Blog

  • সুজানগরের কৃষক-কৃষাণীদের পক্ষ থেকে কৃষি কর্মকর্তার বিদায় সংবর্ধনা

    সুজানগরের কৃষক-কৃষাণীদের পক্ষ থেকে কৃষি কর্মকর্তার বিদায় সংবর্ধনা

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ পাবনার সুজানগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ রাফিউল ইসলামকে পদোন্নতিজনিত কারনে বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। উপজেলার সর্বস্তরের কৃষক-কৃষাণীদের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদের সভাপতিত্বে এবং এসএপিপিও আলমগীর হোসেনের সঞ্চালনায় বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিদায়ী উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাফিউল ইসলাম, অতিরিক্ত উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোহাম্মদ ফারুক হোসেন চৌধুরী, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার জাহিদ হোসেন, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান, সাইদুল ইসলাম, দেলোয়ার হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহ্বায়ক জাকির হোসেন, দৈনিক যুগান্তরের সুজানগর উপজেলা প্রতিনিধি এম এ আলিম রিপন, কৃষক হেলাল উদ্দিন প্রামানিক ও কৃষাণী হোসনেয়ারা খাতুন প্রমুখ। শেষে বিদায়ী উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাফিউল ইসলামকে উপজেলার সর্বস্তরের কৃষক-কৃষাণীদের পক্ষ থেকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য উপজেলার কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সফল এ কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রাফিউল ইসলাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর পাবনার অতিরিক্ত উপ পরিচালক(শস্য) হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন।

    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • সংবাদপত্রের সম্পাদক ও সাংবাদিকদের নিরাপ-ত্তা নিশ্চিত করতে হবে

