Blog

  • ‘আমি পা-চারকারী নই, একজন প্রবাসীর সন্তান’ — সংবাদ সম্মেলনে এমরান হোসেন

    ‘আমি পা-চারকারী নই, একজন প্রবাসীর সন্তান’ — সংবাদ সম্মেলনে এমরান হোসেন

    হারুন অর রশিদ,

    দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ
    ‘চোরাকারবারি ও মানব পাচারকারী’ হিসেবে সংবাদমাধ্যমে নিজের নাম উঠে আসায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার ইদুকোনা গ্রামের প্রবাসী আনোয়ার হোসেন’র পুত্র মো. এমরান হোসেন।
    বুধবার (৩ জুলাই ২০২৫)দুপুরে দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমি কোনো অপরাধে জড়িত নই। একটি মহল পরিকল্পিতভাবে আমাকে ও আমার পরিবারকে সামাজিকভাবে হেয় করতে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে।’
    সম্প্রতি কয়েকটি পত্রিকায় ‘মানব পাচারকারী এমরান হোসেন বিজিবির হাতে আটক’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনকে ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে এমরান বলেন, ‘আমার বাবা আনোয়ার হোসেন ৩৫ বছর ধরে সৌদি আরবে পরিশ্রম করে আমাদের পরিবারকে গড়ে তুলেছেন। আমি নিজেও সৎভাবে মোটরসাইকেলে পরিবহন কাজ করে জীবিকা চালাই। অথচ এখন আমাদের বিরুদ্ধে চোরাচালান, ইয়াবা পাচার, এমনকি ‘মহিষের পেটে ইয়াবা পাচার’—এই রকম হাস্যকর অভিযোগও তোলা হচ্ছে।’
    তিনি দাবি করেন, যাদের বিজিবি আটক করেছে তারা কেউই তাঁর পরিচিত নন। সংবাদে যেসব আত্মীয়ের নাম এসেছে, তারাও এসব কর্মকাণ্ডে জড়িত নন।
    এমরান হোসেন বলেন, ‘কোনো ধরনের সত্য প্রমাণ, ভিডিও ফুটেজ বা লেনদেনের তথ্য থাকলে প্রশাসন যেন তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেয়। আমি তদন্তে সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত, তবে গুজবের ভিত্তিতে আমার ও আমার পরিবারের সম্মান নষ্ট না হয়।’
    তিনি সংবাদমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ জানান—তথ্য যাচাই ছাড়া এমন মানহানিকর সংবাদ যেন আর প্রকাশ না হয়। একই সঙ্গে অপপ্রচার চালানো ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও তদন্ত ও আইনি পদক্ষেপের দাবি জানান।
    শেষে তিনি বলেন, ‘আমি একজন সাধারণ নাগরিক, প্রবাসীর সন্তান—সেই সম্মান নিয়েই বাঁচতে চাই।’
    সাংবাদিক সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিরাজ মিয়া, আজিম মিয়া, ইয়াকুব আলী, আব্দুছ সালাম, মহসিন প্রমুখ। এ সময় উপজেলায় কর্মরত গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • মহেশপুরে ফতেপুর ইউনিয়নে তারেক রহমান কর্তৃক রাষ্ট কাঠামো মেরামতের ৩১ দফার উপর আলোচনা সভা

    মহেশপুরে ফতেপুর ইউনিয়নে তারেক রহমান কর্তৃক রাষ্ট কাঠামো মেরামতের ৩১ দফার উপর আলোচনা সভা

    মহেশপুর (ঝিনাইদহ) সংবাদদাতাঃ-
    ৩ জুলাই বিকালে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ২নং ফতেপুর ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে ইউপির ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্দ্যোগে কৃষ্ণচন্দ্রপুর গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান কতৃক ১৩ই জুলাই ২০২৩ ইং তারিখে জাতির সামনে উপস্থাপিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফার উপর এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ শরিফুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ লাল মিয়ার নেতৃত্বে উক্ত ৩১ দফা রাষ্ট কাঠামো মেরামত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন মহেশপুর উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি মোঃ ওমেদুল ইসলাম (মাষ্টার) বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন ২ নং ফতেপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ গোলাম ফারুক খাঁন, সাধারণ সম্পাদক সেলিম রেজা, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ উমর আলী ভুইয়া, সিনিয়র যু্গ্ন সাধারণ সম্পাদক মীর মোঃ কবীর হোসেন, যুগ্ন সম্পাদক মোঃ সজল মিয়া, উপজেলা বিএনপির সেচ্চাসেবক দল যুগ্ন সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, ইউনিয়ন পর্যায়ে বিভিন্ন ওয়ার্ডের পুরুষ ও মহিলা দল সংগঠনের নেতৃৃবৃন্দ প্রমুখ৷ প্রধান অতিথি সহ সকল বক্তারা তাহাদের বক্তব্যে তারকে রহমানের রাষ্ট্র কাঠামো ৩১ দফা বাস্তবায়ন মেরামতের কথা তুলে ধরেন।
    এসময় উপজেলা বিএনপির সদস্য মোঃ শেরআলী বিশ্ব্যাস, উপজেলা তাঁতীদল সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম রেজা, ইউনিযন বিএনপির সাবেক সাধারণ ও সম্পাদক দলীল লেখক মোঃ আসাদুর রহমান, সাবেক কৃষকদল সভাপতি মোঃ মুজিবর রহমান, যুবদল নেতা মিজানুর রহমান, মকলেচুর রহমান, সাদ্দাম হোসেন, আয়নাল হক, রসুল মিয়া, লিটন হোসেন ও ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে দলীয় অঙ্গসংগঠনের শত শত নেতা কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

