Blog

  • বানারীপাড়া পৌর বিএনপি’র ত্রিবার্ষিক সম্মেলন সভাপতি ইমরান সম্পাদক হাবিব

    বানারীপাড়া পৌর বিএনপি’র ত্রিবার্ষিক সম্মেলন সভাপতি ইমরান সম্পাদক হাবিব

    মোঘল সুমন শাফকাত।। বরিশাল প্রতিনিধি।।
    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির) বানারীপাড়া পৌর শাখার ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ২০ জুলাই রবিবার সকাল ১০ টায় গুঠিয়া সরদার কনভেনশন সেন্টারে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে বানারীপাড়া পৌর বিএনপি’র সভাপতি পদে ইমরান হোসেন প্রিন্স,সাধারণ সম্পাদক পদে হাবিবুর রহমান জুয়েল নির্বাচিত হয়েছেন।

    বিএনপির ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে সভাপতিত্বে করেন বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক শাহ্ আলম মিঞা।

    সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল বিভাগীয় বিএনপি’র সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান।

    পৌর বিএনপি’র সদস্য সচিব হাবিবুর রহমান জুয়েলের
    সঞ্চালনায় সম্মেলন উদ্বোধন করেন বরিশাল(দক্ষিন) জেলা বিএনপির আহবায়ক আবুল হোসেন খান, সম্মেলনের প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল বিভাগীয় বিএনপি’র সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল হক নান্নু ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল(দক্ষিন) জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবুল কালাম শাহীন।

    এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এস শরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু, বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব রিয়াজ আহমেদ মৃধা,হায়দার আলী লেলিন,দুলাল হোসেন ও কেন্দ্রীয় কমিটির ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল সহ বিএনপির অংঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী বৃন্দ।

  • বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপি’র ত্রিবার্ষিক সম্মেলন সভাপতি শাহ্ আলম সম্পাদক রিয়াজ মৃধা

    বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপি’র ত্রিবার্ষিক সম্মেলন সভাপতি শাহ্ আলম সম্পাদক রিয়াজ মৃধা

    মোঘল সুমন শাফকাত।। বরিশাল প্রতিনিধি।।
    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির) বানারীপাড়া উপজেলা শাখার ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ২০ জুলাই রবিবার সকাল ১০ টায় গুঠিয়া সরদার কনভেনশন সেন্টারে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি পদে শাহ্ আলম মিঞা ও সাধারন সম্পাদক পদে রিয়াজ আহমেদ মৃধা নির্বাচিত হয়েছেন।

    বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে
    সভাপতিত্বে করেন বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক শাহ্ আলম মিঞা।

    সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল বিভাগীয় বিএনপি’র সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান।

    উপজেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব রিয়াজ আহমেদ মৃধা’র সঞ্চালনায় সম্নেলন উদ্বোধন করেন বরিশাল(দক্ষিন) জেলা বিএনপির আহবায়ক আবুল হোসেন খান,সম্মেলনের প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল বিভাগীয় বিএনপি’র সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল হক নান্নু ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল(দক্ষিন) জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবুল কালাম শাহীন।

    এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এস শরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু,হায়দার আলী লেলিন,দুলাল হোসেন ও কেন্দ্রীয় কমিটির ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল সহ বিএনপির অংঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী বৃন্দ।

  • আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং মা-দক স-ন্ত্রাসীদের নি-রাপদ আস্তানা-বাড়ছে চু-রি ছিন-তাইসহ অ-পরাধমূলক কর্মকাণ্ড

    আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং মা-দক স-ন্ত্রাসীদের নি-রাপদ আস্তানা-বাড়ছে চু-রি ছিন-তাইসহ অ-পরাধমূলক কর্মকাণ্ড

