Blog

  • সাভার ও কেরানীগঞ্জে অ-বৈধভাবে ব্যাটারি গলি-য়ে সি-সা তৈরির মাধ্যমে ভ-য়াবহ পরিবেশ দূ-ষণ

    সাভার ও কেরানীগঞ্জে অ-বৈধভাবে ব্যাটারি গলি-য়ে সি-সা তৈরির মাধ্যমে ভ-য়াবহ পরিবেশ দূ-ষণ

    হেলাল শেখঃ ঢাকা জেলার সাভার ও কেরানীগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অবৈধভাবে ব্যবহৃত এসিড ব্যাটারি গলিয়ে সিসা তৈরি করছে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী।

    শনিবার জানা গেছে, কোনো ধরনের পরিবেশগত ছাড়পত্র বা নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই এসব এলাকায় স্থাপিত হয়েছে ব্যাটারি গলানোর ছোট ছোট কারখানা, যা দিনরাত চিমনি দিয়ে নির্গত করছে বিষাক্ত ধোঁয়া। পাশাপাশি জমিতে ও পানিতে মিশছে মারাত্মক ক্ষতিকর রাসায়নিক, যা পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম হুমকি।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যাটারি গলানোর সময় নির্গত হওয়া সিসা ও সালফিউরিক অ্যাসিড মানবদেহে ক্যানসার, শ্বাসকষ্ট, কিডনি বিকলসহ নানা জটিল রোগের সৃষ্টি করতে পারে। এসব কারখানার আশপাশে বসবাসকারী মানুষ ও শিশুরা মারাত্মক জীবনের ঝুঁকিতে রয়েছে।

    এদিকে স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন, একাধিকবার প্রশাসনকে জানানো হলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে এসব অবৈধ কারখানা দিন দিন বেড়েই চলেছে।

    পরিবেশ অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ এখন সময়ের দাবি। প্রয়োজন যথাযথ তদন্ত, অবৈধ কারখানাগুলোর তালিকা প্রণয়ন এবং পরিবেশবিধি অনুযায়ী কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবী জানিয়েছেন সচেতন মহল।

  • গোপালগঞ্জে জেলা প্রশা-সকের উ-দ্যোগে প্রথমবারের মতো মেধাবী শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

    গোপালগঞ্জে জেলা প্রশা-সকের উ-দ্যোগে প্রথমবারের মতো মেধাবী শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

    কে এম সাইফুর রহমান, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    গোপালগঞ্জে এই প্রথম জেলা প্রশাসক (যুগ্মসচিব) মুহম্মদ কামরুজ্জামানের উদ্যোগে এস.এস.সি, এস.এস.সি (ভোকেশনাল)/ দাখিল (ভোকেশনাল) ও দাখিল পরীক্ষা -২০২৫ এ জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদেরকে সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের সহযোগিতায় শনিবার (২ আগস্ট) সকাল ১০ টায় গোপালগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্মসচিব) মুহম্মদ কামরুজ্জামান।

    জেলার ৫টি উপজেলার এস.এস.সি ও দাখিল সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ -৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হলো “মেধাবী শিক্ষার্থীদের মিলন মেলা”। অনুষ্ঠানে জেলার মোট ৬৪৪ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্মসচিব) মুহম্মদ কামরুজ্জামান শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “স্কুল ও কলেজ সময়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নির্দিষ্ট কারণ ছাড়া অনুপস্থিতি কোনোভাবেই কাম্য নয়।” তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার গুণগত মান উন্নয়ন ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সবাইকে সচেতন হতে হবে। লেখাপড়া শিখে জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি মানবিক মানুষ হওয়া বাঞ্ছনীয়। মনে প্রাণে দেশকে ভালোবাসতে হবে, দেশের মানুষকে ভালোবাসতে হবে, দেশের কল্যাণে কাজ করতে হবে, ভবিষ্যতে দেশ পরিচালনায় তোমরাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। জেলায় প্রথমবারের মতো ব্যাপক এ মহতী আয়োজনে উপস্থিত কৃতি শিক্ষার্থীদের অভিভাবকবৃন্দ জেলা প্রশাসক মহোদয়ের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং প্রতিবছর এস.এস.সি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে সংবর্ধনা প্রদানের এ কার্যক্রম অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন।

    গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সালমা পারভীনের সভাপতিত্বে সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান, জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দেব নাথ, গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ ওহিদ আলম লস্কার, গোপালগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ গোলাম কবির, গোপালগঞ্জ সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ শাহনাজ রেজা এ্যানী, জেলা শিক্ষা অফিসার খোন্দকার রুহুল আমিন।

    এ সময় গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) এস এম তারেক সুলতান, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম রকিবুল হাসান, মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাসনিম আক্তার, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা আক্তার, কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (অঃ দাঃ) মাসুম বিল্লাহ, কাশিয়ানী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (অঃ দাঃ) মুনমুন পাল, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়ার আহমেদ, এস এম মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসতাইন বিল্লাহ, বীণাপাণি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু হানিফ সিকদার, গোপালগঞ্জ এস. কে আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ড. মোঃ আবু সাঈদ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, গোপালগঞ্জ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ (চীফ ইন্সট্রাক্টর) কল্যান কুমার বিশ্বাস, গোপালগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জিয়াউল হক, স্বর্ণকলি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এম মাহে আলম, জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকগণ, জিপিএ-৫ অর্জনকারী কৃতি শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • সংবাদ সম্মেলনে অভি-যোগ: পটিয়ায় নুরুল হক হ-ত্যার আ-সামিরা প্রকাশ্যে, পরিবার শ-ঙ্কায়

    সংবাদ সম্মেলনে অভি-যোগ: পটিয়ায় নুরুল হক হ-ত্যার আ-সামিরা প্রকাশ্যে, পরিবার শ-ঙ্কায়

    মহিউদ্দিন চৌধুরী।।
    পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের পটিয়ায় জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে খুন হওয়া বৃদ্ধ নুরুল হকের পরিবার দাবি করেছে—মামলার ১৪ আসামির মধ্যে মাত্র একজনকে গ্রেফতার করা হলেও বাকি আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং পরিবারটিকে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এতে পরিবারটি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

    শনিবার (২ আগস্ট) দুপুরে পটিয়ার একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নিহত নুরুল হকের ছেলে জামাল উদ্দিন এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।

    তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, গত ৩০ মে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে জুমার নামাজ পড়তে ঘর থেকে বের হলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে প্রতিপক্ষ কাউসারুল হক বাপ্পার নেতৃত্বে তার বাবার ওপর হামলা চালানো হয়। লোহার রড, দা ও গাছের বাটাম দিয়ে আঘাত করে নির্মমভাবে তাকে হত্যা করা হয়। হামলায় নিহতের ছেলে, ভাই, স্ত্রী, চাচা-চাচি এবং ৯০ বছরের বৃদ্ধা মাও গুরুতর আহত হন।

    ঘটনার পর পটিয়া থানায় দায়ের করা মামলায় ১৪ জনকে আসামি করা হয়। তবে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় মো. সেলিমুল হক সেলিম নামে একজনকে গ্রেফতার করা গেলেও বাকি আসামিরা এখনো গ্রেফতার হয়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ারও অভিযোগ করেছেন তারা।

    সংবাদ সম্মেলনে জামাল উদ্দিন বলেন, “আমরা বারবার প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছি। কিন্তু কোনো আশ্বাস বাস্তবে রূপ নেয়নি। খুনিরা এখনো এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমাদের নিরাপত্তা নেই।”

    তিনি খুনিদের দ্রুত গ্রেফতার, পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত, সুষ্ঠু তদন্ত ও আসামীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার জন্য প্রধান উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, পুলিশ প্রশাসন, র‍্যাব, জেলা প্রশাসক এবং চট্টগ্রামের পুলিশ সুপারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে অবিলম্বে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, নুরুল হকের সহধর্মিনী ছেমন নাহার ও নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

  • বরগুনার তরুণদের বলি-ষ্ঠ নেতৃত্বে উদ্ভাসিত ইয়ুথ কপ

    বরগুনার তরুণদের বলি-ষ্ঠ নেতৃত্বে উদ্ভাসিত ইয়ুথ কপ

    খাইরুল ইসলাম মুন্না।।বিশেষ প্রতিনিধি :

    পরিবেশ রক্ষায় তরুণদের ভূমিকা এখন আর কেবল সম্ভাবনার কথা নয় বরং এটি সময়ের দাবি। সেই দাবিকে সামনে রেখেই বরগুনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে আঞ্চলিক ইয়ুথ কপ ২০২৫ সম্মেলন।

    শনিবার (২ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত বরগুনা সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে একশনএইডের সহযোগিতায় জলবায়ু ভিত্তিক তরুণ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ব্রাইটার্স, গ্রীনপিস ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি, দুর্বার ইয়ুথ নেটওয়ার্ক ও সোনার বাংলা ইয়ুথ ক্লাবের আয়োজনে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

    ইয়ুথ ক্লাইমেট এক্টিভিস্ট ইফতার ইমার উপস্থাপনায় সম্মেলনে বিশেষজ্ঞদের থিমেটিক আলোচনা, তরুণদের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগির সেশন, দলীয় আলোচনার মাধ্যমে সুপারিশমালা প্রস্তুত ইত্যাদি পর্বের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরগুনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক অনিমেষ বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন।

    বিশেষ অতিথি ছিলেন বরগুনার যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক গৌতম চন্দ্র দে, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইয়াছিন আরাফাত রানা, বরগুনা প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাড. সোহেল হাফিজ, সিবিডিপির প্রধান নির্বাহী জাকির হোসেন মিরাজ, সংগ্রামের প্রধান নির্বাহী চৌধুরী মুনির হোসেন।

    এসময় বরগুনা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মাহবুব আলম মান্নু, ব্রাইটার্সের ডিরেক্টর সোহানুর আমিন, ক্লাইমেট এক্টিভিস্ট সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম খোকন, মালেক মিঠু, শাহ আলী, ইয়ুথ ক্লাইমেট এক্টিভিস্ট সাংবাদিক মহিউদ্দিন অপু, গ্রীনপিস ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির সভাপতি খাইরুল ইসলাম মুন্না, দুর্বার ইয়ুথ নেটওয়ার্কের সভাপতি ইবরার হোসেন নিঝুম, সোনার বাংলা ইয়ুথ ক্লাবের সভাপতি হেদায়েতউল্লাহ, ছাত্র নেতা মুহিদ নিলয়, আলোকচিত্রী আরিফুল মুরাদসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের শতাধিক তরুণ প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিজ্ঞতা, সংকট, অভিযোজন পদ্ধতি ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।

    বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ে সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ওপর। বিশেষ করে নারী, শিশু ও তরুণদের ওপর। অথচ নীতিনির্ধারণী আলোচনায় তাদের অংশগ্রহণ এখনো অপ্রতুল। ইয়ুথ কপ ২০২৫ সেই সীমাবদ্ধতা ভাঙার একটি সাহসী উদ্যোগ।

    ফুলঝুরি ইউনিয়নের রিয়াদুল ইসলাম নামের এক অংশগ্রহনকারী বলেন, বর্ষা এলেই আমাদের ঘর-বাড়ি ডুবে যায়, ফসল নষ্ট হয়, শিক্ষা বিঘ্নিত হয়। কিন্তু আমাদের কথা নীতিনির্ধারকরা শুনছেন না। আজকের এই সম্মেলন আমাদের মতামত পৌঁছে দেওয়ার একটি সুযোগ তৈরি করেছে।

    দুর্বার ইয়ুথ নেটওয়ার্কের সভাপতি ইবরার হোসেন নিঝুম বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত বরগুনায় এই সম্মেলনের মূল লক্ষ্য ছিলো বরগুনার তরুণদের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সচেতন করে দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে জলবায়ুবান্ধব নেতৃত্ব গড়ে তোলা এবং নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে তাদের সেতুবন্ধন তৈরি করা।

    গ্রীনপিস ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির সভাপতি খাইরুল ইসলাম মুন্না বলেন, এই সম্মেলনের মাধ্যমে তরুণরা কেবল নিজেদের মধ্যে সংযোগ তৈরি করেনি বরং জলবায়ু বিষয়ে ভাবতে, প্রশ্ন তুলতে ও সমাধান খুঁজতে উদ্বুদ্ধ হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন এখন আর কেবল বৈজ্ঞানিক বা রাজনৈতিক আলোচনা নয়। এটি হয়ে উঠেছে তরুণদের জীবন ও ভবিষ্যতের প্রশ্ন।

    উল্লেখ্য, এই আঞ্চলিক সম্মেলনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন স্থানে ৯টি ফোকাস গ্রুপ আলোচনা ও ৪টি কী-ইনফরম্যান্ট ইন্টারভিউ পরিচালিত হয়। এসব আলোচনায় স্থানীয় যুবদের জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা, জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে তাদের লড়াই, অভিযোজন কৌশল এবং নেতৃত্বের ইচ্ছাশক্তি উঠে আসে। শেষাংশে অংশগ্রহণকারীরা বরগুনায় জলবায়ু প্রতিশ্রুতিতে জলবায়ুবান্ধব জীবনযাপন, সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া, অন্যায় ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া এবং আন্তর্জাতিক জলবায়ু নীতিতে তরুণদের কণ্ঠস্বর জোরালো করার অঙ্গীকার করেন।

  • তালতলীতে রাখাইন সম্প্রদায়ের জমি দখ-লের চে-ষ্টা ও চাঁ-দাবাজি মাম-লায় ৪ জন কা-রাগারে

    তালতলীতে রাখাইন সম্প্রদায়ের জমি দখ-লের চে-ষ্টা ও চাঁ-দাবাজি মাম-লায় ৪ জন কা-রাগারে

    তালতলী(বরগুনা)প্রতিনিধি।।
    বরগুনায় তালতলী উপজেলার ঠাকুরপাড়া এলাকার সংখ্যালঘু রাখাইন পরিবারের কাছে চাঁদা দাবি ও রাতের আঁধারে ঘর তুলে জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বাসিন্দা ইউনুছ হাওলাদার গং এর বিরুদ্ধে । এ ঘটনায় সম্প্রতি ভুক্তভোগী চান চান রাখাইন বাদী হয়ে বরগুনার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন। আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে তালতলী থানাকে এজাহার হিসেবে গন্য করার নির্দেশ দেন।

    আসামিরা হলেন- একই এলাকার ইউনুছ হাওলাদার (৫৭), মহিউদ্দিন মাসুদ (৫২), আয়নাল মুসুল্লী (৫৫) ও আনোয়ার হোসেন (৫২)। এছাড়াও অজ্ঞাতনামা ১০-১২ জন।

    মামলা সূত্রে জানা যায়, আসামিরা গত ০৬ জুলাই সকালে বাদী চান চান রাখাইনের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে চান চান রাখাইনের পৈত্রিক সম্পত্তি চরপাড়া মৌজা জেএল নং -৪০ এসএ খতিয়ান নং ০৮ এর জমি দখলের জন্য রাতের আঁধারে ঘর তুলে। আসামিরা চাঁদাবাজি ও ভূমি দস্যু জাল-জালিয়াতির মামলা জি,আর ২৭৩/১৩ (তাল) এবং সি,আর ১৫০/১৪ (তাল) নং মামলায় জেল হাজত খাটিয়াছে এবং আমার ক্ষতি সাধন করার জন্য পায়তারা খুজিতে থাকে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়। এ মামলায় আসামিরা আদালতে হাজিরা দিতে গেলে বিচারক তাদেরকে জেলহাজতে প্রেরণ করেন।

    আসামিরা কারাগারে থাকায় তাদের পরিবারের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করেও সাড়া মেলেনি।

    ভুক্তভোগী রাখাইন চান চান বলেন, আমরা সংখ্যালঘু হওয়ায় আমাদের জমিজমা দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে। এ বিষয়ে পুলিশ ও প্রশাসনের কাছে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।

    মংচিন থান
    তালতলী প্রতিনিধি।

  • পঞ্চগড় জেলায় এলপিজি পাম্প ব্যবসায় একচ্ছত্র আ-ধিপত্য কা-য়েমে নব কৌ-শল

    পঞ্চগড় জেলায় এলপিজি পাম্প ব্যবসায় একচ্ছত্র আ-ধিপত্য কা-য়েমে নব কৌ-শল

    বাবুল হোসেন,
    পঞ্চগড় প্রতিনিধি : পঞ্চগড় জেলায়
    এলপিজি পাম্প ব্যবসায় একক আধিপত্য বিস্তার কায়েমে নব কৌশল গ্রহণ করেছে এলপিজি পাম্প ব্যবসায়ী।
    এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত যা জানা যায়, দেশের সর্ব উত্তরে হিমালয়ের পাদদেশে সীমান্তে অবহেলিত জনপদের জেলা পঞ্চগড়। এখানে জেলা শহরে নেই কোন এলপিজি পাম্প। বিধায় জেলার মোটর কার, মাইক্রোবাস মালিকেরা এলপিজি সুবিধা বঞ্চিত। জেলা শহরের প্রায় ৫ কি.মি দূরে একটি এলপিজি পাম্প থাকলেও জেলা শহরের কার, মাইক্রো ও মোটর মালিকদের যেতে হয় ৫ কি. মি দূরে। এ যেন খাজনার চেয়ে বাজনা বেশী। এলপিজি গ্যাস গাড়িতে ভরার আগেই শত খানেক টাকা দূরত্বের কারণে জরিমানা। আবার অন্যদিকে একাধিক পাম্প না থাকায় কখনো লোড কম, নানা টালবাহানায় দিতে হয় বাড়তি জরিমানা। জেলা শহরের মাইক্রোবাস চালকরা জানায়, জেলা শহরে কোন এলজিপি পাম্প না থাকায় আমরা লোকসান গুনতে বাধ্য হচ্ছি। সম্প্রতি পঞ্চগড় জলার স্থানীয় এক অষ্ট্রেলিয়া প্রবাসী জেলা শহরের অনতিদূরে একটি এলজি পি পাম্প বসানোর যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। কিন্তু একচ্ছত্র ব্যবসায় আধিপত্যে, লোকসানের আশায় ৫ কিমি দুরের এলজি পি পাম্প মালিক বুমেরাং হয়। এ যেন গাছের টাও খাব নিচের টাও খাব। সুত্রে জানা জায় জেলা শহরে পাম্প নির্মাণ হলে জেলা শহরের দুরের পাম্প মালিক কে লোকসান গুনতে হবে। তাই কৌশলে জেলা শহরে এলপিজি পাম্প নির্মাণ হলে পাম্প ব্লাষ্ট হয়ে হতে পারে অনকে জীবন নষ্টের কারন। কিন্তু জেলার প্রতিটি ঘরেই প্রায় রয়েছে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার। যা, যে কোন সময় ব্লাষ্ট হয়ে হতে পারে জীবন নাষের মহা দূর্ঘটনা। সম্প্রতি ঢাকার মাইল ষ্টোন স্কুলে যুদ্ধ বিমান বিধ্বংসী ঘটনা পরিকল্পিত ছিলনা। তাই বলে উত্তরার ডিয়া বারী এলাকার সব স্কুল,কলেজ বাড়ি সরাতে বলা যাবে না। এতে রাষ্ট্র ও জনগন হবে মহা ক্ষতির সম্মুখীন। ঠিক একি ভাবে জেলা শহরে এলজিপি পাম্প বসালে বাষ্ট হয়ে জনজীবনে ক্ষতি হবে এ কাল্পনি অজুহাত মুলত অভিযোগ কারীদের স্বার্থ সংরক্ষণের এক অভিনব কৌশল। এ যেন মানুষ মরবে বলে নতুন জন্মানো মহা পাপ। তথ্য প্রযুক্তি ও উন্নয়নের যুগে আরো বেশি সুবিধা, আরো কম খরচে জীবন অতিবাহিত সকলের কাম্য। অভিজ্ঞ মহল দাবি তুলেছে পেট্রোল, অকটেন ডিজেলের দাম যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে, কম মুল্যের জ্বালানি এলজিপি পাম্প জেলা শহরে একাধিক বসানো প্রয়োজন।

  • ময়মনসিংহে এএসআই আয়েছ মাহমুদ এর অভি-যানে  প্রাইভেটকারসহ ৩ জু-য়ারি গ্রে-প্তার

    ময়মনসিংহে এএসআই আয়েছ মাহমুদ এর অভি-যানে প্রাইভেটকারসহ ৩ জু-য়ারি গ্রে-প্তার

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহের সদর উপজেলায় জুয়ার আসরে অভিযান চালিয়ে ৩ জুয়ারিকে গ্রেপ্তার করেছে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ। এ সময় একটি প্রাইভেটকার, ৩টি সিএনজি এবং এক জুয়াড়ির বিকাশ একাউন্টে থাকা ৪ লাখ টাকা জব্দ করা হয়।

    শনিবার (২ আগস্ট) দুপুরে সংশ্লিষ্ট জুয়া আইনের মামলায় এই আসামিদের ময়মনসিংহ চীফ জুডিশিয়াল আদালতে পাঠানো হয়। এর আগে গতরাতে (১ আগষ্ট) কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শিবিরুল ইসলাম এর নির্দেশনা মোতাবেক এসআই শাফায়েত হোসেন ও এএসআই আয়েছ মাহমুদ সঙ্গীয় অফিসার্স ফোর্স নিয়ে অভিযান পরিচালনা করে সদর উপজেলার ভাবখালি কাচারি বাজার সংলগ্ন ব্রহ্মপুত্র নদের তীর এলাকার এই জুয়ার আসর থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে।

    আসামিরা হলেন- নরসিংদী রায়পুরা থানা এলাকার বাসিন্দা মৃত মতিন খানের ছেলে মোঃ শাকিল খান (৪০), নান্দাইল উপজেলার অরণ্যপাশা গ্রামের বাসিন্দা মৃত ইমাম হোসেনের ছেলে আল আমিন (৪৫) এবং ত্রিশাল উপজেলার দরিরামপুর গ্রামের মৃত উশন আলীর ছেলে আশরাফুজ্জামান খান মোতালেব (৫৮)।

    স্থানীয়রা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে ব্রহ্মপুত্র নদ সংলগ্ন গৌরীপুর, ত্রিশাল ও সদর উপজেলার সীমান্তঘেঁষা দুর্গম চরাঞ্চল চরভাবখালী নামক স্থানে নিয়মিত জুয়ার আসর চলছিল। ভাবখালী ইউনিয়ন বিট পুলিশিং দায়িত্বে থাকা কোতোয়ালি মডেল থানার এএসআই আয়েছ মাহমুদ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে উক্ত জুয়ার বোর্ডে অভিযান পরিচালনা করার পরিকল্পনা করেন এবং ওসি শিবিরুল ইসলামের পরামর্শ মোতাবেক অভিযান চালিয়ে আসামীদের গ্রেফতার করাসহ জুয়াড়ীদের যাতায়াতের ব্যবহৃত প্রাইভেটকার ও সিএনজি জব্দ করেন।

    কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম বলেন, আসামিদের সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

    এবিষয়ে জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) কাজী আকতার উল আলম বলেন, এর আগেও এই আসরে পুলিশ ৪ থেকে ৫ বার অভিযান চালিয়েছে। এছাড়াও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে ১৭ জন গ্রেপ্তার হয়েছিল। এধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে।

  • চাটমোহরে সড়ক সংস্কারের দাবিতে মান-ববন্ধন; একমাসের মধ্যে কাজ শুরুর আ-ল্টিমেটাম 

    চাটমোহরে সড়ক সংস্কারের দাবিতে মান-ববন্ধন; একমাসের মধ্যে কাজ শুরুর আ-ল্টিমেটাম 

    পাবনা প্রতিনিধিঃ

    পাবনার চাটমোহর জারদিস মোড় থেকে হান্ডিয়াল পর্যন্ত ১৪ কিলোমিটার আঞ্চলিক সড়ক সংস্কার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত  হয়েছে। 

    শনিবার (২ আগস্ট) সকাল দশটা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত আঞ্চলিক সড়কটির নয়টি পয়েন্টে এ মানববন্ধনের আয়োজন করে চেতনায় হান্ডিয়াল নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। মানববন্ধনে এলাকাবাসী বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ নেয়।

    মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, চাটমোহরে জারদিস মোড় থেকে হান্ডিয়াল বাঘলবাড়ি পর্যন্ত রাস্তাটি দূরত্ব ১৪ কিলোমিটার। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে এই রাস্তাটি অসংখ্য খানাখন্দে বৃষ্টির পানিতে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাচ্ছে তিনটি ইউনিয়নের লাখো মানুষ। এই রাস্তা দিয়ে ঢাকার সাথে সবচেয়ে কম দূরত্বে অসংখ্য যানবাহন ও মানুষ চলাচল করে।কিন্তু গত পাঁচ বছর ধরে রাস্তাটির সংস্কারের অভাবে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। প্রায়ই দুর্ঘটনায় হতাহত হচ্ছে মানুষ।বিশেষ করে অসুস্থ ব্যক্তিকে চাটমোহর উপজেলা হাসপাতালে নিতে পড়াতে সীমাহীন দুর্ভোগ। প্রায়ই দুর্ঘটনায় ক্ষতির স্বীকার হন যানবাহন চালকরা। এর আগে  সংস্কার কাজ শুরু করেও জুলাই আগস্টের পরে পালিয়ে গেছে ঠিকাদার। আগামী এক মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি রাস্তাটি সংস্কার কাজ শুরু করার দাবি জানান এলাকাবাসী। তা না হলে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দেন তারা। 

    চেতনায় হান্ডিয়ালের আহবায়ক কেএম বেলাল হোসেন স্বপনের সভাপতিত্বে ও সরকারি অধ্যাপক জাকির হোসেনের সঞ্চালনায়  মানববন্ধন সমাবেশে বক্তব্য দেন, পাবনা-৩ আসনের সাবেক এমপি কে এম আনোয়ারুল ইসলাম, জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দল কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা  হাসানুল ইসলাম রাজা, চাটমোহর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহিম কালু, মানববন্ধন আয়োজক উপ-কমিটির আহবায়ক শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

    এ বিষয়ে পাবনার সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এম আজিজ বলেন, যে ঠিকাদারের গাফিলতিতে এই জনদুর্ভোগ সে যাতে উপযুক্ত শাস্তি পায় সে বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত সুপারিশ করা হয়েছে। আগের ঠিকাদারকে বাতিল করে নতুন ঠিকাদার নিয়োগের মাধ্যমে সড়কটির সংস্কার দ্রুত শুরু করা হবে। জনদুর্ভোগ যাতে আর না হয় সে বিষয়ে আমরা আন্তিরকভাবে কাজ করছি। ইতিমধ্যে সড়কটির প্রাথমিক মেরামত কাজ চলমান রয়েছে।

    তোফাজ্জল হোসেন বাবু, পাবনা।

  • প্র-ত্যয় সংগঠনের “পূর্ণাঙ্গ কমিটি” গঠন

    প্র-ত্যয় সংগঠনের “পূর্ণাঙ্গ কমিটি” গঠন

    আব্দুর রহিম বাবলু:
    সংকল্প পাশে থাকার এই স্লোগান নিয়ে
    ০১ আগস্ট শুক্রবার প্রত্যয় সংগঠনের পরিচালকদের সিদ্ধান্তক্রমে আগামী এক বছরের জন্য প্রত্যয় সংগঠনের ১০১ সদস্য বিশিষ্ট “পূর্ণাঙ্গ কমিটি” তালিকা প্রদান করা হয়। উক্ত কমিটির মেয়াদকাল আগামী ৩০ জুন ২০২৬ ইং পর্যন্ত।

    উক্ত পরিচালক হলেন- শাহাজাহান আজাদ, জুবাইদ রাফি, শাহাদাত হোসেন, নাসির উদ্দিন।
    এছাড়াও সহ-পরিচালক হলেন- এস. এইচ রাজু, মো: নাজির আহমেদ, ইসমাইল হোসেন সাগর, মো: দিদার হোসেন, আব্দুল মান্নান, অহিদুর রহমান মিয়াজী, আব্দুল্লাহ রাজু শেখ।

    কো অর্ডিনেটর হলেন-আজম আজাদ, মোজাম্মেল হক শাহীন, মো: আলমগীর, সম্রাট ইসলাম, মিজানুর রহমান।
    দপ্তর সম্পাদক- মাসুদ হক।

    সহ দপ্তর সম্পাদক- মেহেদী হাসান, তোফাজ্জল সজীব, মিনহাজ জোবায়ের ইপ্তি।
    শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক- ইঞ্জিনিয়ার এ.এইচ. এম মেরাজ,মো: ইমরানুল হক, জীবন আহমেদ, জাহিদুল মোরসালিন, হাসান তারেক, আনোয়ার হোসেন, ইয়াসিন আরিফ।

    স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক- ডা: মো:শাহিন আলম।
    সহ স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক-
    ডা:রমিজ বিন আরিফ, ডা: কাজী কাওসার আলম, শাহাদাত হোসেন মোল্লা, ফখরুল ইসলাম ভূঁইয়া, মো: ওলিউল্লাহ, নুরুন্নবী সোহেল, নওশাদ সিয়াম।
    অর্থ সম্পাদক- শাফায়েত হোসেন।
    সহ অর্থ সম্পাদক -এস.কে শাকিব, মোঃ উল্লাহ,।
    ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক- শেখ ফরিদ।
    সহ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক-আব্দুর রহমান, কারী মাসুদুর রহমান,মো: মাহবুব হাসান ফাহিম,মো: সাইফুল ইসলাম।
    পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক- আনোয়ার হোসেন।
    সহ পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক -মাসুদ ইসলাম, আমিনুল হক, ওমর ফারুক, কাউসার আলম মুরাদ, সাইফুল ইসলাম রাজু।
    প্রবাসী বিষয়ক সম্পাদক -সারফিন সাকিব।
    সহ প্রবাসী বিষয়ক সম্পাদক- আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া আব্দুল্লাহ আল নোমান, রিয়াদ, আবু তালেব ভূঁইয়া।
    ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক- এম সালাউদ্দিন।
    সহ ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক-মেহেদী হাসান, সোহাগ হোসেন শান্ত, মহিফুল ইসলাম তুষার, আশরাফুল ইসলাম জিহাদ।
    পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক- আব্দুল হাকিম রাহিদ।
    সহ পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক -রায়হান উদ্দিন, শাহিন আলম, শারাফাত হোসেন আকাশ, ইয়াসিন উদ্দিন আহাদ।
    প্রচার বিষয়ক সম্পাদক- নাঈম উদ্দিন ।
    সহ প্রচার বিষয়ক সম্পাদক মো: আব্দুর রহিম, মাওলানা ইউসুফ আলী এস.কে সুজন, আশিকুর রহমান, সাইমন মজুমদার, হিরণ ভূঁইয়া।
    ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক -মো: মুরাদ হোসেন,।
    সহ ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক-রিয়াজ উদ্দিন, আরিফুল ইসলাম রিফাত, মেহেদী ভূঁইয়া, মোজাহের ইসলাম, শাহরিয়ার তারেক, মনিরুল ইসলাম, শামসুজ্জামান শাহপরান।
    সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক খালেদ সাইফুল্লাহ।
    সহ সমাজসেবার বিষয়ক সম্পাদক- রায়হান, জে.এইস জুনায়েদ, ইব্রাহিম খলিল, সাইফুল ইসলাম এস.কে হান্নান, তারেক মাহমুদ, রহিম আলম এস.জে শাহজালাল, আরিয়াম অমি, আবু সায়েদ দিপু, অন্তর মজুমদার।
    কৃষি বিষয়ক সম্পাদক -জাহিদুল ইসলাম।
    সহ কৃষি বিষয়ক সম্পাদক -আমিনুল ইসলাম, রাসেল মাহমুদ।
    আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদ রকিব ভূঁইয়া।
    সো আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক আশরাফুল শাহিন, হুমায়ুন কবির।
    যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক এস.আই রাহাত।
    সহ যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক -মো:সৌরভ, এম.এ.আল. নোমান, নাজিম উদ্দিন রাফি।
    একই দিন সকালে প্রত্যয় সংগঠনে প্রবাসীদের নিয়ে গঠিত কমিটির তালিকা প্রকাশ করা হয়।

  • দেশে সুশাসন প্র-তিষ্ঠায় বিএনপির ৩১ দফা বাস্তবায়ন অ-পরিহার্য- ড. এবি এম ওবায়দুল ইসলাম

    দেশে সুশাসন প্র-তিষ্ঠায় বিএনপির ৩১ দফা বাস্তবায়ন অ-পরিহার্য- ড. এবি এম ওবায়দুল ইসলাম

    এস.এম. সাইফুল ইসলাম কবির :বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে বিএনপির ৩১ দফা বাস্তবায়ন ও রাজনীতির বর্তমান প্রেক্ষাপট শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ড. এবি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেছেন, দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত করতে হলে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়ন করতে হবে। দলের মধ্যে চাঁদাবাজ, দখলবাজ, দুর্বৃত্তয়নের স্থান হতে পারে না। সে ক্ষেত্রে নেতৃত্বে ভাল মানুষকে নির্বাচিত করতে হবে। তা হলে সেই দলের সাংগঠনিক ভীত হবে মজবুত।

    শুক্রবার বিকেলে মোরেলগঞ্জ উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে এ মতবিনিময় সভায় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি অধ্যক্ষ আব্দুল সামাদ মোল্লার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল জব্বার মোল্লা।

    সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক অধ্যাপক এম এ আউয়াল, পৌর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব অধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আল আজাদ, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক হোগলাপাশা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মফিজুল হক, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব বিএম রেজাউল করিম সোহাগ, পৌর যুবদলের আহবায়ক ফকির মিজানুর রহমান পলাশ, এ্যাড. মেহেদী হাসান ইয়াদ, বিএনপি নেতা অধ্যাপক ফায়জুল হক, শরণখোলা উপজেলা যুবদলের সভাপতি ইব্রাহিম হোসেন মোল্লা, খাউলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. সেলিম মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মো. এনামুল হক, নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এমদাদুল হক তালুকদার। সভা সঞ্চালনা করেন বনগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সামছুর রহমান।

    সভায় প্রধান অতিথি ড. এবি এম ওবায়দুল ইসলাম আসন্ন উপজেলা বিএনপির সম্মেলনে সভাপতি পদে প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল আউয়াল, সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. মেহেদী হাসান ইয়াদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে অধ্যাপক ফায়জুল হককে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার আহবান জানান।