Blog

  • আশুলিয়ার জামগড়ায় স্ত্রীকে হ-ত্যার ঘটনায় স্বামীকে আ-টক করে পুলিশের সো-পর্দ

    আশুলিয়ার জামগড়ায় স্ত্রীকে হ-ত্যার ঘটনায় স্বামীকে আ-টক করে পুলিশের সো-পর্দ

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ায় স্ত্রী আখী তারা (২৫) কে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগে স্বামী হৃদয়কে আটক করে পুলিশ সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।

    বুধবার (১৩ আগষ্ট ২০২৫ইং) সকালে ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়া রূপায়ন বটতলা এলাকায় মোস্তাফিজুর রহমানের ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।আটককৃত হৃদয় (৩২), শরীয়তপুর জেলার ডামুডা থানার বুড়িরহাট এলাকার বাসিন্দা। নিহত মোছাঃ আখী তারা একই এলাকার বাসিন্দা।

    আটককৃত মোঃ হৃদয় আশুলিয়ার জামগড়া রূপায়ন বটতলা এলাকায় মোস্তাফিজুর রহমানের বাসায় ভাড়া থেকে রাজমিস্ত্রীর কাজ করতেন ও তার স্ত্রী সাথী ওয়াইপি আশুলিয়া লিঃ নামক একটি ক্যাপ ফ্যাক্টরীতে কাজ করতেন।

    স্থানীয়রা জানায়, সকালে হৃদয় আশপাশের ভাড়াটিয়াদের জানায় তার স্ত্রী রাতে মারা গেছে, তাই তিনি তাকে বাড়ি নিয়ে যেতে চান। এ সময় তিনি তার স্ত্রীকে গোসল করাই দিতে বলেন। পরে আশপাশের লোকজন তার স্ত্রীর মরদেহ গোসল করাতে গেলে লাশের গলায় কালো দাগ দেখতে পান, এর পরে তাকে গোসল না করিয়ে স্বামীকে আটক করে পুলিশে খবর দেন।

    পুলিশ জানায়, স্থানীয় কয়েকজন নিহত সাথী তারাকে গোসল করাতে গেলে তারা সাথী তারার গলায় কালো দাগ দেখে তাদের সন্দেহ হলে হৃদয়কে আটক করে থানায় খবর দেয়।

    আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আতোয়ার রহমান জানান, ঘটনাস্থলে পৌছে নিহতের স্বামীকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। সেই সাথে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে বলে তিনি জানান।

  • ঠাকুরগাঁওয়ে রানীশংকৈলে সাংবাদিককে হ-ত্যা ও হু-মকি দেওয়ার প্র-তিবাদে মান-ববন্ধন অনুষ্ঠিত

    ঠাকুরগাঁওয়ে রানীশংকৈলে সাংবাদিককে হ-ত্যা ও হু-মকি দেওয়ার প্র-তিবাদে মান-ববন্ধন অনুষ্ঠিত

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।।
    স্টাফ রিপোর্টার।।
    গাজীপুরে সাংবাদিক (দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ) আসাদুজ্জামান তুহিনকে কুপিয়ে হত্যা ও রাণীশংকৈল প্রেসক্লাবকে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকির প্রতিবাদে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাণীশংকৈল প্রেসক্লাব ও রাণীশংকৈল প্রেসক্লাব (পুরাতন) এর যৌথ আয়োজনে মঙ্গলবার (১২ আগষ্ট) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ গেটের সামনে এ মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। 

    সমাবেশে বক্তব্য দেন- প্রেসক্লাব সভাপতি আশরাফুল আলম (এশিয়ান টিভি), সম্পাদক খুরশিদ আলম শাওন (আজকের পত্রিকা), সভাপতি শফিকুল ইসলাম শিল্পী (কালের কন্ঠ), সম্পাদক হুমায়ুন কবির (কালবেলা), সাবেক সভাপতি অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম (ইত্তেফাক) সাবেক সম্পাদক নুরুল হক (উত্তরা), সাবেক সভাপতি ফারুক আহাম্মেদ (মোহনা টিভি) ও মোবারক আলী (আমার দেশ), সাবেক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন আকাশ (আমাদের সময়), সাবেক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ (বায়ান্ন’র আলো) যুগ্ম সম্পাদক মাহাবুব আলম (প্রতিদিনের সংবাদ) ও আহাম্মেদ ইসমাম, লেমন সরকার (দৈনিক সকালের সময়), হযরত আলী, নাজমুল হোসেন (আজকের দর্পণ) মো: বাদল (পীরগঞ্জ) প্রমুখ।এছাড়াও বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী রজব আলী,পৌর বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক শাহাজান আলী, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, সাংগঠনিক সম্পাদক বকুল মজুমদার, গণঅধিকার পরিষদ কেন্দ্রিয় কমিটির সহ-সভাপতি মামুনুর রশিদ ও ছাত্র প্রতিনিধি তারেক মাহমুদ প্রমুখ।

    সে সময় বক্তারা তাদের বক্তব্যে নিহত সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনের হত্যাকারিদের দ্রুত বিচার ও শাস্তি দাবি করেন। এই সাথে তারা রাণীশংকৈল প্রেসক্লাবকে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দাতা ক্যাসিনো ব্যবসায়ী মাসুদ রানা’কে অবিলম্বে গ্রেপ্তারের জন্য রাণীশংকৈল থানা পুলিশের প্রতি জোর দাবি জানান। এজন্য তারা আগামী ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম দেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক একে আজাদ।

  • ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর সীমান্তে নারীও শিশুসহ  ১৪  জন বাংলাদেশী ফে-রত দি-ল ভারত

    ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর সীমান্তে নারীও শিশুসহ ১৪ জন বাংলাদেশী ফে-রত দি-ল ভারত

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।।
    স্টাফ রিপোর্টার।।
    ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর সীমান্তে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের অভিযোগে নারী ও শিশুসহ ১৪ জন বাংলাদেশিকে আটক করে ফেরত দিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

    জানাযায়,মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত হরিপুর উপজেলার দনগাও বিওপির সীমান্তের ৩৫৬ নং পিলার এর কাছাকাছি বসতপুর স্থানে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে আকটকৃত ১৪ জনকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে ভারতীয় বিএসএফ। পরে বিজিবি দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে হরিপুর থানায় তাদেরকে হস্তান্তর করেন।বিজিবি সূত্র জানায়,সোমবার (১১ আগস্ট) বিকেল ৩টার দিকে ঠাকুরগাঁও ব্যাটালিয়ন (৫০ বিজিবি) এর বেতনা বিওপির বিপরীতে ভারতের কাদেরগঞ্জ এলাকায় সীমান্ত পিলার ৩৬৫/২ এস থেকে প্রায় ১২০০ গজ ভেতরে ওই ১৪ জন বাংলাদেশিকে আটক করে ভারতীয় বিএসএফ। আটক ব্যক্তিরা সবাই ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বাসিন্দা।আটক ব্যক্তিরা হলেন-বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার চোচপাড়া গ্রামের সাকিরের ছেলে মন্টু (৪০), মন্টুর স্ত্রী মোছা. নাজেরা খাতুন (৩৮) ও দুই ছেলে নজরুল (২২) ও নুর আলম (১৯); একই উপজেলার বেউরঝাড়ি গ্রামের রহিমের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক (২৪), রাজ্জাকের স্ত্রী নাজমিন (২০) ও দুই মেয়ে রূকসার (৩) ও রেহেনা (১), মৃত হাকিম উদ্দিনের ছেলে আসাদুল (৩৫) আসাদুলের মা আছিয়া (৫০),স্ত্রী পারুল (৩২) ও তিন সন্তান আলামিন আলী ১৬),আশা মনি (৯)এবং আরিফ (৫)।বিজিবি জানায়,প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা জানান, তারা ২০২০ সালে ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের পানি পাথ জেলার একটি কারখানায় (পাপস ফ্যাক্টরি) কাজ করতে গিয়েছিলেন। সম্প্রতি দেশে ফেরার পথে বিএসএফ তাদের আটক করে। আটককৃত সবাইকে ভারতীয় বিএসএফ পতাকা বৈঠকের মাধ‍্যমে মঙ্গলবার (১২আগষ্ট) সকাল ১১টার দিকে ফেরত দিয়েছে।

    এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও ৫০ বিজিবির সেক্টর কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানজির আহমেদ বলেন, তাদেরকে আটকের পর আমরা হরিপুর থানায় হস্তান্তর করেছি।হরিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন নারী-শিশুসহ ১৪জনকে বিজিবি থানায় হস্তান্তর করেছে। অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করার অপরাধে পাসপোর্ট আইনে মামলা রুজু করে আটককৃতদের আগামীকাল বুধবার ঠাকুরগাঁও আদালতে পাঠানো হবে।

  • বিগত ২৯ বছরে যে সকল সাংবাদিক হ-ত্যার শি-কার হয়েছে তাদের স্মৃ-তির প্রতি শ্র-দ্ধা

    বিগত ২৯ বছরে যে সকল সাংবাদিক হ-ত্যার শি-কার হয়েছে তাদের স্মৃ-তির প্রতি শ্র-দ্ধা

    আরিফ রব্বানী,

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    সাংবাদিকদের সুরক্ষা আইন বাস্তবায়ন সময়ের দাবী অভিলম্বে সাংবাদিক হত্যা নির্যাতন বন্ধ করতে হবে।
    বিগত ২৯ বছর অর্থাৎ ১৯৯৬ সাল থেকে এযাবৎ যে সকল সাংবাদিক হত্যার শিকার হয়েছে তাদের একটি খসড়া তালিকা প্রণয়ন শুরু করেছে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএমইউজে), নিম্নে বর্ণিত নিহত সাংবাদিক ছাড়াও যদি আরো কোন সাংবাদিক খুন গুম, নিখোঁজ হয়ে থাকে তাহলে সেই সকল সাংবাদিক এর নাম পরিচয় সহ আমাদেরকে তথ্য উপাত্ত দিয়ে সহযোগিতা করার আহবান জানাচ্ছি।

    এসকল হত্যাকান্ডের অধিকাংশ ঘটনা নিরবে নিভৃতে বিচারহীনতায় পরিবার গুলো নিঃস্ব হয়েছে। আমরা বিএমইউজে সংগঠনের পক্ষ থেকে সকল নিহত সাংবাদিকদের সাংবাদিকতার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। তাদের নামের তালিকা সংরক্ষণ করার উদ্যোগ নিয়েছেন বিএমইউজে।

    ১৯৯৬ সালের ৮ জুন সাতক্ষীরার পত্রদূত সম্পাদক শ ম আলাউদ্দীন খুন হন। এর দুই বছর পর ৩০ আগস্ট যশোরের দৈনিক রানার সম্পাদক সাইফুল আলম মুকুল খুন হন। ২০০০ সালের ১৬ জুলাই দৈনিক জনকণ্ঠের যশোর প্রতিনিধি শামছুর রহমান কেবলকে নিজ কার্যালয়ে সন্ত্রাসীরা হত্যা করে। ২০০২ সালের ২ মার্চ খুন করা হয় খুলনা থেকে প্রকাশিত দৈনিক পূর্বাঞ্চলের সিনিয়র রিপোর্টার হারুন অর রশিদকে।

