Blog

  • রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক কর্নেল তানভীর হোসেন

    রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক কর্নেল তানভীর হোসেন

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলী: রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের দুটি পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করেছেন কারা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক কর্নেল তানভীর হোসেন। শনিবার দুপুরে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার ও কারা প্রশিক্ষণ একাডেমি পরিদর্শন শেষে তিনি এ কার্যক্রমে অংশ নেন।

    পুকুর দুটিতে রুই, কাতল, মৃগেল, সিলভার কার্প এবং পাঙ্গাসসহ নানা প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিভাগের কারা উপ-মহাপরিদর্শক জনাব কামাল হোসেন, রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মোঃ শাহ আলম খান এবং কারা বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

    পোনা অবমুক্ত শেষে কর্নেল তানভীর হোসেন বলেন, “স্থানীয় সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করে আমরা সরকারের আয়ের নতুন পথ তৈরি করছি। এই পুকুরে উৎপাদিত মাছ বন্দীদের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হবে, যা সরকারের ব্যয় সাশ্রয়ে সহায়ক হবে এবং কারাগারকে খাদ্যে স্বনির্ভর করে তুলবে।”

    তিনি আরও বলেন, “কারাগার শুধু শাস্তির নয়, এটি সংশোধনের স্থান। এখানে উৎপাদনমুখী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বন্দীরা প্রশিক্ষণ পাচ্ছে, যা তাদের সামাজিক পুনর্বাসনে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।”

    এ সময় রাজশাহী বিভাগের ডিআইজি প্রিজন জনাব কামাল হোসেন বলেন, “কারাগার ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক ও আত্মনির্ভরশীল করতে আমরা নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। মাছচাষসহ বিভিন্ন কৃষিকাজ, বৃক্ষরোপণ ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম এরই অংশ।”

    কারাগার পরিদর্শনকালে কর্নেল তানভীর হোসেন একটি লিচু গাছ রোপণ করেন এবং বন্দী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। পরিদর্শন শেষে তিনি কারাগারের সার্বিক পরিবেশ, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

    কারা প্রশাসনের এই উদ্যোগ বন্দীদের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার পাশাপাশি সরকারি ব্যয় কমাতে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • মহিষ পালনে নতুন দিগন্ত খুলছে বিজ্ঞানভিত্তিক পদ্ধতি: উপদেষ্টা ফরিদা আখতার

    মহিষ পালনে নতুন দিগন্ত খুলছে বিজ্ঞানভিত্তিক পদ্ধতি: উপদেষ্টা ফরিদা আখতার

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ “মহিষ বাংলাদেশের অমূল্য সম্পদ। বিজ্ঞানভিত্তিক উপায়ে মহিষ পালনে খামারিরা অধিক লাভবান হতে পারেন”-রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে মহিষ পালনকারী খামারিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় একথা বলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।

    শনিবার দুপুর ১টায় বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউট (বিএলআরআই) কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘মহিষ গবেষণা ও উন্নয়ন (১ম সংশোধিত)’ প্রকল্পের আওতায় রাজাবাড়িহাটে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলার ২৫ জন সুফলভোগী মহিষ খামারি অংশগ্রহণ করেন।

    মতবিনিময় সভায় উপদেষ্টা আরও বলেন,
    মহিষ পালনকারী খামারিরা আমাদের গর্ব। তারা যদি সময়মতো ভ্যাকসিন ও কৃমিনাশক প্রয়োগ করেন এবং আধুনিক পদ্ধতিতে মহিষ পালন করেন, তাহলে এই খাতে একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। সরকার ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো সবসময় খামারিদের পাশে আছে।”

    সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুক। তিনি বলেন, “সঠিক সময়ে এবং বিজ্ঞানভিত্তিক উপায়ে ভ্যাকসিন ও কৃমিনাশক প্রয়োগ করলে মহিষের মৃত্যু হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়, যা গবেষণায়ও প্রমাণিত হয়েছে।”

    খামারিরা এই সভায় তাদের মাঠ পর্যায়ের বিভিন্ন বাস্তব সমস্যার কথা তুলে ধরেন এবং তার সমাধানে সরকারিভাবে সহায়তা কামনা করেন।

    সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন মহিষ গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক ড. গৌতম কুমার দেব, খামারের উপপরিচালক ডা. ইসমাইল হোসেন, এবং বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ মানিক মিয়া, যিনি অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।

