Blog

  • দারুল ইসলাম মডেল মাদ্রাসায় ভর্তি চ-লছে

    দারুল ইসলাম মডেল মাদ্রাসায় ভর্তি চ-লছে

    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
    সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় দ্বীনি শিক্ষার নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান “দারুল ইসলাম আইডিয়াল মাদ্রাসা”।সলঙ্গা থানা সদরে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী কদমতলা চত্বরে অত্যন্ত নিরিবিলি ও মনোরম পরিবেশে গড়ে উঠেছে প্রতিষ্ঠানটি।অভিজ্ঞ ১৭ জন শিক্ষক মন্ডলী দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে এই মাদ্রাসাটি।আপনার সন্তানকে সুশিক্ষায় গড়ে তুলতে আজই ভর্তি করুন।নূরানী বিভাগ-প্লে থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত বালক-বালিকা ভর্তি,মহিলা কিতাব বিভাগ-উর্দু জামাত থেকে শরহে বেকায়া পর্যন্ত ভর্তি,মক্তব নাজেরা মহিলা বিভাগ-১ বছরে কোরআন শুদ্ধ পড়া ও হিফজ্ বিভাগ-২/৩ বছরে আন্তর্জাতিক মান সম্মত হাফেজ এবং হাফেজা তৈরিতে ভর্তি চলছে।এ ছাড়া দাখিল পরীক্ষা দেয়ারও সুব্যবস্থা রয়েছে।যোগাযোগের ঠিকানা-প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক,মুফতি তাওহিদুল ইসলাম(০১৩৪১-১৭৩৪৪৩) এবং মো: জিহাদুল ইসলাম (০১৮৫১-১৯৩৯২৮)।

  • ফুলবাড়ী খাদ্যগুদামে ধান-চাল সংগ্রহে পদে পদে অনিয়ম

    ফুলবাড়ী খাদ্যগুদামে ধান-চাল সংগ্রহে পদে পদে অনিয়ম

    এম এস সাগর,
    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

    কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলা খাদ্যগুদামে চাষির নাম ব্যবহার করে ধান সরবরাহ প্রভাবশালীদের। চাল বিক্রিতে কেজিতে ৩০পয়সা হারে কমিশন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল আউয়ালের বিরুদ্ধে।

    জানা গেছে, কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলা খাদ্যগুদামে স্থানীয় আভ্যন্তরীণ আমন ধান ও চাল সংগ্রহ অভিযান ২০২৫-২৬খ্রী. অর্থবছর হিসেবে ২৬নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান চলে ২২ডিসেম্বর পর্যন্ত। এই সময়কালে ফুলবাড়ী খাদ্যগুদামে সংগ্রহ করা হয় ১১০মেট্রিক টন ধান ও চাল। কাগজে-কলমে বলা হয়েছে ৩৬জন প্রান্তিক চাষি এই পরিমাণ ধানের জোগান দিয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, ধানের তালিকায় চাষিদের নাম থাকলেও খাদ্যগুদামে বিক্রি করেননি এক ছটাক ধান। তাঁরা জানেনও না, কে বা কারা তাঁদের নাম ব্যবহার করে ধান সরবরাহ করেছেন। আবার চাল বিক্রির সময় মিলারদের কাছ থেকে আদায় করা হয়েছে কেজিতে ৩০পয়সা হারে কমিশন। অনেকটা ওপেন-সিক্রেটে এমন অনিয়মের সঙ্গে ধান-চাল সংগ্রহ করেছেন খাদ্যগুদামের কর্মকর্তারা।

    অনুসন্ধানে মিলেছে, চাষিদের নাম ব্যবহার করে ভুয়া তালিকা দেখিয়ে গুদামে ধান সরবরাহ করেছেন হাতেগোনা ৫-৬জন প্রভাবশালী মধ্যস্বত্বভোগী। উপজেলা খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল আউয়ালের যোগসাজশে সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ীরা এসব ধান সরবরাহ করেছেন। এমনকি তাঁরা চাষিদের নাম ভাঙিয়ে কৌশলে ধানের দামও তুলে নিয়েছেন।

    ফুলবাড়ীর নাওডাঙ্গা, শিমুলবাড়ী, ভাঙ্গামোড় ইউনিয়নের আদম আলী, আঃ রহমান, মনির উদ্দিন, আঃ সবুর, জয়নাল আলী বলেন, আমরা গোডাউনে ধান বিক্রি করতে গেলে বিক্রি করতে পারি না। নানা কারণে ধানের খুঁত ধরে রিজেক্ট করে দেওয়া হয়। এ জন্য কয়েক বছর ধরে ধান দিই না। কিন্তু এবারের তালিকায় আমাদের নাম আছে কি-না জানি না।

    শুধু তাই নয়, এবার মিলারদের কাছ থেকেও চাল কেনার সময় কেজিপ্রতি বসানো হয়েছে ৩০পয়সা হারে কমিশন। কমিশন বাণিজ্যে রাজি না হলে হয়রানির অভিযোগও রয়েছে।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মিলের মালিক জানান, গুদামে চাল বিক্রির সময় কমিশন বাণিজ্য অনেকটাই ওপেন-সিক্রেট। এ বছর কেজিপ্রতি চালে ২০থেকে ৩০পয়সা হারে কমিশন নির্ধারণ করা হয়। চাল বিক্রির সময় কর্মকর্তাদের খুশি না করলে নানাভাবে হয়রানি করা নতুন ঘটনা নয়। এবারও তাঁদের খুশি করতে কমিশন দিতে হয়েছে। না হলে ট্রাকভর্তি চাল দিনের পর দিন পড়ে থাকে।

    উপজেলা খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল আউয়াল বলেন, অফিসে আসেন কথা হবে বলেই মুঠোফোন ফোন বন্ধ করে দেন।

    কুড়িগ্রাম জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ কাজী হামিদুল বলেন, ‘এ বিষয়টি উপজেলা কর্মকর্তাই ভালো বলতে পারবেন। এই দায় আমার নয়।

    কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ বলেন, অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

  • বাগেরহাট-৪ আসনে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল “দলীয় প্রার্থী নই, জনতার এমপি হতে চাই” — অধ্যক্ষ আব্দুল আলীম

    বাগেরহাট-৪ আসনে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল “দলীয় প্রার্থী নই, জনতার এমপি হতে চাই” — অধ্যক্ষ আব্দুল আলীম

    এস.এম.সাইফুল ইসলাম কবির বিশেষ প্রতিনিধি :
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ–শরণখোলা) আসনে জামায়াত ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ আব্দুল আলীম মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টায় তিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মোঃ হাবিবুল্লাহ’র নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়নপত্র জমা দেন।
    মনোনয়নপত্র দাখিল শেষে অধ্যক্ষ আব্দুল আলীম বলেন,
    “আমি জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে নয়, জনতার প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। জনগণ যদি তাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করেন, তবে আমি হবো জনতার এমপি। এই এলাকার মানুষের উন্নয়ন ও ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করাই হবে আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য।”
    তিনি আরও বলেন, বাগেরহাট-৪ আসনের মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। এখানকার যোগাযোগ, অবকাঠামো ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। ক্ষমতায় গেলে দল-মত নির্বিশেষে সকলকে সঙ্গে নিয়ে এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকার করেন তিনি।
    মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াত ইসলামীর আমির মাওলানা শাহাদাৎ হোসাইন, জামায়াত নেতা হাফেজ সুলতান আহম্মেদ, উপজেলা নায়েবে আমির মাস্টার মনিরুজ্জামান, পৌর আমির মো. রফিকুল ইসলামসহ দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।
    এ সময় অধ্যক্ষ আব্দুল আলীম এলাকার গুরুত্বপূর্ণ ও দীর্ঘদিনের দাবি তুলে ধরে বলেন, পানগুছি নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণ, প্রস্তাবিত সেলিমাবাদ থানা বাস্তবায়ন, সন্ন্যাসী থেকে ঘষিয়াখালী পর্যন্ত ভেড়িবাঁধ নির্মাণসহ অসমাপ্ত উন্নয়ন কাজগুলো দ্রুত সম্পন্ন করা হবে তার প্রধান অগ্রাধিকার।
    তিনি দাড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে বিপুল ভোটের ব্যবধানে তাকে বিজয়ী করার জন্য বাগেরহাট-৪ আসনের সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।

