Blog

  • নড়াইলের প্রথম নারী এসপি সাদিরা খাতুন

    নড়াইলের প্রথম নারী এসপি সাদিরা খাতুন

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন নড়াইল জেলায় প্রথম নারী পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে
    সাদিরা খাতুন। বুধবার (২৪ আগস্ট) বিকালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায়ী পুলিশ
    সুপার প্রবীর কুমার রায় (অতিরিক্ত ডিআইজি) নবাগত পুলিশ সুপারের কাছে
    দায়িত্ব হস্তান্তর করেন।
    সাদিরা খাতুন আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) সদর দপ্তরে পুলিশ সুপার
    (ইন্টেলিজেন্স) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
    গত ৩ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের উপ-সচিব ধনঞ্জয়
    কুমার দাস স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে সাদিরা খাতুনকে নড়াইলের পুলিশ সুপার
    হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
    সাদিরা খাতুন ১৯৮০ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় জন্মগ্রহণ
    করেন। তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ অনুষদ থেকে স্নাতক
    (সম্মান) ও ফিশারিজ বায়োলজি এবং জেনেটিকস বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর পাস
    করেন। ২৫তম বিসিএসে (পুলিশ) সম্মিলিত মেধা তালিকায় তৃতীয় স্থান অর্জন
    করেন। ২০০৭ সালে সারদা পুলিশ একাডেমির প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন করে
    নাটোরে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে চাকরি জীবন শুরু করেন।
    নড়াইল জেলায় প্রথম নারী পুলিশ সুপার সাদিরা খাতুনের প্রতি নড়াইলবাসীর আশা
    আকাংখা অনেক।

  • র‌্যাব-১২’র অভিযানে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় ৯০০(নয়শত) গ্রাম হেরোইনসহ ০১ জন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আটক

    র‌্যাব-১২’র অভিযানে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় ৯০০(নয়শত) গ্রাম হেরোইনসহ ০১ জন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আটক

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি।।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    এর ধারাবাহিকতায় ২৩/০৮/২০২২ ইং তারিখ বিকেল ১৫:১০ ঘটিকার গোপন সাংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১২ এর সদর কোম্পানীর একটি চৌকষ আভিযানিক দল সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানাধীন রামারচর সাকিনস্থ নেছারিয়া হোটেল এ্যান্ড রেস্টুরেন্ট এর সামনে পাঁকা রাস্তার উপর এক মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে ৯০০(নয়শত) গ্রাম হেরোইনসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে। এছাড়াও তাহার নিকট হইতে মাদক ক্রয়-বিক্রয়ের কাজে ব্যবহৃত ০২ টি মোবাইল ও নগদ ৪,৫৪৪/- (চার হাজার পাঁচশত চুয়াল্লিশ) টাকা জব্দ করা হয়।

    গ্রেফতারকৃত আসামীঃ মোঃ রফিকুল ইসলাম (৪৩), পিতা-মৃত সৈয়দ আলী, সাং- আমনুরা লক্ষীপুর, থানা- নাচোল, জেলা- চাঁপাইনবাবগঞ্জ ।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, এই মাদক ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন যাবৎ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার চোখ ফাঁকি দিয়ে সিরাজগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিল।

    গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করত উদ্ধারকৃত আলামতসহ তাহাকে সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

    এ ধরণের মাদক উদ্ধার অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত সোনার বাংলা গঠনে র‌্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।

    র‌্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদক , অস্ত্রধারী ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।