  • বানারীপাড়া পৌরশহরের সড়কগুলো এখন জনগনের জন্য ম-রন ফাঁ-দ

    বানারীপাড়া পৌরশহরের সড়কগুলো এখন জনগনের জন্য ম-রন ফাঁ-দ

    বিশেষ প্রতিনিধি।।

    বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার সড়কগুলোর কার্পেটিং উঠে গিয়ে খানাখন্দে পরিনত হয়েছে। সড়কগুলোতে ছোট বড় অসংখ্য পুকুরের মতো গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। যার কারনে সড়কে চলাচলরত যানবাহন প্রায় দিনই বিপদের সম্মূখিন হচ্ছে।এ থেকে ঘটতে পারে বড় কোনো দূর্ঘটনা।পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড থেকে ৯ নং ওয়ার্ড পর্যন্ত কোনো সড়কই মানুষের চলাচলের উপযুক্ত নেই।ফেরিঘাট থেকে বাসস্ট্যান্ড হয়ে হাসপাতালে প্রসূতি রোগী,বৃদ্ধ ও অন্যান্য অসুস্থ মানুষ চিকিৎসা নিতে আসে। কিন্তু সড়কের বেহাল দশা হওয়ার কারনে এসব মানুষ খরার উপরে মরার ঘা পরিস্থিতির শিকার হন।এছাড়াও ১ নং ওয়ার্ডের সকল সড়ক,২নং ওয়ার্ডের বন্দর বাজার হয়ে নাজিরপুর যাওয়ার বাইপাস ,কলেজ মোড় হয়ে নাজিরপুর যাওয়ার সড়ক,ডাকবাংলো হয়ে ৪,৫ ও ৭নং ওয়ার্ডে যাওয়ার সড়ক, বানারীপাড়া হাইস্কুলের সামনের ও পিছনের দুইটি বাইপাস,বানারীপাড়া কলেজ হয়ে হাইস্কুলে যাওয়ার সড়কসহ পৌরসভার সকল সড়কেরই এ বেহাল দশা।তাছাড়াও পৌরসভার ড্রেনেজ ব্যবস্থাও নিম্নমানের হওয়ার কারনে বিভিন্ন সড়ক,মাঠ ও জলাশয়ে পানিবদ্ধতার সৃস্টি হয়।পৌরসভায় রয়েছে একটি কলেজ,একটি আলিম মাদ্রাসা, একটি ফাজিল মাদ্রাসা,তিনটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়,দুইটি প্রাইমারি স্কুল, দুইটি কিন্ডারগার্টেন, কয়েকটি নূরাণী ও হাফেজি মাদ্রাসা।সড়কগুলোর অবস্থা খারাপ হওয়ায় এ প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার্থীদের নানা বিড়ম্বনায় পড়তে হয়।

    পৌরবাসী অভিযোগ করে বলেন নিয়মিত পৌর কর পরিশোধ করেও তারা পৌরসভা থেকে তেমন কোনো উন্নত সুযোগ সুবিধা ভোগ করতে পারছেন না।তারা এর কারণ হিসেবে জানান বিগত সরকারের সময়ে অনেক ঠিকাদার আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ বনে গেছেন।তারা পৌরসভা থেকে বিভিন্ন কাজের কন্টাক্ট নিয়ে নিম্নমানের কাজ করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।যার ভুক্তভোগী হয়েছেন পৌরসভায় বসবাসরত কয়েক হাজার জনগণ।

    সড়ক,ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও অন্যান্য সমস্যা সম্পর্কে পৌর প্রশাসক মোঃ আহসান হাফিজের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান যে সকল সড়কে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে তা মেরামত করা,ড্রেনগুলো পানি চলাচলের উপযুক্ত করাসহ অন্যান্য যে সকল সমস্যা আছে তা দ্রুত সমাধানের জন্য তিনি তার পৌর কর্তৃপক্ষ জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন।

  • মোংলায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে এনটিভির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

    মোংলায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে এনটিভির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

