Blog

  • জয়পুরহাটে ফেন্সিডিল সহ ২ মাদক কারবারি গ্রেফতার

    জয়পুরহাটে ফেন্সিডিল সহ ২ মাদক কারবারি গ্রেফতার

    এস এম মিলন জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ

    জয়পুরহাটে ২০৮ বোতল ফেনসিডিল সহ ২ জন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে র্যার। শনিবার ( ১ অক্টোবর ) গভীর রাতে পাঁচবিবি উপজেলা ভারত সিমান্তের ভুইডোবা এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতারকৃতরা হলেন,পাঁচবিবি উপজেলার ভুইডোবা এলাকার শহিদুল ইসলামের ছেলে
    হাসানুজ্জামান (৩১) ও একই এলাকার বেলাল হোসেনের ছেলে সাব্বির হোসেন (২০)

    র্যার ৫ জয়পুরহাট ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মোস্তফা জামান জানান,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পাঁচবিবি উপজেলার ভুইডোবা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২০৮ বোতল ফেন্সিডিল সহ দুইজন পেশাদার মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

  • শনিবার  কৃষ্ণনগর ফকির পাড়া যুব উন্নয়ন ক্লাবের  উদ্যোগে চুড়ান্ত ফুটবল খেলার আয়োজন করা হয়

    শনিবার কৃষ্ণনগর ফকির পাড়া যুব উন্নয়ন ক্লাবের উদ্যোগে চুড়ান্ত ফুটবল খেলার আয়োজন করা হয়

    মিলন মিয়া ক্ষেতলাল উপজেলা প্রতিনিধি:
    ক্ষেতলাল উপজেলার কৃষ্ণনগর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে কৃষ্ণনগর ফকিরপাড়া যুব উন্নয়ন ক্লাব এক ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করেন। উক্ত টুর্নামেন্টেটি পরিচালনা করেন মোঃ আঃ কুদ্দুস।আজ বৈকাল ৪ ঘটিকায় উক্ত টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। এই ফাইনাল ম্যাচে যে দুটি দল অংশগ্রহণ করেন তারা হলেন তারাকুল বনাম হিচমী বাজার। এই দুটি দলের টিমলিডার ছিলেন —
    ১/ তারাকুল দলের পক্ষ থেকে মোঃ ইউনুছ আলী
    ২/ হিচমী বাজার দলের পক্ষ থেকে মোঃ নাঈম হোসেন
    আর উক্ত খেলার শুভ উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজ সেবক,ন্যায়নিতি পরায়ন ব্যাক্তীত্ব,এম ইসরাত হিমাগারের সন্মানিত ম্যানেজার ও কৃষ্ণনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি মোঃ রায়হান আলম।
    সহযোগিতায় ছিলেন ৮ নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার ও ২০২২ সালের ২ নভেম্বর তফসিল ঘোষিত নির্বাচনে আবারও মেম্বার পদপ্রার্থী তরুণ ব্যাক্তীত্ব, উদীয়মান নেতা, জনগণের খাদেম গরীবের বন্ধু মোঃ নুরুল ইসলাম।
    উক্ত খেলাটি অত্যান্ত সুশৃংখল পরিবেশের মধ্যে দিয়ে পরিচালিত হয়। খেলায় নির্দিষ্ট সময়ে প্রথমে হিচমী বাজার দল ১টি গোল দেয় এবং পরে তারাকুল দল ১টি গোল দিয়ে খেলায় সমতা এনে নির্ধারিত সময় শেষ করে। পরবর্তীতে কমিটির চুড়ান্ত সিদ্ধান্তে ট্রাইবেগারের মাধ্যমে খেলার পরিসমাপ্তি ঘটে এবং ট্রাইবেগারে তারাকুল দল ২টি গোল দেয় ও হিচমী বাজার দল ১টি গোল দিয়ে খেলার চুড়ান্ত ফলাফলে পৌঁছে। খেলায় পুরস্কার হিসেবে ছিল বিজয়ী দলের জন্য একটি খাসি ও পরাজিত দলের জন্য দুটি রাজহাঁস।
    পরিশেষে তারাকুল দলকে বিজয়ী ঘোষণা করে একটি খাসি ও পরাজিত দল হিসেবে হিচমী বাজার দলকে দুটি রাজহাঁস তুলে দেওয়া হয়।

  • বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল’সকল সম্প্রদায়ের মানুষের পাশে ছিল, দুর্গাপূজায় বস্ত্র বিতরণে:আমীর খসরু

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল’সকল সম্প্রদায়ের মানুষের পাশে ছিল, দুর্গাপূজায় বস্ত্র বিতরণে:আমীর খসরু

    মোঃ শহিদুল ইসলাম
    সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ

    ৩০সেপ্টেম্বর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, যুগ যুগ ধরে এই দেশের মাটিতে সকল সম্প্রদায়ের মানুষ সৌহার্দ ও ভ্রাতৃত্বের মধ্য দিয়ে বাস করে আসছে। আমরা বিভিন্ন সময়ে একসাথে আমাদের স্বাধীনতা ও অধিকার রক্ষার জন্য সংগ্রাম করেছি।
    এই দেশ নির্মাণ করতে চেয়েছি সত্যিকার অর্থে অসাম্প্রদায়িক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ হিসেবে। কিন্তু বর্তমান অগণতান্ত্রিক সরকারের সময়ে আমরা গণতান্ত্রিক পরিবেশে বেঁচে থাকবার অধিকারগুলো সত্যিকার অর্থে ভোগ করতে পারছি না। বিভিন্ন সময়ে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরাই হিন্দু সম্প্রদায়ের ঘর বাড়ী, জায়গা সম্পত্তি দখল করে নিয়েছে।
    দেশের হিন্দুদের ৮০ ভাগ জায়গা জমি দখল করেছে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা। দূর্গাপূজার সময় তারা প্রতিমা ভাঙচুর করেছে। অথচ বিএনপি সবসময় সকল সম্প্রদায়ের মানুষের পাশে ছিল।
    তিনি শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে চট্টগ্রাম জেলা বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ছাত্র ও যুব ফ্রন্টের উদ্যোগে লাভলেইনস্থ মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন হলে বস্ত্র বিতরন ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। খসরু দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতনী সম্প্রদায়ের লোকজনের মাঝে বস্ত্র বিতরণ করেন।
    আমীর খসরু বলেন, বাংলাদেশের সংখ্যালঘু বলতে কিছুই নেই , আমরা সবাই বাংলাদেশি। দেশের সংবিধান সবাইকে সমান অধিকার দিয়েছে। বিএনপি সেটাকে ধারণ করে। আমরা ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করি না। যারা ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করে তারা সেটাকে ধারণ করে না। যে ধারণ করে না তাকে বারবার এটা পালন করার জন্য বলতে হয়। বাংলাদেশের সীমানার মধ্যে যারা বাস করে তারা সবাই বাংলাদেশি। সুতরাং এখানে রাজনীতিতে হিন্দু না মুসলিম এই পরিচয়ের রাজনীতি নাই।
    তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়াই প্রথম পূজামণ্ডপে চাল-ডাল ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছিলেন। এখন তো শুনি যুবলীগ-ছাত্রলীগকে পূজামণ্ডপের শান্তি-শৃঙ্খলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাহলে দেশের পুলিশ বাহিনী কোথায় গেল? তারমানে রাষ্ট্রযন্ত্র ও পুলিশ বাহিনীর কোনো দায়িত্ব নেই। যারাই হিন্দুদের প্রতিমা ভাঙ্গে, জায়গা দখল করে তাদেরকে পূজা মন্ডপ পাহারার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারমানে শিয়ালকে মুরগি পাহারা দিতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
    তিনি সকলের অধিকারকে রক্ষা করে একটা সুন্দর সৃষ্টিশীল বাংলাদেশ গড়ে তুলার আহবান জানিয় সবাইকে শারদীয় শুভেচ্ছা জানান এবং সবার কল্যাণ কামনা করেন।
    বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির আহবায়ক গোলাম আকবর খোন্দকার বলেন, দেবী দুর্গার আরাধনা করা হয় শক্তির জন্য। অসুরের যে শক্তি তাকে বদ করবার জন্যে। অন্যায়, অত্যাচার, নির্যাতন নিপীড়নের বিরুদ্ধে এই উপাসনা। সব সময় সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে এবং সব রকমের অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর দুর্গতিনাশিনী দেবী দূর্গার আরাধনা। এটা বাংলাদেশের সার্বজনীন পূজা।
    বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য উদাহরণ।
    প্রধান বক্তার বক্তব্যে কেন্দ্রীয় বিএনপি’র সহ ধর্ম সম্পাদক অমলেন্দু দাস অপু বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা বাংলা ভাষাভাষী জনগোষ্ঠীর হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। আবহমান কাল ধরেই এই উপমহাদেশে এই ধর্মীয় উৎসবটি আনন্দঘন পরিবেশে পালিত হয়ে আসছে। যে কোন ধর্মীয় উৎসবই সাম্প্রদায়িক ভেদরেখা অতিক্রম করে মানুষে মানুষে মহামিলন সূচনা করে। শারদীয় দূর্গাপুজার উৎসব সকলের মধ্যে নিয়ে আসে আনন্দের বার্তা। এই উৎসব বাংলাদেশের একটি শ্বাশ্বত সার্বজনীন উৎসব। উৎসব জাতি রাষ্ট্রে সর্বমানুষের মিলন ক্ষেত্র।
    হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ছাত্র ও যুব ফ্রন্টের সভাপতি প্রকৌশলী সন্জয় চক্রবর্তী মানিকের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক অর্জুন কুমার নাথের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সহ ধর্ম সম্পাদক অমলেন্দু দাস অপু। সন্মানিত অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য সাথী উদয় কুসুম বড়ুয়া, সুশীল বড়ুয়া।
    বিশেষ বক্তা ছিলেন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ছাত্র ও যুব ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সভাপতি জয়দেব রায় জয়। বক্তব্য রাখেন, উত্তর জেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ইউনুস চৌধুরী, নুরুল আমিন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক শফিকুর রহমান স্বপন, সাংবাদিক হাসান মুকুল, কল্যাণ ফ্রন্টের যুগ্ন আহবায়ক মিহির চক্রবর্তী, এড. শিপন কুমার দে, এড. জালাল উদ্দীন পারভেজ, ফ্রন্টের নেতা গোপাল শর্মা, এড. জুয়েল চক্রবর্তী, সৌরভ প্রিয় পাল, মোহন দে, অপু চৌধুরী আকাশ, বাবু বাহাদুর শাস্ত্রী, মিটুন বৈষ্ণব, রবি নাথ, বাসুদেব দাস, উজ্জ্বল দত্ত, সুব্রত আইচ, সন্জয় বৈষ্ণব প্রমূখ।

