Blog

  • চবি শিক্ষার্থী অর্পিতা শীলের চোখে সুন্দরবনের ঢাংমারী: জীব-নসংগ্রাম ও আ-তঙ্কে জ-র্জরিত জেলেপল্লী

    চবি শিক্ষার্থী অর্পিতা শীলের চোখে সুন্দরবনের ঢাংমারী: জীব-নসংগ্রাম ও আ-তঙ্কে জ-র্জরিত জেলেপল্লী

    মিঠুন সাহা, চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি

    সুন্দরবনের ঢাংমারী: তিন দিনের সফরে দেখা সংগ্রামী জীবন। আমাদের সুন্দরবন সফর ছিল তিন দিনের। আমাদের সেশনের সবাই গিয়েছিলাম।তবে ম্যাম আমাদের গ্রুপ হিসেবে ভাগ করে দিয়েছিলো। মোট ১০ জন শিক্ষার্থী ছিলাম—আমি, সাদিয়া, সুমাইয়া, সামান্তা, লাবণি, মৌমিতা, রাফি, দিপ্ত হাসিব,মেহেজাবিন,সানজিদা। আমাদের সঙ্গে ছিলেন দুইজন নির্দেশক ম্যাম। সফরের উদ্দেশ্যে আমরা ৪ জানুয়ারি ২০২৬, সন্ধ্যা ৫টায় রওনা দিই এবং ৭ তারিখ রাতের দিকে ফিরে আসি।

    প্রতিটি দিনই নতুন কিছু শেখার, নতুন কিছু দেখার অভিজ্ঞতায় ভরা ছিল। তবে শেষ দিনের অভিজ্ঞতা ছিল একেবারেই আলাদা—হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়ার মতো। আমরা জরিপ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাগেরহাট জেলার সুন্দরবনের করমজল সংলগ্ন এক জেলেপল্লিতে পৌঁছালাম। গ্রামের নাম ঢাংমারী। মোংলা বন্দর থেকে প্রায় ৩০-৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই জনপদটি যেন অবহেলা ও বঞ্চনার এক নীরব দলিল।

    গ্রামে ঢুকতেই বোঝা গেল, এখানকার মানুষের জীবন কতটা সংগ্রামী। বাইরে থেকে কেউ আসলেই তাদের চোখে ভেসে ওঠে এক রকম আশা—কেউ হয়তো সাহায্য নিয়ে এসেছে। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। সবচেয়ে বেশি সহায়তার প্রয়োজন যাদের, তাদের কাছে সাহায্য খুব কমই পৌঁছায়।

    ঢাংমারীর মানুষের খাবার-জলের প্রধান উৎস হলো বৃষ্টির পানি। তারা সারাবছর বৃষ্টির পানি জমিয়ে রাখে, সেটুকুই পানীয় হিসেবে ব্যবহার করে। শীতকালে পর্যাপ্ত পোশাকও নেই অনেকের। জীবিকা মূলত মাছ ধরা বা সামান্য চাষাবাদে নির্ভর। তবে লবণাক্ত মাটির কারণে চাষাবাদের সুযোগও সীমিত।

    সবচেয়ে ভয়ঙ্কর হলো কুমিরের আতঙ্ক। আমরা এমন এক ব্যক্তির সঙ্গেও পরিচিত হলাম, যিনি মাছ ধরার সময় কুমিরের আক্রমণে আহত হয়েছেন। ভাগ্যক্রমে বেঁচে গিয়েছেন, কিন্তু পরবর্তীতে চিকিৎসার জন্য আশপাশে কোনো স্বাস্থ্যকেন্দ্র নেই। চিকিৎসা নিতে হলে দূরের মোংলা শহরে যেতে হয়, যা অনেকের জন্য প্রায় অসম্ভব।

    শিক্ষার অবস্থা করুণ। গ্রামের স্কুল সর্বোচ্চ পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত। তাও অনেক শিশু আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে এই সামান্য সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হয়। ফলে অল্প বয়সেই জীবনের দায়িত্ব কাঁধে নিতে হয় তাদের।

    চরম দারিদ্র্য আর বন্যপ্রাণীর ভয়—এই দুইয়ের মধ্যে প্রতিদিন কাটে ঢাংমারীর মানুষের জীবন। দুঃখজনকভাবে, স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী মহল তাদের “সুন্দরবনের বানর” বলে অবমাননাকরভাবে অভিহিত করে।

    ঢাংমারীর মানুষের জীবনকাহিনী শুধু করুণ নয়, এটি আমাদের সমাজের এক নির্মম প্রতিচ্ছবি। উন্নয়ন ও সভ্যতার আলো থেকে বহু দূরে থাকা এই জনপদ আজও অপেক্ষায়—মানবিক সহানুভূতি, মৌলিক অধিকার এবং রাষ্ট্রীয় সহায়তার।

