Blog

  • জয়পুরহাটে ৩১০ টি মণ্ডপে এবার দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে

    জয়পুরহাটে ৩১০ টি মণ্ডপে এবার দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে

    রিদয় হোসেন(সদর জয়পুরহাট)প্রতিনিধিঃ-

    জয়পুরহাট জেলায় এবার ৩১০টি মন্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। যা গত বছরের তুলনায় ৯টি বেশি।
    সনাতন হিন্দু সম্প্রদায়ের সব চেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্র্গোৎসব সফল করতে নানামুখী কার্যক্রম চলছে এখন। জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সদস্য ছাড়াও উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সদস্যরা সহ সংশ্লিষ্ট সকলেই প্রতিমা তৈরির বিষয়গুলো মনিটরিং করছেন সার্বক্ষণিক।

    জেলার গোয়েন্দা বিভাগ সূত্রে জানা গেছে জেলায় এবার ৩১০ টি মন্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে রয়েছে জয়পুরহাট সদর উপজেলায় ৯৮ টি,আক্কেলপুর উপজেলায় ৪৮ টি,কালাই উপজেলায় ৩৪ টি, ক্ষেতলাল উপজেলায় ৪৫ টি ও পাঁচবিবি উপজেলায় ৮৫ টি।
    ইতোমধ্যে দূর্গা প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগররা। আগামী সপ্তাহ থেকেই রঙ দেয়ার কাজ শুরু করবেন বলে জানান,নাটোরের দুর্গা মন্দিরের কারিগর প্রদীপ সিং পাল।

    আগামী ১ অক্টোবর ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে এই দূর্গাপুজার ধর্মীয় উৎসব শুরু হবে বলে জানান,জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি এ্যাড. হৃষিকেশ সরকার ও সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক সুমন কুমার সাহা।

    জয়পুরহাট জেলায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ও ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রয়েছে উল্লেখ করেন, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সদস্য ছাড়াও পাঁচটি উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সদস্যরাসহ সংশ্লিষ্ট সকলেই প্রতিমা তৈরির বিষয়গুলো মনিটরিং করছেন।

    এবিষয়ে জয়পুরহাট জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নূরে আলম জানান,প্রতিটি দূর্গা মন্ডপে তিনস্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হবে। পুলিশ, আনসার, সাদা পুলিশের পাশাপাশি সাধারন পুলিশ ও র‌্যাবের টহল দল থাকবে। এ ছাড়াও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত থাকবে সার্বক্ষণিক। দুর্গোৎসব সফল করতে পুলিশের একটি মনিটরিং টিমও কাজ করবে।

  • বাঁচতে চায় রাজমিস্ত্রী সফিকুল ইসলাম

    বাঁচতে চায় রাজমিস্ত্রী সফিকুল ইসলাম

    মো.হাসমত উল্লাহ, লালমনিরহাট।।।

    লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতা ইউনিয়নের পশ্চিম সারডুবি এলাকায় সফিকুল ইসলাম,রাজমিস্ত্রী বাঁচতে চায় সকলের সহযোগিতায়।

    সফিকুল ইসলাম (৩৮),পেশায় একজন রাজমিস্ত্রী। দীর্ঘ একবছর ধরে ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত তিনি। উন্নত চিকিৎসার জন্য তার আর্থিক সাহায্যে প্রয়োজন। লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতা ইউনিয়নের পশ্চিম সারডুবি এলাকায় মৃত রহিম উদ্দিনের ছেলে সফিকুল।

    স্ত্রী, তিন ছেলে এক কন্যা ও ভাইসহ মোট আটজন পরিবারের সদস্য নিয়ে রাজমিস্ত্রী সফিকুল ইসলামের সংসার চলতো কোনো রকম। দীর্ঘ একবছর থেকে ব্লাড ক্যান্সার আক্রান্ত হওয়ার পর অভাবের সংসার সল্প আয় ও পাড়াপ্রতিবেশির কাছ থেকে ধারদেনা করে এতদিন কোনোভাবে তার চিকিৎসার খরচ মিটিয়েছেন। সবকিছু শেষ করে এখন তিনি অসহায় হয়ে পড়েছেন।

    আড়াই শতাংশের বসতভিটে ছাড়া আর কিছু নেই তার। চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করা তার পরিবারের পক্ষ থেকে আর সম্ভব হচ্ছে না। চিকিৎসক জানিয়েছেন, উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে তিনি সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন৷ সমাজের বিত্তবান ও দানশীল মানুষের কাছে আর্থিক সাহায্য চেয়েছেন। সবার সহযোগিতায় তিনি ফিরে পেতে পারেন ক্যান্সার মুক্ত একটি সুন্দর সুখের জীবন। সন্তানদের মুখের দিকে তাকিয়ে মানবিক দিক বিবেচনা করে আর্থিক সাহায্যে এগিয়ে আসার আবেদন করেছে তার পরিবারসহ এলাকাবাসী।

    এর আগে তার ৬ষ্ঠ শ্রেণি পড়ুয়া ছেলে সাকিব অ্যাপেন্ডিক্স রোগে আক্রান্ত হয়। পরে তাকে রংপুরে একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে অপারেশন করানো হয়। সেখানে চিকিৎসার জন্য প্রায় ৫০ হাজার টাকা ব্যয় হয় ওই পরিবারের। এর কিছুদিন পর শারীরিক ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে সফিকুল মিস্ত্রি। বাবা ও ছেলের চিকিৎসা করতে গিয়ে এখন না খেয়ে দিন কাটছে তার পরিবারের সদস্যদের। এদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রায় ৫ লাখ টাকা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন সফিকুলের পরিবার।

    বড়খাতা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবু হেনা মোস্তফা জামাল সোহেল বলেন, সফিকুল মিস্ত্রি’র ক্যান্সার আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি শুনেছি। খুবই দরিদ্র পরিবারটি। তবে আমি ব্যক্তিগত ভাবে তাকে সহযোগিতা করবো। এ ছাড়া দেশের বিত্তবান ও দানশীল ব্যক্তিরা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়ার আহ্বান জানান তিনি। সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা,
    ভুক্তভোগী পরিবারের বিকাশ-০১৩০০-১৭৩৭৫৪ গ্রামঃ পশ্চিম সারডুবি,ইউনিয়ন বড়খাতা,উপজেলা হাতীবান্ধা,জেলা লালমনিরহাট।

    হাসমত উল্লাহ।।

  • আদিতমারীতে ৪কেজি মাদকদ্রব্য গাঁজা উদ্ধার আসামি পলাতক

    আদিতমারীতে ৪কেজি মাদকদ্রব্য গাঁজা উদ্ধার আসামি পলাতক

    মো.হাসমত উল্ল্যাহ,লালমনিরহাট।।।

    লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী থানার মহিষখোচা ইউনিয়নের গোবর্ধ্বন মৌজায় হতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ০৪ (চার) কেজি মাদকদ্রব্য গাঁজা উদ্ধার করেন আদিতমারী থানার পুলিশ।

    লালমনিরহাটের আদিতমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)মো.মোক্তারুল ইসলাম, এর নেতৃত্বে এসআই /মোঃ হারুন অর রশিদ, এসআই/ হামিদুল ইসলাম, সহযোগিতায় এসআই/ ওয়ালিউর রহমান, এসআই/ফরমান আলী, এএসআই /আশরাফুল ইসলাম, এএসআই/হাফিজুর রহমান, এএসআই /শাহ আলম, ও সঙ্গীয় ফোর্স সহ আদিতমারী থানাধীন মহিষখোচা ইউনিয়নের গোবর্ধ্বন মৌজায় বিশেষ অভিযান পরিচালন চালীয়ে পলাতক আসামী মোঃ মিজানুর রহমান, এর বসত বাড়ী থেকে ০৪ (চার) কেজি মাদকদ্রব্য গাঁজা উদ্ধার করেন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামী মোঃ মিজানুর রহমান, ঘটনার স্থান থেকে সু কৌশলে পালিয়ে যায়।

    পলাতক আসামী হলে মোঃ মিজানুর রহমান, থানা- আদিতমারী, জেলা- লালমনিরহাট।পলাতক আসামী বিরুদ্ধে আদিতমারী থানায় একটি মামলা হয়। মামলা নং-২৭, ধারা-২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ৩৬(১) টেবিলের ১৯ (ক) রুজু করা হয়।

    আদিতমারী থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি)মো.মোক্তারুল ইসলাম, জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আদিতমারী থানার ইউনিয়নের গোবর্ধ্বন মৌজায় হতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ০৪ (চার) কেজি মাদকদ্রব্য গাঁজা উদ্ধার করেন আদিতমারী থানার পুলিশ।

    হাসমত উল্ল্যাহ।

  • মধুপুরের  অলিপুর গ্রামে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু

    মধুপুরের অলিপুর গ্রামে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু

    আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ

    টাঙ্গাইলের মধুপুর পৌরশহরের মালাউড়ী (অলিপুর) গ্রামের নাছরিন নামের (২৩) এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। নাছরিনের শ্বশুরবাড়ির লোকজন ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার কথা বললেও নাছরিনের পরিবার দাবি করেছেন তাকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।

    এলাকাবাসী, নাছরিনের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মধুপুর পৌরশহরের অলিপুর গ্রামের আব্দুস ছালামের ছেলে শুভ (২৯) এর সাথে বেরীবাইদ ইউনিয়নের জাঙ্গালিয়া গ্রামের নাছির উদ্দিনের ছোট মেয়ে নাছরিনের সাথে প্রায় দেড় বছর আগে বিয়ে হয়। নাছরিন মাদারগঞ্জে কলেজের অনার্স ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী।

    নাছরিনের শ্বাশুড়ি খোদেজা বেগম জানান, শনিবার রাতে রান্নাবান্না করে খাওয়া দাওয়া সেরে শুভ ও নাছরিন এক সাথেই ঘুমাতে যায়। সকাল থেকে আমরা শুভকে পাইনি। নাছরিনকে ডাকাডাকি করে সাড়া না পেয়ে ঘরে গিয়ে তার লাশ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাই।

    নাছরিনের ভাই রুবেল মিয়া জানান, বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ শুরু হয়। পারিবারিক ভাবে একাধিকবার নির্যাতনের শিকার হয়েছেন নাছরিন। নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে নাছরিন ১৪/১৫ দিন আগে বাবার বাড়িতে চলে আসে। ওই সময় আমরা নাছরিনকে শুভদের বাড়িতে না যাওয়ার জন্য বহুবার বুঝিয়েছি। নতুন করে জীবন গড়ার কথা বলেছি। কিন্তু নাছরিন বার বার বলেছে, ‘আবার নতুন সংসার করার চেয়ে ওকে যদি ভালো করতে পারি তাহলেই মঙ্গল।’ স্বামীকে ভালো করার জন্যই এসে লাশ হয়েছে আমার বোন। আমরা নাছরিনের হত্যার বিচার চাই।

    দুপুরে মধুপুর থানার উপ-পরিদর্শক মেহেদি হাসান লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।
    মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাজহারুল আমিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়তদন্তের রিপোর্টের পর জানা যাবে হত্যা না আত্মহত্যা।

  • শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলার কোন বিকল্প নেই-মেহেদী হাছান বকুল

    শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলার কোন বিকল্প নেই-মেহেদী হাছান বকুল

    মহিউদ্দীন চৌধুরী,ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    পটিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক,সাঁইদাইর স্পোর্টস ক্লাবের সভাপতি তরুণ সমাজসেবক ও ক্রীড়া সংগঠক
    মেহেদী হাসান বকুল বলেছেন,শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলার কোন বিকল্প নেই। তাই শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার প্রতিও মনোযোগি হতে হবে।খেলাধুলা মন ও শরীরকে সুস্থ রাখে এবং নেশা থেকে দূরে রাখে। তিনি পড়ালেখার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় নিয়মিত চর্চা করারও আহ্বান জানান।তিনি সাইদাইর ফুটবল একাডেমি কাপ -২০২২ ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। এতে উদ্বোধক ছিলেন ক্রিড়া সংগঠক রবিউল হোসেন মুকুল।
    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নুরুল আবছার, বাবলু, হাসেম বাহাদুর, মিজান, মারুফ, আছলিম সহ অনেকে।
    উল্লেখ মেহেদী হাছান বকুল পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন রাজধন এর ছেলে।

  • জননেতা নাহিম রাজ্জাক এমপির সাথে বিকাশ দাশ গুপ্ত ও ইয়াছিন করিমের সাথে সৌজন্যে সাক্ষাৎ

    জননেতা নাহিম রাজ্জাক এমপির সাথে বিকাশ দাশ গুপ্ত ও ইয়াছিন করিমের সাথে সৌজন্যে সাক্ষাৎ

    নিজস্ব প্রতিবেদক : শরীয়তপুরের ৩ নং আসনের জনপ্রিয় সাংসদ নাহিম রাজ্জাক এমপি মহোদয়ের
    সাথে মহান জাতীয় সংসদ ভবনে সৌজন্যে
    সাক্ষাৎ করেন বিশিষ্ট সমাজসেবক
    মোঃ ইয়াছিন করিম ও বিকাশ দাশ গুপ্ত। চট্টগ্রামের রাউজান পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক, ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ সংগঠনের সদস্য বিকাশ দাশ গুপ্ত ও বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মোহাম্মদ ইয়াসিন করিম।
    এছাড়া ও বিশিষ্ট সমাজসেবক বিকাশ দাশ গুপ্ত “বঙ্গবন্ধু পরিষদ” ধানমন্ডি থানা শাখার সহ- সভাপতি, শ্রী শ্রী সার্বজনীন বিষ্ণু,দূর্গামন্দির, রাউজান,চট্টগ্রাম এর সম্মানিত উপদেষ্টা, বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ঢাকেশ্বরী মন্দির, ঢাকা এর আজীবন সদস্য, শ্রী শ্রী মহানগর পূজা উদযাপন কমিটি,ঢাকা এর আজীবন সদস্য, শ্রী শ্রী ঢাকা উওর কেন্দ্রীয় মন্দির,ঢাকা এর আজীবন সদস্য, শ্রী শ্রী রমনা কালী মন্দির,ঢাকা এর আজীবন সদস্য, শ্রী শ্রী রাধা-কৃষ্ণ বিগ্রহ মন্দির উন্নয়ন কমিটি, কুমিল্লা এর সদস্য,নামাচার্য শ্রী শ্রী ব্রক্ষ হরিদাস ঠাকুর পাঠবাড়ী আশ্রম,বেনাপোল,যশোর এর দাতা সদস্য ও পটিয়ার সংবাদের উপদেষ্টা।

  • রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী থাকলেন ৫৮ জন

    রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী থাকলেন ৫৮ জন

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী।। রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীদের যাচাই বাছাই সম্পন্ন হয়েছে। বাছাইয়ে একজন চেয়ারম্যান ও দুইজন সাধারণ সদস্য প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। ফলে মোট প্রার্থী থাকলেন ৫৮ জন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে তিনজন, সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ১৮ জন এবং সাধারণ সদস্য পদে ৩৭ জন।
    সহকারি রিটানিং অফিসার শহীদুল ইসলাম বলেন, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল না করায় চেয়ারম্যান পদে বীর মুক্তিযোদ্ধ আনোয়ার ইকবালের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। ফলে চেয়ারম্যান প্রার্থী থাকলেন তিনজন। এছাড়াও ঋণ খেলাপির দায়ে ৫নং সাধারণ ওয়ার্ডের (দুর্গাপুর) দুইজন সদস্য প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এরা হলেন, মোহাম্মদ গোলাপ হোসেন ও রেজাইল করিম। ফলে এ ওয়ার্ডে সাধারণ সদস্য প্রার্থী থাকলেন চারজন।

    বৈধ চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও আওয়ামী লীগের মনোনিত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল, পবা উপজেলার বড়গাছি এলাকার আফজাল হোসেন এবং গোদাগাড়ীর সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আক্তারুজ্জামান আক্তার।
    সংরক্ষিত ১নং মহিলা ওয়ার্ডে (গোদাগাড়ী, তানোর, পবা, সিটি কর্পোরেশন) মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন চারজন। এরা হলেন, কৃষ্ণা দেবী, সাইদা ইয়াসমিন, রিতা বিবি ও শিউলী রানাী সাহা।

    সংরক্ষিত ২নং ওয়ার্ডে (মোহনপুর, বাগমারা, দুর্গাপুর) সাতজন। এরা হলেন, পারভিন বিবি, সুলতানা পারভীন, ফিরোজা খাতুন, রাবিয়া খাতুন, লাল বানু, নারগীস বিবি ও নাছিমা বেগম।

    সংরক্ষিতি ৩ নং ওয়ার্ডে (পুঠিয়া, চারঘাট, বাঘা) সাতজন। এরা হলেন, ফারজানা ইয়াসমিন সাথী, ময়না খাতুন, সাজেদা বেগম. মুনজুরা বেগম, জয় জয়ন্তী সরকার, মর্জিনা বেগম ও লিপি খাতুন।
    সাধারণ সদস্যের ১নং ওয়ার্ডে (গোদাগাড়ী) তিনজন। এরা হলেন, বদিউজ্জামান, আব্দুর রশিদ ও শামসুজ্জোহা। ২নং ওয়ার্ডে (তানোর) পাঁচজন। এরা হলেন, শরিফুল ইসলাম, উজ্জল হোসেন, গোলাম মোস্তফা, মাইনুল ইসলাম ও মৃদুল কুমার ঘোষ।
    ৩নং ওয়ার্ডে (পবা-সিটি) পাঁচজন। এরা হলেন, তফিকুল ইসলাম, এমদাদুল হক, হাফিজুল রহমান, নফিকুল ইসলাম ও মাহাবুব আলম খান। ৪নং ওয়ার্ডে (মোহনপুর) একজন। তিনি হলেন, দীলিপ কুমার সরকার। তিনি বিনা প্রতিদন্দিতায় সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

    অপরদিকে, ৫নং ওয়ার্ড (দুর্গাপুর) চারজন। এরা হলেন, আব্দুস সালাম, আবুল কালাম আজাদ, শাহাদত হোসেন ও শরিফুল ইসলাম।

    ৬নং ওয়ার্ড (বাগমারা) পাঁচজন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এরা হলেন, আবু জাফর মাস্টার, আব্দুর রশিদ, মাহমুদুর রহমান, বাবুল হোসেন ও শিরিনা পারভীন। ৭নং ওয়ার্ড (পুঠিয়া) ৫ জন। এরা হলেন, শরিফুল ইসলাম টিপু, ফজলে রাব্বি মুরাদ, মোহাম্মদ মাইনুল ইসলাম, আব্দুল আজিজ ও আসাদুজ্জামান মাসুদ।
    ৮নং ওয়ার্ড (চারঘাট) ৩ জন। এরা হলেন, আলহাজ্ব শফিউল আলম, জনাব আলী ও সাকের আলী। ৯নং ওয়ার্ড (বাঘা) ৬ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এরা হলেন, আফতাব হোসেন, আব্দুস ছালাম, আঃ মতিন, শাহীন আলম, হাফিজুর রহমান ও মহিদুল ইসলাম।
    সহকারি রিটানিং অফিসার শহিদুল ইসলাম জানান, রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটার সংখ্যা ১১৮৫ জন। উপজেলা চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান, ইউপি চেয়ারম্যান ও ওয়ার্ড সদস্য, পৌরসভার মেয়র ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর এবং সিটি করপোরেশনের মেয়র ও কাউন্সিলররা জেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটার। তাদের ভোটে রাজশাহীতে একজন চেয়ারম্যান ও ১২ জন সদস্য নির্বাচিত হবেন। এর মধ্যে তিনজন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য।
    তিনি বলেন, তফসিল অনুযায়ী ১৭ অক্টোবর সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ হবে। ১৮ সেপ্টেম্বর বাছাইয়ের পর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৫ সেপ্টেম্বর। ২৬ তারিখ প্রতিক বরাদ্ধ দেয়া হবে। প্রতিক বরাদ্দের পর থেকে সকল প্রার্থী নির্বাচন কমিশনের নিয়মানুযায়ী প্রচার প্রচারনা করতে পারবেন।

    মোঃ হায়দার আলী,
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • রাজশাহীতে সাংবাদিকদের উপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তারে আল্টিমেটাম

    রাজশাহীতে সাংবাদিকদের উপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তারে আল্টিমেটাম

    হায়দার আলী।
    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী : রাজশাহীতে সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে আবারও ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন গণমাধ্যমকর্মীরা।

    রোববার সকালে রাজশাহী মহানগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে সাংবাদিকদের বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে আল্টিমেটাম দিয়ে বক্তারা বলেন, হামলার সঙ্গে জড়িতদের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করতে হবে। আর এই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার না হলে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কার্যালয় ঘেরাওসহ বৃহৎ আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। একই সঙ্গে হামলার সঙ্গে জড়িতরা যেন উচ্চ আদালত থেকে জামিন না পাই এ জন্য বিচারপ্রতিদের প্রতি অনুরোধ জানান সিনিয়র সাংবাদিকরা।

    রাজশাহী টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মেহেদী হাসান শ্যামলের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, বিএফইউজের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রাশেদ রিপন, সিনিয়র সাংবাদিক হাসান মিল্লাত, লিয়াকত আলী, আহমেদ শফি উদ্দিন, বিএফইউজের নির্বাহী পরিষদ সদস্য বদরুল হাসান লিটন, রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক তানজিমুল হক, রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জামাত খান, রাজশাহী ফটোজার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আসাদুজ্জামান আসাদসহ রাজশাহীর গণমাধ্যমকর্মীরা।

    উল্লেখ্য, বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-বিএমডিএ কার্যালয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে গত ৫ সেপ্টেম্বর এটিএন নিউজের দুই সাংবাদিক হামলার শিকার হন। এ ঘটনায় সাতজনের নাম উল্লেখসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। কিন্তু এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • ময়মনসিংহ সদরে জেলা পরিষদ সদস্য পদে আলভীর পক্ষে ঐক্যবদ্ধ ভোটাররা

    ময়মনসিংহ সদরে জেলা পরিষদ সদস্য পদে আলভীর পক্ষে ঐক্যবদ্ধ ভোটাররা

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।
    ময়মনসিংহে জেলা পরিষদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ সদর এলাকার সদস্য পদে প্রার্থী হয়েছেন তরুণ মেধাবী রাজনীতিবিধ,সমাজ সেবক ও যুবনেতা আল আমিন আলভী।

    রবিবার (১৮সেপ্টেম্বর) বাছাই পর্বে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়ন পত্র বৈধ বলে গ্রহণ করায় বৈধ প্রার্থী হওয়ায় আওয়ামী লীগের তৃর্ণমুল নেতাকর্মী সহ উপজেলার সকল জনপ্রতিনিধিদের মাঝে উৎসাহ উদ্দীপনার দেখা দিয়েছে। বিগত দিনে কোন ক্ষমতায় না থেকেও বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি ও দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে থাকায় প্রার্থী হিসাবে তাকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করছেন দলীয় নেতাকর্মী,জনপ্রতিনিধি সহ সকল পেশাশ্রেণীর মানুষ।

    এবিষয়ে আল আমিন আলভী বলেন, আমি জনগণের সেবক হিসেবে থাকতে চাই। মানুষের কল্যাণে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত কাজ করতে চাই। নির্বাচনে উপজেলার সবার সহযোগিতা ও দোয়া চাই। আমি নির্বাচিত হলে দল ও মতের উর্ধ্বে থেকে কাজ করবো। আর সরকারের উন্নয়ন কাজগুলো বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হয়ে সদরবাসীর পাশে থাকতে চাই। সদর উপজেলায় জেলা পরিষদের বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সোচ্চার ভুমিকা পালন করবো।

    তিনি আরও বলেন, আসন্ন জেলা পরিষদের নির্বাচনে সদস্য পদে বিজয়ী হলে এলাকার অবকাঠামো উন্নয়নে ভুমিকা রাখবো। বিভিন্ন সময় দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে না থেকে দল ও গণমানুষের জন্য কাজ করেছি। কিন্তু জনপ্রতিনিধি না হওয়ায় উন্নয়নমুলক কাজে অংশ নিতে পারিনি।

    তিনি বলেন-এলাকার উন্নয়নের স্বার্থেই আমার এই নির্বাচনে অংশ নেয়া। সদরের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড কে এগিয়ে নিতে জেলা পরিষদ নির্বাচনে সদর উপজেলার সদস্য পদে সকলের দোয়া ও সমর্থন কামনা করছি।

  • চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবীতে মোংলায় বিক্ষোভ ভুক্তভোগী গ্রামবাসীর

    চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবীতে মোংলায় বিক্ষোভ ভুক্তভোগী গ্রামবাসীর

    মোংলা প্রতিনিধি
    মোংলায় মিঠাখালী ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক উৎপল কুমার মন্ডলের দুর্নীতি, অনিয়মের বিচার ও অপসারণের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন এবং সমাবেশ করেছেন ওই ইউনিয়নেরই সহস্রাধিক নারী-পুরুষ। রবিবার বেলা সোয়া ১১টায় ‘মিঠাখালী ইউনিয়ন বাসী’ ব্যানারে ঠোটারডাঙ্গা এলাকায় এ কর্মসূচী পালন করেন ভুক্তভোগীরা। চেয়ারম্যান উৎপল কুমার মন্ডলের বিরুদ্ধে মিঠাখালী ইউনিয়ন বাসীর আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ বিক্ষাভ, মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মিঠাখালী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মোঃ ইস্রাফিল হাওলাদার, মিঠাখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রীতিষ চন্দ্র হালদার, ইউনিয়নটির ৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর শেখ, ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি মেম্বর আরিফ হোসেন, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি মেম্বর ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আশিষ কুমার এবং ভুক্তভোগী নারী অনিতা মিস্ত্রীসহ অন্যান্যরা।
    এ সময় বক্তারা বলেন, এর আগে গত ৮ সেপ্টেম্বর চেয়ারম্যান উৎপল কুমার মন্ডলের নানা দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে উপজেলা পরিষদের সামনে বিক্ষাভ প্রদর্শন ও মানববন্ধন করেন মিঠাখালী ইউনিয়নের ভুক্তভোগী নারী-পুরুষেরা। তখন চেয়ারম্যান উৎপল কুমার মন্ডলের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কমলেশ মজুমদার। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সেই সকল অভিযোগের তদন্ত আলোর মুখ দেখছেনা বলেও অভিযোগ করেন তারা। বক্তারা আরো বলেন, পূর্বের ওএমএস কার্ডধারী অসহায়, দুস্থ পরিবারের নাম কেটে চেয়ারম্যান উৎপল তার পছন্দের লোকজন ও নিজ পরিবারসহ আত্মীয়স্বজনদের সেই কার্ড দিয়েছেন। এছাড়াও চেয়ারম্যান উৎপল ভিজিডির সিদ্ধ চাল উত্তোলন করে তা কালো বাজারে বিক্রি করে আর্থিক সুবিধা নিয়ে কম দামের খাবার অনুপযোগী আতপ চাল দিয়েছেন ইউনিয়নের হতদরিদ্রদের। অপরদিকে সরকারীভাবে বরাদ্দ বিভিন্ন প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতির কথা তুলে ধরেন বক্তারা। বক্তারা আরো বলেন, উৎপল কুমার মন্ডল চেয়ারম্যান হওয়ার পর তার আত্মীয়স্বজনেরা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার রাস্তার পাশের সরকারী গাছ কেটে নিয়ে গিয়ে আত্মসাৎ করেছেন। এছাড়া কাবিখা প্রকল্প দিয়ে তার নিজ বাড়ীতে মাটির কাজ করিয়েছেন। এ কাজের তদারকিকারী ট্যাগ অফিসার উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মোঃ সোহান আহমেদকেও চেয়ারম্যানের আপন ভাই লাঞ্চিত করেন। চেয়ারম্যান ও তার ভাইর বিরুদ্ধে এসব অনিয়মের অভিযোগের তদন্ত রয়েছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে। অজ্ঞাত কারণে সে তদন্ত আলোর মুখ দেখছেনা বলেও অভিযোগ করেন বক্তারা।