    এর চার মাস পর খুন হন খুলনার অনির্বাণ পত্রিকার সাংবাদিক শুকুর হোসেন এবং আগস্টে শ্রীমঙ্গলে খুন হন দৈনিক পূবালী বার্তার সাংবাদিক সৈয়দ ফারুক আহমেদ। ২০০৪ সালের ১৫ জানুয়ারি খুলনা প্রেস ক্লাবের সামনে সন্ত্রাসীদের বোমা হামলায় নিহত হন দৈনিক সংবাদের খুলনা ব্যুরো প্রধান এবং প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি মানিক সাহা।

    একই বছরের ২ মার্চ কেরানীগঞ্জে দ্য নিউএজের সাংবাদিক আব্দুল লতিফ পাপ্পু নিহত হন। ওই বছরের ২৭ জুন নিজের অফিসে নিহত হন খুলনার দৈনিক জন্মভূমির সম্পাদক হুমায়ূন কবির বালু। ২২ আগস্ট চট্টগ্রামে খুন হন আজকের কাগজের সাংবাদিক কামাল হোসেন। এর দুই মাসের মাথায় অক্টোবরে বগুড়া থেকে প্রকাশিত দৈনিক দুর্জয় বাংলার নির্বাহী সম্পাদক দীপংকর চক্রবর্তী নিজ বাসায় নিহত হন।

    ওই বছরই খুন হন দৈনিক সংগ্রামের খুলনা প্রতিনিধি বেলাল হোসেন। ২০০৫-এর ২৯ মে কুমিল্লার দৈনিক মুক্তকণ্ঠের সাংবাদিক গোলাম মাহমুদ, ওই বছরের ৫ নভেম্বর দৈনিক সমকালের ফরিদপুর ব্যুরো চিফ গৌতম দাসকে হত্যা করা হয়।

    এ ছাড়া ২০১১ সালের ২৮ জানুয়ারি পল্টনের নিজ বাসায় খুন হন দৈনিক জনতার সহসম্পাদক ফরহাদ খাঁ ও তার স্ত্রী রহিমা খাতুন। ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় এনটিভির ভিডিও এডিটর আতিকুল ইসলাম আতিক, জুলাই মাসে ঢাকার পাক্ষিক মুক্তমনের স্টাফ রিপোর্টার নুরুল ইসলাম ওরফে রানা, আগস্টে গাজীপুরে সাপ্তাহিক সাম্প্রতিক সময়ের নির্বাহী সম্পাদক এমএম আহসান হাবিব বারি এবং ডিসেম্বরে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার সংবাদদাতা ও রূপগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সহসভাপতি আবুল হাসান আসিফ খুন হন।

    ২০১০ সালের ৯ মে গুপ্তহত্যার শিকার হন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এটিএন বাংলার সিনিয়র ক্যামেরাম্যান শফিকুল ইসলাম টুটুল। একই বছরের ২৮ এপ্রিল সাপ্তাহিক ২০০০-এর সিলেট প্রতিনিধি ফতেহ ওসমানী এবং ২৩ ডিসেম্বর প্রকাশ্যে খুন হন বরিশালের মুলাদী প্রেস ক্লাবের সভাপতি মনির হোসেন রাঢ়ী।

    ২০১১ সালের ৭ ডিসেম্বর গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে গলা কেটে হত্যা করা হয় দৈনিক ভোরের ডাকের গোবিন্দগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি ফরিদুল ইসলাম রঞ্জুকে। ওই বছরের এপ্রিলে চট্টগ্রামের পোর্টকলোনিতে দৈনিক আজকের প্রত্যাশার সাংবাদিক মাহবুব টুটুলকে হত্যা করা হয়। একই বছরের এপ্রিলে উত্তরার ৪ নম্বর সেক্টরের ১১ নম্বর সড়কে ১০ নম্বর বাসা থেকে সাপ্তাহিক বজ্রকণ্ঠের সাংবাদিক আলতাফ হোসেনের লাশ উদ্ধার করা হয়।

    ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি নিজ বাসায় খুন হন মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার ও এটিএন বাংলার সিনিয়র রিপোর্টার মেহেরুন রুনি। ওই ঘটনার পর সাংবাদিক সমাজ আন্দোলন চালিয়ে গেলেও এক যুগের বেশি সময় ধরেও মামলার তদন্ত শেষ করা হয়নি। ওই বছরের ১৫ জুন যশোরে খুন হন সাংবাদিক জামাল উদ্দিন।
    ২০১৪ সালের ২১ মে চুয়াডাঙ্গায় খুন হন দৈনিক মাথাভাঙা পত্রিকার সাংবাদিক সদরুল আলম নিপুল এবং ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে রংপুরে খুন হন যুগের আলো পত্রিকার সাংবাদিক মশিউর রহমান উৎস, ২০১৭ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে খুন করা হয় দৈনিক সমকালের প্রতিনিধি আবদুল হাকিম শিমুলকে। ২০২০ সালের ১১ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জে খুন হন দৈনিক বিজয় পত্রিকার সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন। পরের বছর ১৯ ফেব্রুয়ারি নোয়াখালীতে খুন হন বাংলাদেশ সমাচারের সাংবাদিক বোরহান উদ্দিন মোজাক্কির।

