Blog

  • সম্মানিত ব্যক্তিদের নামে অপপ্রচার ও গুজব ছড়ানো বন্ধ করতে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার

    সম্মানিত ব্যক্তিদের নামে অপপ্রচার ও গুজব ছড়ানো বন্ধ করতে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার

    সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ) সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারি এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, সাংবাদিক, আইনজীবী ও পুলিশ প্রশাসনসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের নামে অপপ্রচার ও গুজব ছড়াচ্ছে একটি মহল। এই মহল ও চক্রটির সাথে জড়িতরা দেশ ও জাতির শক্র, তারা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মানুষের মোবাইলের অডিও, ভিডিও সহ ছবি ব্যবহার করে গুরুতর অপরাধ অপপ্রচার ও গুজব ছড়াচ্ছে।

    অপপ্রচার ও গুজব ছড়িয়ে একটি মহল দেশ ও জাতির মধ্যে দাঙ্গা হাঙ্গামা সৃষ্টি করছে। বাংলাদেশ পুলিশ ও বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র করে কোনো নেতা বা মেম্বার চেয়ারম্যান, এমপি মন্ত্রীর সাথে ছবি দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে, যেমনঃ “সৈরাচার বিরোধী স্বাধীন মানুষ” একটি আইডি তৈরি করে আঙ্গুল দিয়ে লিখছেন যে, সাংবাদিক লিখতে পারেননি সাম্বাদিক লিখে পুরো গণমাধ্যম কর্মী সাংবাদিক জাতির বিবেককে অপমান করছে। যে, ব্যক্তি ফেসবুক আইডির নাম “সৈরাচার বিরোধী স্বাধীন মানুষ” লিখেছেন খুব ভালো কথা কিন্তু মানুষ কি তাদের পূর্ণ স্বাধীনতা পাচ্ছেন ? আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থেকে জামায়াতে ইসলামকে নিষিদ্ধ করার চেষ্টা করছে, জামায়াতে ইসলাম আওয়ামী ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করার ব্যবস্থা করছে। ১৯৭১ইং থেকে ২০২৫ইং পর্যন্ত প্রতিহিংসার রাজনীতি দেখেছে জাতি। চলমান রাজনীতির প্রতিহিংসায় সাধারণ মানুষ হামলা মামলার শিকার হচ্ছেন, এমনকি পুলিশ ও সাংবাদিক সরকারের বার্তা ও নির্দেশ মেনে কাজ করতে গিয়ে অনেকেই হামলা মামলার শিকার হয়েছেন, অনেকেই হত্যার শিকার হয়েছেন কিন্তু ভুক্তভোগী পরিবার কোনো বিচার পাবেনতো? কোনো লাভ হবে না। পুলিশ অফিসার ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দসহ মানবাধিকার কর্মীদের অভিমত দেশে মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে।

    আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ‘আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাব’ এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ) বলেন, পুলিশ কাউকে আটক বা গ্রেফতার করলেই তখন সেই পুলিশ সদস্যকে খারাপ বলা হয় আর সাংবাদিক কারো পক্ষে বা বিপক্ষে প্রচার প্রচারণায় সংবাদ প্রকাশ করলেই সেই সাংবাদিক ভালো না, দালাল বা দোসর হয়, দেশে রাজনীতি করার অধিকার সবার কারণ বাধলাদেশ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। এখানে যে দল যখন সুযোগ পায় তখনই সাংবাদিকসহ সাধারণ মানুষের নামে মামলা দিয়ে হয়রানি করেন এটা কেমন রাজনীতি? দুর্নীতিবাজদের অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করা, রাজনৈতিক সমাবেশে উপস্থিত হওয়ার কারণে বিভিন্ন ভাবে ষড়যন্ত্র করছে, সেই সাথে অনেক সাংবাদিকের উপর হামলা মামলা করছে একটি মহল, এমনকি গুজব ও অপপ্রচার চালায় সুবিধাবাদীরা। তিনি আরো বলেন, রাজনীতি শব্দ অনেক সুন্দর তার মান মর্যাদা অনেক বেশি তাই রাজনীতি যেন হয় সেবামূলক, সেই সাথে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। প্রকৃত সাংবাদিকদের উপর হামলা, মামলা হলে তা মেনে নিবে না জাতি। তিনি আরো বলেন, “সাংবাদিকদের অসম্মান করার অধিকার কারো নেই” যারা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছেন বিভিন্ন মিডিয়ায় তাদের কোনো ভয় নাই। কোনো প্রকৃত সাংবাদিক কারো বিরুদ্ধে বদনাম বা অপপ্রচার করে না, সাংবাদিক কোনো দলের দোসর হয় না, প্রকৃত সাংবাদিকরা কোনো হামলা মামলার ভয় করেন না।

