Blog

  • ওসি মাসুদ রানা’কে অবন-মিত করে এসআই পদে পদায়ন

    ওসি মাসুদ রানা’কে অবন-মিত করে এসআই পদে পদায়ন

    স্টাফ রিপোর্টার:- নিরেন দাস

    ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগে বিভাগীয় মামলায় দণ্ডিত হয়ে জয়পুরহাটের আক্কেলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ রানাকে পদাবনতি দিয়ে উপ-পরিদর্শক (এসআই) করা হয়েছে।

    পুলিশ বিভাগের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ২০১৮ সালে রংপুর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) শাখায় ইন্সপেক্টর পদে কর্মরত থাকাকালীন, পীরগঞ্জ থানার একটি হত্যা মামলার তদন্তে ঘুষ গ্রহণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়।

    দীর্ঘ তদন্ত শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় পুলিশ সদর দপ্তর মাসুদ রানাকে তিন বছরের জন্য এসআই পদে অবনমিত করে।

    জয়পুরহাট জেলা পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বর্তমানে তিনি এসআই পদে দায়িত্ব পালন করছেন।

  • নলছিটিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৫ মা-মলা ৪১০০০ টাকা জ-রিমানা ১৯০ কেজি পলিথিন জ-ব্দ

    নলছিটিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৫ মা-মলা ৪১০০০ টাকা জ-রিমানা ১৯০ কেজি পলিথিন জ-ব্দ

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটিতে আজ ২৫ জুন বুধবার বিভিন্ন এলাকায় উপজেলা প্রশাসনের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

    এদিন বিকাল চারটায় উপজেলার সুবিদপুর ইউনিয়নের তালতলা বাজারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।এতে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ লংঘন করে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে পৃথক মামলায় নিষিদ্ধ পলিথিন সংরক্ষণ করার অপরাধে মেসার্স বাদল ট্রেডার্স,তালুকদার ট্রেডার্স নামের প্রতিষ্ঠানকে ৩৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয় ও ১৯০ কেজি অবৈধ পলিথিন জব্দ করা হয়।

    এছাড়াও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অমান্য করায় শাওন কনফেকশনারি নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। এবং সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ অমান্য করায় একটি যানবাহনকে এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

    ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নলছিটির উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো:নজরুল ইসলাম।এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চলমান থাকবে বলেও জানান তিনি।

    এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা ওবায়দুল ইসলাম ও নলছিটি থানা পুলিশের একটি প্রতিনিধি দল।

  • পঞ্চগড়ে সীমান্ত দিয়ে ১৮ জনকে পু-শইন করেছে বিএসএফ 

    পঞ্চগড়ে সীমান্ত দিয়ে ১৮ জনকে পু-শইন করেছে বিএসএফ 

    বাবুল হোসেন,

    পঞ্চগড় প্রতিনিধি

    পঞ্চগড়ের তেতুঁলিয়া ও সদর উপজেলার তিনটি সীমান্ত দিয়ে ১৮ জনকে পুশইন করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। বুধবার ভোরে তেতুঁলিয়া উপজেলার শুকানি এবং সদর উপজেলার টোকাপাড়া ও জয়ধরভাঙ্গা দিয়ে তাদের পুশইন করা হয়। পরে বিজিবির টহল দল তাদের আটক করে স্থানীয় ক্যাম্পে নিয়ে যায়। আটককৃতদের থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে। 

    বিজিবি সূত্রে জানা যায়, বুধবার ভোরে নীলফামারী ৫৬ বিজিবির আওতাধীন শুকানি বিওপি এলাকা দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের ৪৬ ব্যাটালিয়নের ট্যাপরাভিটা ক্যাম্পের সদস্যরা সীমান্তের মেইন পিলার ৭৪১ এর ৪ নম্বর সাব পিলার এলাকা দিয়ে নারী পুরুষ, শিশু সহ ৫ জনকে পুশইন করে। পরে পঞ্চগড় ১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের ভজনপুর বিওপির টহল দল সীমান্তের মেইন পিলার ৪২৮ থেকে দুই কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে তেতুঁলিয়া উপজেলার দেবনগড় ইউনিয়নের ধানশুকা এলাকায় তাদের আটক করে স্থানীয় বিওপিতে নিয়ে যায়। আটককৃতদের থানা পুলিশে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

    এদিকে, বুধবার ভোরে নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের টোকাপাড়া বিওপির মহারাজা দিঘী সীমান্ত দিয়ে মেইন পিলার ৭৪৫ এর ৩-৪ সাব পিলার এলাকা দিয়ে নারী, পুরুষ, শিশু সহ ৬ জনকে পুশইন করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের ৯৩ ব্যাটালিয়নের স্থানীয় ক্যাম্পের সদস্যরা। পরে টোকাপাড়া বিওপির টহল দল কমলাপাড়া এলাকা থেকে তাদের আটক করে স্থানীয় ক্যাম্পে নিয়ে যায়।

    এছাড়া সদর উপজেলার চাকলাহাট ইউনিয়নের জয়ধর ভাঙা সীমান্তের মেইন পিলার ৭৫৮ এর ৯ নম্বর সাব পিলার এলাকা দিয়ে বিএসএফের ৯৩ ব্যাটালিয়নের শ্যাম বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা ৭ জনকে পুশইন করে। সকালে জয়ধর ভাঙা বিওপির বিজিবি সদস্যরা আটক করে।

    তিন সীমান্তে আটকদের সদর ও তেঁতুলিয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তরে প্রক্রিয়া চলছে বলে জানায় বিজিবি।

    আটককৃতরা ভারতের অভ্যন্তরে বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিক ও দিনমজুরের কাজ করতো। পরে ভারতীয় পুলিশ তাদের আটক করে বিমানযোগে শিলিগুড়ি বাকডোগরা বিমানবন্দরে পাঠায়। পরে তাদের সীমান্তের তিনটি পৃথক এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে পুচিল করে বিএসএফ। 

    তেঁতুলিয়া মডেল থানা ভারপ্রাপ্ত মুসা মিয়া বলেন, ওখানে বিওপি এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে পুশইন করা পাঁচজনকে ভজনপুর বিওপির সদস্যরা আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে। তাদেরকে আইন অনুযায়ী পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেয়া হবে। 

    পঞ্চগড় সদর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লা হিল জামান বলেন বলেন, পঞ্চগড় সদর উপজেলার দুইটি সীমান্ত দিয়ে মোট ১৩ জনকে পুশিল করে দিয়েছে। পরে বিজিবি তাদেরকে আটক করে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে। আমরা আইন অনুযায়ী তাদেরকে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। 

    নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে কর্নেল মোহাম্মদ বদরুদ্দোজা বলেন, আমাদের দায়িত্বপূর্ণ এলাকা দিয়ে মোট ১৩ জন পুশইন করেছে। আর ১৮ বিজিবি ৫ জনকে আটক করে। আমরা থানায় সাধারণ ডায়েরী করার মাধ্যমে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছি। পুলিশ তাদের পরিচয় নিশ্চিত করে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করবে। 

