Blog

  • চার দিনেও খোঁজ মে-লেনি ঢাকায়  নি-খোঁজ বানারীপাড়ার আদি’র

    চার দিনেও খোঁজ মে-লেনি ঢাকায় নি-খোঁজ বানারীপাড়ার আদি’র

    নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

    চার দিনেও খোঁজ মেলেনি ঢাকায় নিখোঁজ বানারীপাড়ার সন্তান মেধাবী শিক্ষার্থী আদি’র। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও ছেলের সন্ধান না পেয়ে আদি’র মা-বাবা পাগল প্রায়। ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে তার নিখোঁজ সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। আদি ইবনে জামান (১৩) বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের গরদ্বার গ্রামের মো. মনিরুজ্জামান ও হামিদা জামানের ছোট ছেলে। গম ১৫ জুন সকাল ৯টা ২০ মিনিটে মিরপুরের সেনপাড়া পর্বতার বাসা থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি সে। পরে তার পরিবার তাদের স্বজনদের বাড়িসহ সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করে তার কোন সন্ধান পায়নি। এ বিষয়ে ওইদিন (১৫ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (নম্বর ৮৪৯) করেন আদি ইবনে জামানের বাবা ব্যাংক কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান। জিডিতে তিনি বলেন,তার ছেলে ‘আদি ইবনে জামান (১৩) ,১৫ জুন সকাল ৯টা ২০ মিনিটে কাফরুল থানাধীন সেনপাড়া পর্বতার আমার নিজ বাসা থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। অনেক খোঁজাখুঁজি করে তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।’ নিখোঁজ ছেলের বর্ণনায় তিনি জানান, ‘গায়ের রং ফর্সা, চুল ছোট, উচ্চতা ৪ ফুট ৫ ইঞ্চি, স্বাস্থ্য মাঝারি, পরনে ছিল নীল জিন্সের ফুল প্যান্ট ও পেস্ট কালারের টি শার্ট।’ আদি ইবনে জামান ঢাকার বিএএফ শাহীন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে বরিশালের বানারীপাড়া পৌর বিএনপির সদস্য সচিব মো.হাবিবুর রহমান জুয়েলের ছোট বোনের ছোট ছেলে এবং গরদ্বার নিবাসী ডা. মো.আবুল কালাম আজাদের ভাইয়ের ছেলে।

    আদির মামা মো. হাবিবুর রহমান জুয়েল জানান, ১৫ জুন সকালে নিখোঁজের পর সম্ভাব্য সব জায়গায় আদিকে খোঁজ করা হয়েছে কিন্তু কোথাও তাকে পাওয়া যায়নি। এরপর ওইদিন সন্ধ্যায় কাফরুল থানায় জিডি করা হয়। এ প্রসঙ্গে জিডির তদন্ত কর্মকর্তা কাফরুল থানার উপ-পরির্দশক মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, ‘নিখোঁজ স্কুল ছাত্রটিকে খুঁজে বের করার সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে। বাসা ও আশেপাশের সিসিটিভি ফুটেজ ইতোমধ্যে সংগ্রহ করা হয়েছে। সব সোর্সকে কাজে লাগানো হচ্ছে। ছেলেটি তার মায়ের মোবাইল থেকে বন্ধুদের সাথে কথা বলতো। সিডিআর হাতে পেলে তদন্তের কাজ আরও তরান্বিত হবে।’ এদিকে কোনো সহৃদয়বান ব্যক্তি ছেলেটির সন্ধান পেলে নিচের মোবাইল নাম্বারে জানানোর জন্য অনুরোধ রইল: ০১৯১১-২৪৫২২৩ ( আদির বাবা) ও ০১৯১২-৪৭৪০৩৩ ( আদির মা)। ##

  • ওষুধের দোকানে অভি-যান চালিয়ে জরি-মানা

    ওষুধের দোকানে অভি-যান চালিয়ে জরি-মানা

    দিনাজপুর প্রতিনিধি: দিনাজপুরের বীরগঞ্জে ৪টি ওষুধের দোকানে অভিযান চালিয়ে ১৪ হাজার ৫ শত টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্যাট মোঃ তানভীর আহমেদ এর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।

    ১৮ জুন বুধবার দুপুরে উপজেলার ভোগনগর ইউনিয়নের কবিরাজহাট ও বীরগঞ্জ পৌর শহরের পুরাতন শহীদ মিনারে সংলগ্ন এলাকায় ওই অভিযানে জরিমানা করেন।

    ঔষধের দোকানে সেম্পল ওষুধ এবং মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ রাখার অভিযোগে এই জরিমানা করা হয়।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, থানা পুলিশের সহায়তায় নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্যাট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: তানভীর আহমেদ এর নেতৃত্বে মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষুধ, সেম্পল রাখা এবং নানা অভিযোগে কবিরাজহাট এলাকার রনি মেডিকেল, মা মেডিকেল হল এবং বীরগঞ্জ পৌরশহরের সেবা ফার্মেসি ও মোস্তাকুল ফার্মেসীসহ চার ফার্মীসিকে ১৪ হাজার ৫ শত জরিমানা করা হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর জেলা ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের ওষুধ তত্বাবধায়ক মো: আমিনুল ইসলাম।

    অভিযানের তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্যাট ও নির্বাহী অফিসার মোঃ তানভীর আহমেদ জানান, বুধবার দুপুর দেড়টা থেকে বেলা ৩ টা পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে বিভিন্ন অপরাধে ৪টি ফার্মেসিকে জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • সড়ক নির্মাণে অনি-য়মের অভি-যোগ, প্রকৌশলী ও ঠিকাদারের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ

    সড়ক নির্মাণে অনি-য়মের অভি-যোগ, প্রকৌশলী ও ঠিকাদারের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ

    আমিরুল ইসলাম কবির,
    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED)-এর আওতাধীন “বৃহত্তর রংপুর অঞ্চলের জেলা সমূহের পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন (GRRIP)” প্রকল্পের অধীনে সড়ক নির্মাণ কাজ শুরুর পরপরই অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন উপজেলা প্রকৌশল দপ্তরের দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা এবং গাইবান্ধাভিত্তিক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ‘নর্থবেঙ্গল’।

    ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের GRRIP প্রকল্পে পলাশবাড়ী উপজেলার ২নং হোসেনপুর ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে প্রায় ৭ কোটি ২২ লক্ষ ৭৬ হাজার টাকা। এতে মোট ৬ কিলোমিটার সড়ক পাকাকরণের কথা বলা হয়েছে। সড়কগুলো হলো,
    শিশুদহ-কদমতলী বাজার সড়ক (আইডি:১৩২৬৭৪০৩২) প্রাক্কলিত মূল্য: ১ কোটি ১৪ লাক ৬৫ হাজার ৪’শ ৫৪ টাকা। কদমতলী বাজার-শালমারা সড়ক (আইডি:১৩২৬৭৪০৪৬) প্রাক্কলিত মূল্য: ৯৫ লাখ ৯৮ হাজার ২’শ ১৯ টাকা। শিশুদহ-কোদালকাটি-আকবর নগর রোড (আইডি:১৩২৬৭৪০৬৭) প্রাক্কলিত মূল্য: ২ কোটি ১৯ লাখ ২৪ হাজার ৬’শ ৫৬ টাকা। সাইনদহ রেজি: স্কুল-নুরুল ফকিরের বাড়ি (আইডি:১৩২৬৭৪০৯৯) প্রাক্কলিত মূল্য: ৫৬ লাখ ১৫ হাজার ৯’শ ৯৮ টাকা। কদমতলী বাজার-হোসেনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সড়ক (আইডি: ১৩২৬৭৫০০৬) প্রাক্কলিত মূল্য: ২ কোটি ৩৬ লাখ ৭২ হাজার ১’শ ৩৫ টাকা।

    সূত্রে প্রকাশ,প্রকল্প বাস্তবায়নের শর্ত অনুযায়ী উন্নতমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার,সাইটে অনুমোদিত ডিজাইন ও ড্রইং সংরক্ষণ,সাইট অর্ডার বই রাখা এবং তদারকির জন্য কর্তৃপক্ষের নিয়মিত উপস্থিতির কথা বলা থাকলেও বাস্তবে এর কিছুই মানা হচ্ছে না।

    স্থানীয় বিভিন্ন তথ্য সূত্রে প্রকাশ, ‘নর্থ বেঙ্গল’ নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি আশপাশের ইটভাটা থেকে নিম্নমানের ভাঙা ইট ও আদলা সংগ্রহ করে সুমনের ইটভাটায় মাটিমিশ্রিত বালির সঙ্গে মিক্সিং করে তা রাস্তার সলিংয়ে ব্যবহার করছে। এতে সড়কের স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

    শ্রীখন্ডি গ্রামের বাসিন্দা গোলাম মওলাসহ একাধিক ব্যক্তি বলেন, “এই রাস্তা এক বছরও টিকবে না। প্রথম বর্ষায়ই ভেঙে পড়বে।”

    এলাকাবাসীর অভিযোগ,এভাবে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ করলে সরকারি অর্থ অপচয় এবং জনগণের স্বপ্নভঙ্গ হবে।

    সড়ক নির্মাণে অনিয়মের বিষয় জানতে উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয়ে গেলে উপ সহকারী প্রকৌশলী হেলালুর রহমান হেলাল সাংবাদিকদের সাথে দুর্ব্যবহার করেন। তিনি বলেন,“আমার অফিসে সাংবাদিকের ঢোকা নিষেধ। কিছু লেখলে,লেখেন -আমার কিছুই হবে না।”

    অন্যদিকে,উপজেলা প্রকৌশলী তপন কুমার চন্দ্র অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমি নিজে গিয়ে দেখে এসেছি, কাজ প্রাক্কলন অনুযায়ী হচ্ছে।”

    ঠিকাদার আয়েন উদ্দিন বলেন, “রাতের বেলায় ২/১ গাড়ি নিম্নমানের সামগ্রী ফেলানো হয়ে থাকতে পারে,তবে সেগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে।”

    এ বিষয়ে গাইবান্ধা জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মো.উজ্জ্বল চৌধুরীর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে কথা শেষ না করেই তিনি ফোন রেখে দেন।

    সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহিতার আওতায় এনে দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তারা বলেন,এই ধরনের স্বেচ্ছাচারিতা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান না নিলে রাষ্ট্রীয় অর্থ ও জনগণের প্রত্যাশা-উভয়ই ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে।।

  • উজিরপুরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অধীনে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত

    উজিরপুরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অধীনে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত

    উজিপুর প্রতিনিধিঃ বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অধীনে ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল  অ্যান্ড  রুরাল ট্রান্সফরমেশন  ফর নিউট্রিশন এন্টারপ্রেনরশিপ অ্যান্ড রেসিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার) প্রকল্প এর আওতায় দিনব্যাপী পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৮ জুন সকাল সাড়ে ১০ টায় উজিরপুর মুক্তিযোদ্ধা ভবনের হলরুমে উজিরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কপিল বিশ্বাসের সভাপতিত্বে কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মাহমুদুল হাসানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী সুজা।আরো বক্তৃতা করেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রসেন মজুমদার, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ, উজিরপুর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোঃ হুমায়ুন খান, পৌর বিএনপির আহবায়ক মোঃ শহিদুল ইসলাম খান, উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা রাহমাতুল বাড়ি, উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মোঃ নূরহোসেন, ওয়ার্ল্ড ভিশনের উজিরপুর এরিয়া ম্যানেজার সিলভিয়া ডেইজি, উপজেলা কৃষক দলের আহবায়ক মোঃ ফাইজুল হক রাড়ী সহ অনেকে।অনুষ্ঠানে উপজেলা  বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে ৭০ জন কৃষক প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন। সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী বৃন্দ। অনুষ্ঠানে কৃষক প্রতিনিধিদের মনজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রাণবন্ত করে তোলা হয়।