    সংবাদপত্রের সম্পাদক ও সাংবাদিকদের নিরাপ-ত্তা নিশ্চিত করতে হবে

    হেলাল শেখঃ দেশের গণমাধম-সংবাদপত্রের সম্পাদক ও সাংবাদিকদের জান মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। পত্রিকা ছাপাতে লাগে প্লেট ও কাগজসহ বিভিন্ন মালামাল, এসবের দাম বৃদ্ধির কারণে সংবাদপত্র ছাপানো ও চালানো কঠিন। সেই সাথে প্রকৃত সাংবাদিকদের সাংবাদিকতা করাও অনেক কঠিন হয়ে পড়েছে। এর জন্য দায়ী আমরা নিজেরাই, যেখানে সেখানে সাংবাদিক হামলার শিকার হচ্ছেন এটা মানবাধিকার লঙ্ঘন। মানবাধিকার লঙ্ঘন শাস্তিযোগ্য অপরাধ জেনেও কেন মানুষ প্রায় সবখানেই মানবাধিকার লঙ্ঘন করছেন? সাংবাদিকদের উপর হামলা মামলা করা হচ্ছে কেন। ২০২৪ইং ৫ আগষ্ট গণহত্যা মামলার ভুয়া বাদি কতর্ৃক সাধারণ মানুষের নাম দিয়ে হয়রানি করছে একটি মহল।
    সাভার আশুলিয়ায় অনেক সাংবাদিকের নামে মামলা করায় পেশাগত দায়িত্ব পালন করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এসব মামলার ভুয়া বাদী সায়েব আলী জলিলসহ অনেকেই আছে। এক দুইজনকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হলেও তারা জামিনে এসে আবারও সেই অপকর্ম করে। তারা কখনো আওয়ামীলীগ, কখনো বিএনপি, কখনো অন্য পরিচয়ে প্রতারণা করে মানুষকে হয়রানি করছে, এসব ঘটনার বিষয়ে পুলিশের ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন: এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট থানার ওসি সাহেব ও মহামান্য আদালতের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী পরিবারসহ সচেতন মহল। বিশেষ করে ২০২৪ইং জুলাই ও ৫ আগষ্ট পর্যন্ত মানুষের রূপরেখা ছিলো একরকম আর বর্তমান সময় ও পরিস্থিতি ভিন্ন রকম,তবে সব পুলিশ খারাপ নয়, এক দুইজন খারাপ-বাকীটা ইতিহাস। খুবই দুঃখজনক যে, সাংবাদিক শিক্ষার্থীদের পক্ষে গত ৪ আগষ্ট ২০২৪ইং তারিখ সংবাদ প্রকাশ করেছেন তার বিরুদ্ধেও হত্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। “সাংবাদিকরাতো কোনো চোর ডাকাত নয়” তাদের উপর কেন এই নৃশংস হামলা ও মামলা করা হয় তা জাতি জানতে চায়, পুলিশ ও প্রকৃত সাংবাদিকের ভূমিকা কি?।
    দেশের বিভিন্ন থানার কিছু পুলিশের স্বার্থে আঘাত লাগলে প্রকৃত সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে বিভিন্ন মিথ্যা মামলা দেয়া হয়। কিছু পুলিশ সদস্য চাঁদাবাজি ও ফিটিংবাজিসহ বিভিন্ন অপকর্ম করেছে আর সেই বিষয়ে সাংবাদিক সংবাদ প্রকাশ করলেই সমস্যা, সেজন্য ষড়যন্ত্র করে মামলা দেয়া হয়। সাংবাদিককে আটকের পর তার কাছে থাকা কলম ক্যামেরাসহ বিভিন্ন মালামাল ছিনিয়ে নিয়ে থাকে কিছু পুলিশ অফিসার। এরপরও যদি প্রকৃত সাংবাদিক আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে যায়, তাকে আবার সাজা দেওয়ার জন্য মিথ্যা সাক্ষী তৈরি করে আদালতের মাধ্যমে সাজা দেয়ার কৌশল করা হয়, ভুয়া বাদি বা ভুয়া মামলা দিয়ে সাংবাদিককে হয়রানি করে পুলিশ। তবে সব সাংবাদিক বা সব পুলিশ খারাপ নয়। মানবিক পুলিশ সদস্য ও প্রকৃত সাংবাদিক আছেন বলেই সাধারণ মানুষ এখনো আইন আদালতের প্রতি সম্মান করেন। বিশেষ করে সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধ না থাকার কারণে বিভিন্ন হামলা, মামলা ও নির্যাতনের শিকার হন।
    প্রকৃত সাংবাদিকরা বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে কাজ করেন। সাংবাদিক কতো প্রকার? তার হিসাব নাই। তবে ১ থেকে ১৮ প্রকার সাংবাদিকের নাম প্রকাশ করা হচ্ছে, ১। সাইনবোর্ড সাংবাদিক, ২। আইডি কার্ড সাংবাদিক,৩। ভুয়া সাংবাদিক, ৪। প্রেসক্লাব সাংবাদিক, ৫। বহুমাত্রিক সাংবাদিক, ৬। কথাসাহিত্যিক সাংবাদিক, ৭। দলীয় সাংবাদিক, ৮। ভবিষ্যতদ্রষ্টা সাংবাদিক, ৯। মৌসুমী সাংবাদিক, ১০। শখের সাংবাদিক, ১১। অপসাংবাদিক, ১২। স্বার্থপর সাংবাদিক, ১৩। বঞ্চিত সাংবাদিক, ১৪। লাঞ্ছিত সাংবাদিক, ১৫। কাঙ্খিত সাংবাদিক, ১৬। সেলফি সাংবাদিক, ১৭। প্রকৃত সাংবাদিক। ১৮। মূলধারার সাংবাদিক। আর প্রকৃত সাংবাদিকরা প্রতিদিন প্রতি মুহুর্তে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশ ও জাতির সেবা করে যাচ্ছেন। তবে সেই ত্যাগী সাংবাদিকরা কি পাচ্ছেন? কেন সাংবাদিকতায় আসছেন বেকার মানুষগুলো? সত্যি কথা বললে বা সংবাদ প্রকাশ করলে সেই সাংবাদিকদের নামে বিভিন্ন হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা ও তাদের উপর নৃশংস হামলা করা হয়, এমনকি সাংবাদিক কোনো রাজনৈতিক নেতার সাথে ছবি তুললে সেই ছবি দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অপপ্রচার করা হয়, কিছু মানুষ নামের অমানুষ কুলাঙ্গাররা এসব করে থাকে, এসব খুবই খারাপ। সাংবাদিকরা কোনো চোর ডাকাত নয়, বা বড় দুর্নীতিবাজ নয় যে, তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে সাজা দিতে হবে, ১৯৭১ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট পর্যন্ত কে কেমন সাংবাদিকতা করেছেন আর এখন কেমন সাংবাদিক তা ভাবনার বিষয়।
    সূত্র জানায়, সারাদেশেই নিজেদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শক্রতা সুষ্টি করছে কিছু পুলিশ সদস্য ও সাংবাদিক। এক থেকে ১৮ প্রকার সাংবাদিক কিন্তু কিছু পুলিশ সদস্যের নাম্বার নাই বা দিলাম। সেই সাথে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানা, আশুলিয়া থানা, মিরপুর থানা, যাত্রাবাড়ি থানা, বরিশাল বিভাগের ভোলা জেলার চরফ্যাশন থানাসহ সারাদেশে প্রায় অনেক থানায় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। সাংবাদিকদের বলা হয় জাতির বিবেক, সেই অর্থে সাংবাদিকদেরকে কেন অপহেলা করাসহ অপমানিত করা হয়? কেন হয়রানি করা হচ্ছে প্রকৃত সাংবাদিকদেরকে?। অর্থ ও স্বার্থের জন্য মানুষ যদি অমানুষের পরিচয় দেন এটা খুবই লজ্জাজনক। সাংবাদিকদের পেশা যেন মানুষের সেবা করাই তাদের একমাত্র ধর্ম। যারা কাজ করেন তাদের ভুল হতেই পারে কিন্তু ছোট একটা ভুল করলে সাংবাদিকের উপর বড় ধরণের হামলা, মামলা করা হয় কেন?। থানায় ডেকে নিয়ে বা রাস্তা থেকে ধরে নিয়েই বিভিন্ন মামলা দেয়া হয় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে। আশুলিয়ায় সায়েব আলী জলিল গংদের ভুয়া বাদী সেজে মিথ্যা ও ভুয়া মামলার বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান সাংবাদিক নেতারা। বাংলাদেশে প্রায় ১৮ কোটি জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন পুলিশ বাহিনী এটা যেমন সত্য তেমনি সাংবাদিকরা সংবাদ প্রকাশ করেন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এটাও বাস্তব। সরকার পুলিশকে বেতন ভাতা দিলেও তারা চাঁদাবাজি, ফিটিংবাজি করেন কেন?, সাংবাদিকরা পাচ্ছেন না সরকারি কোনো সম্মানি ভাতা, অনেক প্রতিষ্ঠান সাংবাদিককে ঠিকমতো বেতনও দেন না। ভালো কাজ করলে বলা হয় এটা তাদের দায়িত্ব, সামান্যতম ভুল করলে তাদেরকে বড় গালাগালি দেওয়া হয়। সব পুলিশ খারাপ না, কিছু পুলিশ সদস্য খারাপ তাই পুলিশের বদনাম হয়। মানবিক পুলিশ ও প্রকৃত সাংবাদিক ঘর থেকে বাহিরে বের হলে বা ডিউটিতে গেলে তাদের পরিবারের সদস্যরা অনেক চিন্তায় থাকেন যে, নিরাপদে বাসায় ফিরতে পারবে কিনা? অনেক সময় তাদের লাশ হয়ে ঘরে ফিরতে হয়। সবকিছু মিলে সংবাদপত্র ছালানো কঠিন হয়ে পড়েছে, পত্রিকায় কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারণা চালালে সেই সাংবাদিককে দাদাল বলে কিছু মানুষ নামের কুলাঙ্গাররা। প্রকৃত সাংবাদিকতা করা কঠিন হচ্ছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ বিভিন্ন ভাবে প্রচার হয় ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান, এটাও সমস্যা।
    দেশের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা, পুলিশ, র‍্যাব বাহিনী যে, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খুনী, ধর্ষণকারী, অপহরণকারীদেরকে গ্রেফতার করেন এবং ভিকটিম উদ্ধার করাসহ অনেক কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করেন এর জন্য তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই। বিশেষ করে কিছু লোকজন অভিমত প্রকাশ করেন যে, পুলিশের নতুন নতুন ইউনিট হলেও সেই অর্থে তুলনামূলক ভাবে সেবার মান বাড়ছে না। সূত্রমতে, ঢাকা বিভাগের সকল থানায় সিসি টিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে,এতে যেমন প্রশংসা বাড়ছে সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসনের। তবে কিছু থানা পুলিশের অনিয়ম দুর্নীতির কারণে পুলিশ বাহিনীর বদনামও হচ্ছে কিন্তু এই দায় নিবে না মানবিক পুলিশ সদস্যরা। ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা ধুলাবালির সাথে থেকে প্রতিদিন অনেক কষ্টের মধ্যে ডিউটি করেন, তাদের সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েছে। রাজধানী ঢাকা ও ঢাকার আশেপাশের থানায় পুলিশের তেমন কোনো সমস্যা না থাকলেও মফস্বল এলাকা থেকে বদলি হয়ে ঢাকায় আসার জন্য পুলিশ সদস্যরা চেষ্টা করে থাকেন। এর অনেক কারণও রয়েছে। মফস্বল এলাকায় পুলিশ সদস্যদের নানারকম সমস্যা, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হয়। পুলিশের থাকা খাওয়ার সমস্যা। অনেক সময় জরুরি কাজে গাড়ি না পাওয়াসহ নানারকম সমস্যা রয়েছে। বিশেষ করে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যেদের অনেক কষ্ট করে ডিউটি করতে হয়, তাদের অনেকেই সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন এমন অনেক তথ্য রয়েছে। সুত্রে জানা গেছে, অনেক ইউনিটে চাহিদার চেয়ে অর্ধেকেরও কম জনবল দিয়ে দৈনন্দিন কাজ চালানো হচ্ছে পুলিশ বাহিনীতে। বেশিরভাগ ইউনিটি ও থানার নিজস্ব কোনো ভবন নেই, আবাসিক এলাকায় ভাড়া বাড়িতে চলছে পুলিশের কার্যক্রম। অনেক সময় জরুরি অভিযান পরিচালনার জন্য গাড়ি পাওয়া যায় না। দুঃখজনক বিষয়ঃ সাধারণ মানুষ অনেকেই বলেন, ডাকঢোল পিটিয়ে রং বে-রঙের বেলুন উড়িয়ে পুলিশ বাহিনীতে নতুন নতুন ইউনিটির যাত্রা শুরু হয় কিন্তু সেবার মান বাড়েনি।
    আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার ঢাকা বিভাগের সাংঠনিক সম্পাদক ও আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ) বলেন, দেশে মানবাধিকার কর্মী বা সাংবাদিকের অভাব নেই কিন্তু কেউ তারা ঐক্যবদ্ধ না থাকায় সমস্যা সৃষ্টি হয়। রাজধানী ছাড়াও যেমনঃ ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানা ভাড়া বাড়িতে চলছে পুলিশের কার্যক্রম। এই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ও তদন্ত ওসিসহ ৪০ জনের মত অফিসার রয়েছেন। দেখা যায়, বেশিরভাগ পুলিশ অফিসারগণ ভাড়া গাড়ি দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। আশুলিয়ায় সাংবাদিক সংগঠনগুলোরও নিজস্ব জায়গা নেই। ১৬-১৭ বছর আগের পুলিশ আর বর্তমান সময়ের পুলিশ একরকম নয়। সরকার যেমন পুলিশের বেতন বৃদ্ধি করেছে, তেমনি পুলিশের কষ্টও বাড়ছে। এদিকে ট্রাফিক পুলিশের কয়েকজন সদস্য জানান, পুলিশ সদস্য ভালো কাজ করলে পাবলিক বলে এটা পুলিশের দায়িত্ব কিন্তু পুলিশ সদস্য ছোট কোনো ভুল করলে তাদেরকে অনেক সময় বড় ধরণের শাস্তি দেয়া হয়, এমন কি চাকরি চলে যায়। বাংলাদেশের “প্রশাসনিক কাঠামো” ৬টি থেকে বাড়িয়ে বর্তমানে ৮টি বিভাগ ও ৬৪ জেলা করা হয়েছে। ৬৪ জেলায় ৮৬,৬০৮টি গ্রাম। ১৯৭১ সালে মাত্র ৭কোটি জনগণ ছিলো, যা বর্তমানে প্রায় ১৮কোটির মত জনগণ হয়েছে। মানুষ বাড়ছে, ঘর বাড়ি বাড়ছে, ইটভাটা বাড়ছে, ফসলি জমি কমে যাচ্ছে। পুলিশের নতুন নতুন ইউনিট বাড়ছে, পুলিশ সদস্যও বাড়ছে, কিন্তু সেই অর্থে কি সেবার মান বাড়ছে?। দেখা যাক ২০২৫ইং সাল কেমন যায়। সামনে আগামী জাতীয় সংসদ জাতীয় নির্বাচনের অপেক্ষায় পুরো জাতি। বাংলাদেশে ১৯৭১ সালে যা হয়নি তা ঘটেছে ২০২৪ইং ৫ আগষ্টে পুলিশকে হত্যা করে ওভার ব্রীজে ঝুঁলিয়ে রাখা হয়েছিলো, সাংবাদিক হত্যার শিকার হয়েছে, ছাত্র-জনতার উপর গুলিবর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে। সিসিটিভি ভিডিও ও মোবাইল নাম্বার ট্যাকিংসহ কার মোবাইল নাম্বারে কি কথা হয়েছে? এসব তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের সাজা নিশ্চিত করা এবং যারা দোষী নয় তাদেরকে মামলা থেকে নাম বাদ দিয়ে মানবতার কল্যাণে কাজ করা দরকার। সবার দাবী প্রকৃত হত্যাকারীদের শনাক্ত করে আটকের পর আইনের আওতায় আনা হোক। আর সংবাদপত্রের সম্পাদক ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, তা নাহলে দেশ ও জাতির সমস্যা আরো জটিলতা বাড়বে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।##