    স্বাক্ষরিত

    মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান

    সহকারী পুলিশ সুপার

    মিডিয়া অফিসার

    র‌্যাব-১২

    মোবা-০১৭৭৭-৭১১২০৩

  • পীরগঞ্জে চুরি করতে এসে মোটরসাইকেল রেখে পালালো চোর

    পীরগঞ্জে চুরি করতে এসে মোটরসাইকেল রেখে পালালো চোর

    আবু জাহেদ, পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি:
    ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে বাড়িতে চুরি করতে এসে মোটরসাইকেল রেখে চোর পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল দিবাগত রাতে উপজেলার পৌর শহরের গোয়াগাঁও এলাকায় বিশিষ্ট্য ব্যাবসায়ী নাসির উদ্দীনের বাড়িতে এ ঘটনাটি ঘটে।
    ব্যাবসায়ী নাসির উদ্দীন জানান তিনি দীর্ঘ দিন ধরে উপজেলা শহরে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যাবসা করেন। তিনার মাধ্যমে উপজেলার পৌর শহরসহ ১০ টি ইউনিয়নের মধ্যে গ্যাস সিলিন্ডার সরবাহ করতেন । তিনার ধারনা চোর তার বাড়ি সংগ্লন সিলিন্ডারের গোডাউন থেকে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার চুরির করার উদেশ্যে এসেছিলেন।
    রাতে হঠাৎ করে গাড়ীর শব্দ হলে ব্যাবসায়ী নাসির উদ্দীন ঘর থেকে বাহিরে বের হলে চোর মোটরসাইকেল রেখে চোর দৌড়িয়ে পালিয়ে যায়। তবে ব্যাবসায়ী নাসির চোরকে চিনতে পারেন নি। এর আগেও তার বাসা থেকে চুরির ঘটনা ঘটেছিল।
    পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম জানান এ বিষয়ে কোন মামলা হয়নি। ঘটনা স্থল থেকে পুলিশ মোটরসাইকেল উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছে।

    আবু জাহেদ
    পীরগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও

  • পীরগঞ্জে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষন

    পীরগঞ্জে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষন

    আবু জাহেদ, পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি:
    ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে ক্ষুদ্র-নৃ-গোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নের ব্লাক বেঙ্গল ছাগল ও ভেড়া পালন বিষয়ে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষনের উদ্বোধন করা হয়েছে। গতকাল বুধবার উপজেলা পরিষদের আয়োজনে উপজেলা পরিচালন ও উন্নয়ন প্রকল্প (ইউজিডিপি) এবং স্থানীয় সরকার বিভাগ ও জাপন ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সী (জাইকা)’র সহযোগীতায় উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের প্রশিক্ষন কক্ষে আনুষ্টানিক ভাবে ২ দিন ব্যাপি প্রশিক্ষনের উদ্বোধন করা হয়।
    প্রশিক্ষনে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সহ.সভাপতি আলহাজ্ব আখতারুল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান সুকুমার রায়, জাইকার প্রতিনিধি জসিম উদ্দিন, কোর্স সমন্বয়কারী উপজেলা প্রানিসম্পদ কর্মকর্তা(ভারপ্রাপ্ত) ডা. সোহেল রানা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহরিয়ার নজির প্রমুখ।
    উদ্বোধন শেষে প্রশিক্ষনার্থীদের মাঝে ব্লাক বেঙ্গল গোট ও ভেড়া পালন বিষয়ে দক্ষতা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ন শেষন পরিচালনা করেন, জেলা প্রানিসম্পদ কর্মকর্তা ডা.মো. আবুল কালাম আজাদ, ভেটেরিনারী সার্জন ডা.মো. সোহেল রানা, উপসহকারী প্রানিসম্পদ কর্মকর্তা আহসান হাবীব সহ অন্যান্য প্রশিক্ষক গণ।

  • ইসলামাবাদে ছাত্রী ধর্ষণ চৌফলদন্ডী হাই স্কুলের শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ – ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা

    ইসলামাবাদে ছাত্রী ধর্ষণ চৌফলদন্ডী হাই স্কুলের শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ – ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা

    মোঃ কাউছার ঊদ্দীন শরীফ, ঈদগাঁওঃ

    কক্সবাজার সদরের চৌফলদন্ডী হাই স্কুলের শিক্ষক মিটন কান্তি দের বিরুদ্ধে ছাত্রী ধর্ষণের মামলা দায়ের করা হয়েছে।ধর্ষিতা ছাত্রীর বাবা প্রদ্বীপ কান্তি দে বাদী হয়ে ঈদগাঁও থানায় এজাহার দায়ের করেন।
    বুধবার (২৪ আগষ্ট) মামলা রেকর্ড করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন থানা অফিসার ইনচার্জ।

    এজাহারে জানা যায়, চৌফলদণ্ডী হাই স্কুলের সহকারী শিক্ষক মিটন কান্তি দে ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামাবাদ ইউনিয়নের হিন্দু পাড়া এলাকার সমির কান্তি দের ছেলে। সে দীর্ঘদিন ধরে নিজ বাড়ীতে বিভিন্ন ছাত্র ছাত্রীদের সন্ধ্যা থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত প্রাইভেট পড়াত। অন্যান্যদের সাথে পড়ত একই এলাকার প্রদীপ কান্তি দের এসএসসি পরীক্ষার্থী মেয়ে ( চদ্ম নাম)সপ্না। ছাত্রী সপ্নাকে সে বিভিন্ন সময় কারাপ প্রস্তাব দিয়ে আসছে। ১৬/০৭/২২ইং তার অন্যান্য ছাত্র ছাত্রীদের কৌশলে বিদায় করে সপ্নাকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। রাজী না হলে এক পর্যায়ে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে লম্পট এ শিক্ষক। এ ঘটনায় ছাত্রী আত্মহত্যার চেষ্টা করে একধিক বার। একটি চক্র এ ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য আপোষ মিমাংসার কথা বলে কাল ক্ষেপন করে। পরে ছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে ঈদগাঁও থানায় এজাহার দায়ের করেন। এ ব্যপারে বাদী প্রদ্বীপ কান্তি দে এজাহার দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, একটি চক্র আপোষ মিমাংসার চেষ্টা করে স্টাম্প নিয়ে ছিল। সে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে এবং পরে পালিয়ে যায়।
    এ ব্যাপারে ঈদগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল হালিমের সাথে কথা হলে জানান এ শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।
    এ ব্যাপারে অভিযোগ উঠা শিক্ষক মিটন কান্তি দে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন আপোষ মিমাংসার কথা চলছে। আপোষ হয়ে গেলে মামলা প্রত্যাহার করে নেয়া হবে।
    অন্যদিকে একটি চক্র এই ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা এবং সাংবাদিকদের কথা বলে লম্পট শিক্ষকের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ ও প্রচার হয়েছে।এলাকাবাসী এই লম্পট শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

  • রামপালে ফারুক হত্যা মামলায় নেই কোন অগ্রগতি ,  আসামীদের মামলা তুলে নিতে হুমকি

    রামপালে ফারুক হত্যা মামলায় নেই কোন অগ্রগতি , আসামীদের মামলা তুলে নিতে হুমকি

    এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি || বাগেরহাটের রামপালে গত চার মাস পূর্বের একটি হত্যা মামলার কোন অগ্রগতি হয়নি। এ মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামীর মধ্যে একজন আদালতে আত্মসমর্পণ করেন অপরজন উচ আদালত থেকে আগাম জামিন নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে । পলাতক আসামীরা বাদী পক্ষকে মামলা তুলে মিমাংশার জন্য মানসিকভাবে চাপ দিচ্ছে।