    হেলাল শেখঃ বাংলাদেশের মধ্যে ঢাকার আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আস্তানায় পরিণত হয়েছে, এর কারণে বাড়ছে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, অপহরণ, চাঁদাবাজি, হত্যা চেষ্টা ও হত্যাসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড।গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও র‍্যাবের অভিযানে কিছু কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসী, ছিনতাইকারী ডাকাতসহ অপরাধীদের আটক করা হলেও তারা আদালত থেকে জামিনে এসে আবারও সেই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করছে। মাদক সন্ত্রাসী ও হত্যা মামলার আসামিদের খোঁজে পায় না পুলিশ।
    রবিবার (২০ জুলাই ২০২৫ইং) জানা গেছে, ঢাকার সাভার আশুলিয়ার বিভিন্ন স্থান থেকে পৃথক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেন আশুলিয়া থানা পুলিশ, কিন্তু বেশিরভাগ বড় ধরণের আসামীকে পুলিশ খোঁজে পায় না। আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আস্তানা। স্থানীয়রা জানায়, কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাস বাহিনীর ১৫-২০ জনের পৃথক পৃথক দল পিস্তল ও চাকু ছুরিসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এসে বিভিন্ন শ্রমিকসহ মানুষের উপর হামলা করে, দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মৃত ভেবে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে যায় সন্ত্রাসীরা। অনেকেই জানান, ভিকটিমের উপর হামলা করে কুপানোর সময় তার ডাক চিৎকারে লোকজন ছুঁটে আসলে তাকে মৃত ভেবে ফেলে চলে যায় সন্ত্রাসীরা। এরপর প্রতিবেশীসহ লোকজন ভিকটিমকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে আশুলিয়া নারী ও শিশু হাসপাতালে নেওয়া হয় এরপর আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদেরকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয় এমন অনেকেই আহত ও নিহতের ঘটনা ঘটে।
    উক্ত আশুলিয়ার জামগড়া রূপায়ন মাঠের আশপাশে ১৫-২০ জন করে পৃথক ১০-১২টি কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাস বাহিনী দেশীয় অস্ত্র চাকু ছুরি ও দা নিয়ে প্রায়ই মহড়া দিতে দেখা যায় বলে অনেকেই জানান, এই কিশোর গ্যাং আতঙ্ক পুরো এলাকাজুড়ে।সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন জিরাবো আনন্দ বাজার, কুন্ডলবাগ এলাকার স্থানীয় বিপ্লব এর ছেলে রাকিব (২২) ও রবিন সরকার (২১) এই দুই গ্রুপের সাথে মাদক সেবন ও মাদক ব্যবসা বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনা ঘটে। উক্ত এলাকায় প্রায় শতাধিক কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসী সক্রিয় ভাবে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, খুন, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, ফিটিংবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করছে বলে অভিযোগ। কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে তাদের উপর হামলা ও মারপিট করা হয়।
    উক্ত আশুলিয়ায় এখন কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীরা চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, খুনসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করছে। তারা প্রায়ই বিভিন্ন এলাকায় মাদক সেবন ও মাদক ব্যবসা বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ করছে, এতে আহত ও নিহতের ঘটনা ঘটছে। এ ব্যাপারে কারো কোনো ছাড় দেওয়া যাবেনা, সাংবাদিক, পুলিশ প্রশাসন ও র‍্যাবের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসী।
    এর আগে আশুলিয়ার নরসিংহপুর ও ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মেম্বার আবু সামার মার্কেটে কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসী কতর্ৃক হামলার ঘটনা ঘটে। চাঁদাবাজ, অপহরণকারী কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীদের সাথে জড়িত কারা? পুলিশ কেন তাদেরকে গ্রেফতার করছেন না বলে সচেতন মহলের প্রশ্ন। কিশোর গ্যাং এর ধারাবাহিক হামলা ও চুরি ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড বেড়েই চলেছে, এতে আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতি হয়েছে বলে অভিমত প্রকাশ করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীসহ সচেতন মহল।
    পুলিশ ও র‍্যাব জানান, অপরাধী যেইহোক না কেন তাদেরকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত আছে, কোনো অপরাধীই ছাড় পাবে না। উক্ত ব্যাপারে আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হান্নান বলেন, আশুলিয়া থানা এলাকায় অপরাধ করে কেউ পালিয়ে থাকতে পারবে না। অপরাধী সে যেইহোক না কেন কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।##

  • জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্মনিবন্ধন সংশোধন করা নিয়ে অনেক সাধারণ মানুষ বিপা-কে

    জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্মনিবন্ধন সংশোধন করা নিয়ে অনেক সাধারণ মানুষ বিপা-কে