  • রূপপুর পার-মাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কর্মকর্তাদের অনি-য়ম দুর্নী-তির কারণে বাড়ছে জটি-লতা

    রূপপুর পার-মাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কর্মকর্তাদের অনি-য়ম দুর্নী-তির কারণে বাড়ছে জটি-লতা

    সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ)ঃ অনেক নাটকের জন্ম দিচ্ছে, এনপিসিবিএল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. জাহেদুল হাছান এর পদত্যাগের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করার ঘটনার আড়ালে রয়েছে পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কর্মকর্তাদের ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতি।
    রবিবার (২৯ জুন ২০২৫ইং) সকালে জানা গেছে, একটি মহল দাবি করছেন যে, পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে আছেন অনেক দুর্নীতিবাজ ও অযোগ্য কর্মকর্তা। এর আগে এ বিষয়ে রূপপুরস্থ এনপিসিবিএল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. জাহেদুল হাছানের পদত্যাগের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। “যোগ্য লোক চাই, অযোগ্য এমডিকে নয়, প্রতিষ্ঠানিক ফ্যাসিবাদ নিপাত যাক ইঅঊঈ এর অযাচিত হস্তক্ষেপ বন্ধ হোক, এনপিসিবিএল স্বাধীন হোক” এই স্লোগানকে সামনে রেখে এনপিসিবিএল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. জাহেদুল হাছান এর পদত্যাগের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
    এর আগে উল্লেখ্য. গত (৬ মে ২০২৫ইং)বিকেল ৫ ঘটিকায় ঈশ্বরদী উপজেলা গেট এলাকায় একটি অভিজাত রেস্টেুরেন্টে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সংবাদ সম্মেলনে নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (এনপিসিবিএল) এর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের চরম অদক্ষতা, প্রশাসনিক স্বেচ্ছাচারিতা, প্রাতিষ্ঠানিক স্বৈরতন্ত্র, দুর্নীতি এবং অনিয়ম অব্যবস্থাপনার অভিযোগ আনা হয়। উক্ত সংবাদ সম্মেলনে কর্মকর্তা কর্মচারীদের পক্ষে এনপিসিবিএল এর সিনিয়র সহকারী ব্যবস্থাপক ফাহিম শাহরিয়ার তুহিন লিখিত বক্তব্যে বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পের বর্তমান প্রকল্প পরিচালক এবং নিউক্লিয়ার পওয়ার প্লান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (ঘচঈইখ) এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. জাহেদুল হাছানের বিরুদ্ধে গুরুতর অনিয়ম, চরম অযোগ্যতা, দুর্নীতি, প্রশাসনিক স্বেচ্ছাচারিতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক ফ্যাসিবাদের অভিযোগে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করে। এই স্বৈরাচারি, অদক্ষ, অযোগ্য ব্যবস্থাপনা পরিচালকের স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে এনপিসিবিএল-এর সর্বস্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ বরাবরই সোচ্চা ছিলো এবং এরই ধারাবাহিকতায় বিগত নয়দিন (২৮ এপ্রিল ২০২৫ইং থেকে ৬ মে ২০২৫ইং) পালন করেন।
    অভিযোগ রয়েছে, ডা. জাহেদুল হাছান বর্তমানে একাধিক অতি গুরুত্বপূর্ণ পদ কুক্ষিগত করে রেখেছেন। একাধারে তিনি রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প পরিচালক এবং অপারেটিং অর্গানাইজেশন এনপিসিবিএল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং প্রধান অর্থ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং স্টেশন ডিক্টেরসহ সকল গুরুত্বপূর্ণ পদ একাই দখল করে রেখেছেন। যা একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র অপারেটিং কোম্পানির ক্ষেত্রে নজিরবিহীন। অফিস সংশ্লিষ্টরা জানায়, প্রায় এক দশক আগে এনপিসিবিএল গঠিত হলেও আজ অবধি কোনো সার্ভিস রুলস প্রকাশ করা হয়নি। ফলে নেই কোনো অর্গানোগ্রাম, দায়িত্বের সুস্পষ্ট নণ্টন, পদোন্নতি, বরং জেকে বসেছে একগুচ্ছ গ্রেড ও বেতন বৈষম্য এবং অন্যান্য ব্যাসিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এটি একটি আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন, উচ্চ সংবেদনাশীল ও কৌশলগত গুরুত্ববহ প্রকল্প হিসেবে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এর নির্মাণ, কমিশনিং এবং অপারেশন এর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্মচারিরা দফায় দফায় ড. জাহেদুল হাছানের কাছে সার্ভিস রুল প্রদান, প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বতন্ত্রতাসহ বিভিন্ন বৈষম্য নিয়ে আলোচনা করে আসছে। বিভিন্ন মানবিক ও যৌক্তিক দাবির প্রেক্ষিতে ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে ড. জাহেদুল হাছান তা বাস্তবায়নের লিখিত আশ্বাস দিলেও এখন পর্যন্ত তা বাস্তবায়িত হয়নি। এরপর থেকেই তিনি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অযৌক্তিক, অমানবিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়ে আসছেন, তার অনেক নজির রয়েছে চলমান।
    এরপর ১৮জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে চাকরি থেকে অব্যাহতির ঘটনা। চাকরিচ্যুতরা নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (এনপিসিবিএল) রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে নিয়েগপ্রাপ্ত ছিলেন। কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. জাহেদুল হাছান স্বাক্ষরিত এক দাপ্তরিক আদেশে এই অব্যাহতির কথা জানানো হয়। অব্যাহতি দেয়া ১৮ কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রত্যেককে গত শনিবার (১০ মে ২০২৫ইং) রাতে ই-মেইলসহ সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন মহলে জানানো হয়। রূপপুর প্রকল্পের সাইড ইনচার্জ রুহুল কুদ্দুস এ বিষয়ে সত্যতা স্বীকার করেন। তিনি জানান, গত শনিবার রাতে বিষয়টি সম্পর্কে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিরাপত্তার দায়িত্বপ্রাপ্ত অর্থরিটির প্রধানকে অবহিত করা হয়েছে। এর বেশি তার জানা নেই। আন্দোলনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে চাকরিচ্যুত কয়েকজন জানান, এনপিসিবিএল ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ড. মোঃ জাহেদুল হাছান স্বাক্ষরিত অব্যাহতিপত্র এই কোম্পানির ১৮জনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। উক্ত বিষয়টি নিয়ে তারা ঢাকায় আলোচনা অব্যাহত রেখেছেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। আমাদের রিপোর্টার সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ) এর অনুসন্ধানী রিপোর্টের ধারাবাহিক পর্ব-১। ১৮ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অব্যাহতিপত্রে বলা হয়, এনপিসিবিএল কোম্পানিতে নিয়োগপ্রাপ্ত এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণ প্রকল্পের সঙ্গে সংযুক্ত ১৮ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে এনপিসিবিএলের চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পৃথক আরেকটি পত্রে নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের রূপপুর প্রকল্প এলাকায় ও বিদেশিদের আবাসন গ্রিন সিটিতে প্রবেশ বন্ধে অনুরোধ করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে। উল্লেখ্য, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) কে অপসারণসহ বিভিন্ন দাবিতে পাবনার ঈশ্বদীর রূপপুর কোম্পানির প্রায় ১৫০০/ কর্মকর্তা-কর্মচারী গত ১৮ এপ্রিল আন্দোলন শুরু করেন। গত ৬ মে তারা ঈশ্বদী শহরে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেন। এর পরদিন ৭ মে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পে কোম্পানির অফিসে তারা অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ করেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত উক্ত এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে, বিদেশীরাও এ ঘটনায় ভয় পাচ্ছে কখন যেন বড় ধরণের সংঘর্ষ শুরু হয়। অনেকেই অভিমত প্রকাশ করেন যে, এতো বড় প্রকল্প অনিয়ম দুর্নীতির কারণে বন্ধ হলে দেশের বড় ধরণের ক্ষতি হবে।##

