Blog

  • পাইকগাছায় ইদে- মিলাদুন্নবী( সাঃ)  পালিত

    পাইকগাছায় ইদে- মিলাদুন্নবী( সাঃ) পালিত

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা(খুলনা)।।
    খুলনা -৬কয়রা -পাইকগাছা জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু এমপি উদ্যোগে হযরত মোহাম্দ( সঃ) এর জন্মূদিন উপলক্ষে ঈদে মিলাদুন্নবী দীনভর কোরন খানি, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার দুপুরে দলীয় কার্যালয়ে ও সংসদ সদস্যর বাসভবনে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন। উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার ইকবাল মন্টু, বিশেষ অতিথি বাবু সমীরণ কুমার সাধু, উপস্থিত ছিলেন সহকারী অধ্যাপক ময়নুল ইসলাম, পৌরসভা আওয়ামী লীগের সদস্য প্রভাষক আঃ ওহাব বাবলু, প্রভাষক মশিউর রহমান, প্রভাষক গাজী বজলুর রহমান, পাইকগাছা উপজেলা পুলিশিং কমিটির সভাপতি দাউদ আলী শরীফ, পাইকগাছা পৌরসভার প্যানেল মেয়র মাহবুবুর রহমান রঞ্জু, পৌর কাউন্সিলর আঃ গফফার মোড়ল, উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাবেক সদস্য এম এম আজিজুল হাকিম, টি এম হাসানুজ্জামান, বাবু কৃষ্ণ দাশ গাইন, শেখ রাজু আহম্মেদ, শেখ জামাল হোসেন, বাবু দীপঙ্কর কুমার মন্ডল, পৌর শ্রমিক লীগের সভাপতি মোড়ল আনারুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম গাজী, উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি শেখ শাহাজান আলী, সি পি পি উপজেলা টিম লিডার আবদুল্লাহ আল মামুন, পৌর সভা মহিলা আওয়ামী লীগের নেত্রী শেখ জুলি, ছাত্রলীগ নেতা মাজহারুল ইসলাম মিথুন, শাহেন শাহ বাদশা, অসিত কুমার মন্ডল।

  • পাইকগাছায় বাগদা চিংড়িতে পুশ করার অপরাধে  জরিমানা

    পাইকগাছায় বাগদা চিংড়িতে পুশ করার অপরাধে জরিমানা

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছায় বাগদা চিংড়িতে অপদ্রব্য পুশ করার অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমানা করা হয়েছে। রবিবার দুপুরে উপজেলার রামনগর গ্রামে হাসান খাঁ এর বাড়ির মধ্যে অস্থায়ী ঘরে বাগদা চিংড়িতে অপদ্রব্য পুশ করায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম. আবদুল্লাহ ইবনে মাসুদ আহমেদ। এসময়ে ১০টি পুশকৃত ইঞ্জেকশন ও ১২ কেজি বাগদা চিংড়ি জব্দ করা হয়। জব্দকৃত মাছ জনসম্মুখে গাড়ির চাকায় পিষ্ট করে খাওয়ার অনুপযোগী করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা এসএম শহিদুল্লাহ, রণধীর সরকার, কপিলমুনি পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ এসআই শাহজুল ইসলাম, পেশকার মোজ্জাম্মল হোসেন, স্থানীয় মৎস্য আড়ৎ সভাপতি মোঃ আবু হোসেন।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি।

  • ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রলীগের ৭ নেতাকর্মী বহিস্কার

    ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রলীগের ৭ নেতাকর্মী বহিস্কার

    ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতিসহ ৭ নেতাকে সাময়িক ভাবে বহিস্কার করা হয়েছে। রোববার রাতে জেলা ছাত্রলীগের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংগঠনের নীতি আদর্শ ও সংগঠন পরিপন্থি কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ফাহিম হাসান সানি, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বিশ্বাস হাদিউজ্জামান আরিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম রাব্বি (অর্ক), ছাত্রলীগের কর্মী ফরহাদ-১, মুস্তাকিম, ফরহাদ-২ ও নিয়নকে সাময়িক ভাবে বহিস্কার করা হলো এবং স্থানীয় ভাবে বহিস্কারের জন্য কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে সুপারিশ করা হলো। জানা গেছে, গত শুক্রবার রাতে ছাত্রলীগের ফাহিম হাসান সানি গ্রুপের ধাওয়া ও রাম দায়ের কোপ খেয়ে পালাতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘনায় নিহত হন ঝিনাইদহ সরকারি ভেটেরিনারি কলেজের ভিপি ও সদর উপজেলার কুশাবাড়িয়া গ্রামের বাদশা মোল্লার ছেলে সাইদুজ্জামান মুরাদ বিশ্বাস (২৫), ছাত্রলীগ কর্মী ও ভেটেরিনারি কলেজের শিক্ষার্থী চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার বনেশ^রপুর গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে তৌহিদুল ইসলাম (২৫) ও যশোরের মনিরামপুর উপজেলার পালদিয়া গ্রামের রাখাল চন্দ্র বিশ্বাসের ছেলে সমরেশ চন্দ্র বিশ্বাস (২৩)। এ নিয়ে দেশব্যাপী তোলপাড় সৃষ্টি হলে ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রলীগ দুই সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্ত কমিটি ২৪ ঘন্টার মধ্যে তদন্ত করে রিপোর্ট দিলে ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সজিব হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আল ইমরান উল্লেখিত ৭ নেতাকর্মীকে সাময়িক ভাবে বরখাস্ত করেন। এ ঘটনায় ভেটেরিনারি কলেজের জিএস সজিব হাসানকে ছাত্রলীগের প্রতিদ্বন্দি সানি ও আরিফ গ্রুপ কুপিয়ে জখম করে। তিনি বাদী হয়ে মামলা করলে পুলিশ নয়ন ও সংগ্রাম নামে দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে। শুক্রবার রাতে ঝিনাইদহ শহরের পাগলা কানাই এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ সোহেল রানা। এদিকে মুরাদের স্ত্রী সুমি খাতুন অভিযোগ করেন, তার স্বামীকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করেছে। কারণ তার স্বামী এমপি গ্রুপের আবু সুমন বিশ্বাসের সঙ্গে দল করতো। তিনি বলেন, এটা দুর্ঘটনা নয়, পরিকল্পিত হত্যা। এর আগেও তার স্বামীকে হত্যার ছক করা হয়। ছাত্রলীগের ট্রেন্ডে পকেটে ইয়াবা ঢুকিয়ে হেনস্তা করা হয়।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।

  • ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক দপ্তরের কর্মচারির রহস্যজনক মৃত্যু

    ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক দপ্তরের কর্মচারির রহস্যজনক মৃত্যু

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক দপ্তরের অফিস সহায়ক হাসানুজ্জামান পলাশের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। রোববার রাতে কালীগঞ্জ যাওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়েছে বলে পারিবারিক ভাবে বলা হয়। হাসানুজ্জামান পলাশ শৈলকুপার ত্রীপুরাকান্দি গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে। তিনি শহরের উপ-শহরপাড়ায় বসবাস করতেন। তার পেস্টিং ছিল মহেশপুর ভুমি অফিসে। কিন্তু অফিস না করায় ৩/৪ মাস বেতন পান বলে জানা গেছে। পলাশের স্ত্রী ফারজানা ইয়াসমিন স্বপ্না জানান, রাতে মিলন নামে এক ছেলে তার স্বামীকে মোবাইল করে ডেকে নিয়ে যায়। রাত ১০টার দিকে জানানো হয় তার স্বামী কালীগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন। ফারজানা ইয়াসমিন স্বপ্না জানান, দ্রæত কালীগঞ্জ পৌছে দেখেন তার স্বামীর মাথার পেছন থেকে রক্ত ঝরছে। যশোর হামপাতাল থেকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পথে পলাশের মৃত্যু হয়। ফারজানা ইয়াসমিন স্বপ্না অভিযোগ করেন, তার স্বামীর সঙ্গে যারা ছিল তাদের আচরণ ছিল রহস্যজনক। তারা লাশের গাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, হাসানুজ্জামান পলাশ শৈলকুপার ত্রীপুরাকান্দি গ্রামের শহিদুল ইসলামের সন্তান হলেও তাকে উপশহরপাড়ার বীর মুক্তিযোদ্ধা জোয়াদ আলীর সন্তান পরিচয়ে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক দপ্তরে চাকরী হয়। সরকারী চাকরী হলেও তিনি ঠিকমতো অফিস করতেন না। সোমবার দুপুরে ঝিনাইদহ শহরের উপ-শহরপাড়া পাবলিক হেলথ জামে মসজিদে জানাজা শেষে ঝিনাইদহ পৌর গোরস্থানে দাফন করা হয়।

  • ধামইরহাটে শ্রেষ্ঠ ইঊপি চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া

    ধামইরহাটে শ্রেষ্ঠ ইঊপি চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া

    আবুল বয়ান,ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

    নওগাঁর ধামইরহাটে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে ৪ ক্যাটাগরিতেই প্রথম স্থান অধিকার করেছে জাহানপুর ইউনিয়ন পরিষদ। ধামইরহাট উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ এই কর্মকান্ডে গত সপ্তাহে শ্রেষ্ঠ ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন জাহানপুর ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া, উপজেলার শ্রেষ্ঠ সচিব বিমান কুমার মন্ডল, শ্রেষ্ঠ হিসাব সহকারী শারমিন সুলতানা ও গৌছুল আজম শ্রেষ্ঠ গ্রাম পুলিশ নির্বাচিত হয়েছেন। ৪টি ক্যাটাগরির সবকটিতেই ১ম স্থান অধিকার করেছেন জাহানপুর ইউনিয়ন পরিষদ। জেলা পর্যায় থেকে প্রতি ৩ মাসে এই ফলাফল ঘোষিত হয়। এমন সাফল্যে ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া বলেন, মুলত একটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানই সবকিছু নয়, পরিষদের সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পারে একটি বড় সাফল্য এনে দিতে, যার ফলাফল আমারা পেয়েছি। জাহানপুর ইউনিয়ন পরিষদ সব সময় সেবা দিয়ে এগিয়ে যেতে চায়।’ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘জাহানপুর ইউনিয়ন ৪টি ক্যাটাগরিতেই ১ম হয়ে তারা প্রশংসার দাবী রাখে, এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকুক এবং অন্যান্য ইউনিয়ন পরিষদও তাদের প্রচেষ্টা চালাবে এমনটাই প্রত্যাশা করছি।’

    আবুল বয়ান
    ধামইরহাট, নওগাঁ।

  • সুজানগরে নতুন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের যোগদান

    সুজানগরে নতুন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের যোগদান

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) হিসেবে মোঃ তরিকুল ইসলাম যোগদান করেছেন। তিনি সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুরের উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বিসিএসের ৩৪তম ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা তিনি । সোমবার দুপুরে বিদায়ী ইউএনও মোঃ রওশন আলীর কাছ থেকে মোঃতরিকুল ইসলাম চার্জ গ্রহণের মাধ্যমে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। এদিন সুজানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে এসে পৌঁছালে নতুন ইউএনও মোঃ তরিকুল ইসলামকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। এ সময় সুজানগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন, উপজেলা কৃষি অফিসার মো.রাফিউল ইসলাম,উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো.সাইফুল ইসলাম, উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা মো.জিল্লুর রহমান সহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, মানিকহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিউল ইসলাম, সুজানগর প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহজাহান আলী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ইউনুস আলী বাদশা, সাবেক কৃষি বিষয়ক সম্পাদক রাজা হাসান, সুজানগর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক যুগান্তরের উপজেলা প্রতিনিধি এম এ আলিম রিপন অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এদিকে সদ্য বিদায়ী ইউএনও মো.রওশন আলী চাপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ইউএনও হিসেবে যোগদান করবেন। নতুন ইউএনও মোঃ তরিকুল ইসলাম সুজানগর উপজেলা থেকে বাল্যবিবাহরোধসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড নির্মুল করতে কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন। এছাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বপালনকালে সরকারের উন্নয়নমুলক কাজ ও শিক্ষা নিয়ে কাজ করতে উপজেলার সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • নড়াইলে বিশ্ব বরেণ্য চিত্র শিল্পী এস, এম , সুলতানের ২৮ তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত

    নড়াইলে বিশ্ব বরেণ্য চিত্র শিল্পী এস, এম , সুলতানের ২৮ তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলে বিশ্ব বরেণ্য চিত্র শিল্পী এস, এম, সুলতানের ২৮ তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত হয়েছে।
    সোমবার ১০ অক্টোবর দিনটি পালন উপলক্ষে জেলা প্রশাসন, এস, এম, সুলতান
    ফাউন্ডেশন ও এস,এম, সুলতান স্মৃতি সংগ্রহশালা এর আয়োজনে এস এম সুলতান
    কমপ্লেক্সে কোরআন খানি, শিল্পীর সমাধিতে পুস্পমাল্য অর্পন ও মাজার জিয়ারত
    ও দোয়া মাহফিল করা হয়। আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায়, জানান, পরে চিত্রা নদীতে শিশুদের নৌকা ভ্রমন ও
    আর্টক্যাম্প, শিশুস্বর্গের শিশুদের আর্ট প্রদর্শনী, শিশুদের অংশগ্রহনে আট
    ক্যাম্প ও বাউল গানের আসর আয়োজন করা হয়েছে।
    জেলা প্রশাসন,পুলিশ প্রশাসন, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, এস, এম সুলতান
    ফাউন্ডেশন, নড়াইল প্রেসক্লাব, এস,এম, সুলতান বেঙ্গল চারু ও কারুকলা
    মহাবিদ্যালয়, লাল বাউল সম্প্রদায়, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, সংগীত
    নিকেতনসহ সরকারি ও বে-সরকারি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ
    থেকে শিল্পীর সমাধিতে পুস্পমাল্য অর্পন করা হয়।
    এ সময় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী, অতিরিক্ত
    জেলা প্রশাসক ( রাজস্ব) শ্বাশতী শীল,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ রিয়াজুল
    ইসলাম, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির
    সাধারন সম্পাদক মলয় কুমার কুন্ডু, নড়াইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এনামুল কবির
    টুকু,সাধারন সম্পাদক শামিমুল ইসলাম টুলুসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
    উল্লেখ্য , বিশ্ববরেণ্য এই শিল্পী ১৯২৪ সালের ১০ আগস্ট নড়াইল শহরের
    মাছিমদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। ১৯৯৪ সালের ১০ অক্টোবর যশোরের সম্মিরিত
    সামরিক হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।
    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি।

  • নড়াইলে দেশের প্রথম ৬ লেনের মধুমতি সেতুর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনন্দের জোয়ারে ভাসছে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ

    নড়াইলে দেশের প্রথম ৬ লেনের মধুমতি সেতুর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনন্দের জোয়ারে ভাসছে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:
    নড়াইলে দেশের প্রথম ৬ লেনের মধুমতি কালনা সেতু উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনন্দের জোয়ারে ভাসছে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ
    দীর্ঘ দিন পর আরেকটি অপেক্ষার অবসান হলো। স্বপ্নের ‘পদ্মা সেতু’র পর
    ‘মধুমতি সেতু’র দ্বারও উন্মোচন হলো। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলবাসীর আরেকটি
    স্বপ্নপূরণ হলো। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, দুপুর ১টা ১০ মিনিটের সময় গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি
    মধুমতি সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেতুটি উদ্বোধনে
    দেশের ১০ জেলা তথা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলবাসীর আরেকটি স্বপ্নপূরণ হলো।
    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সভাপতিত্বে ও প্রধানমন্ত্রীর
    কার্যালয়ের মূখ্য সচিব ড.আহম্মদ কায়কাউসের সঞ্চালনায় নড়াইলের লোহাগড়ায়
    সেতুর পশ্চিমপ্রান্তে নির্মিত অস্থায়ী মঞ্চে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত
    ছিলেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার জিল্লুর রহমান চৌধুরী, খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি
    ড. খন্দকার মুহিত উদ্দিন,নড়াইল-১ আসনের সংসদ সদস্য কবিরুল হক মুক্তি,
    নড়াইল-২ আসনের সাংসদ মাশরাফি বিন মোর্তুজা, নড়াইলের জেলা প্রশাসক
    মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান,পুলিশ সুপার মোসাঃ সাদিরা খাতুন, প্রকল্পের
    পরিচালক শ্যামল ভট্টাচার্য, সওজ নড়াইলের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ
    আশরাফুজ্জামান,নড়াইল জেলা আওয়ামীরীগের সভাপতি এ্যাড. সুবাস চন্দ্র বোস,
    সাধার সম্পাদক নিজামউদ্দিন খান নিলু, লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ
    আজগর আলী, লোহাগড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শিকদার আব্দুল হান্নান
    রুনু,উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুন্সি আলাউদ্দিন, সাধারন সম্পাদক সৈয়দ
    মসিয়ূর রহমান প্রমুখ।
    সোমবার (১০ অক্টোবর) নড়াইল পাড়ে উপস্থিত এনামুল কবীর টুকু জানান, এটি
    অবশ্যই আনন্দের সংবাদ। মধুমতি সেতুটি এশিয়ান হাইওয়ের একটি অংশ; যা
    রাজধানীকে দেশের বৃহত্তম বেনাপোল স্থলবন্দরসহ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের
    সঙ্গে সংযুক্ত করবে। এর ফলে রাজধানীর সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ
    হয়ে যাবে। এর চেয়ে আর আনন্দের সংবাদ কি হতে পারে!
    অপেক্ষার অবসান হলো সেতু কর্তৃপক্ষসহ গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, নড়াইল, যশোর,
    বেনাপোল, সাতক্ষীরাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বেশ কয়েকটি জেলার কোটি কোটি
    মানুষ। আনন্দে আছেন যাত্রীবাহী বাসসহ অন্যান্য যানবাহন সংশ্লিষ্টরা। সড়ক
    ও জনপথ অধিদপ্তরের ক্রস বর্ডার রোড নেটওয়ার্ক ইম্প্রুভমেন্ট প্রজেক্টের
    আওতায় জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) অর্থায়নে কালনা সেতু নির্মিত হয়েছে।
    মধুমতি সেতু চালু হওয়ায় নড়াইল, যশোর, বেনাপোল, নোয়াপাড়া শিল্পনগর,
    সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরসহ আশেপাশের কয়েকটি জেলার লোকজন পদ্মা সেতুর
    সরাসরি সুফল পাবেন। কারণ, কালনাঘাটে এসে ফেরি পারাপারের বিড়ম্বনায় পড়তে
    হতো সব ধরণের যানবাহনকে। সেতু কর্তৃপক্ষসহ স্থানীয়রা জানান, এপারে
    নড়াইলের কালনাঘাট। ওপারে গোপালগঞ্জের শংকরপাশা। মাঝ দিয়ে প্রবাহিত মধুমতি
    নদী। এ নদীর ওপরই নির্মিত হয়েছে দেশের প্রথম ছয় লেনের মধুমতি সেতু।
    মধুমতি সেতুর প্রকল্প ব্যবস্থাপক এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ) নড়াইলের
    নির্বাহী প্রকৌশলী আশরাফুজ্জামান বলেন, কালনা দেশের প্রথম ছয় লেনের সেতু।
    নেলসন লোস আর্চ টাইপের (ধনুকের মতো বাঁকা) সেতু এটি। সেতুটির দৈর্ঘ্য ৬৯০
    মিটার এবং প্রস্থ ২৭ দশমিক ১ মিটার। উভয় পাশে ছয় লেনের সংযোগ সড়ক প্রায়
    সাড়ে ৪ কিলোমিটার। সেতু নির্মাণে মোট ব্যয় প্রায় ৯৬০ কোটি টাকা। এশিয়ান
    হাইওয়ের ওপর অবস্থিত এটি। সড়ক যোগাযোগের ক্ষেত্রে সিলেটের তামাবিল হয়ে
    ঢাকা, ভাঙ্গা, নড়াইল, যশোর, বেনাপোল, কোলকাতা পর্যন্ত সরাসরি ভূমিকা
    রাখবে। তবে এতোদিন কালনা পয়েন্টে মধুমতি নদী ধারা বিছিন্ন ছিল। সেতু
    নির্মাণের ফলে সেই বিছিন্নতা আর রইল না। মধুমতি সেতু চালুর ফলে জাতীয়
    ক্ষেত্রেই নয়, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখবে। ভারত, কোলকাতা, আসামসহ
    দেশের মধ্যে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর, বেনাপোল ও নোয়াপাড়া নদীবন্দরের
    মধ্যে যোগাযোগের মাইলফলক রচিত হবে। নড়াইলের লোহাগড়ায় ইপিজেড (রপ্তানি
    প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল) চালুসহ ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণ ও ব্যাপক
    কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
    কালনাঘাটে স্থাপিত নামফলক থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি
    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘কালনা সেতু’র ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
    কালনাঘাট থেকে ঢাকার দুরত্ব মাত্র ১০৮ কিলোমিটার। ফলে ঢাকার সঙ্গে নড়াইল,
    বেনাপোল, যশোর, খুলনাসহ আশেপাশের সড়ক যোগাযোগ কোথাও ৮৬ কিলোমিটার কমে
    যাবে। তবে ঢাকা থেকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পর্যন্ত ‘এক্সপ্রেস ওয়ে’ নির্মাণ
    করা হলেও ভাঙ্গা থেকে বেনাপোল পর্যন্ত এ ধরণের সড়ক নির্মিত হয়নি। ফলে এখন
    থেকে‘এক্সপ্রেস ওয়ে’র সুফল পাবে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বড় একটি অংশ।
    ভাঙ্গা থেকে নড়াইল-যশোর-বেনাপোল পর্যন্ত বর্তমানে দুই লেন সড়ক চালু আছে।
    এই অংশে ‘এক্সপ্রেস ওয়ে’ সড়ক নির্মাণের বিষয়টি প্রকল্পাধীন বলে জানিয়েছেন
    মধুমতি া সেতুর প্রকল্প ব্যবস্থাপক আশরাফুজ্জামান। তিনি বলেন, মধুমতি
    সেতু চালুর ফলে যানবাহনের চাপ বেড়ে যাবে। তাই আপাতত যশোরের মনিহার সিনেমা
    হল চত্বর থেকে নড়াইলের কালনাঘাট পর্যন্ত ৫২ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্ত করার
    উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বর্তমানে সড়কটি ১৮ফুট প্রশস্ত থাকলেও তা বাড়িয়ে ২৪
    ফুট করা হবে। দরপত্রের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। দরপত্র অনুমোদন হলে দুই
    সপ্তাহের মধ্যে ওয়ার্কঅডার দিব। নড়াইল অংশে প্রায় ৪৭ কোটি এবং যশোর অংশে
    ৩২ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়ক প্রশস্তকরণ করা হবে। এক বছরের মধ্যে কাজ শেষ করা
    হবে। এ লক্ষ্যে সড়কের দুই পাশে গাছকাটার কাজ শুরু হয়েছে।
    বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী লোহাগড়ার সন্তান অ্যাডভোকেট
    ফরিদুজ্জামান ফরহাদ বলেন, পদ্মা সেতুর সঙ্গে মধুমতি সেতুর অবিচ্ছেদ্য
    সম্পর্ক রয়েছে। এ দু’টি সেতু (পদ্মা ও মধুমতি ) রাজধানী ঢাকার সঙ্গে
    দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগের ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখে। ফেরিঘাটের
    অপেক্ষা আর যন্ত্রণা সহ্য করতে হবে না। যাত্রীসাধারণের পাশাপাশি কৃষিপণ্য
    বেচাকেনার ক্ষেত্রেও সহজ হবে। পাশাপাশি পদ্মা ও কালনাঘাট এলাকায়
    শিল্প-কলকারখানা গড়ে উঠবে। ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
    বাসসহ অন্যান্য যানবাহন চালকেরা জানান, ফেরিঘাট মানেই ভোগান্তি। তাদের
    আশা মধুমতি সেতু চালু হওয়ায় সেই কষ্ট আর থাকবে না।
    ‘নড়াইল জেলার অতীত ও বর্তমান’ গ্রন্থের লেখক সিনিয়র সাংবাদিক
    আকরামুজ্জামান মিলু বলেন, মধুমতি সেতুর জন্য নড়াইল, লোহাগড়া, গোপালগঞ্জের
    কাশিয়ানী, যশোর ও বেনাপোলের সড়ক যোগাযোগ, কৃষিপণ্য, শিল্পকলকারখানার
    ব্যাপক গুরুত্ব বেড়ে গেছে। অনেক উদ্যোক্তা এখনই কালনাঘাট এলাকায় শিল্প
    প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার চিন্তা-ভাবনা শুরু করেছেন। এ লক্ষ্যে অনেকে জমিও
    কিনেছেন।
    লোহাগড়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি
    সিকদার আব্দুল হান্নান রুনু বলেন, সরকারের উন্নয়ন ধারাবাহিকতার বড় সাফল্য
    পদ্মা সেতু। সেই সঙ্গে মধুমতি সেতুও। সড়ক পথে যোগাযোগের ক্ষেত্রে এ
    অঞ্চলের মানুষের নদ-নদীর আর কোনো প্রতিবন্ধকতা রইল না। ফলে দেশের
    অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখবে মধুমতি সেতু। এজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
    জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানাই।
    যশোর জেলা পরিবহন সংস্থা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ সড়ক
    পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের খুলনা বিভাগীয় আঞ্চলিক কমিটির যুগ্মসাধারণ
    সম্পাদক সেলিম রেজা মিঠু বলেন, মধুমতি সেতু চালুর ফলে যশোর, বেনাপোল,
    সাতক্ষীরা, মেহেরপুর, মাগুরাসহ পাশের জেলাগুলোর সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা
    বদলে যাবে। খুব সহজেই রাজধানী ঢাকার সঙ্গে যাতায়াত করা যাবে।আমরা ভীষন খুশি।
    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • নড়াইলে এস এম সুলতান সংগ্রহশালা ও ঘাট  চার বছরেও নির্মিত হয়নি

    নড়াইলে এস এম সুলতান সংগ্রহশালা ও ঘাট চার বছরেও নির্মিত হয়নি

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:
    নড়াইলে অর্থের অভাবে এস এম সুলতান সংগ্রহশালা ও ঘাট নির্মাণ থমকে আছে। চার বছরেও নির্মিত হয়নি ঘাটটি। এছাড়া সুলতান সংগ্রহশালা পর্যটনবান্ধব করতে নানামুখী উদ্যোগও কার্যকর হচ্ছে না অর্থের অভাবে।
    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, জেলা প্রশাসন ও সুলতান ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা যায়, প্রায় চার বছর আগে স্মৃতিসংগ্রহশালার পাশে চিত্রা নদীর পাড়ে সুলতানের দ্বিতলা নৌকা তথা ভ্রাম্যমাণ শিশুস্বর্গকে আরো টেকসই ও দৃষ্টিনন্দন করতে ‘সুলতান ঘাট’ নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়। ২০১৮ সালের জুনে ঘাট নির্মাণের কাজ শুরু হলেও প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে তা বন্ধ রয়েছে। পাশাপাশি সুলতান সংগ্রহশালাসহ পর্যটনকেন্দ্রের উন্নয়ন কাজও ঝুলে আছে। এসব উন্নয়ন কাজের জন্য জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে প্রায় ২০ কোটি টাকার প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে। তবে তিন বছরেও তা বরাদ্দ হয়নি।
    এদিকে, করোনার ধাক্কা কাটিয়ে দুই বছরে বেশি সময় পরে দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর সুলতান সংগ্রহশালা। শিশুদের কলকাকলিতে জমজমাট শিশুস্বর্গও। এখানকার শিক্ষার্থী মায়মুরা সুলতানা, মেঘনাথ দাস ও সৃষ্টি জানায়, তারা শিশুস্বর্গে নিয়মিত ছবি আঁকা শিখছে। ফুল, প্রকৃতি, নদীসহ বিভিন্ন প্রতিকৃতি আঁকতে পারে তারা।
    চারুপীঠ যশোরের শিশু শিক্ষার্থী সোহা ও লাবিবাসহ অন্যরা বলে, এস এম সুলতানের বাড়ি এসে খুব ভালো লেগেছে। তার ব্যবহৃত পোশাক, ছবি, দ্বিতলা নৌকাসহ ব্যবহৃত জিনিসপত্র দেখেছি। সুলতান দাদুর মতো সুন্দর ছবি আঁকতে চাই আমরা।
    মানিকগঞ্জ জেলা থেকে আগত দর্শনার্থী পাপিয়া, সোনিয়া ও পরশ বলেন, সুলতানের চিত্রকর্ম ও ফুল-প্রকৃতি দেখে আমরা খুবই মুগ্ধ। তবে জায়গাটি বড় পরিসরে হলে পর্যটকদের আরো ভালো লাগবে। দ্বিতলা নৌকাটিও সংস্কার করা প্রয়োজন। এস এম সুলতান স্মৃতিসংগ্রহশালার কিউরেটর তন্দ্রা মুখার্জী বলেন, এখানে এস এম সুলতানের মূল ছবি আছে ২৩টি এবং রেপ্লিকা ৫১টি। সংগ্রহশালার উন্নয়নে সরকার আরো কাজ করবে, এটাই আমাদের চাওয়া।
    সুলতান ফাউন্ডেশনের সভাপতি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান বলেন, এসএম সুলতান তার জীবদ্দশায় যে ঘরটিতে বসবাস করতেন, সেই একতলা ঘরটি সম্প্রতি সংস্কার করা হয়েছে। এস এম সুলতানের ব্যবহৃত খাটসহ অন্যান্য জিনিসপত্রও সুরক্ষিত হয়েছে। এই ঘরটিতেই গত ১০ আগস্ট উদ্বোধন করা হয়েছে-‘ফিরে দেখা সুলতান’ ভিডিওচিত্রের কার্যক্রম। এখানে প্রায় ১৩ মিনিটের ভিডিওচিত্রের মাধ্যমে পর্যটকদের দেখানো হচ্ছে সুলতানের জীবনাদর্শ ও চিত্রকর্ম বিষয়ে। এই ভিডিওচিত্র দেখে মুগ্ধ হচ্ছেন দর্শনার্থীরা। এটি বেশ সাড়া ফেলেছে।
    এছাড়া সুলতান সংগ্রহশালার ঘাট নির্মাণ, দ্বিতলা নৌকা সংস্কারসহ এলাকাটি পর্যটনবান্ধব করতে প্রায় ২০ কোটি টাকার প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। এক্ষেত্রে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। অর্থ বরাদ্দ পেলেই কাজ শুরু হবে।
    এসএম সুলতান ১৯২৪ সালের ১০ আগস্ট নড়াইলের মাছিমদিয়ায় বাবা মেছের আলী ও মা মাজু বিবির ঘরে জন্মগ্রহণ করেন। অসুস্থ অবস্থায় ১৯৯৪ সালের ১০ অক্টোবর যশোর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। প্রিয় জন্মভূমি নড়াইলের কুড়িগ্রাম এলাকায় সংগ্রহশালা চত্বরে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন সুলতান।
    চিত্রশিল্পের মূল্যায়ন হিসেবে এস এম সুলতান ১৯৮২ সালে পেয়েছেন একুশে পদক, ১৯৯৩ সালে স্বাধীনতা পদক, ১৯৮৪ সালে রেসিডেন্ট আর্টিস্ট স্বীকৃতি, ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ চারুশিল্পী সংসদ সম্মাননাসহ ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘ম্যান অব দ্য ইয়ার’, নিউইয়র্কের বায়োগ্রাফিক্যাল সেন্টার থেকে ‘ম্যান অব অ্যাচিভমেন্ট’ এবং এশিয়া উইক পত্রিকা থেকে ‘ম্যান অব এশিয়া’ পুরস্কার পেয়েছেন। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • ঝিনাইদহে গৃহবধূকে অপহরণ করল নামধারী সাংবাদিক

    ঝিনাইদহে গৃহবধূকে অপহরণ করল নামধারী সাংবাদিক

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ধর্ম আত্মীয়তা করে পরিবারের সাথে সখ্যতা করে অবশেষে সেই পরিবারের সন্তান হিনা বিবাহিত মেয়েকে গর্ভে সন্তান দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে গৃহবধূ অপহরণ করলেন এক নামধারী সাংবাদিক। ঘটনার প্রেক্ষিতে ঝিনাইদহ আদালতে আদালতে মামলা করলেন গৃহবধূর মাতা। এই নামধারী সাংবাদিকের নাম ইনসার আলী। গ্রামের বাড়ি উপজেলার যাদবপুর গ্রাম। বর্তমানে ঝিনাইদাহ শহরের আরাপপুরের জামতলা নামক জায়গায় স্ত্রী সন্তান নিয়ে বসবাস করে। সে নিজেকে দৈনিক আশ্রয় কন্ঠ, দৈনিক আরশিনগর ও অপরাধ কণ্ঠের পরিচয় দিয়ে সাংবাদিকতা করে বেড়ান। মামলা বিবরণ থেকে জানা যায় বিগত চার বছর আগে হরিনাকুন্ডু উপজেলার মন্দিরা গ্রামের আশরাফ উদ্দিন বেপারীর মেয়ে মিম খাতুন( ২৪ )এর বিবাহ হয় একই গ্রামের নূর হোসেনের ছেলে দিপু হোসেনের সাথে। তাদের চার বছরের বিবাহিত জীবনে কোন সন্তানাদি হয়নি। মিমের সন্তানাদি না হওয়া দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ইনসান আলী তাকে প্রলোভন দেখায় যে আমি ঝিনাইদহে এক ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলে তার সন্তান হবে। এই কথা বলে ঘটনার কিছুদিন আগে ঝিনাইদহে নিয়ে এসে তাকে জোহান পার্কে নিয়ে যায়। এই পার্কে নিয়ে তার কে প্রেমের প্রস্তাব দেয় এবং দুজনের অন্তরঙ্গ ছবি উঠায়। তাকে বলে যে তার সাথে গোপনে মেলামেশা করলে তার গর্ভে সন্তান আসবে কেউ জানতে পারবে না । তারই প্রস্তাবে মিম রাজি হয় না। তারপরে প্রায়ই ডাক্তার দেখানোর কথা বলে তাকে ঝিনাইদহ নিয়ে যায়। শুধু তাই নয় তাকে সন্তান দেয়ার কথা বলে বিভিন্নভাবে তার নিকট থেকে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিতে থাকে। অবশেষে তার অভিলাষ যখন পূরণ হচ্ছিল না তখন মিমকে অপহরণ করার পরিকল্পনা করে। ঘটনাটা ঘটায় গত ৩রা সেপ্টেম্বর সেপ্টেম্বর ইনসার একটি মহেন্দ্র নিয়ে তার সাথে আরও ৩-৪ জন লোক নিয়ে মিমের বাপের বাড়িতে হাজির হয়। বলে যে তোমাকে একজন ভালো ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হবে তাই বলে তাকে বুঝায় এবং বলে টাকা পয়সা নিয়ে এসো। এই সময়ে তার ঘরে থাকা গরু বিক্রির ৯০ হাজারটাকা সহ ব্যবহারকৃত স্বর্ণের চেইন ও কানের দুল নিয়ে ডাক্তারের কাছে যায়। তারপর রাতে অপেক্ষা করার পরে যখন আর মিম ফিরে না আসে তখন পরের দিন তারা তাকে খোঁজাখুঁজি করতে থাকে। না পেয়ে অবশেষে ১৮ই সেপ্টেম্বর মেয়ের মা বাদী হয়ে ঝিনেদা আদালতে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করে। ঘটনা একমাস অতিবাহিত হয়ে গেলেও আজ পর্যন্ত আসামী ইনসান আলী গ্রেপ্তার হয়নি।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।