    অর্পিতা শীল
    ——- শিক্ষার্থী
    বিভাগ: প্রাণীবিজ্ঞান
    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
    সেশন; ২০২২-২০২৩

  • দুর্গাপুরে ড্রেজার মেশিন জ/ব্দ ও ভা/সমান ভেলা ধ্বং/স

    দুর্গাপুরে ড্রেজার মেশিন জ/ব্দ ও ভা/সমান ভেলা ধ্বং/স

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার দেলুয়াবাড়ী ইউনিয়নের (ইউপি) আমগ্রামে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) লায়লা নুর তানজু।এ সময় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় বালু তোলার কাজে ব্যবহৃত একটি ড্রেজার মেশিন জব্দ এবং পাইপ ও একটি ভাসমান ভেলা ধ্বংস করা হয়।
    এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) লায়লা নূর তানজু বলেন, “ভূমি ও পরিবেশ রক্ষায় সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। অনুমোদনহীন পুকুর খনন, অবৈধ মাটি ও বালু উত্তোলন বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।
    এদিকে একাধিকবার অভিযান চলিয়ে অবৈধ পুকুর খনন ও ফসলি জমির উপরিভাগের উর্বরা মাটি (টপসয়েল) কাটা প্রতিরোধ এবং ফসলি জমি রক্ষা ও অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করায়,সাধারণ মানুষ অভিযানের ভুয়সী প্রশংসা করে অভিযান চলমান রাখার অনুরোধ করেছেন।

  • ঝিনাইদহে তিনদিন ব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি মেলা উদ্বোধন

    ঝিনাইদহে তিনদিন ব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি মেলা উদ্বোধন

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধি।।
    ঝিনাইদহে তিনদিন ব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি মেলা উদ্বোধন করা হয়। উপজেলা পরিষদ চত্বরে মেলার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাসউদ। মেলায় সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষি উদ্যোক্তা ও তরুণ কৃষি উদ্ভাবকরা নিজ নিজ স্টল প্রদর্শন করছেন। মেলা উপলক্ষ্যে সদর উপজেলা কৃষি অফিস চত্বর থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়। পরে মেলা চত্বরে উদ্বোধনী সভা অনুষ্ঠিত হয়।সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নূর এ নবী’র সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা পুলিশ সুপার মো. মাহফুজ আফজাল, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মো. কামরুজ্জামান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হোসনেআরা, ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সভাপতি আসিফ ইকবাল মাখন, সাধারন সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লিটন, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি এমএ কবির, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা জুনায়েদ হাবিব, উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মফিজ উদ্দিন সহ কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও তরুণ কৃষি উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।
    সদর উপজেলা কৃষি অফিস জানিয়েছে, যশোর অঞ্চলে টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় এ কৃষি প্রযুক্তি মেলা শুরু হয়েছে। মেলায় মোট ১৮টি স্টল বসানো হয়েছে। সদর উপজেলার তরুণ কৃষি উদ্যোক্তারা নানা ধরণের আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর কৃষি উদ্ভাবন ও চাষাবাদ কৌশল প্রদর্শন করেছেন।মেলায় পারিবারিক সবজি পুষ্টি বাগান, নিরাপদ ঔষধি ফসল, নিরাপদ মাশরুম উৎপাদন, ফুল প্রদর্শনী, নিরাপদ উচ্চমূল্য ফল চাষ প্রদর্শনী স্টল বসানো হয়েছে। এ ছাড়া উচ্চমূল্য মসলা, সবজি, কৃষি প্রযুক্তি গ্রাম, শস্যচিত্রে ঝিনাইদহ সহ বিভিন্ন স্টল মেলায় প্রদর্শন করা হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মাসউদ বলেন, ঝিনাইদহে সব ধরণের ফসলের চাষাবাদ অত্যন্ত ভালো হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগ কম হওয়ায় এই জেলা কৃষিপণ্য উৎপাদনে দারুণ অবদান রেখে চলেছে। আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও কৃষি পদ্ধতিতে তরুণরা আগ্রহী হচ্ছে। এতে আমাদের কৃষি সমৃদ্ধ হবে।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।।

