Blog

  • মুন্সীগঞ্জের ৩টি সংসদীয় আসনে মনোনয়ন জ-মা দিলেন ২৩ প্রার্থী

    মুন্সীগঞ্জের ৩টি সংসদীয় আসনে মনোনয়ন জ-মা দিলেন ২৩ প্রার্থী

    মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

    বিএনপির দুর্গ হিসেবে পরিচিত মুন্সীগঞ্জের তিনটি সংসদীয় আসনে বিএনপি, বিদ্রোহী প্রার্থী, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জাতীয়পার্টি, এনসিপি, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশসহ কয়েকটি দল থেকে ২৪ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। এদের মধ্যে মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে একজন এবং মুন্সীগঞ্জ-২ আসনে দুইজন বিএনপি নেতা বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

    এসব প্রার্থীরা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা সৈয়দা নুরমহল আশরাফীসহ বিভিন্ন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে তাদের মনোনয়নপত্র জমা দেন।

    মুন্সীগঞ্জ-১
    মুন্সীগঞ্জ-১ (শ্রীনগর ও সিরাজদিখান) আসনে বিএনপির প্রার্থী শেখ মো. আব্দুল্লাহ, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির স্বেচ্ছাসেবক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু ও শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. মমিন আলী, কেএম আতিকুর রহমান (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ), এ কে এম ফখরুদ্দিন রাজি (জামায়াতে ইসলামী), আব্দুর রহমান (বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি) ও রোকেয়া আক্তার (ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ) মনোনয়নপত্র জমা দেন।

    মুন্সীগঞ্জ-২
    মুন্সীগঞ্জ-২ (টংগীবাড়ী ও লৌহজং) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, মাজেদুল ইসলাম (এনসিপি), মো. নোমান মিয়া (জাতীয় পার্টি), আশিক মাহমুদ (ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ), কে.এম, বিল্লাল হোসেন (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ), এ বি এম ফজলুল করিম (জামায়াতে ইসলামী) ও মো. আমিনুল ইসলাম (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস) মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।

    এ আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থী করা হয়েছিল সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহাকে। তিনি অসুস্থ হওয়ায় তার পরিবর্তে মনোনয়ন পেয়েছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ।

    মুন্সীগঞ্জ-৩
    মুন্সীগঞ্জ-৩ (মুন্সীগঞ্জ সদর ও গজারিয়া) আসনে কেন্দ্রীয় বিএনপির সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ও বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মো. কামরুজ্জামান রতন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা সৈয়দা নুরমহল আশরাফীর কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন। বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী হিসেবে জমা দেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. মহিউদ্দিন।

    এছাড়াও এ আসনে অন্যদের মধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দেন শেখ মোহাম্মদ কামাল হোসেন (বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি), হাজী আব্বাস কাজী (খেলাফত মজলিস), নূর হোসেন নূরানী (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস), সুমন দেওয়ান (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ), আনিস মোল্লা (বাংলাদেশ লেবার পার্টি), মো. আরিফুজ্জামান দিদার (জাতীয় পার্টি) ও শেখ মো. শিমুল (বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ারকার্স পার্টি)।

  • পাবনা-২ আসনে জামায়াত প্রার্থী হেসাব উদ্দিনের মনোনয়নপত্র দা-খিল

    পাবনা-২ আসনে জামায়াত প্রার্থী হেসাব উদ্দিনের মনোনয়নপত্র দা-খিল

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর : পাবনা-২ (সুজানগর উপজেলা ও বেড়া আংশিক) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী কে এম হেসাব উদ্দিন মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন।
    সোমবার দুপুরে সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ এর নিকট তিনি মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এ সময় পাবনা ২ আসনের জামায়াতের নির্বাচন পরিচালক অধ্যাপক রেজাউল করিম, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক ফারুক- ই আজম ও উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি (ভারপ্রাপ্ত) মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক উপস্থিত ছিলেন।
    মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপ কালে জামায়াতের প্রার্থী অধ্যাপক কে এম হেসাব উদ্দিন আমরা আশাকরছি আগামী নির্বাচন উৎসবমূখর পরিবেশে সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ । দীর্ঘদিন পরে ভোটাররা তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেবে। নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা ২ আসন থেকে বিজয়ের ব্যাপারে আশাবাদী উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা, সুশাসন ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠন করতে ভোটারের তাদের মূল্যবান ভোট প্রদান করে দঁাড়িপাল্লার বিজয় নিশ্চিত করবেন ইনশআল্লাহ। এ সময় সুজানগর পৌর জামায়াতের আমীর রফিকুল ইসলাম খান, জামায়াত নেতা আসাদ, ওয়ালিউল্লাহ বিশ্বাস, শহীদুর রহমানসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

    সুজানগর উপজেলা প্রতিনিধি।।

  • পাবনা-২ আসনে বিএনপি ম-নোনীত প্রার্থী সেলিম রেজা হাবিবের মনোনয়নপত্র দাখিল

    পাবনা-২ আসনে বিএনপি ম-নোনীত প্রার্থী সেলিম রেজা হাবিবের মনোনয়নপত্র দাখিল

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৬৯পাবনা-২ (সুজানগর-বেড়া আংশিক) আসন থেকে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এ.কে.এম সেলিম রেজা হাবিব মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সুজানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদের নিকট পাবনা-২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট এ.কে.এম সেলিম রেজা হাবিব মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন। এ সময় উপজেলা নির্বাচন অফিসার সাগর আহমেদ, সুজানগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব আজম আলী বিশ্বাস, সুজানগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাজারী জাকির হোসেন চুন্নু, সুজানগর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব এবিএম তৌফিক হাসান ও বিএনপি নেতা আহমেদ আলী প্রামানিক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। মনোনয়ন পত্র দাখিল শেষে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এ.কে.এম সেলিম রেজা হাবিব সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তিনি বলেন, এই আসনে অন্যান্য দল কিংবা স্বতন্ত্র প্রার্থী থাকতেই পারে, এতে কোনো সমস্যা নেই। এটি প্রত্যেকের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা। তবে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, পাবনা-২ নির্বাচনী এলাকার মানুষ ধানের শীষে ভোট দেওয়ার জন্য মুখিয়ে আছে। ধানের শীষ ছাড়া অন্য কাউকে বেছে নেওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। ভোটের বিষয়ে তিনি বলেন, মানুষের ভোটের প্রকৃত বহিঃপ্রকাশ ঘটবে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি। নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়ন এবং সমাজ থেকে মাদক, সন্ত্রাস ও চঁাদাবাজি নির্মূলে কাজ করবেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন অ্যাডভোকেট এ.কে.এম সেলিম রেজা হাবিব। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সুজানগর পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ন আহ্বায়ক অধ্যাপক আব্দুল মোনায়েম, সুজানগর পৌর বিএনপির সভাপতি কামাল হোসেন বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক জসিম বিশ্বাস, উপজেলা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক অধ্যক্ষ নাদের হোসেন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহ্বায়ক রাশেদুল ইসলাম বাবু মন্ডল উপজেলা বিএনপি নেতা ডাঃ আব্দুস সালাম, আব্দুল হাই,হাবিবুর রহমান মাস্টার, আব্দুস সালাম মোল্লা, হারুন মন্ডল, ফজলুর রহমান, উপজেলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক আব্দুল মান্নান মোল্লা, সুজানগর পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর আনিছুর রহমান খোকন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সিদ্দিকুর রহমান পিন্টু, সদস্য সচিব রিয়াজ মন্ডল, উপজেলা তঁাতীদল নেতা আসাদুজ্জামান রোকন,সুজানগর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব ফজলুর রহমান,পাবনা জেলা ছাত্রদলের সহ সভাপতি শাকিবুল ইসলাম সনি, সুজানগর উপজেলা ছাত্রদল নেতা গাজী মাজহারুল ইসলাম ও শেখ রুবেলসহ সুজানগর ও বেড়া উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • ঝিনাইদহে প-রকীয়ার নে-শায় মা অন্ধ! ৩ সন্তানকে রাস্তায় ফেলে প্রেমিকের হাত ধরে প-লায়ন

    ঝিনাইদহে প-রকীয়ার নে-শায় মা অন্ধ! ৩ সন্তানকে রাস্তায় ফেলে প্রেমিকের হাত ধরে প-লায়ন

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধি-
    ঝিনাইদহের শৈলকুপায় পরকীয়া প্রেমের এক ভয়ংকর ও হৃদয়বিদারক পরিণতিতে দিশেহারা হয়ে পড়েছে তিনটি নিষ্পাপ শিশু। তামিনগর গ্রামের গৃহবধূ শারমিন খাতুন নিজের ১১, ৮ এবং ৫ বছরের তিনটি সন্তানকে এক নিমেষে ‘পর’ করে দিয়ে ঘর বেঁধেছেন প্রেমিকের সাথে।মায়ের মমতাকে বিসর্জন দিয়ে, সাজানো সংসার চুরমার করে দিয়ে শারমিনের এই পলায়ন এখন পুরো এলাকায় টক-অফ-দ্য-টাউন। তামিনগর গ্রামের শাহিনুরের স্ত্রী শারমিন দীর্ঘদিনের পরকীয়া প্রেমিক শেখড়া গ্রামের স্বাধীনের সাথে ঘর বাঁধতে মরিয়া হয়ে ওঠেন।স্বামীকে তালাক দেওয়ার মাত্র ২৫ দিনের মাথায় আইন-কানুন ও সামাজিকতার তোয়াক্কা না করে প্রেমিকের ঘরে উঠেছেন তিন সন্তানের এই জননী।সাবেক স্বামী শাহিনুরের অভিযোগ, শারমিন শুধু একা যাননি; ঘর থেকে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার এবং মূল্যবান আসবাবপত্রও সাথে নিয়ে গেছেন তার সন্তানেরা বলেন”মা আমাদের ফেলে গেল কেন?” বর্তমানে তাসনিম (১১), রুবায়া (৮) এবং মাত্র ৫ বছরের শিশু সিয়ামের দিন কাটছে চরম মানবেতর অবস্থায়। মা চলে যাওয়ার পর মাতুলালয়েও (নানা বাড়ি) ঠাঁই হয়নি এই অসহায় শিশুদের। দিনমজুর বাবার অভাবের সংসারে খেয়ে না খেয়ে পাথর চাপা কান্না নিয়ে দিন পার করছে তারা। “যে মা পরম মমতায় আগলে রাখার কথা ছিল, সেই মা-ই আজ পরকীয়ার মোহে অন্ধ হয়ে সন্তানদের নরক যন্ত্রণায় ফেলে গেছেন।” এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় তামিনগর, আড়ুয়াকান্দি ও শেখড়া গ্রামে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। একজন মা কীভাবে নিজের নাড়িছেঁড়া ধনদের এভাবে অনিশ্চয়তার মুখে ফেলে যেতে পারেন, তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বইছে নিন্দার ঝড়।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।।

  • রাজশাহী-৬ আসনে ম-নোনয়নপত্র জমা দিলেন আবু সাইদ চাঁদ

    রাজশাহী-৬ আসনে ম-নোনয়নপত্র জমা দিলেন আবু সাইদ চাঁদ

    চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-৬ (চারঘাট-বাঘা) আসনে বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাইদ চাঁদ মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

    সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে চারঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস এর কার্যালয়ে নিজে উপস্থিত থেকে এই মনোনয়নপত্র দাখিল করেন চাঁদ।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন, চারঘাট উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাকিরুল ইসলাম বিকুল, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক আবিদ হাসান, পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুল মোমিন, রাজশাহী জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্যবদ্ধ পরিষদের সাধারন সম্পাদক অসিত কুমার ঘোষ, আলেম সংগঠনের প্রতিনিধি আবুজার প্রমুখ।

    মনোনয়নপত্র জমা শেষে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে আবু সাইদ চাঁদ বলেন, আমরা চাই যার ভোট তিনি দিবেন। একজনের ভোট যেন অন্যজন দিতে না পারে। ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় যারা নির্বাচনে দ্বায়িত্ব পালন করেছেন তারা যেন আবার দায়িত্ব না পায়। তারা দায়িত্ব পালন করলে ভোট বিতর্কের সৃষ্টি হতে পারে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোন পক্ষপাতিত্ব করা যাবে না। জনগন যাকে মনে করবেন তাকেই ভোটের মাধ্যমে বিজয়ী করবেন। আমরা চাই অবাধ, সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ ভোট উদযাপন হোক।

    উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-৬ (চারঘাট-বাঘা) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৪ হাজার ২৭৫ জন। এরমধ্যে নারী ভোটার ১ লাখ ৫১ হাজার ৬৮৭ জন ও পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৫২ হাজার ৫৮৮ জন।

    মো: মোজাম্মেল হক
    চারঘাট, রাজশাহী।

  • পঞ্চগড়-১ আসনে সারজিসকে সমর্থন, নির্বাচন থেকে সরে গে-লেন জামায়াত প্রার্থী

    পঞ্চগড়-১ আসনে সারজিসকে সমর্থন, নির্বাচন থেকে সরে গে-লেন জামায়াত প্রার্থী

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি : জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম প্রার্থী হওয়ায় পঞ্চগড়-১ আসনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমীর ইকবাল হোসাইন।

    সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেলে তিনি পঞ্চগড় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামানের কাছে নিজের মনোনয়ন না জমা দিয়ে এনসিপি প্রার্থী সারজিস আলমের সঙ্গে উপস্থিত থাকেন।

    এসময় অধ্যাপক ইকবাল হোসাইন বলেন, কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় আমি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছি। সে কারণেই পঞ্চগড়-১ আসনে আমি মনোনয়নপত্র জমা দেইনি। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামীতে জোটের প্রার্থীর পক্ষে মাঠে কাজ করা হবে।

    এদিকে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর এনসিপির প্রার্থী সারজিস আলম সাংবাদিকদের বলেন, আমরা একটি সচ্ছ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই। বিগত নির্বাচনের মতো পেশিশক্তি ও কালো টাকার দাপট, সহিংসতা ও হানাহানি আমরা আর দেখতে চাই না।
    তিনি আরও বলেন, অনেক আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে আজ মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। ২০২৪ সালের অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অনেক মানুষের রক্ত, ত্যাগ ও অঙ্গহানির বিনিময়ে আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি। সেই অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশকে সামনে রেখে আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে সকলকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই।

    মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি দেলোয়ার হোসেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির জেলা আহ্বায়ক এবিএম জুলফিকার আলম নয়নসহ জামায়াত ও এনসিপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    উল্লেখ্য, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পঞ্চগড়-১ ও পঞ্চগড়-২ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য দুই আসনে ১২ জন করে মোট ২৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন। তবে সোমবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত পঞ্চগড়-১ আসনে ৮ জন এবং পঞ্চগড়-২ আসনে ১১ জনসহ মোট ১৯ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

  • গাবতলীতে  বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলামের দা-ফন সম্পূর্ণ

    গাবতলীতে বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলামের দা-ফন সম্পূর্ণ

    মিজানুর রহমান মিলন,
    বগুড়া জেলা প্রতিনিধি :

    বগুড়ার গাবতলী উপজেলার নশিপুর ইউনিয়ন বিএনপির কোষাধ্যক্ষ ও ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলামের (৪৫) জানাযা নামাজ রবিবার ( ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ ) দুপুর ২ ঘটিকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে । জানাযা নামাজ শেষে তাকে তার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয় । মৃত্যুকালে তিনি ১ ছেলে ১ মেয়ে, নাতি, নাতনী সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন । তার জানাযা নামাজে অন্যান্যদের মধ্যে নশিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জোবাইদুর রহমান গামা,সহ সভাপতি খালেক তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান ফারুক,সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম বজলু,নশিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রোকন তালুকদার, সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, শাজাহানপুর উপজেলা ছাএদলের সভাপতি আবদুল্লাহ বিন আইয়ুব ছোটন,গাবতলী উপজেলা উপজেলা ছাএদলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ডিউ তালুকদার, নশিপুর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক আনজু মন্ডল, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পটল হাসান, যুগ্ম আহ্বায়ক সাগর, ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কামরুল হাসান, ইউনিয়ন ছাএদলের আহ্বায়ক রঞ্জু,বাগবাড়ী শহীদ জিয়া ডিগ্রি কলেজ ছাএদলের সাধারণ সম্পাদক আল মারুফ সাদিক, মরহুমের বড় ভাই আব্দুর রহিম সহ তার পরিবারের সদস্য, আত্নীয় স্বজন, পাড়া প্রতিবেশী, বন্ধু বান্ধব, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ গ্রহন করে । উল্লেখ্য বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম বগুড়ায় একটি বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় মৃত্যুবরণ করেন ।

  • গোপালগঞ্জ-১ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সেলিমুজ্জামান সেলিম

    গোপালগঞ্জ-১ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সেলিমুজ্জামান সেলিম

    কে এম সাইফুর রহমান,
    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচ‌নের ম‌নোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন গোপালগঞ্জ-১ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী এবং বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম।

    সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে তিনি সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অ‌ফিসার মাহমুদ আশিক কবিরের হ‌াতে মনোনয়নপত্র জমা দেন।

    সেলিমুজ্জামান সেলিম গোপালগঞ্জ-১ (মুকসুদপুর উপজেলা -কাশিয়ানী উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত) আসন থেকে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করবেন। তিনি বলেন, মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছি। তিনি আন্তরিকতার সাথে তা গ্রহণ করেছেন। ইনশাল্লাহ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিবো। মানুষ এখন পরিবর্তন চায়। পরিবর্তনকে সামনে রেখেই আমরা কাজ করবো।

    এদিকে সেলিমুজ্জামান সেলিমের নির্বাচনী মনোনয়নপত্র জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে মুকসুদপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে মুকসুদপুর ও কাশিয়ানী উপজেলা বিএনপি’র বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ সহ বিপুল সংখ্যক কর্মী ও সমর্থকরা সমবেত হয়েছেন।

  • গোপালগঞ্জ–২ আসনে ১০ দল সমর্থিত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মুফতী শুয়াইব ইবরাহীম মনোনয়নপত্র দা-খিল করেছেন

    গোপালগঞ্জ–২ আসনে ১০ দল সমর্থিত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মুফতী শুয়াইব ইবরাহীম মনোনয়নপত্র দা-খিল করেছেন

    কে এম সাইফুর রহমান, গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জের তিনটি (গোপালগঞ্জ -১, ২ ও ৩) আসনে উৎসবমুখর পরিবেশে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা।

    এরই ধারাবাহিকতায় ১০ দল সমর্থিত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হিসেবে গোপালগঞ্জ–২ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন মুফতী শুয়াইব ইবরাহীম।

    সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে গোপালগঞ্জ জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. আরিফ উজ-জামানের নিকট তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে তার মনোনয়নপত্র জমা দেন।

    এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস এর জেলা সভাপতি মাওলানা ফারুক হাসান নদভী,
    পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা এনামুল হক, মাওলানা ফখরুল আলম, মুফতি মাসুদুর রহমান, মাওলানা মোস্তাফিজুর রহমান, মাওলানা আবুল কালাম, হাফেজ জোবায়ের, মাওলানা কাওসার আহমদ মুফতি শাফায়াত হুসাইন, মুফতি আহমাদুল্লাহ মিশকাত, কাজী এজহারুল ইসলাম জামাতের প্রচার ও মিডিয়া সন্পাদক সহ প্রমুক ওলামায়ে কেরাম।

    মনোনয়ন দাখিলের সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মুফতি শুয়াইব ইবরাহীম বলেন- “গোপালগঞ্জ শিক্ষা ও চিকিৎসার ক্ষেত্রে অনেক পিছিয়ে এবং অত্র এলাকায় বেকারত্বের হার অনেক বেশি। আমি নির্বাচিত হলে মৌলিকভাবে এ সমস্যাগুলোকে সমাধানের চেষ্টা করব এবং গোপালগঞ্জ–২ আসনের জনগণ ইনশাআল্লাহ সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে রায় দেবে।”

    উল্লেখ্য, গোপালগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী ইসলামপুর মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল ও শিক্ষা পরিচালক মুফতী শুয়াইব ইবরাহীম গোপালগঞ্জ ওলামা পরিষদের সেক্রেটারি হিসেবে দীর্ঘদিন যাবৎ দ্বীনি ও সামাজিক অঙ্গনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে একজন সাহসী, আপসহীন ও আদর্শবাদী নেতা হিসেবে তার ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে।

  • মোরেলগঞ্জে ১৫০ প্রান্তিক কৃষকের হাতে বিনামূল্যে বীজ–সার ও কৃষি উপকরণ বি-তরণ

    মোরেলগঞ্জে ১৫০ প্রান্তিক কৃষকের হাতে বিনামূল্যে বীজ–সার ও কৃষি উপকরণ বি-তরণ

    এস. এম. সাইফুল ইসলাম কবির, বিশেষ প্রতিনিধি :
    দক্ষিণাঞ্চলের কৃষিপ্রধান জেলা বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে সরকারি কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বিনামূল্যে বীজ–সার ও কৃষি উপকরণ বিতরণের মধ্য দিয়ে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। রবি শস্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০২৫–২৬ অর্থবছরের আওতায় উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার দেড় শতাধিক দরিদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের হাতে উন্নতমানের উফশী ও হাইব্রিড বোরোধানের বীজসহ বিভিন্ন ফসলের বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়।
    সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সকালে মোরেলগঞ্জ অফিসার্স ক্লাব চত্বরে আয়োজিত এ বিতরণ অনুষ্ঠানে সকাল থেকেই বিভিন্ন গ্রামের কৃষকদের উপস্থিতিতে প্রাণচাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। হাতে চাষাবাদের ক্যালেন্ডার, চোখে নতুন মৌসুমের স্বপ্ন—দীর্ঘ অপেক্ষার পর নাম ডাকার সঙ্গে সঙ্গে কৃষকেরা একে একে বীজ–সার গ্রহণ করে ঘরে ফেরেন। পুরো আয়োজনজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।
    কৃষকদের মাঝে যে সহায়তা পৌঁছেছে
    উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়—
    সরিষা বীজ পেয়েছেন ৩০ জন
    গম বীজ পেয়েছেন ২ জন
    পেঁয়াজ বীজ পেয়েছেন ২ জন
    বাদাম বীজ পেয়েছেন ২ জন
    বোরোধানের বীজ পেয়েছেন ৪০ জন
    সব মিলিয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মোট দেড় শতাধিক কৃষক এ কৃষি সহায়তার আওতায় এসেছেন।
    প্রধান অতিথির বক্তব্য
    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কৃষকদের হাতে বীজ–সার তুলে দেন বাগেরহাট জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক রমেশ চন্দ্র ঘোষ। তিনি বলেন—
    “প্রান্তিক কৃষকদের শক্তিশালী করা ছাড়া দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। সরকার চায়, এক ইঞ্চি জমিও যেন অনাবাদী না থাকে। তাই কৃষকদের কাছে সময়মতো উন্নতমানের বীজ ও সার পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।”
    তার বক্তব্যে কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়।
    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার তথ্যসমৃদ্ধ বক্তব্য
    অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন—
    “মোরেলগঞ্জের কৃষকেরা প্রতি বছর উন্নতমানের ধান উৎপাদনের মাধ্যমে দেশের খাদ্যভাণ্ডার সমৃদ্ধ করে আসছেন। এই বিনামূল্যের বীজ–সার বিতরণ কর্মসূচি তাদের উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
    তিনি আরও জানান, সরকারি এই বীজ ও সার সাধারণ বাজারের তুলনায় মানসম্মত হওয়ায় কৃষকের উৎপাদন খরচ কমে এবং ফলন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ে।
    উপস্থিত কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ
    অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন—
    উপজেলা প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. তারেক হাসান, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা রঞ্জিত কুমার, উপজেলা পানি সম্পদ কর্মকর্তা রেজাউল করিম, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আশিকুর রহমান, সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আলী আশরাফসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা। তাঁদের উপস্থিতি ও উৎসাহমূলক বক্তব্য অনুষ্ঠানের গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে তোলে।
    কৃষকদের অনুভূতি—‘নতুন আশার আলো’
    বীজ–সার সংগ্রহ করে ফেরার পথে কথা হয় কয়েকজন কৃষকের সঙ্গে।
    গোলবুনিয়া গ্রামের কৃষক মফিজুল ইসলাম বলেন—
    “বর্তমান বাজারে সার–বীজের দাম অনেক বেশি। সরকারের এই সহায়তা না পেলে ঠিকমতো আবাদ শুরু করা কঠিন হতো। এখন নিশ্চিন্তে জমিতে নামতে পারব।”
    অন্যদিকে কৃষক রফিকুল মল্লিক বলেন—
    “হাইব্রিড বীজ পেয়ে আমরা খুবই খুশি। এগুলো থেকে ভালো ফলন পাওয়া যায়। আমাদের মতো প্রান্তিক কৃষকের জন্য এটি বড় সহায়তা।”
    কৃষি প্রণোদনায় উৎপাদনে ইতিবাচক পরিবর্তন
    কৃষি বিভাগ জানায়, গত কয়েক বছরে সরকারি প্রণোদনা কর্মসূচির ফলে মোরেলগঞ্জ উপজেলায় ধান উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। উন্নত জাতের বীজ ও আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে ফলন বেড়েছে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত। এ পর্যন্ত প্রায় ৬ হাজার কৃষক বিভিন্ন সময়ে এ কর্মসূচির আওতায় উপকৃত হয়েছেন, বেড়েছে কৃষকের আয় ও জীবনমান।
    চলতি মৌসুমে এই বীজ–সার বিতরণের মধ্য দিয়ে মোরেলগঞ্জের কৃষকদের চোখে আবারও জেগেছে নতুন আশার আলো। তারা প্রত্যাশা করছেন—এবারও মাঠ ভরে উঠবে সোনালি ধানে, আর সেই ধানেই ফিরবে কৃষকের স্বপ্ন ও স্বস্তি।