    বায়জিদ হোসেন,
    মোংলা প্রতিনিধি।
    মোংলায় আলোচনা সভা, কেক কাটা, র‍্যালী ও গাছের চারা বিতরণের মধ্যদিয়ে এনটিভির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে। এনটিভি ২২ বছর থেকে ২৩ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে ৩ জুন (বৃহস্পতিবার) সকালে স্থানীয় একটি অভিজাত হোটেলে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার সুমি। আর বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেভ দ্যা সুন্দরবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও বাগেরহাট জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম, মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ শাহীন, মোংলা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মানিক চন্দ্র গাইন, মোংলা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন পনি, মোংলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মনিরুল হায়দার ইকবাল ও মোংলা উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সাংবাদিক নুর আলম শেখ।
    এ সময় বক্তারা বলেন, এনটিভি আস্থা, বিশ্বাস ও ভালবাসার প্রতীক। এনটিভি তাদের অর্জিত সুনাম ধরে রেখেছে। আশা করছি আগামীতে এনটিভি আরো বেশি সমৃদ্ধ হবে। এনটিভির সংবাদ নিরপেক্ষতার কারণে দিনকে দিন জনপ্রিয়তা বেড়েই চলেছে।

    আলোচনা সভা শেষে আমন্ত্রিত অতিথিরা কেক কেটে এনটিভির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেন। এরপর এনটিভির পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয়। আর অনুষ্ঠান শেষে বের হয় এনটিভির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর র‍্যালী।র‍্যালীতে আমন্ত্রিত অতিথিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের লোকজন অংশ নেন। এছাড়া অনুষ্ঠানের শুরুতেই জুলাই শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

  • সাভারে আলোচিত চাঞ্চল্যকর হ-ত্যাকান্ডের প্রধান আসা-মীকে গ্রেফ-তার করেছে র‍্যাব

    সাভারে আলোচিত চাঞ্চল্যকর হ-ত্যাকান্ডের প্রধান আসা-মীকে গ্রেফ-তার করেছে র‍্যাব

    হেলাল শেখঃ ঢাকার সাভারের কাটপট্টিতে চাঞ্চল্যকর ও আলোচিত রুহুল আমিন হত্যাকান্ডের প্রধান আসামী শামীম (২৪) কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৪।

    বৃহস্পতি বার (০৩জুলাই ২০২৫ইং) দুপুরে র‍্যাব ৪ এর পক্ষ থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতর মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়। এর আগে গতকাল বুধবার (০২জুলাই) সন্ধ্যায় রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ থানার গোয়ালন্দ মোড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    র‍্যাব-৪ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, নিহত রুহুল আমিন (২৫) এর সাথে আসামী শামীম (২৪) এর তুচ্ছ ঘটনায় কথা কাটাকাটি ও মনোমালিন্য হয়। পরে উক্ত বিষয়ের জের ধরে গত ২৭ জুন ২০২৫ তারিখ দুপুরে সাভার থানার কামাল রোড সংলগ্ন কাটপট্টি নামক স্থানে গ্রেফতারকৃত আসামী নিহত মোঃ রুহুল আমিনকে হত্যার উদ্দেশ্যে দেশীয় অস্ত্র সুইচ গিয়ার চাকু দিয়ে পিঠের মাঝ বরাবর আঘাত করাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে এলোপাথাড়ি আঘাতে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। পরবর্তীতে পথচারীরা নিহত মোঃ রুহুল আমিনকে মূমুর্ষ অবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউতে ভর্তি করে,পরে ঔদিনই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রুহুল আমিন মৃত্যুবরণ করেন। এরপরে সাভার মডেল থানায় মামলা রেকর্ড হয়। র‍্যাব-৪ এই হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন এবং অপরাধীকে আটকের জন্য ছায়া তদন্ত শুরু করে।

    পরবর্তীতে সাভার থানার তদন্তকারী কর্মকর্তার অধিযাচন পত্রের প্রেক্ষিতে র‌্যাব-৪, সিপিসি-২ এবং র‌্যাব-১০, সিপিসি-৩ এর একটি যৌথ আভিযানিক দল ২জুলাই রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ থানার গোয়ালন্দ মোড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে হত্যা মামলার প্রধান আসামী শামীমকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানা যায়।

  • ঢাকার আশুলিয়ায় লা-শ পো-ড়ানোর মামলায় ৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফ-তারি পরো-য়ানা

    ঢাকার আশুলিয়ায় লা-শ পো-ড়ানোর মামলায় ৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফ-তারি পরো-য়ানা

    হেলাল শেখঃ জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে ঢাকার আশুলিয়ায় ছয়জনকে হত্যার পর লাশ পোড়ানোর মামলার সাবেক এমপি সাইফুল ইসলামসহ ১৬ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। এ সময় মামলার পলাতক সাবেক এমপি সাইফুল ইসলামসহ ৮ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

    বুধবার (২ জুলাই ২০২৫ইং) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন।

    এর আগে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আশুলিয়ায় ৬জনকে হত্যার পর মরদেহ পোড়ানোর মামলার ট্রাইব্যুনালে ১৭৩ পৃষ্টার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রারের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন।