    পঞ্চগড় ১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মনিরুল ইসলাম বলেন, নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের শুকানি ক্যাম্প এলাকা দিয়ে পাঁচজন বাংলাদেশের প্রবেশ করার পরে দেবনগর ইউনিয়নের ধানশুকা এলাকায় আমাদের ভজনপুর বিওপির টহল দল তাদের আটক করে। আমরা তেতুলিয়া মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরী করে তাদেরকে হস্তান্তর করেছি।

  • নি-ষিদ্ধ ঘোষিত আ.লীগের ৭৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে প্রশ্নবি-দ্ধ আয়োজন নি-ন্দার ঝ-ড়

    নি-ষিদ্ধ ঘোষিত আ.লীগের ৭৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে প্রশ্নবি-দ্ধ আয়োজন নি-ন্দার ঝ-ড়

    বাবুল হোসেন,
    পঞ্চগড় প্রতিনিধি :

    বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের ৭৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক ও উত্তেজনা। দলটি এখনো আইনের চোখে অবৈধ, তবুও তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন ও প্রকাশ্যে আয়োজন সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে।

    প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার পঞ্চগড়ে বিভিন্ন এলাকায় আয়োজন করা হয় খাবার বিতরণ কর্মসূচি ও কেক কাটার অনুষ্ঠান।

    এ সময় পাথর শ্রমিকদের মাঝে খাবার বিতরণ করেন কেন্দ্রীয় যুব মহিলা লীগের সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নাঈমুজ্জামান ভূঁইয়া মুক্তার সহধর্মিণী (অবসরপ্রাপ্ত মেজর) কাজী মৌসুমী এবং জেলার যুব মহিলা লীগের সভাপতি নিলুফার ইয়াসমিন।

    এছাড়া, একটি কক্ষে কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আবু তোয়াবুর রহমান, কাজী মৌসুমীসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

    এই আয়োজনের ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিন্দার ঝড় বইছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, আইন বহির্ভূতভাবে একটি নিষিদ্ধ সংগঠনের প্রকাশ্য কর্মসূচি কিভাবে আয়োজন করা হয় এবং প্রশাসন নীরব কেন?

    পঞ্চগড় জেলার জুলাই আন্দোলনের সমন্বয়ক ফজলে রাব্বি তাঁর ফেসবুকে ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছেন: “এই ডেবিলদের দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে। যারা হাজার হাজার মায়ের বুক খালি করেছে, যাদের কারণে অসংখ্য মানুষ হাত-পা, চোখ হারিয়েছে — সেই আওয়ামী লীগের দোসর নেতাকর্মীদের আইনের আওতায় আনা এখন সময়ের দাবি।”

    একজন শিক্ষক ও সমাজকর্মী বলেন: “যে সংগঠনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয়ভাবে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, তাদেরকে কেন প্রকাশ্যে সভা-সমাবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে? এটা রাষ্ট্রীয় নীতির পরিপন্থী।”

    তিনি আরো বলেন, “যদি কোনো নিষিদ্ধ সংগঠন এমন আয়োজন করতে পারে, তবে আইনের শাসনের কথা আমরা কীভাবে বলব?”

    জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রাফসান জাপান বলেন, “সারা বাংলাদেশের মধ্যে আমাদের পঞ্চগড়ে এটা লজ্জাজনক বিষয় ৫ই আগস্টের পড়ে স্বাধীন হওয়ার পর কিভাবে তারা এই আয়োজন করে যেখানে তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ এ ব্যাপারে প্রশাসন এর দ্বায় এরাতে পারেনা অবিলম্বেদের গ্রেপ্তার করা হোক । এটা শুধু আইন লঙ্ঘন না, জনগণের রক্তের সাথে প্রতারণা।”

    জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক জাহিরুল ইসলাম কাচ্চু বলেন, এটি কেবল আইন লঙ্ঘনের উদাহরণ নয়, বরং রাষ্ট্রীয় আইনশৃঙ্খলার প্রতি এক ধরনের অবজ্ঞার প্রকাশ। নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের এ ধরনের প্রকাশ্য আয়োজন প্রশাসনিক দুর্বলতা ও আইন লঙ্ঘনের নিদর্শন হিসেবেই দেখছি আমরা । এখন দেখার বিষয়, রাষ্ট্র ব্যবস্থা কতটা দ্রুত পদক্ষেপ নেয় এবং এই ‘ডেভিল’ তকমা পাওয়া নেতাদের আইনের আওতায় আনা হয় কি না।

    তিনি আরো বলেন, জনগণের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ থাকলেও এখন পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় প্রশ্ন উঠেছে- আইন কি শুধুই কাগুজে বিষয় হয়ে গেছে? সামাজিক মিডিয়ার ক্ষোভ কি আদৌ প্রশাসনের টনক নড়াবে?

    স্থানীয় নাগরিক সমাজ বলছে, “আইনের প্রয়োগে দ্বিমুখিতা থাকলে গণতন্ত্রের ভিত্তি দুর্বল হয়, আর তখনই রাষ্ট্রীয় সুশাসন প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে।”

    এই প্রসঙ্গে কথা বলেছেন পঞ্চগড় জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. আদম সুফি। তিনি বলেন: “যদি কোনো রাজনৈতিক সংগঠন সরকার বা আদালতের মাধ্যমে নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়, তবে সেই সংগঠনের পক্ষ থেকে জনসমক্ষে কার্যক্রম পরিচালনা করা কিংবা অনুষ্ঠান আয়োজন করা স্পষ্টতই রাষ্ট্রদ্রোহিতার পর্যায়ে পড়ে।”

    তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ১২৪ এর ক ধারা অনুযায়ী, রাষ্ট্র বা সরকারের বিরুদ্ধে সংঘটিত বা উস্কানিমূলক কার্যক্রম শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তদুপরি, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কোনো ধরনের প্রচার-প্রচারণাও ‘অবৈধ সমাবেশ’ হিসেবে গণ্য হতে পারে, যার জন্য পুলিশ কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিতে বাধ্য।

    পঞ্চগড় সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল্লাহ হিল জামান বলেন, “আমার জানামতে ঘটনাটি তেঁতুলিয়া উপজেলায় ঘটেছে। আমার জানামতে আমি যতটুকু শুনেছি, তবে এখন পর্যন্ত আমি নির্ভরযোগ্য কোনো তথ্য পাইনি।”

    অন্যদিকে, বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করে তেঁতুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুসা মিয়া বলেন, “ঘটনার খবর পেয়ে আমরা সারাদিন বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করেছি। কিন্তু এমন কোনো স্পট বা ঘটনার অস্তিত্ব আমরা পাইনি। আমাদের এলাকায় এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি।”

  • ঝালকাঠির নলছিটিতে গাঁজা,ইয়াবা ও নগদ টাকা সহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

    ঝালকাঠির নলছিটিতে গাঁজা,ইয়াবা ও নগদ টাকা সহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

    রিপোর্ট  : ইমাম বিমান 

    ঝালকাঠি জেলার নলছিটিতে গাঁজা, ইয়াবা ও বিপুল পরিমাণ নগদ টাকাসহ মো. আরিফ বিল্লাহ (২৮) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (২৪ জুন) গভীর রাতে পৌর শহরের খাসমহল এলাকার মুরগির বাজারসংলগ্ন স্থান থেকে তাকে আটক করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নলছিটি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা( ওসি) মো. আব্দুস ছালাম।

    এ বিষয় পুলিশ সূত্রে জানাযায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই (নিঃ) করুন চন্দ্র বিশ্বাসের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক বিক্রেতারা পালানোর চেষ্টা করলে আরিফ বিল্লাহকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়। তার সঙ্গে থাকা ব্যাগ থেকে ১ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা, ৫১ পিস ইয়াবা (ওজন ৫.১ গ্রাম), এবং মাদক বিক্রয়ের নগদ ৭০ হাজার ১০ টাকা উদ্ধার করা হয়। আটককৃত আরিফ বিল্লাহ খাসমহল এলাকার মৃত আ. ওয়াহেদ খলিফার ছেলে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায়, পালাতক রবিউল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে এসব মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করেছিল বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে। এ ঘটনায় আরিফ বিল্লাহ, রবিউল ইসলাম ও অজ্ঞাত আরও ২/৩ জনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। 

    এ বিষয় নলছিটি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুস সালাম বলেন, মাদক নির্মূলে আমরা জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছি। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক ও নগদ অর্থসহ এক আসামিকে আটক করা হয়েছে।

  • ঠাকুরগায়ের পীরগঞ্জে চড়ক পূজা অনুষ্ঠিত

    ঠাকুরগায়ের পীরগঞ্জে চড়ক পূজা অনুষ্ঠিত

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।
    স্টাফ রিপোর্টার।।
    ঠাকুরগায়ের পীরগঞ্জে ৮ নং দৌলতপুর ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর গ্রামের বালুবাড়ি এলাকায় বিষ্ণুপুর জগন্নাথ ধামের মেলার আয়োজনে মেলা কমিটির অর্থায়নে ধুমধামে চরক পূজা অনুষ্ঠিত হয়।উক্ত অনুষ্ঠানে হাজার হাজার দর্শক শ্রোতা সকল সর্বসাধারণের উপস্থিতি দেখা যায়।।
    জানা যায়,২৪ জুন ২০২৫ মঙ্গলবার এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়।এ জগন্নাথ ধামের পুজো, পুজোতে অনেক ভক্ত তাঁর মনের কামনা করেন আবার কেউ মানত পূর্ণ হয়ে জগন্নাথ দেবকে মানতের ভোগ দ্রব্য সামগ্রী প্রদান করেন।
    সে সময় উক্ত মেলায় পীরগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি উপস্থিত ছিলেন।উক্ত অনুষ্ঠানে মেলা কমিটির আয়োজনে চরক পূজার অনুষ্ঠানটি সকল দর্শক শ্রোতাভক্ত বৃন্দকে দেখানো হয়।ইহা হিন্দু সনাতনের ধর্মের এক পবিত্র ঐতিহ্যবাহ ঐতিহাসিক চড়ক পূজা নামে অক্ষায়িত এ পূজা আজও সনাতন ধর্মের মাঝে যুগ যুগ ধরে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। পূজা শেষে ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হয় এবং উক্ত মেলায় বিভিন্ন ধরনের দোকানপাট বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য সামগ্রী মিষ্টি মিষ্টান্ন দোকান, কসমেটিকসের দোকান ও হরেক রকমের দোকানপাট দেখা যায় উক্ত মেলাটি শান্তি ও শৃঙ্খলার মাঝে সমাপ্তি হয়।

  • জামালগঞ্জে মি-থ্যা মামলায় ফে-সেঁ গেছেন প্রবাসী রুবেল  মু-ক্তির দাবীতে বিভিন্ন দপ্তরে পরিবারের অ-ভিযোগ

    জামালগঞ্জে মি-থ্যা মামলায় ফে-সেঁ গেছেন প্রবাসী রুবেল  মু-ক্তির দাবীতে বিভিন্ন দপ্তরে পরিবারের অ-ভিযোগ

