীর অন্তত ৫০টি স্থানে চট্রগ্রাম, সিলেট, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব্যবসায়ীরা এসে এই টমেটো ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন। গত প্রায় একমাস ধরে এবারকার মৌসুমের টমেটো বেচাকেনা শুরু করে অব্যাহতভাবে চলছে। এই দুই মাস টমেটোর চরণভূমি বলে খ্যাত গোদাগাড়ীতে শুধুমাত্র টমেটো মৌসুমে প্রায় ১৫ শ থেকে ১৮ শ কোটি টাকার। অস্থায়ীভাবে ৮ থেকে ৯ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে এখানে।

    পদ্মা নদীর ওই পার চরাঞ্চলের কৃষকরা দিন দিন টমেটো চাষের দিকে ঝুঁকছে। প্রতি বছর চরাঞ্চলে বাড়ছে টমেটোর চাষ। চরাঞ্চলের জমি পলিমাটি হওয়ায় বরেন্দ্র অঞ্চলের চাইতে টমেটোর সাইজ বড় হচ্ছে এবং দাম বেশী পাচ্ছে এ অঞ্চলের টমেটো চাষিরা।

    রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে গোদাগাড়ীতে টমেটোর আবাদ হয় ২ হাজার ৬শ” ৫০ হেক্টর জমিতে। উৎপাদন হয়েছিল ৫৮ হাজার ৫শ” ৯৫ মেট্রিক টন। ২০১৯-২০ অর্থবছরে আবাদ হয়েছিল ২ হাজার ১শ” ৫০ হেক্টর, উৎপাদন হয়েছিল ৪৯ হাজার ৫শ” ২৫ টন; ২০২০-২১ অর্থবছরে আবাদ হয়েছিল ২ হাজার ৪শ” ৬০ হেক্টর, উৎপাদন হয়েছিল ৫৯ হাজার ৪০ টন; ২০২১-২২ অর্থবছরে আবাদ হয়েছিল ২হাজার ৮শ” ৫০ হেক্টর, উৎপাদন হয়েছিল ৭১ হাজার ২শ” ৫০ টন; ২০২২-২৩ অর্থবছরে আবাদ হয়েছিল ৩ হাজার ১৫ হেক্টর, উৎপাদন হয়েছিল ৮৭ হাজার ৪ শ” ৩৫ টন; ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আবাদ হয়েছিল ২ হাজার ২শ” ৪৫ হেক্টর; উৎপাদন হয়েছিল ৬৫ হাজার ১শ” ৫ টন এবং সবশেষ ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে টমেটোর আবাদ হয়েছে ২ হাজার ৬ শ”৭০ হেক্টর জমিতে। এসব জমিতে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭৪ হাজার ৭৬০ টন।
    এ উপজেলায় ১৭-২০ জাতের টমেটোর চাষ হয়। যার মধ্যে বেশিরভাগই হাইব্রিড। তবে অন্য যেকোনো ফসলের চেয়ে টমেটো চাষ অত্যন্ত লাভজনক। তবে ভালো ফলন, বীজ ও দাম নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ভয়ে কোনো বছর চাষের হার বেড়েছে আবার কোনো বছর কমেছে। এসব টমেটো চাষের সঙ্গে সরাসরি জড়িত প্রায় ১৫ হাজার কৃষক ও কৃষি শ্রমিক।

    গোদাগাড়ী উপজেলার মাদারপুর এলাকার বড় টমেটো চাষী সুমন আলী বলেন, ‘এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় টমেটোর বাম্পার ফলন হয়েছে, দামও ভাল পাচ্ছি, চাঁদাবাজি নেই। ব্যবসায়ীরা জমিতে থেকেই টমেটো কিনে নিচ্ছে। ৮ বিঘা জমিতে টমেটো চাষ করেছি গত বছরের চেয়ে বেশী ইনকাম হয়ে গেছে।

    টমেটো ব্যবসায়ী নূরুল ইসলাম জানান, এবার ভালো টমেটো আছে। ভালো দাম আছে। প্রতিদিন এক ট্রাক করে টমেটো ঢাকায় পাঁঠায়। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও কুমিল্লায় যাচ্ছে এসব টমেটো। দাম কমে গেল ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছ।