    এ ধরনের মতবিনিময় সভা খামারিদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি মাঠ পর্যায়ে প্রযুক্তি বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,

  • ঝিনাইদহ প্রেসক্লাব সভাপতি আসিফ কাজলের পিতার ১৪তম মৃ-ত্যু বার্ষিকী আজ

    ঝিনাইদহ প্রেসক্লাব সভাপতি আসিফ কাজলের পিতার ১৪তম মৃ-ত্যু বার্ষিকী আজ

    ঝিনাইদহ জেলা সংবাদদাতাঃ
    ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার জেলা সংবাদদাতা আসিফ কাজলের পিতা মরহুম আইয়ুব হোসেন বিশ্বাসের আজ রোববার (১৫ জুন) ১৪তম মৃত্যু বার্ষিকী। প্রতি বছরের ন্যায় দিবসটি পালনে পারিবারিক ভাবে বিস্তারিত কর্মসুচি গ্রহন করা হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনায় ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বংকিরা গ্রামে মাজার জিয়ারত ও ঝিনাইদহে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। ২০১১ সালের ১৫ জুন দর্শনা সুগার মিলের সাবেক কর্মকর্তা আইয়ুব হোসেন বিশ্বাস বার্ধক্য জনিত কারণে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বংকিরা গ্রামে ইন্তেকাল করেন।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।

  • নেছারাবাদের চিলতলা বাজারে আ-গুন ক্ষ-য়ক্ষতির পরিমাণ দশ লক্ষাধিক টাকা

    নেছারাবাদের চিলতলা বাজারে আ-গুন ক্ষ-য়ক্ষতির পরিমাণ দশ লক্ষাধিক টাকা

    নেছারাবাদ উপজেলা সংবাদদাতা।।

    পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার দৈহারী ইউনিয়নের চিলতলা বাজারে আগুন লাগে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ দশ লক্ষাধিক টাকা।রোববার সকাল ১১টার দিকে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

    এ ঘটনায় মো. ইউনুস মেকার, মো. রিয়াদুল ইসলাম, ওহাব মিয়া, এবং আবুল কালামের দোকান সম্পূর্ণভাবে পুড়ে ভস্মীভূত হয়েছে। জানাগেছে ঐ ভিটির মালিক স্থানীয় মো. বাদশা মিয়া।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ করে একটি দোকান থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখা যায় এবং মুহূর্তেই আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় লোকজন আগুন নেভানোর জন্য পানি ও বালতির সাহায্যে চেষ্টা চালান। তাছাড়া স্থানীয় মালিকানাধীন ২ টি পানির পাম্প প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন।

    স্থানীয়রা বলেন, নেছারাবাদ ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ঘটনাস্থল থেকে অনেক দূরে অবস্থিত হওয়ায় দ্রুত উপস্থিত হতে পারেনি। এছাড়াও, ফায়ার সার্ভিসের পৌঁছাতে নদী পারাপার এবং চলাচলের অনুপযোগী রাস্তা বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ফলে আগুন নেভাতে প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা না পাওয়ায় ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেড়ে যায়।

    দৈহারী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. বেলায়েত হোসেন জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলোতে মালামালসহ প্রায় ১৫ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি জানান।

    ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিকরা জানান, আগুনে দোকানে রাখা মুদিমাল, কসমেটিকস, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ও কাঁচামাল সম্পূর্ণভাবে পুড়ে গেছে।

    নেছারাবাদ ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ মোঃ মনিরুল ইসলাম জানান,আমারা খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে যাওয়ার পূর্বেই আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে এলাকাবাসী মিলে। প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে বিদ্যুৎ এর শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগে।