  • সুনামগঞ্জ গৌরারং ইউনিয়ন বিএনপির কর্মী সভা অনুষ্ঠিত

    সুনামগঞ্জ গৌরারং ইউনিয়ন বিএনপির কর্মী সভা অনুষ্ঠিত

    কে এম শহীদুল সুনামগঞ্জ :
    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সুনামগঞ্জ জেলা গৌরারং ইউনিয়ন শাখার কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।১৭ মে মঙ্গলবার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি, বসুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়ন নেতা কর্মীদের আয়োজনে টুকের বাজার হাজী আব্দুস ছত্তার এন্ড মরিয়ম উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে হাজারো নেতাকর্মীদের উপস্থিতে এই কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত কর্মী সভায় সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফারুক আহমেদের সভাপতিত্বে ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রহিম ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর আলমের যৌথ সঞ্চালনায় কর্মী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন,,,,
    জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য কুরবান নগর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আকবর আলী, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি গৌরারং ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ ফুল মিয়া, সুনামগঞ্জ জেলা যুবদলের বর্তমান সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ সোহেল আহমেদ, সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নুর উদ্দিন, ইসলাম গঞ্জ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ নুরুজ আলী প্রমুখ।
    এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল হাসান রাজু, জেলা যুবদলের যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক সুজন মাহমুদ, জেলা যুবদলের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মিনারুল হক,সহ অর্থ বিষয়ক উজ্জ্বল মিয়া,জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোনাজির হোসেন , সদর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মমিনুল হক কালার চান , পৌর যুবদলের সদস্য সচিব আজিজুর রহমান সৌরভ,,জেলা তরুন দলের সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন
    লালপুর ১নং ওয়ার্ড সভাপতি সৈয়দ নবাব মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মোঃ রহমত আলী, বিএনপি নেতা নুরুল আমিন,
    এছাড়াও গৌরারং ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে সাবেক ইউপি সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আকুল আলী, মোঃ সালেহ আহমদ, মোঃ কামাল উদ্দিন তুলা মিয়া, আব্দুর রউফ,আইয়ুব আলী , শামছুল হক, জিয়া উদ্দিন, ইয়াকুব আলী, আনোয়ার হোসেন,আজাদুর ইসলাম পবনসহ গৌরারং ইউনিয়ন বিএনপি নেতা আজাহার চৌধুরী শাহীন, নজরুল ইসলাম, আব্দুল মালিক,হারুন রশিদ, তোফাজ্জুল হক সুমন, সিরাজুল ইসলাম পলাশ,
    মইনুল হকসহ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের হাজারও নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। কর্মী সভায় নেতা কর্মীরা তাদের প্রিয় নেত্রী বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের কাছে তাদের একটাই প্রাণের দাবি জানিয়ে বলেন , আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সফল বিল্পবী সাধারণ সম্পাদক এড. নুরুল ইসলাম নুরুলকে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে দলীয় মনোনয়ন দেবেন এমনটাই আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা কর্মীরা এড.নুরুল ইসলাম নুরুল কে সুনামগঞ্জ ৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে বেছে নিবেন এমনটাই প্রত্যাশা সুনামগঞ্জ সদর ও বিশ্বম্ভরপুর ৪ আসনের বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরসহ সাধারণ মানুষ।##

  • বিএনপি’র নাম ভাঙিয়ে ব্যবসা দ-খলসহ মহাসড়কে যানবাহনে ও ফুটপাতে কোটি টাকা চাঁদাবা-জি

    বিএনপি’র নাম ভাঙিয়ে ব্যবসা দ-খলসহ মহাসড়কে যানবাহনে ও ফুটপাতে কোটি টাকা চাঁদাবা-জি

