Blog

  • চাটমোহরে ধ-র্ষক শাহীনকে গ্রেফ-তার ও শা-স্তির দাবিতে মানববন্ধন

    চাটমোহরে ধ-র্ষক শাহীনকে গ্রেফ-তার ও শা-স্তির দাবিতে মানববন্ধন

    পাবনা প্রতিনিধিঃ

    পাবনার চাটমোহরে এক স্কুলছাত্রীকে গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত ধর্ষক শাহীনকে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী।

    মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) দুপুর ১২টায় চাটমোহর থানা মোড় আমতলায় এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। একই দাবিতে গত শনিবার ও বৃহস্পতিবার উপজেলায় গুনাইগাছায় পৃথক দুইটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) চাটমোহর উপজেলা সচেতন নাগরিকের ব্যনারে এই মানববন্ধন করেন এলাকাবাসী। মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ তুলে বলেন, চিহ্নিত কিছু ব্যক্তি ধর্ষণের বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়া ও মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে এবং শিশুটির পরিবারকে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।বক্তারা ধর্ষক শাহীনকে দ্রুত গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। তারা প্রশাসনকে ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়ে বলেন, শাহীনকে দ্রুত গ্রেফতার করা না হলে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। 

    মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য দেন, মো. জাহিদুল ইসলাম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান লেবু, ছাত্র প্রতিনিধি ভ. ই. কাস্ত্রো সাগর, মোহাম্মদ আলী, আব্দুল ওহাব বেলালী, নাজমুল হক বাঁশি, ছাত্র ইউনিয়ন নেতা এস এ মারুফ, সাকিব হোসেন প্রমুখ।

    উল্লেখ্য, গত ২২ জুলাই চাটমোহরে ৬ষ্ঠ শ্রেণীর এক স্কুলছাত্রী ধর্ষষের শিকার হয়েছে। এ বিষয়ে গত বুধবার (২৩ জুলাই) সকালে চাটমোহর থানায় একটি মামলা হয়েছে। মামলার বাদী উপজেলার গুনাইগাছা ইউনিয়নের বড় শালিখা গ্রামের আব্দুল জলিলের স্ত্রী ইসমত আরা খাতুন অভিযোগ করেছেন, গত মঙ্গলবার (২২ জুলাই) তার মেয়ে (১৩) কে জোরপূর্বক ধর্ষন করেছে প্রতিবেশী আঃ কুদ্দুস মন্ডলের ছেলে শাহিন হোসেন (৩৫)। শাহিন পেশায় মুদি দোকানী। ঘটনার পর থেকেই শাহিন পলাতক। ঘটনার দিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ওই স্কুলছাত্রী অভিযুক্ত শাহিনের দোকানে বিস্কুট কিনতে যায়। এসময় শাহির মেয়েটিকে পাকা কাঁঠাল দেখানোর কথা বলে বাড়ির মধ্যে নিয়ে যায়। শাহিন তার ভাই সেলিম হোসেনের ঘরে নিয়ে মেয়েটির গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে ধর্ষন করে।

    এলাকাবাসী জানান, বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু মীমাংসা না হওয়ায় চাটমোহর থানায় গিয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ওই স্কুলছাত্রীর মা মামলা করেন। মামলা নং ১১, তাং ২৩/০৭/২০২৫ ইং।

    চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুরুল আলম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার দিনই মামলা হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই আসামি পলাতক। তাকে গ্রেফতারের সব ধরণের চেষ্টা চলছে।

    তোফাজ্জল হোসেন বাবু, পাবনা।

  • শ্রীপুর সরকারি এমসি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আন্তঃ শ্রেণি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন 

    শ্রীপুর সরকারি এমসি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আন্তঃ শ্রেণি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন 

    জিল্লুর রহমান,
    মাগুরা প্রতিনিধি ।।

    মাগুরার শ্রীপুর সরকারি এমসি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আন্তঃ শ্রেণি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা মিনি স্টেডিয়ামে এ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী খেলায় দশম শ্রেণি একাদশ ও ষষ্ঠ এবং সপ্তম শ্রেণি যৌথ একাদশ অংশগ্রহণ করে। এ সময় দশম শ্রেণি ২-০ গোলে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণি যৌথ একাদশকে পরাজিত করে পূর্ণ পয়েন্ট অর্জন করতে সক্ষম হয়।

    শ্রীপুর সরকারি এমসি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সাবিনা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আব্দুল গণি।

    শ্রীপুর সরকারি এমসি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ক্রীড়া শিক্ষক রোকনুজ্জামান সুইটের সার্বিক পরিচালনায় খেলা পরিচালনা করেন শ্রীপুর সরকারি এমসি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র বিপ্র কুণ্ডু।

    এ সময় বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক, সাংবাদিক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও ফুটবল অনুরাগী দর্শকেরা উপস্থিত ছিলেন।

  • আশুলিয়ায় সেনাবাহিনীর যৌ-থ অ-ভিযানে এক চাঁদাবা-জ না-শকতাকারীকে গ্রে-ফতার

    আশুলিয়ায় সেনাবাহিনীর যৌ-থ অ-ভিযানে এক চাঁদাবা-জ না-শকতাকারীকে গ্রে-ফতার

    হেলাল শেখঃ ঢাকায় আশুলিয়ায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে এক চাঁদাবাজ, নাশকতাকারীকে গ্রেফতার।

    সোমবার ২৮/০৭/২০২৫ইং দিবাগত রাতে আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকার
    খাঁন জাহান আলী মার্কেটে চাঁদাবাজি, নাশকতা ও মার্কেটের সিসি ক্যামেরা ভেঙে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে সাফায়েত হোসেন প্রীতম নামের একজনকে গ্রেফতার।

    জানা গেছে, ঢাকার আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর নদী ফিলিং স্টেশন থেকে আনুমানিক ২০০ গজ দক্ষিণে অবস্থিত মার্কেটটিতে অভিযুক্ত ব্যক্তি ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করে, তাকে সিসিটিভিতে দেখা যাবে তাই সিসি ক্যামেরা ভেঙে নিয়ে যায়। সে বিভিন্ন ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ও মাদক কারবারি সঙ্গে তিনি জড়িত রয়েছে। উক্ত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সেনাবাহিনী অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে এবং পুলিশ এর কাছে হস্তান্তর করেন।

    মঙ্গলবার (২৯ জুলাই ২০২৫ইং) এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযান চলমান রয়েছে, অপরাধী যেইহোক না কেন তাদেরকে আটক করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি জানান।

  • খাস জমি দ-খলের পাঁ-য়তারা—ভূমিহী-ন পরিবার নি-রাপত্তাহীনতায়, প্রশাসনের নি-ষ্ক্রিয়তায় হ-তাশা

    খাস জমি দ-খলের পাঁ-য়তারা—ভূমিহী-ন পরিবার নি-রাপত্তাহীনতায়, প্রশাসনের নি-ষ্ক্রিয়তায় হ-তাশা

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় :

    পঞ্চগড় সদর উপজেলার কামাতপাড়ায় খাস জমিতে তিন দশক ধরে বসবাসরত এক ভূমিহীন পরিবার দখলের হুমকির মুখে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। ৫নং চাকলাহাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. রবিউল ইসলাম রবি ও তার ভাই মো. মমিনুল ইসলাম কর্তৃক ওই জমি জবরদখলের অভিযোগ উঠলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অথচ চার মাস আগেই এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

    অভিযোগকারী মর্জিনা খাতুন জানান, পঞ্চগড় মৌজার খতিয়ান নং ০১ এর ১৫৩৫৭ (০.১০৮৭ একর) ও ১৫৩৫৬ (০.১৪৪ একর) দাগভুক্ত জমি সম্পূর্ণ খাস হিসেবে চিহ্নিত। তার পিতা ও পরিবার বিগত ৩০ বছর ধরে এই জমিতে বসতবাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করে আসছেন। হঠাৎ স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও তার ভাই ওই জমি নিজেদের দাবি করে নির্মাণকাজ শুরু করলে পঞ্চগড় সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে অভিযোগ দেওয়া হয়। ভূমি অফিস তাৎক্ষণিকভাবে দখলের কাজ বন্ধ করলেও এরপর থেকে শুরু হয় হুমকি ও হয়রানি।

    মর্জিনা খাতুন জানান, “চার মাস আগেও লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলাম, কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং বিবাদীরা দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। জমি ছাড়তে রাজি না হলে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে, একাকী পেলে দেখে নেওয়ার ভয় দেখাচ্ছে।”

    গত ৭ মার্চ ২০২৫ তারিখে বিবাদীরা সরাসরি ঘটনাস্থলে এসে গালিগালাজ ও মারমুখী আচরণ করে, এবং জোরপূর্বক জমি ছাড়ার হুমকি দেয়।

    তিনি আরও বলেন, “আমরা ভূমিহীন মানুষ, এই খাস জমিই আমাদের একমাত্র আশ্রয়। এখন সেটাও কেড়ে নিতে চাইছে। প্রশাসনের কাছে অনেক গেছি, কিন্তু আজও কোনো বিচার পাইনি।”

    এ বিষয়ে দ্রুত তদন্ত করে ভূমিহীন পরিবারটির নিরাপত্তা নিশ্চিত ও দখল চেষ্টাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী ও মানবাধিকারকর্মীরা।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে ৫নং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. রবিউল ইসলাম রবি বলেন,
    “এলাকায় অনেকেই ছাদপিটা (পাকা) ঘর তৈরি করেছে। আমি শুধু একটি টিনসেড ঘর করেছি।নেই পঞ্চগড় পৌরসভার কোন অনুমতি

    এ বিষয়ে পঞ্চগড় সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহন মিনজি বলেন,
    “এক নম্বর খাস খতিয়ানের জমির বিষয়ে আমরা কাউকে কোনোভাবে মঞ্জুরি (লিজ বা অনুমতি) দেইনি। যদি কেউ সেখানে দালান বা স্থায়ী নির্মাণ করে থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

  • পঞ্চগড়ে আওয়ামী লীগসহ সহযোগী সংগঠনের ৪৭ নেতার বি-রুদ্ধে স-ন্ত্রাস বি-রোধী আ-ইনে মাম-লা

    পঞ্চগড়ে আওয়ামী লীগসহ সহযোগী সংগঠনের ৪৭ নেতার বি-রুদ্ধে স-ন্ত্রাস বি-রোধী আ-ইনে মাম-লা

    বাবুল হোসেন,
    পঞ্চগড় প্রতিনিধি :

    পঞ্চগড় সদর থানায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের ৪৭ জন কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সরকার কর্তৃক দলীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণার পরও গোপনে সংগঠিত হয়ে পরিকল্পিতভাবে রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রমের অভিযোগে এ মামলা করা হয়। পঞ্চগড় সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মানিক মিয়া বাদী হয়ে গত ২৬ জুন মামলাটি দায়ের করেন।

    মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ১২ মে বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনসমূহের সব ধরনের দলীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। এরপরও ২৬ জুন পঞ্চগড় সদর উপজেলার গড়িনাবাড়ী ইউনিয়নের বজরা বাজার এলাকায় দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন, সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নাইমুজ্জামান ভুঁইয়া মুক্তার ধাক্কামারা ইউনিয়নের কাজীপাড়ার খামারবাড়িতে দলীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজন চলছে।

    পুলিশের তথ্যমতে, ওই বাসায় যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কাজী মৌসুমীর নেতৃত্বে প্রায় ১১০-১২০ জন নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। সেখানে ৭৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটা, “জয় বাংলা” ও “জয় বঙ্গবন্ধু” শ্লোগান, খাবার বিতরণ এবং নগদ টাকা প্রদান করা হয়। নেতৃবৃন্দ বিভিন্ন বক্তব্যের মাধ্যমে দলীয় কর্মীদের উস্কে দেন ও উৎসাহ দেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

    মামলার এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্তরা দলীয় কার্যক্রমের পাশাপাশি সরকার উৎখাত, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত করা, সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনায় অগ্নিসংযোগ ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছিলেন। এমনকি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানটি ভিডিও ধারণ করে ‘আওয়ামীলীগ নিউজ বিডি’ নামক একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পেইজে প্রচার করা হয়, যা জনমনে বিভ্রান্তি ও আতঙ্ক সৃষ্টি করতে পারে।

    পুলিশ অভিযান পরিচালনার সময় উপস্থিত টের পেয়ে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। তবে ঘটনাস্থল থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলামত উদ্ধার ও জব্দ করা হয় বলে জানানো হয়েছে।

    মামলায় যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছেন: নাইমুজ্জামান ভুঁইয়া মুক্তা, সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি, কাজী মৌসুমী, যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও মুক্তার স্ত্রী, আবু তোয়াবুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি, আনোয়ার সাদত সম্রাট, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান, জাকিয়া খাতুন, সাবেক পৌর মেয়র ও জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, নিলুফার ইয়াসমিন, সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও যুব মহিলা লীগ জেলা সভাপতি, এস এম হুমায়ুন কবীর উজ্জ্বল, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, আমিরুল ইসলাম, সাবেক সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি, কাজী আল তারেক, পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি, হাসনাত মোহাম্মদ হামিদুর রহমান, পৌর যুবলীগ সভাপতি ও সাবেক কাউন্সিলর, কামরুজ্জামান শেখ মিলন, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সাদমান সাদিক প্লাবন পাটোয়ারী, জেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক, সুজাউদ দৌলা সুজা, পৌর ছাত্রলীগ সভাপতি, মামুনুর রশিদ লায়ন, সদর উপজেলা যুবলীগ সভাপতি

    এছাড়াও আরও ৩৩ জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে এবং বেশ কিছু অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    এ বিষয়ে পঞ্চগড় সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল্লাহ হিল জামান বলেন, “সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলার পরিপ্রেক্ষিতে এখন পর্যন্ত ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

  • গ্রামবাসীর ধা-ওয়া খেয়ে প্রা-ণ বাঁ-চাতে গাড়ি ও গরু রেখে পা-লালেন চো-র চক্র

    গ্রামবাসীর ধা-ওয়া খেয়ে প্রা-ণ বাঁ-চাতে গাড়ি ও গরু রেখে পা-লালেন চো-র চক্র

    কে এম সাইফুর রহমান, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    গভীর রাতে গ্রামবাসীর ধাওয়া খেয়ে পিকআপ ভ্যানসহ গরু রেখে পালিয়ে গেছে চোর চক্র। পরে ২ টি গরু ও পিকআপ ভ্যান জব্দ করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

    গত রোববার গভীররাতে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার আমতলী ইউনিয়নের পূর্বপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    কোটালীপাড়া থানার উপপরিদর্শক সাদ্দাম হোসেন দীপ্ত বলেন, রাত ৪ টার দিকে সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পাই পূর্বপাড়া গ্রামের ব্রীজের কাছে একটি পিকআপ গর্তে চাকা আটকে পড়ে আছে। পিকআপের ভিতর ২ টি গরু রয়েছে। ধারণা করছি গভীর রাতে গ্রামের ভিতর গাড়ির শব্দে এলাকার কয়েকজন ছুটে এলে ২টি গরুসহ গাড়িটি ফেলে পালিয়ে যায় অজ্ঞাত চোরেরা। গ্রামের কার্তিক মুখার্জীর ছেলে সঞ্জয় মুখার্জী ১টি গরু তার বলে সনাক্ত করেছেন। অপর গরুর মালিকের সন্ধান পাওয়া যায়নি। গরুসহ পিকআপটি থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    সঞ্জয় মুখার্জী বলেন, লোকজনের শোরগোল শুনে এসে দেখতে পাই আমার ১টি গরু পিকআপ ভ্যানে। কখন কিভাবে চুরি হলো বুঝতে পারিনি।

    কোটালীপাড়া কল্যাণ সংঘের সভাপতি সোহেল শেখ বলেন, এলাকায় মাদক ও চুরির উপদ্রব ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। গ্রাম পুলিশের সদস্যদের রাতের বেলা এলাকায় টহল কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়ায় পাড়া- মহল্লায় মাদক ও চুরির অপরাধ ক্রমেই বাড়ছে। কোটালীপাড়া উপজেলা প্রশাসনের উচিত গ্রাম পুলিশদের কার্যক্রম জোরদার করা।

  • কুমিল্লায় মা মেয়ের লা-শ উ-দ্ধার, ধারনা আ-ত্মহত্যা,

    কুমিল্লায় মা মেয়ের লা-শ উ-দ্ধার, ধারনা আ-ত্মহত্যা,

    কুমিল্লা থেকে তরিকুল ইসলাম তরুন,
    কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার ভারেল্লা দক্ষিণ ইউনিয়নের রামপুর গ্রামে হৃদয়বিদারক এক ঘটনা ঘটেছে। আজ

    ২৯ জুলাই ভোরে আহলে হাদিস মসজিদ সংলগ্ন একটি ভাড়া বাসা থেকে মা ও মেয়ের মরদেহ স্থানীয়রা পুলিশের মাধ্যমে উদ্ধার করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তারা দু’জনেই বিষপান করে আত্মহত্যা করেছেন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায় ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া উপজেলার জয়নগর এলাকার মীর হোসেনের স্ত্রী জাহেদা আক্তার (৩৫) এবং তাদের মেয়ে মিশু আক্তার (১৭)। জানা গেছে।
    মা মেয়ে আজ ১১দিন ধরে কুমিল্লার রামপুর এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন এবং স্থানীয় একটি কারখানায় কর্মরত ছিলেন।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, অভাব-অনটন এবং ঋণের চাপের কারণে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন মা-মেয়ে। কুমিল্লার জিহান ফ্যাক্টরিতে চাকরি করে জীবিকা নির্বাহ করছিলেন তারা। পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, ঋণের বোঝা আর আর্থিক সংকটের চাপে তারা বিষপান করে আত্মহত্যা করতে পারেন বলে ধারণা,

    বিষয়টি সম্পর্কে রামপুর গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা জহিরুল হক ও মিজানুর রহমান বলেন, “মা ও মেয়ে দুজনই জিহান ফ্যাক্টরিতে কাজ করতেন। তারা খুব সাধারণ জীবন যাপন করতেন। কীভাবে এই ঘটনা ঘটলো, তা আমরা বুঝতে পারছি না।”

    বুড়িচং মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আজিজুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “আমরা খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাই এবং মৃতদেহ দুটি উদ্ধার করি। ঘটনাস্থলের প্রেক্ষাপটে এটি আত্মহত্যার ঘটনা বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর নিশ্চিতভাবে বলা যাবে মৃত্যুটি আত্মহত্যা কিনা, নাকি অন্য কোনো কারণ রয়েছে।

    মা ও মেয়ের মরদেহ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে পরিবার ও পুলিশ।

    প্রতিবেশীরা বলছেন, এমন একটি মর্মান্তিক মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যাচ্ছে না।

  • পাবনায় অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক জওহরলাল বসাক তুলশীর উপর হা-মলার প্র-তিবাদে মা-নববন্ধন

    পাবনায় অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক জওহরলাল বসাক তুলশীর উপর হা-মলার প্র-তিবাদে মা-নববন্ধন

    তোফাজ্জল হোসেন বাবু,
    পাবনা প্রতিনিধিঃ

    পাবনা সরকারি এডওয়ার্ড কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক জওহরলাল বসাক তুলশীর উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়েছে। 

    মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) দুপুরে পাবনা জেলা যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল পাবনা প্রেসক্লাবের সামনে এই মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে।

    মানববন্ধন চলাকালে বক্তারা বলেন, জওহরলাল বসাক তুলশী পাবনা সরকারি এডওয়ার্ড কলেজের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক, তিনি পাবনার সর্বজন শ্রদ্ধেয়। তার উপর সন্ত্রাসী হামলা কোন ভাবে মেনে নেওয়া যায়না। এখনও পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত কাউকে আটক করতে পারেনি। যা দুঃখজনক। পুলিশের গাফিলতি কোনোভাবে মেনে নেয়া যায না। অবিলম্বে ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তার না করলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার হুশিয়ারী দেন বক্তারা।

    মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক নুর মাসুম বগা, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক ইলিয়াস আহমেদ হিমেল রানা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ইয়ামিন খান, সদস্য সচিব কমল শেখ টিটু, যুগ্ম আহ্বায়ক দীপঙ্কর সরকার জিতু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা, বুলবুল কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি গোলাম জাহিদ রুপম, এডওয়ার্ড কলেজ শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি শরিফুল ইসলাম সহ অনেকে।

    গত রোববার দুপুরে পাবনা শহরের কালাচাঁদপাড়া এলাকায় নিজ বাড়িতে ঢুকে প্রবীণ অধ্যাপক জওহরলাল বসাক তুলশী (৭৭) কে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে দুর্বৃত্তরা। এ সময় তারা একটি ফোন ছিনিয়ে নিযে ঘরের আসবাবপত্র তছনছ করে চলে যায়।

  • ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জুলাই আ-ন্দোলন কেন্দ্রিক বু-দ্ধিবৃত্তিক প্যানেল ডি-সকাশন

    ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জুলাই আ-ন্দোলন কেন্দ্রিক বু-দ্ধিবৃত্তিক প্যানেল ডি-সকাশন

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জুলাই আন্দোলনকেন্দ্রিক ‘বুদ্ধিবৃত্তিক প্যানেল ডিসকাশন’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে এদিন সকালে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলমের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    জুলাই আন্দোলনকে ঘিরে দেশের নবীন প্রজন্ম কি ভাবছে, ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গঠনে তারা কিভাবে অবদান রাখতে পারে, এ বিষয়সমূহকে সামনে রেখে এ সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ময়মনসিংহ জেলা স্কাউটের নবীন প্রতিনিধি এবং স্কুল শিক্ষার্থীগণ মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে তাদের মতামত ব্যক্ত করেন।

    সভায় শিক্ষার্থীগণ দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় মুখস্তবিদ্যার যে ধারা প্রচলিত রয়েছে, তার পাশাপাশি স্কিলকেন্দ্রিক শিক্ষাব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তার ব্যাপারে উল্লেখ করেন। শিক্ষাজীবনেই ছাত্র-ছাত্রীদের আইটি, কৃষির মতো বিভিন্নক্ষেত্রে স্কিল বৃদ্ধির ব্যবস্থা করা গেলে দেশ যেমন নতুন উদ্যোক্তা পাবে, তেমনি বেকার সংকট কাটিয়ে উঠতেও তা সহায়ক হবে। নবীন স্কাউট সদস্য এবং শিক্ষার্থীরা তাদের আলোচনায় ছাত্রদের মানবিক ও নৈতিক মূল্যবোধ তৈরি, দক্ষ শিক্ষক ও শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নের ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করেন।

    ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক সভাপতির বক্তব্যে বলেন, জুলাই আন্দোলন সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের অবগত করা এবং তাদের মতামত গ্রহণের উদ্দেশ্যে প্ল্যাটফর্ম হিসেবে এই প্যানেল ডিসকাশনের আয়োজন করা হয়েছে। জুলাই আন্দোলনে দেশের সামগ্রিক পরিমণ্ডলে দৃশ্যমান পরিবর্তন হয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসের পটপরিক্রমায় রাজনৈতিক ও শাসনতান্ত্রিক পরিবর্তন সম্পর্কে সভাপতি আলোচনা করেন। ছাত্রদের দেশের ইতিহাস সম্পর্কে পড়াশোনা করতে এবং জানতে বলেন।

    সভাপতি বলেন, যেকোনো বিপ্লবের সাথে জনগণের সমর্থন না থাকলে সে বিপ্লব সফল হয় না। জুলাই আন্দোলনে ছাত্রদের সাথে দেশের জনগণ একাত্ম হয়েছিলো বলেই এই আন্দোলন সফলতা লাভ করে। জুলাই আন্দোলনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বেহাত হয়ে যেতে পারে, যদি এই আন্দোলনের স্পিরিটকে হৃদয়ে ধারণ করা না যায়।

    প্যানেলভিত্তিক ডিসকাশনে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রেজা মো. গোলাম মাসুম প্রধান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে হাবিবা মীরা, জুলাই আন্দোলনে শহীদ সাগরের পিতা, শিক্ষক, স্কাউট সদস্য ও স্কুলশিক্ষার্থী এবং জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • কুড়িগ্রামে হিন্দু পরিবারের স-ম্পত্তি ও জীবনের নি-রাপত্তা চেয়ে সংবাদ স-ম্মেলন

    কুড়িগ্রামে হিন্দু পরিবারের স-ম্পত্তি ও জীবনের নি-রাপত্তা চেয়ে সংবাদ স-ম্মেলন

    এম এস সাগর,

    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

    কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীর রায়গঞ্জ বাজারের হিন্দু পরিবারের সম্পদ রক্ষা এবং পরিবারের সদস্যদের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় প্রেসক্লাব নাগেশ্বরীতে সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবার মৃত কালীপদ দাসের সহধর্মিনী লীলা রানী ও তার পুত্র রামকৃষ্ণ দাস বক্তব্য দেন।

    এসময় লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী লীলা রানী ও তার পুত্র রামকৃষ্ণ দাস জানান, নাগেশ্বরী উপজেলার রায়গঞ্জ ইউনিয়নের রায়গঞ্জ বাজারে অবস্থিত জমিতে বসতভিটায় পরিবার নিয়ে জীবনযাপন করছেন। পূর্ব শত্রুতার জেরে রায়গঞ্জ বাজারের ভূমিদস্যু রফিকুল ইসলাম ও বাচ্চু মিয়ার নেতৃত্বে এক দল দুর্বৃত্ত গত-(২৭জুলাই) রবিবার দিবাগত রাত প্রায় ১টা ৩০মিনিটে লীলা রানী ও রামকৃষ্ণ দাসের বসতবাড়িতে অতর্কিত হামলা করে বাড়িঘর ভাঙচুর চালানো সহ মমতা রানী, রামকৃষ্ণ ও প্রাণকৃষ্ণকে পিটিয়ে আহত করে। ভুক্তভোগীরা প্রাণে বাঁচার তাগিদে নাগেশ্বরী থানায় জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিচিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। অতঃপর বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ভুক্তভোগীরা থানায় অভিযোগও করেছেন।

    ভুক্তভোগী লীলা রানী ও তার পুত্র রামকৃষ্ণ দাসের পরিবার জানায়, গত-২৮জুলাই গভীর রাতে পূর্ব শত্রুতার জেরে রফিকুল ইসলাম ও বাচ্চু মিয়ার নেতৃত্বে একদল দুর্বৃত্ত বাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা বাড়ির আসবাবপত্র ভাঙচুর করে ও পরিবারের সদস্য মমতা রানী, রামকৃষ্ণ ও প্রাণকৃষ্ণকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে আহতদের নাগেশ্বরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়। এ বিষয়ে নাগেশ্বরী থানায় লিখিত অভিযোগ করায় হামলাকারীরা প্রাণনাশের হুমকিও দিয়ে আসছে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

    নাগেশ্বর থানার অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিম (রেজা) বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।