Blog

  • ময়মনসিংহে এএসআই আয়েছ মাহমুদ এর অভি-যানে  প্রাইভেটকারসহ ৩ জু-য়ারি গ্রে-প্তার

    ময়মনসিংহে এএসআই আয়েছ মাহমুদ এর অভি-যানে প্রাইভেটকারসহ ৩ জু-য়ারি গ্রে-প্তার

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহের সদর উপজেলায় জুয়ার আসরে অভিযান চালিয়ে ৩ জুয়ারিকে গ্রেপ্তার করেছে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ। এ সময় একটি প্রাইভেটকার, ৩টি সিএনজি এবং এক জুয়াড়ির বিকাশ একাউন্টে থাকা ৪ লাখ টাকা জব্দ করা হয়।

    শনিবার (২ আগস্ট) দুপুরে সংশ্লিষ্ট জুয়া আইনের মামলায় এই আসামিদের ময়মনসিংহ চীফ জুডিশিয়াল আদালতে পাঠানো হয়। এর আগে গতরাতে (১ আগষ্ট) কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শিবিরুল ইসলাম এর নির্দেশনা মোতাবেক এসআই শাফায়েত হোসেন ও এএসআই আয়েছ মাহমুদ সঙ্গীয় অফিসার্স ফোর্স নিয়ে অভিযান পরিচালনা করে সদর উপজেলার ভাবখালি কাচারি বাজার সংলগ্ন ব্রহ্মপুত্র নদের তীর এলাকার এই জুয়ার আসর থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে।

    আসামিরা হলেন- নরসিংদী রায়পুরা থানা এলাকার বাসিন্দা মৃত মতিন খানের ছেলে মোঃ শাকিল খান (৪০), নান্দাইল উপজেলার অরণ্যপাশা গ্রামের বাসিন্দা মৃত ইমাম হোসেনের ছেলে আল আমিন (৪৫) এবং ত্রিশাল উপজেলার দরিরামপুর গ্রামের মৃত উশন আলীর ছেলে আশরাফুজ্জামান খান মোতালেব (৫৮)।

    স্থানীয়রা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে ব্রহ্মপুত্র নদ সংলগ্ন গৌরীপুর, ত্রিশাল ও সদর উপজেলার সীমান্তঘেঁষা দুর্গম চরাঞ্চল চরভাবখালী নামক স্থানে নিয়মিত জুয়ার আসর চলছিল। ভাবখালী ইউনিয়ন বিট পুলিশিং দায়িত্বে থাকা কোতোয়ালি মডেল থানার এএসআই আয়েছ মাহমুদ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে উক্ত জুয়ার বোর্ডে অভিযান পরিচালনা করার পরিকল্পনা করেন এবং ওসি শিবিরুল ইসলামের পরামর্শ মোতাবেক অভিযান চালিয়ে আসামীদের গ্রেফতার করাসহ জুয়াড়ীদের যাতায়াতের ব্যবহৃত প্রাইভেটকার ও সিএনজি জব্দ করেন।

    কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম বলেন, আসামিদের সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

    এবিষয়ে জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) কাজী আকতার উল আলম বলেন, এর আগেও এই আসরে পুলিশ ৪ থেকে ৫ বার অভিযান চালিয়েছে। এছাড়াও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে ১৭ জন গ্রেপ্তার হয়েছিল। এধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে।

  • চাটমোহরে সড়ক সংস্কারের দাবিতে মান-ববন্ধন; একমাসের মধ্যে কাজ শুরুর আ-ল্টিমেটাম 

    চাটমোহরে সড়ক সংস্কারের দাবিতে মান-ববন্ধন; একমাসের মধ্যে কাজ শুরুর আ-ল্টিমেটাম 

    পাবনা প্রতিনিধিঃ

    পাবনার চাটমোহর জারদিস মোড় থেকে হান্ডিয়াল পর্যন্ত ১৪ কিলোমিটার আঞ্চলিক সড়ক সংস্কার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত  হয়েছে। 

    শনিবার (২ আগস্ট) সকাল দশটা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত আঞ্চলিক সড়কটির নয়টি পয়েন্টে এ মানববন্ধনের আয়োজন করে চেতনায় হান্ডিয়াল নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। মানববন্ধনে এলাকাবাসী বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ নেয়।

    মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, চাটমোহরে জারদিস মোড় থেকে হান্ডিয়াল বাঘলবাড়ি পর্যন্ত রাস্তাটি দূরত্ব ১৪ কিলোমিটার। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে এই রাস্তাটি অসংখ্য খানাখন্দে বৃষ্টির পানিতে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাচ্ছে তিনটি ইউনিয়নের লাখো মানুষ। এই রাস্তা দিয়ে ঢাকার সাথে সবচেয়ে কম দূরত্বে অসংখ্য যানবাহন ও মানুষ চলাচল করে।কিন্তু গত পাঁচ বছর ধরে রাস্তাটির সংস্কারের অভাবে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। প্রায়ই দুর্ঘটনায় হতাহত হচ্ছে মানুষ।বিশেষ করে অসুস্থ ব্যক্তিকে চাটমোহর উপজেলা হাসপাতালে নিতে পড়াতে সীমাহীন দুর্ভোগ। প্রায়ই দুর্ঘটনায় ক্ষতির স্বীকার হন যানবাহন চালকরা। এর আগে  সংস্কার কাজ শুরু করেও জুলাই আগস্টের পরে পালিয়ে গেছে ঠিকাদার। আগামী এক মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি রাস্তাটি সংস্কার কাজ শুরু করার দাবি জানান এলাকাবাসী। তা না হলে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দেন তারা। 

    চেতনায় হান্ডিয়ালের আহবায়ক কেএম বেলাল হোসেন স্বপনের সভাপতিত্বে ও সরকারি অধ্যাপক জাকির হোসেনের সঞ্চালনায়  মানববন্ধন সমাবেশে বক্তব্য দেন, পাবনা-৩ আসনের সাবেক এমপি কে এম আনোয়ারুল ইসলাম, জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দল কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা  হাসানুল ইসলাম রাজা, চাটমোহর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহিম কালু, মানববন্ধন আয়োজক উপ-কমিটির আহবায়ক শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

    এ বিষয়ে পাবনার সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এম আজিজ বলেন, যে ঠিকাদারের গাফিলতিতে এই জনদুর্ভোগ সে যাতে উপযুক্ত শাস্তি পায় সে বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত সুপারিশ করা হয়েছে। আগের ঠিকাদারকে বাতিল করে নতুন ঠিকাদার নিয়োগের মাধ্যমে সড়কটির সংস্কার দ্রুত শুরু করা হবে। জনদুর্ভোগ যাতে আর না হয় সে বিষয়ে আমরা আন্তিরকভাবে কাজ করছি। ইতিমধ্যে সড়কটির প্রাথমিক মেরামত কাজ চলমান রয়েছে।

    তোফাজ্জল হোসেন বাবু, পাবনা।

  • প্র-ত্যয় সংগঠনের “পূর্ণাঙ্গ কমিটি” গঠন

    প্র-ত্যয় সংগঠনের “পূর্ণাঙ্গ কমিটি” গঠন

    আব্দুর রহিম বাবলু:
    সংকল্প পাশে থাকার এই স্লোগান নিয়ে
    ০১ আগস্ট শুক্রবার প্রত্যয় সংগঠনের পরিচালকদের সিদ্ধান্তক্রমে আগামী এক বছরের জন্য প্রত্যয় সংগঠনের ১০১ সদস্য বিশিষ্ট “পূর্ণাঙ্গ কমিটি” তালিকা প্রদান করা হয়। উক্ত কমিটির মেয়াদকাল আগামী ৩০ জুন ২০২৬ ইং পর্যন্ত।

    উক্ত পরিচালক হলেন- শাহাজাহান আজাদ, জুবাইদ রাফি, শাহাদাত হোসেন, নাসির উদ্দিন।
    এছাড়াও সহ-পরিচালক হলেন- এস. এইচ রাজু, মো: নাজির আহমেদ, ইসমাইল হোসেন সাগর, মো: দিদার হোসেন, আব্দুল মান্নান, অহিদুর রহমান মিয়াজী, আব্দুল্লাহ রাজু শেখ।

    কো অর্ডিনেটর হলেন-আজম আজাদ, মোজাম্মেল হক শাহীন, মো: আলমগীর, সম্রাট ইসলাম, মিজানুর রহমান।
    দপ্তর সম্পাদক- মাসুদ হক।

    সহ দপ্তর সম্পাদক- মেহেদী হাসান, তোফাজ্জল সজীব, মিনহাজ জোবায়ের ইপ্তি।
    শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক- ইঞ্জিনিয়ার এ.এইচ. এম মেরাজ,মো: ইমরানুল হক, জীবন আহমেদ, জাহিদুল মোরসালিন, হাসান তারেক, আনোয়ার হোসেন, ইয়াসিন আরিফ।

