Blog

  • বাংলাদেশী যুবকে পিটিয়ে হত্যা ভারতীয় সীমান্তে

    বাংলাদেশী যুবকে পিটিয়ে হত্যা ভারতীয় সীমান্তে

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড়
    পঞ্চগড়ে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে প্রবেশে করায় গরু চোর সন্দেহে সালাম (৩৫) নামে এক বাংলাদেশী যুবকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। দিনের আলোয় ভারতীয় এলাকার সীমান্তের চাবাগান থেকে ওই বাংলাদেশীকে যুবকে ধরে চোর সন্দেহে গণধোলাই দেয় ভারতীয় স্থানীয়রা।

    পঞ্চগড়ের সাতমেরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম রবি জানান, সালাম নামে ওই যুবক একজন গরু ব্যবসায়ী। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে বিজিবি কাছে সহায়তা চেয়ে একটি আবেদন করেছে। বিজিবি ও ভারতীয় সীমান্ত বাহিনীর (বিএসএফ) সাথে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। আশা করি সকল প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ফিরিয়ে আনা হবে।

    বিভিন্ন সূত্রে ও ভারতীয় গণমাধ্যমে জানা যায়, ওই বাংলাদেশি যুবক রাজগঞ্জ ব্লকের ভারত – বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকার লাগোয়া ১৯৫ ব্যাটলিয়নের চাউলহাটি সংলগ্ন বড়ুয়া পাড়া গ্রামে বুধবার রাত তিনটা নাগাদ দুটি বাড়িতে গরুর চুরি করতে একদল চোরের সাথে ঢুকে। এসময় স্থানীয়রা টের পেয়ে চিৎকার করলে গরু রেখে চোরেরা পালিয়ে যায়।

    এসময় সীমান্ত লাগোয়া গ্রামে চা বাগানে চোরেরা আশ্রয় নিলে রাত থেকে সকাল পর্যন্ত গ্রামবাসীদের পাহারায় সকালের সূর্যের আলোয় তাকে ধরে স্থানীয়রা। একই সময় গ্রামবাসীদের গণধোলাইয়ের মৃত্যু হয় ওই বাংলাদেশি যুবকের। ভারতের রাজগঞ্জ থানার পুলিশ খবর পেয়ে বিষয়টি তদন্তে নেমেছে। এদিকে বিজিবিও বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে বলে জানা গেছে।

    জানা যায়, মঙ্গলবার (২৩ আগস্ট) দিনগত গভির রাতে ভারতের জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ ব্লকের ভারত – বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকার চাউলহাটি সংলগ্ন বড়ুয়া পাড়া গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। নিহত বাংলাদেশি যুবক সালাম পঞ্চগড় সদরের সাতমেরা ইউনিয়নের কাহারপাড়া এলাকার মৃত শহিদুল ইসলামের ছেলে।

  • নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে বাঁশের বেড়া দিয়ে বিদ্যালয়ের মাঠ দখল

    নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে বাঁশের বেড়া দিয়ে বিদ্যালয়ের মাঠ দখল

    মো:বাবুল হোসেন পঞ্চগড় ;
    নাতিকে বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ দিতে সমঝোতা হয়নি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে। বিদ্যালয়ের মাঠ দখল করে বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘেরা দিয়েছেন এক ব্যক্তি ঘটনাটি পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায়।
    বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মাঠের সব জমি তাদের দাবি করলেও ওই ব্যক্তির বাঁশের বেড়া দেওয়া অংশটুকু তাদের এদিকে মাঠে বেরা দেওয়ায় দৈনিক সমাবেশ ও খেলাধুলা করতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের ঘটনার কয়েক দিন পেরিয়ে গেল বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি এতে শিক্ষার পরিবেশগত হওয়ার আশঙ্কা এলাকাবাসীর।

    পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা বেংহারী বনগ্রাম ইউনিয়নের মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠএকটি। মাঠের পশ্চিমে প্রাথমিক আর পূর্বে মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