  • লেতু মন্ডল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়নে সদস্য পদে শফি মেম্বার’কে চায় অভিভাবকরা

    লেতু মন্ডল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়নে সদস্য পদে শফি মেম্বার’কে চায় অভিভাবকরা

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।
    ময়মনসিংহের সদর উপজেলার ৭নং চর নিলক্ষিয়া ইউনিয়নের রাজগঞ্জ (সাহেব কাচারী) বাজারে অবস্থিত লেতু মন্ডল উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনের লক্ষ্যে সাধারণ অভিভাবক সদস্য পদে নির্বাচন শুরু হয়েছে।

    দীর্ঘদিন পর স্কুল ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনী পরিবেশ সৃষ্টি হওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা উৎসবমূখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

    ইতিমধ্যে প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রতীকের ব্যালট নাম্বার পেয়ে ভোটারদের দ্বারেদ্বারে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন।

    তবে প্রার্থী হিসাবে ৭নং চর নিলক্ষিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ১নং ওয়ার্ডের মেম্বার শফি আলম প্রতিদ্বন্দ্বীতা করায় স্থানীয় কিছু সুবিধাবাদীরা বিমুখ হলেও ভোটারদের মাঝে উৎসবের আমেজ তৈরী হয়েছে। শফি আলম মেম্বার (৪নং ব্যালটে) প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।

    মুলত শফি আলম মেম্বার’কে ঘিরেই এই নির্বাচনী আমেজ ফিরে পেয়েছে লেতু মন্ডল উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিভাবকরা।

    আগামী (১২ই অক্টোবর) বুধবার লেতু মন্ডল উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির নির্বাচন।

    গোপন ব্যালট পেপারের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণের মধ্য দিয়ে পরিচালনা কমিটির সদস্য নির্বাচিত করবেন শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা। নির্বাচনে ভোটাররা তাদের ভোট প্রয়োগ করে চারজন প্রার্থীকে বিজয়ী করবে।

    লেতু মন্ডল উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট ভোটার রয়েছে— জন। নির্বাচনে প্রতিদন্দ্বিতা করছেন পাঁচ জন। তার মধ্যে বিজয়ী হবেন চার জন।

    ভোটারদের মতে-সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হবেন শফি আলম মেম্বার।

    স্থানীয় এলাকাবাসী মনে করেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজিং কমিটি পরিচালনা করতে হলে শিক্ষিত, ভদ্র ও মেধাবী লোকের দরকার। সেক্ষেত্রে শফি আলম’কে যোগ্য বলে মনে করছেন ভোটাররা।

    এই গুরুত্বপূর্ণ পদে শিক্ষিত, মেধাবী ও সাহসী লোক না আসলে লেখাপড়া এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের মুখে চলে যাবে। শিক্ষার পরিবেশ ও লেখাপড়ার মানোন্নয়নে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সচেতন মহল শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে যাচাই-বাছাই করে ম্যানেজিং কমিটির সদস্য নির্বাচিত করলে আগামীতে শিক্ষার মানের আরো অগ্রগতি হবে এমনটাই প্রত্যাশা করছেন তারা। তাই শফি আলম মেম্বারের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ ভোটাররা।

    স্থানীয় সচেতন মহল জানান , শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনেকেই সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জন করে চাকরিতে যোগদান করেন। সেই শিক্ষকদের পরিচালনার ক্ষেত্রে ম্যানেজিং কমিটির সদস্য পদে যিনি দায়িত্ব পালন করবেন তাকে অবশ্যই যোগ্য এবং সৎ হতে হবে এমনটাই মনে করছেন তারা। আর এক্ষেত্রে শফি আলম মেম্বার এর বিকল্প নেই বলেও দাবী ভোটারদের।

  • ১৭ই অক্টোবর সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনে নুরুল হুদা মুকুটের বিজয় নিশ্চিত

    ১৭ই অক্টোবর সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনে নুরুল হুদা মুকুটের বিজয় নিশ্চিত