    বুধবার সকালে ছয় মরদেহ পোড়ানোর এ মামলায় সাত আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করে পুলিশ। তারা হলেন- ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আব্দুল্লাহিল কাফী, ঢাকা জেলা পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত সুপার (সাভার সার্কেল) মো. শাহিদুল ইসলাম, তৎকালীন ওসি এএফএম সায়েদ, ডিবি পরিদর্শক মো. আরাফাত হোসেন, এসআই মালেক ও কনস্টেবল মুকুল।

    ২৪ জুন জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আশুলিয়ায় ছয় জনকে হত্যার পর মরদেহ পোড়ানোর মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিলের জন্য ২ জুলাই নির্ধারণ করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

    এর আগে গত ১৯ জুন এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পায় প্রসিকিউশন। এদিন, সকালে এই মামলায় গ্রেফতার পুলিশ কর্মকর্তা আবদুল্লাহ হিল কাফি, শাহিদুল ইসলামসহ ৭ জনকে হাজির করা হয় ট্রাইব্যুনালে।

    গ্রেফতারকৃতরা হলেন- ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আব্দুল্লাহিল কাফী, ঢাকা জেলা পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত সুপার (সাভার সার্কেল) মো. শাহিদুল ইসলাম, তৎকালীন ওসি এএফএম সায়েদ, ডিবি পরিদর্শক মো. আরাফাত হোসেন, এসআই মালেক ও কনস্টেবল মুকুল।

    গত বছরের ৫ আগস্ট সাভারের আশুলিয়ায় পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারান ৫ জন। একজন গুরুতর আহত হন। পরে ৫ জনের মরদেহ এবং আহত একজনকে পুলিশ ভ্যানে তুলে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলা হয়।

    প্রসিকিউশন জানায়, এ ঘটনায় ১১ সেপ্টেম্বর মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ এনে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা করা হয়। এদিকে সারা দেশের চেয়ে সবচেয়ে বেশি মামলা বাণিজ্য করা হয়েছে আশুলিয়ায়, মামলার ভুয়া বাদী সায়েব আলী জলিলসহ ভুয়া মামলায় সাধারণ মানুষ অনেকেই হয়রানি ও মামলা বাণিজ্যের শিকার হয়েছেন।

  • হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন: ধর্মীয় বন্ধন থেকে আইনি স্বীকৃতির পথে

    হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন: ধর্মীয় বন্ধন থেকে আইনি স্বীকৃতির পথে

