Blog

  • ৬৩ জন উদ্ধার ; নৌকাডুবি থেকে বেঁচে ফিরে যা জানালেন

    ৬৩ জন উদ্ধার ; নৌকাডুবি থেকে বেঁচে ফিরে যা জানালেন

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় পঞ্চগড়।

    ৬৩ জন উদ্ধার ; নৌকাডুবি থেকে বেঁচে ফিরে যা জানালেন বন্যা এখনো হলুদের গন্ধ শরীর থেকে যায়নি। মুছে যায়নি মেহেদির দাগ। দেড় মাস আগে হিমালয় আর বন্যা সাতপাঁকের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। জীবনের বাকি সময়টা একসাথে কাটাবার স্বপ্ন নিয়ে পূজা উৎসবে মেতেছিলেন দুজনে। রোববার তারা দুজনে মহালয়ার ধর্মসভায় যোগ দেয়ার জন্য বদেশ্বরী মন্দিরে যাচ্ছিলেন। করতোয়ার পানিতে স্নান করে পাপমুক্তির আশা ছিল তাদের। কিন্তু সেই করতোয়াই কেড়ে নিলো স্বামীর জীবন। নৌকাডুবিতে সকল স্বপ্নের ঘটল সমাপ্তি।

    বোদা উপজেলার ময়দানদীঘি খালপাড়া গ্রামের নবদম্পতি হিমালয় চন্দ্র ও বন্যা বোদেশ্বরী মন্দির দর্শনের উদ্দেশে যাওয়ার সময় নৌকাডুবির শিকার হন। বন্যা বেঁচে ফিরলেও নিখোঁজ রয়েছেন স্বামী হিমালয়। উপস্থিত বুদ্ধি দিয়ে নিজের কাপড় খুলে প্রাণে বাঁচেন বন্যা। কিন্তু আঁকড়ে রাখতে পারেননি স্বামীকে। তাদের সঙ্গে থাকা হিমালয়ের মামাতো বোন আঁখিরও খোঁজ মেলেনি।

    হিমালয়ের পরিবার সূত্রে জানা যায়, দেড় মাস আগে ওই গ্রামের বীরেন্দ্রনাথ-সারদা রানি দম্পতির ছেলে হিমালয়ের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল বন্যার। ঘটনার দিন খুব আনন্দে সেজে বের হয়েছিলেন বন্যা-হিমালয়। ফিরে এসে পূজার কেনাকাটা করার কথা ছিল তাদের।

    দেবীগঞ্জ উপজেলার ছত্র শিকারপুর গ্রামের লিপি রানি (৩০) পরিবারের আরও তিনজনকে নিয়ে উঠে বসেন নৌকায়। ইচ্ছে ছিল বাবা-মায়ের জন্য অর্পণ করবেন মন্দিরে। কিন্তু মন্দিরে পৌঁছানো তো দূরের কথা নদীই পার হতে পারেননি তারা। নৌকার অন্যান্য যাত্রীদের মতো একসঙ্গে প্রাণ যায় এই ৪ জনেরও।

    লিপি রানি রবিন বর্মণের স্ত্রী। লিপি রানির সঙ্গে ছিলেন তার ৪ বছর বয়সি ছেলে বিষ্ণু বর্মণ, রবিনের ছোট ভাই কার্তিক বর্মণের স্ত্রী লক্ষী রানি (২৫) এবং রবিনের ভাতিজা তিন বছর বয়সি শিশু দীপঙ্কর বর্মণ।

    রোববার রাতে উদ্ধার হওয়া ৪ জনের মরদেহের সৎকার করতে সোমবার সকালে শশ্মানে নিয়ে গেছেন পরিবারের লোকজন। একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে ওই পরিবারে। স্ত্রী-সন্তানকে হারিয়ে নির্বাক রবিন। ছেলেকে হারিয়ে বার বার মূর্ছা যাচ্ছেন রবিনের ছোট ভাই বাবুল।

    বাবুল বলেন, আমার তিনবছর বয়সি একমাত্র ছেলে দীপঙ্করকে আমার বৌদিদের সঙ্গে মন্দিরে পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু কে জানতো সে লাশ হয়ে ফিরবে। নিহত লিপির স্বামী রবিন বলেন, নৌকাডুবিতে আমার সব শেষ হয়ে গেল।