  • নীলফামারী আদালতে ১০টি প্রতিষ্ঠানের বিরু-দ্ধে মা-মলা দায়ের

    নীলফামারী আদালতে ১০টি প্রতিষ্ঠানের বিরু-দ্ধে মা-মলা দায়ের

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

    বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর এর উদ্যোগে নীলফামারী জেলার বিভিন্ন উপজেলায় সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনার সময় বিএসটিআই আইন- ২০১৮ এর ১৫ ও ২১ ধারা লংঘনের কারণে অনুযায়ী ২৯ জুন ২০২৫ খ্রি: তারিখে নিম্ন বর্ণিত ০৯টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট, নীলফামারী এবং ০১টি প্রতিষ্ঠানের ০২জনের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ, নীলফামারীর আদালতে ১টি সহ মোট ১০টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। দায়েরকৃত ১০টি মামলা নম্বর হচ্ছে সিআর- ১৪/২৫ হতে সিআর ২৩/২৫ পর্যন্ত।

    মামলা দায়েরকৃত প্রতিষ্ঠানগুলি হচ্ছে:
    ০১। মোঃ মঈন আহমেদ (৯১), মেসার্স মঈন এগ্রো, জহুরুল হক রোড, বঁাশবাড়ী, সৈয়দপুর, নীলফামারী;
    পন্য- সরিষার তেল ও গমের ভূষি
    ০২। মোঃ ফয়জুলহক প্রধান (৫০), মেসার্স প্রধান পাইপ ইন্ডাষ্ট্রিজ, সবুজপাড়া, সদর, নীলফামারী;
    পণ্য- পাইপস এন্ড ফিটিংস মেড অব পিভিসি-ইউ, ইউজড ফর পর্টেবল ওয়াটার সাপ্লাই
    ০৩। মোঃ জাহেদুল ইসলাম (৪৫), মেসার্স নুরানী বেকারী, চড়াইখোলা, টেক্সটাইল, সদর, নীলফামারী;
    পণ্য- বিস্কুট ও ব্রেড
    ০৪। সখেন ঘোষ(৬০), মেসার্স পাহলওয়ান সুইটস, শহীদ ডা: জিকরুল হক রোড, সৈয়দপুর, নীলফামারী;
    পণ্য- ফার্মেন্টেড মিল্ক ও সুইটমিটস (মিস্টি)
    ০৫। মোঃ কায়সার (৫১), মেসার্স নিউ দিলকুশা মিস্টি ভান্ডার, শহীদ ডা: জিকরুল হক রোড, সৈয়দপুর, নীলফামারী;
    পণ্য- সুইটমিটস (মিস্টি)
    ০৬। শাকিল আহম্মেদ (৪৮), মেসার্স দিলশাদ মিস্টান্ন ভান্ডার, শহীদ ডা: জিকরুল হক রোড, সৈয়দপুর, নীলফামারী;
    পণ্য- ফার্মেন্টেড মিল্ক ও সুইটমিটস (মিস্টি)
    ০৭। মোঃ আরাফাত হোসেন (৪২), মেসার্স শাহ হোটেল এন্ড রেস্টেুরেন্ট, শহীদ ডা: জিকরুল হক রোড, সৈয়দপুর, নীলফামারী;
    পণ্য- ফার্মেন্টেড মিল্ক ও সুইটমিটস (মিস্টি)
    ০৮। রঞ্জন সরকার (৫২), মেসার্স আজিম সুইটস এন্ড রেস্টুরেন্ট, শহীদ ডা: জিকরুল হক রোড, সৈয়দপুর, নীলফামারী;
    পণ্য- সুইটমিটস (মিস্টি)
    ০৯। মোঃ সাহাবুদ্দিন (৫৫), মেসার্স আল সামস সুইটস, ক্যান্টনমেন্ট রোড, বঙ্গবন্ধু চত্ত্বর, সৈয়দপুর, নীলফামারী;
    পণ্য- ফার্মেন্টেড মিল্ক ও সুইটমিটস (মিস্টি)
    ১০। মোঃ সিদ্দিকুল আলম (৫৫), মেসার্স ইকু কয়েল ফ্যাক্টরী (সিদ্দিক কেমিক্যাল ওয়ার্কস), ঢেলাপীর, সৈয়দপুর, নীলফামারী;
    পণ্য- মশার কয়েল
    ১১। মোঃ আব্দুল কাদের বিপুল (৪৫), মেসার্স ইকু কয়েল ফ্যাক্টরী (সিদ্দিক কেমিক্যাল ওয়ার্কস), ঢেলাপীর, সৈয়দপুর, নীলফামারী;
    পণ্য- মশার কয়েল

  • গোদাগাড়ীর মোহনপুর  ইউনিয়নের পালশা এলাকায় রাস্তার বেহা-ল দশা

    গোদাগাড়ীর মোহনপুর ইউনিয়নের পালশা এলাকায় রাস্তার বেহা-ল দশা

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের পালশা গ্রামের রাস্তাটি সামান্য বৃষ্টিতে রাস্তায় জমে হাটু পরিমান পানি। বৃষ্টি কৃষি কাজের জন্য উপকারী, জনজীবনে স্বস্তি দিলেও কিছু জায়গায় তৈরি করে জনদুর্ভোগ। যদিও এর দায় বৃষ্টির নয়, মানুষের। স্বস্তির বৃষ্টি উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের পালশা গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, এসব গ্রামের বাসিন্দাদের যাতায়াত করার প্রধান রাস্তা বৃষ্টি শুরু হলে বর্ষাকালে হাঁটাচলার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এ রাস্তা দিয়ে যানবাহন, ভ্যান, সাইকেল, বাইক, মানুষ, শিক্ষার্থীগণ ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। এলাকাবাসী জানান এ রাস্তা পাঁকা করার জন্য মোহনপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ খাইরুল ইসলাম, সাবেক এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী নিকট অনেকবার যোগাযোগ করেছেন এবং প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয় নি। ফলে জনগনের কষ্টের সীমা নেই। এলাকাবাসী আরও জানান, স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত শুধু প্রতিশ্রুতিতেই সীমাবদ্ধ রয়েছে, বাস্তবে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগে নি রাস্তাটিতে।

    এ ব্যাপারে মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ খাইরুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি মোবাইল রিসিভ করেন নি। তাই তার বক্তব্য পাওয়া যায় নি।

    এলাকার ভৃক্তভোগি আর এইচ রানা দেওয়ান বলেন, দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন হলেও এ রাস্তায় কোন উন্নয়নের ছোঁয়া লাগে নি। উন্নয়ন বৈষম্যের স্বীকার গ্রামের মানুষ। যাতায়াত করার প্রধান রাস্তা বৃষ্টি শুরু হলে বর্ষাকালে হাঁটাচলার অনুপযোগী হয়ে ওঠে। রাস্তায় জমে হাটুপরিমান পানি ও কাঁদা। রাস্তাটি দ্রুত সংস্কারের জন্য উদ্ধোর্তন কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

    এলাকাবাসী এই রাস্তাটি জরুরীভাবে সংস্কারের প্রশাসন ও মোহনপুর ইউপি চেয়ারম্যানের সুদৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর অভি-যানে  ১০০ গ্রাম হেরো-ইনসহ ২ জন মাদ-ক ব্যবসায়ী গ্রেফ-তার

    র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর অভি-যানে ১০০ গ্রাম হেরো-ইনসহ ২ জন মাদ-ক ব্যবসায়ী গ্রেফ-তার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ১। এরই ধারাবাহিকতায় অধিনায়ক র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় অদ্য ২৯ জুন ২০২৫ খ্রিঃ রাত ০১.৫৫ ঘটিকায় র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার সহযোগিতায় ও র‌্যাব-১২’র সদর কোম্পানির একটি চৌকষ আভিযানিক দল “সিরাজগঞ্জ জেলার সলংগা থানাধীন হাটিকুমরুল সাকিনস্থ ফুড সিটি ইন হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট এর সামনে রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী মহাসড়কের উত্তর পাশের্^ কাঁচা রাস্তার উপর” একটি মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ১০০ গ্রাম হেরোইনসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এছাড়াও তাদের সাথে থাকা হেরোইন ক্রয়-বিক্রয় কাজে ব্যবহৃত ০৩টি মোবাইল ফোন এবং নগদ ২২,০৮০/- টাকা জব্দ করা হয়।

    ২। গ্রেফতারকৃত আসামিদ্বয় ০১। মোঃ মামুন দুলাল (৩৪), পিতা- মৃত নৈমুদ্দিন, মাতা- মোছাঃ আনোয়ারা বেগম, ০২। শ্রী সুমন কর্মকার (৩৫), পিতা- মৃত বিজয় কর্মকার, মাতা- মৃত শোভা রানী, উভয়ের সাং- মহিষালবাড়ী, থানা- গোদাগাড়ী, জেলা- রাজশাহী।

    ৩। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, আসামিদ্বয় দীর্ঘদিন যাবৎ লোকচক্ষুর আড়ালে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে মাদকদ্রব্য হেরোইন ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিল।

    ৪। গ্রেফতারকৃত আসামিদ¦য়ের বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    এ ধরণের মাদক উদ্ধার অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে র‌্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।

    র‌্যাব-১২ কে তথ্য দিন- মাদকমুক্ত, বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।

  • ডিবি পুলিশকে লক্ষ্য করে গু-লি, শীর্ষ সন্ত্রা-সী বাপ্পি’র সহযোগীসহ ৩জন গ্রেফ-তার-অ-স্ত্র উদ্ধার

    ডিবি পুলিশকে লক্ষ্য করে গু-লি, শীর্ষ সন্ত্রা-সী বাপ্পি’র সহযোগীসহ ৩জন গ্রেফ-তার-অ-স্ত্র উদ্ধার

    হেলাল শেখঃ রাজধানীর ফকিরাপুলে গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি) লক্ষ্য করে গুলির ঘটনায় শীর্ষ সন্ত্রাসী শুটার বাপ্পি ও তার দুই সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে তিনটি বিদেশি পিস্তল ও বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়।

    রোববার (২৯ জুন ২০২৫ইং) ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    তিনি জানান, শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে যশোর জেলার ঘোপ নওয়াপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে শীর্ষ সন্ত্রাসী বাপ্পি ওরফে মো. আলী ওরফে ফিরোজ আলম ওরফে আহসানুল হক এবং তার সহযোগী আবু খালিদ সাইফুল্লাহ ওরফে বোমা রিপন ও মো. কামরুল হাসানকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে তিনটি বিদেশি পিস্তল, ছয়টি গুলিভর্তি ম্যাগজিনসহ ১৫১ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

    এর আগে গত ১৯ জুন রাজধানীর ফকিরাপুলে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশকে লক্ষ্য করে এই মাদককারবারি শীর্ষ সন্ত্রাসীদের গুলির ঘটনা ঘটে। এরপর গোয়েন্দা পুলিশ ডিবি তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে মোবাইল ট্রাকিং এর মাধ্যমে তাদেরকে গ্রেফতার করেন।

  • আশুলিয়ার বাইপাইলে চাঁদাবা-জদেরকে কঠোর হুশি-য়ারী দিয়েছেন পুলিশ

    আশুলিয়ার বাইপাইলে চাঁদাবা-জদেরকে কঠোর হুশি-য়ারী দিয়েছেন পুলিশ

    হেলাল শেখঃ দীর্ঘদিনের চাঁদাবাজির অভিশাপ থেকে অবশেষে মুক্তি পেয়েছে আশুলিয়ার বাইপাইল বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন ব্যবসায়ীরা। চাঁদাবাজি, হামলা-পাল্টা হামলা আর মানববন্ধন-পাল্টা মানববন্ধনের এক অস্বস্তিকর অধ্যায়ের পর পুলিশের কঠোর অবস্থানের কারণে স্বস্তি ফিরেছে এই এলাকায়। চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে পুলিশের রীতিমতো ‘যুদ্ধ ঘোষণা’ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও কাউন্টারগুলোতে ফিরিয়ে এনেছে স্বাভাবিক গতি, যা সাধারণ ব্যবসায়ী ও কাউন্টার মালিকদের মাঝে ব্যাপক স্বস্তি এনে দিয়েছে। বাইপাইল বাসস্ট্যান্ডে ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহিনুর কবিরের একটি মাইকিং এতোমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে। পুলিশের এমন উদ্যোগ প্রশংসার কুড়িয়েছে সাধারণ মানুষের মাঝে।