    স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক- ডা: মো:শাহিন আলম।
    সহ স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক-
    ডা:রমিজ বিন আরিফ, ডা: কাজী কাওসার আলম, শাহাদাত হোসেন মোল্লা, ফখরুল ইসলাম ভূঁইয়া, মো: ওলিউল্লাহ, নুরুন্নবী সোহেল, নওশাদ সিয়াম।
    অর্থ সম্পাদক- শাফায়েত হোসেন।
    সহ অর্থ সম্পাদক -এস.কে শাকিব, মোঃ উল্লাহ,।
    ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক- শেখ ফরিদ।
    সহ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক-আব্দুর রহমান, কারী মাসুদুর রহমান,মো: মাহবুব হাসান ফাহিম,মো: সাইফুল ইসলাম।
    পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক- আনোয়ার হোসেন।
    সহ পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক -মাসুদ ইসলাম, আমিনুল হক, ওমর ফারুক, কাউসার আলম মুরাদ, সাইফুল ইসলাম রাজু।
    প্রবাসী বিষয়ক সম্পাদক -সারফিন সাকিব।
    সহ প্রবাসী বিষয়ক সম্পাদক- আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া আব্দুল্লাহ আল নোমান, রিয়াদ, আবু তালেব ভূঁইয়া।
    ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক- এম সালাউদ্দিন।
    সহ ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক-মেহেদী হাসান, সোহাগ হোসেন শান্ত, মহিফুল ইসলাম তুষার, আশরাফুল ইসলাম জিহাদ।
    পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক- আব্দুল হাকিম রাহিদ।
    সহ পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক -রায়হান উদ্দিন, শাহিন আলম, শারাফাত হোসেন আকাশ, ইয়াসিন উদ্দিন আহাদ।
    প্রচার বিষয়ক সম্পাদক- নাঈম উদ্দিন ।
    সহ প্রচার বিষয়ক সম্পাদক মো: আব্দুর রহিম, মাওলানা ইউসুফ আলী এস.কে সুজন, আশিকুর রহমান, সাইমন মজুমদার, হিরণ ভূঁইয়া।
    ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক -মো: মুরাদ হোসেন,।
    সহ ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক-রিয়াজ উদ্দিন, আরিফুল ইসলাম রিফাত, মেহেদী ভূঁইয়া, মোজাহের ইসলাম, শাহরিয়ার তারেক, মনিরুল ইসলাম, শামসুজ্জামান শাহপরান।
    সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক খালেদ সাইফুল্লাহ।
    সহ সমাজসেবার বিষয়ক সম্পাদক- রায়হান, জে.এইস জুনায়েদ, ইব্রাহিম খলিল, সাইফুল ইসলাম এস.কে হান্নান, তারেক মাহমুদ, রহিম আলম এস.জে শাহজালাল, আরিয়াম অমি, আবু সায়েদ দিপু, অন্তর মজুমদার।
    কৃষি বিষয়ক সম্পাদক -জাহিদুল ইসলাম।
    সহ কৃষি বিষয়ক সম্পাদক -আমিনুল ইসলাম, রাসেল মাহমুদ।
    আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদ রকিব ভূঁইয়া।
    সো আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক আশরাফুল শাহিন, হুমায়ুন কবির।
    যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক এস.আই রাহাত।
    সহ যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক -মো:সৌরভ, এম.এ.আল. নোমান, নাজিম উদ্দিন রাফি।
    একই দিন সকালে প্রত্যয় সংগঠনে প্রবাসীদের নিয়ে গঠিত কমিটির তালিকা প্রকাশ করা হয়।

  • দেশে সুশাসন প্র-তিষ্ঠায় বিএনপির ৩১ দফা বাস্তবায়ন অ-পরিহার্য- ড. এবি এম ওবায়দুল ইসলাম

    দেশে সুশাসন প্র-তিষ্ঠায় বিএনপির ৩১ দফা বাস্তবায়ন অ-পরিহার্য- ড. এবি এম ওবায়দুল ইসলাম

    এস.এম. সাইফুল ইসলাম কবির :বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে বিএনপির ৩১ দফা বাস্তবায়ন ও রাজনীতির বর্তমান প্রেক্ষাপট শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ড. এবি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেছেন, দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত করতে হলে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়ন করতে হবে। দলের মধ্যে চাঁদাবাজ, দখলবাজ, দুর্বৃত্তয়নের স্থান হতে পারে না। সে ক্ষেত্রে নেতৃত্বে ভাল মানুষকে নির্বাচিত করতে হবে। তা হলে সেই দলের সাংগঠনিক ভীত হবে মজবুত।