    এর আগে, গতকাল রোববার দুপুরে শতাধিক যাত্রী নিয়ে নৌকা ডুবির ঘটনা ঘটে। রাত ১১টা পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে ২৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করে স্থানীয়রা। সোমবার ভোর থেকে আবার উদ্ধার কার্যক্রম শুরু হয়। সন্ধ্যা পর্যন্ত ২৪ নারী, ১৩ শিশু ও ১২ পুরুষসহ ৬৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের তিনটি ইউনিট উদ্ধার কাজ পরিচালনা করছে। তবে বেশিরভাগ মরদেহ স্থানীয় ব্যক্তিরা উদ্ধার করছেন।

    ঘটনার কারণ উদঘাটনের জন্য ৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে মরদেহ সৎকারের জন্য ২০ হাজার টাকা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

  • সিংড়ায় ঔষধ কোম্পানীর প্রতিনিধিদের  বিভিন্ন দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ

    সিংড়ায় ঔষধ কোম্পানীর প্রতিনিধিদের বিভিন্ন দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ

    সিংড়া(নাটোর) প্রতিনিধিঃ
    নাটোরের সিংড়ায় ঔষধ কোম্পানীতে কর্মরত প্রতিনিধিদের চাকুরীর সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন, বেতন ও টি আইডি বৃদ্ধি, অবৈধ প্রেসক্রিপশন সার্ভে বন্ধ, সাপ্তাহিক এবং জাতীয় দিবস সমুহে ছুটি সহ বিভিন্ন বৈষম্য দুরিকরনের দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টম্বর) সকাল ১০ টায় সিংড়া দমদমা এলাকায় এ প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যালস রিপ্রেজেন্টটিভ এসোসিয়ান (ফারিয়া) এর কেন্দ্রীয় কর্মসুচির অংশ হিসাবে সিংড়া উপজেলা শাখার আয়োজনে সমাবেশে বক্তব্য দেন, সিংড়া ফারিয়ার উপদেষ্টা মোঃ হাবিবুর রহমান, সদস্য মোঃ নুরুজ্জামান।
    এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিংড়া ফারিয়া শাখার সহসভাপতি রুহুল আমিন, সাধারন সম্পাদক নান্টু চরণ হাওলদার, কোষাধ্যক্ষ মোঃ মোশারফ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ রানা, নুরুজ্জামান সহ ঔষধের বিভিন্ন কোম্পানীতে অর্ধ শতাধিক কর্মরত প্রতিনিধি।

    মোঃ এমরান আলী রানা
    সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধি।

  • ধামইরহাটে আলতাদিঘী জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত হলো বিরল প্রজাতির গন্ধগোকুল

    ধামইরহাটে আলতাদিঘী জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত হলো বিরল প্রজাতির গন্ধগোকুল

    আবুল বয়ান, ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

    নওগাঁর ধামইরহাটে প্রাচীনকালের শালবন বেষ্টিত আলতাদিঘী জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত করা হলো বিরল প্রজাতির বিপন্ন প্রানি গন্ধগোকুল। বনবিভাগ সূত্র জানায় ২৬ সেপ্টেম্বর বিকেলে পত্নীতলার নজিপুর নতুনহাটের প্রফেসর পাড়ার মোফাজ্জল হোসেনের বাড়ীতে সুগন্ধ ছড়ানো বিরল এই প্রানিটি প্রবেশ করলে তা ধরে ফেলে গৃহকর্তী লাকী আকতার। পরদিন ২৭ সেপ্টেম্বর সকালে গৃহকর্তীর মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরে পত্নীতলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুমানা আফরোজ পত্নীতলা বনবিভাগকে ঘটনাটি জানালে বিট কর্মকর্তা এটিএম আক্তারুজ্জামান স্টাফসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে গন্ধগোকুলটি উদ্ধার করে। মঙ্গলবার বিকেল ৪ টায় উদ্ধারকৃত গন্ধগোকুলটি ধামইরহাট আলতাদিঘী জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আজাহার আলী মন্ডল। এ সময় পত্নীতলা বনবিট অফিসার এটিএম আক্তারুজ্জামান, ধামইরহাট প্রকৃতি সংরক্ষণ ক্লাবের সভাপতি ও সিনিয়র সাংবাদিক এম এ মালেক, ধামইরহাট প্রকৃতি সংরক্ষণ ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু মুছা স্বপন, প্রকৃতি সংরক্ষণ ক্লাবের সদস্য আকতার হোসেন সিজন, ইউপি সদস্য সাজেদুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    আবুল বয়ান
    ধামইরহাট, নওগাঁ