    হেলাল শেখঃ বিএনপি’র নাম ভাঙিয়ে মহাসড়কে যানবাহনে ও ফুটপাতে কোটি টাকা চাঁদাবাজি এবং পোশাক কারখানার ঝুট ব্যবসা দখলের অভিযোগ উঠেছে। উল্লেখ্য, ঢাকা জেলার সাভার আশুলিয়া, ধামরাই, গাজীপুরের কাশিমপুর, রাজধানীর মিরপুরসহ বিভিন্ন মহাসড়ক ও শাখা রাস্তার ফুটপাতে এবং ব্যাটারি চালিত অবৈধ অটোরিক্সাসহ ফিটনেসবিহীন বিভিন্ন যানবাহন থেকে নামে বে-নামে বিএনপি’র নাম ভাঙিয়ে একটি মহল কোটি কোটি টাকা চাঁদাবাজি করার অভিযোগ। তদন্ত করলে কেঁচো খুঁজতে সাপের সন্ধান পাওয়া জেতে পারে বলে অনেকেই জানান।
    মঙ্গলবার (১৭ জুন ২০২৫ইং) জানা গেছে, আগে আওয়ামী লীগের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি করতো একটি মহল আর এখন বিএপি’র নাম ভাঙিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন ব্যবসা দখল করার অভিযোগ উঠেছে। ঢাকা জেলার সাভারের আমিনবাজার-আরিচা মহাসড়ক ও বাইপাইল থেকে টাঙ্গাইল মহাসড়ক এবং আশলিয়ার বাইপাইল-টঙ্গী সড়কের জামগড়া, ছয়তলা, ইউসুফ মার্কেট ও নরসিংহপুর-কাশিমপুরসহ বিভিন্ন শাখা সড়কে একাধিক লাইনম্যান প্রতিটি অটোরিক্মা থেকে ২০ টাকা করে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা চাঁদাবাজি করে। জানা যায়, এই চাঁদাবাজির সাথে এলাকার প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার দালালরা কাজ করে। অনেকেই সড়কের দুইপাশে মার্কেটের সামনে ফুটপাতে দোকান বসিয়ে মোটা অংকের চাঁদাবাজি করছে, প্রতিদিন একটি দোকানের চকির চাঁদা ১০০ থেকে ২০০টাকা নেয়া হয়। রাস্তায় যানজট সৃষ্টি করে গাড়ি থামিয়ে চাঁদা আদায় করা হয় এবং ফুটপাতসহ বিভিন্ন সরকারি জমি ও রাস্তা দখল করে প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে।
    মহাসড়কসহ বিভিন্ন রোডে অবাধে চলছে অবৈধ অটোরিকসা গাড়ি-সিএনজি, মাহিন্দ্রা, তিন চাকা গাড়ি, লাইসেন্সবিহীন ও ফিটনেসবিহীন অবৈধ যানবাহন। এসব যানবাহন থেকে লাখ লাখ টাকা চাঁদাবাজি করা হয়। সংশ্লিষ্টদের উদাসীনতায় যানবাহন থেকে প্রতি মাসে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। জানা গেছে, পুরাতন আশুলিয়া থেকে জিরাবো, নরসিংহপুর, সরকার মার্কেট, জামগড়ার ছয়তলা, ইউনিক, নবীনগর থেকে জিরানী পর্যন্ত সড়কে এবং নবীনগর থেকে পাটুরিয়া, আরিচা মহাসড়কে বাসগুলো থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। (সূচনা, দেশ মাটিসহ বিভিন্ন পরিবহণ সেক্টর থেকে লাখ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করা হয়)। অন্যদিকে দেখা যায়, কার আগে কে যাবে আর স্টাফদের সাথে মারামারি লেগেই থাকে, অসাবধানতায় গাড়ি চালায় ১৪-১৭ বছরের কিশোর। ফুটপাত দখল ও চাঁদাবাজি বন্ধ করা জরুরি।সাভার ও নবীনগরের ফুটপাত হকারদের থেকে দখলমুক্ত করা হলেও বেশিরভাগ এলাকায় এখনও ফুটপাত দখল করে জমজমাটভাবে চলছে ব্যবসা বাণিজ্য। লাইসেন্সবিহীন যানবাহন থেকে কিছু দালাল ও হাইওয়ে কিছু পুলিশ সদস্য মোটা অংকের চাঁদাবাজি করে থাকে বলে অনেকেই জানায়। মহাসড়ক ও হাইওয়ে সড়কের পাশে ফুটপাত দখল করে গাড়ি পার্কিং দোকানপাট বসিয়ে ব্যবসা বাণিজ্য করা সরকার নিষিদ্ধ করলেও কোনো ভাবেই বন্ধ হচ্ছে না কেন জাতি জানতে চায়। পুলিশ ও গাড়ির মালিক সমিতি কতর্ৃক চাঁদাবাজদেরকে প্রতিটি গাড়ি হতে ১০০০-২৫০০/ টাকা চাঁদা দিতে হয়। বাংলাদেশ পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের একজন (টিআই) অভিমত প্রকাশ করে বলেন, বিআরটিএ কতর্ৃপক্ষ যানবাহনের ডকুমেন্ট হাল নাগাদ সঠিক ভাবে করতে দায়িত্ব কর্তব্য পালন করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কিন্তু প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ যানবাহনের ডকুমেন্ট হাল নাগাদ না করে অবৈধভাবে বিশৃঙ্খলার মধ্যে অবৈধ যানবাহন চলছে সড়কও মহাসড়কের সর্বত্র। ফলশ্রুতিতে জনগণ নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন আর সরকার সারাদেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বিষটি অতি গুরুত্বপূর্ণ হিসাবে বিবেচনায় আনতে বিশেষভাবে সবিনয় বিনীত অনুরোধ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরকে। ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম বলেন, ঢাকা মহানগরসহ সারাদেশে ট্রাফিক ব্যবস্থা সুশৃঙ্খল করতে সক্ষম হলে বাংলাদেশের জনগণ তথা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত লোকের মধ্যে বাংলাদেশ সম্পর্কে পজিটিভ ধারণা আসবে। ফলশ্রুতিতে দেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ অনেক বেশি আসবে। ফলশ্রুতিতে দেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ আসলে অর্থনৈতিক উন্নতি টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত হবে এবং বেকার সমস্যা দূর করতে সক্ষম হবে সরকার। মানুষের চলাচলে নিরাপত্তা খুঁজে পাবে এবং নিরাপদ সড়ক বিনিমার্ণে এক ধাপ এগিয়ে যেতে সক্ষম হবে। সেই সাথে সড়কের ফুটপাত দখলমুক্ত করা জরুরি।
    সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, আশুলিয়ার নবীনগর পল্লী বিদ্যুৎ ও বাইপাইল, ইউনিক, জামগড়ার ছয়তলা ও সরকার মার্কেটসহ বিভিন্ন সড়কের পাশে ফুটপাত দখলমুক্ত করার কথা থানা পুলিশের, শুধু নবীনগরসহ কিছু এলাকায় ফুটপাত দখলমুক্ত করলেও বেশিরভাগই ধরাছোঁয়ার বাইরে, কোনো ভাবেই ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না। অন্যদিকে ট্রাফিক পুলিশ সদস্য, হাইওয়ে পুলিশ ও আশুলিয়ার নরসিংহপুরে মোঃ সুমন ওরফে মাহিন্দ্রা সুমন, শ্রীপুরের বাবুলসহ কয়েকজন দালাল চাঁদাবাজ কতর্ৃক তিন চাকা গাড়ি- প্রতি একটি গাড়ি থেকে ১ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৩ হাজার টাকা মাসিক চুক্তিতে চাঁদা আদায় করছে, পুরাতন আশুলিয়ায় ট্রাফিক পুলিশের একজন সদস্য সিএনজিসহ বিভিন্ন গাড়ি থেকে মাসিক চাঁদা উঠায়, তা মোটা অংকের বলে অনেকেই জানায়। সেই সাথে রাজনৈতিক নেতার পরিচয় ব্যবহার করে সন্ত্রাসী চাঁদাবাজরা বিভিন্ন ফুটপাতে চাঁদা আদায় করে। কিছু ফুটপাতের দোকানদার ব্যবসার আড়ালে চাঁদা উঠায় এমন অভিযোগও রয়েছে। সূত্র জানায়, দেশের অন্যদিকে সিলেট সদরের আম্বরখানাসহ বিভিন্ন এলাকার সড়ক থেকে প্রতি বছরে প্রায় ২ কোটি টাকার চাঁদা আদায় করে সন্ত্রাসী চাঁদাবাজরা। এদিকে ভৈররের বিভিন্ন এলাকায় সাড়ে ৩ থেকে ৪ হাজার সিএনজি চালকদের কাছ থেকে প্রতি বছর ১কোটি টাকার বেশি চাঁদা আদায় করে চাঁদাবাজরা। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় সন্ত্রাসী চাঁদাবাজরা একদিকে যানবাহন থেকে চাঁদা নিয়ে থাকে, অন্যদিকে ফুটপাত থেকে লাখ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করে বলে অভিযোগ উঠেছে। মিরপুর বিভিন্ন সড়ক ও বেঁড়িবাঁধ থেকেও ব্যাপক চাঁদাবাজি করা হয়। শুধু বেড়িবাঁধ থেকেই চাঁদা নিয়ে ক্ষ্যন্ত হয়নি তারা, কার্গো জাহাজ ভেড়ানোর জন্য তৈরি করেছে ল্যান্ড ষ্টেশনও। সেখানে মালবাহী ট্রাক লোড-আনলোডের ক্ষেত্রেও ইচ্ছেমতো চাঁদা নেয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কতর্ৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ল্যান্ড ষ্টেশন থাকলেও অদৃশ্য কারণে তৈরি ল্যান্ড ষ্টেশনই ব্যবহার করা হচ্ছে।
    ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন পল্লীবিদ্যুৎ, বাইপাইল থেকে জিরানী বাজার পর্যন্ত এবং ভাদাইল, ইউনিক বাজার, শিমুলতলা, ইয়ারপুর ইউনিয়নের জামগড়া চৌরাস্তা-ছয়তলা, নরসিংহপুর, জিরাবো, পুরাতন আশুলিয়া পর্যন্ত সড়কের রাস্তার দুইপাশে ফুটপাত দখল করে স্থাপনা তৈরি করে দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছে প্রভাবশালী মহল। সেই সাথে উক্ত এলাকায় গাড়ি থেকে চাঁদাবাজি করে এক ট্রাফিক পুলিশ সদস্য। জানা যায়, বিভিন্ন ক্রাইম স্পট থেকে কিছু পুলিশকে প্রতি মাসে মোটা অংকের টাকা চাঁদা উঠিয়ে দেয় এড়িয়াভিত্তিক মার্কেটের মালিক পক্ষের লোকজন। সচেতন মহল ও স্থানীয়দের অভিযোগ, সাভার, আশুলিয়ার সড়ক ও মহাসড়কে এবং তুরাগপাড়ের বেড়িবাঁধের রাস্তার উপরের দুপাশে বিভিন্ন দোকান, লেগুনা ষ্ট্যান্ড বসিয়েও চাঁদাবাজি করে আসছে প্রভাবশালী মহল। জানা যায়, বছরের পর বছর উল্লেখ্য এলাকার মানুষজনকেএকপ্রকার জিম্মি করেই অবৈধ কর্মকান্ড করে আসছে প্রভাবশালীরা। চাঁদাবাজ চক্রের সাথে কিছু রাজনৈতিক নেতা জড়িত রয়েছে বলেও অনেকেই জানান। রাজধানীর গাবতলী মাজার রোড হয়ে দারুসসালাম থানা রোড ও থানার সামনে দিয়ে ছোট সরু রাস্তা থেকে কিছু দূর গেলেই তুরাগ নদীর পাড় এলাকাটির নাম ছোটদিয়াবাড়ী । তুরাগ নদীর এ পাড়ের অংশ ছোট দিয়াবাড়ী, উপরের অংশ কাউন্দিয়া। এই পারের অংশের বাম দিকে গাবতলী আর ডান দিকে বেড়িবাঁধ রাস্তা। যা আশুলিয়া ও উত্তরার দিকে চলে গেছে। তুরাগের বাঁধঘেষা ছোট দিয়াবাড়ী মোড়টিকে পুঁজি করেই চক্রটি মূলত বিশাল চাঁদাবাজির ক্ষেত্র গড়ে তুলেছে। দেখা যায়, বাঁধ সংলগ্ন রাস্তাটি বেশ চওড়াই কিন্তু দুপাশে দখলের কারণে এটি ছোট হয়ে এসেছে। দুপাশের অবৈধভাবে গড়ে তোলা হয়েছে ছোট বড় শত শত দোকান। দারুসসালাম রোড থেকে বাঁধে উঠার সংযোগ সড়কের দুপাশের রাস্তা দখল করে বাঁশের আড়ৎ দেওয়া হয়েছে। এককালীন লাখ টাকা, পরে ১৫-২০ হাজার টাকার বিনিময়ে এটি ভাড়া দেওয়া হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দোকানিরা বলেন, তারা জায়গাটি ভাড়া নিয়েছেন হাজি জহিরের কাছ থেকে। তারা বলেন, এককালীন হিসেবে প্রায় লাখ খানেকের মতো টাকা দিয়েছেন আর প্রতি মাসে ১০হাজারের মতো টাকা ভাড়া দেন। হাজী জহির এর সাথে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি। নৌপরিবহন মন্ত্রী খালেদ মাহমুদ চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি। অনেকেই বলেন, একদল গেছে, আর একদল আসছে চাঁদাবাজিও বাড়ছে।
    মানিকগঞ্জ জেলা ডিবি ও ঢাকা উত্তর ডিবি পুলিশের একাধিক সাব-ইন্সপেক্টর বলেন, এর আগে সড়কে গাড়িতে চাঁদাবাজির সময় কয়েকজনকে আটক করা হলেও আদালত থেকে তারা জামিনে এসে আবারও চাঁদাবাজি করছে। ঢাকা জেলার সাভার ট্রাফিক জোনের একজন অফিসার বলেন, আগের চেয়ে পরিবেশ অনেকটা ভালো, সড়কে চাঁদাবাজির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সাভারে ফুটপাত দখলমুক্ত করেছেন সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, অবৈধ গাড়ি রোডে বেশি চলাচল করায় যানজটের সৃষ্টি হয়, তবে মাঝে মধ্যে অভিযান চালিয়ে অটো রিক্সা, মাহিন্দ্রাসহ অবৈধ তিন চাকা গাড়ি আটক করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান। এখন থানা পুলিশ এ বিষয়ে দেখবেন। আশুলিয়া থানা পুলিশ জানায় অভিযান চলমান রয়েছে। জানা গেছে, ঢাকা-আরিচা রোড ও ঢাকা টাঙ্গাইল রোডে ছিনতাই এবং বাসে ডাকাতির ঘটনা ঘটছে। উক্ত ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ ও বিএনপি’র শীর্ষ নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগীসহ সচেতন মহল। সামনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন তাই বিএনপি’র শীর্ষ নেতারা উক্ত বিষয়টি আমলে না নিলে দলের বদনামসহ চরম ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে সচেতন মহলের দাবী।##

  • সুজানগরে তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নে মতবিনিময় সভা

    সুজানগরে তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নে মতবিনিময় সভা

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ পাবনার সুজানগরে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার হাটখালীতে সোমবার এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন পাবনা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি এবং পাবনা-২ সংসদীয় আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী আব্দুল হালিম সাজ্জাদ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে পাবনা-২ সংসদীয় আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী আব্দুল হালিম সাজ্জাদ বলেন, আমরা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে ১৭টি বছর আন্দোলন সংগ্রাম করেছি, আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদী সরকার বিতাড়িত হয়েছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় আমাদের নেতা কর্মীরা বিভিন্ন হামলা মামলার শিকার হয়েছেন। অসংখ্য নেতাকর্মী মাসের পর মাস বছরের পর বছর জেলখানায় কাটিয়েছেন । সারা বাংলাদেশের মানুষ যেন ভালো থাকতে পারে, বাংলাদেশ যেন ভালো থাকতে পারে সেই লক্ষ্যে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ৩১ দফা প্রণয়ন করেছেন উল্লেখ করে উপস্থিত জনসাধারণকে উদ্দেশ্যে করে আব্দুল হালিম সাজ্জাদ বলেন ৩১ দফা ১ থেকে ৩১ পর্যন্ত আপনারা যদি ভালোমতো পড়েন এবং উপলব্ধি করেন দেখবেন একটা দেশ পরিচালনার জন্য একটা জাতিকে পরিচালনার জন্য যে সমস্ত জিনিস দরকার প্রতিটি জিনিসই ৩১ দফার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। লন্ডন থেকে বাংলাদেশের মানুষের জন্য এত চিন্তা ভাবনা করার জন্য মতবিনিময়সভা থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানানো হয় তার তীক্ষèবুদ্ধি এবং চিন্তা ভাবনা দিয়ে আজকের বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে বলে জানান তিনি। স্থানীয় বিএনপি নেতা বাতেন শেখের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অন্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন সুজানগর উপজেলা বিএনপির সাবেক ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মুজিবর রহমান খান, সুজানগর পৌর বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর আব্দুল বাতেন, সুজানগর উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক বাবু মোল্লা, বিএনপি নেতা পান্না চৌধুরী , উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের যুগ্ন আহ্বায়ক মধু বিশ্বাস, উপজেলা যুবদলের সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক নবী মোল্লা , উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের যুগ্ন আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম,যুবদল নেতা ইউসুব আলী টোকন, পৌর যুবদলের সদস্য মানিক খান, যুবদল নেতা আরিফ বিশ্বাস, জেলা ছাত্রদলের সহ সভাপতি ও উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ন আহ্বায়ক আলম মন্ডল, যুবদল নেতা শামীম, সুজানগর এন এ কলেজ শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শাকিল খান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে ইউপি সদস্য বাবু, নুরুজ্জামান সিকদার লালু, কামরুল ইসলাম বাবুল হোসেন, সাইদ হোসেন,হেলাল হোসেন, শাহিন বিশ্বাস,লিটন, ডাঃ আব্দুল কাদের, ডাক্তার হাবিবুর রহমান, ও নায়েব আলীসহ স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে স্থানীয় বিএনপির অফিস ঘর উদ্বোধন করেন নেতৃবৃন্দ।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিিিনিধ।।

  • চাঁদাবা-জ সন্ত্রা-সীদের গ্রে-প্তার দাবিতে ময়মনসিংহের ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন

    চাঁদাবা-জ সন্ত্রা-সীদের গ্রে-প্তার দাবিতে ময়মনসিংহের ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার দাবিতে ময়মনসিংহে মানববন্ধন বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক ব্যবসায়ীরা।