  • গুরুদাসপুর গ্রামবাসীর শ্রমে  নিজস্ব অর্থায়ন রাস্তা সংস্কার

    গুরুদাসপুর গ্রামবাসীর শ্রমে নিজস্ব অর্থায়ন রাস্তা সংস্কার

    মোল্লা মোঃ এম এ রানা নাটোর জেলা প্রতিনিধি
    নাটোর জেলার গুরুদাসপুর উপজেলার ৬নং চাঁপিলা ইউনিয়নের তেলটুপি ব্রীজ থেকে উত্তর দিকে পুঠিমারী দক্ষিণপাড়া মসজিদ পর্যন্ত ২০০ মিটার কাঁচা রাস্তা গ্রামবাসীর নিজস্ব অর্থায়ন ও নিরলস শ্রমের বিনিময়ে ইঁট বালির দ্বারা আজ ১৫ জুন তারিখে সংস্কার করা হয়। নিঃসন্দেহে চমৎকার এই আয়োজনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে এসেছে গ্রামবাসীরা। রাস্তাটির সংস্কার কাজে প্রায় এক লক্ষাধিক টাকা ব্যয় হয়।
    গ্রামবাসীর এমন মহৎ উদ্যোগে আজ পহেলা আষাঢ় যাতায়াতের দীর্ঘদিনের অসুবিধা দূর করতে এই মহতী উদ্যোগ নেওয়া হয়। এতে করে আসন্ন বর্ষাকালে গ্রামবাসীদের অনেক দিনের সমস্যার সমাধান হবে বলে সকলেই আশাবাদী।
    পুঠিমারী দক্ষিণপাড়া জামে মসজিদের পেশ ইমাম মওলানা মোঃ ইউসুফ আলী গ্রামবাসীর এমন মহৎ উদ্যোগকে স্বাগত জানান। এ সংক্রান্তে ওই এলাকার কৃতি সন্তান মাহবুব-এ-খোদা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ছড়া পোষ্ট করে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। গ্রামবাসীকে নিয়ে ধরণের লেখা ভাল কাজে আরো অনুপ্রাণিত করবে বলে বোদ্ধা মহলের অভিমত।

  • তারাগঞ্জে ভোক্তা অধিকার ও যৌথ বাহিনীর অভিযানে ৫ প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

    তারাগঞ্জে ভোক্তা অধিকার ও যৌথ বাহিনীর অভিযানে ৫ প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

    খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
    সরকারের নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত ও যাত্রীর ক্রয়কৃত টিকেটে ভাড়া উল্লেখ না করার দায়ে তিনটি পরিবহন কাউন্টার এজেন্টকে এবং খাবার হোটেলে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও ক্ষতিকর রাসয়নিক দ্রব্য ব্যবহারের দায়ে ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর রংপুর।

    রোববার (১৫ জুন) সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা থেকে উপজেলার নতুন চৌপথি বাস স্ট্যান্ডে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এর যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়। তারাগঞ্জ সেনা ক্যাম্প কমান্ডার ক্যাপ্টেন তাসফিন ইসলাম ফাহিম এর নেতৃত্ব জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর রংপুরের বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোছা. মমতাজ বেগম এবং জেলা সহকারী পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমান অভিযান পরিচালনা করেন।