  • নড়াইলে অ/ভিযান চলাকালে নদীতে অ/বৈধ জাল জব্দ করে বি/নষ্ট

    নড়াইলে অ/ভিযান চলাকালে নদীতে অ/বৈধ জাল জব্দ করে বি/নষ্ট

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলের কালিয়ায় অবৈধ জাল জব্দ করে বিনষ্ট। মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন–১৯৫০ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নড়াগাতী এলাকার কলাবাড়িয়া ইউনিয়নের নলিয়া নদীতে অবৈধ জালের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, রোববার (১১ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা চয়ন বিশ্বাসের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এ অভিযানে নড়াগাতী থানা পুলিশের একটি টিম সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে।
    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, নড়াইলের কালিয়া উপজেলার অভিযান চলাকালে নলিয়া নদীতে অবৈধ ভাবে ব্যবহৃত বিভিন্ন প্রকার নিষিদ্ধ জাল শনাক্ত করা হয়। এ সময় নদী থেকে মোট সাতটি চায়না দুয়ারি জাল ও ৫টি চরঘেরা জাল জব্দ করা হয়। এসব জাল নদীর স্বাভাবিক মাছের প্রজনন প্রক্রিয়াকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করার পাশাপাশি জলজ জীব বৈচিত্র্যের জন্য গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করছিল। পরে উদ্ধার করা অবৈধ জালগুলো জনসম্মুখে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়। এ অভিযানের মাধ্যমে নদীতে মাছের অবাধ চলাচল নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে কালিয়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা চয়ন বিশ্বাস বলেন, অবৈধ ও নিষিদ্ধ জাল ব্যবহারের ফলে নদী ও খালের মাছের বংশবিস্তার মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও আইন বাস্তবায়নের স্বার্থে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে। তিনি জেলেদের নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • র‌্যাব-১২ এর অ/ভিযানে সা/জাপ্রাপ্ত প/লাতক আসামী গ্রে/ফতার

    র‌্যাব-১২ এর অ/ভিযানে সা/জাপ্রাপ্ত প/লাতক আসামী গ্রে/ফতার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানি, সিরাজগঞ্জ এর অভিযানে মাদক মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী গ্রেফতার করা হয়েছে।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়াড়ি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে।

    ১। গত ০২ মার্চ ২০২০ খ্রিঃ তারিখে আসামী মোঃ সোনা, পিতা- মৃত ইসলাম, সাং-সাহেদ নগর বেপারীপাড়া, থানা- সদর, জেলা- সিরাজগঞ্জ এর বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জ সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে একটি মাদক মামলা দায়ের হয়। যার মামলা নং-১০, ধারা- ২০১৮ সনের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ৩৬(১) এর ৮(গ)। উক্ত মামলার বিচার কাজ শেষে বিজ্ঞ অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত নং-০১, সিরাজগঞ্জ উক্ত মামলায় অভিযুক্ত মোঃ সোনাকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং ২০,০০০/-টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরো ০৬ মাস বিনাশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত করে। রায় হওয়ার পর থেকেই উক্ত মামলার আসামী মোঃ সোনা দেশেরে বিভিন্ন প্রান্তে পরিচয় বদলে আত্মগোপনে থাকেন বলে তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

    ২। এরই ধারাবাহিকতায় অধিনায়ক র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় গত ১১ জানুয়ারী ২০২৬ খ্রিঃ, বিকাল ১৬.৪০ ঘটিকায় র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানির একটি চৌকস আভিযানিক দল ‘‘সিরাজগঞ্জ জেলার সদর থানাধীন বাজার স্টেশন’’ এলাকা হতে একটি অভিযান পরিচালনা করে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী মোঃ সোনাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

    ৩। গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ সোনা, পিতা- মৃত ইসলাম, সাং-সাহেদ নগর বেপারীপাড়া, থানা- সদর, জেলা- সিরাজগঞ্জ।

    ৪। গ্রেফতারকৃত আসামীকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে সিরাজগঞ্জ জেলার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অ-সামাজিক কার্যকলাপে ধ্বং/স করছে যুবসমাজ-কি করছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন?

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অ-সামাজিক কার্যকলাপে ধ্বং/স করছে যুবসমাজ-কি করছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন?

    হেলাল শেখঃ সারাদেশে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহারে যুবসমাজ ধীরে ধীরে ধ্বংসের পথে ধাবিত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে সচেতন মহলের।

    ফেসবুক, টিকটক, ইউটিউবসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে অবাধে ছড়িয়ে পড়া অসামাজিক ও অশালীন ভিডিও যুবসমাজের নৈতিক অবক্ষয়ের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করছেন অভিভাবক ও সমাজ বিশ্লেষকরা।সচেতন মহলের দাবি, এসব ভিডিও দেখে অনেক তরুণ-তরুণী বাস্তব জীবন থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়ছে। পড়াশোনায় মনোযোগ কমে যাচ্ছে, নেশা ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার প্রবণতা বাড়ছে। ভালো কোনকিছু ভাইরাল হয় না। খোলামেলা ভিডিও বা ছবি দ্রুত ভাইরাল হয়।

    বিশেষ করে কিশোর বয়সীরা সহজেই এসব কনটেন্টের প্রভাবে ভুল পথে পরিচালিত হচ্ছে।
    একাধিক অভিভাবক জানান, স্মার্টফোন ও ইন্টারনেটের সহজলভ্যতার কারণে সন্তানদের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। ঘরের ভেতরেই বসে তারা এমন সব ভিডিও দেখছে, যা তাদের মানসিক ও সামাজিক বিকাশে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে।

    এ বিষয়ে মানবাধিকার ও সমাজকর্মীরা বলেন, শুধুমাত্র আইন প্রয়োগ নয়, পরিবার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে একযোগে ভূমিকা রাখতে হবে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে সচেতনতা বাড়ানো এবং অশালীন কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।

    সচেতন মহল ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে এর ভয়াবহ প্রভাব পুরো সমাজকে গ্রাস করতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। আগামী প্রজন্ম কোনদিকে অগ্রসর হতে চলেছে তা কেউই বলতে পারিনা।

  • আশুলিয়ায় মোটরসাইকেলসহ দু-র্ধর্ষ চো-র একে খান নিত্র’কে গ্রে-ফতার করেছে থানা পুলিশ

    আশুলিয়ায় মোটরসাইকেলসহ দু-র্ধর্ষ চো-র একে খান নিত্র’কে গ্রে-ফতার করেছে থানা পুলিশ

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ার ধামসোনা ইউনিয়নের ভাদাইল এলাকা থেকে মোটরসাইকেলসহ এক দুর্ধর্ষ চোরকে গ্রেফতার করেছে আশুলিয়া থানা পুলিশ।

    সোমবার (১২ জানুয়ারি ২০২৬ইং) সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টার দিকে আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহমুদুল ইসলামের নেতৃত্বে একদল চৌকস পুলিশ অভিযান চালিয়ে ভাদাইল এলাকা থেকে একে খান নিত্র (১৯) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করে। এ সময় তার কাছ থেকে পুলিশ লেখা একটি কালো রঙের মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।
    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এর আগে আশুলিয়া থানার ভেতরসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে একাধিক মোটরসাইকেল চুরির ঘটনা ঘটে। দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগ থাকায় পুলিশ নজরদারি জোরদার করে অভিযান পরিচালনা করে।

    এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার এসআই মাহমুদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, মোটরসাইকেল চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য নিত্র’কে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামিকে থানায় এনে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান। সেই সাথে এই চক্রের সাথে আরও কে কে জড়িত তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

  • মুকসুদপুর উপজেলার বিভিন্ন ভোট কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন ডিসি, এসপি ও অস্থায়ী সেনা ক্যাম্প কমান্ডার

    মুকসুদপুর উপজেলার বিভিন্ন ভোট কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন ডিসি, এসপি ও অস্থায়ী সেনা ক্যাম্প কমান্ডার

    কে এম সাইফুর রহমান,
    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার বিভিন্ন ভোট কেন্দ্র সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক (উপসচিব) মোঃ আরিফ-উজ-জামান, জেলা পুলিশ সুপার মোঃ হাবীবুল্লাহ ও গোপালগঞ্জ জেলার অস্থায়ী সেনা ক্যাম্প কমান্ডার (১৯ ই বেঙ্গল) লে. কর্নেল জেড এম মাবরুকূল ইসলাম, পিএসসি।

    আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১০ টায় মুকসুদপুর উপজেলায় পৌঁছে তারা প্রথমে বাটিকামারী উচ্চ বিদ্যালয়, এরপর বড় বনগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং তারপর গোলাবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

    এ সময় জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ অলিউল ইসলাম, মেজর জুভিন ওয়াহিদ, সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদ আশিক কবির, সহকারী পুলিশ সুপার (মুকসুদপুর সার্কেল) নাফিছুর রহমান, অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ নূরু আমীন সহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • সলঙ্গায় নির্বাচনী সচেতনতায় উঠান বৈ/ঠক