    উপজেলা কৃষি অফিসার মরিয়ম আহমেদ বলেন, এই অঞ্চলে দুবার টমেটোর চাষ হয়। এরমধ্যে গ্রীষ্মকালীন টমেটো রয়েছে। এই টমেটোর বেশি দাম পান চাষিরা। এবছর এই টমেটো ১৫-১৬০ টাকা কেজি দরে বাজারে বিক্রি হয়েছে।
    শত শত কোটি টাকার এখানে বানিজ্য হয়। শুধু তাই নয়, টমেটো বেচাকেনাকে কেন্দ্র অস্থায়ীভাবে ৯ থেকে ১০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • মহেশপুর থেকে সরকারী কম্বল চুরি করে পালানোর সময় অডিটোরিয়ামের কেয়ারটেকার সোহেল রানা আটক

    মহেশপুর থেকে সরকারী কম্বল চুরি করে পালানোর সময় অডিটোরিয়ামের কেয়ারটেকার সোহেল রানা আটক

    শহিদুল ইসলাম,
    মহেশপুর (ঝিনাইদহ) সংবাদদাতা:
    ২০২২/২৩ অর্থ বছরের এলাকার অসহায় মানুষের জন্য আনা সরকারী কম্বল (শীতবস্ত্র) এবং শেখ হাসিনার ছবি সম্বলিত ক্যাপ ও বিভিন্ন খেলার সামগ্রী ঝিনাইদহের মহেশপুর জেলা পরিষদের অডিটোরিয়ামে রাখেন স্থানীয় আওয়ামীলীগ দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ¦ শফিকুল আজম খান চঞ্চল। সেখান থেকে ১০ বস্তার অধিক কম্বল গোপনে ভোর রাতে আলমসাধু যোগে চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় অডিটোরিয়ামের সাবেক কেয়ারটেকার সোহেল রানা(৪৫) কে মহেশপুর থানা পুলিশ আটক করেছে।

    কম্বলসহ আটক কৃত সোহেল রানা জানায়, সে কম্বল গুলো আলমসাধু যোগে নিয়ে কোটঁচাঁদপুরে যাচ্ছিলো। অডিটোরিয়াম থেকে বের হবার পরই পুলিশ তাকে কম্বলসহ আটক করে বলেও জানান অডিটোরিয়ামের সাবেক কেয়ারটেকার সোহেল রানা।
    বর্তমান মহেশপুর অডিটোরিয়ামের কেয়ার টেকার মাজেদুল ইসলাম জানান, আমি ২০২৪ ইং সালের ২৬ ডিসেম্বর এখানে যোগদান করেছি। যোগদানের আগে এখানে কি ছিলো আমার জানা নেই। আমি শুক্রবার একটি মিটিং শেষ করে স্যারদের বলে বাড়ীতে গিয়েছিলাম চাউল আনার জন্য। আজ এসে দেখি এখান থেকে কম্বল চুরি করে পালানোর সময় এই অডিটোরিয়ামের সাবেক কেয়ার টেকার সোহেল রানাকে পুলিশ আটক করেছে । তবে আমার একটি ইলেকট্রিক চুলা চুরি হয়ে গেছে।
    পুলিশের গোয়েন্দা সংস্থার এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন সকালে মর্নিং ওয়ার্ক করতে যাওয়ার সময় দেখি জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামের ভিতর থেকে ঢপ ঢপ কম্বল আলমসাধুতে উঠানো হচ্ছে। এবং সেখানে কয়েকজন হিন্দু মহিলা কম্বল দিয়ে ঝগড়া ঝাটি করছে , আমি এটা দেখার পর জিঙ্গাসা করলে তারা প্রথমে স্বীকার করতে চাননি। একটু জোরে কথা বললে তারা কম্বল গুলো কোটচাঁদপুর নিয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করেন। তিনি বলেন কম্বল গুলো ছেড়ে দেওয়ার জন্য সাবেক সংসদ সদস্য শফিকুল আজম খান চঞ্চলের পি এস সুফল কুমার আমাকে রিকেষ্ট করে।
    থানার একটি সুত্রে জানাগেছে, ১০ বস্তার অধিক কম্বল চুরি করে অডিটোরিয়ামের সাবেক কেয়ারটেকার সোহেল রানা আলমসাধু যোগে নিয়ে যাওয়ার সময় তাকে আটক করা হয়। পরে অডিটোরিয়ামের ভিতরের একটি কক্ষ থেকে পুলিশ আরো ৪ ঢপ কম্বল, ফুটবল,কেরামবোর্ড ,শেখ হাসিনার ছবি সম্বলিত টুপি ও খেলার বিভিন্ন সমগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে।
    মামলার বাদি জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তা আনারুল আলম জানান, আমার অডিটোরিয়াম থেকে কম্বলসহ বিভিন্ন মালামাল চুরি হয়ে যাচ্ছিলো তাই আমি বাদী হয়ে একটি অভিযোগ দিয়েছি।