    হেলাল শেখঃ বাংলাদেশে জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্মনিবন্ধন ভুল সংশোধন করা নিয়ে বিপাকে দেশের অনেক নাগরিক। বিভিন্ন ভাবে হয়রানির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। বেশিরভাগ নাগরিক তাদের নিজ ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে সেবা নিতে অতিরিক্ত অর্থ দিতে হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
    রবিবার (২০ জুলাই ২০২৫ইং) জানা গেছে, বাংলাদেশের নাগরিকদের অনেকেরই জাতীয় পরিচয়পত্রের নাম ও তারিখ এবং বয়স ভুল দিয়ে এগুলো সংশোধন করতে অতিরিক্ত অর্থ দিতে হয়। এখন আবার ২০ জানুয়ারী ২০২৫ইং তারিখ থেকে বাড়ি বাড়ি ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। যাদের জন্ম ০১/০১/২০০৮ সালের আগে, কিন্তু তারা ভোটার হন নাই তারাই এখন ভোটার হতে পারবেন। ভোটার হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: ১। অনলাইন জন্ম সনদ, ২। জেএসসি/এসএসসি পাশের সার্টিফিকেট (থাকলে) ৩। বাবা-মায়ের এনআইডি কার্ডের ফটোকপি, ৪। চেয়ারম্যান কতর্ৃক পরিচয়/ নাগরিকত্ব সনদ, ৫। স্থায়ী ঠিকানার প্রমানস্বরুপ বিদ্যুৎ বিলের কপি, এসব কাগজগুলো থাকলে কোনো প্রকার ঝামেলা ছাড়াই নিজে নিজেই নির্ভল ভাবে আবেদন করে ভোটার হতে পারবেন।
    জানা যায়,পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার আমিনপুর থানার সাগরকান্দি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার সাধারণ মানুষ জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্মনিবন্ধন সংশোধন করা নিয়ে এখনো বিভিন্ন ভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। জাতীয় সেবা পেতে জনগণ আর কত হয়রানির শিকার হবেন জাতি জানতে চায়। এ দিকে নতুন সরকার দেশ পরিচালনা করছেন, সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আর পুলিশের নতুন পোশাক তৈরি, আবারও ২০২৫ ইং ছবিসহ ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম শুরু হলেও জটিলতা রয়েছে কিন্তু এবার যাতে ভুল না হয় সেইজন্য সচেতন হওয়া জরুরী। জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন নিয়ে সমস্যার কারণে করোনা টিকা নিতে পারেননি অনেকেই।
    পাবনা জেলার সুজানগরের এক শত বছরের বৃদ্ধ মানুষ জীবিত থাকলেও নথিপত্রে তাকে মৃত দেখানো হয়েছিলো। তার ভোটার আইডি নং ৭৬১৮৩৭৬৩৩৫৫২৬। নামঃ মোঃ লোকমান হোসেন মন্ডল, তিনি সুজানগর উপজেলার সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের গুপিনপুর গ্রামের মৃত উজির মন্ডলের ছেলে। জাতীয় পরিচয়পত্রে ভুল করার কারণে সূত্রমতে, সেসময় তার বয়স্ক ভাতা ৮মাস ধরে বন্ধ থাকে। এ রকম জীবিত মানুষ মৃত, নাম ভুল, বাবার নাম ভুল, মহিলাদের স্বামীর নাম ভুল এবং জন্ম তারিখ ভুলসহ জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্ম নিবন্ধন নিয়ে হয়রানির শেষ নেই ভুক্তভোগীদের এমন অনেক অভিযোগ রয়েছে।
    দেশের প্রতিটি নাগরিকের সরকারি জাতীয় সেবা পাওয়ার অধিকার আছে কিন্তু জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্ম নিবন্ধন ভুল সংশোধন করতে গিয়ে অনেক মানুষ হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়, এটি জাতীয় সমস্যা। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের সহজ ভাবে সংশোধন করার দাবি জানান সচেতন মহল। জাতীয় পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) হারিয়ে ফেলেছেন, ফরম/স্লিপ নেই, আইডি নাম্বার মনে নেই, জন্ম তারিখ মনে নেই। ফেস ভেরিফাই হচ্ছে না, এরকম বিভিন্ন সমস্যার কারণে আইডি কার্ড বা জন্ম নিবন্ধন উত্তোলন করতে পারছেন না অনেকেই, এটি জাতীয় সমস্যা। এ নিয়ে সংশোধন করতে গিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা নির্বাচন অফিসে সঠিকভাবে সেবা না পেয়ে হয়রানির শিকার হচ্ছেন অনেক নাগরিক।
    রাজধানী ঢাকা ও সাভার উপজেলার আশুলিয়া থানার ইয়ারপুর ইউনিয়ন, শিমুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদসহ দেশের প্রায় প্রতিটি এলাকায় জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্ম নিবন্ধন এর ব্যাপারে জনগণের মধ্যে জটিলতা সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে কিছু তথ্যঃ এক কপি ছবি যাহার জন্ম নিবন্ধন তাহার। টিকা কার্ড। মা, বাবার ভোটার আইডি কার্ড এর ফটো কপি। মা, বাবার ডিজিটাল জন্ম সনদ এর ফটো কপি। ০১-০১-২০০১ এর আগে যার জন্ম তাহার মা, বাবার জন্ম সনদ লাগবে না। বিদ্যুৎ বিল ফটো কপি লাগবে। মোবাইল নাম্বারসহ আরও অনেক কিছু লাগবে শিক্ষার্থীদের স্কুল কলেজে ভর্তির সময়। এরকম পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার সাগরকান্দি ইউনিয়নের কদিম মালঞ্চী এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ইউনিয়ন পরিষদে জনগণকে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীরা জানান, ইউনিয়ন পরিষদে দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্টরা নানারকম সমস্যার কথা বলে সেবাদানে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে থাকেন।
    অনেকেই জানান, জাতীয় সেবা এখন আপনার হাতের নাগালে এটা কথার কথা। জাতীয় পরিচয়পত্র-সমাধান কেন্দ্র নামের একটি সূত্র জানায়, আমরা সকল কাজে অগ্রিম পেমেন্ট নিয়ে থাকি, সেখানে ৪টি নাম্বার দেওয়া হয়েছে, এর মধ্যে একটি ০১৮১১৭৬২৩৬৯। বিশেষ করে নির্বাচন কমিশন জানান, আইডি কার্ড উত্তোলন, সংশোধন, নিবন্ধন, সকল কাজ খুব দ্রুত সময়ে র্নিভুল ভাবে করার জন্য নির্বাচন কমিশন সবসময় চেষ্টা করে আসছেন। মূলতঃ জন্মনিবন্ধন ও ভোটার আইডি কার্ডটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সম্পত্তি। এই বিষয়ে দায়িত্বে থাকা যদি কেউ অনিয়ম করে আর জনগণের সেবা না দিয়ে তাদেরকে হয়রানি করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট উপর মহলের প্রশাসনের দাবী। তবে উক্ত ব্যাপারে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর জনসাধারণের হয়রানি কিছুটা কমেছে। অভিযোগ- যেকোনো ইউনিয়ন পরিষদে সেবা নিতে আসা নাগরিক এর কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হয়। জানা গেছে, দেশের পোশাক কারখানায় যেসকল শ্রমিক কাজ করছেন অনেক শ্রমিকের ভুল ঠিকানায় চাকুরি নিয়ে কাজ করছেন, বা ঠিকানা সঠিক থাকলেও বয়স বাড়ানো কমানো রয়েছে। জাতি জানতে চায় উক্ত নাগরিক সমস্যা পুরোপুড়ি ভাবে সমাধান হবেতো?।