    কে এম শহীদুল সুনামগঞ্জ:
    আগামী ১৭ই অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে চেয়াম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রতিদন্ধীতা করছেন সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাবেক জেলা পরিষদে ভোটে নির্বাচিত সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নুরুল হুদা মুকুট এবং জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিষ্টার এম এনামুল কবির ইমনের বড় ভাই জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি খায়রুল কবির রুমেন। দলের মধ্যে গ্রুপিং থাকায় নেতাকর্মীরা এবার পরেছেন বিপাকে? নুরুল হুদা মুকুট তিনি ১৮বছর জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে থাকার পরও দল কেন দলীয় মনোনয়ন না দিয়ে যারা রাজপথে কখনো আন্দোলন সংগ্রামে কোন মিছিল মিটিং করেনি এবং অতিথি পাখির মত হঠাৎ করে ঘরে বসে রাজনীতি করে দলের মনোনয়ণ পেয়ে যান সেটি মানতে পারছেন না সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের অনেক ত্যাগী নেতা কর্মীরা? তারই রুপরেখা ফুঠে উঠতে শুরু করেছে এবার জেলা পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে। একই দলের দুই নেতার নির্বাচনী প্রতিযোগীতার কারনে এবার সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের নেতাদের মধ্যে শুরু হয়েছে কুন্দল এবং দেখা যায় অনেক নেতাদের ডিগবাঁজি ? নৌকা প্রতীক না থাকায় নুরুল হুদা মুকুটকে বিজয়ী করতে তার অনুসারিরা কাজ করছেন মটর সাইকেল প্রতীকের জন্য। অন্য দিকে দলের মনোনীত ঘোড়া প্রতীকের জন্য কাজ করতে হিমসিম খাচ্ছেন অনেক নেতা কর্মীরা? হাট বাজার থেকে শুরু করে গ্রামেগঞ্জে সাধারণ মানুষসহ অনেক নেতাকর্মীদের মুখে শুনা যায় নানা কথা । অনেকে মন্তব্য করছেন আগামী ১৭ই অক্টোবর মোটর সাইকেল প্রতীকে নুরুলহুদা মুকুটের বিজয় নিশ্চিত? দল মুকুটকে মনোনীত করেনিতো কি হয়েছে সারাজীবন যে আওয়ামীলীগের জন্য রাজপথে থেকে রাজনীতী করেছে থাকে দল মুল্যায়ণ না করলেও সাধারণ মানুষ থাকে মুল্যায়ণ করবে এমন প্রশ্ন বরাবরের মতো থেকেই যায়? জানা যায় গত জেলা পরিষদ নির্বাচনে দলের মনোনীত প্রার্থী ছিলেন ব্যারিষ্টার এম এনামুল কবির ইমন। কিন্তু নৌকা প্রতীক না পেয়ে চশমা প্রতীক থাকায় তার সাথে প্রতিদ্বন্ধীতা করে ছিলেন নুরুল হুদা মুকুট মটর সাইকেল প্রতীক নিয়ে। সেই নির্বাচনে নুরুল হুদা মুকুটের সাথে বিশাল ভোটের ব্যবধানে পরাজয় বরণ করে ছিলেন দলীয় মনোনীত প্রার্থী চশমা প্রতীকের এনামুল কবির ইমন। মুকুটের সাথে পরাজয় বরণ করায় এবার জেলা পরিষদ নির্বাচনে ইমন অংশ গ্রহন না করে তারই বড় ভাই খায়রুল কবির রুমেনকে দিয়ে নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ণ প্রার্থী করেছেন অদৃষ্য ক্ষমতা বলে এমনটি শুনা যায় হাট বাজারে নেতা কর্মীদের মুখ থেকে? সুনামগঞ্জ জেলায় আওয়ামী রাজনীতি অঙ্গনে নির্বাচন এলেই দেখা যায় সারাজীবন ছাত্র রাজনীতি করে আন্দেলন জেল জুলুমের শিকার হয়েও আওয়ামী রাজনীতি করে জীবনের শেষ প্রান্তে এসে দলের মনোনীত প্রার্থী হতে বঞ্চিত হচ্ছেন যারা তারাই সতন্ত্র প্রার্থী হন এবং নির্বাচনে ভোটের মাধ্যমে তারাই বিজয়ী হন। অন্য দিকে যাদের নাম পর্যন্ত কেউ যানে না তারাই অতিথি পাখির মতো হঠাৎ করে দলে প্রবেশ করে কিভাবে দলের মনোণীত প্রার্থী হন? এমন প্রশ্ন ত্যাগী নেতাদের থেকেই যায়। এবার নির্বাচনকে ঘিরে এ জেলায় প্রকাশ্যেই মুখ খুলছেন তাই দলীয় মনোনীত প্রার্থীকে মেনে নিতে পারছেন না দলের নেতারাই। অন্য কোন দলের প্রার্থী নির্বাচনে অংশ গ্রহন না করায় চেয়ারম্যান পদে দলের মধ্যেই হবে নির্বাচনী লড়াই।
    নুরুল হুদা মুকুটকে বিজয়ী করতে তার অনুসারিরা ভোটারদের ধারে ভোট চাইছেন। আবার কেউ কেউ দল থেকে বহিস্কার হওয়ার ভয়ে প্রকাশ্যে না থাকলেও মুকুটকে বিজয়ী করতে আড়াল থেকে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রকাশ্যে রয়েছেন অনেকে তার মধ্যে ত্যাগী নেতা রেজাউল করিম শামীম। তিনি জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি যিনি সারাজীবন আওয়ামী লীগ করে আসছেন এবার তিনি প্রকাশ্যে নুরুল হুদা মুকুটকে বিজয়ী করতে মোটর সাইকেল প্রতীকের হয়ে নির্বাচনী প্রচারণা কালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের এক জবাবে রেজাউল করিম শামীম বলেন নুরুল হুদা মুকুট দলের জন্য সারাজীবন ধরে রাজপথে থেকে সুনামগঞ্জ আওয়ামীলীগকে তার নেতৃত্বে সু-সংগঠিত করে রাজনীতি করে আসছে। রাজপথে থেকে দলের প্রতিঠি কর্মসূচি পালণের মধ্য দিয়ে সুনামগঞ্জ জামাত বিএমপিকে বার বার মোকাবেলা করে অঙ্গ সংগঠনের নেতাদের বুকে আগলে রাখে । তাকে দল মুল্যায়ণ না করলেও এ জেলার জনগণ ভোটের মাধ্যমে নুরুল হুদা মুকুটকে গতবার যেমন বিজয়ী করেছে এবারও বিজয়ী করবে। বার বার কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে জননেতা নুরুল হুদা মুকুটের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে ভুল বুঝিয়ে অযোগ্য জনবিচ্ছিন্ন মানুষদের মনোনীত প্রার্থী করা হয়। আমরা শীত কালের অথিতি পাখিদের মত রাজনীতি করিনা । সারাজীবন শেখ হাসিনার রাজনীতি করেছি আওয়ামীগের রাজনীতি করছি ভবিষ্যতেও করব । এখন জীবনের শেষ প্রান্তে এসে যদি জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি নুরুল হুদা মুকুটের জন্য কাজ করলে জেলা কমিটির অগঠন তান্ত্রিক জনবিচ্চিন্ন সভাপতি সাধাারণ সম্পাদকের দ্বারা বহিস্কার হতে হয়, অব্যহতি হতে হয়, কিছু করার নেই তাদের যা ইচ্ছা তাই করুক নুরুল হুদা মুকুটের বিজয় হবেই আমরা তার পাশে আছি । আমরা নৌকা প্রতীকের সাথে প্রতিদ্বন্ধীতা করছি না ঘোড়া কোন দলীয় প্রতীক না? আমরা সারাজীবন আওয়ামীলীগ করেছি শেখ হাসিনার পাশে ছিলাম আছি থাকব।###

  • উপকূলীয় পরিবেশ ও প্রকৃতি সাংবাদিকতার পথিকৃৎ প্রকাশ ঘোষ বিধান

    উপকূলীয় পরিবেশ ও প্রকৃতি সাংবাদিকতার পথিকৃৎ প্রকাশ ঘোষ বিধান

    ইমদাদুল হক।

    নিজের মেধা, যোগ্যতা ও শ্রমের মধ্য দিয়ে প্রকাশ ঘোষ বিধান সাংবাদিকতা জগতে নিজেকে সৎ, নিষ্ঠাবান, সাহসী সাংবাদিক হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তিনি সাংবাদিকতায় সব সময় নিরপেক্ষ। সাংবাদিকতার ইতিহাসে সাহসী ও মানবিকতার অনন্য এক দৃষ্টান্ত। তার ক্ষুরধার লেখনীতে অকপটে সত্য প্রকাশ পায়। বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় তিনি এক দৃষ্টান্ত। মানুষের প্রত্যাশা, বেদনাকে জোরালোভাবে তুলে ধরার এক আশ্চর্য ক্ষমতা আছে তার। বি ত মানুষের অধিকার প্রশ্নে উচ্চকণ্ঠ। মানুষের উপর অত্যাচার, জুলুম, দু:খ- অভাবের ঘটনা জনগণের সামনে তুলে ধরতে তার প্রতিবাদী লেখা অব্যহত রয়েছে। সত্যনিষ্ঠ স্বাধীন মত প্রকাশের নির্ভীকতার জন্য মফস্বল ও উপকূলীয় সাংবাদিকতার দিষ্টান্ত সরুপ।
    তিনি এ প্রজন্মকে সৎ সাংবাদিকতা করতে উদ্বুদ্ধ করেন। শুধু সৎ সাংবাদিকতার পথপ্রদর্শক হিসেবেই নন, মানুষ হিসেবেও তিনি আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের অধিকারী। তার সংস্পর্শে যিনি একবার এসেছেন, তিনি তার সম্মোহনী ব্যক্তিত্বের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছেন। তেমনি তার সহানুভূতিশীল হৃদয় ও মানুষের প্রতি মমতাবোধ মানুষের মনকে জয় করেছে। তার মতো নির্লোভ, নিরহংকারী, সৎ, নির্মোহ সাংবাদিক আজ সত্যিই বিরল। আজকের সৎ সাংবাদিকতার ক্রান্তিকালে তিনি সৎ ও আদর্শবাদী সাংবাদিকতার পথিকৃৎ।
    সাংবাদিকতা নিরেট লেখালেখি আর অপরিসীম জ্ঞানচর্চার এক জায়গা। তথ্য প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতি ও উৎকর্সের সুবাদে একুশ শতকে এসে দ্রুতই বদলে যাচ্ছে মানব সভ্যতার দৃশ্যপট। জ্ঞানের সঠিক উৎস হলো সত্য তথ্য জানা ও জানানো। গণমাধ্যম হলো তথ্যের বাহন। প্রযুক্তির মাধ্যমে তা সবার কাছে পৌঁছায়। তাই সাংবাদিকতায় কে তথ্যের সঠিক ব্যবহার করছে আর কে অতিরঞ্জিত করছে তা পাঠকের কাছে ধরা পড়ে। এখানে সাংবাদিকের নিতি নৈতিকতার বিচারক পাঠক।

    প্রকাশ ঘোষ বিধান। তিনি একাধারে লেখক, কবি, ছড়াকার, সাংবাদিক, প্রকাশক ও সম্পাদক, সংগঠক, পরিবেশ কর্মীসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা। তার পুরো নাম প্রকাশ চন্দ্র্র ঘোষ, ডাক নাম বিধান। পত্র্র-পত্রিকা ও লেখালেখিতে প্রকাশ ঘোষ বিধান নামে সমাধিক পরিচিত। তিনি খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার গদাইপুর গ্রামে জন্ম গ্র্রহন করেন। পিতা মৃত নরেন্দ্র্রনাথ ঘোষ, মাতা হৈম রানী ঘোষ। তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্পোরাল র‌্যাংক থেকে অবসর নিয়ে সাংবাদিকতাসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সংস্কৃতিক কাজ শুরু করেন। তিনি সপ্তদ্বীপা সাহিত্য পরিষদ, পরিবেবাদী সংগঠন বনবিবি ও কাজী ইমদাদুল হক স্মৃতি পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা। তাছাড়া বিভিন্ন সামাজিক ও সংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে জড়িত আছেন। তিনি একজন কৃতি ফুটবল খেলোয়াড়। তার লেখা কবিতা, ছড়া, ছোটগল্প, প্রবন্ধ-নিবন্ধ পত্রদূত, স্পন্দন, জন্মভূমি, প্রবর্তন, তথ্য, ইত্তেফাক, জনতা, মানবকণ্ঠ, বর্তমান, যায়যায়দিন, আলোকিত বাংলাদেশ, সংগ্রাম, সমাচার, ঢাকা রিপোর্টসহ বিভিন্ন জাতীয় ও আি লিক পত্র্রিকায় প্র্রকাশিত হচ্ছে। তার সম্পাদনায় প্র্রকাশিত হচ্ছে অনিয়মিত সংকলন কণকাজ্ঞলী ও ধুলোবালি। তিনি ২০০৫ সালে খুলনাস্থ বাগেরহাট খানজাহান আলী স্মৃতি পাঠাগার ও গবেষণা কেন্দ্র থেকে খানজাহান আলী পদক, ২০১১ ও ২০১২ সালে খুলনা সুন্দরবন একাডেমী থেকে শ্রী সতীশচন্দ্র মিত্র সুন্দরবন বিষয়ক সাংবাদিকতায় আ লিক পত্রিকায় সেরা সাংবাদিক নির্বাচিত হন। ২০১৬ সালে সবুজ উপকুল সাফল্য স্মারক, ২০২০ সালে খুলনা জ্ঞানবিকাশ সংগীত একাডেমী থেকে সাংবাদিকতায় সম্মাননা, ২০২২ সালে পাখি ও পরিবেশ সুরক্ষায় খুলনা জ্ঞান বিকাশ সংগীত একাডেমী থেকে সম্মাননা, ২০২২ সালে খুলনা বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তর হতে পরিবেশ সম্মাননা স্মারকসহ বিভিন্ন সম্মাননায় ভূষিত হয়েছে।

    জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে উপকূলীয় পরিবেশের বিপর্যায় ঘটছে এতে পাখির আবাসস্থল ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। পাখি রক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধি ও এদের আবাসস্থল সুরক্ষায় পরিবেশবাদী সংগঠন বনবিবি বিভিন্ন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্যে কে সমৃদ্ধ করেছে পাখি। পরিবেশবান্ধব এই প্রাণীটি জীববৈচিত্রের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ একটি সম্পদ। জলবায়ু পরিবর্তন ও মানুষের দ্বারা সৃষ্ট নানা কারণে পাখিরা বিপন্ন হয়ে পড়েছে। পরিবেশ বান্ধব পাখিকুল রক্ষা, বিরল প্রজাতির বিলুপ্তি রোধ, শিকার বন্ধ, প্রজনন ও পাখিদের অবাধ বিচরণ ক্ষেত্রগুলো নষ্ট না করা প্রভৃতি ক্ষেত্রে সবার মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করতে স্ব উদ্যোগে পরিবেশবাদি সংগঠনের বনবিবির সভাপতি প্রকাশ ঘোষ বিধান এই কাজটি করে চলেছে। উপকূল সুরক্ষায় সবুজ আন্দোলন। পরিবেশ সুরক্ষায় উপকূলের স্কুল পড়ুয়া ছেলে-মেয়েদের সচেতন করে তুলতে শিক্ষার্থীদের মাঝে সৃজনশীল প্রতিযোগিতা রয়েছে। চারপাশের পরিবেশ সমস্যা ও উত্তরণে সবুজ উপকূল সুরক্ষায় উপকূল বিষয়ে, রচনা লিখন, পত্র লেখা, কবিতা, ছড়া লেখা ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা। আরো রয়েছে পরিবেশ সুরক্ষায় গাছের চারা রোপন, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এ ছাড়াও মেধাবী শিক্ষার্থীদের দেওয়া হচ্ছে শিক্ষা উপকরণ। তাছাড়া বৃক্ষ রক্ষায় গাছে পেরেক ঠুকে ব্যানার, প্যানা ও ফেস্টুন না লাগানো জন্য উদ্বুদ্ধ করা। ক্ষেতে রাসয়ানিক সারের ব্যবহার কমিয়ে জৈব সার ব্যবহারে সচেতন বাড়াতে কাজ করছেন। পাখি আবাসস্থল গড়তে গাছে গাছে মাটির পাত্র স্থাপন ও পাখি সুরক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিলবোর্ড স্থাপন অব্যহত রয়েছে।

    তিনি অসাম্প্রদায়িক চেতনার নির্লোভ নির্ভীক সাংবাদিক। সত্যের পথে সংগ্রামী ও আপোষহীন এক কীর্তিমান পূরুষ। সাংবাদিকতায় নিতি-নৈতিকতা, সততা, দায়িত্বশীলতা, বন্তনিষ্ট ও নিরপেক্ষ নির্ভীক সাংবাদিক হিসাবে পাঠক ও জনগণের আন্থা অর্জন করেছেন।

  • বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে দশ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ, স্বাভাবিক থাকবে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম

    বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে দশ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ, স্বাভাবিক থাকবে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম

    মুুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, তেঁতুলিয়া (পঞ্চগড়) প্রতিনিধিঃ সারাদেশের ন্যায় প গড়ের তেঁতুলিয়ায় মুসলমানদের মহাসম্মানিত পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা ও সাপ্তাহিক ছুটিসহ দশ দিন বন্ধ থাকবে চতুর্দেশীয় বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর। এ সময় সব ধরনের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধের ঘোষণা করা হয়েছে। তবে বাংলাবান্ধা ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে যাত্রী পারাপার কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকবে।

    বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    ভারতের ফুলবাড়ী এক্সপোর্টার অ্যান্ড ইমপোর্টার ওয়েলফার অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাবান্ধা আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের যৌথ সিদ্ধান্তে স্থলবন্দরের সব ধরনের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখার ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ১০ অক্টোবর সোমবার সকাল থেকে স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম চলবে।

    বাংলাবান্ধা কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট (সিঅ্যান্ডএফ) অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সাপ্তাহিক ছুটিসহ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ও দুর্গাপূজা উপলক্ষে উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর বন্ধ থাকবে। আগামী ১০ অক্টোবর সোমবার থেকে আমদানি-রপ্তানিসহ সব ধরনের ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালু করা হবে।

    বাংলাবান্ধা আমদানি রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি আব্দুল লতিফ তারিন ও সাধারণ সম্পাদক কুদরত-ই-খুদা মিলন বলেন, শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) থেকে সাপ্তাহিক ছুটিসহ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ও দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতীয় ফুলবাড়ী এক্সপোর্টার অ্যান্ড ইমপোর্টার ওয়েলফার অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর আমদানি গ্রুপের সঙ্গে সমন্বয় করে ১০ দিন স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ১০ অক্টোবর সকাল থেকে স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি সচল করা হবে।

    বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা ও ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন উপলক্ষে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের ব্যবসায়ীদের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও ইমিগ্রেশন দিয়ে পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক থাকবে।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।

  • গোদাগাড়ীর কুখ্যাত মাদক সম্রাট তোতা  ১ কেজি হেরোইনসহ  গ্রেপ্তার

    গোদাগাড়ীর কুখ্যাত মাদক সম্রাট তোতা ১ কেজি হেরোইনসহ গ্রেপ্তার

    নিজস্ব প্রতিবেতক, রাজশাহীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে অভিযান চালিয়ে ১ কেজি হেরোইনসহ মাদক সম্রাট খাদেমুল ইসলাম তোতা (৪০) কে গ্রেপ্তার করেছে রাজশাহী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের গোয়েন্দা শাখা।

    শুক্রবার (৩০) সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত সোয়া ২ টার দিকে গোদাগাড়ী পৌর এলাকার মহিশালবাড়ীতে অভিযান চালিয়ে মাদক উদ্ধার ও গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত মাদক ব্যবসায়ী মহিশালবাড়ী ফকিরাপাড়া গ্রামের মাসদার আলীর ছেলে।

    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর গোয়েন্দা শাখার ইন্সপেক্টর পারভীন আক্তার জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারি পদ্মানদীর ওপার থেকে আসা হেরোইনের বড় চালান মহিশালবাড়ী এলাকায় ক্রয়-বিক্রয় হবে। এই সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর গোয়েন্দা শাখার উপ-পরিচালকের নেতৃত্বে আমরা মহিশালবাড়ী এলাকায় কৌশলে অবস্থান করি। এক পর্যায়ে রাত সোয়া ২ টার দিকে মাদক ব্যবসায়ী খাদেমুল ইসলাম তোতার বাসায় তল্লাসী চালিয়ে খাটের তোষকের নিচে কালো বাজারের ব্যাগে রাখা ১০০ গ্রামের পলেথিনে মোড়ানো ১০ টি প্যাক উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত হেরোইনের মোট ওজন ১ কেজি। সেই সময় মাদক ব্যবসায়ী খাদেমুল ইসলাম তোতাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর গোয়েন্দা শাখার ইন্সপেক্টর পারভীন আক্তার আরো জানান, সে বড় মাপের মাদক ব্যবসায়ী । দীর্ঘদিন থেকে এই পেশার সাথে জড়িত। এর আগে সে হেরোইনের ২ কেজির চালান নিয়ে ধরা পড়েছিলো ও মামলাও আছে। সে মাদক ব্যবসা করে মাছ বহনকরার কাজে ব্যবহৃত কয়েকটি ট্রাক, জমি জায়গা, কোটি কোটি টাকা ব্যাংক ব্যালেন্সসহ কালো সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছেন। মাদক ব্যবসা করে স্বল্প সময়ে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ তারপর বটবৃক্ষ হয়েছেন।
    ওই কুখ্যাত মাদক সম্রাট গ্রেফতার বিষয়টি গোদাগাড়ীসহ রাজশাহী টক অফ দ্যা টাউনে পরিনত হয়েছে। মানুষের মুখে মুখে আলোচিত হচ্ছে পাপ বাপকেও ছাড়ে না। লোভ করে সে মাদক ব্যবসা করে শূন্য থেকে কোটিপতি হয়েছেন একদিন তো ধরা পড়তেই হবে।

    আটকৃতর বিরুদ্ধে গোদাগাড়ী মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • নড়াইলের মধুমতীতে ভাঙনের মুখে ব্রিটিশ আমলে স্থাপিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