    কে এম শহিদুল্লাহ,
    সুনামগঞ্জপ্রতিনিধ :
    সুমামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলায় মিথ্যা মামলায় ফেসেঁ গেলেন প্রবাসী আরাফাত রুবেল। এ ঘটনায় ভূক্তভোগী পরিবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন দপ্তরে। প্রবাসী আল আরাফাত রুবেলকে মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য এবং জরিতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য লিখিত ভাবে অভিযোগ ও আবেদন জানিয়েছেন আল আরাফাতের স্ত্রী ফারহানা জাহান । লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে জানা যায়  সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ থানার মামলা নাম্বার ০৯ তারিখ- ১০/০২/২০২৫ ইং ধারা, ঞযব ঝঢ়বপরধষ চড়বিৎ অপঃ.১৯৭৪ এর ১৫(৩)২৫উ। মামলায় নাম না থাকা সত্ত্বেও অন্যায় ভাবে ইউরোপ রোমানিয়া প্রবাসী আল আরাফাত রুবেল দেশে ছুটিতে আসার পর গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন জামালগঞ্জ থানা পুলিশ। জানা যায় ২০২৪সালে জুলাই আগষ্টের ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন সময়ে জামালগঞ্জ থানাধীন০৬নং জামালগঞ্জ উত্তর ইউনিয়নের বাসিন্দা আল আরাফাত রুবেল প্রবাসে ছিলেন। তিনি গত দুইবছর যাবত প্রবাসে থাকেন। ঘটনাস্থলে দেশেই ছিলেন না আল আরাফাত রুবেল অথচ থাকে গ্রেফতার কারা হয়েছে? লিখিত অভিযোগে জানা য়ায় দীর্ঘদিন যাবত ইউরোপের রোমানিয়া (প্রবাসে) অবস্থান করছিলেন আরাফাত রুবেল। বিগত ২১/০৪/২০২৫ ইং তারিখে (০২)দুই মাসের ছুটিতে বাংলাদেশে আসেন পবিত্র উদুল আযহা উপলক্ষে স্বজনদের সাথে দেশে উদ উযযাপন করার জন্য। মামলার তারিখ ও সময়ের ঘটনা স্থলে তিনি প্রবাশে ছিলেন ঘটনা স্থলে দেশে ছিলেন না আরাফাত রুবেল। তিনি দেশে আসার পর ১৬/০৬/২০২৫ ইং তারিখ রোজ সোমবার রাত ৭টা ৩০ মিনিটের সময় উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে হঠাৎ করে জামালগঞ্জ থানা পুলিশ গ্রেফতার করেন আরাফাত রুবেলকে? মামলা সম্পর্কে কিছুই জানেন না তিনি তারপর ও পুলিশ অন্যায় ভাবে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরন করেন আরাফাত রুবেলকে? লিখিত অভিযোগে ফারহানা জাহান উল্লেখ করে আর জানান  তিনি বলেন আমার নিরঅপরাধ স্বামীকে অন্যায় ভাবে পুলিশ গ্রেফতার করেন। আমার স্বামী আল আরাফাত রুবেল, পিতা- আব্দুর রহমান, সাং উত্তর কামলাবাজ ইউপি- ০৬নং জামালগঞ্জ উত্তর, থানা জামালগঞ্জ। সুত্রে বর্ণিত মামলার অপরাপর আসামীদের সহিত যোগসুত্রে বর্তমান অন্তবর্ততী কালীন সরকারের বিরুদ্ধে কোন ষরযন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন না। আমার স্বামী একজন রেমিটেন্স যোদ্ধা তিনি প্রবাসে থেকে জুলাই আগস্টের আন্দোলনে ছাত্রদের একত্বতা পোষন করে আমার স্বামী তাহার ফেইসবুক অখ অৎধভধঃ জঁনবষ নামের আইডি থেকে বর্তমান সরকারের এবং জুলাই আগস্টের ছাত্রদের আন্দোলনের প্রশংসা করেন। যার তথ্য প্রমাণ আমার স্বামীর আইডিতে পোষ্ট করা আছে। এছাড়া ও আমার স্বামী প্রবাস থেকে আন্দোলন চলাকালীন সময়ে জামালগঞ্জ নিরীহ ছাত্র সমাজকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করেন।
    তিনি আরও বলেন আমার স্বামী প্রবাসে থেকে কীভাবে সরকার পতনের মিটিংয়ে উপস্থিত থাকেন সেটা মোটেই কাম্য নয়। আমার স্বামী দেশে আসার পর জামালগঞ্জ থানার এসআই পংকজ ঘোষ আমার স্বামীর কাছে বড় অংকের টাকা দাবি করেন এবং পংকজ ঘোষ জানান তাহাকে বড় অংকের টাকা না দিলে আমার স্বামীকে মিথ্যা মামলার আসামী করবেন?  ঠিক তেমনি ভাবে জামালগঞ্জ থানার এসআই পংকজ ঘোষ টাকা না পেয়ে আমার স্বামীকে মিথ্যা মামলায় আসামী করেছেন? তিনি আরও বলেন আমার স্বামীকে মিথ্যা মামলায় জেল হাজতে প্রেরন করায় আমি আমার ছোট ছেলেকে নিয়ে অসহায় অবস্থায় দিনাতীপাত করছি। এরকম অন্যায় অত্যাচার যদি করা হয় আমরা সুখে শান্তিতে থাকি কি করে। ফারজানা জাহান বলেন এসআই পংকজ ঘোষ, আমার স্বামীকে চার্জশীট থেকে নাম বাদ দিবে বলিয়া মোটা অংকের টাকা দাবি করছে? জুলাই যোদ্ধাদের কে এবং বর্তমান সরকারকে প্রবাসে থেকে সহযোগিতা করার পরও আমার স্বামীকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হল। আমিও পুলিশের চাহিতো টাকা না দেওয়ার কারনে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগিতেছি। জামালগঞ্জ থানা পুণিশ এর বিরুদ্ধে কোনো কথা বলিলে আমিও আমার আতœীয়স্বজনকে মিত্যা মামলা দিয়ে হয়রাণী করিবে বলিয়া বাসায় এসে থানা পুলিশ হুমকি দিচ্ছে? উপরোক্ত মিত্যা মামলার কারনে আমি ও আমার পরিবারের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে। আমি পুলিশের অন্যায় অত্যাচারের বিচার চাই। পুলিশ সুপার সুষ্ঠতদন্তের মাধ্যমে আমার স্বামী আল আরাফাত রুবেলকে মিথ্যা মামলা থেকে অব্যহতি দিবেন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের উদ্যোগ নেবেন। আমি স্বামীর মুক্তির জন্য সুবিচার চেয়ে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ পুলিশ হেড কোয়াটার (আইজিপি) বরাবরে আবেদন করেছি।
    এব্যাপারে সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন কোন নিরঅপরাধ মানুষকে পুলিশ মিথ্যা ভাবে হয়রানি করবে এমন সুযোগ নেই। আবেদনের প্রেক্ষিতে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহন জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে বলে দিয়েছি বিষটি ক্ষতিয়ে দেখার জন্য।##

  • বিএনপি’র নাম ভাঙিয়ে ব্যবসা দ-খলসহ যানবাহন থেকে কোটি টাকা চাঁদাবা-জি নিয়ে চাঁপাবা-জি

    বিএনপি’র নাম ভাঙিয়ে ব্যবসা দ-খলসহ যানবাহন থেকে কোটি টাকা চাঁদাবা-জি নিয়ে চাঁপাবা-জি

    হেলাল শেখঃ বিএনপি’র নাম ভাঙিয়ে মহাসড়কে যানবাহনে ও ফুটপাতে কোটি টাকা চাঁদাবাজি নিয়ে চলছে চাঁপাবাজি এবং পোশাক কারখানার ঝুট ব্যবসা দখলের অভিযোগ উঠেছে। আর এসব ঘটনায় আশুলিয়ায় মানববন্ধন করেছেন বিএনপির আরো একটি পক্ষ। উল্লেখ্য, ঢাকা জেলার সাভার আশুলিয়া, ধামরাই ও গাজীপুরের কাশিমপুর, রাজধানীর মিরপুরসহ বিভিন্ন মহাসড়ক ও শাখা রাস্তার ফুটপাতে এবং ব্যাটারি চালিত অবৈধ অটোরিক্সাসহ ফিটনেসবিহীন বিভিন্ন যানবাহন থেকে নামে বে-নামে বিএনপি’র নাম ভাঙিয়ে একটি মহল কোটি কোটি টাকা চাঁদাবাজি করার অভিযোগ। তদন্ত করলে কেঁচো খুঁজতে সাপের সন্ধান পাওয়া জেতে পারে বলে অনেকেই জানান। অথচ সরকার এসব সেক্টর থেকে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে। ব্যাটারি চার্জ দিয়ে বিদ্যুৎ অপচয় করছে অসাধু ব্যবসায়ীরা।
    মঙ্গলবার (২৪ জুন ২০২৫ইং) জানা গেছে, আগে যেখানে আওয়ামী লীগের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি করতো একটি মহল সেখানেই এখন বিএপি’র নাম ভাঙিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন ব্যবসা দখল করার অভিযোগ উঠেছে। ঢাকা জেলার সাভারের আমিনবাজার-আরিচা মহাসড়ক ও আশুলিয়ার বাইপাইল থেকে টাঙ্গাইল মহাসড়ক এবং আশলিয়ার বাইপাইল-টঙ্গী সড়কের জামগড়া, ছয়তলা, ইউসুফ মার্কেট ও নরসিংহপুর-কাশিমপুরসহ বিভিন্ন শাখা সড়কে একাধিক লাইনম্যান প্রতিটি অটোরিক্মা থেকে ২০ টাকা করে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা চাঁদাবাজি করে। জানা যায়, এই চাঁদাবাজির সাথে এলাকার প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার দালালরা কাজ করে। অনেকেই সড়কের দুইপাশে মার্কেটের সামনে ফুটপাতে দোকান বসিয়ে মোটা অংকের চাঁদাবাজি করছে, প্রতিদিন একটি দোকানের চকির চাঁদা ১০০ থেকে ২০০টাকা নেয়া হয়। রাস্তায় যানজট সৃষ্টি করে গাড়ি থামিয়ে চাঁদা আদায় করা হয় যানবাহন থেকে এবং ফুটপাতসহ বিভিন্ন সরকারি জমি ও রাস্তা দখল করে প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। এ ব্যাপারে চাঁদাবাজি নিয়ে চাঁপাবাজি করছে একটি মহল আবার গত সোমবার ২৩ জুন ২০২৫ইং তারিখে আশুলিয়ার বাইাইলে বিএনপির একটি পক্ষ মাথায় কাফনের কাপড় বেঁধে মানররন্ধন করেছেন চাঁদাবাজদের গ্রেফতারের দাবিতে।
    মহাসড়কসহ বিভিন্ন রোডে অবাধে চলছে অবৈধ অটোরিকসা গাড়ি-সিএনজি, মাহিন্দ্রা, তিন চাকা গাড়ি, লাইসেন্সবিহীন ও ফিটনেসবিহীন অবৈধ যানবাহন। এসব যানবাহন থেকে লাখ লাখ টাকা চাঁদাবাজি করা হয়। সংশ্লিষ্টদের উদাসীনতায় যানবাহন থেকে প্রতি মাসে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। জানা গেছে, পুরাতন আশুলিয়া থেকে জিরাবো, নরসিংহপুর, সরকার মার্কেট, জামগড়ার ছয়তলা, ইউনিক, নবীনগর থেকে জিরানী পর্যন্ত সড়কে এবং নবীনগর থেকে পাটুরিয়া, আরিচা মহাসড়কে বাসগুলো থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। (সূচনা, দেশ মাটিসহ বিভিন্ন পরিবহণ সেক্টর থেকে লাখ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করা হয়)। অন্যদিকে দেখা যায়, কার আগে কে যাবে আর স্টাফদের সাথে মারামারি লেগেই থাকে, অসাবধানতায় গাড়ি চালায় ১৪-১৭ বছরের কিশোর। ফুটপাত দখল ও চাঁদাবাজি বন্ধ করা জরুরি।সাভার ও নবীনগরের ফুটপাত হকারদের থেকে দখলমুক্ত করা হলেও বেশিরভাগ এলাকায় এখনও ফুটপাত দখল করে জমজমাটভাবে চলছে ব্যবসা বাণিজ্য। লাইসেন্সবিহীন যানবাহন থেকে কিছু দালাল ও হাইওয়ে কিছু পুলিশ সদস্য মোটা অংকের চাঁদাবাজি করে থাকে বলে অনেকেই জানায়। মহাসড়ক ও হাইওয়ে সড়কের পাশে ফুটপাত দখল করে গাড়ি পার্কিং দোকানপাট বসিয়ে ব্যবসা বাণিজ্য করা সরকার নিষিদ্ধ করলেও কোনো ভাবেই বন্ধ হচ্ছে না কেন জাতি জানতে চায়। পুলিশ ও গাড়ির মালিক সমিতি কতর্ৃক চাঁদাবাজদেরকে প্রতিটি গাড়ি হতে ১০০০-২৫০০/ টাকা চাঁদা দিতে হয়। বাংলাদেশ পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের একজন (টিআই) অভিমত প্রকাশ করে বলেন, বিআরটিএ কতর্ৃপক্ষ যানবাহনের ডকুমেন্ট হাল নাগাদ সঠিক ভাবে করতে দায়িত্ব কর্তব্য পালন করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কিন্তু প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ যানবাহনের ডকুমেন্ট হাল নাগাদ না করে অবৈধভাবে বিশৃঙ্খলার মধ্যে অবৈধ যানবাহন চলছে সড়কও মহাসড়কের সর্বত্র। ফলশ্রুতিতে জনগণ নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন আর সরকার সারাদেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বিষটি অতি গুরুত্বপূর্ণ হিসাবে বিবেচনায় আনতে বিশেষভাবে সবিনয় বিনীত অনুরোধ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরকে। ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম বলেন, ঢাকা মহানগরসহ সারাদেশে ট্রাফিক ব্যবস্থা সুশৃঙ্খল করতে সক্ষম হলে বাংলাদেশের জনগণ তথা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত লোকের মধ্যে বাংলাদেশ সম্পর্কে পজিটিভ ধারণা আসবে। ফলশ্রুতিতে দেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ অনেক বেশি আসবে। ফলশ্রুতিতে দেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ আসলে অর্থনৈতিক উন্নতি টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত হবে এবং বেকার সমস্যা দূর করতে সক্ষম হবে সরকার। মানুষের চলাচলে নিরাপত্তা খুঁজে পাবে এবং নিরাপদ সড়ক বিনিমার্ণে এক ধাপ এগিয়ে যেতে সক্ষম হবে। সেই সাথে সড়কের ফুটপাত দখলমুক্ত করা জরুরি।
    সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, আশুলিয়ার নবীনগর পল্লী বিদ্যুৎ ও বাইপাইল, ইউনিক, জামগড়ার ছয়তলা ও সরকার মার্কেটসহ বিভিন্ন সড়কের পাশে ফুটপাত দখলমুক্ত করার কথা থানা পুলিশের, শুধু নবীনগরসহ কিছু এলাকায় ফুটপাত দখলমুক্ত করলেও বেশিরভাগই ধরাছোঁয়ার বাইরে, কোনো ভাবেই ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না। অন্যদিকে ট্রাফিক পুলিশ সদস্য, হাইওয়ে পুলিশ ও আশুলিয়ার নরসিংহপুরে মোঃ সুমন ওরফে মাহিন্দ্রা সুমন, শ্রীপুরের বাবুলসহ কয়েকজন দালাল চাঁদাবাজ কতর্ৃক তিন চাকা গাড়ি- প্রতি একটি গাড়ি থেকে ১ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৩ হাজার টাকা মাসিক চুক্তিতে চাঁদা আদায় করছে, পুরাতন আশুলিয়ায় ট্রাফিক পুলিশের একজন সদস্য সিএনজিসহ বিভিন্ন গাড়ি থেকে মাসিক চাঁদা উঠায়, তা মোটা অংকের বলে অনেকেই জানায়। সেই সাথে রাজনৈতিক নেতার পরিচয় ব্যবহার করে সন্ত্রাসী চাঁদাবাজরা বিভিন্ন ফুটপাতে চাঁদা আদায় করে। কিছু ফুটপাতের দোকানদার ব্যবসার আড়ালে চাঁদা উঠায় এমন অভিযোগও রয়েছে। সূত্র জানায়, দেশের অন্যদিকে সিলেট সদরের আম্বরখানাসহ বিভিন্ন এলাকার সড়ক থেকে প্রতি বছরে প্রায় ২ কোটি টাকার চাঁদা আদায় করে সন্ত্রাসী চাঁদাবাজরা। এদিকে ভৈররের বিভিন্ন এলাকায় সাড়ে ৩ থেকে ৪ হাজার সিএনজি চালকদের কাছ থেকে প্রতি বছর ১কোটি টাকার বেশি চাঁদা আদায় করে চাঁদাবাজরা। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় সন্ত্রাসী চাঁদাবাজরা একদিকে যানবাহন থেকে চাঁদা নিয়ে থাকে, অন্যদিকে ফুটপাত থেকে লাখ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করে বলে অভিযোগ উঠেছে। মিরপুর বিভিন্ন সড়ক ও বেঁড়িবাঁধ থেকেও ব্যাপক চাঁদাবাজি করা হয়। শুধু বেড়িবাঁধ থেকেই চাঁদা নিয়ে ক্ষ্যন্ত হয়নি তারা, কার্গো জাহাজ ভেড়ানোর জন্য তৈরি করেছে ল্যান্ড ষ্টেশনও। সেখানে মালবাহী ট্রাক লোড-আনলোডের ক্ষেত্রেও ইচ্ছেমতো চাঁদা নেয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কতর্ৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ল্যান্ড ষ্টেশন থাকলেও অদৃশ্য কারণে তৈরি ল্যান্ড ষ্টেশনই ব্যবহার করা হচ্ছে।
    ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন পল্লীবিদ্যুৎ, বাইপাইল থেকে জিরানী বাজার পর্যন্ত এবং ভাদাইল, ইউনিক বাজার, শিমুলতলা, ইয়ারপুর ইউনিয়নের জামগড়া চৌরাস্তা-ছয়তলা, নরসিংহপুর, জিরাবো, পুরাতন আশুলিয়া পর্যন্ত সড়কের রাস্তার দুইপাশে ফুটপাত দখল করে স্থাপনা তৈরি করে দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছে প্রভাবশালী মহল। সেই সাথে উক্ত এলাকায় গাড়ি থেকে চাঁদাবাজি করে এক ট্রাফিক পুলিশ সদস্য। জানা যায়, বিভিন্ন ক্রাইম স্পট থেকে কিছু পুলিশকে প্রতি মাসে মোটা অংকের টাকা চাঁদা উঠিয়ে দেয় এড়িয়াভিত্তিক মার্কেটের মালিক পক্ষের লোকজন। সচেতন মহল ও স্থানীয়দের অভিযোগ, সাভার, আশুলিয়ার সড়ক ও মহাসড়কে এবং তুরাগপাড়ের বেড়িবাঁধের রাস্তার উপরের দুপাশে বিভিন্ন দোকান, লেগুনা ষ্ট্যান্ড বসিয়েও চাঁদাবাজি করে আসছে প্রভাবশালী মহল। জানা যায়, বছরের পর বছর উল্লেখ্য এলাকার মানুষজনকেএকপ্রকার জিম্মি করেই অবৈধ কর্মকান্ড করে আসছে প্রভাবশালীরা। চাঁদাবাজ চক্রের সাথে কিছু রাজনৈতিক নেতা জড়িত রয়েছে বলেও অনেকেই জানান। রাজধানীর গাবতলী মাজার রোড হয়ে দারুসসালাম থানা রোড ও থানার সামনে দিয়ে ছোট সরু রাস্তা থেকে কিছু দূর গেলেই তুরাগ নদীর পাড় এলাকাটির নাম ছোটদিয়াবাড়ী । তুরাগ নদীর এ পাড়ের অংশ ছোট দিয়াবাড়ী, উপরের অংশ কাউন্দিয়া। এই পারের অংশের বাম দিকে গাবতলী আর ডান দিকে বেড়িবাঁধ রাস্তা। যা আশুলিয়া ও উত্তরার দিকে চলে গেছে। তুরাগের বাঁধঘেষা ছোট দিয়াবাড়ী মোড়টিকে পুঁজি করেই চক্রটি মূলত বিশাল চাঁদাবাজির ক্ষেত্র গড়ে তুলেছে। দেখা যায়, বাঁধ সংলগ্ন রাস্তাটি বেশ চওড়াই কিন্তু দুপাশে দখলের কারণে এটি ছোট হয়ে এসেছে। দুপাশের অবৈধভাবে গড়ে তোলা হয়েছে ছোট বড় শত শত দোকান। দারুসসালাম রোড থেকে বাঁধে উঠার সংযোগ সড়কের দুপাশের রাস্তা দখল করে বাঁশের আড়ৎ দেওয়া হয়েছে। এককালীন লাখ টাকা, পরে ১৫-২০ হাজার টাকার বিনিময়ে এটি ভাড়া দেওয়া হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দোকানিরা বলেন, তারা জায়গাটি ভাড়া নিয়েছেন হাজি জহিরের কাছ থেকে। তারা বলেন, এককালীন হিসেবে প্রায় লাখ খানেকের মতো টাকা দিয়েছেন আর প্রতি মাসে ১০হাজারের মতো টাকা ভাড়া দেন। হাজী জহির এর সাথে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি। নৌপরিবহন মন্ত্রী খালেদ মাহমুদ চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি। অনেকেই বলেন, একদল গেছে, আর একদল আসছে চাঁদাবাজিও বাড়ছে।
    মানিকগঞ্জ জেলা ডিবি ও ঢাকা উত্তর ডিবি পুলিশের একাধিক সাব-ইন্সপেক্টর বলেন, এর আগে সড়কে গাড়িতে চাঁদাবাজির সময় কয়েকজনকে আটক করা হলেও আদালত থেকে তারা জামিনে এসে আবারও চাঁদাবাজি করছে। ঢাকা জেলার সাভার ট্রাফিক জোনের একজন অফিসার বলেন, আগের চেয়ে পরিবেশ অনেকটা ভালো, সড়কে চাঁদাবাজির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সাভারে ফুটপাত দখলমুক্ত করেছেন সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, অবৈধ গাড়ি রোডে বেশি চলাচল করায় যানজটের সৃষ্টি হয়, তবে মাঝে মধ্যে অভিযান চালিয়ে অটো রিক্সা, মাহিন্দ্রাসহ অবৈধ তিন চাকা গাড়ি আটক করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান। এখন থানা পুলিশ এ বিষয়ে দেখবেন। আশুলিয়া থানা পুলিশ জানায় অভিযান চলমান রয়েছে। জানা গেছে, ঢাকা-আরিচা রোড ও ঢাকা টাঙ্গাইল রোডে ছিনতাই এবং বাসে ডাকাতির ঘটনা ঘটছে। উক্ত ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ ও বিএনপি’র শীর্ষ নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগীসহ সচেতন মহল। সামনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন তাই বিএনপি’র শীর্ষ নেতারা উক্ত বিষয়টি আমলে না নিলে দলের বদনামসহ চরম ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে সচেতন মহলের দাবী। এদিকে চাঁদাবাজি নিয়ে চাঁপাবাজির সাথে এসবের সাথে জরিতদের গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন করছেন বিএনপির একটি পক্ষ। তাহলে আসল চাঁদাবাজদের কেন আটক করা হচ্ছে না তা জাতি জানতে চায়।##

  • বিআরটিএ কর্মকর্তাসহ নির্বাচন অফিস ও ইউনিয়ন পরিষদে দুদকের অভি-যানেও সুফল মিলছে না

    বিআরটিএ কর্মকর্তাসহ নির্বাচন অফিস ও ইউনিয়ন পরিষদে দুদকের অভি-যানেও সুফল মিলছে না

    হেলাল শেখঃ বিআরটিএ কর্মকর্তাসহ নির্বাচন অফিস ও ইউনিয়ন পরিষদে অনিয়ম দুর্নীতি-দুদকের অভিযানেও এসব কেন বন্ধ হচ্ছ না তা জাতি জানতে চায়। ঢাকাসহ সারাদেশে ৩৫টি অফিসে দুদকের অভিযানেও কর্মকর্তাদের কৌশলগত অনিয়ম দুর্নীতি এখনো কমেনি। কর্মকর্তাদের দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ করার পর দুদকের অভিযান চলমান রয়েছে, সংবাদ প্রকাশ করায় এর মধ্যে সংবাদ কর্মীদের বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিচ্ছে দালাল চক্র। ড্রাইভিং লাইসেন্স ও যানবাহনের ফিটনেস সার্টিফিকেট নিতে গিয়ে দালালদের মাধ্যমে ঘুষ লেনদেন এবং নানা অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগে ঢাকাসহ দেশের ৩৫টি বিআরটিএ (বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কতর্ৃপক্ষ) অফিসে একযোগে অভিযান চালায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সেই সাথে নির্বাচন অফিস ও ইউনিয়ন পরিষদে অনলাইনে নাম বয়স সংশোধনের ক্ষেত্রে কিছু হয়রানির অভিযোগ পাওয়া যায়।
    মঙ্গলবার (২৪ জুন ২০২৫ইং) জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে দুদক নিয়মিত অভিযান চালালেও বিআরটিএ কর্মকর্তারা অনেকেই নতুন কৌশলে ঘুষ বাণিজ্য শুরু করেছে। জানা যায়, গত (৭ মে ২০২৫ইং) সকালে দুদকের প্রধান কার্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন জেলা কার্যালয় থেকে অভিযান শুরু করেন দুদক কর্মকর্তারা। রাজধানীর উত্তরা ও ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ অফিস ছাড়াও গাজীপুর, নারায়নগঞ্জ, চট্রগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, পাবনা ও সিলেটসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিআরটিএ অফিসগুলোতে অভিযান চালানো হয়। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা তাসজির আহমেদ গণমাধ্যমকে জানান, গত বুধবার সারাদেশে ৩৫টি বিআরটিএ অফিসে একযোগে অভিযান চালানো হয়। এরপর আবারও অভিযান চালায় দুদক কিন্তু কোনো ভাবেই বন্ধ হচ্ছে না অনিয়ম দুর্নীতি।
    সুত্র জানায়, অনেক অফিসেই দালালদের সরব উপস্থিতি ও সেবা দিতে গিয়ে ঘুষ দাবি করার প্রমাণ মিলেছে। অভিযোগ রয়েছে, সাধারণ মানুষ দালাল ছাড়া সহজে কোনো সেবা পাচ্ছেন না। অভিযানের আওতায় অন্যান্য জেলা অফিসের মধ্যে রয়েছে বাগেরহাট, বরিশাল, কক্সবাজার, কুমিল্লা, যশোর, পাবনা, ঠাকুরগাঁও, টাঙ্গাইল নেত্রকোনা, নীলফামারী, গোপালগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, জয়পুরহাট, মেহেরপুর ও শেরপুরসহ আরো অনেক জায়গায়। এর আগেও ২৯ এপ্রিল স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের ৩৬টি অফিস এবং গত ১৬ এপ্রিল দেশের ৩৫টি সাব-রেজিস্ট্রার অফিসেও অনিয়মের অভিযোগে অভিযান চালিয়েছিলো দুদক। এ অভিযানগুলো সরকারি সেবা সংক্রান্ত দুর্নীতির বিরুদ্ধে ধারাবাহিক পদক্ষেপের অংশ বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির কর্মকর্তাগণ। উক্ত ব্যাপারে আমাদের রিপোর্টার মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ) এর অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের ধারাবাহিক ভাবে চলবে।
    এর আগে বিআরটিএ অফিসের কর্মকর্তার অনিয়ম দুর্নীতির সংবাদটি প্রকাশ করা হয়, বিশেষ করে ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ ও সাভারে বিআরটিএ অফিসের কুখ্যাত দুনীতিবাজ মোটরযান পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম খান গোপালগঞ্জ এলাকায় বিয়ে করে জামাই হওয়ার সুবাদে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ শীর্ষ নেতাদের সাথে ছিলো সুসম্পর্ক আর সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ঢাকাসহ নিজ এলাকায় বাড়ি গাড়িসহ অনেক সম্পদ গড়ে তুলেছেন। এমনকি সংশ্লিষ্ট দালাল চক্রের সদস্যরাও একাধিক বাড়ি গাড়ির মালিক বুনে গেছেন। সূত্র জানায়, সাভারের আশুলিয়ার জামগড়া পেঁয়ারা বাগান এলাকায় বাড়ি করেছে মোস্তফা কামাল নামের এক সক্রিয় দালাল। জানা গেছে, বিআরটিএ কর্মকর্তা মোটরযান পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম খান তার অফিসে সঠিক সময় আসেন না। অফিসের সংশ্লিষ্ট লোকজন জানায়, তাদের সাথেও তিনি মাঝে মধ্যে খারাপ ব্যবহার করেন, টাকার গরমে মানুষকে মানুষ মনে করেন না বলে অফিসের লোকজন অনেকেই জানান। অফিস সূত্রে জানা গেছে, আমিনুল ইসলাম অনিয়ম দুর্নীতি করে ঢাকায় ফ্ল্যাট বাসা বাড়ি গাড়ি করে শত শত কোটি টাকার মালিক বুনে গেছেন। এ ব্যাপারে একাধিক জাতীয় দৈনিক পত্রিকাসহ গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। দুদক কর্মকর্তা বিভিন্ন অফিসে অভিযান করলেও সাভারে অভিযান করার বিষয়ে নিশ্চিত নয়।
    জানা গেছে, আমিনুল ইসলাম খানের কয়েক বছর আগে তেমন কিছু ছিলো না, বিআরটিএ’র অফিসে অনিয়ম দুর্নীতি ও ঘুষ গ্রহণ করে ( ব্ল্যাক মানি) কালো টাকার মালিক বুনে গেছেন। সূত্র জানায়, বর্তমান সময়ে আলোচিত ও সমালোচিত কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে ঢাকা বিভাগীয় বিআরটিএ অধিনস্থ ঢাকা জেলা সার্কেলের মোটরযান পরিদর্শক মোঃ আমিনুল ইসলাম খান। দেখা যায়, দূর-দূরান্ত থেকে আগত মোটরযানের কাগজপত্র নিয়ে সেবা পেতে আসা সেবাগ্রহীতাদের কৌশলে জিম্মি করে ভুলবাল বুঝিয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স ও পরীক্ষায় পাস-ফেলের গ্যাড়াকলে ফেলে দালাল নিযুক্ত সদস্য দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা। প্রতিনিয়ত বিআরটিএ পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়, এ যেন মহা ঘুষ বাণিজ্য ও বিআরটিএ অফিসের ভেলকিবাজি। ভুক্তভোগীরা জানায়, আমরা এই অফিসের কর্মকর্তার কাছে একরকম জিম্মি হয়ে আছি, তাদেরকে ঘুষ দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে ফেল করে হয়রানি করে। পাস-ফেল তাদের হাতে, কৌশলে জিম্মি করে গ্যারাকলে ফেলে পরীক্ষায় ফেল করা হয় বলে অনেকেই জানান।
    জানা গেছে, মাসের পর মাস ঘুরানো হয় ড্রাইভিং লাইসেন্স নিতে আসা লোকজনকে। অতিরিক্ত টাকা দিলে কম সময়ে লাইসেন্স পাওয়া যায় আর তা নাহলে হয়রানির শেষ নাই। এ ভাবেই চলছে অনিয়ম দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্যের মহোৎসব। কারণ, উক্ত অফিসের মোটরযান পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম গোপালগঞ্জের মানুষের কথিত জামাই। এখন আবার বিএনপি’র শীর্ষ নেতার আত্মীয়, নিজে আবার নাকি ছাত্র দল করতেন, তবে তার কোনো প্রমান পাওয়া যায়নি, তিনি একজন সুবিধাবাদী মানুষ বলে অনেকেই অভিমত প্রকাশ করেন। সূত্র জানায়, বিআরটিএ ঢাকা জেলা সার্কেলের অধিনস্থ সাভার বিআরটিএ অফিসে যোগদান করার পর থেকে তার বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক অভিযোগ। সরকারি সাইনবোর্ডের আড়ালে থেকে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করেই যাচ্ছেন তিনি। সরকারি নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে নিজের মতো করে ভাবনিয়ে অফিস চালিয়ে যাচ্ছেন। অনেক গাড়ির মালিকের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে, গাড়িপ্রতি ফিটনেস বাবদ ঘুষ গ্রহণ করেন ৫ হাজার টাকা, এই ঘুষ দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে গাড়ির মালিকের ভোগান্তির মাত্রা আরো বেড়ে যায়। জানা গেছে, গাবতলী- টাঙ্গাইল মহাসড়কে এবং সাভারের ঢাকা-আরিচা পাটুরিয়া সড়কে হাজার হাজার মোটরযান চলে, এসব মোটরযানের বেশিরভাগই ফিটনেসবিহীন, এসব গাড়ি থেকে প্রতিবছর সরকার কোটি কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে।
    গোপালগঞ্জের জামাই বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম খানের সাথে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি। এ দিকে বিআরটিএ দালাল চক্রের সদস্য সাভারের আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার মোস্তফা কামাল এর মোবাইল নাম্বারে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ফোন রিসিভ না করে তার ছেলের দিয়ে রিসিভ করে বলায় যে, বাবার জ্বর আসছে কথা বলতে পারবেন না। এর আগে উক্ত ব্যাপারে একাধিক সংবাদপত্রে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। উক্ত ব্যাপারে ৩৫টি অফিসে দুদক অভিযান চালালেও বিআরটিএ অফিসের ঘুষ বাণিজ্য কোনো ভাবেই বন্ধ হচ্ছে না। জানা যায়, অনিয়ম দুর্নীতি ধরা পড়লেই অন্য জেলায় বদলি করা হয় সেই কর্মকর্তাকে, এই কারণে তাদের আর সমস্যা হয় না। উক্ত বিষয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।##

  • সুজানগরে ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা

    সুজানগরে ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ পাবনার সুজানগরে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সুজানগর উপজেলা শাখার উদ্যোগে উপজেলার নিজাম উদ্দিন আজগর আলী ডিগ্রি কলেজের এইচ এস সি-২০২৫ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সোমবার এ বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সুজানগর উপজেলা শাখার সভাপতি(ভারপ্রাপ্ত) মো.শাহরিয়ার হাসান জিহাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির পাবনা জেলা শাখার সভাপতি মো. ইসরাইল হোসেন শান্ত। অন্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন ইসলামী ছাত্রশিবির জেলা শাখার বায়তুলমাল সম্পাদক মো.এনামুল হক বাকীবিল্লাহ, সুজানগর উপজেলা শাখার বায়তুলমাল সম্পাদক হাফেজ শোয়াইব আহমেদ, পৌর শাখার সভাপতি হাফেজ তামজিদ আহমেদ ও নিজাম উদ্দিন আজগর আলী ডিগ্রি কলেজ শাখার সভাপতি মো.ইয়াছিন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে পরীক্ষার্থীদের প্রচেষ্টা ও আবেগপূর্ণ বিদায়কে অনুপ্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করে প্রধান অতিথি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির পাবনা জেলা শাখার সভাপতি ইসরাইল হোসেন শান্ত পরীক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের প্রতিটি পদক্ষেপে সততা, পরিশ্রম ও ন্যায়পরায়ণতা অবলম্বন করার পরামর্শ দেন। এ সময় সকল পরীক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের শুভ কামনা জানানোর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জীবনের নতুন দিক চালু করার সময় বৈধ লক্ষ্য নির্ধারণ ও তঁাদের কঠোর পরিশ্রম করার পরামর্শ প্রদান করেন। বিদায়ী এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা তাদের বক্তব্যে আগামী দিনে সমাজ ও দেশের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনে অঙ্গীকার করেন। পরে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। শেষে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সুজানগর উপজেলা শাখার পক্ষ থেকে উপস্থিত এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের মাঝে উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর প্রতিনিধি।