    মাধ্যমিক বিদ্যালয় অফিস সহায়ক পদে নিজের নাতি নিশাতকে নিয়োগ দিতে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সম্মত না হওয়ায গত ৮ আগস্ট নিজের দাবী করে ১৩ শতক জমি দখল করে নিয়েছে এলাকার দবির উদ্দিন এবং উক্ত জমির উপরে একটি বাটোয়ারা মামলা করেছেন আদালতে।
    তার দাবি ৫ লক্ষ টাকা নিয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম তার নাতিকে নিয়োগ না দিয়ে বেশি টাকা নিয়ে অন্য প্রার্থীকে নিয়োগের চেষ্টা করেছে। টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করছেন প্রধান শিক্ষক তাই তারা এই ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়েছে। এমনকি নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ স্কুলে বিভিন্ন দপ্তরে দিয়েছেন লিখিত।

    নিয়োগ নিয়ে মাঠ দখলে পরিস্থিতির প্রতিষ্ঠানদুটি প্রায় ছয় শতাধিক শিক্ষার্থীর লেখাপড়ার পরিবেশ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি কোমলমতি শিক্ষার্থীরা পড়েছেন দুশ্চিন্তায়।

    বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য ফরহাদ হোসেন বলেন বহু পুরনো এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দুটি জমি রয়েছে।

    অথচ দবির উদ্দিন ও তার ছেলে বিদ্যালয়ের মাঠ দখল করে তাদের দাবি করেছেন।

    এদিকে দবির উদ্দিন বলেন এই বিদ্যালয়ের ছুটির জন্য জমি দিয়েছি আমরা ১৩ শতক জমি বিদ্যালয় দখলে ছিল আমরা বারবার বিষয়টি সুরাহা করার চেষ্টা করেছিলাম কিন্তু উনারা শোনেননি। সম্প্রতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক পদে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করলে আমার নাতি নিশাত আবেদন করে তাকে নেওয়ার বিপরীতে তারা বিদ্যালয় জমির বিষয়টি সমাধান করে দিবে বলে জানান জমির পাশাপাশি ৫ লাখ টাকা প্রধান শিক্ষককে দেই কিন্তু প্রধান শিক্ষক এখন টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন এবং শফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির কাছে ১০ লাখ টাকা নিয়ে আমার নাতিকে নেবে না বলে জানিয়ে দেয়। আমাদেরকে কথা দিয়ে কথা রাখেন নি প্রধান শিক্ষক আমাদের জমি আমরা দখলে নিয়েছে। দবির উদ্দিনের ছেলে হুমায়ুন কবির বলেন এখানে নিয়োগ বাণিজ্য চলছে আমরা জমিদাতা আমার ছেলে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করা আমার ছেলেকে নিবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে সরকার দলীয় লোক ছাড়া নিতে পারবে না তাই আমরা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়েছি।

    মানিকপীর দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন এখনো নিয়োগ পরীক্ষায় হয়নি তারা টাকা দেওয়ার মিথ্যা অভিযোগ করেছে নিয়োগের বিষয়টি আলাদা জমি দখলের বিষয়টি আলাদা তারা আদালতে মামলা করেছেন বাটোয়ারা আদালতের রায় না আসার আগেই জমি দখল করল কেন তারা আমরা বিষয়টি মৌখিকভাবে প্রশাসনকে জানিয়েছি তবে খুব শীঘ্রই লিখিত অভিযোগ দিব। মাঠ দখলে জড়িতদের বিচার দাবী সহ দখলমুক্ত করার জন্য প্রশাসনসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।

    পঞ্চগড় বোদা উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা সোলেমান আলী বলেন জমি সংক্রান্ত বিষয়ে ভালো ভাবে কাগজপত্র না দেখে মন্তব্য করা ঠিক হবে না আমরা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করব।

  • ডাক ও টেলিযোগাযোগ তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তফা জব্বারের মুন্সীগঞ্জে সফর

    ডাক ও টেলিযোগাযোগ তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তফা জব্বারের মুন্সীগঞ্জে সফর

    মোঃ‌লিটন মাহমুদ মুন্সীগঞ্জঃ

    গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ডাক ও টেলিযোগাযোগ তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তফা জব্বার মুন্সীগঞ্জ সফর করেছেন। ২৪ আগস্ট বেলা ১ টায় মুন্সিগঞ্জ সার্কিট হাউস মিলনায়তনে তিনি উপস্থিত হন।

    তার আগমন কে কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে নানা প্রস্তুতি। সার্কিট হাউস চত্তরে জেলা পুলিশের আয়োজনে প্যারেড ও সালাম প্রদর্শন করা হয়।এ সময় তিনি সালাম গ্রহন করেন।

    এতে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রসাশক( শিক্ষা ও আইসিটি) মো. কামরুল ইসলাম খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( প্রশাসন ও অর্থ) সুমন দেব।

    পরে সার্কিট হাউস মিলনায়তন থেকে দুপুর ২ টায় সদরের জাজিরা কুঞ্জ নগর ও বাঘাইকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে যান।

    সুবিধাবঞ্চিত প্রত্যন্ত অঞ্চলের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা ব্যবস্থা ডিজিটাল করণ “ডিজিটাল ডিভাইস “সরবরাহ পরিদর্শন করেন তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

    এছাড়াও সদরের রিকাবিবাজার পোস্ট অফিস পরিদর্শন শেষে সিরাজদিখান উপজেলায় পোষ্ট অফিস পরিদর্শন করেন।

    এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ইউএইডি প্রোজেক্টের ডাইরেক্টর আব্দুল ওহাব, ডেপুটি প্রজেক্ট ডাইরেক্টর ইঞ্জিনিয়ার গোলাম সারোয়ার, পিটিআই সুপার দিল আফরোজ খানম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হুসাইন মুহাম্মদ আল জুনায়েদ, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মাসুদ ভুইয়া সহ অন্যান্যরা।

  • সরকারি স্বরূপকাঠি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কোচিং ও গাইড বানিজ্য

    সরকারি স্বরূপকাঠি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কোচিং ও গাইড বানিজ্য

    আনোয়ার হোসেন।
    স্বরূপকাঠি(পিরোজপুর) প্রতিনিধি//

    সরকারি স্বরূপকাঠি পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক শ্রেনীর শিক্ষকরা কোচিং ও গাইড বানিজ্য নিয়ে ব্যস্ত থাকেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বানিজ্যিক মনোভাবাপন্ন এ ধরনের শিক্ষকরা বাড়িতে অথবা বিল্ডিং ভাড়া নিয়ে কোচিংসেন্টার খুলেবসেছেন। স্কুলের মতো গণহারে পড়ানো কোচিং করা শিক্ষার্থীদের প্রতি রয়েছে তাদের আলাদা দৃষ্টিভঙ্গি। নতুন শিক্ষার্থী আকর্ষণ করতে মাঝে মাঝে পিকনিকে নিয়ে যাওয়ার নামে ছাত্রী উধাও হওয়ার মতো অনাকাঙ্খিত ঘটনাও ঘটছে। পিকনিকে যেতে দরিদ্র অভিভাবকদের ওপর চাঁদার চাপ বেড়ে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে।

    এদের মধ্যে আমিনুল ইসলাম নামে রাজনীতি সংশ্লিষ্ট এক প্রভাবশালী শিক্ষক নিজের লাইব্রেরীর মাধ্যমে অবাধে গাইড বই বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন ।একই শিক্ষার্থীকে একাধিক প্রকাশনীর গাইড কেনার পরামর্শ দেয় এসব শিক্ষকরা। এ ছাড়াও এক বিষয়ে পারদর্শী একজন শিক্ষক তার কোচিংয়ের শিক্ষার্থীকে সকল সাবজেক্ট পড়ানো হয়। স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী এ শিক্ষকদের কাছে না পড়লে নম্বর কম পাওয়ার ভয় থেকে শিক্ষার্থীরা অনেকটা বাধ্য হয়ে তাদের কোচিংয়ে পড়তে যান।

    অভিভাবকদের অভিযোগের সুত্রে অনুসন্ধানে জানাগেছে স্বরূপকাঠি পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রায় এক ডজন শিক্ষক কোচিং বানিজ্যের সাথে জড়িত। এদের মধ্যে আমিনুল ইসলাম,জিয়াউল ইসলাম,আতাউর রহমান নিজ বাড়িতে এবং ভাড়া বিল্ডিংয়ের বিশাল স্পেস নিয়ে কোচিং সেন্টার খুলে বসেছেন। বিদ্যালয়ের পাঠ দানের মতো সারি সারি শিক্ষার্থী বসে একসাথে ক্লাশ করছে সেখানে।

    শিক্ষার্থী সংখ্যা বাড়ানোর প্রতিযোগিতায় মাঝে মাঝে ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে পিকনিকে ও য়ায় তারা। গত ১৮ অগষ্ট বৃহসপতিবার ওই তিন শিক্ষক মিলে তাদের শিক্ষার্থীদের নিয়ে উজিরপুরের সাতলা বিলে পিকনিকে যায়। সেখান থেকে অষ্টম শ্রেনীর এক ছাত্রী উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয়। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর পরিবার থানায় অভিযোগ করেন। তার দুইদিন পরে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। এক সময় ছাত্রদলের সক্রিয় ক্যাডার সহকারী শিক্ষক আমিনুল ইসলাম এখন আওয়ামীলীগের কিছু নেতার ছত্র ছায়ায় লাইব্রেরী ব্যবসার নামে বিভিন্ন প্রকাশনী সংস্থার গাইড বিক্রি করছেন। আমিনুল এসব গাইডের একটি অংশ পাইলট বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর চাপিয়ে দেন বলে অভিযোগ আছে।

    মাইদুল হাসান মাহিন নামের এক ছাত্রের অভিভাবক মিজানুর রহমান চান্দু বলেন,পিকনিকে যাওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের (বিশেষ করে ছাত্রীদের) ভোর পাঁচটায় ট্রলার ঘাটে আসতে বলা দায়িত্বজ্ঞান সম্পন্ন শিক্ষকদের কাজ হওয়া উচিৎ ছিল না। আর একজন অভিভাবক বলেন পিকনিকে যাওয়ার জন্য তার মেয়েকে ভোর পাঁচটায় মধ্যে ট্রলার ঘাটে আসতে নির্দেশ দেন শিক্ষকরা।শিক্ষার্থীরা এক কোম্পানীর গাইড কিনে পড়ার মধ্যেই ৫/৬ মাস পরে কিছু শিক্ষক অন্য একটি প্রকাশনীর বই ভালো এবং সেটি কিনতে পরামর্শ দেয়। এসব শিক্ষকরা গাইড বিক্রেতাদের কাছ থেকে সুবিধা পান বলে অভিভাবকদের অভিযোগ।

    এসব অভিযোগের বিষয় জিয়াউল ইসলাম ও আতাউর রহমান বলেন, সরকারি আইনে কোচিং বন্ধ করা হয়নি। তাছাড়া অভিভাবকরা তাদের
    সন্তানকে আমাদের কাছে পড়তে পাঠান। শিক্ষক আমিনুল ইসলাম আরো একধাপ এগিয়ে বলেন, সরকার গাইড বই বিক্রি নিষিদ্ধ করেনি। তার অনেক ক্লাশমেট প্রশাসনের উঁচুস্তরে চাকুরী করেন বলেও তিনি জাহির করেন।

    ওই বিদ্যালয়ের একজন সাবেক প্রধান শিক্ষক বলেন,বিদ্যালয়টি বেসরকারি থেকে সরকারি হওয়ার পরে কিছু শিক্ষক খেয়াল খুশী মতো চলেন। তিনি বলেন,রাজনৈতিকভাবে নিয়োগ পাওয়া কিছু শিক্ষক সহকর্মি মনে করে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককেও গুরুত্ব দেন না।

    শিক্ষকদের এসব অনিয়মের বিষয় জানতে চাইলে সরকারি স্বরূপকাঠি পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মো. কামাল হোসেন বলেন,বিদ্যালয়ে নামে তারা পিকনিকে যায়নি। তবে এভাবে শিক্ষার্থীদের নিয়ে পিকনিকে যাওয়া ঠিক হয়নি বলেও তিনি স্বীকার করেন।

    এসব বিষয় নিয়ে বিদ্যালয়ের সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোশারেফ হোসেন বলেন, তিনি শিঘ্রই প্রধান
    শিক্ষকসহ অন্যান্যদের সাথে বসবেন এবং অনিয়ম করলে ব্যবস্থা নিবেন।

  • পঞ্চগড়ে ধর্ষণ মামলায় একজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

    পঞ্চগড়ে ধর্ষণ মামলায় একজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড়:
    একটি ধর্ষণ মামলায় এক যুবকের যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। তার নাম সাইদুল ইসলাম (৩২)। অপরদিকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার অন্য দুই আসামিকে খালাস দেন ওই আদালত।মঙ্গলবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে পঞ্চগড় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালের বিচারক বি এম তারিকুল কবির এই রায় দেন।

    আদালতে মামলার সূত্রে জানা যায়, ওই সাইদুল ইসলাম ২০১৩ সালে তেঁতুলিয়ার শালবাহান ইউনিয়নের এ্যাকুয়া ব্রিডার্স নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে রাজমিস্ত্রির কাজ করতে আসে। কাজের ফাঁকে প্রতিষ্ঠানটির পাশের বাড়ির এক তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন।

    একপর্যায়ে শালবাহান ইউনিয়নের ডাকবদলী গ্রামের জাহেদুল ইসলাম ও তার স্ত্রী পারভীনা বেগমের সহযোগিতায় তাদের বাড়িতে নিয়ে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে সাইদুল। পরে বিয়ের প্রলোভনে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। এরই মধ্যে তরুণী অন্তঃসত্বা হয়ে পড়ে। পরে বিষয়টি বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়ে যায়।

    পরবর্তীতে ২০১৩ সালের ২৩ আগস্ট তরুণীর বাবা বাদী হয়ে তেঁতুলিয়া মডেল থানায় সাইদুল ইসলাম, জাহেদুল ইসলাম ও তার স্ত্রী পারভীন বেগমের বিরুদ্ধে মামলা করেন। তদন্ত সাপেক্ষে পুলিশ আদালতে মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেন এবং দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। এদিকে ওই মামলার রায়ে আসামী জাহেদুল ইসলাম ও তার স্ত্রী পারভীনা বেগমকে বেকুসুর খালাস প্রদান করেন।

  • সাতক্ষীরার নবাগত পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করলেন  কাজী মনিরুজ্জামান

    সাতক্ষীরার নবাগত পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করলেন কাজী মনিরুজ্জামান

