Blog

  • ভালুকায় ট্রি-পল মা-র্ডার মামলার প্রধান আ-সামি গাজীপুরে গ্রে-ফতার

    ভালুকায় ট্রি-পল মা-র্ডার মামলার প্রধান আ-সামি গাজীপুরে গ্রে-ফতার

    রাসেল শেখ।

    গাজীপুর প্রতিনিধিঃ
    ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় মা ও দুই সন্তানকে হত্যা মামলার প্রধান আসামি নজরুল ইসলামকে (৩২) গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জয়দেবপুর রেলওয়ে জংশন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে রেলওয়ে পুলিশ।

    জয়দেবপুর রেলওয়ে জংশন পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাদির উজ-জামান জানান, ভালুকা থানা থেকে মেসেজ দেওয়া হয় দুই সন্তান ও তাদের মাকে হত্যার পর নজরুল ইসলাম জয়দেবপুর রেলওয়ে স্টেশনে অবস্থান করছে। পরে পুলিশ স্টেশনের চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে।

    এ সময় নজরুল ইসলামের ছবি দেখে তাকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে ভালুকা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    আসামি নজরুল ইসলাম ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মা ও দুই সন্তানকে হত্যার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছে।  

    এর আগে সোমবার (১৪ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ভালুকা পৌরসভার সাত নম্বর ওয়ার্ড পনাশাইল রোড এলাকার ভাড়া বাসা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

    নিহতরা হলেন, নেত্রকোনার কেন্দুয়া থানার জেনের বাজার এলাকার রফিকুল ইসলামের স্ত্রী ময়না আক্তার (২৫) এবং তাদের মেয়ে রাইসা (৭) ও ছেলে নিরব (২)।  

    পুলিশ জানায়, ভালুকায় সপরিবারে বাসা ভাড়া থেকে রফিকুল ইসলাম একটি স্পিনিং কারখানায় চাকরি করেন। তাদের সঙ্গে থাকেন রফিকুলের ছোট ভাই নজরুল ইসলাম। ওইদিন সকালে রফিকুল কর্মস্থল থেকে বাসায় গিয়ে দেখে গেটের দরজায় তালা ঝুলছে। ডাকাডাকি করেও কারো সাড়া না পেয়ে তালা ভেঙে ভেতরে গিয়ে দেখেন তার স্ত্রী ও দুই সন্তান গলা কাটা অবস্থায় পড়ে আছে।

  • বিচার বিভাগীয় সচিবালয়ের দাবীতে পঞ্চগড়ে আইনজীবীদের মানববন্ধন

    বিচার বিভাগীয় সচিবালয়ের দাবীতে পঞ্চগড়ে আইনজীবীদের মানববন্ধন

    বাবুল হোসেন,
    পঞ্চগড় প্রতিনিধি :

    আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় স্বতন্ত্র বিচার বিভাগীয় সচিবালয়ের দাবীতে পঞ্চগড় জেলা জজ আদালতের আইনজীবী চত্বরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
    ১৫ জুলাই মঙ্গলবার সকালে পঞ্চগড় জেলা জজ আদালত চত্বরে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। পঞ্চগড় জেলা আইনজীবী সমিতি মানববন্ধনের আয়োজন করে।
    জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এ্যাডভোকেট আদম সুফি’র সভাপতিত্বে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
    মানববন্ধনে বক্তব্য দেন জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এ্যাডভোকেট আদম সুফি ,পঞ্চগড় জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এডভোকেট নাজমুল ইসলাম কাজল, জেলা আইনজীবী সমিতির আহবায়ক কমিটির আহবায়ক এডভোকেট মাহবুবুর রহমান, সদস্য এডভোকেট মির্জা আমিরুল ইসলাম, সদস্য এডভোকেট গোলাম হাফিজ, এডভোকেট আহসান হাবিব, জেলা জজ আদালতের জিপি এডভোকেট এমএ বারি।
    বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের সংস্কারের জন্য বিচার বিভাগকেও সংস্কার করতে হবে। দীর্ঘ সময় ধরে চরে আসছে। হাইকোর্ট বিভাগ, বিচার বিভাগকে নিয়ে আলাদা সচিবালয় গঠন করতে হবে।
    জনগনের ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য ও বিচারকদের জন্য আলাদা সচিবালয় হলে কেউ হস্তক্ষেপ করতে পারবে না। এরআগে বিগত সরকার বিচার বিভাগকে নিজেদের মত করে ব্যবহার করেছে। প্রতিটি সেক্টরে আলাদা করে বিচার বিভাগ রাখার নিয়ম থাকলও বিচার বিভাগের জন্য আলাদা বিচার বিভাগ নেই। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা থাকলে কেউ বিনা বিচারে জেলে যাবেনা। পৃথক বিচার বিভাগ না থাকলে একটি বিভাগকে টেলাঠেলি করতে থাকে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে পৃথক বিচার বিভাগকে আলাদা করা প্রয়োজন। আইন মন্ত্রনালয় আইন ও বিচার বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করে। আমাদের দাবি আইন বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ আলাদা করে পৃথক বিভাগ করতে হবে। আইন বিভাগের সাথে বিচার বিভাগ এক সাথে থাকার কারনে সাধারন মানুষ মৌলিক অধিকার হতে বঞ্চিত করা হয়েছে।