    সলঙ্গায় নির্বাচনী সচেতনতায় উঠান বৈ/ঠক

    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
    সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট বিষয়ক প্রচারণার অংশ হিসেবে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।গতকাল সকাল ১০ টায় ৩নং ধুবিল ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে পরিষদ চত্ত্বরে এ বৈঠক হয়।সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আইসিটি অফিসার ও ধুবিল ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ইঞ্জি: মোহায়মেনু।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট বিষয়ক প্রচারণা,নির্বাচনী আচরণবিধি সম্পর্কে অবহিতকরণ,পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানে উদ্বুদ্ধকরণ,নির্বাচনকালীন বিভ্রান্তি,মিথ্যা ও গুজব প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত বক্তব্য রাখেন, রায়গঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাসুদ রানা,উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার শরিফুল ইসলাম,সমাজসেবা অফিসার ইলিয়াস হাসান শেখ,উপজেলা প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম,সহকারী প্রকৌশলী (বিএডিসি) আনন্দ বর্মন।উঠান বৈঠকে  ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বর,অন্যান্য  কর্মকর্তাসহ ইউনিয়নের শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ গ্রহণ ।

  • পঞ্চগড়ের তালমা নদী যেন বালু লু/টের আ/খড়া , প্রশাসন নি/রব

    পঞ্চগড়ের তালমা নদী যেন বালু লু/টের আ/খড়া , প্রশাসন নি/রব

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় প্রতিনিধি :

    পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাফিজাবাদ ইউনিয়নের ফকিরপাড়া এলাকায় তালমা নদী এখন যেন অবৈধ বালু লুটের খোলা মাঠে পরিণত হয়েছে। দিনের আলোতে, প্রকাশ্যেই কোনো প্রকার বৈধ ইজারা বা অনুমতি ছাড়াই নদী থেকে অবাধে বালু উত্তোলন চলছে যেন দেখার কেউ নেই।

    সরেজমিনে দেখা যায়, নদীর বুক চিরে প্রতিনিয়ত বালু তোলা হচ্ছে। আশঙ্কাজনক বিষয় হলো, নদীর নিকটে স্থাপিত ছিন্নমূল শিশুদের জন্য গড়ে ওঠা শিক্ষা ও আশ্রয়কেন্দ্র আহ্ছানিয়া মিশন শিশু নগরী। অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে নদীপাড় দুর্বল হয়ে পড়ছে, যে কোনো সময় বড় ধরনের ভাঙনে এই মানবিক প্রতিষ্ঠানটি চরম ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

    উত্তোলিত বালু তালমা–আমকাঠাল সড়কের পাশেই স্তূপ করে রাখা হচ্ছে। সড়কের অধিকাংশ অংশজুড়ে বালু বোঝাই ট্রাক সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকে এবং ভ্যাকু মেশিন দিয়ে প্রকাশ্যে বালু লোড করা হয়। এতে পথচারী ও যানবাহন চলাচল মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

    একজন পথচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করি। ট্রাক আর মেশিনের ভিড়ে কখন কী ঘটে বলা যায় না। দুর্ঘটনা হলে দায় নেবে কে?

    স্থানীয় এক বাসিন্দার অভিযোগ, এই বালু তোলার কাজ নতুন না। বহুদিন ধরে চলছে। সবাই জানে, কিন্তু প্রশাসন যেন কিছুই জানে না এটাই সবচেয়ে প্রশ্নের।

    এলাকাবাসীর প্রশ্ন অবৈধ বালু উত্তোলন এত প্রকাশ্যে চললেও কেন কোনো অভিযান নেই?
    কার ইশারায় এভাবে প্রকাশ্যে নদী ধ্বংস করা হচ্ছে? শিশু নগরীর মতো সংবেদনশীল স্থাপনার নিরাপত্তার দায় কে নেবে?

    তালমা বালু মহলের ইজারাদার শাহজাহান আলী বলেন, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিষয়টি তিনি আগেই প্রশাসনকে অবহিত করেছেন। গত ১৬ অক্টোবর তিনি এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সহকারী কমিশনার (ভূমি)—এসিল্যান্ড মহোদয়কে অবগত করলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

    শাহজাহান আলী আরও বলেন, আমিও চাই তালমা নদী থেকে সব ধরনের অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ হোক। যারা এ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনা হোক। প্রশাসনের সহযোগিতা ছাড়া এককভাবে এসব অবৈধ কার্যক্রম ঠেকানো সম্ভব নয়।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী একটি চক্র দিনের পর দিন নদী লুটে নিচ্ছে, আর প্রশাসনের নীরবতা সেই অপকর্মকে আরও উৎসাহিত করছে।

    এ বিষয়ে পঞ্চগড় সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহন মিনজি বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই আমরা ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তাকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছিলাম। এরপর আর কোনো লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ না পাওয়ায় পরবর্তী কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।

    এখনই কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে তালমা নদী ধ্বংসের পাশাপাশি শিশু নগরীসহ আশপাশের জনপদ ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে পড়বে এমন আশঙ্কাই করছেন সচেতন মহল।