মোংলা প্রতিনিধিঃ
উড়িষ্যা উপকূলের লঘুচাপটি স্থল নিম্নচাপে রুপ নিয়ে ভারতের ছত্তিসগড় এলাকায় অবস্থান করছে। এটি সেখানে ক্রমেই দুর্বল হয়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে বলে জানিয়েছেন মোংলা আবহাওয়া অফিস ইনচার্জ অমরেশ চন্দ্র ঢালী। বুধবার (১০ আগস্ট) তিনি এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, নিম্নচাপের প্রভাবে মোংলাসহ উপকূলে ঝড়-বৃষ্টি বাড়বে। এ প্রভাবে স্বাভাবিক জোয়ারের তুলনায় অতিরিক্ত ২ থেকে ৪ ফুট পানিতে উপকূলীয় বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হবে। তবে সংকেত বাড়ার আশঙ্কা নেই বলে জানান তিনি।
এদিকে নিম্নচাপের কারণে ভোর থেকেই মোংলা সমুদ্র বন্দরসহ সাগর ও সুন্দরবন উপকূল জুড়ে ঝড়ো বাতাস ও বৃষ্টিপাত হচ্ছে। স্থল নিম্নচাপের প্রভাবে সাগর প্রচণ্ড উত্তাল রয়েছে। এছাড়া সাগর পাড়ের দুবলার চরে ঝড় ও বৃষ্টি বইছে। বৈরি আবহাওয়ার কারণে দুবলার চরের আশপাশের নদী-খালে প্রায় পাঁচ শতাধিক জেলে আশ্রয় নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন ও দুবলা টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দীলিপ। তারা বলেন, সাগর ভয়াবহ উত্তাল হয়ে উঠেছে। এতে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে আড়াই-তিন ফুট পানি বৃদ্ধি পেয়েছে দুবলার চর এলাকায়। সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া জেলেদের বেশিরভাগ বনের অভ্যন্তরের বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন। আবার অনেকেই তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত জারি হওয়ার পরপরই জানমালের রক্ষায় নিজ নিজ এলাকার ঘাটে চলে গেছেন। নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরেছে সাগরে যাওয়া জেলে নৌকা নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরেছে সাগরে যাওয়া জেলে নৌকা এদিকে পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আজাদ কবির বলেন, গতকালের তুলনায় আজ জোয়ারের পানি বেড়েছে সুন্দরবনে। দুই থেকে আড়াই ফুট পানিতে প্লাবিত হয়েছে বনের বিভিন্ন এলাকা। করমজলের বনের ভেতর অংশ স্বাভাবিকের তুলনায় দুই ফুটের বেশি জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে। এদিকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত জারি থাকলেও বন্দরের ফেয়ারওয়েবয়া, হিরণপয়েন্ট, হাড়বাড়ীয়া ও জেটিতে পণ্য বোঝাই-খালাস ও পরিবহনের কাজ স্বাভাবিক গতিতেই চলছে বলে জানিয়েছেন বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (হারবার ও মেরিন) আব্দুল ওয়াদুদ তরফদার। আবহাওয়া পরিস্থিতি বুঝে প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
Blog
-

নিম্নচাপের প্রভাবে মোংলাসহ উপকূলে ঝড়-বৃষ্টি বাড়বে, ৩-৪ ফুট জোয়ারে প্লাবিত হয়েছে উপকূলের নিম্নাঞ্চল
-

ক্ষেতলালে জুয়া খেলার অপরাধের আটক তিন
মিলন মিয়া ক্ষেতলাল উপজেলা প্রতিনিধি:
জনাব মোঃ রওশন ইয়াজদানী অফিসার ইনচার্জ, ক্ষেতলাল থানা, জয়পুরহাটের দিক নিদের্শনায় ক্ষেতলাল থানায় কর্মরত এস আই(নিঃ) মোঃ হাবিবুর রহমান সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ অভিযান পরিচালনা করিয়া ১০ আগস্ট, ২০২২,তারিখ ১৩.৪০ ঘটিকার সময় ক্ষেতলাল থানাধীন আলমপুর ইউনিয়নের পৌলুঞ্জ গ্রামস্থ্য জনৈক মোঃ লুৎফর রহমান (৬০), মোঃ আক্কেস আলী (৫৫), মোঃ বাদেশ আলী (৪৫) উভয়ের পিতা- মৃত রিয়াজ উদ্দিন এর ইউক্যালিপটাস বাগানের মধ্যে হইতে আসামী ১। মোঃ নজিরুদ্দিন আকন্দ ভুট্টু (৫০), পিতা- মৃত কছির উদ্দিন আকন্দ সাং -পৌলুঞ্জ পশ্চিমপাড়া ২। মোঃ মতিউর রহমান (৫১), পিতা- মৃত আবুল কাশেম সাং-পৌলুঞ্জ দক্ষিণপাড়া ৩। মোঃ শহিদুল ইসলাম (৫২) পিতা-মোঃ মনতাজ আলী সাং-পৌলুঞ্জ উত্তর পাড়া সর্ব থানা- ক্ষেতলাল, জেলা: জয়পুরহাটদের গ্রেফতার করা হয় এবং আসামী ৪। মোঃ আলম (৫০), পিতা- মৃত ময়েন উদ্দীন, সাং-পাঁচুইল, ৫। মোঃ মোত্তালেব (৪০), পিতা- মৃত কাশেম মন্ডল, সাং- পৌলঞ্জ দক্ষিণপাড়া, উভয়ের থানা-ক্ষেতলাল, জেলা-জয়পুরহাটদ্বয় পালাইয়া যায়। উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে জুয়া খেলার বোর্ড হইতে সর্বমোট ৭৬০/= (সাত শত ষাট ) টাকা যাহার মধ্যে ২। প্লাষ্টিকের বস্তার চট-০১ টি, ৩। ডন তাস সেট ০১ টি উদ্ধার করেন। আসামীদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ্দ করা হয়েছে।ক্ষেতলাল থানা পুলিশ কর্তৃক জুয়া খেলার অপরাধে ০৩ জন গ্রেফতার ও জুয়ার বোর্ড হইতে নগদ সর্বমোট ৭৬০/= (সাত শত ষাট ) টাকা যাহার মধ্যে ২। প্লাষ্টিকের বস্তার চট-০১ টি, ৩। ডন তাস সেট ০১ টি উদ্ধার।
-

বাংলাদেশ পল্লী ফেডারেশনের উদ্যোগে বিনামূল্যে অসহায় পরিবারের মাঝে হাঁস মুরগী বিতরণ
গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।।স্টাফ রিপোর্টার।।ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে ১০ই আগষ্ট বুধবার সকালে বাংলাদেশ পল্লী ফেডারেশনের উদ্যোগে বিনামূল্যে অসহায় পরিবারের মাঝে হাঁস মুরগী বিতরণ করা হয়।
উক্ত হাঁস মুরগী বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য রাখেন পল্লী ফেডারেশনের চেয়ারম্যান মোঃআরাফান,বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মোঃরহমান সাংবাদিক প্রমুখ।
সে সময় অসহায় দূস্থ পরিবারের ৫০ জনের মধ্যে প্রতি জনকে ১জোড়া হাঁস অথবা মুরগী বিতরণ করেন।
সে সময় পীরগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি,সাংবাদিক নুরনবী রানা,সাংবাদিক আইয়ুব আনসারী,সাংবাদিক আবু তারেক বাধন,প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
-

লালমনিরহাটের ৩৫০বোতল ফেন্সিডিলসহ সাত্তার গ্রেফতার
মো.হাসমত উল্ল্যাহ,লালমনিরহাট।।।
লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার ৫নং চন্দ্রপুর, ইউনিয়নে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৩৫০বোতল মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল উদ্ধার সহ এক জনকে গ্রেফতার করেন কালীগঞ্জ থানার গোড়ল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ।
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)এ টি এম গোলাম গোলাম রসুল, আই জিপি ব্যাজ প্রাপ্ত এর নেতৃত্বে গোড়ল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র অফিসার ইনচার্জ এসআই/মোঃ নাজমুল ইসলাম,ও সঙ্গীয় ফোর্স সহ কালীগঞ্জ থানাধীন ৫নং চন্দ্রপুর, ইউনিয়নের উত্তর বালাপাড়া গ্রামের বাবু বিশেষ অভিযান ৩৫০বোতল অবৈধ মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল উদ্ধার সহ এক জনকে গ্রেফতার করেন গোড়ল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত আসামী হলে আব্দুল সাত্তার(২৬), পিতা মো.রহমত আলী,গ্রাম উত্তর বালাপাড়া থানা কালীগঞ্জ,জেলা লালমনিরহট।গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে কালীগঞ্জ থানায় একটি মামলা হয়।মামলা নাং -২২ ধারা-২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিঃ আইনের ৩৬(১) এর ১৪(গ) রুজু করা হয়েছে।
কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) এ টি এম গোলাম গোলাম রসুল, আই জিপি ব্যাজ প্রাপ্ত, জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কালীগঞ্জ থানার উত্তর বালাপাড়া গ্রামে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৩৫০বোতল মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল উদ্ধার সহ এক জনকে গ্রেফতার করেন কালীগঞ্জ থানার গোড়ল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ।
হাসমত উল্ল্যাহ।।
-

দেশের মানুষ আবারো জাতীয় পার্টিকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় দেখতে চায়- ময়মনসিংহে জাপা নেতা জাহাঙ্গীর আহমেদ
আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও ময়মনসিংহ মহানগর জাতীয় পার্টির সভাপতি জাহাঙ্গীর আহমেদ বলেছেন- অবিলম্বে জ্বালানি তেলের নতুন মূল্য প্রত্যাহার না করলে জনগণকে সাথে নিয়ে জাতীয় পার্টি রাস্তায় নেমে আসতে বাধ্য হবে। একদিকে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধগতিতে নাভিশ্বাস, একইভাবে বাড়ানো হয়েছে তেলের দাম। এতে দেশব্যাপী গণপরিবহন সংকটে ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ যাত্রীরা। তিনি বলেন, পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এর শাসনকালে গণতন্ত্র মুক্তি পাক বলে দেশের মানুষ শ্লোগান দিতে পেরেছে। দেশের মানুষ এখন কি স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক শ্লোগান দিতে পারে ? এ থেকেই বোঝা যায় দেশের মানুষ কতটা গণতন্ত্র উপভোগ করতে পারছেন।অস্বাভাবিক হারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবীতে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির ঘোষিত কর্মসুচীর অংশ হিসাবে (১০আগষ্ট) বুধবার
ময়মনসিংহ জেলা, মহানগর ও সদর উপজেলা জাতীয় পার্টি ও বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের যৌথ উদ্দ্যোগে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ
শেষে নগরীর সি কে ঘোষ রোডস্থ ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।এসময় তিনি বলেন-নিত্যপণ্যের দাম, গ্যাসের দাম, ভোজ্যতেলের দাম, ওষুধের দাম, পানির দাম, সবশেষ জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়ে সরকার শুধু সাধারণ মানুষকে বিপদে ফেলেনি, দেশকেও মহাবিপদের দিকে ফেলেছেন।তিনি আরো বলেন, আগাম কোনো ঘোষণা ছাড়াই রাতের আধারে এ সিদ্ধান্ত নেয়ার উদ্দেশ্য সাধারণ মানুষ জানতে চায়।
মহানগর জাতীয় পাটির সাধারন সম্পাদক আব্দুল আউয়াল সেলিম এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি ডা : কে আর ইসলাম সদর জাপার সাধারন সম্পাদক ইদ্রিছ আলী,জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম সাধারন সম্পাদক শফিকুল আলম তপন,মহানগর জাতীয় পার্টির সিনিয়র যুগ্ম সাধারন সম্পাদক শরিফুল ইসলাম খোকন, আবজাল হোসেন হারুন, শাহজাহান মিয়া সহ মহানগর, সদর ইউনিয়নের বিভিন্নস্তরের নেতৃবৃন্দ।
জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আহমেদ বলেন, দেশের পরিবহন সেক্টর কে নিয়ন্ত্রণ করছে তা কেউ জানে না। কিছু সমিতি ও ইউনিয়ন পরিবহন সেক্টরকে জিম্মি করে রেখেছে। সরকারের কিছু দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তা সাধারণ মানুষের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিচ্ছে পরিবহন সেক্টরের সাথে আঁতাতের মাধ্যমে। তাই গণ পরিবহনে নৈরাজ্য কমছে না। এ সময় তিনি আরো বলেন, দেশের মানুষ এক বুক প্রত্যাশা নিয়ে জাতীয় পার্টির দিকে তাকিয়ে আছে। তারা আবারো জাতীয় পার্টিকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় দেখতে চায়। ১৯৯১ সালের পর আওয়ামী লীগ ও বিএনপি বারবার রাষ্ট্র ক্ষমতায় গিয়ে দেশের মানুষের সাথে কথা রাখেনি। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দেশের মানুষের মাঝে বৈষম্য সৃষ্টি করেছে। এক সময় ব্রিটিশরা বৈষম্য সৃষ্টি করেছিলো, তারপর বৈষম্য সৃষ্টি করেছিলো পশ্চিম পাকিস্তান। কিন্তু এখন দুটি দল মানুষের মাঝে বৈষম্য সৃষ্টি করেছে। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি না করলে কেউ চাকরি পায় না, ক্ষমতাসীন দল না করলে ব্যবসা করতে পারে না কেউ। দেশের মানুষ এখন বলেন, এরশাদের শাসনামলে বেশি সুশাসন ভোগ করেছেন। তাই আবারো তারা জাতীয় পার্টির শাসনামল ফিরে পেতে চায়। বিক্ষোভ মিছিলে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবীতে জাতীয় পার্টির নেতৃত্বে ময়মনসিংহের রাজপথ লোকে লোকারন্য হয়ে উঠে।
-

ময়মনসিংহে ওসি কামালের নেতৃত্বে পুলিশের অভিযানে আসাদ হত্যার মুলহোতাসহ গ্রেফতার ৩
আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
ময়মনসিংহে খুন হওয়ার মাত্র ২৪ঘন্টার মাঝে হত্যাকান্ডের মুলহোতাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ।ময়মনসিংহ সদরের ঘাগড়া ইউনিয়নের পাড়াইলে বালু ট্রাকের হেলপার আসাদ মিয়ার খুনের ঘটনায় কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শাহ কামাল আকন্দের দিকনির্দেশনা মোতাবেক পুলিশের অভিযানে তাদের কে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলো, নয়ন মিয়া, আশরাফুল ইসলাম ও রাজাক মেম্বার। হত্যাকান্ডের ২৪ ঘন্টার মধ্যে কোতোয়ালী পুলিশ সাড়াশি অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে পৃথক এলাকা থেকে মঙ্গলবার গ্রেফতার করে। বুধবার তাদেরকে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ ও মামলা সুত্রে জানা গেছে, পাড়াইল গ্রামের বালুর ট্রাকের হেলপার আসাদ মিয়ার সাথে গ্রেফতারকৃত নয়ন মিয়ার সাথে প্রায় দুই মাস আগে কথা কাটাকাটি ও মারামারির ঘটনা ঘটে। উক্ত মারামারির ঘটনাকে কেন্দ্র করে চকনজু গ্রামের আঃ মোতালেবের ছেলে আশরাফুল ইসলাম ট্রাকের হেলপার আসাদ মিয়াকে গত ৮ আগষ্ট রাতে কথা আছে বলে ফোন করে ডেকে আনেন। পরবর্তীতে পাড়াইল গ্রামের আঃ রাজ্জাক মেম্বারের বাড়ির পাশে নদীর পাড়ে নিয়ে চক্রটি আসাদ মিয়াকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপুর্যপুরী আঘাত করে মৃত ভেবে ফেলে পালিয়ে যায়। পথচারী ও স্থানীয়দের সহায়তায় মুমুর্ষ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে হাসপাতালের ৮ নং ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। পরে ৮ নং ওয়ার্ডে নিয়ে গেলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ব্যাপারে নিহতের ভাই কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা নং- ৪১, তাং ৯/৮/২০২২ ইং দায়ের করেন। কোতোয়ালী মডেল থানার দায়িত্বশীল ও মানবিক ওসি শাহ কামাল আকন্দ ২৪ ঘন্টার মধ্যে আসামীদের গ্রেফতার করার ঘোষণা দিয়ে মাঠে নামেন।ওসির ঘোষনাকে বাস্তবে রুপ দিতে মরিয়া হয়ে মাঠে নামেন এসআই আনোয়ার হোসেন, নিরুপম নাগ, মিনহাজ উদ্দিন, এএসআই সুজনসহ একটি টিম। হত্যাকান্ডের ২৪ ঘন্টা পার হওয়ার আগেই টানা অভিযান পরিচালনা করে ঘটনার মুলহোতা নয়ন মিয়াসহ তিনজনকে গ্রেফতার করে।
ওসি শাহ কামাল বলেন, মুলহোতাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এজাহারনামীয়রা মামলার অপর আসামী সহ অজ্ঞাতনামাদের সহায়তায় আসাদ মিয়াকে ধারালো চাকু দিয়ে উপর্যপুরী আঘাত করে হত্যার বিষযয়ে তথ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে। মামলাটি তদন্তনাধীন আছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত, ন্যায় বিচার, মামলার মূল রহস্য উদ্ঘাটন পূর্বক তাদের সহযোগীদের গ্রেফতার ও হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত আলামত চাকু উদ্ধারে আসামীদের পুলিশ হেফাজতে এনে নিবিড় ও গভীর ভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের পুলিশ রিমান্ড চেয়ে তাদেরকে আালতে পাঠানো হয়েছে।
-

ময়মনসিংহে হারিয়ে যাওয়া ১৫টি মোবাইল উদ্ধার করে জনতার প্রশংসায় কোতোয়ালী পুলিশ।
আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শাহ্ কামাল আকন্দ (পিপিএমবার) এর নির্দেশে অপরাধ নির্মূল ও আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ রাখতে প্রতিদিন নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ।ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার মোহাঃ আহমার উজ্জামান (পিপিএম-সেবা)(অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদন্নোতি প্রাপ্ত) এর দিক-নির্দেশনায় পরিচালিত কোতোয়ালি মডেল থানার এই অভিযানে অপরাধীরা আতঙ্কে থাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তির নিঃশ্বাস শুরু হয়েছে।
এরই অংশ হিসেবে বুধবার (১০ আগস্ট ২০২২) তারিখ সকাল পর্যন্ত কোতোয়ালী মডেল থানায় জিডিকৃত হারিয়ে বা খোয়া যাওয়া ১৫টি মোবাইল উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে মোবাইলগুলো ফিরিয়ে দিয়েছেন কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শাহ্ কামাল আকন্দ (পিপিএম-বার)। এদিকে দীর্ঘদিন পর হারানো মোবাইল ফোন ফিরে পেয়ে খুশি মোবইল ফোনের প্রকৃত মালিকগণ।
কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শাহ্ কামাল আকন্দ (পিপিএম-বার) এর নির্দেশে কোতোয়ালী মডেল থানার এএসআই আমীর হামজার মাধ্যমে এই মোবাইল গুলো উদ্ধার করেছে। বুধবার সকালে কোতোয়ালী মডেল থানার (ওসি) শাহ্ কামাল আকন্দ প্রকৃত মোবাইল মালিকদের কাছে হস্তান্তর করেন। খোয়া যাওয়া মোবাইলের মালিকগণ তাঁদের মোবাইল ফোনটি হাতে পেয়ে খুব খুশি।
খোয়া যাওয়া মোবাইলের মালিকগণের মধ্য হতে রাজমিস্ত্রী হাসান মিয়া বলেন, আমি গরিব মানুষ, কিছু কিছু টাকা জমিয়ে খুব কষ্ট করে মোবাইল কিনেছিলাম। তিনি ধরেই নিয়েছিলেন ফোনটি আর ফিরে পাবেন না। তবে ৫ মাসেরও বেশি সময় পার হওয়ার পর ফোনটি উদ্ধার হওয়ায় পুলিশকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
ছোয়া মণি বলেন, ১ মাস আগে আমার মুঠোফোন হারিয়ে যায়, অনেক খোঁজাখুঁজির পরে না পেয়ে আমরা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছিলাম। হঠাৎ করে গতকাল কল দিয়ে জানানো হয়েছে যে আমাদের ফোন পাওয়া গেছে। হারানো মুঠোফোন হাতে পেয় পুলিশের এই তৎপরতায় আমরা খুব খুশি। এএসআই আমীর হামজাকে ধন্যবাদ জানাই।
এদিকে ওসি মোঃ শাহ্ কামাল আকন্দ বলেন, বেশিরভাগ মোবাইল হারানো এবং চুরির ঘটনা থানায় অভিযোগ হলে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে উদ্ধারের চেষ্টা করি। হারানো বা চুরি হওয়া মোবাইলগুলো জেলার ভেতরে থাকলে উদ্ধার করা সহজ হয়। বাহিরের জেলা হলে বিষয়টি সময় সাপেক্ষ হয়ে যায়। অপরাধ দমন ও মানুষের সেবা দানের ক্ষেত্রে পুলিশের সক্ষমতা অনেক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারের মধ্য দিয়ে মুঠোফোন উদ্ধারসহ অপরাধীদের শনাক্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। কোতোয়ালী পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এএসআই আমীর হামজা বলেন, পুলিশ কর্মকর্তারা নানা কাজে ব্যস্ত থাকেন। তারপরও আমরা পেশাদার। অভিযোগ পেলে হারানো বা খোয়া যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধারে আন্তরিকতার সঙ্গে চেষ্টা করি। তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় অনেক মোবাইল ফোন উদ্ধার করে দিয়েছি।
এছাড়াও হারিয়ে যাওয়া প্রকৃত মোবাইল মালিকরা হলেন ফারুক, ছোয়া মণি (ছাত্রী), বিল্লাল মাকসুদুর, নাঈমুর, হাসান মিয়া (রাজমিস্ত্রী) কুদ্দুস, আরিফ (অটোচালক), আনোয়ারুল ইসলাম, হাসান মিয়া, সম্পা সরকার, নারী উদ্যোক্তা, ইসতিয়াক, মিজান, সেলিম, বদরুল আমিন, (সাংবাদিক) হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফেরত পেয়ে তাদের সকলের চোখেমুখে আনন্দের ঝিলিক। পরিশেষে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশকে অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন খোয়া যাওয়া ১৫টি মোবাইল ফোনের প্রকৃত মালিকগণ।
-

সেবা গ্রহীতাদের চা,বিস্কুট, শিশুদের চকলেটে আপ্যায়ন হয় ময়মনসিংহে কোতোয়ালি মডেল থানায়
আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
ময়মনসিংহের কোতোয়ালী মডেল থানায় সেবা নিতে আসা মানুষের হাসি মুখে অভ্যর্থনার পাশাপাশি চকলেট দিয়ে আপ্যায়ন করেন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহ কামাল আকন্দ। তিনি থানায় আগতদের অপ্যায়নের জন্য টেবিলের উপরেই রেখে দিয়েছেন চকলেট। যেকোনো প্রয়োজনে থানায় আসা প্রত্যেক সেবা গ্রহীতাদের সাথে থাকা ছোট্টমনিরাও আপ্যায়ন হিসাবে পাচ্ছেন চকলেট।পুলিশের কাছ থেকে এমন ব্যবহার ও আপ্যায়ন যেন আগামীতেও অব্যাহত থাকে ওসির কাছে এমন প্রত্যাশা এলাকাবাসীর।
কোতুয়ালী মডেল থানায় সেবা নিতে আসা জনৈক সেবা গ্রহীতা বলেন,তিনি স্বামীর সাথে বিরোধের ঘটনায় কিছুদিন আগে থানায় গিয়েছিলাম। টাকা-পয়সা ছাড়াই মামলা করেছি। আমাকে চা আপ্যায়নের পাশাপাশি আমার সাথে থাকা আমার শিশু সন্তানকেও উপহার হিসেবে দিয়েছেন চকলেট। ওসির এমন ব্যবহার পেয়ে আমরা খুবই আনন্দিত।
থানার ইন্সপেক্টর অপারেশন ওয়াজেদ আলী জানান, শাহ কামাল আকন্দ স্যার ওসি হিসাবে কোতোয়ালি মডেল থানায় যোগদান করার পর থেকেই থানায় আসা মানুষকে চা বিস্কুট আপ্যায়নের পাশাপাশি সাথে কোন শিশু কিশোর থাকলে চকলেট দিয়ে আপ্যায়নের নিয়ম চালু করেছেন। তাই থানায় এরকম ব্যবহার ও আপ্যায়ন পেয়ে সেবা গ্রহনকারীরাও খুশি। এছাড়া তিনি প্রতিটি মানুষের সাথে খারাপ ব্যবহার না করার জন্যও সবাইকে সতর্ক করেছেন।
ওসি শাহ কামাল আকন্দ এ প্রতিনিধি কে বলেন, থানায় কেউ শখ করে ঘুরতে আসে না। মানুষ বিপদে পড়লেই থানায় আসে। তাই তাদের সেবা প্রদানের পাশাপাশি ছোট্ট শিশুদেরকে চকলেট দিয়ে আপ্যায়ন করার ব্যবস্থা করেছি। কারণ, থানায় আগত এমন সেবা গ্রহীতারা রয়েছে যাদের বাড়ী দূরে,আমার সাথে সাক্ষাত করার জন্য অপেক্ষা করে,মামলার তদন্তসহ দায়িত্ব পালনে অনেকসময় থানার বাইরে থাকতে হয়। তাই সবাইকে চা-বিস্কুট দিয়ে আপ্যায়নের ব্যবস্থা আর সাথে শিশুদের জন্য চকলেট এর ব্যবস্থা করেছি। এছাড়া জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার পরপরই দেশের পুলিশ বাহিনীকে জনগণের পুলিশ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন,তার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে পুলিশবাহিনি কে জনগণের পুলিশ হিসাবে মানুষদের ভালবাসার নিদর্শন সরূপ এই ব্যবস্থা। থানায় সেবা নিতে গিয়ে ওসির এমন আপ্যায়নে জনতার কাছে প্রশংসার দাবীদার হয়ে উঠেছেন ওসি শাহ কামাল আকন্দ।
-

পঞ্চগড় গাঁজাসহ মাদক ব্যাবসায়ী গ্রেফতার
মো: বাবুল হোসেন পঞ্চগড় ;
গোপন সংবাদ এর ভিত্তিতে এসআই আলতাফ হোসেন সরকারের নেতৃত্বে বিশেষ মাদক উদ্ধার অভিযান পরিচালনা কালে ০৫ নং চাকলাহাট ইউপিস্থ কেকুপাড়া গ্রাম হতে মোছাঃ রিনা পারভীন (৩২),পিতা-মৃতঃ আব্দুল গফুর, স্বামী – রুহুল আমিন, সাং- চাকলাহাটমেহেরপাড়া,থানা-পঞ্চগড় সদর, জেলা- পঞ্চগড়কে ৯০০ গ্রাম গাঁজা সহ হাতেনাতে গ্রেফতার করে। উক্ত বিষয়ে পঞ্চগড় সদর থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে।
-

ময়মনসিংহে ওসি কামালের নেতৃত্বে কড়া নিরাপত্তায় আশুরার তাজিয়া মিছিল অনুষ্ঠিত।
আরিফ রববানী ময়মনসিংহ
পুলিশের কড়া নিরাপত্তায় ময়মনসিংহে পালিত হয়েছে
ইসলামি চন্দ্র বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মুহররমের দশম দিন পবিত্র আশুরা। দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষে কারবালার যুদ্ধে শাহাদাৎ হওয়া প্রিয় নবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এর নাতি হোসাইন ইবনে আলী ও তার পরিবারের সদস্যদের স্মরণে মিলাদ মাহফিল ও তাজিয়া মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৮আগষ্ট) দুপুরে নগরীর গাঙ্গিনার পাড়ে এই মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। পরে একটি তাজিয়া মিছিল গাঙ্গিনার পাড় থেকে শুরু হয়ে স্টেশন রোড হয়ে মহারাজা রোড দিয়ে ছোট বাজার হয়ে জেলা স্কুল মোড় ঘুরে বাউন্ডারি রোড হয়ে নতুন বাজার মোড় ঘুরে আবারো গাঙ্গিনার পাড় এসে পিলখানায় গিয়ে শেষ হয়। মিছিলকে কেন্দ্র করে সকল ধরনের নাশকতা প্রতিরোধ, আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রণে ময়মনসিংহ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ শাহিনুল ইসলাম ফকির, কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মোঃ শাহ কামাল আকন্দ, পিপিএম (বার) এর নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম কড়া নিরাপত্তা জোরধার করেন। এসময় কোতোয়ালী মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন,ইন্সপেক্টর অপারেশন ওয়াজেদ আলী, ১নং ফাড়ির ইনচার্জ এসআই আনোয়ার হোসেন, এসআই দেবাশীষ সাহা ও জেলা গোয়েন্দা ডিবি’র এসআই শরীফ হায়দার সহ পুলিশ নিরাপত্তা রক্ষায় কঠোরভাবে দায়িত্ব পালন করেন। ফলে অনাকাঙ্ক্ষিত কোন ঘটনা ছাড়াই শান্তিপুর্ণভাবে তাজিয়া মিছিলটি শেষ হয়। এছাড়া পাটগুদাম আটকে পড়া পাকিস্তানি ক্যাম্প থেকে পৃথকভাবে আরেকটি মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি ক্যাম্প থেকে বের হয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবারো পাটগুদাম ক্যাম্পে গিয়ে শেষ হয়।উল্ল্যেখ্য-পবিত্র আশুরা একটি গুরুত্বপূর্ণ ইসলামি দিবস যা ইসলামি চন্দ্র বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মুহররমের দশম দিনে অনুষ্ঠিত হয়। আশুরা কারবালার যুদ্ধে হোসাইন ইবনে আলী ও তার পরিবারের সদস্যদের শাহাদাতকে চিহ্নিত করে। শিয়া মুসলিমরা এই দিনে নবি মুহাম্মাদের নাতি এবং তার পরিবারের সাথে ঘটে যাওয়া বিয়োগান্তক ঘটনাকে স্মরণ করে।