Blog

  • নড়াইলে প্র-তিবন্ধী কমল পালের এক একর ১০ শতক জমি হা-তিয়ে নেয়ার অ-ভিযোগ

    নড়াইলে প্র-তিবন্ধী কমল পালের এক একর ১০ শতক জমি হা-তিয়ে নেয়ার অ-ভিযোগ

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইল সদরের গুয়াখোলা গ্রামের প্রতিবন্ধী কমল চন্দ্র পালের (৭০) এক একর ১০ শতক জমি প্রতারণা করে লিখে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শেষ সম্বলটুকু হারিয়ে বৃদ্ধ কমল এখন পাগলপ্রায়। কমল পালের জমি প্রতারণা করে লিখে নেয়ার ঘটনায় পরিবার-স্বজনসহ এলাকাবাসী ক্ষুদ্ধ হয়েছেন। এদিকে, অভিযুক্তরা গা ঢাকা দিয়েছেন। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, অভিযোগে জানা যায়, নড়াইল সদর উপজেলার শেখহাটি ইউনিয়নের আফরা মৌজার ৪২১৬, ৪২১৯, ৪২২০, ৪২২১, ৪২২৩, ৩৮৭১ ও ৫১৯১ নম্বর দাগে এক একর ১০ শতক জমির মালিক কমল চন্দ্র পাল। জমির লোভে পাশের হাতিয়াড়া গ্রামের বিলাস গোস্বামী (৩৬) এবং বাকড়ি গ্রামের নিরব বৈরাগী (৩৫) নিঃসন্তান প্রতিবন্ধী কমল পালের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলেন। বৃদ্ধ কমলকে ভুল বুঝিয়ে তার পরিবার ও স্বজনদের অজান্তে এক একর ১০ শতক জমি বিলাশ ও নিরব গত ১ জুন তাদের নামে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি করে নেন। পরবর্তীতে ওই জমি বিলাশ তার স্ত্রী পিয়া গোলদার এবং নিরব তার স্ত্রী সিথি সরকারের নামে কবলা দলিল করে দেন।
    কমল পাল বিষয়টি টের পেয়ে জমি ফিরে পেতে স্বজনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানান। ঘটনাটি জানাজানির পর বিলাশ ও নিরব জমির মালিক কমল পালকে ওই জমি ফেরত দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
    গত ২৭ জুলাই কমল পালকে ওই জমি রেজিস্ট্রি করে দেয়ার কথা থাকলেও আগেরদিন (২৬ জুলাই) বিলাশ ও নিরব তাদের স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র গা ঢাকা দেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
    কমল পাল জানান, শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ায় আমার সঙ্গে প্রতারণা করে বিলাস ও নিরব এক একর ১০ শতক জমি লিখে নিয়েছে। আমার জমি ফেরত চাই। আমি অচল মানুষ। অন্যের সাহায্য ছাড়া হাটতে পারি না।
    স্থানীয় বাসিন্দা বকুল পাল, রূপচাঁদ পাল, অসীম বিশ্বাস ও রেনুকা বিশ্বাস জানান, কমল পালের কোন সন্তান না থাকায় অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে বিলাশ ও নিরব প্রতারণা করে তার শেষ সম্বল জমি লিখে নিয়েছেন। আমরা তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
    শেখহাটি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সরদার ওলিয়ার রহমান বলেন, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বিলাশ ও নিরব জমির মূল মালিক কমল পালকে জমি ফেরত দিতে রাজি হওয়ার পর তারা এলাকা ছেড়ে গা ঢাকা দিয়েছেন। আশা করছি, তারা জমির মালিক প্রতিবন্ধী কমলকে তার জমি ফেরত দিবেন।
    এদিকে, বিলাস ও নিরব পালিয়ে থাকায় তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি। ছবি আছে।

  • বাবুগঞ্জের রহমতপুরে কিশোরের মর্মা-ন্তিক আত্মহ-ত্যা

    বাবুগঞ্জের রহমতপুরে কিশোরের মর্মা-ন্তিক আত্মহ-ত্যা

    বাবুগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মোঃ মহিউদ্দিন খাঁন রানা।।

    বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর প্রাণিসম্পদ হাসপাতালের সামনে এক কিশোরের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।

    নিহত কিশোরের নাম মো. রাতুল। সে স্থানীয় ভাতের হোটেল মালিক জোসনা বেগমের ছেলে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে দোকানের পাশেই একটি চালতা গাছের সঙ্গে মায়ের ওড়না পেঁচিয়ে সে গলায় ফাঁস দেয়।
    ঘটনাস্থলের স্থানীয়রা জানান, হঠাৎ করেই তারা গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় রাতুলকে দেখতে পান এবং দ্রুত বিষয়টি পরিবার ও আশপাশের লোকজনকে জানান। তবে আত্মহত্যার সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি।
    বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে স্থানীয় প্রশাসন। এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে শোকের ছায়া।

  • আশুলিয়ায় যৌ-থ বা-হিনীর অ-ভিযানে ছাত্র জনতা হ-ত্যা মা-মলার ৮ আ-সামি অ-স্ত্রসহ গ্রে-ফতার

    আশুলিয়ায় যৌ-থ বা-হিনীর অ-ভিযানে ছাত্র জনতা হ-ত্যা মা-মলার ৮ আ-সামি অ-স্ত্রসহ গ্রে-ফতার

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযানে ছাত্র-জনতা হত্যা মামলার আসামি ৮ জনকে অস্ত্রসহ গ্রেফতার। এসময় উদ্ধার করা হয়েছে ২০টির বেশি দেশীয় অস্ত্র, একটি ইলেকট্রিক শকার, দুটি চোরাই মোটরসাইকেলসহ পাঁচটি মোবাইল ও ১০টি সিমকার্ড, সেই সাথে বেশ কিছু মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।

    সোমবার (০৪ আগস্ট ২০২৫ইং) সকাল ৭টা থেকে দুপুর পর্যন্ত আশুলিয়ার জামগড়া, রূপায়ণ মাঠ ভাদাইল ও গোরাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন আশুলিয়া থানার ওসি আব্দুল হান্নান।

    আটককৃতরা হলো, ছাত্র-জনতা হত্যা মামলার আসামি মো. আল আমিন মন্ডল, অস্ত্র মামলার আসামি জুনায়েদ হাসান জুনু।এর মধ্যে কিশোর গ্যাং সদস্য রোমান ইসলাম, মো. স্বপন, রাফিউল ইসলাম রকি, মনির হোসেন ও ইয়ামিন হোসেন। এ সময় নুরুল হক নামের আরও একজনকে গ্রেফতার করেন যৌথ বাহিনী।

    পুলিশ জানায়, সকালে আশুলিয়ার জামগড়া, রূপায়ণ মাঠ ভাদাইলসহ একাধিক স্থানে যৌথ বাহিনী অভিযান পরিচালনা করেন। এই অভিযানে ছাত্র-জনতা হত্যা মামলার আসামি, অস্ত্র মামলার আসামি এবং কিশোর গ্যাং সদস্যসহ ৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতারকৃতদের হেফাজত থেকে ২০টি দেশীয় অস্ত্রসহ দুটি চোরাই মোটরসাইকেল, পাঁচটি মোবাইল, ১০টি সিমকার্ড ও বেশ কিছু মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। পরে তাদেরকে থানায় হস্তান্তর করে যৌথ বাহিনী।

    আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হান্নান গণমাধ্যমকে জানান, সকালে বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্রসহ ৮জনকে গ্রেফতার করে থানায় হস্তান্তর করেছে যৌথ বাহিনী। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে তিনি জানান।

  • চাটমোহরে ইউএনও’র মাধ্যমে সড়ক উপদেষ্টা সমীপে স্মা-রকলিপি

    চাটমোহরে ইউএনও’র মাধ্যমে সড়ক উপদেষ্টা সমীপে স্মা-রকলিপি

    পাবনা প্রতিনিধিঃ

    পাবনার চাটমোহরে সোমবার (৪ আগস্ট) বিকেল ৪টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুসা নাসের চৌধুরী’র কাছে মাননীয় সড়ক উপদেষ্টা সমীপে স্মারকলিপি, গণস্বাক্ষর ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন সংক্রান্ত প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদের কাটিং সমন্বিত নথি (বাইন্ডিং বুক) হস্তান্তর ও একটি অনুলিপি কপি প্রদান করা হয়েছে।

    এ সময় ‘চেতনায় হান্ডিয়াল’-এর পক্ষে সাবেক ব্যাংকার মো. শহিদুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন, প্রভাষক মো. আবু তালেব, প্রভাষক মো. মিজানুর রহমান, মো. আবু শাহিন, সাংবাদিক কে এম বেলাল হোসেন স্বপন উপস্থিত ছিলেন।

    উল্লেখ্য, জনদুর্ভোগ লাঘবে ‘জারদিস মোড় থেকে মান্নাননগর মহাসড়ক পর্যন্ত আঞ্চলিক সড়ক নির্মাণ’ কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবীতে সামাজিক সংগঠন ‘চেতনায় হান্ডিয়াল’-এর আহবানে গত (২ আগস্ট) শনিবার বিশাল মানববন্ধনের আয়োজন করে।

    এদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যম্ত প্রায় ১৪ কিলোমিটার সড়ক জুড়ে একযোগে মানববন্ধন এবং গণস্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।

    স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক-ব্যবসায়ী, পরিবহণ মালিক-চালক, কৃষক-কৃষাণি, পথচারী সহ সর্বস্তরের মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে মানববন্ধন ও গণস্বাক্ষরে অংশ নেন।

    তোফাজ্জল হোসেন বাবু, পাবনা।।

  • থানচিতে স্বাস্থ্য-ব্যবস্থার সংক-ট নি-রসনে ব্যবস্থা গ্র-হণের গ-ণসংহতি আ-ন্দোলনের আবেদন

    থানচিতে স্বাস্থ্য-ব্যবস্থার সংক-ট নি-রসনে ব্যবস্থা গ্র-হণের গ-ণসংহতি আ-ন্দোলনের আবেদন

    থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধি: মথি ত্রিপুরা।

    বান্দরবান জেলা  থানচি উপজেলা স্বাস্থ্য-ব্যবস্থার সংকট নিরসনে ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে জনগণের পক্ষে গণসংহতি আন্দোলন পার্বত্য জেলা পরিষদ বরাবরের আবেদন করা হয়েছে।
    সোমবার সকালে থানচি কলেজ মাঠে পার্বত্য জেলা পরিষদের আয়োজনে গাছের চারা, হাঁস-মুরগির, শুকর, ছাগল ও গরু বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় থানচি উপজেলার স্বাস্থ্য-ব্যবস্থার সংকট নিরসনে ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে জনগণের পক্ষে গণসংহতি আন্দোলন থানচি উপজেলার শাখা উদ্যোগে পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করা হয়।
    উল্লেখ্য, থানচিতে গণসংহতি আন্দোলন পরিষদ গঠনের ৮ মাস অতিবাহিত হওয়ার পর ও থানচি উপজেলার স্বাস্থ্য-ব্যবস্থার সংকট নিরসনে ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে তথা ডাক্তার, নার্স, টেকনেশিয়ান এবং প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় এই উপজেলার জনগণ তীব্রভাবে স্বাস্থ্যসেবা বঞ্চিত হয়ে আসছে বলে জানা যায়।
    সেই লক্ষ্যে দ্রুত সময়ের মধ্যে ডাক্তার, নার্স, টেকনেশিয়ান এবং প্রয়োজনীয় জনবল ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে জনগণের পক্ষে গণসংহতি আন্দোলন থানচি শাখা উদ্যোগে পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বরাবর সর্বসম্ভরের জনগণের পক্ষে সমন্বয়কারী মংসাই মারমা ও নির্বাহী সমন্বয়কারী সিনরা ম্রো স্বাক্ষরিত আবেদন পেশ করেন।

  • মাগুরার শ্রীপুরের একটি বিদ্যালয়ের বিভিন্ন অ-নিয়ম ও অ-ভিযোগে কারণে প্রধান শিক্ষক সাময়িক ব-রখাস্ত

    মাগুরার শ্রীপুরের একটি বিদ্যালয়ের বিভিন্ন অ-নিয়ম ও অ-ভিযোগে কারণে প্রধান শিক্ষক সাময়িক ব-রখাস্ত

    জিল্লুর রহমান,

    মাগুরা প্রতিনিধি

    মাগুরার শ্রীপুরের নাকোল রাইচরণ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত
    বিভিন্ন অনিয়ম, আর্থিক কেলেঙ্কারি এবং বিদ্যালয় পরিচালনায় ব্যর্থতার অভিযোগে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী নাকোল রাইচরণ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ আবদুল মান্নানকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। একইসঙ্গে বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মুনীর হোসেনকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    রবিবার বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রধান শিক্ষককে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয় বলে বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সূত্রে জানা গেছে।

    বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ অডিট কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে শেখ আবদুল মান্নানের বিরুদ্ধে একাধিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগগুলো হলো—বিদ্যালয়ের অর্থ ব্যাংকে জমা না দিয়ে নগদে রেখে খরচ করা, অর্থ আত্মসাৎ, শিক্ষার্থীদের বৃত্তির টাকা আত্মসাৎ, নিয়ম-নীতি লঙ্ঘন, দায়িত্বে অবহেলা ও বিদ্যালয় পরিচালনায় ব্যর্থতা। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হন।

    পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তাকে সাময়িক বরখাস্তব করা হয় এবং সহকারী প্রধান শিক্ষক মুনীর হোসেনকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

    এ বিষয়ে পরিচালনা পরিষদের এতদ্বিষয়ক কমিটির সভাপতি মির্জা ওয়ালিদ হোসাইন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রধান শিক্ষককে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব না দিলে এবং তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে দোষী প্রমাণিত হলে তাকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হবে।

    এছাড়া আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে বিদ্যালয়ের যাবতীয় কাগজপত্র, আয়-ব্যয়ের হিসাবসহ সব দায়িত্ব ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের কাছে হস্তান্তরের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

    উল্লেখযোগ্য, ২০২৪ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি প্রধান শিক্ষক রফিকুল আলা অবসরে যাওয়ার পর সহকারী প্রধান শিক্ষক মুনীর হোসেনকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তবে তৎকালীন সভাপতি ও শ্রীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমাউনুর রশিদ মুহিত কোনো কারণ দর্শানো নোটিশ ছাড়াই তাকে বরখাস্ত করে অনিয়মতান্ত্রিকভাবে সহকারী শিক্ষক সুবর্ণা জামানকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেন।

    একইদিনে গঠিত নিয়োগ বোর্ডের মাধ্যমে শেখ আবদুল মান্নানকে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ ওঠে। দায়িত্বের প্রথম দশ মাসে তিনি বিদ্যালয়ের ফান্ডের ২৪ লাখ ২৪ হাজার ৪৮৩ টাকা ব্যাংকে জমা না দিয়ে বিভিন্ন কাল্পনিক ভাউচারের মাধ্যমে তসরুপ করেছেন বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ রয়েছে।

  • লালপুরে সেনা অ-ভিযানে ৩৪২ পিস ই-য়াবাসহ দুই ভাই আ-টক

    লালপুরে সেনা অ-ভিযানে ৩৪২ পিস ই-য়াবাসহ দুই ভাই আ-টক

    মোঃএমরান আলী রানা নাটোর প্রতিনিধি
    নাটোরের লালপুর উপজেলার আব্দুলপুর এলাকায় সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে একটি বিশেষ যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অভিযুক্তদের বাড়ি তল্লাশি করে ৩৪২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

    অভিযানের সময় মাদক কারবারে জড়িত দুই ভাইকে আটক করে সেনাবাহিনী।

    গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আজ সোমবার (৪ আগস্ট) ভোরে এ অভিযান পরিচালনা করে সেনাবাহিনী।

    আটক রাজন ও সুমন দুই ভাই। তারা ঐ এলাকার হান্নান প্রামানিকের ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ইয়াবা ব্যবসায়ী হিসেবে তারা পরিচিত বলে জানা গেছে।

    অভিযানে তল্লাশি ও তথ্য যাচাই শেষে পরবর্তী আইনী ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য আটককৃতদের লালপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়।

    লালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

  • মালটার দাম লা-ফিয়ে লা-ফিয়ে মূল্য বৃ-দ্ধি পাচ্ছে দেখার যেন কেউ নেই

    মালটার দাম লা-ফিয়ে লা-ফিয়ে মূল্য বৃ-দ্ধি পাচ্ছে দেখার যেন কেউ নেই

    কুমিল্লা থেকে তরিকুল ইসলাম তরুন,

    কুমিলার বাজারে দেশীয় আমের সাথে রয়েছে বিভিন্ন রকমের বিদেশি ফল,তার মধ্যে রয়েছে আনার,আপেল,কমলা, কেনু,আঙ্গুর,নেশপাতি,মালটা,
    কুমিল্লা অঞ্চলে আত্মীয় স্বজনরা তাদের আপন জন অসুস্থ হলেই রোগী দেখতে গেলে স্বজনরা রোগীর পথ্য হিসেবে প্রথম পছন্দ মালটা, আর এই মালটা ৫ ই অগাষ্টের পর বাজারে লাফিয়ে লাফিয়ে মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে দেখার যেন কেউ নেই। ৪ আগষ্ট কুমিল্লা বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায় ফলের বাজারে আগুন, কারন দেশীয় ফল যেমন আম, কাঠাল,পেপে,কলা, আনারস সিজনের শেষ পর্যায় তাই মূল্য কিছু বেশি। কিন্তু বিদেশী ফল আপেল, আনার,আঙ্গুর,কেনু,কমলা,নাশপাতি, মালটার মূল্য প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পাইছে। তার মধ্যে মালটার চাহিদা কেতাদের মধ্যে বেশি থাকাতে তিন গুন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এমনটাই চোখে পড়ে সাংবাদিকদের।এবিষয়ে কেতা ডাঃ আরাফাত নুর রাসেল জানান নতুন বাজেট এ বিদেশি ফলের উপর বারতি কর আরোপ করায় পূর্বের থেকে দ্বিগুণ বৃদ্ধি পাইছে। তারপরও প্রশাসনের উচিৎ ফলের বাজার নজরদারি করা। কারন ফল ব্যাবসাীরা অনেক সময় বেশি দামে বিক্রির আশায় কমে বিক্রি করে না বরং পচিয়ে ফেলে দিবে। ফল বিক্রতা জনি,অমিত হাসান জানান আমরা বেশি দামে ক্রয় করে আনি সেহেতু বেশি বিক্রি করতে হয়। এব্যাপারে ফকির বাজার ফল ব্যাবসায়ী মারুফ বলেন এখন তো ফলের সিজন শেষ তাই দ্বিগুণ বিক্রি হচ্ছে। উচ্চ মূল্যে মালটা বিক্রি হচ্ছে এমন অভিযোগের আলোকে বুড়িচং উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা তানভির হোসেন বলেন অভিযোগের ভিত্তিতে বাজার গুলোতে যাবো মূল্য বিক্রয়দাতাদের তালিকা ক্রয় তালিকা দেখে যদি দূর্নীতি বা অন্যায় মনে হয় ব্যাবস্থা নিবো।

  • অ্যাডভোকেট দোলনের দুদ-কের পিপি দায়িত্ব পেলেন 

    অ্যাডভোকেট দোলনের দুদ-কের পিপি দায়িত্ব পেলেন 

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় 

    পঞ্চগড়ের আইন অঙ্গনের গর্বিত মুখ অ্যাডভোকেট মাহমুদুর রহমান দোলন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), ঢাকা-এর পাবলিক প্রসিকিউটর (পি.পি) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ এই দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে তিনি শুধু নিজেকে নয়, গোটা পঞ্চগড় জেলাকেই এনে দিয়েছেন গৌরবের আলোকচ্ছটা।

    সম্প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই আইনজীবী মহল, নাগরিক সমাজ ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক অঙ্গনের মানুষজনের মাঝে আনন্দ ও অভিনন্দনের জোয়ার বইছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়েছে গর্বের আবেগ, শুভেচ্ছা বার্তায় ভরে গেছে টাইমলাইন।

    দুদকের মতো সংবেদনশীল প্রতিষ্ঠানে পাবলিক প্রসিকিউটরের দায়িত্ব পাওয়া যে কতটা মর্যাদার বিষয়, তা বলাই বাহুল্য। দুর্নীতির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে পরিচালিত মামলাগুলোতে আইনি লড়াইয়ের নেতৃত্ব দেবেন অ্যাডভোকেট দোলন। দীর্ঘদিন আইন পেশায় সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে তিনি নিজেকে প্রমাণ করেছেন একজন দক্ষ ও দূরদর্শী আইনজীবী হিসেবে।

    দায়িত্ব গ্রহণের পর অনুভূতি জানতে চাইলে অ্যাডভোকেট মাহমুদুর রহমান দোলন বলেন,

    “সততা, ন্যায়বিচার ও দেশসেবার ব্রত নিয়েই আমি এই দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। দেশের সবচেয়ে আলোচিত ও গুরুত্বপূর্ণ মামলাগুলোর আইনি প্রতিনিধিত্ব করতে পারা যেমন দায়িত্বের, তেমনি এটি একটি বিরল সুযোগও। দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির আলোকে আমি পেশাদারিত্বের সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে কাজ করে যেতে চাই।”

    নিজের জন্মভূমি পঞ্চগড় প্রসঙ্গে তিনি বলেন,

    “আমি পঞ্চগড়ের সন্তান, এটা আমার অহংকার। এই মাটির প্রতিই আমার ঋণ। আমার সব শেকড় এই জেলায়, এখানকার শিক্ষাই আমাকে আজকের জায়গায় পৌঁছাতে সাহায্য করেছে। দেশের মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগ আমার জীবনের অন্যতম বড় অর্জন।”

    অ্যাডভোকেট দোলনের এই সাফল্যের পেছনে যে পারিবারিক শিক্ষার ভূমিকা অনস্বীকার্য, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তাঁর বাবা মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান একজন বর্ষীয়ান শিক্ষক এবং মিরগড় মইনুদ্দিন দিমুখি উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক। ছেলের এমন অর্জনে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি তিনি।

    তিনি বলেন, “একজন শিক্ষক হিসেবে আমি চাইতাম আমার সন্তান ন্যায় ও সততার পথে চলুক। সেই স্বপ্নই আজ বাস্তবে রূপ নিয়েছে। রাষ্ট্রের এমন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে তাকে দেখতে পাওয়া আমার জীবনের সবচেয়ে গর্বের মুহূর্ত। দেশের জন্য কাজ করতে পারা—এটাই একজন বাবা হিসেবে আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।”

    অ্যাডভোকেট দোলনের এই নিয়োগকে কেন্দ্র করে পঞ্চগড় জেলা আইনজীবী সমিতি, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনের ঢল নেমেছে।

    সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, এই নিয়োগ শুধু একজন ব্যক্তির দায়িত্বভার গ্রহণ নয়, বরং এটি দেশের দুর্নীতি দমন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার পথে একটি সাহসী ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ।

  • কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের উদ্যাগে ‘জুলাই গ-ণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ উদ্বোধন 

    কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের উদ্যাগে ‘জুলাই গ-ণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ উদ্বোধন 

    ,কুমিল্লা থেকে তরিকুল ইসলাম তরুন, 

    সোমবার (৪ আগস্ট) বেলা ১২টায় কুমিল্লা ঈদগাহ মাঠে জেলা প্রশাসক মোঃ আমিরুল কায়ছার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জুলাই বিপ্লব প্রীতি ম্যাচের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

    এ সময় তিনি নতুন প্রজন্মের মধ্যে মাঠমুখী মানসিকতা গড়ে তুলতে খেলাধুলার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে বলেন, “আমরা আমাদের তরুন প্রজন্মের জন্য খেলার মাঠ রেখে যেতে পারছিনা। এটা আমাদের দায়বদ্ধতার ব্যর্থতা। মাঠগুলো ভরাট করে ইট-পাথরের শহর বানিয়ে ফেলছি। এর ফলে আমাদের সন্তানরা আজ ডিভাইস আসক্ত হয়ে পড়ছে,

    কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহযোগিতায় আয়োজিত এ প্রীতি ম্যাচে অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) পঙ্কজ বড়ুয়া, জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার আব্দুল্লাহ আল নূর আশেক, কুমিল্লার বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক বদরুল হুদা, জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব এনামুল হক মনি, জেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির সদস্য কাজী গোলাম কিবরিয়া, খালেদ সাইফুল্লাহ, মাহি তাজওয়ার ওহি এবং জেলার অন্যান্য ক্রীড়াসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

    ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত এই প্রীতি ম্যাচে দুটি দল অংশ নেয়—সবুজ দল ও লাল দল। সবুজ দলের অধিনায়কত্ব করেন উদীয়মান ক্রিকেটার সাদাত হোসেন সানি, অপরদিকে লাল দলের নেতৃত্বে ছিলেন জাতীয় দলের সাবেক অলরাউন্ডার এনামুল হক মনি। উভয় দলেই জেলার বর্তমান তরুণ ক্রিকেটারদের পাশাপাশি অভিজ্ঞ খেলোয়াড়রাও অংশ নেন, যা ম্যাচটিকে বিশেষ আকর্ষণীয় করে তোলা। 

    তিনি আরও বলেন, “একটি সুস্থ জাতি গঠনের জন্য খেলাধুলার বিকল্প নেই। কেবল পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না, তাদের মাঠে নামতে হবে। তাই প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে। মাঠ সংস্কার ও সংরক্ষণেও জেলা প্রশাসন কাজ করে যাবে।