Blog

  • জুলাই বি-প্লবের বর্ষপূর্তিতে গোবিপ্রবিতে বিনামূল্যে হেলথ ক্যা-ম্প

    জুলাই বি-প্লবের বর্ষপূর্তিতে গোবিপ্রবিতে বিনামূল্যে হেলথ ক্যা-ম্প

    কে এম সাইফুর রহমান, 
    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ 

     জুলাই বিপ্লবের প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) বিনামূল্যে হেল্থ ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। 

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হেল্থ ক্যাম্পে সার্বিক সহায়তা করেছে নাক, কান ও গলার বিশেষায়িত হাসপাতাল সোসাইটি ফর অ্যাসিস্ট্যান্স টু হিয়ারিং ইম্পেয়ার্ড চিলড্রেন (সাহিক)।

    আজ মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে হেল্থ ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজমুল আহসান।

    দিনব্যাপী এই হেল্থ ক্যাম্পের কার্যক্রম চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। যেখানে সেবা প্রদান করেন নাক, কান ও গলার খ্যাতিমান চিকিৎসক ডা. এম এ সামাদ, ডা. মুহাম্মদ ওয়ালী উল্লাহ ও ডা. নাজমুস সাকিব। ক্যাম্পে বিনামূল্যে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কনসালটেশন ও ব্যবস্থাপত্রের সঙ্গে প্রায় দেড় লাখ টাকার ঔষধ প্রদান করা হয়।

    এর আগে জুলাই শহিদদের স্মরণে গত ২৫ জুলাই বাংলাদেশ লাং ফাউন্ডেশনের ৮জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়ে বিনামূল্যে হেল্থ ক্যাম্প আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। যেখানে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী মিলে ৩৮০ জন বিনামূল্যে সেবা গ্রহণ করেন। যাদের প্রায় দুই লাখ টাকার ঔষধ প্রদান করা হয়।

    হেল্থ ক্যাম্প আয়োজনের বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর বলেন, জুলাই বিপ্লবের শহিদদের স্মরণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীসহ সকলের জন্য এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। কনসালটেন্সির পাশাপাশি কিছু ঔষধও সরবরাহ করা হয়েছে। আগামীতে আমরা এমন আয়োজন অব্যাহত রাখার চেষ্টা করবো।

  • গাইবান্ধা জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নির্বাচিত হলেন বুলবুল ইসলাম

    গাইবান্ধা জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নির্বাচিত হলেন বুলবুল ইসলাম

    মিজানুর রহমান মিলন,
    স্টাফ রিপোর্টার :

    গাইবান্ধা জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হয়েছেন গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বুলবুল ইসলাম। গাইবান্ধা জেলার ৭ থানার মধ্যে জুন মাসে শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

    রবিবার (২৭ জুলাই) সকাল ১১টায় গাইবান্ধা পুলিশ লাইনে আয়োজিত জুন মাসের মাসিক কল্যাণ সভায় তাকে পুলিশ সুপার (এসপি) নিশাত এ্যঞ্জেলা এ সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মো. শরিফুল আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এ-সার্কেল) বিদ্রোহ কুমার কুন্ডু, সহকারী পুলিশ সুপার (বিভাগীয় অফিসার) সি-সার্কেল এবিএম রশীদুল বারীসহ জেলার সকল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাবৃন্দ।

    পুলিশ সুপারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. বুলবুল ইসলাম মাদক বিরোধী অভিযান, সন্ত্রাসী দমন, অস্ত্র উদ্ধার, ওয়ারেন্ট তামিলকারী ও দাফতরিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ড সুষ্ঠু ও নির্ভুলভাবে পালন করায় জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে মনোনীত হন।

    ওসি বুলবুল ইসলাম বলেন, এ পুরস্কার আমাকে আগামীতে জনগণকে আরও বেশি সেবা দিতে অনুপ্রেরণা জোগাবে। পুলিশ হবে জনগণের বন্ধু। পুলিশ সুপার নিশাত এ্যঞ্জেলা স্যারের নির্দেশনায় জনবান্ধব পুলিশের দৃষ্টান্ত স্থাপনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। থানার সকল এসআই, এএসআই, কনস্টেবলসহ সকল সহকর্মীকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