  • পাইকগাছার উওর গড়ের আবাদ গ্রামে  বাঁশের সাঁকোই দু”সহস্রাধিক মানুষের পারাপার একমাত্রই ভরসা

    পাইকগাছার উওর গড়ের আবাদ গ্রামে বাঁশের সাঁকোই দু”সহস্রাধিক মানুষের পারাপার একমাত্রই ভরসা

    ইমদাদুল হক, (পাইকগাছা ( খুলনা ) ।।

    আষাড়ে টানা ২৫দিন বৃষ্টিতে বাঁশের সাঁকো উপর কোমর পানি দীর্ঘদিন যাবৎ পারাপারে নেই সেতু, তাই বাঁশের সাঁকোই একমাত্র ভরসা নদীপাড়ের মানুষের। অনেকটা জীবনের ঝুঁকি নিয়েই যাতায়াত করতে হয় এই সাঁকোর উপর দিয়ে। খুলনার পাইকগাছা উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর গড়ের আবাদ সরদার বাড়ি জামে মসজিদের সামনে নৈর নদীর ওপর রয়েছে নড়বড়ে এই সাঁকো। সংস্কারের অভাবে সাঁকোটি এখন পরিণত হয়েছে মরণফাঁদে।প্রতিদিন উত্তর গড়ের আবাদ ও পূর্বগজালিয়া গ্রামের শত শত মানুষ চলাচল করেন এই বাঁশের সাঁকো দিয়ে। এতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছে স্কুলগামী শিক্ষার্থী ও রোগীরা। দীর্ঘদিনেও সেতু তৈরি না হওয়ায় কিংবা কোনো সংস্কারের উদ্যোগ না থাকায় স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। নির্বাচনের সময় জনপ্রতিনিধিরা সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিলেও পরে নির্বাচন শেষে কোনো খোঁজ রাখেননি। তাছাড়া প্রতিনিয়তই এই সাঁকোতে দুর্ঘটনা ঘটছে।কৃষিনির্ভর এই অঞ্চলে প্রচুর কৃষিপণ্য উৎপাদিত হলেও সময়মতো পরিবহণের ব্যবস্থা না থাকায় সেগুলো বাজারে পৌঁছানো যায় না। ফলে চাষিরা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন ও ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। আর সেতু নির্মাণ না হওয়ায় প্রায় ২ হাজার মানুষ পড়েছেন চরম বিপাকে। তাই দ্রুত সেখানে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, উত্তর গড়ের আবাদ গ্রামের বাসিন্দাদের জেলা কিংবা উপজেলা সদরে যাতায়াতের সহজ পথ হলো পূর্ব গজালিয়া ইটের সলিং রাস্তা। প্রতিদিন শত শত মানুষ এ বাঁশের সাঁকো পার হয়ে পূর্ব গজালিয়ার ডাবল ইটের পাকা রাস্তায় উঠেন। টানা বৃষ্টিতে সাঁকোটি উপর কোমর পানি বর্তমানে প্রায় ভেঙে পড়ার অবস্থায় রয়েছে, ।উত্তর গড়ের আবাদ গ্রামের প্রায় ৫ কিলোমিটার এলাকার দুই হাজার মানুষ সম্পূর্ণভাবে এই সাঁকোর উপর নির্ভরশীল। এখানে নেই কোনো সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ফলে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পূর্ব গজালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যেতে হলে বাধ্য হয়ে বিপজ্জনক সাঁকো পার হতে হয়। শুকনো মৌসুমে অনেকে বাদুড়িয়া ব্রিজ বা চৌমুহনী বাজার ঘুরে দীর্ঘ পথ পায়ে হেঁটে স্কুলে যান। এছাড়া স্থানীয় গাড়িচালকরা (মোটরভ্যান, নসিমন, করিমন) রাস্তার মাথায় কিংবা অন্যের বাড়িতে গাড়ি রেখে সাঁকো পার হয়ে বাড়ি ফিরতে বাধ্য হন। এলাকার সড়ক ও যোগাযোগ ব্যবস্থা অত্যন্ত নাজুক হওয়ায় সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক বছর আগে গ্রামের মানুষ নিজেরা উদ্যোগ নিয়ে সাঁকোটি নির্মাণ করেন। এরপর সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জোয়াদুর রসুল বাবুর সময় সরকারি বরাদ্দে স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য আক্কাস ঢালী কিছু পাকা পিলার ও কাঠ দিয়ে সাঁকো নির্মাণ করেন। কিন্তু কয়েক বছরের মধ্যেই সাঁকোটি আবার ভেঙে যায়। পরবর্তীতে পুনরায় স্থানীয়ভাবে বাঁশ দিয়ে সাঁকো নির্মাণ করা হলেও সেটিও এখন পারাপারের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহেরা নাজনীনের সু-দৃষ্টি কামনায় উল্লেখিত স্থানে ব্রিজ নির্মাণের জোর দাবি জানান এলাকা বাসি

