Blog

  • দুস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে কম্বল বি-তরণ

    দুস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে কম্বল বি-তরণ

    লিটন মাহমুদ,মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

    ৩০শে ডিসেম্বর ( মঙ্গলবার) দুপুরে মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার পৌর মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় দৈনিক বাংলাদেশ সমাচারের জেলা অফিসে শতাধিক দুস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

    দৈনিক বাংলাদেশ সমাচাচারের আয়োজনে, দৈনিক বাংলাদেশ সমাচারের জেলা প্রতিনিধি ও অনলাইন প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আনিছুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং নিউজ ৭১.tv প্রকাশক ও সম্পাদক ও মুন্সিগঞ্জ জেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুন্সিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশিদ খোকা।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুন্সিগঞ্জ সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কাজী বিপ্লব হাসান, মুন্সিগঞ্জ প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক মাসুদ রানা, মুন্সিগঞ্জ অনলাইন প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের জেলা প্রতিনিধি আবু সাঈদ দেওয়ান সৌরভ, দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি ফয়সাল আহমেদ, মুন্সিগঞ্জ জেলা অনলাইন প্রেস ক্লাবের দপ্তর সম্পাদক লিটন মাহমুদ, মুন্সিগঞ্জ জেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মাসুদ খান, দৈনিক বাংলাবাজার পত্রিকার মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি নাজির হোসেন, আলোকিত নিউজের মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি মোহাম্মদ শাহিন মিয়া , বিক্রমপুর ট্রাভেল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইদুর রহমান তুহিন, দেলোয়ার হোসেন সহ এলাকার গণ্যমান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • বেগম খালেদা জিয়ার জীবনী ও রাজনৈতিক যাত্রা-দেশেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃ-ত্যু

    বেগম খালেদা জিয়ার জীবনী ও রাজনৈতিক যাত্রা-দেশেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃ-ত্যু

    সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ): ঢাকা, (৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ইং) বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অধ্যায়ের প্রধান মুখ, বেগম খালেদা জিয়া আর নেই। তিনি আজ ভোর ৬ টায় (বাংলাদেশ সময়) ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।

    বিশেষ করে তার জন্ম ও ব্যক্তিগত জীবন: খালেদা জিয়া জন্মগ্রহণ করেন ১৯৪৬ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুরের মুদিপাড়া এলাকায়।তাঁর জন্মের সময় পূর্ব পাকিস্তানের অংশ ছিল এখনকার বাংলাদেশে।

    তিনি ছিলেন ব্যবসায়ী বাবার বাড়ির মেয়ে এবং ছোট থেকেই পরিবারে ছিলেন বহু দায়িত্বশীল। ১৯৬০ সালে তিনি বিয়ে করেন সেনা কর্মকর্তা জিয়াউর রহমানের সঙ্গে, যিনি পরবর্তীতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হোন।

    রাজনীতিতে প্রবেশ: খালেদা জিয়া রাজনীতিতে পা রাখেন ১৯৮২ সালে, স্বামী জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর। ১৯৮৪ সালে তিনি বিএনপি (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল)-এর চেয়ারপার্সন নির্বাচিত হন এবং দলের নেতৃত্ব নেন।

    প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কর্মজীবন:
    তিনি বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী এবং স্বাধীন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক উল্লেখযোগ্য চরিত্র। ১৯৯১ সালে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হোন। পরবর্তীতে ২০০১-২০০৬ মেয়াদে আবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মোট তিনবার দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবর্তন ও গণতান্ত্রমূখী পদক্ষেপ চলেছিলো।

    রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা:
    খালেদা জিয়ার রাজনীতিতে সবচেয়ে শক্ত প্রতিপক্ষ ছিলেন আওয়ামী লীগের নেতা শেখ হাসিনা। দেশজুড়ে “দুই বেগম”-খালেদা ও হাসিনা-এর মধ্যে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে ভিত্তিহীন নয় এমন এক ইম্প্যাক্ট ফেলেছে।

    আইনি লড়াই ও অসুখ:
    ২০০৭ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন দুর্নীতি মামলায় তিনি আইনি মোকাবিলা করেন এবং দীর্ঘ সময় প্রভাবিত ছিলেন। এরপর স্বাস্থ্য সমস্যার কারণে তাঁর রাজনৈতিক কার্যক্রম কমে আসে। তিনি দীর্ঘদিন সিরিয়াস অসুস্থ ছিলেন, বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

    শেষ দিন: চিকিৎসকদের দীর্ঘ লড়াই শেষে আজ ভোরে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর পাশে ছিলেন পরিবারের সদস্যরা ও রাজনৈতিক সহকর্মীরা। তাঁর মৃত্যুতে বাংলাদেশে রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের এক অনন্য নেত্রী-একজন নারী নেতা, রাষ্ট্রনায়ক, একসময়ের প্রধানমন্ত্রী ও দীর্ঘ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাজনীতির মূল আদি অংশ। তাঁর জীবন ও কর্ম বাংলাদেশে রাজনৈতিক ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি দেশের মানুষকে অনেক বেশি ভালোবাসতেন তার কারণে দেশ ছেড়ে চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাননি।

  • আশুলিয়ার জামগড়ায় বৃষ্টি না হলেও ১২ মাস পাকা রাস্তাগুলোর বেহাল অবস্থা জনগণের চরম ভো-গান্তি!

    আশুলিয়ার জামগড়ায় বৃষ্টি না হলেও ১২ মাস পাকা রাস্তাগুলোর বেহাল অবস্থা জনগণের চরম ভো-গান্তি!

    হেলাল শেখঃ ঢাকার প্রধান শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার জামগড়ায় বৃষ্টি না থাকলেও বছরের পর বছর ধরে পাকা রাস্তাগুলোর বেহাল অবস্থার কারণে পোশাক শ্রমিকসহ সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। খানাখন্দে ভরা এসব রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে হাজারো মানুষকে।

    মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ইং) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জামগড়া হেয়ন গার্মেন্টস–শরীফ মার্কেট সড়ক এবং জামগড়া বগাবাড়ি এলাকার সড়ক দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাস্তাজুড়ে অসংখ্য গর্ত, ভাঙা পিচ ও জমে থাকা কাদামাটির কারণে যানবাহন চলাচল প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।
    স্থানীয়রা জানান, সামান্য বৃষ্টি হলে রাস্তাগুলো জলাবদ্ধতায় পরিণত হয়, আর বৃষ্টি না থাকলেও ধুলাবালিতে পরিবেশ দূষিত হয়ে উঠছে। এতে স্কুলগামী শিক্ষার্থী, গার্মেন্টস শ্রমিক, বৃদ্ধ ও রোগীদের চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে সকাল ও সন্ধ্যার কর্মঘণ্টায় যানজট লেগেই থাকে।

    একাধিক পোশাক শ্রমিক অভিযোগ করে বলেন,
    “প্রতিদিন কাজে যেতে আমাদের এই রাস্তা দিয়েই যেতে হয়। দেরি হলে কারখানায় জরিমানা গুনতে হয়, অথচ রাস্তার এই অবস্থার জন্য আমরা দায়ী নই।”
    স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, রাস্তার কারণে ক্রেতারা বাজারে আসতে চান না, ফলে ব্যবসায় মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। দ্রুত সংস্কার না হলে এলাকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও স্থবির হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা তাদের।
    এলাকাবাসীর দাবি, আশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ একাধিকবার আশ্বাস দিলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। তারা দ্রুত টেকসই সংস্কার কাজ শুরুর মাধ্যমে জনদুর্ভোগ লাঘবের দাবি জানান।
    এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এলাকাবাসী।

  • “দেশে অনেক পাম্পে ডিজেল ও পেট্রোল কম দেওয়ার ঘটনা ফাঁ-স” ভোক্তারা প্র-তারিত হচ্ছেন

    “দেশে অনেক পাম্পে ডিজেল ও পেট্রোল কম দেওয়ার ঘটনা ফাঁ-স” ভোক্তারা প্র-তারিত হচ্ছেন

    হেলাল শেখঃ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণা করে পেট্রোল পাম্প মালিকরা সুকৌশলে ডিজেল ও পেট্রোল কম দেওয়ার ঘটনা ফাঁস হয়েছে।

    অভিযোগ রয়েছে, মিটার কারসাজি ও যান্ত্রিক ত্রুটির অজুহাতে দীর্ঘদিন ধরে তেল চুরি করে আসছে অসাধু চক্র। সম্প্রতি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। ভোক্তাদের অভিযোগ, নির্ধারিত পরিমাণে তেল নেওয়ার পরও গাড়ির মাইলেজ কম পাওয়া যাচ্ছে এবং ডিজিটাল মিটারে প্রদর্শিত পরিমাণের সঙ্গে প্রকৃত সরবরাহে মিল নেই। অনেক ক্ষেত্রে প্রতি লিটারে ৫০ থেকে ১০০ মিলিলিটার পর্যন্ত কম দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

    ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায় পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে একাধিক পাম্পে মিটার টেম্পারিং, সিল ভাঙা ও পরিমাপ যন্ত্রে কারচুপির প্রমাণ পাওয়া গেছে। অভিযানে দায়ী পাম্প মালিক ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে জরিমানা ও সাময়িকভাবে কার্যক্রম বন্ধের আদেশ দেওয়া হয়। তবে স্থানীয়দের দাবি, অভিযান শেষ হলেই আবারও আগের কৌশলে তেল চুরি শুরু হয়। একজন ভুক্তভোগী গাড়িচালক বলেন,“কয়েকদিন ঠিক থাকলেও পরে আবার কম দেওয়া শুরু করে। আমরা বুঝতে পারলেও প্রমাণ করতে পারি না।”
    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়মিত মনিটরিং ও কঠোর শাস্তি ছাড়া এ ধরনের প্রতারণা বন্ধ করা কঠিন। একই সঙ্গে ভোক্তাদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, তেল নেওয়ার সময় মিটার শূন্য থেকে শুরু হচ্ছে কিনা এবং নির্ধারিত পরিমাপ ঠিক আছে কিনা তা যাচাই করা জরুরি।

  • বেগম খালেদা জিয়ার মৃ-ত্যুতে গোবিপ্রবি পরিবারের শো-ক প্রকাশ

    বেগম খালেদা জিয়ার মৃ-ত্যুতে গোবিপ্রবি পরিবারের শো-ক প্রকাশ

    কে এম সাইফুর রহমান, গোপালগঞ্জঃ

    বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া’র মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার।

    বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার চিরবিদায়ে আজ মঙ্গলবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজমুল আহসান শোক প্রকাশ করেন এবং তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

    শোক বার্তায় জানানো হয়, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বেগম খালেদা জিয়ার অবদান দেশ ও জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

  • তারেক রহমান তার মাকে নিয়ে যা লিখলেন

    তারেক রহমান তার মাকে নিয়ে যা লিখলেন

    আমার মা, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া, সর্বশক্তিমান আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে আজ আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

    অনেকের কাছে তিনি ছিলেন দেশনেত্রী, আপোষহীন নেত্রী; অনেকের কাছে গণতন্ত্রের মা, বাংলাদেশের মা। আজ দেশ গভীরভাবে শোকাহত এমন একজন পথপ্রদর্শককে হারিয়ে, যিনি দেশের গণতান্ত্রিক পথযাত্রায় অনিঃশেষ ভূমিকা রেখেছেন।

    আমার কাছে খালেদা জিয়া একজন মমতাময়ী মা, যিনি নিজের সমগ্র জীবন উৎসর্গ করেছেন দেশ ও মানুষের জন্য। আজীবন লড়েছেন স্বৈরাচার, ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে; নেতৃত্ব দিয়েছেন স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে।

    ত্যাগ ও সংগ্রামে ভাস্বর হয়েও, তিনি ছিলেন পরিবারের সত্যিকারের অভিভাবক; এমন একজন আলোকবর্তিকা যাঁর অপরিসীম ভালোবাসা আমাদের সবচেয়ে কঠিন সময়েও শক্তি ও প্রেরণা যুগিয়েছে। তিনি বারবার গ্রেফতার হয়েছেন, চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, সর্বোচ্চ নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। তবুও যন্ত্রণা, একাকিত্ব ও অনিশ্চয়তার মধ্যে থেকেও তিনি অদম্য সাহস, সহানুভূতি ও দেশপ্রেম সঞ্চার করেছিলেন পরিবারের প্রতিটি সদস্যের মাঝে।

    দেশের জন্য তিনি হারিয়েছেন স্বামী, হারিয়েছেন সন্তান। তাই এই দেশ, এই দেশের মানুষই ছিল তাঁর পরিবার, তাঁর সত্তা, তাঁর অস্তিত্ব। তিনি রেখে গেছেন জনসেবা, ত্যাগ ও সংগ্রামের এক অবিস্মরণীয় ইতিহাস, যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক পরিক্রমায় চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

    আপনারা সবাই আমার মা’র জন্য দোয়া করবেন। তাঁর প্রতি দেশবাসীর আবেগ, ভালোবাসা ও বৈশ্বিক শ্রদ্ধায় আমি ও আমার পরিবার চিরকৃতজ্ঞ।

  • ময়মনসিংহের ১১ আসনে ম-নোনয়নপত্র জমা ৯৪ প্রার্থীর, ৯ টিতেই বিএনপি’র বিদ্রো-হী

    ময়মনসিংহের ১১ আসনে ম-নোনয়নপত্র জমা ৯৪ প্রার্থীর, ৯ টিতেই বিএনপি’র বিদ্রো-হী

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনায় শেডাউনের মাধ্যমে ময়মনসিংহ জেলার ১১টি সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন মোট ৯৪ জন প্রার্থী।

    সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান-জেলার ১১টি আসনে মোট ১১৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও তার মাঝে জমা পড়েছে ৯৪ টি। তার মাঝে
    ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট–ধোবাউড়া) আসনে ১১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও শেষ পর্যন্ত জমা পড়েছে নয়টি। এদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির দলীয় প্রার্থী সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমান ওমর রুবেলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা।

    ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর–তারাকান্দা) আসনে বিএনপির প্রার্থী মোতাহার হোসেন তালুকদারসহ মোট ১৩ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা দিয়েছেন নয়জন। এই তালিকায় বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা রয়েছেন।

    ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার এম. ইকবাল হোসাইন। একই সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল করেছেন উপজেলা বিএনপির সদ্য বহিষ্কৃত আহ্বায়ক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আহম্মেদ তায়েবুর রহমান হিরন। এই আসনে মোট সাতজন মনোনয়নপত্র জমা দেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন জামায়াতের মাওলানা বদরুজ্জামান, নেজামে ইসলাম পার্টির হাফেজ মাওলানা আবু তাহের খান এবং এনসিপির কবি সেলিম বালা। যদিও এখানে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছিলেন মোট আটজন।

    ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসন বিভাগীয় শহর হওয়ায় মনোনয়ন দাখিলে ছিল বাড়তি আগ্রহ। ১২ জন মনোনয়ন সংগ্রহ করলেও জমা দিয়েছেন ১০ জন। উল্লেখযোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন ধানের শীষের প্রার্থী ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ, জামায়াতের কামরুল আহসান এমরুল, খেলাফত মজলিসের মুফতি কাজী মোশতাক আহমাদ ফারুকী এবং সিপিবির অ্যাডভোকেট এমদাদুল হক মিল্লাত,গণসংহতি আন্দোলন,মোস্তাফিজুর রহমান, জাতীয় পার্টি,আবু মোঃ মুসা সরকার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর মোঃ নাসির উদ্দিন,বাংলাদেশ সুপ্রিম পাটি (বি.এস.পি) মোঃ লিয়াকত আলী, ন্যাশনাল পিপলসপার্টি (এনপিপি)মোঃ হামিদুল ইসলাম,বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসকাদী) শেখর কুমার রায়,

    ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাকির হোসেন বাবলু মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তার বিপরীতে রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা। এখানে আটজন মনোনয়ন সংগ্রহ করলেও জমা দিয়েছেন ছয়জন।

    ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়ীয়া) আসনে ১০ জন মনোনয়ন সংগ্রহ করলেও জমা দিয়েছেন নয়জন। উল্লেখযোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির আকতারুল আলম ফারুক, জামায়াতের অধ্যক্ষ কামরুল হাসান মিলন
    ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত মোঃ নূরে আলম সিদ্দিকী, খেলাফত মজলিস এরব মোঃ রফিকুল ইসলাম এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক জসীম উদ্দিন,আখতার সুলতানা, তানভীর আহমেদ রানা,মোহাম্মদ আব্দুল করিম প্রমুখ।

    ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ডা. মাহাবুবুর রহমান লিটন প্রার্থী হয়েছেন। এখানে ১২ জন মনোনয়ন সংগ্রহ করলেও জমা দিয়েছেন নয়জন, যারা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিত্ব করছেন।

    ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনে মনোনয়ন সংগ্রহ করা সাতজন প্রার্থীই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তাদের মধ্যে ধানের শীষের প্রার্থী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক প্রকৌশলী লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু এবং বিএনপি থেকে পদত্যাগ করে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী হওয়া শাহ নূরুল কবীর শাহীন,বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ মনজুরুল হক হাসান, এডিপি’র মনোনীত প্রার্থী ড. আওরঙ্গজেব বেলাল এডভোকেট, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মনোনীত প্রার্থী সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আহম্মদ হোসেন উল্লেখযোগ্য।

    ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে ১৪ জন মনোনয়ন সংগ্রহ করলেও জমা দিয়েছেন ১০ জন। তাদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির ইয়াসের খান চৌধুরী এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম চাঁন, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ এর সাইদুর রহমান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের শামসুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির হাসমত মাহমুদ, গণ ফোরাম এর লতিফুল বারী হামিম
    স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রফেসর ড এ আর খান,পিন্টু চন্দ্র বিশ্বশর্মা,মোঃ মামুন বিন আব্দুল মান্নান,হাসিনা খান চৌধুরী সহ অন্যান্য দলের প্রার্থীরা।

    ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও) আসনে বিএনপির প্রার্থী হয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আখতারুজ্জামান বাচ্চু। এখানে ১৫ জন মনোনয়ন সংগ্রহ করলেও জমা দিয়েছেন ১২ জন। তালিকায় একাধিক স্বতন্ত্র প্রার্থীও রয়েছেন।

    ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনে বিএনপির প্রার্থী হয়েছেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফখরুদ্দিন আহম্মেদ বাচ্চু,জামায়াতে ইসলামির মোহাম্মদ ছাইফ উল্লাহ পাঠান,ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ এর মোস্তফা কামাল,জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির জাহিদুল ইসলাম, গণঅধিকার পরিষদ এর মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম।

    অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রেজা মো. গোলাম মাসুম প্রধান জানান, জেলায় মোট ১১৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন, যার মধ্যে ৯৪ জন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মনোনয়ন দাখিল করেছেন। তিনি বলেন, এখন নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী নির্বাচনি কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে। নির্বাচনী আচরণবিধি কঠোরভাবে মানা হবে এবং সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক থাকবে।

  • গাবতলীতে  বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলামের দা-ফন সম্পূর্ণ

    গাবতলীতে বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলামের দা-ফন সম্পূর্ণ

    মিজানুর রহমান মিলন,
    বগুড়া জেলা প্রতিনিধি :

    বগুড়ার গাবতলী উপজেলার নশিপুর ইউনিয়ন বিএনপির কোষাধ্যক্ষ ও ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলামের (৪৫) জানাযা নামাজ রবিবার ( ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ ) দুপুর ২ ঘটিকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে । জানাযা নামাজ শেষে তাকে তার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয় । মৃত্যুকালে তিনি ১ ছেলে ১ মেয়ে, নাতি, নাতনী সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন । তার জানাযা নামাজে অন্যান্যদের মধ্যে নশিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জোবাইদুর রহমান গামা,সহ সভাপতি খালেক তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান ফারুক,সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম বজলু,নশিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রোকন তালুকদার, সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, শাজাহানপুর উপজেলা ছাএদলের সভাপতি আবদুল্লাহ বিন আইয়ুব ছোটন,গাবতলী উপজেলা উপজেলা ছাএদলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ডিউ তালুকদার, নশিপুর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক আনজু মন্ডল, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পটল হাসান, যুগ্ম আহ্বায়ক সাগর, ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কামরুল হাসান, ইউনিয়ন ছাএদলের আহ্বায়ক রঞ্জু,বাগবাড়ী শহীদ জিয়া ডিগ্রি কলেজ ছাএদলের সাধারণ সম্পাদক আল মারুফ সাদিক, মরহুমের বড় ভাই আব্দুর রহিম সহ তার পরিবারের সদস্য, আত্নীয় স্বজন, পাড়া প্রতিবেশী, বন্ধু বান্ধব, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ গ্রহন করে । উল্লেখ্য বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম বগুড়ায় একটি বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় মৃত্যুবরণ করেন ।

  • শাজাহানপুরে দশম শ্রেণির ছাত্রী সাদিয়ার মৃ’ত্যুতে এলাকায় শো’কের ছা’য়া!

    শাজাহানপুরে দশম শ্রেণির ছাত্রী সাদিয়ার মৃ’ত্যুতে এলাকায় শো’কের ছা’য়া!

    মিজানুর রহমান মিলন,
    শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি :

    বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর অকাল মৃ’ত্যুতে এলাকায় শো’কের ছায়া নেমে এসেছে। নিহত শিক্ষার্থীর নাম সাদিয়া সে উপজেলার আমরুল ইউনিয়নের ফুলকোট গ্রামের সাকিদারপাড়ার আবু সাইদের মেয়ে । তিনি আছাতননেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন ।
    পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সাদিয়া ছিলেন অত্যন্ত ভদ্র, নম্র ও মেধাবী শিক্ষার্থী। তার আকস্মিক মৃ’ত্যু পরিবার-পরিজনসহ আত্মীয়স্বজন, সহপাঠিসহ এলাকাবাসীকে গভীরভাবে শোকাহত করেছে। বিশেষ করে বাবা-মায়ের জন্য এই শো’ক অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে দাঁড়িয়েছে ।
    এলাকাবাসী জানান, অল্প বয়সেই একটি সম্ভাবনাময় জীবন নিভে যাওয়ায় সবাই হতবাক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তার মৃত্যুতে শোক ও সমবেদনার বার্তা ছড়িয়ে পড়েছে।
    নিহতের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে এবং শো’কসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে স্থানীয়রা বলেন, মহান আল্লাহ যেন তাদের এই কঠিন সময়ে ধৈর্য ধারণের শক্তি দান করেন ।

  • ময়মনসিংহ-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে ম-নোনয়ন পত্র জমা দিলেন প্রফেসর ড এ আর খান

    ময়মনসিংহ-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে ম-নোনয়ন পত্র জমা দিলেন প্রফেসর ড এ আর খান

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ
    ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রফেসর ড এ আর খান মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। নান্দাইলের উন্নয়নে সৎ, যোগ্য ও অভিজ্ঞ নেতৃত্ব প্রদানের প্রত্যাশায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

    মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে, রবিবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা সাইফুর রহমানের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন তিনি।

    প্রফেসর ড এ আর খান বলেন, জনগণের অধিকার রক্ষা, স্থানীয় উন্নয়ন নিশ্চিত করা এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে আমি নিবেদিতপ্রাণ। এই পথচলা নান্দাইলবাসীর জন্য নতুন আশার বার্তা হয়ে উঠবে বলেও প্রত্যাশা করেন তিনি।

    মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় এলাকার শান্তিপ্রিয় জনগণ উপস্থিত থেকে তার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।

    মনোনয়নপত্র দাখিল শেষে প্রফেসর ড এ আর খান আরও বলেন, নান্দাইলবাসীর সাড়া পেয়ে তাদের দোয়া নিয়ে আমি এই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। উপজেলার তৃণমূল পর্যায়ে আমার বিপুল জনসমর্থন রয়েছে। বিগত সময়ে এলাকায় উন্নয়নমূলক কাজের পাশাপাশি মানুষের বিপদে আপদে পাশে থাকার চেষ্টা করেছি এবং আমার পরিচ্ছন্ন রাজনীতি এবং সততা উপজেলাবাসীর কাছে আস্থা কুড়িয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, ‘আশা করি জনগণ আমাকে ভুলবে না। বিগত দিনে আমি জনগণের পাশে ছিলাম, আগামী দিনেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করার সুযোগ পাব বলে আমি বিশ্বাস করি। আমি যদি এমপি নির্বাচিত হই তবে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও দুর্নীতি মুক্ত আলোকিত নান্দাইল গড়ব। দীর্ঘদিন উন্নয়ন বঞ্চিত নান্দাইলবাসীর আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতেই আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছি। বাকি জীবন আমি জনগণের সঙ্গে থেকে নান্দাইলের উন্নয়নে কাজ করতে চাই।

    আসন্ন নির্বাচন প্রসঙ্গে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘আমার পক্ষে জনগণের যে ব্যাপক সাড়া রয়েছে, তাতে আমি বিশ্বাস করি বিপুল ভোটে জয়লাভ করতে সক্ষম হব।

    নান্দাইলের কয়েকজন ভোটারের সাথে বললে তারা জানান- প্রফেসর ড এ আর খান একজন শিক্ষিত, সৎ ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ। তিনি কোন দল বা ব্যক্তিকেন্দ্রিক রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয়; আমরা যোগ্যতা, সততা ও আদর্শকে গুরুত্ব দিয়ে তাকে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবো।