উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:
নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার দিঘলিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের নেতা মো:উকিল মোল্লা কে নাশকতা মামলায় আটক করেছে লোহাগড়া থানা পুলিশ। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, শুক্রবার (১৮জুলাই) শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে উকিল মোল্লা কে লুটিয়া গ্রাম থেকে আটক করেছে থানা পুলিশ।
আটককৃত উকিল মোল্লা লুটিয়া গ্রামের দুলাল মোল্লার ছেলে,
সূত্রে জানা গেছে উকিল মোল্লা দিঘলিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করতেন। বিগত সময় ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কর্মসূচী পথসভা হতো ইউনিয়নে উকিল মোল্লার নেতৃত্বে। এছাড়াও উকিল মোল্লার বিরুদ্ধে লোহাগড়া থানায় হত্যা,নাশকতা মামলা সহ ৬ টা মামলা রয়েছে।
নাম প্রকাশ্য অনিচ্ছুক লুটিয়া গ্রামের কয়েকজন জানান এই উকিল মোল্লা বিগত আওয়ামী লীগের আমলে তার এলাকার মেম্বার ফিরোজ ও তার ভাই যুবলীগ নেতা সাগর শেখের ছায়াতলে থেকে বিভিন্ন অপকর্ম করে বেড়াতেন। ভয়ে এলাকার মানুষ মুখ খুলতে পারতেন না,
এবিষয়ে লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো: শরিফুল ইসলাম, উকিল মোল্লাকে আটকের বিষয় নিশ্চিত করে বলেন আসামিকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।
Blog
-

নড়াইলে নাশ-কতা মামলার আ-সামি যুবলীগ নেতা গ্রে-প্তার
-

পীরগঞ্জে প্রতিব-ন্ধী ও দূর্ঘ-টনায় আ-হত ব্যাক্তি মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ
পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে প্রতিবন্ধী, বয়স্ক ও দূর্ঘটনায় আহত ব্যাক্তি মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল শনিবার সকালে পূর্ণিমা কমিউনিটি সেন্টারে ইমপ্যাপ্ট ইনিশিয়েটিভ এর সহযোগতিায় বেসরকারি সংস্থা পীরগঞ্জবাসী কল্যাণ সমিতির আয়োজনে উপকারভোগীদের মাঝে ৩০টি হুইল চেয়ার বিতরণ করেন। এ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাসুদ।
এ সময় বক্তব্য রাখেন, পীরগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ বদরুল হুদা, পীরগঞ্জ সার্কেল এসপি আব্দুল হাই সরকার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রকিবুল ইসলাম, সমাজসেবা কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম, পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি জয়নাল আবেদীন বাবুল ও সাধারণ সম্পাদক নসরতে খোদা রানা প্রমুখ। -

নেতৃত্বে আশার আলো মিছিলেই জনতার ঢল
শহিদুল ইসলাম,
নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম |বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর চট্টগ্রাম-১১ আসনের সংসদীয় আসনের এমপি পদপ্রার্থী সফিউল আলম-এর নেতৃত্বে নিউমুরিং বড় মাঝিপাড়া মসজিদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত গণসংযোগ ও আলোচনা সভায় জনতার ঢল নামে। সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে, পরিবর্তনের পক্ষে এখন জনমত স্পষ্ট।
সভায় সংক্ষিপ্ত আলোচনা পেশ করে সফিউল আলম বলেন,
“গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠাই আমাদের অঙ্গীকার। আমরা মানুষের জন্য রাজনীতি করি, ক্ষমতার জন্য নয়।”
তিনি আগামীর বাংলাদেশে নৈতিক নেতৃত্ব ও মূল্যবোধভিত্তিক রাজনীতির বিকাশের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন:
৩৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট সাহেদ আলী,