  • ৬৬ জন উদ্ধার ; নৌকাডুবি থেকে বেঁচে ফিরে যা জানালেন বন্যা

    ৬৬ জন উদ্ধার ; নৌকাডুবি থেকে বেঁচে ফিরে যা জানালেন বন্যা

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড়।

    ৬৬ জন উদ্ধার ; নৌকাডুবি থেকে বেঁচে ফিরে যা জানালেন বন্যা এখনো হলুদের গন্ধ শরীর থেকে যায়নি। মুছে যায়নি মেহেদির দাগ। দেড় মাস আগে হিমালয় আর বন্যা সাতপাঁকের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। জীবনের বাকি সময়টা একসাথে কাটাবার স্বপ্ন নিয়ে পূজা উৎসবে মেতেছিলেন দুজনে। রোববার তারা দুজনে মহালয়ার ধর্মসভায় যোগ দেয়ার জন্য বদেশ্বরী মন্দিরে যাচ্ছিলেন। করতোয়ার পানিতে স্নান করে পাপমুক্তির আশা ছিল তাদের। কিন্তু সেই করতোয়াই কেড়ে নিলো স্বামীর জীবন। নৌকাডুবিতে সকল স্বপ্নের ঘটল সমাপ্তি।

    বোদা উপজেলার ময়দানদীঘি খালপাড়া গ্রামের নবদম্পতি হিমালয় চন্দ্র ও বন্যা বোদেশ্বরী মন্দির দর্শনের উদ্দেশে যাওয়ার সময় নৌকাডুবির শিকার হন। বন্যা বেঁচে ফিরলেও নিখোঁজ রয়েছেন স্বামী হিমালয়। উপস্থিত বুদ্ধি দিয়ে নিজের কাপড় খুলে প্রাণে বাঁচেন বন্যা। কিন্তু আঁকড়ে রাখতে পারেননি স্বামীকে। তাদের সঙ্গে থাকা হিমালয়ের মামাতো বোন আঁখিরও খোঁজ মেলেনি।

    হিমালয়ের পরিবার সূত্রে জানা যায়, দেড় মাস আগে ওই গ্রামের বীরেন্দ্রনাথ-সারদা রানি দম্পতির ছেলে হিমালয়ের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল বন্যার। ঘটনার দিন খুব আনন্দে সেজে বের হয়েছিলেন বন্যা-হিমালয়। ফিরে এসে পূজার কেনাকাটা করার কথা ছিল তাদের।

    দেবীগঞ্জ উপজেলার ছত্র শিকারপুর গ্রামের লিপি রানি (৩০) পরিবারের আরও তিনজনকে নিয়ে উঠে বসেন নৌকায়। ইচ্ছে ছিল বাবা-মায়ের জন্য অর্পণ করবেন মন্দিরে। কিন্তু মন্দিরে পৌঁছানো তো দূরের কথা নদীই পার হতে পারেননি তারা। নৌকার অন্যান্য যাত্রীদের মতো একসঙ্গে প্রাণ যায় এই ৪ জনেরও।

    লিপি রানি রবিন বর্মণের স্ত্রী। লিপি রানির সঙ্গে ছিলেন তার ৪ বছর বয়সি ছেলে বিষ্ণু বর্মণ, রবিনের ছোট ভাই কার্তিক বর্মণের স্ত্রী লক্ষী রানি (২৫) এবং রবিনের ভাতিজা তিন বছর বয়সি শিশু দীপঙ্কর বর্মণ।

    রোববার রাতে উদ্ধার হওয়া ৪ জনের মরদেহের সৎকার করতে সোমবার সকালে শশ্মানে নিয়ে গেছেন পরিবারের লোকজন। একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে ওই পরিবারে। স্ত্রী-সন্তানকে হারিয়ে নির্বাক রবিন। ছেলেকে হারিয়ে বার বার মূর্ছা যাচ্ছেন রবিনের ছোট ভাই বাবুল।

    বাবুল বলেন, আমার তিনবছর বয়সি একমাত্র ছেলে দীপঙ্করকে আমার বৌদিদের সঙ্গে মন্দিরে পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু কে জানতো সে লাশ হয়ে ফিরবে। নিহত লিপির স্বামী রবিন বলেন, নৌকাডুবিতে আমার সব শেষ হয়ে গেল।

    এর আগে, গতকাল রোববার দুপুরে শতাধিক যাত্রী নিয়ে নৌকা ডুবির ঘটনা ঘটে। রাত ১১টা পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে ২৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করে স্থানীয়রা। সোমবার ভোর থেকে আবার উদ্ধার কার্যক্রম শুরু হয়। সন্ধ্যা পর্যন্ত ২৪ নারী, ১৩ শিশু ও ১২ পুরুষসহ ৬৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের তিনটি ইউনিট উদ্ধার কাজ পরিচালনা করছে। তবে বেশিরভাগ মরদেহ স্থানীয় ব্যক্তিরা উদ্ধার করছেন।