    লিটন মাহমুদ, মুন্সীগঞ্জঃ
    বাংলাদেশে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে বিবাহ শুধু সামাজিক দায়িত্ব নয়, একটি ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক অনুষ্ঠান। দীর্ঘদিন ধরে ধর্মীয় আচার অনুসারে সম্পন্ন হওয়া বিবাহকে যথেষ্ট বলে বিবেচনা করা হলেও সময়ের পরিবর্তনে এখন এই সম্পর্কের আইনি স্বীকৃতি, সামাজিক নিরাপত্তা এবং নারীর অধিকার রক্ষার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। আজ এই সম্পর্কের শুধু ধর্মীয় নয়, আইনি ভিত্তিও অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। এই প্রেক্ষাপটে হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন একটি সময়োপযোগী ও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।হিন্দু বিবাহকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিতে যে আইনটি প্রণয়ন করা হয়েছে, তা এখন কেবল নথিভুক্তির বিষয় নয়—বরং নারী-পুরুষের সম্মান, অধিকার ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষার অন্যতম নিয়ামক।
    হিন্দুশাস্ত্র মতে বিবাহ: হিন্দুশাস্ত্র মতে, বিবাহ হলো সমগ্র জীবনে যে দশটি সংস্কার বা মাঙ্গলিক অনুষ্ঠান রয়েছে তার মধ্যে পবিত্র ও শ্রেষ্ঠ সংস্কার। এটি মানবজীবনের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় দায়িত্ব, যেখানে নারী ও পুরুষ সংসার ধর্ম পালন ও চারটি পুরুষার্থ—ধর্ম, অর্থ, কাম এবং মোক্ষ অর্জনের উদ্দেশ্যে একসঙ্গে পথচলা শুরু করে। বিবাহ নারী-পুরুষের মধ্যে ধর্মীয়, সামাজিক ও আধ্যাত্মিক বন্ধন স্থাপন করে এবং গৃহস্থ্য জীবনের সূচনা করে। এটি কেবল পারস্পরিক সম্পর্ক নয়, দুইটি পরিবারের মধ্যে আত্মিক বন্ধনও গড়ে তোলে।
    বাংলাদেশের হিন্দু বিবাহের প্রচলিত রীতি: বাংলাদেশে হিন্দু বিবাহ সাধারণত ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান অনুসরণ করেই অনুষ্ঠিত হয়। পুরোহিতের উপস্থিতিতে মন্ত্র পাঠ, মালাবদল, অগ্নিসাক্ষী, সাত পাক ঘোরা, সিঁথিতে সিঁদুরদান ইত্যাদি ধাপে বিবাহ সম্পন্ন হয়। এই আচারগুলো বিবাহের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং হিন্দু ধর্ম মতে পরিহার্য অঙ্গ হিসেবে বিবেচিত। তবে এসব বিবাহে ধর্মীয় রীতিতে সমাজে বৈধ বিবেচিত হলেও রাষ্ট্রের কাছে এর কোনো লিখিত স্বীকৃতি থাকত না।ফলে আইনি দলিল ছাড়া এই বিবাহ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পায় না।
    কেন প্রয়োজন হলো বিবাহ নিবন্ধন আইন: দেশের প্রচলিত আইনে মুসলিম, খ্রিস্টান ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের বিবাহ নিবন্ধনের বিধান থাকলেও হিন্দুদের ক্ষেত্রে এ ব্যবস্থা ছিল না। নিবন্ধন ছাড়া বিবাহের আইনি স্বীকৃতি না থাকায় বহু হিন্দু নারী ও সন্তান নানা সময়ে ভরণপোষণ, উত্তরাধিকার বা বৈধতার প্রশ্নে বঞ্চিত হন। স্বামী যদি সম্পর্ক অস্বীকার করেন বা হঠাৎ মারা যান, তবে নারীর হাতে কোনো লিখিত প্রমাণ না থাকায় আইনগত অধিকার হারিয়ে ফেলেন। এসব সমস্যার প্রতিকার ও নারীর অধিকার নিশ্চিত করতেই হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন প্রণয়নের দাবি ওঠে। এসব পরিস্থিতি বিবেচনায় এনে ২০১২ সালে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ প্রণয়ন করা হয়, যা ২০১৫ সালে জাতীয় সংসদে পাশ হয়।
    এই আইন কী এবং কাদের জন্য: আইন অনুযায়ী, হিন্দু রীতিতে সম্পন্ন বিবাহ নিবন্ধনের মাধ্যমে আইনি স্বীকৃতি পায়। এটি বাধ্যতামূলক না হলেও, যেকোনো হিন্দু ধর্মাবলম্বী নারী-পুরুষ এই আইনের আওতায় বিবাহ নিবন্ধন করতে পারেন। তবে শর্ত হলো—উভয় পক্ষকেই হিন্দু হতে হবে, এবং বিবাহ অবশ্যই ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হতে হবে।
    আধুনিক যুগে বিবাহ নিবন্ধনের সুবিধা: সমাজে নারীর অধিকার, সন্তানের ভবিষ্যৎ এবং দাম্পত্য জীবনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বিবাহ নিবন্ধন এখন সময়ের দাবি। এটি নারীকে প্রতারণা ও অবহেলার হাত থেকে রক্ষা করে, আইনি সুরক্ষা দেয় এবং সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করে।
    কী সুবিধা মেলে নিবন্ধনে: বিবাহের বৈধতা আইনত প্রতিষ্ঠা পায়। সন্তানের পরিচয় ও অধিকার নিশ্চিত হয়। স্বামী বা স্ত্রীর নামে সম্পত্তি দাবি করা সহজ হয়। পাসপোর্ট বা জাতীয় পরিচয়পত্রে স্বামী-স্ত্রীর নাম অন্তর্ভুক্তি সহজ হয়। আদালতে বিবাহ প্রমাণ সহজ হয়। ভবিষ্যৎ বিবাহবিচ্ছেদ, ভরণপোষণ বা সন্তান অভিভাবকত্বের ক্ষেত্রে সুবিধা মেলে।
    নিবন্ধন না করলে কী অসুবিধা: আদালতে বিবাহ প্রমাণ করতে ব্যর্থতা। নারী দাম্পত্য সম্পর্কের প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হন ফলে সম্পত্তি বা ভরণপোষণ দাবি জটিল হতে পারে। সন্তানদের জন্মনিবন্ধনে সমস্যার সৃষ্টি। সন্তানদের বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। সম্পত্তির উত্তরাধিকার, ভরণপোষণ, পেনশন দাবিতে জটিলতা দেখা দেয়। পাসপোর্ট বা জাতীয় পরিচয়পত্রে ‘ম্যারেড’ হিসেবে প্রমাণ অসম্ভব। বিদেশগমন বা সরকারি কাজে বিবাহিত পরিচয় প্রমাণ করা কঠিন হয়। ভবিষ্যতে আইনি লড়াইয়ে দুর্বলতা।
    নিবন্ধনের পদ্ধতি: সিটি কর্পোরেশন, জেলা বা উপজেলার হিন্দু বিবাহ নিবন্ধকের কাছে আবেদন করতে হয়।বিয়ের মন্ডপে বা বিয়ের পর পাত্র-পাত্রীর জাতীয় পরিচয়পত্র, ছবি, বিবাহের তারিখ, স্থান ও সাক্ষীদের তথ্যসহ নির্ধারিত ফি জমা দিতে হয়।
    শর্তাবলী: পাত্রের বয়স কমপক্ষে ২১ বছর এবং পাত্রী ১৮ বছর। উভয় পক্ষ হিন্দু হতে হবে। বিবাহ ধর্মীয় রীতিতে সম্পন্ন হতে হবে। উভয় পক্ষের সম্মতি আবশ্যক। পূর্বে বিবাহিত হলে উপযুক্ত কাগজপত্র (মৃত্যু সনদ বা বিচ্ছেদ দলিল) থাকতে হবে।
    বিবাহ বিচ্ছেদ সংক্রান্ত বিষয়: বাংলাদেশে হিন্দু বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য আলাদা বিধান না থাকলেও পারিবারিক আদালতের মাধ্যমে এ বিষয়ে মামলা করা যায়। তবে এখনো কোনো পৃথক “হিন্দু বিবাহ বিচ্ছেদ আইন” নেই, ফলে এ ক্ষেত্রে আদালতের ব্যাখ্যা ও পূর্বের রায় অনুসারে সিদ্ধান্ত হয়। বিচ্ছেদের পরে নারীরা স্বামীর নাম ব্যবহার বন্ধ করতে পারেন বা চালিয়ে যেতে পারেন, যা একান্তই তাঁদের পছন্দের ব্যাপার। বিচ্ছেদের পর স্বামী ভরণপোষণ দিতে বাধ্য, যদি স্ত্রী নিজে উপার্জনক্ষম না হন। সন্তানের দায়িত্ব—বিশেষ করে যদি সন্তান সাবালক না হয়—তা নির্ধারণ করে আদালত, যা সন্তানের সর্বোত্তম স্বার্থ বিবেচনা করেই হয়। বিচ্ছেদের পর পুনরায় বিবাহ করতে আইনি বাধা না থাকলেও, সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি এখনো অনেক ক্ষেত্রেই চ্যালেঞ্জ তৈরি করে, বিশেষত নারীদের জন্য।
    হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন ধর্মীয় বিশ্বাসে আঘাত না দিয়ে, বরং সম্পর্ককে একটি আইনি কাঠামোর মধ্যে এনে নারী-পুরুষ উভয়ের অধিকার নিশ্চিত করে। এটি হিন্দু সমাজের জন্য এক ইতিবাচক অগ

