Blog

  • আশিয়ায় মিথ্যা মামলা দিয়ে দিয়ে হয়রানি ও প্রাণনাশের হুমকি

    আশিয়ায় মিথ্যা মামলা দিয়ে দিয়ে হয়রানি ও প্রাণনাশের হুমকি

    মহিউদ্দীন চৌধুরী।
    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ পটিয়া উপজেলার আশিয়া ইউনিয়নে মোহাম্মদ দেলোয়ার (৩৭) কে মিথ্যা মামলা দিয়ে দিয়ে হয়রানি ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
    এব্যাপারে পটিয়া থানায় একটি
    অভিযোগ করা হয়েছে। মামলার
    অভিযোগ সুএে জানা যায়,বিবাদী
    শেখ তাহের (৪৫) পিতা – আবদুল মোনাফ,২/ মোঃ নজরুল (৫০) পিতা অজ্ঞাত, ৩/ মোঃ মোতাহের (৫০) পিতা আবদুল মোনাফ। সর্বসাং- আশিয়া রশিদপুর,মোনাফ হাজীর বাড়ী, ৩ নং, ওয়ার্ড,আশিয়া।গত ০৮/০৮/২০২২ ইং তারিখে আনুমানিক রাত নয়টায় বাদী মোঃ দেলোয়ারের বসতঘরের সামনে উল্লেখিত বিবাদীগন উশৃংখল,দাঙ্গাবাজ,
    জোরজুলুম বাজ ও খারাপ প্রকৃতির লোক।উল্লেখিত ১ নং বিবাদী এলাকার একজন প্রকৃত মাদক ব্যবসায়ী।বিবাদীগনের সহিত পূর্ব হতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ সহ মনোমালিন্য চলে আসছে।বিরোধের জের ধরে বিবাদী গন প্রায় সময় বাদী দেলোয়ার ও ভাতিজা মোঃ এনাম
    ( ২৫) সহ পরিবারের লোকজন কে প্রাননাশের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে আসছে,এরই ধারাবাহিকতায় গত ৮/৮/২২ ইং তারিখে রাত আনুমানিক রাত নয়টায় পূর্ব বিরোধের জের ধরে উল্লেখিত বিবাদীগন ঘটনাস্থল বসত ঘরের সামনে আমাকে দেখামাএই অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে।আমি প্রতিবাদ করিয়া গালিগালাজ করার কারণ জিগ্যেস করিলে বিবাদী গন আমার ঘরের সামনে আসে অতর্কিত ভাবে মারধর শুরু করে।একপর্যায়ে ১ নং বিবাদী আমার সার্টের কলার ধরে টানাহেঁচড়া করে এলোপাতাড়ি কিল, ঘুষি, লাথি মেরে আমার শরীলের বিভিন্ন স্থানে নীলা ফুলা জখম করে। ২ও ৩ নং বিবাদী আমাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে আমার শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে। এসময় আমাকে উদ্ধারের জন্য আমার স্ত্রী শেলী আকতার (২৭) ভাবী জেসমিন আক্তার (৩০) ভাতিজী ঝিনু আক্তার (১৮) গন এগিয়ে আসলে উল্লেখিত বিবাদীগন তাদেরকে ও মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা ফুলা জখম করে ও বিবাদীগন তাদের পরনের কাপড় ছোপড় টানাহেঁচড়া করে ছিড়ে ফেলে শ্লীলতাহানি করে।আমার শোরচিৎকারে আশ পাশের স্হানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে বিবাদীগন আমাদেরকে দেখে নিবে,মারিবে,কাটিবে,মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করবে সহ প্রাননাশের ভয়ভীতি হুমকি প্রদান করে চলে যায়।এব্যাপারে প্রশাসনের৷ সহযোগিতা কামনা করছি।

  • ছনহরা ষোড়শী বালা উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ

    ছনহরা ষোড়শী বালা উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ

    পটিয়া প্রতিনিধিঃ বৃহত্তর চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছনহরা ষোড়শী বালা উচ্চবিদ্যালয়ে ৯ম সাধারণ ও ৮ম (ক+খ) শ্রেণির শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও শিক্ষার মান উন্নয়নে এক অভিভাবক সমাবেশ প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আবদুল গনি মাইজভান্ডারির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সম্মানিত সভাপতি জনাব মোঃ ওছমান আলমদার, প্রধান শিক্ষক জনাব মোহাম্মদ আবদুল গনি, সহকারী প্রধান শিক্ষীকা মি. সুকৃতি রানি দে , ৯ম ও ৮ম শ্রেণি শিক্ষিকা মি. হোসনে আরা বেগম, মি. অনিমা রানি দে ও মি. আনোয়ার হোসেন। অভিভাবক সদস্য জনাব উত্তম কুমার বৈদ্য , জনাব মুজিবুর রহমান, মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, আবু তাহের ও অভিভাবক সদস্য ছেনোয়ারা আজম তালুকদার। আরো বক্তব্য রাখেন প্রাক্তন ইউপি সদস্য এ.টি.এম. আব্দুল মান্নান, অরুব ভট্টাচার্য প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন সিনিয়র শিক্ষক মি.অলকেশ কুমার দাশ সহ আরো অনেকেই।

  • আওয়ামীলীগ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর – শোক সভায় বক্তারা

    আওয়ামীলীগ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর – শোক সভায় বক্তারা

    বায়জিদ হোসেন, মোংলাঃ
    আওয়ামী লীগ মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অনুপ্রাণিত গণতান্ত্রিক মূল্যবোধভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে প্রকাশিত জনগণের মতামতের প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার শ্রদ্ধাশীল।
    জনগণের মতপ্রকাশের সর্বোত্তম মাধ্যম হচ্ছে নির্বাচন। আর সেই নির্বাচনি ব্যবস্থাকে অধিকতর গণতান্ত্রিক ও আধুনিক করার লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ কাজ করে যাচ্ছে। নির্বাচনে আসুন, যথাসময়ে নির্বাচন হবে সংবিধানসম্মত ভাবে। নির্বাচনেই প্রমাণ হবে জনগণ কী ইতিবাচক রাজনীতির দিকে, নাকি নেতিবাচক রাজনীতির দিকে। বাংলাদেশের জনগণ কি উন্নয়নের পক্ষে ভোট দিবে, নাকি লুটপাটের পক্ষে রায় দেবে, এমন প্রশ্ন রেখে বক্তারা বিএনপি কে উদ্দেশ্যে বলেন, দেশে যে উন্নয়নের জোয়ার বইছে, মানুষ কি উন্নয়ন আর অর্জনকে ভোট দেবে, নাকি দুর্নীতিকে ভোট দেবে? আগস্ট মাস এলেই সকল অপশক্তি মাথা চাড়া দিয়ে উঠে। যে কারনে এ মাস এলেই স্বাধীনতার পক্ষের সকল শক্তির হৃদয় স্পন্দন অজানা আতংকে কেঁদে উঠে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার মধ্যে দিয়ে ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও আওয়ামী লীগকে ইতিহাসের পাতা থেকে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিলো। কিন্তু আজ ঘাতকরাই ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে। রবিবার (২৮ আগষ্ট) বিকেল ৫ টায় উপজেলার মিঠাখালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ও এর সকল সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে ইউনিয়নের ঠোটারডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে বঙ্গবন্ধুর ৪৭তম শাহাদত বার্ষিকীর শোকসভা ও দোয়া মাহফিলে বক্তার এ কথা বলেন। ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি বাবু প্রতিশ হালদার’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর হাওলাদার’র সঞ্চালনায় সভায় বক্তৃতা রাখেন, বাগেরহাট জেলা আ’লীগের দপ্তর সম্পাদক বাবু অম্বরিশ রায়, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নাজিবুল হক নজু, মোংলা উপজেলা অ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহীম হোসেন, চাঁদপাই ইউপি চেয়ারম্যান মোল্লা মো. তারিকুল ইসলাম, মিঠাখালী ইউপি চেয়ারম্যান উৎপল কুমার মন্ডল, উপজেলা আ’লীগের সহ-সভিপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাহামুদ হাছান ছোটমনি, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. ইস্রাফিল হাওলাদার, পৌর যুব মহিলা লীগের সভাপতি সুমীলীলা, চাঁদপাই ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আজিজুর রহমান, মোংলা পৌর ২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এইচ,এম শরিফুল হাওলাদার, উপজেলা কৃষকলীগ’র সভাপতি মো. শাহাজান সিদ্দিকী, উপজেলা সেস্বাসেবকলীগের সভাপতি ইমরান বিশ্বাস, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শিকদার ইয়াছিন আরাফাত, সাধারণ সম্পাদক সজীব খাঁন, ইউনিয় যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মুজিবুর রাহমান, সাবেক ইউপি সদস্য আরিফ ফকির, ছাত্রলীগ নেতা হেলাল হাওলাদার, প্রমূখ। এর আগে ইউনিয়নের সকল ওয়ার্ড থেকে শোক র‍্যালী এসে জড় হয় সভা স্থলে, পরিনত হয় জনসমুদ্রে। শেষে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্য সহ ‘৭৫-এর ১৫ আগস্ট শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাতে দেশ ও জাতির সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রগতি কামনা করা হয়। পরে উন্নত মানের খাবার বিতরণ করা হয়।