থানা যুব বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত ফখরুল ইসলাম,ওয়ার্ড সভাপতি ওমর ফারুক,স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি জিএম রাসেল, আব্দুর রহমান বিশ্বাস ও দারুস সালাম ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি মোঃ মিজান খান।নেতৃবৃন্দ মসজিদসংলগ্ন এলাকায় গণসংযোগকালে স্থানীয়দের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং নানা সামাজিক ও নাগরিক সমস্যা নিয়ে তাদের মতামত শোনেন।
জনগণের মুখে মুখে একটাই কথা:
“আসল পরিবর্তনের জন্য আমরাই এবার জামায়াতের পাশে দাঁড়িয়েছি।”রাজনীতির মাঠে ফিরছে আস্থা—জেগে উঠছে জনতা -

ময়মনসিংহে শহী-দ মোঃ রিদওয়ান হোসেন সাগরের ১ম শাহা-দাৎ বার্ষিকী পালিত
আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
ময়মনসিংহে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে জুলাই-আগস্ট ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে শহীদ মোঃ রিদওয়ান হোসেন সাগরের প্রথম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালন করা হয়েছে।এ উপলক্ষে শুক্রবার (১৯ জুলাই) সকালে নগরীর ত্রিশাল বাস স্ট্যান্ড মোড়ে স্থাপিত শহীদ সাগরের মোর্যালে সর্বস্তরের মানুষ পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এ সময় শহীদ সাগরের পিতা, প্রশাসন,সহযোদ্ধা, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মী, শিক্ষার্থী, গণমানুষ এবং পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সবাই একযোগে সাগরের আত্মত্যাগকে স্মরণ করে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তার সংগ্রামের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
উল্লেখ্য, গত বছরের জুলাই-আগস্ট মাসে গণঅভ্যুত্থানের সময় ময়মনসিংহে শহীদ হন সাহসী তরুণ রিদওয়ান হোসেন সাগর। তার মৃত্যু দেশের তরুণ সমাজে ব্যাপক সাড়া ফেলে এবং গণআন্দোলনে নতুন গতি সঞ্চার করে।
স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিলে বক্তারা বলেন, “সাগরের আত্মদান বৃথা যেতে পারে না। আমাদের সকলকে তার আদর্শ ও সংগ্রামের পথ অনুসরণ করতে হবে।”
-

যশোরের শার্শার সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান কালাম দুর্ঘ-টনার ১১ দিন পর মা-রা গেলেন
আজিজুল ইসলাম, যশোরঃ যশোরের শার্শা উপজেলার নিজামপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ (৫২) সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার ১১ দিন পর হাসপাতালে মারা গেছেন। শনিবার (১৯ শে জুলাই) ভোর ৬ টার সময় ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
আবুল কালাম আজাদ শার্শা উপজেলার নিজামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি চাঁন্দুড়িয়ার ঘোপ গ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মরহুম সুলতান আহম্মেদের ছেলে।আবুল কালাম আজাদের মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছে তার বড় ছেলে তাহমীদ ঈষাদ দীপ্ত।
দীপ্ত জানান,তার পিতা গত ৮ জুলাই ঢাকায় মোটরসাইকেল যোগে বাড্ডা থেকে মিরপুর যাওয়ার পথে চীনমৈত্রী সন্মেলন কেন্দ্রের সামনে সড়ক দুর্ঘটনায় মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হন। স্থানীয়রা উদ্ধার করে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করলে সেখানকার ডাক্তাররা ওই দিন তার মাথায় অস্ত্রোপচার করেন। পরে ১১ দিন হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে শনিবার ভোরে তিনি মারা যান।
সাবেক জনপ্রতিনিধি আবুল কালাম আজাদ মৃত্যুকালে স্ত্রী, দুই ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