  • জুলাই- আগষ্ট গনঅ-ভ্যুত্থানের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে ইয়াতিমদের মাঝে জামায়াতের খাবার বিতরণ

    জুলাই- আগষ্ট গনঅ-ভ্যুত্থানের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে ইয়াতিমদের মাঝে জামায়াতের খাবার বিতরণ

    স্টাফ রিপোর্টারঃ
    কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসাবে ময়মনসিংহে জুলাই – আগষ্ট গনঅভ্যুত্থানের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে দরিদ্র, অসহায়, দুস্থ ও ইয়াতিমদের মাঝে খাবার বিতরণ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

    বৃহস্পতিবার ( ৩ জুলাই) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ময়মনসিংহ মহানগরী শাখার আয়োজনে
    নগরীর দিঘারকান্দা অবস্থিত আলমানার এতিমখানায় এ খাবার বিতরণ করা হয়।

    উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত হয়ে এতিমখানার শিক্ষার্থীদের মাঝে খাবার বিতরণ করেন
    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ময়মনসিংহ মহানগরীর সম্মানিত আমীর মাওলানা কামরুল আহসান এমরুল। এসময় উপস্থিত ছিলেন জুলাই আন্দোলনে ময়মনসিংহের শহীদ সাগরের সম্মানিত পিতা আসাদুজ্জামান আসাদ, মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক শহীদুল্লাহ্ কায়সার।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি মাওলানা এমরুল বলেন জুলাই আন্দোলন আমাদের জাতির জন্য এক বিরাট শিক্ষা, এটি থেকে আমাদের অনেক কিছু শিখার আছে। জুলাই আন্দোলনে এতোগুলা মানুষ জীবন দিয়েছে। তাদের একটি স্বপ্ন ছিল, তারা জুলুম ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে, তারা স্বপ্ন দেখতো একটি সুন্দর, বৈষম্যহীন, ইনসাফ ভিত্তিক সমজের। তাদের সেই স্বপ্ন এখন আমাদের বাস্তবতায়ন করতে হবে। যে জুলুম বিতাড়িত করার জন্য মানুষ জীবন দিয়েছে, পঙ্গুত্ববরণ করেছে সে জুলুম যেনো সমাজে কখনো আর মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে সে দিকে সবাই কে সতর্ক থাকতে হবে।
    এছাড়াও মহানগর জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব আল হেলাল তালুকদার, বায়তুল মাল সেক্রেটারি গোলাম মহসিন খান, অফিস সেক্রেটারি খন্দকার আবু হানিফ, যুব বিভাগের সভাপতি জনাব আব্দুল বারী, পরিবেশ সম্পাদক আজিজুর রহমান, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন ময়মনসিংহ মহানগরীর সভাপতি ওয়ালিওল্লাহ মুজাহিদ, কাচিঝুলি সাংগঠনিক থানার আমীর আবু কাউসার, কর্মপরিষদ সদস্য হায়দার করিম সহ অনেকে।
    এসময় একশত এর অধিক ইয়াতিমদেরে সাথে নিয়ে খাবার গ্রহণ করেন জামায়াতের নেতৃবৃন্দ।

  • জনগণের মর্যাদা, ন্যায়বিচার ও অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা রাজনীতি করি- ঘাগড়ায় এনসিপি নেতৃবৃন্দ

    জনগণের মর্যাদা, ন্যায়বিচার ও অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা রাজনীতি করি- ঘাগড়ায় এনসিপি নেতৃবৃন্দ

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    পরিবর্তনের জন্য তৃণমূলই মূল ভিত্তি”- ময়মনসিংহে এনসিপি নেতৃবৃন্দ ময়মনসিংহ জেলার সদর উপজেলা ১১নং ঘাগড়া ইউনিয়নে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আয়োজনে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। তৃণমূল পর্যায়ে নাগরিকদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত এ বৈঠকটি ছিল সম্পূর্ণ জনগণকেন্দ্রিক এবং অংশগ্রহণমূলক।

    বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন (এনসিপি) ময়মনসিংহ জেলা এবং সদর উপজেলা সমন্বয় কমিটির মো. জসিম উদ্দিন, এইচ. এম. মোকাররম আদনান, মাহবুব চৌধুরী মিথুন, আব্দুল আল মামুন ফরাজী প্রমূখ। যোদ্ধাহত সৈয়দ মুরসালিন।

    নেতৃবৃন্দরা বলেন, “একজন নাগরিক হিসেবে শিক্ষা, চিকিৎসা, কর্মসংস্থান ও নিরাপত্তা আপনার অধিকার। এই অধিকার রাষ্ট্র দিতে বাধ্য, (এনসিপি) সেই রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে যেখানে জনগণের ইচ্ছাই প্রাধান্য পাবে ।

    তারাকান্দা প্রজাপতখিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আল আমিন এর অনিয়মের কারনে ধংস হচ্ছে শিক্ষার পরিবেশ
    তিনি আরও বলেন, “আমরা রাজনীতি করি ক্ষমতার জন্য নয়, জনগণের মর্যাদা, ন্যায়বিচার এবং অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য। একটি সচেতন সমাজই পারে একটি সুন্দর পরিপাটি রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তুলতে।”

    জেলা কমিটির অন্যতম সদস্য এইচ. এম. মোকাররম আদনান উপস্থিত সবার উদ্দেশ্যে বলেন, “আপনারা আমাদের দাদী, নানী, চাচী, খালার, সমতুল্য আমরা আপনাদের সন্তান, নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে, আপনাদের উপর রাষ্ট্রের মৌলিক অধিকার গুলো ফিরিয়ে আনতে, আপনাদেরকে সজাগ করতে এসেছি , (এনসিপি) আপনার মৌলিক অধিকার গুলো আদায়ে সোচ্চার রয়েছে।”

    তিনি আরো বলেন, আপনাদের এই ঘাগড়া ইউনিয়ন ময়মনসিংহ সিটির এতো নিকটবর্তী হওয়া সত্ত্বেও আপনাদের চলাচলের মূল রাস্তা দেখে মনে হলো আমরা হাজার মাইল দূরে কোন এক অজপাড়া গাঁয়ে এসেছি, এই অবস্থার জন্য অনেকটা আপনারাই দায়ী, আপনারা আপনাদের অভিভাবক নির্ধারণ করতে ভুল করেছেন, গত দেড় যুগের ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারী সরকার এবং তার অনুসারীরা আপনাদের মৌলিক অধিকার হরণ করেছে, আপনাদের ভোটের অধিকার হরণ করে আপনাদের সম্পদে ভাগ বসিয়েছে, সাবেক চেয়ারম্যান, মেম্বাররা আপনাদের উপর জুলুম, নির্যাতন চালিয়েছে, আপনার ভোটে নির্বাচিত হয়ে রাষ্ট্রের সম্পদ চুরি করেছে , আপনার বাক স্বাধীনতাটুকু স্বৈরাচারী পেশিশক্তি ব্যবহার করে প্রতিবাদের আওয়াজ বন্ধ করে রেখেছে, আজ ২৪ এর জুলাই বিপ্লবের পরে আরেকটা গোষ্ঠী ঠিক সেই স্বৈরাচারী কায়দায় আবার ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠেছে, আপনারা যে কোন মূল্যে আপনার অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে, এই নব্য ফ্যাসিস্টকে প্রতিরোধ করবেন। আপনার মূল্যবান ভোট আপনিই চিন্তা ভাবনা করে সিদ্ধান্ত নিবেন , আপনার ভোট আপনি কাকে দিবেন , হোক সে আপনার স্বামী,ভাই, বাবা কিংবা নিকটবর্তী আত্মীয় কারো মিষ্টি কথায় প্রভাবিত না হয়ে নিজে ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করে কাকে ভোট দিলে আপনার আপনার সন্তানের আপনার প্রতিবেশীর এবং আপনার সমাজের উপকার হবে সেখানেই দিবেন।