     বিশেষ করে যারা মানুষের ভালো কিছু করা দেখতে পারে না, দেশ ও জাতির বিরুদ্ধে অপপ্রচার করে, মানুষের বদনাম করার জন্য হুজব ছড়ায় তাদেরকে শনাক্ত করে আটক করার পর আইনের আওতায় আনার দাবী জানান সচেতন মহল। কলম সৈনিকরা কখনো কারো মিথ্যা সংবাদ লিখে প্রকাশ করেন না। যারা কলম হাতে নিয়ে মিথ্যা কোনকিছু লিখে তা অপপ্রচার করে তারা দেশ ও জাতির শক্র, আল্লাহ তাদের কঠিন শাস্তি দিবেন। অপরাধী সে যেইহোক না কেন তাদেরকে আটক করে আইনের আওতায় আনা হোক বলে অভিমত প্রকাশ করেন সাংবাদিক নেতারা। পুলিশ বা সাংবাদিকরা বছরের ৩৬৫ দিনের মধ্যে ৩৬৪ দিন ভালো কাজ করে আর ১দিন যদি একটা ছোট ভুল করেন তখন তাদেরকে গালি দিয়ে বলা হয় সাংবাদিকরা খারাপ। অনেকেই নিজেদের বড় মনে করেন, নিজেদের স্বার্থের জন্য শক্রতা সৃষ্টি করেন আর একজন অন্যজনের ক্ষয়ক্ষতি করার চেষ্টায় ব্যস্ত থাকেন এটা ঠিক নয়, এটা প্রতিহিংসা। সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার মধ্যে আনন্দ আছে। আমাদের লেখার মধ্যে বা দায়িত্ব পালনে ভুল হতে পারে এরজন্য হামলা, মামলার শিকার হতে হবে কেন? যারা কাজ করেন তাদের কাজে ভুল হয়, শয়তানের কিন্তু ভুল হয় না।

    দেশের বেশিরভাগ সাংবাদিকদের সাংবাদিকতার আদর্শলিপি পড়া দরকার। বিশেষ করে “কলম সৈনিক অর্থাৎ সাংবাদিক দেশ ও জাতির বিবেক, ঝুঁকিপূর্ণ জেনেও সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন,বিশেষ সম্মান অর্জন করার জন্য কিন্তু সম্মান অর্জন না হয়ে আরও বদনাম হয় কেন?। শুধুমাত্র মানুষের সুখ, দুঃখ, আনন্দ বেদনা, দুর্ঘটনাসহ সকল বিষয়ে জাতির কাছে তুলে ধরতে সাংবাদিকরা কাজ করেন। পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকদের অবশ্যই চোখ কান খোলা রেখে কাজ করতে হবে, এখন একটি মহল সাংবাদিক ও পুলিশ প্রশাসনের ছবি ব্যবহার করে গুজব ও অপপ্রচার চালাচ্ছে, এসব অপপ্রচার যারা করছে তারা কোনো দলের নয়, এটা তাদের স্বার্থের জন্য প্রতিহিংসামূলক ষড়যন্ত্র। অনেকসময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে বর্তমান সরকারের সংশিষ্টদের নামে এবং সাংবাদিকদের নামে অপপ্রচার ও গুজব ছড়াচ্ছে, যারা এসব করছে তাদেরকে শনাক্ত করতে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা ছাড়া উপায় নেই। সেই সাথে ঢাকার আশুলিয়ায় ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় যারা গুলি করেছে, তারা নব্য বিএনপি সেজেছে এবং ৫ আগষ্ট ২০২৪ইং তারিখের ঘটনার সময় আহত নিহত বা শহীদদের আত্মীয় সেজে ভুয়া বাদী হয়ে সাংবাদিক ও রাজনৈতিক নেতাকর্মী এবং ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের নামে মামলা দিয়ে মোটা অংকের বাণিজ্য করছে। এই ভুয়া বাদীসহ জড়িত অনেকেই গ্রেফতার হয়েছে, পুলিশ আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে কারাগারে পাঠিয়েছেন। এখনো অনেক মামলার ভুয়া বাদী ও দেশ ও জাতিকে নিয়ে অপপ্রচার ও গুজব ছড়াচ্ছে, জড়িতদের আটক করে আইনের আওতায় আনা জরুরী বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

    সাংবাদিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করেও কারো মন জয় করতে পারেন না। ছোট একটি ভুল করলে সাংবাদিককে খারাপ বলা হয় এবং সাংবাদিকদের উপর হামলা, মামলা করা হয়, এমনকি হত্যার শিকার হতে হয় সাংবাদিককে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সবাইকে বলা হয় সাংবাদিকদের সহযোগিতা করবেন কিন্তু তার উল্টো দেখা যায়, পুলিশ সাংবাদিক কি কখনো বন্ধু হতে পেরেছেন? কেউ কি খবর নিয়েছেন যে, সাংবাদিকরা কেমন আছেন? কোনো সহযোগিতা লাগবে কি না?। সাংবাদিকরাই আজকাল মানবেতর জীবনযাপন করছেন। জনগণের কল্যাণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করে থাকেন সাংবাদিকরা, এর বিনিময়ে কি পাচ্ছেন? নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন অনেক সাংবাদিক, হয়রানিমূলক মামলার শিকার হচ্ছেন অনেকেই, যার কোনো হিসাব নেই। পুলিশের অস্ত্র ও পোষাক দেখে অপরাধীরা ভয় পেয়ে থাকে কিন্তু সাংবাদিকের উপর হামলা করতে কেউ ভয় করে না।  

    বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ১৮কোটি জনগণ, সেই তুলনায় আইনশৃঙ্খা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও সাংবাদিকের সংখ্যা অনেক কম। ধন্যবাদ জানাই তাদেরকে যারা মানুষের কল্যাণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন। পুলিশ, সাংবাদিক, আইনজীবি এই ৩টি শব্দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হলো “কলম সৈনিক অর্থাৎ সাংবাদিক”। বিশেষ করে সাংবাদিকতার আদর্শলিপি’র বেশিরভাগ শব্দ আছে যা সাংবাদিকদের জন্য জানা অতি জরুরি-যেমনঃ সংবাদের উৎসহের মত সংবাদের উপাদান কি? মানুষ এবং প্রকৃতি, মানুষের আশা-আকাঙ্খা, আনন্দ, বেদনা, সুখ-দুঃখ, সমস্যা ও সম্ভাবনাই সংবাদের মূল প্রতিপাদ্য। এর সাথে সম্পৃক্ত সকল বিষয়ই সংবাদের উপাদান। যেমনঃ কুকুর যদি মানুষকে কামড়ায় তা কোনো সংবাদ নয়, আর মানুষ যদি কুকুরের মতো কিছু করে বা অপ্রত্যাশিত আর কিছু অপকর্ম করলে তা সংবাদ হয়। নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটনা, অন্যায় অবিচার, যা মানুষের অধিকারকে হরণ করে, এটা মানবাধিকার লঙ্ঘন, মানবাধিকার লঙ্ঘন শাস্তিযোগ্য অপরাধ। সাংবাদিকদের তথ্য জানার অধিকার আছে, তবে কারো সাথে বিবাদ বা শক্রতা করে সাংবাদিকতায় সাফল্য আসতে পারে না। তবে কেউ গায়ে পড়ে লাগলে তাকে ছাড় দেয়া যায় না। সাংবাদিকরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে, এতে স্বাধীনভাবে সাংবাদিকতা করা সহজ হবে বলে অনেকেরই অভিমত। সাংবাদিক নেতারা অনেকেই জানান, সাংবাদিক শব্দ ছোট হলেও এটি একটি মহান পেশা। সাংবাদিকতা অনেক সম্মানজনক, তবে প্রকৃত সাংবাদিক হতে হলে অবশ্যই সাংবাদিককে সাংবাদিকতার আদর্শলিপি পড়তে হবে, সেই সাথে সর্বশেষ সংশোধনীসহ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন ম্যানুয়েল বই এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বইসহ বেশি বেশি বই পড়তে হবে। অনেকেই জানেন না যে, ১/ সাংবাদিক মানে জাতির বিবেক। ২/ সাংবাদিক মানে দেশ প্রেমিক। ৩/ সাংবাদিক মানে কলম সৈনিক। ৪/ সাংবাদিক মানে জাতির দর্পণ। ৫/সাংবাদিক মানে জাতির সেবক। ৬/সাংবাদিক মানে শিক্ষিত জাতি। ৭/সাংবাদিক মানে স্বাধীনভাবে কাজ করা। ৮/সাংবাদিক মানে সম্মানিত জাতি। ৯/ সাংবাদিক মানে তদন্তকারী। ১০/ সাংবাদিক মানে আইন বিষয়ে জানা। ১১/ সাংবাদিক মানে সিস্টেম পরিবর্তন করা। ১২/ সাংবাদিক মানে সকল বিষয়ে জানা। সম্পাদকীয় বা উপ-সম্পাদকীয় লেখা আর সংবাদ লেখা এক রকম নয়। উপ-সম্পাদকীয় লেখা অনেক কঠিন, আর উপ-সম্পাদকীয় সবাই পড়তে পারেন না এর অনেক কারণ রয়েছে। 

     তিনি আরও বলেন, ফেসবুকে আঙ্গল দিয়ে দুই লাইন লিখে পোস্ট করলেই সাংবাদিক হওয়া যায় না, বর্তমানে ফেসবুক লেখক ও সাংবাদিকরা কিছু নেতাদের ফেসবুক নেতায় পরিণত করেছে যা জাতির জন্য খুবই লজ্জাজনক। দেশের সকল শ্রেণী পেশার মানুষ সরকারি সাহায্য সহযোগিতা পেলেও সাংবাদিকরা কিন্তু কোনো প্রকার সহযোগিতা পাচ্ছেন না। বিশেষ করে ৫ আগষ্ট ২০২৪ইং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ থেকে পালিয়ে গেছেন, ছাত্র-জনতার উপর হামলা ও গুলি করে হত্যা ও মানুষের লাশ পোড়ানো মামলায় সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী, কিছু বিএনপি’র নেতাকর্মী, ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষের নাম দিয়ে ফায়দা নিচ্ছে একটি চক্র। কিছু পুলিশ সদস্যও আসামী হয়ে গ্রেফতার হয়েছেন। শুধু জামায়াতে ইসলামের কেউ মামলার আসামী হয়নি এবং তাদের কেউ গ্রেফতার হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়নি। ঢাকার আশুলিয়ায় সায়েব আলী ও আব্দুল জলিলসহ কয়েকজন আওয়ামী লীগের নেতা কর্মী বিএনপি সেজে ভুয়া বাদী হয়ে একাধিক মামলা করে অনেক মানুষকে হয়রানি করার তথ্য পাওয়া গেছে। অন্যদিকে বিএনপির সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া চিকিৎসার জন্য বিদেশ গিয়েছেন, আর আওয়ামী লীগের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখন পলাতক রয়েছেন, সবমিলে দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তাদের পরিবারের কেউ দেশে নেই। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিকে চেয়ে আছেন পুরো ১৮ কোটি জনগণ। যতদিন যাচ্ছে ততই পরিস্থিতি একরকম খারাপ ও জটিলতা বাড়ছে। অনেকেরই অভিমত যে, দেশের পুলিশ ও সাংবাদিকরা দেশ ও জাতির জন্য কি করছেন, তাদেরকে বুঝতে হবে এক দুইজন ভুল করলে তাদের দায় অন্যরা নিবে কেন জাতি জানতে চায়। তবে যে পেশার মানুষ হোকনা কেন তাদেরকে নিয়ে গুজব বা অপপ্রচার চালানো বড় ধরণের অপরাধ, দেশের আইনেও সাজা পাবে এবং আল্লাহর কাছেও জবাব দিতে হবে, মিথ্যাচার করলে তাদের জিহবা সামনে থেকে টেনে পেরেক মারা হতে পারে, দুনিয়ার আদালত জামিন দেন কিন্তু পাপী হলে আল্লাহর আদালতে শেষ বিচার হবে।

  • নেছারাবাদে ধারাবাহিক চুরির ঘটনায় দশ দিনের মাথায় চোর ধরা পড়লো ব্যবসায়ীদের হাতে

    নেছারাবাদে ধারাবাহিক চুরির ঘটনায় দশ দিনের মাথায় চোর ধরা পড়লো ব্যবসায়ীদের হাতে

    আনোয়ার হোসেন,
    নেছারাবাদ উপজেলা প্রতিনিধি //

    নেছারাবাদে দোকান গুলোতে ধারাবাহিক চুরির ঘটনায় উদ্বিগ্ন ছিলো ব্যাবসায়ীরা। তারা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সজাগ দৃষ্টি রাখার কারনে অবশেষে চোরকে হাতানতে ধরতে সক্ষম হয়েছে ব্যবসায়ীরা। রাত একটার দিকে ইভা নার্সারীর পাশে একটি দোকানে চুরি করতে গিয়ে জিসান নামে এক চোর ধরা পড়ে ব্যবসায়ী ও স্থানীয় জনতার হাতে। প্রাথমিক তদন্তে তার নামে একাধিক চুরির মামলা রয়েছে। থানায় তার নামে একটি চুরির মামলা রুজ করে পিরোজপুরে পাঠানো হয়েছে।

    মঙ্গলবার রাত দেড়টার দিকে উত্তর ছারছিনা ইভা নার্সারীর পাশে রহমতুল্লাহ স্টোরে চুরি করার সময় দোকানদার টের পেয়ে ডাক চিৎকার দিলে স্থানীয় লোকজন এসে জিসানকে হাতেনাতে ধরে ফেলে এর পূর্বে ছারছিনা লোড় পয়েন্ট হাসানের পেট্রোল এর দোকানে চুরি করে। ব্যবসায়ীরা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে তাকে থানায় নিয়ে জিগ্যেসাবাদে সব স্বীকার করে। এর পূর্বের জগন্নাথকাঠি বাজারে চুরির ঘটনায় সে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। জিসান বানারীপাড়া শেরেবাংলা ইউনিয়নের বৌশের চর এলাকায় বাবুল ফরাজির বড় ছেলে। তারা দীর্ঘ দিন ধরে ঢাকায় থাকেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক চুরির মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।

    তার পরিবারের যোগাযোগ করলে জিসানের মা জানান, আমার ছেলে হয়তো সঙ্গদোষে খারাপ হয়ে গেছে। ও ঢাকা একটি গার্মেন্টসের অপারেটর ছিলো ওর স্ত্রী অসুস্থ থাকায় তিন ধরে সে বাড়িতে থাকে। কি কারনে চুরি করেছে কিছু বলতে পারবো না।

    নেছারাবাদ থানার অফিসার ইনচার্জ বনি আমিন বলেন, উত্তর ছারছিনা একটি দোকানে চুরি করার সময় দোকানদার ও স্থানীয় জনতা তাকে ধরে ফেলেন। তাকে প্রাথমিক জিগ্যেসাবাদে সব কিছু স্বীকার করেছে। তার কাছ থেকে চুরি করা তিন জাহার ৫শত টাকা,টিনের চালা খোলার একটি স্ক্রু ড্রাইভার,উদ্ধার করা হয়েছে। তাছাড়া পূর্বের চুরির কথা স্বীকার করেছে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তার নিয়মিত চুরির মামলা রুজকরে কোর্টে পাঠানো হয়েছে।

  • নড়াইলে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ একজন গ্রেফতার

    নড়াইলে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ একজন গ্রেফতার

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলের লোহাগড়া থানা পুলিশের অভিযানে কর্তৃক বাইশ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ একজন গ্রেফতার। ইয়াবা ট্যাবলেট ব্যবসায়ের সাথে জড়িত রাসেল মোল্যা (২৯) নামের একজন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে নড়াইল জেলার লোহাগড়া থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত রাসেল মোল্যা(২৯) লোহাগড়া থানাধীন মোচড়া(উত্তরপাড়া) গ্রামের মোঃ এসকেন মোল্যার ছেলে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, সোমবার (২৭ জানুয়ারি) লোহাগড়া থানা পৌরসভাধীন পোদ্দারপাড়ার মুছা সরদারের বাড়ির সামনে ইটের সলিং রাস্তার উপর থেকে তাকে আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নড়াইল লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আশিকুর রহমানের তত্ত্বাবধানে এসআই (নিঃ) মোঃ আব্দুস সালাম, এএসআই (নিঃ) মোঃ রুহুল আমিন সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে রাসেল মোল্যা (২৯) কে গ্রেফতার করে। এ সময় ধৃত আসামির নিকট থেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য বাইশ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। এ সংক্রান্তে লোহাগড়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার কাজী এহসানুল কবীর’র নির্দেশনায় মাদকমুক্ত নড়াইল গড়ার লক্ষ্যে জেলা পুলিশ আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

  • নড়াইলে ভোক্তা অধিকার’র অভিযানে দুই প্রতিষ্ঠানকে ৩৪ হাজার টাকা জরিমানা

    নড়াইলে ভোক্তা অধিকার’র অভিযানে দুই প্রতিষ্ঠানকে ৩৪ হাজার টাকা জরিমানা

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে//

    নড়াইলে ভোক্তা অধিকার’র অভিযানে দুই প্রতিষ্ঠানকে ৩৪ হাজার টাকা জরিমানা।
    নড়াইলে ২ প্রতিষ্ঠানকে ৩৪ হাজার টাকা জরিমানা
    নড়াইল সদর উপজেলায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপরাধে ২টি প্রতিষ্ঠানকে ৩৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, সোমবার (২৭ জানুয়ারি) জেলার ভওয়াখালী এলাকায় নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং ভোক্তা অধিকার নিশ্চিত করতে এ অভিযান চালানো হয়।
    অভিযানে নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতের নড়াইলের সহকারি পরিচালক শামীম হাসান।
    সংশ্লিষ্ট সূত্রে গেছে, সরকার ঘোষিত নীতিমালায় অনুযায়ী মিল গেট থেকে উৎপাদিত চাউলের বস্তার গায়ে এমআরপি দেয়ার কথা থাকলেও মেসার্স মোল্যা ট্রেডার্স ও রাইস মিলে উৎপাদিত চাউলের বস্তায় তা দেওয়া হচ্ছে না। বরং অন্য মিলের বস্তা এনে প্রক্রিয়াজাতকরণ করা হচ্ছে। এছাড়া উৎপাদিত চাউলের বস্তা প্রতি প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ গ্রাম কম ওজনে বস্তা বাজারজাত করা হচ্ছে।
    অন্যদিকে সাফা বিশুদ্ধ পানি নামের একটি প্রতিষ্ঠানের নেই বিএসটিআই-এর অনুমোদন, নেই বুয়েট ল্যাবেরও অনুমোদন। এছাড়া এই প্রতিষ্ঠানের সরবরাহকৃত পানির জারে নেই এমআরপি। এসব অপরাধে ভোক্তা অভিযানে ভোক্তা আইনের ৩৮ ও ৪৪ ধারায় মেসার্স মোল্যা ট্রেডার্স ও রাইস মিলের মালিক আমিনুর রহমান মিঠুকে ৩০ হাজার টাকা এবং ভোক্তা আইনের ৩৭ ধারায় সাফা বিশুদ্ধ পানি সরবরাহকারি মালিক মো. মোতালেবকে ৪ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
    উপস্থিত ছিলেন, এছাড়া পুলিশ সদস্যরা সার্বিক সহযোগিতা করেন। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় মাদক চোরাকারবারী বন্ধের দাবীতে যুবদল ছাত্রদলের বিক্ষোভ

    পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় মাদক চোরাকারবারী বন্ধের দাবীতে যুবদল ছাত্রদলের বিক্ষোভ

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম,তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় মাদক দ্রব্য চোরাচালান বন্ধের দাবীতে উপজেলা যুব ও ছাত্রদল যৌথভাবে বিক্ষোভ মিছিল সহ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ( ইউএনও) বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেছে।

    সোমবার (২৭ জানুয়ারি) বিকাল ৫ টায় উপজেলা যুব দলের সদস্য সচিব জাকির হোসেন এর নেতৃত্বে মাদক দ্রব্য সহ সকল প্রকার চোরাচালান বন্ধের দাবীতে একটি বিক্ষোভ মিছিল চৌরাস্তা বাজার থেকে বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর স্মারক লিপি প্রদান করে। এসময় উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক নুরুজ্জামান দুলাল, সদস্য সচিব আবু বক্কর সিদ্দিক সবুজ ও যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক হামিদুল হক লাবু, উপজেলা ওলামা দলের আহবায়ক সোহরাব আলী প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

    স্মারকলিপি প্রদান শেষে বিক্ষোভ মিছিল সহ চৌরাস্তা বাজারের তেঁতুলতলায় চোরা চালান বন্ধের দাবীতে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা কৃষকদলের আহবায়ক কামরুজ্জামান দুলাল, ৬ নং ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক আবুল কালাম আজাদ প্রমূখ। বক্তরা অবিলম্বে উপজেলায় মাদক দ্রব্য সহ সকল চোরা চালান বন্ধে প্রশাসনের কোঠর নজরদারীর আহবান করেন। অন্যথায় আগামী দিনে আরও বৃহৎ কর্মসুচি দেওয়ার ঘোষণা দেন বিক্ষোভকারী নেতৃত্ব দাতারা।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।।

  • দোয়ারাবাজারে  বাড়ীর সীমানাকে কেন্দ্র করে সংঘ-র্ষে আহত ৩

    দোয়ারাবাজারে বাড়ীর সীমানাকে কেন্দ্র করে সংঘ-র্ষে আহত ৩

    হারুন অর রশিদ,
    দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:: দোয়ারাবাজারে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুই পক্ষের ৩ জন আহত হয়েছেন। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলাবার সকালে উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের পুরান বাঁশতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পুরান বাঁশতলা গ্রামের মৃত নবী হোসেনের পুত্র সমশের আলী ও মৃত মহব্বত গাজীর পুত্র সিরাজ গাজী ও মোস্তফা গাজীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ ও মামলা মোকদ্দমা চলে আসছে। এরই জেরে ওইদিন সকালে সিরাজ গাজী ড্রেন কাটতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ইটপাটকেলের আঘাতে আহত হন সমশের আলী (৫৫), তার স্ত্রী গোল নাহার (৪৫) ও মেয়ে মাহফুজা আক্তার (১৮)। আহত সমশের আলী ও গোল নাহার বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি রয়েছেন। এ ঘটনায় আহতদের পক্ষে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
    চিকিৎসাধীন সমশের আলী বলেন, পনেরো বছর ধরে আমার রেকডিয় জমি দিয়ে ড্রেন করে পানি সেচ করে আসছি। প্রতিপক্ষের লোকজন প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের জমিতে মাটি ফেলা হচ্ছে না বলে মঙ্গলবার সকালে তারা লাঠিসোটা নিয়ে আমাদের উপর হামলা চালায় এবং বেধড়ক মারধর করে।
    মোস্তফা গাজী বলেন, তারা অন্যায়ভাবে আমাদের জমি কেটে ড্রেন করে। আমাদের জমির মাটি তাদের অংশে নিয়ে যায়। এতে বাধা দেওয়ায় মঙ্গলবার সকালে তারা আমাদের সংঘে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে তারা দুইজন আহত হয়েছে।
    জানতে চাইলে দোয়ারাবাজার থানার ওসি জাহিদুল হক বলেছেন, জমিজমার বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় আহতদের খোঁজখবর নিয়েছি। পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে রোগীর অবস্থা দেখে এসেছে। আহত পক্ষ অভিযোগ দিলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • বর্নাঢ‌্য আ‌য়োজ‌নে  পা‌লিত হ‌লো এমকে টে‌লি‌ভিশ‌নের  দশম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী

    বর্নাঢ‌্য আ‌য়োজ‌নে পা‌লিত হ‌লো এমকে টে‌লি‌ভিশ‌নের দশম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী

    আমিরুল ইসলাম কবির,
    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    “নয় পে‌রি‌য়ে দ‌শে পদার্পন,সবার সা‌থে এম‌কে টে‌লি‌ভিশন” এই শ্লোগান‌কে সাম‌নে রে‌খে গাইবান্ধার পলাশবা‌ড়িীতে বর্নাঢ‌্য আ‌য়োজ‌নে পা‌লিত হ‌লো এম‌কে টেলিভিশনের দশম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী।

    ২৮শে জানুয়ারী মঙ্গলবার দুপুর‌ে উপ‌জেলা প‌রিষদ হলরু‌মে এমকে টে‌লি‌ভিশ‌নের প্রতিনিধি ও গণমাধ্যম কর্মী মাসুদার রহমান মাসু‌দের উ‌দ্যো‌গে আলোচনা সভা ও কেক কাটা অনুষ্ঠান অনু‌ষ্ঠিত হয়।

    পলাশবাড়ী ম‌ডেল প্রেসক্লা‌বের সভাপ‌তি র‌বিউল হো‌সেন পাতার সভাপ‌তি‌ত্বে অনুষ্ঠা‌নে প্রধান অ‌তি‌থি হি‌সে‌বে উপ‌স্থিত ছি‌লেন,পলাশবা‌ড়ী উপ‌জেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আল ইয়াসা রহমান তাপাদার।

    বি‌শেষ অ‌তিথি হি‌সে‌বে ছিলেন, পলাশবা‌ড়ী আদর্শ ডিগ্রী ক‌লে‌জের অধ‌্যক্ষ গোলাম মোস্তফা,উপ‌জেলা জামায়া‌তে আ‌মির ও ১নং কিশোরগাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান আবু বক্কর সি‌দ্দিক,উপ‌জেলা মাধ‌্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ন‌কিবুল হাসান,প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আঃ সামাদ মন্ডল,পলাশবাড়ী প্রেসক্লাব সাধারন সম্পাদক পাপুল মিয়া,পলাশবাড়ী রি‌পোটাস ইউ‌নি‌টির সাধারন সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম।

    আ‌রো উপস্থিত ছিলেন,সংবাদকর্মী,কবি ও আবৃত্তি শিল্পী আমিরুল ইসলাম কবির, পলাশবা‌ড়ী খবর বাড়ী ২৪.কম এর সম্পাদক মুশ‌ফিকুর রহমান মিল্টন, সাংবা‌দিক ফেরদাউস মিয়া,এস আই হাবিব,ইমরাম সরকার, সাহারুল ইসলাম,সাগর আহ‌ম্মেদ, এ‌রিয়ান রা‌কিব প্রমুখ।

    এর আ‌গে স্বাগত বক্তব‌্য রা‌খেন,এম‌কে টে‌লি‌ভিশ‌নের পলাশবা‌ড়ী প্রতি‌নি‌ধি সাংবা‌দিক মাসুদার রহমান মাসুদ।

    অ‌তি‌থিবৃন্দরা এম‌কে টে‌লি‌ভিশ‌নের উত্ত‌রোত্তর উন্ন‌তি ও সাফলতা ‌কামনা ক‌রেন।।

  • ময়মনসিংহে বিভাগীয় পর্যায়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

    ময়মনসিংহে বিভাগীয় পর্যায়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

    মোঃ আরিফ রববানী ময়মনসিংহ ।।

    সমাজসেবা অধিদফতরাধীন ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিশুদের অংশগ্রহণে বিভাগীয় পর্যায়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) ময়মনসিংহ বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে ময়মনসিংহ, শম্ভুগঞ্জ ,সরকারি শিশু পরিবার (বালক) মাঠে এ বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

    ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার মোঃ মোখতার আহমেদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহাপরিচালক সমাজসেবা অধিদপ্তর মোঃ সাইদুর রহমান খান।

    স্বাগত বক্তব্যে ময়মনসিংহ বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা বলেন, সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে সরকারি শিশু পরিবার পিতৃ-মাতৃহীন শিশুদের ভরণপোষণ, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং উপযুক্ত মর্যাদায় সমাজে পূর্ণবাসনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। আজকের এই বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা তারই একটি ধারাবাহিক অংশ।

    প্রধান অতিথি বলেন, এই দিনটির জন্য আমরা সারা বছর অপেক্ষা করে থাকি। শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার গুরুত্ব অপরিসীম।

    তিনি আরো বলেন, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুধু তাদের মানসিক বিকাশের জন্য নয় বরং তাদের নিজেদের প্রতি আত্মবিশ্বাস, নেতৃত্ব দেওয়া শক্তি এবং নিজেকে আরো সামনে এগিয়ে নেওয়ার যাওয়ার শক্তি বাড়ায়। তাই আমাদের প্রত্যাশা এই অনুষ্ঠানের প্রভাব তাদের ব্যক্তি জীবনে উন্নয়নের পাশাপাশি সামাজিক জীবনে এর প্রভাব প্রতিফলিত হোক।

    সভাপতির বক্তব্যে ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সমাজসেবা অধিদপ্তর সারা দেশব্যাপী যে সেবামূলক কাজ করে যাচ্ছে, এ বার্ষিক ক্রীড়া ও সংস্কৃতি প্রতিযোগিতা এর একটি অংশবিশেষ। এছাড়াও সমাজে পিছিয়ে যাওয়া শিশুদের অধিকার সুরক্ষা, উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

    তিনি আরো বলেন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শিশুদের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এই বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সুন্দর হোক এবং শতবর্ষ যাবৎ চলতে থাকো এটাই আমার প্রত্যাশা।

    বক্তব্য শেষে, ময়মনসিংহ বিভাগের ময়মনসিংহ,শেরপুর, জামালপুর ও নেত্রকোনা জেলার সরকারি শিশু পরিবার (বালক ও বালিকা) শিক্ষার্থীদের ডিসপ্লে এবং ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পরে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীরা প্রধান অতিথির কাছ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন।

    অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার,অতিরিক্ত পরিচালক বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয় দেবাশিস সরদার, বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাবৃন্দসহ ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার গণমাধ্যম কর্মী।

  • প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও জলবায়ু পরিবর্তন পোস্টার প্রদর্শনীতে প্রথম হলেন বেতাগীর খাইরুল ইসলাম মুন্না  ‎

    প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও জলবায়ু পরিবর্তন পোস্টার প্রদর্শনীতে প্রথম হলেন বেতাগীর খাইরুল ইসলাম মুন্না ‎

    বেতাগী‎ (বরগুনা) প্রতিনিধি

    ‎বরগুনায় যুব ফোরাম ও নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আয়োজিত যুব উৎসব ২০২৫ উপলক্ষে যুব সমাবেশ, আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

    ‎এ অনুষ্ঠানে ‘প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে যুবদের করণীয়’ ও জলবায়ু পরিবর্তনে অভিযোজন প্রক্রিয়ায় যুবদের ভূমিকা’ বিষয়ক পোস্টার প্রদর্শনী ২ টি বিষয় প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেন বেতাগী উপজেলার যুব ফোরামের আহবায়ক ও যুব সংগঠক মোঃ খাইরুল ইসলাম মুন্না।

    ‎গত বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) বরগুনা শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হয় যুব উৎসব। এ অনুষ্ঠানে বরগুনা সদর, পাথরঘাটা, বেতাগী সহ ৬টি উপজেলা অংশ গ্রহণ করে। এ যুব উৎসব বাস্তবায়নে সহায়তায় করেছে বরগুনা জেলা প্রশাসন ও রূপান্তর।

    ‎যুব উৎসব অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন রূপান্তরের নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার গুহ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বরগুনা জেলা প্রশাসক মোঃ শফিউল আলম। বিশেষ অতিথি, বরগুনা জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক অনিমেষ বিশ্বাস, সুন্দরবন একাডেমির নির্বাহী পরিচালক জনাব অধ্যাপক আনোয়ারুল কাদির।

    ‎সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন উপ-পরিচালক যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেন, জেলা নাগরিক প্লটফর্ম এর সভাপতি চিত্ত রঞ্জন শীল, বরগুনা প্রেসক্লাবের সভাপতি সোহেল হাফিজ, সিপিডিপির নির্বাহী পরিচালক জাকির হোসেন মিরাজ,লোকবেতার এর পরিচালক মহির হোসেন কালাম প্রমুখ।

  • মোরেলগঞ্জের গর্ব সাংবাদিক সাইফুল  খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য নির্বাচিত

    মোরেলগঞ্জের গর্ব সাংবাদিক সাইফুল খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য নির্বাচিত

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির বিশেষ প্রতিনিধি:
    খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার এ্যাডহক কমিটি অনুমোদন হয়েছে। সদস্য হয়েছেন সাংবাদিক সাইফুল। কমিটিতে একজন আহবায়ক ও একজন সদস্য সচিব এবং বাকি পাঁচজনকে সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে।
    রবিবার (২৬ জানুয়ারি) জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সচিব( যুগ্মসচিব) আমিনুল ইসলাম সই করা পত্রে এ কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
    কমিটিতে পদাদিকার বলে জেলা প্রশাসক আহবায়ক ও সদস্য সচিব জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা। এছাড়া ক্রীড়া সম্পৃক্ত ব্যক্তি ও খেলোয়াড় সদস্য শাহ আসিফ হোসেন রিংকু, এস এম জাকির হোসেন, মোল্লা খায়রুল ইসলাম, সাংবাদিক এম সাইফুল ইসলাম, শিক্ষার্থী শাহনাজ খাতুন। নব নির্বাচিত কমিটির সকল সদস্যদের কে অভিনন্দন জানিয়েছেন জাতীয় মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান শেখ সাইফুল ইসলাম কবির. মহাসচিব মোস্তাফিজার রহমান বাবলু সহ সকল সদস্যবৃন্দ পরিবার।