    জানাগেছে মামলার বাদী উপজেলার উজলকুড় গ্রামের আশিকুল ইসলাম (২৪) এর বাড়ির কাছে একটি ধান ক্ষেতে গত ইং ০৬-০৪-২০২২ তারিখ সকাল ১০টায় হাঁস ধানের জমিতে যাওয়াকে কেন্দ্র করে তার মা খুরশিদা বেগম ও ভাই এনামুলের সাথে একই এলাকার মামলার ৪নং আসামী সিদ্দিক শেখের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তা হাতাহাতির পর্যায়ে গড়ায়। বাদী আশিকুল ইসলামের ভাই মিজানুর রহমান ওই দিন বিষয়টি ইফতারির পর উভয় পক্ষকে ডেকে মিমাংশার উদ্যােগ নেন। তার ওই উদ্যোগ অগ্রায্য করে সিদ্দিক আলী তার ছেলে-মেয়ে ও আত্মীয় স্বজনদের খবর দিয়ে বাড়িতে ডেকে এনে জড়ো করেন। পরে তারা বিকাল সাড়ে ৫ টার সময় আশিকুল ইসলামের বাড়িতে হামলা চালায়।
    এসময় আশিকুলের ভাই এনামুল অন্যদের সহায়তা চেয়ে চিৎকার করলে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। তার চিৎকার শুনে স্থানীয় বাইতুল আমান জামে মসজিদ থেকে নামাজ পড়ে বের হওয়া মাত্র আশিকুলের ভাই ওমর ফারুক ওরফে আজাবুলকে প্রতিপক্ষের লোকজন ঘিরে ফেলে ধরালো দা দিয়ে এলোপাতাড়িভাবে কুপিয়ে জখম করে ফেলে চলে যায়। এতে তার প্রচুর রক্তক্ষরন হয়। ঠোকাতে গেলে তার ভাই মিজানুর রহমানকেও কুপিয়ে জখম করা হয়। পরে তাদেরকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে ফয়লাহাট সুন্দরবন প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এখান ওমর ফারুকর অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে রাতেই খুলনা মেডিকল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষনা করেন। ওই রাতে সোনাডাঙ্গা থানায় একটি সাধারন ডায়রি করা হয়। ডায়নির নং ৫২৯।
    খবর পেয়ে রামপাল থানা পুলিশ নিহত ওমর ফারুকের ভাই এ মামলার বাদী আশিকুল ইসলামক ডেকে থানায় নিয়ে একটি সাদা কাগজে স্বাক্ষর রাখেন। তাকে বলা হয় একদিন পর থানায় মামলা নেয়া হবে। বাদী আশিকুল ইসলাম জানান ৮-৪-২০২২ তারিখ ওমর ফারুকের লাশ দাফন করে পরদিন ইং ৯-৪-২০২২ তারিখ থানায় মামলা করতে গিয়ে দেখেন তার কাছ থেকে পুর্ব স্বাক্ষর নেয়া সাদা কাগজে প্রকৃত দোষীদের বাদ দিয়ে ৫ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার নং ৬। ওই মামলায় আসামী করা হয় আলী শেখ (২৮), কামাল শেখ (৩৫), জামাল শেখ (৩২), সিদ্দিক শেখ (৬০) ও তার মেয়ে নাছিমা খাতুন (৩২)কে।

    বাদী পক্ষের অভিযোগ এ হত্যার ঘটনার সাথে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ ভাবে জড়িত ছিল শামীম শেখ (২৪), মোহাম্মাদ শেখ (২২), ফারুক শেখ (৪৮), লিটন শেখ (৪০), কুলসুম বেগম (৩০) ও আবুল কাশম (৫৫)। পুলিশ এ ৬ অপরাধির নাম আসামীর তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করেনি। এ নিয়ে আপত্তি জানানো হলেও কোন কাজ হয়নি। পরবর্তীতে আদালতে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং জিআর ৫৭/২০২২। মামলার ১নং আসামী আলী আদালতে আত্মসমর্পন করে জেল হাজতে আছে। অপর আসামী নাছিমা খাতুন উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে এসে অন্য আসামীদের জামিনের জন্য জোর তদবীর চালাচ্ছে বলে বাদী অভিযোগ করেছেন।

    বাদী আশিকুল ইসলাম বলেন পলাতক আসামীদের ধরিয়ে দিতে র‌্যাব-৬ নগদ অর্থ পুরস্কার ঘোষনা করেছে। রামপাল থানা পুলিশ তড়িঘড়ি করে গোপনে মূল অভিযুক্তদের বাদ দিয়ে আদালতে চার্জসীট দেয়ার জন্য তোড়জোড় চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করছেন তারা। একটি মহল পুলিশকে ম্যানেজ করতে মোটা অংকের টাকার থলে মাথায় নিয়ে মাঠে নেমেছে। এতে তিনি ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশংকা করছেন। এ ব্যাপার রামপাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শামছুদ্দিন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন চার্জসীট এর বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।#

    এ এইচ নান্টু
    রামপাল, বাগেরহাট

  • মঠবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শন করেন ত্রিশালের ইউএনও আক্তারুজ্জামান

    মঠবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শন করেন ত্রিশালের ইউএনও আক্তারুজ্জামান

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ,বাল্যবিবাহ,মাদক নির্মুলসহ বিভিন্ন অনিয়ম,দুর্ণীতি প্রতিরোধ করে স্বচ্ছ ও জনবান্ধব, জবাবদিহিতা মোলক জনপ্রশাসন কে জনগণের দোরগোড়ায় উপহার দিতে ময়মনসিংহে
    ত্রিশাল উপজেলাধীন মঠবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আক্তারুজ্জামান । এর আগে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আক্তারুজ্জামান মঠবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদে উপস্থিত হলে তাকে স্বাগত জানান পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কদ্দুস মন্ডলের নেতৃত্বে ইউপি সচিব নুরুল ইসলাম ও ইউপি সদস্যসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার আক্তারুজ্জামান ইউনিয়ন পরিষদের সব সদস্য ও গ্রাম পুলিশের সাথে মতবিনিময় করে। পরে ভোটার তালিকা হাল নাগাদ কার্যক্রম, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র, ভূমি অফিস পরিদর্শন করেন নবাগত ইউএনও আক্তারুজ্জামান। ইউএনও ইউনিয়নের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প ঘুরে ঘুরে দেখেন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কদ্দুস মন্ডল, ইউপি সচিব নুরুল ইসলাম, বিভিন্ন ওয়ার্ডের সদস্য, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য সহকারী ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের ভিজিটর, ইউডিসির পরিচালক, গ্রাম আদালতের সহকারী ও গ্রাম পুলিশবৃন্দ।

    এসময় ইউএনও আক্তারুজ্জামান বলেন, মাদক ও বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে ইউনিয়ন পরিষদের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জনপ্রতিনিধি ও গ্রাম পুলিশেদের হাতের নাগালে এবং আসেপাশেই এই দু’টি অপরাধ সংঘটিত হয়। তারা ইচ্ছে করলেই এমনিতেই অপরাধ বন্ধ হয়ে যাবে।

    চেয়ারম্যান আব্দুল কদ্দুস মন্ডল বলেন, ইউনিয়নের ব্যবহৃত বিভিন্ন রেজিস্টার, নথিপত্র, হিসাবের বিবরণী, মাসিকসভা ও অন্যান্য সভার কার্যবিবরণী, নোটিশ ইস্যু কর্মচারী হাজিরা, ডিজিটাল সেন্টারের কার্যক্রমসহ সব বিষয়ে তদন্ত করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আক্তারুজ্জামান। তিনি পরিষদের সাধারণ ও সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্যদের অধিকার বিষয়েও তদন্ত করছেন।

    চেয়ারম্যান আব্দুল কদ্দুস মন্ডল আরও বলেন, আগামি দিনগুলোতে নাগরিক সেবার মান বাড়াতে এবং পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনায় আরো আধুনিকায়নের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দেন। পরিষদের দায়িত্ব পালনের প্রথম বছরে এই মূল্যায়ন আগামি দিনে নিজ দায়িত্ব পালন ও পরিষদ পরিচালনায় আরো শক্তি ও সাহস যোগাবে বলেও মনে করেন তিনি।

  • তারাকান্দায় বাজারে ইউএনও’র অভিযানে ৩৯হাজার টাকা জরিমানা আদায়।

    তারাকান্দায় বাজারে ইউএনও’র অভিযানে ৩৯হাজার টাকা জরিমানা আদায়।

    আরিফ রববানী,ময়মনসিংহ: তারাকান্দায় বাজারের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য ও ইউরিয়া সার,জ্বালানিসহ কৃষিপন্যের ঊর্ধ্বগতিরোধে ও মুল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাজার মনিটরিং করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজাবে রহমত ।

    বুধবার (২৪আগষ্ট) দুপুরে তারাকান্দা বাজারের বিভিন্ন দোকানে এই মনিটরিং করতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজাবে রহমত।

    এসময় মৎস্য খাদ্য ও পশু খাদ্য আইন ২০১০ মোতাবেক মৎস্য খাদ্য দোকানে ৩০হাজার টাকা,পণ্য বিক্রয়ে পাটের ব্যাগ ব্যবহার না করায় পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতা মূলক ব্যবহার আইন ২০১০ আইন মোতাবেক ৬হাজার টাকা,সার ব্যবস্থাপনা আইন ২০০৬ এর ১২ ধারা মোতাবেক সারের দোকানে ৩হাজার সহ সর্বমোট ৩৯হাজার টাকা জরিমানা আদায়সহ পণ্যের মূল্যতালিকা প্রদর্শণ না করায় একাধিক দোকানিকে মুল্যতালিকা প্রদর্শনের জন্য ও সরকার নির্ধারিত মূল্যের বেশি মূল্য না নেয়ার আহবান জানান নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজাবে রহমত।

    এছাড়াও তিনি তেলের দোকান, মিষ্টির দোকান, কাঁচামালের দোকান, ঔষধের দোকান, ফল ও সব্জির দোকান,তেলের পাইকারি ক্রয় মুল্য কত এবং বর্তমানে বাজারে বিক্রয় মুল্য কত পরিদর্শন করে এসব যাচাই করেন। সরকার নির্ধারিত মূল্যের অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি না করতে ব্যবসায়ী নেতাদের ও ব্যবসায়ীদের নির্দেশনা দেন। সরকার নির্ধারিত মূল্যের অতিরিক্ত মূল্যে পণ্য বিক্রি করলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও সতর্ক করেন এই কর্মকর্তা।
    এসময় তার সাথে সহকারী কমিশনার ভূমি জিন্নাত শহিদ পিংকি, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার জনাব কাওসার আহমেদ খান, মৎস্য কর্মকর্তা আবু বকর সিদ্দিক ও তারাকান্দা থানার সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    মূল্য নিয়ে কারসাজি না করা এবং বাধ্যতামূলকভাবে পণ্যের ক্রয় রসিদ সংরক্ষণের বিষয়ে সার ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়। এ প্রসঙ্গে ইউএনও মিজাবে রহমত বলেন, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য ও পশুখাদ্যের গুণগত মান বজায় রাখাসহ মূল্যের ঊর্ধ্বগতিরোধে এবং বাজারে ইউরিয়া সার মজুদ বন্ধে ও নির্ধারিত মূল্য বাস্তবায়ন এবং নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত এই মনিটরিং কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে । অসাধু ও অনৈতিক ব্যবসার ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স প্রদর্শন করা হবে বলেও জানান ইউএনও মিজাবে রহমত।

    এদিকে বাজারে দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতি নিয়ন্ত্রণে ইউএনও’র অভিযানে সন্তুষ প্রকাশ সহ ধন্যবাদ জানাচ্ছেন তারাকান্দা উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ।

  • গোদাগাড়ীতে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ১৪৪ ধারা ভেঙ্গে জমি দখলের অভিযোগ।

    গোদাগাড়ীতে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ১৪৪ ধারা ভেঙ্গে জমি দখলের অভিযোগ।

    হায়দার আলী,
    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী : রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার পাকড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জালাল উদ্দীনের বিরুদ্ধে আদালতের ১৪৪ ধারা নিষেধাক্কা অমান্য করে জোরপূর্বক জমি দখল ও এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি অভিযোগ উঠেছে। একটি পক্ষের হয়ে এমন অবৈধ কর্মকান্ডের অভিযোগ তুলে তাকে চেয়ারম্যানের পদ থেকে বরখাস্ত চেয়ে গত ২ আগস্ট রাজশাহী জেলা প্রশাসক বরাবার আবেদন করেছেন পাকড়ী ইউনিয়নের মোশড়া পাড়া গ্রামের আজাহার আলী।

    জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত আবেদন আজাহার আলী বলেন, গোদাগাড়ী উপজেলার ৩ নং পাকড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জালাল উদ্দীন একজন মাতাল ও সন্ত্রাসী। পাকড়ী ইউনিয়নের হাজী মানিকুল্লাহ্ ওয়াক্ফ এস্টেটের মোতওয়াল্লী আসিকুল ইসলাম চাঁদের নিকট থেকে এস্টেটের ৫১ বিঘা সম্পত্তি লিজ গ্রহণ করি এবং তার সাথে ৫ বছরের জন্য লিজ চুক্তি সম্পাদিত হয়। এক বছরের লিজ মানি বাবদ তিন লক্ষ ছয় হাজার টাকা প্রদান করা করি।

    এর পর থেকেই পাকড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জালাল উদ্দীনের সহযোগিতায় সেই সম্পত্তি থেকে বেদখল করার চেষ্টা করলে চেয়ারম্যানের সন্ত্রাসী বাহীনির বিরুদ্ধে রাজশাহী জেলা অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারী কার্যবিধি ১৪৪ ধারা মোতাবেক মামলা দায়ের করা হয়। যার নং ৭৪১ পি/২২ (গোদাগাড়ী)। আদালত প্রতিপক্ষ আসিকুল, ইউপি চেয়ারম্যান জালাল উদ্দীন, রজব আলীসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে গত ১৩ জুলাই অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রোজ সাবিহা সুলতানা ১৪৪ ধারা আদেশ প্রদান করেন।

    এই ১৪৪ ধারার বিষয়টি চেয়ারম্যান অবহিত হওয়ার পর তার সন্ত্রাসী বাহীনিকে লিজকৃত সম্পত্তি জোর পূর্বক দখলের প্রকাশ্যে হুকুম দিলে তারা ওই সম্পত্তিতে লাঠি-লাদনা নিয়ে নেমে পড়ে এবং জমিতে কর্মরত আজাহার আলীর কামলাদেরকে লাঠি-লাদনা, হাসুয়াদিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে। এর পর চেয়ারম্যানসহ তার সন্ত্রাসী বাহীনির বিরুদ্ধে আমলী আদালতে মামলা করা হয়। মামলায় চেয়ারম্যান জালাল উদ্দীন গত ২৪ ফেব্রুয়ারী আদালতে আত্নসমার্পন করে জামিন চাইতে গেলে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে জেলা হাজতে প্রেরণ করেন। সেই মামলায় ৭ দিন হাজত বাসের পর অস্থায়ী জামিন মঞ্জুর করেন।

    জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর চেয়ারম্যানের সন্ত্রাসী তৎপরতা বৃদ্ধি পায়। চেয়ারম্যান তার সন্ত্রাসী বাহীনি দিয়ে খুন-জখমের হুমকি দিয়ে আজাহারের বাড়ীতে লাঠি,রড় ও হাসুয়া নিয়ে উপস্থিত হয়ে আজাহারের ছোট ভাই আবুল বাশার এবং ছোট ছেলে ইঞ্জিনিয়ার গুরুতর জখম করে। এই ঘটনায় পুনরায় চেয়ারম্যানসহ তার লোকজনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয় । ওই মামলাতেও সে জামিন গ্রহণ করে। বর্তমানে চেয়ারম্যান আজাহার আলীসহ তার পরিবারকে মামলা তুলে না নিলে গ্রামে ঢুকতে দেওয়া হবে না বলে হুমকি অব্যহত রেখেছেন বলে আজাহার আলী ও তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা অভিযোগ করছেন।