    রবিবার (২৯ জুন ২০২৫ইং) তারিখ হতে অভিযান শুরু, ঢাকার আশুলিয়ার বাইপাইল বাস স্ট্যান্ড, যা ঢাকার প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত, দীর্ঘদিন ধরে কতিপয় চাঁদাবাজ চক্রের হাতে জিম্মি ছিলো। অভিযোগ রয়েছে, এই চক্র বাস স্ট্যান্ড ঘিরে গড়ে ওঠা বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বিশেষ করে পরিবহন কাউন্টার, খাবার হোটেল, ক্ষুদ্র দোকানপাট এবং হকারদের কাছ থেকে নিয়মিত মোটা অংকের চাঁদা আদায় করে আসছিলো। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলেই নেমে আসতো হামলা, ভাঙচুর ও শারীরিক লাঞ্ছনার মতো ঘটনা। এমনকি চাঁদা আদায়ের ক্ষমতা নিয়ে বিভিন্ন চক্রের মধ্যে নিজেদের মধ্যেই হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনাও ঘটেছে, যা বাইপাইল এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছিলো। এসব ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে এক পক্ষ অপর পক্ষের বিরুদ্ধে মানববন্ধন কর্মসূচিও পালন করেছে, যা সাধারণ মানুষের মনে এক ধরনের ভীতির সঞ্চার করেছিলো।

    ব্যবসায়ীরা জানান, পুলিশ প্রশাসন চাঁদাবাজদের তালিকা তৈরি করে তাদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে। বিভিন্ন পরিবহন কাউন্টার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে ব্যবসায়ীদের আশ্বস্ত করা হচ্ছে এবং চাঁদাবাজদের কোনো রকম চাঁদা না দিতে নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। পুলিশ এই অবস্থান ধরে রাখতে পারলে ব্যবসার গতি স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরে আসবে।

    চাঁদাবাজির এই লাগামহীন দৌরাত্ম্যে এখানকার ব্যবসায়ীরা ছিলেন চরম হতাশ ও ক্ষুব্ধ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কাউন্টার মালিক জানান, “চাঁদাবাজির কারণে আমাদের ব্যবসা প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছিলো। প্রতিদিন চাঁদা দিয়ে আমাদের লাভ তো দূরে থাক, উল্টো লোকসান গুনতে হচ্ছিলো। প্রতিবাদ করলেই হামলার শিকার হতে হতো। আমরা একরকম অসহায় হয়ে পড়েছিলাম।” আরেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী জানান, “প্রতি মাসে নির্দিষ্ট অংকের টাকা দিতে হতো। না দিলে দোকানের সামনে এসে হুমকি-ধামকি দিতো, এমনকি দোকান বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দিতো। প্রশাসনের কাছে বারবার অভিযোগ করেও কোনো ফল পাইনি। তবে এখন পুলিশ নিজে এসে চাঁদা আদায় বন্ধে কঠোর অবস্থানে তাকায় আমরা আশা করছি ভালো কিছু হবে। তারা সকাল থেকে খোঁজখবর নিচ্ছেন। “

    আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হান্নান সাহেবের নেতৃত্বে অভিযান চলমান রয়েছে, থানার পরিদর্শক (অপারেশন) সফিকুল ইসলাম সুমন জানান, “চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। বাইপাইল বাস স্ট্যান্ড এলাকার চাঁদাবাজদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। ব্যবসায়ীরা যাতে নির্ভয়ে ব্যবসা করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে আমরা বদ্ধপরিকর।”

    ভাইরাল ভিডিও ফুটেজে দেওয়া ঘোষণায় ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) শাহীনুর কবীর বলেছেন, ” আমরা আপনাদের সর্বোচ্চ সহযোগীতা করবো। কেউ যদি চাঁদাবাজি করতে আসে তাহলেও আমরা সর্বোচ্চ আইন ব্যবহার করবো। আমরা ৫ই আগস্টের আগের পুলিশ না। আমরা মানুষের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দিতে চাই। সে জন্য যা করতে হবে করবো। তবু মানুষকে স্বস্তি দিবো। তাই আমরা অবৈধ কোন কর্মকান্ড হতে দিবো না। আমাদের কথা একটাই মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

  • প্রাণিসম্পদ অফিসে সাংবাদিক প্রবেশে বা-ধা প্রতিশ্রুতি দিলেও – ১০ দিনেও নেয়া হয়নি ব্যব-স্থা

    প্রাণিসম্পদ অফিসে সাংবাদিক প্রবেশে বা-ধা প্রতিশ্রুতি দিলেও – ১০ দিনেও নেয়া হয়নি ব্যব-স্থা

    খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
    রংপুরে জাতীয় দৈনিকের তিন সাংবাদিকের সাথে তারাগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের এক কর্মকর্তার অসৌজন্যমূলক আচরণে উপজেলার সাংবাদিক মহলের উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনার ১০দিন অতিবাহিত হলেও অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নেয়া হয়নি কোন দাপ্তরিক ব্যবস্থা।