-

সলঙ্গায় এমপি আ: মান্নান তালুকদারের জা-নাযা সম্পন্ন
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
সিরাজগঞ্জ-৩,রায়গঞ্জ,তাড়াশ-সলঙ্গা আসনের ৪ বারের নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি’র চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আলহাজ্ব আব্দুল মান্নান তালুকদারের ৩য় নামাজে জানাযা তার নিজ গ্রাম সলঙ্গার ধুবিলে অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার (১৯ জুলাই) বেলা সোয়া ১২ টায় ধুবিল আয়শা ফজলার উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ৩য় নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়।জানাযার পূর্বে মরহুমের রূহের মাগফেরাত কামনা ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করে স্মৃতি চারণমূলক বক্তব্য রাখেন, সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি রাকিবুল আলম পাপ্পু, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাফা জামান,সলঙ্গা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি মতিয়ার রহমান সরকার, সাবেক সা: সম্পাদক আব্দুল আলিম, বিএনপি নেতা,মরহুমের ভাতিজা পারভেজ,বিএনপি নেতা আইয়ুব আলীসহ স্বেচ্ছাসেবক দল,যুবদল,কৃষকদল, শ্রমিক দল,ছাত্র দলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে পরিবারের পক্ষ থেকে দোয়া ও ক্ষমা প্রার্থনা করেন,মরহুমের মেজ ছেলে রাহিদ মান্নান লেলিন।জানাযাপুর্ব অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন,সলঙ্গা থানা যুবদলের সাবেক আহবায়ক,মরহুমের ভাতিজা রাশেদুল হাসান পাপন।
-

চারঘাটে সুশাসনের ছয় মাস, নেতৃত্বে একজন মানবিক ইউএনও
চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীর চারঘাট উপজেলা। বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি ও রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের জন্য আলাদা পরিচিতি রয়েছে এ উপজেলার। তবে বিগত সরকারের সময়ে সরকারি সেবা দলীয়করণের কারণে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে সেবাবঞ্চিত জনপদ হিসেবে পরিচিত ছিল। তবে বর্তমানে উপজেলাটি নতুন চেহারায় রূপ নিয়েছে। এই পরিবর্তনের রূপকার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জান্নাতুল ফেরদৌস।
গত ৩০ ডিসেম্বর দায়িত্ব নেওয়ার পর মাত্র ছয় মাসেই তিনি প্রমাণ করেছেন—সৎ উদ্যোগ, মানবিকতা ও একাগ্রতায় কতটা বদলে যেতে পারে প্রশাসনের ধারা। তিনি একাধারে ইউএনও, পৌর প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি)। উপজেলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি প্রশাসনিক দায়িত্ব একাই পালন করে চলেছেন।
ভূমি সেবায় স্বচ্ছতা ও আস্থা ফিরেছে
বিগত সরকারের সময় ভূমি অফিস ছিল সেবার নামে হয়রানির প্রতিচ্ছবি। দলীয় নেতাকর্মীদের প্রভাব, দালালচক্র, ঘুস ও অসাধু কর্মচারীদের দৌরাত্ম্য সাধারণ মানুষের মাথাব্যথার কারণ ছিল দীর্ঘদিন। জান্নাতুল ফেরদৌস দায়িত্ব নেওয়ার পর এই ব্যবস্থায় কড়া নজরদারি শুরু করেন। অফিসে ঢোকার মুখেই এখন ‘দালালমুক্ত সেবা’—এমন বিজ্ঞপ্তি চোখে পড়ে। এখন প্রতিটি আবেদন যাচাই হয় ডিজিটাল পদ্ধতিতে। ঘুস কিংবা ভোগান্তি ছাড়া নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নামজারি ও খতিয়ান প্রদান নিশ্চিত করেছেন তিনি।
ভূমি অফিসে সেবা নিতে আসা আফরোজা খাতুন বলেন, আগে ভূমি সংক্রান্ত কোনো কাজে আসলে পাত্তাই দিত না এখানকার স্টাফরা। কিন্তু এখন সবার আচার ব্যবহার পাল্টে গেছে। আমার বাবার দুইটা নামজারির আবেদন করেছিলাম। কেউ একটি টাকা চা খেতে পর্যন্ত চাইনি। ইউএনও স্যারের কাছে গিয়েছিলাম। উনি সবকিছু মন দিয়ে শুনে দ্রুত সময়ে কাজগুলো করে দিয়েছেন।
পৌর প্রশাসনে পরিকল্পিত সেবা ও নাগরিক দায়িত্ব
চারঘাট পৌরসভার প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস যা করেছেন তা শুধু কার্যকর নয় বরং ভবিষ্যত-ভাবনামূলকও। সরকার পরিবর্তনের পর দীর্ঘসময় পৌর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন নিয়ে জটিলতা ছিল। কিন্তু এখন প্রতি মাসের শুরুতেই বেতন নিশ্চিত করে তাদের মধ্যে কাজের আগ্রহ ফিরিয়েছেন। বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই মশা নিধন কার্যক্রম জোরদার করে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে পরিকল্পনা গ্রহণ করেন নিজ উদ্যোগে।
দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তির বিষয় ছিল জলাবদ্ধতা।
তাঁর উদ্যোগে বিভিন্ন ওয়ার্ডে ড্রেন সংস্কার, পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা এবং আবর্জনা ব্যবস্থাপনায় এনেছেন নতুনত্ব। বিভিন্ন ওয়ার্ডে গঠিত নাগরিক কমিটির মতামতের ভিত্তিতে প্রতিটি ওয়ার্ডে উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পৌর সেবাগুলো ডিজিটাল ও তথ্যভিত্তিক করা হয়েছে—তাতে প্রতিটি নাগরিক জানেন কোথায়, কখন, কীভাবে সেবা পাবেন।
পৌরসভায় সেবা নিতে আসা মিয়াপুর গ্রামের বাসিন্দা সাজ্জাদ হোসেন বলেন, গত পাঁচ আগষ্টের পর জন্ম নিবন্ধন কিংবা নাগরিক সনদের জন্য মাসের পর মাস ঘুরতে হয়েছে। নতুন প্রশাসক আসার পর দিনের দিন এসব কাজ বাস্তবায়ন হচ্ছে। বিগত সময়ে ভিজিএফ চাল পর্যন্ত দলীয়করণ করা হয়েছিল। কিন্তু নতুন প্রশাসক দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথম প্রকৃত উপকারভোগীরা চাল পেয়েছেন।
নারী অধিকার ও ক্ষমতায়নে বিশেষ ভূমিকা
নারী হয়েও তিনি নিজেই হয়ে উঠেছেন নারীদের অনুপ্রেরণা। চারঘাটে নারী উদ্যোক্তা, নারী সহায়ক দল, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কমিটি—সবখানেই তার সক্রিয় সহযোগিতা ও নেতৃত্ব তৈরি হয়েছে। নারীদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালার (হস্তশিল্প, হাঁস-মুরগি পালন, ক্ষুদ্র ব্যবসা) আয়োজন করা হয়েছে। বাল্যবিবাহ রোধে কঠোর নজরদারির পাশাপাশি উপজেলার নারীদের আইনি সহায়তা ও সহনশীলতা বিষয়ক সভা আয়োজন করে সবার মতামত শুনে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে।
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের প্রতি সমান অধিকার নিশ্চিত
চারঘাটে তিনশটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী পরিবার রয়েছে। যারা দীর্ঘদিন ধরে নানা সরকারি সেবা থেকে পিছিয়ে ছিলেন। ইউএনও তাঁদের উন্নয়নেও নিয়েছেন বিশেষ উদ্যোগ। যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তি ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেছেন।সাংস্কৃতিক পরিচয় ও ভাষা টিকিয়ে রাখতে বিভিন্ন দিবসে উৎসাহমূলক সভা ও মেলা আয়োজন করেছেন। ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীর ভূমি অধিকার ও বসতঘরের জন্য সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করেছেন।
চারঘাট উপজেলা ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠী সমিতির সভাপতি লুক সষ্ঠী পাহাড়িয়া বলেন, এই প্রথম কোনো প্রশাসক এত আন্তরিকতার সাথে আমাদের কথা শুনছে। সরকারি সেবাগুলো সঠিকভাবে আমাদের নিকট পৌঁছে দিচ্ছে। গত সপ্তাহেও আমাদের পাঁচটি পরিবারের মাঝে গরু বিতরণ করা হয়েছে।
শিক্ষা খাতে দায়িত্বশীলতা, স্কুল পরিদর্শনে সরাসরি নজরদারি
একজন ইউএনও হয়েও শিক্ষা খাতে তাঁর আগ্রহ চোখে পড়ার মতো। তিনি নিয়মিত উপজেলার স্কুল-কলেজগুলো পরিদর্শন করছেন, কথা বলছেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সাথে। বিদ্যালয়ের ঝরেপড়া রোধে বিশেষ সভা করছেন অভিভাবকদের নিয়ে। শিক্ষার পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির বিষয়ে দিচ্ছেন সরাসরি নির্দেশনা। শিক্ষা কর্মকর্তাদের সাথে সমন্বয় করে স্কুলভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করছেন। চলমান এইচএসসি পরীক্ষাতে নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করেছেন।
সরজমিনে ইউএনও জান্নাতুল ফেরদৌসের কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে- গণশুনানি, বিভিন্ন বিরোধ মীমাংসা, পিতা-মাতার ভরণপোষণ নিশ্চিতকরণসহ প্রতিদিন নানাবিধ সামাজিক সমস্যা সমাধানেও নিরলসভাবে কাজ করছেন তিনি। এছাড়া মাদক প্রতিরোধে ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানও পরিচালনা করছেন। পদ্মা নদী ভাঙন, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থ ও বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীদের পাশে দাঁড়িয়েও উপজেলা জুড়ে প্রশংসিত হয়েছেন। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে চান্সপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ভর্তিতেও আর্থিক সহযোগিতা করেছেন তিনি।
সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজনের চারঘাট উপজেলার সভাপতি মোঃ কামরুজ্জামান বলেন,
চারঘাটে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ইউএনও জান্নাতুল ফেরদৌস যেভাবে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন, তা আমাদের জন্য গর্বের বিষয়। তিনি তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দায়ি -

কালীগঞ্জে ৫ কেজি গাঁ-জাসহ গ্রেফ-তার ২
মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে গোড়ল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র,বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৫কেজি মাদকদ্রব্য গাঁজা, ১টি ব্যাটারী চালিত অটো ভ্যান গাড়ি সহ ০২ জন আসামী গ্রেফতার করেন। জেলার পুলিশ সুপার তরিকুল ইসলাম, এর দিক নির্দেশনায় কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সেলিম মালিক, এবং গোড়ল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র,অফিসার ইনচার্জ এসআই (নিঃ) মোঃ মোস্তাকিম ইসলামের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্সসহ কালীগঞ্জ থানাধীন গোড়ল ইউনিয়নের ০৪ নং ওয়ার্ডস্থ মালগাড়া মৌজায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে অটো ভ্যানের যাত্রী বসার সিটের প্লেইনসিট এর নিচে থাকা কাঠের তক্তার মধ্যে খোদাই করে বিশেষ কায়দায় ফিটিং করা অবস্থায় ৫কেজি অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজাসহ দুই জনকে গ্রেফতার করেন গোড়ল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রর পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত আসামি হলেন রফিকুল ইসলাম @ রফিকুল মেম্বার (৫০), পিতা- মৃত খোদা বকস,রুবেল মিয়া (২৩), পিতা- ইউনুস আলী @ ইয়ানুস আলী,উভয় সাং-মালগাড়া, ০৪ নং ওয়ার্ড, থানা-কালীগঞ্জ, জেলা- লালমনিরহাট।
গ্রেফতারকৃত আসামি ও জব্দকৃত গাঁজার মালিক পলাতক আসামীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। যাহার কালীগঞ্জ থানার মামলা নং-২৭, ধারা- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইন ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণির ১৯(খ)/৩৮/৪১ রুজু করা হয়। কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সেলিম মালিক, জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোড়ল ইউনিয়নের ০৪ নং ওয়ার্ডস্থ মালগাড়া মৌজা রফিকুল ইসলাম @ রফিকুল মেম্বার (৫০), এর বসতবাড়ির বাহির বারান্দা হতে একট অটো ভ্যানের ও ৫কেজি অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজাসহ দুই জনকে পুলিশ গ্রেফতার করেন।
হাসমত উল্লাহ।।
-

বাংলাদেশ শ্রমিক অধিকার পরিষদ, খুলনা মহানগর এর ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও লিফলেট বিতরণ
শেখ তৈয়ব আলী,খুলনা।
পশ্চিম রুপসা বাস টার্মিনালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শ্রমিকের করণীয় ও শ্রমিকদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও লিফলেট বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়
১৮ জুলাই শুক্রবার ২০২৫ বিকাল ৪ ঘটিকায় পশ্চিম রূপসা বাস টার্মিনালে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও লিফলেট বিতরণ করে বাংলাদেশ শ্রমিক অধিকার পরিষদ।খুলনা মহানগর,এসময় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন ফয়সাল শেখ, সহ-সভাপতি গণঅধিকার পরিষদ খুলনা মহানগর। সভাপতিত্ব করেন রুহুল আমিন ট্রেড ইউনিয়ন বিষয়ক সম্পাদক, বাংলাদেশ শ্রমিক অধিকার পরিষদ, কেন্দ্রীয় সংসদ ও সভাপতি, খুলনা মহানগর। সঞ্চালনা ও সার্বিক সহযোগিতায় মোঃ রবিউল ইসলাম (রবিন) ট্রেড ইউনিয়ন বিষয়ক সহ সম্পাদক, বাংলাদেশ শ্রমিক অধিকার পরিষদ, কেন্দ্রীয় সংসদ ও সাধারণ সম্পাদক খুলনা মহানগর। প্রোগ্রামে সার্বিক সহযোগিতা করেন জি এম জাফিরুল ইসলাম, সহ সভাপতি বাংলাদেশ শ্রমিক অধিকার পরিষদ, কেন্দ্রীয় সংসদ ও কাতার প্রবাসী অধিকার পরিষদ। আরও উপস্থিত ছিলেন জুবায়েদ শেখ (সম্রাট) সদ্য সাবেক সিঃ যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, ছাত্র অধিকার পরিষদ, খুলনা মহানগর। মোঃ অভি, ছাত্র অধিকার পরিষদ খুলনা মহানগর। আসিফ মাহমুদ গণঅধিকার পরিষদ, খুলনা মহানগর।
মোঃ শাওন খান, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, শ্রমিক অধিকার পরিষদ, খুলনা মহানগর। মোঃ বিল্লাল হোসেন বাবু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, শ্রমিক অধিকার পরিষদ খুলনা মহানগর।
মোঃ সোহাগ, শ্রমিক অধিকার পরিষদ, লবনচরা থানা। মোঃ রফিক শেখ সিনিয়ার যুগ্ম আহ্বায়ক, হরিণটানা থানা। মোঃ রাতুল সদস্য সচিব, হরিণ্টানা থানা। মোঃ ইয়ার খান ইটু, থেকে সদর সাধারণ সম্পাদক, সোনাডাঙ্গা থানা। এছাড়াও বিভিন্ন ইউনিটের ও থানার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। -

রাজধানীর বসিলায় সেনাবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম
ঢাকা, ১৮ জুলাই ২০২৫ (শুক্রবার): গতকাল রাজধানীর বসিলা হাই স্কুল প্রাঙ্গনে অসহায় ও দুস্থ ব্যক্তিদের জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। মেডিসিন, সার্জিক্যাল, চর্ম ও শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকবৃন্দের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল টিম কর্তৃক প্রায় ৯ শতাধিক রোগীকে দিনব্যাপী চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ প্রদান করা হয়, যার মধ্যে অধিকাংশই শিশু, নারী ও বৃদ্ধ।
অসহায় মানুষের সেবায় তাদের পাশে দাঁড়াতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সদা প্রস্তুত। জননিরাপত্তা নিশ্চিতে কার্যকরী ভূমিকার পাশাপাশি এরূপ কল্যাণমূলক কার্যক্রমে সেনাবাহিনীর সম্পৃক্ততা অব্যাহত থাকবে।