    এই বিষয়ে পাকড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জালাল উদ্দীনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে এমন কোন তথ্য জানা নেই বা কোন নোটিশ আমার কাছে আসেনি। আর জমি দখলের বিষয়ে আমি জড়িত না। আজাহার আলী একের পর এক মামলায় আমাকে জাড়াচ্ছে। এসব বিষয় নিয়ে মিমাংসার উদ্যোগ নিলেও আজাহার আলী অনুপস্থিত ছিলেন। থানার ওসি এই বিষয়টি অবগত আছেন বলেও জানান।

    এই বিষয়ে গোদাগাড়ী থানার কাকনহাট তদন্ত কেন্দ্রের এসআই মতিউর রহমান বলেন, ১৪৪ ধারা জারির বিষয়ে যাদের নাম আছে তারা সকলেই অবগত আছেন এবং এর প্রতিবেদন আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান।

    চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোর চেষ্টা করা হলেও ফোনটি রিসিভ না করায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • তানোরে এমপির আগমনে জনতার ঢল

    তানোরে এমপির আগমনে জনতার ঢল

    আলিফ হোসেন, তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরের মুন্ডুমালা পৌর আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে মহান স্বাধীনতার স্থপতি, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদতবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। জানা গেছে, ২৪ আগস্ট বুধবার মুন্ডুমালা পৌর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মোস্তফার সভাপতিত্বে ও সম্পাদক আমির হোসেন আমিনের সঞ্চালনায় মুন্ডুমালা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত দোয়া ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবলীগ সভাপতি ও চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না। অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শরিফ খাঁন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাইনুল ইসলাম স্বপন, সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ প্রদিপ সরকার, পাঁচন্দর ইউপি ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন,বাঁধাইড় ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান, কামারগাঁ ইউপি চেয়ারম্যান ফজলে রাব্বী ফরহাদ, চাঁন্দুড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান, তালন্দ ইউপি চেয়ারম্যান, নাজিমুদ্দিন বাবু, সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কাশেম, উপজেলা যুবলীগের সম্পাদক জুবায়ের ইসলাম, হাজী সাইদুর রহমান সরকার আবু সাঈদ,আরিফ রায়হান তপন, কাউন্সিলর নাহিদ হাসান, বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের জেলা সভাপতি জিমি কাটার রনি, সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মাহাবুর রহমান মাহাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মইফুল ইসলাম, মোর্শেদুল মোমেনিন রিয়াদ,তানভির রেজা ও পঙ্কজ হালদার প্রমুখ। এছাড়াও আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। এদিন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল শেষে দুঃস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়। এদিকে কর্মসুচিতে এমপির অংশগ্রহণের খবরে জনতার ঢল নামে। আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতা ও কর্মী-সমর্থকসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আলোচনা সভা জনসভায় রুপ নেয়। আর এমন জনস্রোত প্রমাণ করেছে এমপি ফারুক চৌধূরী এখানো অপ্রতিদন্দী নেতৃত্ব তার কোনো বিকল্প নাই।
    স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের ভাষ্য, ক্ষুদ্র পরিসরে আয়োজিত কর্মসুচিতে সাধারণ মানুষের এমন জনস্রোত দেখেও যারা শতবর্ষী-তিনপ্রজন্ম, সেভেনস্টার, পাপিয়া হয়ে ডালিয়ার ডানায় ভর করেছে তারা অর্বাচীন বা রাজনৈতিক বেকুব। এরা বোকার স্বর্গে বাস করছে। কারণ ফারুক চৌধুরীর জীবদ্দশায় তার বিকল্প নেতৃত্ব আওয়ামী লীগবিরোধীরাও কখানো কল্পনা করে না।