  • সং-স্কারের মধ্য দিয়ে নতুন বাংলাদেশ গঠিত হওয়াই আমাদের লক্ষ্য- নাহিদ ইসলাম

    সং-স্কারের মধ্য দিয়ে নতুন বাংলাদেশ গঠিত হওয়াই আমাদের লক্ষ্য- নাহিদ ইসলাম

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    জুলাই বিপ্লবের এক দফার ঘোষক এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আমরা জুলাই পদযাত্রায় নেমেছি; কিন্তু আকাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ এখনো পাইনি। আমি বিশ্বাস করি, ময়মনসিংহবাসী আমাদের পাশে থাকবেন, তাহলে আমরা সেই দেশ অচিরেই নির্মাণ করতে পারব।

    তিনি বলেন, দেশে সংস্কার প্রক্রিয়া চলছে। ঐকমত্য কমিশন বলেছে, জুলাই সনদ হবে। আমরাও বলেছি জুলাই সনদ হতেই হবে এবং সেটা ৫ আগস্টের মধ্যেই। জুলাই সনদের জন্য দ্রুত সময়ের মধ্যে আমরা ঐক্যবদ্ধ চাই। আমরা বলেছি, নির্বাচন কমিশনসহ দুদক ও পিএসসি তার নিরপেক্ষ নিয়োগের জন্য সাংবিধানিক কমিটি তৈরি করতে হবে।

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তি এবং এক দফা আন্দোলনের আত্মত্যাগ ও অঙ্গীকারের কথা স্মরণ করে সোমবার (২৮জুলাই) বিকেলে ময়মনসিংহে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপির) ঐতিহাসিক রাজনৈতিক কর্মসূচি ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাথা’শেষে নগরীর টাউন হল মাঠে আয়োজিত সমাবেশে বক্তৃতাকালে এসব কথা বলেন তিনি।

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ময়মনসিংহ জেলা শাখার প্রধান সমন্বয়নকারী জাবেদ রাসিনের সভপাতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে অন্যান্যদের মাঝে অংশ নেন এনসিপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।

    সমাবেশে নেতারা বলেন, “বাংলাদেশ বিনির্মাণে ২৪ জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানকে সামনে রেখে নতুন সংবিধান প্রণয়ন করতে হবে।” এনসিপির নেতাদের দাবি, ওই সংবিধানে ‘জুলাই বিদ্রোহে’ অংশ নেওয়া যোদ্ধাদের বীরের মর্যাদা দিতে হবে।

    এসময় এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারি বলেন, শহীদ ও আহতদের প্রতিশ্রুতি ছিল বাংলাদেশে আমার আপনার ভাই সুচিকিৎসা পাবে, বাংলাদেশে একটি নতুন রাষ্ট্র গঠন হবে। কিন্তু আমরা যখন বাংলাদেশকে একটি নতুন পদ্ধতিতে দেখছিলাম, তখন আমরা বার বার বাধাগ্রস্ত হচ্ছি। আমাদের সামনে একটিই লক্ষ্য পুরো বাংলাদেশের সংস্কার দরকার। আমরা একটি স্লোগান দিয়ে থাকি, সেটি হলো- এই মূহর্তে দরকার, বিচার আর সংস্কার। সংস্কারের মধ্য দিয়ে নতুন বাংলাদেশ গঠিত হবে, এটাই আমাদের লক্ষ্য।

    গণ জমায়েতে জাতীয় নাগরিক পার্টির নেত্রী ডা. তাসনিম জারা বলেন, “বাংলাদেশ গড়তে হলে ২৪ জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দিতে হবে। সংবিধান ঝেড়ে ফেলে একটি নতুন সংবিধান দরকার।”

    এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা সামান্তা সারমিন বলেন, “যারা জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করে, তারা কখনোই মুসলিম হতে পারে না। এনসিপি প্রতিশ্রুতি দিয়ে তা পালন করবে। আগামী জাতীয় নির্বাচনে অবশ্যই পিআর (অনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব) পদ্ধতি প্রয়োগ করতে হবে।”

    ‘পিআর ছাড়া নির্বাচন নয়’ মন্তব্য করে জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, “একটি দল বারবার ব্যর্থতার কারণে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন হয়নি। এনসিপি পিআর পদ্ধতি ছাড়া জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেবে না।”

    তৃণমূলে সংগঠন শক্তিশালী করার তাগিদ দিয়ে দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে আরও মজবুত করতে হবে। একই সঙ্গে এনসিপিতে কোনও চাঁদাবাজের জায়গা হবে না।”

    জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ময়মনসিংহের গীতিকা ও গুণীজনদের স্মরণ করে বলেন, বিগত সরকার শুধু মানুষ হত্যা করেনি নদী গুলোকেও মেরে ফেলেছে।আগামী ৫ আগস্টের আগে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন করতে হবে। সবার জন্য নিরপেক্ষ প্রশাসন গঠনের দাবি জানাই। ৩ আগস্ট ঢাকায় কেন্দ্রীয় কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।”রাতে ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলা ২৪ শে চত্বরে সমাবেশ করেন এনসিপির নেতৃবৃন্দ।

    নাহিদ ইসলাম আরো বলেন, নিরপেক্ষ প্রশাসন, নিরপেক্ষ পুলিশ ও নিরপেক্ষ আদালত আমরা প্রত্যাশা করি। এই প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারগুলো আমাদের প্রয়োজন। ইনশাআল্লাহ ৫ আগস্টের মধ্যেই জুলাই সনদ ও জুলাই ঘোষণাপত্র আদায় করতে পারব। তিনি বলেন, আগামী ৩ আগস্ট ঢাকায় এনসিপির মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

    এনসিপির নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা জনগণের পাশে দাঁড়ান, জনগণের সমস্যা সমাধান করুন। আপনারা দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলুন।

    এতে এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী, সদস্য সচিব আক্তার হোসেন, যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা, সামান্তা শারমীন, শহীদ সাগরের পিতা আসাদুজ্জামান, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিল, যুগ্ম সদস্য সচিব ও ময়মনসিংহ জেলা কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী জাবেদ রাসিন, কেন্দ্রীয় নেতা আবুল বাসারসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা বক্তব্য রাখবেন।

    এর আগে বিকাল ৩টার দিকে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা জামালপুর থেকে ময়মনসিংহে আসেন। পরে স্থানীয় একটি হোটেলে ময়মনসিংহে জুলাই অভ্যুত্থানে নিহত শহীদ পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় তাদের খোঁজখবর নেন। সেখান থেকে নেতারা নগরীর ত্রিশাল বাসস্ট্যান্ড মহিলা কলেজের সামনে শহীদ সাগর চত্বরে শ্রদ্ধা জানান। পরে সেখান থেকে একটি পদযাত্রা বের হয়ে সি কে ঘোষ রোড, রামবাবু রোড, নতুন বাজার ও জিলা স্কুল মোড় হয়ে টাউন হল প্রাঙ্গণে সমাবেশে যোগ দেন।

  • সাংবাদিক এস মিজানের মৃ-ত্যুতে অ্যাড আনিচুজ্জামানের শো-ক বার্তা

    সাংবাদিক এস মিজানের মৃ-ত্যুতে অ্যাড আনিচুজ্জামানের শো-ক বার্তা

    সাংবাদিক এস মিজানুল ইসলাম (৬০) মৃত্যুবরন করেছেন তার মৃত্যুতে শোক ও সমবেদনা জানিয়ে এক শোক বার্তা পাঠিয়েছেন বাংলাদেশ জাসদের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আনিচুজ্জামান আনিচ।

    শোক বার্তায় তিনি জানান অতিব দু:খের সাথে জানানো যাচ্ছে যে, সাংবাদিক এস মিজানুল ইসলাম (৬০) বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় সোমবার (২৮ জুলাই) সকাল ৬টা ১০ মিনিটে স্ট্রোকজনিত কারনে তিনি ইন্তেকাল করেন…(ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর মৃত্যুতে বাংলাদেশ জাসদ ও তার পরিবার গভীরভাবে মর্মাহত ও শোকাহত।

    মরহুমের শোক-সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সহমর্মিতা জ্ঞাপন এবং পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহু্ তায়ালার নিকট তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি ও মাগফিরাত কামনা করেছেন বাংলাদেশ জাসদের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আনিচুজ্জামান আনিচ।

    উল্লেখ্য এস মিজান দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিস সহ বিভিন্ন জটিল রোগে ভূগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও এক ছেলেসহ বহু গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। প্রয়াত এস মিজানুল ইসলাম নতুন বাজার পত্রিকার বার্তা সম্পাদক, দৈনিক ইত্তেফাক ও ডেইলী বাংলাদেশ টুডে,দৈনিক ইনকিলাব,দৈনিক যুগান্তর,আজকের কাগজ,নিউ নেশন সহ বহু মিডিয়ায় তিনি কাজ করেছেন।

    এছাড়াও তিনি প্রগতি লেখক সংঘ ও খেলাঘর আসরসহ বিভিন্ন প্রগতিশীল সংগঠনের নেতৃত্বের সম্মুখভাগে ছিলেন। কবি, লেখক ও সাংবাদিক এস মিজানুল ইসলাম সন্ত্রাস, অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে লিখতে গিয়ে বহুবার হামলা মামলার শিকার হয়েছেন।

    আজ (সোমবার) বাদ জোহর তার নিজ গ্রাম বানারীপাড়া কেন্দ্রীয় ঈদগাঁহ মাঠে প্রথম ও বাদ আসর উপজেলার সৈয়দকাঠি ইউনিয়নের দিদিহার গ্রামের ওলিয়ার বাড়িতে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে বাবা-মায়ের কবরের পাশে তাকে চির নিন্দ্রায় শায়িত করা হয়।

  • পটুয়াখালীতে ছাত্র-জনতা বিরো-ধী কর্মকর্তার আয়োজনে ‘জুলাই যো-দ্ধাদের’ অংশগ্রহন নিয়ে বিত-র্ক

    পটুয়াখালীতে ছাত্র-জনতা বিরো-ধী কর্মকর্তার আয়োজনে ‘জুলাই যো-দ্ধাদের’ অংশগ্রহন নিয়ে বিত-র্ক

    আল আমিন মোল্লা,
    পটুয়াখালী প্রতিনিধি।

    গত বছর ৩ আগস্ট ছাত্র-জনতার বিপক্ষে সরাসরি মিছিলে অংশ নেওয়া ও ভাইরাল স্লোগানদাতা হিসেবে পরিচিত বিতর্কিত সরকারি কর্মকর্তা ডা. খালেদুর রহমান মিয়ার আয়োজনে অংশ নিয়েছেন পটুয়াখালীর জুলাই যোদ্ধারা। ফলে পটুয়াখালীর রাজনৈতিক ও সচেতন মহলে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক ও প্রতিক্রিয়া।

    ২৮ জুলাই (সোমবার) সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে পটুয়াখালী সিভিল সার্জন কার্যালয় সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয় “জুলাই পুনর্জাগরণ অনুষ্ঠানমালা-২০২৫ ও আলোচনা সভা”। আয়োজক ছিলেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. খালেদুর রহমান মিয়া। কিন্তু এই আয়োজনের পেছনের ইতিহাসই এখন প্রশ্নবিদ্ধ।

    গত বছরের ৩ আগস্ট ঢাকার রাজপথে ছাত্র-জনতা বিরোধী মিছিলে অংশ নিয়ে “এক দফা কবর দে” স্লোগান দেন ডা. খালেদুর রহমান মিয়া। এমন ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি বুকে কালো ব্যাজ ধারণ করে মিছিল করছেন। এই ভিডিও প্রকাশের পর দেশের বিভিন্ন জায়গায় তার বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতা এবং নাগরিক সমাজ ক্ষোভ প্রকাশ করে। ফ্যাসিবাদী সরকার পতনের পর তিনি পটুয়াখালীতে সিভিল সার্জন হিসেবে যোগদান করেন, যা নিয়েও তীব্র বিতর্ক হয়। তার ছাত্র-জনতা বিরোধী সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কিত একটি নিউজ ২৬ জুলাই জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় ও বিভিন্ন গনমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। এরপর থেকে স্থানীয়ভাবে তার বিরুদ্ধে সাধারণ ছাত্র জনতার মধ্যে ব্যাপক সমালোচনা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়।

    চলতি সময়ে বিতর্কিত ওই কর্মকর্তা নিজেকে ‘সততার প্রতীক’ ও ‘জুলাই আন্দোলনের সহযোদ্ধা’ হিসেবে প্রচার করছেন, তার আয়োজনে জুলাই আন্দোলনের অগ্রসৈনিকদের অংশগ্রহণ অনেকের কাছে অপ্রত্যাশিত লেগেছে। আন্দোলনের নৈতিকতা ও স্মৃতি রক্ষার প্রশ্নে এ অংশগ্রহণকে “আদর্শচ্যুতি” হিসেবেও ব্যাখ্যা করছেন অনেকে।

    জুলাই যোদ্ধা তোফাজ্জেল বলেন, সিভিল সার্জন এর অফিসে নাকি কয়টা নিয়োগ এজন্য নাকি তার বিরুদ্ধে লাগা হইছে। সে যেদিন সে প্রথম জয়েন করছে তারপরই এই ভিডিওটা আমি দেখছি। এটা তো শুধু আমার কাছে না এটা পটুয়াখালীর ম্যাক্সিমাম সাংবাদিক বা কম বেশি যারা আছে সবাই দেখছে। এখন নিয়োগের সময়ে এই বিষয়টা সামনে আসছে। এ বিষয়ে আপনারা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। সিভিল সার্জনকে খালি খালি ধরে লাভ নাই। উনি তো শুধু মিছিলে নামছে এর চেয়ে বড় অপরাধীও প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ায়।তাকে নিয়ে আমাদের কোন প্রতিক্রিয়া নাই।

    আরেক জুলাই যোদ্ধা সালমান বলেন, আসলে এ ব্যপারে আমি শুনেছি। কি করা যায় সবার সাথে আলাপ করে বিষয়টি দেখতেছি। তাছাড়া এ ব্যপারে ডিসি স্যরকে অবগত করেছি।

    সাধারণ নাগরিক, শিক্ষক ও সংস্কৃতিকর্মীদের একটি অংশ বলছেন, “যে কর্মকর্তা ছাত্রদের কবর দিতে চেয়েছেন, তার সেমিনারে ছাত্রদের শহীদের নাম জপা একটা পরিহাস। এটা নীরব আপসের নমুনা।”

  • নতুন বাজার পত্রিকার বার্তা সম্পাদক এস মিজানের মৃ-ত্যুতে নতুন বাজার পরিবারে শো-ক

    নতুন বাজার পত্রিকার বার্তা সম্পাদক এস মিজানের মৃ-ত্যুতে নতুন বাজার পরিবারে শো-ক

    নতুন বাজার পত্রিকার বার্তা সম্পাদক এস মিজানুল ইসলাম (৬০) মৃত্যুবরন করেছেন। বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় সোমবার (২৮ জুলাই) সকাল ৬টা ১০ মিনিটে স্ট্রোকজনিত কারনে তিনি ইন্তেকাল করেন।(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

    তিনি দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিস সহ বিভিন্ন জটিল রোগে ভূগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও এক ছেলেসহ বহু গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। নতুন বাজার পত্রিকার বার্তা সম্পাদক এস মিজানুল ইসলাম দৈনিক ইত্তেফাক ও ডেইলী বাংলাদেশ টুডে,দৈনিক ইনকিলাব,দৈনিক যুগান্তর,আজকের কাগজ,নিউ নেশন সহ বহু মিডিয়ায় তিনি কাজ করেছেন।

    এছাড়াও তিনি প্রগতি লেখক সংঘ ও খেলাঘর আসরসহ বিভিন্ন প্রগতিশীল সংগঠনের নেতৃত্বের সম্মুখভাগে ছিলেন। কবি, লেখক ও সাংবাদিক এস মিজানুল ইসলাম সন্ত্রাস, অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে লিখতে গিয়ে বহুবার হামলা মামলার শিকার হয়েছেন।

    আজ (সোমবার) বাদ জোহর তার নিজ গ্রাম বানারীপাড়া কেন্দ্রীয় ঈদগাঁহ মাঠে প্রথম ও বাদ আসর উপজেলার সৈয়দকাঠি ইউনিয়নের দিদিহার গ্রামের ওলিয়ার বাড়িতে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে বাবা-মায়ের কবরের পাশে তাকে চির নিন্দ্রায় শায়িত করা হয়।

    নতুন বাজার পত্রিকার বার্তা সম্পাদক এস মিজানুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন নতুন বাজার পরিবারের সকল সদস্যবৃন্দ ও প্রতিনিধিগন।

  • গৌরনদীতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ক্রেষ্ট ও সনদ প্রদান অনুষ্ঠান

    গৌরনদীতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ক্রেষ্ট ও সনদ প্রদান অনুষ্ঠান

    কে এম সোয়েব জুয়েল।।
    ‎‎গৌরনদী প্রতিনিধি।
    পারফরমেন্স বেজড গ্র্যান্টস ফর সেকেন্ডারি ইন্সটিটিউশনস স্কিম (এসইডিপি)–র আওতায় গৌরনদী উপজেলা প্রশাসন ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের উদ্যোগে সোমবার সকাল ১১টায় গৌরনদী উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে বরিশালের গৌরনদীতে ২০২২-২০২৩র এসএসসি ও এইচএসসি পাশ মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, ক্রেষ্ট ও সনদ প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
    ‎অনুষ্ঠানে করেন গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত আরা মৌরির সভাপতিত্বে ‎প্রধান অতিথি ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের সরকারি কলেজ শাখার উপ-পরিচালক মো. নুরুল হক সিকদার। ‎বিশেষ অতিথি ছিলেন ভারপ্রাপ্ত বরিশাল জেলা শিক্ষা অফিসার মো. হারুনুর রশিদ, গৌরনদী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. আব্দুল জলিল, বিআরডিবির সাবেক চেয়ারম্যান ও পৌর নাগরিক কমিটির সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক জহুরুল ইসলাম জহির, সরকারি গৌরনদী কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. ইউনুস মিয়া, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জাহানারা পারভিন। ‎বক্তব্য রাখেন গৌরনদী গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক শিল্পি রানী মন্ডল,মাহিলাড়া কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী আসাদুল মৃধা। ‎অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়ন ও প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে গুণগত পরিবর্তন আনতে এ ধরনের কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে স্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরি হচ্ছে, যা সামগ্রিকভাবে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার অগ্রগতিতে সহায়ক হবে। ‎অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মাহিলাড়া ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক জিনাত জাহান খান।

  • এইচএসসি পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভো-গান্তি কমাতে কুমিল্লায় ইসলামি ছাত্র আন্দোলনের উদ্যাগে হেল্প ডেস্ক

    এইচএসসি পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভো-গান্তি কমাতে কুমিল্লায় ইসলামি ছাত্র আন্দোলনের উদ্যাগে হেল্প ডেস্ক

    কুমিল্লা থেকে তরিকুল ইসলাম তরুন,
    এইচএসসি পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের বিভিন্ন সমস্যা ও ভোগান্তি কমাতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ইসলামি ছাত্র আন্দোলন কুমিল্লা সরকারি কলেজ শাখা। প্রতিটি পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লা সরকারি কলেজের সামনে স্থাপন করা হচ্ছে একটি হেল্প ডেস্ক, যা পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে।

    সোমবার (২৮ জুলাই) সকালে প্রতিদিনের মতো কলেজের মূল ফটকের সামনে হেল্প ডেস্ক স্থাপন করে সংগঠনটি। হেল্প ডেস্ক থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে কলম, স্কেল, খাবার পানি ও মাস্ক বিতরণ করা হয়। এছাড়া অভিভাবকদের জন্য প্যান্ডেলের নিচে বসার জন্য চেয়ার, খাবার পানি এবং স্যালাইন সরবরাহের ব্যবস্থা রাখা হয়।

    হেল্প ডেস্কের এই কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়ে। অনেকেই এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং এই সহায়তামূলক কার্যক্রম নিয়মিত চালু রাখার আহ্বান জানান।

    একজন অভিভাবক খাদিজা আক্তার বলেন, “আমার মেয়ে যখন এসএসসি পরীক্ষা দেয়, তখন সেন্টারের সামনে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রোদের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছিল। কিন্তু এবার এখানে এসে এমনভাবে বসতে পারব, তা কল্পনাও করিনি। যারা এই আয়োজন করেছে, তাদের ধন্যবাদ জানাই। আশা করি প্রতিটি পরীক্ষায় এবং শহরের অন্যান্য কেন্দ্রেও তারা এমন উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে।”

    ইসলামি ছাত্র আন্দোলন কুমিল্লা সরকারি কলেজ শাখার সভাপতি কাইফ বিন হাবিব ভূঁঞা বলেন, “পরীক্ষার্থীদের সঠিক কেন্দ্র খুঁজে পেতে সহায়তা, নিরাপদ স্থানে ব্যাগ ও মোবাইল রাখা, পানি সরবরাহ, প্রয়োজনীয় কলম-পেন্সিল বিতরণ এবং তথ্য সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যেই আমাদের এই উদ্যোগ। বিশেষ করে দূর-দূরান্ত থেকে আসা পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকরা যেন কোনো বিড়ম্বনার শিকার না হন, সেটিই আমাদের মূল লক্ষ্য।”

    এই উদ্যোগ কুমিল্লা শহরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বলে মনে করছেন সচেতন অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।

  • জুলাই গ-ণঅভ্যুত্থানে সকল শ-হীদদের স্মরণে মোংলায় ছাত্রদলের শো-ক র‍্যালী ও স্ম-রণ সভা

    জুলাই গ-ণঅভ্যুত্থানে সকল শ-হীদদের স্মরণে মোংলায় ছাত্রদলের শো-ক র‍্যালী ও স্ম-রণ সভা

    বায়জিদ হোসেন,

    মোংলা প্রতিনিধিঃ

    জুলাই-আগস্ট ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে সকল শহীদদের স্মরণে মোংলায় ছাত্রদলের শোক র‍্যালী ও স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পৌর ও উপজেলা ছাত্রদলের আয়োজনে সোমবার দুপুর ১২টার দিকে পৌর মার্কেট চত্বর থেকে বের হওয়া শোক র‍্যালী শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে পৌর মার্কেট চত্বরে অনুষ্ঠিত হয় স্মরণ সভা। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট জেলা বিএনপি যুগ্ম আহবায়ক লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম। এ সময় তিনি বলেন, জুলাই-আগস্টের অর্জনকে আমাদের ধরে রাখতে হবে। সবার অবস্থান থেকে সতর্ক থাকতে হবে, কোনভাবে কেউ যেন এ অর্জনকে ছিনিয়ে নিতে না পারে। এখন বিভিন্ন ধরণের লোক ষড়যন্ত্র করছে। বিশেষ করে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে যারা যোগ দিয়েছিলো পরবর্তীতে তাদের কার্যকলাপ আমাদের মর্মাহত ও ব্যথিত করেছে। এর সাথে আবার সবাই জড়িত নয়। একটা গোষ্ঠী চেষ্টা করছে এই বিপ্লবকে তাদের মত ব্যবহার করতে। তারা তাদের মত ধান্দাবাজী করতে চাচ্ছে। কিছু চাঁদাবাজ তৈরি হয়েছে যারা সর্বত্র চাঁদাবাজী করছে। এর সাথে জুলাই বিপ্লবের কোন সম্পর্ক নেই। জুলাই আন্দোলন হয়েছিলো সমতার জন্য, ন্যায্যতার জন্য। আমরা বিএনপি সমমনা দল নিয়ে ১৭ বছর আন্দোলন করেছি। কিন্তু যখন সকলে একসাথে রাস্তায় নেমে আসি তখন ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। এখান থেকেও আমাদের শিক্ষা নিতে হবে। আগামীতে যেন এমন ফ্যাসিস্ট বাংলাদেশে আর না হয়।  

    এ শোক র‍্যালী ও স্মরণ সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন পনি, পৌর যুবদলের সদস্য সচিব এম, এ কাশেম, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব শফরুল হায়দার সুজন, সাবেক ছাত্র নেতা খালেদ মাহমুদ সোহাগ, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব নাসির মুসাল্লী, পৌর ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মীর সাগর, পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক ইমরান হোসেন, মোংলা সরকারি কলেজ ছাত্রদল নেতা মেহেদী হাসান শাওন ও সাগর নিলয়।

  • মোংলায় মেধাবী শিক্ষার্থীদের সং-বর্ধনায় বক্তারা

    মোংলায় মেধাবী শিক্ষার্থীদের সং-বর্ধনায় বক্তারা

    বায়জিদ হোসেন, মোংলাঃ

    শিক্ষার উদ্দেশ্য হলো নৈতিক ও মানবিক গুনাবলীসম্পন্ন মানুষ হওয়া। আলোকিত ও আনন্দিত মানুষ হতে হবে। শ্রেণীকক্ষ নির্ভর বা পাঠ্যপুস্তক নির্ভর জ্ঞান আনন্দের হয় না। শিক্ষার আসল উদ্দেশ্য কখনোই চাকরি বা বাণিজ্য নয়। এর উদ্দেশ্য হলো মনুষ্যত্ব, নৈতিকতা, মানবিকতা নিয়ে একজন পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে নিজেকে তৈরি করা।  ২৮ জুলাই সোমবার সকালে চাঁদপাই মেছেরশাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আয়োজনে স্কুল ক্যাম্পাসে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তারা একথা বলেন।

    সোমবার সকাল ১০টায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে  সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ নূর আলম শেখ। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার সুমী। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন সেভ দ্যা সুন্দরবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান বাগেরহাট জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক  লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান হাওলাদার, সমাজসেবক আবু হোসাইন পনি, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র রশিদুজ্জামান শিশির, বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র শেখ রুস্তুম আলী, প্রাক্তন ছাত্র শেখ শাকির হোসেন, এসএসসি উত্তীর্ণ মেধাবী শিক্ষার্থী হাওলাদার ইমপিয়াস হোসাইন, স্কুলের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান কার্নিজ প্রমূখ।  সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন পড়াশোনায় মনোযোগী হতে হবে। আধুনিক জ্ঞান বিজ্ঞান আয়ত্ত করতে হবে। পাশাপাশি নিজেদের সৎ, যোগ্য ও দেশপ্রমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় সেভ দ্যা সুন্দরবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম কৃতি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন স্বপ্ন দেখতে হবে এবং স্বপ্ন বাস্তবায়নে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে।  সততা, নৈতিকতা এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হতে হবে। দেশের প্রয়োজনে নিবেদিত হতে হবে।  সভাপতির বক্তব্যে মোঃ নূর আলম শেখ বলেন স্বপ্ন লালন ও কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। কখনো হতাশ হওয়া যাবেনা। টাকার পেছনে না ছুটে যা ভালো লাগে তাই করতে হবে। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের শুরুতেই মেধাবী শিক্ষার্থীদের ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে বরণ করে নেয়া হয় এবং তাদের ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এছাড়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মেধাবী শিক্ষার্থীদের সম্মানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়।