  • ফুলবাড়ীয়া প্রেস ক্লাবের নির্বাচনে সহ সভাপতি কালাম  সাধারণ সম্পাদক হালিম

    ফুলবাড়ীয়া প্রেস ক্লাবের নির্বাচনে সহ সভাপতি কালাম সাধারণ সম্পাদক হালিম

    মো. সেলিম মিয়া ফুলবাড়িয়া প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া প্রেস ক্লাবের নির্বাচনে দৈনিক ইত্তেফাকের ফুলবাড়ীয়া সংবাদদাতা আবুল কালাম সহ সভাপতি-১ ও কালের কণ্ঠ ফুলবাড়ীয়া প্রতিনিধি মো. আব্দুল হালিম সাধারন সম্পাদক বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় দ্বিতীয় বারের মত বিনা প্রতিদ্বদ্ধিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
    রবিবার ( ২৮ ডিসেম্বর) উপজেলা পরিষদ হলরুমে সকাল ১০ টা থেকে বিরতিহীন ভাবে দুপুর ২ টা পর্যন্ত ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়। ফুলবাড়ীয়া প্রেস ক্লাবের তিনটি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৫০ জন ভোটারের মধ্যে ৪৫ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।
    নির্বাচনে সহসভাপিত-২ মো. নজরুল ইসলাম খান, সহ সাধারণ সম্পাদক আলী আশরাফ ও প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে মোত্তালিব দরবারি নির্বাচিত হয়। কার্যকরি সদস্যসহ সম্পাদক মন্ডলির ১১ টি পদে বিনাপ্রতিদ্বনিন্দতায় নির্বাচিত হয়। ফুলবাড়ীয়া প্রেস ক্লাবের গঠনতন্ত্র অনুযায়ি পদাধিকার বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নুর মোহাম্মদ।

  • ‎সুনামগঞ্জ সদরে ডে-ভিল ফেইস-২,অভিযানে দুই আওয়ামীলীগ নেতা আ-টক

    ‎সুনামগঞ্জ সদরে ডে-ভিল ফেইস-২,অভিযানে দুই আওয়ামীলীগ নেতা আ-টক


    ‎কেএম শহীদুল সুনামগঞ্জঃ
    ‎সুনামগঞ্জ সদর থানা পুলিশের ডেভিল ফেইস-২,বিশেষ অভিযানে দুইজনকে আটক করা হয়েছে।  রবিবার রাতে সুনামগঞ্জ সদর  থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রতন শেখ এর নির্দেশনায়   বিশেষ অভিযানে এসআই জহির হোসেন এবং এসআই অভিজিৎ ভৌমিকসহ সঙ্গীয় ফোর্স ডেভিল ফেইস-২ অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করেন। আটককৃতরা হলেন, সুনামগঞ্জ জেলা
    ‎ উপ জনশক্তি ও কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক, স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা সুব্রত তালুকদার জুয়েল(৩০),পিতা – বিধান তালুকদার, মাতা- মাধবী তালুকদার ঠিকানা- পূর্ব নতুন পাড়া,থানা-সুনামগঞ্জ সদর। অপরজন হলেন,সৈকতুল ইসলাম শওকত (৪০), পিতা- সিদ্দিকুর রহমান, মাতা -আমেনা খাতুন, ঠিকানা -ষোলঘর, থানা- সুনামগঞ্জ সদর,জেলা -সুনামগঞ্জ সে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ,  সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সদস্য এবং সাবেক শেখ রাসেল শিশু কিশোর সুনামগঞ্জ জেলা শাখার আহ্বায়ক। এব্যপারে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রতন শেখ ঘটনার সত্যতা নিশ্চত করে জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় ডেভিল ফেইস-২ অভিযানে দুই জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা আওয়ামীলীগের পদ-পদবীধারী সদস্য, সন্ত্রাস বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে তাদের আটক করা হয়, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে।##

  • ফসলি জমির মাটি কাটায় দুটি এক্সেভেটর অ-কেজো করা হয়েছে

    ফসলি জমির মাটি কাটায় দুটি এক্সেভেটর অ-কেজো করা হয়েছে

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী মোহনপুর উপজেলায় অবৈধভাবে ফসলি জমির উপরিভাগের উর্বরা মাটি (টপসয়েল) কেটে বিক্রি করায় অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমান আদালতে অবৈধ মাটি কাটার কাজে ব্যবহৃত দুটি এক্সেভেটর (ভেকু) মেশিন অকেজো করা হয়েছে।
    উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নির্দেশনায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জোবায়দা সুলতানার নেতৃত্বে রোববার মোহনপুর উপজেলার মতিহার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় ফসলি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটার কাজে দুটি এক্সেভেটর (ভেকু) মেশিন ব্যবহার করা হচ্ছিল
    এদিকে অভিযানকারী দলের উপস্থিতি টের পেয়ে মাটি কাটার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। পরিবহনের সুযোগ না থাকায় জব্দকৃত এক্সেভেটর দুটি ঘটনাস্থলেই অকেজো করে দেওয়া হয়
    এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) জোবায়দা সুলতানা বলেন, ফসলি জমির উপরিভাগের উর্বরা মাটি (টপসয়েল) কাটা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং পরিবেশ ও কৃষির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এ ধরনের কার্যক্রমের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। ভবিষ্যতেও অবৈধ মাটি কাটার বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, কৃষিজমি রক্ষা এবং পরিবেশ সংরক্ষণের স্বার্থে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।এবিষয়ে তিনি জনসাধারনের কাছে সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছেন।
    এদিকে একাধিক ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে কৃষি জমি রক্ষা করায় সাধারণ মানুষ অভিযানের ভুয়সী প্রশংসা করেছেন। #

  • মান্দায় গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে পাল্টে যাচ্ছে গ্রামের চিত্র

    মান্দায় গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে পাল্টে যাচ্ছে গ্রামের চিত্র

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী
    নওগাঁর মান্দায় কাজের বিনিময়ে খাদ্য(কাবিখা) ও কাজের বিনিময়ে টাকা(কাবিটা) কর্মসুচি প্রকল্পের
    মাধ্যমে উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়নের বদলে যাচ্ছে গ্রামের উন্নয়নের চিত্র। এসব উন্নয়ন কর্মসুচির সুফল পেতে শুরু করেছেন প্রত্যন্ত এলাকার জনগোষ্ঠী। এতে এসব জনগোষ্ঠীর মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি বদলে যোগাযোগ ব্যবস্থা।
    জানা গেছে, মান্দায় গ্রামীণ জনপদের উন্নয়ন এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া হতদরিদ্র মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) ও কাজের বিনিময়ে টাকা(কাবিটা) কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষন,মেরামত সংস্কার ও উন্নয়ন করা হয়। গ্রামীণ এলাকার রাস্তাঘাট নির্মাণ, মেরামত, কালভার্ট তৈরি, সেচ নালা খনন এবং বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি করার লক্ষ্যে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। একইসঙ্গে এই প্রকল্পের মাধ্যমে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। গ্রামীন অবহেলিত রাস্তা গুলো চিহ্নিত করে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অধীনে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে(ইউপি)
    এসব রাস্তা-ঘাটের সংস্কার ও উন্নয়ন কাজ এগিয়ে চলেছে। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এসব উন্নয়ন কাজের ফলে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। গ্রামীণ জীবনযাত্রার মানকে আরো উন্নত করতে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার ও উন্নয়ন সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে।
    এদিকে এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পের মাধ্যমে ১৪টি ইউনিয়নের (ইউপি) বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার উন্নয়ন কাজ সমাপ্ত হয়েছে। আবার কিছু কাজ চলমান রয়েছে। এসব প্রকল্প পুরোপুরি বাস্তবায়ন হলে সুফল পাবেন জনগণ বদলে যাবে গ্রামীণ জনপদের চিত্র।
    সরেজমিন দেখা গেছে, উপজেলার
    পরানপুর, ভারশোঁ, ভালাইন, কুসুম্বা, বিষ্ণুপুর ও গণেশপুরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে (ইউপি) প্রকল্প কর্মসূচির কাজ সম্পন্ন হয়েছে, আবার স্থানে চলমান রয়েছে।
    এদিকে চকরামাকান্ত গ্রামের পাকা রাস্তায় আব্বাসের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তাটি সংস্কার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটি খানাখন্দকে বেহাল দশায় ছিল। গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা আল মামুন, আলমগীর, জহিরুল জানান, এই প্রকল্পের মাধ্যমে মাটি কেটে রাস্তাটি সংস্কার করায় চলাচলের অনেক সুবিধা হয়েছে। একই ইউনিয়নের (ইউপি) বনগ্রাম দুলালের বাড়ি হতে আতাউরের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার কাজ চলমান রয়েছে। ইউপি সদস্য (মেম্বার) বিষ্ণু জানান, পিআইও স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজগুলো সঠিকভাবে করা হচ্ছে। পিআইও স্যার নিজেই এসব উন্নয়ন কাজ দেখভাল করছেন।এতে উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়নে কেউ অনিয়মের সুযোগ পাচ্ছে না। ইউপি সদস্য (মেম্বার) তানজিলা জানান, লোকজন না থাকায় কাজ কিছুদিন বন্ধ ছিল এখন আবার কাজ শুরু করা হয়েছে খুব অল্প সময়ের মধ্যে নিয়ম মেনে কাজগুলো সম্পন্ন করা হবে।তিনি বলেন,উন্নয়ন কাজগুলো পিআইও স্যার নিজেই সরেজমিন পরিদর্শন করছেন।
    এবিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম জানান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অধীনে মান্দা উপজেলায় ইতিমধ্যে ৬০টি প্রকল্প সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এতে সুবিধা ভোগ করছে জনগণ। প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ফেরাতে প্রকল্পের তথ্যসম্বলিত সাইনবোর্ড ব্যবহার ও নাম ফলক বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অথচ ইতিপূর্বে কোন প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রকল্পের সভাপতিগণ সাইনবোর্ড ব্যবহার করতেন না। একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যাতে করে স্থানীয় জনগণ প্রকল্পের বিভিন্ন তথ্য সম্পর্কে জানতে পারেন। এজন্যই মূলত এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। আগামীতে কর্মসূচির আওতায় জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানে জনস্বার্থে ধারাবাহিকভাবে প্রকল্প প্রদান ও বাস্তবায়ন করা হবে। এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আখতার জাহান সাথী বলেন, ইতি মধ্যেই কাবিখা-কাবিটা প্রকল্পের মাধ্যমে প্রান্তিক পর্যায়ের গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর সুবিধার্থে রাস্তাঘাট, ইটসলিং, এইচবিবি করুণ কালভার্ট, সিসি ঢালাই এর মাধ্যমে বেশ কিছু কাজ সংস্কার ও উন্নয়ন সম্পন্ন করা হয়েছে। এই প্রকল্পে যেহেতু আমাদের অফিস পর্যায়ের প্রত্যয়ন পত্রের মাধ্যমে শতভাগ কার্যক্রম গুলো দেখে বিল প্রদান করা হয়। এছাড়াও চেয়ারম্যান ইউপি সদস্যগণ দেখভাল করেন এতে করে কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করতে সুবিধা হয়। এবিষয়ে ভারশোঁ ইউনিয়ন পরিষদ(ইউপি)চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান বলেন,এবার পিআইও স্যার নিজেই সবগুলো উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করছেন।তিনি বলেন,এতে শতভাগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়েছে।#

  • নেছারাবাদে শহীদ ওসমান বিন হাদীর রু-হের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    নেছারাবাদে শহীদ ওসমান বিন হাদীর রু-হের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    আনোয়ার হোসেন
    নেছারাবাদ সংবাদদাতা,পিরোজপুর //

    নেছারাবাদে জুলাই যোদ্ধা ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান হাদীর রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) মাগরিব নামাজের পর নেছারাবাদ উপজেলার মাহামুদকাঠি বাশবাড়ি জামে মসজিদে এ দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    দোয়া মাহফিলে উপস্থিত থেকে মোনাজাত পরিচালনা করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর সন্তান আলহাজ্ব শামীম সাঈদী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী আলহাজ্ব মাসুদ সাঈদী এবং ছোট পুত্র আলহাজ্ব নাসিম সাঈদী।