    ২০২২ সালের এপ্রিলে দৈনিক কুমিল্লার ডাকের সাংবাদিক মহিউদ্দিন সরকার নাইম খুন হন। একই বছরের ৩ জুলাই নিখোঁজের পর লাশ মেলে কুষ্টিয়ার সাংবাদিক হাসিবুর রহমান রুবেলের।

    সিরাজগঞ্জে নিহত সাংবাদিক আবদুল হাকিম শিমুলের স্ত্রী নুরুন্নাহার খাতুন বলেন, তার স্বামীর হত্যাকাণ্ডে জড়িত তৎকালীন পৌর মেয়র হালিমুল হক মিরুসহ তার সহযোগীদের গ্রেপ্তার করা হলেও সবাই কারাগার থেকে বেরিয়ে গেছে। তিনি ৬ বছর ধরে অপেক্ষা করেও এখন পর্যন্ত স্বামী হত্যার বিচার পেলেন না। মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক সাগর -রুনি, জামালপুরের নাদিম ও শেলু আকন্দ ও সর্বশেষ ৭ আগষ্ট -২৫ রাত ৮ টায় গাজীপুর চান্দনা চৌরাস্তা মসজিদ মার্কেটে সামনে খুন হয় সাংবাদিক আসাদুজ্জামা তুহিন তার বাড়ী ফুলবাড়িয়া উপজেলায়।

  • কুমিল্লা মহানগরের অধিকাংশ স-ড়ক এখন ম-রণফাঁদে পরিনত

    কুমিল্লা মহানগরের অধিকাংশ স-ড়ক এখন ম-রণফাঁদে পরিনত

    কুমিল্লা থেকে,তরিকুল ইসলাম তরুন,

    কুমিল্লা নগরীতে প্রবেশ পথের প্রধান সড়কগুলো যেন এখন মরণফাঁদে রূপ নিয়েছে। কান্দিরপাড়-আলেখারচর, টমছমব্রিজ-বাখরাবাদ, কান্দিরপাড়-ধর্মপুর এবং টমছমব্রিজ-কোটবাড়ি, 

    সড়কে জায়গায় জায়গায় বিশাল গর্ত, উঠে যাওয়া কার্পেটিং, ভাঙাচোরা পিচ ও জলাবদ্ধতা জনদুর্ভোগের নতুন নাম হয়ে উঠেছে। প্রতিদিন হাজারো যাত্রী, রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স, অটোরিকশা ও ভারী যানবাহন এসব ঝুঁকিপূর্ণ পথে চলাচল করছে চরম ঝুঁকি নিয়ে। বৃষ্টির পানিতে গর্ত ঢেকে গিয়ে দুর্ঘটনার আশঙ্কা আরও বাড়ছে। স্থানীয়রা বলছেন, এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর এমন করুণ দশা কর্তৃপক্ষের অবহেলারই প্রমাণ। দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন জনসাধারণ। যদিও বর্ষার দোহাই দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সড়কগুলোর সংস্কার নিয়ে দায়সারা কথা বলছেন দৈনিক বাংলার  প্রতিবেদকের সঙ্গে। সরজমিনে ঘুরে  ভোগান্তির কথা তুলে ধরা হলো – 

    কান্দিরপাড়-আলেখচর সড়ক এখন মরণফাঁদ-

    কুমিল্লা নগরীর কান্দিরপাড় থেকে শহরতলীর শাসনগাছা হয়ে আলেখারচর বিশ্বরোডের অন্তত এক কিলোমিটার জুড়ে বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত, উঠে যাওয়া পিচ ঢালাই, ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা পাথর সব মিলিয়ে সড়ক নয়, যেন মরণফাঁদে রূপ নিয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন গণপরিবহনের চালক ও যাত্রীরা। মাঝেমধ্যে ঘটছে ছোটখাটো দুর্ঘটনাও। অথচ এই সড়কটি নগরের অন্যতম ব্যস্ততম সড়ক। এখানে রয়েছে কুমিল্লা নগরের বৃহত্তম বাসস্ট্যান্ড ‘শাসনগাছা বাস স্ট্যান্ড’। এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন ঢাকা চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রায় হাজার হাজার মানুষের চলাচল৷ 

    স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, কুমিল্লা নগরে প্রবেশের অন্যতম এই ব্যস্ত সড়কটির কথা ভুলেই গিয়েছেন প্রশাসন। দীর্ঘদিন ধরে এই গর্তগুলো সড়কে ভোগান্তি ও দুর্ঘটনার সৃষ্টি করছে। এক সময় গর্তগুলো ছোট ছোট থাকলেও এখন সেগুলো এখন বড় হয়ে রূপ নিয়েছে মরণফাঁদে,

    দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সড়কের সর্বত্র সৃষ্টি হয়েছে খানাখন্দ। বর্ষার পানিতে সেই ক্ষত আরও বেড়ে ভয়াবহ রূপ নেয়। পানিতে গর্তগুলো ঢেকে যাওয়ায় না বুঝে গাড়ি সেখান দিয়ে চলাচল করলেই ঘটে দূর্ঘটনা।

    বুধবার সকালে  সরেজমিনে কুমিল্লা নগরী থেকে শহরতলীর শাসনগাছা হয়ে দুর্গাপুর এলাকার দিঘীরপাড় বাজারে গিয়ে দেখা যায়, বাজারটির প্রবেশমুখেই সড়কের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্তই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা,