    তিনি সমাজে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এলাকার তরুণ এবং মুরুব্বিদের সাথে গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশনা মূলক আলোচনা করেন এবং গ্রামের মূল চলাচলের রাস্তা দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্মাণ কাজ শুরু করার আশ্বাস দেন। জনগণের অধিকার আদায়ে যেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন , গ্রাম বাসির কাছে দোয়া চেয়েছেন।

    বৈঠকের মূল উদ্দেশ্যসমূহ, নারীদের রাজনৈতিক মৌলিক অধিকার আদায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি, মৌলিক অধিকার সম্পর্কে ধারণা প্রদান, এনসিপির দৃষ্টিভঙ্গি ও কার্যক্রম তুলে ধরা, জনগণের অভিযোগ ও সমস্যার সরাসরি শোনার উদ্যোগে সমাধানের পথ দ্রুত খুঁজে পাওয়া।

    উঠান বৈঠকে নারীদের বড় একটি অংশ অংশগ্রহণ করেন এবং গ্রামে বিভিন্ন সামাজিক, অর্থনৈতিক সমস্যা তুলে ধরেন। এনসিপি নেতৃবৃন্দ এসব সমস্যার প্রতি সহানুভূতির সাথে মনোযোগ দেন এবং দ্রুত সময়ের সমাধানের আশ্বাস দেন।

    ছবিতে দেখা যায়, উঠানে গোলাকারে বসে নেতৃত্ব দিচ্ছেন এনসিপি নেতারা এবং উৎসুক জনতা খুব আবেগ এবং মনোযোগ দিয়ে কথা শুনছেন। তাদের সমস্যা গুলো তুলে ধরেন ।

    এনসিপির বার্তা, “পরিবর্তনের জন্য তৃণমূলই মূল ভিত্তি”

    এ ধরনের গণমুখী বৈঠক প্রমাণ করে, (এনসিপি) শুধু একটি রাজনৈতিক দল নয়, বরং এটি একটি গণজাগরণের আন্দোলন। এনসিপি বিশ্বাস করে, নাগরিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই একটি উন্নত, মানবিক ও সুবিচারভিত্তিক রাষ্ট্র গঠন করা।

  • বাঙ্গরায় একই পরিবারের তিন মা-দক ব্যাবসায়ীকে এলাকাবাসীর পি-টিয়ে হ-ত্যা

    বাঙ্গরায় একই পরিবারের তিন মা-দক ব্যাবসায়ীকে এলাকাবাসীর পি-টিয়ে হ-ত্যা

    মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন,

    কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা থানার কড়াইবাড়ি গ্রামে মাদক সংশ্লিষ্টতার জের ধরে নারীসহ একই পরিবারের ৩ জনকে পিটিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। 

    আজ বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার বাঙ্গরা থানার আকবপুর ইউনিয়নের কড়াইবাড়ি গ্রামে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।

    এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাঙ্গরা বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজুর রহমান।

    এদিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে বাঙ্গরা বাজার থানার উপপরিদর্শক মো. নাহিদ জানান, এ ঘটনায় নিহত হয়েছেন রুবি বেগম (৫৮), তার ছেলে রাসেল (৩৫) ও মেয়ে জোনাকি আক্তার (২৭)।

    এ বিষয়ে বাঙ্গরা বাজার থানার ওসি মাহফুজুর রহমান বলেন, গ্রামবাসীরা অভিযোগ করেছেন, এ তিনজন দীর্ঘদিন ধরে মাদক চোরাকারবারের সঙ্গে জড়িত।

    তিনি আরও বলেন, স্থানীয়রা তাদের পিটিয়ে হত্যা করেছেন। আমরা ঘটনা তদন্ত করছি। এ নিয়ে এলাকায় সামান্য উত্তেজনা থাকলেও পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। 

    সেখানে অতিরিক্তি পুলিশ মোতায়ন রয়েছে বলেও জানান বাঙ্গরা বাজার থানার ওসি।

    মুরাদনগর থানার ওসি জাহিদুর রহমান বলেন, কড়াইবাড়ি গ্রামে একই পরিবারের তিনজনকে পিটিয়ে হত্যা করার ঘটনা ঘটেছে। কুমিল্লার পুলিশ সুপার নজির আহম্মেদ খান এরই মধ্যে ঘটাস্থলে পৌঁছেছেন। স্থানীয়রা সাংবাদিক দের জানান এই পরিবার ক্ষুদ্র থেকে কোটি পতি মাদককার করে সমাজের তরুনপ্রজম্মকে নষ্ট করে জাতিকে অন্দকারে নিয়ে যাচ্ছে, বারবার স্থানীয় প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে ব্যার্থ হয়েছে।