    মোঃআজিজুল ইসলাম(ইমরান)
    সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করলেন কাজী মনিরুজ্জামান। আজ মঙ্গলবার ২৩ আগস্ট জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব ভার গ্রহণ করেন তিনি।
    নবাগত পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামান, সাতক্ষীরা জেলায় যোগদান করেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্যে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।
    নবাগত পুলিশ সুপারকে তার কার্যালয়ে ফুলেল শুভেচ্ছায় স্বাগত জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃসজিব খান (প্রশাসন ও অর্থ),অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কনক কুমার দাস (ক্রাইম এন্ড অপস) ও সদর সার্কেল,তালা সার্কেল, দেবহাটা সার্কেল, কালিগঞ্জ সার্কেল।
    নবাগত পুলিশ সুপার যোগদানের পর সাক্ষাৎ করেন অত্র জেলার আগত অতিথি আইজিপি মহোদয়ের সহধর্মিনীর সাথে এবং তিনি সকল অফিসার ইনচার্জ এবং সকল পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যদের সাথেও সৌজন্য সাক্ষাৎকার ও মতবিনিময় করেন।

  • কালীগঞ্জে আইনি সহায়তা বিনা খরজের বিষয়ে প্রচারনা

    কালীগঞ্জে আইনি সহায়তা বিনা খরজের বিষয়ে প্রচারনা

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।।

    লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে উপজেলার দলগ্রাম দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে, বিনা খরচে আইনি সহায়তার, প্রচারণা বাড়ানোর জন্য এক বিতর্ক প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

    “বিনা খরচে নিন আইনি সহায়তা শেখ হাসিনার সরকার দিচ্ছে এই নিশ্চয়তা” ইউএসএআইডি’র প্রমোটিং পিস এন্ড জাস্টিস (পিপিজে)- প্রকল্পের আওতায় আরডিআরএস বাংলাদেশ লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ উপজেলায় দলগ্রাম দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে সরকারি আইনগত সহায়তা প্রদান বিষয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রচারণা বাড়াতে বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।

    উক্ত বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আরডিআরএস বাংলাদেশ (পিপিজে)- প্রকল্পের ফিল্ড অফিসার সীমা রানী সাহা, প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো: জাহাঙ্গীর আলম বিপস্ন,এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ আরো অনেক।

    হাসমত উল্লাহ।।

  • গোদাগাড়ী খাদ্য কর্মকর্তাকে তথ্য দিতে কমিশনের নির্দেশ

    গোদাগাড়ী খাদ্য কর্মকর্তাকে তথ্য দিতে কমিশনের নির্দেশ

    হায়দার আলী,
    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী : রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা শফিকুল ইসলামকে তথ্য অধিকার আইনে আবেদনকরীকে আগামী ২০ দিনের মধ্যে তথ্য দিতে কড়া নির্দেশনা প্রদান করেছেন তথ্য কমিশন।

    জানা যায়, গোদাগাড়ী উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বরাবর গত ১৬ মার্চ গোদাগাড়ী পৌর এলাকার আব্দুল বাতেন বিভিন্ন তথ্য চেয়ে আবেদন করেন। তথ্য অধিকার আইন (২০০৯) অনুযায়ী ২০ কার্যদিবসের মধ্যে তথ্য দেওয়ার নিয়ম থাকলেও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক শফিকুল ইসলাম আবেদন কারীকে তথ্য প্রদান করেননি।

    নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদনকারী খাদ্য কর্মকর্তার সাথে গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: জানে আলমের উপস্থিতিতে যোগাযোগ ও তথ্য দেওয়ার বিষয়টি অবগত করলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রককে তথ্য দিতে নির্দেশ দিলেও তা কর্ণপাত করেননি।

    পরে তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী আবেদনকারী রাজশাহী জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বরাবর গত ১৭ এপ্রিল তথ্য পাওয়ার জন্য আপিল করেন। জেলা খাদ্য কর্মকর্তা দিলদার মাহমুদ আপিল আবেদন পাওয়ার পর গত ১৮ মে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তাকে ২২ মের মধ্যে তথ্য দিতে চিঠি দেয়। এই চিঠির আদেশ অমান্য করে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ শফিকুল ইসলাম আবেদন করীকে তথ্য না দিয়ে নানান টালবাহানা শুরু করে।