  • ৭ নং লতাচাপলী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান হলেন মোঃ দুলাল হাওলাদার

    ৭ নং লতাচাপলী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান হলেন মোঃ দুলাল হাওলাদার

    এইচ এম মাইনুল ইসলাম টিটু।

    মহিপুর থানার ৭ নং লতাচাপলী ইউনিয়ন পরিষদের মাসিক সমন্বয় সভা সোমবার (২৫ আগষ্ট ) সকালে ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    এতে সর্বসম্মতিক্রমে ইউনিয়ন পরিষদের ১ নং ওয়ার্ড থেকে সর্বোচ্চ ভোটে নির্বাচিত মোঃ দুলাল হাওলাদারকে ইউনিয়ন পরিষদের ১ নং প্যানেল চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়।

    সভায় ৭ নং লতাচাপলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আনসার মোল্লার সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদের সচিব জনাব রাশেদ নিজাম সহ ইউনিয়ন পরিষদের সকল সদস্যবৃন্দ।

    সভায় সার্বিক বিষয়ে আলোচনা শেষে ১ নং ওয়ার্ড থেকে নির্বাচিত ইউপি সদস্য মোঃ দুলাল হাওলাদারকে ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

    এদিকে নবনির্বাচিত প্যানেল চেয়ারম্যানকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

  • গৌরনদীর মাহিলাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান

    গৌরনদীর মাহিলাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-সহ সকল শহীদের স্মরনে তাদের আত্নার সান্তি কামনা করে
    গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া ইউনিয়নের এএন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠ প্রাঙ্গনে
    রবিবার বিকাল ৪টা আলোচনাসভা ও দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    মাহিলাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি, আলমগির হোসেন কবিরাজ’র সভাপতিত্বে
    অনুষ্ঠিত স্মরণ সভায় স্মৃতিচারন করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক পৌর মেয়র মো. হারিছুর রহমান।
    উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা রাশেদুল সংগিত’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এইচ.এম জয়নাল আবেদীন, সহ-সভাপতি আবু সাঈদ নান্টু, এইচএম হারুন, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সৈকত গুহ পিকলু, ফরহাদ হোসেন মুন্সি, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মনির হোসেন মিয়া, সাধারন সম্পাদক মোঃ আতিকুর রহমান শামীম,
    ইউপি চেয়ারম্যান, গোলাম হাফিজ মৃধা, চাঁদশী ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক সরদার আবদুল হালিম, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হাফেজ নুরুল হক,
    উপজেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম দিলিপ, জামাল হোসেন বাচ্চু, আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. সাহিদা আক্তার, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা, মো. জামাল গোমস্তা, মো. কালাম মৃধা, মো. নান্টু হাওলাদার,স্বাস্থ ও জনসখ্যা বিষয়ক সম্পাদক মো.মামুন মোল্লা, কোষাধ্যক্ষ ভোলা নাথ সাহা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আনিসুর রহমান, সাধারন সম্পাদক সৈয়দ মাহাবুবুর রহমান, পৌর যুবলীগের সাধারন সম্পাদক মো.আল-আমীন হাওলাদার,
    যুবলীগ নেতা কাজী মোস্তাফিজুর রহমান রনি, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জুবায়ের ইসলাম সান্টু, সাধারন সম্পাদক লুৎফর রহমান দিপ,
    সরকারী গৌরনদী কলেজ ছাত্রসংসদের সাবেক ভিপি মো. সুমন মাহামুদ, কলেজ ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক শরীফ নাহীয়ান হোসেন রাতুল,
    কাউন্সিলর মো.মিলন খলিফা, মো.সাখাওয়াত হোসেন সূজন, পৌর ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক প্রিন্স রেনাল্ড বেপারী,
    উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মো.ইমরান মিয়া-প্রমূখ।
    শেষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-সহ সকল শহীদের স্মরনে তাদের আত্নার সান্তি কামনা করে দোয়া-মোনাজাত পরিচালনা করেন
    গৌরনদী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক পৌর মেয়র মো. হারিছুর রহমান।

  • আগৈলঝাড়ার বাগধা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস পালন

    আগৈলঝাড়ার বাগধা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস পালন

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে উপজেলা আওয়ামসী লীগের মাসব্যাপি কর্মসূচির অংশ হিসেবে বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার বাগধা উইনিয়ন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়েছে।
    এ উপলক্ষে জাতির পিতা ও শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলী নিবেদন, আলোচনাসভা, দোয়া-মিলাদ ও খাবার বিতরণ করা হয়েছে।
    ২৮ আগস্ট রবিবার বাগধা ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে বাগধা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ইউনুস আলী মিয়া’র সভাপতিত্বে শোক দিবসের আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ মোঃ লিটন সেরনিয়াবাত, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা আবুল বাশার হাওলাদার, বাগধা ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বাবুল ভাট্টি, রাজিহার ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ ইলিয়াস তালুকদার, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বজলুর রহমান হাওলাদার।
    অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুনীল কুমার বাড়ৈ, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুস সাত্তার মোল্লা,উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ রফিকুল ইসলাম তালুকদার, পিয়ারা ফারুক বখতিয়ার, ফরহাদ হোসেন তালুকদার, কামরুজ্জামান সেরনিয়াবাত আজাদ, বাকাল ইউপি চেয়ারম্যান বিপুল দাস,
    গৈলা ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল হোসেন টিটু, উপজেলা যুবলীগ সভাপতি মোঃ সাইদুল সরদার, আওয়ামী লীগ নেতা কাজী রিয়াজ হোসেন, নিখিল সমদ্দার, উজ্জল লাহেড়ী, রেমন ভূইয়া, উপজেলা যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক অনিমেষ মন্ডল, উপজেলা শ্রমিকলীগ সভাপতি এ্যাডভোকেট আবুল কাশেম সরদার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি ফিরোজ সিকদার, সাধারণ সম্পাদক গোলাম নবী সেরনিয়াবাত, ছাত্রলীগ সভাপতি মিন্টু সেরনিয়াবাত, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন পাইকসহ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দরা।
    আলোচনাসভা শেষে বাদ যোহর জাতির পিতাসহ ১৫ আগষ্ট সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া-মিলাদ শেষে খাবার বিতরণ করা হয়।
    দোয়া-মোনাজাত পরিচালনা করেন বাগধা হাফেজিয়া মাদ্রাসার হাফেজ মোঃ সহিদুল ইসলাম।

  • বানারীপাড়ায় যুবলীগের সন্ত্রাস বিরোধী বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

    বানারীপাড়ায় যুবলীগের সন্ত্রাস বিরোধী বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি:

    সারাদেশে বিএনপি- জামায়াতের সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বরিশালের বানারীপাড়ায় উপজেলা ও পৌর যুবলীগের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৭ আগস্ট. শনিবার বিকেল ৫ টায় উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে পৌরসভার বন্দর বাজারের প্রধান প্রধান: সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশে উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক মো. নুরুল হুদা সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে
    বক্তৃতা করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আক্তার হোসেন মোল্লা, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বর্তমান পৌর শাখা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুব্রত লাল কুন্ডু,, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য সাংবাদিক সুজন হালদার, সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক মো. ফারুক বেপারী প্রমুখ।এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক সুমম রায় সুমন, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধাারণ সম্পাদক সুলতান হোসেন সিকদার,উপজেলা যুবলীগ নেতা মহসিন রেজা, তপু খান, মশিউর রহমান সুমন, মাসুম বিল্লাহ, সিরাজুল ইসলাম মিঠু, স্বপন মাঝি, রাজু খান, ছাত্রলীগের সাবেক নেতা রাজ্জাক সরদার, উপজেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মমিনুল কবির মিঠুন, সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন দেবনাথ, পৌর শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রুহুল আমিন রাসেল, সাধারণ সম্পাদক সজল চৌধুরী, পৌর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়েজ আহম্মেদ শাওন,উপজেলা বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক যোবায়ের আহমেদ রুথেন, যু্বলীগ নেতা ঠিকাদার মো. খায়রুল ইসলাম প্রমূখ।
    এছাড়াও উপজেলার ৮ ইউনিয়ন ও ৭২ টি ওয়ার্ডের যুবলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের যুবলীগের নেতৃবৃন্দরা ও আওয়ামীগ লীগ এবং অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি।

  • মানবাধিকার বিষয়ে স্টেকহোল্ডারদের ওরিয়েন্টেশন এবং  মানবাধিকার রক্ষা কমিটি গঠন

    মানবাধিকার বিষয়ে স্টেকহোল্ডারদের ওরিয়েন্টেশন এবং মানবাধিকার রক্ষা কমিটি গঠন

    বিশেষ প্রতিবেদক : বেসরকারি উন্নয়ন সংগঠন “ আভাস” এর আয়োজনে এবং হিউম্যান রাইটস প্রোগ্রাম (HRP) ইউএনডিপি UNDP) এর সহযোগিতায় শনিবার ২৭ আগস্ট ২০২২ সকাল ১০ টায় দিন ব্যাপী বরিশাল বিডিএস সম্মেলন কক্ষে অধিকার-ভিত্তিক সিএসও, প্রশিক্ষিত এইচআরডি, আন্তঃধর্মীয় নেতা, পুলিশ কর্মকর্তা, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন কাউন্সিলর, সাংবাদিক, শিক্ষক, ইউপি সদস্য, এ্যাডভোকেট, সুশিল সমাজ, এনজিও প্রতিনিধি এবং যুব নেতা সহ স্টেকহোল্ডারদের সমন্বয়ে মানবাধিকার বিষয়ে ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় মানবাধিকার বিষয়ে ওরিয়েন্টেশন এবং মাল্টি-স্টেকহোল্ডার সমন্বয়ে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট বরিশাল জেলা পর্যায়ে মানবাধিকার রক্ষা কমিটি গঠন করা হয়েছে। সভা ও ওরিয়েন্টেশন পরিচালনা করেন হিউম্যান রাইটস প্রোগ্রাম “ইউএনডিপি” মানবাধিকার কর্মসূচি সম্প্রদায় এবং সংখ্যালঘু বিশেষজ্ঞ জনাব শংকর পাল এবং আভাস এর নির্বাহী পরিচালক জনাব রহিমা সুলতানা কাজল। ওরিয়েন্টশনে আলোচনায় অংশ নেন, বিশিস্ট সাংবাদিক এস এম আমজাদ হোসাইন, এসও এইড নির্বাহী পরিচালক প্রেমা নন্দ ঘরামী, এফ ই এইচ ডি এস(ফেডস) নির্বাহী পরিচালক এস মিজানুল ইসলাম, সাংবাদিক ও প্লাটফরম সদস্য জাকির জমাদ্দার, শুভ নির্বাহী পরিচালক হাছিনা বেগম নিলা প্রমূখ।#

  • তেলের দাম বৃদ্ধি: বাড়ছে দরিদ্রতার সংখ্যা-স্থান পরিবর্তন করেও মানুষ দিশেহারা

    তেলের দাম বৃদ্ধি: বাড়ছে দরিদ্রতার সংখ্যা-স্থান পরিবর্তন করেও মানুষ দিশেহারা

    হেলাল শেখঃ চলতি বছরে তেল ও গ্যাসের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে, বিভিন্ন কারণে বাড়ছে দরিদ্রতা। গত এপ্রিল মাস থেকে প্রায় ৭৯ লাখ মানুষ দরিদ্র হয়েছে। সূত্র জানায়, চলতি বছরের এপ্রিল মাস থেকে এই সংখ্যা বেড়েই চলেছে। সেই সাথে দীর্ঘদিন করোনার কারণে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় ৭ম শ্রেণি থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী কিশোরী তরুণীদের বিয়ে দেওয়ায় বাল্যবিবাহ বেড়েছে। তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে পরিবহনের ভাড়া বেড়েছে।
    তথ্য সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের মার্চ মাসে নতুন দরিদ্রের সংখ্যা ছিলো ২কোটি ৪৫ লাখ। অর্থাৎ গত ৮ মাসে প্রায় ৭৯ লাখ মানুষ দরিদ্র হয়েছে। দেশে করোনাকালে ৩কোটি ২৪ লাখ মানুষ নতুন করে দরিদ্র হয়েছে। ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্নেন্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (বিআইজিডি) এবং পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) যৌথ জরিপে এ তথ্য পাওয়া গেছে। সূত্রমতে ‘জীবিকা, খাপ খাইয়ে নেওয়া ও উত্তরণে কোভিড-১৯ এর প্রভাব’ শীর্ষক জরিপের ফলাফল প্রকাশ করা হয়।
    বিআইজিডি ও পিপিআরসি করোনাকালে মানুষের জীবন ও জীবিকার ওপর প্রভাব নিয়ে চার দফায় জরিপ করে। প্রথম দফায় জরিপ হয় গত বছরের এপ্রিল মাসে। এরপর সে বছরের জুন মাসে দ্বিতীয় দফায় ও তৃতীয় দফায় চলতি বছরের জুন মাসে এবং গত বছরের সর্বশেষ জরিপ হয় ২১আগষ্ট থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এই জরিপে অংশ নেয় ৪৮৭২টি পরিবার। এর মধ্যে শহরের ৫৪ শতাংশ এবং পার্বত্য চট্রগ্রাম এলাকায় এক শতাংশ পরিবার ছিলেন। গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন সূত্রমতে, জরিপ প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনাকালে দারিদ্রের কারণে দেশের ২৮শতাংশ মানুষ শহর থেকে গ্রামে চলে যায়। বিশেষ করে শিল্পা লের পোশাক শ্রমিকসহ সর্বশেষ জরিপে দেখা গেছে, এদের মধ্যে ১৮ শতাংশ মানুষ শহরে আবার ফিরে এসেছে। অর্থাৎ ১০ শতাংশ মানুষ এখনো শহরে ফিরতে পারেনি।
    দেশে ২০২০ইং সালের ৮ মার্চ প্রথম করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্তের খবর জানায় রোতত্ত: রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)। প্রথম মৃত্যুর খবর জানানো হয় ১৮ মার্চ। এর আগের দিন ১৭ মার্চ থেকে দেশের স্কুল-কলেজসহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়, এরপর থেকে বাল্যবিবাহ বেড়েছে অনেক। ২৬ মার্চ থেকে সারাদেশে শুরু হয় সাধারণ ছুটি। অবশ্য এর আগেই বিপুলসংখ্যক মানুষ রাজধানী ও শহর ছেড়ে গ্রামে চলে যায়। সাধারণ ছুটির আদলে লকডাউন চলে মে মাস পর্যন্ত। মার্চ মাসের শেষের দিকে করোনা সংক্রমণ আবার বাড়তে শুরু করলে লকডাউন শুরু হয় এপ্রিল মাস থেকে। এটি চলে আগস্ট মাস পর্যন্ত।
    পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, ‘গত বছর করোনার কারণে দ্বিতীয় দফায় লকডাউন দারিদ্র পরিস্থিতিকে আরও লাজুক করে তুলেছে।’ নতুন দরিদ্র মানুষদের মধ্যে এই শহর থেকে গ্রামে চলে যাওয়া মানুষই বেশি। এসব মানুষের জন্য প্রচলিত ধারার দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচি নেওয়া যাবে না। নতুন দরিদ্র এসব মানুষ হয়তো কারও কারও কাছে সহায়তাও চাইতে পারবেন না। তারা নতুন কাজের সন্ধান চাইবে। নীতি নির্ধারণী স্তরে এসব মানুষের বিষয় সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকতে হবে।
    জরিপ প্রতিবেদনটির বড় অংশ তুলে ধরেন বিআইজিডির নির্বাহী পরিচালক ইমরান মতিন। তিনি বলেন, আয়-বেকারত্ব-খাদ্য গ্রহণ ইত্যাদি নানা খাতে গ্রামের চেয়ে শহরের মানুষ বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সর্বশেষ জরিপে দেখা গেছে, শহর অ লের মানুষের আয় কোভিড-পূর্ব সময়ের তুলনায় ৩০ শতাংশ কমে গেছে। যেমন: কাগজ ও প্লেটের দাম বৃদ্ধির কারণে অনেক দৈনিক পত্রিকা নিয়মিত ছাপা হচ্ছে না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মানুষ প্রচারণা চালানোর কারণে গণমাধ্যম কর্মী অর্থাৎ সাংবাদিকদের আয় কমেছে কিন্তু খরচ বাড়ছে। দেশের অনলাইন সংবাদ প্রচার প্রচারণা চলছে।
    বিশেষ করে গ্রাম লে এ আয় কমেছে ১২ শতাংশ। কোভিডের আগে শহরা লের দরিদ্র মানুষের মধ্যে বেকারত্বের হার ছিলো ৭ শতাংশ, এটি সর্বশেষ জরিপে বেড়ে দাঁড়ায় ১৫শতাংশে। গ্রামে বেকারত্ব কোভিডকালে বেড়েছে মাত্র ৪ শতাংশ। তেল গ্যাসের দাম বৃদ্ধিসহ নিত্যপণ্যের দাম বেড়েই চলেছে। শুধু খাদ্য নয়, বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসার ব্যয় শিক্ষা ও যোগাযোগ খাতে দরিদ্র মানুষের ব্যয়ও বেড়েছে। বাড়তি এসব ব্যয় মেটাতে শহরের দরিদ্র এবং গ্রামের মানুষের ধার করতে হয়, অনেক সময় ধারের অর্থ পাওয়া যায় না বলে মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। অসাধু ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সুদের টাকা নেওয়া হলে আরও বেশি সমস্যার সৃষ্টি হয়। দোকানিদের কাছ থেকে বাকিতে খরচ করা, গ্রামে এই হার ৬২ শতাংশ, শহরে এখন ৬০ শতাংশ তবে শিল্পা লে ৯০% বাকি, দৈনন্দিন চলার জন্যই সবচেয়ে বেশি ধার করতে হয়।
    সাবেক তত্ত¦াবধয়ক সরকারের উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর গণমাধ্যমকে বলেন, সবচেয়ে বেশি বিপর্যয়ে শহরের মানুষ। দারিদ্রবিমোচনের প্রচলিত প্রচেষ্ঠায় বা সামাজিক সুরক্ষার চলমান ধারায় এ দারিদ্র্য থেকে উত্তরণ সম্ভব নয়। নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে এ নিয়ে নতুন চিন্তা করা দরকার। বর্তমানে যে, তেলের দাম বাড়ছে, বাস ও গণপরিবহনের ভাড়া বাড়াতে বিভিন্নভাবে ধর্মঘট কর্মসূচি ঘোষণা করা হচ্ছে। দরিদ্র দেশে কথিত ডিজিটাল সিন্ডিকেটে সকল জিনিসপত্রের দাম বাড়ানো হচ্ছে। দেশ ও জনগণের স্বার্থে সরকারি ভাবে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া জরুরি হয়ে পড়েছে বলে অভিমত প্রকাশ করেন সচেতন মহল।

  • নওগাঁয় বানিজ্যিকভাবে রঙিন মাছ চাষ করে লাভবান হয়েছেন এক মৎস্যচাষী ঃ অন্যন্য মৎস্যচাষীরাও আগ্রহ প্রকাশ করছেন

    নওগাঁয় বানিজ্যিকভাবে রঙিন মাছ চাষ করে লাভবান হয়েছেন এক মৎস্যচাষী ঃ অন্যন্য মৎস্যচাষীরাও আগ্রহ প্রকাশ করছেন

    রওশন আরা শিলা,নওগাঁ প্রতিনিধি : নওগাঁয় বানিজ্যিকভাবে রঙিন মাছের রেণু পোনা উৎপাদন এবং বিপনন করে লাভবান হয়েছেন সাইদুর রহমান নামের এক খ্যাতিমান মৎস্য হাচারী ব্যবসায়ী। অন্যান্য মাছের থেকে রঙিন মাছের পোনা উৎপাদন করে অধিক লাভবান হয়েছেন তিনি। লাভবান হওয়ার আশায় এখান থেকে পোনা নিয়ে নিজ নিজ পুকুরে রঙিন মাছ চাষ করছেন অন্যান্য পুকুর মালিকরাও।
    নওগাঁ’র প্রথিতযশা একজন মৎচাষী সাইদুর রহমান। যিনি মাছ চাষ করে জিরো থেকে হয়েছেন হিরো। বর্তমানে তিনি একজন প্রতিষ্ঠিত মৎস্যচাষী। অর্জন করেছেন জেলা বিভাগ এবং জাতীয় পুরস্কার। তিনি রানীনগর উপজেলার নলামারা খালের স্লুইসগেট এলাকায় ২০ বিঘা জলাবিশিষ্ট একটি পুকুরে প্রাকৃতিকভাবে রঙিন মাছের রেনু পোনা উৎপাদন শুরু করেছেন। পুকুরেই প্রাকৃতিকভাবে মা মাছ থেকে রঙিন মাছের রেণু পোন্ াউৎপাদন করছেন। বানিজ্যিকভাবে সেসব পোনা অন্যান্য মৎস্যচাষীদের নিকট বিক্রিও শুরু করেছেন। এতে সব খরচ বাদ দিয়ে ঐ জলা থেকে নীট মুনাফা করেছেন প্রতি বছর ৫ লাখ টাকা। তিনি এ ক্ষেত্রে খুব আশাবাদী।
    রঙিন মাছের পোনা উৎপাদনের সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে অন্যান্য মাছ চাষীদের মধ্যে ব্যপক সাড়া পরিলক্ষিত হয়। তারা এখান থেকে রঙিন মাছের পোনা সংগ্রহ করে নিজেদের পুকুরে রঙিন মাছ শুরু করেছেন। অন্য মাছের থেকে এই মাছ চাষ করে অধিক লাভবান হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তারা।
    স্বাভাবিক অন্য মাছের চেয়ে রঙিন মাছের চাহিদা বেশী বলে এসব মৎস্যচাষীরা ইতিমধ্যেই অনুভব করেছেন এবং সেইা অনুভব থেকেই তাদের পুকুরে বানিজ্যিকভাবে রঙিন মাছের চাষে অধিক আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।
    মাছের পরিচর্যা করতে কর্মসংস্থান হয়েছে বেশ কয়েকজন শ্রমিকের। তারা এখানে শ্রম দিয়ে প্রাপ্ত মজুরী দিয়ে তাদের সংসারের প্রাত্যহিক ব্যয় নির্বাহ করতে সক্ষম হয়েছে। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ড. এমামুল এহসান জানিয়েছেন উক্ত সাইদুর রহমানের রঙিন মাছের রেনু পোনা উৎপাদনে সাফল্যের বিষয়টি মৎস্য বিভাগ অবহিত রয়েছে। বর্তমানে বাজারে রঙিন মাছ খাওয়াসহ এ্যাকুইরিয়ামে প্রদর্শনের জন্য বিশেষ চাহিদার সৃষ্টি হয়েছে। কাজেই মৎস্য বিভাগ এ ক্ষেত্রে বিশেষ উৎসাহ প্রদান করছে। তারই ধারাবাহিকতায় সাইদুর রহমানসহ অন্য যারা এই মাছ চাষে আগ্রহী তাদের সব রকমের সহযোগিতা দেয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।
    নওগাঁ জেলা এমনিতেই মৎস্য চাষে উদ্বৃত্ত জেলা হিসেবে পরিচিত। গতানুগতিক মাছ চাষের পাশাপাশি রঙিন মাছ চাষীদের আগ্রহ জেলাকে এক্ষেত্রে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের। #

    রওশন আরা পারভীন শিলা
    নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি।