ইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা)।।
প্রচন্ড তাপদাহ আর ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন। বিশেষ কাজ ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছে না মানুষ। অনেকে তালের শাস খেয়ে তৃষ্ণা নিবারন করছেন। দুপুর বারোটার পর থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত ফাঁকা হয়ে পড়ছে রাস্তা ও বাজার এলাকা।
তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় টানা তিনদিন পড়ছে প্রচন্ড গরম। মাঠে কাজ করা শ্রমজীবী মানুষেরা তাপদাহে হাপিয়ে উঠছে। ঘরের ফ্যানের বাতাসও যেন গরম হয়ে উঠছে। তারপরও রয়েছে মাঝে মধ্যে বিদ্যুৎ বিভ্রাট। বেলা বাড়ার সাথেই বাড়ছে তাপপ্রবাহ। দুপুরের দিকে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রী ছুই ছুই অবস্থা। শ্রমজীবী ও স্থানীয়রা বলেন, গরমে কোনো কাজ করতে পারছেন না তারা। শহর এলাকায় গরমে নাভিশ্বাস বাড়ছে মানুষের। লবনাক্ত উপকূল এলাকা পাইকগাছায় ৪১-৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা অনুভূত হচ্ছে।
সারা দেশের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে তাপপ্রবাহ। পাশাপাশি বেড়েছে বাতাসে আর্দ্রতা। সব মিলিয়ে ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে জনজীবন। জ্যৈষ্ঠের শেষে আরো তেতে উঠছে সূর্য। কয়েক দিন ধরে দেশের বড় অংশজুড়ে প্রচষ্ড গরম পড়েছে। দিনে আগুনে রোদ ও গরমে খাঁ খাঁ করে চারদিক। রাতেও তাপমাত্রা কমে না। আর সেই সাথে লোডশের্ড়িং ও তীব্র গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন। গরমের কারণে বাড়ছে হিট স্ট্রোকের মতো স্বাস্থ্যঝুঁকি। ডায়রিয়ায়ও আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকে।
পাইকগাছার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, তীব্র তাপদাহ ও ভ্যাপস গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে জন জীবন। গত কয়েকদিন ধরে সূর্যের প্রখর তাপদাহ ও তীব্র গরমে নাজেহাল অবস্থা প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষের। বিশেষ করে শ্রমজীবী ও কর্মজীবীদের জীবন যেন বেরিয়ে যাওয়ার উপক্রম। তারপরও জীবন-জীবিকার তাগিদে ঘাম ঝরিয়ে ছুটতে হচ্ছে তাদের। পাইকগাছার খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষের পাশাপাশি প্রাণিকুলও গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে।
এ উপজেলায় প্রচন্ড তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় মানুষে জনজীবন অনেকটা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। একদিকে রোধের প্রখর তাপ অন্যদিকে বিদ্যুতের ঘন ঘন তেলেশমাতি মানুষের জনজীবনে দুর্ভোগের নতুন মাত্রা সৃষ্টি হয়েছে। প্রচন্ড রোদের গরমে সাধারণ হতদরিদ্র মানুষরা জীবিকা নির্বাহের জন্য রাস্তায় বের হতে পারেনা। দুপুর হলে রাস্তাঘাটে লোকজনের সংখ্যা একেবারে কমে যায়। তীব্র গরমের কারণে দিনমজুর শ্রমিকরাও সহজে কাজে যেতে চায়না। পৌর শহরের ফজলু মিয়া বলেন, এই তীব্র গরমে মাঠে কাজ করতে ইচ্ছে হচ্ছে না। মনে হচ্ছে শরীরে আগুনের তাপ লাগছে। গোপালপুর গ্রামের ভ্যান চালক নুর ইসলাম বলেন, বেশি তাপের কারণে দুই-তিন ঘন্টার বেশি ভ্যান চালাতে পারছি না। রাস্তা থেকে গরম তাপ এসে যেন মুখে লাগছে। তাপ ও রৌদ্রের কারণে রাস্তায় বেশিক্ষণ থাকতে পারি না।
প্রচন্ড গরমের কারণে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সে রোগীদের সংখ্যাও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ মাহাবুবর রহমান বলেন, গরমে শিশুদের ডায়রিয়া, টাইফয়েড, শরীরে ঘাম বসে নিউমোনিয়া, ঠান্ডা, সর্দি, কাশি, জ্বর ও প্রস্রাবে সংক্রমণ দেখা দিচ্ছে। বিনা কারণে শিশুকে ঘরের বাইরে বের না হতে বলা হচ্ছে অভিভাবকদের। সেই সঙ্গে বিশুদ্ধ পানি ও টাটকা খাবার খাওয়াতে হবে ও ফ্যানের নিচে বাতাসে রাখতে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
Blog
-

পাইকগাছায় ভ্যা-পসা গরমে অতি-ষ্ট জনজীবন
-

পাইকগাছা থানা পুলিশের অভি-যানে আ-টক সাত
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
পাইকগাছা থানা পুলিশের অভিযানে ৭ জন আসামিকে আটক করা হয়েছে। থানা সুত্রে জানা গেছে, পৃথক অভিযানে বুধবার রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে পরোয়ানার ৬ জন ও নিয়মিত মামলায় ১ জন মোট ৭ জন আসামিকে আটক করা হয়। আটককৃত পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা হলেন, উপজেলার রাড়ুলী ইউনিয়নের কাটিপাড়া গ্রামের লুৎফর রহমান মোল্লার ছেলে তরিকুল ইসলাম, রেজাকপুর গ্রামের মৃত আলতাফ গাজী বাবলুর রহমান বাবলু, একই গ্রামের সৈয়দ জালাল হোসেন এর ছেলে রেজাউল হোসেন, রাড়ুলী গ্রামের আমির আলী গাজীর ছেলে শাহিনুর রহমান গাজী, গদাইপুর ইউনিয়নের চেচুয়া গ্রামের জয়নাল মিস্ত্রীর ছেলে আল-আমিন মিস্ত্রি, চাঁদখালী ইউনিয়নের ফতেপুর গ্রামের আরশাদ সানার ছেলে বিল্লাল সানা এবং নিয়মিত মামলার আসামি পৌরসভার বাতিখালী গ্রামের মৃত কাওসার আলী গাজীর ছেলে আতিয়ার রহমানকে আটক করা হয়।থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মোঃ ইদ্রিসুর রহমান জানান, পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলায় মোট ৭ জন আসামিকে বৃহস্পতিবার দুপুরে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
ইমদাদুল হক,
পাইকগাছা,খুলনা। -

পাইকগাছা-সোলাদানা সড়কে স্লুইচ গেটের মাঝখানে ভেঙ্গে যাওযায় ; ঝুঁকি নিয়ে চলাচল ; দ্রুত সংস্কারের দাবি
ইমদাদুল হক,পাইকগাছা ( খুলনা) ।।
খুলনার পাইকগাছা- সোলাদানা সড়কে স্লুইচ গেটের মাঝখানে ভেঙ্গে গিয়ে বড় গর্ত ( খাদ)’র সৃষ্টি হয়েছে। ফলে একদিকে যেমন ভারী কোন যানবাহন চলাচল করতে পারছে না, অন্যদিকে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে ভ্যান, নসিমন, ইজিবাইক ও মোটরসাইকেল সহ অন্যান্য ছোট ছোট যানবাহন। দ্রুত সংস্কার কিংবা প্রয়োজনীয় কোন ব্যবস্থা না নিলে যেকোনো মুহূর্তে সড়কে চলাচল বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছে এলাকাবাসী।স্থানীয়রা জানান পাইকগাছা- সোলাদানা সড়কে সোলাদানা বাজার এবং সোলাদানা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মধ্যবর্তী স্থানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি স্লুইচ গেট রয়েছে। এই গেট দিয়ে আশে পাশের এলাকার পানি সরবরাহ হয়ে থাকে। দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় সরকারি স্লুইচ গেটটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়ে। দুই বছর আগে স্লুইচ গেটের মাঝখানে বেশ অনেকটাই বসে যায় এবং বড় ধরণের ফাটল দেখা দেয়। স্থানীয়রা জানান বৃহস্পতিবার সকালে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে অনেকটা জায়গা জুড়ে ভেঙ্গে যাওয়ায় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে মালামাল বহণকারী এবং ভারী কোন যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছে এবং চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে ছোট ছোট যানবাহন। ব্যবসায়ী সিদ্দিক গাজী বলেন স্লুইচ গেটের ঠিক মাঝখানে ভেঙ্গে যাওয়ায় মালামাল বহণকারী কোন যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। গৃহবধূ পিরু বেগম বলেন এটি অত্র এলাকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক। এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করে থাকে। ভ্যান চালক নজরুল ইসলাম বলেন যাত্রী নামিয়ে দিয়ে কোন ভাবেই চলাচল করছি। বড় গর্তের কারণে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে এবং যানবাহনের ক্ষতি হচ্ছে। ইজিবাইক চালক সমিতির সভাপতি ইসমাইল হোসেন বলেন যাতায়াতের বিকল্প কোন ব্যবস্থা না অনেকটাই বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছি। সোলাদান ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য প্রবীর কুমার গোলদার বলেন স্লুইচ গেটটি পুরাতন হওয়ায় বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেন এর আগে একবার সংস্কার করা হয়েছিল। সেখান থেকে আবারো বড় ধরণের গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ সহকারী প্রকৌশলী কে অবহিত করা হয়েছে বলে স্থানীয় এ জনপ্রতিনিধি জানিয়েছেন।
ইমদাদুল হক,
পাইকগাছা,খুলনা। -

সেনবাগে সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশনের লাখপতি বিজয়ী ২ জন ও স্বপ্নের বাজার বিজয়ী হলেন ৪ জন
: রফিকুল ইসলাম সুমন (নোয়াখালী)
নোয়াখালীর সেনবাগে অরাজনৈতিক ও সেচ্ছাসেবী সংগঠন সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশনের মানবিক কার্যক্রমের ধারাবাহিক কর্মসূচির আওতায় প্রতিবারের ন্যায় এবার ও হতদরিদ্রদের মাঝে লটারির মাধ্যমে ২(দুই) জনকে লাখপতি বানিয়েছেন সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশন। রবিবার রাতে উপজেলার ৫নং অর্জুনতলা ইউনিয়নের সৈয়দ রুহুল আমিন স্মৃতি একাডেমির হলরুমে উপস্থিত দর্শকদের সামনে এই লটারি করা হয়। এবার লটারিতে বিজয় হয়ে লাখপতি হয়েছেন ৫নং অর্জুনতলা ইউনিয়নের গোরকাটা গ্রামের হতদরিদ্র ভ্যান চালক মোঃ ই্ব্রাহিম ও চাঁচুয়া গ্রামের মৃত মোস্তফা স্ত্রী বিধবা পারবিন আক্তার। এছাড়া লটারির মাধ্যমে আরো ৪ জনকে স্বপ্নের বাজার বিজয়ী করা হয়।লটারি হওয়ার পর রা লাক্সারি গাড়ি নিয়ে লটারি বিজয়ীদের বাড়িতে পৌঁছে ১০টায় গাড়িতে তোলে লাখপতিদেরকে অনুষ্ঠানস্থলে আনা হয়।
অনুষ্ঠানস্থলে বিজয়ী লাখপতিদের ফুল দিয়ে বরণ করেন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, টপস্টার গ্রুপের কর্ণধার মানবিক যোদ্ধা খ্যাত লায়ন সৈয়দ হারুন এমজেএফ ও তার সহধর্মিণী সাজেদা আক্তার শেলী।এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশন, সৈয়দ রুহুল আমিন স্মৃতি একাডেমী’র প্রতিষ্ঠাতা, এসএফ গ্রুপের চেয়ারম্যান ও টপ স্টার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক লায়ন সৈয়দ হারুন এমজেএফ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম সিটি কলেজের অধ্যাপক মো: হুমায়ূন কবির, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী মাষ্টার আবুল খায়ের, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ইউছুপ মজুমদার, বিশিষ্ট সমাজ সেবক হোসেন শহীদ সরোয়ারদী, বিশিষ্ট সমাজ সেবক মো: হারুনুর রশীদ, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও দলিল লিখক মির্জা সোলাইমান, বিশিষ্ট সমাজ সেবক কুতুবউদ্দিন, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও দলিল লিখক মো: মিজানুর রহমান ভূঁইয়া, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও ৫নং অর্জুনতলা ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার মো: শাহজাহান শাদন, মাওলানা আবদুল মাজেদ, সাংবাদিক নাঈম বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী কানকিরহাট কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো: আবদুল জব্বার, সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশন এর সদস্যবৃন্দ সহ আরো অনেকে। অনুষ্ঠানে সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশনের সাধারণ সভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সম্পুর্ন গনতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ব্যালেট পেপারে ফাউন্ডেশনের সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে মো: ইমরান হোসেনকে আহ্বায়ক ও মাহমুদুর রহমান রাকিব কে সদস্য সচিব নির্বাচিত করা হয়েছে। -

বেতাগী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি ২০২১ ব্যাচের প্রথম পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি
বছরের পর বছর কেটে গেলেও স্কুল জীবনের স্মৃতি কখনো মুছে যায় না। ঠিক এমনই এক আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী হল বেতাগী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ, যেখানে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো এসএসসি ২০২১ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের বহুল প্রতীক্ষিত পুনর্মিলনী।
বৃহস্পতিবার (১২ জুন) বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী এই মিলনমেলা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। একঝাঁক প্রাক্তন শিক্ষার্থী ফিরে এসেছিলেন প্রিয় বিদ্যালয়ে, যেখানে একসময় তাদের কিশোর কৈশোর কেটেছিল—হাসি, আনন্দ, উদ্বেগ আর স্বপ্নে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন বিদ্যালয় এর সহকারী প্রধান শিক্ষক শাজাহান গাজী।
প্রাক্তন শিক্ষার্থী সোহান মাহমুদ ও মো খাইরুল ইসলাম মুন্না’র যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক মো নুরুল আমিন বাচ্চু, মো আব্দুল হালিম (বিএসসি), মোসা লিপি আক্তার, রোজিনা আক্তার শিলা, প্রাক্তন শিক্ষার্থী মুশফিকুর রহমান জনি, তানজিলা জামান শিফা ও মেহেদী হাসান মুন্না প্রমুখ।সহকারী শিক্ষক মো আব্দুল হালিম (বিএসসি) বলেন: “তোমাদের চোখেমুখে যে উজ্জ্বলতা দেখছি, তা আমাদের আশাবাদী করে তোলে। বিদ্যালয় একদিন গর্ব করবে, এই ব্যাচের অর্জনে।”
সহকারী শিক্ষক মোসা. লিপি আক্তার আবেগ ধরে রাখতে না পেরে বলেন: “তোমাদের হাসিমুখগুলো দেখে মনে হচ্ছে, যেন আমাদের ক্লাসরুম আবার জীবন্ত হয়ে উঠেছে। আজকের দিনটা আমাদের জন্যও অনেক স্পেশাল।”
প্রাক্তন শিক্ষার্থী মো খাইরুল ইসলাম মুন্না বলেন:
“আজ স্কুলে পা রেখেই মনে হলো—আমার শৈশব ফিরে এসেছে। আমরা হয়তো অনেক দূরে আছি একে অপরের থেকে, কিন্তু এই পুনর্মিলনী আমাদের হৃদয়কে আবার এক করে দিল।”সহকারী প্রধান শিক্ষক মো শাজাহান গাজী তিনি বলেন:”তোমাদের ফিরে আসা আমাদের শিক্ষক জীবনের এক গর্বের মুহূর্ত। তোমাদের মাঝে দেশের আগামী নেতৃত্ব লুকিয়ে আছে। তোমরা এগিয়ে চলো—আমরা আছি আশীর্বাদ হয়ে।”
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে স্কুল জীবনের স্মৃতি হিসেবে শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় সম্মাননা ক্রেস্ট। সেইসঙ্গে বিদ্যালয়ে কর্মরত অবস্থায় মৃত্যুবরণকারী চারজন শিক্ষককে স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন এবং দোয়ার আয়োজন করা হয়, যা উপস্থিত সকলের চোখে জল এনে দেয়।
পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল এক আবেগঘন, স্মৃতিময় ও আনন্দময় পরিবেশ, যেন স্কুল জীবনের পাতায় লেখা নতুন এক অধ্যায়। এই পুনর্মিলনী শুধু একটি দিনের আয়োজন নয়, এটি ছিল হৃদয়ের টানে ফিরে আসার এক গভীর অভিব্যক্তি।
-

সিরাজগঞ্জে মোটরসাইকেল আরোহী নিহ-ত
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
বগুড়া-নগরবাড়ি মহাসড়কের সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার ভূঁইয়াগাঁতী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছে।আজ বৃহস্পতিবার (১২ জুন) সকালে ভুইয়াগাতী পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় এই দুর্টঘনা ঘটে। নিহত খগেনচন্দ্র মাহাতো রায়গঞ্জ উপজেলার ধামাইনগর ইউনিয়নের উত্তর ফরিদপুর গ্রামের নদিন্দ্রনাথ মাহাতোর পুত্র। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নিহত খগেন চন্দ্র মাহাতো মোটরসাইকেল নিয়ে চান্দাইকোনা থেকে হাটিকুমরুল গোল চত্বরের দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে বগুড়া-নগরবাড়ি মহাসড়কের ভূঁইয়াগাঁতী বাসস্ট্যান্ডের পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় আসলে বগুড়াগামী একটি বাস মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই খগেনচন্দ্র মাহাতো নিহত হন।
হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রউফ জানান, নিহতের লাশ নিহতের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাস আটক করা যায়নি।
-

হাইদগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদত্যা-গের দাবিতে প্রতি-বাদ সভা
প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ পটিয়া উপজেলার হাইদগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্যামল দের পদত্যাগের দাবিতে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১১ জুন (বুধবার) বিকেলে হাইদগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ নাছির উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বক্তব্য রাখেন- হাইদগাও ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবুল আলম বাদল,বীর মুক্তিযোদ্ধা খায়ের আহমেদ, মাহবুবুল আলম, নুর মিয়া,এনামুল হক মঞ্জু, তারেকুর রহমান তারেক, জসীম উদ্দীন,আলী আকবর,মোঃ ইসহাক, শফিউল আলম সুমন,আবদুল মাবুদ, নাজিম উদ্দীন, আমির আলম,শফিউল বশর,সায়েম মোস্তফা, কাজী নওশাদ, আরিফুল ইসলাম, মাসুদ রানা,মোঃ কবীর, মোজাম্মেল হক লিটন,মোঃ জাহাঙ্গীর, মফজল আহমেদ।
বক্তারা বলেন- হাইদগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্যামেল দে আওয়ামী লীগের একজন চিহ্নিত দোসর। তিনি হাইদগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ে লেখা পড়া করানোর কথা বলে শিক্ষকদের সঙ্গে কোন্দলে জড়িয়ে পড়েছেন। শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে শ্যামল দের পদত্যাগ খুবই জরুরি। তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ না করলে সকল অভিভাবক নিয়ে জোরপূর্বক পদত্যাগ করাতে বাধ্য করা হবে।
-

মুরাদনগরে গ্রামপুলিশ ও তার ছেলের বি-রুদ্ধে মানব-বন্ধন অনুষ্ঠিত
তরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি,
কুমিল্লার মুরাদনগরে গ্রাম পুলিশের দফাদার ও তার ছেলে কর্তৃক এলাকাবাসীকে হয়রানির প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার রাজনগর গ্রামে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে রাজনগর গ্রামের বিভিন্ন শ্রেনীপেশার লোকজন অংশগ্রহন করেন। এলাকাবাসী জানায়, অভিযুক্ত গ্রাম পুলিশ সাহেব আলী কামাল্লা ইউনিয়ন পরিষদে দফাদার হিসেবে কর্মরত আছেন সে গ্রাম পুলিশের প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় বিভিন্ন বির্তকিত কর্মকান্ড করে আসছেন। তাছাড়া ছেলে মো: মামুন এলাকার লোকজন ও এনজিও’র মাধ্যমে লোন ঋণ নিয়ে তা পরিশোধ করছেন না। এলাকাবাসীকে মামুনকে ঋণ পরিশোধে বিষয়ে কিছু বললেই করছেন নানাভাবে হয়রানি এবং এলাকাবাসীর বিরুদ্ধে দিচ্ছেন থানায় একের পর এক অভিযোগ। এ নিয়ে দফাদার সাহেব আলী ও তার ছেলের বিরুদ্ধে রাজনগর গ্রামবাসীর একাধিক স্বাক্ষরিত লিখিত অভিযোগ কুমিল্লার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট দায়ের করা হয়েছে।
এসময় বক্তব্য রাখেন, অভিযুক্ত মামুনের শাশুড়ি সেলিনা বেগম, কামাল্লা ইউনিয়ন পরিষদের ০৮ নং ওয়ার্ডেও ইউপি সদস্য মোঃ খলিলুর রহমান, সাবেক ইউপি সদস্য নূর-মোহাম্মদ, ব্যবসায়ী মোহাম্মদ রোকন উদ্দিন রুকন, মোঃ সাদেক মিয়া, বিল্লাল চৌধুরী, মোহাম্মদ লিটন সরকার, মোহাম্মদ বাবলু, দজালাল মিয়া, মোসলেম, শিপন খান, দ্বীন ইসলাম খান, মামুন মিয়া প্রমুখ,
মাববন্ধনে বক্তারা বলেন, সম্প্রতি দফাদার সাহেব আলীর ছেলে মামুন মিয়া তার স্ত্রী সাথে ঝগড়া করে স্ত্রীকে তালাক প্রদান করে। এলাকাবাসী তালাকের বিষয়টি জানতে পেরে বিষয়টি সুরাহা সহ এলাকার মানুষদের কাছ থেকে মামুন মিয়ার ঋণ নেওয়া টাকা পরিশোধের বিষয়ে শালিশে বসতে বলে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মামুন মিয়া তার স্ত্রীকে পুনরায় আবার তার সংসারে ফেরত নিয়ে যায়। পরে এলাকাবাসীর বিরুদ্ধে একের পর এক মোট ৪টি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন থানায়। গ্রাম পুলিশের দফাদার সাহেব আলী তার প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় বিতর্কিত কর্মকান্ড করে আসছেন। এবং তার ছেলে মামুন বাবার প্রভাবের কারনে এলাকাবাসীকে হয়রানি করছেন।
এ বিষয়ে মামুনের শাশুড়ি সেলিনা বেগম বলেন, মামুনের কাছে মেয়ে বিয়ে দেওয়ার পর থেকেই যৌতুকের জন্য মেয়েকে নির্যাতন করত। পরে আমি দুটি এনজিও’র কাছ থেকে ৬ লাখ টাকা লোন নিয়ে মামুনকে দেই। সে ওই এনজিও’র টাকা পরিশোধ করেনি। এ নিয়ে আমার পরিবার এখন বেশ বিপাকে আছে। কিছুদিন আগে আমার মেয়ের সাথে ঝগড়া করে মেয়েকে তালাক দিয়ে সমাজের লোকজনকে জানায়। এর কিছুদিন পর আবার মামুন তার এলাকার কয়েকজন লোক নিয়ে আমার মেয়েকে তার সংসারে নিয়ে যায়। এখন আবার মেয়েকে নির্যাতন করছে বাবার বাড়ি থেকে টাকা এনে দেওয়ার জন্য। এ নিয়ে গ্রামবাসী প্রতিবাদ করায় মামুন তাদেরকে হয়রানি করছেন।
এসময় অন্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, ফুল মিয়া, মোহাম্মদ আল-আমিন, মালেক মিয়া, মমিন খান, আবু হানিফ সওদাগর, তাজুল ইসলাম, ওমর মিয়া, অরুন মিয়া, মোমেন মিয়া প্রমুখ।
এ বিষয়ে মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে দফাদারের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। -

গৌরনদীতে জিয়া সাইবার ফোর্সের পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন
কে এম সোহেব জুয়েল ঃ বরিশালের গৌরনদীর উপজেলা শাখার জিয়া সাইবার ফোর্স (জেড সি এফ) এর একশত এক জন সদস্য নিয়ে পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে ।
১১ জুন বুধবার জিয়া সাইবার ফোর্সের জেলা সভাপতি মোঃ ওয়াসিম মৃধা ও জেলা সাধারণ সম্পাদক মেঃ সাইদুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক চিঠির আলোকে ১০১ সদস্যের সমন্বয় গৌরনদী উপজেলা কমিটিতে মোঃ মনজুরুল ইসলাম রানাকে সভাপতি ও মোঃ সাইফুল ইসলাম সহ একাধিককে সহ- সভাপতি ও মোঃ নুরুল আমিনকে সাধারণ সম্পাদক করে পূর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষনা করা হয়েছে বলে ওই চিঠির আলোকে লক্ষ করা গেছে।
অপরদিকে উপজেলা কমিটি পূর্নাঙ্গ হওয়ায় জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি গৌরনদীতে আরো শক্তি শালি হয়েছে বলে মনে করছেন জেড সি এফ এর সদস্যরা। তারি সাথে উপজেলা পূর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষনা দেয়ায় জেলা সভাপতি মোঃ ওয়াসিম ও সাধারন সম্পাদক মোঃ সাইদুল ইসলামকে অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন গৌরনদী উপজেলা কমিটির সদস্য বৃন্দরা।
-

বিদ্যুৎ স্পৃ-ষ্ট হয়ে এক কৃষি শ্রমিকের মৃ-ত্যু
দিনাজপুর প্রতিনিধি: দিনাজপুরের বীরগঞ্জে বৈদ্যুতিক মটর চালু করতে গিয়ে বিদ্যুৎ পৃষ্ট হয়ে দিনো মোহন বর্মন (৪৫) নামে এক কৃষি শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
১২ জুন বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার সাতোর ইউনিয়নের দলুয়া দক্ষিণ প্রাণনগর গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে।
মৃত দিনো মোহন বর্মন শিবরামপুর ইউনিয়নের শালবাড়ী খাটিয়াদিঘী গ্রামের মৃত মুকুন্দু বর্মনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাতোর ইউনিয়নের দলুয়ার মৃত সুন্দর আলী ব্যপারীর ছেলে খোকন ব্যপারীর বাড়িতে দীর্ঘ ১৪ বছর যাবত জমিতে ডেইলি লেবার হিসাবে কাজ করতেন কৃষি শ্রমিক দিনো মোহন বর্মন।
কাজ করার সময় পানির প্রয়োজন হলে বৈদ্যুতিক মটর চালু করতে গিয়ে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়েছে।
বীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো: আব্দুল গফুর জানান, সংবাদ পেয়েই ঘটনাস্থলে থানার এসআই দেবাশীষ কে পাঠিয়েছি।
ময়না তদন্তের জন্য লাশ উদ্ধার করে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রের্কড করা হয়েছে।