    গত ১৮ জুন (বুধবার) দুপুরে দৈনিক কালবেলা, আমার দেশ ও সকালের সময় পত্রিকার তারাগঞ্জ প্রতিনিধিগণ তথ্য সংগ্রহের প্রাণিসম্পদ অফিসে গেলে কর্মরত উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (সম্প্রসারণ) মো. মামুনুর রশীদ তাদের সঙ্গে রূঢ় ও কটূক্তিপূর্ণ আচরণ করেন এবং অফিস প্রবেশে বাধা দেন। কার অনুমতি নিয়ে অফিসে প্রবেশ করেছেন বলে প্রশ্ন তোলেন এবং বাকবিতন্ডা শুরু করেন। প্রাণিসম্পদ অফিসের বিতর্কিত এই ঘটনা উপজেলার সংবাদিক মহল ও উপজেলা প্রশাসনে জানাজানি হলে, প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে উপজেলার সকল সাংবাদিক উপস্থিত হয়ে ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানায়। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুবেল রানা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ঘটনাটি শোনেন এবং সাংবাদিকদের সাথে প্রাণিসম্পদ অফিসে দাপ্তরিক শুদ্ধাচার লংঘনের এমন ঘটনায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি আরো বলেন, যেকোন তথ্য সংগ্রহ সাংবাদিকদের অধিকার। সেখানে সরকারি অফিসে তথ্য সংগ্রহকালে একজন কর্মকর্তার কাছ থেকে এমন আচরণ কাম্য নয়।
    এসময় অফিসে অনুপস্থিত প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফোন করে ডেকে নেন। পরে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা তার অফিস কক্ষে সকল সাংবাদিক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে সাথে নিয়ে উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (সম্প্রসারণ) মো. মামুনুর রশীদ এর শুদ্ধাচার লংঘিত ঘটনাকে অনভিপ্রেত ঘটনা বলে উল্লেখ করেন এবং ১ সপ্তা‌হের ম‌ধ্যে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলেন। এসময় সাংবাদিকের সাথে উদ্ধত আচরণে অভিযুক্ত মামুনুর রশীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ ও অবিলম্বে অন্যত্র বদলির দাবি জানান। কিন্তু ঘটনার দশদিন অতিবাহিত হলেও দাপ্তরিক ভাবে নেয়া হয়নি কোন ব্যবস্থা।
    প্রসঙ্গত, উপজেলার বিভিন্ন কসাইখানার মাসয়োরা চাঁদাবাজ মামুনুর রশীদ ও প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কেএম ইফতেখারুল ইসলাম যোগদানের পর যোগশাজোস করে সরকারি নিয়ম বহির্ভূতভাবে হাসপাতাল ক্যাম্পাসের বিভিন্ন ফলজ ও বনজ গাছ কর্তন এবং এলডিপি প্রকল্পের উপকারভোগী পিজি গ্রুপের সদস্যদের সভা ও প্রশিক্ষণে খাবার ও ভাতা বাবদ বরাদ্দের টাকা আত্মসাৎ-এর ঘটনায় টিভি চ্যানেল সহ দেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমগুলোতে একাধিক বার সংবাদ প্রকাশের পর দুই দফা তদন্ত হলেও সংশ্লিষ্ট দপ্তর নেয়নি কোন ব্যবস্থা। উল্টো পক্ষপাতমুলক বক্তব্য দিয়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। যা স্ব-দাপ্তরিক স্বজন প্রীতি অনুমানযোগ্য।
    উল্লেখ্য যে- উপ-সহকারী মামুনুর রশীদ আ‌গের কর্মস্থল রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় আচরণ খারা‌পের জন‌ স্থানীয়দের হাতে তিনি গণপিটুনি খে‌য়ে‌ছি‌লেন বলেও শোনা যায়। আর প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কেএম ইফতেখারুল ইসলাম নাটোরের সিংড়া উপজেলায় কর্মকালে সাবেক আইসিটি মন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের ছত্রছায়া ও ওলামা লীগ সম্পৃক্ততায় ব্যাপক দুর্নীতি ও প্রভাব বিস্তার করতেন মর্মেও অভিযোগ পাওয়া যায়। এছাড়াও তার ব্যক্তিগত ফেসবুক একাউন্ট থেকে দেখা যায় গাছ খেকো এই কর্মকর্তা এখনো অজ্ঞাত আওয়ামী শক্তির ফ্যাসিস্ট আচরণেই আবদ্ধ।
    উপজেলার সাংবাদিক ও সুধী সমাজ বলেন, প্রাণিসম্পদ অফিসের অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সবকিছু জেনেও ব্যবস্থা না নেওয়ায় তারা আরো বেপরোয়া এবং স্বেচ্ছাচারী হয়ে উঠেছেন। তারা আরো বলেন, শুধু সাংবাদিক সমাজ নয়, প্রাণিসম্পদ সম্পৃক্ত উপজেলার অধিকাংশ সুবিধাভোগী খামারী ও পিজি সদস্যরা এই দুই অভিযুক্ত অফিসারের উপর অতিষ্ঠ! দেশে কি আর কোন পশু সম্পদ অফিসার নেই? এমন প্রশ্ন তোলেন এবং তারাগঞ্জবাসী ও অফিস শৃঙ্খলার স্বার্থে দুর্নীতিবাজ ও গাছ খেকো এই দুই কর্মকর্তাকে দ্রুত অপসরণের দাবি করেন।
    এ বিষ‌য়ে‌ রংপুর জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা আবু সা‌ঈ‌দের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

  • মোংলায় শিক্ষার্থীদের মাঝে পোশাক, নগদ অর্থ ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেন বিএনপি নেতা কৃষিবিদ শামীম

    মোংলায় শিক্ষার্থীদের মাঝে পোশাক, নগদ অর্থ ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেন বিএনপি নেতা কৃষিবিদ শামীম

    মোংলা প্রতিনিধি।
    মোংলায় শিক্ষার্থীদের মাঝে পোশাক, নগদ অর্থ, ক্রীড়া সামগ্রী ও গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।
    রবিবার বিকেলে আলহাজ্ব কোরবান আলী আলীম মাদ্রাসায় এসব বিতরণ করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক কৃষিবিদ মোঃ শামীমুর রহমান শামীম। আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদ মোংলা পৌর ও উপজেলা শাখা এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় কৃষিবিদ মোঃ শামীমুর রহমান শামীম বলেন, যুবসমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে এবং পড়াশুনায় মনোযোগী করতেই তাদেরকে নানাভাবে সহায়তার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় বৃক্ষ রোপণের কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে মোংলার পৌর এলাকা ও উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন এবং রামপালের ১০টি ইউনিয়নে বৃক্ষ রোপণ করা হচ্ছে। স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীরা নিজ নিজ এলাকায় বৃক্ষ রোপণের মধ্যদিয়ে এ কর্মসূচি সফল করছেন।

    এ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এমরান হোসেন, সদস্য সচিব মাহবুবুর রহমান মানিক, উপজেলা যুবদলের সভাপতি এম সাইফুল ইসলাম, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক ঈমান হোসেন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব নুর উদ্দিন টুটুল, যুবদল নেতা মোঃ মহসিন, মোঃ সোহাগ, পৌর জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু হানিফ শেখ, চাঁদপাই ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদের উপজেলা সভাপতি মোঃ শাহ আলম শেখ, আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদের পৌর সভাপতি মোঃ সেলিম হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ সোহেল হাওলাদার।