    মঙ্গলবার (১৭জুন) দুপুর ১২ ঘটিকায় নগরীর চরপাড়া মোড়ে শহরের বিভিন্ন ক্লিনিকে চাঁদাবাজদের হামলা, ভাংচুরসহ বিভিন্ন অত্যাচার নির্যাতনে অতিষ্ট
    ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক কর্মচারীরা চাঁদাবাজদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবীতে এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করে।

    কর্মসূচিতে বক্তারা দাবি করেন, সম্প্রতি ময়মনসিংহ নগরীতে অবস্থিত বিভিন্ন ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজরা চাদা দাবী করছে।তাদের দাবীকৃত চাঁদা না দিলে হামলা, ভাংচুরসহ বিভিন্ন মারধর সহ বিভিন্ন ভাবে অত্যাচার নির্যাতন চালানো হচ্ছে। তাদের গ্রেফতার করা না হলে কঠোর কর্মসূচি নিয়ে বাংলাদেশ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক ওনার্স এসোসিয়েশন এর নেতৃত্বে মাঠে নামবে ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কর্মকর্তা কর্মচারীরা। তারা অভিযোগ করেন, ময়মনসিংহকে অস্থিতিশীল করতে এই চাঁদাবাজ সন্ত্রাসী ও জুলুমবাজরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। মানববন্ধন ও সমাবেশে চাঁদাবাজি হামলা ও ভাঙচুরের প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে চাঁদাবাজদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবী জানান তারা। এতে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক ওনার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি ডাঃ মোহাম্মদ আলী ছিদ্দিকি সাধারণ সম্পাদক মনসুর আলম চন্দন,সহ-সভাপতি শামসুদ্দোহা মাসুম,
    যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল হক পাপ্পুসহ এসোসিয়েশন ও স্থানীয় সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গরা।

    ময়মনসিংহ নগরীতে চাঁদাবাজদের একের পর এক হামলা, ভাংচুর এবং শোষণের ফলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। শহরের বিভিন্ন ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিকরা অভিযোগ করেন, এই অপরাধীরা নিয়মিতভাবে তাদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাচ্ছে এবং অর্থ দাবি করছে। চাঁদাবাজদের অব্যাহত তৎপরতায় ক্লিনিক মালিকরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।তারা চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান এবং গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

    মানববন্ধনে উপস্থিত হয়ে কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফিরোজ হোসেন বলেন, “এই শহরে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি, মাস্তানী এবং মাদক ব্যবসা চলতে দেওয়া হবে না। আইন-শৃঙ্খলার বিপরীতে কাজ করা অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    তিনি আরও বলেন, “পুলিশ একা কিছু করতে পারে না। জনগণের সহযোগিতা ছাড়া পুলিশ কখনোই শক্তিশালী হয়ে দাঁড়াতে পারে না। আমাদের একত্রে কাজ করতে হবে, যাতে শহরটি সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও অপরাধমুক্ত হয়।”

    মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী ক্লিনিক মালিকরা অভিযোগ করেন, একদল চাঁদাবাজ নিয়মিতভাবে ক্লিনিকগুলোতে এসে মাসোহারা দাবি করছে এবং টাকা না দিলে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করছে। স্থানীয় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।

    এদিকে, এই বিক্ষোভে উপস্থিত সাধারণ জনগণও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তারা জানান, চাঁদাবাজি ও অপরাধের কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে, যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

  • সুনামগঞ্জ গৌরারং ইউনিয়ন বিএনপির কর্মী সভা অনুষ্ঠিত

    সুনামগঞ্জ গৌরারং ইউনিয়ন বিএনপির কর্মী সভা অনুষ্ঠিত

    কে এম শহীদুল সুনামগঞ্জ :
    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সুনামগঞ্জ জেলা গৌরারং ইউনিয়ন শাখার কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।১৭ মে মঙ্গলবার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি, বসুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়ন নেতা কর্মীদের আয়োজনে টুকের বাজার হাজী আব্দুস ছত্তার এন্ড মরিয়ম উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে হাজারো নেতাকর্মীদের উপস্থিতে এই কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত কর্মী সভায় সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফারুক আহমেদের সভাপতিত্বে ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রহিম ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর আলমের যৌথ সঞ্চালনায় কর্মী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন,,,,
    জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য কুরবান নগর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আকবর আলী, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি গৌরারং ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ ফুল মিয়া, সুনামগঞ্জ জেলা যুবদলের বর্তমান সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ সোহেল আহমেদ, সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নুর উদ্দিন, ইসলাম গঞ্জ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ নুরুজ আলী প্রমুখ।
    এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল হাসান রাজু, জেলা যুবদলের যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক সুজন মাহমুদ, জেলা যুবদলের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মিনারুল হক,সহ অর্থ বিষয়ক উজ্জ্বল মিয়া,জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোনাজির হোসেন , সদর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মমিনুল হক কালার চান , পৌর যুবদলের সদস্য সচিব আজিজুর রহমান সৌরভ,,জেলা তরুন দলের সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন
    লালপুর ১নং ওয়ার্ড সভাপতি সৈয়দ নবাব মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মোঃ রহমত আলী, বিএনপি নেতা নুরুল আমিন,
    এছাড়াও গৌরারং ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে সাবেক ইউপি সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আকুল আলী, মোঃ সালেহ আহমদ, মোঃ কামাল উদ্দিন তুলা মিয়া, আব্দুর রউফ,আইয়ুব আলী , শামছুল হক, জিয়া উদ্দিন, ইয়াকুব আলী, আনোয়ার হোসেন,আজাদুর ইসলাম পবনসহ গৌরারং ইউনিয়ন বিএনপি নেতা আজাহার চৌধুরী শাহীন, নজরুল ইসলাম, আব্দুল মালিক,হারুন রশিদ, তোফাজ্জুল হক সুমন, সিরাজুল ইসলাম পলাশ,
    মইনুল হকসহ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের হাজারও নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। কর্মী সভায় নেতা কর্মীরা তাদের প্রিয় নেত্রী বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের কাছে তাদের একটাই প্রাণের দাবি জানিয়ে বলেন , আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সফল বিল্পবী সাধারণ সম্পাদক এড. নুরুল ইসলাম নুরুলকে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে দলীয় মনোনয়ন দেবেন এমনটাই আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা কর্মীরা এড.নুরুল ইসলাম নুরুল কে সুনামগঞ্জ ৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে বেছে নিবেন এমনটাই প্রত্যাশা সুনামগঞ্জ সদর ও বিশ্বম্ভরপুর ৪ আসনের বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরসহ সাধারণ মানুষ।##

  • ময়মনসিংহে চো-র, ছিন-তাইকারী,চাঁদাবা-জ,সন্ত্রা-স ও মা-দক ব্যবসায়ী ধরতে  ব্যাপক তৎপর পুলিশ

    ময়মনসিংহে চো-র, ছিন-তাইকারী,চাঁদাবা-জ,সন্ত্রা-স ও মা-দক ব্যবসায়ী ধরতে ব্যাপক তৎপর পুলিশ

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহে চোর, ছিনতাইকারী,সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী ধরতে ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ। নবাগত ওসি ফিরোজ হোসেন যোগদানের পর থেকে শহরকে শান্তিপুর্ণ ও বাসযোগ্য করতে ওসির নির্দেশে অপরাধ নির্মুলে সারা শহরে অলিগলিতে অপরাধ বিরোধী অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে তারা। ইতি মধ্যে বেশ কয়েকজন ছিনতাইকারী গ্রেফতার হয়েছে। নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসাবে ১৬ জুন সোমবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ছিনতাইকারী চক্রের ০৩ সদস্য গ্রেফতার করে তাদের হেফাজতে থাকা মানিব্যাগ, মোবাইল ফোন, ডেভিট ও ক্রেডিট কার্ড,নগদ ২০,০০০ (বিশ হাজার) টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    জেলা পুলিশ সুপারের একটি প্রেস ব্রিফিং এ জানা গেছে-গত ১৬/০৬/২০২৫ তারিখ জাতীয় জরুরী সেবা-৯৯৯ এ জনৈক মোঃ মনিরুল হক কল দিয়ে জানান যে তিনি ছিনতাইকারীর কবলে পড়েছেন।সংবাদ পেয়ে অফিসার ইনচার্জ, কোতোয়ালী মডেল থানা, ময়মনসিংহ এর নির্দেশক্রমে ৩নং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ) মোঃ আবুল হোসেন এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ মাসকান্দা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ঘটনার ৫ ঘন্টার মধ্যে ছিনতাইকারী চক্রের ০৩ সদস্যকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলেন- মাসকান্দা নয়াপাড়া বলাশপুর এলাকার শরাফ উদ্দিনের পুত্র তানভির হাসান ওরফে অন্তর (২৫),আসাদ আলীর পুত্র মিলন মিয়া (২৫) ও শম্ভুগঞ্জ রঘুরামপুর এলাকার সাদিকুল ইসলাম পুত্র সাব্বির আহম্মেদ (২৩)। এসময় তাদের নিকটে থাকা ১টি মানিব্যাগ,১টি SAMSUNG GALAXY F52 মোবাইল ফোন, ডেভিট ও ক্রেডিট কার্ড ও নগদ ২০,০০০/- (বিশ হাজার) টাকা উদ্ধার করে পুলিশ।

    সংবাদ প্রদানকারী মনিরুল হক ১৬জুন সোমবার
    সন্ধ্যা অনুমান ০৭.০০ ঘটিকায় ব্যাংকের কার্যক্রম শেষে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানাধীন ছোট বাজার থেকে নিজ বাসার উদ্দেশ্যে অটোযোগে রওনা হলে পথিমধ্যে রাত অনুমান ০৮.৩০ ঘটিকায় মাসকান্দা বাসস্ট্যান্ডের অনুমান ২০০/৩০০ গজ দক্ষিণ পাশে ময়মনসিংহ টু দিঘারকান্দা বাইপাসগামী রাস্তার পূর্ব পাশে অটো থেকে নামা মাত্রই ছিনতাইকারীরা আকস্মিকভাবে জনমনে আতংক সৃষ্টি করে তাদের সাথে থাকা ধারালো চাকু বের করে মনিরুল হককে হত্যার ভয় দেখিয়ে নগদ ২০,০০০/-টাকা, SAMSUNG GALAXY F52 মোবাইল, মানিব্যাগ ও মানিব্যাগে রক্ষিত ডেভিট ও ক্রেডিট কার্ড নিয়ে যায়।

    এ বিষয়ে মোঃ মনিরুল হক বাদী হয়ে কোতোয়ালী মডেল থানায় এজাহার দায়ের করিলে কোতোয়ালী মডেল থানার মামলা নং-৫১,তারিখ: ১৭/০৬/২০২৫ খ্রিঃ, ধারা: আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) (সংশোধন) আইন ২০১৯ এর ৪/৫ রুজু হয় এবং গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করেন।

    কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফিরোজ হোসেন বলেন, “এই শহরে কোনো ধরনের ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাস্তানী এবং মাদক ব্যবসা চলতে দেওয়া হবে না। আইন-শৃঙ্খলার বিপরীতে কাজ করলে যত ক্ষমতাশালীই হউক অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    তিনি আরও বলেন, “পুলিশ একা কিছু করতে পারে না। জনগণের সহযোগিতা ছাড়া পুলিশ কখনোই শক্তিশালী হয়ে দাঁড়াতে পারে না। আমাদের একত্রে কাজ করতে হবে, যাতে শহরটি সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও অপরাধমুক্ত হয়।”