    ঘটনার কারণ উদঘাটনের জন্য ৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে মরদেহ সৎকারের জন্য ২০ হাজার টাকা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

  • পুলিশের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষার “ক্যাম্প প্রশিক্ষণ” পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

    পুলিশের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষার “ক্যাম্প প্রশিক্ষণ” পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

    :মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড়
    অদ্য ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ খ্রিঃ বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর অধঃস্তন পুলিশ কর্মকর্তা/কর্মচারীদের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা ২০২২ খ্রিঃ উপলক্ষে কনস্টেবল হতে নায়েক/এটিএসআই, নায়েক হতে এএসআই(সশস্ত্র) এবং এটিএসআই পদে পদোন্নতি পরীক্ষায় “ক্যাম্প প্রশিক্ষণ” পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত পরীক্ষায় সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পঞ্চগড় জেলার পুলিশ সুপার এস, এম, সিরাজুল হুদা, পিপিএম,। পুলিশ সুপার পরীক্ষা পরিচালনা কমিটিসহ বিধি মোতাবেক পরীক্ষার্থীদের ক্যাম্প অনুশীলন পরিদর্শণ করেন।

    এছাড়াও বোর্ডের সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ মমিনুল করিম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ), দিনাজপুর, মোঃ রাকিবুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) পঞ্চগড়, মোঃ নজরুল ইসলাম, আর আই, পুলিশ লাইন্স, পঞ্চগড়।

  • নেছারাবাদে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালন

    নেছারাবাদে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালন

    স্বরূপকাঠি (পিরোজপুর) প্রতিনিধি ॥

    পিরোজপুরের নেছারাবাদে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালন করা হয়েছে। ২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে ট্যুর অপারেটর এ্যাসোসিয়েশন স্বরূপকাঠী (টুয়াস)এর আয়োজনে বিদসটি পালন করা হয়। মঙ্গলবার সকালে উপজেলার কুড়িয়ানা খালে নৌকায় পর্যটক বহনকারীদের নিয়ে র‌্যালী করা হয়। ঘন্টা ব্যাপী নৌ-র‌্যালিতে নৌকা ও ট্রলারে বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষসহ পাঁচশতাধীক লোক অংশ নেয়। র‌্যালি শেষে স্বাগত বকৃতা করেন আটঘর-কুড়িয়ানা ইউনিয়নের নন্দিত চেয়ারম্যান মিঠুন হালদার, স্বরূপকাঠী প্রেসক্লাব সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নজরুল ইসলাম, ট্যুর অপারেটর এ্যাসোসিয়েশন স্বরূপকাঠী (টুয়াস)এর আহবায়ক সাংবাদিক মো. আসাদুজ্জামান প্রমুখ। এসময় অন্যন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সাংবাদিক মো. আরিফুর রহমান, দৈনিক ভোরের ডাক পত্রিকার স্বরূপকাঠী প্রতিনিধি মো. রুহুল আমীন, মো. আনেয়ার হোসেন, মো. আজিজুল ইসলাম।

  • নড়াইলে দুর্গাপূজার উৎসবমুখর পরিবেশ নিশ্চিতে করতে পুলিশ বদ্ধপরিকর: এসপি সাদিরা খাতুন

    নড়াইলে দুর্গাপূজার উৎসবমুখর পরিবেশ নিশ্চিতে করতে পুলিশ বদ্ধপরিকর: এসপি সাদিরা খাতুন

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলে দুর্গাপূজার উৎসবমুখর পরিবেশ নিশ্চিতে করতে পুলিশ বদ্ধপরিকর: এসপি সাদিরা খাতুন। নড়াইল জেলায় এ বছর ৫৮৪ টি মন্ডপে হবে শারদীয় দুর্গাপূজা। আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায়, জানান, সনাতন হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা আগামি ১ অক্টোবর মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হবে। এ জেলার ৩ উপজেলায় ৫৮৪টি মন্ডপে প্রতিমা তৈরির কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন শিল্পীরা, চলছে শেষ সময়ের প্রস্তুতি।
    জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, মণ্ডপে মণ্ডপে দুর্গাপ্রতিমা প্রস্তুত করায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগররা। প্রতিমাশিল্পীরা নিজেদের সাধ্যের সবটুকু উজাড় করে রং-তুলির আঁচড়ে তাদের পরম আরাধ্য দেবীকে দৃষ্টিনন্দন করে তুলতে কাজ করছেন।
    কয়েকজন প্রতিমাশিল্পীর সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, বেশ আগেই প্রতিমা গড়া শেষ হয়েছে। এখন রঙের কাজ চলছে। পূজা শুরুর শুভক্ষণ যত ঘনিয়ে আসছে, তাদের ব্যস্ততা ততই বাড়ছে। যথাসময়ে প্রতিমাকে বর্ণিল সাজে সাজিয়ে তুলতে নাওয়া-খাওয়া ভুলে তারা দিনরাত খেটে চলেছেন।
    জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ সূত্রে জানা যায়, আগামি ১ অক্টোম্বর মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে ৫ দিনব্যাপী দুর্গোৎসব। ৫ অক্টোবর দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যদিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসবের সমাপ্তি ঘটবে। সুষ্ঠুভাবে দুর্গাপূজা উদযাপনের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগের পাশাপাশি জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের পক্ষ থেকেও নেয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি।
    নড়াইল জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অশোক কুমার কুন্ডু জানান, এ বছর জেলা শহরসহ ৩টি উপজেলায় মোট ৫৮৪টি মন্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে শিল্পীরা মন্ডপগুলোতে প্রতিমা তৈরির কাজ অনেকখানি এগিয়ে নিয়েছেন। শেষ সময়ে অনেক মন্ডপে প্রতিমায় রংতুলির আঁচড় দিচ্ছেন শিল্পীরা। এ বছর নড়াইল সদর উপজেলায় মোট ২৬৮টি মন্ডপে,লোহাগড়া উপজেলায় ১৫১টি মন্ডপে এবং কালিয়া উপজেলায় ১৬৫টি মন্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।
    নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার মোসা: সাদিরা খাতুন জানান, দুর্গাপূজার উৎসবমুখর পরিবেশ নিশ্চিতে নড়াইল জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্যে প্রতিমা তৈরি থেকে শুরু করে বিসর্জন পর্যন্ত পূজার সকল আয়োজনের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। হিন্দু নেতারা ছাড়াও ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সুধীজনের পরামর্শ ও মতামতের আলোকে পরিকল্পনা সাজাতে এরই মধ্যে জেলা সদরসহ প্রত্যন্ত এলাকায় মতবিনিময় ও সভা-সমাবেশ চলমান রয়েছে। এছাড়াও যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে প্রতিটি মণ্ডপে সিসি ক্যামেরা, পর্যাপ্ত আলো ও যথাযথ বেষ্টনীর ব্যবস্থা করা হয়েছে। জেলা পুলিশসহ সবার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও সহযোগিতায় উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদ্‌যাপনের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন জেলা পুলিশের এই কর্মকর্তা।
    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি।

  • সৃষ্টির যত্নে আমাদের করণীয়

    সৃষ্টির যত্নে আমাদের করণীয়

    নিকোলাস বিশ্বাস।

    আমরা সবাই জানি ‘মানুষ’ সৃষ্টির সেরা জীব। আমাদের পাশাপাশি এ পৃথিবীতে আরো রয়েছে পশুপাখি, গাছপালা সহ নানাবিধ প্রাকৃতিক সম্পদ। এ পৃথিবীতে আমরা আমাদের চারিপাশে যা কিছু দেখি তার প্রায় সবকিছুই আমাদের মহান স্রষ্টা সৃষ্টি করেছেন। এই স্রষ্টাকে কেউ আমরা ঈশ্বর বলি, কেউ আল্লাহ্ বলি আবার কেউ ভগবান বলে ডাকি। আমরা তাকে যে নামেই অভিহিত করি না কেন আসলে তিনি একজনই। নানা জনের নানা মত। এতে অবশ্য দোষের কিছু নেই। মানুষ স্রষ্টাকে যে নামে ডেকে সন্তুষ্ট হতে চায় সৃষ্টিকর্তাও তাতে খুশি। এখানে মুখ্য বিষয হলো; আমরা আমাদের মহান সৃষ্টিকর্তাকে কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করছি কিনা! যদি কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করি তাহলে অবশ্যই আমাদের উপর একটা বিশেষ দায়িত্ব বর্তায়। তাহলে সে দায়িত্বটা কি? আসলে এটা নিয়েই আজ আমি এখানে কিছু বলার চেষ্টা করছি। এটা একান্তই ব্যক্তিগত ভাবনা ও আলোচনার প্রয়াস।

    প্রথমেই বলেছি মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। এই সেরা কথাটির গুরুত্ব বজায় রাখাটা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পৃথিবীতে মানুষের বাইরে আরও লক্ষ লক্ষ প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে, রয়েছে পশুপাখি। উদ্ভিদজগতের প্রায় সকলেই নড়াচড়া ও কথা বলতে পারে না। অন্যদিকে পশুপাখি নড়াচড়া করতে পারলেও মানুষের মত এতটা বুদ্ধিবৃত্তিক নয়। এরা নিজেদের মধ্যে ভাবের আদান-প্রদান করতে পারে বটে কিন্তু মানুষের মত কথা বলতে পারে না। তাহলে এখানে আমরা যেটা বুঝতে পারলাম সেটা হলো আমাদের চারিপাশে যে উদ্ভিদ ও পশুপাখি রয়েছে তাদের অবস্থা অনেকটা সদ্যোজাত মানব শিশুদের মত যারা ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর থেকে কমপক্ষে কয়েক বছর অসহায় অবস্থায় থাকে। নানা প্রয়োজনে অবুঝ শিশুদের পিতা-মাতা সহ অন্যদের উপর নির্ভর করতে হয়। তাদের এই নির্ভরশীলতা আছে বলেই পিতা-মাতাসহ সংশ্লিষ্টদের বিশেষ দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হয়। এই ভূমিকা পালনে ব্যতয় ঘটলে শিশুরা বিপদে পড়ে; তাদের স্বাস্থ্যহানি ঘটে; কখনো কখনো মৃত্যুও ঘটে যায়।

    আমাদের চারিপাশে মানুষ ব্যতীত যে সকল উদ্ভিদ ও প্রাণীকুল রয়েছে তারা আমাদের ঘরের শিশুদের মতোই অবুজ ও পরনির্ভরশীল। শিশুদের মত যত্ন যদি আমরা তাদের না দিই তাহলে তারাও যথাযথভাবে বেড়ে উঠতে পারে না; ফুলে-ফলে শোভিত হয় না। মজার ব্যাপার হলো যে, মানব জাতির অস্তিত্ব টিকে থাকে এই উদ্ভিদ ও প্রাণীকুলের বদান্যতার উপরই। এটা অনেক সময়ই আমরা বুঝে উঠতে পারি না অথবা বুঝলেও তাদের প্রতি যা যা করণীয় তা করার জন্য চেষ্টা করি না।

    আমরা প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে জেগে ওঠার পর ঘুমাতে যাওয়া পর্যন্ত সারাদিনের খাওয়া-দাওয়া সহ যত রকমের কর্মকাÐ আমরা সম্পাদন করি তার প্রতিটি পরতে পরতে উদ্ভিদ ও প্রাণিকুলের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ অবদান রয়েছে। তাদের অনুপস্থিতিতে মানবজাতি এক মুহূর্তের জন্যেও এ পৃথিবীতে টিকে থাকতে পারে না। উদ্ভিদ ও প্রাণীকুলের কাছ থেকে খাদ্যশস্য ও ভেষজপথ্য ছাড়াও আমরা প্রতি মুহূর্তে আমাদের দেহের শ্বাসতন্ত্র দিয়ে যে অক্সিজেন গ্রহণ করি তা কিন্তু এই উদ্ভিদ থেকেই পেয়ে থাকি। অক্সিজেন গ্রহণ করে আমরা যে দূষিত কার্বন-ডাই-অক্সাইড শরীর থেকে নির্গমন করি তা আবার এই উদ্ভিদই নীলকণ্ঠীর মত গ্রহণ করে আমাদের জন্য অক্সিজেন উৎপাদন করে। এভাবে উদ্ভিদ বায়ূমণ্ডলে গুণগত ভারসাম্য বজায় রাখে।

    স্রষ্টার সৃষ্টির যতেœর ক্ষেত্রে মানবজাতিকেই মুখ্য ভূমিকা পালন করতে হয়। আগেই বলেছি যে, মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। কিন্তু আমাদের বর্তমান বাস্তবতা কি বলে। আমরা কি সত্যিই এই গুরুদায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারছি! আসলে এ দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আমরা স্বার্থপরের মতো আচরণ করছি! এই স্বার্থপরতার ফল হতে পারে মারাত্মক যা আমাদের ভবিষ্যৎ বংশধরদের চরম বিপর্যয়ের মধ্যে ফেলতে পারে। এমন এক সময় আসবে যখন এ থেকে উত্তোরণের কোন পথ আর খোলা থাকবে না। এই পরিণতির কিছুটা এখন আমরা প্রত্যক্ষ করতে শুরু করেছি এবং কোথাও কোথাও নিজেরা অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়েও যাচ্ছি। বিশ্বব্যাপী আমরা কিছু কিছু বিপর্যয় লক্ষ্যও করছি। উন্নত বিশ্ব থেকে শুরু করে উন্নয়নশীল এবং অনুন্নত বিশ্ব সর্বত্রই স্রষ্টার সৃষ্টির প্রতি বিশেষতঃ উদ্ভিদ ও প্রাণীকুলের প্রতি অবিবেচনাপ্রসূত আচরণ প্রতিদিনই সংগঠিত হচ্ছে।

    ব্যক্তির ও গোষ্ঠীগত স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য আমরা প্রতিনিয়ত বন উজাড় করছি, অধিক ফসল ফলানোর জন্য মাত্রাতিরিক্ত রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার করছি, জলজ-স্থলজ পশুপাখি ও মৎস্য সম্পদ নির্বিচারে ধ্বংস করছি এবং প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণে যাচ্ছেতাই কার্যকলাপ সাধন করছি। এরূপ কার্যকলাপ ও আচরণের মাধ্যমে আমরা আমাদের অনাগত ভবিষ্যতকে মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিচ্ছি। এর ফল ভোগ করতে হবে আমাদেরই বংশধরদের। আমাদের এহেন আচরণে ব্যক্তি বা সমাজ অথবা রাষ্ট্র কারোরই কোন ভ্রূক্ষেপ নেই; নেই কোনো দায়বদ্ধতা। আমাদের প্রত্যেকের উচিত নিজ নিজ দায়িত্বটুকু পালন করা কিন্তু বাস্তবে আমরা অধিকাংশই অবলীলায় গা ভাসিয়ে চলছি। এর খেসারত আমরা দিতে শুরু করেছি মাত্র।

    ক্লাইমেট চেঞ্জ অর্থাৎ জলবায়ুর পরিবর্তন হওয়ার কারণে পৃথিবীর বহু দেশ চরম মূল্য দিতে শুরু করেছে। এখন আমরা প্রায়ই বিশ্ব গণমাধ্যমে দেখছি যে, ইউরোপ, আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়া সহ উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশগুলোতে সময়ে অসময়ে বন্যা, খরা, অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, ঘনঘন অতিমাত্রার বজ্রপাত, আগুনে পুড়ে বন উজাড় হয়ে যাওয়া, কার্বন-ডাই-অক্সাইডের মাত্রা বেড়ে যাওয়া, বিশ্বের উষ্ণতা বৃদ্ধিজনিত কারণে উত্তর ও দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে জমে থাকা বরফ গলে যাওয়া সহ পানির উচ্চতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এ কারণে পৃথিবীর বহু নিম্নাঞ্চল পানিতে ডুবে যাচ্ছে। শুকনো ভূমির অভাবে অসংখ্য মানুষ আজ বানভাসী।

    স্রষ্টার সৃষ্টির প্রতি যদি আমরা যত্নশীল হতাম এবং দায়িত্ব¡শীল ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হতাম তাহলে অবশ্যই প্রকৃতির এরূপ বৈরীতা ও ভয়াবহতা আমাদের দেখতে হোত না। অবশ্য এখন যা আমরা দেখছি এবং অভিজ্ঞতা করছি তা পুরো ভয়াবহ চিত্রের অংশমাত্র। আমরা যদি এখনই সচেতন না হই এবং স্রষ্টার সৃষ্টির

  • ভোলার লালমোহনে শেখ রাসেল দিবস উপলক্ষে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    ভোলার লালমোহনে শেখ রাসেল দিবস উপলক্ষে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    মোঃ ছাইফুল ইসলাম-(জিহাদ), নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    ভোলার লালমোহনে শেখ রাসেল দিবস ২০২২ উদযাপন উপলক্ষে রচনা ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    লালমোহন উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে (২৭ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার) উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে শেখ রাসেল দিবস উদযাপিত হয়।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার পল্লব কুমার হাজরার সভাপতিত্বে এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ গিয়াস উদ্দিন আহমেদ, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আবুল হাসান রিমন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আক্তারুজ্জামান মিলন, একাডেমি সুপার ভাইজার মদন মোহন মন্ডল, সহকারী শিক্ষা অফিসার মোঃ হুমায়ুন কবীর প্রমুখ।

    পরে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দরা।

    এর আগে নিরাপদ ও আনন্দময় পরিবেশে মানসম্মত শিক্ষা’ বাস্তবায়নে উপজেলা পর্যায়ে মীনা দিবস-২০২২ পালিত হয়।

  • ৪র্থ বার প্রাথমিক শিক্ষা পদকে ভুষিত হলেন মাহবুবুজ্জামান আহমেদ

    ৪র্থ বার প্রাথমিক শিক্ষা পদকে ভুষিত হলেন মাহবুবুজ্জামান আহমেদ

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।

    লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের রংপুর বিভাগের দুই বারের শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যান মাহবুবুজ্জামান আহমেদ প্রাথমিক শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখায় ৪র্থবার জেলার শ্রেষ্ট চেয়ারম্যান হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

    জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২২ এর জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম ঘোষণা করে শিক্ষা অধিদফতর। সেখানে প্রাথমিক শিক্ষা পদক/২০২২ এ শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হন তিনি, ২১টি ক্যাটাগরির মধ্যে শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুজ্জামান আহমেদ শ্রেষ্ট হিসাবে নির্বাচিত হন। এর আগেও তিনি ৩ বার এ পদে ভুষিত হয়েছেন।

    শিক্ষা অফিস সূত্রে আরোও জানা যায়, চেয়ারম্যান মাহবুবুজ্জামান আহমেদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিনামূল্যে বই, খেলাধুলার সামগ্রী বিতরণ, অভিভাবক সমাবেশ, টিফিন বক্স বিতরণ, মিডডে মিল চালু অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন সময়ে নানা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের মধ্যদিয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকগণকে দিক নির্দেশনামূলক পরামর্শ দিয়েছেন। এ ছাড়াও বিদ্যালয়গুলোর বিভিন্ন সমস্যা শিক্ষার্থীদের বসার জন্য বেঞ্চ, সিলিং ফ্যান, করোনা কালীন সময়ে অনলাইন স্কুল চালু করন, অনলাইন স্কুল পরিচালনায় শিক্ষক- শিক্ষাকাদের সহিত মত বিনিময়, শিক্ষক শিক্ষিকাদের অনলাইন স্কুল পরিচালনায় মোবাইল ফোন, ট্রিপট স্টান্ড, বিতরন, শিক্ষার্থীদের জন্য খেলার সামগ্রী বিতরন, প্রতিটি স্কুলে বঙ্গবন্ধু বুক কর্নার, সততা স্টার সহ নানামুখী উদ্যোগ গ্রহনের মধ্যদিয়ে শিক্ষাক্ষেত্রে নিরলস পরিশ্রম করেছেন।ফলে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার হার কমে আসার পাশাপাশি শিক্ষাথীরা বিদ্যালয়মুখি হয়েছে। এছাড়াও নানাবিধ সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে অসামান্য অবদান রাখায় মাহবুবুজ্জামান আহমেদ কে এই পদকে ভূষিত করা হয়।

    নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে চেয়ারম্যান মাহবুবুজ্জামান আহমেদ বলেন, দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এগিয়ে যাচ্ছে আমাদের শিক্ষা কার্যক্রম। আন্তরিক ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আমাকে শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করায়। এছাড়া প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা অধিদফতরের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা।

    তিনি আরো বলেন কালীগঞ্জ বাসীর মানুষের ভালবাসা আর সহযোগিতার ফল আমার এই অর্জন। আমরা সামনের দিকে আরও এগিয়ে যেতে চাই। কালীগঞ্জ উপজেলাকে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়তে চাই।লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য শিক্ষার্থীদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ ও ঝরে পড়া রোধকল্পে বিদ্যালয় পরিদর্শন, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির এবং অভিভাবকদের সঙ্গে মতবিনিময়, বিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় বেঞ্চ সরবরাহ, বিদ্যুতের ব্যবস্থা করা এবং সীমানা প্রাচীর নির্মাণ, অবকাঠামো নির্মান, টয়লেট স্থাপন, ডিজিটাল হাজিরা সহ নানাবিধ প্রশংসনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন এবং তা’ একের পর এক বাস্তবায়ন করে চলেছেন চেয়ারম্যান মাহবুবুজ্জামান আহমেদ।

    কালীগঞ্জ উপজেলায় সামাজিক কাজের পাশাপাশি তিনি, মানবিক, সাংস্কৃতিক, খেলাধুলা সহ বাল্য বিবাহ, মাদক, জুয়া, নারী নির্যাতনের প্রতিরোধে তার ভুমিকা প্রশংসনীয়। এছাড়াও তিনি তার উপজেলা পরিষদ থেকে গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা বৃত্তি ও বাই – সাইকেল প্রদান করে বিভিন্নভাবে শিক্ষাথীদের সহায়তা করে আসছেন।

    হাসমত উল্লাহ।।