  • পঞ্চগড়-১ আসনে জোটে বদলে যেতে পারে ভোটের হাওয়া 

    পঞ্চগড়-১ আসনে জোটে বদলে যেতে পারে ভোটের হাওয়া 

    বাবুল হোসেন,
    পঞ্চগড় প্রতিনিধি :

    জোটে বদলে যেতে পারে ভোটের হিসাবনিকাশ ছবিতে ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, ইকবাল হোসাইন, সার্জিস আলম, নাজমুল হক প্রধান ও রাশেদ প্রধান

    উত্তরের শুরুর জেলা পঞ্চগড়ে সংসদীয় আসন দুটি। এর মধ্যে দেশের ৩০০ আসনের এক নম্বর আসন হিসেবে তেঁতুলিয়া, আটোয়ারী ও সদর উপজেলা নিয়ে পঞ্চগড়-১ আসনটি নানান কারণে গুরুত্বপূর্ণ। জেলা সদরের এই আসন থেকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে দল গোছাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা। নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ওয়ার্ড থেকে ইউনিয়ন এবং উপজেলা থেকে জেলা পর্যায়ে কমিটি গঠনে চলছে জোড় তৎপরতা। সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে নানান উদ্যোগ নিতে দেখা যায় বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের।

    নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন পরবর্তীসময়ে পঞ্চগড়-১ আসনটি বিএনপির ঘাঁটি বলে পরিচিতি পায়। পঞ্চগড়-১ আসনে ১৯৯১ সালে বিএনপির তৎকালীন বর্ষীয়ান নেতা ও সাবেক স্পিকার মরহুম মির্জা গোলাম হাফিজ এবং ৯৬ থেকে ২০০১ পর্যন্ত আরেক বর্ষীয়ান নেতা ও সাবেক প্রেসিডেন্ট ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের মজাহারুল হক প্রধান সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে বিএনপির হাতছাড়া হয় এই আসনটি। মাঝে ২০১৪ সালে জাসদের নাজমুল হক প্রধান সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও পরবর্তী দুটি সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ আর হাতছাড়া করেনি আসনটি। ২০১৮ সালে আবারও আওয়ামী লীগের মো. মজাহারুল হক প্রধান এবং সর্বশেষ ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নাঈমুজ্জামান ভূঁইয়া মুক্তা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

    এই আসনে আগামী নির্বাচনে জয়ী হতে নারী ভোটারের পাশাপাশি তরুণদের ভোট বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে বলে ধারণা স্থানীয়দের। এছাড়া নির্বাচনে না থাকলে আওয়ামী লীগের ভোটারদেরও একটা ভূমিকা থাকবে এই নির্বাচনে।