    প্রেরক,

    ইমদাদুল হক

    পাইকগাছা,খুলনা

  • নড়াইল জেলা পুলিশের কোর্ট পরিদর্শন করলেন অতিরিক্ত জিআইজি অ-পারেশনস

    নড়াইল জেলা পুলিশের কোর্ট পরিদর্শন করলেন অতিরিক্ত জিআইজি অ-পারেশনস

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইল সদর কোর্ট পরিদর্শন করলেন অতিরিক্ত জিআইজি অপারেশনস খুলনা রেঞ্জ জয়নুদ্দীন।
    নড়াইল জেলা পুলিশের কোর্ট পরিদর্শন করেন শেখ জয়নুদ্দীন, পিপিএম-সেবা, অতিরিক্ত ডিআইজি (অপারেশনস্), খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি, খুলনা। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, শনিবার (১৯ জুলাই) অতিরিক্ত ডিআইজি (অপারেশনস্), খুলনা রেঞ্জ কোর্ট পুলিশ কর্তৃক প্রদত্ত পরিদর্শন সালামী গ্রহণ করেন। সালামী গ্রহণ শেষে অতিরিক্ত ডিআইজি (অপারেশনস্), সদর কোর্টে রক্ষিত বিভিন্ন রেজিস্টার, সিডিএমএস এন্ট্রি যাচাই, মালখানা পরিদর্শন সহ সদর কোর্টের প্রতিটি স্থান ঘুরে ঘুরে পরিদর্শন করেন। অতিরিক্ত ডিআইজি (অপারেশনস্), খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি, খুলন কোর্টের কাজকর্মে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
    এ সময় নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার কাজী এহসানুল কবীর, মোঃ আশরাফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), সহ জেলা পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • লাগাতার বর্ষনে প্লা-বিত রুদ্রপুরের ঠেঙামারী ও আওয়ালী বিল, ৫০০ একর জমি পানির নিচে

    লাগাতার বর্ষনে প্লা-বিত রুদ্রপুরের ঠেঙামারী ও আওয়ালী বিল, ৫০০ একর জমি পানির নিচে

    আজিজুল ইসলাম : লাগাতার বর্ষনে ও ভারতের ইছামতী নদীর উজানের পানিতে এবছরও প্লাবিত হয়েছে শার্শা উপজেলার রুদ্রপুর গ্রামের ঠেঙামারী ও আওয়লী বিল। এতে পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে ৫০০ একর ফসলি জমি। ক্ষতির মুখে পড়েছেন উপজেলার গোগা, গোগা শান্তিপুর, বাইকোলা, গাজীর কায়বা, পাঁড়ের কায়বা, পাঁচকায়বা, ভবানীপুর ও রুদ্রপুর সহ ৮ গ্রামের মানুষ। বিশেষ করে এবছর ভারতীয় উজানের পানি ঢোকার কারনে আউশ ধান, পাট ও আমন বীজ তলার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

    স্থানীয় কয়েকজন চাষী জানিয়েছেন, ভারতীয় ইছামতি সংলগ্ন খালমুখের বাঁধ কেটে রাখার কারনে বৃষ্টির পানির সাথে সাথে ইছামতী নদীর উজানের পানি প্রবেশ করে ঠেঙামারী ও আওয়ালী বিলের ডাঙ্গার পাট ও আউশ ধান তলিয়ে গেছে। এবং বিলে জলাবদ্ধতা তৈরী হয়েছে। তারা আরও জানান, ভারতীয় ইছামতির উজানের পানি বিলে প্রবেশ না করলে এসব ফসলের ক্ষতি হতোনা। চাষি জাকির হোসেন জানান, তার একবিঘা জমির পাট পানির কারনে নষ্ট হয়েছে। এতে প্রায় ৩০ হাজার টাকার পাটের ফসলের ক্ষতি হয়েছে। এরকম অনেক চাষি আছেন, যাদের পাটের জমিতে এখন ৫ থেকে ৬ ফুট পানি জমে আছে।

    কায়বা ইউনিয়ন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আল – আমিন জানিয়েছেন,  এবছর আগাম বর্ষনের কারনে আমন ধানের ক্ষতি হয়নি। তবে ৫ হেক্টরের মত আমনের বীজ তলা নষ্ট হয়েছে। এছাড়াও ৩৫ হেক্টরের মত আউশ ধান ও ২০ হেক্টরের মত পাট ফসলের ক্ষতি হয়েছে। তিনি আরও জানান, আমন ফসলের ক্ষতি না হলেও বিলে জলাবদ্ধতা তৈরী হওয়ার কারনে ঠেঙামারী বিলে ৫০০ একরের মত জমিতে আমন চাষ না হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    একটি সুত্র জানিয়েছেন ইরি বোরো চাষের মুখে চাষিদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে খালমুখের বাঁধ কেটে দেয়া হয়েছিলো। যা পরবর্তীতে আর বেঁধে দেয়া হয়নি।যার ফলে এখন চাষীদের বিপদের কারণ হয়ে দাড়িয়েছে।

  • গোপালগঞ্জ জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত 

    গোপালগঞ্জ জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত 

    কে এম সাইফুর রহমান, 

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ 

    গোপালগঞ্জ জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

    রোববার (২০ জুলাই) সকাল ১০ টায় গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষ ‘স্বচ্ছতা’য় আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্মসচিব) মুহম্মদ কামরুজ্জামান। 

    স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক (অঃ দাঃ) ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ গোলাম কবির এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমন্বয় কমিটির মাসিক সভায় জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান, গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দেব নাথ, গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজের পরিচালক ডাঃ প্রেমানন্দ মন্ডল, গোপালগঞ্জ সিভিল সার্জন ডাঃ আবু সাঈদ ফারুক, গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ জীবিতেষ বিশ্বাস, গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যাপক ওহিদ আলম লস্কর, সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সেখ বেনজীর আহমেদ, গোপালগঞ্জ গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী স্বর্ণেন্দু শেখর মন্ডল, গোপালগঞ্জ এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ এহসানুল হক, গোপালগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম, গোপালগঞ্জ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ফয়েজ আহমেদ, গোপালগঞ্জ স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মাসুদুল হক, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী প্রতিভা সরকার, গোপালগঞ্জ ওজোপাডিকোর নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মাঈন উদ্দিন, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম রকিবুল হাসান, কাশিয়ানী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অঃ দাঃ) মুনমুন সেন, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার, মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসনিম আক্তার, কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অঃ দাঃ) মোঃ মাসুম বিল্লাহ, জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক (অঃ দাঃ) লাখসানা লাকী, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক হারুন-অর- রশীদ, গোপালগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস এর উপ-পরিচালক মোঃ নুরুল হুদা, জেলা কমান্ড্যান্ট (বিভিএমএস) মজিবুল হক,
    গোপালগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আঃ কাদের সরদার, জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ নবী নেওয়াজ, জেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক শিপলু আহমেদ, গোপালগঞ্জ বিআরটিএ -এর মোটরযান পরিদর্শক জিয়া উদ্দিন সহ জেলা উন্নয়ন কমিটির অন্যান্য সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

    জেলার সার্বিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে এ সভার আয়োজন করা হয়। উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অংশগ্রহণকারীরা জেলার চলমান উন্নয়ন প্রকল্প, অবকাঠামো উন্নয়ন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, পানি ব্যবস্থাপনা, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিসহ বিভিন্ন খাত নিয়ে আলোচনা করেন।

    কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক মুহম্মদ কামরুজ্জামান তার বক্তব্যে বলেন, “উন্নয়নের মূল লক্ষ্য হচ্ছে জনগণের জীবনমান উন্নয়ন। সরকারের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমকে টেকসই করতে হলে মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করতে হবে।” তিনি প্রতিটি প্রকল্প যথাসময়ে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।” সভা শেষে জেলা প্রশাসক সকল অংশগ্রহণকারীকে ধন্যবাদ জানান এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও আন্তরিকতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “সকলের সম্মিলিত প্রয়াসেই একটি উন্নত ও মানবিক গোপালগঞ্জ গড়ে তোলা সম্ভব।”

    সভায় জেলার প্রধান প্রধান উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয় এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে যেসব সমস্যা বা প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, তা চিহ্নিত করে সমাধানমূলক প্রস্তাব দেওয়া হয়। তাছাড়া, শিক্ষা খাতে মানোন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, নারী ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা, এবং জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো গড়ার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

    ”জেলা উন্নয়ন সমন্বয় সভায় গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান তাঁর বক্তব্যে বলেন, “উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জেলা পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমরা সর্বদা সচেষ্ট থাকি যেন উন্নয়ন কার্যক্রম নির্বিঘ্নে বাস্তবায়িত হয়। বিভিন্ন প্রকল্প এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা, অপরাধ দমন, সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি—এসব কাজ আমাদের চলমান দায়িত্বের অংশ।”

    তিনি আরও বলেন, “জেলার সার্বিক উন্নয়নে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে অন্যান্য দপ্তরগুলোর কার্যকর সমন্বয় অত্যাবশ্যক। এ ধরনের সমন্বয় সভা সে লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”

    পুলিশ সুপার সকল অংশীজনকে আইন মেনে, দায়িত্বশীলভাবে এবং জনকল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান এবং ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেন।

    উন্নয়ন সমন্বয় সভায় উপস্থিত   কমিটির  অন্যান্য সদস্যগণ জেলার সার্বিক উন্নয়নে আরও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ও তথ্য বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, এ ধরনের নিয়মিত সমন্বয় সভা প্রশাসন ও জনসাধারণের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করবে এবং উন্নয়নের গতি আরও বেগবান করবে।

  • ৭০ বছর পর আদালতের  মাধ্যমে জমি ফিরে পেলেও ,প্রতিনিয়তই দিচ্ছে প্রা-ণনাশের হু-মকি

    ৭০ বছর পর আদালতের মাধ্যমে জমি ফিরে পেলেও ,প্রতিনিয়তই দিচ্ছে প্রা-ণনাশের হু-মকি

    খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
    দীর্ঘ ৭০ বছর আইনি লড়াই শেষে পৈত্রিক জমি ফিরে পেলেও স্বস্তি মেলেনি মো. আব্দুল জব্বারের পরিবারের। জমি দখলমুক্তির দিনই হামলার শিকার হন তিনি। এরপর থেকে প্রতিনিয়ত হুমকির মুখে দিন কাটছে পরিবারটির।

    আব্দুল জব্বার রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের বেলাইচন্ডী সর্দারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। বয়স ৬৮ বছর। খড়ের ছাউনি দেওয়া মাত্র ১০ হাতের একটি ঘরে স্ত্রী ও চার সন্তানকে নিয়ে অমানবিক পরিস্থিতিতে বসবাস করছিলেন তিনি। গোসল করতে হতো পাশের সেচ ক্যানেলে, প্রাকৃতিক কাজ সারতে হতো ঝোপঝাড়ে। অন্যের নলকূপের পানি দিয়েই চলছিল তাদের জীবন।

    সরেজমিনে দেখা গেছে, খড়ের ছাউনি দেওয়া ১০ হাত একটি ঘরে তিন মেয়ে এক ছেলেকে নিয়ে থাকতেন আব্দুল জব্বার। জায়গার অভাবে গোসল করতেন সেচ ক্যানেলে। স্ত্রী সন্তানদের প্রাকৃতিক কাজ সারতে হতো ঝোপঝাড়ে। অন্যের নলকূপের পানি দিয়ে চলতো জীবন। অথচ নিজের বাপদাদার জমি দখল করে নিয়ে কোন ঠাকা করে রেখেছিল দুর্বৃত্তরা।

    জানা যায়, তার দাদা জমির উদ্দিনের নামীয় ৬৮ শতক জমি দীর্ঘদিন ধরে দখলে রেখেছিল স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র। এ নিয়ে প্রায় ৭০ বছর আগে মামলা হয়। একে একে মামলার বাদী হন জমির উদ্দিনের ছেলে তমিজ উদ্দিন ও পরে তার ছেলে আব্দুল জব্বার। ২০১৫ সালে মামলার দায়িত্ব নেওয়ার পর সম্প্রতি আদালতের রায়ে জব্বারের পক্ষে জমি ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ আসে।

    গত ১৩ জুলাই উপজেলা জেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, থানা পুলিশ ও আদালতের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে জমিটি পুনরুদ্ধার করে তার দখলে দেওয়া হয়। কিন্তু একই দিন বিকালে প্রতিপক্ষ হামলা চালায়। বর্তমানে তারা বিভিন্নভাবে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ পরিবারের।

    এ ঘটনায় তারাগঞ্জ থানায় গত বৃহস্পতিবার রাজু, জামাল উদ্দিন ওরফে টোল্লা, দুলু, খোকন সরদার, রেজাউল হোসেন, রফিক আলী, চন্টু, কালা মিয়া, জিকরুল ইসলাম, জিয়ারুল ইসলাম, সম্ভারু, আরজিনা বেগম, দুলালী বেগম, রফিকা বেগম, মশিয়ার রহমান ওরফে কালুয়া, লাল বাহাদুর, মাসুদ ও আফেজা বেগমসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

    আব্দুল জব্বার বলেন, “আমার বাপ-দাদার জমি আমি ফেরত পাইলাম, কিন্তু এখনো শান্তিতে থাকতে পারছি না। ছোট একটা ঘরে থাকি, ওরা ধোঁয়ায় ঘর ভরায় দিতো, জায়গা চাইলেও দেয়নি। এখন তো মারতেই আসছে। খুব ভয় লাগছে। আমাকে রাস্তায় মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে। জমিতে যাইতে দিচ্ছে না। ”

    তার মেয়ে জেসমিন আক্তার বলেন,”প্রতিদিন হুমকি দেয়। পুলিশের সামনেই হামলা করতে এসেছে। এখন আমাদের রাস্তায় চলাও দায়। আমাদের পেশী শক্তি নেই। আমরা আইনের মাধ্যমেই সরকারের কাছে ন্যায়বিচার চাই। আমাদের নিরাপত্তা চাই ”

    অন্যদিকে এক অভিযুক্ত সম্ভারু বলেন, “বাপ-দাদার সময় থেকে ওই জমিতে ছিলাম। ওরা জমি পাইছে, নিতে চাইলে নিক। তবে আমরা হুমকি দেইনি।”

    তারাগঞ্জ থানার ওসি এম এ ফারুক বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • জামালগঞ্জে জা-লিয়াতির মাধ্যমে সরকারি খা-স জমি বন্দোবস্ত নেয়ার অভি-যোগ

    জামালগঞ্জে জা-লিয়াতির মাধ্যমে সরকারি খা-স জমি বন্দোবস্ত নেয়ার অভি-যোগ

    কেএম শহীদুল সুনামগঞ্জ:
    সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে একাধিক দাগে ভূমির মালিক হওয়া সত্ত্বেও ভূমিহীন সেজে জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারি খাস জমি বন্দোবস্ত নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত ২৫শে জুন এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন জামালগঞ্জ উপজেলার বুতিয়ারপুর গ্রামের শহিদ মিয়ার পুত্র গোলাপ মিয়া।
    অভিযোগ সূত্রে জানা য়ায়, গত দুই যুগ পূর্বে সরকারি খাস ভূমিতে মাটি ভরাটসহ বনজঙ্গল পরিষ্কার করে বাড়িঘর তৈরী করে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছিলেন গোলাপ মিয়াসহ আরো বেশ কিছু পরিবার।
    তবে কিছু ভূমিখেকো কু-চক্রি মহলের লোক তাদের জমি-জামা থাকার পরেও ভূমিহীন সেজে এসব ভূমি বন্দোবস্ত হাসিল করে নেয়। এমনকি বর্তমানে তারা প্রতিনিয়িত অভিযোগকারীকে বাড়িঘর ছাড়তে ভয়ভীতিসহ প্রাননাশের হুমকি দিয়ে আসছে। এছাড়াও আদালতে একটি মামলা দায়ের করে ভূমিহীন পরিবারগুলোকে উচ্ছ্যেদে উঠে পড়ে লেগেছে তারা।
    এমন অবস্থায় ভোক্তভোগী ওই নীরিহ পরিবারের লোকজন মাথা গোজার শেষ সম্বলটুকু রক্ষায় নুরুল আমিনের বন্দোবস্ত বাতিলের দাবী জানান জেলা প্রশাসকের কাছে।
    এ ব্যপারে জানতে চাইলে জামালগঞ্জ উপজেলার শরিফপুর গ্রামের বাসিন্দা হাবিব বলেন, নুরুল আমিন জীবিত থাকতে আমার বাপ-চাচাদের জমির উপরে বন্দোবস্ত দেখাইয়া একটি মামলা দায়ের করে। পরে আমরা কাগজপত্র দেখানোর পর আদালত আমাদের পক্ষে রায় দিলে মামলা খারিজ হয়ে যায়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে নুরুল আমিনের ছেলে দেলোয়ার গংরা বর্তমানে পানি নিষ্কাশনের খালসহ নীরিহ ১৫/২০টি পরিবারের উপর মামলা দায়ের করে। এখন তারা আমাদের নানাভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে উচ্ছ্যেদের পায়তারা করছে।
    একই গ্রামের শামসুল হক বলেন, নুরুল আমিনের ছেলে দেলোয়ার কোর্টে মুহুরিগিরী করে। তার বাবা ও মায়ের নামে বেশ কিছু ভূমি বন্দোবস্ত নিয়ে নেয়। এখন নানা ভাবে মানুষকে মামলার ভয়ভীতি দেখায়। নানা ধরনের হুমকি-দামকি দিয়ে সুনামগঞ্জে আসলে মারধর করবে বলে হুশিয়ারি দেয়। তার এসব হুমকি-দামকি ও মামলার হাত থেকে বাঁচতে নিরীহ মানুষরা তাই প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
    এ ব্যপারে অভিযোগকারী গোলাপ মিয়া বলেন, আমরা বিগত ৩০ বছর পূর্বে সরকারী আইডব্লিউটি এর জায়গায় বসবাস করে আসছিলাম। তবে নদীভাঙ্গনের আমাদের এসব বসতভিটা বিলীন হওয়ার পরে আমার শশুরের দখলে থাকা জায়গার বনজঙ্গল পরিষ্কার করে মাটি ভরাটের মাধ্যমে বসতবাড়ি তৈরী করে বসবাস করে আসছি। প্রশাসনের কাছে আমাদের দাবী প্রভাবশালী ও বহু জমির মালিক নুরুল আমিনের বন্দোবস্ত বাতিল করে আমরা নিরীহ ও অসহায় পরিবারের মানুষদের বসবাসের সুযোগ করে দিবেন।
    এ ব্যপারে অভিযুক্ত নুরুল আমিনের পুত্র দেলোয়ার বলেন, আমার বাবা যখন ভূমিহীন ছিলেন তখন জমিগুলোর বন্দোবস্ত পান। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন । উল্টো শামছু গংরা আমার বাড়িঘরে হামলা চালিয়েছে এবং আমার কাছে চাঁদা দাবী করছে। আমি এ বিষয়ে আমি জামাগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।
    এ ব্যপারে জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াছ মিয়া বলেন, জামালগঞ্জে এ ধরনের একাধিক অভিযোগ আমরা পেয়েছি। এবং যেগুলো বন্দোবস্ত দেয়া হয়েছিলো তার অনেকগুলোর বন্দোবস্ত আমরা বাতিল করেছি। এসব পক্রিয়ার সাথে কারা জড়িত তাদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।
    ##