Blog

  • ঘাটাইলে শাজাহান আকন্দ ফাউন্ডেশনের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান

    ঘাটাইলে শাজাহান আকন্দ ফাউন্ডেশনের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান

    ঘাটাইল প্রতিনিধি মোঃ রায়হান মিয়া
    টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় কে, নাগবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মঙ্গলবার শাজাহান আকন্দ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে প্রতি বছরের ন্যায় এবারো বৃত্তি প্রদান ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়। মো.শামীম মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা ময়মনসিংহ অঞ্চলের উপ-পরিচালক মোহাঃনাসির উদ্দিন।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঘাটাইল উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ শফিকুল ইসলাম, শাজাহান আকন্দ ফাউন্ডেশনের সহ সভাপতি মোঃ ফারুকুল ইসলাম ফারুক,পাকুটিয়া স্কুল এন্ড কলেজের সাবেক সহকারী শিক্ষক কাজী আব্দুল বারী,মুকুল একাডেমি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ তাহাজ্জত হোসেন,কে,নাগবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জিবুন নেছা,চৈথট্র উচ্চ বিদ্যালয়ের মোঃ শফিকুল ইসলাম,সাবেক সেনা অফিসার মোঃ তোতা মিয়া,ময়মনসিংহ অঞ্চলের প্রোগ্রামার মোঃ আক্তারুজ্জামান,অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন শাজাহান আকন্দ ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক ও কে,নাগবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো.আলমগীর হোসেন সহ সাংবাদিক বিভিন্ন স্কুলের ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকসহ সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। এ বছর ১ম শ্রেণি থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত এ (+) প্লাস প্রাপ্ত সকল ছাত্রছাত্রীদের মাঝে পুরস্কার প্রদান, সনদ বিতরণ ও নগদ অর্থ প্রদান করা হয়।

    এ সময় শাজাহান আকন্দ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. শামীম মিয়া বলেন, আমার পিতা মরহুম শাজাহান আকন্দ একজন সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা হয়েও অত্যন্ত সাদামাটা ও সহজ-সরল সদা হাস্যোজ্জ্বল সাদা মনের মানুষ ছিলেন। জীবনে কখনোই তাকে নীতি ও আদর্শ থেকে বিচ্যুত হতে দেখিনি। আপনারা আমার বাবার জন্য প্রাণভরে মন থেকে দোয়া করবেন এবং সেই সঙ্গে আমি যেন ভবিষ্যতেও আরো বৃহৎ পরিসরে বৃত্তি প্রদান সহ-সমাজের অসহায় হতদরিদ্র মানুষের পাশে থেকে সেবা প্রদান করতে পারি আমার জন্য দোয়া করবেন। ভবিষ্যতেও এ উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

  • ঘুরে-ঘুরে একই জেলায় পিআইও সাখাওয়াত   প্রকল্পের টাকা হরিলুট করে হয়েছেন কোটিপতি

    ঘুরে-ঘুরে একই জেলায় পিআইও সাখাওয়াত প্রকল্পের টাকা হরিলুট করে হয়েছেন কোটিপতি

    আরিফ রব্বানী,
    ময়মনসিংহ প্রতিনিধি ।।
    ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেন এর বিরুদ্ধে সীমাহীন অনিয়ম ও দুর্নীতি করে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও অনিয়ম আর দুর্নীতিতে সুবিধা থাকায় আওয়ামী শাসন আমলের দীর্ঘ সময় ঘুরে ফিরে একই জেলায়
    চাকুরি করছেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) সাখাওয়াত হোসেন। নেপথ্যে রহস্য হিসাবে সরকারি বরাদ্দের টাকা হরিলুট করার সুবিধার্থেই একই জেলায় চাকরি করতে আগ্রহী ছিলেন এমন আলোচনা -সমালোচনা চলছে জনমনে।

    অনুসন্ধানে জানা গেছে, দেশের তৃণমূলে উন্নয়ন ও হতদরিদ্রদের সহায়ক হিসেবে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার নানা শিরোনামে অর্থ বরাদ্দ হয় উপজেলা ও জাতীয় সংসদ সদস্যের অনুকূলে। উন্নয়নের জন্য ত্রাণ, দুর্যোগ ও পুনর্বাসন এবং স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) উপজেলা পর্যায়ে বরাদ্দ হয়।একইভাবে বরাদ্দ হয় প্রত্যেক সংসদ সদস্যের অনুকূলে। উপজেলার অনুকূলে বরাদ্দ অর্থ সমন্বয় কমিটির সভার মাধ্যমে বণ্টন হয় বিভিন্ন ইউনিয়নভুক্ত এলাকার প্রকল্পের নামে। যা বাস্তবায়নের দায়িত্বে জনপ্রতিনিধিরা থাকলেও দেখভালের দায়িত্ব থাকে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার ওপর। একই জেলায় দীর্ঘদিন বহাল থাকার সুবাদে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় বদলি ব্যবস্থা নেওয়া হয়ে থাকে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাদের। কিন্তু স্থানীয় সাবেক সংসদ সদস্যদের অনুসারীদের আর্শিবাদ থাকার কারণে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া ও মুক্তাগাছায় খুঁটি গেড়ে বহাল তবিয়তে দীর্ঘ প্রায় একযুগের বেশী সময়। ফ্যসীবাদ সরকারের দালাল সেজে ঠিকাদারদের মতো সরকারি প্রকল্পে ১৫ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নভুক্ত গ্রামাঞ্চলের স্কুল, কলেজ, মাদরাসা, মসজিদ, মন্দির, কবরস্থান, শ্মশানঘাট, রাস্তাঘাট, ব্রিজ, কালভার্ট স্থাপন, মেরামত ও সংস্কারের জন্য সরকারি ও বিভিন্ন সংস্থার বরাদ্দ অর্থের সিংহভাগ টাকা অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে জনপ্রতিনিধিদের চেয়ে এগিয়ে আছে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) সাখাওয়াত হোসেন । দুই উপজেলায় এখানে দীর্ঘ এক যুগের বেশী সময়ে প্রায় বিভিন্ন প্রকল্পের টাকার অংকের ২শতাধিক কোটি টাকার বরাদ্দ মিলেছে বলে একটি সূত্র জানিয়েছে।

    সূত্র জানায়, ময়মনসিংহ মুক্তাগাছায় আওয়ামী সরকার আমলে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার কাবিটা/কাবিখা প্রকল্পের অধিকাংশ কাজ না করেই ভাগ বাটোয়া করেছে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা। যা তদন্ত করলেই থলের বিড়াল বেরিয়ে আসবে।

    অভিযোগে জানা গেছে, ফুলবাড়িয়া উপজেলায় যতো ধরণের টিআর,কাবিখা. কাবিটা. দরিদ্রদের নগদ ভাতা সহ কর্মসৃজন প্রকল্প ইত্যাদি বাস্তবায়নের নামে সবকিছুই লাপাত্তা করে নিজেই আত্নসাৎ করে বসে থাকতেন। জানা গেছে, আওয়ামী লীগের শাসনামলে ফুলবাড়িয়া উপজেলা  প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেন মূলত কোন কাজই করতেননা। জানা গেছে, সাখাওয়াত হোসেনের কাজ ছিলো সারাদিন কিভাবে টাকা আত্নসাৎ করা যায় এই ধান্ধাবাজিতে আর বিকেল হলেই আওয়ামীলীগের উন্নয়ন মিছিলে শরীক হতেন। ফুলবাড়িয়া বাসী এখনও হাসি-ঠাট্রা করে বলে থাকেন সরকারি কর্মকর্তা সেও আওয়ামীলীগের মিছিল করে। অভিযোগে আরও জানা গেছে, পিআইও সাখাওয়াত হোসেন শুধু দরিদ্রদের  ভাতার টাকাই মেরে দেয়নি তিনি এমপি বরাদ্দ সহ যতো বরাদ্দের টাকা আসতো সবই খেয়ে ফেলতেন। পতিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চাকরটির মতো পিআইও সাখাওয়াত হোসেন হোসেন নাকি এখন কোটি কোটি টাকার মালিক।
    ক্ষুব্ধ হয়ে স্হানীয় বাসী বলেন, চোরা সাখাওয়াত হোসেনের শাস্তি কি ফুলবাড়িয়া থেকে মুক্তাগাছায় বদলি হওয়া! ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসন সংশ্লিষ্ট স্হানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা দূর্ণীতি দমন কমিশন দূদকের কর্মকর্তা ময়মনসিংহের গোয়েন্দা সংস্হা সাখাওয়াত হোসেনের দূর্ণীতি আর অপকর্মের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্হা নিবেন এটা যেনো প্রশ্নবিদ্ধ না হয় এটাই সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ।

    অনেকেই অভিযোগ করে বলেন সরকারের যত প্রকল্প লুটপাট করেছে সবগুলোই তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে আরোও বলেন, এখনি সময় এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার।

    অভিযোগ বিষয়ে জানতে চাইলে মুক্তাগাছা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) সাখাওয়াত হোসেন এ সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন।

  • চট্টগ্রাম প্রবাসী ক্লাবের নেতৃবৃন্দর  সাথে চসিক মেয়রের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    চট্টগ্রাম প্রবাসী ক্লাবের নেতৃবৃন্দর সাথে চসিক মেয়রের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    শহিদুম ইসলাম,
    বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    ২৭ জানুয়ারি সোমবার বেলা তিনটায় চট্টগ্রাম প্রবাসী ক্লাব লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান খন্দকার এম এ হেলাল সিআইপি’র নেতৃত্বে, ক্লাবের নবগঠিত পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দ এক সৌজন্য সাক্ষাৎ এ মিলিত হন চসিক মেয়রের সিটি কর্পোরেশন কার্যালয়ে।               

    এসময় নেতৃবৃন্দ চসিক মেয়র ডা.শাহাদাত হোসেনকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান সেই সাথে ক্লাবের কমিটি হস্তান্তর করেন।         

    চসিক মেয়র ডা.শাহাদাত হোসেন ক্লাব কতৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান,সেই সাথে দেশ গঠনে বিশেষ করে জুলাই ২৪ বিপ্লবের গণ অভ্যুত্থানে ছাত্র জনতার পাশাপাশি প্রবাসী বীর রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের অগ্রণী ভূমিকার প্রশংসা করেন,এসময় তিনি ক্লাবের বীর রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সংগঠন চট্টগ্রাম প্রবাসী ক্লাবের বীর রেমিট্যান্স যোদ্ধা সদস্যদের জন্য মেডিকেল স্থাপনের জন্য নগরীতে ২২ গন্ডা জায়গা প্রদানের আশ্বাস দেন,সেই সাথে একটি স্থায়ী অফিস কার্যালয়ের জন্য স্থান নির্ধারণ ও এয়ার পোর্টে আলাদা লাউঞ্জের ব্যবস্থার আশ্বাস দেন।                         

    এসময় উপস্থিত ছিলেন নবগঠিত কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ ইসমাইল ইমন,  নবনির্বাচিত কমিটির উপদেষ্টা নুরুল কবির, পরিচালক নাজিম সিকদার, আব্দুল মান্নান, আবু ইউসুফ মামুন, দিদারুল আলম, সোহেল সিকদার,  হাজী আবুল কাসেম ও জসিম কুসুমপুরী ও সদস্য আরিফুল ইসলাম প্রমুখ।

  • ডিসির পক্ষ থেকে জুলাইয়ের ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানে আহত ইমাম হোসেন পেলেন একটি দোকান

    ডিসির পক্ষ থেকে জুলাইয়ের ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানে আহত ইমাম হোসেন পেলেন একটি দোকান

    আনোয়ার হোসেন।।

    নেছারাবাদ উপজেলা প্রতিনিধি//

    জুলাইয়ে গণঅভ্যুত্থানে যারা নিহত হয়েছেন তাদের পরিবার থেকে একজন এবং যারা আহত হয়েছে তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা গ্রহন করেছেন বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। তারই ধারাবাহিকতায় পিরোজপুর জেলা প্রশাসক মোঃ আশরাফুল আলম খান নেছারাবাদের জুলাইয়ে ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানে আহত মোঃ এমাম হোসেনের কর্মসংস্থান জন্য একটি দোকান ঘরের ব্যবস্থা গ্রহন করেন।

    ২৭শে জানুয়ারি রোজ সোমবার বিকালে নেছারাবাদ উপজেলায় আহত এমাম হোসেনকে উপজেলার ফেরিঘাট সংলগ্ন এলাকায় খাস জমিতে একটি দোকান ঘর(স্টল)উঠিয়ে তার চাবি বুঝিয়ে দেন।তার বাড়ি মাহমুদকাঠি।

    এ সময় নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ভারপ্রাপ্ত)মোঃ রায়হান মাহমুদ সহকারী কমিশনার ভুমি বলেন,আমাদের জুলাইয়ের ছাত্র জনতার যে গণঅভ্যুত্থান হয়েছে এর মধ্যে নেছারাবাদ উপজেলায় যারা আহত হয়েছেন তাদের মধ্যে থেকে একজনকে, জেলা প্রশাসক স্যারের নির্দেশক্রমে, যে আমাদের উপজেলায় একজন আহত ব্যাক্তি রয়েছেন তাকে নেছারাবাদে উপজেলা এবং জেলার যৌথ উদ্যোগে আহত এমাম হোসেনকে একটি দোকান ঘরের ব্যাবস্থা করে দেয়া হয়।তাকে দোকানের চাবি বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। সমগ্র উপজেলায় আমাদের এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

    এ সময় উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, মোঃ শফিকুল ইসলাম ফরিদ আহবায়ক স্বরূপকাঠি পৌর বিএনপি, মোহাম্মদ নাসির তালুকদার যুগ্ন আহবায়ক নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপি,মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর স্বরূপকাঠি পৌর শাখার আমির, ওয়াহিদুজ্জামান মানিক যুগ্ন আহবায়ক স্বরূপকাঠি পৌর বিএনপি এছাড়াও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

  • খুলনা মহানগর শাখার জাগ্রত বাংলাদেশ জেবিডির আয়োজনে মানববন্ধন

    খুলনা মহানগর শাখার জাগ্রত বাংলাদেশ জেবিডির আয়োজনে মানববন্ধন

    শেখ তৈয়ব আলী পর্বত, খুলনা।

    জুলাই আগস্ট ২০২৪ ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্যে দিয়ে দেশ থেকে আমরা ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার দূর করেছি। কিন্তু সাম্প্রতিক সময় খুলনাতে অনেকগুলো হত্যাকান্ড সংগঠিত হয়েছে যা আমরা বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও টিভিতে দেখেছি। এইসব ঘটনার কারণে খুলনার সাধারণ মানুষ অনেক আতঙ্কি আছে। আমরা বাংলাদেশের মধ্যে খুলনা মহানগরকে সবচেয়ে নিরাপদ ও শৃঙ্খলিত দেখতে চাই এরই ধারাবাহিকতায় ২৭জানুয়ারি বিকাল চারটায় খুলনা প্রেসক্লাব চত্বর মানববন্ধন করেন জাগ্রত বাংলাদেশ(জেবিডি) খুলনা মহানগর শাখা। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন প্রভাষক বাবু কুমার রায় আহবায়ক জাগ্রত বাংলাদেশ জেবি দি খুলনা মহানগর শাখা খুলনা তিনি তার বক্তব্যে বলেন খুলনা বাঁশি সবচেয়ে সভ্য ও শান্তি প্রিয়। সুতরাং এই শান্তিপ্রিয় মানুষের জীবনে এত সংশয় আশঙ্কা থাকবে কেন। কেউ অপরাধ করলে তার বিচার আদালতে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হবে। সাধারণ মানুষ আইন নিজের হাতে তুলে নেবে এটা কখনো আমাদের কাম্য নয়। এখনই আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা সমুন্নত রাখতে কার্যকর ভূমিকা পালন করার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান রইল। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট মোঃ তৌফিকুল ইসলাম যুগ্ম সদস্য সচিব জাগ্রত বাংলাদেশ জেবিডি খুলনা মহানগর শাখা খুলনা। মোঃ মনিরুজ্জামান মনির আহবায়ক জাগ্রত শ্রমিক বাংলাদেশ। বটিয়াঘাটা উপজেলা শাখা খুলনা। মোঃ মোস্তাক সদস্য সচিব জাগ্রত শ্রমিক বাংলাদেশ বটিয়াঘাটা উপজেলা শাখা খুলনা।

  • লতা এবিডিপি এমএম উচ্চ বিদ্যালয়ের দুইদিন ব্যাপী বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা

    লতা এবিডিপি এমএম উচ্চ বিদ্যালয়ের দুইদিন ব্যাপী বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা

    পাইকগাছা ( খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছার লতা এবিডিপি এমএম উচ্চ বিদ্যালয়ের দুই দিন ব্যাপী বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার ও সোমবার বিদ্যালয়ের মাঠে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। প্রতিযোগিতা শেষে সোমবার বিকালে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বরুণ কান্তি বিশ্বাসের সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা পরিষদের নবনির্বাচিত সভাপতি সাবেক কাউন্সিলর মোঃ ইমরান সরদার। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব মাসফিয়ার রহমান সবুজ ও লতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ভূতেশ মল্লিক । উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক প্রতিনিধি জিএম আব্দুল হামিদ, অভিভাবক সদস্য পল্লব গোলদার, শিক্ষক রাশিদা খাতুন, মাসুদুর রহমান, মিল্কীওয়ে টিকাদার, দেলওয়ার হোসেন, নারায়ণ কবিরাজ, শংকর কুমার বিশ্বাস, অরন্য রায়, অমল রায়, যুথিকা রাণী মল্লিক,তাপস মন্ডল, আফসারুল হক, মাধবী স্বর্নকার, হারুন অর রশীদ, বিপ্লব কুমার সরদার, আব্দুর রাজ্জাক গাজী, মোছাল গাজী, মনিরুল ইসলাম, আশরাফুল ইসলাম, তৈয়েবুর রহমান, বিকাশ সরকার, বিপুল সরকার, গোপাল দফাদার ও তুহিন মন্ডল।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা খুলনা।

  • পাইকগাছা পৌর বিএনপির সদস্য সচিবের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ

    পাইকগাছা পৌর বিএনপির সদস্য সচিবের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ

    পাইকগাছা ( খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছা পৌরসভা বিএনপির সদস্য সচিব মোস্তফা মোড়ল এর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় জিডি করা হয়েছে। প্রাপ্ত অভিযোগে জানা গেছে গত ২৪ জানুয়ারি ” পাইকগাছা উপজেলা বিএনপি ” নামক একটি ফেসবুক পেইজ থেকে পৌর বিএনপির সদস্য সচিব মোস্তফা মোড়ল এর নেতৃত্বে দুই’শ বিঘার একটি মাছের ঘের দখল। এমন ভিত্তিহীন আপত্তিকর একটি পোস্ট করা হয়। রাজনৈতিক ও সামাজিক ভাবে সম্মান ক্ষুন্ন করতে কতিপয় ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ ধরনের অপপ্রচার করছে উল্লেখ করে বিএনপি নেতা মোস্তফা মোড়ল বলেন এটি সম্পুর্ন একটি ভুয়া খবর। এধরণের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য তিনি সকলের প্রতি অনুরোধ করেন। এ ঘটনায় থানায় জিডি করেছেন বিএনপি নেতা মোস্তফা মোড়ল। যার নং ১৩৩০, তাং ২৭-০১-২০২৫।

  • পাইকগাছার ব্যবসায়ী অমরেশ বাস মালিক সমিতির সহ সভাপতি নির্বাচিত ; শুভেচ্ছায় সিক্ত

    পাইকগাছার ব্যবসায়ী অমরেশ বাস মালিক সমিতির সহ সভাপতি নির্বাচিত ; শুভেচ্ছায় সিক্ত

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছা বাজার বস্ত্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি, দীপ্তি গ্রুপের সত্ত্বাধিকারী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী অমরেশ কুমার মন্ডল খুলনা জেলা বাস মিনিবাস, কোচ, মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সহ সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। গত ২৫ জানুয়ারি শনিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ফুটবল প্রতীকে ১৫৭ ভোট পেয়ে মোকাম্মেল, সাইফুল রবিউল পরিষদ থেকে তিনি সহ সভাপতি নির্বাচিত হন। উল্লেখ্য এ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জেলা বাস মালিক সমিতিতে পাইকগাছা, কয়রা ও তালা সহ বৃহৎ এ অঞ্চলের বাস মালিকদের একমাত্র নির্বাচিত প্রতিনিধিই হচ্ছেন তিনি। নির্বাচনে জয়লাভ করায় বিভিন্ন, সংগঠন, প্রতিষ্ঠানের শুভেচ্ছায় সিক্ত হয়েছেন ব্যবসায়ী অমরেশ কুমার মন্ডল। ইতোমধ্যে মহানগর বিএনপি, আইএফআইসি ব্যাংক পাইকগাছা শাখা সাধারণ মটর শ্রমিক সহ বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। অনুরূপভাবে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন পাইকগাছা বাজার বস্ত্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শফিয়ার রহমান সহ সমিতির সকল সদস্য বৃন্দ।

  • তানোরে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘ-র্ষে নিহ-ত ২

    তানোরে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘ-র্ষে নিহ-ত ২

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও দুজন। জানা গেছে,২৭ জানুয়ারী সোমবার বিকেলে তানোর-মুণ্ডুমালা সড়কের দেবীপুর এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

    নিহত দুজনের মধ্যে একজন জাহিদ আলম (৪৫)। তিনি ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ। রাজশাহীর হযরত শাহমখদুম (র.) বিমানবন্দরে কর্মরত ছিলেন তিনি। তার বাড়ি রাজশাহী নগরের শিরোইল কলোনি মহল্লায়। বাবার নাম রফিকুল ইসলাম।

    নিহত অন্যজন মো. পলাশ (২৬)। তার বাড়িও রাজশাহী নগরের শিরোইলে। তার বাবার নাম জাহাঙ্গীর আলম। পলাশ মোটরসাইকেল চালাচ্ছিলেন। তার পেছনে জাহিদ আলম বসেছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

    আহত দুজন হলেন- তানোর উপজেলা সদরের গোল্লাপাড়া মহল্লার ভূপেন (২৬) এবং একই এলাকার মো. রিয়াজ (৩০)। ভূপেনের বাবার নাম গোবিন্দ। রিয়াজের বাবার নাম মৃত ফয়েজ উদ্দিন।

    এবিষয়ে তানোর থানার অফিসার ইন্চার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই মারা যান ইউএস বাংলার কর্মকর্তা জাহিদ আলম। আর পলাশকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওসি জানান, নিহত দুজনের মরদেহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। গুরুত্বর আহত দুজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।#

  • নড়াইল শহরাংশের চার লেনে জাতীয় মহাসড়ক প্রশস্তকরণের কাজ থমকে আছে

    নড়াইল শহরাংশের চার লেনে জাতীয় মহাসড়ক প্রশস্তকরণের কাজ থমকে আছে

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইল শহরাংশের চার লেনে জাতীয় মহাসড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন শীর্ষ প্রকল্পের নির্মাণকাজে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে অবৈধ স্থাপনা। সড়ক ও জনপথের জায়গায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে জটিলতার কারণে প্রকল্পের কাজে দেখা দিয়েছে ধীরগতি। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, তবে দখলদারদের মাত্র ৬০ শতাংশ উচ্ছেদ করা গেলেও এখনো অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ ৪০ শতাংশ বাকি আছে। যে কারণে ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের জুনে প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের প্রতিবন্ধকতায় চলতি বছরের (২০২৫) জুন পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। প্রকল্পের বর্ধিত মেয়াদ আছে ছয় মাসের কম। এখনো ৩০ শতাংশ কাজ বাকি রয়েছে। ফলে এ সময়ের মধ্যে কাজ শেষ হওয়া নিয়ে দেখা দিয়েছে সংশয়। ফলে প্রায় ১৮০ কোটি টাকা ব্যয়ের এ প্রকল্পের সুবিধা সহসাই পাওয়া যাবে না বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় মহাসড়কের অংশ হিসেবে সড়ক বিভাগের অধীনে শহরতলি মালিবাগ থেকে সীতারামপুর পর্যন্ত নড়াইল পৌর শহর অংশের ৫ দশমিক ৭৯১ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্তকরণ ও চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের কাজ ২০২২ সালে শুরু হয়। ১৭৯ কোটি ৯৮ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে সওজ অধিদপ্তর। আর সড়ক বিভাগের পক্ষে কাজটি তদারকি করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৯ ইসিবি। এর আগে গত ২০২১ সালের ২৩শে নভেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সভায় এ প্রকল্পটি অনুমোদন পায়। চার লেনের সড়কটি সদরের মালিবাগ থেকে নড়াইল পৌর শহর হয়ে সীতারামপুর গিয়ে যশোর বেনাপোল মহাসড়কে যুক্ত হয়েছে।
    নড়াইল শহরের যানজট নিরসনের জন্য চার লেন সড়কের কাজ শুরু থেকেই গত তিন বছর ধরে চলছে কচ্ছপ গতিতে। কারণ হিসেবে প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সড়কের দু’পাশের কিছু স্থানে স্থাপনা এখনো সরানো যায়নি। এ ছাড়া মামলা জটিলতায় দীর্ঘ সময় পার হয়েছে। এর আগে চার লেনের সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের জন্য বিভিন্ন স্থাপনা ভেঙে ফেলার উদ্যোগ নেয় সওজ। কিন্তু ভাঙার আওতায় থাকা নড়াইল পৌর শহরের ভওয়াখালী ও রুপগঞ্জ বাজারের ব্যক্তি পর্যায়ের বেশ কয়েকটি মার্কেট, নড়াইল পৌরসভা ও জেলা পরিষদের কয়েকটি মার্কেট রয়েছে। দফায় দফায় নোটিশ পাঠিয়ে এবং মাইকিং করেও সড়কের জায়গায় অবৈধ স্থাপনা অপসারণে উদ্যোগ নেয়নি দখলদাররা। যে কারণে স্থাপনা উচ্ছেদে কঠোর অবস্থান নিয়ে সওজের বেদখল জায়গাগুলো যৌথ অভিযান চালিয়ে দখল মুক্ত করা হচ্ছে। তবে দখলদারদের মাত্র ৬০ শতাংশ উচ্ছেদ করা হয়েছে। এখনো অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ ৪০ শতাংশ বাকি আছে। ফলে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযানের কারণে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি। ফলে যান চলাচলে বিড়ম্বনার পাশাপাশি ভোগান্তিতে চলাচলকারীরা। তবে সব সংকট কাটিয়ে চলতি বর্ধিত মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই দ্রুতই কাজ শেষ করার আশ্বাস প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের।
    নড়াইল সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নজরুল ইসলাম জানান, কাজ এগিয়ে নিতে নড়াইল শহরাংশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে বিভিন্ন সময়ে নোটিশ দেয়ার পরও দখলদাররা জায়গা খালি না করায় ইতিমধ্যে অভিযানে ৬০ শতাংশ উচ্ছেদ করা হয়েছে। এখনো ৪০ শতাংশ অবৈধ দখলদাররা উচ্ছেদ বন্ধে মামলা-মোকদ্দমা করে আছে। এ ছাড়া ব্যবসায়ী তথা বাজার কমিটির লোকজন উচ্ছেদ বন্ধে সাধারণ দখলদারদের ভুল বুঝিয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে আপত্তি দিয়েছিলেন। কোনো স্থাপনা, মার্কেট বা দোকানে উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকলে, সেগুলো আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে দখল মুক্ত করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ‘এসব কারণে এবং সেনাবাহিনীর নির্দেশে নির্মাণকাজের কিছু আইটেম বাড়ানো হয়েছে বিধায় কাজে ধীরগতি হলেও সব সংকট কাটিয়ে চলতি বর্ধিত মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই কাজ শেষ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি
    নড়াইল থেকে।