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন এম এ বাসার কেন্দ্রীয় শিক্ষক পরিষদের নেতা ও জেলা সাধারণ সম্পাদক মো. জহিরুল হক, সহকারী সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্র পরিচালক ছিদ্দিকুল ইসলাম, সহকারী সাধারণ সম্পাদক আব্দুল রাজ্জাক, নেছারাবাদ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মো. আবুল কালাম আজাদ।
    অনুষ্ঠানে আরও অংশ নেন উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুর রশিদ, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা মো. মহিউদ্দিন, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা মো. জহিরুল ইসলাম, উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য ও মিডিয়া বিভাগের সভাপতি মো. গোলাম আযম আছলাম, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মোহাম্মদ সাইদুর রহমান, মজলিসে শূরা সদস্য মাওলানা আব্দুল হালিম, মো. মাসুম বিল্লাহসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

    অনুষ্ঠানে শহীদ ওসমান বিন হাদীর আত্মার মাগফিরাত কামনার পাশাপাশি দেশ, জাতি ও ইসলামের কল্যাণে বিশেষ দোয়া করা হয়।
    দোয়া মাহফিল শেষে আল্লামা সাঈদীর তিন পুত্র আটঘর কুড়িয়ানার মাহামুদকাঠি বাশবাড়ি এলাকায় ওমান প্রবাসী মো. জিয়াউর রহমানের বাসায় আতিথেয়তা গ্রহণ করেন।

    আনোয়ার হোসেন
    নেছারাবাদ সংবাদদাতা, পিরোজপুর ।।

  • সুজানগর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ১৯৭৪ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী

    সুজানগর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ১৯৭৪ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর: স্মৃতির টানে প্রিয় প্রাঙ্গণে এসো মিলি প্রাণের বন্ধনে’ এই স্লোগানে পাবনার সুজানগর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সুজানগর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ১৯৭৪ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী ও মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উদযাপন করা হয় এ অনুষ্ঠান।এ সময় স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের ১৯৭৪ সালের এসএসসি ব্যাচের পরীক্ষার্থী অ্যাডভোকেট আরশেদ আলম, অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান, শামসুল আলম চৌধুরী জিন্না, মঞ্জু মন্ডল, আব্দুস সাত্তার মুন্সী, মনোয়ার হোসেন মধু, শ্রী অখিল কুণ্ড, সাদেক আলী, জাহাঙ্গীর হোসেন হারুন শেখ, এনামুল হক সোনাই, শ্রী ভবেশ দাস, মুমতাজ মন্টু, মোকছেদ খান, রাজ্জাক খান, ইব্রাহিম, আব্দুর রশিদ, মনসুর আলী, ছায়েন উদ্দিন, মোকছেদ আলী, সোতাহার, শফিউল আলম, জব্বর হোসেন, আব্দুল মান্নান, হাসেম হোসেন, কিয়ামুদ্দিন, মজিদ, খায়রুল ইসলাম, জালাল উদ্দিন, জাহাঙ্গীর হোসেন, আতাউর মঞ্জু, শফি, রশিদ, সুবাহান, মাবুদ আলী, আব্দুর রাজ্জাক, আব্দুস সাত্তার, শ্রী মধুসোধন, রাজা হোসেন, হারুন অর রশিদ, আব্দুল আজিজ, শ্রী সিদ্ধেশ্বর, লিয়াকত হোসেন, মঞ্জুর হোসেন, জালাল উদ্দিন, আবু বাক্কার, বন্দের আলী, ইমান আলী, আমিরুল ইসলাম ও মাজেদ আলী প্রমূখ।এদিকে পুনর্মিলনী উৎসবে এসব প্রাক্তনরা মেতে উঠেছিলেন আনন্দে, যেন তারা ফিরে গেছেন নিজেদের শৈশবে। পুরোনো বন্ধুদের এক সঙ্গে পেয়ে সব ক্লান্তি যেন দূর হয়ে গিয়েছিল। একে অপরের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও কোলাকুলির মাধ্যমে তৈরি করেন বন্ধুত্বের নতুন দ্বার। করে রাখেন ক্যামেরাবন্দি।প্রাক্তন শিক্ষার্থী এডভোকেট আরশেদ আলম বলেন, ‘আমরা শৈশব-কৈশোরের খেঁাজে এখানে ছুটে এসেছি, স্বপ্নের দুয়ারে, স্মৃতির আঙিনায়। বহুদিন পর স্কুলবন্ধুদের একত্রিত করতে পারলাম। নানা ব্যস্ততায় অনেকের সঙ্গেই যোগাযোগ ছিল না। পরে বন্ধুদের একত্রিত করার উদ্যোগ নিই, আর সেই ভাবনা বাস্তবায়ন করতেই এই মিলনমেলা। সত্যিই দারুণ একটা দিন কাটিয়েছি।শামসুল আলম জিন্না নামে আরেক প্রাক্তন স্মৃতিচারণে বলেন, ‘এই মিলন মেলা আমাদের আনন্দ বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে। এক সময় আমরা একসঙ্গে পড়াশোনা করলেও, জীবিকার তাগিদে অনেকেই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছি। কেউ ঢাকা, কেউ চট্টগ্রাম, কেউবা আরও দূরদূরান্তের জেলায়। জীবনের এমনই নিয়ম। এখন হয়তো কালেভদ্রে সেসব বন্ধুর সঙ্গে দেখা হয়। ফলে আমরা চেয়েছিলাম এবারে সবাই একত্রিত হতে। সবাইকে দীর্ঘ ৫১ বছর পর পেয়ে অসাধারণ এক সময় উপভোগ করছি।’প্রাক্তন শিক্ষার্থী মঞ্জু মন্ডল বলেন, ‘কৈশোরের বন্ধুত্ব কখনও হারায় না, হারিয়ে যাবার নয়। জীবন-জীবিকার তাগিদে আমরা হয়তো ব্যস্ত থাকি, কিন্তু ছেলেবেলা কখনও মুছে যায় না, অমলিন হয়ে থাকে স্মৃতিপটে। এ কারণে জীবন চলার পথে যতো মানুষের সঙ্গেই বন্ধুত্ব হোক না কেন, স্কুলজীবনের বন্ধুত্বের মতো কখনও স্মৃতিময় হয় না। প্রকৃত বন্ধুই হলো স্কুল জীবনের খেলার সাথীরাই। তারাই প্রকৃত বন্ধু। এ কারণেই আমরা সবাই মিলে চেয়েছিলাম এমন একটা আয়োজন করতে যেখানে সবাই একসঙ্গে দীর্ঘ ৫১ টি বছর পর একত্রিত হতে পারবো। এটি আমাদেরকে ছোটবেলা, স্কুলজীবনকে ফিরিয়ে দিয়েছে।মধ্যাহ্ন ভোজ শেষে খেলাধুলা শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পুরো আয়োজনে আনে ভিন্ন মাত্রা। সেখানে একে অপরের সঙ্গে আনন্দে দিনব্যাপী মেতে ওঠেন এসব প্রাক্তনরা।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর প্রতিনিধি।

  • পাইকগাছার পল্লীতে তীব্র শীতে আ-গুন জ্বা-লিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা

    পাইকগাছার পল্লীতে তীব্র শীতে আ-গুন জ্বা-লিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা)।।
    পাইকগাছার গ্রামাঞ্চলে তীব্র শীতে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করছে মানুষেরা।শীতের সকালে খড়-কুটো দিয়ে আগুন পোহানো গ্রামের প্রাকৃতিক দৃশ্য। পৌষের শীতে সবাই গরমের পোশাকে জবুথবু।অনেকের পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র না থাকায় শীতে কস্ট পায়। তাদের সূর্য ওঠার সঙ্গে-সঙ্গে বাড়ির আঙিনায় সকাল সন্ধ্যায় আগুন পোহানোর দৃশ্য দেখা যায়। প্রচণ্ড শীতে আগুন পোহানোর দৃশ্যটি সবার কাছে পরিচিত, সেটা হলো শীতের প্রকোপ থেকে বাঁচতে আগুন পোহানো। এটা নতুন কিছু নয় পূর্বে থেকেই। এমন চিত্র শুধু গ্রামেই দৃশ্যমান।খুলনার পাইকগাছা উপজেলার গদাইপুর ইউনিয়নের পাশে মেইন সড়ক তার ধারে গ্রামে বৃদ্ধরা খড়-কুটো দিয়ে আগুন ধরিয়ে চারপাশে ৪-৫ জন মিলে আগুন পোহাতে দেখতে পাওয়া যায়। কেউ দাঁড়িয়ে কেউ বসে, যে, যেভাবে পারছেন আগুনের তাপ পোহাচ্ছেন। শৈত্যপ্রবাহে নাজেহাল অবস্থা সবার। হাড়কাঁপানো ঠাণ্ডায় সবাই জবুথবু- শিশু থেকে বৃদ্ধ সবার একই হাল। শীত থেকে যেন কারও বাঁচার সাধ্য নেই।
    এবারে হঠাৎ করেই শীত বেশি পড়তে শুরু করেছে। তার সাথে যোগ হয়েছে শৈত্যপ্রবাহ। শীতের সময় শীত পড়বে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু একনাগাড়ে এতদিন ধরে সাধারণত শৈত্যপ্রবাহ থাকে না। কিন্তু এবার ব্যতিক্রম হচ্ছে। ফলে তাপমাত্রা দ্রুত নিচে নেমেছে। প্রচণ্ড ঠান্ডা বাতাস বয়ে যাওয়ায় জনসাধারণের স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বৃদ্ধ, নারী ও শিশুরা। শীতবস্ত্র ও খাবারের সংকটে হাজার-হাজার দরিদ্র মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। জেলাজুড়ে এক সপ্তাহ শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে বলে মনে করছেন তারা।আগুন পোয়াতে আসা শহিদুল ইসলাম বলেন, আগুন তাপানোর আয়োজনটা সাধারণত করে থাকে বাচ্চারাই। যদিও সে আয়োজন উপভোগ করে সবাই। তবে আগুন পোহাতে গিয়ে গাঁয়ের মানুষের দুর্ভোগও কম না। তারপরও শীতের প্রকোপ সহ্য করতে না পেরে মানুষ আগুন পোহায়। শীতের সকাল সন্ধ্যায় আগুন পোহাতে আমরা অনেক আনন্দ পাই। এটা নতুন কিছু নয়, আগুন পোহানো এটা পুরাতন প্রথা। অন্য বছরের তোলনায় এ বছর শীত একটু বেশি। তাই এমনিভাবে প্রতিদিনই গ্রামের ছেলেরা একত্রিত হয়ে আগুন পোহাই। কলেজ শিক্ষার্থী রফিকুল ইসলাম বলেন, দুই- তিন দিন ধরে সূর্যের চোখ দেখা যাচ্ছে না। প্রচণ্ড শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে গ্রামের মানুষ।প্রতিদিন বেড়েই চলছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বিভিন্ন ক্লিনিকগুলোতে ঠান্ডাজনিত রোগীদের ভিড়। কোথাও কোথাও সরকারি উদ্যোগে কম্বল বিতরণ করা হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম।পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডা. সুজন কুমার সরকার বলেন, তীব্র শীতে শিশু-বৃদ্ধরা নিউমোনিয়া ও ব্রঙ্কাইটিস, জ্বর, সর্দি কাশি ও শ্বাসকষ্টসহ ঠান্ডাজনিত রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। শীতে আগুন পোহাতে বেশি দেখা যায় গ্রামাঞ্চলে। তবে আগুন পোহানো থেকে বিরত থাকাই ভালো। শীতে হাতে পায়ে মোজা ও ৪-৫ টি পাতলা গরম কাপড় পরলে শরীরের জন্য ভালো। প্রায়ই সংবাদপত্রে সে খবর উঠে আসে। পুড়ে দগ্ধ, পুড়ে মৃত্যু পর্যন্ত হয় মানুষের।

    প্রেরকঃ
    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা খুলনা।