  • নড়াইলে পুলিশের অভিযানে বিস্ফোরক মামলার আসামী গ্রেফতার

    নড়াইলে পুলিশের অভিযানে বিস্ফোরক মামলার আসামী গ্রেফতার

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে//

    নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় একটি বিস্ফোরক মামলায় ইয়াসিন শিকদার জনি (৩০) নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে কালিয়া থানা পুলিশ।গ্রেফতারকৃত ইয়াসিন শিকদার জনি উপজেলার সালামাবাদ ইউনিয়নের বাঁকা গ্রামের মোঃ রেজাউল শিকদারের ছেলে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, শনিবার (২৫ জানুয়ারি) রাতে কালিয়া থানার পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে এবং ২৬ জানুয়ারি বেলা ১১ টায় জেলা আদালতে প্রেরণ করলে আদালতের বিচারক তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
    কালিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রাশেদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দীর্ঘ দিন আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ টিম ইয়াসিন শিকদার জনি কে নজর দারিতে রাখার পর গত ২৫ তারিখ রাতে, কালিয়া থানার মামলা নাম্বার (জি,আর,১২৪) ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫ (৩) ২৫ ডি, তৎসহ ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক উপাদানবলি আইনের ৩/৬ ধারায় গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে আন্তর্জাতিক কাস্টমস্ দিবস পালিত

    পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে আন্তর্জাতিক কাস্টমস্ দিবস পালিত

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ ‘কাস্টমস সেবায় প্রতিশ্রুতি, দক্ষতা নিরাপত্তা প্রগতি’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে পালিত হয়েছে আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস।

    এ উপলক্ষে রোববার (২৬ জানুয়ারি) সকালে বাংলাবান্ধা জিরো লাইনে বাংলাদেশের বাংলাবান্ধা কাস্টমস ও ভারতের ফুলবাড়ি কাস্টমসের মধ্যে শুভেচ্ছা ও মিষ্টি বিনিময় করা হয়। শুভেচ্ছা ও মিষ্টি বিনিময়ের সময় ফুলবাড়ি কাস্টমসের সহকারী কমিশনার টিও শার্পা, কাস্টমস সুপারেনটেনডেন গোপাল কৃষ্ণ দাস উপস্থিত ছিলেন।

    শুভেচ্ছা ও মিষ্টি বিনিময় শেষে স্থলবন্দরের কনফারেন্স রুমে স্থলবন্দরের শুল্ক স্টেশনের আয়োজনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় বাংলাবান্ধা স্থল শুল্ক স্টেশনের সহকারী কমিশনার মো. ইসাহাকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পঞ্চগড় চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আলহাজ্ব মো. শরিফ হোসেন।

    এছাড়াও স্থলবন্দরের শুল্ক স্টেশনের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মইনুল হাসান, সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা তুহিন চৌধুরী, বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর লিমিটেড ম্যানেজার আবুল কালাম আজাদ, পঞ্চগড় চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক শাহাদাত হোসেন রঞ্জু, সোহেল রানা মানিক প্রধান, সিআ্যন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইবনে সফি নাসিনুল হাসান, সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, স্থলবন্দর আমদানি রফতানি গ্রুপের কোষাধ্যক্ষ মোজাফফর হোসেন, ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসআই ফিরোজ কবির, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ সহ বন্দরের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।।