    শুক্রবার বিকেলে মোরেলগঞ্জ উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে এ মতবিনিময় সভায় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি অধ্যক্ষ আব্দুল সামাদ মোল্লার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল জব্বার মোল্লা।

    সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক অধ্যাপক এম এ আউয়াল, পৌর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব অধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আল আজাদ, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক হোগলাপাশা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মফিজুল হক, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব বিএম রেজাউল করিম সোহাগ, পৌর যুবদলের আহবায়ক ফকির মিজানুর রহমান পলাশ, এ্যাড. মেহেদী হাসান ইয়াদ, বিএনপি নেতা অধ্যাপক ফায়জুল হক, শরণখোলা উপজেলা যুবদলের সভাপতি ইব্রাহিম হোসেন মোল্লা, খাউলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. সেলিম মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মো. এনামুল হক, নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এমদাদুল হক তালুকদার। সভা সঞ্চালনা করেন বনগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সামছুর রহমান।

    সভায় প্রধান অতিথি ড. এবি এম ওবায়দুল ইসলাম আসন্ন উপজেলা বিএনপির সম্মেলনে সভাপতি পদে প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল আউয়াল, সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. মেহেদী হাসান ইয়াদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে অধ্যাপক ফায়জুল হককে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার আহবান জানান।

  • রাজশাহীর গোদাগাড়ী পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসি ক্যামেরা স্থা-পন

    রাজশাহীর গোদাগাড়ী পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসি ক্যামেরা স্থা-পন

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী: রাজশাহী প্রথম শ্রেণীর গোদাগাড়ী পৌরসভার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরন ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।

    ৩১ জুলাই বৃহস্পতিবার এর শুভ উদ্ভোদন করেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) ও রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান
    এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের সিও রেজা হাসান (উপসচিব),
    জেলা প্রশাসকের ডিডিএলজি (উপসচিব)
    জাকিউল ইসলাম, গোদাগাড়ী পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফয়সাল আহমেদ, গোদাগাড়ী মডেল থানার ওসি
    মোহম্মদ রুহুল আমিন, গোদাগাড়ী পৌরসভার সচিব সারোয়ারনর জাহান, গোদাগাড়ী বনিক সমিতির সভাপতি মিলনসহ সুধিজন, পৌরসভার গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।

    গোদাগাড়ী পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফয়সাল আহমেদ বলেন, গোদাগাড়ী পৌরসভার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরন ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ পৌরবাসীর দীর্ঘদিনের দাবীর প্রেক্ষিতে কাজটি করা হয়েছে।

    মোঃ হায়দার আলী,
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • গোদাগাড়ীতে মাঝি মাল্লা,শিক্ষক ও ইউপি সদস্যদের মাঝে লা-ইফ জ্যা-কেট বিতরণ

    গোদাগাড়ীতে মাঝি মাল্লা,শিক্ষক ও ইউপি সদস্যদের মাঝে লা-ইফ জ্যা-কেট বিতরণ

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব ফয়সাল আহমেদের সুদক্ষ তত্ত্বাবধানে শিক্ষক, ইউপি সদস্য, নৌকার মাঝে লাইফ জ্যাকেট, হতদরিদ্র ও দুর্যোগকবলিত মানুষের মাঝে টিন, নগদ অর্থ এবং খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

    খাদ্যসামগ্রীর মধ্যে ছিল ১৪.৫ কেজির একটি প্যাকেট, যাতে ছিল ৮টি প্রয়োজনীয় পুন্য। একইসঙ্গে উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীদের ব্যবহারের জন্য ও অফিসে সেবাগ্রহীতাদের বসার সুবিধার্থে প্রয়োজনীয় সংখ্যক বেঞ্চ সরবরাহ করা হয়।

    এ সব জনগুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচির উদ্বোধন ও বিতরণ কার্যক্রমে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক ও অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান। আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিও) রেজা হাসান, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের উপসচিব ডিডিএলজি জাকিউল ইসলাম, উপজেলার প্রকৌশলী মনসুর রহমান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মনিরুল ইসলামসহ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ ও সুধীজন।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফয়সাল আহমেদের বলিষ্ঠ ও মানবিক নেতৃত্বে এ ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ গোদাগাড়ী উপজেলাকে সুশাসন ও মানবিক সহায়তার এক অনন্য দৃষ্টান্তে পরিণত করেছে। সীমান্তবর্তী গোদাগাড়ী উপজেলাকে মাদক মুক্ত করতে সামাজিকভাবে প্রতিরোধ জনসচেতনতা সৃষ্টি, যুব সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার উপর গুরুত্ব দিয়ে ৯ টি ইউনিয়ন ও ২ টি পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে ক্লাব ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের যুবকদের হাতে তুলে দিচ্ছেন ফুটবল, হ্যান্ডবলসহ বিভিন্ন খেলাধুরার সামগ্রী। জনগণের পাশে থেকে দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে, যুব সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে এমন উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবরদক,
    রাজশাহী।

  • আটঘর কুরিয়ানার পর্যটন এরিয়ায় শান্তিশৃ-ঙ্খলা বজা-য় রাখতে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের মোবা-ইল কো-র্ট

    আটঘর কুরিয়ানার পর্যটন এরিয়ায় শান্তিশৃ-ঙ্খলা বজা-য় রাখতে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের মোবা-ইল কো-র্ট

    নেছারাবাদ উপজেলা সংবাদদাতা।।

    নেছারাবাদের ঐতিহ্যবাহী আটঘর কুড়িয়ানা পেয়ারা সমৃদ্ধ পর্যটন এরিয়ায় শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য উপজেলা প্রশাসন কতৃক মোবাইল কোর্ট এর অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

    শুক্রবার ০১ আগস্ট, উপজেলার আটঘর কুরিয়ানা পর্যটন এরিয়ায় শান্তিশৃঙ্খলা এলাকায় উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক জারীকৃত নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব রায়হান মাহমুদ মোবাইল কোর্ট এর অভিযান পরিচালনা করেন।

    উল্লেখ্য গত একমাস যাবত পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কিছু কিছু পর্যটকরা অতি উচ্চশব্দ (লাউড স্পিকার) নিয়ে আটঘর কুড়িয়ানা ঘুরতে আসতো। যেটা পরিবেশের জন্য মারাত্মক ঝুকিপূর্ণ। লাউডস্পিকার শব্দে গাছের পাখিরাও ভয়ে উড়ে যেত, ৩০০ মিটার দুরের লোকজন লাউডস্পিকারের শব্দে অতিষ্ঠ ছিলো এবং টলারের চলতো উশৃংখলতা, অশ্লীল নৃত্য ফলে বিলম্বনায় পড়তে হতো পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা পর্যটকদের।

    বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঢালাওভাবে প্রচার হতে থাকে এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পুলিশ প্রশাসন, ও ডিসি মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে যোগাযোগ মাধ্যমে পোষ্ট করা হয় এবং স্থানীয় সাংবাদিকরা বিষয়টি নিয়ে নিউজ করায় নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জাহেদুল ইসলাম বিষয়টি আমলে নেয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত দর্শনার্থীদের জন্য ভ্রমনের স্বাভাবিক পরিবেশ নিশ্চিতকরতে গত ২৭ জুলাই পর্যটন এলাকা আটঘর কুড়িয়ানার জন্য জরুরি কিছু নির্দেশনা জারি করেছিলেন।

    সেই জারিকৃত নির্দেশনা কতটা কার্যকর হয়েছে। সেটি সরজমিনে দেখার জন্য ১লা আগষ্ট উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি মোঃ রায়হান মাহমুদ আটঘর কুড়িয়ানার পর্যটন এলাকায় যায়। গত সপ্তাহের চেয়ে আজকের পরিবেশটা শান্তিপূর্ণ। তবে এ সময় রায়হান মাহমুদ পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কয়েকটি উচ্চ শব্দ (লাউড স্পিকার) জব্দ করে।

    নির্বাহী কর্মকর্তার পর্যটন এলাকায় এ ধরনের উদ্যোগ নেয়ায় স্বাগত জানিয়েছেন অনেকে। ঘুরতে যাওয়া পর্যটক মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, আসুন, আমরা সবাই মিলে কুড়িয়ানার এই অনন্য পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করি-তবে দায়িত্বশীলতা ও সচেতনতার সঙ্গে। পর্যটন হোক আনন্দদায়ক, পরিবেশ হোক সুরক্ষিত।

    মোঃ হায়দার নামে পর্যটক বলেন, অনেকদিন পরে হলেও ভ্রমণ পিপাসু মানুষ স্বস্তি পেতে শুরু করেছে পাশাপাশি এলাকার মানুষও অত্যন্ত খুশি স্যারের এই মহতী উদ্যোগ নেয়ার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ স্যারকে এবং প্রেসক্লাবের সম্মানিত সাংবাদিক ভাইদের কেও আন্তরিক ধন্যবাদ তাদের জন্য বিষয়টি নিয়ে রিপোর্ট করার জন্য।

    সাহানাজ নামে আর জন বলেন, এমনটা প্রতিবছরই হয় কিন্তু বেশিদিন ধরে রাখা যায় না। আগামী দিনগুলোতে এরকম সুন্দর পরিবেশ বিরাজ থাকুক এই কামনা করছি।

    এ বিষয়ে নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জাহেদুল ইসলাম বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নেছারাবাদের আটঘর কুড়িয়ানার পর্যটক এলাকায় আগত দর্শনার্থীদের জন্য ভ্রমনের স্বাভাবিক পরিবেশ নিশ্চিতকরতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই নির্দেশনা বলবত থাকবে। আজকে ক্ষতিকর কয়েকটি উচ্চ শব্দ (লাউড স্পিকার) জব্দ করা হয়েছে। আগত ট্যুরিস্টদের এই এলাকার পরিবেশ স্বাভাবিক রাখার জন্য সচেতন করা হয়।
    জনস্বার্থে উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

    আনোয়ার হোসেন
    নেছারাবাদ উপজেলা সংবাদদাতা।

  • রাজশাহীর শী-র্ষ মা-দক স-ম্রাট নয়ন ডাক্তার গ্রেফ-তার

    রাজশাহীর শী-র্ষ মা-দক স-ম্রাট নয়ন ডাক্তার গ্রেফ-তার

    হায়দার আলী।
    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ
    রাজশাহীর গোদাগাড়ী থানায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মামলায় শীর্ষ মাদক কারবারী কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে গোদাগাড়ী মডেল থানার পুলিশ। তার নাম নাসির উদ্দিন নয়ন ডাক্তার । তার বাড়ি উপজেলার মাটিকাটা ইউনিয়নের রেলগেট এলাকায়। তিনি একটি ক্লিনিকের মালিক। তাই এলাকায় তিনি নয়ন ডাক্তার নামে পরিচিত। গোদাগাড়ীর শীর্ষ হেরোইন কারবারিদের একজন নয়ন ডাক্তার।

    এলাকার আওয়ামী লীগের সাবেক পলাতক সংসদ সদস্য ওমর ফারুক চৌধুরীর সঙ্গে বেশ ভাব ছিল নয়ন ডাক্তারের। তাই ফারুক চৌধুরী তাকে মাটিকাটা ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি করেছিলেন। দলের গঠনতন্ত্রে শুধু একটি ওয়ার্ড কিংবা ইউনিয়ন কমিটিতে একজনই সভাপতি থাকার নিয়ম থাকলেও ফারুক চৌধুরী তাকে ইচ্ছেমতো তিনটি ওয়ার্ডের সভাপতি করেছিলেন। অথচ তার নামে আছে একাধিক মাদক মামলা।

    গোদাগাড়ী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রুহুল আমিন জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহাসড়কে উপজেলার সাহাব্দিপুর এলাকা থেকে নয়ন ডাক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত বছরের ৫ আগস্ট থানায় হামলার মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। শুক্রবার সকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারেও পাঠানো হয়েছে।

    আওয়ামী আমলে দেদারসে মাদক ব্যবসা করে প্রচুর টাকার মালিক হয়েছেন নয়ন ডাক্তার। এলাকায় খুলেছেন ক্লিনিক। দুই স্ত্রীর নামে অর্ধশতাধিক বিঘা জমিও কিনেছেন। মাদক মামলার এই আসামি রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এলাকার মাটিকাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতিও হয়েছিলেন। নাম প্রকাশ না করা শর্তে একজন সহকারী শিক্ষক জানান, অবৈধভাবে কয়েক জনকে নিয়োগ দিয়ে মোটা অঙ্কের উৎকোচ গ্রহন করেছিলেন নয়ন ডাক্তার। কিন্তু তাদের এমপিও ভুক্ত করতে পারেন নি। তারা বেতন না পেয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছেড়ে দিয়েছেন তারা। লাখ লাখ টাকা মেরে দিয়েছেন কথিত নয়ন ডাক্তার। টাকা ফেরত না পেয়ে চাকুরী প্রাপ্তরা মানবেতর জীবন যাপন করেছেন বলে জানান ওই শিক্ষক।

    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • গোদাগাড়ীতে ৫৪ বছরের ঘাটপ্র-থা অব-সানের অপেক্ষায় পদ্মার চরাঞ্চলের হা-জার হাজা-র মানুষ

    গোদাগাড়ীতে ৫৪ বছরের ঘাটপ্র-থা অব-সানের অপেক্ষায় পদ্মার চরাঞ্চলের হা-জার হাজা-র মানুষ

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ৫৪ বছরের ঘাটপ্রথা অবসানের অপেক্ষায় তীর্থের কাঁকের মত চেয়ে আছেন পদ্মানদীর ওপারের চরাঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ।

    গোদাগাড়ী উপজেলার চর আষাড়িয়াদহ, কাঁনাপাড়া, মধ্যচর, মানিকচক, চাঁপাই নবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ঝালিয়াপাড়া, ক্লাবঘাট, আলাতুলি প্রভূতি এলাকার বিভিন্ন পেশার মানুষ, শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন একাধিক বার নদী পারাপার হতে হয়। চরাঞ্চলের উৎপাদিত ফসল, গরু ছাগল হাঁস মুরগিসহ আসবাবপত্র নদীর এপার থেকে ওপারে অথবা ওপার থেকে এপারে আনা নেয়া করতে হয়। এ সুযোগে ঘাট ইজারাদারগণ সরকার নির্ধারিত টোল না নিয়ে ইচ্ছামত মনগড়া জোরপূর্বক বেশী করে টোল আদায় করে আসছিল। এমন কি কয়েকটি মুরগি, দৈনিক বাজার করে নিয়ে গেলেও টোল নেয়া হতো। নির্যাতিত বিভিন্ন পেশার মানুষ কয়েক মাস আগে বাস, ট্রাক ভাড়া করে রাজশাহীতে গিয়ে মিটিং মিছিল, বিভিন্ন দপ্তরে স্মারকলিপি প্রদান করেছিলেন। রেলওয়ে বাজার, বিদিরপুর, গোদাগাড়ী, সুলতানগঞ্জ
    ঘাট ইজারাদারগণের বিরুদ্ধে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছিল।

    স্থানীয় প্রভাবশালীদের এমন চাপে অতিষ্ঠ হয়ে কয়েক মাস ধরে ঘাট ইজারা প্রথা বাতিলের দাবিতে আন্দোলন শুরু হলে সাড়া দেয় প্রশাসন। বন্ধ হয় ঘাটপ্রথার নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়। তবে ভোগান্তির স্থায়ী অবসান চান রাজশাহীর চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়নবাসী।

    বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) সরেজমিনে চরবাসীর বক্তব্য শুনতে চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে যান রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের প্রতিনিধিদল। এ সময় স্থায়ীভাবে ঘাটপ্রথা বাতিলের দাবিতে ব্যানার-ফেস্টুন হাতে দাঁড়ান স্থানীয়রা।

    জানা গেছে, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিবছর ঘাটটি ইজারা দেওয়া হতো। ইজারামূল্য বেশি হওয়ায় এবার দরপত্রে কেউ আগ্রহ না দেখালে স্থানীয়ভাবে কয়েকজনকে ২৮ দিনের জন্য দেড় লাখ টাকায় ঘাটটি ইজারা দেওয়া হয়।

    প্রশাসনের নির্ধারিত ভাড়া ছিল ৫ টাকা, অথচ আদায় হচ্ছিল ২০ টাকা পর্যন্ত। অতিরিক্ত ভাড়া আদায় শুরু করায় চরবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। ফের আন্দোলনের মুখে তিন মাস আগে ঘাটের ইজারা বাতিল করে জেলা প্রশাসন। একই সঙ্গে গঠন করা হয় তদন্ত কমিটি।

    সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য জোহরুল ইসলাম বলেন, গতকাল রাজশাহী বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ কয়েকজন কর্মকর্তা ইউনিয়ন পরিষদে এসেছিলেন ঘাটের স্থায়ীসমাধানসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা হয়েছে
    ঘাট ইজারাদারদের অত্যাচার নীলকরদের অত্যাচারকে হার মানিয়েছিল। তাদের সাথে বসে কয়েকদফা বসে বুঝানো হয়েছিল কিন্তু তারা অতিরিক্ত, মনগড়া টোল উঠানো থেকে বিরত থাকেন নি। কয়েক মাসের আন্দোলনের সুফল হিসেবে চরাঞ্চলের গত ৫৪ বছরের অত্যাচার থেকে মুক্তি পাবেন।

    চরের বাসিন্দা আবদুল্লাহীল কাফি বলেন, ‘ঘাটমালিকদের কাছে আমরা জিম্মি। সরকার নির্ধারিত ভাড়া মানা হয় না, জোর করে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হয়। এ অবস্থার স্থায়ী সমাধান চাই।’

    বেসরকারি স্কুল, কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থী নাম প্রকাশ না করা শর্তে জানান, আমরা শিক্ষার্থী আমাদের কোন ছাড় দেয়া হয় না। প্রতিদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আসতে যেতে ঘাট মালিকদের দিতে হয় ৪০ টাকা, অন্যান্য ব্যয়সহ ১দিনে ১০০ টাকা গরীব বাবা মা কোথা থেকে দিবেন।

    এ বিষয়ে রাজশাহী বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেন, ‘চরবাসীর ভোগান্তি লাঘবে আমরা চেষ্টা করছি। ঘাট ইজারা প্রথা স্থায়ীভাবে বাতিলের সুপারিশ পাঠানো হবে স্থানীয় সরকার বিভাগে।’@

    এ সময় রাজশাহীর স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক মো. জাকিউল ইসলাম, জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজা হাসান এবং গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফয়সাল আহমেদ উপস্থিত ছিলেনফয়সাল আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • দুই আগষ্ট বিজ্ঞানী আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের জন্মবার্ষিকীতে পাইকগাছায় নানা কর্মসূচি

    দুই আগষ্ট বিজ্ঞানী আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের জন্মবার্ষিকীতে পাইকগাছায় নানা কর্মসূচি

    পাইকগাছা ( খুলনা ) প্রতিনিধি।।

    বিজ্ঞানী, রসায়নবিদ, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, দার্শনিক ও সমবায় দর্শনের প্রবক্তা আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের (পি সি রায়) ১৬৪তম জন্মবার্ষিকী আগামীকাল ২ আগষ্ট। এ উপলক্ষে খুলনার পাইকগাছা উপজেলার কপোতাক্ষ নদীর তীরে তার জন্মস্থান রাড়ুলী গ্রামে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে দিনব্যাপী স্মৃতিচারণ, আলোচনা সভা ও শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনের মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে এই বিজ্ঞানীর জন্মদিন।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহেরা নাজনীন বলেন, ‘জগৎবিখ্যাত বিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ পি সি রায়ের জন্মভিটায় আমরা দিনব্যাপী নানান অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছি। আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় ১৮৬১ সালের ২ আগস্ট জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা হরিশ চন্দ্র রায় এবং মাতা ভুবনমোহিনী দেবী।

    প্রাথমিক শিক্ষাজীবন শুরু হয় বাবার প্রতিষ্ঠিত এমই স্কুলে। পরে কলকাতার হেয়ার স্কুলে ভর্তি হলেও রক্ত আমাশয় রোগের কারণে পড়াশোনায় বাধা পড়ে এবং তিনি গ্রামে ফিরে আসেন। সেখানেই বাবার সমৃদ্ধ গ্রন্থাগারে বই পড়ার মধ্য দিয়ে জ্ঞানচর্চায় অনুপ্রাণিত হন।

    পরবর্তীতে তিনি কলকাতার অ্যালবার্ট স্কুল থেকে প্রথম বিভাগে প্রবেশিকা পাস করেন। এরপর বিদ্যাসাগর প্রতিষ্ঠিত মেট্রোপলিটন কলেজ ও প্রেসিডেন্সি কলেজে শিক্ষালাভ করেন।

    গিলক্রিস্ট বৃত্তি নিয়ে পাড়ি জমান স্কটল্যান্ডের এডিনবরায়। সেখানে বিএসসি ও ডিএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন এবং গবেষণায় অসামান্য অবদান রাখেন। তার গবেষণাপত্র ‘কপার-ম্যাগনেসিয়াম শ্রেণির যৌগ’ শ্রেষ্ঠ হিসেবে নির্বাচিত হয় এবং তিনি হোপ প্রাইজে ভূষিত হন।

    ১৮৮৮ সালে দেশে ফিরে তিনি প্রেসিডেন্সি কলেজে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। তিনি ২৪ বছর অধ্যাপনায় যুক্ত ছিলেন। পাশাপাশি রসায়নে গবেষণায়ও রাখেন যুগান্তকারী অবদান। শিক্ষাবিদ ও সমাজসংস্কারক হিসেবে তার অবদান আজও বাংলাদেশ ও ভারতজুড়ে সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।

    উল্লেখ্য, আচার্য পি সি রায়ই ছিলেন ভারতের প্রথম রসায়নভিত্তিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান বেঙ্গল কেমিক্যাল অ্যান্ড ফার্মাসিউটিক্যাল ওয়ার্কসের প্রতিষ্ঠাতা।

    প্রেরক,
    ইমদাদুল হক
    পাইকগাছা খুলনা