     দুরবস্থার কারণে চালকরা গর্ত এড়িয়ে এঁকেবেঁকে গাড়ি চালাতে বাধ্য হচ্ছেন। এছাড়াও, গর্ত থাকায় হেলে দুলে চলছে গাড়িগুলো। এতে গাড়ির ভিতরে থাকা যাত্রীরা পোহাচ্ছেন ভোগান্তি। রোগী বহনের ক্ষেত্রেও এই সড়ক প্রায় অচল। অথচ এটি কুমিল্লার উত্তরাঞ্চলের প্রায় ৩০ লাখ মানুষের অন্যতম যোগাযোগপথ।

    এই সড়কের সবচেয়ে খারাপ অবস্থা পাসপোর্ট অফিস পার হয়ে ওষুধ মার্কেট এলাকা, শাসনগাছা ফ্লাইওভারের দুই পাশে, দুর্গাপুর দিঘিরপার বাজার ও আলেখারচর এলাকায়। প্রতিদিন গড়ে এক হাজারের বেশি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, শত শত বাস, ট্রাক, পণ্যবাহী গাড়ি ও তেলের লরি এই সড়ক দিয়ে চলাচল করে। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

    যাত্রীদের অভিযোগ, এত গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি সংস্কারের উদ্যোগ না নেওয়ায় বর্ষায় তা মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। এতে কর্মজীবীদের কর্মস্থলে যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

    এই সড়ক দিয়ে চলাচলে ভোগান্তির শিকার হওয়া অন্তত পাঁচজন পথচারী এই প্রতিবেদককে ক্ষুদ্ধ হয়ে বলেন, বড় যানবাহন কষ্ট করে চললেও অটোরিকশা নিয়ে চলা প্রায় অসম্ভব। অধিকাংশ সময় অটোরিকশা হেলে পড়ে, এতে যাত্রীরা আহত হন। কার্পেটিং উঠে গিয়ে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। মালামাল নিয়ে যাতায়াত এখন অনেকটাই অসম্ভব। এগুলো দেখার কি কেউ নেই। 

    স্থানীয়দের দাবি, যাত্রী ও যানবাহনের নিরাপত্তার স্বার্থে দ্রুত সড়কটির সংস্কার করা  এই সড়ক দিয়ে চলাচলত যাত্রীদের মনে হয় ‘ভোগান্তির আরেক নাম টমসমব্রীজ-বাখরাবাদ সড়ক। বড় বড় গর্তে জমে থাকা পানি দেখে মনে হয় সড়ক নয়, যেন জলাশয়। প্রতিদিন অসংখ্য অ্যাম্বুলেন্স, রোগীবাহী যান, পোশাককর্মী ও শিক্ষার্থী এ পথে চলাচল করেন। পথে রয়েছে ইবনে তাইমিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ইপিজেড, পিবিআই, সদর উপজেলা পরিষদ, বাখরাবাদ গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড,সহ বহু সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। এই সড়ককে নগরীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বলা চলে।

    এই সড়কে কাজ শুরু হয়েছে এমন আশার দৃশ্য সিটি কর্পোরেশন থেকে দেখানো হলেও বর্ষার দোহাই দিয়ে সেটিও বন্ধ হয়েছে বেশ কিছুদিন আগে। এতে খানাখন্দ যেন আরো বেড়ে গিয়েছে। যদিও সিটি কর্পোরেশন বলছে আগের তুলনায় এই সড়ক অনেক বেশি চলাচল উপযোগী হয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা বলছে ভিন্ন কথা। 

    বুধবার সকালে সরেজমিনে এই সড়কে গিয়ে দেখা যায়, কুমিল্লা ইবনে তাইমিয়া স্কুল এন্ড কলেজের সামনে থেকে শুরু হয়ে ইপিজেড ১ নং গেইট পর্যন্ত সড়ক যেন দাঁড়িয়েছে মরণফাঁদ হয়ে। এই সড়ক দিয়ে গাড়িগুলো চলছে একপ্রকার বাধ্য হয়ে। বড় বড় গর্তে পড়ে মাঝে মাঝে বন্ধ হয়ে যায় গাড়ির ইঞ্জিন। এতে সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজট। এছাড়াও রোগীবাহী এম্বুলেন্স সাইরেন বাজিয়েও সঠিক সময়ে রোগী নিয়ে পৌঁছাতে পারেন না মেডিকেলের জরুরী বিভাগের সামনে। এতে অনেক সময় রোগীর জীবনের ঝুঁকির কারণও হয়ে দাঁড়ায়। 

    টমসমব্রীজ-মেডিকেল সড়কে প্রতিদিন চলাচল করা অন্তত ১০ জন যাত্রী এই প্রতিবেদককে বলেন, এই সড়কে রোগী নিয়ে গেলে গর্তে ধাক্কা খেয়ে অনেক সময় রোগীর অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়। বৃষ্টির সময় তো গর্ত দেখা যায় না, তখন দুর্ঘটনার ঝুঁকি দ্বিগুণ। পানি ময়লা, আবার সড়ক পিচ্ছিল। এতে যাত্রীদের অনেক সময় পড়ে যাওয়ারও ভয় থাকে। এই সড়ক দিয়ে মেডিকেলে চিকিৎসা নিতে রোগী আসলে রোগীর সাথে যারা আসে তারাও অসুস্থ হয়ে যায়। দ্রুত এই সড়ক পূর্ণাঙ্গ সংস্কার প্রয়োজন।

    হেলে দুলে গাড়ি চলছে নগরীর কান্দিরপাড়-ধর্মপুর সড়কে-

    দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে ভোগান্তী চরমে  কুমিল্লা নগরীর প্রাণকেন্দ্র কান্দিরপাড় থেকে রাণীর বাজার হয়ে ধর্মপুর সড়ক। নগর বাসীর দাবি দ্রুত সড়ক গুলো মেরামত করা হোক, এবং অবৈধ দখল, পার্কিং,অবৈধ

  • ২৬ বছর ধরে এমপিও বঞ্চি-ত সলঙ্গা মহিলা ক-লেজ

    ২৬ বছর ধরে এমপিও বঞ্চি-ত সলঙ্গা মহিলা ক-লেজ

    এম এ সালাম,
    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
    ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সুতিকাগার সিরাজগঞ্জ সলঙ্গা থানা সদরের প্রাণকেন্দ্রে দাঁড়িয়ে আছে একটি স্বপ্ন “সলঙ্গা মহিলা কলেজ”।১৯৯৯ সালে কতিপয় বিদ্যানুরাগীর হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত এই কলেজটি নারীদের জন্য উচ্চশিক্ষার আশার প্রদীপ।আজ সেই প্রদীপ এখনও জ্বলছে,কিন্তু শিখা যেন ধুঁকছে অভাবের হাওয়ায়।
    ২৫ জন শিক্ষক ও কর্মচারী আর প্রায় ৩০০ জন ছাত্রী নিয়ে ২৬ বছরের দীর্ঘ পথ পেরিয়েছে কলেজটি। এ পর্যন্ত ২৪টি ব্যাচ বের হয়েছে, ফলাফলও ছিল সন্তোষজনক।অথচ বাস্তবতা হলো এখনো পর্যন্ত কলেজটি এমপিওভুক্ত হয়নি। ২০১৩ সাল থেকে শিক্ষক-কর্মচারীরা তাদের ন্যায্য দাবী চালিয়ে যাচ্ছেন,কিন্তু প্রতিশ্রুতির আলো জ্বলেনি।
    ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. মমিনুল ইসলাম ক্ষোভ ও কষ্ট মিলিয়ে বলেন, এমপিও ভুক্তির জন্য দুইবার আবেদন করেছি,কিন্তু কোনো উত্তর মেলেনি। এমপিওভুক্ত না হওয়ায় শিক্ষক-কর্মচারীরা মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। অনেকেই অন্য চাকরির সুযোগ হারাচ্ছেন,শূন্যপদে নিয়োগ বন্ধ হয়ে গেছে।অথচ আমরা জানি এই লড়াই ন্যায্য, তাই আমরা থামবো না।শিক্ষকদের কেউ কেউ জানালেন, মাসের পর মাস বেতন না পেয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। তবুও তারা ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ গড়তে প্রতিদিন ক্লাসে আসেন,যেন দুঃখ-কষ্ট ভুলে গিয়ে শুধু পড়াতে পারেন।নারী শিক্ষার প্রাণকেন্দ্র সলঙ্গা মহিলা কলেজ শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, এটি আমাদের মেয়েদের মুক্তির সিঁড়ি।এই প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেলে এলাকার নারী শিক্ষার বড় ক্ষতি হবে।”
    ২৬ বছরের পুরনো একটি স্বপ্ন এখন সরকারের একটিমাত্র স্বাক্ষরের অপেক্ষায়। শিক্ষকদের চোখের পানি নিয়ে আশা করছেন,হয়তো কোন একদিন সেই কাগজে স্বাক্ষর হবে,আর সেদিন তারা বলবেন, “অবশেষে আমাদের লড়াই সফল হলো”।
    স্থানীয়দের দাবি অতিদ্রুত কলেজটি এমপিওভুক্ত করে শিক্ষার মান বৃদ্ধি করা হোক।

  • পঞ্চগড় ঘাগড়া সী-মান্ত দিয়ে নারী-শিশুসহ আরও ২৩ জনকে পুশ-ইন

    পঞ্চগড় ঘাগড়া সী-মান্ত দিয়ে নারী-শিশুসহ আরও ২৩ জনকে পুশ-ইন

    পঞ্চগড় প্রতিনিধি।।

    পঞ্চগড়ের ঘাগড়া সীমান্ত দিয়ে নারী, শিশুসহ আরও ২৩ জনকে পুশইন করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) রাতে নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের আওতাধীন উপজেলা সদরের হাড়িভাসা ইউনিয়নের ঘাগড়া সীমান্তের মেইন পিলার ৭৫৭ এর ২ নং সাব পিলার এলাকা দিয়ে তাদের পুশইন করে বিএসএফ। পরে আটকদের সদর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে বিজিবি। 

    বিজিবি ও পুলিশ জানায়, বুধবার সকালে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে স্থানীয়রা তাদের আটক করে হাড়িভাসা ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যান। খবর পেয়ে বিজিবি তাদের আটক করে ঘাগড়া সীমান্ত ফাঁড়ির ক্যাম্পে নিয়ে যায়। এদের মধ্যে ১৩ জন নারী, ৯ জন পুরুষ ও একজন শিশু। তারা যশোর, সাতক্ষীরা, লালমনিরহাট ও নড়াইল জেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে।

    সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ হিল জামান বলেন, পুশইন সংক্রান্ত আটক ২৩ জনকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগসহ পরিচয় যাচাই করা হচ্ছে। বাংলাদেশি পরিচয় নিশ্চিত হলে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। 

    তারেক ও মাসুদ-মিশুক মুনীরের মৃত্যুবার্ষিকীতারেক ও মাসুদ-মিশুক মুনীরের মৃত্যুবার্ষিকী

    এর আগে তিন মাসে ১১ দফায় পঞ্চগড়ের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে নারী, শিশুসহ ১৬৬ জনকে জোর করে বাংলাদেশে পাঠায় বিএসএফ।

  • থানচিতে বালিকা ফুটবল টুর্নামেন্ট শুভ উ-দ্বোধন

    থানচিতে বালিকা ফুটবল টুর্নামেন্ট শুভ উ-দ্বোধন

    থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধি: মথি ত্রিপুরা।

    বান্দরবানের থানচিতে উপজেলা পর্যায়ে স্কুল ভিত্তিক বালিকা ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    বুধবার বিকেল ৪ ঘটিকায় উপজেলা মিনি স্টেডিয়ামে বলিপাড়া নারী কল্যাণ সমিতি (বিএনকেএস) আয়োজনে, ডিয়াকোনিয়া বাংলাদেশ সহযোগীতায়, উপজেলা পর্যায়ে স্কুল ভিত্তিক বালিকা ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়।
    বালিকা ফুটবল টুর্নামেন্ট শুভ উদ্বোধন করেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ–ফয়সাল। উদ্বোধনী খেলায় অংশগ্রহণ করেন, সেন্ট ফ্রান্সিস উচ্চ বিদ্যালয় বনাম থানচি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। খেলার পরিচালনায় প্রধান রেফারি দায়িত্ব পালন করেন, মংপ্রু মারমা, সহযোগী রেফারি পলাশ মল্লিক ও উথোয়াইন শুয়ে মারমা।
    এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, থানচি থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ নাসির উদ্দিন মজুমদার, থানচি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নূর মোহাম্মদ, থানচি প্রেসক্লাবের সভাপতি মংবোওয়াংচিং মারমা অনুপম, বিএনকেএস এনজিও উপ পরিচালক উবানু মারমা ও উপজেলা ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা অফিসার মোঃ নিজাম উদ্দিন প্রমুখ।
    উদ্বোধনী খেলায় ৬০ মিনিট খেলার শেষে সোন্ট ফ্রান্সিস উচ্চ বিদ্যালয়কে ০-৪ খোলে ব্যবধানে হারিয়ে থানচি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় জয়লাভ করে। একই সাথে ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে দলটি।
    উল্লেখ্য, উপজেলা পর্যায়ে স্কুল ভিত্তিক বালিকা ফুটবল টুর্নামেন্টের মোট ৪টি দল অংশগ্রহণ করেন। আগামীকাল থানচি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় বনাম বলিপাড়া বাজার উচ্চ বিদ্যালয় বিকেল ৪ ঘটিকায় খেলার অনুষ্ঠিত হবে।

  • মোংলা উপজেলা পানি ক-মিটি গঠন – নূর আলম সভাপতি মনীন্দ্র সম্পাদক

    মোংলা উপজেলা পানি ক-মিটি গঠন – নূর আলম সভাপতি মনীন্দ্র সম্পাদক

    বায়জিদ হোসেন, মোংলাঃ বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা উত্তরণ এর উদ্যেগে ফিশনেট প্রকল্পের আওতায় বাগেরহাট জেলার মোংলা উপজেলায় ‘উপজেলা পানি কমিটি’ গঠন করা হয়। বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা উত্তরণ’র বাস্তবায়নে ইউকে ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের আর্থিক সহযোগীতায় ১৩ আগষ্ট বুধবার সকালে মোংলা উপজেলা কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে বিভিন্ন শ্রেনী পেশার প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে এই পানি কমিটি গঠন করা হয়।
    বুধবার সকাল ১১টায় পরিবেশযোদ্ধা মোঃ নূর আলম শেখ’র সভাপতিত্বে কমিটি গঠন সভায় প্রকল্প সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন ফিসনেট প্রকল্প ব্যবস্থাপক বিলকিস খাতুন। এসময়ে উপজেলা পানি কমিটি গঠনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন ফিসনেট প্রকল্প ‘উত্তরণ’ এর এডভোকেসি অফিসার মো: মিজানুর রহমান । তিনি বলেন ‘উত্তরণ’ এর পানি কমিটি একটি সামাজিক সংগঠন। ১৯৮০ সালে প্রথম পানি কমিটি গঠিত হয় এবং জলাবদ্ধতা দূর করার আন্দোলন ও সরকারের সাথে পরামর্শ করে আসেছে। তিনি পানি কমিটির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি সভায় পানি কমিটির গঠনতন্ত্র উপস্থাপন করেন। এরপর গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কমিটি গঠন করা হয়। আলাপ আলোচনা ও প্রস্তাবনার মাধ্যমে ২২ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠিত হয়। কমিটি হলো- সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বিশিষ্ট পরিবেশবাদী কর্মী, সাংবাদিক ও মোংলা উপজেলা পরিষদ এর সাবেক ভাইস-চেয়ারম্যান মোঃ নুর আলম শেখ। সহ-সভাপতি- আঃ মালেক হাওলাদার ও শিখা হালদার, সম্পাদক-মনিন্দনাথ রায়, যুগ্ম-সম্পাদক-মিতালী মন্ডল, সাংগঠনিক সম্পাদক-মোঃ নাজমুল হক, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক- মোঃ নান্টু গাজী। দপ্তর সম্পাদক-মেহেদী হাসান। কমিটির অন্যান্য সদস্যগণ হলেন- এ্যড. সার্বভৌম রায়, মোঃ বায়জিদ হোসেন, ওয়াশিংটন হালদার, মিরা রায়, দুলালী সরদার, আঃ রশিদ হাওলাদার, কনিকা মন্ডল, ফাতেমা জান্নাত, ফারজানা খাতুন, অসীমা বিশ্বাস, বৃষ্টি সরকার, মাসুদা আক্তার, ইয়াসমিন বেগম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উত্তরণ ফিসনেট প্রকল্পের এরিয়া ম্যানেজার মোঃ মোখলেুর রহমান কামাল।

  • প্রথিতযশা সাংবাদিক গোলাম সারওয়ার’র মৃ-ত্যুবার্ষিকীতে বানারীপাড়ায় দো-য়া মো-নাজাত

    প্রথিতযশা সাংবাদিক গোলাম সারওয়ার’র মৃ-ত্যুবার্ষিকীতে বানারীপাড়ায় দো-য়া মো-নাজাত

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি: 

    বরিশালের বানারীপাড়ায় একুশে পদক প্রাপ্ত দৈনিক সমকাল ও যুগান্তরের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক প্রয়াত গোলাম সারওয়ারের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বানারীপাড়ায় পারিবারিকভাবে দোয়া মোনাজাতের আয়োজন করা হয়। এ উপলক্ষে বানারীপাড়ার বেগম ফজিলাতুন্নেছা এতিমখানা ও বানারীপাড়া এতিমখানায় কোরানখানী ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মোনাজাত শেষে ওই দুই এতিমখানায় এতিমদের মাঝে দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। দোয়ায় অংশ নেন গোলাম সারওয়ারের মেঝ ভাই বানারীপাড়া সাবেক পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সালেহ্ মঞ্জু মোল্লা ও মহসীন আকন নান্টু, গোলাম সারওয়ারের ভাতিজা গোলাম কিবরিয়া সৈকত, আজকের পত্রিকা বানারীপাড়া প্রতিনিধি সাংবাদিক আব্দুল আউয়াল অন্যান্য আরো উপস্থিত ছিলেন মোঃ মিন্টু, রাহাত হোসেন, হৃদয় প্রমুখ।

    প্রসঙ্গত গোলাম সারওয়ার ১৩ আগস্ট ২০১৮ সালের এই দিনে ৭৫ বছর বয়সে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ।গোলাম সারওয়ার ষাটের দশকে সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করেন। তখন থেকে টানা পাঁচ দশকের বেশি সময় তিনি এ পেশায় মেধা, যুক্তিবোধ, পেশাদারিত্ব, দায়িত্বশীলতা, অসাম্প্রদায়িক চিন্তা-চেতনার নিরবচ্ছিন্ন চর্চার মাধ্যমে নিজেকে এবং বাংলাদেশের সংবাদপত্রকে অনন্য উচ্চতায় প্রতিষ্ঠিত করেন। মরহুম গোলাম কুদ্দুস মোল্লা ও মরহুম সিতারা বেগমের জ্যেষ্ঠ সন্তান গোলাম সারওয়ার বাংলাদেশের মুক্তচিন্তা, প্রগতিশীল মূল্যবোধ আর মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে আজীবন সোচ্চার ছিলেন।
    দেশের সাংবাদিকতায় প্রতিষ্ঠানতুল্য ব্যক্তিত্ব গোলাম সারওয়ার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে স্নাতক সম্মানসহ এমএ ডিগ্রি অর্জন করেন। ঢাবিতে ছাত্র অবস্থায় ১৯৬২ সালে চট্টগ্রামের দৈনিক আজাদীর বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা হিসেবে সাংবাদিকতা পেশায় তাঁর অভিষেক। একই বছর দৈনিক সংবাদের সহ-সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন তিনি। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পর্যন্ত সংবাদে কর্মরত ছিলেন। এরপর মহান মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। মুক্তিযুদ্ধে তিনি নিজ এলাকা বরিশালের বানারীপাড়ায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।মুক্তিযুদ্ধের পর কয়েক মাস বানারীপাড়া ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশনে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭২ সালে দৈনিক ইত্তেফাকে জ্যেষ্ঠ সহ-সম্পাদক হিসেবে যুক্ত হন। ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত যথাক্রমে প্রধান সহ-সম্পাদক, যুগ্ম বার্তা সম্পাদক ও বার্তা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। গোলাম সারওয়ার দৈনিক যুগান্তরেরও প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক।দেশের দৈনিক সংবাদপত্রগুলোর সম্পাদকদের প্রভাবশালী সংগঠন বাংলাদেশ সম্পাদক পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন গোলাম সারওয়ার। মেধা, নিষ্ঠা ও দক্ষতায় উৎকর্ষের কারণে গোলাম সারওয়ারকে অনেকেই ‘সাংবাদিকদের শিক্ষক’ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি ছিলেন এ দেশের সংবাদপত্রে সাফল্য ও পেশাদারিত্বের প্রতীক।

    সৃজনশীল সাহিত্যেও ছিল তাঁর সাবলীল বিচরণ। তিনি ছিলেন একজন দক্ষ ছড়াকার। তাঁর লেখা বইয়ের মধ্যে রঙিন বেলুন, সম্পাদকের জবানবন্দি, অমিয় গরল, আমার যত কথা এবং স্বপ্ন বেঁচে থাক উল্লেখযোগ্য।

    সাংবাদিকতায় অনন্য ভূমিকার জন্য ২০১৪ সালে একুশে পদক, ২০১৬ সালে কালচারাল জার্নালিস্টস ফোরাম অব বাংলাদেশের (সিজেএফবি) আজীবন সম্মাননা ও ২০১৭ সালে আতাউস সামাদ স্মারক ট্রাস্ট আজীবন সম্মাননা লাভ করেন তিনি।

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি।।