Blog

  • ১৩ এনজিও কর্মীদের কি-স্তির অক-থ্য নি-র্যাতন স-হ্য করতে না পেরে আত্মহ-ত্যা করলেন কৃষক

    ১৩ এনজিও কর্মীদের কি-স্তির অক-থ্য নি-র্যাতন স-হ্য করতে না পেরে আত্মহ-ত্যা করলেন কৃষক

    নিজস্ব প্রতিবদেক, রাজশাহীঃ রাজশাহী পবাতে খাওয়ার অভাব ও এনজিওর ঋণের কিস্তির দিতে না পেরে আত্নহত্যা করেছেন কৃষক
    মিনারুল ইসলাম (৩৫)। তিনি স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার পর আত্মহত্যা করেছেন। এনজিওর এক্ষত না শুকাতে ি

    জেলার মোহনপুরে ঋণগ্রস্থ হয়ে এক কৃষক আত্মহত্যা করেছেন। সোমবার সকালে বাড়ির পাশের একটি পান বরজ থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত কৃষকের নাম আকবর আলী শাহ (৫৫)। তিনি মোহনপুর উপজেলার খাড়ইল গ্রামের লুকমানের ছেলে।

    নিহতের বড় ছেলে সুমন হোসেন শাহ জানান, প্রতিদিনের মত তার বাবা পান বরজ দেখাশোনার জন্য খুব ভোরে বাড়ি থেকে বেড়িয়ে যান। সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ছয়জন শ্রমিক নিয়ে তিনিও পান বরজে যান। সেখানে গিয়ে তার বাবাকে দেখতে পাননি। খোজাখুজি পর পাশের আরেকটি পান বরজে গলায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় তার বাবাকে দেখতে পায়। পরে শ্রমিকদের সহযোগীতায় মৃতদেহ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যান। খবর পেয়ে পুলিশ বাড়িতে গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এছাড়াও পুলিশ ঘটনাস্থলও পরিদর্শন করেন।

    মোহনপুর থানার ওসি আতাউর রহমান জানান, আকবর আলী ও তার স্ত্রী সেলিনা বেগম বিভিন্ন এনজিওর সাথে জড়িত। সেগুলো থেকে তিনি ঋণ নিয়ে ছিলেন। তার বাড়ি থেকে ১৩টি এনজিও পাস বই পাওয়া গেছে। এ সব এনজিও থেকে নেওয়া প্রায় ৭ লাখ টাকা ঋণ বেধে যায়। ঋণ নিয়ে এনজিওগুলোর চাপে ছিলেন তিনি। পানের দাম কমে যাওয়ায় ঋণের কিস্তি দিতে পালছিলেন না তিনি। এ নিয়ে তিনি মানুষিক চাপে ছিলেন।

    যে সব এনজিওর সাথে যুক্ত ছিলেন আকবর আলী ও তার স্ত্রী সেলিনা বেগম সেগুলো হলো- প্রশিকা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্র, গ্রামীণ প্রচেষ্টা, ব্র্যাক, রিসোর্স ইন্টিগ্রেশন সেন্টার (রিক), প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটি, শাপলা গ্রাম উন্নয়ন সংস্থা, পল্লী মঙ্গল কর্মসূচি (পিএমকে), সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট ইনোভেশন এ্যান্ড প্র্যাকটিসেস (সিদীপ), আশা, গ্রাম উন্নয়ন কর্ম (গাক), ডাম ফাউন্ডেশন ফর ইকোনোমিক ডেভেলপমেন্ট (ডিএফইডি), ইকো-সোস্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানইজেশন ( ইএসডিও), ভিলেজ এডূকেশন রিসোর্স সেন্টার (ভার্ক)।

    রাজশাহীর পবা উপজেলার বামনশিকড় গ্রামে অভাব-অনটন ও ঋণের চাপে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার পর আত্মহত্যা করেছেন মিনারুল ইসলাম (৩৫) নামে এক কৃষক। শুক্রবার সকালে তাঁর বাড়ির দুটি কক্ষ থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতরা হলেন- মিনারুল ইসলাম, তাঁর স্ত্রী মনিরা বেগম (২৮), ছেলে মাহিম (১৪) এবং মেয়ে মিথিলা (৩)।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেতক,
    রাজশাহী।

  • ঝিনাইদহে মহেশপুরে দত্তনগর বীজ উৎপাদন খামারের শ্রমিকদের কর্মবি-রতি

    ঝিনাইদহে মহেশপুরে দত্তনগর বীজ উৎপাদন খামারের শ্রমিকদের কর্মবি-রতি

    মহেশপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধিঃ

    ঝিনাইদহের মহেশপুরে এশিয়ার বৃহত্তম বীজ উৎপাদন খামার দত্তনগরের শ্রমিক নিয়োগ সংক্রান্ত নীতিমালা বাতিলের দাবিতে কর্মবিরতি, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রার (১৫ আগষ্ট) বিকেলে দত্তনগর প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ সমাবেশে দত্তনগরের করিঞ্চা, গোকুলনগর, কুশাডাঙ্গা, পাথিলা ও মথুরা বীজ উৎপাদন খামারের শ্রমিকেরা ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে অংশ নেন।

    শ্রমিকেরা জানান, চলতি বছরের ১৫ এপ্রিল ২০২৫ গৃহীত ‘দত্তনগর দৈনিক ভিত্তিতে সাময়িক শ্রমিক নিয়োজিতকরণ নীতিমালা ২০২৫’ বাতিল করে ২০১৭ সালের ‘কৃষি ফার্ম শ্রমিক নিয়োগ ও নিয়ন্ত্রণ নীতিমালা’ অবিলম্বে কার্যকর করতে হবে। একই সঙ্গে নারী শ্রমিকদের মাতৃত্বকালীন চার মাসের ছুটি নিশ্চিত করা, বিনা কারণে শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধ, বছরে দুটি উৎসবভাতা ও বৈশাখী ভাতা প্রদান, অনিয়মিত শ্রমিকদের নিয়মিতকরণ, মৌসুমি শ্রমিক পদ্ধতির অবসান এবং মাসে ৩০ দিনের হাজিরা নিশ্চিত করার দাবি তোলেন তাঁরা।

    সমাবেশে বক্তব্য দেন বিএডিসি শ্রমিক ঐক্য পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক মো. জোনায়েদ, কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক রুহুল আমিন, ওয়াসিম আকরাম, সবুজ মিয়া, সোহেল রানা ও রিপন সরদার। সে সময় বক্তারা অভিযোগ করেন, বছরের পর বছর কঠোর পরিশ্রম করেও তাঁরা তাদের ন্যায্য সুবিধা পাচ্ছে না। তাঁদের ভাষায় ‘আমাদের দাবি অবিলম্বে না মানা হলে আরও কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়া হবে।

    শহিদুল ইসলাম ঝিনাইদহ মহেশপুর থেকে।।

  • গোপালগঞ্জে নানা কর্মসূচির মধ্য-দিয়ে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ -২০২৫ উদযাপন 

    গোপালগঞ্জে নানা কর্মসূচির মধ্য-দিয়ে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ -২০২৫ উদযাপন 

    কে এম সাইফুর রহমান, 
    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ 

    সারাদেশের ন্যায় গোপালগঞ্জেও নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ -২০২৫ পালিত হয়েছে।

    মৎস্য সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তরের আয়োজনে আজ সোমবার (১৮ আগস্ট) সকালে সদর উপজেলা পরিষদের পদ্ম পুকুরে জেলা প্রশাসক মুহম্মদ কামরুজ্জামান সকলকে সাথে নিয়ে বিভিন্ন দেশীয় প্রজাতির মৎস্য পোনা অবমুক্ত করেন। 

    পরে “অভয়াশ্রম গড়ে তুলি- দেশি মাছে দেশ ভরি” – এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্মসচিব) মুহম্মদ কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে সকল শ্রেণি- পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। 

    এরপর জেলা মৎস্য কর্মকর্তার  সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্মসচিব) মুহম্মদ কামরুজ্জামান।

    জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিজন কুমার নন্দীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মোহাম্মদ সারোয়ার হোসেন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আঃ কাদের সরদার, জেলা মৎস্য অধিদপ্তরের সিনিয়র সহকারী পরিচালক মোঃ আবুল কালাম আজাদ, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম রকিবুল হাসান, জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (অঃ দাঃ) লাখসানা লাকী প্রমূখ।

    এ‌ সময় জেলা মৎস্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রমেশ কুমার পাল, জেলা ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক শিপলু আহমেদ, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা দেবলা চক্রবর্ত্তী, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী রতন কুমার সাহা, উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা উজ্জ্বল বিশ্বাস, মেরিন ফিশারিজ অফিসার মোঃ মফিজুল ইসলাম, সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইয়্যেদুল ইসলাম ভূইয়া সহ অন্যান্য কর্মকর্তা- কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • কুড়িগ্রামে অসু-স্থ মায়ের সেবা করায় স্বামীর বিরু-দ্ধে স্ত্রীর যৌ-তুক মা-মলা

    কুড়িগ্রামে অসু-স্থ মায়ের সেবা করায় স্বামীর বিরু-দ্ধে স্ত্রীর যৌ-তুক মা-মলা

    এম এস সাগর,
    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধ:
    কুড়িগ্রামে অসুস্থ মায়ের সেবা করায় স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীর যৌতুক মামলা। পৃথিবীর সবচেয়ে আপনজন ও নিরাপদ আশ্রয়স্থল মা। আমাদের সমাজে বৃদ্ধ বাবা-মাকে রাস্তায় আর বৃদ্ধাশ্রমে ফেলে রাখার নিষ্ঠুরতাও নিত্য শিরোনাম। এর বিপরীতে এ সমাজে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন কুড়িগ্রামের ভারায় অটো-চালক ও হতদরিদ্র মা পাগল সাইফুল ইসলাম।

    সরজমিনে গিয়ে জানা গেছে, কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারীর খামার আন্ধারীঝার গ্রামের দিনমজুর আব্দুল লতিফ মন্ডল ও ছকিনা বেগমের একমাত্র সন্তান সাইফুল ইসলাম। পার্শ্ববর্তী রামখানার আজমাথা গ্রামের শামসুল আলমের কন্যা মিষ্টি খাতুন কে ২০১৬সালে বিয়ে করে এবং আড়াই বছরের কন্যা সন্তান সামিয়া কে নিয়ে সংসার ভালোই চলছিল। আড়াই বছর আগে সাইফুলের মা ছকিনা বেগম ডাইবেটিস সহ বিভিন্ন রোগে শয্যাশায়ী। ছাইফুল তার মায়ের চিকিৎসায় আর্থিক ব্যয় করায় স্ত্রী মিষ্টি ও তার বাবা মা চিকিৎসা সেবায় বাধা সৃষ্টি করা সহ তাদের বাড়িতে ঘর জামাই থাকতে বলেন। উন্নত চিকিৎসার অভাবে সাইফুলের মায়ের ডান পায়ে পচন ধরে। মা পাগল সাইফুল ভারায় অটোরিকশা চালিয়ে মায়ের চিকিৎসা সেবা এবং সংসারের বোঝা টেনে আসছেন। সাইফুল তার শয্যাশায়ী মায়ের চিকিৎসার কারণে গত ১এপ্রিল ২০২৪সালে মিষ্টি তার স্বামীর বাড়ী থেকে বাবার বাড়িতে পালিয়ে যায়। আন্ধারীঝার এলাকার সামিউল হক খোকা মুহুরী, মিজু মাস্টার, বাদল হোসেন, আজাহারুল ইসলাম স্থানীয়ভাবে কয়েকবার সালিশি বৈঠকে মিষ্টি ও তার পরিবার জানায়, সাইফুলের শেষ সম্বল ৩শত বসতবাড়ি লিখে দেয়া সহ ঘরজামাই থাকতে হবে। অন্যথায় ঘর-সংসার সম্ভব না। সাইফুল জানায় তার শয্যাশায়ী মাকে বুকে আগলে রাখবেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শামসুর আলম তার কন্যা মিষ্টি কে দিয়ে সাইফুল ও তার বাবা আব্দুল লতিফকে বিবাদী করে মনগড়া একটি যৌতুক মামলা করেন। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনা নিয়ে এলাকায় চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা।

    স্থানীয় বাদল হোসেন, সাইফুর ইসলাম, আব্দুল আলিম বলেন, সাইফুল তার মায়ের সেবার কারণে স্ত্রী চলে যায়। কুড়িগ্রামে মিথ্যা যৌতুক মামলা করে হয়রানি করছে। ছোটকাল থেকে সাইফুল অনেক দুঃখ-কষ্টে মানুষ হয়েছে। যে পরিবারে বিয়ে করেছেন সে পরিবার অত্যন্ত লোভী।

    সাইফুল ইসলামের নানী সাহেরা বেগম আমার মেয়ের ডাইবেটিস রোগে পায়ে ঘা হয়েছে। আমার নাতি ভুরুঙ্গামারী থেকে রংপুর পর্যন্ত সাইফুল মায়ের চিকিৎসা করায় স্ত্রী মিষ্টি বেগম বলছে হয় মায়ের সংসার করো নয়তো আমার সংসার করো। সাইফুল ইসলামের বাবা আব্দুল লতিফ মন্ডল বলেন, আমার ছেলের বউ আমার স্ত্রীর সেবা করে না। বসতবাড়ি ৩শতক জমিও তার নামে লিখে চায়। মায়ের সেবা করার কারণে মিষ্টি বাদী হয়ে আদালতে আমার এবং আমার ছেলের বিরুদ্ধে মিথ্যা যৌতুক মামলা করে। সাইফুল ইসলামের মা ছকিনা বেগম এবং সাইফুল ইসলাম বলেন, ছেলেকে ওদের বাড়ি যেতে বলে। আমার চিকিৎসা করতে না বলে আমি মরে যামু গা। আমার সেবার কারণে আমার সাইফুল এখন মিথ্যা যৌতুক মামলার আসামি। আমার মা ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হয়ে ডান পা পৌছে গেছে। মায়ের চিকিৎসা সেবার কারণে আমার স্ত্রী মিষ্টি বেগম তার বাবা মায়ের ও পরামর্শে বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়ে আমার এবং আমার বাবার নামে মিথ্যা যৌতুক মামলা করে।

    মিষ্টি খাতুনের বাবা শামসুল আলম বলেন, আমার মেয়ে জামাই সাইফুল তার সব টাকা-পয়সা খরচ করে তার অসুস্থ মায়ের চিকিৎসা করছে। টাকা শেষ করলে আমার মেয়ে কি খাবে। সাইফুল তার অসুস্থ মায়ের চিকিৎসা করার জন্য আমার মেয়ে কে সংসার করতে দেবো না। তাই আদালতে যৌতুক মামলা করেছি। যেমনে পারি সাইফুলকে একটা শিক্ষা দেব।

    স্থানীয় প্রধান সামিউল হক খোকা মুহুরী, মিজু মাস্টার, আজাহারুল ইসলাম জানায়, ২/৩বার সংসার গড়তে সালিশ হয়েছে। মিষ্টি বেগম ও তার বাবা-মায়ের কথা অসুস্থ মাকে ফেলে দিয়ে ঘর জামাই হয়ে সাইফুলকে থাকতে হবে। সাইফুল তার মায়ের চিকিৎসা করার কারণে তারা মিথ্যা যৌতুক মামলায় আসামি হয়েছেন। প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছেন তারা।

  • জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২৫ উপলক্ষে গৌরনদীতে র‍্যালি , পোনা অব-মুক্ত ও আলোচনা স-ভা অনুষ্ঠিত

    জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২৫ উপলক্ষে গৌরনদীতে র‍্যালি , পোনা অব-মুক্ত ও আলোচনা স-ভা অনুষ্ঠিত

    ‎ গৌরনদী প্রতিনিধি
    জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২৫ উপলক্ষে বরিশালের গৌরনদীতে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য দপ্তরের উদ্যোগে সোমবার সকালে বর্ণাঢ্য র্যা লী, পোনা অবমুক্তকরণ ও আলোচনা সভা এবং সেরা মৎস্য চাষীদের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণের পুকুরে দেশি প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্তের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সূচনা হয়।
    ‎‎”অভয় আশ্রম গড়ে তুলি—দেশি মাছে দেশ ভরি” এই প্রতিপাদ্যে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধনী দিনে উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে এক বর্ণাঢ্য র্যা লী বের করা হয়। এতে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, মৎস্যচাষি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং গণমাধ্যমকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। ‎র্যা লী শেষে উপজেলা অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রসেনজিৎ দেবনাথ। ‎প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আরা মৌরি। ‎বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গৌরনদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম, বিআরডিবির সাবেক চেয়ারম্যান ও পৌর নাগরিক কমিটির সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক জহুরুল ইসলাম জহির, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. পলাশ সরকার, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সেকেন্দার শেখ । ‎আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, দেশীয় প্রজাতির মাছের উৎপাদন বাড়াতে অভয়াশ্রম গঠন এবং প্রাকৃতিক জলাশয় সংরক্ষণ অত্যন্ত জরুরি। দেশীয় মাছের বিলুপ্তি ঠেকাতে জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি মৎস্য আইন বাস্তবায়ন ও আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা। ‎সভা শেষে মৎস্য খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় গৌরনদী উপজেলার বেশ কয়েকজন সফল মৎস্যচাষিকে পুরস্কৃত করা হয়। ‎প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও বলেন “মৎস্য সম্পদ আমাদের দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত। অভয়াশ্রম গঠন, পোনা অবমুক্তকরণ এবং সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশীয় মাছ সংরক্ষণে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা জরুরি। মৎস্যচাষিকে উৎসাহিত করতে এ ধরনের আয়োজন বড় ভূমিকা রাখবে।”‎সারা দেশে একযোগে পালিত হচ্ছে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২৫, যা চলবে ২৪ আগস্ট পর্যন্ত। এরই অংশ হিসেবে গৌরনদী উপজেলার এই কর্মসূচি এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।

  • মৎস্য চাষে বিশেষ অব-দানের জন্য বাগআঁচড়া জনতা ফিসকে সম্মা-ননা প্রদান

    মৎস্য চাষে বিশেষ অব-দানের জন্য বাগআঁচড়া জনতা ফিসকে সম্মা-ননা প্রদান

    আজিজুল ইসলাম,যশোরঃ যশোরের শার্শা উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তরের আয়োজনে মৎস্য সপ্তাহ’র উদ্বোধন করা হয়েছে।  সোমবার সকাল ১০ টায় এ উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালী বের করা হয়। পরে উপজেলা অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।  

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ডাক্তার কাজী নাজিব হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন,উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা পলাশ বালা।বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কুদ্দুস আলী বিশ্বাস,  উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দ্বীপক কুমার সাহা ও প্রাণী সম্পাদ কর্মকর্তা তপু কুমার সাহা।

     

    অনুষ্ঠানে মৎস্য চাষে বিশেষ অবদান রাখায় বাগআঁচড়া জনতা ফিস এর স্বত্বাধিকারী ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কুদ্দুস আলী বিশ্বাসকে সন্মাননা পদক প্রদান করে মৎস্য অধিদপ্তর।

    এসময় মৎস্য চাষী ও তরুন উদ্দোক্তা ইসরাফিল হোসেন, সোনাদীয়া বাওড়ের মৎস্য চাষী বীর মুক্তিযোদ্ধা আনসার আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় সেনাবাহিনীর অভি-যানে চার ছিন-তাইকারীকে গ্রে-ফতার

    আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় সেনাবাহিনীর অভি-যানে চার ছিন-তাইকারীকে গ্রে-ফতার

    হেলাল শেখ: ঢাকার আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের জামগড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারজন ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

    গ্রেফতারকৃতরা হলো— মিজানুর রহমান (৫২), সোহেল রানা (৩১), পিতা মোঃ সাজু মিয়া এবং মোঃ কাউছার উদ্দিন। সেনাবাহিনীর জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেছে, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় চুরি-ছিনতাইসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল।

    সেনাবাহিনীর সদস্যরা জানান, রবিবার (১৭ আগস্ট ২০২৫) রাতে ছিনতাইয়ের সময় হাতেনাতে ধরা হয় তাদের। পরে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আশুলিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।

    আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হান্নান বলেন, “চারজন ছিনতাইকারীকে সেনাবাহিনী থানায় হস্তান্তর করেছে। আজ সোমবার তাদের আদালতে প্রেরণ করা হবে।

  • গোপালগঞ্জে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল পদে নিয়োগের প্রথম ধা-প সম্পন্ন

    গোপালগঞ্জে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল পদে নিয়োগের প্রথম ধা-প সম্পন্ন

    কে এম সাইফুর রহমান, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    ‘সেবার ব্রতে চাকরি” এ স্লোগানকে সামনে রেখে বাংলাদেশ পুলিশে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগ, জুন- ২০২৫ প্রথম ধাপ সম্পন্ন হয়েছে।

    রোববার (১৭ আগস্ট) গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশ লাইন্স মাঠে বাংলাদেশ পুলিশে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগের জন্য পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স কর্তৃক প্রিলিমিনারি স্ক্রিনিং শেষে গোপালগঞ্জ জেলার বাছাইকৃত যোগ্য প্রার্থীদের ১ম দিনের ইভেন্ট ‘‘শারীরিক মাপ ও কাগজপত্র যাচাইকরণ” পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমানের সার্বিক তত্বাবধায়নে নিয়োগ কমিটি ও নিয়োগ কাজে নিয়োজিত সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং ফোর্সগণ স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে প্রথম দিনের নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করেন। শারীরিক মাপ ও কাগজপত্র যাচাইকরণ শেষে যোগ্য প্রার্থীদের কোনরকম দালালচক্রের সাথে আর্থিক লেনদেন না করার নির্দেশনা প্রদান করেন পুলিশ সুপার, গোপালগঞ্জ।

    এ সময় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের প্রতিনিধিগণ বাংলাদেশ পুলিশে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগ, জুন- ২০২৫ এর সকল কার্যক্রমে নিয়োগ বোর্ডকে সহায়তা করার জন্য উপস্থিত ছিলেন।

    এছাড়াও উক্ত নিয়োগ কার্যক্রমে বোর্ডের সদস্য হিসেবে গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • গোপালগঞ্জ জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মা-সিক সভা অনুষ্ঠিত

    গোপালগঞ্জ জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মা-সিক সভা অনুষ্ঠিত

    কে এম সাইফুর রহমান, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    গোপালগঞ্জ জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রোববার (১৭ আগস্ট) সকাল ১০ টায় গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষ ‘স্বচ্ছতা’য় আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্মসচিব) মুহম্মদ কামরুজ্জামান।

    গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সালমা পারভীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমন্বয় কমিটির মাসিক সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মুহাম্মদ সরোয়ার হোসেন, গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দেব নাথ, গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজের পরিচালক ডাঃ প্রেমানন্দ মন্ডল, গোপালগঞ্জ সিভিল সার্জন ডাঃ আবু সাঈদ ফারুক, গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ জীবিতেষ বিশ্বাস, গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যাপক ওহিদ আলম লস্কর, সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সেখ বেনজীর আহমেদ, গোপালগঞ্জ গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী স্বর্ণেন্দু শেখর মন্ডল, গোপালগঞ্জ এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ এহসানুল হক, গোপালগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম, গোপালগঞ্জ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ফয়েজ আহমেদ, গোপালগঞ্জ স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মাসুদুল হক, গোপালগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম রিফাত জামিল, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীর প্রতিনিধি, গোপালগঞ্জ ওজোপাডিকোর নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মাঈন উদ্দিন, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম রকিবুল হাসান, কাশিয়ানী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পলাশ কুমার দেবনাথ, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার, মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসনিম আক্তার, কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অঃ দাঃ) মোঃ মাসুম বিল্লাহ, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক হারুন-অর-রশীদ, গোপালগঞ্জ জেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক মোঃ সোহেল পারভেজ, আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস এর উপ-পরিচালক মোঃ নুরুল হুদা, জেলা কমান্ড্যান্ট (বিভিএমএস) মজিবুল হক,
    গোপালগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আঃ কাদের সরদার, জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ নবী নেওয়াজ, জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক (অঃ দাঃ) লাখসানা লাকী, জেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক শিপলু আহমেদ, গোপালগঞ্জ বিআরটিএ -এর মোটরযান পরিদর্শক জিয়া উদ্দিন সহ জেলা উন্নয়ন কমিটির অন্যান্য সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

    জেলার সার্বিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে এ সভার আয়োজন করা হয়। উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    অংশগ্রহণকারীরা জেলার চলমান উন্নয়ন প্রকল্প, অবকাঠামো উন্নয়ন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, পানি ব্যবস্থাপনা, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিসহ বিভিন্ন খাত নিয়ে আলোচনা করেন।

    কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক মুহম্মদ কামরুজ্জামান তার বক্তব্যে বলেন, “উন্নয়নের মূল লক্ষ্য হচ্ছে জনগণের জীবনমান উন্নয়ন। সরকারের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমকে টেকসই করতে হলে মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করতে হবে।” তিনি প্রতিটি প্রকল্প যথাসময়ে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।” সভা শেষে জেলা প্রশাসক সকল অংশগ্রহণকারীকে ধন্যবাদ জানান এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও আন্তরিকতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “সকলের সম্মিলিত প্রয়াসেই একটি উন্নত ও মানবিক গোপালগঞ্জ গড়ে তোলা সম্ভব।”
    সভায় জেলার প্রধান প্রধান উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয় এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে যেসব সমস্যা বা প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, তা চিহ্নিত করে সমাধানমূলক প্রস্তাব দেওয়া হয়। তাছাড়া, শিক্ষা খাতে মানোন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, নারী ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা, এবং জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো গড়ার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

  • নেছারাবাদের রাজবাড়ী ডিগ্রী কলেজের নবনির্বাচিত গ-ভর্নিংবডির পরিচিতি সভা ও অভিভাবক সমাবেশ

    নেছারাবাদের রাজবাড়ী ডিগ্রী কলেজের নবনির্বাচিত গ-ভর্নিংবডির পরিচিতি সভা ও অভিভাবক সমাবেশ

    নেছারাবাদ উপজেলা সংবাদদাতা।।

    পিরোজপুরে নেছারাবাদ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী রাজবাড়ী ডিগ্রী কলেজের নবনির্বাচিত গভর্নিং বডির পরিচিতি সভা ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সভায় কলেজের গভর্নিং বডির নতুন সদস্যদের পরিচিতি দেওয়া হয় এবং অভিভাবকদের সাথে শিক্ষার মান, কলেজের কার্যক্রম, ও বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

    রবিবার (১৭ আগস্ট) সকালে উপজেলার রাজবাড়ী ডিগ্রী কলেজ মিলনায়তনে এ পরিচিতি সভা ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত পরিচিতি সভা ও অভিভাবক সমাবেশে রাজবাড়ী ডিগ্রী কলেজের প্রতিষ্ঠাতা মো. ফকির শাহ্ নাসির উদ্দিন, অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মো. নজরুল ইসলাম সহ সকল শিক্ষক-কর্মচারী, ছাত্র-ছাত্রী,রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গ ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন। তারা কলেজের উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের সাফল্য এবং শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে তাদের চিন্তাভাবনা এবং পরামর্শ শেয়ার করেন। অভিভাবকগণও তাদের সন্তানদের শিক্ষাগত উন্নতির জন্য সহযোগিতার প্রস্তাব জানান।

    রাজবাড়ী ডিগ্রী কলেজের গভর্নিংবডির নবনির্বাচিত সভাপতি মো. শাহ্ নাজিম উদ্দিন মুনান তার বক্তব্যে বলেন, “আজকের এই অনুষ্ঠান আমাদের জন্য একটি বিশেষ এবং গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। আমরা এখানে একত্রিত হয়েছি নতুন গভর্নিং বডির সাথে পরিচিত হতে এবং অভিভাবকদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ককে আরও দৃঢ়তর করার জন্য। আমাদের কলেজটি শিক্ষার মান উন্নয়নে সব সময় চেষ্টা করে আসছে এবং আমি বিশ্বাস করি, নবগঠিত গভর্নিং বডি এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখবে।”

    তিনি আরো বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে ছাত্রছাত্রীদের সম্ভাবনাকে উদ্বোধন করা এবং তাদের সৃজনশীলতা ও মননশীলতাকে সঠিক পথে পরিচালিত করা। অভিভাবকদের সহযোগিতা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ আপনারা যারা সন্তানদের জন্য উন্নত শিক্ষার খোঁজ করেন, তারাই আমাদের পাশে থাকলে আমরা সফলতা অর্জন করতে পারব।”

    সভাপতি সকল অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান, যেন তারা কলেজের কার্যক্রমে অংশ নেন এবং শিক্ষার্থীদের শিক্ষার উন্নয়নের জন্য সক্রিয় সহযোগিতা করেন। তিনি বলেন, “শিক্ষা শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, সেটা একটি সামগ্রিক প্রক্রিয়া যা পরিবার, সমাজ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মিলে গঠন করে। আমরা সকলেই মিলেই চেষ্টা করলে রাজবাড়ী কলেজকে আরো উচ্চ শিখরে নিয়ে যেতে পারব।”

    অনুষ্ঠানের শেষে, নতুন গভর্নিং বডির সদস্যদের উৎসাহিত করে বলেন, “আমরা সবাই মিলে কাজ করব। রাজবাড়ী ডিগ্রী কলেজকে আরো দূরদর্শী, প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ও উন্নত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার জন্য আমাদের একযোগে কাজ করতে হবে।

    আনোয়ার হোসেন
    নেছারাবাদ উপজেলা সংবাদদাতা।