    জুলাই-আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর দেশের অন্য এলাকার মতো পঞ্চগড়ের আওয়ামী নেতাকর্মীরাও এলাকা ছাড়া। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পঞ্চগড়-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম সুজনসহ বেশ কিছু নেতাকর্মী একাধিক মামলায় জেলহাজতে। এর বাইরে প্রথম সারির নেতাসহ ছোটবড় নেতাদের এলাকায় দেখা যায় না। এছাড়া দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণার পর স্বাভাবিক কারণেই এলাকায় দলটির কোনো কার্যক্রম বা তৎপরতা নেই। কর্মকাণ্ড নেই জাতীয় পার্টিরও। তবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীদের মাঠে সরব দেখা যায়। এছাড়া বাংলাদেশ জাসদ, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা), জাকের পার্টি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি আন্দোলনসহ বিভিন্ন দলের পক্ষ থেকেও নেতাকর্মীদের চাঙ্গা রাখতে নানান কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।

    বিএনপি-জামায়াত দুই দলই আশাবাদী 

    বিএনপির চ্যালেঞ্জ জামায়াত-ইসলামী আন্দোলন 

    পঞ্চগড়-১ আসনে গত বছরের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটার ছিল ৪ লাখ ৩৬ হাজার ৯২৬। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ১৯ হাজার ৩৩৯ ও নারী ভোটার ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৮৬ এবং তৃতীয় লিঙ্গের (হিজড়া) ভোটার ছিলেন একজন। তবে সবশেষ হালনাগাদ ভোটার তালিকায় মৃত ভোটারদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার পর বর্তমানে জেলার দুটি আসনে ভোটার বেড়েছে ২৯ হাজার ৬১৪। এদের মধ্যে পঞ্চগড়-১ আসনে ভোটার বেড়েছে ১৬ হাজার ৩৪৭। এদের মধ্যে তিন উপজেলা নিয়ে এ আসনে হিন্দু ভোটার রয়েছেন ৭৫ থেকে ৮০ হাজার এবং তরুণ ভোটার ৪০ থেকে ৪৫ হাজার। এই আসনে আগামী নির্বাচনে জয়ী হতে নারী ভোটারের পাশাপাশি তরুণদের ভোট বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে বলে ধারণা স্থানীয়দের। এছাড়া নির্বাচনে না থাকলে আওয়ামী লীগের ভোটারদেরও একটা ভূমিকা থাকবে এই নির্বাচনে।

  • বাবুগঞ্জে ভ্রা-ম্যমাণ আদালতের অভি-যান  ১৫ কেজি পলিথিন জ-ব্দ, জরি-মানা আদায়

    বাবুগঞ্জে ভ্রা-ম্যমাণ আদালতের অভি-যান ১৫ কেজি পলিথিন জ-ব্দ, জরি-মানা আদায়

    বাবুগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মোঃ মহিউদ্দিন খাঁন রানা।।

    বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর বাজারে পলিথিনবিরোধী বিশেষ অভিযানে ১৫ কেজি অবৈধ পলিথিন জব্দ ও এক ব্যবসায়ীকে এক হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) এ অভিযান পরিচালনা করেন বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ফারুক আহমেদ।

    অভিযান সূত্রে জানা যায়, পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ অনুযায়ী রহমতপুর বাজারে অবৈধভাবে সংরক্ষিত ও বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ১৫ কেজি পলিথিন জব্দ করা হয়। পাশাপাশি এক প্রতিষ্ঠানের মালিককে এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

    অভিযানে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল পরিবেশ অধিদপ্তরের একটি প্রতিনিধি দল, যার নেতৃত্বে ছিলেন একজন পরিবেশ পরিদর্শক। এ সময় বাজারের ব্যবসায়ীদের পলিথিন ব্যবহার না করার জন্য সচেতন করা হয় এবং বিকল্প ব্যবহারে উৎসাহিত করা হয়।

    এছাড়া রহমতপুর এলাকার ঐতিহ্যবাহী রাজার খালের দূষণ রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে বাজার কমিটিকে নির্দেশনা দেন ইউএনও ফারুক আহমেদ।

    তিনি বলেন, “পরিবেশ রক্ষায় আমাদের এই ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে। পলিথিনমুক্ত পরিবেশ গঠনে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।”

  • পরিকল্পিত পরিবার একটি সুখী ও সমৃদ্ধ জাতি গঠনের অন্যতম পূর্বশর্ত-ইউএনও হাসান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ

    পরিকল্পিত পরিবার একটি সুখী ও সমৃদ্ধ জাতি গঠনের অন্যতম পূর্বশর্ত-ইউএনও হাসান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ভালুকা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, পরিকল্পিত পরিবার একটি সুখী ও সমৃদ্ধ জাতি গঠনের অন্যতম পূর্বশর্ত।আজকের তরুণ প্রজন্মকেই পরিবার গঠনের ক্ষেত্রে সচেতন সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ছেলে হোক, মেয়ে হোক—২টি সন্তান যথেষ্ট—এই বার্তাটি শুধু স্লোগানে সীমাবদ্ধ না রেখে আমাদের জীবনে বাস্তবায়ন করতে হবে। জন্মনিয়ন্ত্রণ একটি সামাজিক ও মানবিক দায়িত্ব। জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান ও সচেতনতা না থাকলে অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ ও জনসংখ্যা বিস্ফোরণ আমাদের সামনে এক বিরাট চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। আমরা চাই, প্রতিটি পরিবার সুস্থ হোক, শিক্ষিত হোক, এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত হোক। এজন্য তারুণ্যকে সচেতন, দক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক করে গড়ে তুলতে হবে।

    ন্যায্য ও সম্ভাবনাময় বিশ্বে পছন্দের পরিবার গড়তে প্রয়োজন তারুণ্যের ক্ষমতায়ন” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সোমবার (১৪ জুলাই-২০২৫) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে অবস্থিত পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের মিলনায়তনে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৫ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

    উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. আসিফ আহমেদ রাজীব এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায়
    স্বাগত বক্তব্য রাখেন সহকারী উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ও উপজেলার ১১ নং রাজৈ ইউনিয়ন পরিষদ এর দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রশাসক মোঃ রতন মিয়া।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপস্থিত সকল অতিথি ও সহকর্মীদের আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আলোচনা শেষে চারটি ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ পারফর্মারদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হলে পুরস্কার তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ।

    অনুষ্ঠানে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ, মাঠকর্মী, জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সভাপতির সমাপনী বক্তব্যে উপস্থিত সকল অতিথি ও সহকর্মীদের আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. আসিফ আহমেদ রাজীব।

    এবার বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের প্রতিপাদ্য ‘ন্যায্য ও সম্ভাবনাময় বিশ্বে পছন্দের পরিবার গড়তে প্রয়োজন তারুণ্যের ক্ষমতায়ন’।

    এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ আরো বলেন-ন্যায্য ও সম্ভাবনাময় বিশ্ব গঠনে তরুণদের ক্ষমতায়ন জরুরি। তারা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতিনিধিত্ব করবে এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “তরুণদের প্রজনন স্বাস্থ্য-সংশ্লিষ্ট চাহিদা, পছন্দ-অপছন্দ ও প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করে তাদের পাশে দাঁড়ানো প্রয়োজন। এতে ন্যায্যতা, সামাজিক শান্তি এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা সহজ হবে।”

  • কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের  বিক্ষো-ভ মিছিল

    কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষো-ভ মিছিল

    মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লা থেকে

    সারাদেশে প্রশাসনের নির্লিপ্ততা আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টার অভিযোগ এনে এর প্রতিবাদে সারাদেশের ন্যায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল।

    মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) বিকালে কুমিল্লা নগরীর কান্দিরপাড় থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে কুমিল্লা পুলিশ লাইন এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।

    এসময় এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়৷ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী সুলতান জুয়েল। আরো বক্তব্য রাখেন, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক সৈয়দ মেরাজ উদ্দিন, সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ভিপি আবদুল্লাহ, সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক ইমাম হোসেন ফারুক।

    সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামের বিভিন্ন ষড়যন্ত্রমুলক অপপ্রচার এবং কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ এনে বক্তব্য রাখেন বক্তারা৷ তারা বলেন, ‘জামায়াত-শিবির যে উদ্দেশ্যে মাঠে নেমেছে সেই উদ্দেশ্য আমরা নস্যাৎ করে দেবো। যারা ইসলামের নাম বিক্রি করে, বেহেশতের টিকিট বিক্রি করে তাদের ঠাঁই এই বাংলায় হবে না। দেশের প্রয়োজনে কোনো আপোষ হবে না৷ আপনাদের (জামায়াত-শিবির) যদি প্রয়োজন হয় আপনারা পাকিস্তান যোগাযোগ করতে পারেন। পাকিস্তান এম্বাসিতে আপনারা যোগাযোগ করুন, নির্বাচনের পর আপনারা এই দেশে থাকতে পারবেন কিনা। পাকিস্তান আপনাদেরকে গ্রহণ করবে কিনা এটা জিজ্ঞেস করে নিবেন। আমাদের মধ্যে দরদ রয়েছে। আমরা আপনাদেরকে রোহিঙ্গা ক্যাম্প এর মত আলাদা ক্যাম্প করে সেখানে পাঠিয়ে দেব। স্বাধীন বাংলাদেশে কোনো দালালি চলবে না।”

    বক্তারা আরো বলেন, “এ দেশে জামায়াত শিবিরের কাজই দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ ও সংঘাত তৈরী করা। মব সৃষ্টিকারী কিংবা স্বাধীনতা বিরোধী কেউ এ দেশে রাজনীতি করার অধিকার রাখে না৷ বাংলাদেশের একমাত্র প্রাণ আমাদের নেতা তারেক রহমান। একসময় ঐ সংগঠন (জামায়াত ইসলামী) আওয়ামীলীগের সাথে ছিলো। কুমিল্লায় তারা কোনো রাজনীতি করতে পারবে না।”

    এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক সালমান সাঈদ, রায়হান চৌধুরী, ইমদাদুল হক শিফন, শাহ কামাল, নজির আহমেদ, আলমগীর হোসেন, সুমন মিয়া, তোফায়েল আহমেদ পাটোয়ারী। দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মনসুর নেজামী, এনামুল হক সরকার, আব্দুর রহিম সুজন, আহমাদুল্লাহ খন্দকার, সোহরাব হোসেন, ফরহাদ উদ্দিন, হুমায়ুন কবির, কামাল হোসেন, জহিরুল ইসলাম তৌফিক, সারোয়ার মোর্শেদ নান্নু, আবুল বাশার, ইসমাইল হোসেন, ইমরান হোসেন, গাজী সুমন, ইয়াসিন হোসেন। আদর্শ সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মো. আকতারুজ্জামান, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম মাসুক, সদর দক্ষিণ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক জয়নাল আবেদীন, সদস্য সচিব কিবরিয়া জুয়েল। চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক খোরশেদ আলম, সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন। নাঙ্গলকোট উপজেলার স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক খোরশেদ আলম, সদস্য সচিব আজিম উদ্দিন মাকসুদ। মনোহরগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মো. বাহার, সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন। বুড়িচং স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম, সদস্য সচিব আব্দুল আলিম। ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা সাবেক সদস্য সচিব তাজুল ইসলাম, লালমাই উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোজাম্মেল হোসেন, আব্দুল আল মাহমুদ অপু সহ আরো অনেকে।

    এর আগে কুমিল্লা নগরীসহ বিভিন্ন উপজেলা থেকে নেতাকর্মীরা কুমিল্লা নগরীর কান্দিরপাড়ে জমায়েত হতে থাকে। তারা বিক্ষোভ মিছিলে ‘জামায়াত-শিবির রাজাকার, এই মূহুর্তে বাংলা ছাড়; ‘আ.লীগ গেছে দিল্লীতে, জামায়াত যাবে পিণ্ডিতে’ সহ বিভিন্ন স্লোগান তুলে৷ এসময়, প্রায় সহস্রাধিক নেতাকর্মী মিছিলে অংশ নেয়।

  • চট্টগ্রামে চাঁ-দাবাজি ও সন্ত্রা-সের বিরু-দ্ধে বিএনপি বিক্ষো-ভ মিছিল

    চট্টগ্রামে চাঁ-দাবাজি ও সন্ত্রা-সের বিরু-দ্ধে বিএনপি বিক্ষো-ভ মিছিল

    মোঃ শহিদুল ইসলাম
    নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:

    দমন–পীড়ন, ষড়যন্ত্র, গুজব আর রাষ্ট্রীয় অপপ্রচারের জবাব দিতে রাজপথে নেমেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। ফ্যাসিবাদী শাসনের ছায়ায় গণতন্ত্রবিনাশী শক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়ে চট্টগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ মোড়জুড়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে দলটি।

    গতকাল সোমবার (১৪ জুলাই) বিকেল ৫টায় চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট (চপই) এলাকা থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। টেকনিক্যাল মোড় থেকে শুরু হয়ে রুবি গেইট, বেবি সুপার এলাকা ঘুরে পুনরায় টেকনিক্যাল মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। মিছিল ঘিরে এলাকাজুড়ে ছিলো কঠোর উত্তেজনা ও জনতার ব্যাপক উপস্থিতি।

    বিএনপির নেতৃবৃন্দ বলেন—

    “দেশ আজ ভয়ংকর দুঃশাসনের কবলে। ভোটহীন সরকারের মদদপুষ্ট সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও গুজব এখন গণতন্ত্রের বড় শত্রু। যারা জনগণের রায়ের তোয়াক্কা করে না, তারা আজ নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে বিএনপির বিরুদ্ধে চক্রান্তে লিপ্ত।”

    তারা আরও বলেন, সরকারের একের পর এক অপপ্রচার ও গোপন প্রোপাগান্ডার জবাবে বিএনপি শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ক্ষমতাসীন মহল একে দমনে মরিয়া হয়ে উঠেছে।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষণ বলছে:
    এই ধরনের ধারাবাহিক প্রতিবাদ কর্মসূচি বিএনপির সাংগঠনিক সক্রিয়তা এবং মাঠপর্যায়ে পুনরাবির্ভাবেরই ইঙ্গিত বহন করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের আস্থাহীনতা এবং চাঁদাবাজ-দখলদার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে জমে ওঠা ক্ষোভই এই আন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

    সমাবেশে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকায় থেকে
    বিক্ষোভ শেষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন—
    যুবদল নেতা মিজানুর রহমান মিজান,দেলোয়ার হোসেন, নূরুল ইসলাম
    চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঈনুল মুন্না,সদস্য কামরুল ইসলাম আকাশ,বায়েজিদ থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল করিম,ছাত্রনেতা মাহমুদ প্রমুখ।

    নেতৃবৃন্দ একযোগে বলেন, “দুর্নীতিবাজ-দখলদার-গুজববাজ সিন্ডিকেটের ছত্রছায়ায় দেশ চলছে। এই বাস্তবতায় জনগণের একমাত্র আশা বিএনপি।”

  • জলবায়ু হু-মকি, প্রযুক্তি স্থানান্তর ও মানবসম্পদ রপ্তানিতে টরন্টো-চট্টগ্রাম কৌশলগত সংলাপ: মেয়র ডা. শাহাদাত

    জলবায়ু হু-মকি, প্রযুক্তি স্থানান্তর ও মানবসম্পদ রপ্তানিতে টরন্টো-চট্টগ্রাম কৌশলগত সংলাপ: মেয়র ডা. শাহাদাত

    শহিদুল ইসলাম,
    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    চট্টগ্রামের চসিক মেয়র ও এমপিপি ম্যাকমাহনের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা
    টরন্টোর ড্যানফোর্থে অনুষ্ঠিত হলো চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এবং অন্টারিও প্রাদেশিক সংসদের প্রভাবশালী সদস্য মেরি-মার্গারেট ম্যাকমাহনের মধ্যে এক গভীর কূটনৈতিক সংলাপ। আলোচনা হয়েছে বহুমাত্রিক—কিন্তু লক্ষ্য একটাই: উভয় শহরের উন্নয়ন অংশীদারিত্বকে আরও কাঠামোগত ও টেকসই রূপ দেওয়া।

    কৌশলগত আলোচনার তিনটি স্তম্ভ:

    ১.জলবায়ু সহনশীলতা ও প্রযুক্তি হস্তান্তর
    চট্টগ্রামের প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিজনিত হুমকি প্রসঙ্গে মেয়র বলেন—
    “চট্টগ্রাম এখন টিকে থাকার সংগ্রামে। প্রয়োজন বিজ্ঞানভিত্তিক সমাধান ও কানাডিয়ান প্রযুক্তির হস্তান্তর।”
    মেয়রের প্রস্তাব: নদী ও খাল পুনর্জীবনে কানাডার অভিজ্ঞতা প্রয়োগ, স্টর্মওয়াটার ম্যানেজমেন্টে টরন্টোর প্রযুক্তিগত সহায়তা।

    ২.স্টার্টআপ ইনকিউবেশন ও ভেঞ্চার ক্যাপিটাল সংযোগ
    চট্টগ্রামের তরুণ উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা কাজে লাগাতে মেয়র সরাসরি অনুরোধ করেন—
    “মার্স ডিসকভারি ডিস্ট্রিক্ট-এর আদলে একটি আন্তর্জাতিক মানের ইনোভেশন হাব গঠন চাই চট্টগ্রামে।”
    তিনি প্রস্তাব করেন: কানাডার স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত হওয়া এবং ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্ল্যাটফর্ম খুলে দেওয়া।

    ৩.নার্সিং ও পিএসডব্লিউ পেশায় কর্মসংস্থান: বাংলাদেশের মানবসম্পদকে বিশ্বমানে রূপান্তরের প্রয়াস
    বাংলাদেশের নার্সিং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে কানাডার মানদণ্ডে মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি প্রদান, যৌথ ইনস্টিটিউট স্থাপন—এসবই ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।
    মেয়র বলেন, “আমাদের দক্ষতা আছে, কিন্তু দরকার প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি। কানাডা এই বন্ধুত্বে নেতৃত্ব দিতে পারে।”
    ম্যাকমাহনের অবস্থান ছিল স্পষ্ট, দৃঢ় ও আশাব্যঞ্জক
    “বাংলাদেশ আমার হৃদয়ের খুব কাছাকাছি। জলবায়ু হোক বা নার্সিং—আমি সবক্ষেত্রে সহযোগিতায় প্রস্তুত।”
    তিনি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন—টরন্টো বাংলাদেশের অংশীদার, শুধু প্রতীকী নয়, বাস্তব প্রয়োগে।

    বিশ্লেষণমূলক মন্তব্য:
    এই বৈঠক শুধু একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়—এটি ভবিষ্যতের জন্য কৌশলগত নকশা। চট্টগ্রাম একটি ‘মেট্রোপলিটন ডিপ্লোম্যাসি’ রোডম্যাপে প্রবেশ করল, যেখানে নগর প্রশাসনই আন্তর্জাতিক উন্নয়নের বার্তাবাহক।

  • ঘোনা কুচিয়ামারা ডিগ্রী কলেজ অধ্যক্ষ আ: খালেককে মা-রপিটের  অ-ভিযোগ

    ঘোনা কুচিয়ামারা ডিগ্রী কলেজ অধ্যক্ষ আ: খালেককে মা-রপিটের অ-ভিযোগ

    আঃ সালাম,
    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
    সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার ঘোনা কুচিয়ামারা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষের পদ অবৈধভাবে দখল করে কলেজ অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুল খালেককে মারপিট ও নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শামীম হাসানের বিরুদ্ধে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে এক লিখিত অভিযোগে কলেজ অধ্যক্ষ আব্দুল খালেক জানান, গতকাল সোমবার সকালে গেট দিয়ে কলেজে ঢোকার সময় ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শামীম হাসান ও তার লোকজন পরিকল্পিতভাবে প্রবেশ পথে বাঁধা দেয় তাকে। এ সময় অধ্যক্ষ খালেক কলেজে ঢোকার চেষ্টা করলে শামীম হাসানের পেটুয়া বাহিনী অধ্যক্ষ খালেককে শারীরিকভাবে ব্যাপক মারপিট ও নির্যাতন চালায়। এ ঘটনায় অধ্যক্ষ সহ তার সহধর্মিণী ও মেয়ে আহত হন।

    অধ্যক্ষ আরোও অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক পর্টপরিবর্তনের পর থেকে হুমকি ও মারপিটের ভয় দেখিয়ে বেআইনী ভাবে কলেজ অধ্যক্ষের কক্ষে তালা ঝুলিয়ে বিধি লঙ্ঘন করে অবৈধ রেজুলেশনের মাধ্যমে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ পদে অধিষ্ঠিত হয়েছেন কলেজ শিক্ষক শামীম হাসান। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত বেসরকারি ডিগ্রি কলেজে ২০১৯ বিধির ৪ এর ২ এর ২ ধারা অনুযায়ী কলেজে যে সমস্ত বিষয়ের উপর ডিগ্রি কোর্স অনুমোদন পাবে, সেই সমস্ত বিষয়ের শিক্ষকেরা ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকের দায়িত্ব গ্রহন করতে পারবেন। তিনি এই বিধি ভঙ্গ করে অবৈধ রেজুলেশনের মাধ্যমে জোরপূর্বক দায়িত্বভার গ্রহন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়াও অবৈধ ক্ষমতা পেয়ে বিনা কারণে অধ্যক্ষকে সাময়িক বরখাস্ত করে বিভিন্ন অযুহাতে গত ১০ মাস ধরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯ সালের বিধি ১৭ এর খ ধারার ‘গ’ আইন মোতাবেক অবৈধভাবে বরখাস্ত করে আমাকে কলেজে প্রবেশ করতে দিচ্ছেন না কথিত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শামীম হাসান।

    ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শামীম হাসান এ ব্যাপারে মারপিটের ঘটনা অস্বীকার করে তিনি জানান, বেসরকারি বিধি অনুসরণ করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যক্ষকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে। তারপর থেকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করে আসছি।

    কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি এ্যাডভোকেট আরজ আলী জানান, কলেজে দুই অধ্যক্ষের পদ নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পরামর্শে সমাধানের চেষ্টা করা হবে।

    এ ব্যাপারে উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সালেহ মোহাম্মদ হাসনাত জানান, এ ঘটনা আমি কলেজ সভাপতিকে অবহিত করেছি। খুব শীঘ্রই বিষয়টা মীমাংসা হয়ে যাবে বলে আশা করছি।

  • সেনবাগে সম্পত্তিগত বিরো-ধে র-ক্তক্ষয়ী সংঘ-র্ষের ঘটনায় দো-ষীদের শা-স্তির দাবিতে এলাকাবাসীর মান-ববন্ধন:

    সেনবাগে সম্পত্তিগত বিরো-ধে র-ক্তক্ষয়ী সংঘ-র্ষের ঘটনায় দো-ষীদের শা-স্তির দাবিতে এলাকাবাসীর মান-ববন্ধন:

    রফিকুল ইসলাম সুমন (নোয়াখালী)

    নোয়াখালীর সেনবাগে সম্পত্তিগত বিরোধের জেরে শালিসী বৈঠকে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী।১৫ জুলাই মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার ৮নং বীজবাগ ইউপির ফকিরহাট বাজারে উক্ত মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।উল্লেখ্য গত ১২ জুলাই বিকেলে উপজেলার বীজবাগ মোবারক আলী ব্যাপারী বাড়ীর ২০ শতাংশ জায়গার মালিকানা সংক্রান্ত এক শালিসী বৈঠক গন্যমান্যদের উপস্থিতিতে ফকিরহাট বাজারে অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠক চলাকালে উভয় পক্ষের বাকবিতণ্ডাকে কেন্দ্র করে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় আজিজুল হক, আরমান,রাজুসহ ৫ জনকে মারাত্মক ভাবে কুপিয়ে জখম করে প্রতিপক্ষের জাবেদ ও আলাউদ্দিন গংরা।এবিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী আজিজুল হক।সেনবাগ থানা পুলিশ ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত ৪ জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে।কিন্তু ১নং আসামি জাবেদ সহ অনেকে এখনো পলাতক রয়েছে। পলাতক আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবি জানিয়ে উক্ত মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীদের পক্ষ হতে উক্ত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, মো:
    পারভেজ,তাহের,ফকির আহাম্মদ,সোহাগ, হায়দার,বুলবুল, মোতালেব, সাইফুল ইসলাম, মো: শহিদ,সহ অনেকেই।এসময় স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ,বাজার ব্যবসায়ীগন সহ প্রায় অর্ধশতাধিক লোকজন উপস্থিত ছিলেন।