    নড়াইলের মধুমতীতে ভাঙনের মুখে ব্রিটিশ আমলে স্থাপিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলের মধুমতীতে ভাঙনের মুখে ঐতিহ্যবাহী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালে। তিন একর জমিতে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টিতে একাডেমিক ভবন ছাড়াও তখন ছিল বিশাল খেলার মাঠ। তবে ১৯৯০ সালে মাঠসহ বিদ্যালয়টি মধুমতী নদীর ভাঙনে বিলীন হয়ে যায়। এরপর বিদ্যালয়টি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, বর্তমানে সেই ভবনটিও মধুমতী নদীর ভাঙনের কবলে পড়েছে। বিদ্যালয়টির নাম মাকড়াইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার শালনগর ইউনিয়নের মাকড়াইল গ্রামে মধুমতী নদীর তীরে এই বিদ্যালয়ের অবস্থান। নদীভাঙন বিদ্যালয়ের কাছে চলে আসায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শঙ্কা, যেকোনো মুহূর্তে বিদ্যালয়টি নদীগর্ভে হারিয়ে যেতে পারে। ভাঙনের কারণে ওই এলাকার মাকড়াইল, কাশিপুর ও রামচন্দ্রপুর নদীতে বিলীন হচ্ছে। আপাতত ভাঙন ঠেকাতে বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশে সর্বোচ্চ ১০০ মিটার এলাকায় দ্রুত বালুর বস্তা ফেলা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয় লোকজন।
    স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ১৯৯০ সালে বিদ্যালয়টি নদীতে বিলীন হওয়ার পর ওই গ্রামের বাসিন্দা তৎকালীন ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম বিদ্যালয়ের জন্য ৩৩ শতাংশ জমি দান করেন। সেই জমিতে গড়ে ওঠে বিদ্যালয়। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে দুটি একতলা ভবন ও একটি টিনশেড ঘর আছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, বিদ্যালয়ের পূর্ব পাশের ভবনটি ঘেঁষে নদীর স্রোত প্রবাহিত হচ্ছে। ভবনের গায়ে আছড়ে পড়ছে ঢেউ। টিনশেড ঘরটির একটি কোনা নদীতে চলে গেছে। সেখানে ভাঙন ঠেকাতে বালুর বস্তা ফেলা হয়েছে। সেসব বস্তার কয়েকটি নদীতে চলে গেছে।
    বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ফজলুর রহমান মৃধা বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্যর প্রচেষ্টায় ভাঙন ঠেকাতে এখানে তাৎক্ষণিকভাবে বালুর বস্তা ফেলা হয়েছে। এটি না ফেললে বিদ্যালয় ভবন এত দিনে নদীতে চলে যেত। ভাঙন এখন বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশে। সেখানে সর্বোচ্চ ১০০ মিটার এলাকায় দ্রুত বালুর বস্তা ফেলা দরকার। তাহলে বিদ্যালয় ও এলাকাবাসী ভাঙনের কবল থেকে আপাতত বাঁচতে পারবে।
    বিদ্যালয়টির শিক্ষকেরা বলেন, ব্রিটিশ আমলে স্থাপিত বিদ্যালয়টি একসময় প্রাণোচ্ছল ছিল। বিদ্যালয় ও খেলার মাঠ ঘিরে নানা খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন হতো। নদীভাঙনের ফলে ধীরে ধীরে সবকিছু ম্রিয়মাণ হয়ে যাচ্ছে। ঐতিহ্য হারাচ্ছে এলাকা। আশপাশের গ্রামগুলোয় নদীভাঙনে নিঃস্ব হচ্ছে মানুষ। এখানে ভাঙন প্রতিরোধে স্থায়ী ব্যবস্থা না নিলে এসব জনপদ বিলীন হয়ে যাবে। নড়াইলের
    লোহাগড়া উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) স্বপন কুমার বর্মণ বলেন, উপজেলার মধ্যে নদীভাঙনের সবচেয়ে ঝুঁকিতে আছে বিদ্যালয়টি। ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) কর্মকর্তারা জানেন।
    পাউবো নড়াইলের নির্বাহী প্রকৌশলী উজ্জ্বল কুমার সেন বলেন, সেখানে ভাঙন ঠেকাতে তাৎক্ষণিক বালুর বস্তা ফেলা হয়েছে। ভাঙন প্রতিরোধে স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ছয় মাস আগে নড়াইল জেলার ২৩টি প্রকল্প মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। একনেকে পাস হওয়ার জন্য এর সম্ভাব্যতা যাচাই করতে তৃতীয় পক্ষের জরিপ লাগে। ওই জরিপের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রকল্প পাঠানো হয়েছে। তা অনুমোদন হলে জরিপ হওয়ার পর মূল প্রকল্পটি অনুমোদন হবে। এরপর কাজ হবে।
    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • সুজানগরের ৫৭টি পূজা মন্ডপে কামরুজ্জামান উজ্জলের আর্থিক সহযোগিতা প্রদান

    সুজানগরের ৫৭টি পূজা মন্ডপে কামরুজ্জামান উজ্জলের আর্থিক সহযোগিতা প্রদান

    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধিঃ পাবনার সুজানগর উপজেলার ৫৭টি পূজা মন্ডপে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় আ.লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক উপকমিটির সদস্য এবং আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা-২ আসনের আওয়ামীলীগ দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী কামরুজ্জামান উজ্জলের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে প্রতিটি মন্ডপের জন্য নগদ তিন হাজার টাকা করে এ আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করা হয় মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দের নিকট। এ সময় উপজেলা আ.লীগের সভাপতি আব্দুল ওহাব,সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের রোকন, দুলাই ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম শাহজাহান,মানিকহাট ইউপি চেয়ারম্যান শফিউল ইসলাম শফি,ভাঁয়না ইউপি চেয়ারম্যান আমিন উদ্দিন, পৌর আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ মিলন,উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম তমাল ও সাধারণ সম্পাদক শেখ তুষার সহ স্থানীয় হিন্দু ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।