    পরে আবেদনকারী তথ্য অধিকার আইন অনুসারে প্রধান তথ্য কমিশনার বরাবর গত ৩ জুলাই অভিযোগ দায়ের করেন। তথ্য কমিশন অভিযোগ পাওয়ার পর তা আমলে নিয়ে নিষ্পত্তির জন্য গত ২২ আগস্ট শুনানির দিন ধার্ষ করে সমন জারি করে। এতে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক শফিকুল ইসলাম ও তার সহয়োগী হিসেবে খাদ্য পরিদর্শক শফিউর রহমান ও অভিযোগকারী আব্দুল বাতেন ভার্চুয়ালী শুনানিতে অংশ গ্রহণ করেন।

    প্রধান তথ্য কমিশনার মরতুজা আহমদন ও তথ্য কমিশনার সুরাইয়া বেগম উভয়ের বক্তব্য শুনেন। শুনানিতে উপজেলা খদ্য নিয়ন্ত্রক শফিকুল ইসলামকে প্রধান তথ্য কমিশনার আবেদনকরীকে কেনো তথ্য দেওয়া হয়নি তা জানতে চাওয়া হলে প্রথমে তা অস্বীকার করে বলেন তিনি কোন তথ্য চাননি, আমাদের সাথে যোগাযোগ করেননি।

    পরে তথ্য কমিশনারের প্রশ্নের তোপে পড়ে বিষয়টি স্বীকার করেন বলেন আবেদনকরী আমাদের সাথে আর যোগাযোগ করেননি। সেই সময় প্রধান তথ্য কর্মকর্তা পুনরায় প্রশ্ন করেন আবেদনকরীকে তথ্য প্রদানের জন্য ডেকেছেন এমন এমন চিঠি দেখান। এই সময় খাদ্য কর্মকর্তা তা দেখাতে পারেননি। পরে আবেদন কারীকে প্রধান তথ্য কর্মকর্তা এসব বিষয়ে জানতে চাইলে তা ডকুমেন্টস সহ বক্তব্য পেশ করেন।

    তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা খাদ্য নিয়ন্ত্রক শফিকুল ইসলাম ও খাদ্য পরিদর্শকের শফিউর রহমানের কথার সত্যতা না পেয়ে প্রধান তথ্য কর্মকর্তা মরতুজা আহমেদ আগামী ২০ দিনের মধ্যে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক শফিকুল ইসলামকে আবেদনকারী আব্দুল বাতেনকে তথ্য দিতে কড়া নির্দেশনা প্রদান করেন।

    এই বিষয়ে গোদাগাড়ী উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক শফিকুল ইসলাম তথ্য কমিশনের শুনানিতে অংশগ্রহণ ও আগামী ২০ দিনের মধ্যে প্রধান তথ্য কমিশনারের তথ্য দেওয়ার নির্দেশনা স্বীকার করে বলেন,আবেদনকারীকে তথ্য দেওয়ার জন্য সকল প্রক্রিয়া প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং তাকে ডাকা হবে বলে জানান।

    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • পাবনার চাটমোহরে আগস্ট ২০২২মাসের আইন শৃংখলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

    পাবনার চাটমোহরে আগস্ট ২০২২মাসের আইন শৃংখলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

    চাটমোহর (পাবনা)প্রতিনিধিঃ

    চাটমোহর উপজেলা আইন শৃংখলা কমিটি এবং উপজেলা সন্ত্রাস, নাশকতা ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ কমিটির আগস্ট ২০২২ মাসের যৌথ সভা আজ ২৪ আগস্ট বুধবার বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. মমতাজ মহল-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আলোচনায় অংশ নেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. ইসাহক আলী মানিক, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন, নিমাইচড়া ইউপি চেয়ারম্যান নুরজাহান বেগম মুক্তি, গুনাইগাছা ইউপি চেয়ারম্যান রজব আলী বাবলু, ছাইকোলা ইউপি চেয়ারম্যান মো. নুরুজ্জামান নুরু, বিলচলন ইউপি চেয়ারম্যান মো. আক্তার হোসেন, মুলগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান মো. রাশেদুল ইসলাম বকুল, মথুরাপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. শাহ আলম, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সুজিত কুমার মুন্সি, পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর সহকারি জেলারেল ম্যানেজার আলহাজ উদ্দিন শেখ, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর কাউন্সিলর মো. নাজিম উদ্দিন মিয়া, ডিবিগ্রাম বয়েন উদ্দিন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম, চাটমোহর প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক রকিবুর রহমান টুকুন, সাপ্তাহিক সময় অসময় পত্রিকা প্রকাশক ও সম্পাদক কে. এম. বেলাল হোসেন স্বপন, দৈনিক আমাদের বড়াল পত্রিকা সম্পাদক হেলালুর রহমান জুয়েল, চাটমোহর ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ মো. জিয়াউল হক সিন্টু, ব্র্যাক কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামান প্রমূখ।

    আলোচনায় বাল্য বিয়ে প্রতিরোধ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ, উন্মুক্ত জলাশয়ে মৎস্য আহরণে সৃষ্ট সংকট নিরসনে নজরদারি, স্বোতিজাল বন্ধ রাখা, নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে ইভটিজারদের নিয়ন্ত্রণ, মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের এন্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার, পৌর সদরের ময়লা সমস্যার সমাধান, বড়াল নদীকে ময়লার ভাগার থেকে রক্ষা, ট্রেনের টিকিট কালো বাজারী বন্ধ করণ, রেজিষ্ট্রেশন বিহীন মোটর সাইকেল নিয়ন্ত্রণ, সারের অতিরিক্ত মূল্য নিয়ন্ত্রণ, গ্রামপর্যায়ে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিভ্রাট নিরসনের বিষয় গুলো গুরুত্বের সাথে উঠে আসে।

    সভায় চাটমোহর উপজেলার বিভিন্ন বিভিন্ন ইউপি চেয়ারম্যান, সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক নেতৃতৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগণ সহ উভয় কমিটির সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

    সংবাদদাতা
    চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি।

  • সুজানগরে পুলিশ সদস্য হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ গ্রেফতার-৫

    সুজানগরে পুলিশ সদস্য হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ গ্রেফতার-৫

    এম এ আলিম রিপনঃ পাবনার সুজানগরে জাহাঙ্গীর আলম (৬৫) নামে এক অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি আশরাফ আলী সহ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার হত্যাকান্ড সংঘঠিত হওয়ার চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে মামলার পাঁচ আসামিকে গ্রেফতার করে। এদিকে এ ঘটনায় নিহত অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে জুবায়ের তাঁর পিতা হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগ এনে ২৪ জনকে আসামি করে মঙ্গলবার সকালে সুজানগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। গ্রেফতারকৃত অন্যরা হলেন উপজেলার তাঁতীবন্দ ইউনিয়নের জিয়ালগাড়ী ভবানীপুর গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে আকরাম হোসেন, খলিলুর রহমানের ছেলে আনোয়ার হোসেন, মো.আরশেদ আলীর ছেলে নাজমুল হোসেন ও সাঁথিয়া থানার ভৈরবপুর গ্রামের মোকারম হোসেনের ছেলে মনিরুল ইসলাম। সুজানগর থানার ওসি আব্দুল হাননান জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। মামলার অপর আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামিদের পুলিশ রিমান্ডের আবেদনসহ মঙ্গলবার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। উল্লেখ্য পূর্ব বিরোধের জের ধরে উপজেলার তাঁতীবন্দ ইউনিয়নের জিয়ালগাড়ী ভবানীপুর গ্রামে সোমবার দু’পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় টেঁটাবিদ্ধ হয়ে জাহাঙ্গীর আলম নামে এক অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য নিহত ও উভয়পক্ষে অন্তত ১০জন আহত হন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।