    অভিযানের শুরুতে ঢাকাগামী যাত্রী পরিবহন বাসের কাউন্টার গুলোর বিরুদ্ধে আসা টিকেটের বাড়তি ভাড়া ও নামে বেনামে টিকেট বিক্রির অভিযোগ গুলো যাচাই করা হয়। সেখানে দেখা যায়, কাউন্টার গুলোতে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া ও ভিন্ন নামের গাড়ীর টিকেট বিক্রির মাধ্যমে যাত্রীদের সাথে প্রতারণা করা হয়। সরকারি নির্দেশনা তোয়াক্কা না করে যাত্রীর কাছ থেকে বাড়তি ভাড়া আদায় ও প্রতারণাকারী দোয়েল ক্লাসিক, বিপুল এন্টারপ্রাইজ ও অপু ক্লাসিক পরিবহনের ৩টি কাউন্টার এজেন্টের প্রত্যেকে ৫০০০/-(পাঁচ হাজার) করে মোট ১৫০০০/-(পনেরো হাজার) টাকা জরিমানা এবং আদায় করা হয়। পাশাপাশি তাদেরকে কড়া বার্তায় সতর্কতা মুলক নির্দেশনা দেন।
    পরে নিউ মিষ্টিবন নামের একটি খাবার হোটেলে দেখা যায়, হোটেলে কোনো প্রকার লেবেল এবং মূল্য ও মেয়াদের কোন প্রকার লেবেল ছাড়াই মিষ্টজাত পণ্য দই উৎপাদন ও বিক্রি করছে হোটেল কর্তৃপক্ষ। এছাড়াও হোটেলে নিম্ন মানের লবন ও অন্যান্য ক্ষতিকর উপাদান ব্যবহার করে খাদ্য তৈরি করা হয়। যা ভোক্তা অধিকার টীম ও সেনা অভিযানে ধরা পরে। মানুষ্য খাদ্যে ভেজাল, খাদ্য তৈরিতে পরিছন্নতা ঘাটতি ও ক্ষতিকর উপাদান ব্যবহারের দায়ে হোটেল মালিককে ৩০০০০/- (ত্রিশ হাজার) টাকা জরিমানা ও আদায় করে ভোক্তা অধিকার।
    অন্যদিকে, আজমেরী নামে পাশের একটি বেকারিতে নিজ নামীয় মোড়ক ব্যবহার না করে ৪টি ভিন্ন নামের মোড়কে বেকারী খাদ্য পণ্য বাজারজাতকরণ এবং অস্বাস্থ্যকর নোংরা পরিবেশে বেকারী পণ্য উৎপাদনের দায়ে আজমেরী বেকারীকে ৫০০০/-(পাঁচ হাজার) টাকা জরিমান ও আদায় করা হয়।
    জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সহকারী পরিচালক মোছা. মমতাজ বেগম বলেন, যাত্রী ভোগান্তি ও যাত্রীদের কাছ থেকে বাড়তি ভাড়া গ্রহণ, ভিন্ন নাম ব্যবহার করা নামে বেনামে টিকেট বিক্রেতা ৩টি অসাধু কাউন্টার এজেন্টকে জরিমানা করা হয়েছে। এক যত্রীর কাছ থেকে নেওয়া বাড়তি ৬০০ টাকা ফেরৎ নিয়ে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি একটি হোটেলে উৎপাদন ও মেয়াদ সংক্রান্ত স্টিকার ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য সামগ্রী উৎপাদন বাজারজাতকরণের প্রমাণ পাওয়ায় হোটেল ও বেকারীকে জরিমানা ও আদায় করা হয়। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আজকের দেয়া সতর্কতা ও নির্দেশনা অমান্য করলে পরবর্তীতে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

  • সারেংকাঠি ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান আসাদের সংবাদ সম্মেলন

    সারেংকাঠি ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান আসাদের সংবাদ সম্মেলন

    নেছারাবাদ (পিরোজপুর) সংবাদদাতা॥

    সাপ্তাহিক নবজাগরণ পত্রিকায় প্রকাশিত মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নেছারাবাদ উপজেলার ১০নং সারেংকাঠী ইউনিয়ন বিএনপি। শনিবার (১৪ জুন) বিকেলে উপজেলার আলকিরহাট বাজারের টোলঘরে ওই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
    সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থান করেন, নেছারাবাদ উপজেলার ১০নং সারেংকাঠী ইউনিয়ন বিএনপি’র সদস্য সচিব মোঃ আসাদুজ্জামান আসাদ। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ১২ জুন “সাপ্তাহিক নবজাগরন” পত্রিকায় প্রকাশিত ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা, উদ্দেশ্য প্রনোদিত ও চরিত্র হনোনকারী সংবাদে ১০নং সারেংকাঠী ইউনিয়ন বিএনপি’র সদস্য সচিব মোঃ আসাদুজ্জামান আসাদকে জড়িয়ে “রামরাজত্ব প্রতিষ্ঠা” গণহত্যার আসামিদের আশ্রয়দাতা বলে অভিযুক্ত করে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। উক্ত সংবাদে আমার কোন বক্তব্য না নিয়েই সংবাদটি প্রকাশ করে। প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট এবং ভিত্তিহীন। উক্ত সংবাদের আমি তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
    উক্ত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলার ১০নং সারেংকাঠী ইউনিয়ন বিএনপি ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক মোঃ জাহিদুল করিম, যুগ্ম আহবায়ক মোঃ কাঞ্চন হাওলাদার, সারেংকাঠী ইউনিয়ন মৎস্যজীবি দলের আহবায়ক মোঃ জসিম হাওলাদার, সারেংকাঠী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইমরান হোসেন, সাবেক ছাত্রনেতা মোঃ সোহেল সিকদার প্রমুখ।

    আনোয়ার হোসেন
    নেছারাবাদ উপজেলা সংবাদদাতা।।

  • সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সুজনের কারাগারে আত্মহ-ত্যা

    সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সুজনের কারাগারে আত্মহ-ত্যা

    হেলাল শেখঃ ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলাকারী ঢাকার সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান সুজন (৪৫) ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে (কেরানীগঞ্জ) গলায় ফাঁস দিয়েছেন। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    রোববার (১৫ জুন) বেলা ১১টার দিকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সূর্যমুখী ভবনের একটি কক্ষে নিজের গলায় গামছা পেঁচিয়ে ফাঁস দেন সুজন। ঘটনার পরপরই তাকে কারা হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরপর তাকে ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক বেলা সাড়ে ১২টায় মৃত ঘোষণা করেন।

    সুজনের হাসপাতালে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. ফারুক।

    কারাগার সূত্র জানায়, বন্দি হিসেবে সুজন সূর্যমুখী ভবনের একটি সাধারণ কক্ষেই ছিলেন। তার ব‍্যবহৃত গামছা দিয়ে তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কারা হাসপাতালে এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে তিনি মারা যান।

    কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন্স) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন বলেন, বন্দি সাইদুর রহমান সুজন ডিটেনশনে সূর্যমুখী ভবনের একটি কক্ষে ছিলেন। সকালে বন্দি সুজন নাস্তাও করেছেন। ওই কক্ষে তিনজন বন্দি, একজন সম্ভবত আদালতে গিয়েছেন, অপরজন ঘুমিয়ে ছিলেন, এই সুযোগে সুজন নিজের গামছা পেঁচিয়ে জানালার সঙ্গে গলায় ফাঁস দেন। পরে তাকে কারা হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে মারা যান।

    আইজি প্রিজন্স জানান, তার বিরুদ্ধে অনেক মামলা আছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনেরও মামলা আছে। তবুও কারা অভ্যন্তরে আত্মহত্যার ঘটনা কীভাবে হলো, এই বিষয়ে একটি কমিটি করে তদন্ত করে দেখা হবে।

    সুজনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলাসহ মোট ১৫টি মামলা রয়েছে।

    ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান চলাকালে আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান সুজনকে প্রকাশ্যে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি ছুড়তে দেখা যায়। এছাড়া এলাকায় জমি দখলসহ আধিপত্য বিস্তারের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে জুলাই বিপ্লবের আগে থেকেই একাধিক অভিযোগ পাওয়া যায়।

    ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদী শাসনের পতন ও স্বৈরাচার শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে গেলে সুজনও আত্মগোপনে চলে যান। তবে জানুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহে রাজধানীর উত্তরার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করেন। এরপর থেকে তিনি কারাবন্দি ছিলেন।

    হাসিনার শাসনামলে ২০২০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর চাঁদাবাজির অভিযোগে বিরুলিয়া ইউনিয়নের কাকাবর এলাকায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন সাইদুর রহমান সুজন। গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা সেলিম মন্ডল।

  • আশুলিয়ায় ব্যাংকের হারা-নো এক চেক দুই ব্যক্তি ডিজঅনার করার ঘটনা ফাঁ-স- থানায় অভি-যোগ

    আশুলিয়ায় ব্যাংকের হারা-নো এক চেক দুই ব্যক্তি ডিজঅনার করার ঘটনা ফাঁ-স- থানায় অভি-যোগ

    হেলাল শেখঃ ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার তাজপুরের মোঃ মোবারক মোল্লার ছেলে মোঃ আবুল হোসাইন নামের একজনের ব্যাংকের হারানো একটি চেক দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডিজঅনার করার ঘটনা ফাঁস-থানায় অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।
    শনিবার (১৪ জুন ২০২৫ইং) আশুলিয়া থানায় অভিযোগকারী ভুক্তভোগী আবুল হোসাইন গণমাধ্যমকে জানান, আমি আশুলিয়া থানায় হাজির হইয়া বিবাদী ১। সিরাজুল ইসলাম (৩৫),পিতা-মজিবুর রহমান, মাতা-রহিমা বেগম,সাং-ধনাইদ,থানা-আশুলিয়া, জেলা-ঢাকা, ২। মো: জাহাঙ্গীর হোসেন (২৮), পিতা- মো: মজিবুর রহমান, মাতা- মোসা: আবেদা বেগম কল্লানী, সাং-তাজপুর, থানা-আশুলিয়া, জেলা- ঢাকা দ্বয়ের বিরুদ্ধে এই মর্মে লিখিত ভাবে অভিযোগ দায়ের করিতেছি যে, আমি ডাচবাংলা ব্যাংক পিএলসি আশুলিয়া শাখায় চুরি করি। ডাচবাংলা ব্যাংক পিএলস সোনারগাঁও জনপথ উত্তরা শাখার আমার একাউন্ট নং-১৯৯১০১০০১১৪৮৪ এর চেক নং-০৮২৯৩১০ গত ইং- ০৩/০৩/২০২০ তারিখে হারানো গিয়াছে।
    তিনি বলেন, আমার চেক হারাননোর বিষয়ে আমি আশুলিয়া থানায় থানায় সাধারণ ডাইরি করেছি, সাধারণ ডাইরি নং-৪২৩, তাং-০৫/০৩/২০২০ইং। পরবর্তীতে ১নং বিবাদী আমাকে জানায়, আমার চেকটি তাহার কাছে আছে। আমার কাছে ৫,০০,০০০/-টাকা দাবী করে। টাকা না দিলে চেক ডিজঅনার করিয়া আমার বিরুদ্ধে মামলা দিবে মর্মে হুমকি প্রদান করে। আমি তাহাকে টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় উক্ত বিবদিী চেকটি ডিজঅনার করায় গত ইং-২১/০৮/২০২৩ তারিখে আমার নামে লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করিয়াছে। দীর্ঘদিন অতিবাহিত হওয়ার পর একই
    চেক দ্বারা ২নং বিবাদীও একই কায়দায় ৫,০০,০০০/- টাকা দাবী করে। আমি টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় চেকটি তিনিও ডিজঅনার করাইয়া গত ইং-২৬/০৫/২০২৫ তারিখে আমার নামে লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করে। টাকা না দিলে তিনিও আমার নামে মামলা দেওয়ার হুমকি প্রদান করে। আমার হারানো চেকটি বিবাদীরা পাইয়া আমার নিকট হইতে কৌশলে ৫,০০,০০০/- টাকা চাঁদা দাবী করে তা আদায় করার চেষ্টা করিতেছে। আমার ধারণা বিবাদীরা পরস্পর পরিচিত ও তাদের যোগসাজসে একই চেক দ্বারা তাহারা দুই জনেই ডিজঅনার করাইয়া আলাদা আলাদা সময়ে লিগ্যাল
    নোটিশ প্রদান করে আমার নিকট হইতে টাকা আদাইয়ের চেষ্টা করিয়া টাকার জন্য আমাকে বিভিন্ন ভাবে চাপ সৃষ্টি করিতেছে। আমি আইনের প্রতি সম্মান জানিয়ে আশুলিয়া থানায় জিডি ও অভিযোগ দায়ের করেছি, পুলিশ অফিসার তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নিবেন বলে আমি আশাবাদী।
    গত বুধবার (১১ জুন ২০২৫ইং) উক্ত আশুলিয়া থানার অভিযোগের ১নং বিবাদী সিরাজুল ইসলামের মোবাইল ফোনে কল করে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার কাছে ৫ লাখ টাকার একটা চেক আছে, আমি আবুল হোসাইনের কাছে এখন ৩৫ হাজার টাকা পাবো। ২নং বিবাদী মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেনের কাছে মোবাইল ফোনে কল করে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি গাড়িতে আছি পরে কথা বলবো।
    শনিবার আশুলিয়া থানার (এসআই) জাহাঙ্গীর বলেন, আবুল হোসাইন নামের একজনের একটি অভিযোগ পেয়েছি, ব্যাংকের চেকের বিষয় তাই বাদী চাইলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের চিত্র একশো বছরে হারিয়ে যাচ্ছে : অস্তিত্ব সংক-টে উপকূলের রক্ষাকবচ বন

    বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের চিত্র একশো বছরে হারিয়ে যাচ্ছে : অস্তিত্ব সংক-টে উপকূলের রক্ষাকবচ বন

    এস. এম. সাইফুল ইসলাম কবির, সুন্দরবন থেকে ফিরে:দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলেরবিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল মৎস্যভান্ডার নামে খ্যাত সুন্দরবনে দখল, নদীভাঙন ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবসহ নানা কারণে সুন্দরবনের আয়তন কমতে কমতে এখন এক তৃতীয়াংশে দাঁড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুরক্ষা নিশ্চিত করতে না পারলে সুন্দরবন একসময় হারিয়ে যাবে, হুমকিতে পড়বে বাংলাদেশ।
    ভূ-তত্ত্ববিদরা বলছেন, সুন্দরবনের আয়তন দিন দিন কমে যাচ্ছে। আয়তন কমে আসায় সুন্দরবনের প্রতিবেশ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কমে আসছে গাছগালা, লতাগুল্ম ও প্রাণী।
    ২০২০ সালে বিশ্বব্যাংক তাদের এক প্রতিবেদনে সুন্দরবনের আয়তন কমে আসার কিছু তথ্য প্রকাশ করেছে। জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সুন্দরবন ও বনসংলগ্ন এলাকার মানুষের টিকে থাকার বিষয়ে প্রতিবেদনটি করা হয়েছিল।
    ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ১৯০৪-২৪ সালে সুন্দরবনের আয়তন ছিল ১১ হাজার ৯০৪ বর্গকিলোমিটার। ১৯৬৭ সালে তা কমে হয় ১১ হাজার ৬৬৩ বর্গকিলোমিটার। ২০২১ সালে আয়তন কমে দাঁড়ায় ১১ হাজার ৫০৬ বর্গকিলোমিটারে। ২০১৫-১৬ সালে আয়তন ছিল ১১ হাজার ৫০৬ বর্গকিলোমিটার। অর্থাৎ গত ১০০ বছরে সুন্দরবনের আয়তন ৪৫১ বর্গকিলোমিটার কমে গেছে।
    বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) মোংলা অঞ্চলের আহ্বায়ক মো. নুর আলম শেখ বলেন, “সুন্দরবনের ভেতরে মানুষ প্রতিনিয়ত দখল নিয়ে ঘরবাড়ি, হাট-বাজার তৈরি করছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সমুদ্রপৃষ্ঠে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়ায় নদীভাঙনের মধ্যে সুন্দরবন ছোট হয়ে আসছে। সুন্দরবন রক্ষায় সরকারকে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করতে হবে। একইসঙ্গে সুন্দরবনে মানুষের প্রবেশ ঠেকিয়ে বন রক্ষাকারী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও কঠোর হতে হবে।”
    প্রাকৃতিক দুর্যোগ হতে বাংলাদেশকে রক্ষা করছে সুন্দরবন। বাংলাদেশিদের রক্ষাকবচ এই বনের সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন সেভ দ্য সুন্দরবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম। তিনি অনলাইন সংবাদমাধ্যম কে ‌বলেছেন, “প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় ও প্রাকৃতিক সব দুর্যোগে আমাদের জন্য রক্ষাকবচ হয়ে ওঠে সুন্দরবন। এই বন উপকূলের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকার অনিবার্য অংশও। বন থেকে মধু, গোলপাতা, মাছ, কাঁকড়াসহ নানা কিছু আহরণ করেন পেশাজীবীরা। তাই সুন্দরবন সুরক্ষার মাধ্যমে বাংলাদেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।”
    সুন্দরবনের মধ্যে ছোট-বড় অসংখ্য নদী ও খাল রয়েছে। পানির মতো বিছানো এসব খাল-নদীর মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৫০ কিলোমিটার। এসব নদী-খাল দিনে দুবার জোয়ারের পানিতে ভরে যায়, আবার দুবার ভাটায় পানি নেমে যায়। জোয়ার-ভাটার কারণে নদীর পাড় ভাঙে আবার গড়ে। তবে ১০০ বছরে দেখা গেছে, ভাঙনই বেশি। যা আজও ঠেকানো যায়নি।
    পূর্ব সুন্দরবনের করমজল পর্যটন কেন্দ্র ও বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাওলাদার আজাদ কবির বলেন, “সুন্দরবনের জন্য বড় হুমকি জলবায়ু পরিবর্তন এবং কিছু মানুষের বনের ওপর নির্যাতন। একসময় বনের গাছপালা কাটা হতো, এখন সেসব নাই। তবে বিষ দিয়ে মাছ ধরার কারণে সুন্দরবনের ক্ষতি হচ্ছে। এই নির্যাতন অব্যাহত থাকলে একসময় সুন্দরবন থাকবে না।”
    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ হারুন চৌধুরী বলেন, “পরিবেশকে সুরক্ষিত রাখতে এই বনকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।”##

    ##